Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য অর্ডার অব দ্য ফনিক্স (৫) – জে. কে. রাওলিং

    জে. কে. রাওলিং এক পাতা গল্প963 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৩৩. ফাইট অ্যান্ড ফ্লাইট

    ৩৩. ফাইট অ্যান্ড ফ্লাইট

    হ্যারি কিছুই বুঝতে পারছে না হারমিওন কি করতে চলেছে বা মনের ভেতর ওর কি প্ল্যান আছে। হ্যারি আমব্রিজের সঙ্গে যাবার সময় হারমিওনের সঙ্গে একটু দূরত্ব রেখে চললো। আমব্রিজ যদি সন্দেহ করেন, হারমিওনের সঙ্গে কোথায় চলেছে তার বিন্দুবিসর্গ হ্যারি জানে না। হ্যারি চুপচাপ, হারমিওনের সঙ্গে একটি কথাও নয়। আমব্রিজ ওদের খুব কাছে কাছেই চলেছেন। চলার সময় ওর ভারি নিঃশ্বাস কানে আসতে লাগলো।

    ওরা সিঁড়ি দিয়ে নেমে এনট্রেন্স হলে ঢুকলো। গ্রেট হল থেকে শুনতে পেল ছেলে–মেয়েদের কথাবার্তা, খাবার বাসনের শব্দ। মাত্র কুড়ি ফিট দূরে ওরা পরীক্ষা শেষের আনন্দে মশগুল। ওরা যেন পৃথিবীর কোনো কিছু পরোয়া করছে না। সেই আনন্দ, উৎসব, হৈ চৈ থেকে ওরা শুধু বাদ পড়েছে।

    হারমিওন ওক গাছের দরজা দিয়ে পাথরের সিঁড়ি বেয়ে নিচে নেমে সুগন্ধে ভরা সন্ধ্যা শেষের মাঠের সবুজ ঘাসে পা দিলো। তখনও সূর্য অস্ত যায়নি। সূর্যের কিরণ গাছ ভেদ করে নিষিদ্ধ অরণ্যের তলায় পড়ছে। হারমিওন ইচ্ছে করেই সবুজ কচি ঘাসের ওপোর দিয়ে চললো। দিন শেষের সূর্যের আলোতে ওদের ছায়াগুলো লম্বা লম্বা দেখাচ্ছে।

    আমব্রিজ হ্যারির কানের কাছে মুখ এনে বললেন, ওটা কী হ্যাগ্রিডের হাতে লুকানো আছে?

    হারমিওন ভয়পীড়িত গলায় বললো, না না, কখনোই না। হ্যাগ্রিড হয়তো ভুল করে অন্য কোথাও সরিয়ে রেখেছেন।

    আমব্রিজের উত্তেজনা তখন চরমে পৌঁছেছে। কোনওরকমে বললেন, হ্যাঁ, তাও করতে পারে। একটা আধা দানবতো।

    আমব্রিজ হাসলেন। হ্যারির ইচ্ছে হলো আমব্রিজের গলা টিপে ধরে, কিন্তু অনেক কষ্টে গলাটিপে দেওয়ার ইচ্ছে দমন করলো। ঠাণ্ডা বাতাস লেগে ওর কপালটা দপদপ করতে লাগলো। ও জানে ভোল্ডেমর্ট ওকে হত্যার পরিকল্পনা করলে কপালের কাটাদাগ সাদা হয়ে গিয়ে তীব্র জ্বলন শুরু হয়।

    হারমিওনকে কোনো কথা না বলে অরণ্যে ঢুকতে দেখে আমব্রিজের মনে সামান্য সন্দেহ হলো। বললেন, সেটা তাহলে কোথায় আছে?

    –আমরা ছাড়া ছাত্র-ছাত্রীরা ভুলক্রমে সেটা যদি দেখতে পায়, তাই গভীর অরণ্যের ঝোঁপঝাড়ে লুকিয়ে রেখেছেন। ওই দিকে হতে পারে। হারমিওন অন্ধকারাচ্ছন্ন জঙ্গলটা দেখালো।

    –হা হা ঠিক কথা বলছে। কথার মধ্যে খুবই উৎকণ্ঠা, বেশ তাহলে তোমরা দুজন আগেআগে হেঁটে আমাকে পথ দেখাও।

    হ্যারি বললো–আমরা যদি আগে আগে হটি তাহলে আপনার দণ্ডটা পেতে পারি?

    দুঃখিত পটার, ওটাতে দেওয়া যাবে না। মন্ত্রণালয়েল কাছে তোমাদের জীবনের মূল্যের চাইতে আমার জীবনের মূল্য অনেক বেশি।

    হ্যারি প্রথম বড় গাছটার তলায় দাঁড়ালো। অন্ধকারাচ্ছন্ন অরন্যের মধ্যে দণ্ড ছাড়া চলা খুবই বিপদের ব্যাপার হতে পারে। এর আগে কখনও ওরা দণ্ড ছাড়া ভেতরে যায়নি। ও আমব্রিজের দিকে অবজ্ঞার দৃষ্টিতে তাকিয়ে ঘনবদ্ধ বড় বড় গাছের তলায় সরু পথচলা রাস্তা ধরে এগোতে লাগলো। আমব্রিজের পা দুটো। ছোটো ছোটো, ওদের তালে তাল রেখে চলতে পারছেন, না। তবুও সেই অমূল্য শক্তিশালী অস্ত্র করায়ত্ত্ব করার লোভে থপ থপ করে এগিয়ে চললেন।

    একটা কাঁটাগাছে আমব্রিজের লম্বা ঝুল ওয়ালা আলখেল্লাটা আটকে গেলে আমব্রিজ সেটা ছাড়াতে ছাড়াতে বললেন, আর কতোটা হাঁটতে হবে হে?

    –হাঁটতে হবে। ওটা খুব ভাল করে একটা অন্ধকার জায়গায় লুকোনো আছে।

    যে পথে হ্যাগ্রিডের সঙ্গে এয়পকে দেখতে গিয়েছিলো সেই পথটা দিয়ে না চলে অন্য পথে হারমিওনকে যেতে দেখে হ্যারিরও মনে শঙ্কা হলো। তিন বছর আগে এরাগগ দানবের সন্ধানে ওই রাস্তাটায় হেঁটেছিল। হারমিওন তখন ওর সঙ্গে ছিলো না। মনে হলো, শেষ পর্যন্ত কি বিপদের সম্মুখীন হতে হবে, সে সম্বন্ধে হারমিওনের যেনো কোনো চিন্তা-ভাবনা-ধারণা নেই।

    –তুমি ঠিক জানো আমরা ঠিক পথে চলেছি? হারমিওন সংক্ষেপে বললো, ভালো করেই জানি।

    আমব্রিজের বয়স হয়েছে তাই দুটি কিশোর-কিশোরীর সঙ্গে চলা কষ্টকর। হাঁপিয়ে উঠছেন গভীর জঙ্গলে ঝোঁপ ঝাড়ু ঠেলে হাঁটতে। আমব্রিজ একটা ভাঙা ডালে পা লেগে প্রায় হোঁচট খেয়ে প্রপাত ধরনী তলে হচ্ছিলেন। কোনো রকমে সামলে নিয়ে বললেন, আর কতোটা হাঁটতে হবে। কি করে বলবে?

    হারমিওন এগিয়ে যেতে যেতে পেছন ফিরে বললো–আর একটু।

    হ্যারি খানিকটা এগিয়ে যাওয়া হারমিওনকে সাবধান করে দিলো–হারমিওন জোরে জোরে কথা বলো না, এখানে সব কথা শুনতে পাওয়া যায়।

    আমব্রিজ খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে ওদের পিছু পিছু চললেন, অস্ত্রের সন্ধানে। –একটু আগে গেলেই দেখতে পারে।

    ওরা নিজেরাই জানে না কতোটা পথ ওরা হেঁটে গভীর অন্ধকারাচ্ছন্ন অরণ্যের মধ্যে ঢুকেছে। হ্যারি মুখ তুলে দেখলো বড় বড় গাছের শাখা-প্রশাখা, পল্লব একাকার হয়ে আকাশ ঢেকে ফেলেছে। অনেকটা চাঁদোয়ার মতো। হ্যারির মনে হলো একবার নয় অনেকবার জঙ্গলটার ভেতরে এসেছে। আরও মনে হলো যেনো দুটো অদেখা অজানা চোখ ওর গতিবিধি লক্ষ্য রেখে চলেছে।

    আমব্রিজ খুব রেগে গেছেন। আরও কতোটা হাঁটতে হবে?

    হারমিওন বেশ জোরে জোরে বললো–আর বেশি দূরে নয়। ওরা এখন অন্য একটা অন্ধকার জঙ্গলে ঢোকার প্রবেশপথের (ক্লিয়ারিং) সামনে পৌঁছেছে।

    হঠাৎ কোথা থেকে একটা তীর এসে ওদের সামনে বিরাট গাছের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে গাছের তলায় পড়লো। আকাশ বাতাস নানারকমের জg জানোয়ার, মানুষের পদ শব্দে ভরে উঠলো। হ্যারি বেশ বুঝতে পারলো পায়ের তলার মাটি কাঁপছে। আমব্রিজ ভয় পেয়ে গিয়ে হারমিওনের আড়ালে দাঁড়ালেন।

    হ্যারি তখন একলা দাঁড়িয়ে। ও দেখলো, প্রায় পঞ্চাশটা সেনট্যার ওদের তিনজনকে ঘিরে ধরেছে। তীর-ধনুক নিয়ে। ওদের দিকে তাক করে রয়েছে।

    ওরা সামান্য পিছু হটে এলো, জঙ্গলে ঢোকার মুখের কাছ থেকে।

    ম্যাগোরিয়ন, বাদামি রঙের সেনট্যার ওদের দিকে এগিয়ে এলো তীর-ধনুক তুলে। বাকিরা এমনভাবে দাঁড়ালো যেন ম্যাগোরিয়নের আদেশের প্রতিক্ষা করছে। সেনট্যারদের দেখে ভয়ে আমব্রিজের মুখ শুকিয়ে গেলো। যে সেনট্যারটা ওর দিকে আসছিলো তারা জাদুদণ্ড তুলে ধরলো আমব্রিজকে লক্ষ্য করে।

    আমব্রিজ ভয়জড়িত কণ্ঠে বিড় বিড় করে কিছু বললেন হ্যারি কিছু বুঝতে পারলো না। আড়চোখে হারমিওনের মুখের দিকে তাকিয়ে দেখলো মুখে তার বিজেতার হাসি।

    একজন কর্কশ সুরে বললো, তোমরা কে?

    নীরব হয়ে তিনজনই দাঁড়িয়ে রইলো।

    ম্যাগোরিয়ন উদ্ধত স্বরে আবার বললো, আমি জানতে চাই তোমরা কে? আমব্রিজ যাতে সকলে শুনতে পায় তেমনিভাবে বললেন, আমি ডরোলেস আমব্রিজ, সিনিয়র আন্ডার সেক্রেটারি, মিনিস্ট্রি অফ ম্যাজিক। আর হোগার্টসের উচ্চ পদস্থ তদন্তকারী অফিসার, হেডমিস্ট্রেস।

    ম্যাগোরিয়ন বললো, ও তুমি মিনিস্ট্রি অফ ম্যাজিকের লোক?

    –যেসব সেনট্যাররা ঘিরে দাঁড়িয়েছিলো তারা আমব্রিজের কথা শুনে উসখুস করে উঠলো।

    –হ্যাঁ ঠিকই শুনেছো, আমব্রিজ সামান্য গলা চড়িয়ে বললেন।

    –একটু সাবধানে কথা বলবে। তোমরা কি জানো না তোমাদের মতো আধা মানুষের ওপোর আক্রমণ, ম্যাজিক মন্ত্রণালয়ের রেগুলেসন ও কন্ট্রোল অফ ম্যাজিক্যাল ক্রিচারর্স আইন অনুসারে বেআইনী, অপরাধ?

    এক উগ্র চেহারার কালো রঙের সেনট্যার চিৎকার করে বললো, আমাদের তুমি কি বললে?

    হ্যারি ওকে চিনতে পারলো, বেন। বেন অসম্ভব রেগে দাঁত কিড়মিড় করতে লাগলো। ধনুক তীর সোজা করলো। যারা এসে দাঁড়িয়েছিলো তাদের মুখ আক্রোশ যেনো ফেটে পড়তে লাগলো।

    হারমিয়ন বললো, ওদের আধা মানুষ বলবেন না প্রফেসর! কিন্তু আমব্রিজ যেনো শুনতে পাননি মনে হলো। ম্যাগারিয়নের দিকে জাদুদণ্ড তেমনিভাবে তুলে রেখে বলে গেলেন, আইন পনের ফ-এ পরিষ্কারভাবে বর্ণিত আছে, কোনো ম্যাজিক্যাল ক্রিচার যাদের মানুষের যোগ্য বুদ্ধি নেই, তাদের দ্বারা আক্রান্ত হলে তারা দায়ি হবে তাদের কাজকর্মের জন্য।

    –মানুষের কাছাকাছি বুদ্ধি? বেন আর বাকি সেনট্যাররা পায়ের ক্ষুড় দিয়ে মাটিতে আঁচড় কাটতে লাগলো। ওরা সবাই অপমানজনক কথাতে অসম্ভব রেগে গেছে।

    –আমাদের অরণ্যে কি করতে এসেছে। হ্যারি আর হারমিওনকে খুব সম্ভব চেনে তাই ওদেরও বললো, তোমরা এখানে কেন?

    আমব্রিজ ব্যঙ্গ করে বললেন, কী বললে তোমাদের অরণ্য? মিনিস্ট্রি অফ ম্যাজিক তোমাদের ওপোর দয়া করে এই অরণ্যের কিছু অংশে তোমাদের থাকতে দিয়েছেন।

    সাঁ করে একটা ছুঁচলো ফলা ওয়ালা তীর আমব্রিজের কান ঘেঁষে চলে গেলো। ভাগ্য ভালো মাথায় লাগেনি। তীর সোঁ শব্দে যাবার সময় আমব্রিজের কানের কাছে কিছু চুল সঙ্গে করে নিয়ে গেলো।

    বেন বললো, তাহলে অরণ্যটা মানুষদের?

    আমব্রিজের হাত তখনও মাথার ওপোর। বললেন–নোংরা আধা জg আধা মানুষ! বন্য জন্তু তোমাদের নিয়ন্ত্রণে রাখা শক্ত!

    হারমিওন ভেবেচিন্তে বললো, চুপচাপ থাকুন। কিন্তু সাবধান করতে অনেক দেরি হয়ে গেছে। আমব্রিজের হাতের জাদুদণ্ড ম্যাগোরিয়নের দিকে তাক করে বললেন, ইনারসেবাস!

    শুধু ম্যাগোরিয়নের নয় অন্যান্য সব সেনট্যারদের আকাশ থেকে মোটা সাপের মতো দড়ি ভেসে এসে শক্ত করে বেঁধে ফেললো। দারুণ রাগে ম্যাগেরিয়ন আর অন্যান্য সেনট্যারসরা হাত ছুঁড়তে লাগলো ছাড়া পাবার জন্য।

    হ্যারি হারমিওনকে টেনে অরণ্যের মাটিতে মুখ চেপে ধরলো। সেনট্যারদের পা প্রায় মাড়িয়ে ফেলেছিলো ওদের; কিন্তু ওদের ওরা ডিঙিয়ে আমব্রিজের দিকে গেলো।

    আমব্রিজ ভয়ে ব্যাকুল কণ্ঠে আর্তনাদ করে উঠলেন–না-আ-আ-আ-না-আ আ আমি একজন সিনিয়র আন্ডার সেক্রেটারি, তোমরা আমাকে পা দিয়ে দলিত করতে পারো না… না… না! জন্তু জানোয়ারের দল।

    হ্যারি দেখলো এক ঝলক লাল আলো। আমব্রিজ ওদের একজনকে স্টান করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তিনি ভীষণভাবে আর্তনাদ করে উঠলেন। দেখলো বেন, আমব্রিজকে তুলে ধরেছে আর আমব্রিজ ছাড়া পাবার জন্য হাত-পা ছুঁড়ছেন। তার হাতের জাদুদণ্ড অরণ্যের মাটির ওপোর পড়ে গেছে, হ্যারির বুকের ভেতরটা আশঙ্কায় দুরু দুরু করতে লাগলো। হ্যারি জাদুদণ্ডটা মাটি থেকে তোলবার আগেই একজন সেনট্যার ওটা নিয়ে টুকরো টুকরো করে দিলো।

    পাকা চুলওয়ালা চোয়ালের সেনটার শক্ত করে হারমিওনের হাত চেপে ধরতেই পেছন থেকে অন্য একজন সেন্ট্রার বললো, ওরা ছেলে মানুষ, আমরা তো বাচ্চাদের কোনও ক্ষতি করি না।

    –রোনান, ওটাই তো ওকে এখানে পথ দেখিয়ে এনেছে। ও শক্ত করে হ্যারির হাত ধরেছিল। না না ও বাচ্চা নয়, প্রায় বড়দের পর্যায়ে এসেছে।

    ও হ্যারির গলা ধরে ঝাঁকুনি দিল।

    হারমিওন অনুনয় করে বললো, দয়া করে আমাদের কোনও ক্ষতি করবেন না, মারধোর করবেন না। আমরা মিনিস্ট্রি অফ ম্যাজিকের কর্মী নই।

    –আমরা ওকে এখানে এনেছিলাম যাতে আপনারা ওকে আমাদের হয়ে উচিত শিক্ষা দিতে পারেন।

    যে পাকাচুলের সেনট্যার হারমিয়নের হাত চেপে ধরে দাঁড়িয়েছিলো হ্যারি তার মুখ দেখে বুঝতে পারলো হারমিওন দারুণ ভুল করে ফেলেছে। ও হাতটা টেনে নিয়ে পেছনের পা দুটো অসম্ভব জোরে মাটি আঁচড়াতে আঁচড়াতে বললো, তুমি মনে করছো তোমার আদেশে আমরা কাজ করবো? তোমার শত্রুকে পোষা হাউন্ড কুকুরের তো তাড়িয়ে দেবো?

    –না, আমি সে কথা বলিনি, হারমিওন বললো, আমরা ভেবেছিলাম তোমরা আমাদের সাহায্য করতে পারবে।

    কিন্তু ওরা এতো রেগে রয়েছে যে কারও কথায় কান দিতে চায় না। পা ঠক ঠক করেই চলেছে, হাতের তীর ধনুক তাগ করে রেখেছে।

    ঠিক সেই সময়ে অরন্যে ঢোকার মুখ থেকে ভীষণ শব্দ করে গাছপালা ভাঙা কট কট শব্দ শুনতে পেলো। ওদের হাত থেকে তীর ধনুক পড়ে গেলো। ওরা হ্যারি–হারমিওনের হাত ছেড়ে দিলো। ওরা দেখলো গ্ৰয়প ওদের দিকে ভীষণ এক মূর্তি করে এগিয়ে আসছে। আসার সময় গ্ৰয়প গাছপালা ভেঙে কাছে পিঠের জঙ্গল সাফ করে দিলো। হঁটের মতো হলুদ দাঁত বার করে হাসতে লাগল।

    ও মুখ ব্যান করাতে মুখটা আরও বড়ো দেখালো। –হ্যাগার!

    হ্যারি জানে না হ্যাগার বলতে গ্রপি কি বললো। অথবা সেটা কি ভাষা থেকে রূপান্তরিত হয়েছে।

    –হ্যাগার, গ্রপি আবার চিৎকার করে উঠলো।

    ও আরেকটু এগিয়ে যেতেই সেনট্যাররা ভীত হয়ে গেলো, হাতের তীর ধনুক মাটিতে পড়ে গেলো।

    ম্যাগোরিয়ন বললো, দানব তুমি এখান থেকে চলে যাও, তোমাকে আমরা চাই না।

    কথাটা গ্ৰয়পের মনে কোনও দাগ কাটলো না, আবার ভীষণভাবে গর্জন করে উঠলো–হ্যাগার!

    হারমিওন বললো, হ্যারি, মনে হয় ও বলছে হ্যাগ্রিড! হারমিওন বললো–ও তাহলে আমাদের চিনতে পেরেছে।

    –হার্মি! গ্রপ গর্জন করলো, হ্যাগার কোথায়?

    হারমিওন বললো, আমি জানি না। আমি অতি দুঃখিত গ্ৰয়প, হ্যাগ্রিড এখন কোথায় আমরা জানি না।

    কথাটা শুনে এয়প ওর একটা পায়ের চেয়ে আরও মোটা আরও বড়ো হাত ওদের দিকে এগিয়ে দিতেই হারমিওন ভয় পেয়ে পিছিয়ে যেতেই হুড়মুড় করে সেনট্যারদের গায়ের ওপোর পড়ে গেলো।

    সেনট্যাররা খুব সম্ভব গ্ৰয়পের আক্রমণের অপেক্ষা করছিলো। এয়পের হাতের ওপোর ওরা বর্শার ফলার মতো তীর ঘন ঘন ছুঁড়তে লাগলো। যন্ত্রণা কাতর রক্তাক্ত গ্রয়প তাণ্ডব নৃত্য শুরু করে দিলো। ও মুখটা প্রকাণ্ড হাতের চেটোতে মুছে নিয়ে সেনট্যারদের তীর-ধনুক সব কেড়ে নিয়ে দুমড়ে-মুচড়ে দিলো।

    হারমিওন-হ্যারি একটা গাছের আড়ালে গিয়ে দেখলো গ্ৰয়পের সমস্ত শরীর থেকে রক্ত ফিনকি দিয়ে বেরোচ্ছে, তাতে ওর কোনও খেয়াল নেই। ওর ভয়ঙ্কর মূর্তি দেখে মনে হলো ও সেন্ট্যারদের জীবন শেষ করে দেবে। সেন্ট্যাররা আমব্রিজকে ধরে নিয়ে পালিয়ে গেলো। ওরা পালিয়ে গেলে আহত বাঘের মতো এয়প পাহাড়ের মতো দেহটা নিয়ে দাপাদাপি করতে লাগলো। নিমেষে সব ছোট বড়ো গাছ ভেঙে দিলো। তারপর ওদের তাড়া করলো।

    হারমিওন বললো, হ্যারি আমার মনে হয় গয়প ওদের সবকটাকে মেরে ফেলবে।

    হ্যারি বললো, আমার তো তাই মনে হয়। বেন তো আমব্রিজকে উড়িয়ে নিয়ে গেছে। একটু একটু করে গোলমাল বন্ধ হয়ে গেলো।

    হ্যারির কপালটা ব্যথায়, উত্তেজনা করতে লাগলো শুধু নয়, কাটা দাগে জ্বালা যন্ত্রণা শুরু হয়ে গেলো।

    ওরা অনেক সময় নষ্ট করে ফেলেছে। সিরিয়স ও ভোল্ডেমর্টকে স্বপ্নে দেখার পর অনেকটা সময় কেটে গেছে। হ্যারির হাতে ম্যাজিক ওয়ান্ড নেই, অরণ্য থেকে ফেরার কোনও ট্রান্সপোর্টও নেই।

    –দারুণ প্ল্যান করে এসেছিলাম এখানে, এখন বলো ফিরি কেমন করে। মিনিস্ট্রিতে যাই কেমন করে।

    হারমিওন বললো, আমাদের প্রথমে ক্যাসেলে ফিরতে হবে।

    –তার ভেতরে হয়তো সিরিয়সের মৃত্যু হবে, হ্যারি একটা গাছের ডালে ক্ষিপ্তের মতো লাফ মারতে মারতে বললো। ওর কানে এলো চটরপটর শব্দ, ঠিক মাথার ওপোর। হ্যারি দেখার জন্য মুখ তুললো। দেখতে পেলো একটা বাউট্রাকল। দেখে মনে হয় খুবই রেগে আছে। ও ওর লম্বা লম্বা আঙ্গুলগুলো ওদের দিকে প্রসারিত করে রেখেছে।

    হারমিওন বললো, জাদুদণ্ড ছাড়া আমরা তো কিছুই করতে পারবো না। হ্যারি এখন ভাবো কেমন করে আমরা লন্ডন যেতে পারব। সে সময় ওদের পেছন থেকে খুবই পরিচিত গলায় কেউ বলে উঠলো।

    –হ্যাঁ, আমরা ও ভাবছি।

    হ্যারি, হারমিওন তৎক্ষণাৎ পেছনে গাছের দিকে তাকালো। ওরা দেখলোরন। রনের পেছনে জিনি, নেভিল আর লুনা। ওদের চেহারায় লাল ছড়ে যাওয়ার মত দাগ। জিনির চিবুক কাটা, নেভিলের ডানচোখের তলাটা ফোলা ফোলা, রনের ঠোঁট কেটে গেছে, কাটা জায়গা দিয়ে দরদর করে রক্ত বেরোচ্ছে। কিন্তু তাহলেও ওরা খুব খুশি, মনে হলো হ্যারির।

    রন একটা গাছের ডাল সরিয়ে হাতে হ্যারির ম্যাজিক ওয়ান্ড নিয়ে সামনে দাঁড়িয়ে বললো–কোনও কিছু ঠিক করলে?

    হ্যারি আশ্চর্য হয়ে রনের হাত থেকে দণ্ডটা নিয়ে বললো, তোমরা ছাড়া পেলে কেমন করে?

    –দু একটা স্টানস, একটা ডিসআর্মিং চার্ম, নেভিলের ছোট ইমপেডিমেন্ট জাদু, রন হারমিওনের হাতে ওর দণ্ডটা দিলো। কিন্তু জিনির জবাব নেই, ও ব্যাট বগি হেক্স দিয়ে ম্যালফয়কে কাবু করেছে। ওর সমস্ত মুখটা পৎপতে ডানা দিয়ে ঢেকে গিয়েছিলো। সে যাক আমরা জানালা দিয়ে তোমাদের নিষিদ্ধ অরণ্যের দিকে যেতে দেখেছিলাম। আমব্রিজ কোথায় গেলেন?

    –একপাল সেনট্যার ওকে তুলে নিয়ে গেছে। জিনি একটু আশ্চর্য হয়ে গেলো। বললো, তোমাদের ছেড়ে দিলো? –গ্ৰয়পের তাড়ায় ওরা ওকে নিয়ে পালিয়েছে, হ্যারি বললো। লুনা বড়ো বড়ো চোখ করে বললো–গ্ৰয়প কে?

    –হ্যাগ্রিডের ছোটো ভাই, যাকগে সেসব কথা, হ্যারি তুমি আগুনে কি দেখেছিলে? সিরিয়সকে সত্যি ধরেছে ইউ-নো-হু… অথবা…?

    –হ্যাঁ, কথাটা হ্যারি বলতেই আবার ওর কপালের কাটাদাগে যন্ত্রণা শুরু হয়ে গেলো। আমি নিশ্চিত সিরিয়স এখনও বেঁচে রয়েছেন। কিন্তু কিছুতেই মাথায় আসছে না, কেমন করে ওখানে গিয়ে ভোল্টেমর্টের হাত থেকে তাকে উদ্ধার করবো।

    কথাটা শুনে সকলেই চুপ, মুখে ভীতির ছাপ, দারুণ সমস্যা মনের মধ্যে দানা বেঁধেছে।

    লুনা এমন একটা বাস্তব কথা বললো যে হ্যারি অন্তত ওর মুখ থেকে আগে শোনেনি, আমরা কী ওখানে উড়ে যেতে পারি না?

    হ্যারি বললো, ঠিক আছে। প্রথম কথা হচ্ছে আমরা… আমরা বলতে তোমাকে সঙ্গে নিয়ে নয়। দ্বিতীয় কথা হলো, রনের কাছে শুধু একটি ঝাড়ু আছে, সেটা আমব্রিজের সিকিউরিটি গার্ড দেয়নি। জিনি বললো, কেন আমার তো একটা আছে।

    রন বললো, দুঃখের বিষয় তোমায় তো সঙ্গে নেওয়া যাবে না।

    জিনি বললো, আমায় তোমরা ক্ষমা করবে, আমি বলতে বাধ্য হচ্ছি। সিরিয়সকে আমি তোমাদের কারও চাইতে কম ভালোবাসি না। ওর মুখে ফ্রেড আর জর্জের মতো দৃঢ়তার ছাপ দেখা গেলো। ইউ–নো-হুঁর সঙ্গে যখন তুমি পরশপাথর (ফিলোজফার স্টোন) নিয়ে লড়াই করেছিলে সেই সময় তোমার যা বয়স ছিলো এখন আমার তার চেয়ে তিন বছর বেশি বয়স, বুঝেছো? আর আমিই আমব্রিজের অফিসে ম্যালফয়কে কাবু করেছি জায়েন্ট ফ্লাইং বোগিস দিয়ে আক্রমণ করে।

    –তা ঠিক, কিন্তু…।

    নেভিল শান্ত স্বরে বললো, আমরা সকলেই ডার্কআর্ট (ডিএ) প্রতিরোধের সদস্য আমাদের একসঙ্গে ইউ নো-হুঁর বিরুদ্ধে লড়তে হবে। তা না হলে বলতে হবে আমরা খেলা করেছি বা ওই রকম কিছু একটা।

    হ্যারি অধৈর্য হয়ে বললো, না না অবশ্যই ওটা আমাদের খেলা নয়। লুনা খুব খুশিতে উপচে পড়ে বললো, ঠিক বলেছো।

    হ্যারি রনের দিকে তাকালো, ও জানে রন ওরই মতো একই চিন্তা করছে। ও যদি তিনজন ছাড়া ডিএর সদস্য সিরিয়সকে ইউ-নোহর কবল থেকে বাঁচাবার জন্য অন্য কাউকে নেয়, তাহলে অন্তত জিনি, নেভিল অথবা লুনাকে নেবে না।

    হ্যারি বললো, ঠিক আছে ও নিয়ে ভাবনা-চিন্তা করে লাভ নেই কারণ ওখানে কেমন করে যাবো তা এখনও ঠিক হয়নি।

    লুনা বললো, কেন? আমার তো মনে হয় ব্যাপারটা ঠিক হয়ে গেছে। আমরা তো উড়ে যাবো।

    রন বললো, তুমি হয়তো ঝাড়ু ছাড়াই উড়ে যেতে পারবে, আমাদের তো সেই আর্ট জানা নেই।

    লুনা গম্ভীর হয়ে বললো, ঝাড়ু ছাড়াও ওড়া যায়।

    রন বললো, তাহলে তো আমার মনে হয় সুরক্যাক বা ওই রকম কিছু একটার পিঠে চেপে যেতে হবে।

    লুনা গম্ভীরভাবে বললো, কোনো শিংওয়ালা সুরক্যাকরা উড়তে পারে না। হ্যাগ্রিড আমাকে বলেছেন, ওদের পিঠে যারা চাপে তারা উড়তে না পারলেও ওরা ঠিক জায়গায় পৌঁছে দেয়।

    হ্যারি দুটো বড়ো বড়ো গাছের মাঝে ঘুরে দাঁড়ালো। দুটো থেস্ট্রাল (রূপ কথার ডানা ওয়ালা ঘোড়া) ওদের কথোপোকথন শুনছিলো। উজ্জ্বল শুভ্র চোখে সেখানে এসে দাঁড়ালো যেনো ওদের কথাবার্তা বুঝতে পারছে।

    –হা পারে! হ্যারি ওদের কাছে গিয়ে দাঁড়ালে ওরা মাথা নাড়লো, কালো লম্বা ল্যাজ দোলালো। হ্যারি ওর হাতের কাছের একটা থেস্ট্রালের ঘাড়ের বাঁ দিকটা চুলকে দিয়ে বললো, কেন সকলে বলে ওদের দেখতে কুৎসিত?

    রন যে থেস্ট্রালকে আদর করলো তার দিকে তাকিয়ে বললো, নাকে হাত না দিলে ওদের দেখতে পাবে না।

    হ্যারি বললো, ঠিক বলেছো। –কটা নেবে? –আপাতত দুটো। হারমিওন বললো, তিনটে। ও তখনও ঠিক ধাতস্ত হতে পারেনি। –তিনটে নয়, চার, জিনি বললো।

    লুনা বললো, আমরা গুনতিতে তো ছজন।

    হ্যারি বললো, বোকার মতো কথা বলবে না। দুজনে যাওয়া সম্ভব নয়। কথাটা বলে নেভিলে জিনি আর লুনার দিকে তাকালো। এই ব্যাপারে তোমরা মোটেই ওয়াকিবহাল নয়, তোমরা যাবে না। ওরা তিনজনই প্রতিবাদ করলো। হ্যারির কাটা দাগ আবার টনটন করে উঠলো। এখন প্রতিটি মুহূর্ত ওদের কাছে। অতি মূল্যবান। তর্ক করার সময় নেই হ্যারির।

    ও শেষকালে কাটা কাটাভাবে বললো–তোমাদের যা ইচ্ছে তাই করো। আমরা যদি আরও থেস্ট্রাল না পাই তাহলে মনে হয় তোমরা যেতে পারবে না।

    –আমি বলছি আরও দুচারটে এসে যাবে, জিনি বললো। –তুমি কেমন করে বুঝলে?

    –কারণ তোমরা লক্ষ্য করোনি, হারমিওন আর তোমার গায়ে রক্ত মাখামাখি। জিনি স্বাভাবিকভাবে বললো, আমি জানি হ্যাগ্রিড কাঁচা মাংস দেখিয়ে থ্রেস্টালদের ডাকেন। এই কারণেই দুটো থেস্ট্রাল এসেছে।

    হ্যারির রোবে টান পড়তেই দেখলো একটা থেস্ট্রাল রোবটা টানাটানি করছে। ওর রোবের হাতাটা গ্ৰয়পের রক্তে ভেজা ছিলো।

    –বাঃ চমৎকার ধরেছোতো! হ্যারি বললো, রন আর আমি এই দুটো থেস্ট্রালের ওপোর চেপে এগোই, হারমিওন এখানে থেকে আরও কয়েকটা থেস্ট্রাল জোগাড় করুক মাংস–রক্তের লোভ দেখিয়ে।

    হারমিওন রেগে গিয়ে বললো–মোটেই না, আমি থেকে যাবো না।

    লুনা বোকাবোকা হাসতে হাসতে বললো–তার কোনও দরকার নেই, ওই দেখো রক্তের গন্ধে আরও থেস্ট্রাল আসছে।

    হ্যারি দেখলো কম করে ছটা থেস্ট্রাল এসে গেছে। গাছের ফাঁক দিয়ে ওদের বড় বড় তেল চকচকে ডানা পিঠের দুপাশে গোটানো রয়েছে। অন্ধকারে ওদের চোখ জ্বলছে। এখন আর ওদের বেশি থেস্ট্রাল দরকার নেই।

    –ঠিক আছে, যার যেটা ইচ্ছে বেছে নিয়ে পিঠে চেপে বসো, হ্যারি রেগে গিয়ে বললো।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য হাফ-ব্লাড প্রিন্স (৬) – জে. কে. রাওলিং
    Next Article হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য গবলেট অব ফায়ার (৪) – জে. কে. রাওলিং

    Related Articles

    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার এন্ড দি ফিলসফারস স্টোন (১) – জে. কে. রাওলিং

    August 18, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য চেম্বার অব সিক্রেটস (২) – জে. কে. রাওলিং

    August 18, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য প্রিজনার অব আজকাবান (৩) – জে. কে. রাওলিং

    August 18, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য গবলেট অব ফায়ার (৪) – জে. কে. রাওলিং

    August 16, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য হাফ-ব্লাড প্রিন্স (৬) – জে. কে. রাওলিং

    August 16, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ডেথলি হ্যালোস (৭) – জে. কে. রাওলিং

    August 16, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }