Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    হোয়াট ইজ আর্ট – লিও টলস্টয়

    জুলফিকার নিউটন এক পাতা গল্প389 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    হোয়াট ইজ আর্ট – ৮

    ৮

    [এ নান্দনিক তত্ত্ব কারা গ্রহণ করেছেন? সকল মানুষের জন্য প্রয়োজনীয় প্ৰকৃত শিল্প। আমাদের শিল্প জনগণের পক্ষে খুবই ব্যয়বহুল, দুর্বোধ্য এবং ক্ষতিকারক। ‘নির্বাচিত’দের শিল্পতত্ত্ব।

    মানবিক ক্রিয়া হিসেবে মানুষের উপলব্ধ সর্বোত্তম এবং সর্বোচ্চ অনুভূতিকে অপরের মনে সঞ্চারিত করাই যদি শিল্পের লক্ষ্য বিবেচিত হয়, তবে প্রশ্ন ওঠে মানবসমাজ শুধু নির্দিষ্ট কাল-সীমায় নয়, তার অস্তিত্বের দীর্ঘকাল যাবৎ (যে কাল থেকে বর্তমান কাল পর্যন্ত মানুষ গির্জার মতবাদে বিশ্বাস হারিয়েছে) এই গুরুত্বপূর্ণ মানবিক ক্রিয়া ব্যতীত বাঁচল কী করে? শুধু তাই নয়, শিল্পের এই উচ্চ আদর্শের পরিবর্তে কেবলমাত্র আনন্দের অনুভূতি সঞ্চারকারী তুচ্ছ শিল্পকর্ম নিয়ে মানুষ ব্যাপৃত রইল কেমন করে?

    এ প্রশ্নের উত্তর দিতে গেলে প্রচলিত শিল্পের ওপর মানুষ যে অকৃত্রিম সর্বজনীন শিল্পের গুরুত্ব অর্পণ করে, প্রথমেই সে ভুল ভেঙে দেওয়া প্রয়োজন। হাস্যকর সরলতায় ককেশীয় পরিবারভুক্ত মানুষকেই যে শুধুমাত্র আমরা সর্বোত্তম গোষ্ঠীভুক্ত মানুষ বিবেচনা করতে অভ্যস্ত তা নয়, ইংরেজ বা আমেরিকান হলে অ্যাংলো-স্যাক্সন জাতিকে শ্রেষ্ঠ জাতি, জার্মান হলে টিয়োটনিককে, ফরাসি হলে গেলো-লাটিনকে (Gallo-Latin), রুশ হলে শ্লাভ জাতিকে শ্রেষ্ঠতম জাতি বিবেচনা করি। তেমনি আমাদের শিল্প প্রসঙ্গ এলে সে শিল্পই যে প্রকৃত শিল্প সে বিষয়ে আমরা শুধুমাত্র পূর্ণ প্রত্যয়ম্বিত অনুভব করি না, বরং এমন অনুভবও করি যে, শিল্পই সর্বোত্তম এবং একমাত্র খাঁটি শিল্প। বাস্তবিক পক্ষে আমাদের শিল্প শুধু যে একমাত্র শিল্প নিদর্শন নয়-তা নয়, (এক সময়ে বাইবেলকে একমাত্র গ্রন্থ মনে করা হত)- তা এমনকি সমগ্র খ্রীষ্টীয় জগতের শিল্পও নয়, বরং আমরা মানবজাতির যে অংশভুক্ত তারও একটি ক্ষুদ্র সম্প্রদায়ের শিল্প। ইহুদি, গ্রীক অথবা ইজিস্পীয় শিল্প বলে যা অভিহিত হত তা বরং যথার্থ, এমনকি জাতির সমস্ত মানুষ অংশীদার বলে বর্তমান কালের চীনা, জাপানি বা ভারতীয় শিল্পকেও শিল্প বলা চলে। রাশিয়াতেও প্রথম পিটারের সময়কাল পর্যন্ত সকল জাতির গ্রহণীয় শিল্পের অস্তি ত্ব ছিল, এবং ত্রয়োদশ ও চতুর্দশ শতক পর্যন্ত ইউরোপের অবশিষ্টাংশেও এ পর্যায়ের শিল্প বর্তমান ছিল। কিন্তু ইউরোপীয় সমাজের অভিজাত শ্রেণীর লোকেরা গির্জা- প্রচারিত শিক্ষায় বিশ্বাস হারাবার পর থেকে প্রকৃত খ্রীষ্টধর্ম গ্রহণ না করে কোন প্রকার ধর্মপ্রতয় ছাড়াই ছিলেন বলে সম্পূর্ণাঙ্গ শিল্প অর্থে সমগ্র খ্রীষ্টীয় জাতিসমূহের উচ্চবিত্তের লোকেরা গির্জা অনুমোদিত খ্রীষ্ট ধর্মে বিশ্বাস হারাবার পর তাঁদের শিল্প অবশিষ্ট জনসাধারণের শিল্প থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেল। তখন থেকে দুই ধরনের শিল্প দেখা দিল- জনসাধারণের শিল্প এবং মার্জিত সম্প্রদায়ের শিল্প। অকৃত্রিম শিল্পের অস্তিত্ব না থাকায় কিছুকালের জন্য হলেও মানবজাতি কি করে বাঁচল এবং যে শিল্প শুধুমাত্র ভোগপ্রবৃত্তির তৃপ্তি সাধন করে তাই বা কি উপায়ে প্রকৃত শিল্পের স্থান গ্রহণ করল-এ প্রশ্নের উত্তর এই যে, সমগ্র মানব সমাজ কিংবা সে সমাজের একটি বৃহৎ অংশের কথাও এখানে অবান্তর, কেবলমাত্র ইউরোপীয় খ্রীষ্টীয় সমাজের উচ্চতর শ্রেণীর মানুষেরাই -তাও অপেক্ষাকৃত স্বল্প সময়ের জন্য (রেনেসাঁসের প্রারম্ভ থেকে বর্তমান কালসীমা পর্যন্ত) শিল্প ব্যতীত জীবনধারণ করেছে।

    প্রকৃত শিল্পের অভাবের পরিণতিতে এই শ্রেণীর মানুষের মধ্যে ভ্রান্ত শিল্পের উপভোগজনিত অনিবার্য বিকৃতি দেখা দিল। শিল্পের বিভ্রান্তিজনক সকল দুর্বোধ্য তত্ত্ব, শিল্প-সম্পৰ্কীয় সমস্ত ভ্রান্ত ও স্ব-বিরোধী সিদ্ধান্ত এবং বিশেষভাবে ভ্রান্তপথে প্রবাহিত আমাদের শিল্পের অতিপ্রত্যয়ী পল্বলবদ্ধতা-এ সবরেই উদ্ভব এই দাবি থেকে যে, সাধারণ্যে প্রচলিত এবং প্রশ্নাতীত সত্যরূপে গৃহীত হলেও আমাদের উচ্চ শ্রেণীর শিল্পই একমাত্র এবং সমগ্র শিল্প-যে দাবি শুধু অদ্ভুত নয়, স্পষ্টত মিথ্যা। যদিও এ দৃঢ় অভিমত (যা বিভিন্ন গির্জার ধর্মজ্ঞ মানুষের একই পর্যায়ের দৃঢ় বিশ্বাসের মত যে তাদের অনুসৃত ধর্মই একমাত্র সত্যধর্ম) সম্পূর্ণ খামখেয়ালিপূর্ণ এবং স্পষ্টই অযৌক্তিক। তথাপি আমাদের গোষ্ঠীর সকল মানুষ এর অভ্রান্ততায় বিশ্বাস রেখে ঠান্ডা মাথায় এই দৃঢ় অভিমত বারবার উচ্চারণ করে থাকেন।

    আমাদের শিল্পকে শিল্পসমগ্র, অকৃত্রিম এবং একমাত্র শিল্প বলে দাবি করা হলেও মানবজাতির দুই-তৃতীয়াংশ মানুষ (এশিয়া এবং আফ্রিকার সমস্ত মানুষ) এই অদ্বিতীয় এবং সর্বোচ্চ শিল্পের কিছুমাত্র জ্ঞানলাভ না করে বাঁচে এবং মরে। এমনকি আমাদের খ্রীষ্টীয় সমাজে খুব বেশি হলেও শতকরা একজন মাত্র মানুষ আমাদের দ্বারা ‘শিল্পসমগ্র’ বলে কথিত বস্তুটির সুযোগ গ্রহণ করে থাকে। অবশিষ্ট শতকরা নিরাব্বই জন মানুষ বংশানুক্রমে শ্রমপীড়িত হয়ে এই শিল্পের স্বাদ গ্রহণ না করেই জীবনধারণ ক েএবং মৃত্যুবরণ করে। উপরন্তু সে শিল্পের প্রকৃতি এমনই যে, উপভোগের সুযোগ পেলেও তারা সে শিল্পের মর্ম অনুধাবন করতে সক্ষম হত না। বর্তমান নন্দনতাত্ত্বিক মতবাদ অনুসারে শিল্পকে আমরা ভাবস্বরূপ, ঈশ্বর এবং সৌন্দর্যের সর্বোচ্চ অভিব্যক্তি বলে স্বীকার করি। এ ছাড়া আমরা আরও বিশ্বাস করি যে, বস্তুনির্ভর মঙ্গলের ক্ষেত্রে না হলেও অন্তত আধ্যাত্মিক মঙ্গলে সমস্ত মানুষের সমান অধিকার আছে। এতদ্‌সত্ত্বেও আমাদের ইউরোপীয় জনসমাজের অন্তত শতকরা নিরানব্বই জন ব্যক্তি বংশানুক্রমে শ্রমপীড়িত হয়ে বাঁচে এবং মরে। যে শিল্প তাদের কোন কাজে আসে না, সে শিল্পসৃষ্টির জন্যও তাদের শ্রমের বজু পরিমাণ অংশ ব্যয়িত হয়। তা সত্ত্বেও আমরা অবিচলিত দৃঢ়তায় দাবি করি, আমাদের সৃষ্ট শিল্পই বাস্তব, সত্য, একমাত্র শিল্প-শিল্পসমগ্র!

    আমাদের শিল্প প্রকৃত শিল্প নামধেয় হলে প্রত্যেকেরই সে শিল্প-উদ্ভুত সুবিধার অধিকারী হওয়া উচিত-এ মন্তব্যের উত্তরে বলা হয় যে, প্রত্যেকটি মানুষ বর্তমানে প্রচলিত শিল্পের উপভোগে অসমর্থ হলে সে দোষ শিল্পের ওপর বর্তায় না-সে ত্রুটি ভ্রান্ত সমাজ- ব্যবস্থার-কেউ কেউ এমন কল্পনা করতে পারেন। ভবিষ্যতে এমন সমাজ-ব্যবস্থার উদ্ভব হবে যখন দৈহিক শ্রম অংশত যন্ত্র দ্বারা বাতিল হবে, ন্যায্য বন্টনের সাহায্যে কিছুটা লঘু হবে এবং শিল্পসৃষ্টির জন্য শ্রম পর্যায়ক্রমে গৃহীত হবে : কতক লোক সব সময় মঞ্চের তলায় বলে মঞ্চসজ্জা স্থানান্তিকরণে ব্যস্ত থাকবে, কিংবা যন্ত্র চালনায় নিযুক্ত থাকবে, অথবা পিয়ানো বা ফরাসি সিঙা বাজাবে কিংবা অক্ষর সাজিয়ে বই ছাপবে – ভবিষ্যতে এ সবের হয়ত কোন প্রয়োজনই হবে না। বরং এ ধরনের কর্মরত মানুষকে দিনের পর দিন মাত্র কয়েক ঘন্টা কাজে ব্যাপৃত থাকবে হবে এবং অবকাশ মুহূর্তগুলি তারা শিল্পের আনন্দ উপভোগে কাটাতে পারবে।

    আমাদের স্বাতন্ত্র্যবাদী শিল্প-সমর্থকদের বক্তব্য এ রকমঃ জনগণের দাসত্বের ওপরে শিল্পবিকাশ নির্ভরশীল, এটা তারা স্বীকার না করে পারেন না। তারা আরও মনে করেন, দাসত্বের ধারা অব্যাহত থাকলে শিল্প-বিকাশের ধারাও অবিচ্ছিন্ন থাকে। এই প্রত্যয়ের থেকেও তারা মুক্তি পান না যে, শ্রমিকদের তীব্র দুঃখকষ্ট ভোগের মাধ্যমেই লেখক, সংগীতজ্ঞ, নৃত্যকুশলী, অভিনেতা প্রভৃতি বিশেষজ্ঞরা শিল্পের পরোৎকর্ষ আয়ত্ত করেন, কিংবা তাঁদের মার্জিত শিল্পকর্ম উপলব্ধিতে সূক্ষ্মবোধসম্পন্ন জনসমাজ সৃষ্টি হতে পারে। দাসদের ধনতন্ত্রের প্রভাব থেকে মুক্ত করা হলে এ ধরনের মার্জিত শিল্পকর্ম সৃষ্টি করা অসম্ভব হবে।

    কিন্তু যা স্বীকার্য নয় তাকেও স্বীকৃতি দিয়ে যদি আমরা বলি যে, এমন উপায়ের সন্ধান পাওয়া যেতে পারে-যার সাহায্যে শিল্পকে (যা আমাদের নিকট শিল্প বলে বিবেচিত ) সমগ্র মানবসমাজের নিকট পৌঁছিয়ে দেওয়া সম্ভব, তাহলেও আর একটি বিষয় বিবেচ্য হয়ে ওঠে। তা হল, ফ্যাশনবিলাসী শিল্প কখনও শিল্পসমগ্র বিবেচতি হতে পারে না, যেহেতু সে শিল্প জনসাধারণের নিকট সম্পূর্ণ দুর্বোধ্য। পূর্বে মানুষ ল্যাটিনে কবিতা রচনা করতেন। কিন্তু এখনকার মানুষের শিল্পরচনা জনসাধারণের নিকট এত দুর্বোধ্য যে, মনে হয় সেগুলি যেন সংস্কৃত লিখিত হয়েছে। এর উত্তরে সাধারণত বলা হয়ে থাকে, জনসাধারণ বর্তমান শিল্পের মর্মোদ্ধারে অসমর্থ হলেও তার দ্বারা এটাই প্রমাণিত হয় যে, তারা অনগ্রসর। শিল্পসৃষ্টির প্রত্যেক নবতর পর্যায়ে এমনটি ঘটে আসছে। প্রথম পর্যায়ে সে শিল্পকর্ম কিছুই উপলব্ধ হয়নি, পরবর্তীকালে অবশ্য মানুষ সে শিল্প- উপলব্ধিতে অভ্যস্ত হয়ে উঠেছে।

    আমাদের বর্তমান শিল্প বিষয়েও একই অবস্থান পুনরাবর্তন ঘটবে। আমাদের শিল্প সমর্থকদের অভিমত, জনসাধারণের প্রত্যেকে উচ্চশ্রেণীর শিল্পস্রষ্টা ব্যক্তির মতো সুশিক্ষিত হলেই তবে তারা বর্তমান শিল্পের মর্মগ্রহণে সমর্থ হবে। কিন্তু এই দাবি স্পষ্টতই পূর্ববর্তী অভিমত থেকে অনেক বেশি ভ্রান্ত। কারণ, একথা আমরা জানি যে, উচ্চশ্রেণীর লোকদের অধিকাংশ শিল্পসৃষ্টি-যেমন, গাথা-কবিতা, কবিতা, নাটক, গীতি- গাথা, রাখালিয়া গীতি, চিত্র প্রভৃতি তাদের সৃষ্টিকালেই উচ্চশ্রেণীর লোকদের আনন্দ দিত। পরবর্তীকালে মানবজাতির বৃহত্তর অংশ কখনও সেগুলির অর্থ উপলব্ধিতে সক্ষম হয়নি বা সেগুলির কোন মূল্য দেয়নি। এ কারণে সেগুলি সৃষ্টির প্রথম যুগের মতো পরবর্তীকালেও সমকালীন ধনী ব্যক্তিদের নিছক অবসর-বিনোদনের সামগ্রী হয়ে থেকেছে। সেগুলির কোন গুরুত্ব যদি থেকেও তাকে তা ছিল শুধু ধনী ব্যক্তিদেরই নিকট। জনসাধারণ কোন সময় আমাদের শিল্পের স্বরূপ অবশ্যই উপলব্ধি করবে-এ দাবির সমর্থনে প্রমাণ হিসেবে একথাও অনেক সময় জোর দিয়ে বলা হয় যে, তথাকথিত ক্লাসিকপন্থী কবিতা, সংগীত অথবা চিত্রশিল্প প্রভৃতি কতকগুলি সৃষ্টিকর্ম পূর্বে জনসাধারণকে তৃপ্তি দিতে অসমর্থ হলেও বহুলভাবে সেগুলিকে তাদের নিকট উপস্থিত করায় বর্তমানে ওই একই জাতীয় শিল্পকর্ম ওই পর্যায়ের জনগণের মনে তৃপ্তি দিতে শুরু করেছে। এর থেকে এ কথাই প্রমাণিত হয় যে-জনতা, বিশেষত শহুরে অর্ধচরিত্রভ্রষ্ট জনতা অতি সহজেই (সে জনতার রুচি বিকৃত হয়ে যাওয়ায়) যে কোন পর্যায়ের শিল্পকমে উপভোগে অভ্যস্ত হয়ে উঠতে পারে। উপরন্তু এ শিল্প এই জনগণের সৃষ্ট নয়, এমনকি তাদের দ্বারা নির্বাচিতও নয়, বরং প্রকাশ্য স্থানে এ সব শিল্পকর্মের নিদর্শন স্থাপন করে জনগণের মনের ওপর তা জোর করে চাপিয়ে দেওয়া হয়। অধিকাংশ শ্রমিকশ্রেণীর নিকট শুধুমাত্র উচ্চমূল্যের জন্যই আমাদের শিল্প যে দুরধিগম্য তা নয়, প্রকৃতির দিক থেকেও সে শিল্প অদ্ভুত। এই শিল্পের সাহায্যে এমন সমস্ত অনুভূতি সঞ্চর করে দেওয়া হয়-যা শ্রমনির্ভর জীবন পরিবেশ থেকে বহু দূরবর্তী-যে শ্রমসাধ্য জীবন বৃহত্তর মানবসমাজের পক্ষে খুবই সহজ ও স্বাভাবিক। বিত্তবান সম্প্রদায়ের নিকট যা উপভোগ্য অনুভূত হয়, একজন শ্রমিকের পক্ষে সে আনন্দ অনধিগম্য। সে উপভোগ্য বস্তু তার মনে হয়ত কোন অনুভূতিই সঞ্চার করে না, অথবা একজন অলস ও ভোগতৃপ্ত মানুষের মনে তা যে অনুভূীত বর্তমান শিল্পের মুখ্য বিষয়বস্তু বলে স্বীকৃত -যেমন, আত্মাভিমান, দেশাত্মবোধ, গুপ্ত প্রণয়-প্রবণতা-তা একজন শ্রমিকের তাদের অবসর সময়ে সমকালীন শিল্পের অন্তর্গত শ্রেষ্ঠ অবদানগুলিকে যদি দেখতে পড়তে বা শুনতে কোন সুযোগও দেওয়া হয় (যে সুযোগ শিল্প-প্রদর্শনী, জনপ্রিয়, ঐক্যতান এবং গ্রন্থাগারের সাহায্যে কিয়ৎ পরিমাণে শহরগুলিতে দেওয়া হয়) তবে একজন শ্রমিক ( যে প্রকৃত শ্রমিক পদবাচ্য)-আলস্যে আক্রান্ত হয়ে যে এখনও বিকৃত মানসিকতা লাভ করেনি) আমাদের সুকুমার শিল্প থেকে কিছু অর্জনে সমর্থ হবে না। যদি সে শিল্প বিষয়ে কিছুটা ধারণা করতেও পারে, তবে সে জ্ঞান তার চিত্তের সমুন্নতি বিধান না করে অধিকাংশ ক্ষেত্রে তার বিকৃতি ঘটাবে। সুতরাং চিন্তাশীল এবং আন্তরিক মানুষের কোন সন্দেহই থাকতে পারে না যে, আমাদের উচ্চশ্রেণীর মানুষের শিল্প কখনও সমগ্র জনসমাজের উপভোগ্য শিল্পের স্থান গ্রহণ করতে পারে না। শিল্প যদি একটা গুরুত্বপূর্ণ বিণয় হয়, সকল মানুষের জন্য আবশ্যক আধ্যাত্মিক আশীর্বাদ স্বরূপ হয় (যেমন, শিল্পভক্তেরা বলতে ভালোবাসেন-ধর্মের মত), তবে সেই শিল্প প্রত্যেকের অধিগম্য হওয়া উচিত। আমাদের যুগের শিল্পে সর্বসাধারণের প্রবেশাধিকার না থাকায় খুব অত্যাবশ্যক বস্তু বলে দেখানো হলেও বস্তুতপক্ষে সে শিল্পের ওই দাবি সত্য নয়। কিংবা এও বলা চলে, শিল্প নামে আমাদের অভিহিত বস্তু যথার্থ শিল্পই নয়।

    এই হেঁয়ালি অনিবার্য। সুতরাং চতুর এবং দুর্নীতিপরায়ণ লোকেরা শিল্পের একটি অংশকে অস্বীকার করে শিল্পকে এড়িয়ে চলেন। সেটি হল, সাধারণ লোকের শিল্পের ওপর যে দাবি আছে, তার অস্বীকৃতি। এরা খুব সোজাসুজি উচ্চকণ্ঠে বলেন যে, (যে বক্তব্য বিষয়টির কেন্দ্রবিন্দুস্পর্শী) তাদের বিবেচনায় সুন্দরতম শিল্প, অর্থাৎ সর্বাপেক্ষা আনন্দদায়ক শিল্পের অংশীদার এবং ব্যবহারকারীরা হবেন একমাত্র Sehone Geister অর্থাৎ সুকুমার চিত্তবৃত্তি সম্পন্ন ব্যক্তি-রোমান্টিকেরা যে অভিধায় তাঁদের অভিহিত করতে অর্থাৎ নির্বাচিত শ্রেষ্ঠগণ (The Elect) কিংবা নীটশের অনুবর্তীরা যাদের বলতেন Uebermenschen (civgvbe)। শিল্পোদ্ভূত এই আনন্দ উপভোগে অসমর্থ অবশিষ্ট বর্বরশ্রেণীর মানুষ অবশ্যই উচ্চবর্গীয়দের মহৎ আনন্দে উপভোগের কাজে নিয়োজিত থাকবে। এই অভিমত পোষণকারী ব্যক্তিরা অন্তত কোন ভাণ করেন না, কিংবা অসঙ্গতিপূর্ণ বস্তু সমন্বয়ের কোন চেষ্টা করেন না। বরং স্পষ্টভাবে এটা স্বীকার করেন যে, আমাদের শিল্প কেবলমাত্র সমাজের উচ্চবর্গীয়দের শিল্প। বাস্তবক্ষেত্রে আমাদের সমাজে শিল্পচর্চাকারীদের নিকট শিল্পের স্বরূপ পূর্বের মতো এখনও এরূপই প্রতীয়মান।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleজুল ভের্ন অমনিবাস ১ (প্রথম খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    Next Article দ্য অ্যামিটিভিল হরর : অ্যা ট্রু স্টোরি – জে অ্যানসন
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }