Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    হায়রোগ্লিফের দেশে – অনির্বাণ ঘোষ

    লেখক এক পাতা গল্প244 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৩. মমির গল্প (প্রথম পর্ব)

    ডাক্তারির প্রথম বছরে অ্যানাটমিটা খুব ভয়ের জিনিস। ভয়টা যত না জীবনে প্রথমবার মৃতদেহ নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করার জন্য, তার চেয়ে বেশি শরীরের প্রতিটা পেশি, শিরা, ধমনী, তাদের উৎস, গতিপথ মুখস্থ রাখাকে। আমার কিন্তু অ্যানাটমি দিব্যি লাগত। গোল্ড মেডেলও পেয়েছিলাম। তাই এখনও মাঝে মাঝে বিকেলে কলেজ ছুটির পরে অ্যানাটমির বিল্ডিংয়ে ঢুকি। ফার্স্ট ইয়ারের ছেলেমেয়েগুলোকে পড়াই কয়েক ঘণ্টা।

    আজকেও সেরকমই একটা দিন ছিল। ছুটির পরে এক ঘণ্টা মতন পড়ালাম, তারপরে হোস্টেলমুখো। ঘরে ঢুকে দেখি পিজি খাটে আধশোয়া হয়ে ভুঁড়িতে হাত বোলাচ্ছে। খাটের পাশে টুলে একটা বড়ো বাটিতে মুড়ি মাখা। আর তার পাশের চেয়ারটায় বসে আছেন, নান আদার দ্যান…

    ‘আরে ভবেশদা যে! এখানে? কী…’

    আমার কথাটা শেষ করতে দিল না পিজি। নাক সিটকে খাট থেকে উঠে বসে বলল, ‘তুই আবার বাচ্চাগুলোকে পড়াতে গেছিলি? ইস, গায়ে সেই ফর্মালিনের গন্ধ। একদম ঘরে ঢুকবি না এখন, যা আগে চান করে আয়।’

    বলে ঘরে ঝুলিয়ে রাখা দড়ি থেকে গামছা টেনে নিয়ে আমার দিকে ছুড়ে দিল।

    অগত্যা!

    image26.jpg

    চান করে যখন ঘরে ঢুকছি ততক্ষণে দেখি তিন কাপ চা-ও এসে গেছে। এবারে পিজি নিজেই আমার আগের প্রশ্নের জবাব দিল,

    ‘আরে, আজকে ক্লাসের পরে বাইরে বেরিয়ে দেখি হাসপাতালের মধ্যে ভবেশদা ঘোরাঘুরি করছেন। জিজ্ঞাসা করতে বললেন কোন এক ভাইঝিকে দেখতে এসেছিলেন। আমিও দুম করে ধরে নিয়ে চলে এলুম।’

    বুঝতেই পারলাম পিজি এখন গল্প শোনার মুডে আছে।

    ‘কিন্তু পিজি, কালকে ফার্মার ক্লাস টেস্ট, ভুলে গেলি?’

    ‘আরে ধুর, নিকুচি করেছে তোর ক্লাস টেস্টের, অমন অনেক আসবে যাবে। তুই চুপ করে বোস তো। নে, চা খা।’

    সত্যি বলতে কী, মাসে তিনটে করে ক্লাস টেস্ট দিতে আমারও ভালো লাগে না। তবে একটু বেশি রাত অবদি পড়লেই ম্যানেজ করে নেওয়া যাবে। এই ভেবে আমিও এবারে বারমুডার ওপরে একটা গেঞ্জি গলিয়ে পিজির খাটেতেই হাঁটু মুড়ে বেশ জমিয়ে বসলাম।

    ‘তা ভবেশদা, আজকে হাতে সময় আছে তো?’

    ‘আমার হাতে তো সময়ই সময়, আগে একটা কথা বলো তো, তোমার গা থেকে ফর্মালিনের গন্ধ ছাড়ছিল কেন?’

    ‘ওহ, জুনিয়রদের একটু অ্যানাটমি পড়াচ্ছিলাম, ওখানে ডেডবডিগুলোতে ফৰ্মালিন দেওয়া থাকে তো…’

    ‘জানি, যাতে না পচে যায়। একে কী বলে বলো তো?’

    ‘এমবামিং।’

    বুঝতেই পারছি ভবেশদা কোনদিকে যেতে চাইছেন।

    ‘আজকে কি মমি নিয়ে কিছু হবে নাকি?’

    ভবেশদা এবারে একটু হেসে বললেন,

    ‘হতেই পারে, মমির রহস্য নিয়ে তো সবার মনেই প্রশ্ন, কী করে একটা মানুষকে হাজার হাজার বছর ধরে প্রায় অবিকৃত রেখে দিত ওরা? তার চেয়েও বড়ো প্রশ্ন এত খাটনি খাটার কী দরকার ছিল?’

    ‘ঠিক, শরীরটাকে প্রিজার্ভ করে লাভ কী হত?’

    ‘হুঁ হুঁ বাবা, কারণ তো আছেই, মিশরের প্রথম মমি কার হয়েছিল জানো?’

    ‘নাহ, সেটা ঠিক জানা নেই।’

    ‘শুনলে অবাক হয়ে যাবে। প্রথম মমি একজন দেবতা নিজেই, স্বয়ং ওসাইরিস!’

    ‘বলেন কী!’

    ভবেশদা এবারে একমুঠো মুড়ি গালে ফেলে চিবোতে চিবোতে বললেন,

    ‘আগে সেই গল্পটা শুনে নাও তাহলে। ওসাইরিস, সেথ আর আইসিস তিন ভাইবোন। আবার আইসিস ওসাইরিসের স্ত্রীও।’

    ‘অ্যাঁ! বোনই স্ত্রী?’

    ‘হ্যাঁ, মিশরের পুরাণে এরকম উদাহরণ অনেক আছে। অনেক ফারাওরাও তাঁরদের বোনকে বিয়ে করতেন। তো যেটা বলছিলাম, ওসাইরিস তখন মিশরের রাজা। সিংহাসনে বসে আছেন। কিন্তু ওসাইরিসের ভাই সেথের খুব রাগ ওঁর ওপরে। সেই সেথই একদিন ওসাইরিসকে বুদ্ধি করে খুন করলেন। তারপরে ওসাইরিসের দেহটাকে বিয়াল্লিশটা টুকরো করে ছড়িয়ে দিলেন মিশরের দিকে দিকে। ওসাইরিসের স্ত্রী আইসিস এবারে একটা চিলের রূপ নিয়ে খুঁজতে বেরোলেন স্বামীর শরীরের অংশগুলো। লিঙ্গ বাদে সবকটা টুকরোই পাওয়া গেল। মৃত ওসাইরিসের এক একটা টুকরোকে জোড়া লাগালেন আইসিস। লিঙ্গটা তৈরি হল সোনা দিয়ে। তারপরে সেই ওসাইরিসের দেহের সংরক্ষণ করল আনুবিস।’

    ‘আনুবিস?!’

    ‘হ্যাঁ, আনুবিস মানে শেয়ালদেবতাই ওসাইরিসের মমি বানালেন। সেই প্রথম মমি বানানো। তারপরে ওসাইরিসের শরীরে প্রাণ এল। পুনর্জন্মের পরে ওসাইরিস আর আইসিসের একটা সন্তান হল, তার নাম হোরাস। সে-ই পরে সেথকে যুদ্ধে হারিয়ে বাবার হত্যার বদলা নেবে।’

    image35.jpg

    ফেলুদার ‘শেয়াল দেবতা রহস্য’-তে আনুবিস। সৌজন্যে : সন্দীপ রায়

    ‘আচ্ছা, সেইজন্যই গতবারে বলেছিলেন আনুবিস মামিফিকেশনের দেবতা।’

    ‘একদম ঠিক। অন্যদিকে ওসাইরিস তাঁরর পুনর্জন্মের পরে পাতালে চলে যান। সেই থেকে তিনি মৃত্যুর পরের জগতের দেবতা, এই জগতের নামই দুয়াত।’

    ‘হ্যাঁ, বলেছিলেন তো।’

    image36.jpg

    ওসাইরিসের মমি বানাচ্ছেন আনুবিস

    ‘হ্যাঁ, তাই দেখবে ওসাইরিসের যেকোনো ছবি মমিরই মতো। হাত দুটো ভাঁজ করে বুকের কাছে রাখা, সোজা মাথা। পা দুটোও জোড়া। যেন গোটা শরীরটাই কিছু দিয়ে মোড়ানো আছে।’

    এতক্ষণে পিজি মুখ খুলল, ‘হুম, ওসাইরিসকে কপি করেই তাহলে মমি বানানোর শুরু।’

    ‘না, ঠিক কপি করে নয়। মিথোলজি তো মানুষেরই তৈরি। মানুষের জীবনের গল্পই তাতে থাকে। এই গল্প ছাড়াও মমি বানানোর পিছনে আরেকটা ফিলোজফিকাল কারণ আছে, বুঝলে।’

    ‘আরেকটা কারণ!’

    ‘হ্যাঁ, আর এটাই মুখ্য কারণ। ইজিপশিয়ানরা বিশ্বাস করত একজন মানুষের তিন রকমের আত্মা আছে, তাদের মধ্যে একজন হল ‘‘আখ’’।’

    ‘হ্যাঁ, যেটা সেই ওসাইরিসের সামনে পরীক্ষায় পাশ করলে স্বর্গের দিকে যেতে পারে।’

    ‘ঠিক, আরেক রকমের আত্মা হল ‘‘বা’’, যে আত্মার ডানা আছে, পাখির রূপ ধরে সে দিনের বেলায় কবর থেকে বেরিয়ে পৃথিবীতে ঘুরতে পারে। রাতের বেলায় আবার কবরে ফিরে আসে।’

    ‘আর তিন নম্বর আত্মা?’

    ‘তার কথাই এখানে আসল, সেই আত্মার নাম হল ‘‘কা’’, কা-ই হল শরীরের মূল জীবনীশক্তি। অন্য দুটো আত্মা মৃত্যুর পরে তৈরি হলেও কা মানুষ জন্মাবার সময়তেই সৃষ্টি হয়। তাই কা-কে বাঁচিয়ে রাখার একমাত্র উপায় হল শরীরটাকে টিকিয়ে রাখা।’

    আমি বললাম, ‘এবারে বুঝলাম, এই কা-কে বাঁচিয়ে রাখার জন্যই মৃতদেহের সংরক্ষণ করার দরকার পড়ে। তাই থেকেই মমি বানানোর শুরু।’

    image37.jpg

    মিশরীয় চিহ্ন

    ‘ঠিক ধরেছ, এই কা-কে বাঁচিয়ে রাখার জন্যই মমির সঙ্গে কবরে রাখা হত খাবারদাবার, জল, সাজগোজের জিনিস, এমনকী টয়লেট পর্যন্ত। ইজিপ্ট এমনিতেই খুব শুকনো দেশ। প্রথম দিকে মৃতদেহদের কবর দেওয়া হত বালিতে গর্ত খুঁড়ে। খুব কম আর্দ্রতা থাকার জন্য গরম বালির নীচে সেই দেহগুলো শুকিয়ে গেলেও পচত না একেবারেই। কিন্তু ফারাওরাই প্রথম ভাবতে লাগলেন যে, আমাদের কবর বাকিদের সঙ্গে হবে কেন? আমরা রাজা, আমাদের সমাধি হবে অন্যদের থেকে আলাদা, চোখ ধাঁধানো। কিন্তু তাহলে তো কফিনের মধ্যেই একটা মাইক্রো ক্লাইমেট তৈরি করতে হবে, যেটা হবে বালির কবরের মতোই। শুকনো, আবার ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ হলেও চলবে না। এই চিন্তা থেকেই শুরু হল মমি বানানোর প্রক্রিয়া। এই প্রক্রিয়াকে উন্নত করতে সময় লেগেছিল কয়েক হাজার বছর। শুধুমাত্র হাতে-গোনা কয়েকজন এই কাজটা জানত। তাই এদের মূল্য ছিল অপরিসীম। প্রথমদিকে শুধু ফারাওদের মমি তৈরি হলেও পরে ব্যাপারটা সাধারণ মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে যায়। তখন পকেট গরম থাকলেই নিজের মমি বানিয়ে নেওয়াটা কোনো ব্যাপার নয়। তাই এখন ফারাওদের মমি ছাড়াও অনেক ধনী পরিবারের লোক কিংবা তাদের স্ত্রী, কন্যাদেরও মমি পাওয়া যায়। আদরের পোষ্যদেরও মমি বানিয়ে রাখার চল ছিল।’

    পিজি অনেকক্ষণ ধরে উশখুশ করছিল, এবারে বলল, ‘সবই তো বুঝলাম, কিন্তু মমিটা ওরা বানাত কী করে?’

    ভবেশদার চা-টা হাতের কাপেই ঠান্ডা হয়ে গিয়েছিল কথা বলতে বলতে, একটা লম্বা চুমুক দিয়ে সেটাকে শেষ করে বললেন,

    ‘মমি তৈরির রেসিপিটা বুঝলে অনেকটা সুক্তো রান্না করার মতো, মোটামুটি উপকরণগুলো সবার চেনা। কিন্তু ভালো রাঁধতে খুব কম লোক পারত।’

    ‘কিছু তো একটা রহস্য ছিলই।’

    ‘হ্যাঁ, সে তো থাকবেই। কীভাবে মমি বানাতে হবে সেটা তো শুধু কিছু সংখ্যক লোক জানত। তারা সেই সিক্রেট কারোর কাছে বলত না। হেরোডটাসের নাম শুনেছ তো?’

    ‘শুনব না আবার? স্কুলের ইতিহাস বইতে পড়েছিলাম তো।’

    ‘ঠিক, গ্রিক ইতিহাসবিদ, ফাদার অফ হিস্ট্রি বলা হয় এঁকে, যিশুর জন্মের দেড় হাজার বছর আগে হেরোডটাস ইজিপ্ট ঘুরে গেছিলেন। ওঁর লেখাতেই মমি কীভাবে বানানো হত তার একটা আন্দাজ পাওয়া যায়। মমি বানানোর ওয়ার্কশপগুলো ছিল শহর থেকে বেশ কিছুটা দূরে, মরুভূমির কাছাকাছি। সেখানে মৃতদেহ নিয়ে যাওয়ার পরে বাড়ির লোকেদের প্রথমে কাঠ দিয়ে বানানো মমির ছোটো ছোটো রেপ্লিকা দেখানো হত। এক একরকম মমির এক একরকম দাম। দাম ঠিক হওয়ার পরে মৃতদেহকে নিয়ে আসা হত একটা ঘরে, তার নাম ইব। সেখানে তাকে তিনদিন ধরে ভালো করে জল দিয়ে ধোয়া হত। ইবের পরে মৃতদেহের গন্তব্য ছিল আরেকটা ঘর, নাম ওয়াবেত। ওয়াবেত মানে পবিত্র স্থান। এখানেই তারপরে শুরু হত মমি বানানো। প্রথমেই একটা তামার তৈরি সরু আঁকশি মৃতের নাকের মধ্যে দিয়ে ঢুকিয়ে দেওয়া হত খুলিতে। তাই দিয়ে কুরে কুরে মস্তিষ্কটাকে বের করে নেওয়া হত।

    image38.jpg

    তামার আঁকশি দিয়ে মাথার ঘিলু বের করে নেওয়া হত

    যেটুকু বেরোত না সেটুকু জল স্প্রে করে বের করা হত। এরপরের কাজ হল শরীরের ভেতরের অঙ্গগুলো বের করা। ধারালো ইথিয়োপিয়ান ব্লেড দিয়ে পেটের বাঁ-দিকে লম্বালম্বিভাবে চিরে বের করে নেওয়া হত নাড়িভুঁড়ি, লিভার, কিডনি, স্প্লিন আর ফুসফুস। আগেই বলেছি হৃৎপিণ্ড ওদের কাছে খুব প্রয়োজনীয় জিনিস ছিল, তাই ওটিকে ছোঁয়া হত না। এই বের করে নেওয়া অঙ্গগুলোও আবার শুকিয়ে রাখা হত অ্যালবাস্টার পাথরের জারে। সেগুলো মমির সঙ্গেই কফিনে যেত। ভিসেরাগুলো বের করে নেওয়ার পরের কাজ হল শরীরটা থেকে জল একদম টেনে বের করে নেওয়া। কারণ জল থাকলেই শরীর পচতে শুরু করবে। এইজন্য ব্যবহার করা হত ন্যাট্রন। এই ন্যাট্রনের গুঁড়ো ঢুকিয়ে দেওয়া হত ফাঁপা পেটের মধ্যে। তারপর গোটা শরীরটাকে চুবিয়ে রাখা হত ন্যাট্রন ভরতি চৌবাচ্চায়, চল্লিশ দিনের জন্য! একটা শরীরকে একদম শুকিয়ে খটখটে করার জন্য লাগত প্রায় আড়াইশো কিলো ন্যাট্রন।’

    ‘এই ন্যাট্রন জিনিসটা কী?’

    image39.jpg

    ন্যাট্রন

    ‘এটা হল বুঝলে, একরকমের পাথরের গুঁড়ো, হাইড্রেটেড সোডিয়াম কার্বোনেট। রং হত সাদা বা স্বচ্ছ। পাওয়া যেত নুনের লেকগুলোতে। যেটা বলছিলাম, চল্লিশ দিন পরে সেই দেহকে তুলে নিয়ে আসা হত। তারপরে তার চামড়ায় লাগানো হত সিডার অয়েল আর তরল রেজিন, তাতে মেশানো থাকত নানান রকমের মশলা, সেই মশলাগুলোর একটা ছিল দারচিনি, যেটা নিয়ে আসা হত ভারতবর্ষ থেকেই!’

    ‘বাপ রে! মমি বানানোর জন্য তাহলে আমাদের দেশের একটু হলেও অবদান আছে, কিন্তু মড়ার শরীরে এরকম করে তেল ঘষার কারণটা কী?’

    image40.jpg

    অ্যালাবাস্টারের জার

    ‘কারণটা দুটো, প্রথমত পোকামাকড়ের হাত থেকে বাঁচানোর জন্য, আর দ্বিতীয়ত এর জন্য শরীর থেকে একটা সুগন্ধও বেরোত। এই তেল লাগানোর পরে মৃতের পেটের মধ্যে ঢুকিয়ে দেওয়া হত খড়, কাঠের গুঁড়ো, বালির মিশ্রণ। মুখ, নাকের ফুটো বুজিয়ে দেওয়া হত মোম দিয়ে। চোখ দুটোও সরিয়ে নেওয়া হত, তার জায়গায় আসত সাদা পাথরের ওপরে আঁকা চোখ। এইসব কাজ কিন্তু করত মূল পুরোহিত, সে পরে থাকত আনুবিসের মুখোশ। একে বলা হত ‘‘হেরি সেশেতা’’, ইংরেজিতে যার মানে দাঁড়ায় ‘‘লর্ড অফ দ্য সিক্রেটস’’।’

    ‘কিন্তু মমির ছবিগুলো যে দেখি কাপড় দিয়ে মোড়ানো।’

    ‘হ্যাঁ, এখানেই আসছিলাম, এটাই লাস্ট স্টেপ। কিন্তু এই জায়গাটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। এখানেই বিজ্ঞানের সঙ্গে মিশে যায় বিশ্বাস। হেরি সেশেতা বেশ কয়েকদিন ধরে মৃতের শরীরটাকে কাপড় দিয়ে মুড়ে ফেলত। মাথা থেকে শুরু করে পায়ের পাতা অবধি। এটা করার সময় পাশে দাঁড়িয়ে জাদুমন্ত্র পড়ত আরেকজন পুরোহিত, যাকে বলা হত ‘‘হেরি হেব’’। কাপড়ের ভাঁজে ভাঁজেও রেখে দেওয়া হত মন্ত্রপূত অ্যামুলেট বা প্যাপিরাসের পাতা। এই কাপড় দিয়ে মোড়ানোর কাজটা হলেই মমি তৈরি শেষ।’

    image41.jpg

    পিজি এবারে মাথা চুলকোতে চুলকোতে বলল,

    ‘বাপ রে! এ তো হেবি ফ্যাচাংয়ের ব্যাপার!’

    ‘এখানেই শেষ, ভাই প্রদীপ্ত? মমি বানানো হয়ে গেলে তাকে দিয়ে দেওয়া হত বাড়ির লোকের হাতে। তারা তাকে ঢোকাত কাঠের কফিনে। সেই কফিনের গায়ে বা ভেতরের দেওয়ালে লেখা থাকত বুক অফ দ্য ডেড-এর মন্ত্রগুলো, আগের দিন যেটা বললাম। তারপরে সেই কাঠের কফিনের জায়গা হত পাথরের কফিনের মধ্যে।

    ‘হ্যাঁ জানি, ওগুলোকেই সারকোফেগাস বলা হত তো?’

    ‘একদম তাই। কিন্তু সারকোফেগাস নামটার মানে জানো?’

    ‘তা তো জানি না।’

    ‘ইজিপশিয়ানরা কিন্তু এই শব্দ ব্যবহার করত না। এই যে আমরা এত রকমের ইজিপশিয়ান দেবদেবীর নাম বলছি সেগুলোর অনেকটাই কিন্তু গ্রিক আর রোমান উচ্চারণ। ওরা প্রায় সাতশো বছর দেশটাকে শাসন করেছিল। তেমনই সারকোফেগাস শব্দটাও গ্রিক। সারকো মানে মাংস, আর ফেগাই মানে খাওয়া। সারকোফেগাস মানে তাহলে মাংস খাওয়া।’

    ‘এরকম অদ্ভুত নাম কেন!’

    image42.jpg

    সারকোফেগাস

    ‘কফিনগুলো তৈরি হত লাইমস্টোন দিয়ে। এই কফিনের ভেতরে যে আবহাওয়ার সৃষ্টি হত তাতে মৃতদেহের মাংসপেশিগুলো শুকিয়ে প্রায় ভ্যানিশ হয়ে যেত। কিন্তু পচন ধরত না। তাই নাম সারকোফেগাস।’

    আমি এই সময় ভাবছিলাম বাপ রে, সত্যিই কত কিছু জানি না। শব্দটা সেই মমি সিনেমা দেখার সময় থেকে শুনে আসছি, কিন্তু কখনো মনে হয়নি যে নামটার এরকম অদ্ভুত একটা মানে আছে। তবে একটা জায়গায় খটকা থেকেই যাচ্ছিল। তাই ভবেশদার কাছেই জানতে চাইলাম,

    ‘তাহলে আমাদের কলকাতা মিউজিয়ামের মমিটার এমন খারাপ অবস্থা কেন?’

    ‘ভালো কথা বলেছ, কলকাতায় মমিটা কবে এসেছিল জানো?’

    ‘না তো।’

    image43.jpg

    কলকাতার মমি

    ‘ঠিক কবে এসেছিল সেটা জানা যায় না, তবে ৫ জুলাই, ১৮৩৪-এর তারিখে কলকাতার এশিয়াটিক সোসাইটির প্রসিডিংসের একটা নোট পাওয়া গেছে। ওইদিন সোসাইটি একটা চিঠি পায় বেঙ্গল লাইট ক্যাভালরির জনৈক লেফটেন্যান্ট আর্চিবল্ডের কাছ থেকে। তিনি নাকি সোসাইটিকে একটি মমি গিফট করতে চান, যেটা পাওয়া গিয়েছিল ইজিপ্টের গৌরভা নামের একটা জায়গায় ফারাওদের সমাধি থেকে। আর্চবল্ডের জাহাজের লোকজন ভয় পেয়ে ওই মমিকে নিতে চায়নি। তাই তাকে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির রণতরীতে করে আনা হয় মুম্বইতে, সেখান থেকে কলকাতায়। এটা সত্যি যে সেই মমির হালত এখন খুব খারাপ, মাথার খুলি বেরিয়ে গেছে। ভালোভাবে রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে। তবে খোদ ইজিপ্টেই মমিদের যা হাল হয়েছিল শুনলে চমকে যাবে।’

    ‘ওরা মমির ক্ষতি করবে কেন? ওরা তো এই কাল্টে বিশ্বাস করত।’

    ‘সে তো মাত্র কয়েক হাজার বছরের জন্য, ভায়া। মানুষের মন থেকে একসময় সেই বিশ্বাস কর্পূরের মতো হাওয়া হয়ে যেতে থাকে। ফারাওদের সমাধিগুলোতে বার বার ডাকাতি হত, শক্ত পাথরের দেওয়ালে গর্ত খুঁড়ে ডাকাতরা ঢুকে পড়ত। লক্ষ্য ছিল মমির সঙ্গে সাজিয়ে রাখা সোনার গয়না আর আসবাবপত্র। সেসব কিছু লুঠ করে নেওয়ার পরে মমির শরীরটাকেও ছাড়েনি ওরা। ফারাও তৃতীয় তুতমোসিসের মমি যখন পাওয়া যায় তখন তার বুকে একটা বড়ো ফুটো। ডাকাতেরা কাপড় কেটে বুকের কাছে বসানো সোনার অ্যামুলেট খুলে নিয়েছিল। কত মমি পাওয়া গেছে হাত, পা, গর্দান ছাড়া। সমাধি লুঠ করার সময় ডাকাতরা ছোটো ছোটো বাচ্চাদের মমিগুলোকে জ্বালিয়ে মশালের মতো ব্যবহার করত। এমনকী কাঠের কফিনেও আগুন লাগিয়ে দিত, যাতে তাতে লেগে থাকা সোনা গলিয়ে বের করে নেওয়া যায়।’

    ‘তাহলে ভাগ্যিস ইউরোপের লোকজন গিয়ে পড়েছিল মিশরে! তাই যতটুকু রিস্টোরেশন…’

    ‘কীসের রিস্টোরেশন? ইউরোপের লোকজন মিশরের খবর পায় কার জন্য জানো?’

    ‘না তো।’

    ‘নেপোলিয়ন বোনাপার্টের জন্য। সে আরেক গল্প, অন্য আরেকদিন বলা যাবে ’খন। কিন্তু আমার এখানে বক্তব্য হল যে ফ্রান্স, ইংল্যান্ড, জার্মানির লোকেরাও মমিদের নিয়ে খুব একটা ভালো ব্যবহার করেনি।’

    ‘মানে? ওরাও লুঠ করত?’

    ‘লুঠ আর করবে কী? ততদিনে প্রায় সব সমাধি লুঠ হয়েই গেছে। ওরা মমিগুলোকে জাহাজে বোঝাই করে দেশে আনত। ফ্রান্সে আর লন্ডনে বিত্তশালীদের বাড়িতে লোকজন ডেকে তামাশা চলত। কখনো সেটা দেখানোর জন্য টিকিটও বিলি করা হত।’

    ‘কীসের তামাশা?’

    ‘মমি খোলার। টেবিলে মমিটাকে শুইয়ে দামড়া দামড়া যন্ত্রপাতি দিয়ে তার কাপড়ের আচ্ছাদন খোলা হত। তাতে কোনোরকম বৈজ্ঞানিক ভাবনা ছিল না। শুধুমাত্র সস্তার থ্রিল আর কৌতূহলের জন্য কত শত মমি যে নষ্ট হয়ে গেছে তার ঠিক-ঠিকানা নেই।’

    image44.jpg

    মমির কাপড়ের আচ্ছাদন খোলা

    ‘ছি ছি। একটা এমন দারুণ শিল্প এভাবে নষ্ট করেছে!’

    ‘এ তো কিছুই নয়, মমি খাওয়ার কথা কখনো ভাবতে পারো?’

    কথাটা শুনেই আমার গা গুলিয়ে উঠল। পিজিও দেখলাম একবার ওয়াক করল। মমি আবার খাবে? ভবেশদা আমাদের মুখের দিকে তাকিয়ে একবার হাসলেন এবারে, তারপরে বললেন,

    ‘ঠিকই শুনেছ। পারসিয়ান পাহাড়গুলোতে একরকমের বিটুমেন পাওয়া যেত, তার নাম মামিয়া। গ্রিক ফিজিশিয়ান ডায়োস্কোরিডেস তাঁরর বইতে এই মামিয়াকে মমি বলে ভুল করেন। সেই বইটাকেই ফলো করে ষোড়শ শতাব্দীর শেষের দিকে এই অদ্ভুত ওষুধ ব্যবহারের ধুম পড়ে যায়। ১৫৮৬ সালে ব্রিটিশ মার্চেন্ট জন স্যানডারসন জাহাজে করে ৫০০ কিলো মমি নিয়ে আসেন লন্ডনে। সেগুলোকে গুঁড়ো করে সেই পাউডারের সঙ্গে আরও কিছু মশলা আর হার্বস মিশিয়ে আজগুবি ওষুধ তৈরি হত। সেই ওষুধ নাকি ফোঁড়া থেকে শুরু করে প্যারালিসিস পর্যন্ত সারিয়ে দেয়। কে এই ওষুধের বিজ্ঞাপন করেছিল জানো? নামটা শুনলে চমকে উঠবে, ফ্রান্সিস বেকন, সেই সময়কার বিখ্যাত বৈজ্ঞানিক।’

    ‘বলেন কী!’

    ‘হুম, মানুষ চড়া দামে পাগলের মতো ওই ওষুধ কিনত। একসময় চাহিদা এত বেড়ে গিয়েছিল যে শেষের দিকে বেওয়ারিশ মৃতদেহ তুলে এনে ব্যান্ডেজ করে আবার মাটিতে পুঁতে কিংবা রোদে শুকিয়ে গুঁড়িয়ে বিক্রি করত। এইসব চলতে থাকে আরও দু-শো বছর ধরে। শেষ হয় এইটিন্থ সেঞ্চুরির শেষের দিকে, যখন ইজিপ্টের ওটোমান সম্রাটরা বে-আইনি মমি পাচার নিষিদ্ধ করে দেয়। তারপরে প্রথম যে মমিটা গোটা দেহে লন্ডনে ঢোকে সেটাকে রাজা দ্বিতীয় চার্লস আনিয়েছিলেন নিজের রক্ষিতার মন জয় করার জন্য। সেটা এখন ব্রিটিশ মিউজিয়ামে রাখা আছে।’

    ‘তাহলে মমির ঠিকঠাক অ্যানাটমিকাল ডিসেকশন কখনো হয়ইনি?’

    ‘কে বলেছে হয়নি? হয়েছে তো। কিন্তু আজকে আর সে-গল্প নয়। একদিনে আর কত হজম করবে?’

    বলেই হাতের ঘড়ি দেখল ভবেশদা।

    ‘ইস, সাড়ে দশটা বেজে গেল। আমার ট্রেনটা না মিস হয়ে যায়। উঠি আজকে। কাল সন্ধেবেলায় দোকানে এসো। তখন না হয় বাকিটা বলে দেব। খুব কৌতূহল হলে গুগল করেও দেখতে পারো। তবে বেশি কিছু পাবে বলে মনে হয় না। এই ভবেশ সামন্তর কাছেই আসতে হবে, জানি।’

    বলেই ভবেশদা উঠে ঘরের দরজা খুলে বেরিয়ে গেলেন। অদ্ভুত মানুষ বটে একটা!

    image45.jpg

    ন্যাট্রনের চৌবাচ্চায় মৃতের শরীর। ছবি : সৌমক পাল

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহারানো সূর্যের খোঁজে – অনির্বাণ ঘোষ
    Next Article ভারতে ইসলাম ভারতীয় মুসলিম – অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }