Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    হোয়াট ইজ আর্ট – লিও টলস্টয়

    জুলফিকার নিউটন এক পাতা গল্প389 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    হোয়াট ইজ আর্ট – ১৪

    ১৪

    [পূর্ব পরিকল্পিত মতামত সম্পর্কে যে সত্য মারাত্মক তা তৎক্ষণাৎ স্বীকৃতি পায় না। প্রকৃত শিল্পকর্মের সঙ্গে কৃত্রিম শিল্পের অনুপাত। রুচিবিকৃতি এবং শিল্প অবধারণের অক্ষমতা। উদাহরণস্বরূপ।]

    কেবল চতুর বলে বিবেচিত ব্যক্তিরাই নয়, এমনকি খুবই চতুর এবং জটিল বৈজ্ঞানিক, গাণিতিক, দার্শনিক সমস্যা উপলব্ধিতে সক্ষম অধিকাংশ ব্যক্তি-যারা সম্ভবত খুবই কষ্ট সহকারে কোন সিদ্ধান্তে এসে পৌঁছেছেন, যে সিদ্ধান্ত সম্পর্কে তারা গর্বিত, যে বিষয়ে তারা অপরকে শিক্ষা দিয়েছেন এবং যার ভিত্তিতে নিজেদের জীবন গড়ে তুলেছেন-সে সিদ্ধান্ত যদি এমন হয় যে তাকে তারা ভ্রান্ত বলে স্বীখার করতে বাধ্য হন, তবে তারা যে সহজতম এবং স্পষ্টতম সত্যকেও কদাচিৎ দেখতে পান-সে কথা আমি জানি। সুতরাং যে বস্তুকে আমি আমাদের সমাজের শিল্প এবং রুচিবিকতির কারণ বলে অভিহিত করেছি তা যে স্বীকৃতি পাবে, এমনকি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচিত হবে,-সে সম্পর্কে আমি খুব কম আশাই পোষণ করি। এতদ্‌সত্ত্বেও শিল্প সম্পর্কীয় আমার অনুসন্ধান আমাকে যে অনিবার্য সিদ্ধান্তের সম্মুখীন করেছে তা অবশ্যই আমি পুরোপুরি ব্যক্ত করব। এ অনুসন্ধান আমাকে এ প্রত্যয়ের সম্মুখীন করেছে যে, আমাদের সমাজ যা শিল্প, সৎ শিল্প এবং সামগ্রিক শিল্প বলে স্বীকার করে থাকে, তা বাস্তবিক পক্ষে খাঁটি বা সৎ এবং সামগ্রিক শিল্প তো নয়ই, বরং মূলত তা শিল্পপদবাচ্যই নয়,-তা মেকি বা কৃত্রিম শিল্প। আমার এই সিদ্ধান্ত খুবই অদ্ভুত এবং স্ব-বিরোধী মনে হবে, কিন্তু শিল্প যদি অনুভূতি-সঞ্চারক মানবিক ক্রিয়া বলে স্বীকৃত হয় (সৌন্দর্য সেবাও নয়, অথবা ভাবচিন্তার অভিব্যক্তিও নয় বা এই জাতীয় কিছু নয়) তবে অনিবার্যক্রমে এই পরবর্তী সিদ্ধান্তও মেনে নিতেই হবে। এটা যদি সত্য হয় যে, শিল্প এমন একটি ক্রিয়া যার সাহায্যে কোন ব্যক্তি স্বীয় উপলব্ধ অনুভূতি স্বেচ্ছায় অপরের মধ্যে সঞ্চারিত করেন, তবে অনিবার্য আমাদের আরও স্বীকার করতে হয় যে, যে সমস্ত বস্তু আমাদের দ্বারা শিল্প নামে অভিহিত হয় (উচ্চবর্গীয়দের শিক্ষা) অর্থাৎ উপন্যাস, গল্প, নাটক, মিলনান্তি কা, ছবি, স্থাপত্য, সিম্ফনি, গীতাভিনয়, হাল্‌কা গীতপ্রধান নাটিকা, নৃত্য প্রভৃতি- যেগুলিকে প্রকাশ্যে শিল্পকর্ম বলা হয়, তাদের লক্ষ্যের মধ্যে একটিও লেখক-অনুভূত আবেগপ্রসূত কিনা সন্দেহ, বাদবাকি সমস্তই শিল্পের নকল রূপেই তৈরি। সেগুলিতে অনুভূতি-সংক্রমণের স্থান গ্রহণ করেছে ধার-করা, অনুকৃতি, প্রভাব-সৃষ্টি, কৌতূহল সৃষ্টি প্রভৃতি। নকলের তুলনায় প্রকৃত শিল্পসৃষ্টির আনুপাতিক হার লক্ষ্যের কিংবা তার চাইতেও বেশির মধ্যে একটি মাত্র-তা নিম্নোক্ত পরিসংখ্যান থেকে দেখা যাবে : আমি কোথাও পড়েছিলাম যে, একমাত্র প্যারিসেই চিত্রশিল্পীর সংখ্যা ৩০,০০০ খুব সম্ভব ইংলন্ডে তাদরে সংখ্যা ওই রকম, জার্মানিতেও অসুরূপসংখ্যক এবং ইতালি ও ছোট ছোট রাষ্ট্রকে একসঙ্গে ধললেও হবে সমানসংখ্যক। সুতরাং সর্বসাকুল্যে ইউরোপে চিত্রশিল্পীর সংখ্যা হবে ১,২০,০০০; সম্ভবত সংগীতশিল্পী এবং সাহিত্যশিল্পীর সংখ্যাও হবে অনুরূপ। এই ৩,৬০,০০০ ব্যক্তি প্রতি বৎসর যদি তিনটি করেও শিল্পকর্ম উৎপাদন করেন (তাঁদের মধ্যে অনেকেই দশটি অথবা তার বেশিও উৎপাদন করে থাকেন ) তাহলে প্রতি বৎসর দশ লক্ষেরও বেশি তথাকথিত শিল্পসৃষ্টি হয়। তাহলে বিগত দশ বৎসরে কত সংখ্যক শিল্প উৎপাদন হওয়া সম্ভব এবং যে সময় হতে অভিজাত শ্রেণীর শিল্প-সমগ্র জনগণের শিল্প থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে সে পুরো সময়টার মধ্যেই বা কত সৃষ্টি হয়েছে? নিঃসন্দেহে তাদের সংখ্যা হবে কোটি কোটি। তা সত্ত্বেও সূক্ষ্ম শিল্প- বিচার-বিশেষজ্ঞদের মধ্যে কোন বস্তু এই সমগ্র কৃত্রিম শিল্পবস্তুর পরিচয় লাভ করেছে? এ সমস্ত শিল্পকর্ম বিষয়ে ধারণাহীণ শ্রমিক শ্রেণীর উল্লেখ না হয় নাই করা হল। এমনকি অভিজাত শ্রেণীর মানুষের পক্ষেও এই সব শিল্পের হাজারের মধ্যে একটিরও পরিছয় লাভ সম্ভব নয়, এবং পরিচিত হলেও মনে রাখা সম্ভব নয়। এই সমস্ত সৃষ্টিকর্ম শিল্পের ছদ্মবেশে আত্মপ্রকাশ করায় কারও ওপর কোন প্রভাব বিস্তার করে না (একদল অলস ধনী জনতার অবসর বিনোদনের জন্য ব্যবহৃত হওয়া ব্যতীত) এবং সেগুলি সম্পূর্ণভাবে ভিলূপ্ত হয়।

    এর উত্তরে সাধারণত বলা হয়, এই বৃহৎ সংখ্যক অ-সফল প্রয়াস ব্যতীত আমরা প্রকৃত শিল্পকর্মের সাক্ষাতই পেতাম না। এরূপ যুক্তি অনেকটা সেই রুটিওয়ালার মতো-রুটি খারাপ বলে ভর্ৎসিত হলে যে ব্যক্তি উত্তর দিত, এভাবে শত শত রুটি নষ্ট না হলে উত্তম সেঁকা রুটি একটিও পাওয়া যেত না। সোনা থাকলে বালির পরিমাণও যথেষ্ট থাকে-এটা সত্য। কিন্তু এ যুক্তি একটি জ্ঞানগর্ভ কথা বলার জন্য এক গাদা অর্থহীন প্রলাপ বকার যুক্তি হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে না।

    শৈল্পিক বিবেচিত উৎপাদন সমূহের দ্বারা আমরা পরিবৃত। হাজারে হাজারে পদ্য, কবিতা, উপন্যাস, নাটক, ছবি, সংগীত-একের পর এক সৃষ্টি হয়েই চলেছে। কবিতাগুলি প্রেমের, প্রকৃতির অথবা লেখকের মানসিক অবস্থার বর্ণনা করে, তাদের সবগুলিতেই ছন্দ ও মিলের নিয়ম রক্ষা করা হয়। নাটক এবং মিলনান্তিকাগুলি চমৎকারভাবে মঞ্চায়িত এবং প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত অভিনেতৃবর্গ-কর্তৃক অভিনীত হয়। উপন্যাসগুলি বিভিন্ন পরিচ্ছেদে বিভক্ত। তাদের সবগুলির মধ্যে থাকে প্রেমের বর্ণনা, চমকপ্রদ পরিস্থিতি এবং জীবনের যথাযথ খুঁটিনাটি বর্ণনা। সকল সিম্ফনিতে থাকে চটুলগতি স্ফূর্তিব্যঞ্জক সুরসমষ্টি (allegro), অপেক্ষাকৃত ধীরগতিতে বাজানো সুর (andante), শক্তিভুয়িষ্ট সুরসঞ্চার (Scherzo), যন্ত্রসংগীতের পরিণামী গতিময় সুরসমাপ্তি (finale)। তার মধ্যে থাকে সুরের ওঠানামা, স্বরগ্রাম এবং উচ্চ পর্যায়ের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সংগীতজ্ঞদের দ্বারা সেগুলি বাজানো হয়। সোনালি ফ্রেমে বাঁধানো ছবিগুলিতে থাকে মুখ এবং আনুষঙ্গিকের উজ্জ্বল রূপায়ন। বিভিন্ন শিল্পশাখার যে কোন শাখায় লক্ষ লক্ষ সৃষ্টির মধ্যে একটি সৃষ্টি অন্যগুলির তুলনায় শুধু যে কিছু ভালো তাই নয়, তাদের থেকে তার শ্রেষ্ঠতা আসল ও নকল হীরার মধ্যে যে পার্থক্য-তার অনুরূপ। একটি অমূল্য, অপরগুলি জনরুচিকে জনরুচিকে প্রবঞ্চিত ও বিকৃত করে বলে শুধু যে মূল্যহীন তাই নয়,-মূল্যহীনের চাইতেও নিকৃষ্ট। তথাপি বিকৃত এবং ক্ষয়িষ্ণু শৈল্পিক অনুভূতিসম্পন্ন ব্যক্তির নিকট বাহ্যত সেগুলি ঠিক একই মূল্যমানের বস্তু বলে প্রতীয়মান হয়।

    আমাদের সমাজের প্রকৃত শিল্পসৃষ্টিকে চিহ্নিত করবার অসুবিধা যে আরও বেড়ে গেছে তার কারণ, মেকি শিল্পসৃষ্টির বহিরাঙ্গিক উৎকর্ষ খাঁটি শিল্পসৃষ্টি থেকে নিকৃষ্ট তো নয়ই, বরং অনেক সময় অধিকতর উৎকৃষ্ট। কৃত্রিম শিল্প প্রকৃত শিল্পের চাইতে অধিকতর চমকপ্রদ এবং তার বিষয়বস্তুও অধিকতর কৌতূহলোদ্দীপক। এ অবস্থায় মানুষ এই দুয়ের মধ্যে পার্থক্য নির্ণয় করবে কী করে? বহিরঙ্গে খাঁটি শিল্পের সঙ্গে যার কোনই প্রভেদ নাই-এমন লক্ষ লক্ষ নিখুঁত অনুকৃতির মধ্য থেকে লোকে খাঁটি শিল্পের নিদর্শনটি কী করে বেছে নেবে?

    অবিকৃতরুচি গ্রাম্য চাষির পক্ষে এটা কিন্তু খুবই সহজ-যেমন সহজ কোন অবিকৃত ঘ্রাণশক্তিবিশিষ্ট প্রাণীর পক্ষে অরণ্যের হাজার হাজার পদচিহ্নের মধ্যে একটি প্রয়োজনীয় চিহ্ন অনুসরণ করা। পশুটি নির্ভুলভাবে তার অন্বিষ্টটি খুঁজে পায়। তেমনি যে ব্যক্তির স্বাভাবিক প্রকৃতিগত গুণগুলি বিকৃত হয়নি, সে ব্যক্তি হাজারো বস্তুর মধ্যে তার প্রয়োজনীয় খাঁটি শিল্পকর্মটি অব্যর্থভাবে নির্বাচন করে নেবে। সে অকৃত্রিম শিল্পকর্মের শিল্পী-উপলব্ধ অনুভূতি তাকে সংক্রমিত করবেই। কিন্তু শিক্ষা এবং জীবন- পরিবেশের প্রভাবে যে সমস্ত ব্যক্তির রুচি বিকৃত হয়েছে তাদের জীবনে এরূপ ঘটে না। এ পর্যায়ের মানুষের গ্রহণশক্তি ক্ষীণতাপ্রাপ্ত। শিল্পকর্মের মূল্য নির্ণয়ে তারা বিভ্রান্ত কারী আলোচনা ও পাঠের দ্বারা অনিবার্যত পরিচালিত হয়। এ কারণে আমাদের সমাজের অধিকাংশ ব্যক্তি স্থূলতম কৃত্রিম শিল্প থেকে পকৃতি শিল্পকর্মের পৃথকীকরণে সম্পূর্ণ অক্ষম। মানুষ ঘন্টার পর ঘন্টা কনসার্ট হল এবং থিয়েটারের প্রেক্ষাগৃহে বসে থাকে, নতুন সুরকারদের সংগীত শ্রবণ করে, বিখ্যাত আধুনিক ঔপন্যাসিকদের উপন্যাস পড়া কর্তব্য বিবেচনা করে, এবং হয়ত দুর্বোধ্য কোন চিত্রের দিকে তাকিয়ে থাকে, অথবা চিত্রে ঠিক সে বস্তুকেই দেখতে থাকে-বাস্তব জীবনে যা আরও বেশি ভালো করে দেখে থাকে। সর্বোপরি কৃত্রিম বস্তুর সব কিছুকে শিল্প বিবেচনায় তারা সেগুলির দ্বারা মোহিত হওয়াকে অবশ্য-কর্তব্য মনে করে। ওই একই কালে খাঁটি শিল্পনিদের্শনের প্রতি কোন প্রকার মনোযোগ না দিয়ে কিংবা অতি অবজ্ঞাভরে পাশ দিয়ে চলে যাবে শুধু এই কারণে যে, তাদের গোষ্ঠীর মধ্যে ওই নিদের্শনগুলি শিল্পতালিকার বহির্ভূত।

    যে ধরনের বিষণ্ণ অনুভূতি দ্বারা আমি মাঝে মাঝে পীড়িত হই, কয়েকদিন আগে বেড়াবার পর সে রকমের অনুভূতি নিয়ে আমি বাড়ি ফিরছিলাম। বাড়ির সন্নিকটবর্তী হয়ে আমি বহুসংখ্যক কৃষক রমণীর সমস্বরে গীত উচ্চকণ্ঠ সংগীত শুনতে পেলাম। বিয়ের পর আমার মেয়ের গৃহ প্রত্যাবর্তনের ঘটনাটিকে উদযাপন করবার অভিপ্রয়ে তারা আমার মেয়েকে স্বাগত জানাচ্ছিল। চীৎকার এবং কাসেত শব্দ সহ এ সংগীতে এমন একটি সুনির্দিষ্ট আনন্দ, উল্লাস এবং সরলতা অভিব্যক্তি লাভ করেছিল যে-তা আমাকে কিভাবে সংক্রমিত করল তা লক্ষ্য না করে অপেক্ষাকৃত ভালো মন-মেজাজে আমি বাড়ির দিকে অগ্রসর হলাম এবং সহাস্যে বাড়ি পৌঁছালাম। ওই দিন সন্ধ্যায় ক্লাসিক্যাল সংগীতে নৈপুণ্যের জন্য যশস্বী এবং বিশেষ করে বেটোফেন-বাদনে পারদর্শী জনৈক আগন্তুক-সংগীতজ্ঞ আমাদের বেটোফেনের সোনাটা বাজিয়ে শোনালেন-যেটি বেটোফেনের ১০১ নং কৃতি। বেটোফেনের ওই সোনাটা সম্পর্কে আমার বিচারকে সে-সংগীত বোঝাবার অক্ষমতা ব্যক্তিরা যা বুঝে থাকেন, সংগীত বিষয়ে তীক্ষ্ণ অনুভূতিপ্রবণতার জন্য আমিও তাদের সমানই বুঝে থাকি। যে সমস্ত রূপহীন উদ্ভাবন বেটোফেনের শেষ পর্যায়ের সৃষ্টিকর্মের বৈশিষ্ট্য-তা থেকে আনন্দ আহরণের জন্য আমি বহুকাল পর্যন্ত নিজেকে তার জন্য অভ্যস্ত করে তুলেছিলেন। কিন্তু আমাকে শুধুমাত্র শিল্পের প্রশ্নটাই গভীরভাবে বিবেচনা করতে হয়েছিল এবং বেটোফেনের শেষ পর্যায়ের সৃষ্টিকর্ম বিষয়ে আমার উপলব্ধ ধারণার সঙ্গে তুলনা করতে হয়েছিল তৃপ্তিদায়ক, স্বচ্ছ, সবল, সাংগীতিক অনুভূতি-সম্বলিত বাখ্ (Bach)-এর ( তাঁর এরিয়া arias), হেইডেন (Haydn)-এর মোসার্ট (Mozart)-এর, সোপার (Chopin) (যখন তাঁর সুরগুলি জজিলতা এবং অলংকারিতার দ্বারা ভারাক্রান্ত হয় না), -এমনকি স্বয়ং বেটোফেনের প্রথম পর্যায়ের সংগীতের সঙ্গে এবং সর্বোপরি ইতালীয়, নরওয়েজীয়, রুশ প্রভৃতি পল্লীসংগীতসৃষ্ট অনুভূতি সঙ্গে -হাঙ্গেরীয় Csardas এবং এ পর্যায়ের অপরাপর সরল, স্বচ্ছ এবং শক্তিমান সংগীতের সঙ্গেও-যার ফলে বেটোফেনের শেষ পর্যায়ের সংগীতের যে অস্পষ্টতা এবং প্রায়-অস্বাস্থ্যকর উত্তেজনার প্রভাব একটা কৃত্রিম প্রয়াসের ফলে আমি নিজেই নিজের মনে উদ্রিক্ত করেছিলাম, তা যেন তৎক্ষণাৎ বিনষ্ট হয়ে গেল।

    সংগীতানুষ্ঠান শেষ হবার পর (যদিও এটা দেখা যাচ্ছিল যে প্রত্যেকটা নিস্তেজ হয়ে উঠেছেন ) উপস্থিত সকলেই প্রচলিত স্বীকৃত পদ্ধতিতে বেটোফেনের গভীর সৃষ্টিকর্মের প্রশংসা জানালেন। এই বাড়তি কথাটাও তারা সংযোগ করতে ভুললেন না যে, ইতোপূর্বে তাঁর শেষ পর্যায়ের সৃষ্টিকর্মকে তারা বুঝতে সক্ষম না হলেও এখন উপলব্ধি করতে পারলেন যে, সে পর্যায়েই তিনি শ্রেষ্ঠ শিল্পকৃতির অধিকারী হয়েছিলেন। কৃষক রমণীদের সংগীত আমার এবং অপরাপর শ্রোতার ওপরও যে প্রভাব বিস্তার করেছিল- আমি সে সংগীতের সঙ্গে এই সোনাটার প্রভাবের তুলনা করতে সাহসী হলে বেটোফেনের প্রশংসাকারীরা এরূপ মন্তব্যের উত্তর দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা পর্যন্ত বিবেচনা না করে অবজ্ঞার সঙ্গে ঈষৎ হাস্য করলেন।

    সকল দিক বিবেচনা করলে দেখা যায়, কৃষক রমণীদের সংগীত সুনির্দিষ্ট এবং সবল অনুভূতি-সঞ্চারী বলে প্রকৃত শিল্পনামধেয়, অপরপক্ষে বেটোফেনের ১০১ তম সোনাটা শিল্পসৃষ্টির একটি অকৃতার্থ প্রয়াস বলে তা ছিল সুনির্দিষ্ট অনুভূতিবর্জিত সুতরাং সংক্রমণশক্তিহীন।

    শিল্প সম্পর্কীয় রচনার জন্য এই শীতকালে আমি প্রবল উদ্যমে পরিশ্রম সহকারে সমস্ত ইউরোপে প্রশংসিত কতকগুলি উপন্যাস ও ছোটগল্প পড়েছি। সেগুলি জোলা, বুর্জে (Bourget), উইসমান (Huysmans) এবং কিপলিং লিখিত। একই সঙ্গে ছেলেদের একটি পত্রিকায় সম্পূর্ণ অজানা জনৈক লেখকের একটি ছোটগল্প হঠাৎ আমার চোখে পড়ে। সে গল্পটিতে ছিল একটি দরিদ্র বিধবার পরিবারে ইস্টার উৎসব উপলক্ষে প্রস্তুতির কাহিনি। সে গল্পে আছে, মা কিভাবে খুবই কষ্টে কিছু ময়দা সংগ্রহ করে ঠাসার উদ্দেশ্যে টেবিলের ওপর ঢেলে রেখেছিল। তারপর সে খামি সংগ্রহের জন্য বাইরে গেল। যাবার আগে ছেলেদের বলে গেল, তারা যেন কুটির ছেড়ে না যায় এবং ময়দাগুলি যত্ন নেয়। মা চলে যাবার পর আর কতকগুলি ছেলে কলরব করে জানালার নিকট এসে খেলার জন্য কুটির থেকে বেরিয়ে আসতে তাদের ডাকল। ছেলেরা মায়ের সাবধান-বাণীর কথা ভুলে দৌড়ে রাস্তায় নেমে গেল এবং অবিলম্বে খেলায় মেতে উঠল। খামি নিয়ে বাড়ি ফিরবার পর মা দেখতে পেল, টেবিলের ওপর উঠে একটি মুরগি ময়দার শেষ অংশটুকু তার বাচ্চাদের ছড়িয়ে দিচ্ছে এবং বাচ্চাগুলি মাটির মেঝের ধূলা থেকে সেগুলি কুড়িয়ে নিতে ব্যস্ত। নৈরাশ্যপীড়িত মা ছেলেদের ভর্ৎসনা করলে তারা আকুল হয়ে কাঁধতে লাগল। মা তাদের জন্য করুণা অনুভব করল-কিন্তু ততক্ষণে সাদা ময়দাগুলি সবই নিঃশেষিত হয়ে গেছে। ব্যাপারটিকে জোড়াতালি দিয়ে সারিয়ে তোলার জন্য মা তখন বাজরার ময়দা ছেঁকে নিয়ে ইস্টার কেক তৈরি করার সিদ্ধান্ত নিল। ডিমের সাদা অংশটি ওপরে ছড়িয়ে দিয়ে তার চারদিকে ডিম ভেঙে দিল। ‘আমাদের তৈরি করা বাজরার রুটি ঠিক কেকের মতো’-সাদা ময়ধা দিয়ে তৈরি ইস্টারের কেক সংগ্রহে অসমর্থ হয়ে ছেলেদের সান্ত্বনা দেবার উদ্দেশ্যে মিলযুক্ত একটি প্রবাদ ব্যবহার করে মা একথা বলল। মানসিক নৈরাশ্য থেকে অতিদ্রুত অতি-উল্লাসের স্তরে উপনীত হয়ে ছেলেরা সে প্রবাদের পুনরাবৃত্তির শুরু করল এবং পূর্বাপেক্ষা আরও বেশি আনন্দ সহকারে ইস্টারের কেকের প্রতীক্ষা করে রইল।

    বস্তুতপক্ষে জোলা, বুর্জে (Bourget), উইসমান (Huysmans), কিপলিং এবং আরও কোন কোন লেখকের গভীর বেদনাদায়ক বিষয়বস্তু নিয়ে লিখিত উপন্যাস ও ছোটগল্প আমাকে এক মুহূর্তের জন্যও আকর্ষণ করতে পারেনি। আমি এই সমস্ত লেখকের প্রতি সর্বক্ষণ বিরক্ত হয়ে উঠেছিলাম। যখন কোন ব্যক্তি অপর কোন ব্যক্তিকে সম্পূর্ণ কলাকৌশলশূন্য সরল বিবেচনায় তার ওপর প্রভাব বিস্তারের কৌশল পর্যন্ত গোপনের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে না, তখন তার মনে যে বিরক্তির সঞ্চার হয়-আমার বিরক্তিও সে ধরনের। পথম পংক্তিগুলি থেকে বইটি লেখার উদ্দেশ্য ধরা পড়ে। সমস্ত খুঁটিনাটি বর্ণনা প্রয়োজনাতিরিক্ত মনে হয়, এবং বইটি পড়ার পর পাঠকের মনে অত্যন্ত নিষ্প্রাণ অনুভূতির সঞ্চার হয়। সর্বোপরি যে কোন ব্যক্তি অনুভব করে, গল্প বা উপন্যাস লেখার আকাঙ্ক্ষা ব্যতীত লেখকের সর্বক্ষণ আর কোন অনুভুতি ছিল না। সুতরাং পাঠক কোন শৈল্পিক অনুভূতি লাভ করে না। অপরপক্ষে অজ্ঞাত লেখকের বালক এবং মুরগি সংক্রান্ত কাহিনী থেকে আমি নিজেকে বিচ্ছিন্ন করতে পারছিলাম না, যেহেতু লেখকের সুস্পষ্ট উপলব্ধ অনুভূতি তাঁর চিত্তে পুনরুদ্রিক্ত হয়ে গল্পটির মধ্যে সঞ্চারিত হওয়ায় তদ্বারা আমি তৎক্ষণাৎ সংক্রমিত হয়েছিলাম।

    Vasnetsov আমাদের রুশ শিল্পীদের একজন। তিনি কিয়েভ গির্জায় ধর্মীয় চিত্র অঙ্কন করেছেন। এক ধরনের অভিনব উচ্চ মানের খ্রীষ্টীয় শিল্পের প্রবর্তক হিসেবে প্রত্যেকে তাকে প্রশংসা করে। দশ বৎসর কাল ব্যাপী তিনি এ সমস্ত চিত্র রচনায় নিয়োজিত ছিলেন। এ জন্য তাকে বহু সমস্র রুবল দেওয়া হয়েছিল। যদিও তাদের সবগুলিই ছিল নেহাত নিকৃষ্ট শ্রেণীর-খারাপ অনুকরণের অনুকরণ, কোন অনুভূতির স্ফুলিঙ্গবর্জিত। এই একই Vasnetsov একবার তুর্গেনিভের ‘তিতির’ (The Quail) নামক গল্পের জন্য একি ছবি এঁকেছিলেন (যাকে জনৈক পিতা কর্তৃক নিহত একটি তিতিরের জন্য পুত্র কিরূপ করুণা অনুভব করেছিল তার বর্ণনা আছে।) সেই চিত্রটিতে দেখানো হয়েছে ছেলেটি ঠোঁট ফুলিয়ে ঘুমোচ্ছে এবং তার ওপরে অনেকটা স্বপ্নের মতো তিতিরটি। এ চিত্রটি একটি প্রকৃত শিল্পকর্ম।

    ১৮৯৭ সনের ইংলিশ একাডেমিতে দুটি চিত্র একই সঙ্গে প্রদর্শিত হয়েছিল। সেগুলির মধ্যে একটি ছিল সন্ত এন্টনীর প্রলোভন। সেই সন্ত হাঁটু গেড়ে প্রার্থনা করছিলেন। তার পশ্চাতে ছির দন্ডায়মান একটি নগ্ন স্ত্রীলোক এবং এক জাতীয় কিছু পশু। এটা স্পষ্ট যে, এন্টনী আদৌ তার মনোযোগ আকর্ষণ করেনি, নগ্ন স্ত্রীলোকটিই শিল্পীকে অত্যধিক তৃপ্তি দিয়েছিল। ফলে সে প্রলোভন শিল্পীর নিকট ভয়ঙ্কর মনে হওয়া তো দূরের কথা, বরং ছিল অত্যন্ত প্রীতিপদ। কাজে কাজেই এই চিত্রের মধ্যে যদি কোন শিল্পের অস্তিত্ব থেকেও থাকে-তবে তা অত্যন্ত কুৎসিৎ এবং মিথ্যা। একাডেমি চিত্রগ্রন্থের পরের চিত্রটি লেংলে (Langley)-অঙ্কিত একটি নিঃসঙ্গ ভিক্ষুক বালকের ছবি। একজন স্ত্রীলোক স্পষ্টতই দয়া বরবশ হয়ে ছেলেটিকে ঘরে ডেকে নিয়েছে। ছেলেটি বেঞ্চির তলায় নগ্ন পা রেখে খাচ্ছে। স্ত্রীলোকটি দেখছে আর সম্ভবত ভাবছে সে আর বেশি খাদ্য চাইবে কিনা। প্রায় সাত বৎসরের একটি বালিকা তার বাহুর ওপর ভর করে গভীর মনোযোগের সঙ্গে গম্ভীর হয়ে এ দৃশ্য দেখছে, ক্ষুধার্থ বালকটির ওপর থেকে চোখ ফিরিয়ে নিচ্ছে না। স্পষ্টতই দারিদ্র্য এবং মানুষের মধ্যে অসাম্য কি বস্তু-এই প্রথম তা সে উপলব্ধি করছে। এবং সে নিজেকে নিজেই জিজ্ঞেস করছে, কেনই বা তার জন্য সব কিছু আসছে এবং ছেলেটির খালি পায়ে চলার এবং ক্ষুধার্থ থাকার কারণ কী? তার মন বেদনায় ভরে যায়, কিন্তু তবু সে খুশিও হয়। ছেলেটি এবং হৃদয়বত্তার গুণ-এই উভয়কে সে ভালোবাসল..ছবিটি দেখতে দেখতে মনে হয়, এই মেয়েটি ভালোবেসে। যদিও আমি জানি এই শিল্পী বহুল পরিচিত নন, কিন্তু তার এই ছবিখানি একটি চমৎকার এবং খাটি শিল্পকর্ম।

    রসি (Rossi) প্রযোজিত হ্যামলেটপ নাটকের অভিনয় দেখার কথা আমার মনে আছে। অভিনয়ের মুখ্য অংশগ্রহণকারী অভিনেতা এবং এই বিয়োগান্ত নাটক -এই উভয়েই আমাদের সমালোচকদের মতে সর্বোত্তম নাট্যীয় শিল্পের সর্বোচ্চ প্রতিনিধি বলে বিবেচিত। তথাপি নাটকের বিষয়বস্তু এবং অভিনয়-উভয় দিক থেকেই আমি সর্বক্ষম অনুভব করছিলাম, সেই বিশেষ যন্ত্রণা শিল্পের মিথ্যা অনুকৃতির দ্বারা উৎপন্ন হয়। কিন্তু আমি সম্প্রতি ভোন্ডল (Voguls) নামক একটি বর্বর উপজাতির একটি নাট্যভিনয়ের বর্ণনা পড়েছি। একজন দর্শক অভিনয়ের বর্ণনা দিচ্ছেন। একজন বয়স্ক এবং তরুণ ভোন্ডল বল্গা হরিণ-বর্মে সজ্জিত হয়ে একটি বল্গা হরিণী ও তার শাবকের ভূমিকায় অভিনয় করছিল। ধনুকধারী অপর একজন ভোন্ডল তুষারের ওপর ব্যবহারোপযোগী জুতা-পরা একজন শিকারির ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিল। চতুর্থ জন পাখির কণ্ঠস্বরের নকল করে বল্গা হরিণগুলিকে বিপদ সম্পর্কে সাবধান করে দিচ্ছিল। শাবক সহ হরিণী যে পথ-পরিক্রমা করেছে শিকারিও সেই পথ অনুসরণ করেছে-এই হল নাটকটির বিষয়বস্তু। হরিণটি দৌড়ে দৃশ্যের বাইরে অদৃশ্য হয়ে আবার আবির্ভূত হল (এ ধরনের অভিনয়গুলির অনুষ্ঠান হয় একটি ক্ষুদ্র তাঁবু জাতীয় আবাসে)। পশ্চাদ্ধাবনশীল শিকারি ক্রমেই শিকারের নিকটবর্তী হচ্ছিল। হরিণ শিশুটি ক্লান্ত হয়ে তার মায়ের গা-ঘেঁসে রইল। নিশ্বাস নেবার জন্য হরিণীটি থামল। শিকারি তাদের নিকট এসে ধনুক উদ্যত করল। ঠিক সে মুহূর্তে পাখিটি হরিণীকে শব্দের সাহায্যে তাদের বিপদসংকেত দিল। তারা পালিয়ে গেল। আবার শুরু হল পশ্চাদ্ধাবন, আবার শিকারি নিকটবর্তী হয়ে তাদের ধরল এবং তার তীর নিক্ষেপ করল। তীরটি মৃগশিশুকে বিদ্ধ করল। দৌড়াতে অসমর্থ হওয়ায় হরিণশিশুটি তার মায়ের গা ঘেঁসে দাঁড়াল। মা তার ক্ষতস্থানকে লেহন করতে লাগল। শিকারি নিক্ষেপের জন্য আর একটি তীর তুলে নিল। প্রত্যক্ষদর্শীর বর্ণনায় দেখা যায়, শ্রোতৃবৃদ্ধ উৎকণ্ঠাপূর্ণ অনিশ্চয়তায় যেন বিবশ হয়ে গেল। তাদের মধ্যে গভীর আর্তনাদ, এমনকি ক্রন্দন পর্যন্ত শোনা গেল। কেবলমাত্র বর্ণনা পড়েই আমি অনুভব করেছিলাম যে, এটি একটি সৎ শিল্পকর্ম।

    আমি যা বলছি তা যুক্তিহীন ও স্ব-বিরোধী মনে হতে পারে এবং হয়ত তা কোন ব্যক্তির শুধু বিস্ময়ই উৎপাদন করবে। কিন্তু এতদ্‌সত্ত্বেও আমার চিন্তা অনুযায়ী আমাকে কথা বলতেই হবে। যেমন আমাদের গোষ্ঠীর মানুষদের মধ্যে কেউ কেউ কবিতা, গল্প, উপন্যাস, গীতাভিনয়, ঐকতান, সোনাটা প্রভৃতি রচনা করেন। সর্বপ্রকার চিত্রকে বর্ণালিম্পিত করেন, মূর্তি নির্মাণ করেন, অপরপক্ষে কেউ কেউ এ সমস্তর কথা শুনে সেগুলির দিকে তাকিয়ে থাকেন এবং অপর কেউ কেউ এ সবগুলির মূল্যায়ন এবং সমালোচনাও করেন : সেগুলি সম্পর্কে আলাপ-আলোচনা করেন, নিন্দা করেন, বিজয়োল্লাস অনুভব করেন এবং বংশানুক্রমে পরস্পরের প্রশংসার স্তম্ভ তৈরি করেন। এদের মধ্যে অল্প কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া-তাঁরা শিল্পী, জনসাধারণ কিংবা সমালোচক-যাই হোন না কেন, (একমাত্র শৈশবে এবং প্রথম যৌবনে শিল্প সম্পর্কীয় কোন আলোচনা শোনবার আগে) সরলতম লোকের, এমনকি একটি শিশুরও পরিচিত সহজ অনুভূতি কখনও আপন অন্তরে উপলব্ধি করেননি, অপরের অনুভূতি দ্বারা সংক্রমিত হবার অভিজ্ঞতা অর্জন করেননি-যে অনুভূতি অপরের আনন্দে উৎফুল্ল হতে, অপরের বেদনায় দুঃখিত হতে এবং অপরের হৃদয়ের সঙ্গে হৃদয় মিশ্রণে সবেগে আমাদের চালিত করে। অথচ এটিই শিল্পের প্রাণ। কাজে কাজেই এ সমস্ত ব্যক্তি কৃত্রিম শিল্প থেকে খাঁটি শিল্পকে শুধু যে বেছে নিতে অক্ষম তাই নয়, বরং সর্বাধিক অপকৃষ্ট এবং কৃত্রিম নিদর্শনকেই অবিরত খাঁটি শিল্প বলে ভুল করে। এবং যেহেতু কৃত্রিম শিল্পবস্তু মাত্রই সর্বদা বড় বেশি অলংকৃত, অপর পক্ষে সৎ-শিল্প সরল এবং নিরলঙ্কার, সে কারেণ প্রকৃত শিল্প বিষয়ে তাদের আদৌ কোন উফলব্ধিই ঘটে না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleজুল ভের্ন অমনিবাস ১ (প্রথম খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    Next Article দ্য অ্যামিটিভিল হরর : অ্যা ট্রু স্টোরি – জে অ্যানসন
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }