Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    হ্যান্স অ্যান্ডারসন রচনাবলী-১ – অনুবাদ: লীলা মজুমদার

    লীলা মজুমদার এক পাতা গল্প118 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কদাকার হাঁস-ছানার কথা

    তখন পাড়াগাঁয়ে কি সুন্দর সময় ! গ্রীষ্মকাল, গম পেকে হলুদ, যবের রঙ সবুজ, সবুজ মাঠের ধারে খড়ের গাদা, লাল লম্বা ঠ্যাং নিয়ে সারস চার দিকে টহল দিয়ে বেড়াচ্ছে আর বিড়, বিড়, করে মায়ের কাছে শেখা মিশরী বুলি ঝাড়ছে! খেত মাঠ ঘিরে ঘন বন। পাড়াগাঁ কি যে সুন্দর। একটা প্রকাণ্ড পুরনো বাড়ির উপর উষুম-উষুম রোদ পড়েছে, বাড়ির চারধারে গভীর খাল। বাড়ির দেয়াল থেকে জলের কিনারা পর্যন্ত বড়ো-বড়ো পাতা নিয়ে বুনো ঝোপ এমনি উঁচু হয়ে উঠেছে যে তার মধ্যে একটা ছোটো ছেলে খাড়া হয়ে দাঁড়ালেও ঠাওর হয় না।

    কি জঙ্গল জায়গাটাতে, যেন ঘন বনের মধ্যিখানটি ! এদিকে কেউ বড়ো-একটা আসে না, সেইজন্যই একটা হাঁস বেছে বেছে এইখানে বাসা বেঁধেছিল। এখন সে ডিমে বসে তা দিচ্ছিল, কিন্তু প্রথম প্রথম যে ফুর্তি লাগছিল, এখন আর সেরকম লাগছে না, কাঁহাতক এক জায়গায় এতক্ষণ ঠায় বসে থাকা যায় ! দেখা করতেও বড়ো একটা কেউ আসে না, ছাই ! ওর সঙ্গে গল্প না করে বরং সবাই মজা করে খালে-বিলে সাতরে বেড়াচ্ছে ! শেষপর্যন্ত ডিমগুলো সত্যি ফুটল। একটার পর একটা ক্ষুদে মুণ্ডু দেখা দিল। হাঁস বলল, “প্যাক-প্যাক ” অমনি বাচ্চাগুলো যেমন তেমন করে উঠে পড়ে, সবুজ পাতার নীচে থেকে উকি মেরে দেখতে লাগল !

    একটা বাচ্চ বলল, “আরি বাপ! পৃথিবীটা কী বড়ো!” মা-হাস বলল, “এইটুকু দেখেই পৃথিবী ভাবলি নাকি ? আরে, এ বাগানের ওধারের সীমানার ওপারে অনেক দূর পর্যন্ত, একেবারে পাদ্রীর মাঠ অবধি পৃথিবীটা ছড়িয়ে আছে! অবিশ্যি আমি নিজে অদ্দূর যাই নি। ওরে, তোরা সবাই আছিস তো ?”

    বলেই হাঁস উঠে পড়ল। “কই, না তো, সবাই তো হেথা নেই। সবার বড়ো ডিমটাই যে বাসায় রইল ! কি জ্বালা ? এ আর কত দিন চলবে, বাপু । আমি তো একেবারে ছাপিয়ে উঠলাম।” এই বলে মা-হাঁস আবার গিয়ে বাসায় উঠল। বুড়ি-হাঁস দেখা করতে এসে বলল, “কিগো, চলছে কেমন ?” মা-হাস বলল, “এই একটা ডিমের জন্যেই যা দেরি হচ্ছে ; এ যে আর ফোটেই না । কিন্তু অন্য বাচ্চাগুলোকে যদি একবার দেখতে! জন্মে কখনো আমি এমন সুন্দর হাসের ছানা দেখি নি!”

    বুড়ি-হাঁস বলল, “ওটা নির্বাৎ পেরুর ডিম। আমি নিজে একবার ঐরকম ঠকেছিলাম ; তার পর বাচ্চাগুলোকে নিয়ে সে যে কি ঝামেলা ! জলে যেতে ভয় পেত ! হাজার চেষ্টা করেও কিছুতেই জলের ধার কাছে নিয়ে যেতে পারতাম না। কত ডাকাডাকি বকবকি করতাম, কোনো ফল হত না। দেখি তো একবার ডিমটাকে। হু, যা বলেছি ! ও পেরুর ডিম না হয়ে যায় না! ওটা থাক্ গে, তুমি বরং অন্যগুলোকে সাঁতার শেখাও।”

    মা-হাঁস বলল, “আরেকটু বসেই দেখি-না, এমনিতেই এত দিন ঠায় বসে আছি, ফসল-কাটার শেষ পর্যন্তই না হয় এখানে কাটালাম!”

    “যা ইচ্ছা কর । তাতে আর আমার কি!” এই বলে বুড়িহাঁস হেলেদুলে চলে গেল। শেষপর্যন্ত বড়ো ডিমটা ফুটল। বাচ্চাটা ‘চ্চিক, চ্চিক’ শব্দ করে খোলার ভিতর থেকে গড়িয়ে বেরিয়ে এল। কিন্তু মাগো ! কি মস্ত আর কি কদাকার দেখতে ! মা-হাস তার দিকে তাকিয়ে রইল। শেষটা বলল, “এটা কি ষণ্ডা-গুণ্ড রে বাবা ! অন্যগুলোর একটাও তো একটুও এমন ধারা নয়। তবে কি এটা একটা পেরুর পুরুষ-বাচ্চা নাকি ? বেশ, একটু বাদেই দেখা যাবে। তবে জলে ওকে নামতেই হবে ; নিজের হাতে ঠেলেটুলে নামাতে হয় তো তাই সই।”

    পরদিন চমৎকার দিন করেছিল ; সমস্ত সবুজ পাতার উপর নরম গরম রোদ। এমন সময় মা-হাঁস সব কটা ছানাপোনা নিয়ে খালের দিকে চলল। সেখানে পৌঁছেই টুপ করে মা জলে

    নামল। তার পর প্যাঁক-প্যাঁক করে ডাক দিতেই, বাচ্চাগুলোও একটার পর একটা জলে ঝাপ দিল। প্রথমে মাথাগুলো জলের নীচে তলিয়ে গেল, তার পরেই আবার ভেসে উঠল, সবাই দিব্যি সহজে সাঁতার দিতে লাগল। সব কটা বাচ্চাই, কদাকার ছাই রঙেরটাও । মা-হাঁস বলল, “মোটেই পেরু নয় ; আহা ! একবার খালি তাকিয়ে দেখতে হয় বাছার কি চমৎকার ঠ্যাং নাড়ার ঢঙ, কেমন সোজা হয়ে ভাসা ! এটা আমার নিজের ছানা, ভালো করে নজর দিলে বোঝা যায় যে দেখতেও খাসা ! প্যাঁক-প্যাঁক! আয় আমার সঙ্গে, তোদের দুনিয়া দেখাই চল। কিন্তু কাছে কাছে থাকিস বাছারা, নয়তো কে কোথায় মাড়িয়ে দেবে ; তাছাড়া বেড়াল সম্বন্ধে সাবধান!”

    যে উঠোনে পাতি-হাসঁরা থাকত, ওরা সেখানে গিয়ে পৌছল। গিয়ে দেখে কি-না একটা বান-মাছের কাঁটা নিয়ে দুই পরিবারে ঝগড়া বেধেছে। সেটাকে শেষে বেড়ালে নিল।

    মা-হাঁস নিজেও মাছ-পোড়া ভালোবাসত, ঠোঁট মুছে সে বলল, “দেখলি তো বাছারা, এই হল দুনিয়ার দস্তুর। এখন পা চালা দিকি, ঐ যে হোথা বুড়ি-হাঁস, ওকে নমো করিস । এখানে যত পাখি দেখছিল, ও-ই হল সবার সেরা, হিম্পানী বংশ ওদের, তাইতে অমন হোমরা-চোমরা চেহারা, অমন আদবকায়দা। ওর ঠ্যাঙে কেমন লাল ন্যাকড়া বাধা দেখেছিস ? সবাই বলে ঐটে নাকি ভারি সুন্দর, ওর চাইতে বড়ো সম্মান হাঁসজগতে আর হয় না।”

    উঠোনের অন্য হাসরা ওদের দিকে চেয়ে থেকে, জোরে জোরে বলাবলি করতে লাগল, “ঐ দেখ, আরেক গুষ্টি এলেন । যেন এখানে এমনিতেই যথেষ্ট লোক নেই ! আরে ছি ! ছি:! ঐটা কি কদাকার গো । ওটাকে থাকতে দেব না।” যেই-না বলা, অমনি একটা হাঁস সেই বাচ্চাটার দিকে তেড়ে গিয়ে, দিল তার গলায় এক কামড়। মা-হাঁস বলল, “ওকে কিছু বল না, ও কারো কোনো ক্ষতি করছে না।”

    “তা হতে পারে, কিন্তু ব্যাটা বেজায় বড়ো আর দেখতে কি অদ্ভুত ” ঠ্যাঙে লাল ন্যাকড়া বাধা বুড়ি-হাঁস বলল, “ঐটে বাদে মা-লক্ষীর ছেলেমেয়েরা সবাই ভালো দেখতে, ঐটে তেমন সুবিধার হয় নি। ওটাকে আরেকবার ডিম থেকে ফুটিয়ে তুলতে পারলে বেশ হত ।”

    মা-হাঁস বলল, “দেখতে সুন্দর নয় সে কথা ঠিক, কিন্তু বড়ো লক্ষী ছেলে, অন্যগুলোর মতোই সাঁতার কাটতে পারে, বরং ওদের চেয়েও ভালো কাটে । মনে হয় সময়কালে ও-ও অন্যদের মতোই হয়ে উঠবে, তখন হয়তো আরো ছোটো দেখাবে।” এই বলে মা বাচ্চাটার গলা চুলকিয়ে দিল, সারা গায়ে ঠোঁট বুলিয়ে দিল। তার পর আবার বলল, “তা ছাড়া ও হল পুরুষ-বাচ্চা, আমার বিশ্বাস ওর গায়ে খুব জোর হবে, কাজেই গায়ের জোরেই দিব্যি চালিয়ে নেবে।”

    বুড়ি-হাঁস বলল, “বাঃ, অন্যগুলি তো ভারি সুন্দর। এসো, এখানে গুছিয়ে বস আর মাছের মুড়োটুড়ো পেলে, আমাকে দিতে পার।”

    কাজেকাজেই ওরা বেশ গুছিয়ে বসল। কিন্তু ঐ যে বেচারা সবার শেষে ডিম থেকে ফুটে বেরিয়েছিল আর দেখতে বেজায় কদাকার ছিল, তাকে সমস্ত হাঁস মুরগিরা কামড়িয়ে, ঠুকরিয়ে, জ্বালিয়ে খেত। এদিকে পেরুদের দলের পাণ্ডা, জন্মেইছিল ঘোড়সওয়ারদের মতো পায়ের গোড়ালিতে কাঁটা পরে, সে তো পাল-তোলা জাহাজের মতো ফুলে ফেঁপে, রাগে মুখ লাল করে, বাচ্চাটার দিকে গটমট করে এগিয়ে এল। সে বেচারা কি যে করবে ভেবেই পেল না ; তার চেহারাটা এত বিত্র বলে সে এমনিতেই বেজায় অপ্রস্তুত !

    এইভাবে তো প্রথম দিনটি কাটল ; তার পর থেকে দিনে দিনে অবস্থা আরো খারাপ হতে লাগল। ভাইবোনরাও ওর সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করত, খালি খালি বলত, “ওরে বিটকেল ! তোকে বেড়ালে নেয় না কেন !” মা পর্যন্ত বলত, “বাছা, তুই যদি দূরে কোথাও চলে যেতিস্, তবেই যেন ভালো হত !”

    হাঁসরা ওকে কামড়াত, মুরগিরা ঠোকরাত, যে মেয়েটা ওদের খাবার দিত, সে ওকে লাথি মারত। বেচারা ছুটে বেড়ার ঝোপে গিয়ে ঢুকল ; সেখানকার ছোটাে পাখিরা ওকে দেখে ভয়েই আধমরা ! হাঁসের ছানা ভাবল, ‘এর কারণ, আমি বড়ো বিশ্রী দেখতে ? এই মনে করে সে ছুটছে তো ছুটছে। শেষটা একটা মস্ত জলা জায়গাতে এসে পৌছল। সেখানে কতগুলো বুনো হাঁস থাকত। সেইখানেই সে সারারাত পড়ে রইল, শরীরে কি যে ক্লান্তি, কোথাও এতটুকু আরাম নেই। সকালে বুনো হাঁসরা উঠে পড়েই তাদের নতুন সঙ্গীটিকে দেখতে পেল। তারা জানতে চাইল, “বলি, তুমি কে ?” হাঁসছানা তাদের সঙ্গে যতটা পারে ভদ্রভাবেই কথা বলল।

    ওরা বলল, “তুমি সত্যিই বড়ো কদাকার হে, অবিশ্যি তাতে আমাদের কিছু এসে যায় না, যদি-না আমাদের বাড়ির মেয়ে বিয়ে করতে চাও।”

    হাঁস বেচারা বিয়ে-থার কথা কখনো ভাবেও নি। তার একমাত্র ইচ্ছা ঐখানে নল-খাগড়ার মধ্যে পড়ে থাকবে আর বিলের জল খাবে। তাই সে রইল পুরো দুটি দিন। তৃতীয় দিন দুটি ছাই রঙের বুনো হাঁস এসে উপস্থিত। তারা খুব বেশি দিন ডিম ফুটে বেরোয় নি, কাজেই বড়ো বেয়াদব।

    তারা বলল,“ওরে ব্যাটা শোন, তোর চেহারাটি এমনি হতকুচ্ছিৎ যে তোকে আমাদের বেড়ে পছন্দ! আসবি নাকি আমাদের সঙ্গে ? কাছেই আরেকটা বিল আছে, সেখানে কয়েকটা লক্ষী মিষ্টি বুনো হাঁস থাকে। যেখানে যত হাঁস হিশ্শ্ হিশ্শ্ করে ডাক ছাড়ে, তাদের সক্কলের মধ্যে ওদের চেয়ে সুন্দর আরেকটি বার কর দিকনি! এবার তোর কপাল খুলে যাবে রে, ব্যাট, তা কুচ্ছিৎ হোস্, আর যাই হোস্!”

    ঠিক সেই সময় দুম করে একটা বন্দুকের শব্দ হল আর দুটো হাঁসই মরে পা ছড়িয়ে নল-খাগড়ার বনের মধ্যে পড়ল। দুম্ করে আবার বন্দুকের শব্দ হল, এক ঝাঁক বুনো হাঁস অমনি জল ছেড়ে উঠে পড়ল। তার পরেই আবার বন্দুকের আওয়াজ । সেদিন শিকারীদের মস্ত এক দল বেরিয়েছিল। চারধারে এখানে ওখানে শিকারীরা লুকিয়ে বসেছিল ; কেউ কেউ আবার গাছেও চড়েছিল। গাছগুলোর ডালপালা লম্বা হয়ে বিলের জলের উপরে দুলছিল। এক পাল কুকুর কাদার মধ্যে নেমে, চারদিকে নল-খাগড়ার বন ভেঙে, নুইয়ে, জল ছিটিয়ে, পাখি খুজে বেড়াচ্ছিল। হাঁসের ছানা বেচারি তো ভয়েই আধমরা ! ডানার তলায় মুণ্ডু লুকোবে ভেবে যেই না মাথা ঘুরিয়েছে, অমনি একটা হিংস্র চেহারার কুকুর তার একেবারে কাছে এসে দাঁড়াল ! কুকুরটার এতখানি জিব বেরিয়ে আছে, দু চোখ যেন আগুনের ভাটা ! হাঁসের ছানাকে দেখেই সে তো প্রকাণ্ড বড়ো এক হা করল, দুই পাটি এই ধারাল সাদা দাঁত দেখা গেল আর তার পরেই জল ছপ ছপ, করতে করতে কুকুরটা চলে গেল! হাঁসের বাচ্চাকে কিচ্ছু বলল না!

    ফোঁস করে নিশ্বাস ছেড়ে হাসের ছানা বলল, “বাবা । ভাগ্যিস আমি এমনি কদাকার যে কুকুরেও আমাকে খায় না।”

    নল-খাগড়ার বনে বন্দুক ছোঁড়া চলতে লাগল, বাচ্চ হাঁস চুপ করে শুয়েই রইল। বেলা পড়ে যাবার আগে গুলির শব্দ থামল না ; থামলে পরও বেচারা নড়বার-চড়বার সাহস পেল না। কয়েক ঘণ্টা অপেক্ষা করবার পর সে চার দিকে একবার তাকিয়ে দেখেই, জলা জায়গাটা ছেড়ে প্রাণপণে ছুট লাগাল । সেকি দৌড়, খেতের উপর দিয়ে, মাঠের মধ্যে দিয়ে, যদিও এমনি জোরে বাতাস বইছিল যে তার মুখে দেীড়নোই একটা কঠিন ব্যাপার !

    বিকেলের দিকে হাঁসের ছানা ভাঙাচোরা ছোটো একটা কুঁড়েঘরের সামনে পৌছল, সেটার বড়োই দুরবস্থা ; যেন কোন দিকে হেলে পড়বে ভেবে না পেয়ে, কোনোমতে খাড়া হয়ে আছে। হাঁস দেখল দরজার একটা কব্জা কোথায় উড়ে গেছে আর পাল্লাটা এমনি ট্যারা হয়ে ঝুলে আছে যে, দরজার আর দেয়ালের মাঝখানে একটু ফাক দেখা যাচ্ছে। তার মধ্যে দিয়ে একটা বাচ্চা হাঁস বেশ গলে যেতে পারে। এদিকে বাইরে ঝড়ের ঘনঘটা ক্রমেই বেড়ে চলেছে দেখে, সে গুড়িশুড়ি মেরে ঘরের ভিতরে সেঁদিয়ে গেল ।

    ঐ ঘরে তার হুলো-বেড়াল আর মুরগি নিয়ে এক বুড়ি থাকত। বেড়ালটাকে বুড়ি বলত তার ছেলে ; সে পিঠ ফুলো করে গলার মধ্যে গরর-গরর শব্দ করতে পারত। মুরগিটার ঠ্যাংগুলো বেজায় বেঁটে, তাই বুড়ি তার নাম দিয়েছিল ‘ঠ্যাং-নাটা খুকু’। মুরগি খুব ভালো ডিম দিত আর বুড়িও তাকে নিজের সন্তানের মতো ভালোবাসত । ঘরে নতুন অতিথি দেখে পরদিন সকালে বেড়াল ম্যাওম্যাও ডাক ছাড়ল আর মুরগিও কঁক-কঁক করতে লাগল। চার দিকে তাকিয়ে, বুড়ি বলল, “আবার কি হল ?” বুড়ি চোখে

    ভালো দেখত না, বাচ্চা-হাঁসকে দেখে মনে করল বুঝি মস্ত মোটা হাঁস, পথ হারিয়ে চলে এসেছে। তাই বুড়ি বলল, “বাঃ, বড় দাঁও মারা গেল ! ওটা যদি ছেলে হাঁস না হয় তো দিব্যি হাঁসের ডিম খাওয়া যাবে! দেখাই যাক-না।” কাজেই তিন সপ্তাহ ধরে হাঁসকে পরখ করা হল, কিন্তু ডিম-টিম দেখা গেল না।

    এখন হয়েছে কি, ঐ বেড়ালটাই ছিল ও-বাড়ির কর্তা আর মুরগি ছিল গিন্নি। কিছু বলতে হলে তারা সর্বদাই বলত, “আমরা

    আর পৃথিবীটা হেনা-তেনা,” কারণ তাদের ধারণা ছিল যে, তারা নিজেরা শুধু যে অর্ধেক পৃথিবী তাই নয়, ওদের অর্ধেকটাই বেশি ভালো! বাচ্চা-হাঁস ভাবত এ বিষয়ে কারো কারো অন্য মতও থাকতে পারে, কিন্তু মুরগি সে কথা মানবে কেন ? মুরগি জিজ্ঞাসা করল, “এই ডিম পাড়তে পারিস্ ?” “না।” “তা হলে মুখে কুলুপ দে!” বেড়াল বলল, “পিঠ কুলো করতে পারিস্ ? গরর গরর শব্দ করতে পারিস্ ?” “না।” “বেশ, তা হলে গুরুজনরা যখন কিছু বলেন, তখন মতামতের কথা তুলবি নে!” কাজেই হাঁসের ছানা আর কি করে, রেগেমেগে এক কোণে একাঁ বসে রইল। সে যাই হোক, হঠাৎ তার খোলা হাওয়া আর ঝকঝকে রোদের কথা মনে পড়ে গেল। আর মনে পড়তেই আবার জলে সাঁতরে বেড়াবার জন্য এমনি প্রবল ইচ্ছা হল যে, কথাটা মুরগিকে না বলে পারল না।

    মুরগি বলল, “তোর হয়েছেটা কি ? কাজকর্ম নেই কি-না, তাই যতসব বাজে খেয়াল পুষছিস। হয় ডিম পাড়, নয় তো গরর-গরর শব্দ কর, তা হলেই ও-সব ভুলে যাবি।” বাচ্চা-হাঁস বলল, “কিন্তু সাঁতার কাটতে কি ভালোই যে লাগে । জলের তলায় ডুব দিলে, মাথার ওপর যখন দু পাশের জল আবার একসঙ্গে মিলে যায়, তখন কি ভালোই-না লাগে।” মুরগি বলল, “বলিহারি তোর ভালোলাগার ছিরি । আমার মতে তুই একটা পাগল ! আমার কথা নাহয় বাদ দিলি, বেড়ালকেই জিজ্ঞাসা করে দেখনা, ওর মতো বুদ্ধিমান জানোয়ার তো কোথাও দেখি নি, ওকেই জিজ্ঞেস কর সাঁতার কাটতে, কি জলের তলায় ডুব দিতে, ওর ভালো লাগে কি না । না হয় গিন্নিমাকেই শুধোস্, তার চেয়ে তো কারো বেশি বুদ্ধি নেই।

    তুই কি সত্যি ভাবিস যে সাঁতার কাটলে, কিম্বা মাথার ওপর দুপাশের জল একসঙ্গে মিললে, তাঁর খুব মজা লাগবে ?”

    বাচ্চা-হাঁস বলল, “তুমি আমার কথাটা ঠিক বুঝতে পার নি।” “কি বললি ? না, তা বুঝব কেন ! তবে কি তুই ভাবিস্ যে বেড়ালের চেয়ে, কিম্বা গিন্নিমার চেয়ে—আমার কথা নাহয় ছেড়েই দিলাম—তোর বেশি বুদ্ধি ? ও-সব কথাকে মনেও স্থান দিস না, বাছা, বরং যে দয়া পাচ্ছিস, তার জন্য কৃতজ্ঞ থাক্। একটা গরম ঘরে জায়গা পাচ্ছিস আর এমন সব লোকের সঙ্গে মেশবার সুযোগ পাচ্ছিস্ না, যাদের কাছ থেকে কিছু শেখা যায় ?

    কিন্তু তুই এমনি আহাম্মুক যে তোর সঙ্গে মেশাই দায়! বিশ্বাস কর, তোর ভালো মনে করেই বলছি। অপ্রিয় সত্য বলি বটে, কিন্তু তাই দিয়েই তো প্রকৃত বন্ধু চেনা যায়। এবার আয় দিকিনি, একবার একটু কষ্ট করে হয় গরর গরর শব্দ করতে, নয়তো ডিম পাড়তে শেখ।” হাঁসের ছানা বলল, “ভাবছি আবার দুনিয়া দেখতে বেরিয়ে পড়ি।”

    মুরগি বলল, “তাই যা-না।”

    কাজেই বাচ্চা-হাঁস বেরিয়ে পড়ল। কখনো সে জলের উপরে সাঁতার কাটত, কখনো জলের নীচে ডুব দিত, কিন্তু বেচারা এমনি কদাকার দেখতে যে, সব জন্তু-জানোয়ার ওর পাশ কাটিয়ে চলে যেত। এমনি করে হেমন্তকাল এল, গাছের পাতা হলদে হল, পাটকিলে হল, তার পর হাওয়ায় উড়ে গেল, বাতাস তাদের নাচিয়ে ফিরতে লাগল। হাওয়াটা বেজায় ঠাণ্ডা হল ; মেঘগুলো শিলের আর বরফের বোঝায় ভারি হয়ে উঠল ; ঝোপের উপর দাঁড়কাক বসে হেঁড়ে গলায় ডাকতে লাগল। বাচ্চা-হাঁস বেচারির কোথাও একটু আরাম পাবার জো রইল না।

    একদিন সন্ধেবেলায়, ঠিক সূর্য ডোবার সময়, ঝোপঝাড়ের মধ্যে থেকে এক ঝাঁক বড়ো-বড়ো পাখি আকাশে উড়ল। হাঁসের ছানা এমন সুন্দর জিনিস আর কখনো দেখে নি। পাখিগুলোর পাখনা ছিল ধবধবে সাদা, লম্বা পাতলা গলা। ওরা হল রাজহাঁস।

    অদ্ভুত একটা ডাক ছেড়ে, দীর্ঘ সুন্দর ডানা মেলে, এ দিকের ঠাণ্ডা জায়গা ছেড়ে, ওরা সমুদ্রের ওপারের গরম দেশে উড়ে চলে গেল। কত উঁচু দিয়ে উড়ে গেল ওরা, কী বিষম উঁচু দিয়ে। বিশ্রী দেখতে বাচ্চা-হাঁসটার মনের ভাবও কেমন অদ্ভুত হয়ে গেল। গম-পেষার কলের চাকার মতে, জলের উপর পাক খেয়ে সে কেবল ঘুরতে লাগল আর গলা লম্বা করে, তারা যেদিকে গেছে সেদিকে দেখতে লাগল আর তার গলার

    ভিতর থেকে, এমনি জোরে একটা অদ্ভুত আওয়াজ বেরিয়ে এল যে তাই শুনে নিজেরই ভয় ধরে গেল ! আহা, ওরা সব পাখির সেরা পাখি, ওদের কথা হাঁসের ছানা কিছুতেই ভুলতে পারছিল না। কী সুখী ওরা ! বাচ্চা-হাঁস ওদের নামও জানত না, কোথায় ওরা যাচ্ছে তাও জানত না। তবু তাদের এমন ভালো লাগল, যেমন আর কখনো কাউকে লাগে নি। একটুও হিংসা হল না ; অমন রূপ যে তার নিজের কখনো হতে পারে, এ কথা সে ধারণাও করতে পারত না। উঠোনের সেই হাঁসর যদি তাকে থাকতে দিত, তা হলে সে খুশি হয়ে সেখানেই থেকে যেত।

    তার পর শীত এল, সে যে কি ঠাণ্ডা, কি ঠাণ্ডা ! বাচ্চা হাঁসকে কেবল চরকি দিয়ে সাঁতরে বেড়াতে হত, যাতে তার চারদিকের জল না জমে যায়। তবু রোজ রাতে দেখত বরফের মাঝখানে খোলা জলের জায়গাটুকু ক্রমেই ছোটো হয়ে আসছে। প্রাণপণে তাকে ঠ্যাং ছুড়তে হত, নইলে ওর চারপাশের সব জলটাই জমে বরফ হয়ে যাবে। শেষটা একেবারে ক্লান্ত হয়ে গিয়ে, শীতে জমে আড়ষ্ট হয়ে, বরফের উপর বেচারা শুয়ে পড়ল ।

    পরদিন ভোরে ঐ পথ দিয়ে যাবার সময়, একজন চাষী ওকে ওভাবে দেখতে পেয়ে, নিজের পায়ের কাঠের জুতো দিয়ে বরফ ভেঙে টুকরো টুকরো করে, হাঁসের ছানাকে তুলে ঘরে নিয়ে এসে, তার বৌয়ের কাছে দিল।

    দেখতে দেখতে বাচ্চা-হাঁস সুস্থ হয়ে উঠল। চাষীর ছেলেমেয়ের তো ওর সঙ্গে খেলা করার ভারি ইচ্ছা ; কিন্তু হাঁস ভাবল ওরা বুঝি ওকে জ্বালাতন করতে এসেছে তাই ভয়ের চোটে এক লাফে সে দুধের বালতির মধ্যে গিয়ে পড়ল। সব দুধ পড়ে গিয়ে ঘর ভেসে গেল। চাষীর বৌ চেঁচিয়ে, হাততালি দিয়ে উঠল। হাঁস তখন সেখান থেকে ধড়ফড় করে মাখনের গামলায় ঢুকল, তার পর সেখান থেকে উঠে ময়দার পিপেতে পড়েই, আবার বেরিয়ে এল।

    তখন বৌ চ্যাঁচাতে চ্যাঁচাতে তাকে চিমটের বাড়ি মারার চেষ্টা করতে লাগল। ছেলেমেয়েও রেষারেষি করে হাঁস ধরবার চেষ্টা করতে লাগল। তাদের সে কী হাসি আর চ্যাঁচামেচি ! ভাগ্যিস দরজাটা খোলা ছিল, ছুটে বেরিয়ে এসে হাঁস ঝোপঝাড়ের ভিতর ঢুকে নতুন পড়া নরম বরফের উপর যেন স্বপ্নের ঘোরে শুয়ে পড়ল।

    ঐ শীতকালে হাঁসের ছানাকে যে কত অসুবিধা কত কষ্ট সইতে হয়েছিল, সে কথা বলতে গেলে বড়োই দুঃখের ব্যাপার হয়ে দাঁড়াবে। শেষে একদিন সে একটা বিলের ধারে নলখাগড়ার ঝোপের মধ্যে শুয়ে ছিল। এমন সময় টের পেল আবার রোদে গরমের আমেজ লেগেছে, লার্ক পাখিরা গান গাইছে, সুন্দরী বসন্তকাল আবার ফিরে এসেছে। তখন বাচ্চা হাঁস আবার ডানা ঝাপটাতে লাগল। আগের চাইতে এখন ডানায় কত বেশি জোর হয়েছে ; সেই ডানায় ভর করে হাঁস তাড়াতাড়ি সাঁতরিয়ে চলল আর কিছু টের পাবার আগেই দেখল যে একটা মস্ত বাগানের ধারে এসে পৌছেছে। সেখানে আপেল গাছ ফুলে ভরে আছে, লতাগাছ খালের জলের উপর দীর্ঘ সবুজ ডালপালা ঝুলিয়ে দিয়েছে, চারদিক তার ফুলের হুগন্ধে ম-ম করছে। সেখানকার সব কিছু সুন্দর, বসন্তকালের নতুন প্রাণে কেমন ভরপুর। কুঞ্জের মধ্যে থেকে তিনটি সুন্দর সাদা রাজহাঁস বেরিয়ে এল। কি সগর্বে তারা পাখনার বাহার দেখাতে লাগল আর আলতোভাবে জলের উপর সাঁতরে বেড়াতে লাগল।

    হাঁসের বাচ্চা সেই অপরূপ প্রাণীদের চিনতে পারল, অদ্ভুত এটা কি দুঃখে তার মন ভরে উঠল। সে বলল, “রাজার মতো পাখি, ওদের কাছে উড়ে যাব নাকি ! আমার মতো একটা কদাকার পাখি ওদের কাছে গেলে, আম্পর্ধা দেখে ওরা আমাকে মেরে ফেলবে ; কিন্তু তাতে কিই-বাএসে যায়। হাঁসের কামড়, মুরগির ঠোক্কর, যে মেয়েটা পাখিদের খাবার দেয় তার লাথি খাওয়া, তার পর শীতকালে এত কষ্ট পাওয়ার চাইতে, ওদের হাতে মরাই ভালো।”

    এই ভেবে সে উড়ে জলে নেমে, সেই সুন্দর পাখিগুলোর দিকে সাঁতরিয়ে চলল। তারাও ওকে দেখতে পেয়ে, তাড়াতাড়ি এগিয়ে এল। হাঁসের ছানা বেচারা বলল, “আমাকে শুধু মেরে ফেল।” বলে মাথা নিচু করে মৃত্যুর জন্যে অপেক্ষা করতে লাগল। কিন্তু জলের মধ্যে এ কি দেখছে সে ! দেখছে নিজের ছায়া, কিন্তু সে তো একটা মোটা, কদাকার, ছাই রঙের পাখির ছায়া নয়, রাজহাঁসের ছায়া।

    রাজহাঁসের ডিম ফুটে যে পাখি বেরিয়েছে, সে পাতিহাঁসের উঠোনে জন্মালেও কিছু এসে যায় না।

    বড়ো রাজহাঁসরা ওর চারদিকে সাঁতরিয়ে বেড়াতে লাগল, ওর গায়ে ঠোঁট বুলিয়ে দিতে লাগল। ওর মনে আনন্দ আর ধরে না ।

    বাগানের মধ্যে কয়েকটি ছোটো-ছোটো ছেলেমেয়ে ছুটোছুটি করছিল। তারা শস্যের দানা আর রুটি ছুড়ে ছুড়ে জলে ফেলল। তার পর সবার ছোটোটি বলে উঠল, “আরে, একটা নতুন হাঁস যে !” অন্যরাও চেঁচিয়ে উঠল, “আরে, তাইতো, একটা নতুন রাজহাঁস এসেছে যে ” আনন্দে হাততালি দিয়ে তারা মা-বাবাকে কথাটা বলবার জন্য ঘরের মধ্যে চলে গেল । তার পর জলে আরো রুটি আর কেক ফেলা হল। সবাই বলল, “নতুন রাজহাঁসটাই সবচেয়ে ভালো, কত কম বয়স, কি সুন্দর দেখতে!” বুড়ো রাঁজহাসরা এসে ওর সামনে মাথা নিচু করল। ছোটো রাজহাঁস লজ্জা পেয়ে, ডানার মধ্যে মাথা গুঁজল। তার বড়ো আনন্দ হচ্ছিল, কিন্তু তাই বলে অহংকার হচ্ছিল না। মন যাদের ভালো হয়, তারা কখনো অহংকার করে না।

    তার মনে পড়ে গেল আগে সবাই তাকে যেমন টিটকিরি দিত আর তার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করত; এখন শুনল সবাই বলছে যেখানে যত সুন্দর পাখি আছে, তার মধ্যে ও-ই নাকি সবচাইতে সুন্দর। লতাগাছগুলি তার দিকে ডালপালা নামিয়ে দিল, সূর্য তার নরম-গরম উজ্জ্বল রোদ দিতে লাগল। হাঁস তার পালক ঝাড়ল, সুন্দর সরু গলাটি লম্বা করল আর মনের খুশিতে বলে উঠল, “যখন আমি একটা কদাকার হাঁসের ছানা ছিলাম, সবাই আমাকে ঘেন্না করত ; তখন কি স্বপ্নেও এত সুখের কথা ভাবতে পারতাম !”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসব ভুতুড়ে – লীলা মজুমদার
    Next Article পাকদণ্ডী – লীলা মজুমদার

    Related Articles

    লীলা মজুমদার

    বদ্যিনাথের বড়ি – লীলা মজুমদার

    November 27, 2025
    লীলা মজুমদার

    হলদে পাখির পালক – লীলা মজুমদার

    November 27, 2025
    লীলা মজুমদার

    বাঘের চোখ – লীলা মজুমদার

    November 27, 2025
    লীলা মজুমদার

    গুপির গুপ্তখাতা – লীলা মজুমদার

    November 27, 2025
    লীলা মজুমদার

    পদিপিসীর বর্মিবাক্স – লীলা মজুমদার

    November 27, 2025
    লীলা মজুমদার

    টং লিং – লীলা মজুমদার

    November 27, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }