Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    হোয়াট ইজ আর্ট – লিও টলস্টয়

    জুলফিকার নিউটন এক পাতা গল্প389 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    হোয়াট ইজ আর্ট – ৪

    ৪

    [সৌন্দর্যের ওপর প্রতিষ্ঠিত শিল্পের সংজ্ঞা। রুচির সংজ্ঞা অনির্ণের। শিল্পবস্তুর নিশ্চিত জ্ঞানের জন্য একটি পরিচ্ছন্ন সংজ্ঞার প্রয়োজনীয়তা।]

    সৌন্দর্যের এ সমস্ত সংজ্ঞার সামগ্রিক তাৎপর্য কী? সৌন্দর্য বিষয়ে যে সম্পূর্ণ অযথার্থ সংজ্ঞা শিল্পের যথার্থ ধারণা দিতে অক্ষম এবং যেগুলির মতে সৌন্দর্যের স্বরূপ উপযোগিতায় কিংবা উদ্দেশ্য সাধনে অথবা সুষমতায় বা শৃঙ্খলায় বা পরিমিতবোধে বা লালিত্যে বা বিভিন্ন অংশের সঙ্গতিতে অথবা বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্যে কিংবা এ সমস্ত বৈশিষ্ট্যের একত্র সংযোগের মধ্যে নিহিত-বস্তুমুখী সংজ্ঞার এ সমস্ত নন্দনতাত্ত্বিক সংজ্ঞা আমদিগকে দুটি মৌলিক ধারণার দিকে চালিত করে। তার প্রথমটি হল, সৌন্দর্য এমন বস্তু যার স্বতন্ত্র অস্তিত্ব আছে (সৌন্দর্য আত্মলীন)। অর্থাৎ সৌন্দর্য পরমবিশুদ্ধির অন্যতম অভিব্যক্তি, অর্থাৎ সৌন্দর্য চরম ভাবপদার্থের, চিৎ-সত্তার, এষণার (Will) অথবা ঈশ্বরেরই বহিঃপ্রকাশ। অপরটি হল, সৌন্দর্য আমাদের দ্বারা অনুভূত এক ধরনের আনন্দ-যার বিষয় ব্যক্তিগত সুযোগ সুবিধা নয়।

    অপেক্ষাকৃত লঘুস্তরের নন্দনতাত্তিকদের কথা ছেড়ে দিয়ে বলা যায়, এ সমস্ত সংজ্ঞার মধ্যে প্রথমটি গৃহীত হয়েছিল ফিকটে, শেলিং, হেগেল, সোপেনহাওয়ার এবং ফরাসি দার্শনিকতা-বিলাসী কুজেঁ (Cousin), জুফ্রয় (Jouffroy), রভাইজঁ (Ravaisson) প্রভৃতি কর্তৃক। আমাদের যুগের অধিকাংশ শিক্ষিত ব্যক্তিও সৌন্দর্যের এইএকই বস্তুধর্মী মরমিয়া সংজ্ঞা স্বীকার করে থাকেন। এই ধারণাটি অধুনা বহুব্যাপ্ত, বিশেষভাবে প্রবীণ সমাজের মধ্যে।

    দ্বিতীয় মত অর্থাৎ ব্যক্তিগত কোন সুবিধার লক্ষ্য ছাড়া আমাদের দ্বারা অনুভূত এক ধরনের আনন্দই যে সৌন্দর্য -এই মত মুখ্যত নন্দনতাত্ত্বিক লেখকদের প্রিয়। আমাদের সমাজের অপর অংশ-প্রধানত তরুণ বয়সিরা এই মতের অনুসারী।

    সুতরাং সৌন্দর্যের দুটি মাত্র সংজ্ঞা আছে (এর কোন বিকল্প হতে পারে না) : একটি বস্তুধর্মী, রহস্যাশ্রয়ী, যে ধারণা পরম বিশুদ্ধ অর্থাৎ ঈশ্বরে লীন হয়-এই সংজ্ঞাটি আজগুবি, শূন্যগর্ভ। অপর সংজ্ঞাটি এরই বৈপরীত্যে খুবই সহজ, সুবোধ্য এবং ব্যক্তিধর্মী। এ সংজ্ঞা অনুসারে যা আনন্দ দেয় তাই সৌন্দর্য (আমি ‘আনন্দ দেওয়ার সঙ্গে ‘কোন লাভেল লক্ষ্য ছাড়া’-এ কথাগুলি যোগ করছি না, যেহেতু ‘আনন্দ দেয়’ কথাটির মধ্যে স্বভাবতই লাভ লোকসানের কোন প্রশ্ন নেই।

    একদিকে সৌন্দর্যকে দেখা হয় অতীন্দ্রিয় খুব উচ্চ স্তরের বস্তু হিসেবে। তবে দুর্ভাগ্যক্রমে সৌন্দর্যকে একদিকে দেখা হয় খুবই অনির্দিষ্ট বস্তু হিসেবে। তাই সৌন্দর্য দর্শন, ধর্ম এমনকি জীবনকে পর্যন্ত ধারণ করে আছে (যেমন শেলিং, হেগেল এবং তাঁদের জার্মান এবং ফরাসি অনুবর্তীদের তত্ত্বে তা লক্ষণীয়); অথবা অপরদিকে (কান্ট এবং তাঁর অনুবর্তীদের সংজ্ঞা থেকে যা স্বাভাবিকভাবে উদ্ভুত) সৌন্দর্য আমাদের দ্বারা অনুভূত এক প্রকারের নৈর্ব্যক্তিক আনন্দ ব্যতীত আর কিছুই নয়। সৌন্দর্য সম্পর্কে এ ধারণা খুবই স্বচ্ছ মনে হলেও দুর্ভাগ্যবশত ইহাও অযথার্থ। কারণ ইহা অতিব্যাপ্তি দোষে দুষ্ট, অর্থাৎ পানীয়, খাদ্য এবং নরম ত্বকের স্পর্শ থেকে যে আনন্দ লভ্য, এর মধ্যে সে আনন্দও আছে। এ মতবাদ গুয়ো (Guyau), ক্রলিক (Kralik) ও আরও অনেকের দ্বারা স্বীকৃত।

    এটা সত্য, সৌন্দর্যের নান্দনিক মতবাদের বিকাশ অনুসরণ করলে আমরা দেখি, যদিও প্রথমে (নন্দনতত্ত্ববিজ্ঞানের ভিত্তি স্থাপিত ইহার সময়) সৌন্দর্যের অধিবিদ্যাগত সংজ্ঞারই প্রাধান্য ছিল, তথাপি সমকালের যতই নিকটে আসি ততই একটি পরীক্ষামূলক সংজ্ঞা (সম্প্রতি যা শারীরতাত্ত্বিক মতবাদে রূপ নিয়েছে) আমাদের সামনে প্রাধান্য লাভ করেছে। যার ফলে পরিণামে আমরা সৌন্দর্য ধারণা থেকে সম্পূর্ণভাবে প্রতিসরণশীল ভেরোঁ (Veron) এবং সালি (Sully)- -র মতো নন্দনতাত্ত্বিকদের সাক্ষাৎ পাই। কিন্তু এ সমস্ত নন্দনতত্ত্ববিদ্ খুব কম সাফল্যই অর্জন করেছেন। বর্তমানে জনসাধারণের অধিকাংশ এবং শিল্পী ও জ্ঞানীদের মধ্যে সৌন্দর্য সম্পর্কে একটি ধারণা খুব দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে-যে ধারণা অধিকাংশ এবং শিল্পী ও জ্ঞানীদের মধ্যে সৌন্দর্য সম্পর্কে একটি ধারণা খুব দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে-যে ধারণা অধিকাংশ নন্দনতাত্ত্বিক গ্রন্থের অন্তর্গত সংজ্ঞার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। সে সংজ্ঞা সৌন্দর্যকে অতীন্দ্রিয়, অধিবিদ্যাগত অথবা বিশেষ এক ধরনের আনন্দ বলে স্বীকার করে। শিল্পের সংজ্ঞা নির্দেশক সৌন্দর্যের এই যে ধারণা আমাদের গোষ্ঠীর এবং কালের মানুষদের দ্বারা এরূপ দৃঢ়তার সঙ্গে স্বীকৃত, সেই ধারণাটির স্বরূপ কী?

    ব্যাক্তি অনুভবের দিক থেকে তাকেই আমরা সৌন্দর্য বলি যা বিশেষ এক ধরনের আনন্দ দেয়।

    বস্তুগত দিক থেকে তাকেই সৌন্দর্য বলি যা নিখুঁত ও সম্পূর্ণ। এই স্বীকৃতির কারণ, এই অখন্ড সম্পূর্ণতার অভিব্যক্তি থেকে আমরা এক বিশেষ ধরনের আনন্দ পাই। সুতরাং এই বস্তুবাদী সংজ্ঞাটি ভিন্নতর রূপে অভিব্যক্ত ব্যক্তির অনুভবকেন্দ্রিক ধারণা ছাড়া কিছুই নয়। বস্তুতপক্ষে সৌন্দর্যের উভয় ধারণাই কার্যত এক এবং সমভাবাপন্ন বস্তু। একে বলা যেতে পারে আমাদের দ্বারা উপলব্ধ এক ধরনের আনন্দ। অর্থাৎ যা আমাদের মনে আকাঙ্ক্ষার উদ্রেক না করে আনন্দের অনুভূতি জাগ্রত করে তাকেই আমরা ‘সুন্দর’ বলে অভিহিত করি।

    এরূপ ক্ষেত্রে এটা মনে হওয়াই স্বাভাবিক যে শিল্পবিজ্ঞান সৌন্দর্যভিত্তিক (অথাৎ যা আনন্দ দেয়) শিল্প সংজ্ঞা গ্রহণে অনিচ্ছুক এবং সকল শিল্প সৃষ্টি সম্পর্কে প্রযোজ্য এাকটি সাধারণ সংজ্ঞা দিতে আগ্রহী হবে-যে সংজ্ঞা অনুসারে আমরা সহজে নির্ধারণ করতে পারি কোন বস্তুটি শিল্পের অন্তর্গত এবং কোন্ বস্তুটি তা নয়। কিন্তু আমার দেওয়া নন্দনতত্ত্বের সারাংশে পাঠক দেখতে পাবেন, সে রকম কোন সংজ্ঞা পরিবেশন করা হয়নি। পাঠক যদি মৌলিক নন্দনতাত্ত্বিক গ্রন্থগুলি পাঠ করতে আয়াস স্বীকার করেন, তবে এ কথা আরও স্পষ্ট করে উপলব্ধি করবেন। পরম সুন্দরকে তার স্ব-রূপে সংজ্ঞা দান করবার সমস্ত প্রয়াস-যেমন, প্রকৃতির অনুকৃতি হিসেবে, উদ্দেশ্যের অনুগামিতার দিক থেকে, অথবা সুমিতি, সামঞ্জস্য, ঐক্য ইত্যাদির প্রতি লক্ষ্য রেখে বিশুদ্ধ অখন্ড সৌন্দর্যের যে সমস্ত সংজ্ঞা দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে, তা হয় কোন কিছুরই সংজ্ঞা প্রকাশ করতে পারেনি অথবা কোন কোন শিল্পকর্মের দুই একটি লক্ষণ উদ্‌ঘাটিত করেছে। বহুকাল পূর্ব থেকে মানুষ শিল্প বলে যা ভেবে এসেছেন এবং এখন পর্যন্ত যে সমস্ত বস্তুকে শিল্প বিবেচনা করে থাকেন এ সমস্ত সংজ্ঞা সে সব বস্তুকে অন্তর্ভূক্ত করতে পারেনি।

    সৌন্দর্যের বস্তুগত কোন সংজ্ঞা নেই। প্রচলিত সংজ্ঞাগুলি (অধিবিদ্যাগত ও সমীক্ষামূলক) একটিমাত্র সংজ্ঞায় পর্যবসতি এবং একই আত্মমুখী সংজ্ঞার অর্থব্যঞ্জনা বহন করে। সে সংজ্ঞা অনুসারে (যদিও কথাটা শুনতে অদ্ভুত) সে বস্তুই শিল্প যা সৌন্দর্যকে প্রকাশ করে এবং কোন আকাঙ্ক্ষা উদ্দীপ্ত না করে যা তৃপ্তি বিধানে সক্ষম, তাকেই বলা যায় সৌন্দর্য। বহু নন্দনতত্ত্ববিদ্ এ জাতীয় সংজ্ঞার ন্যূনতা এবং দুর্বলতা অনুভব করেছেন এবং সে সংজ্ঞার ভিত্তি দৃঢ় করবার জন্য নিজেদেরকে প্রশ্ন করেছেন, কোন বস্তু যে আনন্দ দেয়, তার কারণ কী? হাচেসন (Hutcheson), ভলতেয়ার, দিদেরো প্রভৃতি অনেকের মতো তাঁরা সৌন্দর্য সম্পর্কীয় আলোচনার বিষয়কে রুচির প্রশ্নে রূপান্তরিত করেছেন। রুচির সংজ্ঞা নির্ণয়ের সমস্ত প্রয়াসই যে ব্যর্থতায় পর্যবসতি হতে বাধ্য, তা যে কোন পাঠক নন্দনতত্ত্বের ইতিহাস থেকে বা নিজে পরীক্ষা করে উপলব্ধি করতে পারেন। কোন বস্তু একজনকে কেন তৃপ্তি দেয়, এবং অপরকে অতৃপ্ত করে-এর কোন বিধান নেই এবং হতেও পারে না। তাই একটি বিজ্ঞান থেকে আমরা যা প্রত্যাশা করতে পারি, প্রচলিত তথাকথিত নন্দনতত্ত্ব তা দিতে পারে না, অর্থাৎ শিল্প শিল্পের লক্ষণ বা নিয়মের সংজ্ঞা দিতে পারে না অথবা সুন্দর (যদি তা শিল্পের বিষয়বস্তু হয়) কি-তার বিবরণ দিতে পারে না, অথবা যদি রুচি শিল্প ও তার গুণাগুণের নিয়ামক হয় সেই প্রশ্নের মীমাংসা করতে পারে না, এবং তারপর য সকল সংজ্ঞা বিবরণ মীমাংসার ভিত্তিতে যে সকল শিল্পকর্ম এই সব নিয়মের অনুবর্তী তাকেই শিল্প বলে স্বীকৃতি দিতে ও যারা এই সকল নিয়মের অনুগামী নয় তাদের খারিজ করতে পারে না। এই নন্দতত্ত্ব-বিজ্ঞানের স্বভাবলক্ষণ এই প্রকার : প্রথমে কিছু সংখ্যক সৃষ্টিকর্মকে তৃপ্তিদায়ক বলেই শিল্প বলে স্বীকার এবং তারপর এমন একটি তত্ত্ব রচনা করা -যার আধারে এই বিশেষ গোষ্ঠীর তৃপ্তিবিধায়ক সৃষ্টিকর্মগুলি স্থান পায়। সৎ শিল্পবস্তুর একটি তালিকা আছে যদনুসারে আমাদের গোষ্ঠীর সমাদৃত কিছু সৃষ্টিকর্ম শিল্প বলে স্বীকৃত- যেমন, ফিডিয়াস (Phidias), সফোক্লিস, হোমার, টিসিয়ান (Titian) রাফায়েল (Raphael) বাক্ (Bach), বেটোফেন, দান্তে, সেক্সপীয়র, গেটে এবং আরও অনেকের সৃষ্টি। এক্ষেত্রে নন্দনতাত্ত্বিক বিধিগুলিও নিশ্চয়ই সে জাতীয় হবে-যা এই শিল্পকর্মগুলিকে আপন পরিধিভুক্ত করে। নন্দনতত্ত্ব সম্পৰ্কীয় সাহিত্যে শিল্পের গুণ এবং গুরুত্ব সম্পর্কে এমন মতামত সব সময় লভ্য-যার ভিত্তি কোন শিল্পতাত্ত্বিক বিধান নয় যার দ্বারা শিল্পের গুণাগুণ বিচায, কিন্তু যা কেবলমাত্র পূর্বগৃহীথ এবং একটি সৎ শিল্পের তালিকার অন্তর্ভূক্তির প্রশ্নের দ্বারাই বিবেচিত হয়। এদের ভিত্তি হচ্ছে আমরা যে নিয়ম খাড়া করেছি তারই পরিপ্রেক্ষিতে এ সমস্ত মতামত গড়ে উঠেছে।

    এই তো সেদিন আমি ফলগেল্ট-র (Falgelt) লেখা একখানি সুলিখিত বই পড়ছিলাম। শিল্পকর্মে নৈতিকতার দাবি সম্পর্কে লেখক স্পষ্টই বলেছেন, শিল্পকর্মে আমরা অবশ্যই নৈতিকতার দাবি করব না। এ উক্তির সমর্থনে তিনি বলেন, আমরা যদি এ দাবি স্বীকার করি তবে সেক্সপীয়রের রোমিও জুলিয়েট, এবং গ্যাটের উইলহেল্‌ম মাইস্টার (Wilhelm Meister) উৎকৃষ্ট শিল্পের আওতায় আসবে না। কিন্তু এই উভয় গ্রন্থ আমাদের গৃহীত সৎশিল্প-তালিকার অন্তর্ভূক্ত বলে তিনি এ সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন যে, এই দাবি অযৌক্তিক। সুতরাং এমন একটি শিল্পসংজ্ঞার সন্ধান নেওয়া প্রয়োজন যা এ সব গ্রন্থের উপযোগী হবে। নৈতিকতার দাবির পরিবর্তে ফলগেল্ট শিল্পের ভিত্তি হিসেবে স্বীকার্য মনে করেছেন গুরুত্বের দাবিকে (Bedeutungsvolles)।

    প্রচলিত সকল নন্দনতত্ত্বের নির্ধারিত হয়েছে এই পরিকল্পনার ওপর। প্রথমত খাঁটি শিল্পের সংজ্ঞা দিয়ে, তারপর বিচার করে দেখতে হবে কোন শিল্পকর্ম সে সংজ্ঞার অনুবর্তী কিনা। এ কাজ না করে এরা দেখছে কতকগুলি শিল্প একশ্রেণীর লোকের মনোরঞ্জন করছে এবং তাকে শিল্প বলে গ্রহণ করে এদের পক্ষেই প্রযোজ্য এমন শিল্পের সংজ্ঞা উদ্ভাবন করে। সাম্প্রতিক কালে এ পদ্ধতির উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হিসেবে একটি উত্তম জার্মান গ্রন্থের সন্ধান আমি পেয়েছিলাম-সেটি মুথার (Muther)-এর “ঊনবিংশ শতাব্দীর শিল্পের ইতিহাস’ (History of Arty in the Nineteenth Century) প্রি-রাফেলাই (Pre-Rephaelites) ক্ষয়িষ্ণুদের এবং প্রতীকীদের (The Symbolists) (যাঁদের ইতোপূর্বেই সৎ-শিল্পী বলে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে) বর্ণনা দিয়ে তিনি শুধু যে তাঁদের প্রবণতাকে আক্রমণ করতে সাহসী হননি, তা নয়; বরং সে সমস্ত প্রবণতাকে শিল্পের অন্তর্ভূক্ত করবার অভিলাষে তিনি তাঁর শিল্পমানকে বিস্তৃততর করবার জন্য বিশেষভাবে চেষ্টা করেছেন। যেহেতু সেগুলি বাস্তবতার আতিশয্যের বিরুদ্ধে সঙ্গত প্রতিক্রিয়ার প্রতিনিধিত্ব করে বলেই তাঁর মনে হয়েছে। শিল্পজগতে যত মতিচ্ছন্নতার আবির্ভাবই হোক না কেন, আমাদের অভিজাত সমাজ কর্তৃক গৃহীত হওয়া মাত্রই সে শিল্পকে ব্যাখ্যা এবং সমর্থন জানাবার জন্য অতি দ্রুত একটি তত্ত্বও আবিষ্কৃত হয়। এ দেখে মনে হয় যেন ইতিহাসে এমন আর কোন যুগ দেখা যায়নি- যখন কোন কোন বিশেষ গোষ্ঠী ভ্রান্ত, বিকৃত, অর্থহীন শিল্পকে স্বীকৃতি দেয়নি বা সমর্থন জানায়নি, অথচ সে সকল শিল্প একেবারে বিস্মৃত হয়ে গেছে, এখন তার চিহ্নমাত্র নেই। বর্তমান যুগে আমাদের গোষ্ঠীর মধ্যে সৃষ্ট শিল্পকর্মের দিকে দৃষ্টিপাত করলেই শিল্পজগতে উন্মত্ততা এবং বিকৃতি কি পরিমাণ হতে পারে, বিশেষত আজকের দিনে শিল্পকে কিরূপ অভ্রান্ত বিবেচনা করা হয় তার একটা ধারণা পাওয়া যেতে পারে। সুতরাং সৌন্দর্যের ওপর প্রতিষ্ঠিত যে শিল্পতত্ত্ব নন্দনতাত্ত্বিকদের দ্বারা ব্যাখ্যাত এবং খুব অস্পষ্টভাবে জনসাধারণ কর্তৃক স্বীকৃত তা হল আর কিছুই নয়-যা আমাদের অর্থাৎ একটি বিশেষ শ্রেণীর লোককে তৃপ্তি দিয়েছে এবং দিয়ে থাকে-তাকেই সৎ-শিল্প বলে তুলে ধরা।

    কোন মানবিক কাজের সংজ্ঞা দিতে গেলে তার তাৎপর্য এবং গুরুত্ব উপলব্ধি করা প্রয়োজন। তার জন্য প্রথমেই সে ব্যাপারটি পরীক্ষা করে দেখতে হবে, যে কারণ পরস্পরার ওপর তা নির্ভরশীল এবং তার ফলশ্রুতি কি -তাও বিচার করতে হবে।

    কোন কর্মের লক্ষ্য শুধু আমাদের আনন্দ মাত্র-যদি এই আমাদের বক্তব্য হয় এবং সে আনন্দের পরিপ্রেক্ষিতেই যদি আমরা তার সংজ্ঞা নিরূপণ করি তবে আমাদের সে সংজ্ঞা অনিবার্যভাবেই ভ্রান্ত প্রমাণিত হবে। কিন্তু শিল্পের সংজ্ঞা নির্ণয় প্রয়াসে ঠিক এ ধরনের ব্যাপারেই ঘটেছে। খাদ্যের প্রশ্ন বিবেচনায় জোরের সঙ্গে এ অভিমত প্রকাশ করা যায় না যে, আহারের সময় প্রাপ্ত আনন্দের মধ্যেই খাদ্যের মূল্য নিহিত। রসনার তৃপ্তিই খাদ্যের গুণাগুণ নির্ণয়ের একমাত্র ভিত্তি হতে পারে না-এটা সৰ্ববাদীসম্মত। সুতরাং আমাদের পূর্ব থেকেই মনে করবার কোন অধিকার নেই যে, গোলমরিচ, পনির, মদ প্রভৃতি যে আহার্যে আমরা অভ্যস্ত, এবং যে আহার্য আমাদের রসনার তৃপ্তি বিধান করে, তাই মানুষের সর্বোত্তম খাদ্য।

    একই যুক্তি অনুসারে সৌন্দর্য অথবা আমাদের তৃপ্তিবিধায়ক বস্তুমাত্রই কোনক্রমেই শিল্প সংজ্ঞার ভিত্তি বলে বিবেচিত হতে পারে না। এ ছাড়া আমাদের আনন্দ দিতে সক্ষম এমন বস্তু পরস্পরাও শিল্পের সম্ভাব্য আদর্শ বিবেচিত হতে পারে না।

    বর্বরদের মতো নিম্নতম নৈতিক বিকাশপ্রাপ্ত ব্যক্তিরাই ধারণা করে থাকে যে খাওয়ার সময় যে আনন্দ পাওয়া যায় আহার্যের উদ্দেশ্য ও সার্থকতা তাই। শিল্প থেকে যে আনন্দ পাওয়া যায় সেটাই শিল্পের লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য-এই ধারণাও ওই বর্বরদের ধারণার অনুরূপ।

    খাদ্যের লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য আনন্দ বলে যে সমস্ত ব্যক্তি বুঝে থাকেন তারা যেমন খাদ্যগ্রহণের প্রকৃত অর্থ অনুধাবন করতে পারেন না, তেমনি যারা শিল্পের লক্ষ্য আনন্দ বলে বিবেচনা করেন তারা তার প্রকৃত অর্থ এবং উদ্দেশ্য হৃদয়ঙ্গম করতে অক্ষম। যেহেতু তারা একটি ক্রিয়ার ওপর এমন অর্থ আরোপ করেন যা প্রত্যক্ষভাবে জীবনের ইন্দ্রিয়গোচর বস্তুর অপর দিকের সঙ্গে সম্পর্কিত-যে দিককে বলা চলে শিল্পের ভ্রান্ত ও ঔপচারিক লক্ষ্য। খাদ্য গ্রহণ ক্রিয়ার উদ্দেশ্য আনন্দ-মানুষের এই ভ্রান্ত ধারণার তখনই নিরসন হয় যখন সে বুঝতে পারে খাদ্য গ্রহণের একমাত্র উদ্দেশ্য দেহের পুষ্টি। শিল্পকর্মের লক্ষ্য সৌন্দর্য অর্থাৎ আনন্দ-এ ধরনের বিবেচনা-মুক্ত হলেই মানুষ শিল্পের প্রকৃত অর্থ উপলব্ধি করবে। সৌন্দর্যের স্বীকৃতি (অর্থাৎ শিল্প-উদ্বৃত এক প্রকার আনন্দ) শিল্পের লক্ষ্য বিবেচিত হওয়ায় শিল্পের সংজ্ঞা নিরূপণে তা আমাদের সহায়তা করতে শুধু যে ব্যর্থ হয়েছে তা নয়, পরন্তু শিল্প-বহির্ভূত প্রদেশে তাকে প্রতিস্থাপিত করে (যেমন, অধিবিদ্যাগত, মনস্তাত্ত্বিক, শারীরতাত্ত্বিক, এমনকি ঐতিহাসিক এবং কোন বিশেষ সৃষ্টিকর্ম এক ব্যক্তিকে কেন আনন্দ দেয়-এই জাতীয় আলোচনা) শিল্পের সংজ্ঞা নিরূপণ-প্রয়াসকে অসম্ভব করে তোলে। যেহেতু কোন এক ব্যক্তি নাশপাতি খেতে, অপরজন মাংস খেতে ভালবাসে কেন-এ ধরনের বিতর্ক পুষ্টির মীমাংসায় রুচির প্রশ্ন (শিল্প সম্পৰ্কীয় আলোচনায় এ প্রশ্ন স্বতই উদ্ভুত হয়) শিল্পতত্ত্ব নামে অভিহিত বিশেষ মানবিক কর্মে রুচির প্রকৃত অবস্থান কোথায়-তা স্বচ্ছ করতে আমাদের সহায়তা করে না। বরং যে ধারণা সব রকমের শিল্পকেই সমর্থন করে সমস্ত শিল্প আলোচনায় বিভ্রান্তি ঘটায়, সে ধারণা থেকে মুক্ত না হলে শিল্প-স্বরূপের বিশদ ব্যাখ্যা একেবারে অসম্ভব।

    এখন মূল প্রশ্নে ফিরে আসা যাক্। যে শিল্পের বেদীমূলে লক্ষ লক্ষ লোকের শ্রম, মানুষের জীবন, এমনকি নীতি পর্যন্ত সমর্পিত হয়েছে-সে শিল্প কী? প্রচলিত নন্দনতত্ত্ব থেকে আমরা এ প্রশ্নের যে সমস্ত উত্তর নিষ্কাশন করে নিয়েছি তার মর্মার্থ এই : শিল্পের লক্ষ সৌন্দর্য। আনন্দ দানেই সৌন্দর্যের পরিচয়। শৈল্পিক আনন্দ উত্তম এবং মূল্যবান বস্তু, যেহেতু তা আনন্দ। এক কথায় আনন্দই উত্তম, যেহেতু তা আনন্দ। এ দৃষ্টিতে দেখলে শিল্পের সংজ্ঞা বলে যা বিবেচিত, তা আদৌ কোন সংজ্ঞাই নয়, বরং তালগোল পাকিয়ে প্রচলিত শিল্পকে সমর্থন করবার এটি একটি কৌশল মাত্র। সুতরাং খুবই অদ্ভুত মনে হলেও একথা বলা চলে, শিল্প সম্পৰ্কীয় পর্বতপ্রমাণ বই লিখিত হওয়া সত্ত্বেও শিল্পের যথাযথ সংজ্ঞা এ পর্যন্ত নিরূপিত হয়নি। এর একমাত্র কারণ হল, সৌন্দর্যবিষয়ক ধারণার ওপরেই শিল্পের ধারণা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleজুল ভের্ন অমনিবাস ১ (প্রথম খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    Next Article দ্য অ্যামিটিভিল হরর : অ্যা ট্রু স্টোরি – জে অ্যানসন
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }