Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    হায়রোগ্লিফের দেশে – অনির্বাণ ঘোষ

    লেখক এক পাতা গল্প244 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৬. হেতেফেরিসের রহস্য

    ‘আজ থেকে ৪৭০০ বছর আগের একটা দিন, মিশরের ফারাও হুনি নিজের প্রাসাদে মাথা নীচু করে বসে আছেন। দেশের মানুষ তাঁরকে ভগবানের মতো পুজো করে। হেন কোনো পার্থিব সম্পদ নেই যা তাঁরর আয়ত্তের বাইরে। তবুও হুনি আজকে নিঃস্ব। যেকোনো পিতার সবচেয়ে কষ্টের কাজটা এইমাত্র তাঁরকে করে আসতে হল। কবর দিয়ে এলেন নিজের একমাত্র পুত্রসন্তানকে। হঠাৎ একদম কম বয়সেই ছেলেটা চলে গেল। হুনির সামনে এখন একটা বড়ো প্রশ্ন, পরের ফারাও কে হবে? কোনো পুরুষকেই তো বসতে হবে মেমফিসের মসনদে। কিন্ত হুনির বাকি সন্তানেরা তো সবাই কন্যা। এদিকে তাঁরর চারিদিকে শত্রুরও তো অভাব নেই। শকুনের মতো তাঁরকে তারা ঘিরে রাখবে। ফারাও মারা গেলেই ঝাঁপিয়ে পড়বে সিংহাসনের জন্য। হুনির বয়স হয়েছে। এই বয়সে নতুন করে আর সন্তানের বাবা হওয়া সম্ভব নয়। তাহলে উপায়?’

    এই বলে ভবেশদা একটা ভ্রূ ওপরে তুলে আমাদের দিকে চাইলেন। দু-নম্বর কবিরাজিটা এই একটু আগেই দিয়ে গেছে। আমরা আর কিছু অর্ডার করিনি। এমনিতেই বাড়ি থেকে বেশি টাকা পাওয়া যায় না মাসের হাতখরচার জন্য। একদিনে দুটো করে ফিশ কবিরাজি সাঁটালে পরের উইকএন্ডে হোস্টেলের ক্যান্টিনের ট্যালট্যালে ডাল ভাত দিয়েই পেট ভরাতে হবে। তার চেয়ে এই ভালো। ভবেশদাকে অন্তত আরেকটা কবিরাজি দিয়ে আটকে রাখা গেছে।

    আমি ভবেশদার প্রশ্নর উত্তরে বললাম,

    ‘হুম, খুব চাপের কেস বটে। তবে হুনি চাইলে নিজের জামাইকেই দেশের রাজা বানাতে পারতেন তো। রাজত্ব আর রাজকন্যা দুটোই পাবে সে তাহলে।’

    ‘একদম ঠিক ধরেছ, স্পন্দন ভাই। ফারাও হুনি ঠিক এই কাজটাই করেছিলেন। নিজের সবচেয়ে বড়ো মেয়ের সঙ্গে বিয়ে দিয়েছিলেন এমন একজনের যার বংশ নামকরা হলেও সেই বংশের কেউ কোনোদিন আগে ফারাও হননি। হুনির পরে ইনিই ফারাও হন। হঠাৎ ভাগ্যে শিকে ছেঁড়া এই লোকটির নাম ছিল নেফ্রু।’

    ‘মানে, খুফুর বাবা?’

    ‘হ্যাঁ, আর নেফ্রুর স্ত্রী, হুনির বড়োমেয়ে যার জন্য নেফ্রুর ফারাও হওয়া সম্ভব হল, সে হল রানি হেতেফেরিস। হেতেফেরিস শব্দের মানে হল সেই মেয়েটা যার হাসিমুখ।’

    পিজি এবারে ফিচ করে হেসে বলল,

    ‘বুঝেছি, হেতেফেরিস বাঙালি হলে নাম হত সুহাসিনী!’

    ‘চ্যাংড়ামি শুরু করলে কিন্তু আমি উঠে যাব।’

    ‘না না, সরি সরি। আর কিছু বলব না, আপনি বলুন।’

    পিজি জিভ কেটে চুপ করে বসল।

    ‘যেটা বলছিলাম, আরও অনেক রানি থাকলেও ফারাও নেফ্রু হেতেফেরিসকে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসতেন। কারণটা খুব স্বাভাবিক। ওই মেয়েটির জন্যই যে তিনি সম্রাট হতে পেরেছিলেন। আগেই বলেছি নেফ্রুর দুটো পিরামিড ছিল, একটা মেইদামে আরেকটা দাশুর নামের একটা জায়গায়। দাশুরের পিরামিডেই নেফ্রুকে সমাধিস্থ করা হয়। হেতেফেরিসকেও কবর দেওয়া হয় নেফ্রুরই পিরামিডের পাশে।’

    ‘বলছেনটা কী? হেতেফেরিসের সমাধি দাশুরে? আমরা তো জানতাম গিজাতে। খুফুর পিরামিডের পাশে।’

    ভবেশদার কথায় আমি একটু অবাকই হলাম এবারে।

    ‘তুমি যেটা বলছ ঠিক, আবার আমার কথাও ঠিক।’

    ‘তার মানে হেতেফেরিসকে দু-বার সমাধিস্থ করা হয়?’

    মুখে সেই ট্রেডমার্ক রহস্যাবৃত হাসিটা এনে ভবেশদা এবারে বললেন,

    ‘সেটা এখনই বলব না, আগে খুফুর একটা গল্প শোনো।’

    একদিন খুফুর দরবারে একটা লোক ভয়ে ভয়ে হাজির। খারাপ একটা খবর সে নিয়ে এসেছে, ফারাও জানতে পারলে হয়তো তার জন্য চরম শাস্তিও পেতে হতে পারে একে, কিন্তু খবরটা এমনই যে ফারাওকে জানাতেই হবে।’

    ‘কী খবর?’

    ‘ডাকাতির।’

    ‘কোথায়?’

    ‘দাশুরে, খুফুর মায়ের সমাধিতে।’

    ‘বলেন কী!’

    ‘হুমম, তবে আর বলছি কী। দাশুরের সমাধিক্ষেত্রকে যারা পাহারা দেয়, এ তাদের প্রধান। অনেক সাবধানতা নেওয়া সত্ত্বেও রাতের অন্ধকারে নাকি রানি হেতেফেরিসের সমাধিতে ডাকাত ঢুকেছিল। তবে খুব বেশি ক্ষতি করতে পারেনি। সমাধির একটা দেওয়ালই শুধু ভেঙে গেছে। ডাকাতেরা ভেতর থেকে প্রায় কিছুই নিয়ে পালাতে পারেনি। তবে যেহেতু ওরা একবার সমাধিটার কথা জেনে গেছে তাই ফের কখনো সিঁধ কাটবার চেষ্টা করতেই পারে।’

    আমি বললাম,

    ‘আচ্ছা এবারে বুঝলাম, সেইজন্যই খুফু ওর মায়ের সমাধিকে দাশুর থেকে সরিয়ে গিজাতে নিজের পিরামিডের কাছে নিয়ে চলে এলেন।’

    ‘কারেক্ট!’

    ‘কিন্তু ভবেশদা, তাহলে তো গিজার সমাধিতে হেতেফেরিসের মমি থাকার কথা। কিন্তু ছিল না কেন?!’

    ‘এত অধৈর্য হলে কি চলবে স্পন্দন ভাই? হেতেফেরিসের মমির কথা তো ছেড়েই দাও। সমাধিটাও খুঁজে পাওয়া যেত না যদি না একজন ফোটোগ্রাফারের ট্রাইপড পিছলাত।’

    গল্পের মধ্যে আবার একটা নতুন গল্প, আমি আর পিজি এবারে শিরদাঁড়া সোজা করে বসলাম। ভবেশদা বলে চললেন,

    ‘পয়লা নভেম্বর ১৯২৪ সালে আমেরিকার হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির স্পনসরশিপে খুফুর পিরামিডের দক্ষিণ-পূর্বদিকে নতুন এক্সক্যাভেশন শুরু হয়, আমেরিকান আর্কিয়োলজিস্ট জর্জ রেসনারের নেতৃত্বে। কিন্তু জানুয়ারির শেষের দিকে রেসনারকে কয়েক মাসের জন্য হার্ভার্ডে ফিরে যেতে হয়। যাওয়ার সময় জর্জ কাজের দায়িত্ব দিয়ে যান সাইট ম্যানেজার অ্যালান রো-কে। আরেকটা বড়ো কাজ দেন মিশনের ফোটোগ্রাফার আবদৌকে। আবদৌ-এর কাজ ছিল রোজ কী কী কাজ হচ্ছে তার ছবি ডিটেলে তুলে রাখা। ভোরবেলায় আবদৌ সাইটে চলে আসত ক্যামেরা আর ট্রাইপড কাঁধে, শ্রমিকদের আসার ঘণ্টাখানেক আগে, কাজ শুরু হওয়ার আগে একবার ভালো করে ছবি তুলে রাখত। আবার বিকেল বেলায় সেদিনের মতো কাজ শেষ হয়ে যাওয়ার পরে নতুন যা যা কিছু পাওয়া গেল সেগুলোর ছবি তুলত। সব মিলিয়ে হাজারের ওপরে ছবি তুলেছিল আবদৌ।

    ‘১৯২৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের একটা ভোরবেলা। অন্য বাকি দিনগুলোর মতোই আবদৌ আজও পৌঁছে গেছে সাইটে। খুফুর পিরামিডের পূর্বদিকে একটা উঁচু জায়গা দেখে ট্রাইপড বসাতে গেল। কিন্তু কী অদ্ভুত! খরখরে বালির মধ্যেও ট্রাইপডটা স্লিপ করে গেল! ভাগ্যিস ক্যামেরার স্ট্র্যাপটা গলা দিয়ে ঝোলানো ছিল! নয়তো ওইটার বারোটা বাজত। আবদৌ এবারে ওইখান থেকে আরেকটু সরে এসে ট্রাইপড বসাল। কিন্তু খেয়াল করল ট্রাইপডটা বালির নীচে একটু একটু করে ডুবে যাচ্ছে। এমনটা তো হওয়ার কথা নয়। তাহলে কি এখানে বালির নীচে অন্য কিছু আছে? সামান্য একটু বালির আস্তরণ হাত দিয়ে সরাতেই সেই অন্য কিছুটা দেখতে পাওয়া গেল। ঝুরো ঝুরো ময়লা আর সাদা চুনাপাথরের গুঁড়ো! এমনটা তো এখানে থাকার কথা নয়। তাহলে কি…!

    ‘তখনই আবদৌ একছুটে ডেকে আনল অ্যালান রো-কে। শ্রমিকদের দিয়ে ওপরের বালি পরিষ্কার করিয়ে দেখা গেল একটা আয়তাকার গর্তের মুখ। সেখানে জমে থাকা চুনাপাথরের টুকরোগুলোকে সরানোর পরে বেরিয়ে এল বারো ধাপের একটা সিঁড়ি। কিন্তু সিঁড়ির শেষে কিছু নেই।’

    ‘যাহ! তার মানে ধাপ্পা!’

    ‘মোটেই তা নয়। সমাধি যাতে কেউ খুঁজে না পায় তাই সমাধির মুখ পাথরের টুকরো দিয়ে এইভাবেই বুজিয়ে রাখা হত। শ্রমিকরা এবারে নতুন উদ্যমে ভারী ভারী পাথরগুলোকে সরাতে লাগল। সিঁড়ি যেখানে শেষ হয়েছে সেখান থেকেই ন-মিটার গভীর গর্তে পৌঁছোনোর পরে একটা মসৃণ পাথর পাওয়া গেল। পাথরের পিছনেই একটা লুকোনো কুঠুরি, যেখানে রাখা আছে একটা মানুষের মাথার খুলি আর ষাঁড়ের তিনটে পায়ের হাড়।’

    ‘মাথার খুলি না হয় বুঝলাম। কিন্তু ষাঁড়!’

    image66.jpg

    ‘হ্যাঁ, দেবতাকে খুশি করার জন্য ষাঁড়ের বলি দেওয়া হত। রো এই হাড় দেখেই নিশ্চিত হলেন যে খুব কাছাকাছিই কোনো সমাধি আছে। গর্তটা আরও গভীর হতে হতে পঁচিশ মিটারে এসে থামল। এবারে একটা বড়ো পাথরের চাঁই সরাতেই বেরিয়ে পড়ল একটা অন্ধকার ঘর! কিন্তু মাটির অত নীচে থাকা সেই ঘরে সূর্যের আলো তো পৌঁছোতেই পারছে না। শ্রমিকরা এবারে দারুণ একটা বুদ্ধির আশ্রয় নিল। কাচের আয়না দিয়ে সেই খাড়াই গর্তের মধ্যে সূর্যের আলো ফেলা হল। তারপরে সেই আলো রিফ্লেক্ট করানো হল আরেকটা আয়নায়, তারপরে আরেকটায়, এইভাবে অন্ধকার ঘরটাতে অবশেষে আলো এসে পৌঁছোল। ওই আলোয় ঘরের যেটুকু দেখা গেল তাতেই চোখ ধাঁধিয়ে গেল সবার!

    ‘ঘরের মেঝে জুড়ে ছড়িয়ে আছে সোনার টুকরো! কাঠের বড়ো পালঙ্ক, চেয়ার রাখা আছে। সেগুলোও জায়গায় জায়গায় সোনায় মোড়া। কাঠের একটা বড়ো বাক্স পাওয়া গেল। তাতে আটখানা ছোটো ছোটো পাথরের কৌটো রাখা, যার মধ্যে রাখা আছে সুগন্ধি তেল। মেয়েদের সাজগোজের সরঞ্জামও পাওয়া গেল। আর আছে অ্যালাবাস্টার পাথরের একটা কফিন! নাও পিজি, এবারে তোমার হেতেফেরিসের কবরে পৌঁছে গেছি।’

    image67.jpg

    রানির অ্যালাবাস্টােরর কফিন

    পিজি একটু গোমড়া মুখ করে বলল,

    ‘বুঝলেন কী করে যে ওটা অন্য কারোর নয়, হেতেফেরিসেরই?’

    ‘নাম লেখা ছিল যে।’

    ‘অ্যাঁ, নাম লেখা ছিল?’

    ‘হ্যাঁ, একটা কাঠের পাতের ওপরে লেখা ছিল,

    “উপরের আর নীচের ইজিপ্টের মাতা, হোরাসের অনুগামী, রানি হেতেফেরিস!”

    আমি এবারে বললাম,

    ‘তাহলে হেতেফেরিসের এই সমাধির খোঁজ ডাকাতরা আর পায়নি।’

    ‘না পায়নি, তাই তো এত কিছু পাওয়া গিয়েছিল এর মধ্যে। তবে এবারে মুশকিলটা হল অন্য জায়গায়। জর্জ রেসনার হার্ভার্ড থেকে ফিরে আসার পরে হেতেফেরিসের সমাধির জিনিসপত্রগুলো বের করা শুরু হয়। সাড়ে চার হাজার বছরের পুরোনো কাঠের খাট, চেয়ার, বাক্সগুলোর হাল খুব খারাপ ছিল। অনেকগুলো জায়গাতে শত টুকরো হয়ে পড়ে ছিল মেঝেতে। সেইসব টুকরোগুলোকে খুব সাবধানে গুছিয়ে ওই পঁচিশ মিটার লম্বা গর্ত থেকে বের করতে লেগে গেল ৩২১ দিন। মাটিতে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা ছোটো ছোটো সোনার টুকরোগুলো ওই আসবাবপত্র থেকেই খসে পড়েছিল। মোম গলিয়ে মাটিতে ফেলে তোলা হল ওগুলোকে। কিন্তু এই শত সহস্র টুকরোগুলোকে জোড়া লাগাবে কে? রেসনার নিজে পৃথিবীর তাবড় তাবড় এক্সপার্টের দ্বারস্থ হলেন। তাতেও কোনো সুবিধা করে উঠতে পারলেন না। শেষে কায়রো মিউজিয়ামের ডিপার্টমেন্ট অফ অ্যান্টিকুইটি থেকে পাঠানো হল আহমেদ ইউসুফ নামের একজনকে। রেসনার প্রথম প্রথম তাকে পাত্তা দেননি। কিন্তু চারিদিকে অনেক চেষ্টা করেও কোনো আশার আলো না দেখে রেসনার যখন হাল ছেড়ে দিতে বসেছেন তখন আহমেদ ওঁকে বললেন,

    ‘‘সুযোগ পেলেই আমি এই টুকরোগুলো জুড়ে দিতে পারি।’’

    এই কথায় রেসনার বেশ হাসলেন। কিন্তু আহমেদ একদম অবিচলিতভাবে আবার বললেন,

    ‘‘আমাকে এক সপ্তাহ একদম একা ছেড়ে দিন।’’

    এক সপ্তাহও লাগল না, ছ-দিনের মাথাতেই রেসনার অবাক হয়ে দেখলেন আহমেদ একটা গোটা বাক্স জোড়া লাগিয়ে ফেলেছেন। ওপরের সোনার সূক্ষ্ম কাজ নিয়ে! এই ঘটনার পরে রেস্টোরেশনের কাজটা রেসনার আহমেদের ওপরেই ছেড়ে দেন। আহমেদ একে একে রানির খাট আর চেয়ারগুলোও জোড়া লাগিয়ে ফেলেন। এগুলো এখন কায়রোর মিউজিয়ামে রাখা আছে।’

    ‘আর হেতেফেরিসের মমি?’

    image68.jpg

    আহমেদ ইউসুফ যে বাক্সটা জোড়া লাগিয়েছিলেন

    ‘হ্যাঁ, এবারে তার কথায় আসি। হেতেফেরিসের অ্যালাবাস্টার কফিনটা দারুণ ভালো অবস্থায় পাওয়া গিয়েছিল। ৩ মার্চ, ১৯২৭ সালে জর্জ রেসনার এই কফিনটা খোলেন। কিন্তু ভেতরে কিছু পাননি। হেতেফেরিসের মমি হাওয়া! অথচ কফিনের সঙ্গেই চারটে ছোটো ছোটো পাথরের জারও পাওয়া গিয়েছিল। ওগুলোর মধ্যে ছিল হেতেফেরিসের ফুসফুস, স্টমাক, লিভার আর ইনটেস্টাইন।’

    image69.jpg

    রানির বসার চেয়ার, শোওয়ার খাট

    ‘হেতেফেরিসের মমিটা তাহলে গেল কোথায়?! ওটাকে তো দাশুর থেকে তুলে নিয়ে এসে গিজার ওই কবরেই রাখা হয়েছিল বললেন?’

    ‘না তো, আমি কি বলেছি হেতেফেরিসের মমিসুদ্ধু সব কিছু আনা হয়েছিল দাশুর থেকে?’

    ‘মানে?’

    ‘মানে, মিথ্যে।’

    ‘মিথ্যে?’

    ‘হ্যাঁ, ফারাও খুফুকে সেদিন মিথ্যে কথা বলা হয়েছিল। ডাকাতরা হেতেফেরিসের সমাধি লুঠ করার সময় মমিটাকেও নষ্ট করে ফেলে। খুব সম্ভবত মমির গায়ে লাগানো সোনার জুয়েলারি আর দামি পাথরের জন্যই। কিন্তু সেই খবর খুফুকে দিলে কারোর শরীরে আর মাথা থাকত না। তাই সুকৌশলে এড়িয়ে যাওয়া হয়েছিল ঘটনাটাকে। খুব তাড়াহুড়ো করে দাশুর থেকে সমাধির যেটুকু অবশিষ্ট ছিল সেইটুকুকে তুলে নিয়ে চলে আসা হয় গিজার সমাধিতে। ফাঁকা কফিনটাও সেই সময়েই নিয়ে এসে রেখে দেওয়া হয়। খুফু তো আর কফিন খুলে মৃত মায়ের মমি দেখতে চাইতেন না!’

    ‘কিন্তু এই ঘটনাটা জানা গেল কীভাবে? কোথাও লেখা ছিল নাকি?’

    ‘না, লেখা থাকবে কী করে? হেতেফেরিসের ফাঁকা কফিনের কারণটা জর্জ রেসনারেরই হাইপোথিসিস বলতে পারো। পাক্কা গোয়েন্দার মতো তিনি এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছিলেন।’

    ‘কীভাবে!’

    ‘হেতেফেরিসের সমাধিতে ঢুকেই রেসনার খেয়াল করেন সমাধিতে অনেক আসবাবপত্র থাকলেও সেগুলো সব অগোছালোভাবে রাখা আছে। যেন কেউ খুব তাড়াহুড়ো করে কাজটা করতে চেয়েছে। তার একমাত্র লক্ষই ছিল যত জলদি সম্ভব হেতেফেরিসের জিনিসপত্রগুলোকে এক জায়গাতে রেখে সমাধিটা বন্ধ করে দেওয়া। আর পাথরের জারগুলোতে পাওয়া দেহের অংশই বলে দিচ্ছে যে কফিনের মধ্যেও একসময় হেতেফেরিস শুয়েছিলেন।’

    ‘তার মানে মমিটা সত্যিই পাওয়া যায়নি!’

    ‘না, যায়নি। তবে পরে আবার সেটা কফিনে ফিরেও আসেনি। শুনতে খারাপ লাগলেও এই জায়গাতে সুনীল গাঙ্গুলি ভুল ছিলেন। তাও ওঁর জন্যই তোমরা হেতেফেরিসের নামটা অন্তত শুনেছিলে।’

    ‘তবে বুঝলে মানিকজোড়, বইটাতে আরও দুটো ভুল আছে। হেতেফেরিসের সমাধির বর্ণনা ঠিক নেই। ১২৪ নম্বর পাতায় “কি অফ লাইফ”-এর ছবিটাও ভুল আঁকা আছে।’

    ‘কি অফ লাইফ!’

    ‘হুমম, সেটা কী জিনিস পরে বলব ’খন। এখন চলো, ওঠা যাক। অনেকক্ষণ ধরে ফাঁকা প্লেট সামনে রেখে আমরা গল্প করে যাচ্ছি। রেস্টুরেন্টের লোকেরা না তেড়ে আসে।’

    দিলখুশা থেকে বেরিয়ে এম জি রোডের ওপরে এসে দাঁড়ালাম। ভবেশদা শিয়ালদার বাস ধরে নিলেই আমরা উলটোদিকে হোস্টেলের পথে হাঁটা লাগাব। দূরে দেখলাম শিয়ালদার বাস আসছে। ভবেশদা সেইদিকে তাকিয়ে বলল,

    ‘তোমাদের তাহলে গিজার পিরামিড চত্বরের প্রায় সব কিছুই বলে দিলাম, বাকি রয়ে গেল শুধু হোর-এম-আখেতের গল্প।’

    ‘হোর-এম-আখেত? সেটা কী?’

    ‘সেটা? সেটা হল…

    স্ফিংস!!’

    বলেই ভবেশদা টপ করে বাসে উঠে পড়ল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহারানো সূর্যের খোঁজে – অনির্বাণ ঘোষ
    Next Article ভারতে ইসলাম ভারতীয় মুসলিম – অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }