Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য অর্ডার অব দ্য ফনিক্স (৫) – জে. কে. রাওলিং

    জে. কে. রাওলিং এক পাতা গল্প963 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১৬. ইন দ্য হগস হেড

    ১৬. ইন দ্য হগস হেড

    হারমিওন দুসপ্তাহব্যাপী ডার্ক আর্ট প্রতিরোধের শিক্ষা দেয়ার সময় একবারও হ্যারির কথা বললো না। ওদিকে হ্যারির আমব্রিজের দেয়া শাস্তির দিনও শেষ পর্যন্ত শেষ হলো। হাতের চেটোতে কাটা দাগগুলো মিটে যাবে কিনা তার সন্দেহ রয়ে গেলো। রন চার চারটে কিডিচ প্র্যাকটিস ম্যাচে অংশগ্রহণ করলো। শেষের দুটোতে চেঁচামেচি করলো না। ওরা তিনজনে ট্রান্সফিগারেসন ক্লাশে উঁদুর অদৃশ্য ঠিকমতো করলো, যদিও হারমিওন বেড়াল অদৃশ্য করার পদ্ধতি অনেকটা আয়ত্ব করেছিল। সেপ্টেম্বর মাসের শেষে অদৃশ্য করা বিষয়টি আবার শুরু হবার পূর্বে এক ঝড়ো সন্ধ্যায় ওরা লাইব্রেরিতে বসে স্নেইপের জন্য পোসন উপকরণ খোঁজ করছিলো।

    হারমিওন হঠাৎ বললো, আমি একটা কথা ভাবছিলাম, হ্যারি তুমি কী ডার্ক আর্টের প্রতিরোধের কথা ভেবেছো।

    –কেন ভাববো না, অবশ্যই ভেবেছি। কেমন করে ভুলবো, ওই বুড়িটার কাছে আমরা কি শিখবো, হ্যারি বদ মেজাজের সঙ্গে বললো।

    –আমি আমাদের সেই আইডিয়ার কথা বলছিলাম।

    রন, হারমিওনকে চোখ পাকালো। হারমিওন ভুরু কোঁচকালো এবং বললো ঠিক আছে, সেই ডার্ক আর্ট প্রতিরোধের কথা বলছিলাম, মানে তুমি যদি শেখাতে।

    হ্যারি তৎক্ষণাৎ কোনও জবাব দিলো না। ও এসিয়াটিক অ্যাস্টিভেনম বই এর পাতা ওল্টাতে লাগলো। এমন ভান করে রইলো, যেন হারমিওনের কথা ওর কানে যায়নি। আসলে ওর মনের মধ্যে কি ঘুরপাক খাচ্ছে প্রকাশ করতে চায় না।

    গত পনের দিন একনাগাড়ে ও হারমিওনের কথাগুলো ভেবেছে। মাঝে মাঝে মনে হয়ে, পাগলের প্রস্তাব। তারপরই ও ভাবতে বসে যায় যেসব স্পেলস ডার্ক ক্রিচারস আর ডেথইটারসদের সঙ্গে লড়াই করবার সময় ও প্রয়োগ করেছিলো সেইগুলো। সত্যি কথা বলতে কি, ওর অবচেতন মনে হারমিওনের আইডিয়া ঘুরপাক খাচ্ছে সব সময়, শিক্ষাদানের প্ল্যান।

    –ও হ্যাঁ আমি মাঝে মাঝে একটু ভেবেছি

    –সত্যি? হারমিওন খুশিতে উপচে পড়লো।

    হ্যারি চেয়ারে ভাল হয়ে বসে বললো–তোমাদের বলেছিলাম না সবই ভাগ্যের ওপর নির্ভর করে।

    –হারমিয়ন বললো, হ্যাঁ হ্যারি, তুমি অযথা ভান করে চলেছো ডার্ক আর্টের প্রতিরোধ সম্বন্ধে তোমার কোনও জ্ঞান নেই। একমাত্র তুমি গত বছরে ইমপেরিয়াস কার্স ঠিকমতো ব্যবহার করেছিলে। তুমি পেট্রোনাস বানাতে পারো, পাকা জাদুকরের মতো তুমি সব করতে পারো। অনেক পাকা জাদুকরও আবার তোমার মতো পারে না। ভিক্টর সব সময়ে বলে।

    রন লাল চোখে হারমিওনের মুখের দিকে তাকালো–ওহ তাই? তা তোমার ভিকি কি বলে?

    হারমিওন বললো, বলেছে হ্যারি অনেক কিছু জানে যা ও জানে না, যদিও ও এখন ড্রামস্ট্যাংগ-এ ফাইনাল ইয়ারে। রন হারমিওনের দিকে কৌতূহলী চোখে তাকালো।

    –তুমি এখনও ওর সঙ্গে সম্পর্ক রেখে চলেছো? সত্যি?

    –যদি তাই হয়, তাতে দোষ কি, হারমিওন বললো। কথাটা বলার সময় ওর গালটা সামান্য লাল হয়ে গেলো, আশ্চর্য! আমার পেন-পল রাখার অধিকার নেই?

    –তোমর একমাত্র পেন-পল ও নয়, রন খোচা দিলো।

    হারমিওন রনের কথাতে মোটেই কান দিলো না। হ্যারিকে বললো, যাকগে কি ঠিক করলে? আমাদের শেখাবে?

    –শুধু তোমাকে আর রনকে, আর কাউকে নয়।

    –ওয়েল, হারমিওন বললো, আমার কিন্তু মত বদলাবে না হ্যারি। আমার মতে তোমার যাকে ইচ্ছে শেখাতে পারো, অবশ্য তারা যদি শিখতে চায়। হ্যাঁ, আমরা ভো… ভোল্টেমর্টের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের কথা বলছিলাম। রন, অযথা উল্টো চিন্তা করবে না, অন্যদের সুযোগ না দেয়া ঠিক হবে।

    হ্যারি দুএক মিনিট চুপ করে থেকে বললো–আমার তো মনে হয় না তোমরা দুজন ছাড়া কেউ আমার কাছে ডার্ক আর্টের ডিফেন্স শিখতে চায়। মনে রেখো আমি কিন্তু একটু শক্ত গোছের লোক।

    –না তা নয়, তুমি শুনে আশ্চর্য হবে। হারমিওন বললো। অনেকেই শিখতে চাইছে, রন মন দিয়ে ওদের কথা শুনছিলো। জানতো অক্টোবর মাসের প্রথম উইক এন্ড হচ্ছে হগসমিড উইক এন্ড। ওখানে গ্রামের লোকেরা জানতে পারলে অনেকেই শিখতে আসবে, আমরা ওদের সঙ্গে কথা বলতে পারবো।

    ঠিক আছে, স্কুলের বাইরে আমাদের করতে হবে কেন, রন বললো।

    –কারণ, আমব্রিজ জানতে পারলে খুশি হবেন না। হারমিওন চাইনিজ চমপিং ক্যাবেজ খেতে খেতে বললো।

    ***

    হ্যারির উইক এন্ড ট্রিপে যাবার জন্য খুবই উৎসাহ। তাহলেও একটা ব্যাপারে ও খুবই চিন্তিত। সিরিয়স! সেপ্টেম্বরের গোড়ায় আগুনের মধ্য থেকে আমার সঙ্গে দেখা করার পর আর ওদের সঙ্গে যোগাযোগ করেননি। হ্যারি জানে, সিরিয়সকে হোগার্টসে না আসতে বলার জন্য ও খুব দুঃখিত এবং রেগে আছে। তাহলেও সিরিয়াস যেকোনও সময় আসতে পারেন, নানাভাবে খবরও নিতে পারেন।

    কালো কুকুর বেশি সিরিয়স যদি হগসমিডে এসে ওদের সঙ্গে সঙ্গে চলতেন, বিশেষ করে ড্রাকো ম্যালয়ের সামনে তাহলে……?

    রন বললো, ইচ্ছে হলে সিরিয়স আসবেন, আমরা তো বাধ্য করতে পারি না। কথাটা ও বললো যখন হ্যারি হারমিওনকে সিরিয়সের হগসমিডে আসার প্রসঙ্গে বলেছিলো।

    –বলছিলাম, গত দুবছর ধরে এমন অবস্থায় রয়েছে তাই না? হাসতে পারে, কারও সঙ্গে কথা বলতে পারে না, একটা এলফের সঙ্গে দিন-রাত তাকে কাটাতে হয়।

    হারমিওন হ্যারিকে বললো–ভোল্ডেমর্ট যতদিন না সকলের সামনে দাঁড়াচ্ছে ততোদিন সিরিয়সকে লুকিয়ে থাকতে হবে, তাই না? স্টুপিড মন্ত্রণালয় বুঝতে পারছে না সিরিয়স কোনও দোষ করেনি। ডাম্বলডোরের কথা সত্য বলে মেনে নেওয়া উচিত। আসল ডেথ ইটারদের ধরার চেষ্টা না করলে সিরিয়স যে মার্কামারা নয় তা বুঝতে পারবে না।

    রন চাঙ্গাসুরে বললো, আমার তো মনে হয় না সিরিয়স খুব বোকা, জানেন ধরা পড়তে পারেন। ডাম্বলডোর জানতে পারলে ক্ষেপে যাবেন। সিরিয়সও ডাম্বলডোরকে মোটেই অমান্য করেন না। যা বলেন তাই করেন ও শোনেন বুঝলে?

    উদ্বিগ্ন হ্যারির মুখের দিকে বেশ খানিকটা সময় তাকিয়ে থেকে হারমিওন বললো, শোনোরন, আমি ডার্ক আর্ট প্রতিরোধ সম্বন্ধে দুচারজনের সঙ্গে কথা বলেছি, আশা করছি ওরা হাসমিডে আসবে। হ্যারির মন পড়ে রয়েছে সিরিয়সের ওপর। শুনেছে অথবা ভাল করে শোনেনি ওর কথা। বললো, ঠিক আছে।

    হারমিওন খাটি কথা বলেছে। ওর অনেক হোমওয়ার্ক পড়ে রয়েছে। তাহলেও ইদানীং আমব্রিজের কবল থেকে ডিটেনসনের মুক্তির পর লেখাপড়া ভালই করছে। কিডিচ খেলা প্র্যাকটিসের জন্য রন হ্যারির থেকে মোটামুটি পিছিয়ে পড়েছে। তার ওপর ওর রয়েছে প্রিফেক্টের কাজকর্ম। হারমিওন ওদের থেকে আরও অনেক বেশি সাবজেক্টের পড়াশুনা, হোমওয়ার্ক করলেও, কোনও ক্ষেত্রে পিছিয়ে নেই। সময় পেলেই এলফদের জন্য মোজা বুনে চলেছে।

    হগসমিডে যাবার সকালটা ওদের কাছে শুধু ঠাণ্ডা লাগছে, ভোররাত থেকে কনকনে হাওয়া বইছে। ব্রেকফাস্টে যাবার সময় যেসব ছাত্র-ছাত্রী তাদের বাবা-মা অভিভাবকদের কাছ থেকে অনুমতি পেয়েছে লিস্টে ফিল তাদের নাম রেখেছেন। ছাত্রছাত্রীরা সব লাইন বেঁধে দাঁড়িয়ে রয়েছে।

    হ্যারির দাঁড়িয়ে থাকতে থাকতে মনে হল সিরিয়সের সঙ্গে দ্যাখা করবার কথা হলে হগসমিডে যেতো না। ও ফিলচের কাছে দাঁড়াতেই ফিলচ এমনভাবে ওর দিকে তাকালেন যেন হ্যারির মন থেকে কিছু মতলব জানতে চান। হ্যারি ওর দিকে তাকিয়ে ঠাণ্ডা বরফের মত পাথরের সিঁড়ি দিয়ে নিচে নামলো। বাইরে তখন মেঘবিহীন আকাশে সূর্য গন গন করছে।

    রন বললো, এই হ্যারি, ফিলচ তোমার দিকে তাকিয়ে বোকার মতো হাসছিল কেনো? হ্যারি আর হারমিওন তখন পাশাপাশি হাঁটছিল গেটের দিকে যাবার জন্য।

    –মনে হয় আমার গায়ে গোবরের গন্ধ আছে কিনা দেখছিল। হ্যারি মৃদু হেসে বললো, ও হ্যাঁ তোমাকে একটা কথা বলতে ভুলে গেছি।

    হ্যারি যখন রনকে সিরিয়সের চিঠির কথা বলছিল তখন লাফিয়ে এসে সেই চিঠিটা দেখতে চাইলো। হ্যারি হারমিওনের চিঠিটা সম্বন্ধে দারুণ আগ্রহ দেখে একটু আশ্চর্য হয়ে গেলো। ওর চেয়েও যেনো বেশি উৎসাহ!

    ~ ও বলছে তুমি নাকি ডাংগবোম্ব বরাত করেছে তার জন্য তোমার নাম বাদ দিয়েছে?

    –আমি সে রকম কিছু তো জানি না, হ্যারি বললো।

    –খুব সম্ভব ম্যালফয়দের বাঁদরামী।

    ওরা গ্রামের দিকে চললো। ঠাণ্ডা কনকনে দূরন্ত হাওয়া এসে ওদের মাথার চুল যেন উড়িয়ে নিয়ে যাবে। বার বার ওরা উড়ে আসা চুল চোখ মুখের থেকে সরাতে লাগলো।

    –ম্যালফয়, হারমিওন দাঁতে দাঁত লাগিয়ে চিবিয়ে চিবিয়ে বললো, হ্যাঁ তা হতে পারে।

    হগসমিডের বাইরের রাস্তা ধরে ওরা নীরবে চলতে লাগলো।

    –আমরা কোথায় চলেছি? হ্যারি জিজ্ঞেস করলো।

    –আমি ওদের হগসমিডে আসতে বলেছি। ওখানে যাবার রাস্তাটা মেইন রোডে নয়। হগসমিড বার হিসেবে মন্দ নয়। তবে থ্রি ব্রুমস্টিকের মতো নয়। ওটা একটু ঝুঁকিপূর্ণ পাব। ছাত্রছাত্রীরা ওখানে খুব একটা যায় না। তাই আমাদের আলাপ-আলোচনায় কেউ কান দেবে না।

    জোনকোর উইজার্ডিং জোক শপ পেরিয়ে মেইন স্ট্রিট ধরে ওরা হাঁটতে লাগলো। পথে ওদের ফ্রেড, জর্জ, লী জোর্ডানের সঙ্গে দেখা হয়ে গেলো। পথের শেষে ছোট একটা সরাইখানা চোখে পড়লো। ভাঙাচোরা সাইনবোর্ড, একটা মরচে ধরা ব্লকে বুনো ভালুকের কাটা মাথার ছবি ঝুলছে, রক্ত ঝরছে একটা সাদা কাপড়ে। ঠাণ্ডা হাওয়াতে সাইনবোর্ড দুলছে। হ্যারি বললো, আমব্রিজ ছদ্মভাবে বসে নেইতো!

    হারমিওন বোরখায় ঢাকা জাদুকরীর দিকে তাকিয়ে বললো, ধ্যাৎ আমব্রিজ ওদের চেয়ে লম্বায় অনেক ছোট। যদি আমিব্রজ এসেও থাকে তাহলে আমাদের ঘেঁচু করবে। হ্যারি, আমি স্কুলের আইন বেশ কয়েকবার ভাল করেই পড়েছি। এখানে আসা আমাদের আউট অফ বাউন্ডস (নিষিদ্ধ নয়। আমি এখানে আসার আগে ফ্লিটউইককে ভাল করেই জিজ্ঞেস করে নিয়েছি। হগসমিড আমাদের আসা নিষিদ্ধ নয়। তবে বলেছেন, আমরা যেন সঙ্গে করে নিজেদের গেলাস নিয়ে যাই। হোম ওয়ার্ক আর স্টাডি গ্রুপের ছাত্রছাত্রীদের এখানে আসা মানা নয়। তাহলেও আমার মনে হয় এখানে কি করতে এসেছি কাউকে না বলাই ভাল।

    –না, কোনমতেই আমরা হোমওয়ার্ক গ্রুপ নই, হ্যারি শুস্ক স্বরে বললো। অতএব এমন প্ল্যান না করাই ভাল। বারম্যান বড় বড় পাকা দাড়িওয়ালা বেশ রোগা লম্বা এক বৃদ্ধ। ওদের ভাসা ভাসা চোখে একটা ব্যাক রুম দেখালো। হ্যারির ওকে চেনা চেনা মনে হলো।

    –কি খাবে তোমরা? বৃদ্ধ বললো।

    –তিনটে বাটার বিয়র, হারমিওন বললো।

    বৃদ্ধ কাউন্টারের তলা থেকে তিনটে বোতল বার করলো। বোতলের সুর দেখে ওদের চিত্ত চরকগাছ। যেমনি নোংরা, তেমনি ধূলো মাখা। বোতল তিনটে শব্দ করে টেবিলে রেখে বৃদ্ধ বললো, সিক্স শিকলস।

    –আমি দিচ্ছি, হ্যারি রূপোর শিকলস বার করে বারম্যানের হাতে দিলো। বারম্যান খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে হ্যারিকে দেখে ওর কপালের কাটা দাগের দিকে তাকালো। তারপর ও কয়েনগুলো অতি নড়বড়ে ভাঙা কাঠের তৈরি দেরাজে রেখে দিলো। দেরাজের পাল্লাটা না টানতেই আপনা-আপনি খুলে গেলো। হ্যারি, রন আর হারমিওন বড় দেখে একটা টেবিলে বসে পড়ে বারের চারধারে তাকালো। নোংরা ব্যান্ডেজে আবৃত করা জাদুকরী বারম্যানকে আর এক বোতল স্মোকিং ড্রিংক নিয়ে আসতে বললো।

    রন বললো–তোমরা জানো এখানে আমরা যা খুশি তা অর্ডার করতে পারি। ওই লোকটাকে (পুরুষটাকে) যা অর্ডার করবো তাই এনে দেবে। আমার ফায়ার হুইস্কি খেতে মন চাইছে।

    হারমিওন চোখ পাকিয়ে বললো, রন তুমি একজন প্রিফেক্ট কথাটা মনে রাখবে।

    ওর মুখের হাসি মিলিয়ে গেলো, ও হ্যাঁ–ঠিকই বলেছে।

    –তাহলে কারা আমার সঙ্গে এখানে কথা বলবে বলেছিলে হারমিওন? হ্যারি বাটার বিয়রের মরচে পড়া মুখের ক্যাপ খুলতে খুলতে বললো।

    হারমিওন বারের দরজার দিকে তাকিয়ে হাতের রিস্টওয়াচে সময় দেখে বললো–দুএকজন। আমি ওদের এখানে এই সময়ে আসতে বলেছিলাম, ওহো! মনে হয় এসে গেছে।

    পাবের দরজাটা বাইরে থেকে কেউ খুলতেই ধুলো মিশ্রিত সূর্য কিরণ ঘরে সামান্য প্রবেশ করেই দরজায় অনেক লোক দাঁড়াবার সাথে সাথে উধাও হয়ে গেল।

    ঘরে ঢুকলো প্রথমে নেভিল, তার পিছন পিছন ডিন আর ল্যাভেন্ডর। পার্বতি, পদ্মা পাতিল আর চো। চোকে দেখে হ্যারির পেটের ভেতরটা গুড় গুড় করে উঠলো। ওর সঙ্গে রয়েছে আবার লুনা লাভগুড। তাছাড়া কেটি বেল, অ্যালিসিয়া স্পিনেট, অ্যাঞ্জেলিনা জনসন, কলিন, ডেনিস ক্রিভে, এরনি ম্যাকমিলন, জস্টিন ফিঞ্চ, ফেঞ্চলে, হান্না অ্যারট হাফপাফের একটি মেয়ে (হ্যারি ওর নাম জানে না) ওর পেছনে রয়েছে তিনটি র‍্যাভেন ক্ল হাউজের ছাত্র! অ্যান্থনি গোল্ড স্টেইন, মাইকেল কর্নার, টেরী বুট আর জিনি। ওদেরই সঙ্গে লম্বামতন আর একটি হাফ লপাফের ছেলে, কিডিচ টিমের প্লেয়ার। নামটা ওর মনে পড়ছে না। তাছাড়া রয়েছে ফ্রেড, জর্জ, লী জোড়ান। ওদের তিনজনের হাতে বিরাট পেপার ব্যাগ ভর্তি, তাতে জোংকোর জিনিসপত্র।

    হ্যারি হারমিওনের দিকে আড়চোখে তাকিয়ে বললো, ওহো মাত্র দু একজন, তাই না?

    হারমিওন খুশিতে উপছে পড়ে বললো, হ্যাঁ তাই। রন তুমি আরও চেয়ার ওদের বসার জন্য আনবে?

    বড় টেবিলে বসার মতলব হ্যারি এবার বুঝতে পারলো।

    বারম্যান একটা কাঁচের গেলাস একটা শতচ্ছিন্ন নোংরা ডাস্টার দিয়ে মুছতে লাগলো। ওর মুখ দেখে মনে হয় এর আগে পাবে এতো মানুষের আগমন দেখিনি! একটু যেনো হতভম্ব হয়ে গেছে।

    –হায়! ফ্রেড ওর কমপেনিয়নদের কাউন্ট করতে করতে বললো, আমাদের কি পঁচিশটা বাটার বিয়র বোতল দিতে পারবে?

    বারম্যান ফ্রেডের মুখের দিকে এক মুহূর্তে তাকিয়ে হাতের ছেঁড়া ময়লা ডাস্টারটা ছুঁড়ে ফেলে দিলো। ভাবটা ফ্রেড ওকে একটা দরকারি কাজের সময় বিরক্ত করেছে। ও তারপর কাউন্টারের তলা থেকে ধূলো ময়লা ভর্তি বোতল বার করে টেবিলে রাখতে লাগলো।

    ফ্রেড ওর হাতের বোতলের ছিপি খুলে শূন্যে তুলে বললো, চীয়ার্স! নাও যে যার বোতল, তোমাদের জন্য কিন্তু আমি প্রচুর সোনা আনতে পারিনি।

    হ্যারি দেখল সব ছেলে–মেয়েরা এক একটা বোতল নিয়ে দাম দেবার জন্য রোবের পকেট থেকে কয়েন বার করছে, ও ঠিক বুঝতে পারলো না ওরা কেন এই ছোট নোংরা পাবে জমায়েত হয়েছে। তারপরই ওর হারমিওনের কথা মনে পড়ে গেলো। তাহলে কী ওকে ডার্ক আর্ট প্রতিরোধের ভাষণ দিতে হবে?

    ও খুব চাপা গলায় হারমিওনকে বললো–তুমি ওদের কি বলেছো? ওরা কি শুনতে এসেছে, কেনই বা এসেছে দল বেঁধে হগসমিডে?

    হারমিওন মিষ্টিভাবে বললো, ওদের তোমার কথা শোনাবার জন্য ডেকেছি।

    হ্যারি হারমিওনের দিকে অসম্ভব এক ক্রুব্ধ দৃষ্টিতে তাকালো। হারমিওন তৎক্ষণাৎ বললো, তোমাকে প্রথমে কিছু বলতে হবে না, আমি শুরু করছি।

    নেভিল হ্যারির দিকে তাকিয়ে বললো, হাই হ্যারি। ঠিক হ্যারির বিপরীতে একটা চেয়ারে বসে পড়লো।

    হ্যারি কিছু বলতে গিয়েও পারলো না। ওর মুখটা অসম্ভব শুকিয়ে গেছে, কথা বেরোচ্ছে না। চো এসে বনের পাশে বসলে, ওর লাল কোকড়ানো চুলওয়ালা বান্ধবী শুধু হাসলো। তারপর এমনভাবে হ্যারির দিকে তাকালা যে পাবে অযথা এসে সময় নষ্ট করছে।

    আরও দুচারজন নতুন লোক এসে হ্যারি, রন আর হারমিওনকে ঘিরে বসলো। ওদের মধ্যে কেউ কেউ খুব উত্তেজিত, কিছু কৌতূহলী, লুনা লাভগুড ওদের মাঝে দার্শনিকের মতো ভাবে বিহ্বল হয়ে বসে রইলো। সকলে চেয়ার টেনে একত্র হয়ে বসার পর কথাবার্তাও থেমে গেলো। সকলের দৃষ্টি তখন হ্যারির ওপর।

    –হা, তোমরা সবাই মনোযাগ দিয়ে শোন। হারমিওন বেশ জোরে জোরে উঁচু গলায় বললো, ওয়েল, হাই।

    সকলে ওর দিকে তাকালেও ওদের মন কিন্তু হ্যারির দিকে।

    হা তোমরা বোধহয় জানো আজ আমরা কেন এখানে মিলিত হয়েছি। হ্যারির একটা আইডিয়া আছে, মানে বলতে চাইছি (হ্যারি হারমিওনের দিকে তীব্র দৃষ্টিতে তাকালো) ডার্ক আর্ট প্রতিরোধের ব্যাপারে আমার একটা আইডিয়া আছে, সেটা যদি তোমরা ভাল করে বুঝে নাও, তাহলে ভাল হবে। তোমরা সবাই জানো প্রফেসর আমব্রিজ প্রকৃতপক্ষে আমাদের সঙ্গে খুব একটা ভাল ব্যবহার করছেন না, রাবিশ বলতে পারো তাকে (হারমিওনের গলা খুব তীক্ষ্ম আর আত্মবিশ্বাস সম্পন্ন। হয়ে গেলো)। কারোও তার বিরুদ্ধে বলার সাহস নেই। উনি ডার্ক আর্ট প্রতিরোধের ব্যাপারে যা বলছেন তা আমরা সুবোধ বালক-বালিকার মতো মেনে চলেছি। (বাঃ বাঃ ঠিক বলেছো। অ্যানথনি গোল্ডস্টেইন হাত তালি দিলো। হারমিওন ওর দিকে তাকালো) আমার মানে, আমাদের বিশ্বাস যদি প্রতিরোধের ব্যাপারটা নিজেদের হাতে তুলে নিই তাহলে কেমন হয়।

    সামান্য থেমে ও পাশে বসা হ্যারির দিকে আড়চোখে তাকালো। তারপর বললো, তাই আমাদের বই পড়ে নয় কাজ করে শিখতে হবে। থিয়োরী আর প্র্যাকটিক্যাল অনেক তফাৎ। আসল হলো স্পেলে যাতে কাজ হয় সেজন্য সেটা প্রয়োগ করতে হবে।

    –তুমি তাহলে তোমার ডার্কআর্টের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের যথাযথ মন্ত্র আউল এক করতে চাইছে। ঠিক বলেছি? মাইকেল করনর হারমিওনকে খুঁটিয়ে দেখতে দেখতে প্রশ্ন করলো।

    –হারমিওন ক্ষণিক নীরব থেকে বললো, অবশ্যই করছি, কিন্তু মুখে বললে হবে না তার জন্য ঠিক শিক্ষার প্রয়োজন আছে। কারণ… হারমিওন খুব বড় দেখে একটা শ্বাস নিয়ে বসতে বসতে বললো। তোমরা কী জানো লর্ড ভোল্ডেমর্ট ফিরে এসেছেন?

    কথাটা বলার সঙ্গে সকলের প্রতিক্রিয়া যে কি বলে বোঝানো যাবে না। চোর বান্ধবী আঁৎকে উঠে গুম মেরে গেলো অজানা ভয়ে। ওর হাত থেকে বাটার বিয়র ছিটকে পড়লো, অস্বাভাবিকভাবে কেঁপে কেঁপে উঠলো। পদ্মা পাতিল এমনভাবে কাপতে লাগলো যেনো মাটিতে পড়ে যাবে। নেভিল ভয় কাটাবার জন্য কাশতে লাগলো। বাকি সকলে হ্যারির দিকে উৎসুক হয়ে তাকিয়ে রইলো।

    –ওয়েল, এটাই আমাদের পরিকল্পনা, হারমিওন বললো, তোমরা যদি আমাদের সঙ্গে হাত মেলাতে চাও তাহলে কেমনভাবে, কোন পথে চলব তা মিলেমিশে কথাবার্তা বলে ঠিক করতে হবে।

    হাফলপাফের ব্লন্ড খেলোয়াড় বললো, ইউ-নো-হু ফিরে এসেছে তার প্রমাণ কোথায়? ওর কথায় মারমুখী ছাপ!

    –ডাম্বলডোর বিশ্বাস করেন, হারমিওন বললো।

    –হ্যারি, ডাম্বলডোর ছাড়া তুমিও কী বিশ্বাস করো? হাফল পাফের ছেলেটি বললো।

    হ্যারি বেশ কড়াস্বরে বললো, তুমি কে?

    –জ্যাকেরিয়া স্মিথ ছেলেটি বললো, আমি মনে করি আমাদের এ সম্বন্ধে জানার সম্পূর্ণ অধিকার আছে। কেমনভাবে জানলে ইউ-নো-হু ফিরে এসেছে?

    –শোনো, আজকের মিটিং-এ ইউ-নো-হু ফিরে এসেছে কি আসেনি সেই সম্বন্ধে আলোচনা করতে আসা হয়নি। মিটিংয়ের আসল উদ্দেশ্য, হারমিওন বললো।

    –হারমিওন, ঠিক আছে ঠিক আছে, হ্যারি বললো। ছেলেটি হাসমিডে আসার আগে ব্যাপারটা ঠিক বোঝেনি।

    ইউ-নো-হু ফিরে এসেছে, কি আসেনি, তুমি সেই সম্বন্ধে জানতে চাইছো? আমি স্বচক্ষে তাকে দেখেছি। ডাম্বলডোরও স্কুলের সব ছাত্রছাত্রী টিচারদের বলেছেন। তুমি যদি তার কথা বিশ্বাস না করো, তাহলে আমাকে বিশ্বাস করার কোনও কারণ নেই। আমি কারও বিশ্বাস উৎপাদনের জন্য সুন্দর বিকেলটা নষ্ট করতে চাই না, হ্যারি বললো।

    হ্যারির বলার সময় সমস্ত ছাত্রছাত্রী দম বন্ধ করে শুনলো। হ্যারির মনে হল সেই রোগা পটকা বারম্যানও ওর কথা আগ্রহের সঙ্গে শুনলো। ও একই গেলাস বার বার নোংরা, ছেঁড়া, ময়লা কাপড় দিয়ে মুছতে লাগলো। মোছার সময় আরও যেন বেশি নোংরা করে দিলো গ্লাসগুলো।

    জ্যাকেরিয়া বললো, গত বছর গ্রেট হলে প্রফেসর ডাম্বলডোর ডিগরির ইউ নো–হুঁর দ্বারা মৃত্যু, তারপর ওর মৃতদেহ নিয়ে তোমার হোগার্টসে ফেরা ইত্যাদি সম্বন্ধে খোলাখুলি আমাদের কিছু বলেননি। আমরা তোমার মুখ থেকে আসল ব্যাপারটা জানতে চাই।

    –কেমন করে ডিগরি নিহত হয়েছিল তোমরা যদি সে সম্বন্ধে জানতে এসে থাকো, আর ভোল্ডেমর্ট কতটা ইনভলভড ছিলো, তাহলে আমি তোমাদের আশাহত। করছি, হ্যারি বললো। ও কথাগুলো জ্যাকেরিয়ার মুখের দিকে তীব্র দৃষ্টিতে তাকিয়ে বলে গেলো। ইদানীং ও শান্ত থাকতে পারে না। জ্যাকেরিয়া ওকে যেন উসকে দিলো আরও শক্ত কথা বলার জন্য।

    হ্যারি শুধু জ্যাকেরিয়া স্মিথের দিকে তাকিয়ে রইলো, ভুলেও চোর দিকে তাকালো না। আমি এখানে সেড্রিক ডিগরি সম্বন্ধে কিছু বলতে আসিনি।

    হ্যারি ভেবেছিল ওর সাফ কথা শোনার পর জ্যাকেরিয়া একলা নয়, আরও অনেকে পাব থেকে চলে যাবে, কিন্তু দেখলো কেউ চেয়ার ছেড়ে না উঠে হ্যারির মুখের দিকে তাকিয়ে রইলো।

    –অতএব, হারমিওন গলার স্বর উঁচু করে সোজা তাকিয়ে বললো, আমি বলেছিলাম তোমরা যদি কেতাবী ঢং ছেড়ে সত্যি করে ডার্ক আর্টের বিরুদ্ধে লড়তে চাও তাহলে এখন, এখানেই বসে ঠিক করে নাও কবে, কোথায়, কতোবার আমরা সেই সম্বন্ধে বিষদ আলোচনা করতে একত্রিত হবো।

    বড় বড় চুলওয়ালা মেয়েটি হ্যারির দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে বললো, ওহ তাহলে তো তুমি প্যাট্রোনাস প্রয়োগ করতে পারো? ওর কথা শুনে অনেকেই নিজেদের মধ্যে গুণগুণ করে উঠলো। হ্যারি সামান্য আত্মরক্ষার সুরে বললো, অবশ্যই পারি।

    –একটি কর্পোরিয়েল (বাস্তব বা ভৌতিক) প্যাট্রোনাস? কথাটা হ্যারির স্মৃতির মধ্যে কিছু নাড়াচাড়া করে উঠলো।

    –তুমি কি ম্যাডাম বোনসের নাম শুনেছো? হ্যারি প্রশ্ন করলো। বললো, বিলি আমার আন্টি। মেয়েটি হাসলো। আমার নাম সুসান বোনস। বিলি আমাকে তোমার কথা বলেছেন। তুমি যা বলছে সত্যি? তুমি হরিণের মাথাযুক্ত প্যাট্রোনাস ব্যবহার করেছো?

    –হ্যাঁ, হ্যারি জোর দিয়ে বললো।

    –ঈশ্বর আমাকে অন্ধ করে দিন, লী বললো। ওর দৃষ্টির মধ্যে দিনারুন এক প্রভাবের ছাপ। আমি আগে জানতাম না।

    ফ্রেড, হ্যারির দিকে তাকিয়ে হেসে বললো, মা ওকে প্রচার করতে মানা করেছেন। বলেছেন–এমনিতেই তো তোমাকে সকলেই চেনে, জানে।

    –মোটেই ভুল বলেননি, হ্যারি হকচকিয়ে বললো।

    ওর কথা শুনে দুচারজন হো হো করে হেসে উঠলো। সর্বাঙ্গ আবৃত উইচটি একটু নড়েচড়ে বসলো।

    –তুমি কী ডাম্বলডোরের অফিসে তার তরোয়াল নিয়ে ব্যাসিলিস্ককে হত্যা করেছে (পুরানোক্ত সরিসৃপ বিশেষ–এদের চাহনি, নিশ্বাসে যেকোনও প্রাণীর মৃত্যু ঘটতে পারে)? টেরি বুট জানতে চাইলো, ওর ঘরে গতবার যখন গিয়েছিলাম তখন সেখানের এক পোর্ট্রেট আমাকে বলেছিলো।

    –হ্যাঁ ঠিকই বলেছ, হ্যারি বললো।

    জাস্টিন ফিনচ–শিষ দিলো, ক্রিভী ভ্রাতৃদ্বয় নিজেদের মধ্যে সন্ত্রস্ত হয়ে তাকালো! ল্যাভেন্ডার ব্রাউন উঃ করে উঠলো।

    হ্যারি ভেতরে ভেতরে খুবই উত্তেজিত হয়ে উঠলো। সকলের দিকে ঘুরে ফিরে তাকাতে লাগলো। কিন্তু চোর দিকে একবারও তাকালো না।

    –নেভিল বললো, তুমি যখন প্রথমবর্ষের ছাত্র ছিলে, তখন তুমি ফিলোসফ রি স্টোন (পরশপাথর) রক্ষা করেছিলে।

    হারমিওন চাপাস্বরে বললো, ফিলোসফার।

    –হ্যাঁ এবং সেটা ইউ–নো–হুঁর কাছ থেকে, নেভিল কথাটা শেষ করলো। হান্না অ্যাবটের চোখ গ্যালিওনসের মতো গোল গোল হয়ে গেলো। চোও বললো, ওগুলোতো আছেই, তোমরা তো জানো গত বছরে ও ট্রি-উইজার্ড টুর্নামেন্টে ড্রাগনদের শুধু পরাজিত করেনি মার পিপলদের হাত থেকে ও দু একজনকে বাঁচিয়েছিলো।

    সকলেই খুব গভীরভাবে প্রভাবিত হয়ে হারমিওনের প্রস্তাবে উৎসাহ দেখালো। হ্যারি গম্ভীর হয়ে রইলো। ও কাউকে মনের কথা জানতে দিতে চায় না। চো ওকে বাহবা দিয়েছে শুধু কথায় নয় ওর হাবভাবে।

    হ্যারি সকলের দিকে তাকিয়ে বুঝতে পারলো অযথা সময় নষ্ট না করে আসল কাজে আসা যাক।

    ও ধীরে ধীরে বললো–ড্রাগনের সঙ্গে যুদ্ধ, লেকের তলদেশ থেকে মারপি পলদের সঙ্গে লড়াই করে বন্দি উদ্ধার, পরশ পাথর উদ্ধার, ব্যাসিলিস্ক হত্যা, ডিগরির মৃতদেহ ফেরত নিয়ে আসা সম্বেন্ধে বন্ধুদের তারিফ শুনতে আমি আসিনি ও তোমাদের এখানে ডাকিনি। আমাদের সামনে সবচেয়ে বড় দুটি প্রশ্ন, ইউ-নো হুর ফিরে আসা ও তার ডার্ক আর্টের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের শিক্ষা। আমব্রিজের কেতাবী শিক্ষাতে ইউ-নো-হুকে প্রতিহত করা যাবে না। তোমাদের এখন কি করতে হবে, হারমিওনের কাছ থেকে তা তোমরা শুনেছো নিশ্চয়ই শুনেছ।

    হারমিওন বললো, প্রশ্নটা হচ্ছে–আমরা কি হ্যারির কাছ থেকে শিক্ষা গ্রহণ করতে রাজি আছি?

    সকলেই মোটামুটি সম্মতি জানালো।

    হারমিওন খুশি হয়ে বললো, চমৎকার। ওর মুখ দেখে মনে হলো মাথা থেকে বিরাট এক বোঝা নেমে গেছে। বেশ তাহলে পরের প্রশ্ন হচ্ছে, সপ্তাহে বা মাসে কবার আমরা মিলিত হবে শিক্ষার জন্য? আমার মনে হয় সপ্তাহে একদিন হলে ভাল হয়।

    অ্যাঞ্জেলিনা বললো, চুলোয় যাক। আমার কিডিচ প্র্যাকটিসের দিনে যেন ক্লাশ হয়।

    চো বললো–না হবে না। সবদিক দেখে সপ্তাহের দিনটি ঠিক করতে হবে। জ্যাকেরিয়া স্মিথ একই কথা বললো।

    হারমিওন বললো–তা তো নিশ্চয়ই। সপ্তাহের একটা সন্ধেবেলা ঠিক করতে হবে যাতে কারও অসুবিধে না হয়। ও একটু যেন অধৈর্য হয়ে গেছে, কিন্তু তাহলেও জানবে লেসনটা খুবই প্রয়োজনীয়। ভোল্টেমর্টের ডেথইটারদের বিরুদ্ধে লড়াই করা এবং (একরকম ডার্কমার্ক করা ডিমেন্টরস যারা মানুষদের ওপোর ঝাঁপিয়ে পড়ে মেরে ফেলে)… প্রতিরোধ করার শিক্ষা।

    বাহ চমৎকার বলেছো! এরনি ম্যাকমিলন বললো। (হ্যারি আশা করেছিল অনেক আগে কিছু বলবে) ব্যক্তিগতভাবে আমি মনে করি, ভোল্টেমর্টের ডেথইটারস আর ডার্ক আর্টের বিরুদ্ধে একটা খুবই প্রয়োজনীয় আউল এবছর শুরু হলেও এটা খুবই দরকারি।

    কথাটা বলে ও সকলের দিকে তাকালো। ভেবেছিল সকলে একবাক্যে বলবে অবশ্যই না। যখন কেউ কিছু বললো না, ও কিন্ত্র বলে চললো, আমি ব্যক্তিগতভাবে বুঝতে পারছি না মিনিস্ট্রি কেন আমাদের উপর একজন অপদার্থ শিক্ষক চাপিয়ে দিয়েছে, বিশেষ করে এই ক্রিটিক্যাল সময়ে। অবশ্যই ওরা মনে করছে না ইউ নো-হুর প্রত্যাবর্তন! এমন একজন শিক্ষক মিনিস্ট্রি পাঠিয়েছে সে জোরদারভাবে আমাদের প্রতিরোধের স্পেল ব্যবহার করার বাধা দিচ্ছে।

    হারমিওন বললো, আমরা মনে করি এবং তার কারণও জানি, আমব্রিজ কেন চান না আমরা ডার্ক আর্টের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের যথাযথ শিক্ষা পাই। ডাম্বলডোর ছাত্রদের প্রাইভেট আর্মি রূপে গড়ে তুলতে চান কথাটা পাগলের প্রলাপ ছাড়া আর কিছু নয়। আমব্রিজ মনে করেন আমরা মিনিস্ট্রির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য ডাম্বলডোরের প্ররোচনায় একাট্টা হয়েছি।

    বলতে গেলে উপস্থিত সবাই কথাটা শুনে চমকে উঠলো। একমাত্র লুনা লাভগুড বললো, হ্যাঁ, কথাটা সত্যি, শুনেছি কর্নেলিয়স ফাজের নিজস্ব প্রাইভেট আর্মি আছে। (ব্যক্তিগত সৈন্যবাহিনী)

    হ্যারি একরকম লাফিয়ে উঠে বললো, কী বললে? এ ধরনের খবর এই প্রথম লুনা লাভ গুড সবার সামনে দিলো।

    –হ্যাঁ আছে, হ্যালিওপ্যাদের নিয়ে গঠিত আর্মি, লুনা গম্ভীরভাবে বললো।

    হারমিওন বাধা দিয়ে বললো–না, নেই।

    –হ্যাঁ, আছে, লুনা আবার জোর দিয়ে বললো।

    –হ্যালিওপ্যাথস কী? নেভিল ভাসা ভাসা চোখে তাকিয়ে বললো।

    ওরা আগুনের ভূত, লুনা বললো। বলার সময় লুনার অস্বাভাবিক বড় বড় চোখ দুটো আরও বড় হয়ে গেলো। ওদের দেখলেই পাগল মনে হয়। লম্বা লম্বা আগুনের শিখার মত সব আজ্ঞাবাহী প্রাণী লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়ায়, সামনে যাদের পায় তাদের পুড়িয়ে মারে।

    হারমিওন তীক্ষ্মভাবে বললো, নেভিল শোন, আমি বলছি ওদের কোনও অস্তি ত্ব নেই।

    –হ্যাঁ আছে, আমি বলছি আছে। লুনা রেগে মেগে বললো।

    –আমি দুঃখিত, কিন্তু আছে তার প্রমাণ কী? হারমিওন এবার শক্ত সুরে বললো।

    –হাজার হাজার মানুষ নিজের চোখে দেখেছে। তুমি অতি সঙ্কীর্ণমনা, নাকের সামনে না ধরলে কোনও কিছুই বিশ্বাস করতে চাও না।

    হেম হেম (একরকম ধ্বনি), জিনি বললো, মাঝে মাঝে ও আমব্রিজের এমন নকল করে যে যারা দেখে, তারা না হেসে থাকতে পারে না! এখনও কিন্তু আমরা লেসন সম্বন্ধে মানে কবে কখন সমবেত হবো ঠিক করিনি।

    হারমিওন কথাটা শুনে বললো–হ্যাঁ এখনও ঠিক হয়নি জিনি।

    লী জোৰ্ডন বললো, সপ্তাহে একদিন হলে ভাল হয়।

    অ্যাঞ্জেলিনা বললো, কিডিচের কথা মনে রাখতে হবে।

    হারমিওন বললো, তোমার কিডিচ খেলার কথা আমাদের মনে আছে। আমরা আবার কবে কোথায় মিট করছি এখনই সেটা ঠিক করতে হবে।

    খুবই শক্ত ব্যাপার। তাই সকলেই চুপ করে রইলো।

    কেটি বেল বললো, স্কুল লাইব্রেরিতে মিট করলে কেমন হয়?

    হ্যারি বললো, ম্যাডাম পিনস হয়তো আমাদের লাইব্রেরিতে বসে জিঙ্কস করা পছন্দ করবেন না।

    ডিন বললো, ক্লাশ রুম খালি থাকলে?

    রন জোরে জোরে বলে উঠলো, বাহ বেশ বলেছো। ম্যাকগোনাগল হয়তো রাজি হবেন। ট্রি-উইজার্ডসের সময় হ্যারিকে এলাউ করেছিলেন।

    কিন্তু হ্যারি খুব ভাল করেই জানে প্রফেসর ম্যাকগোনাগল কিছুতেই রাজি হবেন না। হোমওয়ার্ক, পড়াশুনো ইত্যাদি করার কথা আলাদা। কিন্তু আমব্রিজের বিরুদ্ধে কিছু করা!

    হারমিওন ওর ব্যাগ থেকে পার্চমেন্ট আর কুইল বার করে বললো–এই মিটিং এ যারা উপস্থিত হয়েছে তারা তাদের নাম লেখো আর পাশে দস্তখত করে দাও। ভেবে চিন্তে দ্যাখা যাবে কবে, কোথায় পরবর্তী মিটিং করা যাবে। ও একটা কথা কিন্তু তোমরা মনে রাখবে, এই মিটিংয়ের কথা কাউকে বলবে না, খুবই গোপনীয়। আমব্রিজ যেনো ঘুনাক্ষরেও জানতে না পারেন।

    ফ্রেড খুব খুশি মনে নাম লিখে দস্তখত করলো। হ্যারি লক্ষ্য করলো অনেকেই নাম লিখে তার পাশে দক্ষত করবে কি করবে না ভাবছে।

    জ্যাকেরিয়া পার্চমেন্টটা ফ্রেডের হাত থেকে নিয়ে সই না করে বললো–পরের মিটিং কবে হবে এরনির কাছে জানতে পারবো।

    ওদিকে হারমিওন লক্ষ্য করলো এরনিও নাম লিখতে চাইছে না। হারমিওন এরনির মুখের দিকে ভুরু কুঁচকে তাকালো।

    এরনি বললো, আমি প্রিফেক্ট। আমাদের একটু সতর্কতার সঙ্গে চলতে হবে। আমব্রিজ জানতে পারলে আমাদের ক্ষতি হতে পারে।

    হ্যারি বললো, এরনি তুমি একটু আগে কি বলেছিলে বেমালুম ভুলে গেছো? এরনি আমতা আমতা করে বললো–ও হা হা হা।

    হারমিওন বললো, এরনি তুমি কী মনে করো এই লিস্টটা আমি জনে জনে দেখিয়ে বেড়াবো?

    –না না তা কেন করবে। বেশ দাও সই করছি।

    এরনি দস্তখত করার পর সকলেই সই করলো, নাম লিখলো। হ্যারি লক্ষ্য করলো চো তার বন্ধু হলেও কিছু যেন ভাবছে। চো শেষ পর্যন্ত নাম লিখে দস্তখত করলো।

    সকলের নাম ও দস্তখত করা শেষ হলে হারমিওন সেই লিস্টটা ওর ব্যাগে সযত্নে রেখে দিলো।

    ফ্রেড উঠে দাঁড়িয়ে বললো, সময় অনেক নষ্ট হলো–এবার যেতে হয়। চলো লী। ফ্রেড আর লী পাব ছেড়ে চলে গেলো।

    সকলে এক এক করে চলে গেলে রন, হারমিওন, হ্যারি চলে এলো।

    হ্যারির মন খুব হালকা হয়ে গেছে, বার বার চোর হাসি মুখ মনে পড়ছে। চলে যাবার সময় হাত তুলে অভিনন্দন জানালো। হগসমিড গ্রামটিকে দেখতে দেখতে মনে হলো, সত্যি বড় সুন্দর।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য হাফ-ব্লাড প্রিন্স (৬) – জে. কে. রাওলিং
    Next Article হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য গবলেট অব ফায়ার (৪) – জে. কে. রাওলিং

    Related Articles

    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার এন্ড দি ফিলসফারস স্টোন (১) – জে. কে. রাওলিং

    August 18, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য চেম্বার অব সিক্রেটস (২) – জে. কে. রাওলিং

    August 18, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য প্রিজনার অব আজকাবান (৩) – জে. কে. রাওলিং

    August 18, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য গবলেট অব ফায়ার (৪) – জে. কে. রাওলিং

    August 16, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য হাফ-ব্লাড প্রিন্স (৬) – জে. কে. রাওলিং

    August 16, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ডেথলি হ্যালোস (৭) – জে. কে. রাওলিং

    August 16, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }