Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    হায়রোগ্লিফের দেশে – অনির্বাণ ঘোষ

    লেখক এক পাতা গল্প244 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১৮. সাকারার সেরাপিয়াম

    আগের শুক্রবারের কথা, বাবা মা পুরী বেড়াতে গিয়েছিল বলে বর্ধমানের বাড়ি ফাঁকা। তাই আমিও হোস্টেলেই রয়ে গিয়েছিলাম। বিকেল বেলা ক্লাস শেষ হওয়ার পরেই পিজি চান-টান করে সেন্ট মেখে বাবু সেজে বেরিয়ে গেল। বেটা নতুন প্রেম করা শুরু করেছে। তাই প্রায়দিনই সন্ধেবেলায় তিনি ছোটেন রাধানাথ বোস লেনে কলকাতা ইউনিভার্সিটির লেডিজ হোস্টেলের দিকে। তার প্রেমিকাটি ওখানেই থাকেন কিনা। আমার এদিকে একটাও ভালোবাসার পাত্রী জোটেনি এখনও অবধি। সন্ধে সাড়ে ছ-টা নাগাদ তাই একাই বেরিয়ে পড়েছিলাম। বড়োবাজারে আমার এক পিসি থাকেন। প্ল্যান ছিল তাঁরর সঙ্গেই দেখা করে আসব।

    আমাদের হোস্টেল থেকে বেরিয়ে কলেজ স্ট্রিটে এসে পড়লেই উলটোদিকের প্রেমচাঁদ বড়াল স্ট্রিটের মোড়ে একটা বেশ বড়োসড়ো শিবমন্দির আছে। হোস্টেল থেকে বেরোলেই মন্দিরটাতে ঢুকে ঢিপ করে একটা প্রণাম করা যেন অভ্যেসের মতো হয়ে গেছে। সেদিনও তাই ঢুকেছিলাম। বেরোতে যাব এমন সময় ভবেশদার গলা,

    ‘কী হে স্পন্দন ভাই, খবর কী?’

    ‘আপনি এদিকে! দোকান বন্ধ করে দিলেন নাকি?’

    ‘হ্যাঁ, আজকের মতো বন্ধ, তা তুমি একা কেন? শাগরেদ কোথায়?’

    ‘সে এখন অ্যাপোতে গেছে। আমি এই একটু পিসির বাড়িতে…’

    ‘ফিশ ফ্রাই খাবে?’

    ‘অ্যাঁ?’

    ‘অ্যাঁ আবার কী? আজ সকাল থেকে কেন জানি না ফিশ ফ্রাই খেতে ইচ্ছা করছিল, এসব জিনিস আবার একা একা খেলে ভালো টেস্ট পাই না। চলো কালিকায়। ফিশ ফ্রাই হয়ে যাক। আমি খাওয়াচ্ছি।’

    ‘কিন্তু পিসির বাড়ি?’

    ‘আরে, পিসি তো আর পালাচ্ছেন না?’

    সত্যি কথা, পিসি পালাবে না। কিন্তু ফিশ ফ্রাইয়ের হাতছানিতে সাড়া না দেওয়াটা পাপ। তাই দু-জনে মিলে চললাম কালিকার দিকে।

    image145.jpg

    দোকানের সামনেটায় খুব ভিড় থাকে সবসময়েই। ফ্রাইয়ের অর্ডার দিয়ে দু-জনে একটু দূরে এসে দাঁড়ালাম। এমন সময় ভবেশদা বললেন,

    ‘এই যে শিবমন্দিরে প্রণাম করে এলে, মন্দিরের চৌকাঠের কাছে একটা ষাঁড়ের মূর্তি আছে খেয়াল করেছ? ওইটা কে বলো তো?’

    ‘নন্দি তো।’

    ‘হ্যাঁ, এই নন্দিই আবার মিশরে গিয়ে হয়ে গেল এপিস।’

    ‘ইজিপশিয়ানরা গোরুর পুজো করতেন বলেছিলেন। হাথোর। ষাঁড়ও দেবতা ছিল?’

    ‘ছিল ভাই, ছোটোখাটো দেবতা নয়। মেমফিসে তার নামে ছিল এক বিশাল মন্দির। সেরাপিয়াম অফ এপিস বুলস। সেখানে ষাঁড়ের মমি বানিয়ে রাখত মিশরীয়রা।’

    ‘একটা গোটা ষাঁড়ের মমি!!’

    গরম ফিশ ফ্রাইয়ের একটা কোনা কাসুন্দিতে ডুবিয়ে হালকা কামড় দিয়ে শুরু করলেন ভবেশদা।

    image26.jpg

    ‘দ্বিতীয় রামেসিসকে মনে আছে তো?’

    ‘হ্যাঁ, যাঁর সেই বিশাল বড়ো পাথরের মূর্তি আর আবু সিম্বেলের টেম্পলের কথা বলেছিলেন।’

    ‘হ্যাঁ, এই দ্বিতীয় রামেসিসের সময়ে আরেকজন দেবতার পুজো হত, বুঝলে। তার নাম ছিল তাহ। এই তাহ ছিল আর্ট আর ক্রাফটের দেবতা। আবার ওর ইচ্ছাতেই নাকি নীল নদে বন্যা আসত, জমিতে শস্য ফলত। তাই তাহ-এর গুরুত্ব ছিল অপরিসীম।

    ‘এই তাহ-এর পার্থিব রূপ ছিল একটা ষাঁড়। এরই নাম এপিস। ষাঁড় অনেক শক্তিশালী, সাহসী, এর প্রজনন ক্ষমতাও অনেক বেশি। তাই মিশরের ফারাওদের ইতিহাসের প্রথম থেকেই এপিসের পুজো হয়ে আসছিল। রামেসিসের সময় এর জনপ্রিয়তা তুঙ্গে পৌঁছোয়। জ্যান্ত ষাঁড়কেই তাহ-এর অবতার ধরে নিয়ে পুজো করা হত। তবে আবার যে-সে ষাঁড় হলে চলত না। কিছু স্পেসিফিক ক্রাইটেরিয়া ম্যাচ করতে হত।’

    ‘যেমন?’

    ‘যেমন, যে গোরু সেই ষাঁড়ের জন্ম দিয়েছে তার আগে কোনো সন্তান থাকলে চলবে না। আবার ষাঁড়ের শরীরেও কিছু নির্দিষ্ট লক্ষণ থাকতেই হবে। হেরোডটাস বর্ণনা দিয়ে গেছেন এর।

    ‘সেই বুল হবে একদম সাদা, শুধু পিঠের দিকে থাকবে কালো দাগ, সেটাও আবার উড়ন্ত চিলের আকারের হতে হবে, আর কপালে থাকবে ডায়মন্ড আকৃতির কালো ছোপ। লেজের চুল হতে হবে বিজোড় সংখ্যার, জিভের তলায় থাকতে হবে স্কারাব গুবরে পোকার মতো আরেকটা দাগ।’

    ‘হা হা, লেজের চুল গুনত ওরা বসে বসে?! তা ছাড়া চাপের কী আছে? ইভন নাম্বারের চুল পেলে একটাকে উৎপাটিত করলেই তো ঝামেলা মিটে যেত।’

    image146.jpg

    এপিস বুল

    ‘তুমিও দেখছি পিজির মতো ফচকেমি করছ আজকাল, আমি যা পড়েছি সেটাই বললাম, সত্যি ওরা গুনে দেখত কি না থোড়াই জানি নাকি!’

    ‘সরি সরি, আপনি চটবেন না, আর কিছু বলছি না। আপনি এগোন।’

    ‘হুঁ, তো, এই ষাঁড় বেশ রাজকীয়ভাবে থাকত বুঝলে মন্দিরের মধ্যে। শুধু এর দেখভাল করার জন্য আলাদা করে প্রিস্ট রাখা হত, যিনি সারাদিন ধরে ওর প্রতিটা মুভমেন্ট ফলো করতেন, লিখে রাখতেন। সেইগুলো থেকেই নাকি দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ হত। এপিস ষাঁড়ের শ্বাস নাকি ছিল খুব পবিত্র। সপ্তাহে একটা দিন তিনি আবার নাকি মন্দিরের জানলা দিয়ে ভক্তদের দর্শন দিতেন। বেশ কিছু গোরু নিয়ে তৈরি একটা হারেম থাকত ওঁর জন্য। অন্যদিকে যে গোরু সেই ষাঁড়ের জন্ম দিয়েছে তাকেও পুজো করা হত আলাদাভাবে। দেবতা তাহ বিদ্যুতের রূপে এসে নাকি তাকে গর্ভবতী করেছে।’

    image147.jpg

    পবিত্র ষাঁড় এপিসের পুজো করছেন ফারাও

    ‘এ তো একদম এলাহি আয়োজন দেখছি!’

    ‘তা আর বলতে ! স্বয়ং ফারাও এই ষাঁড়ের আশীর্বাদ ছাড়া কোনো শুভ কাজ শুরু করতেন না। তবে এপিস বুল যেদিন মারা যেত সেদিন দেশ জুড়ে শোকের ছায়া নেমে আসত। অনেক যত্ন নিয়ে ওর শরীরটাকে মমি বানানো হত। শরীরে সোনার অলংকার, মুখে সোনার মুখোশ পরিয়ে কবর দেওয়া হত ওকে। মারা যাওয়ার পরে নাকি এপিস একাত্ম হয়ে যাবে মৃত্যুর পরের দেবতা ওসাইরিসের সঙ্গে। তখন ওর নাম হবে ওসাইরাপিস। যখন একটা এপিস ষাঁড়কে মমি বানানো হচ্ছে তখনই দেশ জুড়ে তল্লাশি শুরু হত আরেকটা এমন ষাঁড়ের।

    ‘দ্বিতীয় রামেসিসের রাজত্বকালে এমন দুটো ষাঁড় মারা যায়, বুঝলে। তাদেরকে মমি বানিয়ে সাকারার মরুভূমিতে কবর দেওয়া হয়। তবে ওর সন্তান খায়েমওয়াসেত যখন ফারাও হয়ে আসেন তখন একটা খুব বড়ো সিদ্ধান্ত নেন।

    image148.jpg

    এপিস বুলের মমি

    ‘যত এপিস বুল মারা যাবে তাদের সবার জন্য তৈরি করা হবে একটা বিশাল সমাধি। তার গোটাটাই হবে মাটির তলায়। একটা লম্বা গ্যালারি বানিয়ে তার দুই পাশে তৈরি করা হবে অনেকগুলো ঘর। প্রতিটা ঘরে থাকবে একজন এপিস বুলের সমাধি। আর মাটির ওপরে তৈরি করা হবে একটা বিশাল বড়ো মন্দির।

    ‘ফারাও যেমন ভেবেছিলেন ঠিক তেমনটাই করা হল। তারপর থেকে ইজিপ্টের ফারাওদের রাজত্বের শেষ দিন পর্যন্ত এই মন্দিরের জৌলুস অটুট ছিল। যিশুর জন্মের এক-শো বছর আগে স্ট্রাবো নামের এক গ্রিক ঐতিহাসিক এই তাক লাগানো মন্দিরের কথা লিখে গিয়েছিলেন। সাকারার এই সেরাপিয়াম থেকে মেমফিসের তাহ-এর মন্দির অবধি ছিল পাঁচ কিলোমিটার লম্বা একটা রাস্তা। সেই রাস্তার দু-পাশে রাখা ছিল অজস্র স্ফিংস।’

    ‘তাহলে এই মন্দির এখনও আছে?’

    ‘না ভাই, সেটা তো আর নেই। ৩৮৪ সালে রোমানদের হাত ধরে মিশরে খ্রিস্টান ধর্ম আসে। সঙ্গে সঙ্গেই সব পেগান ধর্মের চিহ্ন মিটিয়ে ফেলতে শুরু করে তারা। তাতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল এই সাকারার সেরাপিয়াম।’

    ‘আচ্ছা, আপনি এই মন্দিরটাকে বার বার সেরাপিয়াম বলছেন কেন বলুন তো?’

    ‘সেরাপিয়াম তো গ্রিক শব্দ। এর মানে সেরাপিসের মন্দির। ফারাওদের ইতিহাসের শেষের তিনশো বছরের সব রাজা ছিলেন গ্রিক। ওঁদেরকে বলা হত টলেমি। মনে করে দেখো, রোসেটার পাথরের কথা বলার সময় এঁদের কথা বলেছিলাম। টলেমিরা এপিস আর ওসাইরিসকে মিলিয়ে নিজেদের এক দেবতা বানান, তাঁররই নাম সেরাপিস। সেরাপিসকে কিন্তু দেখতে ছিল মানুষেরই মতো। তাঁরর সঙ্গে থাকত তিন মাথাওয়ালা একটা কুকুর। নাম কারবেরাস। যাই হোক, টলেমিরা কিন্তু সাকারার এপিসের মন্দিরের আকারের কোনো অদলবদল করেননি। শুধু দেবতার নামটুকুই বদলে যায়।’

    ‘ওহ, এবারে বুঝলাম ব্যাপারটা। এবারে বলুন খ্রিস্টানরা এই মন্দিরের কী করেছিল।’

    image149.jpg

    সেরাপিস

    ‘ওরা মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দিয়েছিল সেরাপিয়ামকে। শুধু মাটির নীচের এপিস ষাঁড়ের কবরখানা আর সেই স্ফিংসের পথ রয়ে গিয়েছিল। পরের দেড় হাজার বছরে সেটাও চলে গিয়েছিল মরুভূমির বালির নীচে।’

    ‘তাহলে ফের খুঁজে পাওয়া গেল কী করে !!’

    ‘সেটা সম্ভব হয়েছিল এক ডাক্তারের জন্য, বুঝলে। ফিলিবার্তো মনক্যালেরি ছিলেন ইতালিয়ান। কায়রোতেই ডাক্তারি করছিলেন। কিন্তু ছিল টুকটাক আর্কিয়োলজির শখ। তা, এই ডাক্তারবাবু একসময় দেখলেন খোঁড়াখুঁড়ি করে যা আর্টিফ্যাক্ট পাওয়া যাচ্ছে, তা বিক্রি করে ডাক্তারির থেকে বেশি উপার্জন করা যায়। ব্যস, অমনি তিনি ডাক্তারি ছেড়ে দিয়ে ফুলটাইম আর্কিয়োলজিস্ট হয়ে গেলেন।

    ‘১৮৩২ সালে সাকারার সেই বিখ্যাত স্টেপ পিরামিডের উত্তরে ঢিল ছোড়া দূরত্বে কাজ করছিলেন ফিলিবার্তো। তখনই একটা অদ্ভুত জিনিস চোখে পড়ে ওঁর। বালির মাঝখান থেকে জেগে আছে একটা পাথরের মাথা। আশেপাশের বালি সরাতেই বেরিয়ে পড়ল স্ফিংসের গোটা শরীর। চারপাশের আরও বালি সরাতে সরাতে সামনে আসতে থাকল একের পর এক আরও স্ফিংসের মূর্তি, যেন একটা রাস্তার দু-পাশে সারি দিয়ে রাখা আছে ওদের।’

    ‘এটাই কি সেই রাস্তা যেটা সাকারার সেরাপিয়ামের সঙ্গে জুড়ত মেমফিসের তাহ-এর মন্দিরকে !’

    ‘একদম ঠিক ধরেছ। ফিলিবার্তো আবিষ্কার করে ফেলেছিলেন অ্যাভিনিউ অফ স্ফিংস। কিন্তু শখের এই আর্কিয়োলজিস্টের ইতিহাস নিয়ে পড়াশোনা বিশেষ ছিল না। তাই বুঝতে পারেননি যে এটাই সেরাপিয়ামে যাওয়ার রাস্তা। তিরিশটা মতো স্ফিংসের মূর্তি ওখান থেকে তুলে নিয়েই ফিলিবার্তো খুশি হয়ে গিয়েছিলেন। সেই তিরিশটা স্ফিংসের বােরাখানা কিনে নিয়েছিলেন ইজিপ্টের বেলজিয়ান কনসাল জেনারেল সেসিনা পাশা। ছ-টা মূর্তি কিনেছিলেন দেশেরই কিছু ধনকুবের। ১৮৪৪-এ আর বাকি বারোটা মূর্তি কিনেছিল ব্রিটিশ সরকার।’

    ‘তাহলে এপিস বুলের সমাধির কী হল?’

    ‘আসছি সেই কথাতেই। ১৮৫০ সালে ফ্রান্সের ল্যুভর মিউজিয়াম থেকে একজন তরুণ আর্কিয়োলজিস্টকে পাঠানো হয় মিশরে। লক্ষ্য ছিল কোপটিক ভাষায় লেখা কিছু প্যাপিরাস মিউজিয়ামের জন্য নিয়ে আসা। লম্বা-চওড়া চেহারার মুখে হালকা দাড়িওয়ালা এই আর্কিয়োলজিস্টের নাম ছিল অগাস্ট মারিয়েতে।

    ‘মারিয়েতে ইজিপ্টে এসে মাসকয়েক কাটানোর পরেই বুঝলেন কোপ্টিক প্যাপিরাসের সন্ধান কেউ দিতে পারছে না। এদিকে দেশে খালি হাতে ফেরাটাও বোকামির কাজ হবে। তখন একদিন ভাগ্য গেল খুলে।

    image150.jpg

    মারিয়েতে

    ‘সেসিনা পাশার প্যালেসে একদিন ডিনারের নেমন্তন্ন ছিল মারিয়েতের। সেদিন সন্ধেবেলায় পাশার বাগানে ঘোরার সময়ে ওঁর নজর পড়ে বাগানে রাখা বারোটা স্ফিংসের ওপরে। একটু ভালো করে পরীক্ষা করেই মারিয়েতে বুঝতে পেরে যান এই স্ফিংস সাকারার হারিয়ে যাওয়া সেরাপিয়ামের রাস্তারই। পাশার থেকে ফিলিবার্তোর ঠিকানা নিয়ে দেখা করেন ওর সঙ্গে। তারপরে ১৮৫০ সালের পয়লা নভেম্বর খোঁড়া শুরু করলেন ঠিক সেই জায়গা থেকে যেখানে ফিলিবার্তো খুঁজে পেয়েছিলেন প্রথম স্ফিংসের মূর্তি।

    image151.jpg

    ‘এক মাসের মধ্যে মারিয়েতে খুঁজে পেয়ে গেলেন সেরাপিয়ামের ভিত! আর তার নীচেই ছিল এপিস বুলের সমাধি!

    ‘মারিয়েতে এখানে একটা ভুল করেন, বুঝলে। তাড়াহুড়ো করে সমাধির ভেতরে ঢোকার জন্য এক্সপ্লোসিভ দিয়ে সমাধির বাইরের দরজা উড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন। এতে সমাধির ভেতরের সিলিংয়ের একটা অংশ ভেঙে পড়ে। দেওয়ালের অনেক কারুকার্য খসে পড়ে। মারিয়েতে সমাধিতে ঢোকার পরে লম্বা সেই গ্যালারির দুই পাশে মোট চব্বিশটা ঘর খুঁজে পান। প্রতিটা ঘরে রাখা ছিল একটা করে বিশাল পাথরের তৈরি কফিন, যার এক একটার ওজনই প্রায় ১০০ টন! কিন্তু দুর্ভাগ্যের ব্যাপার ছিল এই যে, প্রতিটা কফিনই ছিল ফাঁকা।’

    ‘অ্যাঁ! ফাঁকা!! ষাঁড়ের মমি গায়েব!’

    image152.jpg

    প্রতিটা ঘরে রাখা পাথরের তৈরি বিশাল কফিন

    ‘হ্যাঁ, ভাই। মিশরের অন্যান্য সমাধির মতো এতেও তো বহুবার ডাকাতি হয়। ডাকাতরা কফিনগুলো থেকে চেঁছেপুঁছে সব নিয়ে গিয়েছিল। সেইসময়েই খুব সম্ভবত মমিগুলোকেও বের করে নিয়ে নষ্ট করে ফেলে। তোমাকে আগে বলেছিলাম মনে আছে নিশ্চয়, যে, অনেক সময়েই মমিগুলো ডাকাতদের মশালের জ্বালানির কাজ করত। এপিস বুলের মমিরও সেই হাল হয়েছিল খুব সম্ভবত। তুমি এখন যেমন হতাশ হলে শুনে, ঠিক তেমনই হতাশ হয়েছিলেন অগাস্ট মারিয়েতে। তবে তিনি হাল ছাড়েননি। আর তার পুরষ্কারও পেয়েছিলেন।

    ‘সমাধির একদম শেষপ্রান্তে এসে একটা লুকোনো করিডোরের মধ্যে একজোড়া অক্ষত ষাঁড়ের মমি খুঁজে পান মারিয়েতে। সেখানে ডাকাতদের হাত পড়েনি। সেই জায়গায় ঢুকেই চমকে ওঠেন তিনি। কবরের মেঝেতে বালির ওপরে পায়ের ছাপ। তিন হাজার বছর পুরোনো। খুব সম্ভবত যারা মমি দুটোকে সমাধিস্থ করার জন্য এনেছিল তাদেরই। সেই এপিস বুলদের মমির গায়ে ছিল সোনার অলংকার, পরজন্মে এদের সুবিধার জন্য বড়ো বড়ো জারে রাখা ছিল শস্য। কবরের দেওয়ালে খোদাই করা ছিল ফারাও দ্বিতীয় রামেসিস আর খায়েমওয়াসেতের নাম। এই মমিগুলো এখন রাখা আছে কায়রোর এগ্রিকালচার মিউজিয়ামে। মারিয়েতে এপিস বুলের একটা বিশাল বড়ো পাথরের মূর্তি নিয়ে যান দেশে। সেটা এখনও ল্যুভর মিউজিয়ামে রাখা আছে।’

    ‘ফ্যাসিনেটিং স্টোরি, সত্যি!’

    ‘তা আর বলতে, মিশরের ইতিহাসে এমন আরও কত কত গল্প যে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে তার ইয়ত্তা নেই। তবে আরও ফ্যাসিনেটিং একটা কথা বলি তোমায়। ডাক্তার ফিলিবার্তো বােরাটা স্ফিংস ব্রিটিশ গভর্নমেন্টকে বিক্রি করেছিলেন মনে আছে?’

    ‘হ্যাঁ, বললেন তো।’

    ‘তার একটাও কিন্তু ইংল্যান্ডে পৌঁছোয়নি।’

    ‘তাহলে কোথায় গেল?’

    ভবেশদা এবারে সেই ট্রেডমার্ক হাসিটা হেসে বললেন,

    ‘ভারতে, স্যার। ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ওগুলোকে এদেশে পাঠায়। আরও ভালো করে বলতে গেলে পাঠায় দেশের রাজধানীতে।’

    ‘রাজধানীতে? তখন তো রাজধানী… কলকাতা!!’

    ‘ঠিক, ভাই। তার একটা স্ফিংসই দেখতে পাবে ইন্ডিয়ান মিউজিয়ামে গেলে।’

    ‘তাহলে বাকি এগারোটার কী হল?’

    ‘সেটাই রহস্য, ভায়া। বাকি এগারোটার কী হল সেটা কেউ জানে না!’

    image153.jpg

    ইন্ডিয়ান মিউজিয়ামের স্ফিংস

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহারানো সূর্যের খোঁজে – অনির্বাণ ঘোষ
    Next Article ভারতে ইসলাম ভারতীয় মুসলিম – অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }