Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য গবলেট অব ফায়ার (৪) – জে. কে. রাওলিং

    জে. কে. রাওলিং এক পাতা গল্প704 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৩. ইনভিটেসন

    ০৩. ইনভিটেসন

    কিচেনে গিয়ে হ্যারি দেখল ওকে বাদ দিয়েই আঙ্কেল–আন্টি আর ডাডলি টেবিলে আয়েশ করে বসে নাস্তা শুরু করে দিয়েছে। ও ঘরে ঢোকার সময় কেউ ওর দিকে তাকালও না। আঙ্কেল ভার্ননের লাল গোল মুখটা সকালের ডেইলি মেইল পত্রিকার আড়ালে ঢাকা ছিল। আন্টি পেটুনিয়া ছুরি দিয়ে একটা গ্রেপফুট চার টুকরো করছেন। ওর ঘোড়ার মতো বড় বড় দাঁত বেরিয়ে রয়েছে। ঠোঁট দুটো রস সিক্ত।

    ডাডলি স্বাভাবিকভাবে ক্ষিপ্ত। চেয়ারটা ছোট তাই আরাম করে বসতে অসুবিধে হচ্ছে। ও সব সময় চৌকো টেবিলটার একপাশে বসে। কারও সামনা সামনি নয়। আন্টি পেটুনিয়া গ্রেপফুটের এক চতুর্থাংশ ডাডলির টেবিলে রাখতে রাখতে বললেন, ডাডলি সোনা এটা তোমার… মিষ্টি মেশান নেই। ডাডলি লাল চোখে মার দিকে তাকাল। গরমের ছুটিতে বাড়ি আসার পর ওর মনে হয় মানুষের জীবন এত যে আনন্দদায়ক হয় কেমন করে! ও ফোর্থইয়ার রিপোর্ট নিয়ে বাড়ি ফিরেছে।

    আঙ্কেল–আন্টিও কম মার্ক পাওয়ার জন্য ওকে নয়, প্রতিবার স্কুল টিচারদের যেমন দোষ দেন–তেমনি দিয়ে চলেছেন। আন্টির মতে ডাডলির অনেক প্রতিভা আছে, হিংসুটে স্কুল টিচাররা ঠিক ওকে বুঝতে পারে না। আঙ্কেল ভার্নন বলেন, ডাডলি আহ্লাদি মেয়েদের মতো হোক এটা আমি চাই না। ছেলেরা ছেলেদের মতো হবে। ঘ্যানঘ্যানে প্যানপ্যানে নয়–দুর্দান্ত। রিপোর্টে ও স্কুলে মারামারি করে লিখেছে–আন্টি বললেন–আহা আমার ছেলে ক্লাশের ছেলেদের মারে… একদম মিথ্যা কথা। ও এত নরম মনের ছেলে একটা মাছি পর্যন্ত মারতে কষ্ট পায়… মোটাসোটা ছেলে হলে কি হবে। স্কুলের নার্স লিখেছে, ডাডলি যেন ডায়েট করে? যেসবগুলো খেতে মানা করেছে তা সবই ডাডলির অতি প্রিয় খাদ্য যেমন–ফিজ্জি ড্রিংক, কেক, চকোলেট বার, বার্জার। খাবে ফল, সবজি ইত্যাদি। বাড়ির সকলের জন্য আন্টি ওর খাদ্য তালিকা করেছেন। তফাৎ এই লিস্টটা ফ্রিজে সেঁটে রাখেননি। ডাডলি বেচারি খাবে না আর ওরা খাবে তা কি করে হয়? পাড়ার লোকেরা ঠাট্টা করে ওকে দেখে বলে একটা ধেড়ে তিমি মাছ।

    ডাডলি খুব খুশি… ওকে একা একা শাক পাতা–ঘাস খেতে হয় না। তাহলে ও হ্যারির চেয়ে কম খেতে দিলে অসম্ভব রেগে যায়। আন্টি পেটুনিয়া মনে করে ডাডলির স্বভাব ঠিকমত রাখার একমাত্র পথ হচ্ছে ওকে ভাল–মন্দ বেশি করে খেতে হবে–হ্যারির চেয়েও বেশি।

    আন্টি পেটুনিয়া ঘুণাক্ষরেও জানে না হ্যারি ওর বিছানার তলায় কি রাখে না রাখে। এও জানে না হ্যারি ঘাস–পাতা না খেয়ে গরমের ছুটির বাকি কটা দিন শুধু আস্ত কাঁচা গাজর খেয়ে কাটাচ্ছে।

    হ্যারি ওর বন্ধু–বান্ধবদের হেডউইগ মারফত ওকে সাহায্য করার জন্য চিঠি পাঠিয়েছে। হেডউইগ হারমিওনের বাড়ি থেকে ফিরে এল পায়ে একটা চামড়ার ব্যাগ নিয়ে। ওদের বাড়ি থেকে পাঠিয়েছে বিরাট বাক্সভর্তি চিনি বর্জিত খাবার (ওর বাবা-মা ডেন্টিস্ট)। হ্যাগ্রিড পাঠিয়েছে (হোগার্টসের গেম কীপার) বাড়িতে তৈরি রক কেক। (হ্যারি ওগুলো স্পর্শ করেনি কারণ হ্যাগ্রিডের রান্না সম্বন্ধে ওর অভিজ্ঞতা আছে)। মিসেস উইসলি, ওর পারিবারিক প্যাঁচা মারফত পাঠিয়েছেন একগাদা ফুট কেক আর পেস্ট্রি। বেচারা এরল এখন বৃদ্ধ হয়ে গেছে যথেষ্ট দুর্বল, আসতে ওর পুরো পাঁচদিন লেগেছে। ওর জন্মদিনে চারটে কেক পাঠিয়েছে হারমিওন, রন, হ্যাগ্রিড আর সিরিয়স। এখনো দুটো কেক রয়ে গেছে। পেটুনিয়ার রান্না মুখে ভোলা যায় না। বলতে গেলে কাঁচা গাজর চিবিয়ে খিদে মেটাচ্ছে হ্যারি।

    আঙ্কেল ভার্নন একটু করে গ্রেপফুট নিয়ে মুখ বেকিয়ে অসন্তুষ্ট হয়ে খেতে লাগলেন।

    –আর নেই কিছু? বিরাট হাই তুলে বললেন। হাই তোলার সঙ্গে সঙ্গে তার বিরাট গোঁফ নাচতে লাগল।

    আন্টি পেটুনিয়া আঙ্কেল ভার্ননের দিকে রোষ দৃষ্টিতে তাকিয়ে বললেন–যথেষ্ট দিয়েছি। কথা বলার সময় আড় চোখে হ্যারির দিকে তাকালেন।

    দরজার ঘণ্টি বেজে উঠল। ঘণ্টির আওয়াজ শুনে ভার্নন কে এসেছে দেখার জন্য চেয়ার ছেড়ে রান্নাঘরের বাইরে চলে গেলেন। ডাডলি বাবা চলে যেতেই তার প্লেট থেকে বাকি অংশ তুলে নিল।

    হ্যারিও ঘণ্টা শুনেছে। আঙ্কেল ভার্নন চলে গেলে কিচেন থেকে শুনতে পেল কে একজন হাসছে, আর আঙ্কেল ভার্নন প্রশ্নের চাঁচাছোলা জবাব দিচ্ছেন। আন্টি পেটুনিয়া, আঙ্কেল ভার্নন ফিরছে না দেখে যেখানে দরজায় ডোর বেল আছে সেদিকে ছুটলেন। যাওয়ার আগে হাতের টি-পটটা টেবিলে রেখে গেলেন। একটু পর ভার্নন ফিরে এলেন। মুখ তার বিবর্ণ।

    ভার্নন ঘেউ ঘেউ করে উঠলেন, হ্যারির দিকে তাকিয়ে বললেন, তুমি এখনই বসবার ঘরে যাও। তোমার সাথে কিছু কথা আছে।

    হ্যারি ভেবে পায় না, আবার কী অন্যায় করল।

    ও আঙ্কলের পিছু পিছু চলল। আঙ্কেল যাবার আগে দরজাটা শব্দ করে বন্ধ করে দিলেন। ভার্নন ফায়ার কাছে দাঁড়িয়ে সোজা হ্যারির দিকে তাকালেন। এমনভাবে তাকালের যেন পুলিশে ওকে গ্রেফতার করতে এসেছে।

    হ্যারি, আঙ্কেল ভার্ননের বিরক্তিমাখা মুখের দিকে তাকিয়ে বলল–কী হয়েছে?

    তাকাও, এটার দিকে, ভার্নন একটা খাম (পার্টমেন্টে) হ্যারিকে দেখিয়ে বললেন-এই চিঠিটা পোস্টম্যান এইমাত্র দিয়ে গেল।

    হ্যারি খামটার দিকে তাকাল। ভাল খাওয়া–দাওয়া না করে শরীর খুব দুর্বল।

    কে তোমাকে এই চিঠিটা পাঠিয়েছে জানতে পারি? হ্যারি কোনও জবাব দিলো না।

    ভার্নন খামটার মুখ খুলে চিঠিটা বার করে বেশ জোরে জোরে পড়তে লাগলেন

    প্রিয় মি. অ্যান্ড মিসেস ডার্সলে,
    আমাদের কখনো পরিচয় হয়নি। আমি নিশ্চিত যে, হ্যারির মুখে আমাদের রনের কথা শুনে থাকবেন। আগামী সোমবার থেকে হোগার্ট স্কুলে কিডিচ ওয়ার্ল্ডকাপ শুরু হবে। আমার স্বামী আর্থার ম্যাজিক মন্ত্রণালয়ে কর্মসূত্রে কয়েকটা প্রাইম টিকিট পেয়েছেন।
    আমরা সত্যিই খুব খুশি হব, যদি আপনারা কিডিচ ফাইনাল খেলা দেখবার জন্য হ্যারিকে আমাদের কাছে পাঠান। জীবনে এই ধরনের খেলা দেখার সৌভাগ্য সহজে হয় না। তিরিশ বছর পরে এবার আমাদের দেশে খেলাটি হবে। আমরা আরো আনন্দিত হব, যদি গ্রীষের ছুটির বাকি কটা দিন ওকে আমাদের কাছে থাকার অনুমতি দেন। ছুটি শেষ হলে সে নিরাপদেই এখান থেকে হোগার্টের স্কুলে চলে যাবে। আশা করি আপনি আমাদের অনুরোধটি রাখবেন।
    আপনারা হ্যারিকে আমাদের কাছে পাঠাতে রাজি হলে, ওকে বলবেন ও যেন আপনার উত্তরটি যত শিগগির পারে সাধারণ মেইলে পাঠিয়ে দেয়। কারণ মাগল পোস্টম্যানরা আমাদের পাঠানো চিঠিপত্র ঠিকমত বিলি করে না। আশা করছি, আমরা শিগগিরই হ্যারিকে দেখতে পাব। আপনাদের বিশ্বস্ত,
    মন্ত্রী উইসলি
    বিদ্র: আশাকরি আমরা প্রয়োজনীয় স্ট্যাম্প খামে লাগিয়েছি।

    চিঠিটা পড়া হলে আঙ্কেল ভার্নন পকেটে হাত ঢোকালেন। তারপর পকেট থেকে অন্য একটা জিনিস বার করে বিরক্তি মাখা মুখে বললেন, পড়ে দেখ।

    হ্যারি মিসেস উইসলির চিঠির এনভেলপে অনেক স্ট্যাম্প দেখতে পেয়ে কোনো মতে হাসি থামালো। ভার্নন বললেন, দেখ, মিসেস উইসলি অযথা একগাদা ডাকটিকেট সেঁটেছেন। আর এই কারণেই পোস্টম্যানের সন্দেহ হয়েছে, তাই সে কল বেল টিপে চিঠিটা দিয়ে গেল।

    হ্যারি চিঠিটা হাতে নিয়ে চুপ করে দাঁড়িয়ে রইল। উনিও হ্যারির মুখের দিকে তাকিয়ে রইলেন। দুজনেই চুপচাপ! নীরবতা ভাঙল হ্যারি।

    –তো… আমি তাহলে যাব? হ্যারি বলল।

    কথাটা শুনে ভার্ননের লালমুখটা আরও লাল হয়ে গেল। বড় বড় গোঁফের আড়ালে নিশ্চয়ই কিছু ফন্দি আঁটছেন। হ্যারি ডার্সলে পরিবার থেকে পালাতে পারলে বাঁচে। স্কুলে যাবার আগে কটা দিন রন, হারমিওন, ফ্রেড, জর্জের সঙ্গে উইসলি পরিবারে থাকতে পারবে এবং এখানকার একঘেঁয়ে জীবনের অবসান।

    আক্কেল ভার্নন বললেন-এই মহিলাটি কে?

    হ্যারি বলল–আপনি মিসেস উইসলিকে চেনেন, দেখেছেন। আমার বন্ধু রনের মা…… প্রায় ওর মুখে এসে গিয়েছিল হোগার্টস এক্সপ্রেস। আঙ্কেল ভার্নন কথাটা শুনলে আরও চটে যাবেন। ডার্সলে পরিবার হ্যারির স্কুলের নাম শুনলে চটে যায়।

    আঙ্কেল ভার্ননের মুখ দেখে হ্যারির মনে হল কোনো একটা কিছু মনে করার চেষ্টা করছেন।

    –সেই মোটা মহিলা–যার একগাদা লাল চুলওয়ালা ছেলে–মেয়ে আছে?

    কথাটা শুনে হ্যারি ভুরু কোঁচকালো। মোটা কথাটা বলে ভার্নন খুব আনন্দ পান। ডাডলি তার ছেলে… সে কী কম মোটা? দিনের পর দিন লম্বা হওয়ার বদলে প্রস্থে বাড়ছে। ভার্নন আবার কিডিচ খেলার কথাটা বিড় বিড় করে বললেন।

    কিডিচ! নাম শুনলেই গা জ্বলে যায়। সেই রাবিশ খেলা? হ্যারিকে দ্বিতীয়বার আক্রমণ করলেন ভার্নন। ও বলল, ওটা একটা খেলা। ম্যাজিক্যাল ঝাড়ু দিয়ে খেলতে হয়।

    –ঠিক আছে, ঠিক আছে, আঙ্কেল ভার্নন খুব জোরে বললেন। হ্যারি লক্ষ্য করল আক্কেল যেন একটু ভয় পেয়েছেন। ঝড় প্রসঙ্গ আলাপ বসার ঘরে আনতে চায় না।… ভার্নন চিঠিটা আবার পড়তে লাগলেন–আপনার মতামত স্বাভাবিকভাবে জানাবেন… থুথু ফেলে বললেন, কথাটার অর্থ? স্বাভাবিকভাবে চিঠি পাঠাবার মানেটা কী?

    –মানে, যেভাবে আমরা চিঠি পাঠাই… আপনি তো জানেন আউল পোস্টের ব্যাপারটা। জাদুকররা প্যাচাঁদের দিয়ে চিঠি পাঠায়। এটা তাদের স্বাভাবিক প্রথা।

    আঙ্কেল ভার্ননের রাগ তখনও কমেনি। রাগে কাঁপতে কাঁপতে জানালা দিয়ে বাইরে তাকালেন। পাড়ার লোকেরা ওদের বাড়ির দিকে তাকিয়ে রয়েছে কিনা দেখার জন্য।

    –কতদিন তোমাকে সাবধান করে দিয়েছি আমার বাড়িতে বসে তুমি জাদুকর আউল, ঝাড়ু, এইসব কথা বলবে না। অকৃতজ্ঞ ছেলে। আমাদের প্যান্ট পরে তো দাঁড়িয়ে রয়েছে।

    হ্যারি কোনও রকম ভ্রুক্ষেপ না করে বলল, সবইতো ডাডলির ফেলে দেওয়া জিনিসপত্র।

    হ্যারির গায়ে বিরাট একটা সুইটশার্ট। (ডাডলির গায়ে হয় না)… সেটা এতবড় যে, দুটো হাতা ওর হাত ছাড়িয়ে গেছে–ঝুলটা হাঁটু পর্যন্ত। হাতা দুটো কম করে পাঁচবার গুটালে কব্জি পর্যন্ত আসে। তেমনি বড় ব্যাগি জীন্স।

    আঙ্কেল ভার্নন হ্যারির দিকে বিশ্রিভাবে তাকিয়ে রাগে থর থর করে বললেন আমার সঙ্গে মুখেমুখে তর্ক করবে না।

    হ্যারি আজকাল আর আঙ্কেল–আন্টিকে ভয় করে না। সেদিন চলে গেছে। আঙ্কেল–আন্টির বাড়ির শাসন, নিয়ম আর ও মানে না। কিডিচ ওয়ার্লড কাপ দেখতে যাবেই যাবে। কেউ বাধা দিতে পারবে না।

    তবু হ্যারি দীর্ঘ শ্বাস ফেলে বলল, ঠিক আছে… আমি যাব না।… এবার কী যেতে পারি? আমাকে এখন গডফাদার সিরিয়সকে একটা চিঠি লিখতে হবে।

    আঙ্কেল ভার্ননকে নরম করা, হম্বিতম্বি বন্ধ করার একটি মাত্র দাওয়াই সিরিয়সের নাম উচ্চারণ করা।–আপনি তো সিরিয়সকে চেনেন।

    –তুমি ওকে চিঠি লিখবে? আঙ্কেল ভার্নন আমতা–আমতা করে বললেন। ভয়ে ওর মুখ শুকিয়ে গেছে। চোখ দুটো ভয়ে আরও ঘোট ঘোট হয়ে গেছে।

    –হ্যাঁ, লিখতে হবে, হ্যারি সাধারণভাবে বলল–অনেক দিন সিরিয়স আমার কোনও চিঠি না পেয়ে খুব ভাবছেন। জানেন তো না পেলে… অন্যকিছু ভাববে… একটু রগচটা মানুষ। কথাগুলো বলে হ্যারি আঙ্কেল ভার্ননের মুখের দিকে তাকাল। ভাননের সিরিয়সের নাম শুনে মুখের ভাব বদলে গেছে। হ্যারি মনে মনে খুব খুশি হল।

    হ্যারিকে যদি যেতে না দেয়, সিরিয়সকে চিঠি দিয়ে কারণটা বাতলে দিতে পারে হ্যারি। তাহলে…? ভার্নন ভেতরে ভেতরে দারুণ ভয় পেয়ে গেলেন।

    –বেশ ঠিক আছে। তুমি তাহলে কোন জাহান্নামে যাবে যাও, তুমি লিখে জানিয়ে দাও–তুমি যাবে। উইসলিরা এসে তোমাকে নিয়ে যাবেন, তাই তো?

    হ্যারি খুশি মনে ওর ঘরের দিকে চলল… ওর আনন্দে দুহাত পা তুলে ধেই ধেই করে নাচতে ইচ্ছে করল… ও শেষমেশ যাচ্ছে উইসলিদের বাড়ি যাবেই… সেখান থেকে কিডিচ ওয়ার্ল্ড কাপ দেখবে। প্রিভেট ড্রাইভ ওর আর ভাল লাগছে না।

    ঘরের-বাইরে ডাডলি লুকিয়ে লুকিয়ে ভার্নন আর হ্যারির কথা শুনছিল। ভাবল বাবা ওকে যেতে না দিলে খুব ভাল হবে। কিন্তু ওর সব আশা বরবাদ হয়ে গেল হ্যারির মুখে একগাল হাসি দেখে।

    ঘরে ঢুকে প্রথমেই দেখতে পেল হেডউইগকে, ও খাঁচার মধ্যে বসেছিল। বড় বড় হলুদ বর্ণের চোখে দেখছিল হ্যারিকে। যেভাবে ও ঠোঁট দুটো চেপে রেখেছে তাতে মনে হয় ও কোনও একটা ব্যাপারে রেগে গেছে।

    –আইচ। হ্যারি বলল।

    ছোট একটা পালকের টেনিস বল হ্যারির মাথার এক পাশে পড়ল। হ্যারি মাথাটা ম্যাসাজ করতে করতে দেখতে গেল কে বলটা ছুঁড়েছে। টেনিস বল নয় একটা ছোট প্যাঁচা। এত ছোট যে, হাতের মুঠোতেও ওকে ধরা যায়। ছোট প্যাঁচাটা সারা ঘর চড়কিবাজির মতো ঘুরতে লাগল। হঠাৎ হ্যারির নজরে পড়ল একটা চিঠির ওপর। হ্যারি হাতের লেখা দেখে বুঝতে পারলো রনের কাণ্ড! খামটা মেঝে থেকে তুলে নিয়ে তক্ষুণি পড়তে আরম্ভ করল।

    হ্যারি–বাবা টিকিট পেয়ে গেছে প্রথম খেলা আয়ারল্যান্ড ও বুলগেরিয়া, সোমবার রাত্রে। মা মাগলদের চিঠি লিখেছেন তোমার থাকার জন্য। সম্ভবত তারা চিঠিটি পেয়ে থাকবে, আমি জানি না মাগল পোস্টম্যান এখনও তোমাদের ওখানে চিঠিটা দিয়েছে কিনা। ভাবলাম এই চিঠিটা পিগকে দিয়ে পাঠালে ঠিক হবে।
    পিগ! মানে ওই ছোট প্যাঁচাটা। ও তখন সিলিং থেকে ঝোলান ল্যাম্পশেডের চারপাশে ঘুরপাক খাচ্ছে। হ্যারি এর আগে পিগের মত ছোট পেঁচা দেখেনি। মনে হলো তাড়াহুড়োতে রনের লেখা চিঠি ভাল করে পড়েনি তাই আবার পড়ল।
    মাগল পছন্দ করুক বা নাই করুক আমরা তোমায় আনতে যাচ্ছি। তুমি কেমন করে ওয়ালৰ্ডকাপ মিস করবে তা হতে পারে না। মা-বাবা বলেন, তোমার আঙ্কেল, আন্টির কাছে অনুমতি নেওয়া ভাল দেখাবে। যদি তারা অনুমতি দেন, তাহলে পিগকে দিয়ে তোমার চিঠি জলদি জলদি পাঠাবে। রোববার পাঁচটার সময় আমরা তোমাকে নিতে আসছি। হারমিওন আজ বিকেলে আসছে। পার্সি কাজ শুরু করেছে দ্য ডিপার্টমেন্ট অফ ইন্টারন্যাশনাল ম্যাজিকল কো–অপারেশনে। তুমি এখানে অ্যাব্রোড সম্বন্ধে কিছু বলবে না।
    দেখা হবে–রন

    নিচে এস! হ্যারি রনের ছোট প্যাঁচাকে বলল। প্যাঁচাটা নেমে এল। ঠিক জায়গায়, ঠিক লোককে চিঠিটা পৌঁছে দিতে পেরে পিগ বেজায় খুশি। এদিকে এস… আমি একটা জবাব দিচ্ছি সেটা নিয়ে যাবে।

    প্যাঁচাটা ডানা পৎ পৎ করতে করতে হেডউইগের খাঁচার ওপর বসে পড়ল। হ্যারির মনে হল অজানা লোকের কাছে আসতে ও ভয় পাচ্ছে।

    হ্যারি নতুন একটা পার্চমেন্ট পেপার নিয়ে পালকের কলম দিয়ে লিখল

    রন,
    সব ঠিক আছে। মাগলরা বলেছে, আমি তোমাদের বাড়ি গিয়ে ওয়ার্ল্ডকাপ দেখতে পারি। আগামীকাল পাঁচটার সময় তোমার সঙ্গে দেখা হবে।
    হ্যারি

    ছোট প্যাঁচাটার পায়ে চিঠিটা হ্যারির বাঁধতে অসুবিধে হলো। বাধবার পর পিগ ফুরুৎ করে উড়ে গেল।

    হ্যারি তারপর হেডউইগের দিকে তাকিয়ে বলল–ওহে এই চিঠিটা সিরিয়সকে দিয়ে আসতে পারবে? সিরিয়সকে লেখা চিঠিটা আর একবার পড়ে নিয়ে পাদদেশে লিখল:

    আপনি যদি আমার সঙ্গে যোগাযোগ করতে চান, রনের বাড়িতে আমাকে পাবেন, ওখানে ছুটির বাকি কটা দিন থাকব। ওর বাবা কিডিচ খেলা দেখার জন্য টিকিট হাতে পেয়েছেন।

    হেডউইগকে ইশারা করে ডাকতেই ও খাঁচা থেকে বেরিয়ে এল। সিরিয়সের জন্য লেখা চিঠিটা ওর পায়ে বাধতে বাঁধতে হ্যারি বলল–তোমায় বড় বেশি খাটাচ্ছি, তাই না? তুমি যখন ফিরে আসবে তখন আমি রনদের বাড়ি থাকব। হেডউইগ একটা পা হ্যারির হাতে রাখল তারপরই ভোলা জানালা দিয়ে দুম করে আকাশে উড়ে গেল। হ্যারি আকাশের দিকে তাকিয়ে রইল।

    ও তারপর বন্ধুদের পাঠানো জন্মদিনের কেক–চকোলেট মেঝেতে পা ছড়িয়ে বসে পরমানন্দে খেতে লাগল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য অর্ডার অব দ্য ফনিক্স (৫) – জে. কে. রাওলিং
    Next Article হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য প্রিজনার অব আজকাবান (৩) – জে. কে. রাওলিং

    Related Articles

    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার এন্ড দি ফিলসফারস স্টোন (১) – জে. কে. রাওলিং

    August 18, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য চেম্বার অব সিক্রেটস (২) – জে. কে. রাওলিং

    August 18, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য প্রিজনার অব আজকাবান (৩) – জে. কে. রাওলিং

    August 18, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য অর্ডার অব দ্য ফনিক্স (৫) – জে. কে. রাওলিং

    August 16, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য হাফ-ব্লাড প্রিন্স (৬) – জে. কে. রাওলিং

    August 16, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ডেথলি হ্যালোস (৭) – জে. কে. রাওলিং

    August 16, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }