Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য গবলেট অব ফায়ার (৪) – জে. কে. রাওলিং

    জে. কে. রাওলিং এক পাতা গল্প704 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১৩. ম্যাড–আই মুডি

    ১৩. ম্যাড–আই মুডি

    সকালে ঝড়–বৃষ্টি থেমেছে। তাহলেও গ্রেট হলে এসে দেখলো তখনও স্কটিক ছাদের উপর আকাশ গভীর কালো মেঘে ঢাকা। ওরা সকালের নাস্তা খেতে খেতে দেখল অদূরে ফ্রেড, জর্জ আর লী জোড়ান তিন মাথা এক করে ফিস ফিস করে আলোচনা করছে। খুব সম্ভব সতের বছরের বেশি তারা কেমন করে হবে, এই নিয়ে ওদের আলাপ। কেমন করে কি করে ওরা ট্রাই–উইজার্ড টুর্নামেন্টে যোগ দেবে।

    রন বলল–আজকের দিনটা খুব সুন্দর… বৃষ্টি পড়ছে না, মাঝে মাঝে রোদ উঠছে।… খেতে খেতে টাইম টেবিল দেখতে লাগল।

    হারমিওন নরম টোস্টে মনের সুখে মাখন লাগাতে থাকে। রন বলল–আবার তুমি খাচ্ছ। দেখল হারমিওন মাখন ছেড়ে টোস্টে জ্যাম মাখাচ্ছে।

    হারমিওন বলল–ভাবছি বেচারা এলফদের জন্য কিছু করা দরকার।

    রন হেসে বলল–মনে হচ্ছে তুমি ক্ষুধার্ত।

    হঠাৎ অনেকগুলো পাখা ঝাপটার শব্দ শোনা গেল। একটা নয় প্রায় একশটা প্যাঁচা ওর জানালা দিয়ে খাবার ঘরে ঢুকল। ওদের পায়ে চিঠির বান্ডিল। হ্যারি ওদের দিকে এগোল। সবই ধূসর আর বাদামী। একটাও সাদা লক্ষ্মী পেঁচা নেই। পেঁচারা সব টেবিলের চারপাশে ঘুরতে লাগল। খুঁজতে লাগল চিঠি আর প্যাকেটের প্রাপকদের। একটা বিরাট তামাটে পেঁচা প্রায় গোত্তা মেরে নেভিলে লংবটমকে ওর কোলের ওপর একটা প্যাকেট ফেলে দিল। ওধারে ম্যালফয়ের টেবিলে একটা পেঁচা টফি, কেক, মেঠাই-এর প্যাকেট ফেলে দিল। হ্যারির কিছু আসেনি। ওর মনটা বিষণ্ণ হলো। বিষণ্ণতা কাটাতে পরিজ খেতে লাগল। ভাবল হেড উইগের দেখা নেই কেন? তাহলে ওর কী বিপদ–আপদ হয়েছে?

    সিরিয়স কী তাহলে ওর চিঠি পায়নি? হরেক রকম–মন আরও বিষণ্ণ হওয়ার মতো যতোসব চিন্তা।

    ও প্রফেসর উটের সঙ্গে দল বেঁধে চলল গ্রীন হাউজের দিকে। ওখানে স্প্রাউট ওদের কদাকার গুল্ম দেখালেন। হ্যারি জীবনে কখনও ওই রকম গাছ গাছড়া গুল্ম দেখেনি। খোঁচা খোঁচা হয়ে মাটি থেকে ফুঁড়ে বেরিয়ে এসেছে। সেই গাছ–গাছড়ায় ছোট ঘোট গোটা। বাইরে থেকে দেখলে মনে হয় জলীয় পদার্থে পরিপূর্ণ।

    প্রফেসর স্প্রাউট গাছগুলোকে দেখিয়ে বললেন, বুবোটিউবার্স! ওদের গোটা চিপে কষ বের করতে হয়।

    –কী বার করতে হয়?

    –কষ–দারুণ প্রয়োজনীয়।… অতএব অযথা নষ্ট করবে না। একটা পাত্রে রাখলেন। কষ বের করার সময় হাতে অবশ্যই গ্লাভস পরে নেবে। ড্রাগনের চামড়া দিয়ে বানানো গ্লাভস। হাতে লাগলে অদ্ভুত অদ্ভুত জিনিস মনে হতে পারে। মানে টাটকা কষ। গাঢ় অতরলীকৃত।

    কষের রঙ হলুদ। দারুণ পঁচা গন্ধ! ওরা ফল থেকে টিপে টিপে কষ বার করে বোতলে ভরল।… অনেকগুলো পাইট।

    প্রফেসর স্প্রাউট বোতল ভর্তি কষ দেখে বললেন, ম্যাডাম পমফ্রে দেখে খুব খুশি হবেন। বোতলগুলোতে খুব সাবধানতার সঙ্গে ছিপি দিলেন।… দূরারোগ্য একনির জন্য ওষুধ বুবোটিউবার্স। মুখের ব্রণেও খুব কাজে লাগে।

    হান্না অ্যাবট বলল–তাহলে তো ইলোইজ মিডজেন এটা ব্যবহার করতে পারে। ও হাফপাফের ছাত্রী।

    ওরা কাজ করতে করতে গুম গুম ঘণ্টাধ্বণি শুনতে পেল। ক্লাস শেষ হবার সংকেত! বিভিন্ন আবাসের ছাত্র–ছাত্রীরা তাদের গন্তব্যের দিকে ছুটল। হাফলোফ ট্রান্সফিগাবেসনের আর গ্রিফিন্ডর হ্যাগ্রিডের কটেজের দিকে। ঠিক নিষিদ্ধ বনের মুখে হ্যাগ্রিডের কাঠ দিয়ে বানান কটেজ।

    হ্যাগ্রিড দরজার গোড়ায় দাঁড়িয়েছিলেন। একহাতে তার কাল বোর হাউন্ড, ফ্যাংগের কলার ধরা। ওর পায়ের কাছে অনেক কাঠের বাক্স পড়ে আছে। ফ্যাংগ ছাড়া পাবার জন্য টানাহেঁচরা করছে। ও বোধহয় খালি বাক্সে কি আছে জানতে চায়। ছেলে–মেয়েদের পদশব্দে হ্যাগ্রিড ওদের দিকে তাকালেন। বালের কাছে আসার পর শুনতে পেল বিস্ফোরণের শব্দ। যেন একটা ছোট বোমা ফাটার শব্দ যেন।

    মর্নিং! হ্যাগ্রিড হ্যারি, রন ও হারমিওনের দিকে তাকিয়ে বললেন। হ্যাগ্রিড বললেন বিয়ার চলবে?

    রন বলল–আজ নয়।

    হ্যাগ্রিড ওদের ঢাকনা খোলা ক্রেটের দিকে আঙ্গুল দেখালেন–ইউরাগ… সকুইলড ল্যাভেন্ডার ব্রাউন, পিছনে লাফিয়ে লাফিয়ে চলে।

    ইউরাগ!… কোথায় যেন নামটা শুনেছে হ্যারি। কেমন যেন বিচ্ছিরি দেখতে। অনেকটা গায়ের খোসা ছাড়ান চিংড়ির মতো। দেখলেই গা ঘিন ঘিন করে। প্রতিটি কেটে প্রায় একশটা রয়েছে। ওদের শরীর থেকে পচা মাছের গন্ধ বেরোচ্ছে। প্রতি মিনিট অন্তর ওদের পেছন থেকে জোনাকির মত স্পার্ক দিচ্ছে… ঘোট ঘোট বুদবুদ তৈরি হয়ে শব্দ করে ফেটে যাচ্ছে।

    হ্যাগ্রিড বললেন-এদের খুব যত্ন করে রাখতে হয়। ভাবছি, এদের নিয়ে একটা প্রোজেক্ট করলে কেমন হবে।

    –কী লাভ হবে? একটা শীতল কণ্ঠ পেছন থেকে বলল।

    স্লিদারিনরা তখন এসে গেছে। সকলে পেছনে তাকালেই ম্যালফয়কে দেখতে পেল।

    হ্যাগ্রিড সামান্য সময় নীরব থেকে কর্কশ স্বরে বললেন–ম্যালফয় এটা তোমাদের শিক্ষণীয় বিষয়। ওরা দেখতে আকর্ষণীয় নয় বলে ওদের দিয়ে কোনও উপকার হবে না ভাবছ, তা নয়।

    রন, হ্যারি, হারমিওন ও আরো অনেককে যারা যারা জানতে ইচ্ছুক তাদের হ্যাগ্রিড অদ্ভুত ক্রিয়েচার সম্বন্ধে বোঝালেন।

    তারপর আবার বো বো শব্দের গর্জন। হ্যাগ্রিডের ক্লাশ শেষ হয়েছে।

    গুড ডে, হ্যারি চমকে লাফিয়ে উঠলো পেছন থেকে আসা শব্দটি শুনে। ট্রেলাওয়েনের সামনে বসেছিল হ্যারি। পেছনে তাকাতেই সে প্রফেসর ট্রেলাওয়েনকে দেখতে পেল।

    ট্রেলাওয়েন রোগা লম্বাটে চেহারা। দৃষ্টিশক্তি কম তাই চোখে মোটা গ্লাসের চশমা পরাতে চোখ দুটো ড্যাবড্যাবে দেখায়। ট্রেলা, হ্যারির দিকে অদ্ভুত দৃষ্টিতে তাকালেন। যখনই হ্যারি তার সামনে দাঁড়ায় ট্রেলা তার কেমন যেন দুঃখ ভরা দৃষ্টি! দেন হ্যারির দিকে। ট্রেলা সব সময় গলায় মোটা মোটা কাঁচের বলের মত গোল মালা পরেন। গলায় সরু চেন, হতে বালা। সবই সোনার আলো পরলে চকচক করে।

    হ্যারিকে ট্রেলা দুঃখ ভরা কণ্ঠে বললেন–মনে হয়, তুমি মনকে সম্পূর্ণভাবে আচ্ছন্ন করে রেখেছ। আমার অন্তরের চোখ দিয়ে সব উপলব্ধি করতে পারি স্নেহের হ্যারি। তোমার সাহসী মুখ, আজ কেন এত বিষ তা আমি বুঝতে পারি। আমি জানি তোমার মনের দুশ্চিন্তা অকারণে নয়। আমি দেখতে পাচ্ছি তোমার সামনে অনেক বিপদের দিন অপেক্ষা করছে।–দুঃখের সঙ্গে বলছি খুবই বিপদের। তবে কোনো বিপদের সম্মুখীন হলেও তোমার কোনো ক্ষতি হবে না, তোমার ক্ষতি করতে পারবে না।

    কথাগুলো বলতে বলতে তার কণ্ঠ আরও বেশি অস্পষ্ট হয়ে গেল… খুবই তাড়াতাড়ি কাটিয়ে উঠবে। রন হ্যারির দিকে তাকাল। ওকে দেখে মনে হয় না ট্রেলার ভবিষ্যদ্বাণীতে চিন্তিত। ট্রেলা একটা বড় হাতার আর্ম চেয়ার ফায়ারপ্লেসের কাছে টেনে এনে বসলেন। তারপর ছাত্র–ছাত্রীদের দিকে তাকালেন। লেভেন্ডর ব্রাউন আর পার্বতী প্যাটেল ট্রেলার খুব প্রিয় ছাত্রী। ওরাও ট্রেলার কাছে চেয়ার টেনে নিয়ে হাসি হাসি মুখে বসল।

    –আমার প্রিয় ছাত্র–ছাত্রীরা এখন আমাদের বিভিন্ন তারকা গ্রহদের গতিবিধি সম্বন্ধে জানতে হবে। তাদের অশুভ–পূর্বলক্ষণ সম্বন্ধেও বেশি করে জানা দরকার। এটা তারাই বোঝে যারা তাদের গতির গাগনিক নৃত্য সম্বন্ধে জানে। মানুষের ভূত ভবিষ্যৎ তাদের প্রদত্ত রশ্মিতে নিয়ন্ত্রি হয়।

    কিন্তু হ্যারি এসব ভাবনা থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। ফায়ার প্লেসের সুগন্ধে ওর ঘুম আসছে। প্রফেসর ট্রেলার ভবিষ্যদ্বাণী কখনও তাকে মুগ্ধ করে রাখে না… আবার উড়িয়ে দিতে পারে না। আমার মনে হয়, হ্যারি নিজেকে বলে তুমি যা ভয় পাও তা সত্যি সত্যি ঘটে যেতে পারে।

    কিন্তু হারমিওন ঠিক কথা বলে… হ্যারি বড় বেশি চিন্তা করে, প্রফেসর ট্রেলার সব ভবিষ্যদ্বাণী শঠতা ছাড়া আর কিছু নয়। হ্যারি সেই সময় কোনও স্বপ্ন দেখছে না। সিরিয়স ধরা পড়েছে… তা ট্রেলা জানবে কেমন করে? তবে ট্রেলার একটা কথা একদম উড়িয়ে দেওয়া যায় না, গত টার্ম শেষ হবার সময় যখন তিনি ভোল্ডেমর্ট আবার আসতে পারে এমন এক সম্ভাবনা ব্যক্ত করেছিলেন… এবং ডাম্বলডোর নিজেও বলেছেন, যা যা তিনি ভেবেছিলেন তা সত্য হতে পারে… হ্যারিও যখন তাকে বলেছিল…।

    হ্যারি! বন আস্তে আস্তে বলল।

    –কী…? হ্যারির তন্দ্রা ভেঙ্গে গেল। সে সোজা হয়ে বসে সকলের দিকে তাকাল।

    প্রফেসর ট্রেলা বললেন–আমি নিশ্চিত যে, তুমি শনির অমঙ্গলপূর্ণ প্রভাবে জন্মগ্রহণ করেছ। তার কথার মধ্যে কেমন যেন একটা শঙ্কার ভাব ফুটে উঠেছে।

    হ্যারি বলল–শনি গ্রহ প্রভাবে জন্ম! মানে ঠিক বুঝলাম না। শয়তান শনির প্রভাবে।

    –আমি বলতে চাচ্ছি তুমি যখন জন্মেছ তখন শনি তুঙ্গে ছিল। তাতে তোমার কালো চুল, তোমার খর্বকায় চেহারা… অকালে দুঃখজনক পরিস্থিতি… সেই দিক দেখে আমি একরকম নিশ্চিত হয়ে এই কথাটা বলতে পারি আমার অতি প্রিয় হ্যারি, তুমি মধ্যশীতে জন্ম গ্রহণ করেছ তাই না?

    –না, আমি জুলাই মাসে জন্মগ্রহণ করেছি।

    রন হাসি চাপতে গিয়ে খুক খুক করে কাসে।

    আধঘণ্টা পর ট্রেলা সকলকে একটা গোলাকৃতি চার্ট দিয়ে বললেন–তোমাদের জন্ম তারিখ এবং সেই গ্রহের অবস্থা চার্টে পরিষ্কারভাবে লেখ। কাজটা একদম নিরস, অনেক হিসাব করতে হয়, টাইম টেবিল প্রয়োজন।

    –আমি দুটি নেপচুন পেয়েছি… ট্রেলারের দেওয়া পার্চমেন্টের দিকে তাকিয়ে হ্যারি বলল।

    –আ… আ… আহ, রন প্রফেসর ট্রেলার অস্পষ্ট কথা বলার ভঙ্গি নকল করে।

    ল্যাভেন্ডার ব্রাউন বলল–ওহ্ প্রফেসর, দেখুন… আমার জন্মের প্রভাব এক অদ্ভুত গ্রহের প্রভাবে! এই গ্রহটা কী প্রফেসর?

    –উরেনাস। প্রফেসর ট্রেলার চার্টটা দেখে বললেন।

    রন মহামাতব্বর। সব সময় ফাজলামী করে। বলল–লেভেন্ডার তোমার ওই উরানাস গ্রহের অবস্থান কি দেখতে পারি?

    দুর্ভাগ্যক্রমে ট্রেলা রনের কথা শুনতে পেলেন।… আর এজন্যই বোধ হয় ক্লাসের ছাত্র–ছাত্রীদের অনেক হোমওয়ার্ক দিলেন।

    হারমিওন বলল-এত হোমওয়ার্ক? প্রফেসর ভেক্টর কখনো এত হোম ওয়ার্ক দিতেন না।

    ক্লাশ শেষ হলে সকলে ডিনার খাবার জন্য লাইনে দাঁড়াল। হ্যারি, রন, হারমিওন সকলের পেছনে যেয়ে দাঁড়াল। এমন সময় কে যেন উচ্চস্বরে ডাকল উইসলি… আরে উইসলি! ওরা তিনজনে তাকাল।

    দেখল ম্যালফয় ক্রাব আর গোয়েলে লাইনে দাঁড়িয়ে। ওদের মুখ দেখে মনে হয় ওরা খুব খুশি।

    রন বলল–হ্যাঁ বল। খুবই সংক্ষিপ্ত জবাব।

    ডেইলি প্রফেট কি লিখেছে দেখ বলে ম্যালফয় জোরে জোরে পড়তে লাগল।

    ম্যাজিক মন্ত্রণালয়ে আবারো ভুল
    রিটা স্কীটার, বিশেষ সংবাদদাতা জানাচ্ছেন–মনে হয় ম্যাজিক মন্ত্রণালয়ের সমস্যা এখনও দূরীভূত হয়নি। সম্প্রতি কিডিচ ওয়ার্ল্ড কাপে সঠিকভাবে জনতা নিয়ন্ত্রণ করতে না পারার জন্য ম্যাজিক মন্ত্রণালয় আবারো তীব্র সমালোচনার সম্মুখীন। মন্ত্রণালয়ের এক জাদুকারিনীর নিখোঁজ হওয়ার বেশ কয়েকদিন পার হলেও তার সন্ধান দিতে না পারায় আর্নল্ড উইসলি গংরা তোপের মুখে পড়েছেন।

    ম্যালফয় মুখ তুলে সকলের দিকে তাকাল।

    এনট্রেন্স হলে সকলে শুনছে ও কি পড়ছে। ম্যালফয় বাকি অংশটা পড়ল—

    দু বছর পূর্বে আর্নল্ড উইসলি উড়ন্ত গাড়ি কাছে রাখার অপরাধে অভিযুক্ত হন এবং গতকাল কতগুলো নোংরা ডাস্টবিনস রাখার জন্য মাগল পুলিশের সঙ্গে তার বচসা হয়। জানা যায় যে, মি. উইসলি ম্যাডআই মুডিকে সাহায্য করেছেন। অবসরপ্রাপ্ত বৃদ্ধ অরোর মন্ত্রণালয়ের কাজ থেকে অব্যাহতি পান যখন খুনের অভিপ্রায় ও করমর্দনের মধ্যে পার্থক্য কতখানি তা বলার মতো জ্ঞান যখন ছিল না। আশ্চর্যজনকভাবে উইসলিকে তার সুরক্ষিত বাড়িতে বাড়িতে গেলে তিনি দেখতে পান মুডি আবারো বিপদ ঘন্টা বাজিয়েছেন। মি. উইসলি পুলিশের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য নানাবিধভাবে মুডির সঙ্গে তার পরিচয় ও আলাপের প্রসঙ্গ আনেন। কিন্তু ডেইলি প্রফেটকে কিছু বলতে অস্বীকার করেন। তিনি কেন ম্যাজিক মন্ত্রণালয়কে ঐদিন এই অমর্যাদাকর কাজে ব্যবহার করেছিলেন।

    ম্যালফয় একটা প্রায় ভাঙা বাড়ির ফটো দেখিয়ে বলল-এটা যদি বাসস্থান বলা হয়, তাহলে কী মানুষের উপযোগী বাসস্থান? তোমার বাবা-মায়ের একটি ছবিও রয়েছে দেখছি।

    রন রাগে ঠক ঠক করে কাঁপছে, সকলে ওরদিকে তাকিয়ে আছে।

    হ্যারি বলল–ম্যালফয় সংযত হয়ে কথা বল।… এস রন–ও ভুলেই গেছি, এবার গরম কালে তুমি তো ওদের বাড়িতে ছিলে, তাই না পটার? ম্যালফয় নাক সিঁটকাল-এবার বল মহিলা সত্যিই কি ওর মা, না এমনি একটা ছবি? বলত, ওর মা কী শুয়রের মত মোটা না ছবিতে ওই রকম উঠেছে?

    হ্যারি বলল–তুমি তো তোমার মাকে চেন ম্যালফয়? ওদিকে হারমিওন ও হ্যারি রনকে চেপে ধরে রেখেছে। না হলে রন লাফিয়ে ম্যালফয়ের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ছিলো প্রায়।

    –গোবরের মত মুখ যেমন নাকও তেমন। ম্যালফয় তোমার নাকের গোবরছাপটি কী তোমার মায়ের সূত্রে পেয়েছে?

    ম্যালফয়ের বিবর্ণ মুখ আরও বিবর্ণ হয়ে গেল। বলল–পটার তুমি আমার মাকে অপমান করবে না।

    হ্যারি বলল–তাহলে তুমি তোমার হাঁড়ির মত মুখটা বন্ধ করে রাখ।

    ব্যাংগ। তীব্র শব্দ।

    অনেকেই চিৎকার জুড়ে দিল। হ্যারি ওর গালের এক পাশে সাদা গরম কিছু অনুভব করল। তৎক্ষণাৎ ও রোবের মধ্যে হাত ঢুকিয়ে জাদুদণ্ডটা বার করতে যাবে তখনই আবার সেই তীব্র শব্দ ব্যাংগ! তারই সঙ্গে প্রতিধ্বনি! সমগ্র হলটা কাঁপিয়ে দিল শব্দ ও তার ভয়ঙ্কর প্রতিধ্বনিতে।

    ও না। এ কাজ করবে না মেয়ে?

    হ্যারি ফিরে তাকাল। দেখল প্রফেসর মুডি খোঁড়াতে খোঁড়াতে এনট্রেন্স হলের করিডোর ধরে আসছেন। তার হাতে জাদুদণ্ড ও সেটা একটা সাদা জিনিসের দিকে তাক করে রয়েছে।…. সেই সাদা প্রাণীটি মাটিতে পড়ে কাঁপছে… ঠিক ম্যালফয় সেখানে দাঁড়িয়ে ছিল সেই খানে।

    এনট্রেন্স হল নীরব, কারও মুখে একটি শব্দ নেই। কিন্তু মুডি বড় অশান্ত। কিছু করা দরকার মুখের ভাবে প্রকট।… মুডি হ্যারির দিকে তাকালেন–অস্বাভাবিক নয়, স্বাভাবিক চোখটা দিয়ে তাকালেন, অস্বাভাবিক চোখের দৃষ্টি মাথার পিছন দিয়ে।

    –তোমাকে কি আঘাত হানতে পেরেছিল, হ্যারি। তার গলার স্বর গম্ভীর হলেও গর্জনের মত।

    –না, হ্যারি বলল–হানতে পারিনি।

    –তাহলে ছেড়ে দাও, মুডি চিৎকার করে বললেন।

    –হ্যারি ভ্যাবাচাকা খেয়ে বলল–ছাড়ব–কি?

    –তুমি না, ওই ছেলেটাকে! মুডি ওর একটা হাত ক্রাবের কাঁধে রাখলেন। ওর দেহ হিম হয়ে গেছে। পায়ের কাছে পড়ে থাকা অদ্ভুত সাদা জিনিসটা তুলতে গিয়ে পারলো না।

    মুডি একটু একটু করে ক্লাবকে ছেড়ে সামনের ঐ সাদা প্রাণীটির দিকে এগুলেন। সাদা প্রাণীটি হঠাৎ অসম্ভব চীৎকার করে উঠল… তারপর ডানগিয়নের দিকে এগোতে লাগলো।

    –আমি তা মনে করি না! মুডি গর্জন করে উঠল। আবার ওর দণ্ডটা সাদা বস্তুটার ওপর ছোঁয়াল। ছোঁয়াবার সাথে সাথে ওটা প্রায় সাত ফুট উঁচুতে লাফ দিয়ে ধপাস করে নিচে পড়ে গেল। তারপর ধেই ধেই করে উঠতে ও নামতে লাগল। আমি সেসব লোকদের পছন্দ করি না, যারা পেছন থেকে আক্রমণ করে, মুডি প্রতিটি শব্দ থেমে থেমে বললেন। তখন সাদা প্রাণীটি লাফাচ্ছিল। মুডি আবার সাবধান করলেন, আর কখনো… কখনো এ কাজ করবে না।

    প্রফেসর ম্যাকগোনাগল ধীরে–সুস্থে আসছেন। বগলে তার এক গাদা বই।

    মুডি শান্তভাবে হাত প্রসারিত করে বললেন–হ্যালো প্রফেসর ম্যাকগোনাগল।

    –কী নিয়ে ব্যস্ত মুডি? প্রফেসর ম্যাকগোনাগল বললেন…. বলার সময় চোখে পড়ল নাচন কুঁদন সাদা প্রাণীটির প্রতি।

    –শিক্ষা দান করছি, মুডি বললেন

    –শিক্ষা? মুডি ওটা কী আপনার ছাত্র?

    ম্যাকগোনাগলের হাত থেকে বইগুলো পড়ে গেল।

    –হা, মুডি বললেন।

    –না! প্রফেসর ম্যাকগোনাগল চিৎকার করে উঠলেন। দৌড়ে গেলেন সিঁড়ি পর্যন্ত। তার পর মুহূর্তে নিজের জাদুদণ্ডটা বার করলেন। সঙ্গে সঙ্গে বিকট এক শব্দ হতেই দেখা গেল ড্র্যাকো ম্যালফয় ভূলুষ্ঠিত হয়ে পড়ে রয়েছে… ওর মাথার এক ঝাঁক চুল ছড়িয়ে রয়েছে ওর গোলাপি মুখের ওপর। তারপর কাঁপতে কাঁপতে দাঁড়াল।

    প্রফেসর ম্যাকগোনাগল বললেন–মুডি শাস্তি দিতে গিয়ে কখনই আমরা চেহারা পাল্টে দেই না… নিশ্চয়ই তোমাকে ডাম্বলডোর বলেছেন?

    –মনে নেই, বলতে পারেন, মুডি গাল চুলকোতে চুলকোতে বলল। তবে ও যা অপরাধ করেছে তার জন্য শাস্তির প্রয়োজন ছিল।

    –মুডি, আমরা ছুটির পর আটক করে রেখে শাস্তি দেই। অথবা হাউজের প্রধানকে অপরাধের ব্যাপারটা জানাই।

    –ঠিক আছে, এরপরে আপনারা তাই করবেন, মুডি কথাটা বলে ঘৃণা ভরে ম্যালফয়ের দিকে তাকিয়ে রইলেন।

    ম্যালফয় অশ্রুভরা দুই চোখে তাকিয়ে রইল। অপমানে, যন্ত্রণায় ও সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারছে না। বিড় বিড় করে কিছু বলতে চাইল, কিন্তু বলতে পারলো না। শুধু শোনা গেল আমার বাবা।

    মুডি ওর কাঠের এক পা নিয়ে ধীরে ধীরে দরজার দিকে চললেন। পায়ের শব্দের প্রতিধ্বনিতে মুখরিত হল।–ভাল, ভাল তাই বলে তোমার বাবাকে। আমি তোমার বাবাকে তো জানি। তুমি তোমার বাবাকে ব্যাপারটা বলবে, অবশ্যই বলবে।

    বলবে তোমার বাবাকে এই সম্বন্ধে। আমার মুখ থেকে শোনো–তোমাদের হেড অফ দি হাউজ হবে স্নেইপ।

    –হ্যাঁ। ম্যালফয় একটু বিকৃত স্বরে বলল

    –আরও একটি পুরনো বন্ধু, মুডি হুংকার দিয়ে বলল–আমি তার সঙ্গে কথা বলব। মুডি ওর ঘাড় ধরে টেনে নিয়ে গেল ভূগর্ভস্থ অন্ধকার এক ঘরের দিকে।

    রন অসম্ভব অসম্মানিত ও ভীষণ রেগে আছে।

    হ্যারি–হারমিওন ওর দিকে তাকালে রন বলল–আমার সঙ্গে তোমরা কথা বলবে না বলে দিলাম।

    তারপর ওরা গ্রিফিন্ডরের টেবিলে বসলে বন্ধু–বান্ধবরা ওকে হেঁকে ধরল আসল ব্যাপারটা জানার জন্য।

    –কেন নয়? হারমিওন একটু আশ্চর্য হয়ে বলল।

    –আজকের অপমান আমি জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত মনে রাখব! রন বলল… ড্র্যাকো ম্যালফয়, নোংরা, কুৎসিত পোকা।

    ওর কথা শুনে হ্যারি, হারমিওন দুজনেই হেসে উঠল।

    হারমিওন বলল, প্রফেসর ম্যাকগোনাগল না এলে ও ব্যাটা অক্কা পেত।

    –হারমিওন! রন অসম্ভব রেগে বলল–তুমি আমার জীবনের সবচেয়ে সুন্দর মুহূর্তটা নষ্ট করে দিচ্ছ!

    দুএকটা কথা বলার পর হারমিওন ওর খাওয়া শেষ করে ঘর থেকে চলে গেল।

    হারমিওন চলে গেলে ফ্রেড উইসলি বলল–মুডী কত শান্ত দেখলে?

    জর্জ বলল-একটু বেশি।

    জর্জের পাশে লী জোর্ডান বসেছিল–বলল–সুপার কুল। আজ আমরা তার সঙ্গে কথা বলব… উনি মানুষ চেনেন।

    রন একটু ঝুঁকে পড়ে বলল–কী চেনেন?

    –জানেন কখন কি করতে হয়।

    –কি করতে হয় মানে? হ্যারি বলল।

    –ডার্ক আর্টের সঙ্গে মোকাবিলা, ফ্রেড বলল।

    রন ওর টাইম টেবিল খুঁজতে খুঁজতে বলল–বৃহস্পতিবারের আগে তো ওকে পাওয়া যাবে না। ওর গলায় হতাশার সুর।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য অর্ডার অব দ্য ফনিক্স (৫) – জে. কে. রাওলিং
    Next Article হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য প্রিজনার অব আজকাবান (৩) – জে. কে. রাওলিং

    Related Articles

    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার এন্ড দি ফিলসফারস স্টোন (১) – জে. কে. রাওলিং

    August 18, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য চেম্বার অব সিক্রেটস (২) – জে. কে. রাওলিং

    August 18, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য প্রিজনার অব আজকাবান (৩) – জে. কে. রাওলিং

    August 18, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য অর্ডার অব দ্য ফনিক্স (৫) – জে. কে. রাওলিং

    August 16, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য হাফ-ব্লাড প্রিন্স (৬) – জে. কে. রাওলিং

    August 16, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ডেথলি হ্যালোস (৭) – জে. কে. রাওলিং

    August 16, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }