Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য চেম্বার অব সিক্রেটস (২) – জে. কে. রাওলিং

    জে. কে. রাওলিং এক পাতা গল্প406 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১৫. আরাগগ

    ১৫. আরাগগ

    দূৰ্গ-প্রাসাদের মাটিতে ধীরে ধীরে গ্রীষ্ম নেমে আসছে; আকাশ এবং হ্রদ দুটোই একসঙ্গে যেন চিরশ্যামল নীল হয়ে গেলো এবং ফুলকপির মতো বড় বড় ফুল ফুটল গ্রীন হাউজ গুলিতে। কিন্তু হ্যাগ্রিড আর হেঁটে বেড়াচ্ছে না পেছনে কুকুর ফ্যাংকে নিয়ে নিয়ে, এই দৃশ্য আর প্রাসাদের জানালা দিয়ে দেখা যায় না, হ্যাগ্রিডকে ছাড়া দৃশ্যটা ভাল লাগছে না হ্যারির কাছে; বস্তুত, দূর্গ প্রাসাদের ভেতর থেকে তো ভাল নয়ই, এখানে সবকিছুই ভয়ানকভাবে উল্টো পাল্টা চলছে।

    হ্যারি আর রন হারমিওনকে দেখতে গিয়েছিল কিন্তু পারেনি, হাসপাতালে দর্শনার্থী নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

    আমরা কোন ঝুঁকি নেব না, মাদাম পমফ্রে ওদের গম্ভীরভাবে বললেন হাসপাতাল দরজার একটা ফাঁক দিয়ে। না, আমি দুঃখিত, প্রচুর আশংকা রয়েছে যে আক্রমণকারী এই লোকগুলোকে শেষ করবার জনো ফিরে…

    ডাম্বলডোর নেই, অতীতের যে কোন সময়ের চেয়ে ভীতি ছড়িয়ে পড়েছে অনেক বেশি, রৌদ্র যে প্রাসাদের দেয়াল উষ্ণ করছে, সেটা যেন জানালার বাইরেই থেমে গেছে। স্কুলে এমন কোন চেহারা দেখা যায় না যার মধ্যে উদ্বেগ এবং ভীতির ছাপ নেই। এবং করিডোরে যে কোন হাসিই শোনা যাক না কেন মনে হয় উচ্চ কণ্ঠ এবং তীক্ষ্ণ এবং অস্বাভাবিক, সঙ্গে সঙ্গে সেটা থামিয়ে দেয় হয়।

    ডাম্বলডোরের শেষ কথাগুলি হ্যারি সব সময় নিজের মনে আউড়ে চলেছে। আমি সত্যিকার অর্থে তখনই স্কুল ছেড়ে যাবো, যখন এখানে আমার অনুগত আর কেউই থাকবে না। এও দেখবে এই সাহায্যটা সব সময়ই হোগার্স-এ করা হয়, যখনই কেউ চায়। কিন্তু এই কথা গুলি কি কাজে আসবে? কার কাছে সাহায্য চাইবে তারা, যেখানে সবাই তাদের মতোই বিভ্রান্ত আর ভীত?

    মাকড়সা সম্পর্কে হ্যাগ্রিডের ইঙ্গিতটা বোঝা অনেক সহজ সমস্যা হচ্ছে এখানে আর একটিও মাকড়সা অবশিষ্ট নেই অনুসরণ করবার মতো। হ্যারি যেখানে যেখানে গেছে সেখানেই খোঁজ করেছে, রন সাহায্য করেছে অনিচ্ছাসত্ত্বেও। তাদের কাজের ব্যাঘাত ঘটেছে কারণ তাদেরকে নিজের মতো করে ঘুরতে দেয়া হয় না, বরং আশে পাশেই গ্রিফিল্ডরদের সঙ্গে জটলা বেঁধে ঘুরতে হয়। ভেড়ার পালের মতো তাড়িয়ে শিক্ষকরা যে ওদের ক্লাসে ক্লাসে নিয়ে যান ওদের সঙ্গের বেশিরভাগ ছাত্ৰই এতে খুশি, কিন্তু হ্যারির কাছে ব্যাপারটা বিরক্তিকর লাগে।

    একজন যেন এই ভীতি আর সন্দেহের পরিবেশে খুব মজা পাচ্ছে। ড্র্যাকো ম্যালফয় গর্বে পুরো স্কুল ঘুরে বেড়াচ্ছে যেন এইমাত্র তাকে স্কুলের হেডবয় নিয়োগ করা হয়েছে। হ্যারি বুঝতে পারছিল না তার এত খুশি হওয়ার কি হয়েছে। কিন্তু ডাম্বলডোর আর হ্যাগ্রিড চলে যাওয়ার দুই সপ্তাহ পর পপশিন ক্লাসে সব পরিষ্কার হয়ে গেলো। মনের আনন্দে ব্যাপারটা ও ক্রেব আর গয়লের কাছে বলছিল ঠিক ওর পেছনে।

    আমি সব সময়ই ভাবতাম বাবাই ডাম্বলডোরকে সরাবেন, সে বলল, স্বর ছোট করার জন্য তার কোন চেষ্টা নেই, আমি তোমাদের বলেছি তিনি সব সময়ই ভাবেন যে ডাম্বলডোর হচ্ছে স্কুলের ইতিহাসে সবচেয়ে খারাপ হেডমাস্টার। হয়তো এখন আমরা একজন ভালো হেডমাস্টার পাবো, যিনি চাইবেন না চেম্বার অফ সিক্রেটস বন্ধ থাকুক। যাকগোনাগল বেশি দিন টিকবেন না, তিনি শুধু সাময়িক…

    হ্যারির পাশ দিয়ে চলে গেলেন স্নেইপ, হারমিওনের শূন্য সিট আর লোহার কড়াইয়ের ব্যাপারে কোন মন্তব্য করলেন না।

    স্যার, বলল ম্যালফয় জোরে। স্যার, আপনি কেন হেডমাস্টারের পদের জন্যে আবেদন করছেন না?

    ব্যস, ব্যস, ম্যালফয়, বললেন স্নেইপ, যদিও ঠোঁটের কোণের এক চিলতে হাসিটা তিনি চেপে রাখতে পারলেন না। প্রফেসর ডাম্বলডোরকে গভর্নররা শুধু সাসপেন্ড করেছেন। আমি বলছি তিনি খুব শীঘ্রই আমাদের মধ্যে ফিরে আসবেন।

    ইয়ে, ঠিক, কৃত্রিম হাসল ম্যালফয়। আমি আশা করি আপনি বাবার ভোটটা পাবেন স্যার, যদি আপনি কাজটার জন্যে আবেদন করেন। আমি বাবাকে বলবো আপনিই এখানকার সবচেয়ে ভাল টিচার,,,

    স্নেইপও একটা কৃত্রিম হাসি দিলেন, ক্লাসের ভেতরে চারদিক ঘুরে বেড়াচ্ছেন, সৌভাগ্য যে তিনি সিমাস ফিনিগানকে দেখতে পেলেন না, ও তার লোহার কড়াইয়ে বমি করবার ভান করছিল।

    আমি খুবই অবাক হচ্ছি, মাডব্লাডরা যে এখনো তল্পিতল্পা গোটাচ্ছে না, বলেই চলেছে ম্যালফয়। পাঁচ গ্যালিয়নস বাজি ধরতে পারি পরেরটা অবশ্যই মারা যাবে। দুঃখ গ্রেঞ্জার কেন হলো না…

    ভাগ্য ভাল ঠিক সেই মুহূর্তে ঘন্টা বাজল; ম্যলিফয়ের শেষ কথাটায় রন লাফিয়ে উঠে দাঁড়াল, এবং বই আর ব্যাগ নেয়ার তাড়াহুড়ার মধ্যে সে যে ম্যালফয়ের কাছে পৌঁছতে চাচ্ছে এটা কারো নজরে পড়ল না।

    আমাকে ছেড়ে দাও, চাপা গর্জন করল রন, হ্যারি আর ডিন তার দুই হাত আঁকড়ে ধরে আছে। আমি আর পরোয়া করি না, আর জাদুদণ্ডের দরকার নেই, ওকে আমি খালি হাতেই মেরে ফেলব—

    জলদি করো, তোমাদের আবার হারবলজিতে পৌঁছে দিতে হবে, খেঁকিয়ে উঠলেন স্নেইপ, এবং ওরা রওয়ানা হয়ে গেল, কুমীর আকৃতিতে লাইন বেঁধে যাচ্ছে ওরা, হ্যারি, রন আর ডন সবার পেছনে, রন এখনো ওদের হাত থেকে ছোটার চেষ্টা করছে। ওকে ছাড়া তখনই নিরাপদ হলো যখন স্নেইপ তাদেরকে দূর্গ–প্রাসাদের বাইরে নিয়ে গেলেন, এবং তারা সজির বাগানের মধ্য দিয়ে গ্রীন হাউজে যাচ্ছে।

    হাবলজি ক্লাসটা খুব ঠান্ডা, ওদের মধ্যে থেকে দুজন নেই, জাস্টিন এবং হারমিওন।

    প্রফেসর স্প্রাউট ওদেরকে আবিসিনিয়ান শ্রিভেলফিগস্-এর ডাল–পালা ছেটে পরিষ্কার করতে লাগিয়ে দিলেন। হাতভর্তি মরা ডাল কম্পোস্টের স্তূপে ফেলতে গিয়ে হ্যারি নিজেকে একেবারে আর্নি ম্যাকমিলানের মুখোমুখি দেখতে পেলো। একটা গভীর শ্বাস নিয়ে আর্নি বলল, আমি যে তোমাকে সন্দেহ করেছিলাম সে জন্যে দুঃখিত হ্যারি। আমি জানি তুমি কখনোই হারমিওন গ্রেঞ্জারকে আক্রমণ করবে না, এবং আমি যে সব কথা বলেছি তার জন্যও ক্ষমা চাইছি। আমরা সবাই এখন একই নৌকার যাত্রী, আচ্ছা

    ও একটা হাত বাড়িয়ে দিল এবং হ্যারি করমর্দন করল।

    হ্যারি আর রনের সঙ্গে একই শিভেলফ্রিগে কাজ করতে এলো আর্নি এবং তার বন্ধু হান্নাহ।

    ওই ড্র্যাকো ম্যালফয় চরিত্রটা, বলল আর্নি, মরা ডাল ভাঙতে ভাঙতে, ওকে এসবে খুব খুশি দেখাচ্ছে, তাই না? তুমি জান, আমি ভাবছি ওই স্লিথারিনের উত্তরাধিকার হতে পারে।

    তুমি তো বেশ বুদ্ধিমান, বলল রন, মনে হচ্ছে হ্যারির মতো সহজে ও আর্টিকে ক্ষমা করতে পারেনি।

    তুমি কি মনে করো হ্যারি, ম্যালফয়ই? আর্নি জিজ্ঞেস করল।

    না, বলল হ্যারি এত দৃঢ়তার সাথে যে আর্নি এবং হান্নাহ দুজনেই অবাক হলো।

    এক মুহূর্ত পর হ্যারি এমন কিছু দেখল যে ওকে রনের মাথায় গাছ ছাটার কাঁচি দিয়ে টোকা দিতে হলো।

    আউচ! তুমি কি

    মাটিতে কয়েক ফিট দূরে দেখাচ্ছে হ্যারি। কয়েকটা বড় মাকড়সা মাটির ওপর দিয়ে দ্রুত হেঁটে যাচ্ছে।

    ওহ, হ্যাঁ, বলল রন, চেষ্টা করেও খুশি হতে পারছে না। কিন্তু এখন তো আমরা ওদের অনুসরণ করতে পারবো না…

    আর্নি আর হান্নাহ কৌতূহলের সঙ্গে ওদের কথা শুনছিল।

    হ্যারি দেখছে মাকড়সাগুলো দৌড়ে চলে যাচ্ছে।

    মনে হচ্ছে ওগুলো নিষিদ্ধ বনের দিকেই যাচ্ছে…

    এবং এতে রনকে আরো অখুশি মনে হলো।

    ক্লাসের শেষে প্রফেসর স্নেইপ ওদের সঙ্গে করে নিয়ে গেলেন ডিফেন্স এগেনস্ট দ্য ডার্ক আর্টস লেসন ক্লাসে। হ্যারি আর রন একটু পিছিয়ে পড়েছে অন্যদের চেয়ে, যেন ওদের কথা কেউ শুনতে না পায়।

    আমাদেরকে আবার অদৃশ্য হওয়ার আলখাল্লার্টা ব্যবহার করতে হবে, হ্যারি বলল রনকে। আমরা কি ফ্যাংকে আমাদের সাথে নিয়ে যেতে পারি, ওতো হাগ্রিডের সঙ্গে বনে যেতে যেতে অভ্যস্ত, হয়তো কোন কাজে আসতে পারে।

    ঠিক বলেছ, বলল রন, ও সন্ত্রস্তভাবে আঙুলে ওর জাদুদণ্ডটা ঘোরাচ্ছিল। ইয়ে–মানে, বনে–কি ওয়েরউলফ থাকার সম্ভাবনা নেই? যোগ করল রন, ক্লাস রুমের পেছনে ওদের যায়গায় বসতে বসতে।

    প্রশ্নটার জবাব না দেয়াই সমীচিন মনে করল হ্যারি, বলল, ওখানে ভাল কিছুও রয়েছে। সেন্টররা ঠিক আছে, এবং ইউনিকর্নও।

    রন এর আগে নিষিদ্ধ বনে যায়নি। হ্যারি শুধু একবার গিয়েছিল এবং আশা করেছিল আর কখনো যেতে হবে না।

    লকহার্ট ক্লাসে প্রবেশ করলেন এবং সকলেই তাকাল ওঁর দিকে। সব শিক্ষকই এখন স্বাভাবিকের চেয়ে কঠোর, কিন্তু লকহার্টকে প্রাণবন্তের চেয়ে কম কিছু বলা যাবে না।

    কই সব, চিৎকার করলেন তিনি, চারদিকে প্রফুল্লভাবে তাকিয়ে, সবার চেহারা ঝুলে আছে কেন?

    সকলইে সবাই ক্রুদ্ধ দৃষ্টি বিনিময় করল, কিন্তু কেউই জবাব দিল না।

    তোমরা বুঝতে পারছ না, বললেন লকহার্ট, ধীরে ধীরে, যেন ওদের সকলের বুদ্ধি কম, বিপদ কেটে গেছে! অপরাধীকে নিয়ে চলে যাওয়া হয়েছে।

    কে বলে? জোরে বলে উঠল ডিন থমাস।

    মাই ডিয়ার ইয়াং ম্যান, ম্যাজিক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী যদি একশত ভাগ নিশ্চিত না হতেন তাহলে তিনি কিছুতেই হ্যাগ্রিডকে নিয়ে যেতেন না।, বললেন লকহার্ট, এমনভাবে যেন বোঝাচ্ছেন যে দুই আর দুইয়ে চার হয়।

    ওহ, হ্যাঁ, তিনি নিয়ে যেতেন, বলল রন, ডিনের চেয়েও জোরে।

    আমি নিজেই নিজের প্রশংসা করছি, হ্যাগ্রিডের অ্যারেস্টের ব্যাপারে আমি তোমাদের চেয়ে একটু বেশি, মিস্টার উইসলি, বললেন লকহার্ট আত্মতৃপ্তের স্বরে।

    রন বলতে শুরু করেছিল যে সে তা মনে করে না, কিন্তু মাঝপথে ডেস্কের নিচে হ্যারির লাথি খেয়ে থেমে গেল।

    আমরা সেখানে ছিলাম না, মনে রেখো? বিড় বিড় করে বলল হ্যারি।

    কিন্তু লকহার্টের বিরক্তিকর উৎফুল্ল ভাব, তার ইঙ্গিত যে তিনি সব সময়ই ভেবেছেন যে হ্যাগ্রিড ভালো নয়, পুরো ব্যাপারটা চুকে বুকে যাওয়া সম্পর্কে ওর আত্মবিশ্বাস, হ্যারিকে এত বিরক্ত করে তুলেছে যে তার ইচ্ছা করছিল যে গ্যাডিং উইথ ঘোওল বইটা একেবারে লকহার্টের নির্বোধ মুখের ওপর ছুঁড়ে মারে। সে নিজেকে সামলে নিল রনকে ছোট্ট একটা নোট লিখে আজ রাতেই চলো।

    রন ওটা পড়ে কষ্ট করে ঢোক গিলল এবং দুই পাশে দেখল শূন্য আসনে, সাধারণত যা হারমিওন দখল করে রাখে। দৃশ্যটা মনে হয় ওর সংকল্পকে দৃঢ় করল, এবং মাথা নাড়ল সে সম্মতি দিয়ে।

    ***

    আজকাল গ্রিফিল্ডর কমন রুমে সব সময়ই ভিড় থাকে, কারণ সন্ধ্যা ছয়টার পর থেকে গ্রিফিল্ডারদের অন্য কোথাও যাওয়ার উপায় নেই। অবশ্য অনেক কথা থাকে তাদের বলবার, ফলে প্রায় সময়ই রাত বারোটা পার হয়ে গেলেও কমন রুম খালি হয় না।

    ডিনারের পর পরই হ্যারি গেল ট্রাংক থেকে অদৃশ্য হওয়ার আলখাল্লাটা আনতে। এবং সন্ধ্যাটা পার করল ওটা নিয়ে, কমন রুম খালি হওয়ার জন্য অপেক্ষা করছে। ফ্রেড এবং জর্জ হ্যারি আর রনকে এক্সপ্লোডিং স্ন্যাপ খেলায় চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছে জর্জ আর ফ্রেড। জিনি দেখছে, হারমিওনের চেয়ারে বসে আছে সে, শান্ত হয়ে। হ্যারি অর রন ইচ্ছে করেই হারছে, যেন খেলাটা তাড়াতাড়ি শেষ করা যায়, তারপরও অনেক সময় লেগে গেল। মধ্যরাতের অনেক পরে ফ্ৰেড়, জর্জ আর জিনি ঘুমোতে গেল।

    হ্যারি আর রন অপেক্ষা করল, হোস্টেলের দূরের দরজা দুটো বন্ধ হওয়া পর্যন্ত। আলখাল্লাটা গায়ে চড়িয়ে নিল ওরা, ছবির গর্তটার মধ্যে দিয়ে বেরিয়ে এলা।

    দূর্গ–প্রাসাদের মধ্য দিয়ে আরেকটা মুশকিল যাত্রা, সব কয়জন শিক্ষককে পাশ কাটিয়ে যেতে হচ্ছে। অবশেষে এনট্রেন্স হলে পৌঁছালো ওরা, ওক কাঠের তৈরি সামনে দরজার দুটো তালাটা খুলল, ওটার ভেতর দিয়ে আস্তে করে বের হলো, যেন কোন শব্দ না হয় এবং বাইরে চন্দ্রালোকিত মাঠে বের হয়ে এলো।

    কোন দিকে, বলল রন, কালো ঘাসের উপর দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে, আমরা হয়তো বন পর্যন্ত যাবো কিন্তু গিয়ে দেখবো ওখানে অনুসরণ করবার মতো কিছু পাওয়া যাচ্ছে না। ওই মাকড়সা গুলো হয়তো এইখানে যাচ্ছেই না। আমি জানি ওগুলো সাধারণভাবে ওই দিকেই যাচ্ছিল, কিন্তু…

    আশা ব্যঞ্জকস্বরে ওর কথাটা হঠাৎ করেই থেমে গেল।

    ওরা হ্যাগ্রিডের বাড়ি পৌঁছালো, জানালাগুলো শূন্য, বাড়িটা দুঃখ আর বিষাদময় দেখাচ্ছে। হ্যারি দরজাটা খুললে, ওদের দেখে ফাং খুশিতে পাগল হয়ে গেলো। ওর গম্ভীর কান ফাটানো ডাক দিয়ে যেন কাউকে জাগিয়ে তুলতে পারে, সে জন্যে ওরা ওকে চুল্লীর তাকে রাখা টিনের মধ্যে থেকে চকলেট পিঠা খাইয়ে দিল, এতে দাঁত গুলো এক সঙ্গে লেগে থাকবে।

    হ্যাগ্রিডের টেবিলে অদৃশ্য হওয়ার আলখাল্লাটা রেখে দিল হ্যারি। বনের পিচ ঘন অন্ধকারে ওটার আর প্রয়োজন হবে না।

    চলো ফ্যাং, আমরা হাঁটতে যাচ্ছি, বলল হ্যারি, ওর পায়ে মদ চাপড় দিয়ে, এবং খুশিতে ফ্যাং লাফিয়ে ওদের পেছন পেছন বেরিয়ে এলো, এক দৌড়ে বনের ধারে চলে গেলো এবং একটা বড়সড় স্কায়ামোর গাছের গোড়ায় এক পা তুলে দিল।

    হ্যারি ওর জাদুদণ্ডটা বের করে বিড় বিড় করল লুমস এবং ওটার মাথায় ছোট্ট একটা আলোর রেখা দেখা গেল। পথের মধ্যে মাকড়সা আছে কি না সেটা দেখার জন্যে যথেষ্ট।

    বেশ ভেবেছ,বলল রন। আমারটাও জ্বালিয়ে নিতাম, কিন্তু তুমি জান ওটা হয়তো বিস্ফোরিত হবে বা ওই রকম কিছু ঘটবে…।

    রনের কাঁধে টোকা দিল হ্যারি, দেখালো ঘাসের দিকে। দুটো বিচ্ছিন্ন মাকড়সা জাদুদণ্ডের আলো থেকে প্রত্ন গাছের ছায়ায় যাওয়ার চেষ্টা করছে।

    ঠিক আছে, দীর্ঘশ্বাস ছাড়ল রন, যেন চরম খারাপ পরিণতির কাছে আত্মসমর্পণ করল, আমি প্রস্তুত, চলো যাওয়া যাক।

    সুতরাং, গাছের শেকড় এবং পাতা শুকতে শুকতে ওরা বনে প্রবেশ করল। ফ্যাং ওদের চারপাশে লাফালাফি করছে। হ্যারির জাদুদণ্ডের আলোয় ওরা রাস্ত 1 দিয়ে চলা মাকড়সার সারিকে অনুসরণ করছে। প্রায় কুড়ি মিনিট ধরে ওরা চলছে, মুখে কোন কথা নেই, ভাল ভাঙ্গা আর পাতার মর্মর ধ্বনির বাইরে অন্য কিছু শোনার জোর চেষ্টা করছে। তারপর, গাছগুলো যেখানে সবচেয়ে ঘন মাথার উপরে তারা আর দেখা যাচ্ছে না, অন্ধকারের সমুদ্রে শুধু হ্যারির জাদুদণ্ডের আলোই দেখা যাচ্ছে, ওরা দেখল ওদের মাকড়সা গাইড রাস্তা ছেড়ে অন্যদিকে যাচ্ছে।

    হ্যারি থামল, দেখার চেষ্টা করল মাকড়সাগুলো কোথায় যাচ্ছে, কিন্তু তার জাদুদণ্ডের অলোর বাইরে সব কিছুই ঘন কালো। ও কখনো বনের এত গভীরে আসেনি। ওর মনে আছে সর্বশেষ ও যখন এখানে এসেছিল তখন হ্যাগ্রিড ওকে কখনো বনের রাস্তাটা না ছাড়ার উপদেশ দিয়েছিল। কিন্তু হ্যাগ্রিড এখন অনেক দূরে সম্ভব? আজকাবানের কোন সেল-এ, সে মাকড়সাগুলোকে অনুসরণ করার কথাও বলেছিল।

    ভেজা কোন একটা কিছু হ্যারির হাতে লাগল, লাফিয়ে পেছনে চলে এলো ও, রনের পা মাড়িয়ে দিল, কিন্তু ওটা ছিল ফ্যাং-এর নাক।

    কি বুঝছ? রণকে বলল হ্যারি, যার চোখ কোন মতে দেখতে পাচ্ছে ও, জাদুদণ্ডের আলো প্রতিফলিত হওয়ায়।

    আমরা এ পর্যন্ত এলাম, বলল রন।

    সুতরাং তারা গাছের দিকে ধাবমান মাকড়সা গুলোকে অনুসরণ করছে। এখন তারা বেশি দ্রুত যেতে পারছে না; ওদের পথ গাছের শেকড় আর গাছের কাটা গুড় পড়ছে, প্রায় অন্ধকারে দৃশ্যমান নয় কিন্তু ওর হাতে ফ্যাং-এর গরম নিঃশ্বাস পাচ্ছে। অনেকবার থামতেও হচ্ছেও ওদের, হ্যারি হাঁটু গেড়ে বসে মাকড়সাগুলোকে দেখতে পায়।

    ওরা হাঁটছে, মনে হয় কম পক্ষে আধ ঘন্টা, নিচু ডাল আর কাঁটাঝোপের কারণে ওদের পোশাকে টান পড়ছে। কিছুক্ষণ পর ওরা খেয়াল করল মাটি নিচের দিকে ঢালু হয়ে গেছে, যদিও গাছগুলো আগের মতোই ঘন।

    তখন হঠাৎ ফ্যাং ছাড়ল একটা বিকট, গর্জন, প্রতিধ্বনিত হলো সেটা, হ্যারি আর রনের আত্মারাম খাঁচা ছাড়া হওয়ার যোগাড় হলো।

    কি হয়েছে? বলল রন জোরে, ঘন কালো অন্ধকারে চারদিক তাকিয়ে, হ্যারির কনুইটা খামছে ধরেছে ও।

    ওইদিকে কিছু একটা নড়ছে, শ্বাস ফেলল হ্যারি। শোন…মনে হচ্ছে অনেক বড় কিছু।

    ওরা শুনল। ওদের ডান দিকে একটু দূরে, গাছের ফাঁকে ফাঁকে পথ তৈরি করতে করতে বড় কিছু গাছের ডাল ভাঙছে।

    ওহ না, বলল রন, ওই না, ওহ না, ওহ—

    চুপ করো, বলল হ্যারি প্রচণ্ড ক্ষিপ্ত হয়। ওটা তোমাকে শুনতে পাবে।

    আমার কথা শোন? বলল বন অস্বাভাবিক উঁচু স্বরে। ওটা ইতেমধ্যে ফ্যাংকে শুনতে পেয়েছে।

    অন্ধকার যেন ওদের চোখের উপর চেপে বসেছে, যখন ওরা দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছে সাংঘাতিক রকমের ভীত। একটা অদ্ভুত গুড় গুড় শব্দ হলো এবং তারপর সব চুপচাপ।

    তোমার কি মনে হয় ওটা কি করছে? প্রশ্ন করল হ্যারি।

    সম্ভবত লাফ দিয়ে ঘাড়ে পড়ার জন্যে তৈরি হচ্ছে, বলল রন।

    তারা অপেক্ষা করছে, কাঁপছে, নড়ার কোন সাহস নেই।

    তুমি কি মনে করো ওটা চলে গেছে? ফিস ফিস করল হ্যারি।

    জানি না

    তারপর ওদের ডানদিক থেকে হঠাৎ এলো চোখ ধাঁধানো আলোর ঝলকানি, অন্ধকারের মধ্যে এত উজ্জ্বল যে দুজনই হাত উঠালো চোখ ঢাকবার জন্যে। ফ্যাং একটা চিৎকার দিয়ে পালাবার চেষ্টা করল, কিন্তু কাঁটা ঝোপের মধ্যে গেল আঁটকে এবং আরো জোরে চীৎকার করে উঠল।

    হ্যারি! রন চিৎকার করল, তার কণ্ঠস্বরে হাফ ছেড়ে বাঁচার প্রকাশ। হ্যারি এটা আমাদের গাড়িটা!

    কী?

    এসো!

    আলোর দিকে হ্যারি ধনকে অন্ধের মতো অনুসরণ করল, হোঁচট খেলো, পড়ে গেল, এবং এক মুহূর্ত পর ওরা একটা ফাঁকা যায়গায় বেরিয়ে এলো।

    মিস্টার উইসলির গাড়ি দাঁড়িয়ে রয়েছে, শূন্য, ঘন গাছের একটা বৃত্তের মাঝে, ঘন শাখার ছাদের নিচে, হেডলাইট জ্বলছে। রন হাটছে গাড়িটার দিকে, মুখ বিস্ময়ে হা, ওটাও ধীরে ধীরে ওর দিকে এগিয়ে এলো, ঠিক যেন বিশাল একটা আসমানী রঙের কুকুর ওর মালিককে সম্ভাষণ জানাচ্ছে।

    এটা সব সময়ই এখানে ছিল। বলল রন আনন্দে, গাড়িটা চাদিকে হাঁটতে হাঁটতে। দেখো একে। বন এটাকে জংলী বানিয়ে দিয়েছে…

    গাড়িটার পাখাগুলোতে আঁচড়ের দাগ, মাটি লেপে দেয়া হয়েছে যেন। দশ্যত এটা নিজেই নিজেই বনের মধ্যে ঘুরে বেড়িয়েছে। ফ্যাং গাড়িটার ব্যাপারে খুব উৎসাহী নয়; সে হ্যারির কাছে কাছে রয়েছে, ও যে কাঁপছে সেটাও হ্যারি বুঝতে পারছে। আস্তে আস্তে ওর নিঃশ্বাস স্বাভাবিক হচ্ছে, হ্যারি ওর জাদুদটা আবার পোশাকের ভেতরে ঢুকিয়ে রাখল।

    এবং আমরা ভাবছিলাম যে এটা আমাদের আক্রমণ করতে যাচ্ছে। বলল রন, গাড়িটার গায়ে হেলান দিয়ে ওটাকে আদর করল চাপড় দিয়ে। আমি ভাবছি ওটা গিয়েছিল কোথায়!

    আরো মাকড়সার চিহের জন্য হ্যারি চোখ কুঁচকে গাড়ির আলোয় চারদিক খুঁজছে, কিন্তু সবগুলো হেডলাইটের আলো তীব্রতা থেকে পালিয়ে গেছে।

    আমরা ওদেরকে হারিয়ে ফেলেছি, বলল সে। চলো ওদের খুঁজে বের করা যাক।

    রন কোন কথা বলল না। সে নড়ল না। ওর চোখ স্থির হয়ে আছে বনের মেঝে থেকে দশ ফিট ওপরে, ঠিক হ্যারির পেছনে। তার চেহারা ভয়ে কালো হয়ে গেছে।

    হ্যারি ঘুরে দাঁড়াবারও সময় পায়নি। একটা বিকট ক্লিকিং শব্দ হলো এবং হঠাৎ ও টের পেল লম্বা এবং লোমশ একটা কিছু ওকে শরীরের মাঝ বরাবর ধরে মাটির উপর থেকে তুলে ফেলেছে, সে ঝুলছে মাথা নিচের দিকে। হাত পা নাড়ছে ছাড়ানোর জন্য, ভয় পেয়ে গেছে, সে আরো ক্লিকিং শুনল, এবং দেখল রনের পাও মাটি থেকে উপরে উঠে গেছে, শুনল ফ্যাং কুঁই কুঁই করছে আবার চিৎকারও করছে-এবং পরমুহূর্তে ওকে অন্ধকারে টেনে নিয়ে যাওয়া হলো।

    মাথা ঝুলে আছে নিচের দিকে, হ্যারি দেখল ওকে যে জন্তুটা ধরে রেখেছে সেটা ছয়টা বিশাল পায়ে হাঁটছে, লম্বা, লোমশ পা, ওকে শক্ত করে ধরে রেখেছে। এক জোড়া চকচকে কালো ধারালো সাড়াশির মতো দাঁড়ার নিচে। পেছনে আরেকটি জীবের আওয়াজ পেল, সন্দেহ নেই ওটা রনকে বহন করছে। ওরা বনের একেবারে কেন্দ্রে চলে এসেছে। হ্যারি শুনতে পাচ্ছে তৃতীয় আরেকটা দানবের হাত থেকে নিজেকে মুক্ত করার জন্যে লড়ছে ফ্যাং, কেউ কেউ করছে জোরে, কিন্তু হ্যারি চাইলেও চিৎকার করতে পারত না; ও যেন ওর স্বরটা গাড়ির মধ্যে ছেড়ে এসেছে এই খোলা যায়গাটায়।

    ও জানে না কতক্ষণ ছিল জীবটার দৃঢ়মুষ্টিতে; ও শুধু টের পেলো অন্ধকার হঠাৎ ফিকে হয়ে গেলো, ও দেখতে পাচ্ছে পাতা ছড়ানো যায়গাটা মাকড়সায় ভর্তি হয়ে আছে। ঘাড় বাঁকিয়ে দেখতে পেলো ওরা একটা বিশাল ফ্র্যাপী জায়গায় এসেছে, গাছ কেটে যে ফাপা জায়গাটা তৈরি করা হয়েছে সেখানে। ওর চোখের সামনে ওর দেখা জীবনের সেরা জঘণ্য দৃশ্য।

    মাকড়সা। ছোট ছোট মাকড়সা নয়, যেগুলো নিচে পাতার ওপর ঘুরে বেড়াচ্ছে। এক একটা ঘোড়ার সমান মাকড়সা, আট চোখ, আট পা, কালো, লোমশ, দৈত্যাকার। যে বিরাট জীবটা রিকে বহন করে এনেছে, সে এখন খাড়া ঢালু বেয়ে নিচে নামতে শুরু করল, একটা কুয়াশাচ্ছন্ন ডোমের মতো মাকড়সার জালের দিকে, খালি জায়গাটার একেবারে মাঝখানে, সাথী মাকড়সাগুলো চারদিক থেকে ওকে ঘিরে ধরেছে, ওর বোঝাটা দেখে উত্তেজিতভাবে নিজেদের দাঁড়াগুলো ক্লিক করছে।

    মাকড়সাটা ওকে ছেড়ে দিল ধপাস করে চার হাত পায়ে মাটিতে পড়ল হ্যারি। রন এবং ফ্যাং পড়ল ওর পাশে। ফ্যাং এখন আর চেঁচাচ্ছে না, কিন্তু নীরবে জড়সড় হয়ে আছে জায়গাতেই। হ্যারির যেমন লাগছে, রনকেও ঠিক তেমনি দেখাচ্ছে। ওর মুখ হা করা যেন নীরবে চিৎকার করছে এবং চোখ জোড়া যেন ফেটে বেরিয়ে আসতে চাইছে।

    হঠাৎ হ্যারির বুঝতে পারল যে মাকড়সাটা ওকে নিয়ে এসেছে ওটা কিছু বলছে। কি বলছে বলা কঠিন, কারণ, প্রত্যেকটি কথায় ওটা নিজের দাঁড়া ক্লিক করছে।

    আরাগগ! ওটা ডাকল। আরাগগ!

    এবং কুয়াশাচ্ছন্ন ডিমাকৃতির জালের মধ্যে থেকে, ছোটখাট হাতির সমান একটা মাকড়সা বেরিয়ে এলো খুব ধীরে ধীরে। ওটার শরীর এবং পায় জায়গায় জায়গায় সাদা হয়ে গেছে, এবং প্রত্যেকটা চোখ কুৎসিত, দাঁড়ার মাথাটা দুধের মতো সাদা। মাকড়সাটা অন্ধ।

    কি হয়েছে? দাঁড়াগুলো দ্রুত ক্লিক করতে করতে বলল।

    মানুষ, যে মাকড়সাটা হ্যারিকে ধরেছে ক্লিক করল।

    হ্যাগ্রিড? বলল আরাগগ, কাছে এসে, ওর আটটা কোমল চোখ অনিশ্চিতভাবে এদিক ওদিক ঘুরছে।

    অচেনা, ক্লিক করল যে মাকড়সাটা রনকে ধরেছে।

    মেরে ফেল, ক্লিক করল আরাগগ মেজাজ খারাপ করে বলল আরাগগ। আমি ঘুমাচ্ছিলাম…

    আমরা হ্যাগ্রিভের বন্ধু, চিৎকার করে বলল হ্যারি। মনে হচ্ছে ওর হৃৎপিন্ডটা খাঁচা ছেড়ে গলায় আঁটকে গেছে।

    ফাঁপা জায়গাটির সবদিকে দাঁড়াগুলো ক্লিক ক্লিক শব্দে নাচছে। আরাগগ একটু থামল।

    এর আগে হ্যাগ্রিড কখনো আমাদের ফাঁপাতে জায়গাটিতে মানুষ পাঠায়নি, ধীরে ধীরে বলল আরাগগ।

    হ্যাগ্রিড বিপদে পড়েছে, বলল হ্যারি, ঘন ঘন দম নিচ্ছে ও। সে কারণেই আমরা এসেছি।

    বিপদে? বর্ষীয়ান মাকড়সাটা বলল। হ্যারির মনে হলো দাঁড়ার ক্লিকের আড়ালে ও যেন দুশ্চিন্তার একটা আভাষ পেয়েছে। কিন্তু তোমাদের পাঠিয়েছে। কেন?

    হ্যারি ভাবল উঠে দাঁড়াবে কিন্তু পরক্ষণে চিন্তাটা বাতিল করে দিল; ওর মনে হয় না ওর পা ওকে দাঁড় করিয়ে রাখতে পারবে। মাটি থেকেই কথা বলল ও, যতটা সম্ভব শান্ত গলায়।

    ওরা মনে করে, স্কুলে, যে হ্যাগ্রিড ছাত্রদের ওপর কি–কিছু একটা লেলিয়ে দিয়েছে। ওরা তাকে আজকাবনে নিয়ে গেছে।

    আরাগগ তার দাঁড়া ক্লিক করল ক্ষিপ্তভাবে, আর পুরো ফাপা জুড়ে সব কয়টা মাকড়সা এ প্রদক্ষিণ করল; যেন এক ধরনের হাততালি দেয়, শুধু তফাৎ এই যে হাততালি হ্যারিকে ভয়ে অসুস্থ করে তোলে না।

    কিন্তু সেটা তো অনেক বছর আগে, বলল আরাগগ মেজাজ খারাপ করে। বছর, বছর আগে। আমার স্পষ্ট মনে আছে। সে কারণেই ওরা আমাকে স্কুল ছাড়তে বাধ্য করেছিল। ওরা বিশ্বাস করত আমিই সেই দানব যে, ওই যে ওরা যাকে চেম্বার অফ সিক্রেটস বলে, ওটাতে বাস করছে। ওরা ভেবেছিল হ্যাগ্রি চেম্বারটা খুলে আমাকে ছেড়ে দিয়েছে।

    এবং তুমি…চেম্বার অফ সিক্রেটস থেকে আসোনি? বলল হ্যারি, ওর কপালে ঠান্ডা ঘাম ছুটে গেছে।

    আমি! বলল আরাগগ, ক্রোধে ক্লিক করে। আমি ওই প্রাসাদে জন্মাইনি। আমি অনে দুরের এক দেশ থেকে এসেছি। এজন ভ্রমনকারী আমাকে হ্যাগ্রিডের কাছে দিয়েছিল তখন আমি ডিমের ভেতর ছিলাম। হ্যাগ্রিড তখন বালক, কিন্তু সে আমার যত্ন করেছে, আমাকে প্রাসাদের একটা কাবার্ডে লুকিয়ে রেখেছে, খাওয়ার টেবিলে উচ্ছিষ্ট খাইয়েছে আমাকে। হ্যাগ্রিড একজন ভাল মানুষ, আমার ভাল বন্ধু। আমার যখন খোঁজ পাওয়া গেল, এবং একটা মেয়ের মৃত্যুর জন্য দায়ী করা হলো, হ্যাগ্রিড আমাকে রক্ষা করেছে।

    তারপর থেকে আমি এই বনে বাস করছি, এখানে হ্যাগ্রিড আমার সঙ্গে দেখা করে। ও আমার জন্যে একটা বউও যোগাড় করে দিয়েছে, মোসাগ, এবং, দেখো আমাদের পরিবার কত বড় হয়েছে, সব হ্যাগ্রিডের জন্যেই সম্ভব হয়েছে,

    ওর সাহসের যতটুকু অবশিষ্ট ছিল হ্যারি সেটা একত্রে করে বলল, তাহলে তুমি কখনো কখনো কাউকে আক্রমন করনি?

    কখনো না, বিষণ্ণ কণ্ঠে বলল বুড়ো মাকড়সা। আক্রমণ করাটাই স্বভাবজাত হতো, কিন্তু হাগ্রিডের প্রতি শ্রদ্ধার নিদর্শন স্বরূপ, আমি কখনো কোন মানুষের ক্ষতি করিনি। যে মেয়েটি মারা গিয়েছিল তার মৃতদেহ বাথরুমে পাওয়া গিয়েছিল। আমি, যে কাবার্ডে বড় হয়েছি সেটা ছাড়া প্রাসাদের আর কিছুই দেখিনি। আমরা সব সময়ই অন্ধকার এবং শান্ত পরিবেশ পছন্দ করি…

    কিন্তু তাহলে…তুমি কি জান কে আসলে মেরেছে মেয়েটাকে? বলল হ্যারি। কারণ এটা যাই হোক, আবার ফিরে এসেছে এবং লোকজনকে আক্রমণ করছে

    কিন্তু ওর কথা ডুবে গেলো, জোরে জোরে অনেক দাঁড়ার ক্লিক শব্দে এবং রাগে বহু লম্বা পায়ের স্থান বদলের শব্দে; ওর চারদিকে কালো কালো সব নড়াচড়া করছে।

    যে জিনিসটা প্রাসাদের ভেতর বাস করে, সেটা একটা প্রাচীন জীব, আমরা মাকড়সারা যাকে সবচাইতে বেশি ভয় করি। আমার বেশ মনে আছে যখন আমি শুনেছিলাম ওই জটা স্কুলে মুক্ত ঘুরে বেড়াচ্ছে, তখন কিভাবে হ্যাগ্রিডের কাছে অনুনয় করেছিলাম, আমাকে ছেড়ে দেয়ার জন্যে।

    সেই জন্তুটা কি? জিজ্ঞাসা করল হ্যারি।

    আরো জোরে ক্লিক, আরো জোরে নড়াচড়ার শব্দ, মাকড়সা গুলো মনে হচ্ছে চারদিক থেকে চেপে আসছে।

    আমরা ওটার সম্পর্কে কথা বলি না। আরাগগ বলল ক্ষিপ্ত হয়ে। আমরা ওর নাম ধরি না। এমন কি আমি হ্যাগ্রিডকে পর্যন্ত এই ভয়াবহ জন্তুটার নাম বলিনি, যদিও সে আমাকে বহুবার জিজ্ঞাসা করেছে।

    হ্যারি আর বিষয়টা নিয়ে চাপ দিতে চায় না, অন্তত চারদিকে চেপে আসা মাকড়সাদের মধ্যে দাঁড়িয়ে থেকে নয়। মনে হচ্ছে কথা বলতে বলতে আরাগগ ক্লান্ত হয়ে গেছে। সে ধীরে ধীরে তার ডোমাকৃতি জালের মধ্যে ফিরে যাচ্ছে, কিন্তু অন্য মাকড়সাগুলি ইঞ্চি ইঞ্চি করে হ্যারি আর রনের দিকে এগিয়ে আসছে।

    তাহলে আমরা চলে যাচ্ছি, মরীয়া হয়ে আরাগগের উদ্দেশে বলল হ্যারি, পেছনে তখন গাছের পাতা মর্মর আওয়াজ শোনা যাচ্ছে। যাবে? বলল আরাগগ ধীরে। আমি মনে করি না…

    কিন্তু–কিন্তু

    আমার আদেশে আমার পুত্র এবং কন্যারা হ্যাগ্রিডের কোন ক্ষতি করেনি। কিন্তু আমি তো তাদেরকে তাজা মাংস খেতে বঞ্চিত করতে পারি না, বিশেষ করে সেই মাংস যদি স্বেচ্ছায় আমাদের মধ্যে ঘুরে বেড়ায়। বিদায়, হ্যাগ্রিডের বন্ধু।

    হ্যারি চট করে ঘুরে দাঁড়াল। মাত্র কয়েক ফিট দূরে ওর মাথার উপর ছাড়িয়ে গেছে মাকড়সার একটি নিরেট দেয়াল, ক্লিক করছে ধারালো দাঁড়াগুলো, কুৎসিত কালো মাথায় চকচক করছে ওদের অনেক চোখ…

    ওর জাদুদণ্ডের জন্য হাত বাড়িয়েও হ্যারি বর্পল কোন কাজে আসবে না, সংখ্যায় ওরা অনেক বেশি, মনস্থির করে লড়াই করে মৃত্যুবরণ করার জন্যে প্রস্তুত হলো সে, ঠিক তখনই জোরে একটা দীর্ঘ শব্দ হলো, এবং আলোর তীব্র রশি ফাপরি মধ্যে এসে পড়ল।

    মিস্টার উইসলির গাড়ি ঢাল বেয়ে ধেয়ে আসছে, হেডলাইট জ্বলছে, তীক্ষ্ণ স্বরে হর্ণ চিৎকার করছে, দুইদিকে মাকড়সাকে মাড়িয়ে আসছে, কিছু মাকড়সাকে চিৎ করে ফেলে, ওদের অসংখ্য পা আকাশের দিকে নড়ছে। গাড়িটা রন আর রির সামনে টায়ারের শব্দ করে থামল, সঙ্গে সঙ্গে খুলে গেল দরজা।

    ফ্যাং–কে আনে! চিৎকার করল হ্যারি, সামনের সীটে ডাইভ দিয়ে পড়ল; রন কুকুরটাকে মাঝপেটে ধরে ছুঁড়ে মারল গাড়ির ভেতরে, তখনও তীক্ষ্ণ চিৎকার করছে কুকুরটা। দড়াম করে দরজা বন্ধ হলো। রন এক্সেলেটার স্পর্শ করল না কিন্তু ওর দরকার হলো না, গাড়িটা নিজে নিজেই কাজ করে যেতে লাগল; ইঞ্জিন গর্জন করে উঠল এবং চলতে শুরু করল, আরো কয়েকটা মাকড়সা ঘায়েল হলো। ঢাল বেয়ে উপরে উঠল গাড়িটা, ফাঁপাটা থেকে বেরিয়ে এলো, এবং বনের মধ্যে দিয়ে গাছ পালার মধ্যে দিয়ে ছুটল, গাছের ডাল যেন চাবুক মারছে গাড়ির জানালায়, বুদ্ধি করে গাড়িটা সবচেয়ে বেশি ফাঁকা জায়গা দিয়ে যাচ্ছে, পথটা মনে ওর পরিচিত।

    হ্যারি পাশে রনের দিকে তাকাল। শব্দহীন চিল্কারে এখনো ওর মুখ হা করে আছে, কিন্তু এখন আর চোখ জোড়া বিস্ফোরিত হয়ে নেই।

    তুমি ঠিক আছে তো?

    রন সোজা সামনে তাকিয়ে আছে, কথা বলতে অক্ষম।

    ওরা ছুটছে ছোট ছোট গাছগুলিকে মাড়িয়ে, ফ্যাং ঘেউ ঘেউ কারে জোরে জোরে পেছনের সীটে, হ্যারি দেখ একটা ওক গাছ পেরোবার সময় সাইড আয়নাটা পট করে ভেঙ্গে পড়ে গেল। প্রবল আঁকি আর শব্দের দশটা মিনিট পেরোবার পর গাছের সংখ্যা কমে এলো, এবং হ্যারি আবার আকাশের টুকরা দেখতে পেলো।

    গাড়িটা এত হঠাৎ আমল যে ওরা প্রায় উইন্ড স্ক্রীনে হুমড়ি খেয়ে পরল। বনের প্রান্তে এসে পৌঁছাল ওরী। গাড়ি থামলে ফ্যাং লাফিয়ে জানালায় পড়ল বেরোবার জন্যে, এবং যখন হ্যারি দরজা খুলল, সে তীর বেগে বের হয়ে লেজ দু পায়ের মাঝে দিয়ে গাছের মধ্যে দিয়ে ছুটল সোজা হ্যাগ্রিডের বাড়ীর দিকে। হ্যারিও বেরিয়ে এলো, এবং মিনিট খানেক পর রন মনে হয় ওর হাতে পায়ে সাড় ফিরে পেলো এবং ওকে অনুসরণ করল, এখনও ওর ঘাড় শক্ত হয়ে আছে, অপলক তাকিয়ে রয়েছে সে। হ্যারি গাড়িটাকে কৃতজ্ঞতার চাপড় দিল, ওটা পেছন দিকে গিয়ে বনের মধ্যে অদৃশ্য হয়ে গেলো।

    অদৃশ্য হওয়ার আলখাল্লাটা নেয়ার জন্যে হ্যারি আবার হ্যাগ্রিডের কেবিনে ফিরে গেল। ফ্যাং কাঁপছে ওর বাড়িতে বসে কম্বলের নিচে। হ্যারি যখন আবার বেরিয়ে এলো তখন রন বমি করছে সাংঘাতিকভাবে।

    মাকড়সাদের অনুসরণ করো, বলল রন, দূর্বলভাবে, সার্টের হাতায় মুখটা মুছল। আমি কখনোই হ্যাগ্রিডকে ক্ষমা করবো না। ভাগ্য যে আমরা বেঁচে আছি।

    আমি বাজি ধরে বলতে পারি, হ্যাগ্রিড ভেবেছিল যে আরাগগ ওর বন্ধুদের ক্ষতি করবে না, বলল হ্যারি।

    ঠিক এটাই হ্যাগ্রিডের সমস্যা! বলল রন, কেবিনের দেয়ালে ঘুষি মেরে। এ সব সময়ই ভাবে যতটা ভাবা বা প্রচার করা হয় দানবরা ততটা খারাপ নয়, এবং দেখো এই বিশ্বাস ওকে কোথায় নিয়ে গেছে! আজকাবানের একটি সেল এ! নিয়ন্ত্রণহীনভাবে কাঁপছে এখন ঠুন। এখানে আমাদের পাঠাবার দরকারটা কি ছিল? আমরা ওখানে কি পেলাম, আমি জানতে চাচ্ছি?

    যে হ্যাগ্রিড কখনোই চেম্বার অফ সিক্রেটস খোলেনি, বলল হ্যারি, আলখাল্লাটা রনের ওপর দিয়ে ওকে জড়িয়ে ধরল যেন হাঁটতে পারে। ও নির্দোষ।

    রন জোরে নাক টানল। বস্তুত, আরাগগকে কাবার্ডে তা দিয়ে এবং ফুটিয়ে প্রতিপালন করা ওর ধারণায় নির্দোষ হওয়া নয়।

    দূর্গ–প্রাসাদের কাছে এসে হ্যারি আলখাল্লাটা ভাল করে ঠিক ঠাক করে নিল। যেন ওদের পা দেখা না যায়, তারপর ক্যাচকাঁচ করা সামনের দরজাটা সামান্য ফাঁক করল। ওরা সাবধানে এনট্রেন্স হলে গেলো, তারপর মার্বেলের সিঁড়ি দিয়ে করিডোর ধরে সাবধানে নিঃশ্বাস বন্ধ করে যেখানে যেখানে পাহারা সেখানে সতর্কতার সঙ্গে অবশেষে গ্রিফিল্ডারের কমন রুমের নিরাপত্তায় পৌঁছাল। ওখানে চুল্লীতে আগুন জ্বলে উজ্জ্বল ছাইয়ে পরিণত হয়েছে। ওরা আলখাল্লাটা খুলে নিয়ে ঘোরানো সিঁড়ি ভেঙ্গে একেবারে ওদের রুমে।

    কাপড় চোপড় না কুলেই রন সটান বিছানায় পড়ল। হ্যারির অবশ্য খুব ঘুম পায়নি। ও বিছানার কিনারায় বসে আরাগগ যা যা বলেছে সেগুলো আবার গভীরভাবে চিন্তা করল।

    যে জীবটা প্রাসাদের ভেতরে মুক্ত ঘুরে বেড়াচ্ছে, সে ভাবল, মনে হচ্ছে এক ধরনের দানব, ভোলডেমর্ট-এমন কি অন্যান্য দানবও ওটার নাম উচ্চারণ করতে চায়নি। কিন্তু ওটা যে কি, অথবা কি ভাবে ওর শিকারদের পেট্রিফাই করে এসব জানার ব্যাপারে সে আর রনও বেশিদূর এগোতে পারেনি। এমন কি হ্যাগ্রিডও জানতে পারেনি কি আছে চেম্বার অফ সিক্রেটস-এর মধ্যে।

    বিছানায় পা তুলে বালিশে হেলান দিল হ্যারি, চঁদটা টাওয়ার জানালার মধ্যে দিয়ে ওর ওপর আলো ছড়াচ্ছে।

    বুঝতে পারছে না আর কি করতে পারে ওরা। রিডল ভুল লোককে ধরেছিল, স্নিখারিনের উত্তরাধিকার বেঁচে গেছে, এবং কেউই বলতে পারে না সে কি একই ব্যক্তি অথবা ভিন্ন কোন একজন, এবার যে চেম্বার অফ সিক্রেট খুলেছে। আর কাউকে জিজ্ঞাসা করবার নেই। হ্যারি নিশ্চল হয়ে শুয়ে আছে, এখনো ভাবছে আরগণ কি কি বলেছে।

    ঘুম ঘুম লাগছিল তার, এমন সময় যেটা ওদের সর্বশেষ আশা তাই যেন। ওর মনে হঠাৎ উদয় হলো এবং সে বিছানায় উঠে বসল একেবারে শিরদাঁড়া সোজা করে।

    রন, ও অন্ধকারের মধ্যে ফিস ফিস করে ডাকল তীভাবে। রন!

    ফ্যাং-এর মতো একটা ডাক ছেড়ে জেগে উঠল রন, চারদিকে বিহ্বল দৃষ্টিতে তাকাল এবং হ্যারিকে দেখল।

    রন–ওই মেয়েটা যে মারা গিয়েছিল। আরাগগ বলেছে ওকে বাথরুমে পাওয়া গিয়েছিল, বলল হ্যারি, এক কোন থেকে আসা নেভিলের নাক ডাকা উপেক্ষা করে। সে যদি কখনোই বাথরুম ছেড়ে না গিয়ে থাকে? সে যদি এখনও ওখানেই থাকে?

    রন ওর চোখ মুছল, চাঁদের আলোয় ভ্রূ কুঞ্চন করল। এরপর সে বুঝতে পারল।

    তুমি কি ভাবছ– মোনিং মার্টলের কথা ভাবছ না তো?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য প্রিজনার অব আজকাবান (৩) – জে. কে. রাওলিং
    Next Article হ্যারি পটার এন্ড দি ফিলসফারস স্টোন (১) – জে. কে. রাওলিং

    Related Articles

    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার এন্ড দি ফিলসফারস স্টোন (১) – জে. কে. রাওলিং

    August 18, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য প্রিজনার অব আজকাবান (৩) – জে. কে. রাওলিং

    August 18, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য গবলেট অব ফায়ার (৪) – জে. কে. রাওলিং

    August 16, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য অর্ডার অব দ্য ফনিক্স (৫) – জে. কে. রাওলিং

    August 16, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য হাফ-ব্লাড প্রিন্স (৬) – জে. কে. রাওলিং

    August 16, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ডেথলি হ্যালোস (৭) – জে. কে. রাওলিং

    August 16, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }