Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    হোয়াট ইজ আর্ট – লিও টলস্টয়

    জুলফিকার নিউটন এক পাতা গল্প389 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    হোয়াট ইজ আর্ট – ৬

    ৬

    [শিল্প আনন্দের জন্য-এই মতবাদ কিভাবে সম্মানের আসন পেল? ধর্ম ভালোমন্দের পার্থক্য নির্দেশ করে। গির্জা-নির্দিষ্ট খ্রীষ্টধর্ম। রেনেসাঁস। উচ্চা শ্রেণীর সংশয়প্রবণতা। সৌন্দর্যের সঙ্গে মঙ্গলকে গুলিয়ে ফেলে তারা বিভ্রম সৃষ্টি করেন।

    কিন্তু এটা কী করে সম্ভব হল, যে শিল্পকে প্রাচীন যুগে কোনমতে সহ্য করা হত (আদৌ হয়ে থাকেল) সেই শিল্প আমাদের কালে শুধুমাত্র আনন্দ দানের ক্ষমতার অধিকারী বলে অনিবার্য উৎকৃষ্ট বলে বিবেচিত হয়?

    নিম্নোক্ত কারণের ফলেই শিল্পের এই পরিণাম ঘটেছে। শিল্পমূল্য সম্পর্কে ধারণা (অপর কথায় শিল্প-সঞ্চারিত অণুভূতি) মানুষের জীবনের অর্থ সম্পর্কীয় উপলব্ধির ওপর এবং জীবনের ক্ষেত্রে ভালোমন্দের দৃষ্টিভঙ্গির ওপর নির্ভরশীল। যে সমস্ত বস্তু ধর্ম নামে অভিহিত, তার পরিপ্রেক্ষিতে ভালোমন্দের সংজ্ঞাও নির্ণীত হয়।

    নিম্নতর পর্যায়ের অপেক্ষাকৃত আংশিক অস্পষ্ট জীবনবোধের সীমা থেকে ব্যাপক ও স্বচ্ছতর জীবনবোধের অভিমুখে মানবজাতির অবিচ্ছিন্ন গতি অব্যাহত। সমস্ত আন্দোলনের মতো এই যাত্রাপথের নায়কও দেখা যায়। এঁরা অপরাপর ব্যক্তি থেকে জীবনের অর্থ অধিকতর স্বচ্ছ করে উপলব্ধি করেছেন। এ প্রাগ্রসর ব্যক্তিদের মধ্যে সর্বযুগে অন্তত একজন তাঁর কথা এবং জীবনের মাধ্যমে এই অর্থকে অপরাপর ব্যক্তি থেকে স্পষ্টতর, বিশদ এবং বিশদ এবং দৃঢ়ভাবে ব্যক্ত করেছেন। এ পর্যায়ের ব্যক্তির জীবন-মর্মার্থের অভিব্যক্তির সঙ্গে তাঁর স্মৃতিকেন্দ্রিক যে সমস্ত কুসংস্কার, ঐতিহ্য ও অনুষ্ঠানগুলি সাধারণত গড়ে ওঠে, তাই ধর্ম। নির্দিষ্টকালে বিশেষ সমাজ ব্যবস্থায় যে ধারণা সর্বোত্তম এবং প্রথম সারির ব্যক্তির নিকট অধিগম্য, সে উচ্চতম মানের জীবনবোধই ধর্মের স্বরূপ। সমাজের অবশিষ্ট অংশকেও এ জীবনবোধে উদ্বুদ্ধ হবার অভিমুখে অনিবার্য এবং দুর্নিবার গতিতে অগ্রসর হতে হবে। সুতরাং মানবিক হৃদয়ভাবের মূল্যায়নের ভিত্তিরূপে একমাত্র ধর্মই চিরকালের মতো এখনও ধারণ করে আছে। অনুভূতিসমূহ মানুষকে ধর্মনির্দেশিত আদর্শের যদি সন্নিকটবর্তী করে, ধর্মাদর্শের বিরোধিতা না করে মানবিক অনুভূতি যদি ধর্মাদর্শের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়-তবে সে সমস্ত অনুভূতি উত্তম। যে সব অনুভূতি মানুষকে ধর্মাদর্শ-বিচ্ছিন্ন করে এবং সে আদর্শের প্রতিরোধী, সেগুলি অবশ্যই মন্দ।

    ইহুদিরা ধর্মনির্দিষ্ট জীবনের অর্থ খুঁজে পেয়েছিল অদ্বৈত ঈশ্বরের সাধনায় এবং যা তাঁর ইচ্ছারূপে প্রতিভাত তার অনুসরণের মধ্যে। যদি ভগবৎ প্রেম এবং তাঁর নির্দেশ পালনের আকাঙ্ক্ষা-উৎসারিত অনুভূতিসমূহ কাব্যশিল্পে, ভবিষ্যৎ প্রবক্তাদের দ্বারা, ভক্তিগীতির সাহায্যে অথবা জেনেসিস (Genesis) মহাকাব্যের মাধ্যমে সার্থকভাবে অপর মনে সঞ্চারিত হয়, তবে নিঃসন্দেহে তা উত্তম এবং উচ্চমানের শিল্প। এবং অনুরূপভাবে ভিন্ন দেশীয় দেবতার প্রতি ভক্তিভাবের উৎসার, অথবা ভগবৎ নির্দেশবিরোধী অনুভূতি সমূহকে অপর মনে সঞ্চারিত করে দেবার উক্ত ধর্মাদর্শ- পরিপন্থী প্রয়াস নিকৃষ্ট শিল্প বলে বিবেচিত হবে। গ্রীকেরা মনে করতেন, ধর্ম-নির্দেশিত জীবনের অর্থ নিহিত জাগতিক সুখ, সৌন্দর্য ও শান্তির মধ্যে। এই দৃষ্টিভঙ্গিতে সার্থক জীবনানন্দ এবং জীবনবেগ-সঞ্চারক শিল্পই উৎকৃষ্ট বিবেচিত হবার যোগ্য। অপর পক্ষে মেয়েলি অনুভূতি ও নৈরাশ্যবোধের চেতনা-সঞ্চারক শিল্প তাদের নিকট নিকৃষ্ট বিবেচিত হত। বস্তুতপক্ষে স্ব-জাতির মঙ্গলবিধানের মধ্যে যদি জীবনের অর্থ অনুভব করা হয়, কিংবা রোমক ও চৈনিক জাতির মতো পূর্বপুরুষদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনে এবং তাদের জীবনের অনুবর্তনের মধ্যে যদি জীবনের সে অর্থ খুঁজে পাওয়া যায়, তবে যে শিল্প জনসাধারণের মঙ্গলার্থে ব্যক্তিস্বার্থ বিসজুনজনিত আনন্দের অনুভূতি সঞ্চার করে কিংবা পূর্বপুরুষদের গৌরব ঘোষণা এবং তাদের ঐতিহ্য অক্ষুণ্ণ রক্ষায় নিয়োজিত হয়, তবে তাও উৎকৃষ্ট শিল্প বলে বিবেচিত হবে। এবং যে শিল্পে এর বিপরীত অনুভূতির অভিব্যক্তি ঘটে, তা নিম্নমানের শিল্পের পর্যায়ে পড়বে। যদি পশুত্বের সীমা উত্তীর্ণ হওয়ার মধ্যে জীবনের অর্থ খুঁজে পাওয়া যায়, যেমন পেয়েছিলেন বৌদ্ধেরা, তাহলে আত্মার উন্নয়নে এবং দেহের দলনে সক্ষম সার্থক অনুভূতি-সঞ্চারক শিল্পই উত্তম শিল্প বলে অভিহিত হবে। অপর পক্ষে তীব্র দৈহিক বাসনার অনুভূতি-উদ্দীপক শিল্প-মাত্রই নিম্ন মানের শিল্পের পর্যায়ে পড়বে।

    ভালোমন্দের ধারণা সম্পর্কে প্রত্যেক মানবগোষ্ঠীর সমভাবে গ্রহণযোগ্য প্রতিযুগে একটি ধর্মচেতনা আছে। এই ধর্মীয় উপলব্ধিই শিল্প-সঞ্চারিত অনুভূতি সমূহেরও মূল্য নির্ধারণ করে। ধর্মীয় চেতনার পরিপ্রেক্ষিতে যে সমস্ত শিল্প-সঞ্চারিত অনুভূতি সকল জাতির নিকট উত্তম বিবেচিত হত, সেগুলিই শুভজনক বলে স্বীকৃতি পেত এবং সেগুলিকেই উৎসাহিত করা হত। পরন্তু সাধারণ ধর্মচেতনার নিরিখে শিল্প-সঞ্চারিত যে সমস্ত অনুভূতি মন্দ বিবেচিত হত, সেগুলিকে বর্জন করা হত। বিস্তীর্ণ শিল্পরাজ্যের যে অবশিষ্টাংশের সাহায্যে মানুষ পারস্পরিক ভাব বিনিময় করে থাকে, তা তাদের নিকট শিল্পের মর্যাদাই পেত না। স্ব-যুগের ধর্মীয় উপলব্ধির বিপরীত স্রোতে প্রবাহিত হলেই সেগুলি মানুষের লক্ষ্যে আসত। সেগুলিকে তখন শুধুমাত্র বর্জন করা হত। গ্রীক, ইহুদি, ভারতীয়, মিশরীয় এবং চৈনিক-সমস্ত জাতির মধ্যে এই রীতির সর্বথা পরিদৃষ্ট হত। এবং খ্রীষ্টীয় ধর্মের আবির্ভাবের পরে তার ক্ষেত্রেও এটা সমান সত্য ছিল।

    প্রথম কয়েক শতাব্দী পরিব্যাপ্ত খ্রীষ্টধর্ম একমাত্র লোককাহিনি, সাধু-সন্তদের জীবনী, ধর্মীয় উপদেশ, প্রার্থনা, খ্রীষ্ট প্রেম-উদ্বোধক স্তোত্রগান, তাঁর জীবন স্মরণে আবেগ, তাঁর দৃষ্টান্ত অনুসরণের আকাঙ্ক্ষা, আনুষ্ঠানিকভাবে ইহজীবন পরিত্যাগ, বিনয় এবং অপরের প্রতি ভালোবাসা প্রভৃতিকে উৎকৃষ্ট শিল্পসৃষ্টি বলে স্বীকৃতি জানিয়েছিল। ব্যক্তিগত সুখভোগের অনুভূতি প্রকাশকে সৃষ্টিকর্মকে মন্দ বিবেচনায় বর্জন করা হত। উদাহরণ স্বরূপ বলা যায়, কেবলমাত্র মৃন্ময় প্রতীকী প্রতিকৃতিই তারা সহ্য করত, কিন্তু সমস্ত পৌত্তলিক ভাস্কর্যকে তারা বর্জন করেছিল।

    এটা ঘটেছিল প্রথম দিককার কয়েক শতাব্দীর খ্রীষ্টানদের মধ্যে। এ কালসীমায় খ্রীষ্টানেরা খ্রীষ্টবাণীকে যথার্থরূপে গ্রহণ না করলেও পরবর্তী কালের মতো ঠিক তার বিকৃত, পৌত্তলিক রূপে স্বীকার করেনি।

    কিন্তু কনসটেনটাইন (Constantine), সার্লমেন (Charlemagne), ভলাদিমির (Vladimir) প্রভৃতির কালে কর্তৃপক্ষের নির্দেশে জাতিসমূহের সম্পূর্ণাঙ্গ ধর্মান্তিকরণের সময় থেকে এই খ্রীষ্টধর্মের পাশাপাশি গির্জা-প্রভাবিত আর একটি খ্রীষ্টধর্মের অভ্যুদয় হল, যার বৈশিষ্ট্য খ্রীষ্টের উপদেশসম্মত নয়, বরং তা ছিল পৌত্তলিকতার সন্নিকটবর্তী। এই গির্জা-অনুমোদিত খ্রীষ্টধর্ম স্বীয় শিক্ষাদর্শের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে জনসাধারণের অনুভূতি এবং অনুভূতিসঞ্চারক শিল্পসৃষ্টিকে সম্পূর্ণ ভিন্নভাবে মূল্যায়ন করেছিল।

    গির্জা-অনুসৃত এই খ্রীষ্টধর্ম প্রকৃত খ্রীষ্টধর্মের মৌলিক এবং সারবস্তুকেই যে শুধু অস্বীকার করেছিল তা নয়,-জগৎপিতার সঙ্গে প্রত্যেক মানুষের প্রত্যক্ষ সম্পর্ক, সেই ভাবপ্রসূত ভ্রাতৃত্ব, সর্বমানব-সাম্য, যে কোন প্রকার হিংসার স্থলে বিনয় ও প্রেমের স্থাপনকে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল। অপরপক্ষে অনেকটা পৌত্তলিক পুরাণের সঙ্গে সাদৃশ্য রেখে এবং স্বর্গীয় দেবতাদের ক্রমোচ্চ শ্রেণীবিভাগ স্থাপন করে খ্রীষ্ট উপাসনা, সাধু উপসনা, শহীদ উপাসনার মাধ্যমে সমস্ত দৈবসত্তার উপাসনামাত্র নয়, তাদের মূর্তি উপাসনারও প্রবর্তন করে এই নব পর্যায়ের খ্রীষ্টধর্ম লোকের মনে গির্জা এবং তার নির্দেশ সম্পর্কে একটি অন্ধ বিশ্বাস উৎপাদন করল, এবং তার মধ্যেই ধর্মবাণীর সারবস্তু নিহিত-এটি প্রতিপাদন করল।

    খ্রীষ্টধর্মের এই নববিধান প্রত্যেক খ্রীষ্টধর্ম থেকে যতই দূরবর্তী হোক না কেন, এবং প্রকৃত খ্রীষ্টধর্মের তুলনায় শুধু নয়, এমনকি জুলিয়ান এবং অপর রোমানদের জীবনধারণার তুলনায় যতই নিম্নমানের হোক না কেন, যে সমস্ত বর্বর শ্রেণীর লোক এই ধর্মশিক্ষা গ্রহণ করেছিল, সে শিক্ষা তাদের নিকট ভূতপূর্ব দেব উপাসনা, বীর স্তব, শুভ এবং অশুভ বুদ্ধির প্রেতাত্মা সমূহের উপাসনা থেকে উচ্চ পর্যায়ের ধর্মতত্ত্ব বলে বিবেচিত হয়েছিল। সুতরাং এ ধরনের শিক্ষাই তাদের জীবনে ধর্মের স্থান গ্রহণ করেছিল এবং এই ধর্মভিত্তির পরিপ্রেক্ষিতেই সে যুগের শিল্পমূল্য নির্ণিত হত। যে শিল্প গির্জা ধর্মের প্রতি অন্ধ বিশ্বাস এবং অনুবর্তিতার নির্দেশ এবং মৃত্যুর পরে শাস্তির ভয় এবং শান্তির আনন্দময় আশ্বাস থাকত-সে শিল্প উৎকৃষ্ট বিবেচিত হত। এই ধর্মধারণার বিপরীতপন্থী সমস্ত শিল্পকেই নিকৃষ্ট বলে মনে করা হত।

    যে ধর্মশিক্ষার উপর ভিত্তি করে এ শিল্পের উদ্ভব হয়েছিল তা খ্রীষ্টের ধর্মবাণীর বিকৃতি। কিন্তু এ বিকৃত শিক্ষাভিত্তিক শিল্পকেই প্রকৃত শিল্প ভাবা হত, যেহেতু জনসাধারণের জীবনোদ্ভুত এই শিল্পের সঙ্গে তাদের ধর্মীয় জীবনদৃষ্টির যথেষ্ট সাদৃশ্য ছিল।

    মধ্যযুগের শিল্পীরা ছিলেন জনগণের মতো একই ধর্মীয় অনুভূতি দ্বারা উদ্দীপ্ত। তাদের অভিজ্ঞতালব্ধ অনুভূতি এবং মানসিক অবস্থাকে স্থাপত্য, ভাস্কর্য, চিত্রশিল্প, সংগীত, কাব্য-নাটকে সঞ্চারিত করে দিয়েছিলেন বলেই তাঁরা খাঁটি শিল্পী পদবাচ্য। তাঁদের শৈল্পিক ক্রিয়া স্ব-যুগে অধিগম্য উচ্চতম উপলব্ধির ওপরই শুধু প্রতিষ্ঠিত ছিল না, সে শিল্পে প্রবেশাধিকার ছিল সমগ্র জনসমাজের। এ যুগে সে শিল্প নিম্নমানের বিবেচিত হতে পারে-তথাপি সে শিল্প উপভোগে সমগ্র জাতি অংশীদার ছিল বলে তা খাঁটি শিল্প। ইউরোপীয় সমাজের অভিজাত, বিত্তবান, অধিকতর শিক্ষিত শ্রেণীর মনে গির্জা অনুসৃত খ্রীষ্ট ধর্মে অভিব্যক্ত জীবনবোধ বিষয়ে সন্দেহ উপস্থিত হওয়া পর্যন্ত এই ছিল শিল্প জগতের পরিস্থিতি। ধর্মযুদ্ধের (Crusades) পরবর্তীকালে যাজকশক্তির সর্বোচ্চ পরিমাণ বিকাশ এবং আনুষঙ্গিক বিকৃতি ঘটবার পর বিত্তবান শ্রেণীর লোকেরা ক্লাসিক সাহিত্যধৃত জ্ঞানজগতের সঙ্গে পরিচিত হলেন। একদিকে তাঁরা দেখলেন প্রাচীন ঋষি- প্রচারিত শিক্ষার যুক্তিপূর্ণ প্রাঞ্জলতা, অপরদিকে খ্রীষ্টীয় উপদেশবাণীর সঙ্গে গির্জা- মতবাদের অসঙ্গতি। সে অবস্থায় গির্জা-প্রচারিত ধর্মোপদেশের ওপর আস্থা অক্ষুণ্ণ রাখা তাঁদের পক্ষে অসম্ভব হল।

    বাহ্যত গির্জা-অনুসৃত শিক্ষার আনুগত্য স্বীকার করলেও তাঁরা বেশিকাল সে শিক্ষায় আস্থা স্থাপন করতে পারেননি। শুধুমাত্র নিষ্ক্রিয়তা এবং জনসাধারণের ওপর প্রভাব বিস্ত ারের উদ্দেশ্যেই তাঁরা সে শিক্ষাকে আঁখড়ে ছিলেন। জনসাধারণের মনে গির্জা মতবাদে অন্ধবিশ্বাস তখনও অক্ষুণ্ণ। অভিজাত শ্রেণীর লোকেরা নিজেদের সুবিধার জন্য ওই অন্ধ বিশ্বাসকে উৎসাহিত করা প্রয়োজন বোধ করতেন।

    এভাবে একটা সময় উপস্থিত হল, গির্জা-অনুসৃত খ্রীষ্টধর্ম যখন সকল খ্রীষ্ট ধর্মাবলম্বী মানুষের নিকট আর সাধারণ ধর্মীয় মতবাদের স্বীকৃতি পেল না। তবে কিছু অংশ-অজ্ঞ জনসাধারণ অন্ধভাবে তা অনুসরণ করেই চলল। কিন্তু অভিজাত শ্রেণী-শুধু যাদের হাতেই ক্ষমতা ও বিত্তের অধিকার ছিল এবং সেই কারণেই শিল্পসৃষ্টি ও তার উৎসাহ দানে যাদের অখন্ড অবসর ছিল, তারা ওই ধর্মে আর বিশ্বাসী ছিলেন না। খ্রীষ্টধর্মের আবির্ভাবের পূর্বে শিক্ষিত রোমানদের যে মনোভাব ছিল, অভিজাত শ্রেণীর মনোভাবও ঠিক তদনুরূপই হয়ছিল। জনসাধারণের অনুসৃত ধর্মে তাঁরা আর আস্থাবান ছিলেন না। অথচ যে ক্ষয়িষ্ণু গির্জা-মতবাদ তাঁদের নিকট অর্থহীন অনুভূত হয়েছিল, সে স্থান পূরণ করবার মতো এমন কোন ধর্মবিশ্বাসও তাদের ছিল না।

    উভয় শ্রেণীর ধর্মবিশ্বাস পার্থক্য ছিল মাত্র এখানে : যে স্থলে রোমানেরা সম্রাটের দেবত্ব এবং গৃহদেবতার ওপর বিশ্বাস হারিয়েছিলেন এবং বিজিত জাতির কাছে ধার-করা সমস্ত জটিল পৌরাণিক কাহিনি থেকে আর বেশি কিছু নিষ্কাশন সম্ভব ছিল না, এবং সে কারণেই তাদের পক্ষে জীবন সম্পর্কীয় সম্পূর্ণ নতুন ধারণা অনুসন্ধান করার প্রয়োজন অনুভূত হয়েছিল, সেই স্থলে মধ্যযুগের মানুষের মনে গির্জা-অনুসৃত ধর্ম-শিক্ষার সত্য সম্পর্কে সংশয় উপস্থিত হবার পর তাদের নতুন কিছু অনুসন্ধানের প্রয়োজন ছিল না। যে খ্রীষ্ট্রীয় ধর্মদেশনাকে বিকৃত রূপে তাঁরা গির্জা-মতবাদ বলে স্বীকার করতেন, সে দেশনার মধ্যে ভাবীকালের মানবিক পথ-নির্দেশ বহু পূর্ব থেকেই চিহ্নিত ছিল। কাজেই তাদের একমাত্র করণীয় ছিল সমস্ত বিকৃতি ও আবরণ থেকে খ্রীষ্টবাণীকে মুক্ত করা এবং তার প্রকৃত তাৎপর্যকে গ্রহণ করা -পূর্ণভাবে না হলেও অন্তত গির্জা অপেক্ষা অধিকতর পরিমাণে সেই সত্যবাণীকে আত্মস্থ করা। এটি আংশিকভাবে সম্পন্ন হয়েছিল শুধুমাত্র ওয়াইক্লিফ (Wyclif), হুস, (Huss), লুথার ও কেলভিনের সংস্কারকার্যে নয়, বরং গির্জা-বহির্ভূত সমগ্র খ্রীষ্টীয় ধর্মমত-বিশ্বাসীরা এ সংস্কারকার্যে হাত লাগিয়েছিলেন। পূর্বযুগে এদের প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন পলিসিয়ান (Paulicians)- রা ও বোগোমাইলিটিস (Bogomilities)-রা, এবং পরবর্তীকালে ওয়ালডেনসেস্ (Waldenses) এবং ধর্মোদ্রোহী নামে আখ্যাত অপরাপর গির্জা-বহির্ভূত খ্রীষ্টানরা। শাসন ক্ষমতায় যাদের অধিকার নেই এমন দরিদ্র ব্যক্তিদের দ্বারাই এই সংস্কারকার্য সম্ভব হতে পেরেছিল এবং মুখ্যত তাদের দ্বারাই এই সংস্কার সাধিত হয়েছিল। বিত্তবান এবং শক্তিমান ব্যক্তিদের কেউ কেউ, যেমন অ্যাসিসির ফ্রান্সিস (Francis of Assisi) এবং অপরাপর কোন ব্যক্তির সামাজিক বিশেষ অধিকার ক্ষুণ্ণ হওয়া সত্ত্বেও তারা খ্রীষ্টের উপদেশবাণীকে পূর্ণ তাৎপর্যে গ্রহণ করেছিলেন। কিন্তু উচ্চতর শ্রেণীর অধিকাংশ লোকের পক্ষে (যদিও আত্মার গভীরে তাঁরা গির্জার ধর্মশিক্ষায় বিশ্বাস হারিয়েছিলেন) অনুরূপভাবে কাজ করা সম্ভব হয়নি বা সে ধারায় কাজ করতে তাঁরা ইচ্ছুকও হননি। এর কারণ, গির্জা-প্রচারিত ধর্মীয় বিশ্বাস বর্জন করবার পর খ্রীষ্টীয় জীবনদৃষ্টির যে সারবস্তু তাদের সামনে গহীত হবার জন্য প্রস্তুত হয়েছিল, তার বৈশিষ্ট্য ছিল মানবভ্রাতৃত্বের (সুতরাং সাম্যের) শিক্ষা। তাঁরা যে সমস্ত বিশেষ সুযোগ-সুবিধার মধ্যে লালিত ও বর্ধিত হয়েছিলেন, শিক্ষিত হয়েছিলেন এবং যে সমস্ত সুযোগ-সুবিধা ভোগে অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছিলেন, ভ্রাতৃত্ববোধের নীতির দ্বারা তা ধিক্‌কৃত হত। যে গির্জা- প্রচারিত শিক্ষা স্বীয় যুগের পক্ষে ছিল অনুপযোগী এবং তাদের নিকট তাৎপর্যহীন, অন্ত রের গভীরে সে শিক্ষায় তারা বিশ্বাস হারিয়েছিলেন। ওদিকে তাঁদের মনে প্রকৃত খ্রীষ্টধর্ম গ্রহণের বলিষ্ঠতাও ছিল না। এ অবস্থায় ধর্মযাজকশ্রেণী (পোপ), রাজা, সামন্ত শ্রেণী (ডিউক) এবং দেশের সমস্ত গণ্যমান্য ক্ষমতাবানেরাই কোন প্রকার ধর্মীয় অবলম্বন ব্যতীত শুধুমাত্র ধর্মের বাহ্য রূপ নিয়েই সন্তুষ্ট রইলেন। যেহেতু ধর্মের এই বাহ্য রূপের সমর্থন তাদের পক্ষে লাভজনক এবং তাদের বিশেষ অধিকার ভোগের পোষক বলে প্রয়োজনীয় ছিল। বস্তুতপক্ষে আমাদের যুগের প্রথম কয়েক শতাব্দীর রোমানদের মতো এ সমস্ত ব্যক্তি কোন কিছুতেই বিশ্বাস করতেন না। অথচ এঁরাই ছিলেন ক্ষমতা বিত্তবান শ্রেণীর মানুষ; এঁরাই ছিলেন শিল্পকর্মের পুরস্কারদাতা ও পরিচালক।

    এখানে একটি মন্তব্য করা প্রয়োজন। ঠিক এ পর্যায়ের মানুষের মধ্যেই এক বিশেষ ধরনের শিল্প বিকাশ লাভ করল। সে শিল্পকে মর্যাদা দেওয়া হত মানুষের ধর্মীয় অনুভূতির সার্থক অভিব্যক্তির জন্য নয়, বরং তার সৌন্দর্যের আনুপাতিক পরিপ্রেক্ষিতে -অপর কথায় তার আনন্দ পরিবেশনের সামর্থ্য অনুসারে।

    গির্জা-অনুমোদিত ধর্মের ভ্রান্তি ধরা পড়ায় ঐশ্বর্যশালী এবং ক্ষমতাবান ব্যক্তিরা সে ধর্মের ওপর আর বেশিকাল আস্থা স্থাপন করতে পারলেন না। প্রকৃত খ্ৰীষ্টীয় ধর্মদেশনা তাঁদের সামগ্রিক জীবনধারাকে সমর্থন না করায় সে ধর্মে আনুগত্য স্বীকারেও তারা অক্ষম হলেন। ফলে এ সমস্ত বিত্তবান ও ক্ষমতাশালী মানুষ ধর্মবোধবর্জিত হয়ে স্বভাবতই পৌত্তলিক দৃষ্টিভঙ্গির জগতে প্রত্যাবর্তন করেছিলেন-যে দৃষ্টিভঙ্গি ব্যক্তিগত সুখভোগের মধ্যে জীবনের অর্থ প্রতিষ্ঠ করে। অতঃপর উচ্চতর সমাজের মধ্যে রেনেসাঁস নামে আখ্যাত বিজ্ঞান ও শিল্পের পুনরুজ্জীবন ঘটল। এই রেনেসাঁস প্রত্যেক ধর্মের শুধু অস্বীকৃতি মাত্র নয়, বরং ধর্ম যে অপ্রয়োজনীয়-তারই দৃঢ় ঘোষনা।

    গির্জা মতবাদ এত সংসক্ত একটা পদ্ধতি যে, সম্পূর্ণ বিনষ্ট না করে তার পরিবর্তন বা সংশোধন করা সাধ্য নয়। পোপ যে অভ্রান্ত এ বিষয়ে সংশয় উপস্থিত হবার সঙ্গে সঙ্গে (সকল শিক্ষিত ব্যক্তির মনেই তখন এ সংশয় ছিল) ধর্মীয় ঐতিহ্যের সত্য সম্পর্কেও অনিবার্য সংশয় দেখা দিল। কিন্তু ঐতিহ্যের সত্য সম্পর্কীয় সংশয় রোমান ক্যাথলিক ধর্ম এবং বিশ্বজনীন উদার-চিত্ততার পক্ষেই শুধু মারাত্মক ছিল না, প্রথাবদ্ধ ধারণা সহ সমগ্র গির্জা-মতবাদ, খ্রীষ্টের ঈশ্বরত্ব, তাঁর পুনরভ্যুত্থান এবং ত্রিত্ববাদ সম্পর্কেও মারাত্মক ছিল এবং এই সংশয় শাস্ত্রের কর্তৃত্ব এবং শাসনকেও অস্বীকার করত, যেহেতু ওই শাস্ত্র গির্জার ঐতিহ্যের দ্বারাই অনুপ্রাণিত।

    সুতরাং সে যুগের উচ্চতম শ্রেণীর অধিকাংশ ব্যক্তি-এমনকি পোপ এবং পাদ্রিরাও আদৌ কোন কিছুর ওপর আস্থাবান ছিলেন না। গির্জার মতবাদে তাঁদের বিশ্বাস ছিল না, যেহেতু সে মতবাদ যে দেউলিয়া হয়ে গিয়েছিল, তা তাঁরা বুঝতে পেরেছিলেন। খ্রীষ্টের নৈতিক এবং সামাজিক শিক্ষাকে স্বীকৃতি জানাতে গিয়ে তাঁরা অ্যাসিসির ফ্রান্সিস্য (Francis of Assisi) এবং chelczic-এর (Peter of chelczic) পটার এবং অধিকাংশ প্রচরিলত ধর্মমতবিরোধীদের অনুসরণ করতে পারেননি-কারণ সে শিক্ষা তাঁদের সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্নকারী। সুতরাং এঁরা সর্বপ্রকার ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি বর্জিত হয়েই রইলেন। এবং এই অবস্থায় একমাত্র ব্যক্তিগত সুখভোগ ছাড়া তাদের সামনে শিল্প- বিচারের এমন কোন মানদন্ড ছিল না যার সাহায্যে তারা সৎ শিল্পের মানদন্ড হিসেবে মেন নেওয়ার ইউরোপীয় সমাজের এই উচ্চ শ্রেণীর ব্যক্তিবর্গ শিল্প সম্পর্কীয় ধারণায় প্রাচীন গ্রীকদের স্থূল শিল্পবোধের জগতে ফিরে গিয়েছিলেন-যে ধারণাকে প্লেটো ইতিপূর্বে ধিক্‌কৃত করেছিলেন। এই জীবনবোধের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে একটি শিল্প- মতবাদও গঠিত হয়েছিল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleজুল ভের্ন অমনিবাস ১ (প্রথম খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    Next Article দ্য অ্যামিটিভিল হরর : অ্যা ট্রু স্টোরি – জে অ্যানসন
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }