Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য গবলেট অব ফায়ার (৪) – জে. কে. রাওলিং

    জে. কে. রাওলিং এক পাতা গল্প704 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৪. ব্যাক টু দ্য বারও

    ০৪. ব্যাক টু দ্য বারও

    হ্যারি পরদিন বেলা বারটার মধ্যে ট্রাঙ্কে ওর সব জিনিসপত্র গুছিয়ে নিল।

    স্কুলের বইপত্র, জামা–কাপড়, বাবার অদৃশ্য হয়ে যাবার আলখেলা, সিরিয়সের দেওয়া ঝাড়ু। হোগার্টের জাদুমুগ্ধ করা ম্যাপ (গত বছর ফ্রেড আর জঞ্জ ওকে দিয়েছে), লুকিয়ে রাখা খাবার–দাবার, জাদুমন্ত্রের বই, কালি–কলম। দেওয়ালে একটা চার্ট টাঙিয়ে দিয়েছিল। সেটা প্রতিদিন কেটে গেলে ক্রস করে দিত। বোঝা যেত আর কদিন এখানে কাটাতে হবে।

    প্রিভেট ড্রাইভের চার নম্বর বাড়ির সকলেই উত্তেজিত। জাদুকর–জাদুকরী ওর বাড়িতে আসবেন তার জন্য ভার্নন খুবই উদবিগ্ন! ডার্সলে পরিবারের সে সময় সকলেই ছিল অশান্ত ও অস্থির। হ্যারি বলেছে, উইসলিরা ঠিক পাঁচটার সময় আসবেন।

    –আমি আশাকরি তুমি ওদের ভদ্ৰ সভ্য ড্রেস পরে আসতে বলেছ।… আমি দেখেছি ওরা কি কুৎসিত জামা–কাপড় পরে চলাফেরা করে। সুন্দর–ভাল ড্রেস পরে চলাফেরা করতে পারে না? ভদ্র সমাজে ওইরকম ঢিলেঢালা আলখেল্লা পরে আসাটা অদ্ৰজনক এটা তুমি বোঝ। মি. ও মিসেস উইসলি পরিচ্ছদ সম্বন্ধে উদাসীন। জাদুকররা যা পরে তাই পরেন। মি, ডার্সলে খুব চিন্তিত। বাড়িতে কেউ ভাল ড্রেস পরে না আসলে তিনি মোটেই তাদের পছন্দ করেন না। পাড়ার লোকেরা দেখলেই বা কি বলবে?

    হ্যারি অবশ্য ড্রেস–ফ্রেসের তোয়াক্কা করে না। ভার্নন বেছে বেছে তার দামি প্যান্ট–শার্ট পরলেন। লোকেরা ভাবতে পারে অতিথিদের আসার জন্য ভাল ড্রেস পরেছেন। ভার্নন ও পেটুনিয়া হেডউইগকে প্রাইভেট হাসপাতালে চালান করতে বলেছেন, ডাডলিকে।

    নিঃশব্দে ওরা লাঞ্চ শেষ করলেন। ডাডলিও পিটুনিয়া যা খেতে দিয়েছে নিঃশব্দে খেয়ে ফেলল। আন্টি কিছুই মুখে তুললেন না। দুহাতে মুখ রেখে বসে রইলেন। মাঝে মাঝে শুকনো জিব চাটতে লাগলেন।

    –ওরা নিশ্চয়ই নিজেদের গাড়িতে আসবে? আঙ্কেল ভার্নন খেতে খেতে বললেন।

    –হ্যাঁ, তাইত মনে হয়, হ্যারি বলল।

    এখন আর উইসলিদের গাড়ি নেই। পুরনো ফোর্ড গাড়িটা বিক্রি করে দিয়েছেন। উইসলি ম্যাজিক মন্ত্রণালয়ের গাড়িতে আসছেন। এখন ওদের গাড়ি হোগার্টের নিষিদ্ধ জঙ্গলে ঘোরাফেরা করছে। গতবারও ডার্সলেদের কাছে দেখা করার সময়ে অফিসের গাড়িতে এসেছিলেন।

    ভার্নন সকলকে বিচার করে তাদের মত অর্থ–বাড়িঘর–গাড়ি চাকর–বাকর আছে তার ওপর। তাই উইসলিদের গাড়ি নেই অফিসের গাড়িতে চেপে হ্যারিকে নিতে আসছে শুনে খুশি হলেন। যদিও আঙ্কেল ভার্নন, মি. উইসলি নিজস্ব ফেরারি গাড়ি চেপে এলেও খুশি হতেন না।

    হ্যারি সমস্ত বিকেলটা ওর ঘরে শুয়ে কাটাল। বিরক্তি লাগে আন্টি পেটুনিয়াকে বারবার জানালা দিয়ে উঁকি মারতে দেখে। সবাই এমন মুখ করে ঘুরছে যেন একটা গভার পালানোর সতর্ক বার্তা পেয়েছে যে কোনও সময় কোনও বাড়িতে ঢুকতে পারে। ঠিক পাঁচটা বাজার পনের মিনিট আগে হ্যারি নিচে নেমে বসবার ঘরে ঢুকল।

    আন্টি পেটুনিয়া তখন কুশনের কভার টানটান করছেন, পর্দা ঠিক করছেন। আঙ্কেল ভার্নন হাতে একটা খবরের কাগজ নিয়ে এমন ভান করছেন যেন মনোযোগ দিয়ে কাগজটা পড়ছেন। হ্যারি জানে সবই উৎকণ্ঠা কাটাবার পন্থা ও জাহির করা। হ্যারির মনযোগ কোনও গাড়ি এসে থামল কিনা তার দিকে। ডাডলি একটা আর্ম চেয়ারে আঁটসাঁট হয়ে বসে। মোটাসোটা হাত দুটো পেছনে ঘুরিয়ে রেখেছে। হ্যারির দারুণ টেনসন। ঘরে বেশিক্ষণ বসে থাকতে পারলো না। ঘর থেকে বেরিয়ে হলের সিঁড়িতে বসে রইল। বারে বারে ঘড়ি দেখে। হৃদযন্ত্র খুব দ্রুত চলছে।

    পাঁচটা বেজে গেল তাও উইসলিদের দেখা নেই। আঙ্কেল ভার্নন গরম স্যুট পরে দরদর করে ঘামছেন। বার বার বাইরে বেরিয়ে রাস্তা দেখছেন।

    হ্যারির উদ্বিগ্ন মুখের দিকে তাকিয়ে বললেন–আশ্চর্য এখনও ওদের কোনও পাত্তা নেই!

    –হ্যাঁ, হয়তো ট্র্যাফিক জ্যামে আটকে গেছেন।

    পাঁচটা বেজে দশ, তারপর পাঁচটা পনের তাও উইসলিদের আসার কোনও নাম গন্ধ নেই। সাড়ে পাঁচটা বেজে গেল তাও দেখা নেই।

    –আশ্চর্য! ওদের কোনও বুদ্ধি–সুদ্ধি নেই নাকি?

    –আমাদেরও তো কোনও কাজ থাকতে পারে।

    –হয়ত ভাবছে ডিনার খেয়ে যাবে।

    হ্যারি বাইরে থেকে দেখল আঙ্কেল ভার্নন অস্থিরভাবে ঘরে পায়চারি করছেন আর ঘড়ি দেখছেন।

    –ওরা আসবে, ছেলেটাকে নেবে আর চলে যাবে। আর তো কিছু নয়।… মনে হয় দিন ভুল করেছে।

    –আমার মনে হয় ওদের সময়জ্ঞান খুব কম। ভাবছে যখন খুশি গেলেই হল।

    –মনে হয় ভাঙা ঝর ঝরে গাড়ি পেয়েছে। ওরা সময়–টময়ের ব্যাপারে মাথা ঘামায় না। গাড়িটা হয়ত রাস্তায় ভেঙে পড়েছে।

    হ্যারি ঘরের বাইরে দাঁড়িয়ে আঙ্কেল–আন্টির মন্তব্য শোনে।

    হঠাৎ ওরা অদ্ভুত শ শ শ… ঘরর ঘরর শব্দ… কিছু ধাক্কা দেওয়ার শব্দ শুনতে পেল। হ্যারি তড়াক করে লাফিয়ে উঠল। ওই ওরা এসে গেছে। কিন্তু শব্দটাতো গাড়ির নয়। শব্দটা আসছে পাশের ঘরের দরজা থেকে। ভার্নন–পিটুনিয়া অসম্ভব ভয় পেয়ে গেলেন। ডাডলি ছুটতে ছুটতে ঘরে ঢুকল। ওর মুখে ভয়ঙ্কর এক ভয়ের ছাপ!

    –হ্যারি বলল, কী হয়েছে?

    ডাডলি মনে হয় দাঁত কপাটি লেগেছে। কিছু বলতে গেল, কিন্তু পারলো না। ও এক দৌড়ে কিচেনের দিকে চলে গেল। তবু শব্দ থামছে না।

    হ্যারি বসবার ঘরে ঢুকল।

    ধাক্কা মারার আর কোনও জিনিস ভেঙে ফেলার শব্দ।

    শব্দটা আসছে ঢাকা দেওয়া ফায়ার প্লেস থেকে। ফায়ার প্লেসের সামনের দিকটা কয়েকটা কয়লার মতো জিনিস দিয়ে ঢাকা। পেটুনিয়া তখন ঘরের এক ধারে দেওয়ালের দিকে পিঠ ঠেকিয়ে দাঁড়িয়ে কী ব্যাপার বলত?… তুমি একটু দেখ ফায়ার প্লেস থেকে কিসের শব্দ আসছে।

    কয়েক সেকেন্ড পরই ওই ফায়ার প্লেসের ভেতর থেকে মানুষের গলার আওয়াজ শুনতে পেল।

    –ওরে বাবা, ফ্রেড… না না ফিরে চল। কোনও একটা ভুল হয়ে গেছে। জর্জ তুমি ওইরকম শব্দ করবে না।… চল চল আমরা ফিরে যাই… রনকে বল।

    –ড্যাড হ্যারি নিশ্চয়ই আমাদের কথা শুনতে পাচ্ছে।

    –ফায়ার প্লেসের ঢাকা দেওয়া বোর্ডে কারা যেন দমাদম করে ঘুষি মারছে।

    –হ্যারি, হ্যারি আমাদের কথা শুনতে পাচ্ছ? ডার্সলেরা ভীষণ রেগে হ্যারিকে ঘিরে রইল।

    -এসব কী ব্যাপার, কিছুই বুঝতে পারছি না। ভার্নন ঘোঁৎ ঘোঁৎ করে বললেন।

    হ্যারি বলল–ওরা ফ্লু-পাউডার আগুনে ছড়িয়ে এখানে আসতে চেষ্টা করছে। মুখটা বন্ধ করে রেখেছেন তো আসবে কেমন করে? ওরা মন্ত্র বলে জ্বলন্ত আগুনের ওপর দিয়ে হাঁটতে পারে। কথাটা বলে হ্যারি বন্ধ ফায়ার প্লেসের কাছে গিয়ে বলল–মি. উইসলি, আমার কথা শুনতে পাচ্ছেন?

    দমাদম শব্দ থেমে গেল। চিমনি থেকে কে যেন বলল, শ–শ–চুপ!

    –মি. উইসলি আমি হ্যারি কথা বলছি। ফায়ার প্লেসের ঢাকনা বন্ধ আছে। ওখান দিয়ে আসতে পারবেন না।

    –চুলোয় যাক। ফায়ার প্লেসের দরজা বন্ধ করে রেখেছে কেন?

    –তাদের আরেকটি ইলেকট্রিক ফায়ার আছে তাই। হ্যারি ব্যাপারটা বোঝাতে চেষ্টা করল।

    –সত্যি! মি. উইসলি উত্তেজিত হয়ে বললেন–ইলেকট্রিক! তুমি তাই বললে হ্যারি–আমাদের দেখতে হবে সেটা কেমন। ভাবতে দাও।…… রন!

    হ্যারি রনের কথা শুনতে পেল।-এখানে তোমরা কি করছ–কী হয়েছে, ব্যাপার কি? ফ্রেডের গলা শুনতে পেল–আমরা এমনিভাবে বাড়িতে ঢুকতে চেয়েছিলাম, এমন অবস্থা হবে কে জানেন?

    জর্জ বলল–আমাদের দম বন্ধ হয়ে মরতে হবে নাকি?

    –মি. উইসলি বললেন, আমার পেছনে সকলে লাইন করে দাঁড়াও। আমি ইশারা করলে তোমরা সব একসঙ্গে ধাক্কা দেবে।

    হ্যারি সোফাতে এসে বসল। আঙ্কেল ভার্নন অবস্থা বুঝে এগিয়ে গেলেন।

    আপনারা ভেতরে ঢুকলেন কেমন করে এখন কী করতে চান?

    –ব্যাংগ।

    ফায়ার প্লেসের দরজাটা মড়মড় করে ভেঙে পড়তেই মি. উইসলি, রন, ফ্রেড আর জর্জ ফায়ার প্লেস দিয়ে ঘরে ঢুকল। তাদের এমন অবস্থা তাকানো যায় না। সারা দেহে ভাঙ্গা ইট চুনকালি ইত্যাদিতে ভরে গেছে। আসন্ন বিপদ থেকে মুক্তি পেয়ে সকলেই হাঁফাচ্ছে।

    আন্টি পেটুনিয়া ওদের অবস্থা দেখে ভয়ে প্রায় অজ্ঞান হয়ে সোফার ওপর পড়ে গেলেন।

    –হাঃ বাঁচলাম! মি. উইসলি ভার্ননের দিকে হাত বাড়িয়ে দিয়ে বললেন আপনি নিশ্চয়ই মি. ডার্সলে? কথাটা বলে সবুজ আলখেল্লার ধূলা ঝাড়ুলেন, চশমাটা মুছলেন।

    লম্বা একহারা চেহারা, প্রায় মাথায় টাক… ভার্ননের দিকে এগিয়ে এলেন। কিন্তু আঙ্কেল হাত না মিলিয়ে দুএক পা পিছিয়ে এলেন। সঙ্গে পেটুনিয়াকেও ধরে নিলেন।

    আঙ্কেল ভার্ননের মুখ দিয়ে কোনও কথা বেরোচ্ছে না। ওর সব চেয়ে সুন্দর মূল্যবান স্যুট ধুলোতে ভরে গেছে। গোঁফ ও ধুলোতে ভরে গেছে। দেখে মনে হয় হঠাৎ তিরিশ বছর বয়স বেড়ে গেছে।

    মি. উইসলি বলল, অত্যন্ত দুঃখিত মি. ডার্সলে… ভাঙা ফায়ার প্লেস থেকে বেরিয়ে আসতে আসতে বললেন। আমি ভাবলাম আপনার বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসতে একটু অসুবিধে হতে পারে… আপনার ফায়ার প্লেসের সঙ্গে ফুঁ নেটওয়ার্কের সঙ্গে কানেক্ট করেছি… বেশি সময়ের জন্য নয় শুধুমাত্র এই বিকেলের জন্য। মাগলদের ফায়ার প্লেসের সঙ্গে সাধারণত কানেক্ট করা যায় না। আমার সঙ্গে ফ্লু–রেগুলেশন প্যানেলের যোগাযোগ আছে, ওরা আমার জন্য লাগিয়ে দিয়েছে। ভাববেন না আমি জাদুদণ্ড দিয়ে আগুন সৃষ্টি করব তখন ছেলেরা বিনা বাধায় চলে যেতে পারবে। এর পরে আমি আপনার ফায়ার প্লেস মেরামত করে দেব। আমি উবে যাবার আগে।

    হ্যারি খুব ভাল করেই জানে সমস্ত ব্যাপারটা ভার্নন, পেটুনিয়া ও ডাডলির বুদ্ধির অগম্য। ওরা তখনও উইলসির থান্ডারস্ট্রাকে ভয়ে বিহ্বল হয়ে আছে। নেটওয়ার্ক সম্বন্ধে কিছুই বোঝে না, জানে না।

    –হ্যালো হ্যারি তোমার সব জিনিসপত্র গোছানো হয়ে গেছে তো? মি. উইসলি বললেন।

    ও আর জর্জ ঘর ছেড়ে চলে গেল। ওরা জানে হ্যারির বেডরুম কোথায়। একবার গভীর রাতে ওখান থেকে ওকে উদ্ধার করেছিল। হ্যারির সন্দেহ হয় ফ্রেড আর জর্জ, ডাডলিকে দেখতে চায়। হ্যারির মুখে ওর সম্বন্ধে অনেক মজার মজার কথা শুনেছে। তাই একটু ওর সঙ্গে জোক করতে চায়।

    সকলেই চুপচাপ। উইসলি ঘরের নীরবতা ভঙ্গ করে কি বলবেন ভেবে পেলেন। বললেন–সুন্দর জায়গায়, অতি সুন্দর বাড়ি…।

    ঝকঝকে তকতকে ঘরটা আর আগের মতো নেই। ধূলো–বালি–ইটের টুকরোতে ছত্রকার। উইসলির ওই রকম গুণগান একটুও মনে ধরলো না ভার্ননের, বরং মুখটা রাগে লাল হয়ে গেল। পেটুনিয়া তখন ধাতস্থ হয়েছেন শুরু করলেন জিব চোষা। আসলে ওদের গালগল্প করার মতো মনের অবস্থা নেই।

    মি. উইসলি সব খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখতে লাগলেন। মাগলদের পেছনে লাগতে খুব ভালবাসেন। হ্যারি লক্ষ্য করল ঘরের টেলিভিশন, ভিডিও রেকর্ডারগুলো দেখার জন্য ছটফট করছেন। উইসলি বিজ্ঞের মতো বললেন–আহা–হা! আপনারা দেখছি সবকিছুতেই ইলেকট্রিসিটি ব্যবহার করেন। ঘরে অনেক প্লাগ দেখছি। আমার আবার প্লাগ জমানোর স্বভাব। আর পুরনো ব্যাটারিও। আমার বাড়িতে ব্যাটারি আর প্লাগে ভর্তি। আমার স্ত্রী বলেন, আমি নাকি পাগল। কিন্তু আপনিও তাই দেখছি।

    আঙ্কেলের মনে কোনও সন্দেহ থাকে না মি, উইসলির মাথা খারাপ। ভার্নন একটু অস্বস্তিতে স্ত্রীর দিকে তাকালেন, ভাবলেন, পাগল লোকটা পেটুনিয়াকে আক্রমণ না করে বসে। ঠিক সেই সময় ডাডলি ঘরে ঢুকল।হ্যারি সিঁড়িতে ট্রাক টানাটানির শব্দ শুনতে পেল। কোনও সন্দেহ নেই ডাডলি সেই শব্দ শুনে ভয় পেয়েছে। ডাডলি ঘরের দেওয়ালের এক পাশে দাঁড়িয়ে উইসলিকে ভয়ার্ত চোখে দেখতে লাগল। তারপর ভয়ে ভয়ে মা-বাবার পেছনে গিয়ে দাঁড়াল। শুধু তাই নয় মি. উইসলিকে আতঙ্কিত হয়ে দেখতে লাগল। আঙ্কেল বুঝতে পারছেন না, পাগলের হাত থেকে কাকে বাঁচাবেন… ছেলে না স্ত্রীকে।

    –আহ্… আপনার ছেলে? হ্যারির কাজিন… তাই না হ্যারি?

    –হা ডাডলি… আমার কাজিন; হ্যারি বলল ডাডলি রন আর হ্যারির দিকে তাকিয়ে মুখ ফিরিয়ে নিল। প্যান্টটা যাতে আরও নেমে না যায় সেই আশঙ্কায় চেপে ধরে রইল। উইসলির ভার্ননের মতই ডাডলিকে একটু অদ্ভুত মনে হল। সামান্য করুণাও হল।

    –ছুটি কেমন কাটালে ডাডলি? উইসলি স্নেহভরে জিজ্ঞেস করলেন।

    ডাডলি চুপ করে রইল। হ্যারি দেখল ডাডলি তখনও তার বিশাল প্যান্টটা খুলে না পড়ে তারও চেষ্টা করছে পেছনে হাত দিয়ে। ফ্রেড আর জর্জ ঘরে ঢুকল। ওরা ধরাধরি করে এনেছে হ্যারির স্কুল ট্রাঙ্ক।

    ঘরের সব কিছু দেখতে দেখতে ওদের চোখ পড়ে গেল ডাডলির দিকে। ওদের মুখে দুষ্টুমি হাসি ফুটে উঠল।

    –ট্রাঙ্কটা নামানোর সময় ভেঙ্গেটেঙ্গে ফেলনি তো? উইসলি ছেলেদের জিজ্ঞেস করলেন। কথাটা বলে রোবের আস্তিন গুটিয়ে পকেট থেকে ম্যাজিক ওয়াল্ড জাদুদণ্ড বার করলেন। ডাডলি সেটা দেখে ভয়ে কুঁকড়ে গেল। এতক্ষণে ফায়ার প্লেসে স্বাভাবিকভাবে আগুন জ্বলে উঠল। এমনভাবে জ্বলতে লাগল যেন অনেকটা সময় ধরে জ্বলছে।

    –হ্যারি এবার তাহলে আমাদের যেতে হয়, উইসলি বললেন।

    –আসছি, ফ্রেড বলল, না না একটু অপেক্ষা করতে হবে।

    ফ্রেডের পকেট থেকে ছোট বড় টফি চকোলেটের গাদাগাদা ব্যাপার ঘরময় ছড়িয়ে পড়ল। ফ্রেড পকেট থেকে একটা চেরি টফি বার করে ডাডলিকে দিল তারপর ফায়ার প্লেসের কাছে গিয়ে বলল, দ্যা বাররো। সঙ্গে সঙ্গে একটা হুস হুস শব্দ শোনা যেতেই আন্টি পেটুনিয়া আঁতকে উঠলেন। দ্বিতীয় বার হুস শব্দের পর ফ্রেড অদৃশ্য হয়ে গেল।

    মি. উইসলি বললেন, হ্যারির ট্রাঙ্কটা নিয়ে তুমিও যাও। তারপর রন।

    রন হাত তুলে ডার্সলেদের বলল–আবার দেখা হবে। তারপর ফায়ার প্লেসের জ্বলন্ত আগুনের কাছে গিয়ে বলল–বাররো তারপরই ফ্রেড–জর্জের মতো অদৃশ্য হয়ে গেল।

    বাকি রয়ে গেল উইসলি আর হ্যারি। হ্যারি ডার্সলেদের হাত তুলে বলল বাই…।

    হ্যারি আগুনের কাছে যেতেই উইসলি বাধা দিলেন। ডার্সলের দিকে মৃদু হেসে বললেন–হ্যারি আপনাদের কাছে গুডবাই বলল, শুনতে পেয়েছেন?

    হ্যারি হেসে উইসলিকে বলল, কিছু যায় আসে না। আমি কোনও কিছু মনে করি না।

    উইসলির হাত তখনও হ্যারির কাঁধে ন্যস্ত।

    –আপনারা কিন্তু হ্যারিকে আগামী বছর গরমের ছুটিতে ছাড়া দেখতে পাবেন। অবশ্যই আপনারা ওকে বিদায় অভিনন্দন জানাবেন। তাই না?

    কথাটা শুনে আঙ্কেল ভার্নন তেলে-বেগুনে জ্বলে উঠলেন। যে লোকটা আধঘণ্টা আগে দরজা দিয়ে না এসে ফায়ার প্লেস ভেঙেচুড়ে একশা করে, ঘর তছনছ করেছে তার সঙ্গে কথা বলতে মন চাইল না। ওরা চলে গেলে কে সব ঠিকঠাক করবে–পরিষ্কার করবে আগের মতো?

    কিন্তু মি. উইসলির হাতে তখনও জাদুদণ্ড! ঝগড়া করে, কথা কাটাকাটি করলে লোকটা আরও ক্ষতি করবে। তাই অতি অনিচ্ছার সঙ্গে বললেন–গুড বাই। আবার দেখা হবে।

    হ্যারি ফায়ার প্লেসের জ্বলন্ত আগুনের দিকে একটা পা বাড়িয়ে বলল–আবার দেখা হবে–বাই।

    হঠাৎ শোনা গেল গলাটিপে ধরার শব্দ। শব্দটা হ্যারির পেছনের দিক থেকে ভেসে এল। হ্যারি পেছন ফিরে দেখল ডাডলি ওর মা-বাবার আড়ালে দাঁড়িয়ে নেই। কফি টেবিলে বসে গোগ্রাসে একটা রুটি বা কেক গিলে খেতে গিয়ে গলায় আটকেছে। শব্দটা তারই… গলা থেকে বার করার ব্যর্থ প্রচেষ্টা। ওকে বাঁচানোর জন্য পেটুনিয়া ওর মুখ থেকে খাবারের বাকি অংশ টেনে টেনে বার করতে লাগল। ডাডলি তখন আর্তস্বরে চেঁচাচ্ছে। গলা থেকে পেটুনিয়া যাতে খাবারের বাকি অংশ বের করতে পারে… ডাডলি হাত–পা ছুঁড়ে বাধা দেয়। তাই ওর হাত দুটো জোর করে চেপে ধরলেন ভার্নন। খাবার মুখ থেকে টেনে আনার জন্য রেগে গিয়ে ডাডলি চিৎকার করে চলল। অনেক কসরৎ করেও ওর মুখ থেকে পেটুনিয়া অর্ধভূক্ত খাবারটা টেনে বার করতে পারলেন না।

    মি. উইসলি বললেন, ঘাবড়াবেন না, আমি বার করি দিচ্ছি। না করলে দম বন্ধ হয়ে মৃত্যু হতে পারে।

    ডাডলির দিকে এগিয়ে গিয়ে জাদুদটা ওর দিকে তাক করলেন, কিন্তু আন্টি পেটুনিয়া ভয় পেয়ে কান্নাকাটি শুরু করে ডাডলির ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে উইসলিকে জাদু প্রয়োগ করতে বাধা দিলেন।

    মি. উইসলি হেসে বললেন, আপনার ছেলের দুষ্টুমী… ওর গলায় একগাদা টফি আটকেছে… এনগরজমেন্ট চার্ম ব্যবহার করছি। পেট থেকে খাবার টেনে বার করতে হবে, অনুগ্রহ করে ঘাবড়াবেন না, সব ঠিক হয়ে যাবে।… আমি ঠিক করে দিচ্ছি।

    কিন্তু আঙ্কেল–আন্টি ওদের কোন কথাই শুনতে চায় না। মি. উইসলিকে বাধা দিয়ে ডাডলির জিভ ধরে টানতে লাগলেন। ডাডলি আরও ভয় পেয়ে গেল। আশ্চর্য! আমাকে বাধা দিচ্ছেন কেন? আমি তো আপনাদের সাহায্য করছি মাত্র। এটা আমার কর্তব্য।

    ভার্নন, পেটুনিয়ার একটা হাতের বালা ছুঁড়ে মারলেন মি. উইসলির দিকে। ক্ষ্যাপা–আঘাতপ্রাপ্ত গন্ডারের মতো আঙ্কেল মি. উইসলির হাত থেকে জাদুদণ্ড কেরে নেবার চেষ্টা করতেই মি, উইসলি অতি গম্ভীর স্বরে বললেন–হ্যারি তুমি যাও। এখনই যাও… আমি সব ঠিক করছি।

    হ্যারি মজার ব্যাপারটা না দেখে যেতে চায় না।

    ভার্নন আর একটা বালা ছুঁড়ে দিলেন মি. উইসলির দিকে। ভাগ্য ভাল সেটা হ্যারির কান ঘেঁষে বেরিয়ে গেল। হ্যারি ব্যাপারটা মি. উইসলির হাতে ছেড়ে দেওয়া ঠিক মনে করল। আর দেরি না করে ফায়ার প্লেসে একটা পা রেখে বলল–বারো।

    শেষ দৃশ্য দেখল আঙ্কেল ভার্নন পাগলের মতো হাতের কাছে যা পাচ্ছেন তাই ছুঁড়ছেন মি. উইসলিকে। ওদিকে আন্টি পেটুনিয়া ডাডলিকে চেপে ধরে হাঁফিয়ে হাঁফিয়ে কেঁদে যাচ্ছেন। ডাডলির জিভটা অজগর সাপের মতো বেরিয়ে লকলক করছে।

    পর মুহূর্তে আঙ্কেল ভার্ননের বসার ঘর হালকা সবুজ রঙয়ের অগ্নিশিখাতে পূর্ণ হয়ে গেল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য অর্ডার অব দ্য ফনিক্স (৫) – জে. কে. রাওলিং
    Next Article হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য প্রিজনার অব আজকাবান (৩) – জে. কে. রাওলিং

    Related Articles

    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার এন্ড দি ফিলসফারস স্টোন (১) – জে. কে. রাওলিং

    August 18, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য চেম্বার অব সিক্রেটস (২) – জে. কে. রাওলিং

    August 18, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য প্রিজনার অব আজকাবান (৩) – জে. কে. রাওলিং

    August 18, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য অর্ডার অব দ্য ফনিক্স (৫) – জে. কে. রাওলিং

    August 16, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য হাফ-ব্লাড প্রিন্স (৬) – জে. কে. রাওলিং

    August 16, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ডেথলি হ্যালোস (৭) – জে. কে. রাওলিং

    August 16, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }