Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    হিমু এবং হার্ভার্ড Ph.D. বল্টুভাই – হুমায়ূন আহমেদ

    হুমায়ূন আহমেদ এক পাতা গল্প108 Mins Read0
    ⤷

    ০১. হার্ভার্ডের Ph.D. দেখেছিস

    হিমু এবং হার্ভার্ড Ph.D. বল্টুভাই

    অন্যকথা
    আমার কিছু পাঠক আছেন, যারা হিমু-বিষয়ক রচনাগুলি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করেন। এই উপন্যাসটির ক্ষেত্রে তারা যেন সে রকম কিছু না ভাবেন। এখানে গল্পকার হিসাবে আমি নেহায়েতই এক গল্প ফেঁদেছি। ধর্ম ও বিজ্ঞান নিয়ে তুলনামূলক আলোচনায় যাই নি। সেরকম ইচ্ছা হলে আমি জটিল প্ৰবন্ধই লিখব। হিমু রচনায় হাত দেব না।
    হিমু বিষয়ক প্রতিটি লেখাতেই আমি এই ভুবনের রহস্যময়তার দিকে ইঙ্গিত করেছি। এর বেশি কিছু না। আমি নিজে জগতের রহস্যময়তা দেখে প্রতিনিয়ত অভিভূত হই। আমি চাই, আমার পাঠকরাও অভিভূত হোক।
    হুমায়ূন আহমেদ
    জ্যামাইকা, নিউইয়র্ক

    ০১.

    হার্ভার্ডের Ph.D. দেখেছিস?—বলেই মাজেদা খালা চোখ গোল গোল করে তাকিয়ে রইলেন। যেন তিনি কঠিন এক ধাঁধা জিজ্ঞেস করেছেন, যার উত্তর তিনি ছাড়া কেউ জানে না। তাকে একই সঙ্গে আনন্দিত এবং উত্তেজিত মনে হচ্ছে। কপালে উত্তেজনার বিন্দু বিন্দু ঘাম। ঠোঁটের কোণে আনন্দের চাপা হাসি। খালা তাঁর গোল চোখ আমার দিকে আরও খানিকটা এগিয়ে এনে গলা নামিয়ে বললেন, এই হাদারাম! হার্ভার্ডের ফিজিক্সের Ph.D. দেখেছিস কখনো?

    আমি বললাম, না। দেখতে ভয়ঙ্কর?

    খালা বিরক্ত হয়ে বললেন, ভয়ঙ্কর হবে কেন? অন্যরকম।

    অন্যরকমটা কী?

    সারা গা থেকে জ্ঞানের আভা বের হওয়ার মতো অন্যরকম।

    বলো কী!

    বড় বড় দিশেহারা চোখ। দেখলেই এমন মায়া লাগে।

    আমি বললাম, চোখ দিশেহারা কেন?

    খালা বললেন, ফিজিক্সের জটিল সমুদ্রে পড়েছে, এইজন্যে দিশেহারা। এখন সে কাজ করছে ঈশ্বর-কণা’ নিয়ে। যতই সে পড়ছে, ততই দিশেহারা হচ্ছে। আহা বেচারা! ঈশ্বর-কণার নাম শুনেছিস কখনো?

    না। ঈশ্বর যে কণা হিসেবে পাওয়া যায় তা-ই জানতাম না।

    খালা বললেন, আমিও জানতাম না। বাংলাদেশে কেউ মনে হয় জানে না।

    আমি বললাম, বাংলাদেশ বাদ দাও, ঈশ্বর নিজেও হয়তো জানেন না যে তাঁকে কণা হিসেবে পাওয়া যায়।

    খালা বিরক্ত হয়ে বললেন, ঈশ্বর জানবেন না এটা কেমন কথা! উনি সবই জানেন।

    হার্ভার্ড সাহেবকে চেনো কীভাবে?

    সে তোর খালু সাহেবের বন্ধুর ছেলে।

    Ph.D. সাহেবের নাম কী?

    ডক্টর আখলাকুর রহমান চৌধুরী। ভুল বলেছি, চৌধুরী আগে হবে। ডক্টর চৌধুরী আখলাকুর রহমান। ফুল প্রফেসর অব থিওরেটিকেল ফিজিক্স। ভেনডারবেল্ট ইউনিভার্সিটি।

    ডাকনাম কী?

    ডাকনাম দিয়ে কী করবি?

    আমি হাই তুলতে তুলতে বললাম, যারা জটিল অবস্থানে থাকে তাদের ডাকনাম খুব হাস্যকর হয়। দেখা যাবে উনার ডাকনাম বল্টু।

    বল্টু?

    হ্যাঁ বল্টু। পেরেকও হতে পারে। আবার গোল্লা-ফোল্লাও হওয়া বিচিত্র না।

    খালা বিরক্ত গলায় বললেন, যতই দিন যাচ্ছে তোর কথাবার্তা ততই অসহ্য হয়ে যাচ্ছে। চা-কফি কিছু খাবি?

    খাব ৷

    কী দেব, চা না কফি?

    দুটাই দাও। এক চুমুক চা খেয়ে এক চুমুক কফি খাব। ডাবল অ্যাকশন। হার্ভার্ড Ph.D.-র কথা শুনে ঝিম ধরে গেছে। ডাবল অ্যাকশন ছাড়া গতি নেই। ইউরোপ-আমেরিকা হলে বলতাম, নিট দুই পেগ হুইঙ্কি দাও, অন দ্যা রক।

    খালা বললেন, আমি যে তোর মুরুকিব, গুরুজন, এটা মনে থাকে না? লাগামছাড়া কথাবার্তা।

    খালা হয়তো আরও কিছু কঠিন কথা বলতেন, তার আগেই মোবাইল ফোন বাজল। তিনি ফোন নিয়ে রান্নাঘরে চলে গেলেন। মোবাইল ফোনের নিয়ম হচ্ছে-এক জায়গায় দাঁড়িয়ে কথা বলতে ভালো লাগে না। হাঁটাহাঁটি করে কথা বলতে হয়।

    মিনিট তিনেক পার করে খালা উদয় হলেন। এখন তাকে পদার্থবিদ সাহেবের মতো খানিকটা দিশেহারা দেখাচ্ছে। মুখের ভঙ্গি কাচুমাচু। আমি বললাম, খালা, কোনো সমস্যা?

    খালা নিচু গলায় বললেন, ও টেলিফোন করেছিল। ওর ডাকনাম সত্যিই বল্টু। ওরা দুই যমজ ভাই। একজনের নাম নাট, আরেকজনের নাম বল্টু। একসঙ্গে নাট-বল্টু। ওদের বাবা ছিল পাগলাটাইপের। এইজন্যে নাট-বল্টু নাম রেখেছে। কী বিশ্রী কাণ্ড!

    তুমি মন খারাপ করছি কেন? বল্টু নাম তো খারাপ কিছু না। ডক্টর বল্টুশুনতেও ভালো লাগছে। নাট-বল্টু দুই ভাইকে নিয়ে সুন্দর ছড়াও হয়—

    নাট বল্টু দুই ভাই
    রিকশা চড়ে, দেখতে পাই।
    রিকশা যায় মতিঝিল
    বল্টু হাসে খিলখিল।
    নাটের মুখ বন্ধ
    তার গায়ে গন্ধ।

    খালা কঠিন গলায় বললেন, চুপ কর। মুখ বন্ধ।

    আমি মুখ বন্ধ করলাম। খালা বললেন, বল্টু উঠেছে সোনারগাঁও হোটেলে। রুম নম্বর চার শ’ একুশ। তোকে খবর দিয়ে এনেছি—বল্টুকে কিছু জিনিস দিয়ে আসবি।

    আমি বললাম, সহজ নামের মাহাত্ম্য দেখলে? তুমি নিজেও এখন সমানে বল্টু ডাকছ! বল্টুভাইকে এখন আর দূরের কেউ মনে হচ্ছে না। মনে হচ্ছে ঘরের মানুষ। সে এমন একজন যে দুই চান্সে ইন্টার’ পাস করেছে। অনেক চেষ্টা করেও কোনো ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হতে পারে নি। তার এখন প্রধান কাজ মেয়ে-স্কুলের গেটের সামনে হাঁটাহঁটি করা। ফ্লাইং কিস দেওয়া।

    তুই কি চুপ করবি? নাকি একটা থাপ্পড় দিয়ে মুখ বন্ধ করব?

    চুপ করলাম।

    খালা বললেন, ও লুঙ্গি-গামছা আর একটা বাংলা ডিকশনারি চেয়েছে। সব আনিয়ে রেখেছি। তুই দিয়ে আয়।

    নো প্রবলেম। লুঙ্গি, বাংলা ডিকশনারি বুঝলাম। গামছা কেন? কাদের সিদ্দিকীর দলে জয়েন করার পরিকল্পনা কি আছে?

    খালা হতাশ গলায় বললেন, এত কথা বলছিস কেন? তুই কিন্তু বল্টুর সঙ্গে কোনো ফাজলামিটাইপ কথা বলবি না। ও অতি সম্মানিত একজন মানুষ। প্রফেসর ইউনূসের মতো নোবেল প্রাইজও পেয়ে যেতে পারে।

    তাহলে তো বিরাট সমস্যা।

    কী সমস্যা?

    নানান মামলা মোকদ্দমায় জড়াতে হবে। বাংলাদেশে নোবেল প্রাইজ পাওয়া লোকজনদের সন্দেহের চোখে দেখা হয়।

    আবার বকবকানি শুরু করেছিস। চুপ করতে বললাম না?

    বল্টুভাইকে দেখে আমি চমকালাম। Ph.D. শুনলেই আমাদের চোখে চাপাভাঙা বিরক্ত চোখের মানুষের ছবি ভাসে, যার ঠোঁটে থাকে অবজ্ঞার হাসি। যাদের এমন ভারী ডিগ্রি নেই তাদের দিকে এরা এমনভাবে তাকান যেন বনমানুষ দেখছেন। হার্ভার্ডের এই Ph.D. অত্যন্ত সুপুরুষ। মধ্যবয়স্ক একজন মানুষ। মাথাভর্তি সাদাকালো চুল। মাজেদা খালার কথা সত্যি। উনার চোখে দিশেহারা ভাব।

    হার্ভার্ডের Ph.D.-র কোমরে হোটেলের টাওয়েল প্যাচানো। তিনি খালি গায়ে বিছানার ওপর বসে আছেন। তার বাঁ-হাতে চায়ের কাপ। ডানহাতে একটা চামচ। তিনি চায়ের কাপে চামচ ডুবিয়ে চা তুলে এনে মুখে দিচ্ছেন। শিশুরা গরম চা। এইভাবে খায়। বয়স্ক কাউকে এই প্ৰথম দেখলাম।

    আমি বললাম, বল্টুভাই, ভালো আছেন?

    তিনি বললেন, ভালো আছি।

    আপনার জন্যে কয়েকটা জিনিস। এনেছি। মাজেদা খালা পাঠিয়েছেন।

    ডিকশনারি কি আছে?

    হ্যাঁ আছে।

    একটু কষ্ট করে দেখবে ডিকশনারিতে ‘তুতুরি’ বলে কোনো শব্দ কি আছে? তুমি কি এই শব্দ আগে শুনেছ?

    না।

    প্লিজ খুঁজে দেখো। তোমাকে তুমি তুমি করে বলছি বলে ভেবে বসবে না আমি তোমাকে অবজ্ঞা করছি। তুমিও আমাকে তুমি বলতে পারো, কোনো সমস্যা নেই। বাংলা একটা স্ট্রেঞ্জ ভাষা—আপনি তুমি তুই।

    আমি বললাম, জাপানি আরও খারাপ ভাষা, সেখানে পাঁচ সম্বোধন। অতি সম্মানিত আপনি, সম্মানিত আপনি, তুমি, তুই, নিম্নশ্রেণীর তুই।

    বল্লুটুভাই ‘Oh God!’ বলে গরম চা খানিকটা বিছানায় ফেলে দিলেন। এখন তাকে শিশুদের মতো অপ্ৰস্তুত দেখাচ্ছে।

    আমি ডিকশনারি খুলে বললাম, শব্দটা আছে। এর অর্থ ‘সাপুড়ের বাঁশি’।

    গুড। ভেরি গুড।

    আমি বললাম, আপনি চামচে করে চা খাচ্ছেন কেন?

    ঠোঁট পুড়ে গেছে। গরম কাপ ঠোঁটে লাগাতে পারছি না। এইজন্যে চামচে খাচ্ছি। ঠোঁট কীভাবে পুড়েছে জানতে চাও?

    না। ‘তুতুরি’ দিয়ে কী করবেন?

    কিছু করব না। অর্থটা শুধু জানলাম। তুতুরি একটা মেয়ের নাম। আমি মেয়েটার কাছে তার নামের অর্থ জানতে চাইলাম। সে অর্থ বলতে পারল না।

    এরপর যখন তার সঙ্গে দেখা হবে, তাকে নামের অর্থ বলে দেব। সে নিশ্চয়ই খুশি হবে। তোমার কি ধারণা, খুশি হবে না?

    খুশি হওয়ার সম্ভাবনা কম।

    কম কেন?

    আপনি তাকে চোখে আঙুল দিয়ে বুঝিয়ে দেবেন, তুমি মুর্থ মেয়ে, নিজের নামের অর্থ জানো না। এটা তার ভালো লাগার কথা না।

    তাহলে ওই প্ৰসঙ্গ থাক। নামের অর্থ বলার দরকার নেই। একটা কাজ করলে কেমন হয়—বাংলা ডিকশনারিটা তাকে উপহার দিয়ে যদি বলি, এই মেয়ে, দেখো তো তোমার নামের অর্থ খুঁজে পাও কি না। এই বুদ্ধি তোমার কাছে কেমন মনে হচ্ছে?

    বল্টুভাইকে আমার কাছে মোটামুটি স্বাভাবিক মানুষ বলেই মনে হলো। তবে আমার প্রতি তাঁর আচরণে কিছুটা অস্বাভাবিকতা আছে। আমি তাঁর কাছে নিতান্তই অপরিচিত একজন। তিনি আমার সঙ্গে এমন আচরণ করছেন যেন আমি তাঁর অতি পরিচিত একজন। এত পরিচিত যে তাকে বল্টুভাই ডাকতে পারে।

    বল্টুভাই বললেন, একটু কি কষ্ট করে দেখবে ‘ফুতুরি’ বলে কোনো শব্দ আছে কি না?

    আমি ডিকশনারি উল্টেপাল্টে বললাম, নাই।

    বল্টুভাইয়ের চোখমুখ হঠাৎ খানিকটা উজ্জ্বল হয়ে উঠল। তিনি আগ্রহ নিয়ে বললেন, বাংলায় নতুন একটি শব্দ যুক্ত করলে কেমন হয়? ফুতুরি!

    এর অর্থ কী?

    ফুঁ দিয়ে যে বাঁশি বাজায়—ফুতুরি। বাঁশি, সানাই, ব্যাগপাইপ, ট্রাম্পেট সব হবে ফুতুরি গ্রুপের বাদ্যযন্ত্র। তোমার কাছে কি পরিষ্কার হয়েছে? নাকি আরও পরিষ্কার করব?

    পরিষ্কার হয়েছে।

    নতুন নতুন শব্দ বাংলা শব্দভাণ্ডারে যুক্ত করা প্রয়োজন।

    অবশ্যই প্রয়োজন।

    বল্টুভাইয়ের চোখ চকচক করে উঠল। নিশ্চয়ই নতুন কিছু মাথায় এসেছে। এই শ্রেণীর মানুষ আমি আগেও দেখেছি। মুখে কথা বলার আগে এদের চোেখ কথা বলে। সারাক্ষণ মাথায় নতুন নতুন আইডিয়া আসতে থাকে।

    বল্টুভাই বললেন, তুমি ডিকটেশন নিতে পারো? আমি বলব, তুমি লিখবে। পারবে না?

    পারব।

    টেবিলের ড্রয়ারে হোটেলের কাগজ আছে, কলম আছে। কাগজ-কলম নিয়ে টেবিলে বসো। আমি খুবই লজ্জিত, তোমার নাম ভুলে গেছি।

    আপনার লজ্জিত হওয়ার কিছু নেই। আমি এখনো আপনাকে নাম বলার সুযোগ পাই নি। আমার নাম হিমু।

    হিমু, তুমি কি তৈরি? ডিকটেশন দেওয়া শুরু করব?

    করুন।

    লিখো—

    সভাপতি
    বাংলা একাডেমী
    শ্রদ্ধাভাজনেষু।
    বিষয়; বাংলা শব্দভাণ্ডারে নতুন শব্দ সংযোজন।
    জনাব,
    ফুতুরি নামের একটি শব্দ আমি বাংলা শব্দভাণ্ডারে যুক্ত করতে চাচ্ছি। ফুঁ  দিয়ে যেসব বাদ্যযন্ত্র বাজানো হয় তাদের সাধারণ নাম হবে ফুতুরি। যেমন, বাঁশি, সানাই, ট্রাম্পেট, ব্যাগপাইপ।
    প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্ৰহণ করে আমাকে বাধিত করুন।
    বিনীত
    বল্টু

    আমি বললাম, বল্টু নাম ব্যবহার করবেন? পোশাকি নামটা দিন।

    তিনি বললেন, তুমি বল্টুভাই বল্টুভাই করছ তো, এ জন্যে মাথায় বল্টু নামটা ঘুরছিল। বল্টু কেটে দিয়ে আমার ভালো নাম দিয়ে দাও—চৌধুরী আখলাকুর রহমান। তবে বল্টু নামটা আমার পছন্দের। আমি যখন স্বপ্নে নিজেকে দেখি, তখন সবাই আমাকে বল্টু ডাকে। স্বপ্ন-বিষয়ে তোমাকে একটা ইন্টারেষ্টিং তথ্য দিতে পারি। দেব?

    দিন।

    একমাত্ৰ স্বপ্লেই মানুষ নিজেকে নিজে দেখতে পায়। বাস্তব জগতে মানুষ নিজেকে দেখে না।

    আয়নায় তাকালেই তো নিজেকে দেখবে।

    না, দেখবে না। আয়নায় দেখবে তার মিরর ইমেজ। এখন বুঝেছি?

    জি।

    গুড, ভেরি গুড। তোমাকে চাকরিতে বহাল করা হলো। কাল সকালে জয়েন করবে। সকাল দশটা থেকে ডিউটি।

    আমি সব সময় অন্যদের চমকে দিয়ে আনন্দ পাই। এই প্রথম বল্টুভাই আমাকে চমকালেন। আমি তার কাছে কোনো চাকরির জন্যে আসি নি। কয়েকটা জিনিস দিতে এসেছিলাম।

    বল্টুভাই বললেন, এসি আছে এমন একটা মাইক্রোবাস ভাড়া করবে। এই মাইক্রোবাস দশ দিন আমাদের সঙ্গে থাকবে। আমরা নেত্রকোনা জেলার সোহাগী গ্রামে চলে যাব। দশ দিন থাকব।

    আমি বললাম, জি আচ্ছা স্যার।

    স্যার বলছি কেন?

    আপনি আমার বস, এইজন্যে স্যার বলছি।

    তুমি বল্টুভাই ডাকছিলে, শুনতে ভালো লাগছিল। আমি ট্রেডিশনাল বস না। তোমার চাকরিও চুক্তিভিত্তিক। আমি বই লেখা যেদিন শেষ করব, তার পরদিন তোমার চাকরিও শেষ।

    বল্টুভাই, আমার কাজটা কী?

    মিসেস মাজেদা তোমাকে কিছু বলেন নি?

    জি-না।

    তুমি নানানভাবে আমাকে সাহায্য করবে, যেন বইটা লিখে শেষ করতে পারি।

    কী বই?

    বইয়ের নাম হচ্ছে “ঈশ্বর শূন্য আত্মা শূন্য’। বইয়ে প্রমাণ করব, ঈশ্বর বলে কিছু নেই। আত্মা বলেও কিছু নেই।

    আমি বললাম, আপনার তো রাগ কেটে ফেলবে।

    বল্টুভাই অবাক হয়ে বললেন, কে রগ কাটবে?

    আমাদের রগ কাটার লোক আছে। এনাটমিতে বিশেষ পারদর্শী। এরা আল্লাহ, ধর্ম, এইসব বিষয়ে উল্টাপাল্টা কিছু বললে হাসিমুখে রগ কেটে দিয়ে চলে যায়।

    কী অদ্ভুত কথা!

    আমি বললাম, বল্টুভাই! আপনি চিন্তিত হবেন না। এরা শুধু রগ কাটে, মেরে ফেলে না। যাদের রাগ কেটেছে, তারা বলেছে যে ব্যথাও তেমন পাওয়া যায় না। শুধু বাকি জীবন বিছানায় শুয়ে থাকতে হয়। হুইল চেয়ারে চলাফেরা করতে হয়।

    লেগ পুলিং করছ নাকি?

    জি-না স্যার। সত্যি কথা বলছি।

    প্রবলেম হয়ে গেল। তো।

    স্যার, আপনি বরং অন্য একটা বই লিখুন। বই লিখে প্রমাণ করুন। ‘ভূত আছে’।

    ভূত আছে প্ৰমাণ করব কীভাবে?

    জটিল সব ইকোয়েশন লিখে প্রমাণ করবেন ভূত আছে। হার্ভার্ডের Ph.D. যদি বই লিখে প্রমাণ করে ভূত আছে, তাহলে হইচই পড়ে যাবে। হাজার হাজার কপি বই বিক্রি হবে। নানান ভাষায় অনুবাদ হবে। হিন্দি ভাষায় বইটার নাম হবে ‘ভুত হ্যায়’।

    বল্টুভাই অবাক হয়ে আমার দিকে তাকিয়ে আছেন। আমি বললাম, আপনি চাইলে বাংলাদেশের নানান শ্রেণীর ভূতদের বিষয়ে আমি আপনাকে তথ্য দেব। মামদো ভূতের নাম শুনেছেন স্যার?

    মামদো ভূত?

    মুসলমান মরে যে ভূত হয় তাকে বলে মামদো ভূত। হিন্দু ব্ৰাহ্মণ মারা গেলে হয় ব্রহ্মদত্তি। খান্ডারনী মহিলা মারা গেলে পেত্নী হয়। শাকচুন্নি নামের আরেক শ্রেণীর মহিলা ভূত আছে। এরা ভয়ঙ্করটাইপ। হিন্দু বিধবারা মরে হয় শাকচুন্নি। ফিজিক্সের Ph.D. মারা গেলে কী ভূত হয়, তা অবশ্য আমার জানা নেই।

    বল্টুভাই হাত উচিয়ে আমাকে থামালেন। শান্ত গলায় বললেন, তুমি অতি বিপদজনক মানুষদের একজন। তুমি আমাকে কনফিউজ করার চেষ্টা করছি এবং খানিকটা করেও ফেলেছ। তোমার চাকরি নট। তোমাকে আমার এখানে আসতে হবে না। Now get lost!

    স্যার, চলে যেতে বলছেন?

    হ্যাঁ। খুব অভদ্রভাবে বলেছি, তার জন্যে দুঃখিত!

    যাওয়ার আগে একটা কথা কি বলব?

    বলো। মনে রেখো, এটা হবে তোমার লাষ্ট কথা।

    আমি বললাম, স্যার, ফিজিক্সের জটিল বিষয় পড়ে আপনার মাথায় গিট্টু লেগে গেছে। কেরামত চাচার সঙ্গে দেখা করলে আপনার গিট্টু কেটে যাবে। আপনি বললে আপনাকে উনার কাছে নিয়ে যাব। উনি আপনার মাথার গিট্টু ছুটিয়ে দিবেন।

    কেরামত কে?

    গেণ্ডারিয়ায় থাকেন। বিসমিল্লাহ হোটেলের হেড বাবুর্চি।

    সে কী করবে?

    আপনার সঙ্গে হাসিতামাশা করবে, আপনার মাথার গিট্টু ছুটে যাবে।

    বল্টুভাই কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে বললেন, আমি প্রচণ্ড রেগে গেছি। অনেক কষ্টে নিজের রাগ সামলাচ্ছি। খুব খুশি হব। তুমি যদি বিদায় হও।

    জি আচ্ছা স্যার।

    হোটেলের ঘর থেকে বের হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে প্ৰচণ্ড শব্দ করে বল্টুভাই দরজা বন্ধ করলেন। বেচারা নিষ্প্রাণ দরজাকে বল্টুভাইয়ের রাগ ধারণ করতে হলো। দরজার কথা বলার শক্তি থাকলে সে চেঁচিয়ে বলত, ‘উফরে গেছিরে!’ ফাইভ স্টার হোটেলের দরজার ভাষা। ‘উফরে গেছিরে’ টাইপ হবে না। সে বলবে, ‘ওহ শীট!’

     

    আমি চৌধুরী আখলাকুর রহমান বল্টু।

    আমি প্ৰচণ্ড রেগে গেছি। রাগ সামলানোর চেষ্টা করছি। প্ৰচণ্ড শব্দে দরজা বন্ধ করে রাগ কমানোর হাস্যকর চেষ্টা করেছি। রেগে গেলেই মানুষ হাস্যকর কর্মকাণ্ড করে। আমার ipad এ পিঁপড়া টিপে মারার একটা খেলা আছে; রেগে গেলে আমি পিঁপড়া মারি। তিন চার শ’ পিঁপড়া মারতে পারলে রাগ কমে যেত। ipad-টা খুঁজে পাচ্ছি না।

    হিমু নামের ছেলেটির সঙ্গে রাগ করার তেমন যৌক্তিকতাও এখন খুঁজে পাচ্ছি। না। সে সরল ভঙ্গি করে কিছু পেচানো কথা বলেছে। এ রকম করে কথা বলাই হয়তো তার স্বভাব। সে যদি আমার ক্ষতি করার চেষ্টা করত, তাহলে তার ওপর রাগ করা যেত।

    বিজ্ঞান অনেকদূর এগিয়েছে, কিন্তু মানবিক আবেগের কোনো সমীকরণ এখনো বের করতে পারে নি।

    পদার্থবিদ এবং ম্যাথমেটিশিয়ানদের উচিত নিউরো বিজ্ঞান পড়া। নিউরো বিজ্ঞানের বিজ্ঞানীরা অংক জানেন না। পদার্থবিদ্যা জানেন না।

    শ্ৰোডিনজারের মতো কেউ একজন আবেগের সমীকরণ বের করে ফেললে মানবজাতির কল্যাণ হতো। আবেগের সমীকরণ বের করা কি সম্ভব হবে? এই বিষয়ে আমি একটা চেষ্টা করব কি না ভাবছি।

    নিউরো বিজ্ঞানীরা ছেলেখেলাটাইপ বিজ্ঞান করছে। তারা বলছে, অমুক আবেগের জন্ম মস্তিষ্কের ফ্রন্টাল লোবে, তমুক আবেগের জন্ম থেলামসে। যত বুলশিট! জন্ম কোথায় তা দিয়ে কী হবে? আবেগটা কী তা বের করো। সময়ের সঙ্গে আবেগের পরিবর্তন বের করো। আমাদের দরকার টাইম ডিপেনডেন্ট সমীকরণ এবং সমীকরণের সমাধান।

    লক্ষ করলাম, আমার রাগ পড়ে গেছে এবং আমি এক ধরনের অবসাদ বোধ করছি। রাগের সময় মস্তিষ্কের প্রচুর অক্সিজেনের প্রয়োজন পড়ে। রাগ কমে যাওয়ার পর হঠাৎ শরীরে অক্সিজেনের সাময়িক ঘাটতি দেখা যায়। আমার যা হচ্ছে। অক্সিজেন ট্যাবলেট ফরমে পাওয়া গেলে ভালো হতো। টপ করে একটা গিলে ফেলা।

    আমি হোটেলের রিসেপশনে টেলিফোন করলাম, হলুদ পাঞ্জাবি পরা কেউ বের হচ্ছে কি না? তারা জানাল, না।

    হিমু ছেলেটিকে ‘সরি’ বলা উচিত। সমস্যা হচ্ছে, সে যোগাযোগ না করলে আমি তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারব না। মিসেস মাজেদাকে বললে তিনি হয়তো ব্যবস্থা করবেন। তাঁর টেলিফোন নম্বর আমার কাছে নেই। তিনি নম্বর লিখে দিয়েছিলেন, আমি হারিয়ে ফেলেছি। জিনিস হারানোতে আমার দক্ষতা সীমাহীন। আমার Ph.D. থিসিসের ফাস্ট ড্রাফট হারিয়ে ফেলেছিলাম। বাংলাদেশে এসে হারিয়েছি আমেরিকান পাসপোর্ট। অ্যাম্বাসির সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। তারা সন্দেহজনক কথাবার্তা বলছে। ভাবটা এ রকম যেন আমি কাউকে পাসপোর্টটা দিয়ে দিয়েছি।

    আমি ড্রয়ার খুলে কাগজ নিয়ে লিখলাম, হিমু। এটি একটি অর্থহীন কাজ। আমরা অর্থহীন কাজ করতে পছন্দ করি। অর্থহীন কাজ শুধু না, অর্থহীন প্রশ্ন করতেও পছন্দ করি।

    একবার ক্লাসে বক্তৃতা দিচ্ছি, আমার এক ছাত্রী বলল, স্যার বিশ্বব্ৰহ্মাণ্ডের সৃষ্টি হয়েছে বিগ ব্যাং থেকে। বিগ ব্যাং-এর আগে কী ছিল?

    অর্থহীন প্রশ্ন। আমি পড়াচ্ছি স্পেশাল থিওরি অব রিয়েলিটি। বিগ ব্যাং না।

    আমি বললাম, তোমার নাম কী?

    সে বলল, সুশান।

    আমি বললাম, সুশান, সময়ের শুরু হয়েছে কোথেকে? সে বলল, বিগ ব্যাং থেকে। আমি বললাম, সময় যেহেতু বিগ ব্যাং থেকে শুরু হয়েছে, তার আগে তো কিছু থাকতে পারে না।

    সুশান বলল, বিগ ব্যাং-এর আগে কি ঈশ্বরও ছিলেন না?

    আমি বললাম, ইয়াং লেডি, ঈশ্বরও ছিলেন না। সবকিছুর শুরু বিগ ব্যাং থেকেই! ঈশ্বর বলে কিছু থেকে থাকলেও তার শুরু বিগ ব্যাং থেকে।

    সুশান মেয়েটি অর্থহীন প্রশ্ন করে আমার ভেতর অনেক অর্থহীন প্রশ্ন তৈরি করে দিয়েছে। মাথা খানিকটা এলোমেলো করে দিয়েছে। আমি এলোমেলো মাথা ঠিক করার জন্য বড় ভেকেশন নিয়েছি। প্রথম গোলাম স্পেনে। কারণ শ্ৰোডিনজারের মাথা যখন এলোমেলো হয়ে গেল, তখন মাথা ঠিক করার জন্য তার এক গোপন বান্ধবী নিয়ে গেলেন স্পেনের বার্সেলোনায়। বান্ধবীর সঙ্গে যৌনক্রিয়ার মাঝখানে তার মাথার এলোমেলো ভাব হঠাৎ পরিষ্কার হয়ে গেল। তিনি পেয়ে গেলেন বিখ্যাত ‘শ্রোডিনজার ইকোয়েশন’।

    বান্ধবীকে ফেলে লাফ দিয়ে কাগজ-কলম নিয়ে টেবিলে বসলেন। বান্ধবী বলল, কী হয়েছে?

    শ্ৰোডিনজার বললেন, হয়েছে তোমার মাথা। You get lost.

    স্পেনে আমার মাথার জট কাটে নি। আমার কোনো বান্ধবী ছিল না-এটা একটা কারণ হতে পারে।

    বাংলাদেশে এসে দামি হোটেলে বসে সময় কাটাচ্ছি। জানোলা দিয়ে একবার বাইরেও তাকাচ্ছি না। হিমু বলেছে জনৈক কেরামত আমার মাথার জন্ট খুলে দেবে। সে নাকি কোন রেস্টুরেন্টের বাবুর্চি। আমি হিমু নামের পেছনে লিখলাম ‘কেরামত’, তারপর লিখলাম ‘তুতুরি ’। ‘তুতুরি’ নাম লেখার পেছনে কোনো ফ্বয়েডিয়ান সাইকোলজি কি কাজ করছে?

    আমি ‘তুতুরি’ নামটা কেটে দিলাম। নারীসঙ্গ আমার প্রিয় না। তাদের আমার আলাদা প্রজাতি মনে হয়। পৃথিবী নারীশূন্য হলে ভালো হতো।

    হিমু মাথায় ‘ভূত’ চুকিয়ে গেছে। এই বিষয়গুলি Catalyst-এর মতো কাজ করে। catalyst নিজে কোনো রিঅ্যাকশনে অংশগ্রহণ করে না। তবে অন্য রিঅ্যাকশন শুরু বা শেষ করতে সাহায্য করে।

    আমার সিস্টেমে ভূত ঢুকিয়ে দেওয়ায় হয়তো অন্য কোনো সমস্যা তৈরি হবে।

    রুমের টেলিফোন বেজে যাচ্ছে। নিতান্ত অনিচ্ছায় আমি টেলিফোন ধরলাম।

    বল্টুভাই, স্নামালিকুম।

    আপনি কে?

    আমি হিমু।

    কিছুক্ষণ আগেই তো তোমার সঙ্গে কথা হলো, আবার টেলিফোন করেছ কেন?

    আপনি যে ভূতের বইটা লিখবেন তা নিয়ে আরেকটা আইডিয়া এসেছে। স্যার, বলব?

    আমি বুঝতে পারছি রেগে যাচ্ছি, তারপরেও রাগ সামলে বললাম, বলো শুনছি।

    বাংলা ভূতের সঙ্গে আমেরিকান ভূতের একটা তুলনামূলক আলোচনা করলে কেমন হয়?

    এই বিষয়ে কথা বলতে ভালো লাগছে না।

    হিমু বলল, স্যার! প্লিজ, আমাকে দুটা মিনিট সময় দিন। ভূতের বইয়ে বিজ্ঞান নিয়ে আসুন। মানুষ মরলে ভূত হয়। ভূত মরলে কী হয় এই ধরনের আলোচনা। মাঝে মাঝে বিকট সব ইকোয়েশন দিয়ে দিন। যে ইকোয়েশনের আগামাথা কেউ কিছু বুঝবে না।

    তোমার কথা কি শেষ হয়েছে?

    মাত্র এক মিনিট পার হয়েছে। আরও এক মিনিট বাকি আছে স্যার। আর এক মিনিট কি পাব?

    আমি বললাম, You go to hell. বলেই খারাপ লাগল।

    কাউকে নরকে যেতে বলার অর্থ হচ্ছে নরকে বিশ্বাস করা। যে নরকে বিশ্বাস করবে তাকে স্বর্গেও বিশ্বাস করতে হবে। স্বৰ্গে বিশ্বাস করলে ঈশ্বরে বিশ্বাস করতে হবে। ঈশ্বরে বিশ্বাস করলে ভূত-প্রেতে বিশ্বাস করতে হবে। ভাগ্যে বিশ্বাস করতে হবে। কোনো মানে হয়?

    হিমু হ্যালো হ্যালো করে যাচ্ছে। আমি টেলিফোন রেখে দিলাম। হ্যালো হ্যালো করতে থাকুক। আমার রাগ আরও বেড়েছে। লেখক মার্ক টোয়েন বলেছেন, রাগ কমানোর সবচেয়ে ভালো উপায় হচ্ছে পছন্দের কোনো বইয়ের কয়েকটা পাতা ছিড়ে ফেলা। ছেঁড়ামাত্ৰ মনে হবে, হায় হায় কী করলাম! প্রবল হতাশা তৈরি হবে। হতাশার নিচে রাগ চাপা পড়ে যাবে।

    আমার হাতে বাংলা ডিকশনারি ছাড়া কোনো বই নেই। তার চারটা পাতা ছিঁড়ে কুচি কুচি করে বাতাসে উড়িয়ে দিলাম। ছেড়া কাগজের একটা টুকরা পড়ল আমার কোলে। সেখানে লেখা—‘অনিকেত’। অনিকেত শব্দটার মানে কী? আমার কাছে মনে হচ্ছে এই মুহুর্তে শব্দটার মানে জানা দরকার।

    যে করে হোক ipad খুঁজে বের করে পিঁপড়া মারতে হবে। সেখানে আরেকটা খেলা আছে, নাম মনে হয় office jerk, তার গায়ে নানান জিনিসপত্র ছুঁড়ে মারা যায়। সে ব্যথা পেয়ে আহ্‌ উহ্‌ করে, তাতেও রাগ কমে।

    ⤷
    1 2 3 4 5 6 7
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহিমু মামা – হুমায়ূন আহমেদ
    Next Article হিমু এবং একটি রাশিয়ান পরী – হুমায়ূন আহমেদ

    Related Articles

    হুমায়ূন আহমেদ

    বোতল ভূত – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    নিউইয়র্কের নীলাকাশে ঝকঝকে রোদ – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    রং পেন্সিল – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    বিবিধ / অগ্রন্থিত লেখা – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    আজ হিমুর বিয়ে – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    কৃষ্ণপক্ষ – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }