Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    হায়রোগ্লিফের দেশে – অনির্বাণ ঘোষ

    লেখক এক পাতা গল্প244 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১৫. ফারাও

    ‘স্পন্দন।’

    ‘হুঁ।’

    ‘স্পন্দন, শুনছিস?’

    ‘হুঁ, বল।’

    ‘কী রে? মোবাইলটা থেকে মুখ তুলে শোন আমি কী বলছি।’

    পিজির জন্য গেমটা হারলাম। বিরক্ত মুখে ওর দিকে তাকাতেই ও বলল,

    ‘আমার না, ভবেশদাকে কেমন একটা সন্দেহ হয়, বুঝলি।’

    ‘কেন, সন্দেহ হওয়ার কী আছে?’

    ‘কি আছে! তুইই বল, আজকে ব্যাঙ্কে আসার কী মানে?’

    ‘মানে আবার কী? মানুষ তো ব্যাঙ্কে আসতেই পারে। এতে অবাক হওয়ার কী আছে?’

    ‘তোর মাথাটা ওই কমিউনিটি মেডিসিন পড়ে পড়ে ভোঁতা হয়ে গেছে। অন্য কোনো ব্যাঙ্কে এলে কথা ছিল না। কিন্তু একেবারে স্টেট ব্যাঙ্কের মেন অফিসে? ফরেন ট্রান্সাকশনের উইংয়ে! কলেজ স্ট্রিটের একটা বইয়ের গুমটির মালিকের এখানে আসার কী মানে? কে কী পাঠাচ্ছে বিদেশ থেকে? নাকি নিজেই বিদেশে…’

    পিজির কথা শেষ হওয়ার আগেই এন আর আই উইংয়ের দরজা খুলে ভবেশদা বেরিয়ে এল। হাতে দেখলাম সেই ক্যাটক্যাটে লাল রঙের ফাইলটাই আছে, যেটা নিয়ে ঢুকেছিল।

    ‘যাক, কাজটা মিটল। থ্যাঙ্ক ইউ পিজি ভাই, তোমার মামা এই ব্রাঞ্চে ছিলেন, তাই কাজটা ভালোয় ভালোয় হয়ে গেল।’

    ‘আরে, এটা কোনো ব্যাপারই না, ভবেশদা। তা আপনার এখানে দরকারটা কী ছিল? মানে যদি…’

    ‘তেমন কিছু নয়। আসলে আমার এক মামাতো ভাই থাকে ইংল্যান্ডে। তো, ওর ক-টা কাজ আমাকে করতে দিয়েছিল। হয়ে গেছে। বাঁচা গেছে। চলো, এবারে তোমাদেরকে সেই দারুণ জিনিসটা খাওয়াব!’

    image26.jpg

    গত সপ্তাহে ভবেশদাকে নিয়ে আমরা গিয়েছিলাম স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার স্ট্র্যান্ড রোডের ব্রাঞ্চে, যেটাকে সবাই সমৃদ্ধি ভবন বলে। ভবেশদার নাকি ওখানেই কী-একটা কাজ ছিল। পিজির মামা ওখানে চাকরি করে। কেউ চেনাশোনা থাকলে একটু সুবিধা হয়, তাই পিজির আসা ভবেশদার সঙ্গে। তবে আমার আসার কারণটা ছিল অন্য।

    স্কুপ!

    ব্যাঙ্কের কাজ ঠিকঠাকভাবে হয়ে গেলেই আমাদেরকে স্কুপে খাওয়াবেন ভবেশদা। এই ছিল পিজির শর্ত। এতদিন স্কুপের নামই শুনে এসেছিলাম। দারুণ দারুণ আইসক্রিম পাওয়া যায় নাকি! আমি আর পিজি কেউই আগে আসিনি এখানে। স্ট্র্যান্ড রোডের স্টেট ব্যাঙ্কের অফিস থেকে মিনিট তিরিশের হাঁটাপথে স্কুপ। প্রিন্সেপ ঘাটের একটু আগেই। গঙ্গার ধারে একটা ছোট্ট রেস্টুরেন্ট। দোতলা, ছিমছাম।

    ‘আইসক্রিম তো খাওয়াবই, তার আগে তোমাদেরকে স্কুপের আরেকটা জিনিস খাওয়াই বরং।’

    ‘কী? মেনুতে তো দেখছি পিৎজাও আছে।’

    ‘না না, পিৎজা না, ওটা এখানে এমন কিছু বানায় না। ফ্রেঞ্চ ফ্রাই খাই আগে চলো, এদের ফ্রেঞ্চ ফ্রাইয়ের কাছে ম্যাকডোনাল্ড, কেএফসি নস্যি।’

    দুটো বড়ো ঠোঙা ভরতি করে ফ্রেঞ্চ ফ্রাই কিনে আমরা এসে বসলাম গঙ্গার ধারে। তখন ঘড়িতে বাজে সাড়ে চারটে। রোদের চড়া ভাবটা গায়ে লাগছিল না আশেপাশের গাছগুলোর জন্য। একটা ঠান্ডা হাওয়া এসে লাগছিল মুখে-চোখে। স্কুপের ফ্রেঞ্চ ফ্রাই সত্যি খুব ভালো, কী-একটা মশলা দিয়েছে, তাতে টেস্ট আরও খোলতাই হয়েছে, মুচমুচেও বেশ। মনের সুখে পা ছড়িয়ে বসে ফ্রেঞ্চ ফ্রাই খাচ্ছিলাম এমন সময় পিজি লাফিয়ে উঠল। দেখি এক পা তুলে নাচছে।

    ‘উফফ! কী জোর কামড়েছে রে! একদম ফুলে গেল!’

    পিজি যেখানটায় বসেছিল সেখানে দেখি লাল ডেয়ো পিঁপড়ের দল, একেবারে গিজগিজ করছে, গাছের নীচে পড়ে-থাকা শুকনো পাতার আড়ালে ছিল তাই বুঝতে পারেনি। পিজি কী সব বিড়বিড় করতে করতে আর পা চুলকোতে চুলকোতে জায়গাটা বদলে বসল।

    image121.jpg

    ‘খুব রাগ ধরছে না, পিজি ভাই? এই পিঁপড়েরাই কিন্তু কয়েক হাজার বছর আগে মিশরের রাজাদের কামড়াত। তোমার একটু গর্ব করাও উচিত।’

    ততক্ষণে পিজি আবার মুখে এক গাদা ফ্রাই পুরেছে, স্বর বেরোনোর জায়গা নেই। তাই আমিই বললাম,

    ‘মিশরের রাজা?! মানে ফারাওদের কথা বলছেন?’

    ‘হ্যাঁ, এই পিঁপড়েগুলোকে বলে ফারাও অ্যান্ট। প্রাচীন মিশরেই নাকি এদের সবচেয়ে বেশি দেখা যেত, তাই এরকম নাম।’

    ‘আপনি কিন্তু খুফু ছাড়া বাকি ফারাওদের নিয়ে আমাদের কিছু বলেননি।’

    ‘বলাই যায়, হাতে সময় আছে তো?’

    ‘হ্যাঁ হ্যাঁ, সময় তো অঢেল। কাল তো রবিবার, কলেজের চাপ নেই।’

    ‘ওকে। তাহলে বলাই যায়। তবে ফারাও শব্দটা কিন্তু খুব পুরোনো নয়।’

    ‘মানে?’

    ‘মানে, মিশরের রাজাদের সবসময় ফারাও বলা হত না। প্রথম যে রাজাকে ফারাও বলে সম্বোধন করা হয় সে হল আখেনাতেন। সময়টা মোটামুটি ১৩৫০ বিসি। কিন্তু মিশরের রাজাদের ইতিহাস আরও অনেক অনেক পুরোনো। প্রথম যে রাজার হদিশ পাওয়া যায় সে হল নার্মার। যিশুর জন্মের একত্রিশশো বছর আগের কথা এটা।’

    ‘তাহলে আগে রাজাদের কী নামে ডাকা হত?’

    ‘সেইসময়ে রাজাদের একটা না, তিনটে নাম থাকত, বুঝলে।

    প্রথমটা হল হোরাস নাম, মানে দেবতা হোরাসের সঙ্গে নিজেকে মেলানো।’

    ‘মানে?’

    ‘মানে ধরো এই নামগুলো— ‘‘যোদ্ধা হোরাস’’, ‘‘শক্তিশালী হোরাস’’, ‘‘সূর্যের সন্তান হোরাস’’ এরকম।

    ‘হোরাস নামের পরে যে নাম আসত সেটা হল ‘‘নেসুবিতি’’ নাম। মানে জন্মের সময় রাজার যে নাম ছিল।

    ‘আর নেসুবিতি নামের পরে আসত ‘‘নেবতি’’ নাম, যে নামের মানে রাজা মিশরের উত্তর আর দক্ষিণ এই দুই ভাগেরই অধীশ্বর। এই নামে রাজাকে লিঙ্ক করা হত উত্তর মিশরের দেবতা নেখবেত আর দক্ষিণ মিশরের দেবতা ওয়াজেতের সঙ্গে।’

    পিজি এবারে বলল,

    ‘বাবা রে! এতগুলো নাম একজনের!’

    ‘এতে তো অবাক হওয়ার কিছু নেই, ভাই। আমাদের রাজাদেরও তো একগাদা উপাধি থাকত।’

    ‘হুমম, তা বটে। কিন্তু ফারাও নামটা এল কী করে?’

    ‘এর পিছনের গল্পটা বেশ ইন্টারেস্টিং, বুঝলে। মিশরীয়দের কাছে রাজাদের বিশাল প্রাসাদের উচ্চারণ ছিল ‘‘প্র-ও’’। রাজার হোরাস নাম লেখার সময় চৌকো রাজপ্রাসাদ এঁকে তার ভেতরে লেখা হত। একসময় এই রাজপ্রাসাদই রাজার নামের সঙ্গে মিশে যায়। পরে গ্রিকরা এই নাম উচ্চারণ করল পার-ও। আবার হিব্রু ভাষায় যখন ওল্ড টেস্টামেন্ট লেখা হল তখন রাজার নাম হল পার-ওহ। সেখান থেকে ল্যাটিনে এল ফারাও। কোরানেও এই রাজাদের কথা লেখা আছে বুঝলে, আরবিতে উচ্চারণ ছিল ফিরা-ওন। সবশেষে ইংরেজিতে ল্যাটিন নামটাই চলে এল। তাই আজকে সবাই ফারাও নামটাই জানে।’

    ‘আচ্ছা ভবেশদা, একটা জিনিস মাথায় ঢুকল না, ফারাওরা নিজেদের সঙ্গে ভগবানের নাম জুড়ত কেন? আমাদের কোনো রাজাকে এমনটা করতে দেখিনি।’

    ‘ফারাওদের তো নিজের নামের সঙ্গে ভগবানের নাম জুড়তেই হত! সাধারণ মানুষের কাছে ওরাই তো হল ভগবানের প্রতিভূ। দেবী ‘‘মাত’’-এর কথা বলেছিলাম মনে আছে?’

    ‘হ্যাঁ, বলেছিলেন তো বুক অফ দ্য ডেড-এর কথা বলার সময়।’

    ‘ঠিক, মাত ছিলেন ন্যায়ের দেবী। ফারাওদের প্রধান কাজটাই ছিল দেশ জুড়ে মাত বা ন্যায়কে বজায় রাখা। দেশের ভারসাম্য যাতে নষ্ট না হয় সেদিকে খেয়াল রাখা। যা দেশের ব্যালান্স নষ্ট করে, তা-ই মাতের বিপক্ষে। তাই ফারাওদের যেমন বিদ্রোহ দমন করতে হত, বাইরের দেশের আক্রমণ প্রতিহত করতে হত তেমনই আবার দেশে খরা বা বন্যা হলে ফারাওদেরই দায়িত্ব ছিল ভগবানের উপাসনা করা। ভেবে দেখো একবার, কাজটা মোটেই সহজ ছিল না। ফারাওদের প্রায় গোটা বছরটাই কাটত নীল নদে, দেশের এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে ট্রাভেল করে। তার ওপরে কোথাও যুদ্ধ লাগলে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিতে হত। ক্ষমতার লোভে রাজপরিবারের মধ্যেও খুনখারাপি কম হত না। তাই বেশিরভাগ ফারাওই তিরিশ-চল্লিশ বছরের বেশি বাঁচেননি।

    image122.jpg

    ‘এবারে তোমরা একটা কথা বলো দেখি, ফারাওদের ছবি দেখে চিনবে কী করে?’

    পিজি বলল, ‘ছবি দেখেছি তো অনেক, মাথায় একটা কভারের মতো থাকে, মুখে আবার লম্বা দাড়ি, এদিকে গোঁফ কামানো।’

    ‘হুমম, কিছুটা ঠিক বলেছ। তবে ফারাও বলতেই আমরা যার ছবির কথা ভাবি সেটা তুতানখামেনের মুখোশ। কিন্তু ওই মাথার কভার আর দাড়ি ছাড়াও আরও অনেক কিছু বোঝার আছে। গুগলে সার্চ দিয়ে তুতানখামেনের ছবিটা বার করো তো।’

    ছবিটা এতই বিখ্যাত যে খুঁজে পেতে দশ সেকেন্ডও লাগল না, আমার মোবাইলের স্ক্রিনের ওপরে ঝুঁকে এলেন ভবেশদা আর পিজি।

    ‘ভালো করে দেখো ছবিটা, মাথার ওপরে সাপটা দেখতে পাচ্ছ? ওটা কী বলো তো?’

    ‘ইউরেয়াস? সেই দেবতা আতুম-এর মেয়ে?’

    ‘বাহ! একদম ঠিক ধরেছ। সেই ইউরেয়াসই বটে। তবে এখানে এই সাপ হল দক্ষিণ মিশরের সেই দেবতা ওয়াজেতের প্রতীক, আর তার পাশে দেখো, একটা শকুনের মাথা দেখতে পাবে।’

    ‘বুঝে গেছি, এটা হল উত্তর মিশরের অন্য আরেকটা দেবতা, কী যেন নাম বলেছিলেন?’

    ‘নেখবেত। তুতানখামেনের মাথার যে কভারটা, ওর নাম হল নেমেস। মিশরের প্রায় সব রাজার মূর্তি বা ছবিতে এই নেমেস দেখতে পাবে। কিছুর সঙ্গে এই কভারটার মিল পাচ্ছ? দেখো, কেমন কানের মাথার দু-পাশ দিয়ে কাঁধের কাছে নেমে গেছে।’

    ‘অনেকটা সিংহের কেশরের মতো!’

    image123.jpg

    ‘ঠিক ধরেছ! সিংহের কেশরের মতো করেই নেমেসকে বানানো হয়েছিল, যাতে সিংহের মতো সাহস আর শক্তি যে রাজার মধ্যে আছে সেটা বোঝা যায়। এবারে দাড়িটার দিকে খেয়াল করো। মিশরে পুরুষদের গাল পরিষ্কার করে কামানো থাকত, গোঁফ বা দাড়ি রাখার চল ছিল না। কিন্তু ফারাওদের একটা নকল দাড়ি রাখা বাধ্যতামূলক ছিল। নিয়মটা এতটাই কড়া ছিল যে হাতসেপসুত নামের একজন রানি যখন নিজেকে ফারাও বলে ঘোষণা করেন তখন মেয়ে হওয়া সত্ত্বেও তাকে এই ফলস দাড়ি লাগাতেই হয়। তুতানখামেনের দাড়ির নীচটা দেখো, একটু সামনের দিকে বাঁকা, তাই না?’

    ‘হ্যাঁ।’

    ‘এবারে চট করে রামেসিস সেকেন্ড বলে সার্চ দাও তো। যে ফারাওয়ের মূর্তিটা আসবে সেটা ভালো করে দেখো।’

    রামেসিসের মূর্তিও চট করে পাওয়া গেল।

    ‘মাথার ওপরের সাপ আর নেমেস টুপিটা তো দেখতেই পাচ্ছ। শকুনটা নেই, মানে সেই সময় রামেসিস শুধুমাত্র দক্ষিণ মিশরের রাজা ছিলেন। এবারে দাড়িটা খেয়াল করো। কোনো তফাত আছে?’

    ‘আছে তো। এই দাড়িটা একদম সোজা নেমে গেছে দেখছি।’

    ‘হ্যাঁ, তার মানে যখন এই মূর্তি বানানো হয় তখন রাজা জীবিত ছিলেন। আর তুতানখামেনের মুখোশটা বানানো হয় ওঁর মারা যাওয়ার পরে। তাই দাড়িটাও সামনের দিকে বাঁকানো।’

    ‘বাহ, তাহলে শুধু মাথা দেখেই তো ফারাওয়ের ব্যাপারে অনেক কিছু বলে দেওয়া যায়!’

    ‘হ্যাঁ, যায়ই তো। এবারে তুতানখামেনের হাতের দিকে খেয়াল করো। কী দেখতে পাচ্ছ?’

    image124.jpg

    দ্বিতীয় রােমসিসের শোয়ােনা মূর্তি

    ‘একটা হাতে একটা লাঠির মতো ধরা আছে, মাথার দিকটা গোল করে বাঁকানো। আরেক হাতে ধরা লাঠির মাথায় তিনটে ছোটো ছোটো কাঠি লাগানো আছে।’

    image125.jpg
    image126.jpg

    ‘পরের যে লাঠিটার কথা বললে সেটার বাংলা কোনো শব্দ নেই, ইংরেজিতে একে ফ্লেইল বলে। এইটা দিয়ে মেরে মেরে শস্য ঝাড়াই করা হত। এর মানে ফারাও দেশের শস্যেরও রক্ষাকর্তা। আর প্রথমে যে লাঠিটার কথা বললে সেটা হল রাজদণ্ড বা স্কেপটার। এটা সবসময় নেতার হাতে দেখবে, যেমনটা আগের দিন দেবতা আতুমের হাতে ছিল। এই মাথার কাছে বাঁকানো স্কেপটারের নাম হল হেকা। আবার আতুমের হাতে থাকা স্কেপটারের নাম হল ওয়াস। একটা মজার জিনিস দেখাই তোমাদের, মোজেসের একটা ছবি খুঁজে বার করো দেখি।’

    বেরোল সেই ছবি।

    ‘এবারে ভালো করে দেখো তো মোজেসকে।’

    ‘হুমম, লম্বা দাড়িওলা, এক হাতে কমান্ডমেন্টস লেখা স্ল্যাব ধরে আছে, আরেক হাতে… আরে! সেই লাঠি! মাথাটা বাঁকানো! হেকা!’

    ‘ঠিক ধরেছ। বাইবেলের শুরুই তো মিশরে। মোজেসের এক্সোডাস মনে আছে? সেটা হয়েছিল ফারাও দ্বিতীয় আমেনহোতেপের সময়। ইংরেজি টেন কম্যান্ডমেন্টস সিনেমাটাতে যদিও দেখিয়েছিল দ্বিতীয় রামেসিসকে। সেটা একটা বেশ বড়ো ভুল।’

    গল্প করতে করতে কখন ফ্রেঞ্চ ফ্রাই ফুরিয়ে গেছে খেয়াল ছিল না। পিজি এবারে ডাস্টবিনে ঠোঙাটা টিপ করে ফেলে বলল,

    ‘একটা কথা বললেন না, ভবেশদা। হায়রোগ্লিফ শেখার সময় খেয়াল করেছিলাম শুধু ফারাওদের নামগুলো কেমন একটা চ্যাপটা চাকতির মতো জিনিসে কভার করা।’

    ‘ও, আচ্ছা। কার্তুজের কথা বলছ?’

    ‘অ্যাঁ? ওগুলোকে কার্তুজ বলে?’

    ‘হ্যাঁ, তাই বলে তো। তবে প্রথমে কিন্তু এমনটা ছিল না বুঝলে, এটা ছিল একদম গোল। নাম ছিল শেন। আকারটা গোল ছিল কারণ এর কোনো শুরু বা শেষ নেই। তাই ফারাওদের অমরত্ব প্রমাণ করার জন্য ওদের নাম লেখা হত শেনের মধ্যে। তবে এতে একটা মুশকিল হল। ভালো করে গুছিয়ে ফারাওয়ের নামটা শেনের মধ্যে লেখা সম্ভব হচ্ছিল না। তাই শেনের আকার আস্তে আস্তে বদলে লম্বাটে হয়ে গেল।’

    ‘তাহলে কার্তুজ, এমন নাম কেন? এটাও কি ইজিপশিয়ান নাম?’

    ‘ধুস, মোটেই ইজিপশিয়ান নয়, ফ্রেঞ্চ। আর ফ্রেঞ্চ উচ্চারণে ওটা হয় কার্তুস।’

    ‘বলেন কী! ফ্রেঞ্চ?’

    image127.jpg

    ‘হ্যাঁ। নেপোলিয়নের সেনারা ইজিপ্টে আসার পরে চারিদিকের মন্দিরে, কবরের দেওয়ালে এই লম্বাটে চিহ্নগুলো দেখতে পাচ্ছিল। কিন্তু তখনও তো হায়রোগ্লিফের মানে কেউ জানতই না। তাই কী লেখা আছে ওতে সে-ব্যাপারে কোনো ধারণাই হয়নি ওদের। চিহ্নটা দেখতে অনেকটা বন্দুকের গুলির মতো ছিল, যার ফরাসি নাম কার্তুজ। তাই ওরকম নাম হয়ে গেল।’

    ‘আচ্ছা ভবেশদা, আপনি ফারাওদের গল্প জানেন? মানে আমরা তো যেটুকু জানি তা ওই তুতানখামেনেরই।’

    ‘হ্যাঁ, তুতানখামেন তো ওয়ান অফ দ্য মোস্ট ইনসিগনিফিক্যান্ট ফারাও ছিলেন। রামেসিস, হাতসেপসুত, আখেনাতেন, সেতি এদের গল্প বললে অবাক হয়ে যাবে! আমি জানি কিছু কিছু, আরও কিছু পড়ছি এখনও। বলব তোমাদের এক এক করে। তবে ফারাওদের গল্পটা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই কবরে শুরু, বুঝলে।’

    ‘কবরে? মানে ঠিক বুঝলাম না।’

    ‘অধিকাংশ ফারাওদেরই তো জীবদ্দশায় লেখা কোনো জীবনী পাওয়া যায়নি। সেইসময় রাজদরবারে হওয়া কাজকর্মের রোজনামচা লিখে রাখারও কোনো চল ছিল না। তাই ফারাওদের সম্পর্কে যেটুকু জানা যায় তা ওই ফারাওদের প্রতিষ্ঠা করা মন্দিরের গায়ে অথবা ওদের কবরের গায়ে লিখে রাখা লিপি থেকে। অনেক ক্ষেত্রেই হয়তো সেগুলো অনেক বাড়িয়ে বলা, রাজাকে গ্লোরিফাই করার জন্য। তবে ওইটাই আমাদের একমাত্র সম্বল। সেইসব কবর আর মন্দির আবিষ্কার করার গল্পও দারুণ ইন্টারেস্টিং! তাই ফারাওদের গল্প বলতে গেলে তার সঙ্গে জড়িয়ে থাকা আর্কিয়োলজিস্টদের গল্পও চলে আসবে।

    ‘যেমন হাওয়ার্ড কার্টার!’

    ‘শুধু কার্টার না, বেলজোনি, বুর্খার্ট, জাহি হাওয়াস এমন অনেকের কথা বলতে হবে। এখন চলো স্কুপে ফেরা যাক। আইসক্রিম খেতে খেতে গল্প করা যাবে না হয়।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহারানো সূর্যের খোঁজে – অনির্বাণ ঘোষ
    Next Article ভারতে ইসলাম ভারতীয় মুসলিম – অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }