Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    হারবার্ট – নবারুণ ভট্টাচার্য

    নবারুণ ভট্টাচার্য এক পাতা গল্প97 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    হারবার্ট – ৬

    ছয়

    “আপনারে গেছি ভুলে, চাও গো মুখানি তুলে
    ধর সখি দুইটি চুম্বন”।

    –সরাজকুমারী দেবী

    ১৯৯১-এর শীতে, কোনো এক বিকেলে, কালো অলেস্টার ও বিনুর দেওয়া প্যান্ট পরে, গত তিন-চার বছরের শীতকালে যেমন হয়েছিল আয়নায় নিজেকে দেখে মোহিত হয় হারবার্ট ও বলে ক্যাট, ব্যাট, ওয়াটার, ডগ, ফিশ!

    কী করবে এখন হারবার্ট? সেই অ্যাডভেঞ্চার সম্বন্ধেও একটা অস্পষ্ট ধারণা ছিল তার। এদিক থেকে মিনিট কুড়ি হাঁটলে সায়েব পাড়ার এলাকা-রাস্তার নামগুলো শুনলেই কেমন লাগে-লাউডন, রডন, রবিনসন, শর্ট, উট্রাম, উড, পার্ক…

    উপর্যুপরি কয়েকদিন এভাবে অদ্ভুত চেহারার এই মানুষটিকে দেখে দারোয়ান বা কোনো আয়ার হয়তো মনে হয়ে থাকবে নোকটা পাগল এবং চেহারাটা ভালো করে দেখলে মনে হয় ওর গায়ে হয়তো সত্যি সায়েবের রক্ত আছে। তা না হলে ওরকম রং, ওরকম তাকানো, একটু নীলচে চোখে….

    হারবার্ট হাঁটছে। হঠাৎ ‘প্যাকার্স এণ্ড মুভার্স’-এর দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে গেল। কিছু বলবে? কী যেন বলার ছিল। থাক, এখন না বললেও চলে। হারবার্ট বিড়বিড় করে ক্যাট, ব্যাট, ওয়াটার, ডগ, ফিশ!

    কেকের দোকান থেকে গন্ধ বেরোচ্ছে। কালো কাচ দিয়ে দোকানটা সাজানো। ঢুকবে? উরে বাবা, কতটা জায়গা নিয়ে বাড়িটা।বিরাট গেট। ভেতরে একটা মারুতি ব্যাক করছে পেছনে সাদা আলো জ্বেলে। যারা গাড়িতে তাদের থেকেও কিন্তু বাড়িটাকে ভালো চেনে হারবার্ট। ভেতরে একটা কাঠের সিঁড়ি থাকতেই হবে। সিঁড়িটা উঠে দুভাগে ভাগ হয়ে ডানদিকে বাঁদিকে উঠে গেছে। যেখানে ভাগ হয়েছে সেখানে একটা আয়না কালো কাঠের ফ্রেমে আটকানো, ফ্রেমটা আটকানো একটা স্ট্যাণ্ডে যার পা-গুলো বাঘের থাবার মতো ডুমোডুমো। দুপাশে দুটো পেতলের বড় ফুলরাখার পাত্র। ডানদিকের সিঁড়িটা দিয়েই হারবার্টের ওপরে ওঠার অভ্যেস। কিন্তু ওপরের ঘরগুলো কী রকম, কটা ঘর আছে, সেই ঘরে কী হয়েছিল, কে থাকত? মাথাটা ব্যথা করে হারবার্টের। একটা সিগারেট ধরায়। ফুটপাথে একটা পুরনো দিনের ঘোড়ার জল খাবার লোহার চৌবাচ্চা। তার কিনারে বসে। মুখে যদিও বলে-ক্যাট, ব্যাট, ওয়াটার, ডগ, ফিশ।

    কিন্তু আবছা করে যেন সাদা পোশাকের, ফিনফিনে, সাদা গা দেখা যাচ্ছে, সোনালী চুল ….. চোখ বন্ধ করে ভাবতে থাকে হারবার্ট … মোমবাতি জ্বলছে আর সেটা নিভিয়ে দেবার জন্যে ফুঁ দিতে, এগিয়ে আসছে কেউ নিচু হয়ে, কাচের গেলাসের শব্দ …..হারবার্ট চোখ খোলে। অন্ধকার ছড়িয়েছে। রাস্তায় আলোগুলো জ্বলেনি। গাড়ির আলো। হারবার্টের একই সঙ্গে মনে হয় কিছু একটা যেন বলার ছিল আর এই বাড়িতে ঐ চিলছাদটা নেই।

    বিখ্যাত জুয়েলারের ছেলে তার কর্মচারিদের নিয়ে এসেছিল এবং হারবার্টের কথায় সে বেজায় অপ্রস্তুত হয়ে যায়। মুখ লাল হয়ে ওঠে।

    -কী এসব বলছেন। আমার বাবা দেবতুল্য লোক ছিলেন। এঁদের-ই বলুন না, দীর্ঘদিন বাবার কাছে কাজ করেছেন এঁরা-বলুন না, দাসবাবু …।

    -কী বলেছি যে আমায় ওদের কাছে জানতে হবে। কী বলেচি যে গিলতে পাচ্ছেন না। বিষম ঠেকচে। গালাগালমন্দ কিছু করেছি?

    -ঐ যে বললেন বাবা পাপী।

    হারবার্ট হা হা করে হেসে ওঠে–বলেচি যে সামান্য পাপী, তৃতীয় স্তরে বিরাজমান। মানে কিছু বোজেন যে প্যাক প্যাক করছেন?

    ছেলেটি এবার চুপ করে থাকে। শুনে যায়-ব্যবসায়ী লোক। বিস্তর বড় জাল ফেলচে, জাল গুটোচ্চে, মাছ খামচাচ্চে, আবার এ পুকুরের এঁড়ে মাছ ও পুকুরে ছেড়ে দিচ্চে-কী বুঝলেন?

    -আজ্ঞে, ওঁর তো মাছ-ফাছের ব্যবসা কখনও ছিল না, আমাদের তো জুয়েলারি…

    -আরে বাবা, এগুলো হল হেঁয়ালি। বুঝতে হবে। বলচি যে ব্যবসায়ী মানে বিষয়-সম্পত্তির বন্দোবস্ত তো, মরণমূছা কাটতে একটু সময় লাগে। তবে খুব বেশি টানলে ঐ দেড় বছর … তারপর ছাড়া পেয়ে যাবে। দিব্যি উড়ে বেড়াবে। ওঃ কী যে লীলা।

    -আমাদের কী করণীয় তাহলে?

    -আপনাদের? কিচ্ছু না। মন দিয়ে ব্যবসা করুন। তবে হ্যাঁ, জমির ব্যাপারটা নিয়ে অতিপ্তি একটা আচে?

    -জমি?

    -হ্যাঁ, হ্যাঁ, জমি। বলচে বড় দুশ্চিন্তা, বড় অতিপ্তি। কী লটঘট আচে নাকি কোথাও?

    -আজ্ঞে, ঐ বারাসাতের একটা জমি নিয়ে যে মামলাটা চলছিল ..

    -থাক থাক ও আমার শুনে কাজ নেই। পারলে মিটিয়ে নিন। আমার কী!

    -আমরা তাহলে আসি। আপনার দক্ষিণাটা …।

    -রাখুন না, এখানেই রেখে দিন। আপনাদের আর কী, পাপ জমচে তো আমার। আসুন ভাই। দুগগা দুগগা।

    আর একটা লোক বাইরে দাঁড়িয়েছিল। বড় বড় চুল। চশমা। বেশ স্মার্ট। ঘিয়ে ঘিয়ে রঙের র-সিল্ক-এর বুশ শার্ট আর চকোলেট রঙের ফুলপ্যান্ট-লোকটা জুয়েলাররা চলে যাবার পর ভেতরে এল কবে আপনাকে একটু ফাঁকায় পাওয়া যাবে বলুন তো।

    -বলুন না। এখন তো ফাঁকাই আচি।

    -না, এখন আবার আমার সময় নেই। ট্যাক্সি দাঁড়িয়ে। বিকেলে আপনি কেস দেখেন?

    -আজ্ঞে না, বিকেলে একটু বেড়াই।

    -বেড়ান? একদিন না হয় নাই বেড়ালেন। ব্যাপারটা ইমপরট্যান্ট।

    হারবার্ট ঘাবড়ে যায়, ঝামেলাটামেলা কিছু নয় তো?

    -ঝামেলা। একভাবে দেখলে ঝামেলা বৈকি। হেভি ঝামেলা। ঠিক আছে, আমি একসময় ঠিক এসে যাব। সন্ধেবেলা কী করেন।

    -চলে আসি সাড়ে সাতটার মধ্যে।

    -তারপর পাড়ার ঐ লুম্পেনগুলোর সঙ্গে ড্রিংক করেন। দেখুন, আমি সব জানি। ঠিক আছে, দেখা হবে। চলি।

    -খোলসা করে কিছু বললেন না। খটকা লাগচে কেমন।

    -লাগুক। আমি আসব। এসে খটকাটী ভাঙব। চলি।

    রবিনসন স্ট্রিটের নার্সিং হোম থেকে একটা গাড়িবেরোচ্ছিল। ড্রাইভারের মাথায় সাদা টুপি। সেই গাড়িটাতে সুন্দরী ববচুল এক লেডি ডাক্তাকে দেখে হতভম্ব হয়ে গিয়েছিল হারবার্ট। গাড়িটা বিদেশি। টয়োটা বা ডাটসুন কিছু হবে। এইসব গাড়িতে সাসপেনশন এত ভালো যে ঝকানি প্রায় হয় না, ঢেউএর মতো গাড়িটা চলে যায়। এরকমই একটা ঢেউ-তে লেডি ডাক্তার যখন মাথাটা একটু ঝাঁকি দিয়ে চুল ঠিক করছিল তখনই হারবার্ট তাকে দেখে হাঁ-মুখ স্ট্যাচু হয়ে যায়। কাচের মধ্যে দিয়ে দেখা ঐ মুখ। চেনা তো বটেই। কিছু অসম্ভব দরকারি কথা বলার ছিল। লেডি ডাক্তার শুনল না। ড্রাইভার গাড়ি চালিয়ে দিল। চলে গেল লেডি ডাক্তার। কাঠের সিঁড়ি দিয়ে কে নেমেছিল?

    ফ্রেমে বাঁধানো আয়নার ডানদিকের সিঁড়ি দিয়ে হারবার্ট নামছিল আর বাঁদিকের সিঁড়ি দিয়ে যে উঠছিল, যার পিঠ, ববচুল, কাধ, কোমর, সাদা পোশাক পরা, জামার সঙ্গে ঝালর, গাড়ির মধ্যে লেডি ডাক্তারকে পাশ থেকে দেখা ১৯৯১-এর শীতে হারবার্টের এক আশ্চর্য আবিষ্কার, লেডি ডাক্তার, দাঁড়াও, ওভাবে চলে যেও না। হাঁপিয়ে হাঁপিয়ে ছুটলেও আমি তোমার গাড়ির নাগাল পাব না–দাঁড়াও শোনো-কথাটা শুনলে কী এমন দোষ হবে, যদি একবার আয়নাটার সামনে গেলে একটাও কথা মনে পড়ে যায়–উঃ।

    মাথাটা দপদপ করছে। অলেস্টারের মধ্যে গরম লাগছে। বড় বড় বোতাম। হঁচকা মেরে খুলতে গিয়ে একটা বড় কালো মেডেলের মতো বোম ছিঁড়ে ছিটকে পড়ে গেল। হাতড়ে কুড়িয়ে নেয় হারবার্ট। বোতামটা পকেটে রাখে। লেডি ডাক্তারকে কী বলবে হারবার্ট? হারবার্ট হাঁটতে থাকে। ফিসফিস করে বলে যায় ক্যাট, ব্যাট, ওয়াটার, ডগ …।

    বেড়ানোর সময় বার বার, বিকেলের পর বিকেল ঐ নার্সিং হোমের সামনে এসে অনেকবার দাঁড়ালেও হারবার্ট আর ঐ লেডি ডাক্তারকে দেখতে পায়নি। খুব রাগ হয়েছিল। অভিমান হয়েছিল। শুনছে কে? লেডি ডাক্তার তো চলে গেল। শুনলই না। হারবার্ট হাঁটতে থাকে। মুখ দিয়ে মেশিনগানের শব্দ করে। মেশিনগান দেখেছিল হারবার্ট। সিনেমায়। রাষ্ট্রটাটাইটাট!

    একটা আধপাগলা লোক এসে হাজির। তার বোন পালিয়ে যায়। কয়েকমাস পরে হাওড়া স্টেশনে ট্রাংকের মধ্যে বোনের টুকরোগুলোকে সনাক্ত করার পর তার মাথা বিগড়ে গেছে। সে এসেছিল হারবার্টের কাছে।

    -আমি ট্রাংক, সুটকেস, কোনো বন্ধ বাক্স দেখতে পারি না। আমার শুধু মনে হয় বন্ধ ডালার ফাঁক দিয়ে চুল বেরিয়ে ঝুলছে। ডালাটা খুললেই দেখতে পাব..

    লোকটা ময়লা শার্ট আর প্যান্ট পরা। ফুঁপিয়ে কেঁদে ওঠে আর ‘না’ বলার ভঙ্গিতে মাথা নাড়ে-পারছি না। কিছুতেই স্ট্যাণ্ড করতে পারছি না, একটু হেলপ করুন, আই শ্যাল ডাই, দোহাই আপনার, একটু হেলপ করুন, আপনি তো পারেন ডেডদের সঙ্গে কমিউনিকেট করতে, আমার বোনটা …

    এবার প্রায় চিৎকার করে কাঁদতে থাকে নোকটা। অনেকক্ষণ ধরে কাঁদে। পকেট থেকে নোংরা রুমাল বের করে মুখ মোছে, চশমা মোছে।

    -আপনার বোনের নাম কী ছিল?

    -শান্তা।

    -হারবার্ট কাগজে লেখে–সানতা। তারপর নামটার তলায় একটা লাইন দেয়।

    -ফটো-টটো কিছু আছে আপনার বোনের?

    -ফটো তো আনিনি। তবে চলে যাবার পরে একটা চিঠি এসছিল ওর। তার জেরক্সটা আছে। দেব?

    -জেরক্স কেন?

    -ওরিজিনালটা লালবাজারে।

    -বাবা! পুলিশ, ফৈজত, আচ্ছা দিন। আমার পড়ার দরকার নেই। একটু ছুঁয়ে থাকতে হবে। বসতে হবে কিন্তু আপনাকে। একটু ঘুরে আসুন না বরং। একা থাকলে কাজটা আর কী ভালো হয়।

    -হ্যাঁ, ঘুরে আসছি। আপনি দয়া করে আমাকে হেলপ করুন। বিশ্বাস করুন আমি পাগল হয়ে যাব।

    একে কি বলবেহারবার্ট ভেবে পায়নি। ঘরের দরজা বন্ধকরে জানালা দিয়ে আসা আলোয় হাঁচড়-পাঁচড় করে ‘পরলোকের কথা’ খুলেছিল। ভেবেছিল ‘ভ্রাতৃস্নেহেমৃতা ভগিনীর আবির্ভাব’ থেকে কিছু একটা দাঁড় করাতে পারবে—’সে ১৮৭২ সালের কথা। যশোহরের চাঁচড়ারাজ সরকারের প্রধান কর্মচারি ঁনবীনচন্দ্র বসু মহাশয় তখন সপরিবারে কলিকাতা সুকিয়া স্ট্রীটের ৩নং বাড়িতে বাস করিতে ছিলেন …তবে কি সে পেত্নী হইয়াছে?” এর থেকে কিছু পাওয়া সম্ভব নয়। ‘মৃতপত্নীর প্রতিহিংসা’ বা ‘সতীনের উপর আবির্ভাব’ থেকেও কোনো রাস্তা বেরোল না। ‘আমার হারানো মেয়ে জ্যোৎস্না’ থেকে বরং পাওয়া গেল উচ্চস্তরের আত্মা উজ্জ্বল হয়। তাতেই বা কী? হারবার্টের ভয় ভয় করেছিল। গোটাটাই। এ কী এলরে বাবা। হঠাৎ দরজায় টক্ টক শব্দ। দুরু দুরু বুকে দরজা খুলে দেখে চায়ের দোকানের ছেলে পাঁচু গেলাস নিতে এসেছে। পাঁচ বলল যে চায়ের দোকানে কেউ তো বসে নেই। তখন চটি গলিয়ে বেরিয়ে হারবার্ট সিগারেটের দোকান, বাস স্টপ সব দেখল। কোথাও নেই। লোকটা আর আসেনি। হারবার্টের কাছে অন্যান্য ঠিকানা লেখা কাগজের সঙ্গেশান্তার চিঠির জেরক্স কপিটা থেকে গিয়েছিল।

    লোকটিকে যা বলা যেতে পারত সেইগুলো বরং কাজে লেগে গেল। এক ছোকরা ডাক্তার, বাচ্চাদের স্পেশালিস্ট, সঙ্গে করে নিয়ে এসেছিল বেলজিয়ামের সুন্দরী অভিনেত্রী টিনাকে। টিনা ইন্ডিয়া দেখতে এসেছে। টিভি ও স্টেজে অভিনয় করে। ওকে দেখার জন্য হারবার্টের ঘরের সামনে ভিড় জমে গিয়েছিল। ডাক্তারটি হারবার্টের কথা ইংরিজি করে বলে দিচ্ছিল। টিনার মা-ও অভিনেত্রী ছিলেন। কিন্তু গাড়ির একসিডেন্টে পঙ্গু হয়ে যান। টিনার বাবা আবার বিয়ে করেছে। সেই মা মারা গেছেন। বড় দুঃখ টিনার। সস্নেহ মাতার আত্মার অনেক কার্যকলাপ হারবার্টের জানা-বিদেশী বলে একটু বেসিক থিওরিও প্রয়োগ করেছিল অব্যর্থ-মৃত্যুর পরে ছ’রকম প্রেত হয়–সেগুলো কী কী-কে কোন স্তরে থাকে-মার স্নেহ কীভাবে বিপদ আপদ থেকে রক্ষা করে। টিনা বলেছিল সে একজন তিব্বতী লামার কাছে গিয়েছিল, লণ্ডনে। সেও বলেছিল-প্রেত ছয় রকমের কিন্তু তার মা কোথায় থাকতে পারে, কীভাবে আছে কিছুই বলতে পারেনি। মেমসাহেব একশ টাকা দিয়ে গিয়েছিল হারবার্টকে। পাড়ায় হারবার্টের ইজ্জৎ আরও দশগুণ বেড়ে গেল। ডাক্তার একটা রসিদেও সই করিয়েছিল হারবার্টকে।

    -গুরু! তুমি তো ক্যান্টার করে দিচ্চ। মেমটা আবার কবে আসবে গো?

    -দরকার পড়লেই আসবে। যা ডোজ দিয়েছি।

    -বস্, তুমি নাকি মেমটাকে নিয়ে দরজা বন্ধ করে ভূত দেখিয়েচ।

    -এই এক ক্যাওড়ামি তোদের গেল না। ওসব ফুটি মারার ধান্দা জানবি হারবার্ট করে না। মেম দেখাচ্চে! কত মেম বলে দেখলাম।

    লেডি ডাক্তারের দেখা না পেলেও হারবার্ট পার্ক স্ট্রিটের এক বন্ধ অ্যান্টিকের দোকানে কাচের মধ্যে পরীকে দেখেছিল। এবং সঙ্গে সঙ্গে সে বুঝতে পেরেছিল যে ঐ পরীই লেডি ডাক্তার বা সিঁড়ি দিয়ে যে উঠে গিয়েছিল তার ছোটবেলা। পরীর থেকে একটু বড়ই ছিল বুকি। কিন্তু চিলছাদ থেকে দেখা বুকি অন্যরকম। মেলানো যায় না। কিন্তু পরীকে দিয়েই শুরু। সোনালী চুল, হলদেটে পাথর দিয়ে তৈরি। গায়ে পাথরের কাপড় জড়ানো। বাঁ হাতটা ভাজ করে মাথার পেছনে রাখা। ডান হাতটা উঁচু করে একটা আলো ধরে আছে। আলোটা জ্বালানো যায়, কারণ একটা কালো ইলেকট্রিকের তার নেমে গেছে। ইলেকট্রিকের তারটা দেখতে অস্বস্তি হয় হারবার্টের। পরীর আশপাশে কত কী! পাথরের ফুলদানি, পাথরের চেয়ার, পেছন ফিরে থাকা কাঠের হাতি, পাথরের টেবিলের ওপরে রাখা মস্ত একটা পুরনো জাহাজের আলো।

    -ক্যাট, ব্যাট, ওয়াটার, ডগ, ফিশ!

    ঐ পরীর দিকে তাকিয়ে হারবার্ট কানে মৃতা পশ্চিমী নারীদের গান শুনতে পেয়েছিল। সেই গান দল বেঁধে বিলাপ করতে করতে এসে ধোঁয়াধুলো মাখা দোকানের কাচে ধাক্কা মারে। হায় নগ্ন পরী! জার্মান মেশিনগানের সামনে সেই রুশী যুবতী যেননগ্ন, দুহাত দিয়ে বুক ঢেকে দৌড়চ্ছে কালো মাটির ওপর। শুনতে সে কোনো কথাই চাইছে না। ব্যস্ত পথচারীরা দাঁড়িয়ে চুপ করে থাকলে শুনতে পেত যে হারবার্ট গুমরে গুমরে মুগ্ধ হয়ে কাঁদছে এবং সেই পরী ক্রমশ ওপরে উঠছে–তার গাল ঘষে দিচ্ছে দড়ি মইতে বাধা বিরাট বেলুন। শীতের পার্ক স্ট্রিটে এক ঝলক রেফ্রিজারেটরের হাওয়া এসে হারবার্টকে জড়িয়ে ধরে। হারবার্ট অলেস্টারের কলারটা তুলে দেয় এবং তাকে হলিউড ছাড়া এখন অন্য কিছু ভাবা অসম্ভব। এখনও বিকেল আছে। তখনও বিকেল ছিল। এরপর অন্ধকার ছেয়ে এলে পরীও লুকোতে শুরু করবে। গাড়ির আলো কখনো কখনো তাকে চমকে দেবে। মনে হবে তার ঠোঁট নড়ছে। অন্ধ দুটো চোখে হলুদ আলো জ্বলছে। হারবার্ট ফিসফিস করে বলেছিল,-জেপটে জুপটে থাকো এখন। ফের আসবখন।

    ফেরার রাস্তায় গাছ, পরিচিত কুষ্ঠরোগী, বারান্দার থাম, সাইনবোর্ড, চায়ের দোকান, ডিউটি সেরে বাড়িতে ফেরা আয়া, নার্স, বেশ্যা, পার্কের রেলিং, জলাধারের গায়ে আঁকা সিংহ ও মিকিমাউসের ছবি, শহরের পাতাল থেকে উঠে আসা জল–প্রত্যেককে আলাদা করে কিছু না কিছু বলার ছিল। বিজ্ঞাপনের বিরাট হোর্ডিং এর ওপরে গাড়ির আলোর চলাফেরা দেখে হারবার্টের মনে হয় সে সিনেমার পর্দার দিকে তাকিয়ে আছে। রাস্তার ভিড়ে, কৃষ্ণদাদার পাশে দাঁড়িয়ে হারবার্ট ফল অব বার্লিন দেখেছিল। তার সঙ্গে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আরও ডকুমেন্টারি ছিল। নগ্ন একটি রুশী যুবতী দুহাতে বুক ঢেকে কালো মাটির ওপর দিয়ে দৌড়চ্ছে আর কয়েকজন জার্মান সেনা মেশিনগান তুলে ধরছে। সেই যুবতী ছুটছে তো ছুটছেই। শুনতে সে কোনো কথাই চাইছে না। রাষ্ট্র টা টা টাট..

    বছরের চাকা ঘুরল। ১৯৯২ এল দেদার কেচ্ছা-ফেচ্ছা, চুরিচামারি আর হারামিপনার ফিরিস্তি নিয়ে। বছরের শুরুটা হারবার্টের খারাপ হয়নি। কয়েকটা বাংলা কাগজে দু-একটা লেখাও বেরিয়েছে। জানুয়ারিতে বিশেষ কিছু হল না, ফেব্রুয়ারিতেও না-টুকটাক কেস অবশ্য আসছিল। মার্চেও বিশেষ কিছু না। পয়সা যা আসছিল তাতে হারবার্ট খুশিই ছিল। তবে মাল, সিগারেটের খরচাটা বড় বেড়ে গিয়েছিল। হারবার্ট ঠিক করল দোল যখন ১৮ তারিখে পড়েছে তখন রংবাহারী খরচ খরচা যা হবার হয়ে যাক। এরপর সব ছেড়েছুঁড়ে, সাত্ত্বিক টাইপের হয়ে যাবে। সাহসটাও কেমন যেন কমে যাচ্ছিল হারবার্টের। আসলে গণ্ডগোল হয়েছিল মেশিনে-সাউণ্ড আছে, পিকচার নেই। পিকচার আছে, সাউণ্ড নেই। মানুষও তো টিভি। হারবার্টের শরীরটা এখানে ওখানে কাঁ কে করছিল কিছুদিন ধরে। জ্যাঠাইমা বলেছিল,-ারে পয়সাকড়ি আসছে, শরীরটা অমন মাছের কাটার মতো হচ্ছে কেন রে? বেশি নেশাভাং করচিস তাহলে।

    যাঃ কী যে বলল জ্যাঠাইমা। আসলে হয়েছে কী জানো, ধকল যাচ্চে তো খুব, একেবারে হাড়কালি করা ধকল, তাই সব বসা শুকিয়ে যাচ্চে, মাসে জমচে না।

    -বসা টানা তো সাধুপুরুষের লক্ষণ রে। আমার হারুর সাধু হয়ে কাজ নেই। তোকে আমি বিয়ে দেব। সংসারে বাঁধতে হবে।

    -কে আমাকে বিয়ে করবে জ্যাঠাইমা।

    -শোন কতা। রোজগেরে ছেলে। এমন দেবকান্তি দেকতে। কত ছুঁড়ি বলে পুঁতি খুঁজতে খুঁজতে বরের ঘরে ছুটবে

    পুঁতি গড়িয়ে যায়। সেই পুঁতি খুঁজতে খুঁজতে কেউ তো হারবার্টের কাছে আসেনি। না বুকি। না লেডি ডাক্তার। আর পরী? না, পরীকে কিছুতেই হারবার্ট বৌ বলে ভাবতে পারে না। দোলের দিন খুব রং খেলা হল। মাথার চুলের মধ্যে কী একটা দিয়েছিল কেউ যত জল ঢালে ততই রং বেরোয়। ততই রং বেরোয়। গলগল করে।

    দোলের পরের দিন। খোঁয়ারি কাটেনি। ভরদুপুর বেলায় ভেজানো দরজা খুলে সেই বানচোৎ এসে হাজির যে ঘিয়ে রঙের র-সিল্কের বুশ শার্ট পরে এসে বলে গিয়েছিল যে সময়মতো এসে খটকা ভেঙে দেবে। হারবার্ট তখন স্বপ্ন দেখছিল সে হাসপাতালের দরদালানে বড় বড় কাচের বয়ামে রাখা মানুষের নানা রকম শরীরের টুকরো, গাদা বাচ্চা, মুখ চোখ হয়নি, এই সবের মধ্যে দিয়ে সে একটা ন্যাংটো মেয়েকে নিয়ে পালাচ্চে। ল্যাংটো মেয়েকে নিয়ে বেরোবে কী করে? উপায় ছিল। হাসপাতালের চত্বরে ছায়া ছায়া জায়গায় খানকিরা মরা মেয়েদের কাপড় বিক্রি করছিল। সস্তায় একটা নাইলনের কাপড় হারবার্ট সেইন্যাংটো মেয়েকে কিনে দিল। কাপড়টা পরে হারবার্ট আর মেয়েটা হাসপাতালের গেট থেকে বেরিয়ে দেখল ট্রাম-ডিপো। কিন্তু ট্রামে না চড়ে তারা একটা রিকসাতে উঠল। রিকসাটা চলছে। হারবার্ট নিচে তাকিয়ে দেখে তো অবাক–আরে, মেয়েটার পায়ে একটা হাইহিল জুতো সে তো খেয়াল করেনি। মেয়েটার বগল এই তো পাশে। নাইলন ঢাকা দেওয়া বুক শুরু। সেই সময় চোখ খুলল হারবার্ট। ঝুঁকে র-সিল্ক ঘিয়ে ঘিয়ে বুশ শার্ট তাকিয়ে।

    -ঘুম হচ্ছে? ঘুমিয়ে থাকলে খটকা ভাংবে?

    হারবার্ট ধড়মড় করে উঠে বসে।

    -বলেছিলাম না, সময়মতো আসব। ওঠো, জাগো, হারবার্ট সরকার, তোমার সঙ্গে আমার ভীষণ দরকার।

    লোকটা ব্রিফকেস খুলে একটা চ্যাপটা মদের বোতল বের করেছিল। বের করেছিল দুটো ফিনফিনে গেলাশ। এক প্যাকেট ক্লাসিক সিগারেট। লাইটার। হারবার্টকে বলেছিল,–যাও পাঁচু, গিয়ে মুতে এসো, এসে, গাট হয়ে বসো। অবাধ্য গর্দভের মতো চেয়ে থেকো না। যা বলছি তাই করো। এতে তোমারও মোঙ্গল, আমারও চেংগিশ খান।

    হারবার্ট ঘেবড়ে যেয়ে দুদ্দাড় করে হিসুফি সেরে ফিরে দেখল লোকটা দুটো গেলাস ভরতি করে সাজিয়ে বসে আছে। দুজনে গেলাস ধরল, সিগারেট ধরাল, লোকটি বলল,-চিয়ার্স নয়, স্কুল নয়, আমরা বাঙালি, বাংলাদেশে এখন সবাই বলছে–উল্লাস! হারবার্টও বলল,-উল্লাস!

    লোকটির নাম সুরপতি মারিক। বাড়ি, জমি, ভেড়ি, কয়লা, মোপেড-নানা বিষয়ে মধ্যস্থতা করে প্রভূত অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করেছে। কমপিউটারাইজড় হরোস্কোপ এদেশে যাঁরা প্রথম চালু করেন তাদের মধ্যে নাকি শ্রীমারিকও ছিলেন। বড় মাপের প্রফেশনাল ফুটবল কলকাতায় চালু করার জন্যে হন্যে হয়ে যাচ্ছে সুরপতি। রুসি মোদি, রতন টাটা, ছাবারিয়া, আমবানি–এদের সকলের সঙ্গেই বিগত তিন বছরে ফুটবলের ব্যাপার নিয়ে সুরপতির কথা হয়েছে। কিন্তু এখন তার নজর হারবার্টের দিকে পড়েছে। নেক নজরে তাকিয়ে থেকে সুরপতি বলে যায়–দ্যাখো ভাই, তোমার ঐ ভূতফুৎ আমি মানি না। ওদের সঙ্গে তোমার কেমন দহরম মহরম তাতে আমার বিশ্বাসও নেই, অবিশ্বাসও নেই। আমি শুধু একটা ব্যাপার বুঝিতেলাপিয়া যদি চৌবাচ্চায় থাকে তার সাইজ বাড়ে না।

    -মানে ভাই, তুমি বলতে চাই আমি চৌবাচ্চার তেলাপিয়া?

    -তা নয়তো কী? ঝিলের গজাল না সাগরের তিমি। স্পেডকে স্পেড় আমি বলবই।

    -তা তোমার মোদ্দা কতাটা কী সেটা ঝেড়ে কাশলেই তো হয়। এরপর নেশা চেপে ধরবে, মাথা গুলোবে।

    সুরপতি মারিক চোখ বন্ধ করে। বলে চলে–গুড! গুড, ওসব গ্যাঁজাগেঁজি আমিও ডু নট লাইক! মোদ্দা কথাটা হল তোমাকে আমি টপ লেভেলে নিয়ে যাব। তাতে আমারও স্বার্থ থাকবে। মিনিমাগনা এই হুইস্কিটা তাহলে কিনতুম না। আর যাই। করো, আমাকে চোদু ভেব না। তোমার মতো কাঁড়ি কাঁড়ি হারবার্ট আমি ফেলেছি। আবার হেঁকে তুলেছি।

    সুরপতি মারিক চোখ খোলে। বলে চলে,-একটা কাচফাচ লাগানো, এ.সি. লাগানো ঘ্যাম অফিস। দেওয়ালে নানা রকম ছবি। একটা মেয়ে কম্পিউটার চালাচ্ছে। তাকে ঝকঝক করছে এ লাইনের দামী দামী বই। বাজনা বাজছে আস্তে আস্তে। ঢিমে আলো। কার্পেট। পাঁচশো টাকা ভিজিট। মিনিমাম। স্পেশাল কেস হলে আরো বেশি। এরপর বম্বে, দিল্লি। মরা পলিটিশিয়ান কী মেসেজ পাঠাচ্ছে সেটা জ্যান্ত পলিটিশিয়ানের কানে একবারটি তুলে দেওয়া। এই ভাবে ফাটকার কিং পিন, বিগ বুলদের কয়েকটাকে বশ করে ফেলা। তার সঙ্গে নির্লিপ্তি, শ্মশানবৈরাগ্য। তারপর দুবাই। বাহরিন। মরা শেখ, জ্যান্ত শেখ। এয়ার ইন্ডিয়া। টাটা সিয়েরা। বলহরি হরিবোল। রাম নাম সত্য হ্যায়। আর বলতে পারছি না। দাঁড়াও, আর এক পাত্তর ঢালি। মালটা কিন্তু সুন্। কী বলো? হারবার্ট জমতে থাকা নেশার থেকে ভরসা জোটায় ঠিকই কিন্তু মনের মধ্যে কোথাও যেন হবে না হবে না ভাব, কিন্তু এসব করতে গেলে তো ইংরিজি না জানলে চলবে না। ওখানেই তো আমাকে মেরে রেখেছে কিনা।

    -বাল হবে ইংরিজি দিয়ে। শালা, ইন্টারপ্রেটার থাকবে তোমার, যা বলবে স্যাটাসাট বলে দেবে। পার্টি বেগড়বাই করলে দাঁত চিপে শুনিয়ে দেবে–ফাঁক ইউ! টিট। কান্ট! প্রিক!

    -তাহলে হবে বলচ, পারব? আমার ভয় একটা কেচ্ছা না করে ফেলি।

    -দূর! তোমার মনে খালি ভয়। আমার আবার অভয়, বরাভয়। ব্যবস্থা তো আমার। ফিফটি-ফিফটি। মারিক সরকার এন্টারপ্রাইজ।

    পেটেতে পুরিয়া পাঁট
    রাজী তবে হারবার্ট …
    কি ঠিকতো?

    -তুমি আবার কবে আসচ ভাই।

    -ঐ তো। কবে, কখন আসব সেটা আমার ব্যাপার। মারিক এলোন উইল ডিসাইড। এখন আমার কাজ তোমাকে একটু তুলে ধরা। একটু সুগন্ধ নাকে নাকে পৌঁছে দেওয়া। ওয়াশিং পাউডার নিরমা।

    -মানে?

    -এ শালা তো দেখছি স্প্যাসটিক। তোমাকে যে বাচ্চারা বাটপাখি! বাটপাখি! বলে, আই সাপোর্ট দেম। এখন আমার একনম্বর কাজ হবে তোমার জন্যে পাবলিসিটির ব্যবস্থা। সাঁড়াশি স্ট্রাটেজি। একদিকে চলবে হুইস্পর ক্যাম্পেন… গুজগুজ ফুশফুশ। অন্যদিকে ইংরিজি কাগজে দু-একটা মাল ভিড়িয়ে দেওয়া। যাই হোক, আমাদের কারবার শুরু হয়ে গেল। আমি চললুম। আর হ্যাঁ, সিগারেটের প্যাকেটটা রেখে দাও। আর ঐ পাড়ার বংকা-ললটো-মদনাদের সঙ্গে বাংলা খেয়ে খেয়ে লিভারটার বারোটা বাজিও না। এর পরে এ.সি. ঘরে বসে ডিম আলো জ্বেলে তুমি আর আমি ব্ল্যাক ডগ খাব!

    সুরপতি মারিক যাবার আগে হারবার্টের গাল ধরে ঝাঁকুনি দিয়ে বলে যায় গুলু গুলু গুলু গুলু!

    সন্ধ্যা ঘনায়। অন্ধকারে ক্লাসিক সিগারেট ধরায় হারবার্ট। বুকি, লেডি ডাক্তার, পরী … দীর্ঘশ্বাস আসেই কিন্তু এদিকে স্বর্গের দরজা যে একটু একটু করে খুলছে। সুর করে করে হারবার্ট বলে চলে,

    ক্যাট, ব্যাট, ওয়াটার, ডগ, ফিশ …
    ক্যাট, ব্যাট, ওয়াটার, ডগ, ফিশ …
    ক্যাট, ব্যাট, ওয়াটার ডগ, ফিশ …

    অন্ধকারের মধ্যে সিগারেটের ধোঁয়া নানারকমের নকশা তৈরি করে যদিও তা দেখা যায় না। গোল আগুনটা শুধু বাড়ে, কমে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleএই মৃত্যু উপত্যকা আমার দেশ না – নবারুণ ভট্টাচার্য
    Next Article লুব্ধক – নবারুণ ভট্টাচার্য

    Related Articles

    নবারুণ ভট্টাচার্য

    জার্নালিস্টের জার্নাল – নিমাই ভট্টাচার্য

    September 4, 2025
    নবারুণ ভট্টাচার্য

    কাঙাল মালসাট – নবারুণ ভট্টাচার্য

    September 1, 2025
    নবারুণ ভট্টাচার্য

    লুব্ধক – নবারুণ ভট্টাচার্য

    September 1, 2025
    নবারুণ ভট্টাচার্য

    এই মৃত্যু উপত্যকা আমার দেশ না – নবারুণ ভট্টাচার্য

    September 1, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }