Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য গবলেট অব ফায়ার (৪) – জে. কে. রাওলিং

    জে. কে. রাওলিং এক পাতা গল্প704 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৯. দ্য ডার্ক মার্ক

    ০৯. দ্য ডার্ক মার্ক

    কার্পেট মোড়া সিঁড়ি দিয়ে খুব সাবধানে নামতে নামতে মি. উইসলি ফ্রেড আর জর্জকে সাবধান করে দিলেন–খবরদার! তোমাদের মা যেন জানতে না পারেন তোমরা দুভাই খেলার মাঠে এসেছ।

    ফ্রেড বলল–ভেব না ড্যাডি। আমাদের মাথায় কিছু একটা করার প্ল্যান আছে। মাকে আমরা এই খরচের অন্য একটা হিসেব দেব।

    উইসলি ওদের মুখের দিকে এমনভাবে তাকালেন–প্ল্যানটা কি জানার তার প্রবল আগ্রহ। কিন্তু জানতে চাইলেন না।

    এখন সকলে চলেছে যে যার ক্যাম্পের দিকে। ওরাও চলল সেই জনস্রোতের সঙ্গে। রাতের হাওয়ার সঙ্গে সকলের বেশুরো গলার গান মিশে গেল। পথ দেখার জন্য হাতে ওদের লণ্ঠন। কেউ কেউ আনন্দ–উল্লাসে হাতের লণ্ঠন উঁচু করে দোলাতে দোলাতে চলেছে। টেন্টে ফিরে গিয়েও ওদের কিডিচ খেলা দেখার উন্মাদনা মোটেই কমে না। কারোরই যেন ঘুমোবার কোন তাগিদ নেই। উইসলি সবার সঙ্গে একমত হলেন শোবার আগে তারা কোকো খাবে। তারপর শুরু হল খেলার কথা। মি. উইসলি খেলা সম্বন্ধে চার্লির সঙ্গে একমত হলেন না, তর্ক চলল। জিনি দারুণ ক্লান্ত। ছোট টেবিলটায় কোকোর কাপ নিয়ে টেবিলে মাথা রাখতেই ঘুমিয়ে পড়ল। হাত সরাতে গিয়ে কোকোর কাপ ছিটকে পড়ল মেঝেতে। ওদের খেলার তর্ক থামতে চায় না… অধৈর্য হয়ে উইসলি বললেন, তোমরা ভার্বাল রিপ্লে থামাও–অনেক রাত হল শুতে–টুতে হবে না? হারমিওন ও জিনি পাশের টেন্টে চলে গেল। উইসলি, হ্যারি ও অন্যরা পাজামা পরে বাঙ্কে শুয়ে পড়লো। পাশের ক্যাম্পে তখনও সমান তালে চলেছে–গান, তর্ক আর হৈ চৈ।

    –ভালই হয়েছে আমি এখন ছুটিতে, উইসলি রেগে গিয়ে বললেন–তা না হলে ওদের মাঝরাতে সকলকে বিরক্ত করতে মানা করতাম। আয়ারল্যান্ড জিতেছে বলে আর কত সেলিব্রেট করবে!

    রনের ঠিক উপরের ব্যাঙ্কে শুয়েছে হ্যারি। ওরও ঘুম আসছে না। এখনও ওর সমস্ত দেহটা ঝন ঝন করছে। ও টেন্টের সিলিং-এ তাকিয়ে রইল। সিলিং বলতে টেন্টের ক্যানভাস। মাঝে মাঝে কেউ আশপাশে লণ্ঠন জ্বালিয়েছে তারই রশ্মি টেন্টে এসে ধাক্কা খাচ্ছে। ও চায় ভবিষ্যতে একজন কিডি প্লেয়ার হতে। ভাল প্লেয়ার হতে গেলে কেমনভাবে খেলতে হবে অলিভার উড ওকে কখনও কোনদিন বলেনি। ভাবতে ভাবতে ওর মনে হল জাতীয়দলের ও একজন হয়েছে। জার্সির পেছনে ওর নম্বর আর নাম লেখা রয়েছে। ওর কানে এল বেগম্যানের উদাত্ত কণ্ঠস্বর সারা স্টেডিয়াম গমগম করছে, প্রতিধ্বনিত হচ্ছে–পটার পটার!

    ক্রামের মতো ওর দিবাস্বপ্ন–উড়ছে, উড়ছে… হয়ত একদিন সত্যতে পরিণত হবে। হঠাৎ সচকিত হয়ে উঠল, ঘুম ভাঙার পর।

    –রন, হ্যারি আর শুয়ে থেক না, উঠে পড়, খুব দরকার আছে! ধড়মড় করে উঠে পড়ে, বসতে গিয়ে মাথাটা খটাস করে লাগল টেন্টের চাঁদওয়াতে।

    –কী… কী হয়েছে? উইসলি চুপ করে রইলেন। উইসলি শুধু চুপ নয়… আশপাশের সমস্ত টেন্টে একটাও শব্দ শোনা যাচ্ছে না। হঠাৎ তারা কিডিচ খেলা দেখতে এসে পাত্তারি গুটিয়ে চলে গেছে। তাদের চিৎকার, গান কিছুই শোনা যাচ্ছে না। সব নীরব হয়ে গেছে।

    হ্যারি যত তাড়াতাড়ি পারে ব্যাঙ্ক থেকে লাফিয়ে পড়ে জীনসটা পরে নিল। মি. উইসলি বললেন–সময় নেই তাড়াতাড়ি

    হ্যারি টেন্টের বাইরে এসে দাঁড়াল। দেখল রনও এসে গেছে।

    যেখানে ওদের টেন্ট… তার চারপাশের টেন্টগুলোর সামনে খুব সম্ভব জনমানব শূন্য হলেও কাঠের উনুনগুলো টিম টিম করে জ্বলছে। তারই আলোতে দেখল… দলে দলে লোকেরা প্রাণভয়ে ছুটে পালাচ্ছে। তাদের ওপর একটা আলো আকাশ থেকে ঘুরে–ফিরে পড়ছে–ঠিক কামানের গর্জনের মতো শব্দ হচ্ছে। মদ্যপের অসংলগ্ন চিৎকার, সেই হাস্য আলো আর গর্জনের সাথে সাথে সমান তালে চলছে। তারপরই সব থেমে নিয়ে সবুজ আলোতে অরণ্যটা ভরে গেল। হ্যারি পরিষ্কারভাবে সবকিছুই দেখতে পেল–দেখল একদল জাদুকর হাতে জাদুদণ্ড আকাশের দিকে তুলে চলেছে। সেই দণ্ড থেকে সবুজ আলো বিচ্ছুরিত হচ্ছে। দেখে আশ্চর্য হয়ে গেল হ্যারি। যারা দলবদ্ধ হয়ে দণ্ড উঁচু করে চলেছে তাদের দেহ আছে; কি মুণ্ডু নেই। পরে বুঝতে পারে হ্যারি, না ওদের মাথা ও মুখ কাপড় দিয়ে ঢাকা। ওদের ওপরে মধ্যাকাশে ভেসে চলেছে অদ্ভুত চারটে প্রাণী। তারা যেন পুতুল খেলার হাতের দল্পে অদৃশ্য সুতো দিয়ে নিচের লোকদের পরিচালনা করছে। চারটের মধ্যে দুজন খুবই ক্ষুদ্রাকারের।

    আরও বেশকিছু জাদুকর সেই দলে যোগ দিয়েছে। হাসছে আর ভাসমান সেই চারজনের দিকে আঙ্গুল দেখাচ্ছে। যারা হেঁটে যাচ্ছে তাদের পায়ের চাপে শূন্য টেন্টগুলো ভেঙে পড়ছে। কেউ কেউ আবার দণ্ড দিয়ে টেন্টে আগুন লাগিয়ে দিচ্ছে।… হৈ হুল্লোড় ও চিল্কারে সারা জায়গাটা গমগম করছে।

    একটা জ্বলন্ত টেন্টের ওপর দিয়ে যাবার সময় চারটে প্রাণীর মধ্যে একজনকে হ্যারি চিনতে পারলো–রবার্ট! ক্যাম্প সাইটের ম্যানেজার বাকি তিনজন খুব সম্ভবত তার পরিবারের স্ত্রী ও পুত্র কন্যা। একজন জাদুকর হাতের দণ্ড ক্লিক করতেই মিসেস রবার্টস উল্টে গেলেন। তার পা ওপরে মাথা নিচে চলে গেল। তার রাতের পোশাক খসে পড়লো। তিনি নিজের অর্ধনগ্ন দেহ ঢাকতে চেষ্টা করতেই নিচের জাদুকর জনতা হা! হা! করে হেসে উঠল।

    রন প্রচণ্ড রাগে বলল–অসভ্য, বর্বরতা ছাড়া আর কিছুই নয়। ওর দৃষ্টি মাগল শিশুটির দিকে। মাটি থেকে ষাট ফিট ওপরে ও লাটুর মতো ঘুরপাক খাচ্ছে। রন সেই বীভৎস অত্যাচারের দিকে আর দৃষ্টি দিতে পারলো না।

    হারমিওন, জিন্নি ওদের নাইট ড্রেসের ওপর ওভারকোট চাপিয়ে বাইরে এসে দাঁড়াল। সঙ্গে মি, উইসলি। ছেলেদের টেন্ট থেকে বিল, চার্লি ও পার্সি এল। ওরা প্রস্তুত। হাতে জাদুদণ্ড, শার্টের আস্তিন শুটাল।

    মি. উইসলি উচ্চস্বরে বললেন–আমরা এখানে মন্ত্রণালয়কে সাহায্য করব… বিপন্ন ওই চারজনকে আমাদের বাঁচাতেই হবে। তোমরা অরণ্যে চলে যাও… কিন্তু একসঙ্গে থাকবে। আমি প্রয়োজনীয় কাজ সেরে তোমাদের সাহায্যের জন্য আসছি।

    বিল, চার্লি, পার্সি নিরাপদ স্থানে ধাবমান লোকজনের পেছনে পেছনে গেল। মি. উইসলি চললেন ওদের পেছন পেছন। মন্ত্রণালয়ের জাদুকররা নানাদিক থেকে সেইখানে ছুটে এল। আকাশের উঁচুতে ভাসমান রবার্ট পরিবারের নিচে মাঠে জনতা একটু একটু করে নিজেদের মধ্যে ছোট কেন্দ্র তৈরি করে ফেলল–কাল জাদু রুখতে।

    ফ্রেড, জিন্নির হাত ধরে টানতে টানতে নিয়ে চলতে চলতে বলল, দাঁড়িয়ে থাকলে চলবে না–বনে চল, বিপদ হতে পারে। যেতে যেতে ওরা পেছন ফিরে তাকিয়ে দেখল শূন্যে ভাসমান রবার্ট পরিবারের নিচে লোকের সংখ্যা আরও যেন বেশি হয়ে গেছে। মিনিস্ট্রির জাদুকররা মাথায় হুড পরা জাদুকরদের ভেতরে ঢুকে তাদের জাদুদণ্ড দিয়ে ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা চালাচ্ছে। কিন্তু পারছে না… দারুণ এক ভয়াবহ পরিস্থিতি! যারা বাঁচাতে এসেছে কোনও জাদুবিদ্যা প্রয়োগ করতে পারছে না–ভয়, তারা যদি ওপর থেকে মাটিতে পড়ে যায়!

    স্টেডিয়াম যাবার রাস্তার ধারে ধারে যে রঙিন আলোর মালা ছিল সেগুলো নিভে গেছে। ঘোর অন্ধকারের মধ্যে খেলা দেখতে আসা ছোট শিশুরা অসহায়, মহিলারা আত্মরক্ষার জন্য গাছে চেপে, গুহাতে লুকিয়ে কাঁদছে। হ্যারির মনে হল কিছু লোক অন্ধকারের মধ্যে ছুটছে… তাদের মুখ দেখতে পেল না। যাবার সময় ওরা ওকে ধাক্কা দিতে লাগল। হঠাৎ সেই সময় রনের গলার স্বর শুনতে পেল। রন ব্যথায় আর্তনাদ করছে।

    –কী হয়েছে হারমিওন? হারমিওন অন্ধকারের মধ্য থেকে বলল… রনকে খুঁজতে যাবার সময় ওর হ্যারির সঙ্গে ধাক্কা লেগে হারমিওন মাটিতে পড়ে যায়। কিন্তু রন কোথা থেকে ডাকছে? হ্যারি সশব্দে বলল, রন, রন, তুমি কোথায়? অতি অন্যায় করছে শক্ররা…! মাটিতে উঠে দাঁড়াল হারমিওন।

    হঠাৎ এক উজ্জ্বল আলোতে দেখল রন গাছের তলায় পড়ে রয়েছে। রন বলল, লুমাস।

    কে যেন পেছন থেকে বলল–খুব লাগেনি আশাকরি।

    হ্যারি, রন ও হারমিওন পেছনে ফিরে দেখল–ড্র্যাকো ম্যালফয়! ও নির্বিকার চিত্তে একটা গাছে হেলান দিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে।… যা ঘটেছে ওসব ভাবলেশহীনভাবে দেখে চলেছে। কালো জাদুকরদের তাণ্ডবে ওর কোনও তাপ উত্তাপ নেই।

    মিসেস উইসলির সামনে রন ম্যালফয়কে যে কথাটা কখনও বলতো না, সেই কথাটা এখন ও ম্যালফয়কে দেখতে পেয়ে বলল-একটা কিছু করন মি. ম্যালফয়।

    ভাষা, তোমার অনুরোধের নয় রন। ওর বিবর্ণ চোখ দুটো জ্বল জ্বল করছে।–তুমি কী চাও হারমিওনও আকাশে উড়ক?

    তা দেখতে চাও?

    হারমিওন ক্ষুব্ধ স্বরে বলল-এ কথার অর্থ কী?

    –মিস গ্রেঞ্জার আমার জাদুকররা মাগলদের নিধন করছে, ম্যালফয় বিশ্রিভাবে হেসে বলল–তুমি কী চাও তুমিও ওদের মতো আকাশে উড়তে।

    ম্যালফয় হারমিওনের দিকে তাকাল।

    ম্যালফয় বলল–ওরা মাগল। তুমি কী চাও মিসেস রবার্টের মতো তোমার অবস্থা? তোমার নিকার শরীর থেকে খুলে আকাশে উড়ুক?

    হ্যারি বলল–হারমিওন মাগল নয়। ছাত্রী জাদুকরী।

    –নিজের চড়কায় তেল দাও ছোকরা! ম্যালফয় ঘোৎ ঘোঁৎ করে বলল। হাসিটা ওর শয়তানের মতো! ভাল চাও তো যেখানে আছে সেখানে থাক। ওরা মাগলদের রক্ত পছন্দ করে।

    রন বলল–মুখ সামলে কথা বলুন মি. ম্যালফয়। সকলেই জানে কোনো ভদ্র মাগল রক্ত বলা খুবই অশোভন।… জাদুকর জাদুকরীদের শরীরে মাগল রক্ত থাকতেও পারে। আপনি কতটুকু জানেন?

    –ওসব কথা ছাড় রন। হারমিওন বলল। রন, ম্যালফয়ের দিকে এগোতে দেখে ওর হাত টেনে ধরল। শুধু শুধু বিপদ টেনে আনছে ও।

    অরণ্যের অন্যদিক থেকে খুব জোরে ব্যাঙ্গ শব্দ শোনা গেল। শব্দটা অতি ভয়ঙ্কর! আগে কখনও কেউ এমন গর্জন শোনেনি। আশপাশের মানুষজন ভয়ে বিবর্ণ, কুঁকড়ে গেল সেই অচেনা শব্দে।

    ম্যালফয় আগের মতো শয়তানী হাসিতে বলল–আমি তো ওদের বাধা দিতে পারি না মাস্টার তুমি বল আমি কী পারি পটার?

    হারমিওন ম্যালফয়ের মুখের দিকে ঘৃণাভরা দৃষ্টিতে তাকিয়ে বলল, চল, ওরা সব গেল কোথায় খোঁজা দরকার।

    ম্যালফয় হি হি করে হেসে বলল–গ্রেঞ্জার তোমার মাথার চুলগুলো ঠিক কাকের বাসা, ওগুলো মুখ থেকে হটাও। হ্যারি ও রনের হাত ধরে হারমিওন বলল চল।

    রন যেতে যেতে বলল–আমি হলফ করে বলতে পারি ওইসব কালো কাপড়ে মুখ ঢাকা কালো জাদুকরদের মধ্যে ম্যালফয়ের বাবাও আছে। হারমিওন বলল মন্ত্রণালয় ওকে ধরবে… আশ্চর্য ওরা কোথায় গেল বলতো!

    কোথায় গেল ফ্রেড–জন–জিন্নি? এত দেশী–বিদেশী জাদুকররা প্রাণ বাঁচাতে ছুটোছুটি করছে। কিছু কিছু তাঁবুতেও হুড়োহুড়ি করছে।

    ওরা দেখল কয়েকজন ওদের বয়সী ছাত্র–ছাত্রী (কোন্ দেশের জানে না) তর্ক বিতর্ক করছে। পরণে তাদের পাজামা। একটি মেয়ে হ্যারি, রন আর হারমিওনকে দেখে বলল, Ou est Madame Maxime? Nous lavous perdue– (ওদের মনে হল মেয়েটি বলছে মাদাম ম্যাক্সিম কোথায়… আমাদের তো ফিরতে হবে)… রনের মুখের দিকে তাকিয়ে হারমিওন বলল–ওরা বল্পবেটন ম্যাজিক অ্যাকাডেমির ছাত্রছাত্রী। আমি অ্যাপ্রাইজল অফ ম্যাজিক্যাল এডুকেশন ইন ইউরোপে পড়েছি। রন সে কথায় কান না দিয়ে বলল–মনে হয় বেশি দূরে যায়নি ওরা। জাদুদণ্ডে হারমিওনের মতো আলো জ্বালিয়ে পথ চলতে লাগল। হ্যারি নিজের জাদুদণ্ড হাতে নেবার জন্য পকেটে হাত ঢোকাল। কিন্তু পকেটে রয়েছে বায়োনোকুলার! জাদুদণ্ড নেই। পকেটগুলো আতিপাতি করে খুঁজলো হ্যারি। না নেই।

    –আরে কোথায় গেল আমার জাদুদণ্ড?… হারালো নাকি?

    –ধ্যাৎ ঠাট্টা করছ তুমি?

    রন আর হারমিওন ওদের টর্চের আলো জ্বলা দণ্ড দুটো ওপরে তুলল। আলো পড়ে যদি ওটা পাওয়া যায়। হ্যারি তন্ন তন্ন করে খুঁজেও ওর জাদুদণ্ড পেলো না।

    মর্মর ধ্বনি শুনে তিন জনেই সজাগ হয়ে গেল। দেখল উইক্কী (ক্রীতদাসী) একটা ঘন জঙ্গল থেকে বেরিয়ে আসছে তারই শব্দ। খুব কষ্ট করে ও ঝোপঝাড় পথ করে বের হয়ে আসছে। ওর মনে হয়েছে কেউ যেন অদৃশ্য থেকে ওকে তাড়া করেছে। আটকে রাখতে চাইছে।–মুখ দেখে মনে হল।

    উইঙ্কি মুখে বলল-একজন শয়তান কালো জাদুকর!… উইংঙ্কীকে ও আকাশে উড়িয়ে নিয়ে যেতে চায়। উইঞ্চি ওদের কাছ থেকে পালাবে।

    রন ওর দিকে তাকিয়ে বলল–দৌড়াতে ওর অসুবিধে কী? ঠিকমত দৌড়াতে পারছে না কেন?

    হ্যারি বলল–ও সম্ভবত পালাবার অনুমতি পায়নি।

    হারমিওন বলল–তোমরা তো জান ওদের জীবন কত কষ্টের। ওদের সঙ্গে বাড়ির লোকেরা খুব খারাপ ব্যবহার করে। ক্রীতদাস হলে যা হয়। মি. ক্রাউচের বদন্যতায় ও টপে বসেছিল। ম্যালফয় ওকে জাদুবলে পঙ্গু করে রেখেছিল ফলে টেন্টে আক্রমণ হলে ও দৌড়াতে পারেনি। বুঝি না মানুষ কেন ওদের অত্যাচার করে, এত যন্ত্রণা দেয়।

    রন বলল–ওরা তো সুখেই আছে। তুমি হাউজ এলকদের কথা শুনেছো না। ওরা বলেছিল, ক্রীতদাসীদের আনন্দ করার অধিকার নেই। ওরা এটাই পছন্দ করে।

    হারমিওন বলল–সকলে নয়, তোমার মত লোকেরাই এই ধরনের কথা ভাবে রন। যারা কুড়ে তারা কিছু বদলাতে বা পরিবর্তন করতে চায় না। ওরা বড় হয়ে ওঠে একটা সংস্কারের মধ্যে।

    আবার ওরা শুনতে পেল কামানের মতো গর্জন। গর্জনটা অরণ্যে প্রতিধ্বনিত হতে লাগল।

    রন বলল–বোকার মতো দাঁড়িয়ে না থেকে আমরা এগোই।

    হ্যারি হারমিওনের দিকে তাকালো। হ্যারির আশঙ্কা হলো ম্যালফয় যা বলেছে তার মধ্যে কিছুটা সত্যতা আছে, বোধহয় হারমিওনেরও বিপদের সম্ভাবনা ওদের চেয়ে বেশি। ম্যালফয় বলেছে হারমিওনের দেহে আছে মাগল রক্ত! ওরা অন্ধকারের পথ দিয়ে অরণ্যের গভীরে হাঁটতে লাগল।… চলতে চলতে ফ্রেড, জর্জ আর জিনির খোঁজ করতে লাগল।… পথের ধারে অনেক মানুষ বসে রয়েছে… তারা সবাই খেলা দেখতে এসেছিল। ডার্ক ম্যাজিক জাদুকরদের ভয়ে ওরা পালাচ্ছে।… এক জায়গায় দেখতে পেল একদল গবলিন বসে থলে ভর্তি সংগ্রহ করে আনা সোনা নিজেদের মধ্যে ভাগ করছে। ক্যাম্প সাইটে কি ঘটেছে তার প্রতি ওদের কোনও হুস নেই। ওরা আরও খানিকটা ভেতরে এগিয়ে গেল। গাছের পাতার ফাঁক  দিয়ে পথে রূপালী আলো পড়েছে। দেখতে কোনও অসুবিধে হচ্ছে না। ওরা দেখল জঙ্গলে ঢোকার মুখে তিনটি অতি সুন্দরী ভীলাকে ঘিরে কিছু অল্পবয়সী জাদুকর হাসাহাসি করছে।

    ওদের মধ্যে একজন বড়াই করে বলল–প্রতিবছর আমি একশ বস্তা সোনার গ্যালিয়ন আয় করি। কমিটি ফর দ্য ডিসপোজাল অফ ডেঞ্জারাস ক্রিয়েচারসর আমি ড্রাগন কিলার।

    ওর বন্ধু হেসে বলল–স্রেফ বাজে কথা। তুমি মোটেই তা নও। লিকি কলড্রনে তুমি থালাবাসন পরিষ্কার কর… কিন্তু আমি ভ্যাম্পায়ার হান্টার… আজ পর্যন্ত আমি নব্বইটা মেরেছি।

    মুখময় ব্রণ ভর্তি তৃতীয় জাদুকর বলল–… আমি দেশের কনিষ্ঠতম ম্যাজিক মন্ত্রী হতে চলেছি… আমি…।

    কথা শুনে হ্যারি হাসিতে ফেটে পড়ল।… ব্রণ ভর্তি জাদুকরকে ও চিনতে পারলো–ওর নাম স্ট্যান শানপাইক, ও আসলে তিনতলা বাসের বাস কন্ডাকটর!

    হ্যারি, রনের দিকে তাকাল। রনের মুখটা বিশ্রিভাবে ঝুলে রয়েছে। পর মুহূর্তেই রন বলল–আমি কী তোমাদের বলেছি যে আমি এখন একটা জাদু ঝাড়ু বানিয়েছি সেটাতে চেপে শুক্র গ্রহে যাওয়া যায়।

    হারমিওন বলল–সত্যি! কথাটা বলে হ্যারি আর হারমিওনওকে চেপে ধরে টেনে নিয়ে চলল রন… একটু একটু করে ভীলা আর স্তাবকদের কণ্ঠস্বর আর শোনা গেল না। ওরা তখন অরণ্যের মাঝখানে পৌঁছেছে।… সেখানে জন–প্রাণী নেই এত নিস্তব্ধ যে, একটা গাছের পাতা গাছ থেকে পড়লে শোনা যায়। হ্যারি বলল, আমরা এখানে অপেক্ষা করি।

    ওর কথা শেষ হবার আগেই লাডো বেগম্যান একটা গাছের আড়াল থেকে ওদের সামনে এসে দাঁড়াল।

    জাদু দণ্ডের মৃদু আলোতে ওরা বেগম্যানের অদ্ভুত এক পরিবর্তন লক্ষ্য করল। কেমন যেন ঢিলে–ঢালা। মুখে হাসি নেই… চলায় চঞ্চলতা নেই। মুখটা ফ্যাকাসে শুধু নয় চিন্তিতও।

    বেগম্যান ওদের দেখে বললেন–কে তোমরা? এখানে তোমরা কেন?

    ওরা আশ্চর্য হয়ে পরস্পরের দিকে তাকাল।

    রন বলল–ওধারে মনে হয় দাঙ্গা–হাঙ্গামা হচ্ছে।

    বেগম্যান খেঁকিয়ে উঠে বললেন–কী বললে?

    –ক্যাম্পের দিকে… কিছু জাদুকর এক মাগল পরিবারকে ধরেছে।

    বেগম্যান অট্টহাস্য করল–ওরা চুলোয় যাক।… কথাটা বলে অন্যমনস্ক হয়ে। অন্যদিকে চলে গেলেন।

    –বেগম্যান কেমন যেন অস্বাভাবিক… তাই না? হারমিওন বলল।

    রন বলল-এক নম্বরের জুয়ারি।… ও একটা গাছের তলায় শুকনো ঘাসের উপর বসে পড়ে বলল… দ্য উইমবোর্ন ওয়াসপম পর পর তিনবার জিতেছে… ও হেরেছে।

    কথাটা বলে রন পকেট থেকে ক্রামের ছোট একটা আবক্ষ মূর্তি বের বরে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখতে লাগল।

    হ্যারির তখন মাঝে মাঝে কানে আসছে ক্যাম্প সাইট থেকে হৈ চৈ-এর শব্দ। তাহলেও চতুর্দিক নীরব… নিস্তব্ধ। তাহলে খুব সম্ভব দাঙ্গা থেমে গেছে।

    হারমিওন বেশ খানিকটা সময় নীরব থেকে বলল–মনে হয় সবাই এখন নিরাপদ। দাঙ্গা বন্ধ হয়ে গেছে।

    রন বলল–তাই যেন হয়।

    হ্যারি বলল–ধর তোমার বাবা লুসিয়াস ম্যালফয়কে ধরলে কি হবে…। হ্যারি রনের ক্রামের মডেলের দিকে তাকালো। রন একইরকম ভাবে ক্রামের মূর্তিটা দেখে চলেছে।

    হারমিওন বলল–নিরপরাধ মাগলদের জন্য মায়া হচ্ছে। ওদের শূন্য থেকে যদি নামানো না যায়?

    –যাবে, কেন যাবে না, হ্যারি বলল। হঠাৎ কিছু ধপধপ শব্দ শুনতে পেলো।

    –হ্যালো, হ্যারি কান খাড়া করে বলল।

    কোনও শব্দ নেই। হ্যারি গাছের ফাঁক দিয়ে দেখার চেষ্টা করল। তখনও আঁধার কাটেনি তাই দূরের জিনিস অস্পষ্ট।

    –ওখানে তোমরা কে? ও বলল।

    তারপর, কোনরকম সময় না দিয়ে বলতে গেলে হ্যারির কথা শেষ হবার সঙ্গে সঙ্গে একটা শব্দ… যা কখনও ওই অরণ্যে এসে শোনেনি, অনেকটা মন্ত্রের মতো।

    মোরসমোৰ্ডে! মোরসমোর্ডে!

    হ্যারির চোখের সামনে যে গাছপালা, ঝোপঝাড় ওর দৃষ্টিরুদ্ধ করে রেখেছিল তা হঠাৎ সেই শব্দের পর হঠাৎ কোথায় যেন উবে গেল। কে যেন আকাশে ফুঙ্কারে উড়িয়ে নিয়ে গেল সবকিছু।

    কী দেখছ? হ্যারিকে প্রশ্ন করল রন।

    এক মুহূর্তের মধ্যে হ্যারির মনে হল–আর একটা নতুন লেপরেচাউন গড়ে উঠেছে। না তা নয়, হাজার হাজার মানুষের মাথার খুলি, অনেকটা পান্নার তারার মতো। তাদের জিবের বদলে জীবন্ত সাপ বেরিয়ে আসছে। ওরা চতুর্দিক দেখতে দেখতে উঁচুতে উঠে যেতে লাগল, সবুজ রঙের ধোয়া ছড়িয়ে দিতে লাগল চতুর্দিকে… সারা আকাশটা সবুজ মেঘে ঢেকে গেল।

    সহসা অরণ্যের গাছপালা, লতা… সবকিছুই বিকট শব্দে কাঁপিয়ে দিল। কেন এসব হচ্ছে, লুকিয়ে থেকে কে ভেল্কিবাজি করে চলেছে হ্যারি বুঝতে পারে না। কিন্তু যা দেখছে তা তো সত্যি! হঠাৎ জনবসতি উধাও হয়ে শত শত… হাজার হাজার মানুষের খুলি, সাপ, সবুজ ধোয়া, পান্নার মতো রঙ, আকাশে উড়ে যাওয়া… কালো মেঘ সবুজ মেঘে রূপান্তর… সবই সত্য। চোখের সামনে দেখছে হ্যারি। ওখানে কে? হ্যারি সাহস করে বলল। হারমিওন তখন অনেকটা সামলে নিয়েছে। হ্যারির জ্যাকেটটা ধরে টানতে টানতে বলল–হ্যারি এখানে দাঁড়িয়ে থেকো না। পালাই।

    হ্যারি হারমিওনের ভয়ার্ত মুখের দিকে তাকিয়ে আশ্চর্য হয়ে বলল–কেন কী হয়েছে?

    –হ্যারি ডার্ক মার্ক এসেছে, হারমিওন ফিসফিস করে বলল… ভীষণ জোরে, তারপর শরীরের সব শক্তি প্রয়োগ করে বলল–ইউ নো হু? ওর আসার সব সঙ্কেত।

    –হ্যারি ভাবার সময় নেই চল পালাই। ইউ–নো–হু সাংঘাতিক।

    –হ্যারি ঘুরে দাঁড়াল। রন তাড়াতাড়ি ক্ষুদ্রাকৃতি ক্রামকে পকেটে পুরলো।

    –ওরা তিনজন অরণ্যের মুখের দিকে ছুটল। অরণ্য থেকে পালাবার সেটাই একমাত্র রাস্তা!

    –ভোল্ডেমর্টস-এসেছে পুরনো শক্তি নিয়ে…।

    –হ্যারি কথা বলার সময় নেই। চলে এস।

    –হ্যারি পেছনে তাকাল; একটা জিনিস অনুধাবন করল, প্রত্যেকটি জাদুকর ওর দিকে জাদুদণ্ড তাক করে রয়েছে। শুধু ওর দিকে নয়, রন আর হারমিওনের দিকেও। কোন চিন্তা না করে এক মুহূর্ত সময় নষ্ট না করে হ্যারি উচ্চস্বরে বলল, ডাক!… তারপর দুজনকে দুহাত ধরে মাটিতে শুয়ে পড়ল।

    বিশটি স্বর একই সঙ্গে গর্জন করে উঠল সুপিফাই। তারপর আগুনের শিখা… এত তার উজ্জ্বলতা… চোখ ধাধিয়ে দিল। হ্যারির মাথার চুলগুলো খাড়া হয়ে উঠল। যেন শব্দের চেয়ে দ্রুতবেগে ঝড় এসে ওর মাথার চুলগুলো এলোমেলো করে দিল। ঝড়… তীব্র তার গতিবেগ… সমস্ত গাছপালা প্রায় উড়িয়ে নিয়ে গেল। সামান্য… প্রায় এক ইঞ্চি মাথা উঁচু করে দেখল জেটের মতো তীব্র লাল আলো ওদের ওপর দিয়ে জাদুকরদের দণ্ড দিয়ে আলো প্রবাহিত হচ্ছে। চতুর্দিক থেকে সার্চ লাইটের মতো। পূর্ব থেকে পশ্চিমে, উত্তর থেকে দক্ষিণে ঘুরছে।

    তীব্র কণ্ঠে কে যেন বলল–স্টপ! ও আমার পুত্র। হ্যারির চুল ঝড়ো হাওয়াতে আর খাড়া হয়ে রইলো না। ও ধীরে ধীরে মুখটা তুলল। দেখল ওর সামনে যে জাদুকর জাদুদণ্ড নিয়ে দাঁড়িয়েছিল সে নামিয়ে নিয়েছে জাদুদণ্ড। পাশেই মি. উইসলি দারুণ উৎকণ্ঠিত মুখে দাঁড়িয়ে রয়েছেন।

    কম্পিত কণ্ঠে বললেন–রন, হ্যারি, হারমিওন তোমরা ভাল আছ–তো?

    –অনাবশ্যক প্রশ্ন করছ আর্থার, শিরশিরে গলায় কেউ বলল।

    মি. ক্রাউচ কথাটা বলেছেন। তিনি আর মন্ত্রণালয়ের জাদুকররা ওদের ঘিরে রয়েছেন। হ্যারি ওদের মুখোমুখি হবার জন্য দাঁড়াল। মি. ক্রাউচ দারুণ ক্রোধে ছটফট করছেন।

    –তোমাদের মধ্যে কে কাজটা করেছে? ক্রাউচ মুখ বিকৃত করে প্রশ্ন করলেন।… ওর জ্বলন্ত ধূর্ত দুচোখ ওদের দিকে ঘুরছে। তোমাদের মধ্যে কে ডার্ক মার্ক ভেলকি দেখিয়েছ?

    –আমরা করিনি! হ্যারি মাটিতে পড়ে থাকা একটা খুলির দিকে তাকিয়ে বলল।

    –আমরা কেউ কিছু করিনি!… ও উইসলির দিকে তাকিয়ে কনুই চুলকোতে চুলকোতে বলল।

    –কেন আমাদের আক্রমণ করছো?

    –মিথ্যে কথা বলবে না, স্যার! তোমাদের ওখান থেকেই আক্রমণটা পরিচালিত হয়েছে। ক্রাউচ চিৎকার করে বললেন। ওর হাতের দণ্ড তখনও রনের দিকে তাক করা। পাগলের মতো ওর চোখ দুটো বনবন করে ঘুরছে। মুখের ভাব এমন যেন একটা মারাত্মক রকমের অপরাধ হাতেনাতে ধরেছেন।

    –বাটি ওরা সবাই ছেলেমানুষ… ওরা এমন জঘন্য অপরাধ করতে পারে না। লম্বা ঢিলেঢালা আলখেল্লা পরা এক জাদুকর বললেন।… অন্যায়ভাবে ওদের চাপ দিচ্ছেন।

    মি. উইসলি বললেন–তাহলে তোমরা বল কোথা থেকে মার্ক এসেছে? হারমিওন ঝোপের দিকে আঙ্গুল দেখিয়ে বলল–ওখান থেকে।

    আমি শুনেছি ওরা চিৎকার করে জাদুমন্ত্র বলেছিল।

    ক্রাউচ হারমিওনের দিকে তাকিয়ে বললেন–ও ওখানে দাঁড়িয়েছিল? কাউচের চোখে–মুখে অবিশ্বাসের ছাপ।… কী বললে জাদুমন্ত্র… সত্যি? তাহলে বুঝতে হবে তুমি মেয়েটি খুব ভাল করেই জান কেমন করে মার্ককে ডাকা হয়…।

    কিন্তু মিনিস্ট্রির একমাত্র মি, ক্রাউচ ছাড়া অন্য কেউ বিশ্বাস করে না হ্যারি রন–হারমিওনের মতো ছোট ছোট ছেলেমেয়ে মাথার খুলি কে আহ্বান করেছে; ওরা হারমিওনের কথামত যে জায়গাটা হারমিওন আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়েছিল সেদিকে ওদের জাদুদণ্ড তুলল।… জায়গাটা বড় বড় গাছের ফাঁকে অন্ধকার।

    পশমের ড্রেসিং গাউন পরা এক জাদুকরী বলল–আমাদের দেরি হয়ে গেছে… ওরা সবাই পালিয়েছে।

    সেডরিকের বাবা আমোস ডিগরি বললেন–আমাদের স্টানার্সরা গাছের ফাঁকে সঠিক স্থানটিই ধরতে পেরেছিলো… ওদের ধরার প্রবল সম্ভাবনা আছে।

    –আমোস সাবধানে যাবে! কয়েকজন জাদুকর কথাটা বলবার পর মি. ডিগরি ঝোপের অন্ধকারের দিকে চলে গেলেন।

    কয়েক সেকেন্ড পর মি. ডিগরির গলা শোনা গেল–হ্যাঁ ধরা পরেছে… একজন চেতনা হারিয়ে পড়ে রয়েছে।

    ক্রাউচ চিৎকার করে উঠলেন–পেয়েছেন? কাকে পেয়েছেন? এমনভাবে বললেন, যেন ডিগরির কথা বিশ্বাস করতে পারছেন না।

    ঝোপঝাড় ঠেলে সরিয়ে ডিগরি আবার ওদের সামনে দাঁড়ালেন। হাতে তার একটা অচেতন মানুষ। ছোটখাট এক মেয়ে ছোট টাইপে। হ্যারি টি টাওয়ালটা দেখে চিনতে পারলো, এটা কে!

    ডিগরি উইঙ্কীকে ক্রাউচের পায়ের কাছে ফেলে দিলেন। ক্রাউচ বললেন–না হতে পারে না। এ কাজ ও করতে পারে না। কথাটা বলার পর যেখানে উইঙ্কীকে পাওয়া গেছে সেখানে চলে গেলেন।

    ডিগরি বললেন–অস্বস্তিকর পরিস্থিতি।

    এতো বার্টি ক্রাউচের বাড়ির পেঁচা।

    তুমি কি বলো?

    উইসলি বললেন-এটা কী ক্রীতদাসের কাজ? ডার্ক মার্কস জাদুকরদের চিহ্ন।

    ওটা করতে গেলে জাদুদণ্ড লাগে।

    হা মানছি। ডিগরি বলল–ওর কাছে দণ্ড পাওয়া গেছে। কথাটা বলে ডিগরি একটা দণ্ড উইসলিকে দেখাল।… তাহলে মানতে হবে তিন ধারা, কোড অফ ওয়ার্ড ভঙ্গ করা হয়েছে। মানুষ নয় এমন কোনো প্রাণী এই দণ্ড ব্যবহার ও সঙ্গে নিয়ে ঘোরার অনুমতি পেতে পারে না।

    ঠিক সেই সময় অদৃশ্য হয়ে লাডো বেগম্যান স্বশরীরে এসে হাজির। ও খুব হাঁফাচ্ছে… কেমন যেন ভাব… তার সময় দাঁড়িয়ে থেকে লাফ দিয়ে চলে গেলেন পান্না রঙের জমা করা মানুষের মাথার খুলির দিকে।

    ডার্ক মার্ক! ও হাঁফাচ্ছে… বাটি ধরতে পেরেছে, কে ব্যবহার করেছে?… এসব কি হচ্ছে?

    ওদিকে মি, ক্রাউচ শূন্য হস্তে ফিরে এলেন। তখনও তার মুখ ভূতের মতো সাদা! ওর বুরুষের মতো গোঁফ কাঁপছে।

    বেগম্যান বললেন–তুমি কোথায় গিয়েছিলে বার্টি? তুমি তো খেলা দেখতে মাঠে ছিলে না। তোমার ক্রীতদাসী তো তোমার জন্য জায়গা রেখেছিল। বেগম্যান লক্ষ্য করে যে ক্ষুদে ক্রীতদাসী ক্রাউচের পায়ের তলায় পড়ে রয়েছে।–ওর কী হয়েছে?

    ক্রাউচ বলল–আমি এখন খুব ব্যস্ত লাডো। তখনও তার গলা স্পষ্ট নয়। আমার ভূতকে সম্ভবত সম্মোহিত করা হয়েছে।

    –সম্মোহিত? কেন?

    কি বলবেন ভেবে পেলেন না লাডো। অদূরে পড়ে থাকা মাথার খুলিগুলোর দিকে তাকিয়ে রইলেন। তারপর মুখ ফিরিয়ে ভূত উইকী আর কাউচের দিকে তাকালেন।

    –না উইঙ্কী এমন কাজ করতে পারে না, ডিগরি বললেন। আমি জানি ও কারও আদেশে সিটটা দখল করে বসেছিল। মনে হয় আপনার সঙ্গে ওর সম্পর্ক ভালই। তো এই ব্যাপারে ভূতের কি বলার আছে আমাদের জানার প্রয়োজন আছে মি. ক্রাউচ।

    ক্রাউচ যেন ডিগরির কথা শুনতে পাননি এমনই এক মুখের ভাব করে রইলেন। কিন্তু চুপ করে থাকা মানে একরকম সম্মতি সেটা বুঝতে পেরে দণ্ডটা উইঙ্কীর দিকে প্রসারিত করে বললেন, এনারভেট।

    উইঙ্কী সামান্য নড়েচড়ে বসল–তবে খুবই দূর্বল সন্দেহ নেই। ওর বড় বড় বাদামী চোখ দুটো মাঝে মাঝে খোলে আবার বন্ধ হয়ে যায়।… উইঙ্কী ধীরে ধীরে উঠে বসল। প্রথমে ওর ডিগরির পায়ের ওপর চোখ পড়ল–তারপর আকাশের দিকে মুখ তুলো। ডিগরি বুঝতে পারলেন ওর চোখে ভাসছে শত শত মানুষের মাথার খুলি।… খানিকটা সময় আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকার পর ওকে ঘিরে ধরা মন্ত্রণালয়ের জাদুকরদের দিকে চোখ পড়তে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদতে লাগল।

    ডিগরি বললেন–উইঙ্কী তুমি বোধহয় জানো না আমি কন্ট্রোল অফ ম্যাজিক্যাল ক্রিয়েচারের একজন সদস্য! রেগুলেসন ও কন্ট্রোলের। যা যা ঘটেছে তোমায় বলতে হবে আমাকে।

    উইঙ্কীর তখনও সম্মোহনের ঘোর কাটেনি। সমানে দুলতে থাকে, কখনও এগোয়, কখনও পেছোয়। ওর মনে হয় বুকের মধ্যে জমে থাকা দুঃখের ভাণ্ডার বুক ফেটে চৌচির হয়ে বেরিয়ে আসবে।

    মি. ডিগরি শান্তভাবে বললেন–শোন উইঙ্কী, কিছুক্ষণ আগে এখানে মারাত্মক ডার্ক মার্ক প্রয়োগ করা হয়েছিল। তারপর ঠিক যেখান থেকে সেটা প্রয়োগ করা হয়েছিল সেখানে তোমাকে পাওয়া গেছে। এ সম্বন্ধে তোমার বিস্তারিত কিছু বলার আছে! অনুগ্রহ করে আমাকে নির্ভয়ে বলতে পার।

    –আ… আ… আমি কিছু করিনি স্যার! উইঙ্কী থতমত খেয়ে বলল–কেমন করে হল আমি জানি না স্যার। মি. ডিগরি দণ্ডটা ওর সামনে ঘোরাতে ঘোরাতে তোমার হাতে এটা পাওয়া গেছে।… দণ্ড থেকে সবুজ আলো বিচ্ছুরিত হয়ে মাথার খুলিগুলো থেকে আলো ফুটে উঠল। হ্যারি ওর জাদুদণ্ড চিনতে পারলো।

    –আ–জাদুদণ্ডটা তো আমার; ও বললো।

    অরণ্যের প্রবেশ পথে যারা যারা দাঁড়িয়েছিল ওর দিকে তাকাল।

    –কিছু মনে করো না, ডিগরি দ্বিধাগ্রস্তভাবে বললেন।

    –বলেছি তো ওটা আমার, হ্যারি বলল–ওটা আমার হাত থেকে পড়ে গিয়েছিল।

    –তুমি জেনে–শুনে ফেলে দিয়েছিলে-এটা কী তোমার স্বীকারোক্তি হিসেবে ধরে নেওয়া যাবে? মার্ক ব্যবহারের পর তুমি দণ্ডটা ছুঁড়ে ফেলে দিয়েছিলে।

    –আমোস এসব তুমি কী বলছ! মি. উইসলি বেশ রাগত স্বরে বললেন। হ্যারিপটার কেন এবং কি কারণে ডার্ক মার্ক প্রয়োগ করবে?

    মি. ডিগরি অস্ফুট স্বরে বললেন–অবশ্যই না। দুঃখিত। পরে কী হয়েছিল বলে যাও হ্যারি…।

    হ্যারি বলল–কোনও কারণেই আমি দণ্ডটা ওখানে ফেলে দিইনি। ও অরণ্যের প্রবেশপথটা আঙ্গুল দিয়ে দেখাল–অরণ্য দিয়ে আসার সময় ওটা হারিয়ে ফেলেছিলাম।

    ডিগরি বললেন–তাহলে? উইঙ্কীর দিকে তাকিয়ে চোখ রক্তবর্ণ হয়ে গেল। পায়ের কাছে গুটিসুঁটি হয়ে ও শুয়েছিল।–তুমিও এটা পেয়েছিলে–তাই না? ভেবেছিলে ওটা নিয়ে কিছু মজা করবে… সত্যি কথাটি বলবে?

    ওর দুচোখ দিয়ে জল গড়িয়ে কদাকার নাকে পড়ল।… বিশ্বাস করন স্যার, মাটিতে পড়ে থাকতে দেখে ওটা তুলেছিলাম। আমি করিনি স্যার… কেমন করে করতে হয় জানি না! ডার্কমার্ক।

    হারমিওন বলল–ওটা ওর নয়! মন্ত্রণালয়ের বড় বড় জাঁদরেল জাদুকরদের দেখে, ওদের সামনে কথা বলতে ও ভয় না পেলেও একটু ঘাবড়ে যাচ্ছিল সন্দেহ নেই। তাহলেও সত্য কথা বলতে ভয় পায় না হারমিওন। বলল–আমরাও ঝোপের মধ্য থেকে অদ্ভুত কথা শুনেছি। বিকট আওয়াজও শুনেছি। কথাটা বলে রন, হ্যারির দিকে তাকাল ওদের সমর্থনের আশায়।… গলার স্বর অবশ্যই উইঙ্কীর ছিলো না তাই না, হ্যারি বলল, একদম ওর গলা নয়।

    রন বলল–মানুষের গলা।

    মি. ডিগরি বলল–আচ্ছা আচ্ছা সে পরে বিচার করা যাবে। শেষ জাদুমন্ত্র ও দণ্ড কি করেছিল সেটা ধরা শক্ত হবে না উইঙ্কী। উইঙ্কী কথাটা শুনে ভয়ে কেঁপে উঠল।

    মি. ডিগরি তার জাদুদণ্ডের ডগাটা কুড়িয়ে পাওয়া দণ্ডের মুখে লাগালেন।

    –প্রিয়র ইনক্যানট্যাটো–ডিগরি সশব্দে গর্জন করে উঠলেন।

    হ্যারির কানে এল হারমিওনের ভয়ার্ত শ্বাস ফেলার শব্দ!… ভয়ে বিহ্বল হয়ে দেখল একটা অতি বিরাট মাপের লকলকে জিব যেখানে দুটো দণ্ড মিশেছে সেখান থেকে বেরিয়ে এল। সেই ভয়ার্ত জিবের ওপরে একটা মানুষের মাথার খুলির ছায়া, যেন সেটা ধূসর ধোয়া দিয়ে তৈরি একটি ভূতের জাদুমন্ত্রে নির্মিত।

    ডিলেকট্রিয়াস! মি. ডিগরি আবার গর্জন করলেন। সঙ্গে সঙ্গে সেই ধোঁয়ায় নির্মিত খুলি ধীরে ধীরে হাওয়াতে বিলীন হয়ে গেল।

    তাহলে…? মি. ডিগরির মুখে জয় উল্লাস উইঙ্কী তখনও ঠক ঠক করে কাঁপছে। –আমি করিনি স্যার।

    –তুমি হাতেনাতে ধরা পড়েছ উইঙ্কী! তোমার হাত ওই দোষী দণ্ড ধরা রয়েছে। ডিগরির গর্জন থামতে চায় না।

    –আমি কিছু জানি না… স্যার… আমি সামান্য এক এলফ আমি জাদুদণ্ড ব্যবহার জানি না…। উইঙ্কী কাঁদতে লাগল।

    –আমোস! মি, উইসলি বললেন, ভেবে দেখুন… একমাত্র ধুরন্ধর জাদুকর ছাড়া ওই মন্ত্র অন্য কেউ অপারেট করতে জানে না… আপনি বলুন উইঙ্কী কোথা থেকে শিখবে?

    ক্রাউচ রাগে কাঁপতে কাঁপতে বললেন–আমার মনে হয় আমোস বলতে চাইছেন আমি নিয়মিত ওকে ডার্ক মার্ক প্রয়োগ করার পদ্ধতি শিখিয়ে গেছি।

    সকলেই নীরব… অস্বস্তিকর পরিবেশ।

    আমোস ডিগরি বললেন–না না আমি এমন কথা বলছি না। মি. ক্রাউচ চিবিয়ে চিবিয়ে বললেন-এখন আপনি মনে হয় দুজনকে… মানে যারা এই অরণ্যে ঢোকার মুখে রয়েছে তাদের ডার্ক মার্ক প্রয়োগের সন্দেহের তালিকায় রাখছেন… আমি ও হ্যারি! আমোস আশাকরি আপনি হ্যারি পটারের ইতিবৃত্ত জানেন।

    মি. ডিগরি বললেন–অবশ্যই, সকলেই জানে।… ডিগরির চোখে মুখে অস্বস্তির ছাপ।

    মি. ক্রাউচ বললেন–আপনারা সবাই জানেন আমি আগাগোড়া ডার্ক মার্কের বিরোধী। তার প্রমাণও বহুবার পেয়ে থাকবেন। আমি ডার্কমার্ক ব্যবহার শুধু ঘৃণা করি তা নয়, যারা করে তাদেরও সর্বান্তকরণে ঘৃণা করি।… কথাগুলো বলতে বলতে ক্রাউচের গলাবন্ধ হয়ে গেল, চোখ দুটো যেন ঠেলে বেরিয়ে আসতে চাইল।

    আমোস ডিগরি আমতা আমতা করে বললেন-এমন কথা আমি বলিনি মি. ক্রাউচ।… ডিগরি ঠোঁট দুটো উত্তেজনায় কাঁপতে কাঁপতে থাকে।

    –ডিগরি, আমার এলফকে সন্দেহ করা মানে আমাকে সন্দেহ করা। আমার কাছে ছাড়া অন্য কোথায় সে এর ব্যবহার শিখবে? রাগে ফেটে পড়লেন মি. ক্রাউচ।

    –অন্য কোথায় থেকে শেখা অসম্ভব কিছু নয়।

    উইসলি খুব শান্তভাবে উইঙ্কীকে বললেন–সত্যি করে বল কোথা থেকে তুমি হ্যারির জাদুদণ্ড পেয়েছ?

    –বিশ্বাস করন স্যার… আমি ওটা গাছতলা থেকে কুড়িয়ে পেয়েছি।

    –তাহলে বুঝতে পারছেন আমোস? মি. উইসলি বললেন।–যে লোকটি মার্ক ব্যবহার করেছিল সম্ভবত সে তার দলবল ডিসঅপারেটেড করে অকুস্থল থেকে পালিয়ে গেছে। যাবার সময় বিভ্রান্ত করার জন্য হ্যারির জাদুদগুটি ফেলে গেছে। খুব চালাকের কাজ সন্দেহ নেই… নিজেদের জাদুদণ্ড ব্যবহার না করে অন্যেরটা ব্যবহার করা। বেচারা উইঙ্কী!

    ডিগরি অধৈর্য হয়ে বললেন–তাহলে তো ও আসল দোষীদের খুব কাছেই ছিল। উইঙ্কী তুমি কী কাউকে দেখতে পেয়েছিলে? উইঙ্কী কি জবাব দেবে? ও ভয়ার্ত দৃষ্টিতে ক্রাউচ, ডিগরি, বেগম্যান আর উইসলির মুখের দিকে তাকিয়ে রইল।

    তারপর ও ফোঁপাতে ফোঁপাতে বলল–আ… আ… আমি কাউকে দেখতে পাইনি স্যার।

    মি, ক্রাউচ বললেন–সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী আপনার উইঙ্কীকে আপনার দপ্তরে নিয়ে গিয়ে জেরা করা… আমি আপনাকে বলছি, ওকে আমার হাতে ছেড়ে দিন… দেখি সত্য ঘটনা বার করতে পারি কি না।

    মি. ডিগরি হতভম্বের মতো তাকিয়ে রইলেন… মি. ক্রাউচের প্রস্তাবটি সে কল্পনাও করতে পারে না। তাহলেও হ্যারির মনে হল ক্রাউচ মন্ত্রণালয়ের একজন বড় মন্ত্রী আমোস তার প্রস্তাব উড়িয়ে দিতে সাহস করবেন না।

    ক্রাউচ নিরাসক্ত কণ্ঠে বললেন–আপনি নিশ্চিন্ত থাকুন আপনাকে আশ্বস্ত করতে পারি ও অপরাধের জন্য যথাযোগ্য শাস্তি পাবে।

    উইঙ্কী তোতলাতে তোতলাতে ক্রাউচের দিকে তাকিয়ে বলল… স্যার… দয়া করে…।

    কাউচের মুখের রেখা আরও দৃঢ় হয়ে উঠল। তার মধ্যে কোনও করুণার আভাস নেই।–খুব ধীরে ধীরে বললেন–আজ রাতে উইঙ্কী যা করেছে, তা আমি এখনও বিশ্বাস করতে পারছি না। আমি ওকে পই পই করে বলেছিলাম টেন্টের ভেতরে থাকতে। আশ্চর্য আমার আদেশ অমান্য করল। এর মানে কাপড়–জামা। উইঙ্কী বলল–বিশ্বাস করন মালিক আমি লোভী নই… কোনও কাপড়–জামা চাই নি।

    ক্রাউচ ওর গা থেকে ভোয়ালেটা টেনে নিলেন। উইঙ্কী ক্রাউচের পায়ে ঝাঁপিয়ে পড়ল।

    ক্রাউচ ঘেন্নায় মুখ কুঁচকে পা দুটো এমনভাবে টেনে নিলেন যেন তার পায়ের কাছে একটা অতি কুৎসিত নোংরা প্রাণী কিলবিল করে স্পর্শ করছে। এত নোংরা যে তার পালিশ করা চকচকে জুতো ময়লা করে দিচ্ছে!

    –যে অমান্য করে, বিশেষত সে যদি বাড়ির কাজের লোক হয় তাকে আমি বাড়িতে স্থান দিতে পারি না। বাড়ির মালিকের সুনাম নষ্ট করছে।

    উইঙ্কীর আকুল কান্না শেষ হয় না। আকাশ, বাতাস, অরণ্য… সব কিছুতেই ওর কান্না প্রতিধ্বনিত হতে থাকে।

    ওই রকম অপ্রীতিকর পরিস্থিতি থেকে নিজেকে মুক্ত করার জন্য মি. উইসলি বললেন–আমরা আমাদের টেন্টে ফিরে যেতে চাই।… আমোস তোমাদের কোনও আপত্তি না থাকলে হ্যারি ওর জাদুদণ্ডটা নিয়ে যেতে পারে?

    মি. ডিগরি কোনও উচ্চবাচ্য না করে হ্যারির হাতে ওর দণ্ডটা দিয়ে দিলেন।

    মি, উইসলি ওদের তিনজনকে বললেন–চল যাই। কিন্তু হারমিওন যাবার কোনও ভাব দেখালো না। ওর চোখ তখনও সেই কান্নায় ভেঙে পড়া বেচারি মেয়েটির ওপর। মি, উইসলি বললেন–হারমিওন!…

    মি. উইসলি উইঙ্কীর ভবিষ্যৎ সম্বন্ধে ছেলে–মেয়েদের কিছুই আশ্বাস দিতে পারলেন না।

    হারমিওন দুঃখের সঙ্গে বলল, ওরা ওইটুকু মেয়েটাকে সামান্য স্নেহ–ভালবাসা দূরে থাক… সব সময় ক্রীতদাসী, কাজের লোক… এই সমস্ত বলে ডাকে। এমনভাবে ট্রিট করে যে ও যেন কোনো প্রাণী নয়।

    রন বলল–তাই হবে।

    হারমিওন রেগে গেল রনের ওপর তার মানে এই নয়, মানুষের মতো ওদের দুঃখ–কষ্ট–ব্যথা–বেদনা থাকবে না।

    উইসলি বললেন–হারমিওন তোমার কথা মানছি। এখন এসব কথা আলোচনা করার সময় নয়। আমাদের যত তাড়াতাড়ি সম্ভব টেন্টে ফিরে যেতে হবে।… ফ্রেড, জর্জ, পার্সি… ওদের তো খবর নিতে হবে। কে জানে এখন ওরা কোথায়?

    রন বলল–অন্ধকার হয়ে যাবার পর আর আমরা ওদের দেখিনি… ড্যাড সকলেই ওই খুলির ব্যাপারে চিন্তিত কেন?

    –টেন্টে গিয়ে সব তোমাদের বলব।

    অরণ্যের সীমায় আসার পর ওদের বাধা পড়ল।

    ওরা দেখল অনেক জাদুকর–জাদুকরী ভয়ার্ত মুখে জবুথবু হয়ে অরণ্যে যাবার মুখে বসে রয়েছে। উইসলিকে দেখে ছুটে এসে বলল–স্যার আমরা কিছু বুঝতে পারছি না।… কে ওইসব কাণ্ড ঘটাল?… মি. আর্থার আমাদের বলুন।… সেই শয়তানটা তো নয়?

    মনে তো হয় না, উইসলি বললেন, আমরা ঠিক ধরতে পারছি না। সম্ভবত কাণ্ডটা ঘটিয়ে ডিসঅপারেটেড হয়েছে। এখন তোমাদের আমি কিছু জানাতে পারছি না। আমি বিছানায় শুয়ে একটু বিশ্রাম করতে চাই।

    টেন্টে গিয়ে দেখল ওরা সবাই ফিরে এসেছে। জিনি ছাড়া সকলের দেহে অল্প–বিস্তর আঘাতের চিহ্ন। জামা ছেঁড়া, জীনস ফাটা, নাকে রক্ত…।

    উইসলি বললেন–হ্যারির জাদুদণ্ড নিয়ে গোলমালের সূচনা। কেউ এপারেটেড করে এখানে এসে মার্ক কনজিওর সেরে কেটে পড়েছে। ক্রাউচ সন্দেহ করছে ওর সেই ক্রীতদাসী কাজের মেয়েটার সঙ্গে যে ডার্ক কনজিওর করেছে তার যোগসাজশ আছে।

    পার্সি অ–পরোক্ষভাবে কাউকে সাপোর্ট করল। বলল, যা কিছুই ঘটুক না কেন ডিপার্টমেন্ট ফর দ্যা রেগুলেশন অ্যান্ড কন্ট্রোল হিসেবে মি. ক্রাউচের একটা দায়িত্ব আছে। বিশেষ করে মেয়েটি ওর কাছে কাজ করে। হারমিওন বলল–ওর বাড়ির ছোট কাজের দুস্থ মেয়েটা কোনও অন্যায় করেনি। পরিস্থিতি ওকে দোষী করে ফেলেছে। ও জাদুদটা দেখতে পেয়ে সেটা তুলে রেখেছিল সেটা যদি অন্যায় হয়–তাহলে অন্যায়।

    রন বলল–ওই মাথার খুলি কি ইন্ডিকেট করছে? কেউ বিস্তারিতভাবে আমাকে বুঝিয়ে দেবেন?

    হারমিওন গম্ভীরভাবে সচেতনতার সঙ্গে বলল–বন ওটা ইউ–নো–হুঁর প্রতীক চিহ্ন! আমি রাইজ অ্যান্ড ফল অফ ডার্ক আর্টে পড়েছি। উইসলি বললেন–তেরটা বছর পার হয়ে গেছে। অবশ্যই লোকেরা ভয়ে পেয়েছে–পাবারই কথা। অনেকটা ইউ নো হু ফিরে এসেছে চাক্ষুস দেখার মতো।

    রন বলল–আমি তোমাদের কথার ঠিক মানে বুঝতে পারলাম না।

    –আকাশে একটা কিছু দেখে…।

    –রন, ইউ নো হু আর তার সাঙ্গ–পাঙ্গরা যখনই ওরা চায় ডার্ক মার্ক আকাশে পাঠিয়ে খুন করতে পারে, মি. উইসলি বললেন–ওদের সন্ত্রাস সম্বন্ধে তোমাদের কোনও জ্ঞান নেই।… ওরা সাংঘাতিক ও ভয়াবহ … ধর তুমি বাড়ি ফিরছ, সেই সময় দেখলে ইউ নো হুর ডার্ক মার্ক তোমার বাড়ির ওপর ঘুরে বেড়াচ্ছে… তোমার বাড়িতে তুমি কি কি করছ জানে–ঠিক সেই সময়ে ওদের বিপদ থেকে রক্ষা পাওয়ার উপায় কি থাকতে পারে!

    সকলেই নীরব।

    বিল ওর হাতে কাটার স্থানের ওপরের ব্যান্ডেজটা খুলে দেখল কতটা কেটেছে। যদিও এটা খুব সাহায্য করেনি, যারাই এই জাদু করে থাকুক, তাদের ডেথইটাররা দেখে ভয়ে পালিয়ে গিয়েছে। আমরা সেখানে পৌঁছবার আগেই তারা পালিয়ে যায়। তাদের আমরা দেখতেও পারিনি। শুধুমাত্র রবার্টদের ভূমিতে আক্রমণের আগেই ধরতে পেরেছি। তারা এখন তাদের স্মরণশক্তিকে নতুন করে ধারণ করছে।

    –রক্ত চোষা ডেথইটারস? হ্যারি বলল–রক্তচোষা কারা?

    ওরা তাদের ইউ–নো–হুঁর সমর্থক বলে দাবি করে। বিল বলল–আজ আমি ওদের একজনকে দেখেছি–যে লোকটা নানা কায়দা করে আজকাবান থেকে পালিয়েছিল।

    উইসলি বললেন–প্রমাণ করা শক্ত বিল, যদিও তুমি যা সন্দেহ করছ সেটা সত্যি হতে পারে। উইসলির কণ্ঠে হতাশা।

    কিন্তু ভোত্তেমর্টের সমর্থক কারা–হ্যারি বলল!… সকলেই যাদের ভয়ে কাঁপে। উইসলি কখনও ভোল্ডেমর্টের নাম শুনতে চায় না।

    –দুঃখিত, হ্যারি বলল। আমি বলতে চাচ্ছি–ইউ–নো–হুঁর সমর্থকরা কেন মাগলদের নিশ্চিহ্ন করতে চায়? এটা করে তাদের কি লাভ?

    মি. উইসলি মুচকি হেসে বললেন–উদ্দেশ্য? এটা ওদের একটা তামাশা ছাড়া কিছু নয়। ইউ–নো–হুঁ যখন ক্ষমতায় ছিল তখন দেশের অর্ধেক মাগলদের মেরে ফেলা হয় তামাশা করে।… আমার কি মনে হয় জানো? তারা আজকে মদদ খেয়েছে, তারপর এই তাণ্ডব করে জানিয়ে দিয়ে গেল যে, তারা এখনও টিকে আছে। হয়তো এটা তাদের এক মহা সম্মেলন ছিল, সকলে একত্রিত হয়েছিল।

    যদি ওরা সত্যি ডেথইটারস হয় তাহলে ডার্ক মার্কদের দেখে পালিয়ে গেলো কেন? তাহলেতো ওদের দেখে খুশিই হওয়ার কথা। রন বলল

    বিল বলল–মাথা খাটাও রন, মাথা খাটাও… তারা যদি সত্যি সতি ডেথইটাররা যদি ওর সমর্থক হতো তাহলে কি ইউ–নো–হুঁ যখন ক্ষমতা হারিয়েছিল তখন তারা আজকাবান থেকে পালিয়ে তার বিরুদ্ধে এতো মিথ্যা কথা ছড়ালো কেন, যে সে তাদের মানুষজন হত্যা ও নির্যাতন করতে বাধ্য করছে। আসলে ইউ নো–হুঁ যাতে আবার ক্ষমতায় ফিরে না আসতে পারে তাই এই বদনাম ছড়িয়েছিল। ইউ–নো–হুঁ যখন ক্ষমতা হারায় তখন ওরা সকলকে বলে বেরিয়েছিল যে, ওরা ইউ নো হুকে সমর্থন করে না।… তখন তারা স্বাভাবিক জীবন–যাত্রা শুরু করেছিল। ইউ–নো–হুঁ আসার খবর পেলে ওরাই সবচেয়ে বেশি ভয় পাবে। আমার এখনও ধারণা ডেথইটাররা ওকে পছন্দ করে না।

    হারমিওন বলল, যদি তাই হয় ডার্কমার্কদের যেই এই জাদু করে থাকুক না কেন, সেটা কি ডেথইটারদের সমর্থনে? নাকি তাদের ভয় পাইয়ে দেয়ার জন্য।

    উইসলি বললেন–তোমার অনুমান আমারই মতো হারমিওন; কিন্তু তাহলেও তোমায় বলতে চাই-একমাত্র ডেথইটাররা জানে কেমন ঐন্দ্রজালিক প্রভাব বিস্তার করা যায়। আমি সত্যিই অবাক হবো যে কাজটি করেছে সে যদি ডেথইটার হয়। শোন–অনেক সময় নষ্ট হয়েছে। এখন তোমার মায়ের কাছে যদি আজকের ঘটনাটা কানে যায় তাহলে তিনি দারুণ চিন্তায় পড়বেন। দুচার ঘণ্টা ঘুমিয়ে নিয়ে যত তাড়াতাড়ি পারি একটা পোর্ট–কী নিয়ে এখান থেকে চলে যাব।

    হ্যারি তার বিছানায় ঘুমাতে গেল। মাথা তার ঝিম ঝিম করছে। শরীরের শক্তি যেন নিঃশেষিত। রাত তিনটায় তার ঘুম ভাঙ্গে–ঘুম একেবারে উধাও, দুঃশ্চিন্তা ওকে গ্রাস করে। মাত্র তিনদিন আগে, মনে হয় অনেকদিন কপালের ব্যথায় হ্যারির ঘুম ভেঙ্গে গিয়েছিল। আর আজকে ঘুম ভাঙার পর আবার ওর কাটা দাগে যন্ত্রণা শুরু হলো। আজ রাতে আবার তের বছর পর এই প্রথম লর্ড ভোন্ডেমক্টের মার্ক আকাশে দেখা দিল। কে জানে এগুলোর অর্থ কী?

    ও সিরিয়সকে লেখা চিঠির কথা ভাবল–প্রিভেট ড্রাইভ ছাড়ার আগে যে চিঠিটা ও পাঠিয়েছিল। সিরিয়স কি সেই চিঠিটা পেয়েছেন? যদি পেয়ে থাকেন তো কবে তার জবাব দেবেন? হ্যারি শুয়ে শুয়ে তাঁবুর ত্রিপলের দিকে তাকিয়ে রইল। কিন্তু পরীরা এসে কেউ যে ওর ঘুম পাড়িয়ে দেয় না। বহুদিন বাদে চার্লির নাকডাকা শুনতে শুনতে আবারও ঘুমিয়ে পড়ল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য অর্ডার অব দ্য ফনিক্স (৫) – জে. কে. রাওলিং
    Next Article হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য প্রিজনার অব আজকাবান (৩) – জে. কে. রাওলিং

    Related Articles

    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার এন্ড দি ফিলসফারস স্টোন (১) – জে. কে. রাওলিং

    August 18, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য চেম্বার অব সিক্রেটস (২) – জে. কে. রাওলিং

    August 18, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য প্রিজনার অব আজকাবান (৩) – জে. কে. রাওলিং

    August 18, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য অর্ডার অব দ্য ফনিক্স (৫) – জে. কে. রাওলিং

    August 16, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য হাফ-ব্লাড প্রিন্স (৬) – জে. কে. রাওলিং

    August 16, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ডেথলি হ্যালোস (৭) – জে. কে. রাওলিং

    August 16, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }