Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য চেম্বার অব সিক্রেটস (২) – জে. কে. রাওলিং

    জে. কে. রাওলিং এক পাতা গল্প406 Mins Read0
    ⤷

    ০১. নিকৃষ্টতম জন্মদিন

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য চেম্বার অব সিক্রেটস

    ০১. নিকৃষ্টতম জন্মদিন

    চার নম্বর প্রিভেট ড্রাইভের নাস্তার টেবিলে তর্কটা এই প্রথমবারের মতো বাধলো না। খুব ভোরেই ঘুম ভেঙ্গে গিয়েছিল মিস্টার ডার্সলির, মানে ঘুমটা ভেঙ্গে দিয়েছিল তার ভাগ্নের ঘরের ওই অশুভ পেঁচাটার ডাক।

    এটা নিয়ে এই সপ্তাহের মধ্যেই এই ঘটনা তিনবার হলো! খাওয়ার টেবিলের ওপার থেকে তিনি হুংকার দিয়ে উঠলেন হ্যারিকে। তুমি যদি ওই পেঁচাটাকে থামাতে না পারো তবে ওটাকে যেতেই হবে!

    আরো একবার হ্যারি ব্যাপারটা ব্যাখ্যা করবার চেষ্টা করল।

    ঘরে থেকে থেকে ওটা বিরক্ত হয়ে গেছে, বলল হ্যারি। বাইরে সে উড়ে বেড়াতো চারদিকে। শুধু যদি আমি ওকে রাতে বের হতে দিতে পারতাম…

    আমাকে কি বোকা মনে হচ্ছে? দাঁত খিচালেন আঙ্কল ভার্নন, ওর গোঁফের ঝোপের মধ্যে ভাজা ডিমের খানিকটা তখনও ঝুলছে। ওই পেঁচাটাকে বাইরে যেতে দিলে যে কি হবে সেটা আমার খুব ভাল করেই জানা আছে।

    কথাটা বলে তিনি স্ত্রী পেতুনিয়ার দিকে তাকালেন।

    যুক্তি দিয়ে হ্যারি ব্যাপারটা পরিষ্কার করতে চেয়েছিল, কিন্তু ডার্সলির পুত্র ডাডলির ইয়া বড় এক ঢেকুরের বিকট শব্দে ওর কথাগুলো চাপা পড়ে গেলো।

    আমাকে আরো বেকন দাও।

    ফ্রাইং প্যানে আরো আছে মিষ্টি সোনা, বললেন আন্ট পেতুনিয়া, পুত্রের দিকে আদরে মন আচ্ছন্ন করা ঝাপসা দৃষ্টিতে তাকিয়ে। সুযোগ যখন পাওয়া গেছে তোমাকে ভালো করে খাওয়ানো দরকার–. ওই স্কুলে খাওয়ানোর ব্যাপারটা আমার একেবারেই অপছন্দ…..

    ননসেন্স, পেতুনিয়া কি বাজে কথা বলছ, স্মেলটিংস এ আমি কখনও খালি পেটে থাকিনি, বললেন আস্কল ভার্নন। ডাডলি ও যথেষ্ট পাচ্ছে তাই না বেটা?

    ডাডলি, এত বিশাল যে তার পাছার দুই দিক কিচেন চেয়ারের দুই পাশে ঝুলে পড়েছে, দাঁত কেলিয়ে হ্যারির দিকে তাকাল।

    ফ্রাইং প্যানটা এদিকে দাও।

    তুমি কি সেই ম্যাজিক শব্দটা ভুলে গেছ,বলল হ্যারি বিরক্ত হয়ে।

    পরিবারের অন্যদের ওপরও এই ছোট্ট কথাটার অবিশ্বাস্য রকমের প্রতিক্রিয়া হলো: দম বন্ধ হয়ে এলো ডাডলির, এমন প্রচণ্ড শব্দে চেয়ার থেকে নিচে পড়ল যে পুরো কিচেনটাই কেঁপে উঠল। মিসেস ডার্সলির মুখ থেকে ছোট্ট একটা আর্তনাদ বেরিয়ে এলো, পরক্ষনেই হাত দিয়ে মুখচাপা দিলেন তিনি। মিস্টার ডার্সলি লাফিয়ে উঠলেন, কপালের রগগুলো লাফাচ্ছে তার।

    প্রতিক্রিয়া দেখে বেচারা হ্যারি গেছে ঘাবড়ে, তাড়াতাড়ি বলতে শুরু করল, আমি, মানে ম্যাজিক শব্দ বলতে প্লিজ শব্দটা বোঝাতে চেয়েছিলাম, আমি কোনো মানে আমি ……..

    আমি তোমাকে কি বলেছি, গর্জন করে উঠলেন, তার আঙ্কল ভার্নন সারা টেবিলে থুথু ছিটিয়ে, আমার বাড়িতে এমন শব্দ বলার ব্যাপারে?

    কিন্তু আমি মানে

    কোন সাহসে তুমি ডাডলিকে ভয় দেখাও? আবার গর্জে উঠে আঙ্কল হাত দিয়ে টেবিলে এক ঘা বসিয়ে দিলেন।

    আমি শুধু …।

    আমি তোমাকে আগেই সাবধান করে দিয়েছি। এই ছাদের নিচে তোমার অস্বাভাবিক চরিত্রের কোনকিছু আমি সহ্য করব না!

    হ্যারি তার তেলে-বেগুনে জ্বলে ওঠা আঙ্কলের মুখ থেকে দৃষ্টি সরিয়ে ফ্যাকাসে আন্টির দিকে তাকাল, তিনি ডাডলিকে টেনে ওর পায়ে দাঁড় করানোর চেষ্টা করছিলেন।

    বেশ, বলল হ্যারি, বেশ …

    গণ্ডারের মতো ফুঁসতে ফুঁসতে আঙ্কল ভার্নন গিয়ে চেয়ারে বসে তার ছোট্ট কুতকুতে তীক্ষ্ণ চোখের কোণা দিয়ে হ্যারিকে পর্যবেক্ষণ করতে লাগলেন।

    যখন থেকেই গরমের ছুটিতে হ্যারি বাড়ি এসেছে, আঙ্কল ভার্নন হ্যারির সঙ্গে যে কোনো মুহূর্তে বিস্ফোরিত হতে পারে বোমার মতো আচরণ করছেন। সব সময় হ্যারির প্রতি কারণে-অকারণে রেগে ফুঁসে থাকবেন। তিনি মনে করেন হ্যাঁরি কোনো স্বাভাবিক ছেলে নয়। বস্তুত যতটা সম্ভব স্বাভাবিক না হওয়া যায় হ্যারি ঠিক তাই।

    হ্যারি পটার একজন যাদুকর হোগার্টস স্কুল অব উইচক্র্যাফট অ্যান্ড উইজার্ড্রির প্রথম বর্ষ থেকে সদ্য এসেছে। ছুটিতে ওর আসাতে ডার্সলিরা যদি খুশি না হয়, তবে হ্যারির ওতে কিছু যায় আসে না।

    সে দারুণভাবে হোগার্টর্সকে মিস করছে, যেন সারাক্ষণ পেট চিন চিন করছে। সে মিস করছে দূর্গ আর এর গোপন পথ, ভূতগুলো, পড়াশোনা যদিও সম্ভবত পোশন (জাদু পানীয়) শিক্ষক স্নেইপকে নয়, চিঠি নিয়ে আসা পেঁচাটা, গ্রেট হলে ডিনার খাওয়া, টাওয়ার-ছাত্রাবাসে চার-কোণা বিছানায় ঘুমানো, গেমকিপার হ্যাগ্রিড-এর সঙ্গে নিষিদ্ধ বনের পাশে তার কেবিনে দেখা করা এবং সর্বোপরি কিডিচ, উইজার্ডিং দুনিয়ার সবচেয়ে জনপ্রিয় খেলা (ছয়টি দীর্ঘ গোলপোস্ট, চারটি উড়ন্ত বল ঝাড়ু–লাঠিসহ চৌদ্দজন প্লেয়ার)।

    হ্যারি বাড়ি পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গে আঙ্কল ভার্নন তার জাদুর বই, জাদুর কাঠি, পোষাক, কলড্রন এবং সর্বোচ্চ ক্ষমতাশালী নিম্বাস ২ হাজার ঝাড়ু-লাঠি সব সিঁড়ির নিচের কাবার্ডে তালা মেরে রেখেছেন। সারা গ্রীষ্ম প্র্যাকটিস না করার কারণে হ্যারি যদি হাউজ কিডিচ টিমে তার স্থানটি হারায় তবে ডার্সলিদের কি আসে যায়? কোনো হোমওয়ার্ক না করেই হ্যারি যদি স্কুলে ফিরে যায় তাতে ডার্সালদের কি? ডার্সলিরা হচ্ছে, উইজার্ডরা যাদের মাগল বলে ঠিক তাই (তাদের ধমনীতে এক ফোঁটাও জাদুর রক্ত নেই) এবং মাগলদের বিবেচনায় পরিবারে একজন যাদুকর থাকা চরম লজ্জার ব্যাপার। আঙ্কল ভার্নন হ্যারির পেঁচাটাকেও তালা মেরে রেখেছেন, যেন জাদুর দুনিয়ায় ওটা কোনো খবরা-খবর না নিয়ে যেতে পারে।

    হ্যারি মোটেই পরিবারের অন্যদের মতো দেখতে নয়। আঙ্কল ভার্নন বিশালদেহী এবং যেন ঘাড় নেই তার কিন্তু বিশাল কালো গোঁফ রয়েছে নাকের নিচে। আন্ট পেতুনিয়া ঘোড়ামুখো এবং শুকনো হাড্ডিসার। ডাডলি ব্লন্ড, গোলাপী এবং শুয়োরের মতো। অন্যদিকে হ্যারি হচ্ছে ছোটখাট এবং পাতলা দুবলা, উজ্জ্বল সবুজ চোখ এবং এক মাথা ঘন কালো চুল, যা সব সময়ই অগোছালো থাকে। ওর চশমার কাঁচ গোল এবং কপালে রয়েছে চিকন বিদ্যুতের মতো দাগ।

    এই দাগটাই হ্যারিকে এত ব্যতিক্রম করেছে যেমন অন্যদের কাছ থেকে তেমনি একজন যাদুকরের থেকেও। হ্যারির রহস্যজনক অতীতের এই দাগটাই ইঙ্গিত। যে কারণে এগারো বছর আগে তাকে ডার্সলিদের দরজায় রেখে দেওয়া হয়েছিল।

    যখন তার বয়স এক, তখনও হ্যারি কোনরকমে রক্ষা পেয়েছিল, ভয়ে যার নাম কোনো যাদুকর নেয় না, সেই সর্বকালের সেরা কালোবিদ্যার যাদুকর লর্ড ভোলডেমর্ট-এর অভিশাপ থেকে। হ্যারির বাবা-মা এই ভোলডেমর্ট-এর হামলায়ই মারা গেছে, হ্যারি অবশ্য বেঁচে গিয়েছিল, কপালের ওই বিদ্যুতের মতো দাগটা রয়ে গেছে হামলার নিদর্শন হিসেবে এবং যেভাবেই হোক কারণটা কারো জানা নেই। ভোলডেমর্ট-এর সমস্ত ক্ষমতা নিঃশেষ হয়ে গেছে হ্যারিকে হত্যা করতে ব্যর্থ হওয়ার মুহূর্ত থেকে।

    এরপর থেকে হ্যারিকে বড় করেছে তার মৃত মায়ের বোন এবং তার স্বামী। ডার্সলিদের সঙ্গে সে দশ বছর কাটিয়েছে; কিন্তু কখনই সে বুঝতে পারেনি করতে না চাইলেও কেন সে অদ্ভুত কাণ্ড কারখানা করে বসত। কেন সে বিশ্বাস করত ডার্সলিদের কথা, যে গাড়ি অ্যাকসিডেন্টে তার বাবা মা মারা গেছে, সেই অ্যাকসিডেন্ট থেকেই তার কপালের দাগটা এসেছে।

    এবং ঠিক এক বছর আগে হোগার্টস থেকে যখন হ্যারির কাছে চিঠি আসছে, তারপরই তো পুরো কাহিনী প্রকাশিত হয়। জাদুবিদ্যার স্কুলে হ্যারি ভর্তি হলো, যেখানে সে আর তার দাগ দুটোই বিখ্যাত… এখন স্কুলের দিনগুলো শেষ হয়েছে, গ্রীষ্মের ছুটি কাটাতে আবার সে ডার্সলিদের ওখানেই ফিরে এসেছে, দুর্গন্ধযুক্ত কোনকিছু বা আবর্জনার ওপর গড়াগড়ি খাওয়া কুকুরের মতো ব্যবহার পাওয়ার জন্যে।

    আজ যে হ্যারির ১২তম জন্মদিন সেটাও ডার্সলিদের মনে নেই। অবশ্য এ ব্যাপারে তার খুব বড় কোনো আশা নেই; কেক তো দূরের কথা, ওরা কখনই তাকে ভাল কোনো প্রেজেন্টেশন দেয়নি… কিন্তু একেবারে উপেক্ষা করা…।

    ঠিক সেই মুহূর্তে আঙ্কল ভার্নন বেশ গুরুত্বের সাথে কেশে গলা পরিষ্কার করে বললেন, মানে, আমরা সবাই জানি, আজকের দিনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিন।

    হ্যারি অবাক মুখ তুলে, তার বিশ্বাস করতে ভয় হচ্ছে। তার জন্মদিনের কথা আঙ্কল বলছেন। কিভাবে হয়।

    যদি আজকের দিনটা এমন হয় যে আজকেই আমি আমার ব্যবসা ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় ডিলটা করতে পারি। বললেন আঙ্কল ভার্নন। হ্যারির আশ্চর্য হওয়া মুখমণ্ডলটি ম্লান হলো।

    হ্যারি আবার টোস্টের দিকে মনোযোগ দিল। অবশ্যই, তিক্ততার সাথে। হ্যারি ভাবলো আঙ্কল ভার্নন ওই স্টুপিড ডিনার পার্টির কথা ভাবছেন। আগামী দুসপ্তাহ তিনি যে একই কথা বার বার বলবেন এবং অন্য কোনকিছু নিয়ে কথা বলবেন না, এটাও নিশ্চিত। কোনো এক ধনী কন্ট্রাক্টর আর তার স্ত্রী আজকে ডিনারে আসছেন এবং তিনি আশা করছেন ওর কাছ থেকে বড় রকমের একটা অর্ডারও পাওয়া যাবে (আঙ্কল ভার্ননের কোম্পানি ড্রিল তৈরি করে।

    আমার মনে হয় আমাদের আর একবার প্রোগ্রামটার ওপর চোখ বুলিয়ে নেয়া দরকার, বললেন তিনি। রাত আটটার মধ্যে আমাদেরকে যার যার পজিশনে থাকতে হবে। পেতুনিয়া ভুমথাকবে?

    লাউঞ্জে, সঙ্গে সঙ্গে বললেন আন্ট পেতুনিয়া। তাদেরকে আমাদের বাড়িতে সৌজন্যের সঙ্গে অভ্যর্থনা জানানোর জন্যে অপেক্ষমান।

    ভাল, ভাল। আর ডাডলি?

    আমি দরজা খোলার জন্যে দাঁড়িয়ে থাকব, ডাডলি জঘন্য রকমের একটি বোকা-হাসি উপহার দিল। আমি বলব, মিস্টার অ্যান্ড মিসেস মেসন আমি কি আপনাদের কোটগুলো নিতে পারি? ডার্সলি বলল।

    ওরা ওকে নিশ্চয়ই ভালবাসবে, ডার্সলির কথা শুনে অতি উৎসাহে চিৎকার করে উঠলেন আন্ট পেতুনিয়া।

    এক্সেলেন্ট, ডাডলি, বললেন আঙ্কল ভার্নন। তারপর তিনি ফিরলেন হ্যারির দিকে, আর তুমি?

    আমি বেড-রুমেই থাকব, কোনরকম শব্দ করব না এবং এমন ভান করব যেন আমি ওখানে নেই, হ্যারি বলল কোনো ভাবাবেগ ছাড়াই। সে জানে কোনো অতিথি এলে তাকে কি করতে হয়।

    ঠিক তাই, বললেন আঙ্কল ভার্নন মুখ বিকৃতি করে কুৎসিতভাবে। আমি তাদেরকে লাউঞ্জ পর্যন্ত নিয়ে আসব এবং পেতুনিয়া তোমার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেবো এবং তাদেরকে ড্রিংকস দেবো। ঠিক সোয়া আটটায়

    আমি ডিনারে ডাকবো, বললেন আন্ট পেতুনিয়া।

    এবং ডাডলি, তুমি বলবে–আমি কি আপনাকে ডিনার টেবিলে নিয়ে যেতে পারি মিসেস মেসন? অদৃশ্য এক মোটা মহিলার উদ্দেশ্যে বাহু বাড়িয়ে অভিনয় করে বলল ডাডলি।

    আমার ছোট্ট ভদ্রলোকটি, আদুরে গলায় বললেন আন্টি পেতুনিয়া।

    আর তুমি? বললেন আঙ্কল ভার্নন হ্যারির দিকে বিদ্বেষের দৃষ্টিতে তাকিয়ে। হ্যারির উত্তরের অপেক্ষা না করে স্ত্রীর দিকে মুখ ফিরিয়ে বললেন, ঠিক তাই। ডিনার টেবিলে অতিথিদের উদ্দেশে প্রশংসামূলক কিছু বলা দরকার, পেতুনিয়া তোমার কোনো আইডিয়া আছে?

    ভার্নন বলেছে, মিস্টার মেসন আপনি একজন চমৎকার গলফ প্লেয়ার… ড্রেসটা কোথা থেকে কিনলেন মিসেস মেসন…

    একেবারে সঠিক… আর ডাডলি তুমি?

    এটা কেমন হয় যদি বলি স্কুলে যার যার হিরোকে নিয়ে আমাদেরকে রচনা লিখতে হয়েছিল। মিস্টার মেসন, আমি তোমার সম্পর্কে লিখেছি …

    আন্ট পেতুনিয়া এবং হ্যারি দুজনের জন্যই এটা বড় বেশি হয়ে গেলো। অবশ্য দুজনের অনুভূতি ছিল ভিন্ন। আন্ট পেতুনিয়া কেঁদে ফেললেন, ছেলেকে জড়িয়ে ধরে আদর করলেন আর ডাডলির ভাড়ামোর মত কথা শুনে হ্যারি গিয়ে লুকালো টেবিলের নিচে যেন ওর হাসি ওরা দেখতে না পায়।

    আর এই যে, তুমি?

    টেবিলের নিচে থেকে বের হবার সময় হ্যারি কষ্ট করে মুখ স্বাভাবিক রাখল।

    আমি আমার রুমে থাকব, কোনো শব্দ করব না এবং ভান করব যে আমি ওখানে নেই। এক নাগাড়ে গড় গড় করে বলল হ্যারি।

    ঠিক বলেছ ওটাই তুমি করবে। জোর দিয়ে বললেন আঙ্কল ভার্নন। মেসনরা তোমার সম্পর্কে কিছুই জানে না এবং এটা এভাবেই থাকবে। ডিনার শেষ হলে পেতুনিয়া তুমি মিসেস মেসনকে নিয়ে যাবে আবার লাউঞ্জে বসে কফি পান করার জন্যে, আমি ড্রিল-এর বিষয়টি আলোচনায় নিয়ে আসার চেষ্টা করব। যদি ভাগ্য সুপ্রসন্ন হয় তবে দশটার খবরের আগেই চুক্তি এবং সিল মারা শেষ হয়ে যাবে। আর কাল এ সময় আমরা মেজরকায় ছুটির দিনের শপিং করে বেড়াবো।

    এ ব্যাপারে হ্যারি খুব উৎফুল্ল হতে পারল না। তার মনে হয় না ডার্সলিরা প্রিভেট ড্রাইভে তাকে যেমন পছন্দ করে মেজরকায় তার চেয়ে বেশি পছন্দ করবে।

    ঠিক আছে–আমি শহরে যাচ্ছি ডাডলি আর আমার জন্যে ডিনার জ্যাকেট আনতে। আর তুমি! হ্যারির দিকে ফিরে দাঁত মুখ খিঁচিয়ে বললেন, যতক্ষণ তোমার আন্টি ধোয়া মোছা করবে ততক্ষণ তুমি তার কাছ থেকে দূরে থাকবে।

    পেছনের দরজা দিয়ে বেরিয়ে আসল হ্যারি। চমৎকার একটি রৌদ্রোজ্জ্বল দিন। সে লনটা পার হলো, একটা গার্ডেন বেঞ্চে ধপ করে বসল, চাপা গলায় গান গাইতে শুরু করল, হ্যাপি বার্থ ডে টু মি…….হ্যাপি বার্থ ডে টু মি…….

    কোনো গ্রীটিংস কার্ড নেই, কোনো উপহারও নেই এবং সন্ধ্যাটা তাকে ভান করতে হবে যেন তার কোনো অস্তিত্বই নেই। দুঃখ ভারাক্রান্ত হৃদয়ে সামনের এক গাছের ঝোপটার দিকে তাকিয়ে রইল। কখনই তার এমন একাকী মনে হয়নি। হোগার্টস-এর দিনগুলোর কথা ভাবলো। হোগার্টস-এ অন্য কিছুর চেয়ে বেশি, কিডিচ খেলার চেয়েও বেশি হ্যারি মিস করছে তার সবচেয়ে কাছের দুই বন্ধু রন উইসলি এবং হারমিওন গ্রেঞ্জারকে। তার মনে হয় ওরা তাকে মোটেই মিস করছে না। সারা গ্রীষ্মে দুজনের একজনও তাকে কোনো চিঠি লেখেনি, যদিও রন বলেছিল সে বাড়িতে গিয়ে হ্যারিকে তাদের সঙ্গে থাকার আমন্ত্রণ জানাবে।

    অসংখ্যবার হ্যারি ভেবেছে জাদু দিয়ে হেডউইগের খাঁচা খুলে চিঠিসহ ওকে রন আর হারমিওনের কাছে পাঠায়, কিন্তু এটা একটু বেশিই হয়ে যাবে। অপ্রাপ্তবয়স্ক জাদুকরদের স্কুলের বাইরে জাদু ব্যবহার করা নিষেধ। হ্যারি অবশ্য কখনই ডার্সলিদের কাছে তার এই ইচ্ছার কথা বলেনি, সে জানে ওদের এই একটাই ভয়, সে যদি ওদেরকে জাদু করে গোবরে পোকা বানিয়ে ফেলে। এই ভয়েই জাদুর কাঠি এবং ঝাড়ু-লাঠিসহ সিঁড়ির নিচের কাবার্ডে তালা মেরে রেখেছে। কয়েক সপ্তাহ আগে নিচু স্বরে অর্থহীন কথা আওড়ানো এবং রুম থেকে ডাডলির ওর মোটা পদযুগল যত জোরে ওকে বহন করতে পারে অর্থাৎ তীর বেগে বেরিয়ে যাওয়া দেখতে ওর মজাই লাগত। কিন্তু রন এবং হারমিওনের দীর্ঘ নীরবতা তাকে ম্যাজিকের দুনিয়া থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলেছে যে ডাডলিকে ক্ষেপানোও তার কাছে আকর্ষণ হারিয়ে ফেলেছে। আর এখন রন এবং হারমিওন তার জন্মদিনটাও ভুলে গেছে।

    হোগার্টস-এর একটা খবরের জন্য সে কিইনা করতে পারে? যে কোনো উইচ বা উইজার্ডের কাছ থেকে খবর পেলেও সে খুশি। এমন কি তার সবচেয়ে বড় শত্রু ড্র্যাকো ম্যালফয়-এর দেখা পেলেও সে খুশি হতো, শুধু নিশ্চিত হওয়ার জন্যে যে, সেসব স্বপ্ন ছিল না।

    অবশ্য এমন নয় যে, তার হোগার্টস-এর পুরো বছরটা শুধু আনন্দেই কেটেছে। গত টার্মের একেবারে শেষে, হ্যারি, আর কারো সঙ্গে নয় একেবারে স্বয়ং লর্ড ভোলডেমর্টের একেবারে মুখোমুখি হয়েছিল। ভোলডেমর্টের এখন আর আগের শক্তি নেই। এখন হয়তো সে আগের ভোলডেমর্টের ধ্বংসাবশেষ কিন্তু এখনও ভীতিকর, এখনও ধূর্ত, এখনও ক্ষমতা ফিরে পাওয়ার ব্যাপারে দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ। ভোলডেমর্টের কবল থেকে দ্বিতীয়বারের মতো বেঁচে গেছে হ্যারি, একেবারে অল্পের জন্য বেঁচে যাওয়া বলতে হবে। এবং এখনও, কয়েক সপ্তাহ পরও, হ্যারি ঘাম ভেজা শরীরে রাতের বেলায় জেগে ওঠে, ভাবে এখন ভোলডেমর্ট কোথায়, মনে পড়ে ওর ভয়ংকর ক্রুদ্ধ চেহারা, বড় বড় উন্মুক্ত চোখ……

    হ্যারি হঠাৎ গার্ডেন বেঞ্চে সোজা হয়ে বসল। সে অন্যমনস্কভাবে একদৃষ্টিতে তাকিয়ে ছিল ঝোপের দিকে হঠাৎ মনে হলো ঝোপটাও ওর দিকে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে রয়েছে। পাতার মধ্যে দুটো বড় সবুজ চোখ ভেসে উঠল।

    হ্যারি লাফ দিয়ে উঠে দাঁড়ালো, এমনি সময় লনের ওপর দিয়ে ভেসে এলো বিদ্রূপভরা একটা কণ্ঠস্বর, আমি জানি আজ কি দিন, হেলে দুলে গেয়ে উঠল ডাডলি।

    বড় সবুজ চোখ দুটো কেঁপে উঠেই মিলিয়ে গেলো।

    কী? বলল হ্যারি, ও দুটো চোখ যেখানে ছিল সেখানে চোখ রেখে।

    আমি জানি আজ কি দিন, বলতে বলতে একেবারে সোজা হ্যারির কাছে চলে এলো।

    চমৎকার, বলল হ্যারি। তাহলে শেষ পর্যন্ত তুমি সপ্তাহের দিনগুলি সম্পর্কে শিখে ফেলেছ।

    আজ তোমার জন্মদিন, অবজ্ঞাভরে বলল ডাডলি। তুমি কোনো কার্ড পাওনি এটা কেমন কথা? ওই উদ্ভট যায়গাটায় তোমার একজনও বন্ধু নেই?

    তুমি আমার স্কুল সম্পর্কে আলোচনা করছ এটা তোমার মা না শুনলেই ভাল, নিরুত্তাপ কণ্ঠে বলল হ্যারি।

    হ্যারির স্থূল পশ্চাদ্দেশ থেকে প্যান্টটা স্লিপ করে পড়ে যাচ্ছিল, হ্যাচকা টানে ওপরে তুলল ও।

    তুমি ঝোপটার দিকে তাকিয়ে আছো কেন, সন্ধিগ্ধভাবে প্রশ্ন করল সে হ্যারিকে।

    আমি স্থির করার চেষ্টা করছিলাম ওটাতে আগুন লাগাতে হলে কোনো জাদুটা সবচেয়ে ভাল হবে, বলল হ্যারি।

    ডাডলি পেছন দিকে হোঁচট খেল, ওর ছোট্ট মুখে একটা ভীতির ছায়া।

    তু তুমি পারো না–ড্যাড তোমাকে বারণ করেছে তুমি ম্যা… ম্যাজিক করতে পারবে না– বলেছে তোমাকে বাড়ি থেকে ছুঁড়ে ফেলে দেবে–আর তোমার যাওয়ার কোনো জায়গা নেই তোমার কোনো বন্ধুও নেই যে তোমাকে নিয়ে যাবে।

    জিগারি! পকারি! হ্যারি তীব্র কণ্ঠে বলল। হোকাস পোকাস… স্কুইগলি উইগলি…

    মাআআআআআআম? আর্তনাদ করে উঠল আর দ্রুত পদক্ষেপে ঝাড়া দৌড় দিল ডাডলি। মাআআআআম! ও করছে, ইউ নো হোয়াট!

    এই এক মুহূর্ত মজা করার জন্যে হ্যারিকে অনেক মূল্য দিতে হয়েছিল। ডাডলিও ব্যথা পায়নি ঝোপটারও কোনো ক্ষতি হয়নি। আন্ট পেতুনিয়া যদিও বুঝতে পেরেছিলেন হ্যারি কোনো যাদুর ধার দিয়েও যায়নি। তবুও আন্ট পেতুনিয়া এক ভারি প্যান নিয়ে হ্যারিকে মারতে তেড়ে আসলেন। আঘাত হানতে উদ্যত আন্ট পেতুনিয়ার ভারি ফ্রাইং প্যানটাকে এড়াবার জন্য হ্যারিকে মাথা নিচু করে পালাতে হয়েছিল। শাস্তি হিসেবে তার ওপর অনেকগুলো কাজ চাপিয়ে দেয়া হলো, এবং তাকে প্রতিজ্ঞা করতে হলো যে, কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত সে খাবে না।

    চারিদিকে ডাডলি পায়চারি করছে, হ্যারির কাজ করা দেখছে আর আইসক্রিম খাচ্ছে। হ্যারি জানালা পরিষ্কার করেছে, গাড়ি ধুয়েছে, লন-এর ঘাস আর গোলাপের চারাগুলোকে ছেটেছে, পানি দিয়েছে এবং বাগানের বেঞ্চগুলোকে আবার রং করেছে। মাথার ওপর সূর্য গনগন করছে, ঘাড়ের পেছনটায় যেন আগুন জ্বালিয়ে দিয়েছে। হ্যারি জানত তার ডাডলির ফাঁদে পা দেয়া উচিত হয়নি। কিন্তু ডাডলি ঠিক ওই কথাটাই বলেছে যেটা সে নিজেও ভাবছিল….. হয়তো হোগার্টর্স-এ আসলেই তার কোনো বন্ধু নেই…

    এখন যদি তারা বিখ্যাত হ্যারি পটারকে এ অবস্থায় দেখতো, ভাবল সে তিক্ততার সঙ্গে ফুলের বেডগুলোর উপর সার ছড়াতে ছড়াতে। পিঠ ব্যথা করছে, মুখ বেয়ে অঝোর ধারায় ঘাম ঝরছে।

    একেবারে ক্লান্তির শেষ পর্যায়ে অবশেষে সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় সে আন্ট পেতুনিয়ার ডাক শুনতে পেলো।

    হয়েছে এবার এসো! কাগজের ওপর দিয়ে হাটো।

    খুশিতে হ্যারি চকচকে কিচেনের ছায়ায় চলে এলো। কিচেন ফ্রিজের ওপরে রয়েছে রাতের বরাদ্দ পুডিংটা : তোলা মাখনের বড় একটা তাল এবং চিনি মাখানো ভায়োলেট। অভেনে গরম হচ্ছে রোস্টেড পর্ক।

    জলদি খেয়ে নাও! এক্ষুণি মেসনরা চলে আসবেন, চড়া গলায় বললেন আন্ট পেতুনিয়া। দেখিয়ে দিলেন কিচেন টেবিলের উপর রাখা দুস্লাইস রুটি আর এক দলা পনির। ইতোমধ্যেই তিনি নিজে পড়ে ফেলেছেন সামন গোলাপী ককটেল ড্রেস।

    হাতমুখ ধুয়ে হ্যারি ঝাঁপিয়ে পড়ল তার সকরুণ রাতের খাবারের উপর। শেষ হওয়া মাত্র আন্ট পেতুনিয়া দ্রুত তার প্লেটটা সরিয়ে ফেললেন। জলদি! ওপরে!

    লিভিং রুমের দরজা পেরোবার সময় এক ঝলক দেখতে পেলো আঙ্কল ভার্নন এবং ডাডলির পরনে ডিনার জ্যাকেট এবং বো টাই। উপরের তলায় মাত্র পা দিয়েছে অমনি নিচের কলিং বেল বেজে উঠল, সিঁড়ির গোড়ায় আঙ্কল ভার্ননের রাগে-লাল চেহারাটা দেখা গেলো। ওর দিকে তাকিয়ে বললেন,

    মনে রেখ-একটা শব্দ …

    পা টিপে টিপে হ্যারি তার বেডরুমে পৌঁছে গেলো, চুপিসারে ভেতরে ঢুকে দরজা বন্ধ করেই অবসাদে গড়িয়ে পড়ল বিছানার ওপর।

    কিন্তু মনে হলো কে যেন আগে থেকেই তার বিছানায় বসে আছে।

    ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য প্রিজনার অব আজকাবান (৩) – জে. কে. রাওলিং
    Next Article হ্যারি পটার এন্ড দি ফিলসফারস স্টোন (১) – জে. কে. রাওলিং

    Related Articles

    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার এন্ড দি ফিলসফারস স্টোন (১) – জে. কে. রাওলিং

    August 18, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য প্রিজনার অব আজকাবান (৩) – জে. কে. রাওলিং

    August 18, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য গবলেট অব ফায়ার (৪) – জে. কে. রাওলিং

    August 16, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য অর্ডার অব দ্য ফনিক্স (৫) – জে. কে. রাওলিং

    August 16, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য হাফ-ব্লাড প্রিন্স (৬) – জে. কে. রাওলিং

    August 16, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ডেথলি হ্যালোস (৭) – জে. কে. রাওলিং

    August 16, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }