Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য গবলেট অব ফায়ার (৪) – জে. কে. রাওলিং

    জে. কে. রাওলিং এক পাতা গল্প704 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৫. উইসলি’র উইজার্ড হুইজেস

    ০৫. উইসলি’র উইজার্ড হুইজেস

    ফায়ার প্লেসের সুরঙ্গের অগ্নিশিখার মাঝ দিকে হ্যারি ওর দুহাতের কনুই দুপাশে রেখে ঘুরতে ঘুরতে বেরিয়ে এল। সুড়ঙ্গ থেকে বেরিয়ে আসার আগে হাত দুটো বাড়িয়ে দিলে ফ্রেড ওকে ধরে ফেলল। এই প্রথম জীবনে আগুনের সুড়ঙ্গ দিয়ে চলার অভিজ্ঞতা। বেরিয়ে আসার পর দারুণ অস্থিরতা, দুর্বলতা ওকে যেন পঙ্গু করেছিল। ফ্রেড না ধরে ফেললে ওর অবস্থা খুবই কাহিল হত।

    –আগুনে তোমার কিছু হয়নি তো? ফ্রেড ওর হাত ধরে নামাতে নামাতে বলল।

    হ্যারি অনেক কষ্টে সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে বলল–ডাডলিকে তুমি কি দিয়েছিলে?

    ফ্রেড হো হো করে হাসতে হাসতে বলল, টন–টাং–টফি। জর্জ আর আমি ওটা বানিয়েছি। একজনের ওপর এটা এক্সপেরিমেন্ট করতে হবে। অনেকদিন বাদে টেস্ট করার জন্য একজনকে পেলাম। পুরো গরম কালটা আমাদের টন্ টাং বানাতে লেগেছে। টেবিলের একপাশে লাল চুলওয়ালা বিল আর চার্লিকে ও এই প্রথম দেখল–মি. উইসলির দুই বড় ছেলে।

    কাছে যে বসেছিল একটা হাত হ্যারির দিকে বাড়িয়ে দিয়ে বলল–কেমন আছ?

    হ্যারি হাত মেলাল। চার্লি রুমানিয়াতে ড্রাগনের ওপর গবেষণা করছে। চার্লি অনেকটা ফ্রেড আর জর্জের মতো দেখতে বেঁটে খাটো ও মজবুত চেহারা। পার্সি আর রন অন্যরকম, লম্বা ছিপছিপে। মুখ দেখলেই সভ্য আর ভাল মানুষ মনে হয়। রোদের তাপে গায়ের চামড়া ট্যানড হয়ে গেছে। বলিষ্ঠ দুই হাত। একটা হাতে পোড়াদাগ। জায়গাটা শুকিয়ে গিয়ে চকচক করছে।

    বিলও হ্যারির সঙ্গে হাত মেলাল। বিল হঠাৎ এসে হাজির হয়েছে। হ্যারি শুনেছে বিল, গ্রিনগটসে, উইজার্ডিং ব্যাংকে কাজ করে। এক সময় হোগার্টে হেডবয় ছিল। ওর মনে এমন একটা ধারণা ছিল ও অনেকটা পার্সির মতো দেখতে, আইন ভঙ্গ করতে ওস্তাদ আর অন্যের ওপর মাতবরি ফলাত। বিলকে দেখে ওর ধারণা পাল্টে গেল। অতি শান্ত ভাল মানুষ। দীর্ঘ চেহারা–মাথায় মেয়েদের মতো বড় বড় চুল, পনিটেল করে রাখে। সব সময়ে ঢল ঢলে পোশাক পরে থাকে। পায়ে ড্রাগনের চামড়ার বুট। কানে রিং দেখে মনে হয় রক কনসার্ট দলে গান গায়।

    যখন ওরা কথা–বার্তা বলছে, ঠিক সেই সময় ওদের কানে খুব মৃদু শব্দ ভেসে এল। মি. উইসলি ঘরে হাজির হলেন। দেখে মনে হয় অসম্ভব রেগে আছেন। হ্যারি আগে কখনও এমন ক্রোধান্বিত মুখ দেখেনি।

    –আশ্চর্য হয়ে যাচ্ছি তোমার কাণ্ডকারখানায়, তুমি মাগলদের ছেলেটাকে কি খেতে দিয়েছিলে?

    –আমি কিছুই দেইনি। গাদাগাদা খাচ্ছিল। সেই সময় মেঝেতে টফিটা পড়ে থাকতে দেখে মুখে পুরে দেয়। গাদাগাদা কেক, পেস্ট্রির সঙ্গে টফি খেতে গেল কেন?

    –তুমি ইচ্ছে করেই টফিটা মাটিতে ফেলেছিলে যাতে ও দেখতে পেলে খায়। তুমি জান না ও মোটা হয়ে যাবার জন্য ডায়েটে আছে।

    জর্জ কৌতূহলী সুরে বলল, ড্যাডি ওর জিবটা কত লম্বা হয়েছিল?

    –কম করে চার ফিট।

    হ্যারি আর উইসলি দুজনেই হো হো করে হেসে উঠল।

    –তুমি কিন্তু খুব অন্যায় করেছ। এমনিতেই মাগলদের সঙ্গে আমাদের অনেক ভুল বোঝাবাঝির ব্যাপার আছে তার উপর…।

    –মাগল বলে ওটা আমরা দিই নি। ওকে দেখেই মনে হয় মজা করা যায়। ইয়া মোটা চেহারা, দেখলেই হাসিতে দম ফেটে যায়। তাই না হ্যারি! জর্জ বলল।

    –তাই মি. উইসলি। হ্যারি জোর দিয়ে বলল।

    –সে কথা নয়, দাঁড়াও তোমাদের মাকে আসতে দাও।

    মিসেস উইসলি কিচেনে ঢুকলেন। মহিলা একটু মোটাসোটা। মুখ দেখলেই বোঝা যায় খুব ভাল মানুষ। তবে ঘরে ঢোকার সময় মুখে একটু সন্ধিগ্ধ ভাব লক্ষ্য করল সকলেই।

    –ও হ্যালো ডিয়ার হ্যারি, কেমন আছ? হাসতে হাসতে হ্যারিকে বললেন।

    ফ্রেড আর জর্জের কাণ্ডকারখানা মি. উইসলি ওদের মাকে বলতে চান না। কিন্তু মিসেস উইসলির দিকে তাকিয়ে একটু থতমত হয়ে গেলেন। ঠিক দুটি মেয়ে কিচেনে ঢুকল। ওদের একজন হারমিওন গ্রেঞ্জার, রনের বন্ধু। মাথায় বড় বড় বাদামী চুল, আর সামনের দুটি দাঁত বড় বড়। অন্যজন জিন্নি, রনের সবচেয়ে ছোট বোন। দুজনেই হ্যারিকে দেখে হেসে খুশিতে উপচে পড়ল। হ্যারিও হাসতে লাগল। হ্যারি বারোতে আসার পর ওদের আপনজন হয়ে গেছে। সবাই যেন ভাই বোন।

    –ব্যাপারটা আমায় খুলে বল আর্থার। মিসেস উইসলি বেশ রেগে গিয়ে বললেন।

    –আরে এমন কিছু নয় মন্ত্রী, থমকে গিয়ে বললেন, মি. উইসলি।… ফ্রেড আর জর্জ একটু মজা করেছিল…।

    –সত্যি করে বল এবার ওরা কি করেছিল?… উইসলির উইজার্ড হুইজেসের ব্যাপারে নয় তো? হারমিওন দরজার গোড়ায় দাঁড়িয়ে বলল, রন, হ্যারি কোথায় ঘুমুচ্ছে? বলছো না কেন?

    রন বলল–ওর ব্যাপার ওই জানে। খুব সম্ভব আমার ঘরে। গতবার তো এসে আমার ঘরেই ছিল। এবারে হয়ত সেই ব্যবস্থা হয়েছে।

    –যাই ওকে ডেকে নিয়ে আসি। জর্জ বলল।

    –না, তোমাদের কাউকে যেতে হবে না, হারমিওন বলল–আমি যাচ্ছি।

    রন আর হারমিওন হ্যারিকে ডেকে নিয়ে এল। ও ডাডলির ব্যাপারটা জানে। মজার ব্যাপার সন্দেহ নেই।

    –জোক স্টাফ! এইসব করে ফ্রেড আর জর্জ সময় কাটায়। পড়াশুনার ধার দিয়ে যায় না… বিরাট এক তালিকা করেছে জিনিসপত্র যা বানিয়েছে, হারমিওন হাসতে হাসতে বলল।

    রন বলল, হেসো না। হোগার্টের যা যা বানিয়েছে সবই মারাত্মক। ছোটখাটো জিনিস বলা যায় না… ওরা হোগার্টে গিয়ে ছেলে–মেয়েদের কাছে বিক্রির তাল করছে। মানে বিক্রি করে অর্থ উপার্জন করবে। মা জানতে পেরে অসম্ভব রেগে গেছেন। ওইসব মারাত্মক জিনিস বানাতে মানা করেছেন। বলেছেন আমি চাই তোমরা ওগুলো পুড়িয়ে ফেল।… পড়াশুনাতে এবারে অনেক কম পেঁচা (মার্ক) পেয়েছ।

    আউল হচ্ছে সাধারণ জাদুবিদ্যার স্তর। হোগার্টের ছেলে–মেয়েরা পনের বছর বয়স হলে পায়। যত ভাল তত আউল। জিনি বলল–মা ওইসব জোক–টোক একদম পছন্দ করেন না। চান ভাল পড়াশুনো করে পাস করে অনেক আউল নিয়ে ড্যাডির মতো ম্যাজিক মন্ত্রণালয়ে চাকরি–বাকরি করুক, ওরা তা চায় না… সেই নিয়ে বাদ বিসম্বাদ!

    ওরা সিঁড়ি দিয়ে ওঠার সময় কথাবার্তা বলছিল। সেকেন্ড ল্যান্ডিং এ ওঠার সময় ঘরের দরজা খুলে একটি ছেলে মুখ বাড়াল। চোখে তার মোষের সিঙের চশমা… আর অত্যন্ত বিচলিত মুখ।

    হায় পার্সি, হ্যারি ওকে দেখে বলল।

    –ও হ্যালো হ্যারি। কেমন আছ? পার্সি বলল–আমি ভাবছিলাম কারা অসময়ে গোলমাল করছে। আমি এখন অফিসের খুব জরুরি একটা কাজ করছি-একটা রিপোর্ট। হইচই-এ কাজের ব্যাঘাত হয়। বিশেষ করে লোকেরা যখন হাগুল্লা করতে করতে সিঁড়ি দিয়ে নামে–ওঠে।

    রন রেগেমেগে বলল–আমরা কোনও গোলমাল করছি না।….. দুঃখিত তোমার টপ সিক্রেট কাজের সময় বিরক্ত করার জন্য।

    হ্যারি বলল, কী কাজ করছ?

    –ইন্টারন্যাশনাল ম্যাজিক্যাল কো–অপারেশন সংক্রান্ত। পার্সি ভারিক্কি চালে বলল। আমরা কলড্রনের থিকনেস সম্বন্ধে স্ট্যান্ডারডাইজ করছি। মানে কলড্রনের কতটা থিকনেস হওয়া উচিত। বিদেশ থেকে যা আমদানি হয় সেই পাত্রগুলো মোটেই উপযুক্ত নয়। কোথাও স্ট্যান্ডার্ড নেই।

    রন বলল–কলড্রন স্ট্যান্ডারডাইজ করলেই পৃথিবীর সবকিছু বদলে যাবে। ডেইলি প্রফেট লিখেছে কলড্রন ফুটো হয়ে যাচ্ছে। তাই না?

    কথাটা শুনে পার্সির মুখটা গোলাপী হয়ে গেল–রন তুমি ব্যঙ্গ করতে পার… যদি আমরা কোনও স্টান্ডার্ড… আন্তর্জাতিকভাবে আইন না করতে পারি তাহলে আমাদের বাজারে আজেবাজে জিনিসে ভরে যাবে। বিপদের কথা নয় কি?

    রন বলল–হা, হা তুমি কথাটা ঠিক বলেছ। হ্যারির সঙ্গে ও ওপরে উঠতে লাগল, পার্সি দড়াম করে দরজাটা বন্ধ করে দিল।

    রনের পিছু পিছু হ্যারি, হারমিওন জিন্নি চলল। নিচ থেকে মিসেস উইসলির গলা শুনতে পেল। তখনও জর্জ আর ফ্রেডের মারাত্মক টফির কথা বলে যাচ্ছেন।

    বাড়ির ওপরের ঘরটায় যেখানে রন ঘুমোয়–হ্যারি গতবার যেমন দেখে গিয়েছিল ঠিক তেমনই আছে। শুধু দুটো বেডের জায়গায় চারটে বেড। রনের প্রিয় কিডিচ টিমের গ্রুপ ফটো এখনও দেওয়ালে সাঁটা আছে। টিমের নাম ছাড়লে ক্যাননস। জানালা দিয়ে হাওয়ায় আসা সেটা দুলছে। রনের প্রিয় ব্যাঙ এখন আর ছোটটি নেই… নাদুস নুদুস হয়েছে। ওর প্রিয় ইঁদুর স্ক্যাবার নেই। তার বদলে রয়েছে ছোট একটা লক্ষ্মী প্যাঁচা, রঙটা তার বাদামী। ওই রনের চিঠি প্রিভেট ড্রাইভে হ্যারির কাছে দিয়ে আসে। দেখল ছোট খাঁচার মধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছে। চারটে বেডের দুটোর ফাঁক দিয়ে ছোট পিগকে ধমক দিল। ওর নাম পিগওয়াইডেজন। জিন্নি আদর করে নাম রেখেছে পিগ।

    বিল আর চার্লস বাড়িতে আসার জন্য ফ্রেড আর জর্জ এখন রনের ঘরে শোয়। পার্সি ওর ঘরে কাউকে ঢুকতে দেয় না… কেউ থাকলে ওর নাকি কাজের ক্ষতি হয়।

    হ্যারি জিন্নিকে বলল-এই, তুমি ওর নাম পিগ দিয়েছ কেন?

    –কেন আবার, ইডিয়ট বলে। স্টুপিড–ইডিয়ট।

    রন বলল–মোটেই না, স্টুপিডদের নাম ওই রকম হয় না।

    পিগ মনের আনন্দে ডাকছে আর ছোট খাঁচাতে দাপাদাপি করছে। রন সবসময় ওর ইঁদুরের কথা বলে। কি আর করবে ইঁদুরটাকে হারমিওনের বেড়াল ব্রুকস্যাঙ্কস খেয়ে ফেলেছে।

    হ্যারি হারমিওনকে বলল, তোমার বেড়ালকে তো দেখছিনে?

    ব্রুকস্যাঙ্কস গেল কোথায়?

    হারমিওন বলল, বাগানে-টাগানে কোথায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। ও বেঁটে খাট ভূতেদের তাড়া করতে ভালবাসে। আগে কখনও ওদের দেখেনি তো।

    হ্যারি বলল, পার্সি তাহলে ওর কাজ নিয়ে খুব খুশিতে আছে? কথাটা বলে খাটের কোণায় রনের প্রিয় পোস্টার কিডিচ টিম ছাড়লে ক্যানসে খেলোয়াড়দের দেখতে লাগল।

    –খুশিতেই আছে বটে? রন তিক্তভাবে বলল। ড্যাড ওকে না নিয়ে এলে বাড়িতে ফিরতো না। ওর ওপর ওয়ালা যা বলবে তাই করবে। মি. ক্রাউচের সঙ্গে আমার দেখা হয়েছে–কথাও হয়েছে। শুনছি পার্সি নাকি ওর বিয়ের ব্যাপারটা অ্যানাউন্স করবে।… যে কোনও দিন।

    হারমিওন বলল, হ্যারি তোমার গরমের ছুটি কেমন কাটলো? তুমি আমাদের পাঠানো ফুড পার্সেল নিশ্চয়ই পেয়েছ?

    –হ্যাঁ। পাঠানোর জন্য অশেষ ধন্যবাদ। সত্যি কথা বলতে কি তোমার পাঠানো কেক খেয়ে আমি বেঁচেছি।

    রন বলল–আচ্ছা তুমি কী শুনেছ। হারমিওনের দিকে তাকিয়ে কথাটা শেষ করতে পারলো না। হ্যারি জানে রন সিরিয়সের কথা জানতে চায়। জিজ্ঞেস করতে যাচ্ছিল; কিন্তু হারমিওন বাধা দিল।

    রন আর হারমিওন সিরিয়সের জাদু মন্ত্রণালয়ের আজকাবান থেকে পালানোর ব্যাপারে ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিল। হ্যারির মতই হ্যারির গডফাদারের জীবন সম্বন্ধে ওরা সমান সজাগ। তাহলেও ছোটো মানুষ জিন্নির সামনে সিরিয়স সম্বন্ধে আলোচনা করা বুদ্ধিমানের কাজ নয়। কিন্তু ডাম্বলডোরও জানেন, সিরিয়সের ব্যাপারটা জানেন ও বিশ্বাস করেন সিরিয়স কোনমতই অপরাধী নয়।

    জিন্নি কিছুই জানে না অথচ ওদের কথা গোগ্রাসে গিলছে। হারমিওন বলল নিচে যাই–মাকে একটু সাহায্য করি।

    –ঠিক বলেছ। রন বলল।

    ওরা আলোচনা থামিয়ে নিচে কিচেনে গেল। দেখল মিসেস উইসলি খোশ মেজাজে ডিনারের ব্যবস্থা করছেন।

    ওদের দেখে মিসেস উইসলি বললেন–টেবিলে এগারজনের জায়গা হবে না। আমরা বাগানে বসে খাব। তোমরা আমাকে একটু সাহায্য কর। মেয়েরা তোমরা সাবধানে প্লেটগুলো নিয়ে যাবে, বিল আর চার্লি টেবিল সাজাবে… বাকি তোমরা কাঁটা চামচ… মানে রন আর হ্যারির কাজ।

    মিসেস উইসলি জাদুদণ্ড দিয়ে খাবার–দাবারগুলো বাগানের টেবিলে নিয়ে গেলেন। সিংকে রাখা সেদ্ধ আলুর খোসা পর্যন্ত ছাড়াতে হল না।

    –উঃ ওদের নিয়ে আর পারলাম না। কোনও কাজ দিয়ে যদি নিশ্চিন্ত থাকা যায়। খাবার–দাবার নিয়ে যাবার সময় সমস্ত কিচেনেই ফেলে ছড়িয়ে একাকার করছে।

    সন্দেহ নেই… ফ্রেড আর জর্জের কাণ্ড।

    জাদুদণ্ড দিয়ে মিসেস উইসলি রান্নাঘরের মেঝেতে পড়ে থাকা সব আবর্জনা। ডাস্টবিনে ফেলে দিলেন। বললেন–সত্যি ওরা কি চায়, কি ওদের আকাক্ষা আজও বুঝতে পারলাম না। পড়াশুনা করে না, দিনরাত মাথায় জোক বক্সের চিন্তা।

    মিসেস উইসলি বিরাট একটা তামার সসপ্যান এনে টেবিলে রেখে তার চারপাশে জাদুদণ্ড ঘোরাতেই একরকমের ক্রিমসস জাদুদরে মুখ থেকে বেরিয়ে এসে প্যানের মধ্যে পড়তে লাগল।

    সসপ্যানটা স্টোভের উপর রাখতে রাখতে বললেন–ওরা যে কি চায় বুঝতে পারছি না। এমন যে নয়, ওদের বুদ্ধি নেই… সাহস, বুদ্ধি, নতুন নতুন জিনিস বানানোর দক্ষতা আছে। শুধু শুধু অকাজ করে সময় নষ্ট করছে। এখনও যদি ঠিকপথে না চলে তো ভবিষ্যৎ অন্ধকারে বলে দিলাম। ওরা দুজনে মিলে যা পেচা পেয়েছে, তার চেয়ে আমি অনেক বেশি পেয়েছি। একদিন না একদিন ইম্প্রপার ইউজ অফ ম্যাজিক অফিসে ধরা পড়ে যাবে।

    বক বক করতে করতে জাদুদণ্ড দিয়ে কাজ করে চলেছেন। তিন চারটে ডাণ্ডা। হঠাৎ একটা দারুণ শব্দ করে তালগোল পাকিয়ে বিরাট একটা রবারের ইঁদুর হয়ে গেল।

    –উঃ আবার একটা নকল জাদুদণ্ড রেখে গেছে। চিৎকার করে উঠলেন কতবার ওদের বলব, এই রকম দুষ্টুমি করবে না। কে কার কথা শোনে।

    রন আর হ্যারি রান্না ঘরে এসে বলল, এস আমরা দুজনে মিলে বিল আর চার্লিকে সাহায্য করি। ওরা কাপ–প্লেট–ডিস ইত্যাদি ড্রয়ার থেকে নিয়ে বাইরের ডাইনিং টেবিলে রাখল। মিসেস উইসলির রাগরাগ মুখ দেখে অন্য দরজা ব্যবহার করল।

    বাগানে গিয়ে দেখল মজার কাণ্ড! বিল আর চার্লি ওদের জাদুদণ্ড দিয়ে দুটো ভাঙা ভাঙা টেবিল ওপরে তুলে লড়াই শুরু করিয়ে দিয়েছে। দুটো টেবিল শূন্যে উঠে পরস্পরকে পুঁততে শুরু করেছে। ফ্রেড আর জর্জ মহা খুশি, জিনি হেসে অস্থির আর হারমিওন বাগানের গাছের ধারে ঘুরছে। মনে আনন্দ আর উদ্বেগ। লড়াই করতে করতে বিলের টেবিলের চার্লির টেবিলের সঙ্গে প্রচণ্ড ধাক্কা লেগে চারটে পায়া ভেঙে মাটিতে পড়ে গেল।… ওপরের একটা খোলা জানালা থেকে পার্সি বকাঝকা করতে লাগল।

    ও বলল-এই তোমরা গোলমাল থামাবে? আমাকে শান্তিতে কাজ করতে দেবে, না দেবে না? বিল বললো–পার্সি আমরা খুব দুঃখিত।… তা তোমার কলড্রনের স্ট্যান্ডার্ড তৈরির নোট কতদূর এগোল?

    পার্সি বলল, তোমরা এমন হট্টগোল করছ, কাজ করতে পারছি না।

    বিল আর চার্লি টেবিলের লড়াই বন্ধ করে টেবিল দুটো শূন্য থেকে ঘাসের ওপর জাদুবলে নামিয়ে আনল। একটু পর সব শান্ত হয়ে গেলে খাওয়া–দাওয়া শুরু হয়ে গেল। হ্যারি দেখল পার্সি সকলের সঙ্গে না বসে বাগানের এক কোণে বসে মি. উহসলির সঙ্গে ওর কলড্রনের গেট নিয়ে আলোচনা করছে।

    পার্সি উৎসাহিত হয়ে বলছিল–আমি কাউকে কথা দিয়েছি মঙ্গলবারের মধ্যে রিপোর্ট সাবমিট করব। নির্ধারিত সময়ের আগেই। সময় বেঁধে দেবার আগেই কাজ শেষ করা ভাল। তাছাড়া এখন আমরা কিডিচ ওয়ার্ল্ডকাপ নিয়েও ব্যস্ত। সব ব্যবস্থা ঠিক সময়ে করতে হবে।

    তারপর ওরা মিনিস্ট্রির অফিসারদের সম্বন্ধে আলোচনা শুরু করল।

    –আমরা ডিপার্টমেন্ট অফ ম্যাজিক্যাল গেমস অ্যান্ড স্পোর্টস থেকে লাডো বেগমানের তেমন সাহায্য পাচ্ছি না। মি. উইসলি বললেন–আমার তো মনে হয় লাডো বেশ ভাল মানুষ। ও তো আমাদের খেলা দেখার জন্য ভাল টিকিট জোগাড় করে দিয়েছে। আমি অবশ্য তার ভাই অটোর একটা উপকার করেছিলাম। অটো ঘাস কাটার যন্ত্রের মাত্রাতিরিক্ত শক্তির জন্য হাতে–নাতে ধরা পড়েছিল।

    –হা বেগমান ভাল লোক হতে পারে সন্দেহ নেই; কিন্তু ডিপার্টমেন্টাল হেড হল কেমন করে? মি. ক্রাউচ–সিনিয়র এবং যথেষ্ট দক্ষ অফিসার। আপনি তো জানেন বার্থ জোরকিনস একমাসেরও বেশি পাত্তা নেই। আলবেনিয়াতে ছুটিতে যাচ্ছি বলে আর ফেরেনি–পার্সি বলল।

    উইসলি বলল–হ্যাঁ, সেই ব্যাপারে লাডোর কাছে খোঁজ নিচ্ছি। ও বলে বার্থা তেমন কাজকর্ম করে না। অযথা সময় নষ্ট করে।

    পার্সি বলল, বার্থা একেবারে অপদার্থ। কোনও ডিপার্টমেন্টে টিকতে পারে না। আজ এখানে কাল সেখানে। তাহলেও বেগম্যানের উচিত বার্থাকে খুঁজে বের করা। মি. ক্রাউচ অবশ্য খুবই সাহায্য করছেন। শুনেছি বার্থার সঙ্গে ক্রাউচের বিশেষ বন্ধুত্ব আছে। কিন্তু বেগম্যান তামাশা করে বলেন, যাত্রাপথের মানচিত্র ভুল পড়ে আলবেনিয়ার বদলে অস্ট্রেলিয়া গেছে বার্থা। কথাটা বলে পার্সি গভীর নিঃশ্বাস ফেলে। এভার ফ্লাওয়ার মদে চুমুক দিয়ে বলল, অন্য কাজকর্ম ছাড়াও আমরা ডিপার্টমেন্ট অফ ম্যাজিকেল কো–অপারেশনে বার্থার খোঁজ চালিয়ে যাচ্ছি। অবশ্য অন্য ডিপার্টমেন্টের লোকজনের সাহায্য পেলে মন্দ হয় না। আপনি তো জানেন আমাদের আসন্ন ওয়ার্ল্ডকাপ অর্গানাইজ করতে বলা হয়েছে।

    গলা খাকড়ি দিয়ে গলাটা পরিষ্কার করে সে হ্যারি, রন, হারমিওনের টেবিলের দিকে তাকিয়ে বলল–আমি ফাদারের কথা বলছি। সেই টপ সিক্রেট মানুষটি।

    রন, হ্যারি আর হারমিওন ওদের দিকে তাকিয়ে ফিসফিস করে বলল, ও চায় যে ওর কাজকর্মের বিষয়ে আমরা প্রশ্ন করি।

    মাঝখানের টেবিলে মিসেস উইসলি বিলের ওর ব্যাংকের হিসেব–নিকেষের ভুল সম্বন্ধে আলোচনা করছিলেন দারুণ গণ্ডগোলের ব্যাপার তো… তা তোমার ব্যাংক কি বলে?

    –মাম, ব্যাংকের লোকেরা আমি কি রকম জামা–কাপড় পরলাম তা নিয়ে মাথা ঘামায় না, যতক্ষণ না আমি ওখান থেকে সম্পদ নিয়ে আসছি, বিল ধীরে ধীরে বলল। জাদুদণ্ড দিয়ে বিলের চুল নাড়াচাড়া করে মিসেস উইসলি বললেন, মাথার চুল এতবড় কেন? আজই কাটিয়ে ফেলবে।

    জিন্নি বিলের পাশে বসেছিল, বলল–ভালইতো দেখাচ্ছে মাম। এখনও প্রফেসর ডাম্বলডোরের সমকক্ষ হয়নি।

    ফ্রেড বলল–বুলগেরিয়ার টিমে আছে ভিক্টর ক্রাম।

    চার্লি বলল, সন্দেহ নেই, আয়ারল্যান্ড সাত নম্বর পেয়েছে। আমি চাই ইংল্যান্ড জিতুক… তবে…।

    –কী সব আলোচনা করছ? হ্যারি উৎসুকতার সঙ্গে বলল।…প্রিভেট ড্রাইভে থাকার জন্য উইজার্ডিং ওয়ান্ড থেকে বিচ্যুত হয়ে পড়েছে। হ্যারির সবচেয়ে প্রিয় খেলা কিডিচ। গ্রিফিন্ডর হাউজের কিডিচ টিমে সীকার হয়ে খেলেছে। প্রথম বর্ষে পড়ার সময় কিডিচে ফায়ার বোল্ট পেয়েছে। ফায়ার বোল্ট পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ রেসিং ঝড়।

    চার্লি গম্ভীর হয়ে বলল–ট্রানসিলভানিয়র কাছে হেরেছে কোথায় দশ আর কোথায় তিনশ নব্বই। অত্যন্ত দুঃখজনক সন্দেহ নেই। উগান্ডার কাছে ওয়েলস হেরেছে। স্কটল্যান্ড লুকসেমবার্গের কাছে কচুকাটা হয়েছে।

    বাগানের অন্ধকার কাটাতে মি. উইসলি টেবিলে টেবিলে মোমবাতি জ্বেলে দিলেন। তারপর ওরা বাড়ির বানান স্ট্রবেরীব পুডিং খেল। মোমবাতির তাপে একটু গরম হাওয়া বইতে শুরু করে। মোমবাতি থেকে আসছিল লেবু ঘাস ও মধুর সুগন্ধ। প্রচুর খাওয়া–দাওয়ার পর হ্যারির মনে হল পৃথিবীটা বড় সুখের চারদিক সুন্দরতায় ভরে আছে… কত জানা, নাম না জানা ফুলের মিষ্টি গন্ধ। আর এদিকে মনের আনন্দে বাগানের ফুল ও কুক সেংকের দৌড়াদৌড়ি দেখতে লাগলো।

    রন চুপ করে বসেছিল। একান্তে হ্যারিকে পেয়ে বলল–সিরিয়সের কোনও খবর পেয়েছ?

    কথাটা হারমিওনের কানে গেল।

    হ্যারি বলল–হ্যাঁ, দুবার পেয়েছি। মনে হয় ভালই আছেন। গতকালের আগের দিন আমি তাকে একটা চিঠি লিখেছি। আমি তোমাদের এখানে থাকতে থাকতে হয়ত তার উত্তরও পেয়ে যাব। কথাটা রনকে বলার পরই ওর মনে পড়ে গেল কি পরিপ্রেক্ষিতে ও চিঠিটা সিরিয়সকে লিখেছে। মনে হল, ওদের সেই ভয়ঙ্কর স্বপ্নের কথা বলে; কিন্তু আপাতত বলল না, ভাবল, কি হবে ওদের ছুটির কটা দিন ব্ৰিত করে। পরে এক সময় বলবে।

    মিসেস উইসলি সব সময়, সব ব্যাপারে সময় দেখে চলেন। খেতে খেতে আড্ডা দিতে দিতে অনেক রাত হয়ে গেছে। শুয়ে পড়া দরকার তাই রিস্টওয়াচে সময় দেখে বললেন–কটা বেজেছে সে খেয়াল আছে? তোমরা সকলে যে যার ঘরে গিয়ে শুয়ে পড়। ভোরবেলা চা পাবে। হ্যারি তুমি বুকলিস্ট এনেছে? কাল আমাকে দিয়ে দেবে আমি ডায়াগন অ্যালে থেকে বই কিনে নিয়ে আসব। পরে ওয়ার্ল্ডকাপ শুরু হয়ে যাবে… তখন কেনার সময় থাকবে না। গতবার পাঁচদিন ধরে খেলা চলেছিল।

    হ্যারি হাততালি দিয়ে বলল-এবারও যেন তাই হয়।

    পার্সি বলল–মজাতো হবেই… ওদিকে আমার অফিসের ট্রেতে গাদা গাদা ফাঁইল জমে যাবে।

    ফ্রেড বলল, পার্সি ওর মধ্যে তো কেউ ড্রাগনের বিষ্ঠা রাখতে পারে? পার্সি বলল, ওটা নরওয়ে থেকে নমুনা সার এসেছে। ওরকম কিছু নয়।

    –তাই। ফ্রেড হ্যারির কানে ফিস ফিস করে বলল–আমরা পাঠিয়েছিলাম।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য অর্ডার অব দ্য ফনিক্স (৫) – জে. কে. রাওলিং
    Next Article হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য প্রিজনার অব আজকাবান (৩) – জে. কে. রাওলিং

    Related Articles

    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার এন্ড দি ফিলসফারস স্টোন (১) – জে. কে. রাওলিং

    August 18, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য চেম্বার অব সিক্রেটস (২) – জে. কে. রাওলিং

    August 18, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য প্রিজনার অব আজকাবান (৩) – জে. কে. রাওলিং

    August 18, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য অর্ডার অব দ্য ফনিক্স (৫) – জে. কে. রাওলিং

    August 16, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য হাফ-ব্লাড প্রিন্স (৬) – জে. কে. রাওলিং

    August 16, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ডেথলি হ্যালোস (৭) – জে. কে. রাওলিং

    August 16, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }