Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    হারানো সূর্যের খোঁজে – অনির্বাণ ঘোষ

    লেখক এক পাতা গল্প293 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১৭। মৃতের সঙ্গে দেখা

    অতিথিশালার ঘরে ইরতেনসে ফিরে আসার পর দেখল উপল বসে আছে। তার সামনে রাখা আছে অনেকটা চওড়া একটি আয়তকার পাত্র। পাত্রের মধ্যে বালি ভরা। তার উপরে একটি সরু এবং লম্বা শণের কাঠি দিয়ে আঁকিবুকি কাটছে উপল। এই দেশে লেখালিখির জন্য প্যাপিরাস থাকলেও তার যোগান খুব বেশি নয়। তাই কোন প্রয়োজনীয় নথি তৈরি ব্যতীত এর ব্যবহার হয় না।

    ছোটখাটো লেখালিখি বা হিসাবনিকেশ যা স্থায়ী হবে না তার জন্য ব্যবহার করা হয় এই বালি ভর্তি আয়তকার পাত্রটিকে। মিশরীয়রা একে বলে সালো। শণের কাঠি দিয়ে আঁকাজোকা করে নিয়ে আবার মসৃণ কাঠের টুকরো দিয়ে সালোর বালির উপরিভাগকে সমতল করে নেওয়া যায়, তারপর আবার তার উপরে আঁক কাটা হয়। এ দেশে বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরাও এই সালোর উপরে হস্তলিপি এবং অঙ্কের অনুশীলন করে। ইরতেনসেনু উপলের পাশে এসে দাঁড়াল, বলল, ‘আপনার কাজ কতদূর নাবিক মহাশয়?

    উপল তার দিকে মাথা তুলে তাকিয়ে হাসল, ‘প্রায় সম্পূর্ণ। তবে তোমাদের বায়ুযানে ওঠার আগে অবধি তো বুঝতে পারছি না আমার গণনা কার্যকরী হবে কি না।’

    যতদিন ধরে অগস্ত্য এবং ইরতেনসেনু বায়ুযান তৈরিতে ব্যস্ত ছিল ততদিন উপলও মন দিয়েছিল নিজ অংশের দায়িত্ব পালনে। বায়ুযান একবার শূন্যে ভাসমান হলে বাতাসের বলে ধাবিত হবে। বাতাস এখানে উত্তর থেকে দক্ষিণে বয়, কিন্তু পাহাড়ের গাত্রে ধাক্কা লেগে সেই বাতাস ডাইনে বা বাঁয়ে দিক বদল করতে পারে। আবার নীলনদের গতিপথও সোজা নয়, সর্পিল। তাই নদীপথ ধরে এগোতে হলে বায়ুযানের অভিমুখ প্রায়শই বদল করতে হবে। সেই কাজ কীভাবে সম্পন্ন হবে তার ভার উপলের উপরে।

    এই কয়েক দিনে সে একবার নীলনদের দক্ষিণে গমন করেছে, যতটা পথ যাওয়া যায় ততটাই আর কী, সেশেনুর অরণ্যের প্রান্তদেশ অবধি। নদীর গতিপথের একটি নকশা সে এঁকে নিয়েছে, তার সঙ্গে খেয়াল করেছে নদীর বিভিন্ন বাঁকে বায়ুর অভিমুখ। সেশেনুর অরণ্যের মাঝে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে একটি পর্বত। উপলের বিশ্বাস এই পর্বতের মাঝে একটি গিরিপথ থাকবেই, তবে সেই অংশে বায়ুর গতিপথও অনেক বেশি হবে। সেখানে বায়ুযানের ভারসাম্য কীভাবে রক্ষা করা সম্ভব হবে তা নিয়ে উপল এখনও চিন্তিত। সেই অঙ্ক কষার সময়ই ইরতেনসেনুর আবির্ভাব হল।

    উপল তার হাতে ধরা শণের কাঠিটিকে নামিয়ে রাখল। অনেক হয়েছে, এখন আর দুশ্চিন্তা করে লাভ নেই, নিজের মনকে শান্ত রাখতে হবে। ইরতেনসেনু উপলের পাশে এসে বসল। উপল নিজের মুখে হাসি রেখে বলল, ‘অনেক হয়েছে। আগামীকাল কী হতে চলেছে তা নিয়ে ভেবে আজকের দিনটা আর নষ্ট করব কেন? এই কয়েক দিনে যথেষ্ট শারীরিক এবং মানসিক পরিশ্রম হয়েছে। এখন মনকে একটু আনন্দ দেওয়ার প্রয়োজন। চলো কিছু সুখাদ্যে উদরপূর্তি করা যাক। আমার বন্ধুটি কোথায়? সে কি এখনও তার যন্ত্রের কলসিগুলির মধ্যে কাঠের গুঁড়ো ভরে চলেছে?’

    ইরতেনসেনু সংক্ষেপে উপলকে বলল হাতসেপসুতের সঙ্গে হওয়া কথোপকথনের কথা। উপল ভাবলেশহীন মুখে শুনল, তারপর বলল, ‘অগস্ত্যকে আমি চিনি। বিজ্ঞান তাকে অনুসন্ধিৎসার অভ্যাস দিয়েছে। কিন্তু সেনেনমুতের মৃত্যু নিয়ে সে কেন এতটা ভাবছে বুঝতে পারছি না। যাই হোক, চলো, এই বদ্ধ ঘরে আর বসে থাকতে ইচ্ছা করছে না।’

    এই বলে একপ্রকার জোর করেই ইরতেনসেনুকে প্রাসাদের বাইরে নিয়ে এল উপল। তাদের গন্তব্য একটি সরাইখানা। সরাইখানাটি প্রাসাদ থেকে হাঁটা পথে কিছুটা দূরে। সন্ধ্যের সময় সেখানে খুব বেশি ভিড় ছিল না। ইরতেনসেনুদের দেখেই তাদেরকে সাদর আমন্ত্রণে সরাইখানার ভিতরে একটি সুদৃশ্য আসনে বসানো হল। শহরের সবাই এখন উপলকেও চেনে। আগামীকালের অদ্ভুত জাদুকে চাক্ষুস দেখার জন্য শহরবাসী মুখিয়ে আছে। সরাইখানার কর্তাটি পরম আগ্রহে একের পর এক সুস্বাদু খাবার উপল আর ইরতেনসেনুর সামনে পরিবেশন করছিল। তার মধ্যে ছিল আঙুর পাতায় মোড়া সিদ্ধ মাংস, আগুনে পোড়ানো শূকরের নরম মাংস, সদ্য উনুন থেকে নামানো যবের রুটি, ভুট্টা ভাজা, আরও কত কী।

    ঘরটির এক পাশে ঢোলকের মতো দেখতে একটি বাদ্যযন্ত্র বাজাচ্ছিল এক মধ্যবয়সি পুরুষ, সেই বাজনার তালে নাচ্ছিল একজোড়া নর্তক-নর্তকী। কিছুক্ষণের জন্য সব চিন্তা, ক্লেশ ভুলে গিয়েছিল ইরতেনসেনু। সে খাওয়া থামিয়ে বাজনার তালে তালে দু’হাতে তালি বাজিয়ে নাচিয়েদের উৎসাহিত করছিল। এই সুর, এই নাচ, এই সুগন্ধী খাদ্যের স্বাদ, এও তো জীবন। এর মধ্যে ডুবে থাকতে ভালো লাগছিল তার। একসময় কাঁধে হালকা টোকা পড়তে সে পিছন ফিরে তাকাল, দেখল অগস্ত্য দাঁড়িয়ে।

    উপল শশব্যস্ত হয়ে অগস্ত্যর হাত ধরে টেনে তাকেও ভোজনের আসনে বসিয়ে দিল। অগস্ত্যর মুখ দেখে মনে হচ্ছিল এখন এই খাদ্যদ্রব্যের প্রতি তার বিন্দুমাত্র আগ্রহ নেই। কোনও রকমে কিছুটা খেয়েই সে বলল, ‘চলো এবারে ওঠা যাক, একটি ছোট কার্য এখনও বাকি আছে।’

    কার্যটি যে কী তা অগস্ত্য বলল না, তার থমথমে মুখ দেখে কিছু জিজ্ঞাসা করার সাহসও হল না ইরতেনসেনুর। তার পিছু পিছু এসে তিনজনে একটা ঘোড়ায় টানা শকটে উঠল। সহিসের হাতে দুটি তামার মুদ্রা দিয়ে অগস্ত্য বলল, ‘গোকের কর্মশালায় যাব।’

    অগস্ত্যর মুখের কথা শুনে ইরতেনসেনু চমকে উঠল।

    গোকের নাম এই শহরে শোনেনি এমন মানুষ নেই। তার বয়স নব্বই এর আশেপাশে। কিন্তু তাকে দেখলে মনে হয় সে কেবল ষাটটি বসন্তেরই সাক্ষী থেকেছে। গোকের কর্মশালাটি শহরের বাইরে। বাকুর পাহাড়ের পাদদেশে। নদী থেকে বেশ কিছুটা দূরে হওয়ায় এই অঞ্চলের বাতাসে আর্দ্রতা অনেকটাই কম। এমন কর্মশালার জন্য শুষ্ক আবহাওয়ার ভীষণ প্রয়োজন। কারণ এই আবহাওয়াতে চামড়া, মাংস শুকাতে সুবিধা হয়, জীবানুর আক্রমণে তা নষ্ট হয়ে যায় না। গোকের কর্মশালায় মমি তৈরি হয়।

    মমি তৈরির কর্মশালায় অগস্ত্যর কী প্রয়োজন তা জিজ্ঞাসা করাতে সে শুধু বলেছিল, চলো দেখতে পাবে। এইটুকু বলেই চুপ করে গিয়েছিল। পথে উপল কেবল আরেকটি প্রশ্ন করেছিল, ‘তুমি জানলে কী করে যে আমরা ওই সরাইখানাতেই আছি?’

    ‘অতিথিশালায় পৌঁছে খবর পেলাম তোমরা সান্ধ্যভোজন সেখানে করনি। কয়েকদিন আগে ওই সরাইখানায় শূলপক্ক শুকরের মাংস খেয়ে এমন গুণগান গাইছিলে যে মনে হল যাত্রার আগে নিশ্চয়ই ওখানেই আরও একবার খেতে যাবে। তোমাকে আমি চিনি ভালো করেই।’

    উত্তরে বলেছিল অগস্ত্য। তারপর আবার সবাই চুপচাপ।

    মমি তৈরির কর্মশালাটি একতলীয়। বাইরের দরজা দিয়ে তার ভিতরে প্রবেশ করার পর অগস্ত্যরা একটি বেশ চওড়া উঠোনে এসে পড়ল। উঠোনের এক পাশে কয়েকটি চৌবাচ্চা রয়েছে, সেগুলির মুখ কাঠের চওড়া পাটাতন দ্বারা বন্ধ করা, এক ভারি ঝাঁঝালো গন্ধে ভরে রয়েছে উঠোন। গন্ধটি প্রথমবার নাকে এসে লাগার পর মিষ্ট মনে হলেও তারপর সেই গন্ধের মধ্যে শ্বাস নিতে কষ্ট হয়। অগস্ত্য কাজ করতে থাকা একটি শ্রমিককে কাছে ডেকে এনে বলল, ‘গোকের সঙ্গে দেখা করতে চাই। আমাদের রাজ চিকিৎসক বেবতি পাঠিয়েছেন।’

    এই বলে তার হস্তে একটি ছোট সম্পুট দিল। লোকটি একটি ঘরের মধ্যে অন্তর্হিত হল। অগস্ত্যরা অপেক্ষা করতে লাগল। কিছুক্ষণ পরে দীর্ঘদেহী এক প্রৌঢ় বেরিয়ে এলেন। তাঁর হাতে অগস্ত্যর সম্পুটটি। তিনি ওদের সামনে এসে দাঁড়িয়ে বললেন, ‘আমিই গোক, বলুন কী ভাবে আপনাদের সাহায্য করতে পারি।’ এটি বলার সময় গোকের চোখ পড়ল ইরতেনসেনুর উপরে। তিনি ইরতেনসেনুকে চিনতে পেরে মাথা নীচু করে সম্ভাসন জানালেন। ইরতেনসেনুও প্রতি নমস্কার জানাল তাঁকে। অগস্ত্য এবারে বলল, ‘একটি প্রয়োজনে আপনার কাছে এসেছিলাম।’

    ‘হ্যাঁ বলুন।’

    ‘মহামন্ত্রী সেনেনমুতের মমিটি আপনি প্রস্তুত করছেন। সেটি যদি একবার দেখা যেত তাহলে ভালো হতো। তিনি ছিলেন ইরতেনসেনুর পালক পিতা, সে তাকে শেষবারের জন্য দেখতে চায়।’

    ইরতেনসেনু চমকে উঠল! এই কারণে অগস্ত্য তাকে এই স্থানে নিয়ে এসেছে! তাহলে যাত্রাপথে এই কথা সে জানাল না কেন? কোন গর্ভে ইরতেনসেনুর জন্ম তা সে জানে না, সেনেনমুতই তার পিতা এবং মাতা, দুই-ই ছিলেন। তাঁর মৃতদেহ সে দেখতে পারবে? প্রাণহীন পালক পিতার শরীরটির দিকে তাকাতে পারবে সে? ইরতেনসেনুর গলার কাছে একটি কষ্ট দলা পাকিয়ে উঠল, নিজের চোখের জল ঢাকতে সে মাথা নামিয়ে নিল।

    অগস্ত্যর এই আকস্মিক কাজে সে আহত হয়েছে, কোথাও গিয়ে যেন তাদের মধ্যের বিশ্বাস ক্ষুণ্ণ হয়েছে। উপলও এতে যারপরনাই বিরক্ত তা বোঝা যায় তার মুখমণ্ডলের ভাব দেখে। সে জানে তার বন্ধুটির সংবেদনশীলতা কম, বিজ্ঞানের সঙ্গে বসবাস করতে গিয়ে তার হৃদয়ের এই আপাত শুষ্কতার পরিচয় সে আগেও পেয়েছে। কিন্তু ইরতেনসেনুর সঙ্গে তার এমন ব্যবহারের কী সত্যই কোনও প্রয়োজন ছিল? উপল গম্ভীর গলায় বলল, ‘ইরতেনসেনু তার পিতার মৃত্যুতে গত কয়েকদিন ধরেই মূহ্যমান হয়ে রয়েছেন। এই অবস্থায় তাকে সেনেনমুতের মৃতদেহের সামনে নিয়ে আসার কি খুব প্রয়োজন ছিল?’

    অগস্ত্য এবারে অস্বস্তিতে পড়ল। গোক তার দিকে এক জিজ্ঞাসু দৃষ্টিতে তাকিয়ে রয়েছেন। কিন্তু অগস্ত্য কিছু বলার আগেই ইরতেনসেনু বলল, ‘হ্যাঁ, আমিই অগস্ত্যকে বলেছিলাম যদি একটি বারের জন্য পিতাকে দর্শন করতে পারি। তাকে আমার শেষ প্রণাম জানাবার সুযোগ পাব তাহলে।’

    এবারে যেন গোক সামান্য আশ্বস্ত হয়ে বললেন, ‘অবশ্যই অবশ্যই। কিছুক্ষণ সময় দিন আমাকে। ভিতরে মহান সেনেনমুতের দেহটিকে নিয়ে কর্মরত ছিল আমার কারিগরেরা। তারা ব্যবস্থাটা একটু গুছিয়ে নিক, তারপর আমি দর্শনের সুযোগ করে দেব।’

    এই বলে গোক ঘরের ভিতরে আবার প্রবেশ করলেন। ইরতেনসেনুর কথায় অগস্ত্য এবং উপল দুজনেই চমকে গিয়েছিল। অগস্ত্য ইরতেনসেনুর দিকে চেয়ে দেখল সে জ্বলন্ত দৃষ্টিতে তাকিয়ে রয়েছে তার দিকে। দ্রুত মাথা নামিয়ে নিল অগস্ত্য। উপলের মুখে তখনও বিরক্তির ছাপ স্পষ্ট, সে অন্যদিকে মুখ ফিরিয়ে দাঁড়িয়ে রইল। তিনজনের মধ্যে একটিও বাক্য বিনিময় হল না। খানিকক্ষণ পর গোক বাইরে এলেন, বললেন, ‘কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে হবে, তারপরই আমরা সেনেনমুতের দর্শন করতে পারব। আপনারা আগ্রহী হলে ততক্ষণ এই কর্মশালাটি ঘুরিয়ে দেখাতে পারি।’

    অগস্ত্য বলল, ‘অবশ্যই।’

    এই অস্বস্তিকর পরিবেশে দাঁড়িয়ে থাকার তুলনায় কর্মশালার মধ্যে হাঁটা বেশি শোভনীয়। গোকের পিছন পিছন তারা তিনজন চলতে লাগল। অগস্ত্য গোককে জিজ্ঞাসা করল, ‘মিশরের মমি তৈরির প্রক্রিয়ার কথা আমি আগে শুনে থাকলেও তা কখনো চাক্ষুস দেখার সৌভাগ্য হয়নি। বিজ্ঞানকে সম্বল করে আপনারা যে অসাধ্য সাধন করেছেন তা সমগ্র পৃথিবীর কাছে বিস্ময়কর। আচ্ছা গোক, এই প্রক্রিয়ায় আপনারা মৃত মানুষের শরীরকে সংরক্ষণের ব্যবস্থা করেন। এতে তার চেহারার কোনও পরিবর্তন হয়?

    ‘না, বাইরে থেকে দেখলে কোন রকমের পরিবর্তন বুঝতে পারবেন না আপনারা। এই প্রক্রিয়াকে আয়ত্তে আনতে কয়েক সহস্র বছর ধরে গবেষণা করতে হয়েছে আমার পূর্বজদের। আমি শুধু তার সুবিধা লাভ করছি।’

    ‘তাহলে মৃতের চর্মও একই রকম থাকবে?’

    ‘হ্যাঁ, প্রায় একরকম থাকবে। একশত বছরের পুরোনো মমিকে যখন সমাধি থেকে তুলে এনে অন্য সমাধিতে স্থানান্তরিত করা হয় তখনও আমি লক্ষ করেছি, মৃতের দেহ প্রায় একইরকম অবিকৃত থেকে যায়। তবে এই পদ্ধতিটি বেশ জটিল এবং সময় সাপেক্ষ। এই দেখুন।

    এই বলে গোক একটি চৌবাচ্চার কাছে এনে দাঁড় করালেন অগস্ত্যদের। চৌবাচ্চার উপরিভাগ কাঠের একটি পাটাতন দ্বারা ঢেকে রাখা আছে। ইরতেনসেনুর পা দুটি যেন ভারী হয়ে গেছে, চলতে তার ইচ্ছা করছে না। কিন্তু তার মন যেন কোথাও বলছে অগস্ত্যর এ হেন আচরণের কোন এক যথার্থ কারণ আছেই। গোক কাঠের পাটাতনটি কিছুটা সরিয়ে দিলেন, তারপর চৌবাচ্চার দিকে আঙুল নির্দেশ করে বললেন, ‘দেখুন।’

    অগস্ত্যরা সামান্য একটু ঝুঁকে চৌবাচ্চার ভিতরে তাকাল। চৌবাচ্চাটির ভিতরে লবণ ভর্তি করে রাখা আছে। তার মধ্যে শোয়ানো আছে এক বৃদ্ধকে। তার বয়স আনুমানিক ষাট হবে। বৃদ্ধের পেটের উপরে একটি কাটা দাগ, সেটিকে সুতার দ্বারা সেলাই করা। গোক বললেন, ‘তিনি থীবসের একজন বিত্তশালী পুরুষ। তাঁর মৃত্যু কতদিন আগে হয়েছে বলে আপনাদের মনে হয়?’

    মৃতদেহটিকে আরও একবার ভালো করে দেখল অগস্ত্যরা। বৃদ্ধের দেহের চামড়া সজীব, দুই হাতের উপরে শিরা উপশিরার উপস্থিতি স্পষ্ট লক্ষ করা যাচ্ছে। দেখে মনে হচ্ছে যেন বৃদ্ধ ক্লান্ত শরীর নিয়ে ঘুমিয়ে আছেন, সামান্য টোকা দিলেই উঠে বসবেন। বেশ কিছুক্ষণ একটানা তাকিয়ে থাকলে মনে হয় বুকটি বোধ হয় শ্বাসের সঙ্গে ওঠানামা করছে। গোকের প্রশ্নের উত্তরে উপল বলল, ‘দেখে মনে হচ্ছে আজ সকালেই হয়তো ইনি গত হয়েছেন।’

    গোক তাদের পাশেই দাঁড়িয়ে ছিলেন। তিনি মুচকি হেসে বললেন, ‘তিনি পরলোকের অনন্ত যাত্রায় গমন করেছেন আজ সকালে না, একটি মাস আগের অন্য এক সকালবেলায়।’

    গোকের কথায় উপলেরা যারপরনাই অবাক হল। একটি মাস আগে এই বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে! তাহলে এখনও এর ত্বক এত সজীব, এত প্রাণবন্ত থাকে কী করে! এ কেমন জাদু!

    এমন সময় একটি ভৃত্য এসে জানাল যে সেনেনমুতের দেহ ইরতেনসেনুর দর্শনের জন্য প্রস্তুত। গোকের পিছনে হেঁটে এবারে অন্য একটি ঘরে এল অগস্ত্যরা। ঘরটিতে প্রবেশের আগে তাদের তিনজনের হাতে তিনটি মুখোশ তুলে দিলেন গোক, বললেন, ‘এই ঘরে প্রবেশের আগে এগুলিকে পরে নিন।’

    অগস্ত্য দেখল তার হাতের মুখোশটি একটি শিয়ালের। গাঢ় বাদামী বর্ণের মুখোশটির চোখের কাছে গোল গর্ত করা, নাকের অংশটি সামনের দিকে এগোন। অগস্ত্য এতে বেশ অবাক হল। উপল জিজ্ঞাসা করল, ‘শুনেছি মিশরের পুরাণের মতে দেবতা আনুবিসই প্রথম মমি তৈরি করেন। সেই মমি ছিল দেবতা ওসাইরিসের। এমন লোককথার জন্যই কি এই মুখোশ?’

    ‘না, এর একটি বৈজ্ঞানিক কারণ আছে। যে ঘরে আমরা এখন প্রবেশ করতে চলেছি তাতে মমি তৈরির শেষ ধাপটি সম্পন্ন হয়। এখানে মৃতের দেহে বিভিন্ন রাসায়নিক দ্রব্যের ব্যবহার করি আমরা। এই বস্তুগুলি থেকে যে বায়ু উদগত হয় তা শ্বাসের পক্ষে ক্ষতিকারক। সেই কারণেই মূলত এই মুখোশের ব্যবহার। খেয়াল করে দেখুন এর নাকের অংশটি অনেকটাই সামনের দিকে এগিয়ে আছে। এই অংশের মধ্যে থাকে একটি সিক্ত কাপড়ের টুকরো, এর ভিতরে থাকে কাঠ কয়লা। ঘরের বাতাস এই কাপড়ের টুকরোর মধ্য দিয়ে গমন করার সময় শোধিত হয়, তাই নাকে যে বাতাস এসে পৌঁছয় তাতে কোন শারীরিক ক্ষতি হয় না।’

    মুখোশটি পরিধানের পর তারা একে একে সেই ঘরে প্রবেশ করল। ঘরটি অন্যান্য ঘরগুলির থেকে অনেকটা আলাদা। প্রথমত এটি আকারে বড়, দ্বিতীয়ত এই ঘরে কোনও রকমের জানালা নেই। দেওয়ালে লাগানো মশালের আলোয় ঘরটি আলোকিত হয়ে রয়েছে। ঘরের মেঝের উপরে শোয়ানো রয়েছে চারটি বেশ প্রশস্ত প্রস্তরখণ্ড। তাদের তিনটি ফাঁকা হলেও অন্যটিতে এক ব্যক্তিকে যে শোয়ানো আছে তা বোঝা যায়। তার সামনে আনুবিসের সেই মুখোশ পরে দাঁড়িয়ে রয়েছেন তিনজন কারিগর। সেইদিকে এগিয়ে গেল অগস্ত্যরা।

    প্রস্তরখণ্ডটির উপরিভাগ সমতল। তার উপরে শোয়ানো আছে মহামন্ত্রী সেনেনমুতের নিথর দেহ। একটি বস্ত্রখণ্ড দিয়ে তার কটিদেশ ঢাকা, বাকি উন্মুক্ত। কয়েক পক্ষকাল আগে তাঁর মৃত্যু হয়েছে, অথচ তাঁকে দেখে মনে হচ্ছে যেন তিনি এখনও জীবন্ত! ঘুমিয়ে রয়েছেন কেবল। ইরতেনসেনু একদৃষ্টে সেনেনমুতের দিকে চেয়ে রইল। যে পিতাকে ত্যাগ করে পাঁচ বছর আগে সে ভিনদেশে যাত্রা করেছিল তাঁকে এভাবে কখনও দেখতে হবে এমন সে দুঃস্বপ্নেও কল্পনা করেনি।

    সেনেনমুতের মুখ যেন যন্ত্রণাক্লিষ্ট। তাঁর সবল শরীর যেন শুকিয়ে গিয়েছিল মৃত্যুর আগেই। শরীরে একটি গাঢ় বাদামী-হলুদ রঙের আভা। ইরতেনসেনু আর তাকিয়ে থাকতে পারল না, চোখের জল ঝাপসা করে দিল তার দৃষ্টি। ফুঁপিয়ে কেঁদে উঠল সে। অগস্ত্য তার কাঁধে হাত রাখল। গতবারে যখন সে এই দেশে এসেছিল তখন সেনেনমুতের সঙ্গে বেশ কয়েকবার সাক্ষাৎ হয়েছিল তার। কিন্তু সেই সাক্ষাৎই যে শেষ দেখা হবে তা কেই বা জানত!

    অগস্ত্য এবারে সেনেনমুতের দেহের কাছে এগিয়ে এল, সামনের দিকে ঝুঁকে পড়ে বেশ মনোযোগ দিয়ে কী যেন দেখল, তারপর গোকের দিকে তাকিয়ে বলল, ‘মহামন্ত্রীর দেহে কালো বর্ণের গোলাকার কিছু চিহ্ন দেখতে পাচ্ছি। বুক এবং উদরের উপরে সেই চিহ্নের সংখ্যা বেশি। একমাত্র খুব কাছ থেকে দেখলেই বোঝা যাচ্ছে এদের উপস্থিতি। এগুলি কি মমি তৈরির প্রক্রিয়ার কারণে হয়েছে?’

    ‘না, সেনেনমুতের দেহ যখন এই কর্মশালায় আসে তখনই আমি খেয়াল করেছিলাম যে তাঁর সর্বাঙ্গে যেন অজস্র ক্ষত। এই অংশগুলিতে চামড়া ভীষণই পাতলা হয়ে ফুলে উঠেছিল, পরে যখন লবণের চৌবাচ্চায় দেহটিকে প্রবেশ করানো হয় তখন দেখলাম ক্ষতগুলি ফেটে গিয়ে জলের মতো কিছু একটা বেরিয়ে এল, তারপর চর্মের ক্ষতগুলি ধীরে ধীরে এমন কৃষ্ণ বর্ণ ধারণ করেছে।’

    অগস্ত্য এবারে আবার ইরতেনসেনুর পাশে এসে দাঁড়াল। মৃদুস্বরে বলল, ‘তুমি বাইরে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করো। আমরা আসছি।’

    ইরতেনসেনু কোন কথা না বলে ঘর থেকে প্রস্থান করার পর অগস্ত্য গোকের দিকে আবার ফিরে তাকাল, বলল, ‘আশ্চর্য বিজ্ঞানের আশীর্বাদের অধিকারী আপনি গোক। মৃতের শরীরে প্রাণ না থাকলেও যেন তাকে বাঁচিয়ে রেখেছেন। আমার দৃষ্টিতে আপনিও একজন বৈজ্ঞানিক। আমার সশ্রদ্ধ প্রণাম নেবেন। একটি শেষ অনুরোধ আছে আপনার কাছে, সেটি জানাতে পারি?’

    প্রীত স্বরে গোক বললেন, ‘হ্যাঁ বলুন।’

    ‘আমি শুনেছিলাম যে মমি প্রস্তুত করার সময় মৃতের যকৃত, ফুসফুস, পাকস্থলী এবং নাড়িকে বার করে নিয়ে চারটি পাথরের পাত্রে সংরক্ষণ করা হয়। সেগুলিকে দেখা যেতে পারে?’

    গোক এবারে তাদের অন্য একটি কক্ষে নিয়ে এলেন। আনুবিসের মুখোশটি ততক্ষণে তারা খুলে রেখেছে। এই ঘরটি অনেকটাই ছোট। এখানে কাঠের পাটাতনের উপরে সারি দিয়ে রাখা আছে পাথরের তৈরি কিছু পাত্র। পাত্রগুলি আকৃতিতে খুব ছোট কলসের মতো। তাদের মাথার ঢাকনাগুলি এক-একটি পশু বা পাখির মুখের আদলে বানানো। গোক একটি নির্দিষ্ট পাটাতনের সামনে এসে দাঁড়ালেন। তাঁর সামনে রাখা পাত্রগুলির দিকে তাকিয়ে বললেন, ‘এইগুলিতে সেনেনমুতের অঙ্গগুলি রাখা আছে। এই বাঁদরের মুখওয়ালা পাত্রে রাখা আছে ফুসফুস। শিয়ালের মুখ যে পাত্রে আছে তাতে আছে পাকস্থলী, মানুষের মুখের পাত্রে আছে যকৃত এবং বাজপাখির মুখের আদলে তৈরি পাত্রে আছে নাড়ি। আমরা বিশ্বাস করি এই প্রতিটি পাত্রকে রক্ষা করেন এক একজন দেবদেবী। যেমন এই মানুষের মুখের আকৃতির পাত্রটিকে রক্ষা করেন দেবী আইসিস।

    অগস্ত্য বলল, ‘এই পাত্রেই যকৃতটি রাখা আছে, তাই না?’

    ‘হ্যাঁ।’

    ‘আমি কি একবার দেখতে পারি যকৃতটিকে? কীভাবে একটি অঙ্গকে সংরক্ষণ করেছেন আপনারা তা দেখার প্রবল আগ্রহ আমার।’

    গোক এবারে সেই পাত্রটিকে খুললেন। হাতে ধরা একটি মাঝারী আকারের ধাতব চিমটার সাহায্যে সেনেনমুতের যকৃতটিকে বার করে এনে অন্য একটি পাত্রের উপরে রাখলেন। অগস্ত্য একটু এগিয়ে এসে যকৃতটিকে পরীক্ষা করতে লাগল। তারপর বলল, ‘ধন্য আপনাদের প্রজ্ঞাকে। যকৃতটির আকার একেবারেই অবিকৃত রয়েছে! আচ্ছা এটিকে যখন শরীর থেকে বার করেন তখন কোন গন্ধ পান আপনারা?

    ‘না, এখন যে তিব্র মিষ্ট গন্ধটি আপনি পাচ্ছেন তা সংরক্ষণের কার্যে ব্যবহৃত রাসায়নিকের জন্য। মৃতের শরীরের ভিতরের অঙ্গে যে গন্ধ লেগে থাকে তা রক্তের। সেই গন্ধের বর্ণনা দেওয়া মুশকিল। তবে শরীরের কোন অংশে চোট লেগে রক্তপাতের পরে এমন গন্ধ আমরা প্রায় সবাই পেয়ে থাকি। কিন্তু সেনেনমুতের যকৃতে এক অন্য প্রকারের গন্ধ আমি পেয়েছিলাম। এখন আবার মনে পড়ল।’

    ‘সেটি কেমন গন্ধ ছিল?’

    অগস্ত্য যেন খুবই অগোছালো ভাবে প্রশ্নটি করল। গোক বললেন, ‘গন্ধটি বড়ই অদ্ভুত ছিল, হাঁসের ডিমের মধ্যে পচন ধরলে এমন গন্ধ পাওয়া যায়।’

    কর্মশালা থেকে বাইরে বেরিয়ে আসার পর অগস্ত্য দেখল ইরতেনসেনু অশ্ব শকটের ভিতরে বসে আছে। অগস্ত্য এবং উপল শকটের উপরে উঠে বসল। অগস্ত্য বসল ইরতেনসেনুর পাশে। উপলের ইশারায় শকটটি চলতে লাগল অতিথিশালার অভিমুখে। অগস্ত্য ইরতেনসেনুর ডান হাতটি নিজের বাম হাতের মধ্যে নিল। খেয়াল করল ইরতেনসেনু হাত তার হাতের তালুকে জড়িয়ে ধরল না, আলগা ভাবে নিজের তালুটিকে রেখে দিল। অগস্ত্য মাথা নীচু করে বলল, ‘আমাকে ক্ষমা করো। অতিথিশালায় ফিরে গিয়ে সবটা জানাব তোমাদের।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleযখন কিডন্যাপার – অদ্রীশ বর্ধন
    Next Article হায়রোগ্লিফের দেশে – অনির্বাণ ঘোষ

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }