Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    হায়রোগ্লিফের দেশে – অনির্বাণ ঘোষ

    লেখক এক পাতা গল্প244 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১৩. পৃথিবীর শুরু

    ‘আচ্ছা, একটা কথা বলো দেখি, ডিম আগে না মুরগি আগে?’

    কলেজের সেমিস্টার এগজাম চলছিল, তাই বেশ কয়েক সপ্তাহ ভবেশদার সঙ্গে দেখা হয়নি আমাদের। কাল পরীক্ষা শেষ হওয়ার পরে সন্ধের দিকে আমি আর পিজি বেনুদার দোকানে গিয়েছিলাম চা খেতে। দেখি ভবেশদা বসে আছেন। আমাদের দেখে বললেন,

    ‘আরে, মানিকজোড় যে, অনেকদিন পরে। পরীক্ষা কেমন হল?’

    আর পরীক্ষা, সে কেমন হয়েছে নিজেরাই ভালো জানি না। তাই আমি আর পিজি যেভাবে মাথা নাড়লাম তার মানে ভালোও হতে পারে আবার খারাপও হতে পারে। তবে ভবেশদা মনে হয় না সেটা খেয়াল করেছেন বলে, আমাদের উত্তরের অপেক্ষা না করেই বললেন,

    ‘ডিমের অমলেট চলবে নাকি? অনেক খাটনি গেছে তোমাদের, চলো আজকে আমিই খাওয়াই। বেনুউউউ…’

    সবার জন্য ডবল ডিমের অমলেট এল, আর এক কাপ করে চা। তারপর চামচ দিয়ে অমলেটের একটা টুকরো কেটে মুখে পুরতে পুরতে কথাটা বললেন ভবেশদা।

    ‘ডিম আগে না মুরগি আগে?’

    ‘এ তো খুব বোকা বোকা ধাঁধা, ভবেশদা। এর কোনো ঠিক উত্তর হয় নাকি?’

    ‘বোকা বোকা বলছ? এই ধাঁধার জনক কে জানো? গ্রিক ফিলোজফার প্লুটার্ক। এখন প্লুটার্ক কে সেটা জানতে চেয়ে তোমাদের লজ্জা দেব না। অমলেটটা দেখে একটা কথা মনে পড়ে গেল তাই প্রশ্নটা করলাম। আমি যদি বলি ডিম আগে তাহলে বিশ্বাস করবে?’

    ভবেশদার ট্রেডমার্ক হাসিটা দেখেই বুঝলাম একটা দারুণ গল্প শুরু হল বলে। পিজির মনেও নির্ঘাত এটাই এসেছিল। পাশ থেকে বলল,

    ‘কে বলল এরকম?’

    ‘কে আবার বলবে, হিন্দুরাই এমন বলে গেছে। প্রাচীন ইজিপশিয়ানরাও বলেছে। পৃথিবীর সৃষ্টিই তো হল ওইভাবে।’

    ‘তাই নাকি!’

    ‘হুম, ইজিপশিয়ানদের গল্পটা শোনো তবে, সব কিছু শুরুর আগে কিছুই ছিল না। আলো, বাতাস, মাটি, আকাশ কিচ্ছু না। ছিল শুধু জল। তার গভীরতা কেউ জানে না। কেউ জানে না কোথায় সেই জলের শেষ। এর নাম ছিল নান, একদিন এই জলেই ভেসে উঠল একটা ডিম। আর হঠাৎ করে ডিমের খোলসটায় চিড় ধরল, এই চিড় ধরার আওয়াজই হল প্রথম শব্দ। ডিমটা ফেটে যেতেই তার মধ্যে থেকে বেরিয়ে এল জীবনের প্রথম স্পন্দন। দেখা গেল সেই ডিমের মধ্যে থেকে গজিয়ে উঠছে একটা মাটির ঢিবি। তার ওপরে বসে আছেন একজন পুরুষ। ইনিই প্রথম দেবতা। এঁর নাম আতুম। যিনি নিজেই নিজেকে তৈরি করলেন।’

    ‘স্বয়ম্ভু!’

    ‘বাহ, স্পন্দন ভাই! এই নামটা কোথা থেকে শুনলে?’

    ‘ছোটোবেলায় দাদুর কাছে শুনেছিলাম, ব্রহ্মার আরেকটা নাম, যিনি নিজেই নিজেকে তৈরি করেছেন।’

    ‘ঠিক বলেছ। মৎস্যপুরাণে আছে মহাপ্রলয়ের কথা, যার পরে চারিদিকে শুধু অন্ধকার ছিল। তারপর সৃষ্টির আদি বীজ ধারণ করে তৈরি হল একটা ডিম, যার নাম হিরণ্যগর্ভ। এই ডিম থেকে জন্ম নিলেন স্বয়ম্ভু। দুটো মিথোলজির মধ্যে কী অদ্ভুত মিল, তাই না!’

    ‘কিন্তু, এরকম মিল কী করে হতে পারে, ভবেশদা? অত হাজার বছর আগে কি দুটো সভ্যতার মধ্যে যোগাযোগ ছিল?’

    ‘ভারতবর্ষ আর মিশরের মধ্যে যোগাযোগ তৈরি হয় যিশুর জন্মের ১৪০০ বছর আগে। কিন্তু বেদের বয়স আরও বেশি। কীভাবে দুটো মিথোলজি এতটা এক হতে পারে তা আমার ধারণার বাইরে, বুঝলে। হয়তো কোনোদিন কেউ এই রহস্যের সমাধান করতে পারবে। যাই হোক, হিন্দু দেবদেবীদের গল্প তো আগেও অনেক শুনেছ। এবারে মিশরের ঈশ্বরদের কথা শোনো, আতুমের কথায় ফিরে আসি।

    ‘ডিম ফেটে জন্ম নেওয়ার পরে আতুমই তৈরি করলেন সূর্যকে। সেই থেকে সৃষ্টি হল আলোর। এরপরে আতুমেরই শরীরের রস থেকে জন্ম নিল ওঁর দুই সন্তান শু আর তেফনুত। শু হলেন শুকনো বাতাসের দেবতা আর তেফনুত হলেন আর্দ্রতার দেবী। এঁরা তিনজনে মিলে সেই মাটির ঢিপির পৃথিবীতে বেশ ভালোই ছিলেন। কিন্তু একদিন হঠাৎ শু আর তেফনুত ঢিপি থেকে পড়ে গিয়ে তলিয়ে গেলেন নান-এর জলের গভীরে।

    ‘দেবতা আতুম তাঁরর চোখকে পাঠালেন যমজ সন্তানদের খুঁজে আনতে। আতুমের চোখ নানের অতল থেকে তুলে আনল শু আর তেফনুতকে। সন্তানদের খুঁজে পাওয়ার খুশিতে আতুমের চোখ দিয়ে যে জল পড়ল তা থেকে তৈরি হল পুরুষ আর নারীর। এরপরে শু আর তেফনুতের সন্তান হল…’

    ‘অ্যাঁ! বলেন কী? ভাই বোনের মধ্যে…’

    ‘হ্যাঁ, এতে অবাক হওয়ার তো কিছু নেই। আগেও তো বলেছিলাম। মিশরের পুরাণে এমন ইন্সেসচুয়াস রিলেশনের ঝুড়ি ঝুড়ি উদাহরণ আছে। ফারাওরা নিজেরাই নিজেদের বোনেদের বিয়ে করতেন। সেকথা পরে বলব ’খন। এখন এই গল্পটা শোনো।

    ‘শু আর তেফনুতের সন্তান হল গেব আর নুত। গেব হল পৃথিবীর দেবতা আর নুত হল আকাশের দেবী। গেবের শরীরেই জন্ম হল নীল নদের, তার পাঁজর থেকে তৈরি হতে থাকল শস্য। গেব খুব জোরে হেসে উঠলে পৃথিবীতে ভূমিকম্প হয়, গেবের রাগে তৈরি হয় খরা। এই গেব আর নুতেরও অনেক সন্তান ছিল। সেই সন্তানেরা ছিল আকাশের তারা। একদিন খুব খিদের মাথায় নুত ওর সন্তানদের খেয়ে ফেলল। স্বাভাবিক কারণেই গেব গেল রেগে। গেবের রাগ কমানোর জন্য তখন নুত গেবের ওপরে ছাতার মতো উপুড় হয়ে শুয়ে থাকল। ওর দুই হাত আর দুই পায়ের পাতা স্পর্শ করে থাকল উত্তর, দক্ষিণ, পূর্ব আর পশ্চিম দিক। যাতে এরা দু-জনে ঝগড়া না করে তাই এবারে শু দু-জনের মাঝে হাঁটু গেড়ে বসলেন। তাই পৃথিবীকে ঢেকে রেখেছে আকাশ। আর এই দুইয়ের মাঝে আছে বাতাস। নুত হাসলে বাজ পড়ে আর কাঁদলে বৃষ্টি হয়।’

    image107.jpg

    ‘বাহ! গল্পটা কিন্তু দারুণ ভােলা!’

    ‘সবই মানুষের উর্বর মস্তিষ্কের ফসল, ভায়া।’

    ‘আচ্ছা, আতুমকে দেখতে কেমন ছিল?’

    ‘গুগলে আতুম লিখে সার্চ করো।’

    তাই করলাম, বেশ কয়েকটা ছবি এল।

    ‘পেলে?’

    image108.jpg

    আতুম

    ‘হুমম, কিন্তু এটা তো একটা মানুষের ছবি।’

    ‘হ্যাঁ, তাই তো হওয়ার কথা। মিশরের বেশির ভাগ দেবদেবীর আকারই একদম মানুষের মতো। মাথা বা শরীরের কোনো অংশ কখনো কখনো অন্য পশু বা পাখির হয়। যেমন, এই ছবিটায় দেখো।

    ‘এটা আতুমের মানুষের রূপ। মাথায় মিশরের ফারাওয়ের মুকুট পরে দাঁড়িয়ে আছেন। কারণ ফারাওরা নিজেদের দেবতার অবতার বলে মনে করতেন। তাই ছবি আঁকার সময় অনেক ক্ষেত্রেই ফারাও আর ভগবান মিলেমিশে এক হয়ে যেত। মুকুটের কালো অংশটাই যদি কেউ পরে থাকে তার মানে সে শুধু দক্ষিণ মিশরেরই রাজা। এর নাম ছিল দেশরেত। আর কেউ যদি শুধু সাদা অংশটা পরে থাকে তার মানে সে শুধু উত্তর মিশরের রাজা। এর নাম হেদজেত। এখানে দেখো, আতুম দুটোই পরে আছে। এই মুকুটটার নাম হল শেন্ত। মানে আতুম গোটা দেশটারই সম্রাট।’

    ‘আর হাতে এগুলো কী?’

    image109.jpg

    আঁখ

    ‘লম্বা লাঠির মতো যেটা, সেটা হল রাজদণ্ড। দেশশাসনের ক্ষমতা যে তাঁরর হাতেই এটা বোঝানোর জন্য। একে বলে ‘‘ওয়াস’’। ওয়াসের হায়রোগ্লিফিক সাইনও দেখবে এঁকেছিলাম আগের দিন। এরকমই দেখতে। আর অন্য হাতে চাবির মতো যেটা আছে তার নাম ‘‘আঁখ’’। এটা হল জীবনের প্রতীক। এই আঁখ হাতে থাকলেই সে অমর হবে। মৃত্যুর পরের জীবনেও তার শরীরে প্রাণ আসবে। তাই অনেক দেবতার পাশাপাশি ফারাওদেরও দেখবে এই ‘‘আঁখ’’ ধরে আছে। তবে আতুমের কিন্তু আরও অনেক রকমের রূপ হয়, শরীরটা মানুষের থাকলেও মাথাটা বদলে হয়ে যেতে পারে সাপ, ছারপোকা বা পাহাড়ি ভেড়ার।’

    ‘অ্যাঁ, ছারপোকা!’

    ‘ঠিকই শুনেছ, কেন সেটা একটু পরেই বলছি। প্রথমের দিকে মিশরের মানুষ সূর্যদেব হিসেবে আতুমেরই পুজো করত। পরে তার জায়গাতে এল ‘‘রে’’ বা ‘‘রা’’।’

    ‘হ্যাঁ এই ‘‘রে’’-এর নাম তো শুনেছি।’

    ‘হ্যাঁ, বাইরের জগতে মিশরের যে কয়েকজন দেবতা খুব পপুলার তাদের মধ্যে ‘‘রে’’ একজন। সূর্যর তিন দশার জন্য তিনজন দেবতা তৈরি হয়। আতুম হয়ে যায় অস্তমিত সূর্য, রে হয় মাঝ আকাশের গনগনে সূর্য, আর ভোরবেলার সূর্যের নাম হয় খেপরি। এই খেপরির অবতার ছিল গুবরেপোকা। আরও ভালো করে বলতে গেলে বলতে হয় স্কারাব প্রজাতির বিটল। এদের আমাদের দেশেও দেখতে পাওয়া যায়। সূর্যের প্রতীক গুবরেপোকা হওয়ার কারণটা এবারে বলি, শোনো।

    image110.jpg

    ‘স্কারাব বিটল গোবরের ছোটো ছোটো বল বানিয়ে মাটির ওপর দিয়ে ঠেলতে ঠেলতে নিয়ে যায়। ওই গোবরের বলের মধ্যে থাকে ওদের নিষিক্ত ডিম, সেই ডিম ফুটে বাচ্চা বেরিয়ে আসে আর উড়ে যায়। মিশরীয়রা এটা জানত না যে এই বিটলদের ছেলে মেয়ে দু-রকমেরই ভাগ হয়। ওরা ভাবত গুবরেপোকাগুলো শুধু পুরুষ প্রজাতিরই হয়। তারা নিজেরাই বাচ্চা তৈরি করে। আর গোবরের বলগুলো অনেকটা সূর্যের মতো গোল। ব্যস, অমনি গুবরেপোকারা জাতে উঠল। নিজেরাই নিজেদের সৃষ্টি করে। তাই ছারপোকা হয়ে গেল সূর্যদেবের প্রতীক।’

    ‘বোঝো ঠেলা।’

    ‘আরও কয়েকটা মজার গল্প শোনো তাহলে, আতুমের চোখের কথা বললাম না একটু আগে, যাকে আতুম পাঠিয়েছিল…’

    ‘হ্যাঁ হ্যাঁ, বললেন তো, শু আর তেফনুতকে খুঁজে আনতে পাঠিয়েছিল।’

    image111.jpg

    স্কারাব বিটল

    ‘ঠিক, এই চোখ আতুমের শরীরের অংশ, তাই এ আবার আতুমের মেয়েও। আতুমের এই চোখ শু আর তেফনুতকে খুঁজে নিয়ে বাবার কাছে এসে দেখল যে বাবা তার জায়গায় অন্য একটা নতুন চোখ লাগিয়ে নিয়েছে। ব্যস, সে তো রেগে কাঁই। আতুম তাই মেয়েকে ঠান্ডা করার জন্য ওকে একটা কোবরার রূপ দিলেন। সেই কোবরার মিশরীয় নাম হল ইউরেয়াস। এই সাপের ঠাঁই হল আতুমের কপালে, দুই চোখের মাঝখানে। অনেক ফারাওয়ের মুকুটে দেখবে এই সাপ আছে। তুতানখামেনের সোনার মুখোশে দেখতে পাবে ইউরেয়াসকে। আবার অন্য একটা গল্পতে বলা আছে যে এই চোখ রেগে গিয়ে একটা সিংহীর রূপ ধারণ করে, সে তখন একের পর এক মানুষকে মারতে থাকে আর খেতে থাকে। এই সিংহকে বাগে আনে ওর ভাই শু, তাকে সাহায্য করে দেবতা থথ। তারপরে নীল নদের জলে চুবিয়ে ওর মাথা ঠান্ডা করা হয়।’

    ‘থথ? ইনি কোন দেবতা?’

    image112.jpg

    থথ

    ‘থথ হলেন জ্ঞান আর জাদুর দেবতা। থথই নাকি ইজিপশিয়ানদের লিখতে শিখিয়েছিলেন। থথের শরীরটা মানুষের হলেও মাথাটা ছিল আইবিস পাখি বা বেবুনের। তোমাদেরকে ‘‘রা’’-এর নৌকোর কথা বলেছিলাম মনে আছে? থথ এই নৌকোর একদিকে দাঁড়িয়ে থাকেন।’

    ‘আচ্ছা, বুক অফ দ্য ডেড-এও থথের কথা ছিল না?’

    ‘বাহ, তোমার মনে আছে দেখছি, পিজি ভাই। ঠিকই বলেছ। মৃতের যখন বিচার হয় তখন থথ দাঁড়িপাল্লার পাশে বসে সেই বিচারটা প্যাপিরাসে লিখে রাখেন। এই থথের একটা গল্প বলে আজকের আড্ডাটা শেষ করব।

    image113.jpg

    আইবিস পাখি

    ‘তেফনুত যে আর্দ্রতার দেবী ছিলেন সেটা আগেই বললাম তোমাদের। এই তেফনুত একবার বাবা ‘‘রা’’-এর ওপরে রাগ করে মিশর ছেড়ে চলে গেলেন। তার ফলে গোটা দেশ শুকিয়ে গেল। তেফনুতকে ফিরিয়ে আনার জন্য রা পাঠালেন থথকে। থথের সঙ্গে যখন তেফনুতের দেখা হল তখন তেফনুত একটা ভয়ংকর সিংহীর রূপ ধরে আছেন, অনেকটা সেই আতুমের চোখের মতো গল্পটা। যাই হোক, থথ বুঝলেন যে তেফনুতের সঙ্গে শক্তিতে পারা যাবে না। তাই কথা দিয়ে থথ তেফনুতকে ভোলাতে শুরু করলেন। এইভাবে তেফনুতকে বশ মানিয়ে থথ ওঁকে মিশরে ফিরিয়ে আনলেন, দেশে আবার জল ফিরে এল। থথ তেফনুতকে অনেকগুলো গল্প বলেছিলেন, তার একটা শুধু বলি তোমাদের।

    ‘একটা জঙ্গলে একটা বিশাল বড়ো সিংহ থাকত। তার প্রবল পরাক্রম। সবাই তাকে ভয় পেত। একদিন একটা পাহাড়ের নীচে সিংহর সঙ্গে দেখা হল একটা চিতাবাঘের। আধমরা হয়ে শুয়ে আছে। গায়ের চামড়া কেউ একটা ছাড়িয়ে নিয়েছে। সিংহ ওকে জিজ্ঞাসা করল, কে করল এমন তোমার সঙ্গে?

    ‘‘চিতাবাঘ কোনোরকমে জবাব দিল, মানুষ।’’

    ‘‘মানুষ?”

    ‘‘হ্যাঁ, মানুষ, খুব ধূর্ত এরা, তুমি কখনো ভুলেও ওদের পাল্লায় পোড়ো না।”

    image114.jpg

    আইবিস পাখির মমি

    ‘সিংহর তো মাথা গেল গরম হয়ে। এই মানুষকে দেখতে পেলেই শায়েস্তা করতে হবে। এই ভেবে সিংহ আর কয়েক পা এগিয়েছে, দেখল একজোড়া গাধা, ওদেরকে একটা জোয়াল দিয়ে কেউ বেঁধে দিয়েছে।

    ‘‘কে করল এরকম?”

    ‘‘মানুষ।”

    ‘‘মানুষ!”

    ‘‘হ্যাঁ, ওরা ভয়ানক প্রাণী! ভুলেও ওদের সামনে এসো না!”

    ‘সিংহর রাগ তো আরওই বেড়ে গেল। ও সব জায়গায় মানুষকে খুঁজে বেড়াতে লাগল। সেই সময় আরও বেশ কিছু জানোয়ারের সঙ্গে দেখা হল ওর। একটা ষাঁড় আর একটা গোরু যাদের নাকে ফুটো করা, একটা ভল্লুক যার নখগুলো কাটা, একটা অন্য সিংহ যার একটা পা একটা গাছের ফাঁকে আটকানো। সবই নাকি সেই মানুষের কীর্তি।

    ‘এই মানুষ নামের জীবকে হাতে পেলে মেরেই ফেলব, এই ভাবল সিংহ।

    ‘একদিন জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে সিংহ হাঁটছে, এমন সময় একটা ছোটো ইঁদুর এসে ওর সামনে পড়ল। সিংহ থাবা উঁচিয়ে ইঁদুরটাকে মারতে যাবে এমন সময় ইঁদুরটা বলল,

    ‘‘দয়া করে আমাকে মারবেন না। এই এতটুকু শরীরটা খেয়ে তো আপনার খিদে মিটবে না। কিন্তু আপনি যদি আমাকে না মারেন তাহলে ভবিষ্যতে কখনো আমি আপনাকে সাহায্য করতে পারি।”

    ‘এইটুকু একটা প্রাণী আর কী-বা সাহায্য করবে, এই ভাবল সিংহ। কিন্তু দয়া পরবশ হয়ে ইঁদুরটাকে ছেড়েও দিল।

    ‘সেইদিনই সিংহ একটা শিকারির জালের ফাঁদে পড়ল। অনেক চেষ্টা করেও আর নিজেকে কিছুতেই ছাড়াতে পারল না। এমন সময় সেই ইঁদুরটা ওখান দিয়ে যাচ্ছিল। সিংহর এই অবস্থা দেখে ও এগিয়ে এল। তারপরে দাঁত দিয়ে জাল কেটে সিংহকে মুক্ত করল। সিংহ জাল থেকে বেরিয়ে বুঝল মানুষের সঙ্গে পেরে ওঠা যাবে না। এই ভেবে জঙ্গলের গভীরে পালিয়ে গেল।’

    আমি আর পিজি চুপ করে গল্পটা শুনছিলাম, পিজি এবারে প্রায় বেঞ্চ থেকে লাফিয়ে উঠল,

    ‘আরিব্বাস! এই সিংহ আর ইঁদুরের গল্পটা অনেকটা ইশপের গল্পটার মতো না!’

    ‘হ্যাঁ ভাই, ইশপ কে ছিল বলো তো?’

    ‘সেটা তো জানি না।’

    ‘ইশপ ছিল একটা গ্রিক ক্রীতদাস। সে নাকি গল্পগুলো মুখে মুখে বলত। ইশপ যে সময়কার মানুষ সেই সময় গ্রিসের সঙ্গে মিশরের সম্পর্ক বেশ শক্তপোক্ত ছিল। তাই এটা একেবারেই অসম্ভব নয় যে মিশরের পুরাণের গল্পগুলোই ইশপের মুখে ফিরে এসেছে। তবে তোমাদের ডাক্তারির সঙ্গেও কিন্তু ইজিপশিয়ান মাইথোলজি জড়িয়ে আছে।’

    ‘বলেন কী!’

    ভবেশদা এবারে একটা ভ্রূ তুলে বললেন,

    ‘একটা এমন চিহ্ন, যেটাকে তোমরা বার বার দেখেছ। তবুও কখনো ভাবনি এটা এল কোথা থেকে। দেখো, গুগল করে কিছু পাও কি না। কাল সন্ধের দিকে দোকানে এসে উত্তরটা বলে দিয়ে যেয়ো।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহারানো সূর্যের খোঁজে – অনির্বাণ ঘোষ
    Next Article ভারতে ইসলাম ভারতীয় মুসলিম – অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }