Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    হোয়াট ইজ আর্ট – লিও টলস্টয়

    জুলফিকার নিউটন এক পাতা গল্প389 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    হোয়াট ইজ আর্ট – ৫

    ৫

    [সৌন্দর্যভিত্তিক নয় এমন শিল্প সংজ্ঞা। টলস্টয়-প্রদত্ত সংজ্ঞা। শিল্পের সীমা এবং প্রয়োজনীয়তা। অতীতে মানুষ কিভাবে উত্তম এবং নিম্নমানের শিল্পের মধ্যে সীমারেখা টানতেন।]

    যে বিভ্রান্তিকর সৌন্দর্যের ধারণা সমস্ত ব্যাপারকে গুলিয়ে ফেলে, সে ধারণাবিষয়ক বিচার আপাতত স্থগিত রেখে শিল্প বলতে কি বোঝায় এখন তার বিচার করা যাক। সৌন্দর্যের ধারণা বাদ দিলে শিল্পের সাম্প্রতিকতম এবং সর্বাপেক্ষা ব্যাপক সংজ্ঞা নিম্নরূপ : (১) (ক) শিল্প এমন একটি ক্রিয়া যার আত্মপ্রকাশ এমনকি পশুজগতেও দেখা যায়। যৌন আকাঙ্ক্ষা এবং খেলার প্রবণতা শিল্পের উৎস (শীলার, ডারউইন, স্পেনসার) এবং (খ) স্নায়ুতন্ত্রীর আনন্দময় উত্তেজনা শিল্পক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত (গ্রান্ট এলেন)। এটি শারীরতাত্ত্বিক বিবর্তনবাদী সংজ্ঞা। (২) মানুষের উপলব্ধ অনুভূতিগুলিকে রেখা, বর্ণ, গতি, ধ্বনি অথবা শব্দের সাহায্যে বহির্জগতে অভিব্যক্তি দেওয়াই শিল্প। (ভেরোঁ, Veron )।

    এই হল শিল্পের সমীক্ষানির্ভর সংজ্ঞা।

    খুব সাম্প্রতিক সংজ্ঞা মতে (Sully) -র (৩) শিল্প ‘কোন স্থায়ী বস্তু অথবা চলমান ক্রিয়ার সৃষ্টি-যা স্রষ্টার মনে শুধুমাত্র সক্রিয় আনন্দ দানেই সমর্থ নয়, বরং বহুসংখ্যক দর্শক বা শ্রোতার মনে আনন্দময় অনুভূতি সৃষ্টিতে সক্ষম, শিল্প-উদ্ভুত যে অনুভূতি কোন ব্যক্তিগত লাভালাভের প্রশ্ন থেকে স্বতন্ত্র।

    এ সমস্ত সংজ্ঞা সৌন্দর্যের ধারণানির্ভর অধিবিদ্যাগত সংজ্ঞার চাইতে উন্নতমানের হলেও যথার্থ শিল্পসংজ্ঞা থেক বহুদূরবর্তী। প্রথম, অর্থাৎ শারীরতাত্ত্বিক বিবর্তনবাদী সংজ্ঞা (১) (ক) অযথার্থ : যেহেতু প্রকৃত আলোচ্য বস্তু শৈল্পিক ক্রিয়া বিষয়ে আলোচনা না করে সে সংজ্ঞা শিল্পের ব্যুৎপত্তি নির্ণয়ে ব্যাপৃত। এর ওপরে সংশোধিত। (খ) মানব দেহের ওপর শারীরতাত্ত্বিক প্রভাবনির্ভর সংজ্ঞাও অযথার্থ-যেহেতু এ সংজ্ঞার সীমার মধ্যে অপরাপর আরও অনেক মানবিক ক্রিয়াকে অন্তর্ভূক্ত করা যায়। যেমন, নব নন্দনতাত্ত্বিক মতবাদের সুন্দর বস্ত্র তৈরি, প্রীতিদায়ক গন্ধদ্রব্য, এমনকি খাদ্য ও পানীয় প্রস্তুতকেও এ তত্ত্ববাদীরা শিল্প বলে বিবেচনা করেন।

    কর্মক্ষেত্রে প্রয়োগগত পরীক্ষামূলক সংজ্ঞা : (২) যা শুধুমাত্র আবেগের অভিব্যক্তিকেই শিল্প বিবেচনা করে-তাও অযথার্থ। যেহেতু কোন ব্যক্তি রেখা, রং, ধ্বনি অথবা কাজের সাহায্যে আবেগ প্রকাশে সক্ষম হলেও এ ধরনের প্রকাশব্যঞ্জনা যদি অপর ব্যক্তির ওপর প্রভাব বিস্তারে অসমর্থ হয়, তবে তাঁর আবেগের অভিব্যক্তিও শিল্প বলে বিবেচ্য নয়।

    তৃতীয় সংজ্ঞাও (Sully-র) অযথার্থ, যেহেতু স্রষ্টার মনে আনন্দ সৃষ্টি অথবা দর্শক বা শ্রোতার কোন ব্যক্তিগত সুবিধা বিধান ব্যতিরেকে আনন্দময় আবেগসৃষ্টিতে সক্ষম কোন বস্তু উৎপাদন বা ক্রিয়াকেও শিল্প বলা যায় না। কারণ, এরূপ ক্রিয়ার মধ্যে পড়ে ঐন্দ্রজালিক কৌশল কিংবা শারীরিক কসরত অথবা ওই ধরনের আরও কোন কোন ক্রিয়া যা-শিল্পপদবাচ্য নয়। অধিকন্তু এমন অনেক বস্তু দেখা যায় যার অভিব্যক্তি স্রষ্টার মনে কোন আনন্দ সঞ্চার করে না। বরং সে সমস্ত বস্তু-উদ্ভুত চেতনা অতৃপ্তিদায়ক। উদাহরণস্বরূপ, কাব্য বা নাটকে বর্ণিত কোন বিষণ্ণ, হৃদয়বিদারক দৃশ্য মনকে বেদনাচ্ছন্ন করে। তথাপি এ সমস্ত দৃশ্য নিঃসন্দেহে শিল্পকর্ম হতে পারে।

    যে কারণে এ সমস্ত সংজ্ঞা যথাযথ হয়ে ওঠেনি তা হল এই : এ সমস্ত সংজ্ঞার সব ক- টির মধ্যে (এমনকি অধিবিদ্যাগত সংজ্ঞার ক্ষেত্রেও) শিল্প কি পরিমাণে আনন্দ বিধানে সক্ষম, এ প্রশ্নই শুধু বিবেচিত হয়েছে-ব্যক্তি মানুষ বা মানবজীবনে শিল্প কি উদ্দেশ্য সাধনের উপযোগী তা বিবেচিত হয়নি।

    শিল্পের অভ্রান্ত সংজ্ঞা নির্দেশের জন্য প্রথমেই প্রয়োজন শিল্পকে আনন্দদানের বাহন হিসেবে বিবেচনা না করে মানবজীবনকেই একটি অঙ্গ হিসেবে বিবেচনা করা। এই দৃষ্টিকোণ থেকে বিচার করলে শিল্প মানুষের পারস্পরিক সম্পর্কের উপায়গুলির মধ্যে অন্যতম-এ সিদ্ধান্তে উপনীত হতে আমাদের ভুল হবে না।

    প্রত্যেক শিল্পকর্ম উপভোক্তাকে শিল্পস্রষ্টার সঙ্গে একটি বিশেষ সম্পর্কে আসতেই শুধু সাহায্য করে না, সমকালীন বা পরবর্তী কালে ওই শিল্প-প্রভাবিত ব্যক্তিদের সঙ্গেও আত্মীয়তার সূত্রে আবদ্ধ হতে সহায়তা করে।

    মানবিক চিন্তা এবং অভিজ্ঞতা সঞ্চারক ভাষাই মানুষের মধ্যে এই মিলনসূত্র রচনা করে। শিল্পও সেই একই উদ্দেশ্য সাধন করে। শেষোক্ত মানব সম্পর্কে বিধায়ক উপায়টির বৈশিষ্ট্য শাব্দিক যোগসূত্রের উপায় থেকে পৃথক। সে বৈশিষ্ট্যের স্বরূফ এই : ভাষার সাহায্যে মানুষ নিজের চিন্তাসম্পদকে অপরের নিকট পৌঁছিয়ে দেয়; অপর পক্ষে শিল্পের মাধ্যমে সে নিজ অনুভূতিকে অপরের মধ্যে সঞ্চারিত করে।

    শিল্পক্রিয়ার ভিত্তি এই সত্যের ওপর প্রতিষ্ঠিত যে, শ্রবণ ও দর্শনের সাহায্যে যখন কেউ অপরের ভাবানুভূীত উপলব্ধি করে, ওই আবেগচালিত মানুষের আবেগটিও সে-অন্তরে উপলব্ধি করতে সক্ষম।

    একটি অত্যন্ত সহজ দৃষ্টান্ত নেওয়া যেতে পারে : কোন ব্যক্তি হাসলে অপর ব্যক্তি সে হাসি শুনে আনন্দ অনুভব করে, অথবা কোন ব্যক্তি কাঁদলে অপর ব্যক্তি সে কান্না শুনে দুঃখ বোধ করে। কোন ব্যক্তিকে উত্তেজিত বা বিরক্ত দেখলে অপর ব্যক্তির মনেও একই ভাব জাগ্রত হয়। অঙ্গসঞ্চালন বা কণ্ঠস্বরের সাহায্যে কোন ব্যক্তি যখন সাহস, দৃঢ়সঙ্কল্প, বিষণ্ণতা বা ধৈর্যের অভিব্যক্তি প্রকাশ করে, তার এ মানসিক অবস্থা অপরের মধ্যে সঞ্চারিত হয়। কোন ব্যক্তি যন্ত্রণাগ্রস্ত হলে গোঙানি এবং মাংসপেশীর আক্ষেপের সাহায্যে তা ব্যক্ত করে, এবং তার এই যন্ত্রণাই যেন অপরের মধ্যে সঞ্চারিত হয়। যখন কেউ কোন বস্তু, ব্যক্তি অথবা ইন্দ্রিয়গোচর কোন দৃশ্যের প্রতি স্বীয় বিস্ময়, অনুরাগ, ভয়, শ্রদ্ধা বা ভালবাসার অনুভূতি প্রকাশ করে তখন অনুরূপভাবে অপরেও সে একই বস্তু, ব্যক্তি অথবা দৃশ্যের প্রতি একই ধরনের বিস্ময়, অনুরাগ, ভীতি, শ্রদ্ধা অথবা ভালোবাসার অনুভূতির দ্বারা সংক্রামিত হয়।

    বস্তুতপক্ষে অপর ব্যক্তির ভাবানুভূতির ব্যঞ্জনার মর্মগ্রহণ এবং সে অনুভূতি আপন হৃদয়ে অনুভব করার সামর্থ্যই শিল্পক্রিয়ার ভিত্তি।

    যদি কোন ব্যক্তি হৃদয়ে আবেগমথিত হয়ে আপন দেহলক্ষণ বা কণ্ঠনিসৃত কাজের সাহায্যে প্রত্যক্ষ ও তাৎক্ষণিকভাবে অপর ব্যক্তি বা ব্যক্তিসমূহকে সংক্রমিত করেন, হাই তোলান, হাসতে বা কাঁদতে, অথবা নিজে যন্ত্রণা ভোগ করায় অপরের মনেও যন্ত্রণার অনুভূতি সৃষ্টি করেন-সেটা কিন্তু শিল্পপদবাচ্য নয়।

    শিল্পের আবির্ভাব তখনি ঘটে যখন কোন ব্যক্তি অপর একজন বা একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে মিলনের অভিপ্রায়ে সমভাবাপন্ন অনুভূতি-প্রভাবে বাহ্যিক লক্ষণ বা ইঙ্গিতের সাহায্যে সে অনুভূতির অভিব্যক্তি দেন। সহজতম একটি উদাহরণ দেওয়া যাক : একটি নেকড়ে বাঘের সম্মুখীন হয়ে একটি বালক যে অভিজ্ঞতা অর্জন করল, ধরা যাক্-সে অভিজ্ঞতা ভয়ের। এ সাক্ষাৎকারের অভিজ্ঞতা তার অন্তরে যে অনুভূতি সৃষ্টি করেছিল অপরের মধ্যে তা উদ্দীপিত করার উদ্দেশ্যে সে নিজের বিষয়ে বর্ণনা, নেকড়ের সাক্ষাৎকারের অবস্থা, সেখানকার পরিবেশ এবং বনের বিবরণ, নিজ অন্তরের নিরুদ্বিগ্নতার বর্ণনার পর নেকড়ের আকৃতি, চলাফেরা, তার থেকে নেকড়ের দূরত্ব ইত্যাদির পরিচয় দিয়ে বাঘের সম্মুখীন হওয়ার অভিজ্ঞতা ইত্যাদি বর্ণনা করল। এ অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়ে বালকটির মনে যে অনুভূতির সৃষ্টি হয়েছিল, গল্প বলার সময় যদি তার অন্তরে সে অনুভূতির নরাবির্ভাব ঘটে এবং শ্রোতৃবৃন্দ যদি সে অনুভূতি দ্বারা সংক্রমিত হয়-তবে অবশ্যই তা শিল্পপদবাচ্য। সে বালকটি নেকড়ে বাঘ না দেখেও বারংবার নেকড়ে বাঘের সঙ্গে সাক্ষাৎকারের একটি ঘটনা উদ্ভাবন করে এবং পুঙ্খনুপুঙ্খভাবে তার বর্ণনা দেয় এবং তার মনে যে ভীতির অনুভূতির সৃষ্টি হয়েছিল তার শ্রোতাদের সে অনুভূতির অংশভাগী করতে সমর্থ হয়, তাও শিল্প বলে বিবেচতি হবে। যখন কেউ ভয় বা যন্ত্ৰণা, অথবা উপভোগের আকর্ষণ (বাস্তবে বা কল্পনায় যাতেই হোক না কেন)-এর অভিজ্ঞতা লাভ করে সে অনুভূতিকে ক্যানভ্যাস বা মার্বেলের ওপর ফুটিয়ে তোলেন এবং সে দৃশ্য দেখে অপর ব্যক্তিও যদি সংক্রমিত হন-একই ভাবে তাও শিল্পের স্বীকৃতি পাবে। এ ছাড়া কোন ব্যক্তির অন্তরে, এমনকি কল্পনায়ও উল্লাস, আনন্দ, দুঃখ, নৈরাশ্য, সাহস অথবা বিষণ্নতার অনুভূতি জাগ্রত হবার পর তিনি যদি এ অনুভূতিগুলির পারস্পরিক ক্রমসঞ্চারকে সুরের সাহায্যে এমনিভাবে অভিব্যক্তি দেন যে-শ্রোতারা তার দ্বারা শুধু সংক্রমিত হন না, বরং সুরকর্তার অভিজ্ঞতাকে নিজের অন্তরে অনুভব করেন-তবে সেটাও শিল্প বলে স্বীকৃতি লাভ করবে।

    যে অনুভূতির সাহায্যে শিল্পী অপরকে সংক্রমিত করেন তা খুব তীব্র অথবা খুব মৃদু, খুব গুরুত্বপূর্ণ অথবা খুব অকিঞ্চিৎকর, খুবই মন্দ অথবা খুবই উত্তম-নানা ধরনের হতে পারে। স্বদেশের জন্য ভালোবাসার চেতনা, নাটকে অভিব্যক্ত আত্মনিবেদন, ঈশ্বর বা ভাগ্যের নিকট আত্মসমর্পণ, উপন্যাসে বর্ণিত প্রেমিক যুগলের আত্মহারা অবস্থা, কোন চিত্রে প্রকাশিত ইন্দ্রিয়পরায়ণতার অনুভূতি, বিজয়ী কুচকাওয়াজে অভিব্যক্ত সাহস, কোন নৃত্য দ্বারা উদ্রিক্ত কলহাস্যময় পুলকোচ্ছ্বাস, কৌতুকপূর্ণ গল্পসৃষ্ট হাস্যরস, সান্ধ্য প্রকৃতির দৃশ্য, অথবা ঘুম-পাড়ানির গান দ্বারা সঞ্চারিত প্রশান্তির অনুভূতি, সুন্দর ও অদ্ভুত কোন অলংকার দর্শনে মুগ্ধ প্রশংসা-এ সবই শিল্প।

    স্রষ্টার অন্তরে যে অনুভূতি জাগ্রত হয়েছিল দর্শক এবং শ্রোতাও যদি তার দ্বারা সংক্রমিত হন, তবে নিঃসন্দেহে তা শিল্প।

    এককালে উপলব্ধ অনুভূতি নিজের মধ্যে জাগ্রত করা, সে জাগ্রত অনুভূতিকে গতি, রেখা, রং, ধ্বনি ও রূপের সাহাযে কথায় প্রকাশ করা এবং অপর ব্যক্তি মধ্যে স্রষ্টার সেই অনুভূতির অভিজ্ঞতাকে সঞ্চারিত করাকেই বলা চলে শিল্পক্রিয়া।

    শিল্প একটি মানবিক ক্রিয়া। শিল্পসৃষ্টির প্রক্রিয়া এরূপ : কোন ব্যক্তি আপন হৃদয়ে উপলব্ধ অনুভূতিকে বাহ্য অভিজ্ঞানের সাহায্যে অপরের চিত্তে সঞ্চারিত করেন এবং অপরেও যখন অনুরূপ ভাবানুভূতির দ্বারা সংক্রমিত হন এবং আপন হৃদয়ে অনুরূপভাবে উপলব্ধি করেন, তখনি হয় শিল্পের জন্ম।

    অধিবিদ্যাবিদেরা শিল্পকে সৌন্দর্যের অথবা ঈশ্বরের কোন অতীন্দ্রিয় চরম ভাবপদার্থের অভিব্যক্তি বলে যে বর্ণনা করেন, শিল্প তা য়। নন্দনতাত্ত্বিক শারীরততত্ত্ববিদরো মানুষের সঞ্চিত উদ্বৃত কর্মশক্তির মুক্তির উৎস-ক্রীড়াকে যে শিল্প বলে মত প্রকাশ করেন-শিল্প তাও নয়। বাহ্যিক কোন অভিজ্ঞানের সাহায্যে আবেগের অভিব্যক্তি দেওয়াও শিল্প নয়। প্রীতিদায়ক বস্তুর সৃষ্টিও শিল্প নয়। সর্বোপরি শিল্প আনন্দ নয়। বরং শিল্প এমন একটি বস্তু- যা একই অনুভূতির মাধ্যমে মানুষকে একত্র সংযুক্ত করে। ব্যক্তি ও মানবতার জীবন ও মঙ্গলময় প্রগতির উপায় হিসেবে শিল্পের প্রয়োজন অপরিহার্য।

    ভাষার মাধ্যমে চিন্তা প্রকাশের ক্ষমতার অধিকারী বলে পূর্ববর্তী মানবসমাজের অবদান কী, পরবর্তী কালে প্রত্যেক মানুষ তা জানতে পারে। অপরের চিন্তাধারা উপলব্ধিতে সক্ষম বলে বর্তমান কালের মানুষ পূর্ববর্তীদের ক্রিয়াকলাপের অংশীদার হতে পারে। এ যুগের মানুষ অপর ব্যক্তির যে চিন্তাধারা আত্মসাৎ করেছে কিংবা তার মানব জগতে যে চিন্তাধারা জন্ম নিয়েছে, তা তার সমসাময়িকদের বা পরবর্তী বংশধরদের দিয়ে যেতে পারে। সুতরাং শিল্প মাধ্যমে অপর মানুষের অনুভূতি দ্বারা সংক্রমিত হতে পারে বলে সমসাময়িক মানুষের সর্বপ্রকারের অভিজ্ঞতা এ যুগের মানুষের আয়ত্তগম্য। শুধু তাই নয়, হাজার হাজার বছর আগে মানুষ যে অনুভূতির অভিজ্ঞতা লাভ করেছিল, তা সে যেমন অনুভব করতে পারে, তেমনি এ যুগের মানুষের পক্ষেও অপরচিত্তে তার হৃদয়সংবেদনা সঞ্চারিত করে দেওয়া সম্ভব।

    পূর্বগামী মানুষের চিন্তাধারা আপন চিত্তে গ্রহণ করবার ক্ষমতা এবং অপরের চিত্তে আপন চিন্তাধারা সঞ্চারের আপন চিত্তে গ্রহণ করবার ক্ষমতা এবং অপরের হতো বন্য পশুর কিংবা কাসপার হৌসের (Kasper Hauser) মতো।

    শিল্প-সংক্রমিত হবার অপর ক্ষমতা বঞ্চিত হলে মানুষের অবস্থা হত আরও বেশি বর্বরের মতো। সর্বোপরি তারা পরস্পরবিচ্ছিন্ন হয়ে একের প্রতি অপরে বৈরী ভাবাপন্ন হয়ে পড়তো।

    সুতরাং শিল্প-ক্রিয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার। সে ক্রিয়া এমনকি বাক্‌শক্তির মতোই সম- গুরুত্বপূর্ণ এবং বাক্শক্তির মতো সর্বব্যাপ্ত।

    কথা আমাদের ওপর উপদেশ, বক্তৃতা বা গ্রন্থমাধ্যমেই শুধু ক্রিয়াশীল নয়, আমাদের পারস্পরিক চিন্তা এবং অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মধ্যেও ক্রিয়াশীল। ব্যাপক অর্থে শিল্প ও তেমনি আমাদের সমগ্র জীবনে ব্যাপ্ত হয়ে আছে। তবে শিল্পের কয়েকটি মাত্র অভিব্যক্তির প্রতি আমরা খুব সীমাবদ্ধ অর্থেই শব্দটি প্রয়োগ করি।

    থিয়েটারে, ঐকতানবাদনে বা চিত্র প্রদর্শনীতে আমরা যা শুনি বা দেখি কেবল তাকেই আমরা শিল্প বলে ভাবতে অভ্যস্ত। এর সঙ্গে হর্ম্যরাজি, ভাস্কর্য, মূর্তি, কবিতা ও উপন্যাসকেও শিল্প মনে করা হয়।…কিন্তু যে শিল্পের সাহায্যে আমরা জীবনে পারস্পরিক আদানপ্রদান করি, এগুলি তার খুব সামান্য অংশ মাত্র। আমাদের সকলেরই জীবন শত প্রকারের শিল্পকর্ম দ্বারা পরিপূর্ণ, যেমন ঘুমপাড়ানি গান, হাসি- ঠাট্টা, ব্যাঙ্গানুকরণ, গৃহের অলংকরণ, পোশাক-পরিচ্ছদ এবং বাসন-কোশন থেকে শুরু করে গির্জায় উপাসনা, দালান, স্মারকস্তম্ভ এবং বিজয়-মিছিল ইত্যাদি। এ সবই শিল্পকর্ম। সুতরাং সীমাবদ্ধ অর্থে শিল্প করতে আমরা অনুভূতিসঞ্চারক মানবিক ক্রিয়া মাত্রকেই বুঝি না, বরং আমরা যে অংশটিকে বিশেষ কারণে নির্বাচন করি অথবা যার ওপর বিশেষ গুরুত্ব অর্পণ করি, তাকেই শিল্প বলি।

    মানুষ শিল্প ক্রিয়ায় সে অংশের ওপরই সব চাইতে বেশি গুরুত্ব অর্পণ করেছে যা তাদের ধর্মীয় উপলব্ধি-উৎসারিত অনুভূতি সঞ্চার করে। এই ক্ষুদ্র অংশটির প্রতি শিল্পের সম্পূর্ণ অর্থ আরোপ করে সে অংশটিকেই তারা বিশেষভাবে শিল্প নামে অভিহিত করেছে।

    সক্রেটিস, প্লেটো, অ্যারিস্টটল প্রভৃতি পূর্বযুগের মানুষ শিল্পকে দেখেছিলেন এ দৃষ্টিভঙ্গির সাহায্যেই। হিব্রু প্রবক্তাগণ এবং প্রাচীন যুগের খ্রীস্টানেরাও অনুরূপ দৃষ্টিতে শিল্পের বিচার করতেন। শিল্প সম্পর্কে মুসলমানদের ধারণাও পূর্বাপর এরূপ। আমাদের ধর্মবোধ-সম্পন্ন কৃষক জনসাধারণও শিল্প করতে এ যাবৎ ঠিক এই-ই বুঝে থাকেন। মানবজাতির কোন কোন শিক্ষক -যেমন প্লেটো তাঁর Repulic-এ, আদি যুগের খ্রীষ্টানদের মতো কোন কোন ব্যক্তি, গোঁড়া মুসলমান এবং বৌদ্ধেরা শিল্প-ভাবনায় এত চরমপন্থী ছিলেন যে, তাঁরা সকল প্রকার শিল্পকেই অস্বীকার করেছেন।

    শিল্পবিরোধী এই মত অনুসারে, শিল্প মানুষকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে সংক্রমিত করবার ভয়ঙ্কর শক্তি রাখে বলে নির্বিচারে শিল্পমাত্রাকেই স্বীকার করা অপেক্ষা সমস্ত শিল্পকে বিসর্জন দেওয়াও মানবজাতির পক্ষে কম ক্ষতিকর। বলা বাহুল্য, এই মতটি বর্তমানে প্রচলিত ‘প্রীতিপ্রদ শিল্পমাত্রই উত্তম’-এই মতের বিপরীত।

    এ পর্যায়ের মানুষ সকল প্রকরণের শিল্পকে নস্যাৎ করে দিয়ে ভুলই করেছিল-এটা খুবই স্পষ্ট। যেহেতু তারা এমন বস্তুকে অস্বীকার করেছে-যা অনস্বীকার্য। শিল্প মানবিক আদানপ্রদানের সেই অপরিহার্য উপকরণ, যার অভাবে মানবজাতির অস্তিত্ব রক্ষা সম্ভব হত না। কিন্তু যে শিল্প শুধুমাত্র সৌন্দর্য সেবার নিয়োজিত অর্থাৎ মানুষকে আনন্দ দান করে, সে পর্যায়ের যে কোন শিল্পের আনুকূল্য করে আমাদের শ্রেণীভূক্ত এ যুগের ইউরোপীয় সমাজের সুসভ্য মানুষও অবশ্য কম ভুল করেনি।

    পূর্বকালে মানুষের মনে একটা ভয় ছিল,-শিল্পকর্মের মধ্যে এমন কিছু থাকা সম্ভব যার দ্বারা কোন কোন মানুষ কলুষিত হতে পারে। এ কারণে তারা শিল্পকে সম্পূর্ণভাবে বর্জন করেছিল। এখন তাদের একমাত্র ভয়, পাছে তারা শিল্প-উদ্ভুত কোন আনন্দ উপভোগ থেকে বঞ্চিত হয়। এ কারণেই তারা যে কোন প্রকরণের শিল্পের পৃষ্ঠপোষকতা করে। আমার মতে শেষোক্ত ভ্রান্তি প্রথমোক্ত ভ্রান্তির অপেক্ষা অনেক বেশি কুৎসিত এবং পরিণামে অনেক বেশি ক্ষতিকর।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleজুল ভের্ন অমনিবাস ১ (প্রথম খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    Next Article দ্য অ্যামিটিভিল হরর : অ্যা ট্রু স্টোরি – জে অ্যানসন
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }