Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    হায়রোগ্লিফের দেশে – অনির্বাণ ঘোষ

    লেখক এক পাতা গল্প244 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৫. গ্রেট পিরামিড

    ‘সালটা ১৮৬৭, গা-পুড়ে-যাওয়া গরমের মধ্যেই বছর বত্রিশের এক আমেরিকান নিউজ রিপোর্টার কায়রোর পাঁচ মাইল পশ্চিমে মরুভূমির দিকে চলেছেন। একটা ছোটো ডিঙিতে করে নীল নদ পার হতে হল, বাকিটা পথ বালির মধ্যেই পায়ে হেঁটে। দিগন্তে যে তিনটে দানবকে দেখা যাচ্ছিল তাদের সবচেয়ে বড়োটার কাছাকাছি আসতেই তিনি দেখলেন দিগন্তটা কেমন হঠাৎ হারিয়ে গেল। ওঁর সামনে দাঁড়ানো পাথরের তৈরি আশ্চর্যটার মাথা যেন আকাশ ফুঁড়ে উঠে গেছে। সাংবাদিক এবারে সেই পাথর বেয়ে ওপরে উঠতে লাগলেন। সাড়ে চারশো ফিটের চুড়োটায় যখন পা রাখলেন তখন চারপাশটা দেখে যেন তাক লেগে গেল। পৃথিবীটা এত ওপর থেকে কখনো দেখা হয়নি আগে! একদিকে হলুদ বালির সমুদ্র বিছিয়ে রয়েছে। তার যেন কোনো শেষ নেই। অন্যদিকটা আবার সবুজ, মাঝখান দিয়ে সরু সুতোর মতো নীল নদ বয়ে গেছে। ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা ছোটো ছোটো গ্রামগুলোও দেখা যাচ্ছে। আর সবচেয়ে দূরে পাঁচিলের মতো পাম গাছের সারি।

    সাংবাদিকের ছোটোবেলাকার একটা স্বপ্ন সত্যি হল। খুফুর পিরামিডে চড়ার স্বপ্ন।

    আমরা দু-জন এতক্ষণ হাঁ করে ভবেশদার কথা শুনছিলাম। দিলখুশাতে আজকে ভিড় কম ছিল, সপ্তাহের মাঝখানে তো। আমরা ভেতরের দিকের একটা টেবিলে বসেছিলাম, তাই এম জি রোডের বাস ট্যাক্সির আওয়াজও একটু কম আসছিল। গল্প শোনার একদম আদর্শ পরিবেশ যাকে বলে। তবে রেস্টুরেন্টটার দেওয়ালে বিশ্রী গোলাপি রং করেছে, সেটা বড্ড চোখে লাগছিল প্রথমে। কিন্তু ভবেশদা মুখ খোলার পরেই সেসব কোথায় হাওয়া হয়ে গিয়ে চারপাশে ইজিপ্টের মরুভূমি চলে এল। খাবার দিতে মনে হয় এখনও একটু দেরি আছে। ভবেশদা গ্লাসের জলে একটু চুমুক দিয়ে এবারে বললেন,

    ‘বলো তো দেখি এই লোকটার নাম কী, যে কিনা তরতর করে খুফুর পিরামিডে উঠে গেল?’

    ‘আমেরিকান সাংবাদিক, ১৮৬৭… এভাবে হয় নাকি? আপনি আরও কিছু হিন্ট দিন।’

    image52.jpg

    পাশের পিরামিডের চুড়ো থেকে দেখা খুফুর পিরামিডের মাথার তুরা পাথরের আস্তরণ

    ‘ওকে, ইনি ১৮৯৬ কলকাতায় এসেছেন, ময়দানে হেঁটেছেন। যে হোটেলে ছিলেন তাকে বলেছিলেন জুয়েল অফ দি ইস্ট ! এখন সেটার নাম ললিত গ্রেট ইস্টার্ন।’

    আমাদের বোকার মতো মুখ দেখে ভবেশদা একটু বিরক্তই হলেন এবারে,

    ‘নিজের শহরটাই ভালো করে চেনো না। এদিকে এসেছ ইজিপ্টের গল্প শুনতে। যাক গে, টম সয়ার, হাকলবেরি ফিনের নাম শুনেছ নিশ্চয়?’

    এবারের শব্দগুলো কমন পড়েছিল। পিজি বিজয়ীর মতো হাসতে হাসতে বলল,

    ‘বুঝেছি কার কথা বলছেন, মার্ক টোয়েন যে কলকাতাতে এসেছিলেন সেটাই জানতাম না। টোয়েনেরও তাহলে ইজিপ্টের নেশা ছিল?!’

    ‘শুধু টোয়েন নয়, ভায়া। গত কয়েক শতাব্দী ধরে বিশ্বের তাবড় তাবড় লোককে এই দেশটা টেনে এনেছে। তার অনেকটাই ওই পিরামিডের জন্য।’

    ‘দ্য গ্রেট পিরামিড!’

    ‘শুধু সেটা নয়। দেশটা জুড়ে নব্বইয়ের ওপরে পিরামিড ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে। তবে তাদের মধ্যে সেরা হল গিজার তিনটে পিরামিড। যেগুলোকে আমরা ছোটোবেলায় হিস্ট্রির বইতে দেখেছি। ইজিপ্টের প্রথম পিরামিডের কথা তো আগেই বলেছি তোমাদের।’

    ‘হ্যাঁ, সাকারার স্টেপ পিরামিড।’

    ‘ঠিক, তবে গিজার পিরামিডগুলো সেটার থেকে অনেক বড়ো। প্রাচীন পৃথিবীর সপ্তম আশ্চর্যের একটা। এই পিরামিড বানানোর গল্পটাও কিন্তু দারুণ, বুঝলে।’

    ব্যস, আবার এক মুহূর্তের মধ্যে আমরা চলে এলাম ধু-ধু মরুভূমির মাঝখানে। ভবেশদা বলতে লাগলেন,

    ‘আজ থেকে সাড়ে চার হাজার বছর আগের কথা, গিজার মরুভূমির মাঝখানে দাঁড়িয়ে আছেন এক বাইশ বছরের যুবক। ওর নজর চারপাশের চুনাপাথরের পাহাড়গুলোতে। ফারাও খুফু এখন মিশরের অধিপতি। এত কম বয়সেই তার অধীনে উত্তর আর দক্ষিণ মিশর এক হয়েছে। যে কাজটা ওর বাবা নেফ্রু শুরু করেছিলেন সেটা খুফু শেষ করতে পেরেছেন। দেশ জুড়ে শান্তি এখন।

    ‘খুফু অমর হতে চান, হওয়াটাই স্বাভাবিক। ফারাওরা ঈশ্বর ‘‘রা’’-এর প্রতিনিধি। মারা যাওয়ার পরে তাঁরদের অমর হয়ে থাকাই দস্তুর। সেইজন্যই মমি বানানো হয়, পিরামিড বানানো হয়। ওঁর বাবা নেফ্রুও তো দুটো পিরামিড বানিয়েছিলেন নিজের জন্য। একটা মেইদাম নামের এক জায়গায়। কিন্তু সেটাকে ঠিক পিরামিড বলা যায় না। অঙ্কের হিসেবের গণ্ডগোলের জন্য সেই পিরামিডের পেটের কাছ থেকে অনেকটা বেঁকে আসতে হয়েছিল। পরে অবশ্য দাশুর নামের আরেকটা জায়গাতে নেফ্রু আরেকটা পিরামিড বানান। সেটা নিখুঁত। সূর্য ডোবার সময় সেই পিরামিডের গায়ের পাথরগুলো লাল লাগে। এমনটা আর একটাও নেই ইজিপ্টে। তবে খুফুর স্বপ্ন আরও বেশি কিছুর।

    image53.jpg

    ‘খুফুর নিজের একটা পিরামিড হবে। সেটা হবে আগের বানানো যেকোনো পিরামিডের থেকে অনেক অনেক বড়ো। এমন কিছু একটা যেটা আগে এই দেশের কেউ দেখেনি। পরেও কেউ বানাতে পারবে না। সেই পিরামিড বানানোর জন্যই খুফু গিজার এই জায়গাটা বেছে নিয়েছেন। কারণ দুটো। এক, হাতের কাছেই থাকা চুনাপাথরের খনি, যেখান থেকে পিরামিড বানানোর জন্য পাথর খুব সহজেই পাওয়া যাবে। আর দ্বিতীয়ত এই জায়গাটা বেশ উঁচুও, তাই অনেক দূর থেকে দেখতেও পাওয়া যাবে পিরামিডটা। কিন্তু মুশকিল একটাই, রাজধানী মেমফিস থেকে প্রায় পনেরো মাইল দূরে এই গিজা। রাজার সমাধি রাজধানী থেকে এত দূরে হলে চলে নাকি? কী করা যায়? দুটোকে কাছাকাছি আনা তো অসম্ভব। তবে ওদের দূরত্বটা একভাবে কমিয়ে ফেলাই যায়। মেমফিস শহর নীল নদের গায়েই। সেই নীল নদ থেকেই একেবারে গিজা অবধি লম্বা খাল তৈরি করে ফেললেন খুফু। দুটো জায়গার মধ্যে যাতায়াত করার খুব সুবিধা হয়ে গেল এতে। প্রতি বছর নীল নদের বন্যার জন্য সেই খালে জলের অভাবও হল না। খুফু গিজার মরুভূমিতেই নিজের আরেকটা রাজপ্রাসাদও বানিয়ে ফেললেন। পিরামিড তৈরি তো আর একদিনের কাজ নয়। তিরিশ বছর ধরে একটু একটু করে তৈরি হয়েছিল গ্রেট পিরামিড! খুফু এই পিরামিড বানানোর কাজটা দিয়েছিলেন…’

    ‘দুটো ফিশ কবিরাজি, একটা চিকেন কাটলেট। চা আসছে।’

    টেবিলের ওপরে ঠকাস ঠকাস করে প্লেটগুলো রাখতে রাখতে বলল ওয়েটার। এমনভাবে রসভঙ্গের জন্য একেবারে দুর্বাসা মুনির মতো তাকালাম ওর দিকে। কিন্তু তাকানোই সার। প্লেটগুলো নামিয়ে রেখেই লোকটা অন্য টেবিলে চলে গেল। পিজি ফিশ কবিরাজি খায় না। ওর নাকি সব মাছেই আঁশটে গন্ধ লাগে। তাই ওর জন্য কাটলেটটা নেওয়া। ভবেশদার মুখটা কিন্তু উজ্জ্বল হয়ে উঠল দেখলাম। কবিরাজির গায়ে লেগে থাকা ঝুরিগুলো তুলে একটু কাসুন্দি আর একটু টমেটো সসে চুবিয়ে মুখে পুরে দিলেন। দিয়েই গাইতে আরম্ভ করলেন,

    ‘হোঁটো সে ছুঁলো তুম…’

    রেলগাড়ি লাইনচ্যুত হচ্ছে দেখে আমাকে মুখ খুলতেই হল এবারে,

    ‘ভবেশদা।’

    ‘উমম…’

    ‘বলছি, খুফু পিরামিডটা বানাতে দিলেন…’

    ‘ও, হ্যাঁ হ্যাঁ। ভালো খাবার মুখে পড়লেই না আমার কেমন গজল এসে যায়। সরি, সরি। তা যেটা বলছিলাম, খুফু কাজটা দিলেন নিজেরই এক আত্মীয় হেমিউনুকে। তার দায়িত্বেই তৈরি হল গ্রেট পিরামিড। তেরো একর জায়গা নিয়ে। এক একটা দিক ২৩০ মিটার লম্বা। উচ্চতায় প্রায় দেড়শো মিটার। স্ট্যাচু অফ লিবার্টির থেকেও উঁচু। ভলিউমের দিক থেকে বলতে গেলে কুড়িখানা ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল ঢুকে যাবে ওর মধ্যে।’

    ‘বলেন কী! এত বড়ো যে সেটা ছবি দেখে বুঝিনি।’

    ‘হ্যাঁ, বললাম না, প্রাচীন পৃথিবীর সাতটা আশ্চর্যের একটা হল গ্রেট পিরামিড। এত পুরোনো একটা জিনিস আজও মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে। আরবিতে একটা প্রবাদ আছে জানো? মানুষ সময়কে ভয় পায়, আর সময় ভয় পায় পিরামিডকে। এখন একে যে অবস্থায় দেখ তার চেয়ে অনেক সুন্দর ছিল কয়েক হাজার বছর আগেও। গোটা পিরামিডটার গা মোড়ানো ছিল ঝকঝকে সাদা পাথর দিয়ে। সেই পাথর এসেছিল গিজার দক্ষিণ পূর্বের তুরা নামের একটা জায়গার খনি থেকে। নীল নদ দিয়ে নৌকায় করে আনা হয়েছিল সেই পাথর। সূর্যের আলো পড়লে ঝিকমিকিয়ে উঠত পিরামিডটা সেই সময়। কিন্তু পরের দু-হাজার বছর ধরে মানুষ ওই সাদা পাথর খুলে নিয়ে গেছে নিজেদের ঘরবাড়ি বানানোর জন্য। গোটা ইজিপ্ট জুড়ে অনেক পুরোনো বাড়ি আর প্রাসাদে আজও সেই সাদা পাথর পাওয়া যায়।

    পিজি এতক্ষণ চুপচাপ কাটলেট খাচ্ছিল। এবারে মুখ খুলল ও,

    ‘পিরামিডের ভিতরে কী ছিল ভবেশদা! অনেক ঐশ্বর্য থাকার কথা তো!’

    ‘তা হয়তো ছিল, পিজি ভায়া। কিন্তু সেসবের কিছুই পাওয়া যায়নি। পিরামিড বানানোর হাজার বছরের মধ্যেই ডাকাতরা ওর মধ্যে ঢুকে সব লুঠ করে নেয়। কিন্তু বুদ্ধি করে পিরামিডে ঢোকার রাস্তাটাও এমনভাবে বন্ধ করে দেয় যাতে বাইরে থেকে কিছুই বোঝা না যায়। তারপরে মানুষ পিরামিডে ঢোকে আরও দু-হাজার বছর পরে। সেই লোকটার নাম আল মামুন।’

    ‘আরে! কাকাবাবুর ‘‘মিশর রহস্য’’তে একজন মিশরীয় বিজনেসম্যানের নাম ছিল তো আল মামুন!’

    image54.jpg

    খুফুর পিরািমডে আল মামুনের তৈরি প্রবেশপথ (নীচের গর্ত)

    ‘হ্যাঁ, কিন্তু এই আল মামুন যে সে লোক নয়। বাগদাদের রাজা, যদিও ওদেরকে ঠিক রাজা বলা হত না। রুলারদের বলত কালিফ। তো, এই আল মামুন ঠিক করে পিরামিডের ভেতরে ঢুকবে। কিন্তু চারিদিকে ঘুরেও কোনো রাস্তা খুঁজে পাওয়া গেল না। তখন গরম ভিনিগার ঢেলে পিরামিডের পাথরে ফাটল ধরানোর চেষ্টা চলল। তাতে কাজ না হওয়ায় শেষে হাতুড়ির দ্বারস্থই হতে হয় মামুনকে। পিরামিডের গায়ে পাথর ভেঙে গর্ত করে সেইখান থেকে ভেতরের দিকে টানেল বানানো হতে থাকে। তবে মামুন ভাগ্যবান ছিলেন। কিছুদূর অবধি টানেল কাটার পরেই শ্রমিকরা একটা গুপ্ত সুড়ঙ্গে এসে পড়ে, যেটা ওপরদিকে উঠে গেছে। সেই পথ একটু ওপরে গিয়েই অনেকটা চওড়া হয়ে যায়। এখন সেই পথকে বলে গ্র্যান্ড গ্যালারি। এই পথ শেষ হয় একটা খুব নীচু ছাদের ছোটো ঘরে, এখন যাকে বলা হয় কুইন’স চেম্বার। এই ঘরের একটা দেওয়াল দিয়ে আবার সুড়ঙ্গ কেটে মামুন এসে পড়েন একটা বিশাল বড়ো ঘরে, যার সিলিং অনেক উঁচুতে। ঘরের দেওয়ালগুলোও বাকি পিরামিডের পাথরের থেকে আলাদা, লাল রঙের। পরে জানা গেছে এই পাথর এসেছিল কায়রো থেকে সাড়ে আটশো কিলোমিটার দূরে থাকা আসওয়ান শহরের খনি থেকে! নীল নদের পথে।

    image55.jpg

    খুফুর পিরামিডের গুপ্ত সুড়ঙ্গ

    ‘মামুন একটু হতাশই হন এই ঘরে ঢুকে। একদম ফাঁকা। শুধু পশ্চিমদিকে একটা পাথরের সারকোফেগাস রয়েছে। মামুন সেই সারকোফেগাস খোলেন। পিরামিড থেকে বাইরে বেরিয়ে এসে মামুন ঘোষণা করে দেন যে তিনি সারকোফেগাসের মধ্যে একটা মমি পেয়েছেন যার সারা শরীর সোনা দিয়ে মোড়ানো, হাতে তলোয়ার আর বুকের ওপরে একটা বড়ো রুবি পাথর বসানো। খুব সম্ভবত নিজের নাম ছোটো হয়ে যাওয়ার ভয়ে আল মামুন ডাহা মিথ্যে কথা বলেছিলেন। ওইখানে কিছু পাওয়ার কথাই নয়। কারণ পিরামিড তো তার আগেই ডাকাতরা ফাঁকা করে দিয়েছে। তবে ওই সারকোফেগাসটা খুব সম্ভবত খুফুরই ছিল। আর ওই ঘরকে এখন বলে কিং’স চেম্বার।’

    image56.jpg

    খুফুর পিরামিডের ভেতরের নকশা

    আমি এবারে বললাম,

    ‘ও আচ্ছা, বুঝেছি। তাহলে আগে যে কুইন’স চেম্বারের কথা বললেন ওখানে খুফুর স্ত্রী-র মমি ছিল এক সময়ে?’

    ‘একদমই ভুল ধারণা। খুফুর পিরামিডে ওর স্ত্রী-র কোনো মমিই ছিল না। ওই ঘরটা কিং’স চেম্বারের থেকে একটু ছোটো হওয়ায় নাম কুইন’স চেম্বার। হয়তো একসময় ওই ঘরে কোনো ঐশ্বর্য সত্যিই ছিল। ওই ঘরে এখন আর যাওয়া যায় না। কিং’স চেম্বারে কিন্তু এখন টুরিস্টরাও ঢুকতে পারে। আল মামুনের বানানো পথটাই এখনও ব্যবহৃত হয় কিং’স চেম্বারে পৌঁছোনোর জন্য।’

    ‘আরিব্বাস! তাহলে খুফুর সারকোফেগাসটা এখনও আছে!’

    ‘আছে তো। একরকমভাবে আছে ফাঁকা সারকোফেগাসটা।’

    ‘আচ্ছা, তাহলে দুটো ঘর পিরামিডের মধ্যে।’

    ‘না, দুটো নয়, সব মিলিয়ে আটটা। সতেরোশো শতাব্দীতে ব্রিটিশ আর্কিয়োলজিস্টরা বাকিগুলো আবিষ্কার করে। কিং’স আর কুইন’স চেম্বার ছাড়াও কিং’স চেম্বারের গায়ে রয়েছে একটা ছোটো অ্যান্টিচেম্বার। আর কিং’স চেম্বারের সিলিংয়ের ওপরে রয়েছে চারটে ফাঁকা ঘর। খুব সম্ভবত যাতে পাথরের ভারে কিং’স চেম্বারের সিলিং না ভেঙে পড়ে তাই এই ঘরগুলো বানানো হয়েছিল। কিং আর কুইন’স চেম্বারটাকে জুড়েছে গ্র্যান্ড গ্যালারি। সেখান থেকে আরেকটা সুড়ঙ্গ চলে গেছে পিরামিডের গা অবদি। সেটার একটা অংশ আল মামুন খুঁজে পেয়েছিলেন। কুইন’স চেম্বার থেকে আবার একটা সুড়ঙ্গ চলে গেছে মাটির নীচের আরেকটা ঘরে। দুঃখের কথা সেটাও একদম ফাঁকা অবস্থাতে পাওয়া যায়। অবাক করার ব্যাপার হল এই যে, কিং’স আর কুইন’স চেম্বার থেকে আরও চারটে সুড়ঙ্গ চলে গেছে বাইরের দিকে। কিন্তু তার সবকটাই অদ্ভুতভাবে পিরামিডের গা অবদি পৌঁছোনোর আগেই শেষ হয়ে গেছে। কেন এগুলো বানানো হয়েছিল সেটা কেউ জানে না। আবার খুফুর পিরামিডের সঙ্গে কিন্তু ক্রিকেট খেলার একটা ক্ষীণ লিঙ্ক আছে।’

    ‘তাই নাকি! সেটা কীভাবে?’

    ‘কিং’স চেম্বারের ওপরে যে চারটে ফাঁকা ঘর ছিল সেগুলো আবিষ্কার করেছিলেন হাওয়ার্ড ভ্যাস নামের এক আর্কিয়োলজিস্ট। তিনি এই ঘরগুলোর নাম বিখ্যাত ব্রিটিশদের নামে রাখেন। তাদের মধ্যে একটা ঘরের নাম রাখা হয় অ্যাডমিরাল নেলসনের নামে। এঁকে নিশ্চয়ই চেনো?’

    ‘চিনি মানে, নাম শুনেছি, ক্রিকেটে ১১১-কে তো নেলসন’স নাম্বার বলে।’

    ‘ঠিক, হোরাশিও নেলসন ছিলেন ব্রিটিশ নেভির ফ্ল্যাগ অফিসার। ১৮০৫ সালে ট্রাফালগারের বিখ্যাত যুদ্ধে মারা যান। এই অ্যাডমিরাল নেলসনের নাম থেকেই নেলসন’স নাম্বার এসেছে। কারণ নাকি নেলসনের একটা চোখ, একটা হাত আর একটা পা ছিল না। তবে এই তথ্য ভুল যদিও, নেলসনের একটা করে চোখ আর হাত না থাকলেও পা দুটোই ছিল। তাই ক্রিকেটে ১১১-কে নেলসন’স নাম্বার বলার কোনো যৌক্তিকতাই নেই… এই দেখ, আবার অন্য কথায় চলে যাচ্ছি। কাজের কথায় ফিরে আসি।

    খুফুর পিরামিডের ভেতরে

    image57.jpg

    গ্র্যান্ড গ্যালারিতে যাওয়ার গুপ্ত সুড়ঙ্গ

    image58.jpg
    image59.jpg

    গুপ্ত সুড়ঙ্গ (উপরে) ও গ্র্যান্ড গ্যালারি (নীচে)

    image60.jpg
    image61.jpg

    কিংস চেম্বারে ঢোকার রাস্তা (উপরে) ও কিংস চেম্বারে রাখা সারকোফেগাস (নীচে )

    image62.jpg

    ‘এই পিরামিডকে নিউক্লিয়াস করেই গিজার মরুভূমিতে গড়ে ওঠে একটা বিশাল কবরখানা। খুফুর পিরামিডের পাশেই আরও দুটো বিশাল পিরামিড বানায় ওঁর ছেলে খাফরে আর নাতি মেনকুরে। পিরামিডের গায়ে তুরার সাদা পাথরের একটা আস্তরণের কথা বললাম না? ওইটা এখন একমাত্র খাফরের পিরামিডের মাথার কাছটাতেই পাওয়া যায়। এই তিনটে পিরামিড ছাড়াও গিজার প্লেটুতে এখন আছে আরও আটখানা ছোটো পিরামিড আর ১০০০-এর ওপরে কবর। আর আছে বিখ্যাত স্ফিংস!’

    ‘স্ফিংস নিয়ে কিছু বলুন না, ভবেশদা!’

    ‘উফফ, বলেছি না একদিনে একটাই জিনিস হজম করতে। এবারে আমি বরং তোমাদেরকে একটা প্রশ্ন করি।’

    ভবেশদার একটা প্রশ্ন মানেই আরেকটা দারুণ কিছুর খোঁজ পাওয়া। তাই আমি পিজি দু-জনেই এবারে প্রায় একসঙ্গে বলে উঠলাম,

    ‘কী?’

    ‘এতক্ষণ তো খুফুর পিরামিডের কথা শুনলে। এবারে বলো তো এই দুর্দান্ত জিনিসটা বানানো সম্ভব হল কী করে?’

    পিজি বলল,

    ‘এটা তো শুনেছি একটা রহস্য, বাংলায় অনুবাদ করা দানিকেনের একটা বই পড়েছিলাম। তাতে লেখা ছিল যে গ্রহান্তরের এলিয়েনরা নাকি পিরামিড বানাতে মিশরীয়দের হেল্প করেছিল।’

    ‘ধুস, ওসব গাঁজাখুরি। মিশরীয়রা নিজেরাই বানিয়েছিল। বিজ্ঞান আর অঙ্কতে অনেক এগিয়ে ছিল ওরা। তবে হেরোডটাস খুফুকে ভিলেন বানিয়ে দিয়েছিলেন।’

    ‘কীভাবে?!’

    ‘হেরোডটাস ইজিপ্টে এসেছিলেন খুফুর দু-হাজার বছর পরে। তাই পিরামিড বানানোর ব্যাপারে যেটুকু জেনেছিলেন তার পুরোটাই ছিল জনশ্রুতি। তার ওপরে ভিত্তি করেই ইতিহাস লিখে ফেলেন। হেরোডটাসের মতে খুফু ছিলেন খুব নিষ্ঠুর একজন ফারাও। জোর করে মিশরীয়দের পিরামিড বানানোর কাজে লাগিয়েছিলেন। এক লাখ ক্রীতদাস অমানুষিক পরিশ্রম করে পিরামিড বানিয়েছিল। বাইবেলের এক্সোডাসেও তো ইহুদি ক্রীতদাসদের কথা বলা আছে, যাদের ফারাওরা পশুর মতো খাটায়। এর কতটা সত্যি তাই নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ আছে। যাই হোক, খুফুর বদনাম ঘুচতে অপেক্ষা করতে হয় প্রায় আড়াই হাজার বছর। হেরোডটাসকে ভুল প্রমাণ করেন একজন ইজিপশিয়ান আর্কিয়োলজিস্ট। তাঁরর নাম জাহি হাওয়াস।

    ‘১৯৯০ সালে জাহি’র দল পিরামিড চত্বরের কাছেই একটা বিশাল কবরখানা আবিষ্কার করে, যেটা খুব সাধারণ মানের। কিন্তু কবরখানার মানুষগুলোর পরিচয় থেকেই বোঝা যায় ওদের কাজ। ওরাই পিরামিড বানানোর কাজ করত। ১৯৯৯-তে এই শ্রমিকদের ছোটো একটা গ্রামও খুঁজে পাওয়া যায় গিজাতেই। এক লাখ নয়, ১০,০০০ মানুষ কাজ করেছিল খুফুর পিরামিড বানানোর জন্য। এবং তাদের প্রত্যেককেই পারিশ্রমিক দেওয়া হত। থাকার জায়গাও ছিল বেশ। শুধু তাই নয়, কায়িক পরিশ্রমের ধকল নিতে পারার জন্য ওদের ডায়েটও ছিল বেশ ভালো। দেশ জুড়ে পশুর মাংস খুব মূল্যবান হলেও ওদের রেশনে সেটা রোজ থাকত। এমনকী স্বাস্থ্যের খেয়ালও খুব ভালোভাবে রাখা হত। অত ভারী ভারী পাথর বইবার সময় অ্যাক্সিডেন্ট হওয়াটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। তাই কাছেই ছিল একটা ছোটো হাসপাতাল, যেখানে হাড় ভাঙার জন্য প্লাস্টার করা বা ছোটোখাটো অ্যাম্পুটেশনের কাজ চলত। আবার অনেক হতভাগ্য শ্রমিকেরই কবর পাওয়া গেছে ঘাড় বা মাথা ভাঙা অবস্থায়। তবে তাদের খুব যত্ন করে কবর দেওয়া হয়।’

    image63.jpg

    জাহি হাওয়াস

    ‘হুমম, এটা তাহলে বুঝলাম যে নিজেদের ইচ্ছাতেই সবাই কাজ করেছিল। কিন্তু পিরামিডটা বানাল কী করে ওরা?’

    image64.jpg

    পিরামিডের ঢালে যেভাবে পাথর টেনে নিয়ে যাওয়া হত

    ‘আগেই বললাম, ওরা আর্কিটেকচারে তুখোড় ছিল। পিরামিডের নকশাটা আগেই বানিয়ে নিয়ে তারপরে সেইটা ধরে কাজ এগোয়। ভারী পাথরগুলোকে টেনে আনার জন্য রাস্তার বালিকে জলে ভিজিয়ে দিত ওরা। এতে পাথর টানা অনেক সহজ হয়ে যেত। অর্ধেক মানুষ লাগত একটা বড়ো পাথরকে টানতে। তারপরে কাঠের র‌্যাম্পের ওপর দিয়ে এনে পাথরগুলোকে একের পর এক বসাত। তবে এই কাজটা তিরিশ বছর ধরে করে যাওয়ার মতো প্ল্যানিং আর ম্যানেজমেন্ট চমকে দেওয়ার মতো। ওহ, এই দেখো, এতক্ষণ ধরে এত খুফু খুফু করে যাচ্ছি, একটা মজার কথা তো বলাই হয়নি। যে লোকটার জন্য এরকম আকাশচুম্বী একটা জিনিস বানানো হল সেই লোকটার মমি যে আগেই নষ্ট হয়ে গেছে ডাকাতদের হাতে সেটা আগেই বলেছি। কিন্তু গোটা ইজিপ্টে খুঁজেও খুফুর একটার বেশি স্ট্যাচু পাওয়া যায়নি। আর সেটা মাত্র তিন ইঞ্চি লম্বা। জ্যামিতি বক্সের স্কেলও ওর দ্বিগুণ হয়।’

    আমি এবারে বললাম,

    ‘আচ্ছা খুফুর কথা তো শুনলাম, কিন্তু ওঁর মায়ের গল্প তো বললেন না?’

    ‘হেতেফেরিস?’

    ‘হ্যাঁ, আগের দিন জানতে চাইলাম না? সেই হেতেফেরিসের টুম্বে কোনো মমি ছিল না! আবার ফিরেও এল! যেমনটা মিশর রহস্যে বলেছিল।’

    image65.jpg

    খুফুর মূির্ত

    ভবেশদা এবারে একটু ভ্রূ কুঁচকে বললেন,

    ‘ও হ্যাঁ, বলেছিলে বটে। সে-গল্প বলাই যায়। কিন্তু কবিরাজিটা তো শেষ হয়ে গেল। আজকাল এরা সাইজও ছোটো করে দিয়েছে কেমন। কিন্তু টেস্টটা বুঝলে এক…’

    ‘এই যে দাদা! এদিকে আরেকটা ফিশ কবিরাজি দিতে হবে!’

    পিজি বুঝে গেছে কী করতে হবে এখন। ভবেশদাকে এই অবস্থায় কিছুতেই ছাড়া যাবে না।

    হেতেফেরিসের রহস্যটা আজকে জানতেই হবে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহারানো সূর্যের খোঁজে – অনির্বাণ ঘোষ
    Next Article ভারতে ইসলাম ভারতীয় মুসলিম – অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }