Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    হারবার্ট – নবারুণ ভট্টাচার্য

    নবারুণ ভট্টাচার্য এক পাতা গল্প97 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    হারবার্ট – ৪

    চার

    “অই শুন! অই শুন। ভেরীর আওয়াজ হে,
    ভেরীর আওয়াজ”

    -রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিনু কলকাতায়, আশুতোষ কলেজে জিওলজি অনার্স নিয়ে পড়তে এসেছিল। বিনু আরও, অনেক আগে ছোটবেলায় একটা ছড়া শিখিয়েছিল হারবার্টকে পুলিশের লাঠি, ঝাঁটার কাঠি/ভয় করে না, কমিনিস্ট পার্টি। বিনু এসে রাস্তার ধারের ঘরটায় উঠল। কৃষ্ণলাল নিজে এসেছিলেন। বিনুর জন্যে ছোট একটা তক্তপোষ এল। তোষক এল। জ্যাঠাইমা দোতলার বারান্দার ছাদ থেকে ঝোলা বিছানার বাণ্ডিল খুলে বিনুকে বালিশ দিলেন। দেওয়ালে খোদল করা বাঁধানো তাকে উইনচেল হোমস ইত্যাদি সাহেবদের বই শোভা পেতে লাগল। বিনু সিরিয়াস। দোহারা গড়ন। মিষ্টি করে কথা বলে। বিনু একদিন সকাল নটা নাগাদ খাটে উপুড় হয়ে বুকের তলায় বালিশ দিয়ে মন দিয়ে কী লিখছিল। দরজাটা একটু ফাঁক করে হারবার্ট ভেতরে তাকিয়েছিল। একগাল হেসে বিনু বলেছিল, ও কী হারবার্টকাকা। ভেতরে এসো। কী দেখছ দাঁড়িয়ে?

    হারবার্টের সঙ্গে বিনুর বেশ অন্তরঙ্গতা গড়ে ওঠে। বিনুর বন্ধুদেরও বেশ লাগত হারবার্টের। হারবার্টকে ওরা সিগারেট খাওয়াত। গল্প করত। আবার এক এক সময় ঐ বিনুই বলত, হারবার্টকাকা, এবার তোমাকে একটু … হারবার্ট বুঝত যে বিনু ওকে এখনকার মতো চলে যেতে বলছে। কিন্তু সেটা খারাপভাবে নয়। বিনু তাকে একটা ফুলপ্যান্ট কিনে দিয়েছিল। সঙ্গে একটা বেস্ট।

    –ওফ্‌, হারবার্টকাকা, তোমায় না ঠিক অ্যামেরিকান ফিল্মস্টারদের মত লাগছে।

    ধন্‌না হারবার্টের প্যান্ট দেখে চমকে গিয়েছিল। পরে তাজ্জব হয়ে গিয়েছিল শুনে যে টিউশনির টাকা থেকে বিনু এটা হারবার্টকে কিনে দিয়েছে।

    জ্যাঠাইমা বলেছিলেন, দেখেচিস তো! দেখে শেখ। আকুটেপনা করে তো জীবন কাটালি।

    ধন্‌না বলেছিল, ফ্যাচফ্যাচ করোনা তো। ওপরপড়া আদিখ্যেতা থেকে শিখবটা কী শুনি? তবে হ্যাঁ, আমারগুলো যদি বিনুটাকে দেখে বোজে–না করল লেখাপড়া, না হল ভব্যসভ্য।

    জ্যাঠামশাই বলেছিলেন, পিউ কাঁহা! পিউ কাঁহা।

    বিনু পরলোকে আগ্রহী হারবার্টকে মৃত্যুর একটা অন্য মানে বুঝিয়েছিল।

    –ও কি সব আগডুম বাগডুম পড় বলল তো। ওসব ধাপ্পা। রিডিকিউলাস। এ মরল, ভূত হয়ে এল, ও মরল ভূত হয়ে গেল–এই যে পাতায় পাতায় ভূত কিলবিল করছে, বলো, নিজে কখনও দেখেছ? লোক তো আর মরেনি এমন নয়? এ বাড়িতেই ক’জন মরেছে কে জানে?

    -আমি দেকিনি বলেই সবটা মিথ্যে হয়ে যাবে?

    -শুধু তুমি দেখনি না, কেউ দেখেনি।

    -তাহলে প্ল্যানচেটে যেটা হয়?

    -কী হয়? বহরমপুরে নিজে আমি দেখেছি।

    -দেখেচিস? এল?

    -আসবে না কেন? নিজেরাই তো হয় অক্ষরের কাছে গেলাশ টেনে আনছে নয় তো পেন্সিল কাঁপাচ্ছে। অবশ্য তোমাকে দোষ দিয়ে লাভ নেই। যতদিন হাতে গোনা কয়েকটা লোক লাখ লাখ মানুষকে বোকা বানিয়ে খাঁটিয়ে মারবে, তাদের ঠকাবে, ততদিন ভূত, তারপর তোমার গিয়ে ঠাকুর-দেবতা-ধর্ম–এই সবই চলবে। শোনো, একটা লেখা শোনো, (বিনু একটা ছোট বই খোলে, পাতা ওল্টায়)

    -আমাদের সামনে হাজার হাজার শহীদ মৃত্যুবরণ করেছেন, তাঁদের কথা মনে পড়লেই আমাদের প্রতিটি জীবিত লোকের হৃদয় বেদনায় ভরে ওঠে, এমন কী স্বার্থ আছে যা আমরা ত্যাগ করতে পারব না অথবা এমন কী ভুল আছে যা আমরা শুধরে নিতে পারব না?–কথাটা কার লেখা বলতে পারবে?

    হারবার্ট মাথা নাড়ে। এসবের কিছুই সে জানে না।

    -মাও-সে-তুং।

    ১৯৭০-এর ১৯ নভেম্বর বারাসতের কুখ্যাত হত্যাকাণ্ড ঘটে। যতীন দাস, কানাই। ভট্টাচার্য, শংকর চট্টোপাধ্যায়, সমীর মিত্র, স্বপন পাল, সমীরেন্দ্রনাথ দত্ত, তরুণ দাসও গণেশ ঘটককে গভীর রাতে পুলিশ নৃশংসভাবে হত্যা করে। ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী-লেনিনবাদী)-র সাধারণ সম্পাদক চারু মজুমদারতার ২২ নভেম্বর, ১৯৭০-এর ইস্তেহারে আহ্বান জানালেন,

    -আজ প্রত্যেকটি ভারতবাসীর পবিত্রতম কর্তব্য এইসব কাপুরুষ বিদেশীদের আজ্ঞাবহ খুনেদের বিরুদ্ধে তীব্র ঘৃণা সৃষ্টি করা। এটা আজ দেশবাসীর দাবী, দেশপ্রেমিকের দাবী। প্রত্যেক বিপ্লবী কর্মীকে এই বীর শহীদদের হত্যার বদলা নেবার প্রতিজ্ঞা গ্রহণ করতে হবে। এই জল্লাদরা ভারতবাসীর শত্রু, প্রগতির শত্রু এবং বিদেশীর অনুচর। এদের শেষ না করলে ভারতবর্ষের মুক্তি নেই।

    বিনু এই ডাকে সাড়া দিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ল। কোনো কোনো রাতে ফিরত না। ধনাদাদার পাড়াটা কিন্তু পাঁড় কংগ্রেসী। বামপন্থার ছিটেফোঁটা থাকলেও বোঝ যেত না। বড়িলাল ছিল ইনফর্মার। হারবার্টকে একদিন বেশ কিছু টাকা আর মাও সে-তুং-লিন পিয়াও-এর ছবি ছাপা রসিদ বই দিয়ে বিনু পাঠাল লেক মার্কেট এলাকায় কোনো এক বিজয়-কে পৌঁছে দেবার জন্যে। বিজয় তাকে নিয়ে গেল কালীঘাটের গ্রীক চার্চের পেছনে। সেখানে খোঁচা খোঁচা দাড়ি গাল ভাঙা চশমা পরা একজন লোক আবছা অন্ধকারে হারবার্টকে জড়িয়ে ধরে বলেছিল—”অভিনন্দন কমরেড। বিনয় আপনার কথা অনেক বলেছে। আপনার মতো বিশ্বস্ত বন্ধুর আমাদের দরকার। চা খান।”

    ফেরার রাস্তায় মনোহরপুকুর মোড়টা ওকে পার করে দিয়েছিল দুটি ছেলে। কোথাও বোমা পড়েছিল। হারবার্ট আর খবর পায়নি যে ঐ বিজয় পরে বরানগরে আত্মগোপনে থাকাকালীন ১৯৭১ সালের ৯ মে সকালে বাজারের খাবারের দোকানের সামনে পুলিশের গুলিতে মারা যায়।

    বিনু একটানা অনেকদিন বাড়িতে ছিল না। ধাদাদা কৃষ্ণলালকে চিঠি দিল। কৃষ্ণলাল জবাবে লিখলেন।

    -বিনু এখন যুবক। সে বোঝে কী করছে। আর, এটা তো আর সে নিজে বোঝে নি, অনেকের সঙ্গেই সে একই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অতএব, আমার তরফ থেকে তাকে নিবৃত্ত করার কোনো প্রশ্নই ওঠে না। উপরন্তু বিনুর মাও এ বিষয়ে আমার সঙ্গে সহমত পোষণ করেন। তবে, তোমাদের অসুবিধা হচ্ছে জানলাম। অন্য ব্যবস্থা করছি। কিন্তু তার জন্য তোমাকে আমার কলকাতা যাওয়া অবধি অপেক্ষা করতে হবে। বাবা ও মা আশা করি ভাল আছেন। হারবার্ট ও তোমার পুত্রদের আমার ….

    অবশ্য কৃষ্ণলালের কলকাতায় এসে অন্য ব্যবস্থা করার দরকার হয়নি। রাত্তিরে, এলগিন রোডের জাহাজবাড়ির কাছে একটা দেওয়ালে স্টেনসিল থেকে মাও-সে তুং-এর মুখ আঁকছিল তিনটি ছেলে। উল্টোদিকের ফুটে মুখ ঢেকে যারা শুয়েছিল তাদের মধ্যে একজন চাদর সরিয়ে গুলি চালায়। একটি ছেলে দুজনের কাঁধের ওপর পা রেখে স্টেনসিলের ওপরে কালি বোলাচ্ছিল। সে পড়ে যায়। অন্যরা তাকে টেনে নিয়ে যেতে চেষ্টা করে। তখন অনেক পায়ের শব্দ ছুটে আসছে। হুইসল বাজছে। আহত ছেলেটির কথাতেই তাকে রেখে তখন দুজনে পালায়। আহত ছেলেটি উল্টে বুকের উপর ভর করে কনুই দিয়ে হেঁচড়ে চেড়ে হাত পাঁচ বা ছয়েক যেতে পেরেছিল। ফুটপাথে রক্তের ঘষটানো দাগ হয়েছিল। তারপর সে জ্ঞান হারায়।

    এস. আই. সন্তোষ দেখল প্রাইজক্যাচ। বিনয়কে পায়ের ওপর দাঁড় করালে অনেক কিছু জানা যাবে। পিজির কেবিন। ডাক্তার।

    -লাংফিল্ড পাঙচার হয়ে গেছে। কিছু করার নেই। এনি টাইম। জানলে বাড়িতে খবর দিন। বাড়িতে খবর এসেছিল। ধন্‌না কৃষ্ণলালকে তার করে। হারবার্ট দুবেলা হাসপাতালে পড়ে থাকত। শরীরের বেশির ভাগ রক্ত রাস্তায় ও ভ্যানের মেঝেতে ঢেলে দেওয়ার পরেও অদম্য এক প্রাণশক্তি বিনুকে দুদিন বাঁচিয়ে রেখেছিল। কৃষ্ণলাল এসেছিলেন। ওদিকে বাড়িতে, বিশেষত বিনুর ঘরে সব ওলটপালট করে, তোষকের তলায় বা কোথাও পুলিশ কিছু পায়নি। এর অনেক আগেই বিনুর কথামতো চিলছাদে হারবার্ট অনেক কিছু পুড়িয়েছে। দেশব্রতী, দক্ষিণ দেশ, চট্টগ্রামে ছাপানো একটি গেরিলা যুদ্ধের বাংলা ম্যানুয়াল, কিউবার ট্রাইকন্টিনেন্টাল পত্রিকা থেকে সংগৃহীত মলোটভ ককটেলের নকশা, রেডবুক, কিছু চিঠি। একটু একটু করে পুড়িয়েছে যাতে ধোঁয়া কম হয়। কেউ বুঝতেও পারেনি।

    কৃষ্ণলালকে তার বন্ধু অধ্যাপক প্রফুল্লকান্তি বাইরে চা খাওয়াতে নিয়ে গিয়েছিলেন। হারবার্টকে বন্দুকধারী দুই গার্ড দয়াপরবশ হয়ে বলেছিল–ভেতরে যান, ভুল বকচে। বাপটা আবার কোথায় গেল?

    হারবার্ট বিনুর কাছে গিয়েছিল। বুক অবধি কম্বলে ঢাকা। উল্টোনো বোতলের থেকে রবারের নল হাতে। একটা জিনিস হারবার্ট দেখতে পায়নি। পায়ের দিক থেকে কম্বলের তলা দিয়ে একটা শেকল বেরিয়েছে। সেটা লোহার খাটের সঙ্গে দুপাক জড়িয়ে তালা আটকানো। গলায় ট্রাকশন লাগানো একটা ছেলে পালাবার পরে এই ফুলফ ব্যবস্থা করা হয়।

    বিনুর চোখদুটো বন্ধ কিন্তু ঠোঁটদুটো নড়ছিল আর যেটাকে দুজন পুলিশ প্রলাপ বলে ভুল করেছিল সেটা ছিল বারাসাতের শহীদ সমীর মিত্র-র লেখা কবিতা, অনেক চেষ্টা করে, মনে করে শব্দগুলো বলা, ঠিক কবিতা বলার মতো নয়,

    -আমি দেখতে পাচ্ছি,
    আমার চোখের সামনে, আমার এতকালের দেখা
    পুরনো দুনিয়াটা পাল্টে যাচ্ছে,

    (বিনু পরপর কয়েকবার ‘পাল্টে যাচ্ছে, পাল্টে যাচ্ছে’ বলে চলে, পরের কথাগুলো মনে আসে পরে, কাশির মতো হয়, ঠোঁটের কোনা দিয়ে রক্ত মেশা ফেনা ফেনা থুথু চলে আসে, হারবার্ট মাথার কাছে রাখা রক্ত মাখানো তোয়ালেতে মুছিয়ে দিতে যাবে, নার্স এসে যায়। নার্স মুছিয়ে দেয়, দিয়ে দৌড়ে বেরিয়ে যায়।)

    ভেঙেচুরে, তছনছ হয়ে, গুঁড়ো গুঁড়ো
    হয়ে ঝরে পড়ছে
    পুরনো দিনগুলো।
    ঝড় আসছে একটা

    (কয়েকবার ‘আসছে, আসছে’ বলে। চোখদুটো বড় করে তাকায়। মুখের ওপরে। হারবার্ট ঝুঁকে। তার চোখে জল। বিনুর চোখ এদিক ওদিক তাকায়। সে আসলে কাউকে খোঁজেনি। দেখছিল পুলিশরা তার শেষ কথা শোনার চেষ্টা করছে কি না।)

    -কিছু বলবি, বিনু?

    -হারবার্টকাকা, পুজোর ঘরে, ডায়রি…হারবার্ট…কাকা….ডায়রি..কালীর ফটোর পেছনে…ডায়রি… বিনু তাকিয়ে থাকে। একটু ওপর দিকে। এভাবে মানুষ সবসময় তাকায় না। কিছু দেখার জন্যে না হলেও তাকিয়ে থাকা।

    ডাক্তার এসে ঢোকে। হারবার্টকে বলে সরে যেতে। পুলিশরা ঢোকে। নার্স। এক্সপায়ার।

    এরপর পুলিশ-ফৈজৎ কাঁটাপুকুর ঘুরে ক্যাওড়াতলা। বিনুর দেহ বিদ্যুৎ-চুল্লিতে ঢুকে যায়। শ্মশান ঘিরে অত রাতেও পুলিশের কড়া পাহারা। কৃষ্ণদাদা কি বিড়বিড় করছিলেন এক দৃষ্টিতে চুল্লির দিকে তাকিয়ে। চুল্লির দরজার ওপরে লেখা ‘পুলিশের কুত্তা দেবী রায় হুঁশিয়ার সি.পি. আই. (এম. এল.)’। জনৈক বুদ্ধিজীবী পুলিশ অফিসার অধস্তন একটিকে বলেন—’ঐ দেখুন, নকশালের বাবা, ছেলে পুড়ছে বলে মন্তর পড়ছে। কথাটা শুনে হারবার্ট কৃষ্ণদাদার গা ঘেঁষে দাঁড়িয়েছিল। চোখ দিয়ে জল পড়ছে। কৃষ্ণদাদা আবৃত্তি করছেন,

    ওরা বীর ওরা আকাশে জাগাতো ঝড়
    ওদের কাহিনী বিদেশীর খুনে,
    গুলি, বন্দুক, বোমার আগুনে
    আজও রোমাঞ্চকর।

    বিনু পুড়ছিল তখন।

    এই ঘটনার পরে পচা, বদ্ধ, অকিঞ্চিৎকর যে কালপর্ব চলেছে তা এতই ক্লান্তিকর যে এর তুলনা অন্তত ইতিহাসে মেলা ভার। এবং হারবার্ট কলকাতা শহরের যে খণ্ডের বাসিন্দা সেখানে যুগযুগান্তেও কিছু পাল্টায় কিনা সন্দেহ। বনেদী বাড়িগুলোর মধ্যে চিলচিৎকারের মধ্যে দিয়ে যে ভাগাভাগি হয়েছে তার ফলে অভাবনীয় সব জায়গাতে দেওয়াল ও দরজা এসেছে। অবশ্য কিছুটা মুখ পান্টানোর স্বাদ এনেছে পুরনো বাড়ির জায়গায় তৈরি প্রোমোটারদের মালটিস্টোরিড। ভিডিও-র দোকান হয়েছে। জ্ঞানবান ও বুদ্ধিমান দুই ভাই প্রথম বিপ্লবী পদক্ষেপ নিয়ে দোকানটি খোলে। মোড়ে রোলের দোকানও হয়েছে। বড় রাস্তায় আগে বড় বড় গাছের ছায়া ছিল। তার তলা দিয়ে ছায়াস্নিগ্ধ দোতলা বাস যেত। এখন গাছ নেই। উন্মত্ত যানবাহন। পাড়ায় ঠেলাওলাদের আড্ডাটা উঠে গেছে। হারবার্টের মনে পড়ে একবার মাঝরাত্তিরে ভূমিকম্প হয়েছিল। দোতলার বারান্দার ঝোলানো বিছানার বান্ডিল পেন্ডুলামের মতো দুলছিল। রাস্তায় ভীত এক বৃদ্ধ ঠেলাওলা তার ঘুমন্ত স্বদেশীদের—”ভূঁইডোলারে ভূঁইড়োলা!” বলে সতর্ক করছিল। অথচ, পরদিন সকালে ডেকাডেন্ট রাস্তায় সেই গত রাতের মাতাল ও গতকালের রেসুড়েদের ফোলা ফোলা চোখ নিয়ে বাজার করতে যাওয়া, সেলুনের মেঝেতে গুচ্ছ গুচ্ছ চুল, রিক্সার শব্দ-সব দেখলে শুনলে কার বাপের সাধ্যি বলে যে এই শহরে গতরাতে একটা ছোট মাপের হলেও ভূমিকম্প হয়ে গেছে। অবশ্য কয়েকবার ভোটহয়েছিল। হারবার্টের তাতে কিছু যায় আসে না। সে কখনও ভোট দেয়নি। প্রত্যেকবার ভোটের দিন ও যখন কোথাও না যেয়ে চিলছাদে বসে থেকেছে। সেটা ওর কাছে বিনুর প্রতি ট্রিবিউট বলে মনে হয়েছে। কিন্তু বিনুর বেশি কথা তার মনে পড়ত না।

    অলেস্টারের ঘটনায় ভাইপোদের হাতে কর্দর্যভাবে মার খাওয়ার পরে একদিন দুপুরবেলা চিলছাদে আরাম করে ঘুমোচ্ছিল হারবার্ট। কৃষ্ণদাদা এসেছিলেন সে সময়। বিনুর মৃত্যুর পর ধন্‌নাকে তার নিজের অংশ লিখে দেওয়ার পরে সেই যে ফিরে গিয়েছিলেন তিনি, তারপর এই প্রথম আসা। বিনর মৃত্যুর বছর পাঁচেক পরে বিনুর মা মারা যান। প্রায় তেরো চোদ্দ বছর পরে আসা। আগের মতো এবারেও হারবার্টকে নিয়ে হকার্স কর্নার থেকে দুটো ধুতি আর দুটো ফুলশার্ট কিনে দিয়েছিলেন।

    নতুন ধুতি আর শার্ট পরে ঘুমোচ্ছিল হারবার্ট। আকাশে সাদা পালক মেঘের ফঁক দিয়ে সূর্যের ছটা বেরিয়েছিল। আধভিজে নিশ্বাসের মতো হাওয়া দিচ্ছিল। হারবার্ট স্বপ্নটা দেখেছিল।

    “কেন গো নরের বেশে এ খেলা তোমার?
    তারা কি তোমার ওগো বড় আপনার!”

    –নগেন্দ্রবালা মুস্তোফি

    বিরাট, কতদুর ছড়ানো একটা কাচের পর্দা। তার এপারে একটা এবড়োখেবড়ো মাটির রাস্তা যেটা কাচের পর্দার পাশ দিয়ে সমান্তরাল ভাবে চলেছে। ওপারে একটা সোনালী পাহাড়ের তলার দিকে বিরাট গুহা দেখা যাচ্ছে যার মধ্যে সরু পাথর ওপর থেকে ঝুলছে, বরফের ঝালরের মতো, আবার নিচের থেকেও ওরকম উঠে গেছে–বিনুর আওয়াজ স্পষ্ট শুনতে পায় হারবার্ট–ওপর থেকে যেগুলো ঝুলছে সেগুলো স্ট্যালাকটাইট, তলা থেকে যেগুলো উঠেছে সেটা স্ট্যালাগমাইট–ঠিকই তো, বই থেকে বিনু তো দেখিয়েছিল। তারপর পাহাড় ফুরিয়ে গেল। আবার চলছে, আবার চলছে। কখনো কাচের ওপারে জল। কখনো আকাশ। আলো কমছে। ফিরতে হবে অতটা পথ। কোথায় ফিরতে হবে। এই ভয়টা আসার সঙ্গে সঙ্গে হাজার হাজার কাকের একটা মেঘ ওপারে কাচের কাছে ছুটে আসে। কাচে ঠোকরায়। ডানা ঝাঁপটায়। অথচ কোনো শব্দ নেই। কাকের রক্ত, কাকের গু ছেবড়ে ছেবড়ে কাচটাকে নোংরা করে দিচ্ছে। সেই অসংখ্য কাকের ফাঁকে বিনুকে দেখতে পায় হারবার্ট। ৮০ দশকের মধ্যভাগ। বিনুর মৃত্যুর পর এই প্রথম বিনু। বিনু স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে। বিনু কিছু বলছে। কাকের ঢেউ এসে বার বার বিনুকে আড়াল করে। কাচের তলায়, ওপারে, মরা কাক জমছে। বিনু একটু এগিয়ে আসে। বিনু হাসছে। হারবার্টও হাসে। হাত নাড়ে। কথাগুলো, বিনুর কথাগুলো কাচের এপারে ইকো হচ্ছে অনেক দূরের ভেসে আসা মাইকের গানের সঙ্গে–

    –হারবার্টকাকা, পুজোর ঘরে, ডায়রি …হারবার্ট … কাকা ডায়রি কালীর ফটোর পেছনে… ডায়রি …।

    কাচের কাছে এসেছে বিনু। বিনু তাকিয়ে আছে। একটু ওপর দিকে। এভাবে মানুষ সবসময় তাকায় না। কিছু দেখার জন্যে না হলেও তাকিয়ে থাকা।

    হারবার্ট ধড়মড় করে উঠে বসেছিল। মুখের গড়ানো লালা শার্টের আস্তিনে মুছেছিল। ঘুমচোখে দেখেছিল আকাশে রামধনু। রামধনুর ওপরে কারা যেন হাঁটছে। বুকের মধ্যে রেলগাড়ি চলার মতো শব্দ। শহরের অপ্রয়োজনীয় শব্দ। হারবার্ট নেমে এসেছিল। ঠাকুরঘরে ঢোকেনি। সোজা দোতলার বারান্দায়। জ্যাঠাইমা মাদুরে বসে। কৃষ্ণদাদা, ধাদাদা, ধনাবৌদি চা খাচ্ছিল। ধন্‌না কী একটা বলতে যাচ্ছিল, হারবার্ট চিৎকার করে উঠল।

    -জ্যাঠাইমা। স্বপ্ন পেয়েছি। স্বপ্নে বিনু এসেছিল। বলল…

    (আবার মাথা গুলিয়ে যাচ্ছে। মনে পড়ছে, আবছা আবছা, ধন্দ…)

    কৃষ্ণন্দাদা স্মিত হাসেন, বিনুকে স্বপ্ন দেখলি?
    এবার পর পর মনে পড়ে।

    -দেখব কী। এত কাক যে দেখাই দুষ্কর। বিনু, বিনু, বলল–চলো-দেখবে চলো জ্যাঠাইমা …

    ধন্‌নাদাদা বলে,–যা বলল মাথা ঠাণ্ডা করে বল। গুলিয়ে না যায়। স্বপ্ন তো!

    -বলল; জ্যাঠাইমার-ঠাকুর ঘরে, কালী ঠাকুরের যে ফটোটা আছে (হারবার্ট মাথায় হাত ঠেকায়) তার পেছনে বিনুর ডায়রি অছে।

    জ্যাঠাইমা উঠতে চেষ্টা করেন–ধর, আমায় ধরে ওঠা। মা, মাগো!

    হারবার্টের স্পষ্ট মনে ছিল আগে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে জ্যাঠাইমা, তার পরে হারবার্ট, ধন্‌নাদাদা-বৌদি, শেষে কৃষ্ণলাল প্রায়ান্ধকার সিঁড়ি বেয়ে উঠছে। শেকল খুলে ঠাকুরঘর খোলা হল। ঠাকুরঘরের টিমটিমে আলো জ্বালানো হল। মা কালীর ফটোটি দেওয়ালের মাঝামাঝি ঝোলানো। জ্যাঠাইমা ঠাকুর প্রণাম করে ফটোর তলার দিকটা সামনে টানতে একটা টিকটিকি দৌড়ে দেওয়ালের ওপর দিকে গেল। ভারি ফটো। জ্যাঠাইমা বললেন—ধন্‌না, টান তা অত ভারি ঠাকুর, আমি কি পারি?

    ফ্রেম বাঁধানো বড় ছবি কালীর। তলাটা সামনে টানতে কিছু হল না।

    -কিছু থাকলে তো বেরোত।

    জ্যাঠাইমা বললেন—ধরাধরি করে ঠাকুরটা নামা না, নামিয়ে উল্টো দিকে দ্যাখ।

    ফ্রেমটা উল্টে দেওয়ালের গায়ে দাঁড় করাবার সময়েই সকলে দেখতে পেয়েছিল। ফ্রেমের কাঠের ওপরে রেখে কাটাপেরেক ঘুরিয়ে আটকানো মাকড়সার জাল ও ধুলো মাখা ছোট একটা ডায়রি। নীচ থেকে ফোকলা চিৎকার শোনা গেল,–“পিউ কাঁহা! পিউ কাঁহা!”

    -ওঃ সে কত কাগরে বাবা। কাচের এমুড়ো ওমুড়ো টুকরোচ্চে আর ডানা ঝটকাচ্চে। তার মধ্যে আবার গান হচ্চে। বিনু ঠায় হাসছে। কিছু শুনতে পাচ্চি না। তারপর কানে এল, ফাঁকায় কতা বলার মতো। পষ্ট শুনলাম … বলেই সেবারের মতো মরে গেল …

    হারবার্ট হদিশ পাচ্ছে। এবার তাকে দাপাতে হবে। বিনুর সময় এসছিল। এবার তার সময়। সব লণ্ডভণ্ড করে দিতে হবে। নকড়াছকড়া করে ফারাফাই করে বিশ্ব সংসারে একটা তাণ্ডব লাগিয়ে দিতে হবে।

    “পুরাকালে এ দেশে অনেক ভূতবিদ্যাবিৎ ঋষি ছিলেন। শুনিতে পাই, বিদ্যমানকালেও, অন্য ভূখণ্ডেও অনেক ভূতবিদ্যাবিশারদ জন্মগ্রহণ করিয়াছেন। কিন্তু তাহাদের সহিত ঋষিদিগের মতবৈষম্য দেখা যায়। ঋষিদিগের মতে যাবৎ প্রেত অবস্থা, তাবৎ তাহাদিগকে আহ্বান বা আকর্ষণ করা যায় এবং দেব গন্ধৰ্বাদি দেবযোনি-প্রাপ্তদিগকেও আকর্ষণ বা আহ্বান করা যায়। …শুনিতে পাই, বর্তমান কালের ভূতবিদ্যাবিশারদেরা মৃতমাত্রকেই আহ্বান করিতে পারেন বা করেন; এমন কি, বুদ্ধদেবের আত্মাকেও নাকি কোনো পণ্ডিত আহ্বান করিয়াছিলেন।”

    (পরলোক রহস্য)

    ‘কম্পিত হৃদয়ে স্পন্দিত বক্ষে গবাক্ষের দিকে অগ্রসর হইলাম, সবে মাত্র শয্যাত্যাগ করিয়াছি–এমন সময় কক্ষতলে আমার দৃষ্টি পতিত হইল, আমি সবিস্ময়ে দেখিলাম-পাঁচ সাতটা সদ্যচ্ছিন্ন নরমুণ্ড কক্ষতলে গড়াইয়া বেড়াইতেছে! সে মুণ্ডের বিকট দশন পাটি ভীষণ ভুকুটি-ভ্ৰভঙ্গ লক লক রসনা আমার হৃদয়ে মহা আতঙ্কের সঞ্চার করিল–আমি পুত্তলিকাবৎ স্থির হইয়া দাঁড়াইলাম-পদমাত্র অগ্রসর হইতে সাহস করিলাম না। পরক্ষণে আবার গগনভেদী চিৎকার!”

    (সার্কাসে ভূতের উপদ্রব)

    পিউ কাঁহা! পিউ কাঁহা।

    কৃষ্ণলাল ফিরে যাওয়ার পরে হারবার্ট জ্যাঠাইমাকে জানিয়ে দিল যে, নীচের ঘরে সে ব্যবসা শুরু করবে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleএই মৃত্যু উপত্যকা আমার দেশ না – নবারুণ ভট্টাচার্য
    Next Article লুব্ধক – নবারুণ ভট্টাচার্য

    Related Articles

    নবারুণ ভট্টাচার্য

    জার্নালিস্টের জার্নাল – নিমাই ভট্টাচার্য

    September 4, 2025
    নবারুণ ভট্টাচার্য

    কাঙাল মালসাট – নবারুণ ভট্টাচার্য

    September 1, 2025
    নবারুণ ভট্টাচার্য

    লুব্ধক – নবারুণ ভট্টাচার্য

    September 1, 2025
    নবারুণ ভট্টাচার্য

    এই মৃত্যু উপত্যকা আমার দেশ না – নবারুণ ভট্টাচার্য

    September 1, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }