Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    হ্যান্স অ্যান্ডারসন রচনাবলী-১ – অনুবাদ: লীলা মজুমদার

    লীলা মজুমদার এক পাতা গল্প118 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    টিনের সেপাইয়ের কথা

    এক সময়, পাঁচশটা টিনের সেপাই ছিল ; তারা সবাই ভাইভাই, কারণ সবাই একটা পুরনো টিনের হাত গলিয়ে তৈরি। সবার হাতে বন্দুক, সবাই তক্তার মতো খাঁড়া দাড়িয়ে, সকলের লাল আর নীল সৈনিকের পোশাক, সবাই দেখতে ভারি মজাদার। পৃথিবীতে জন্ম নেবার পর, যেই ওদের বাক্সের ঢাকনি খোলা হল, অমনি প্রথম যে কথা ওদের কানে গেল, তা হল, ‘টিনের সেপাই ! একটি ছোটো ছেলে আনন্দে হাততালি দিয়ে ঐ কথা বলল। সেপাইগুলোকে সে জন্মদিনে উপহার পেয়েছিল। তার পর সে টেবিলের উপরে তাদের সাজিয়ে রাখল। সেপাইদের মধ্যে একচুল তফাত নেই। শুধু একটা অন্যদের চাইতে একটু অন্যরকম, কারণ তার মোটে একটা ঠ্যাং। ওকেই কিনা সবার শেষে তৈরি করা হয়েছিল, টিনে কুলোয় নি বলে। সে যাই হোক, অন্যরা দুঠ্যাঙে যেমন মজবুত হয়ে দাঁড়িয়ে থাকত ওর এক ঠ্যাঙেও ও তেমনি মজবুত হয়ে দাঁড়াত। আমার মনে হয় ওরই জীবনের নানান ঘটনা তোমাদের শোনাবার যোগ্য । যে টেবিলে টিনের সেপাইরা সাজানো ছিল, তাতে আরো কয়েকটা খেলনাও ছিল। তার মধ্যে সবচাইতে সুন্দর হল পীচ- বোর্ডের তৈরি চমৎকার একটা দুর্গ। দুর্গের ক্ষুদে-ক্ষুদে জানলা দিয়ে ঘরের ভিতরে দেখা যেত। দুর্গের সামনে, একটা ছোটো আয়নার চারদিকে ভিড় করে ছিল কয়েকটা ক্ষুদে গাছ। আয়নাটাকে একটা দীঘি মনে করতে হবে। কয়েকটা মোমের রাজহাঁস ঐ দীঘির জলে সাঁতার কাটত, জলে তাদের ছায়া দেখা যেত ।

    এ-সবই খুব চমৎকার সন্দেহ নেই, কিন্তু তার মধ্যে সবচাইতে সুন্দর জিনিস হল ছোটো একটি মেয়ে। সে দুর্গের খোলা দরজার মধ্যে দাঁড়িয়ে থাকত। সেও পাঁচবোর্ড কেটে তৈরি, কিন্তু তার পরনে ছিল খাটি মসলিনের জামা, তার কাঁধের উপর চাদরের মতো করে ফেলা ছিল একটুখানি ফিকে নীল রেশমী ফিতে, আর সেই ফিতের ঠিক মধ্যিখানে ছিল একটা ঝকঝকে সোনার ডানা। এই ক্ষুদে মহিলাটি হল একজন নর্তকী, তাই সে হাত দুটিকে বাড়িয়ে ধরেছিল, আর একটা পা এত উঁচুতে তুলে রেখেছিল যে টিনের সেপাই সেটিকে দেখতে না পেয়ে ভাবত ঐ মেয়েটিরও বুঝি তারই মতো মোটে একটি পা ।

    সে মনে মনে বলত, “ঐ তো ঠিক আমার বউ যেমন হওয়া উচিত। মুস্কিল হল, ওর বংশ বড়ো উঁচু। ও থাকে দুর্গে আর আমি থাকি শুধু একটা বাক্সে। তার উপর বাক্সাঁ এাঁ আমারও নয়, ওর মধ্যে আমরা পঁচিশজন থাকি ; ওখানে তো আর বউ আনা যায় না। সে যাই হোক গে, ওর সঙ্গে আলাপ করতে দোষ কি ? এই-সব ভেবে টেবিলের উপরে রাখা একটা নস্তির কোঁটোর পিছনে গিয়ে টিনের সেপাই দাঁড়াল। এই জায়গাটা থেকে পাতলা ছোটো মহিলাটিকে একেবারে সামনাসামনি দেখা যেত। সে তখনো এক পায়েই দাঁড়িয়ে ছিল, অথচ টাল হারিয়ে পড়ে যাচ্ছিল না।

    সন্ধেবেলা সব টিনের সেপাইদের বাক্সে ভরে, বাড়ির লোকেরা শুতে গেল। তখন খেলনাগুলোর পালা, তারা এবার খেলা শুরু করল। তারা খেলা করতে লাগল যেন এ-ওর বাড়িতে বেড়াতে যাচ্ছে, যেন যুদ্ধ হচ্ছে, নাচের আসর বসেছে। টিনের সেপাইরা বাক্সের ভিতর থেকে ঝনঝন শব্দ করতে লাগল, তাদেরও বেরিয়ে এসে খেলা করার ইচ্ছা, কিন্তু বাক্সের ঢাকনিটাকে কিছুতেই খুলতে পারছিল না। বাদাম ভাঙার জাতিটা ডিগবাজি খাচ্ছিল, শ্লেট-পেনসিলটা শ্লেটের উপর বেচাকেনা খেলছিল। সব মিলিয়ে এমনি হটগোল শুরু হয়ে গেল যে ক্যানারি পাখিটার ঘুম ভেঙে গেল, অমনি সেও কথা বলতে আরম্ভ করল, অবিশ্যি সে সর্বদা ছড়া কেটে কথা বলত। মাত্র দুজন নিজেদের জায়গা থেকে এতটুকু নড়ল না ; তারা হল সেই ছোটো টিনের সেপাই আর সেই সুন্দরী নর্তকী। সে সব সময় ঐ এক সুন্দর ভঙ্গিতে দাঁড়িয়ে থাকত, এক পায়ের আঙলে ভর করে, হাত বাড়িয়ে। এদিকে সেপাইয়ের কথা আর কি বলব, সে সারাক্ষণ তার এক পায়ে ঠায় দাঁড়িয়ে থাকত আর সুন্দরী মেয়েটির উপর থেকে কখনো চোখ ফেরাত না।

    রাত বারোটা বাজল। অমনি খট করে নস্তির কৌঁটোর ঢাকনি খুলে গেল। কৌটোর ভিতরে নস্তি ছিল না ; তার বদলে ছোটো একটা কালো রঙের জাদুকর লাফিয়ে উঠল ; ওটা আসলে একটা খেলনা, ওকে ‘জ্যাক্-ইন-দি-বক্স’ বলে। জাদুকর বলল, “ও হে টিনের সেপাই, চোখদুটো সামলাও !”

    কিন্তু টিনের সেপাই ভাব দেখাতে লাগল যেন কিছু শুনতেই পায় নি । জাদুকর বলল, “আচ্ছা ! কাল অবধি অপেক্ষা করেই দেখনা কি হয় ।”

    সকাল হলে ছেলেমেয়েরা বিছানা থেকে উঠে পড়ল । টিনের সেপাইকে তুলে নিয়ে তারা জানলার চৌকাঠের উপর রেখে দিল, আর তখুনি, সে জাদুকরের জন্যেই হোক, কিংবা বাতাসের জন্যেই হোক, জানলাটা দুড়ুম করে খুলে গেল আর পা উঁচুতে মাথা নিচুতে করে সেই তিনতলার উপর থেকে, টিনের সেপাই মাটিতে পড়ল । সে কি ভয়ংকর পড়া! ৰেচারার একমাত্র ঠ্যাংটা শূন্যে ঘুরপাক খেতে লাগল, তার পর যখন মাটিতে পৌঁছল তখন সেপাই টুপিতে ভর করে পা ওপরে করে পড়ল, আর বন্দুকের সঙ্গিনটা রাস্তার শানের মধ্যে ঢুকে রইল ।

    তখুনি ঝির সঙ্গে ছোটো ছেলেটা ওকে খুজতে নীচে নেমে এল, কিন্তু তাকে দেখতেই পেল না যদিও আরেকটু হলেই ওরা তাকে মাড়িয়ে দিত। সেই সময় টিনের সেপাই যদি চেঁচিয়ে বলত, “এই যে, আমি এখানে!” তা হলেই ওরা ওকে খুঁজে পেত, কিন্তু সে ভাবল সৈনিকের পোশাক পরে ওভাবে চ্যাঁচানটা ঠিক হবে না।

    তার পর বৃষ্টি পড়তে আরম্ভ করল ; একেকটা ফোটা পড়ে যেন তার আগের ফোটার চাইতে ওজনে বেশি ! ঝম্ঝম করে বৃষ্টি পড়ে সব ভিজিয়ে সপসপে করে দিল । বৃষ্টি থামলে, দুটো ছেলে এদিকে এল। একজন বলল, “দেখেছ, একটা টিনের সেপাই ! জীবনে এই একবারের মতো বেচারা নৌকো চেপে বেড়াতে যাক ৷” এই বলে তারা পুরনো খবরের কাগজ দিয়ে একটা নৌকো বানিয়ে, তার মধ্যে টিনের সেপাইকে চাপিয়ে দিল। অমনি নর্দমার জলের সঙ্গে নৌকো ভেসে চলল ; ছেলেদুটো হাততালি দিতে দিতে, পাশে পাশে দৌড়তে লাগল। কাগজের নৌকো জলে দোল খেতে লাগল আর মাঝে মাঝে হঠাৎ এমনি পাক খেল যে টিনের সেপাইয়ের মাথা ঘুরতে লাগল। তবু সে এতটুকু নড়ল-চড়ল না ; বন্দুকের সঙ্গিন শক্ত করে ধরে, সটান সামনের দিকে তাকিয়ে রইল ।

    এক জায়গায় নালার উপর তক্তা পাতা ছিল, তার তলা দিয়ে নৌকো ভেসে চলল। টিনের সেপাই দেখল এ জায়গাটা বাড়িতে তার বাক্সের ভিতরটার মতোই অন্ধকার ।

    সে মনে মনে বলল, ‘এবার কোথায় যাচ্ছি কে জানে! এ-সবই নিশ্চয় ঐ জাদুকরের কাজ ! আহা, ঐ মেয়েটি যদি আমার সঙ্গে এই নৌকোয় থাকত, তা হলে এর দুগুণ অন্ধকারেও আমার এসে যেত না ? একটা জলের ইঁদুর ঐ তক্তার নীচে থাকত ; সে তার বাসা থেকে ছুটে এসে বলল, “পাসপোর্ট আছে ? কই, দেখি তোমার পাসপোর্ট ?”

    টিনের সেপাই কোনো কথা বলল না, খালি হাতের অস্ত্রটাকে আরো শক্ত করে ধরল। নৌকো ভেসে চলল, ইঁদুরও পিছন পিছন চলল। উঃ! সেকি বিকটভাবে সে দাঁত খিঁচিয়ে, জলে ভেসে যাওয়া খড়-কুটোকে বলতে লাগল, “ওকে থামাও ওকে থামাও ! ও পারের কড়ি দেয় নি, পাসপোর্ট দেখায় নি!” এদিকে স্রোতের বেগ বাড়তে লাগল। টিনের সেপাই দূরে ঝকঝকে রোদ দেখতে পেল ; ঐখানেই নৌকোটা সুড়ঙ্গের ভিতর থেকে বেরিয়ে এল। সঙ্গে সঙ্গে সে কি ভয়ংকর গর্জন ! অমন আওয়াজ শুনলে অতি বড়ো বীরও ভড়কে যেত! সুড়ঙ্গ যেখানে শেষ হয়েছে, ঠিক সেইখানেই নালার জলও হুড়হুড় করে মস্ত একটা খালের মধ্যে গিয়ে পড়েছে। একটা মস্ত জলপ্রপাত বেয়ে নৌকোয় নামা আমাদের পক্ষে যতটা বিপদের কথা, টিনের সেপাইয়ের পক্ষে নালা থেকে খালে পড়াও তাই।

    ততক্ষণে কাগজের নৌকোটা জলপ্রপাতের এত কাছাকাছি এসে পড়েছিল যে টিনের সেপাই আর দাঁড়িয়ে থাকতে পারছিল না। নৌকোটা ছিটকে এগিয়ে চলল, টিনের সেপাই বেচার যতটা পারে আড়ষ্ট অনড় হয়ে দাঁড়িয়ে রইল ; কেউ বলতে পারবে না যে একটি বারের জন্যেও তার চোখের পলক পড়েছিল। নৌকোটা তিনবার—না তিনবার নয়, চারবার— ঘুরপাক খেল, কানায় কানায় জলে ভরে গেল ; এবার নৌকো ডুববে !

    টিনের সেপাই গলাজলে দাঁড়িয়ে ছিল ; ক্রমে নৌকো আরো তলিয়ে যেতে লাগল, কাগজ আরো নরম হয়ে এল, সেপাইয়ের মাথার উপর দিয়ে জল বয়ে গেল। তখন তার সেই সুন্দরী নর্তকীর কথা মনে হল, তার সঙ্গে আর দেখা হবে না । টিনের সেপাইয়ের কানে এই কথাগুলো বাজতে লাগল,

    দুরন্ত অভিযান, সঙ্কট মহান, কপালেতে লেখা, অচিন মহাপ্রাণ !

    তার পর কাগজটা ছু-টুকরো হয়ে গেল, ফাঁক দিয়ে গলে টিনের সেপাই পড়ে গেল। অমনি একটা মস্ত মাছ তাকে গিলে ফেলল। সে কি অন্ধকার! নালায় পাতা তক্তার তলাতেও এত অন্ধকার ছিল না, আর কি বেজায় সরু জায়গা ! কিন্তু টিনের সেপাইয়ের কোনো আলি-বালি নেই, বন্দুক কাঁধে নিয়েই সে লম্বা হয়ে শুয়ে রইল । মাছটা এদিকে ফেরে, ওদিকে ফেরে, কিলবিল করে অদ্ভুত সব অঙ্গভঙ্গি করে। তার পর হঠাৎ যেন একেবারে থেমে গেল,

    তার শরীরের মধ্যে দিয়ে এক ঝলক বিদ্যুৎ খেলে গেল। তার পরেই ঝকঝকে দিনের আলো ! কে যেন বলে উঠল, “আরে, টিনের সেপাই যে ” ইতিমধ্যে মাছটা ধরা পড়েছিল ; তাকে বাজারে নিয়ে গিয়ে বিক্রি করা হয়েছিল ; তার পর রান্নাঘরে নিয়ে গিয়ে, মস্ত একটা ছুরি দিয়ে দাসী তাকে কুটতে বসেছিল। এবার সে দুই আঙুলে করে তার কোমর ধরে, তাকে একেবারে বসবার ঘরে নিয়ে গেল। মাছের পেটে ভ্রমণ করে এসেছে এমন আশ্চর্য মানুষ দেখতে সবার কি আগ্রহ ! কিন্তু আমাদের সেই ক্ষুদে যোদ্ধার মনে এতটুকু অহংকার হল না।

    ওরা ওকে একটা টেবিলের উপর রাখল আর সেখানে—না, এমন আশ্চর্য ব্যাপার কি পৃথিবীতে কখনো ঘটে? টিনের সেপাই দেখল সে আবার তার সেই পুরনো ঘরেই ফিরে এসেছে, যেখানে সে আগেও ছিল। দেখল সেই একই ছেলেমেয়ে, টেবিলের ওপর সেই একই খেলনা, তার মধ্যে সেই চমৎকার দুর্গে সেই সুন্দরী ছোটো নর্তকী, এখনো সে একপায়ে দাঁড়িয়ে, আরেক পা শূন্যে উঁচু করে রেখেছে; তারও কোনো অদলবদল নেই। তাই দেখে টিনের সেপাই বড়োই অভিভূত হয়ে পড়ল ; ইচ্ছা করলেই সে টিনের চোখের জলও ফেলতে পারত, কিন্তু সেরকম ব্যবহার তো আর টিনের সেপাইকে শোভা পায় না ! সেপাই মেয়েটির দিকে তাকাল, মেয়েটি সেপাইয়ের দিকে তাকাল, কিন্তু কেউ কোনো কথা বলল না।

    হঠাৎ ছোটো ছেলেগুলোর মধ্যে একজন টিনের সেপাইকে তুলে নিয়ে, কথা নেই বার্তা নেই, একেবারে উনুনের মধ্যে ফেলে দিল। কেন এমন করল, তার কোনো কারণ দেখাল না সে, কিন্তু নিঃসন্দেহে এর মধ্যে নস্তির কোঁটোর জাদুকরের হাত ছিল । এক ঝলক লাল আলোর মাঝখানে টিনের সেপাই দাঁড়িয়ে রইল। তার বেজায় গরম লাগছিল, তবে সেটা সত্যিকার আগুনের জন্য, নাকি তার মনের ভিতরকার ভালোবাসার আগুনের জন্য, সে নিজেও জানত না। তার গায়ের সব রঙ জ্বলে গিয়েছিল। সেটা নানান জায়গায় ভ্রমণ করার সময়ই হয়েছিল, নাকি আবেগের আতিশয্যে হয়েছিল, তা জানি না। সে ছোটো নর্তকীর দিকে চাইল, ছোটো নর্তকী তার দিকে চাইল ; সেপাই টের পেল সে গলে যাচ্ছে, তবু তার অদলবদল নেই, বন্দুক কাঁধে করে খাঁড়া দাঁড়িয়ে রইল। তার পর কে যেন দরজা খুলতেই, মেয়েটি বাতাসে উড়ে, আকাশের পরীর মতো সোজা উনুনের মধ্যে টিনের সেপাইয়ের কাছে চলে এল। সঙ্গে সঙ্গে দুজনে জ্বলে উঠে, একেবারে মিলিয়ে গেল। টিনের সেপাই গলে গিয়ে ছাইয়ের উপর ফোট-ফোটা হয়ে পড়তে লাগল। পরদিন সকালে দাসী যখন উনুনের ছাই বের করে নিয়ে গেল, দেখল সেপাইয়ের টিনের শরীর গলে গিয়ে ছোটো একটি হরতনের মতো হয়ে আছে। সুন্দরী নর্তকীর শুধু সোনালি ডানাটি বাকি ছিল, তাও জ্বলেপুড়ে কালো কয়লার মতো হয়ে গিয়েছিল ।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসব ভুতুড়ে – লীলা মজুমদার
    Next Article পাকদণ্ডী – লীলা মজুমদার

    Related Articles

    লীলা মজুমদার

    বদ্যিনাথের বড়ি – লীলা মজুমদার

    November 27, 2025
    লীলা মজুমদার

    হলদে পাখির পালক – লীলা মজুমদার

    November 27, 2025
    লীলা মজুমদার

    বাঘের চোখ – লীলা মজুমদার

    November 27, 2025
    লীলা মজুমদার

    গুপির গুপ্তখাতা – লীলা মজুমদার

    November 27, 2025
    লীলা মজুমদার

    পদিপিসীর বর্মিবাক্স – লীলা মজুমদার

    November 27, 2025
    লীলা মজুমদার

    টং লিং – লীলা মজুমদার

    November 27, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }