Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য গবলেট অব ফায়ার (৪) – জে. কে. রাওলিং

    জে. কে. রাওলিং এক পাতা গল্প704 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১০. মেহেম অ্যাট দ্য মিনিস্ট্রি

    ১০. মেহেম অ্যাট দ্য মিনিস্ট্রি

    কয়েকঘণ্টা ঘুমানোর পর মি. উইসলি ছেলেমেয়েদের ঘুম ভাঙ্গিয়ে দিলেন। মন্ত্রের দ্বারা টেন্ট থেকে সব জিনিসপত্র গুছিয়ে নিলেন। কিডিচ খেলা দেখা শেষ হয়েছে, এবার বাড়ি ফেরার পালা। সময় নষ্ট না করে যাত্রা শুরু করলেন। পথে মি. রবার্টসের সঙ্গে দেখা হল। মি. রবার্টের মুখ–চোখ দেখে মনে হয় তখনও তার সম্মোহনের ঘোর কাটেনি। মি. রবার্ট বলল–মেরী ক্রিস্টমাস… কেমন কথাগুলো জড়ান জড়ান।

    মি. উইসলি বললেন–ঠিক হতে আরও কিছু সময় নেবে। মন্ত্রবলে একবার স্মৃতি চলে গেলে ঠিক হতে বেশ সময় লাগে। স্মৃতি মডিফাইড করলে… চালচলন সবকিছু উল্টোপাল্টা হয়ে যায়। ঠিক হয়ে যায় পরে অবশ্য। পোর্ট–কীর স্থানে খুব ভিড়–সকলেই ক্যাম্পসাইট ছেড়ে বাড়ি ফেরার জন্য ব্যস্ত। আসতেও ব্যস্ততা ফিরতেও ব্যস্ততা। বেসিলের সঙ্গে কথাবার্তা বলার পর উইসলি একটি পুরনো গাড়ির টায়ার পেয়ে গেলেন। খুব একটা ভাল না হলেও মন্দ নয়। তখন বেশ বেলা হয়ে গেছে, সূর্য মধ্য গগনে। ওরা ওট্টারি সেন্ট ক্যাচপোল ধরে দ্য বাররোর দিকে চলল। তখন সবে ভোর। ওরা এতো ক্লান্ত যে কেউ কারো সাথে কথা বললো না। ওদের মাথায় চিন্তা কখন বাড়ি ফিরে আরাম করে প্রাতঃরাশ করবে। গলির মুখে সামান্য বাঁক নিলেই দ্যা বাররো দেখতে পেল। স্যাঁতস্যাঁতে রাস্তাটায় ওদের হাঁটার শব্দের প্রতিধ্বনি হতে লাগল।

    –ওহ… ঈশ্বরকে ধন্যবাদ, অজস্র ধন্যবাদ আমরা এসে গেছি!

    মিসেস উইসলি ওদের জন্য সদর দরজায় অধীর আগ্রহে দাঁড়িয়েছিলেন। ওদের দেখে খুশিতে উপচে পড়ে একের পর এককে বুকে টেনে নিতে লাগলেন। তখনও তিনি রাতের পোশাক ছাড়েননি। পায়ে বেডরুম স্লিপার। মুখ তার বিমর্ষ, চিন্তার ছাপ… হাতে এক কপি ডেইলি প্রফেট।… বললেন–আর্থার আমি তোমাদের জন্য সত্যি ভীষণ ভাবছিলাম… ভীষণ চিন্তায় ছিলাম।

    মি. উইসলিকে জড়িয়ে ধরার সময় হাত থেকে ডেইলি প্রফেট মাটিতে পড়ে গেল। হ্যারি হেঁট হয়ে কাগজটা তুলতে গিয়ে প্রথম পৃষ্ঠায় চোখ পড়ল শিরোনাম সিনস অব টেরর অ্যাট দ্য কিডি ওয়ার্ল্ডকাপ, সম্পূর্ণ খবর… একটা গাছের ওপর ডার্ক মার্কের ফটোগ্রাফ।

    মি. উইসলি হাঁফ ছেড়ে মিসেস উইসলিকে বললেন–তোমাদের কোনও বিপদ–আপদ হয়নি তো?… ওঃ তোমরা সব বেঁচে ফিরে এসেছ। রাত জাগরণে ওদের সবারই চোখ লাল।

    ফ্রেড আর জর্জকে যখন জোড়ে কাছে টেনে আনলেন তখন ওদের শুধু মাথা ঠোকাঠুকি হল।

    –মাম, ব্যাথা দিচ্ছ কেন?

    –তোমাদের যেতে নিষেধ করা উচিত ছিল আমার। মি. উইসলির দিকে তাকিয়ে আবার বললেন, কি হতো যদি ইউ–নো–হুঁ তোমাকে পেয়ে যেত। এরপর ছেলেদের দিকে তাকিয়ে বললেন, আরেকটি কথা, ফ্রেড ও জর্জ তোমরা দুজনেই পরীক্ষায় বেশি পেচা পাওনি… তাতে আমার মনে কত আঘাত লেগেছে জান? ওদিকে ইউ–নে–হুঁ যদি তোমাদের ক্ষতি করত?

    –মল্লি ওসব বলে কী লাভ? যা হবার তাতো হবেই। ওকে… আমরা সবাই ভাল আছি।… যেতে যেতে খুব চাপাগলায় বললেন, বিল কাগজটা আমাকে দিও, কি লিখেছে দেখি।

    হৈ হৈ করতে করতে সকলেই ব্রেকফাস্ট খেতে কিচেনে এল। হারমিওন মিসেস উইসলির জন্য এককাপ কড়া কফি বানিয়ে দিল। মি. উইসলি খাচ্ছেন অগডেনের ওল্ড ফায়ার হুইস্কি। বিল কাগজটা মি. উইসলির হাতে দিল। উইসলি কাগজটায় চোখ বুলোতে লাগলেন–পার্সি পেছন থেকে পড়তে লাগল।

    -এমন হবে জানতাম। মি. উইসলি বললেন। পড়লেন মন্ত্রণালয়ের গাফিলচতি, দোষী ধরা পড়েনি–নিরাপত্তার অভাব–কালো জাদুকররা অবাধে বিচরণ করছে… জাতীয় মর্যাদাহানি… কে লিখেছে? ও হ্যাঁ অবশ্যই, রিটা স্কীটার।

    –নিশ্চয়ই খবরটা সে মন্ত্রণালয় থেকে পেয়েছে, পত্রিকায় খবরটা পড়েই মি. উইসলি বললেন।

    পার্সি দারুণ রেগে বলল–ওই মেয়েটির দেখছি মিনিস্ট্রিতে অবাধগতি। গত সপ্তাহে ও লিখেছে, কলড্রনের থিকনেস নিয়ে অযথা আমরা তর্ক–বিতর্ক করে সময় নষ্ট করেছি… যখন আমরা আমাদের ভ্যামপায়ারের ওপর স্ট্যাম্প মারতে পারি। যেন প্যারা বার গাইডলাইনসে লেখা নেই কি করতে হবে, না করতে হবে।

    বিল হাই তুলতে তুলতে বলল, পার্সি একটা উপকার করতে পারবে? চুপ করে থাক… বক বক করবে না।

    উইসলির চোখ দুটো হুইস্কির গ্লাসের ভেতর দিয়ে বড় বড় দেখাল… ডেইলি প্রফেটের প্রথম পৃষ্ঠার শেষের দিকে এসে বললেন–আমার প্রসঙ্গ রয়েছে দেখছি।

    মিসেস উইসলির সামনে দুটো গ্লাস–হুইস্কি আর চা।

    উত্তেজনার বসে দুটোই এক সঙ্গে চুমুক দিতেই গলায় আটকে গেল। কাশতে কাশতে উত্তেজিত হয়ে বললেন–দেখি দেখি।… কোথায় আমার চোখে পড়েনি।

    মি. উইসলি পড়তে লাগলেন

    জাদুকর ও ডাইনিরা–যারা ভীত–সন্ত্রস্ত হয়ে অরণ্যে ঝোপের মধ্যে লুকিয়ে ছিলেন এবং অপেক্ষা করছিলেন মন্ত্রণালয় থেকে সঠিক খবেরর আশায়। তারা অনিবার্যভাবে হতাশ হয়েছেন। ডার্ক মার্কের আবির্ভাবের পর একজন মন্ত্রণালয়ের আধিকারিক সেখানে উপস্থিত ছিলেন–বলেছেন, কেউ আহত হয়নি; কিন্তু তার চেয়ে বেশি কিছু খবর দিতে রাজি হননি। তবে তার বক্তব্যের সত্যতা সম্পর্কে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। গুজব ছড়িয়েছে যে কিছু মৃতদেহ অরণ্য থেকে সরানো হয়েছে ঘটনার এক ঘণ্টা পর–তা তদন্ত করা অত্যন্ত আবশ্যক

    কাগজটায় চোখ বুলানো হলে মি. উইসলি বললেন–সত্যই তো–কাগজটা পেছন ফিরে পার্সির হাতে দিলেন। যা দেখেছি তেমন তো কেউ আঘাত পায়নি। কোনো মৃতদেহও দেখিনি। এখন দেখব রোজই ঘোড়ার মুখের খবর বেরুচ্ছে।… অরণ্য থেকে অনেক মৃতদেহ সরান হয়েছে।

    তারপর একটা দীর্ঘশ্বাস নিয়ে বললেন–মল্লি আমাকে আজ একটু তাড়াতাড়ি অফিসে যেতে হবে… দেখি আমার জন্য ওখানে কি অপেক্ষা করছে।

    পার্সি বলল–ড্যাড আমিও তোমার সঙ্গে যাব। মি. কাউচের কাজের জন্য হয়ত আমাকে দরকার হতে পারে। কলড্রন সংক্রান্ত রিপোর্ট ওর হাতে দিতে চাই।

    ও কিচেন থেকে ব্যস্ত সমস্ত হয়ে বের হলো।

    মিসেস উইসলি স্বভাবতই একটু উদ্বিগ্ন। বললেন–তোমার তো আজ ছুটি… অফিসে যাবার দরকার নেই। তাছাড়া ডার্ক মার্কের ব্যাপারে তুমি কি বলবে? তোমাকে ছাড়াও ওদের কাজ চলবে।

    মি. উইসলি বললেন–না মল্লি আমাকে একবার অফিসে যেতেই হবে।… আমার রোবটা পড়েই চলে যাচ্ছি।

    হ্যারির মাথায় হেডউইগের চিন্তা–সিরিয়সের জবাব। ও বলল–মিসেস উইসলি হেডউইগে আমার কোনও চিঠি এনেছে?

    –নাতো।… কোনও চিঠিপত্র তো আসেনি।

    রন, হারমিওন কৌতূহলী হয়ে হ্যারির দিকে তাকাল।

    ওদের অর্থপূর্ণ দৃষ্টি হ্যারির মনঃপুত হল না। বিষয় পরিবর্তন করার ছুতোয় বলল–তোমার ঘরে জিনিসপত্র রেখে আসি রন?

    রন বলল–অবশ্যই। হারমিওন তুমি?

    –হ্যাঁ, আমাকেও তো রাখতে হবে। চল। ওরা তিনজনই কিচেন ছেড়ে নিজেদের ঘরে চলে গেল।

    দরজাটা বন্ধ করতে করতে রন বলল–ব্যাপার কী হ্যারি? সিরিয়সকে কী চিঠি দিয়েছ?

    হ্যারি খাটে বসে বলল-একটা কথা তোমাকে বলিনি রন। গত শনিবার মাঝরাতে বিশ্রি একটা স্বপ্ন দেখে আমার ঘুম ভেঙে গেলে মাথায় আর কপালের কাটা দাগে আবার ব্যথাও অসম্ভব যন্ত্রণা দেখা দেয়।

    প্রিভেট ড্রাইভে বসে সেই দুঃস্বপ্ন দেখার কথা বলার পর ওদের প্রতিক্রিয়া কেমন হতে পারে এমন একটা ছবি ওর মনে ছিল… দেখল সেইরকমই। হারমিওন স্বপ্নের কথা শোনার পর ওকে এন্তার বই পড়ার কথা শুধু নয়–আলবাস ডাম্বলডোর থেকে ম্যাডাম পমফ্রের রেফারেন্স বই–রাত্রির বিভীষিকা স্বপ্ন পড়তে উপদেশ করল।

    রন হতভম্বের মতো দাঁড়িয়ে রইল। বলল–ও কী সেই স্বপ্নে এসেছিল? ইউ নো হু এসেছিল কি? গতবার যখন তোমার কাটাদাগটা চুলকোয়, অসম্ভব ব্যথা অনুভব কর, তখন তো সে হোগার্টে ছিলো? মানে ইউ–নো–হু।

    –না প্রিভেট ড্রাইভে সে ছিলো না। কিন্তু আমি তাকে স্বপ্নে দেখেছি; হ্যারি বলল–পিটার ওয়ার্ম টেল আরও অনেক কিছু–সব আমার এখন মনে নেই। ওরা একজনকে হত্যার পরিকল্পনা করছিল। আমাকেও…। বলতে গিয়ে থেমে গেল।

    রন বলল–ওর নাম উচ্চারণ করো না।… স্বপ্ন… স্বপ্ন মাত্র…

    –মনে আছে প্রফেসর ট্রেলানে কি বলেছিলেন?… গত বছরের শেষে।

    হারমিওন বলল–হ্যারি প্লিজ তুমি ওইসব বৃদ্ধ থোকাবাজদের কথা বিশ্বাস করবে না।

    হ্যারি বলল–তুমি যাই বল, সেই সময় তুমি ওখানে ছিলে না, তার কথা শোননি। উনি বলেছিলেন ডার্কলর্ড ফিরে আসবে। ফিরে আসবে আগের চেয়ে শুধু অনেক শক্তিশালী হয়ে নয়, আরও ভয়ানক রূপে। ওসব পুরনো চেলা চামুণ্ডাদের আবার হাতের মুঠোতে আনবে।… ডেথ ইটারস। এরপর ওদের কথা বার্তা কিছুক্ষণ বিরতি। রন গেল বিছানার চাদর ঠিক করতে। বিরতি ভেঙে হারমিওন হ্যারিকে জিজ্ঞেস করলো–তুমি হঠাৎ হেড উইগের কথা তুললে কেন? তুমি কী চিঠির আশা করছ?

    –আমি সিরিয়সকে আমার সেই স্বপ্নের কথা লিখেছি। আমি জবাবের প্রতীক্ষা করছি।… আমি জানি সিরিয়স আমাকে সাহায্য করবেন। তবে ইদানীং কোথায় আছেন জানি না। আফ্রিকাতে থাকতে পারেন।

    ***

    পরের পুরো সপ্তাহতেই মি. উইসলি আর পার্সি বেশির ভাগ সময় বাসায় থাকলেন। দুজনে খুব ভোরে ওদের ঘুম ভাঙার আগে বেরিয়ে যান, ফেরেন গভীর রাতে।

    যেদিন ওরা হোগার্টে ফিরে যাবে তার আগেরদিন ছিল রোববার। বন্ধু প্রতিবেশীরা হাউলার পাঠাচ্ছে হাসাহাসি, গোলমাল, অকেজো পটকা…। সেটা না খুললে সশব্দে ফেটে যায়।

    –বুঝতে পারি না হাউলার পাঠিয়ে ওরা কি মজা পায়। ও ওয়াল থাউসেন্ড ম্যাজিক্যাল হার্বস অ্যান্ড ফাঙ্গি বইটি বন্ধ করতে করতে জিন্নি বললো। এই শোন, পার্সি বললো, ওয়ার্ল্ডকাপে মুন্ডুনগাস ফ্লেচার ক্ষতিপূরণ দাবি করেছে তার বার কামরার টেন্ট নষ্ট করার জন্য… তবে লোকটা দারুণ কুঁড়ে… হয়ত কাজ ফেলে তখন ঘুমাচ্ছিল।

    মিসেস উইসলির গ্র্যান্ডফাদারের দেওয়াল ঘড়ি দারুণ পছন্দ, হ্যারিরও দারুণ পছন্দ ঘড়িটি। তবে কেউ যদি সময় জানতে চায় তাহলে এ ঘড়ি দিয়ে কোন কাজ হবে না। তবে ঘড়িটি খোঁজ–খবর দিতে পারে। ঘড়িতে আছে নয়টা সোনার হাত। প্রতিটি হাতে উইসলি পরিবারের নাম খোদাই করা। ঘড়ির সারা গায়ে কোন সংখ্যা নেই। কি সদস্যরা কোথায় আছে সেই হাত দেখলে জানা যায়। বাড়িতে স্কুলে কাজে… পাত্তা নেই, হাসপাতাল, জেলখানা…।

    আট নম্বর হাত জানাচ্ছে ওরা বাড়িতে; কিন্তু উইসলি কাজে মিসেস উইসলি দীর্ঘশ্বাস ফেললেন।

    মিসেস উইসলি বললেন–ডার্ক লর্ড ইউ–নো–হুঁ আসার খবর পাওর পর থেকেই তোমার বাবার অফিসে কাজ বেড়ে গেছে। কাজ–কাজ আর কাজ। তাড়াতাড়ি না এলে তার রাতের খাবার ঠাণ্ডা হয়ে যাবে।

    পার্সি বলল–ড্যাডি মনে করেন ওয়ার্ল্ডকাপে একটা ভুল করেছেন। সত্যি যদি তাই হয় তাহলে ওই ভুল কাজটি মন্ত্রণালয়ের অনুমতি ছাড়া করা ঠিক হয়নি। আসলে উনি তো সেই বিভাগের হেড।

    –ওই বাজে মহিলা যা লিখেছে তার জন্য তুমি তোমার বাবাকে দায়ি করছ? মিসেস উইসলি রেগে গিয়ে বললেন।

    –আবার ওদিকে বাবা কিছু না বললেও রিটা লিখত–মিনিস্ট্রি থেকে কেউ কিছু না বলাটা ঘোরতর আপত্তিজনক!–পার্সি তখন রনের সঙ্গে দাবা খেলছিল। খেলছে। ওই রিটা স্কিটার দুনিয়ার কাউকে ভাল বলে না। মনে আছে ও সমস্ত এিংগটস (জাদুকরদের ব্যাংক) কার্স ব্রেকারদের ইন্টারভিউ নিয়েছিল? আর আমাকে লম্বা চুলওয়ালা পিলক (মূর্খ–মূল্যহীন) লিখেছিল?

    –ও, অনেক সময় পার হয়ে গেল। আমি একটু যাচ্ছি …

    –না মা। একটু থাক।

    বৃষ্টি পড়ছে। বৃষ্টির বড় বড় ফোঁটা জানালার কাঁচে ফটফট শব্দ করে গড়িয়ে পড়ছে। হারমিওন মন দিয়ে স্ট্যান্ডার্ড বুক অফ স্পেলস গ্রেড ফোর পড়ছে। মিসেস উইসলি হারমিওন, হ্যারি আর রনের জন্য ডায়গন অ্যালেতে (জাদুকরদের বিশেষ বাজার) ফিরে এসেছেন। চার্লি ফায়ার প্রুফ বেলা ক্লাভা নিয়ে ব্যস্ত। হ্যারি ওর ফায়ার বোল্ট পালিশ করছে। ওর তেরতম জন্মদিনে হারমিওন ওকে ব্রুমস্টিক সার্ভিসিং কিট দিয়েছে। পায়ের কাছে ওটা পড়ে আছে। ফ্রেড আর জর্জ ওদের ভবিষ্যতের কর্মপন্থা নিয়ে কথাবার্তা বলছে।

    মিসেস উইসলি ওদের ফিসফিস করে কথা বলতে দেখে সন্দেহের দৃষ্টিতে তাকিয়ে বললেন–তোমরা কি করছ?

    –হোমওয়ার্ক, ফ্রেড বলল।

    মিসেস উইসলি বললেন–হোমওয়ার্ক? ছুটিতে হোমওয়ার্ক! আমাকে তোমরা বোকা পেয়েছ?

    –হোস্টেলে কিছুটা বাকি ছিল, জর্জ বলল।

    –তোমরা নতুন কিছু করছ নাকি? তোমরা উইসলির উইজার্ড হুইজেস নতুন করে লিখছ?

    –মাম্ আগামীকাল যদি হোগার্টস এক্সপ্রেস দুর্ঘটনায় জর্জ আর আমি দুজনেই মারা যাই… তখন তুমি আমাদের জন্য দুঃখ পাবে এবং ভাববে তুমি সবসময়ই অযথা আমাদের দোষ দিয়েছ।

    সকলেই ওর কথা শুনে হো হো করে হেসে উঠল। মিসেস উইসলিও বাদ গেলেন না সেই হাসির স্রোতে ভেসে যেতে।

    কিছুক্ষণ পরে মি, উইসলি ফিরলেন। বাইরে অসম্ভব ঠাণ্ডা, বাড়ির ভেতরটা উষ্ণ। একটা হাতলওয়ালা চেয়ারে বসে সামনের টেবিলে রাখা একটা ছোট ফুলকপি লোফালুফি করতে লাগলেন।–রিটা স্কিটার সারাদিন মিনিস্ট্রিতে খবর সংগ্রহের আশায় জুতোর সুকতলা খুলে ফেলেছে। এখন খবর পেয়েছে বেচারি বার্থা হারিয়ে গেছে। তো কাল সকালের ডেইলি ফেটের ওইটাই শিরোনাম হবে। আমি বেগম্যানকে বলেছি, সব চেয়ে ভাল হবে যদি তুমি ওকে একটা ঘরে তালাবন্ধ করে রাখ!

    পার্সি বলল, ক্রাউচও এই কথা সপ্তাহের পর সপ্তাহ ধরে বলে আসছেন।

    উইসলি বললেন–ক্রাউচের ভাগ্য ভাল রিটা উইঙ্কীর ব্যাপারে কিছু পায়নি। ও যদি জানত হ্যারির জাদুদণ্ড হাতে ও ধরা পড়েছে; ওটা দিয়ে ডার্ক মার্ক জাদু করেছে, তাহলে সাতদিন কাগজে ওই প্রসঙ্গের কচকচানি চলত।

    পার্সি বলল, আমরা একটা ব্যাপারে সবাই একমত যে এলফ ভুল করেও জাদু করেনি।

    হারমিওন বলল–ডেইলি প্রফেট তো জানে না, ক্রাউচ এলফদের সঙ্গে কত খারাপ ব্যবার করেছে।

    –শোন হারমিওন, পার্সি বলল–ক্রাউচের মতো একজন মিনিস্ট্রির বড় কর্তা তার কর্মচারীর কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য নয়…।

    –তার মানে… উইঙ্কী ওর ক্রীতদাসী বলে? যে ওকে ভাল খেতে–পরতে দেয় … পারিশ্রমিকও দেয় না।

    মিসেস উইসলি ওদের তর্ক–বিতর্ক থামিয়ে সকলকে বললেন–তোমাদের ছুটি শেষ… হোগার্ট ফেরার পালা… স্কুলের জিনিসপত্র, জামা–কাপড়, ড্রেস সব গুছিয়ে নাও ট্রাঙ্কে।

    … কিছু সময় পরে রন নিচে এসে মাকে বলল–মা তুমি জিন্নির ড্রেস আমাকে দিয়েছ কেন?… মিসেস উইসলিকে ড্রেসটা দেখাল।

    –কে বলল?

    –স্কুলের লিস্টে ওটা কিনতে বলেছে; দেখনি? আশ্চর্য!

    –আমার সঙ্গে ঠাট্টা করছ মা! রন বলল।… এটা তো মেয়েদের…।

    –সকলেই পরে তুমিও পরবে রন।

    –আমি উদম হয়ে থাকব… তবু এটা পরবো না।

    –বাচ্চা ছেলের মতো দুষ্টুমি করবে না, হ্যারিও পরবে।

    হ্যারির ড্রেস দেখে রন বলল–আমারটা ওর মতো নয় কেন?

    –তোমারটা সেকেন্ডহ্যান্ড তাই। সেকেন্ডহ্যান্ড যেমন পাওয়া যায়। মিসেস উইসলি একটু অখুশি হয়ে বললেন।

    কথাটা শুনে হ্যারি বিমর্ষ হলো। ওর মা-বাবার রেখে যাওয়া সব সোনা–দানা গ্রিংগটম ভোল্টে আছে। সেখান থেকে মারি ওদের কিছু দিতে চায়, কিন্তু ও জানে ওরা তা নেবে না।

    রন একগুঁয়ের মতো বলল–আমি এটা পারবো না।

    –খুব ভাল। তাহলে নগ্ন হয়ে যেও। হ্যারি সেই সময় তুমি কিন্তু ওর একটা ছবি তুলে রাখবে। হাসব কি কাঁদব জানি না।

    দরজাটা শব্দ করে বন্ধ করে দিয়ে মিসেস উইসলি চলে গেলেন। ঘরে ঝটপট ডানার শব্দ শোনা গেল।

    রন দেখল পিগউইজেয়ন বিরাট একটা পেচার খাবার ঠোঁটে চেপে বসে রয়েছে। এতবড় সে না পারছে গিলতে, না ওগড়াতে।

    রন রেগেমেগে ওর কাছে গিয়ে ঠোঁট থেকে খাবারটা টেনে মাটিতে ফেলে দিল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য অর্ডার অব দ্য ফনিক্স (৫) – জে. কে. রাওলিং
    Next Article হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য প্রিজনার অব আজকাবান (৩) – জে. কে. রাওলিং

    Related Articles

    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার এন্ড দি ফিলসফারস স্টোন (১) – জে. কে. রাওলিং

    August 18, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য চেম্বার অব সিক্রেটস (২) – জে. কে. রাওলিং

    August 18, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য প্রিজনার অব আজকাবান (৩) – জে. কে. রাওলিং

    August 18, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য অর্ডার অব দ্য ফনিক্স (৫) – জে. কে. রাওলিং

    August 16, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য হাফ-ব্লাড প্রিন্স (৬) – জে. কে. রাওলিং

    August 16, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ডেথলি হ্যালোস (৭) – জে. কে. রাওলিং

    August 16, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }