Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য চেম্বার অব সিক্রেটস (২) – জে. কে. রাওলিং

    জে. কে. রাওলিং এক পাতা গল্প406 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০২. ডব্বির হুঁশিয়ারি

    ০২. ডব্বির হুঁশিয়ারি

    হ্যারি প্রায় চিৎকার করে উঠেছিল, অনেক কষ্টে নিজেকে সামলে নিল। বিছানার ওপর বসা ছোট্ট জীবটার বাদুরের মতো বিরাট দুটো কান আর কপালের নিচে বেরিয়ে আসা টেনিস বল সাইজের দুটো চোখ। মুহূর্তের মধ্যে হ্যারি বুঝতে পারল এটাই তাকে সকালে বাগানের ঝোপ থেকে লক্ষ্য করছিল।

    ওরা পরস্পরের দিকে পলকহীন তাকিয়ে থাকল। নিচের হল থেকে ডাডলির গলা শোনা গেল।

    আমি কি আপনাদের কোট দুটো নিতে পারি, মিস্টার অ্যান্ড মিসেস মেসন?

    জীবটা বিছানা থেকে নেমে হ্যারির উদ্দেশে এমন ঝুঁকে বো করল যে ওর দীর্ঘ সরু নাকটা মেঝের কার্পেট ছুঁয়ে ফেলল। হ্যারি খেয়াল করল ওটার পরনে বালিশের পুরনো ওয়াড়ের মতো জামা, হাত আর পায়ের জন্যে ফুটো করা।

    এই মানে–হ্যালো, বলল হ্যারি সন্ত্রস্ত হয়ে।

    হ্যারি পটার, বলল জীবটি, তীক্ষ্ণ উঁচু স্বরে, হ্যারি নিশ্চিত যে আওয়াজটা নিচতলা পর্যন্ত গেছে। এতদিন ধরে ডব্বি অপনার সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছে, স্যার … এটা এমন একটি সম্মান …।

    ধ–ধন্যবাদ, বলল হ্যারি দেয়ালের কিনারা ঘেমে এগিয়ে গিয়ে ডেস্ক চেয়ারে ডুবে গেল সে, পাশেই হেডউইগ, ওর বিরাট খাঁচায় ঘুমে বিভোর। হ্যারি জিজ্ঞাসা করতে চাইল, তুমি কি করো? কিন্তু ভাবল প্রথমেই এটা জিজ্ঞেস করা খুবই অভদ্রতা হয়ে যাবে, মত পরিবর্তন করে জিজ্ঞাসা করল, তুমি কে?

    ডব্বি, স্যার শুধু ডঝি। ডব্বি দি গৃহ-ডাইনী, বলল জীবটি।

    ওহ–তাই নাকি? বলল হ্যারি। আমি– মানে অভদ্র বা অমন কিছু হতে চাই না, কিন্তু বেড রুমে গৃহ-ডাইনী থাকার উপযুক্ত সময় আমার জন্যে এটা নয়।

    নিচের লিভিং রুম থেকে আন্ট পেতুনিয়ার উচ্চ স্বরের মেকি হাসি শোনা যাচ্ছিল। গৃহ-ডাইনী মাথা নিচু করে বসে রইল।

    হ্যারি দ্রুত বলল, তোমাকে দেখে যে আমি খুশি হইনি তা নয়, কিন্তু, মানে, এখানে আসার কি কোনো বিশেষ কারণ আছে?

    ওহ, হ্যাঁ, স্যার, আন্তরিকভাবে বলল ডব্বি। ডব্বি আপনাকে বলতে এসেছে, স্যার….বেশ মুশকিল, স্যার….ডব্বি ভাবছে কোথা থেকে শুরু করা যায়…

    বিছানাটা দেখিয়ে হ্যারি নম্রভাবে বল, বসো।

    গৃহ-ডাইনীটা সশব্দে কান্নায় ভেঙ্গে পড়ল, হ্যারি পেল ভয়।

    ওর মনে হলো নিচের কণ্ঠস্বরগুলো যেন হোঁচট খেল। ওরা বোধহয় শুনতে পেয়েছে।

    আমি দুঃখিত, ও ফিসফিস করে বলল, আমি তোমার মনে কষ্ট দিতে চাইনি।

    আমার মনে কষ্ট? গৃহ-ডাইনীর গলা বুজে এলো। ডব্বিকে কখনও কোনো উইজার্ড বসতে বলেনি তাদের সমান মনে করে—

    সশশ হ্যারি ওকে থামানোর চেষ্টা করল, সান্ত্বনা দিয়ে বিছানায় নিয়ে বসিয়ে দিল। হেঁচকি দিয়ে তখনও কান্না থামানোর চেষ্টা করছে ও। ওকে দেখতে লাগছে বড়সড় একটা কুৎসিত পুতুলের মতো। অবশেষে নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হলো সে, ওর বিশাল দুটো চোখ সজল কোমল দৃষ্টিতে হ্যারির দিকে তাকিয়ে রইল।

    বোধহয় খুব বেশি ভাল উইজার্ডের সঙ্গে তোমার সাক্ষাৎ হয়নি, ওকে চাঙ্গা করার চেষ্টায় বলল হ্যারি।

    ডব্বি ওর মাথা নাড়ল। তারপর, হঠাৎ কোনরকম আভাষ না দিয়েই সে লাফিয়ে উঠে জানালায় ওর মাথা ঠুকতে শুরু করল, সঙ্গে চিৎকার, ডব্বি খারাপ! ডব্বি খারাপ!

    না–কি করছ তুমি? লাফিয়ে উঠে ওকে আবার বিছানায় টেনে আনতে আনতে চাপা গলায় হিসহিসিয়ে বলল হ্যারি। তীক্ষ্ণ চিৎকার করে জেগে উঠে হেডউইক পাগলের মতো খাঁচার সঙ্গে ওর ডানা ঝাপটাতে লাগল।

    ডব্বির নিজেকে শাস্তি দিতে হবে, সার, ডাইনীটা বলল। ও এখন সামান্য টেরা হয়ে গেছে। ডব্বি তার পরিবার সম্পর্কে প্রায় বদনাম করে ফেলেছিল, স্যার …..।

    তোমার পরিবার?

    যে উইজার্ড পরিবারে ডব্বি কাজ করে স্যার….. ডব্বি গৃহ-ডাইনী .. চিরকালের জন্য একটি উইজার্ড পরিবারে অবশ্যই তাকে কাজ করতে হবে…

    ওরা জানে যে তুমি এখানে? জিজ্ঞাসা করল হ্যারি উৎসুক হয়ে।

    ডব্বি শিহরিত হলো।

    ওই না, স্যার, না… ডব্বির নিজেকে গুরুতরভাবে শাস্তি দিতে হবে আপনাকে দেখতে আসার জন্যে, স্যার। এর জন্যে ডব্বিকে ওভেনের দরজায় তার কান আটকে রাখতে হবে। যদি ওরা কখনও জানতে পারে, স্যার…

    কিন্তু ওভেনের দরজায় কান আটকে রাখলে কি ওরা টের পাবে না?

    এ ব্যাপারে ডব্বির সন্দেহ রয়েছে। সব সময়ই কোনো না কোনো কারণে ডব্বির নিজেকে শাস্তি দেয়ার দরকার পড়ে, স্যার। ওরা ডব্বিকে এটা করতে দেয়, স্যার। কখনও কখনও ওরা আমাকে অতিরিক্ত শাস্তি নেয়ার কথা মনে করিয়ে দেয়…।

    তাহলে তুমি ওদেরকে ছেড়ে আসো না কেন? পালাও না কেন?

    একজন গৃহ-ডাইনীকে মুক্তি দিতে হয়, স্যার। এবং ওই পরিবার কখনই ডব্বিকে মুক্তি দেবে না… ডব্বি আমৃত্যু ওই পরিবারের কাজ করে যাবে, স্যার…

    হ্যারি অপলক তাকিয়ে রইল।

    আর আমি ভাবছিলাম এখানে আরো চার সপ্তাহ আমাকে কী না কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে থাকতে হবে, বলল সে। অবশ্য এখন তোমার কাহিনী শুনে ডার্সলিদের প্রায় মানবিক বলে মনে হবে। তোমাকে কি কেউই সাহায্য করতে পারে না? আমি পারি না?

    প্রায় সঙ্গে সঙ্গে হ্যারি ভাবল, যদি সে কথা না বলত। ডব্বি আবার কৃতজ্ঞতার কান্নায় ভেঙ্গে পড়ল।

    প্লিজ, হ্যারি পাগলের মতো ফিসফিস করে বলল, প্লিজ চুপ করো। যদি ডার্সলিরা কিছু শোনে, যদি ওরা জানে তুমি এখানে…

    হ্যারি পটার জিজ্ঞাসা করছে সে ডব্বিকে সাহায্য করতে পারে কি না…ডব্বি তোমার মহানুভবতার কথা শুনেছে, স্যার, কিন্তু তোমার সদগুণের কথা কখনো জানত না…।

    হ্যারির কান গরম হতে লাগল, বলল, আমার মহানুভবতার কথা যাই শুনে থাকো না কেন সবটাই পাহাড় সমান বাজে। এমনকি আমি হোগার্টস-এ আমার ইয়ারে প্রথম পর্যন্ত হইনি, হয়েছে হারমিওন, সে…

    কিন্তু দ্রুত থেমে গেলো সে, কারণ হারমিওনের কথা ভাবা তার জন্যে বেদনাদায়ক।

    হ্যারি পটার বিনয়ী এবং ভদ্র, বলল ডব্বি শ্রদ্ধার সঙ্গে, ওর গোলাকার চোখ দুটো যেন জ্বলছে। হ্যারি পটার ওর বিজয়ের কথা বলে না, তার বিজয় তার ওপর যার নাম নিতে হয় না।

    ভেলিডেমর্ট? বলল হ্যারি।

    বাদুড়ের মতো দুটো কানের ওপর হাত চাপা দিয়ে গুঙ্গিয়ে উঠল ডব্বি, আহ, নাম নেবেন না, স্যার! নাম নেবেন না!

    সরি, হ্যারি বলল দ্রুত। আমি জানি অনেক লোক এটা পছন্দ করে না আমার বন্ধু রন…

    আবার থামল হ্যারি। ভাবল রনের কথা ভাবাটাও কষ্টকর।

    ডব্বি হ্যারির দিকে ঝুঁকল, ওর চোখ জোড়া গাড়ির হেডলাইটের মতো বিশাল।

    ডব্বি শুনেছে বলাবলি হচ্ছে, বলল সে ভাঙ্গা গলায়, অন্ধকারের লর্ডের সঙ্গে হ্যারি পটারের দ্বিতীয়বার দেখা হয়েছে, মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগে…এবং আবারো হ্যারি পটার রক্ষা পেয়েছে।

    হ্যারি সম্মতিতে মাথা নাড়ল এবং হঠাৎ করেই ডব্বির চোখ দুটো জলে চকচক করে উঠল।

    আহ, স্যার, ঘন ঘন শ্বাস নিল ডব্বি, পরনের বালিশের খোলটা দিয়ে মুখটা মুছে নিল। হ্যারি পটার সাহসী এবং বীর! ইতোমধ্যেই তিনি অনেকগুলো বিপদ সাহসের সাথে মোকাবিলা করেছেন! কিন্তু ডব্বি এসেছে হ্যারি পটারকে রক্ষা করতে, তাকে সাবধান করতে, যদি তাকে পরে ওভেনের দরজায় কান বন্ধ করে রাখতে হয় তবুও….হ্যারি পটারের কিছুতেই হোগার্টস এ ফিরে যাওয়া উচিত হবে না।

    রুমে নীরবতা নেমে এলো। শুধু শোনা যাচ্ছে নিচের তলার ছুরি কাটার শব্দ এবং আঙ্কল ভার্ননের গম গম করা গলার শব্দ।

    কি–কি? তোতলাতে শুরু করল হ্যারি পটার। কিন্তু আমাকে তো ফিরে যেতে হবে–সেপ্টেম্বরের এক তারিখে টার্ম শুরু হচ্ছে। এই স্কুলই তো আমাকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। তুমি তো জান না ওখানটায় কি-রকম। এটা আমার স্থান নয়। আমার স্থান তোমার দুনিয়ায় হোগার্টস-এ।

    না, না, না, যেন যন্ত্রণায় কাতরে উঠল ডব্বি, এতো জোরে জোরে মাথা নাড়ল যে ওর কান দুটো পাখার মতো ঝাপটালো। হ্যারি পটারকে সেখানেই থাকতে হবে যেখানে তিনি নিরাপদ। তিনি খুবই মহৎ, খুবই ভাল, তাকে হারানো যাবে না। হ্যারি পটার যদি হোগার্টস-এ ফিরে যান তবে মরণ, বিপদে পড়বেন তিনি।

    কেন? অবাক হয়ে জিজ্ঞাসা করল হ্যারি।

    একটা ষড়যন্ত্র আছে, হ্যারি পটার। হোগার্টস স্কুল অফ উইচক্রাফট অ্যান্ড উইজারডি-তে এ বছর খুব ভয়ানক সব ঘটনা ঘটানোর ষড়যন্ত্র হয়েছে। ফিস ফিস করে বলতে বলতে শিউরে উঠল ডব্বি। ডব্বি এটা কয়েক মাস ধরেই জানত, স্যার, হ্যারি পটারের নিজেকে বিপদের মধ্যে ফেলা উচিত হবে না। তিনি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

    কি ভয়ানক ঘটনা? সঙ্গে সঙ্গে জিজ্ঞাসা করল হ্যারি।

    ডব্বি একটা অদ্ভুত শব্দ করল যেন ওর গলা বুজে আসছে এবং তারপর পাগলের মতো দেয়ালে মাথা ঠুকতে শুরু করল।

    ঠিক আছে, ওর বাহু খামচে ধরে চিৎকার করল হ্যারি। আমি বুঝতে পারছি, তুমি বলতে পারছ না। কিন্তু তুমি আমাকে সাবধান করছ কেন? হঠাৎ ওর মাথায় একটা অপ্রিয় চিন্তা খেলে গেল। দাঁড়াও–ভোল–দুঃখিত–তুমি জান ইউ নো হু-এর সঙ্গে তো এর কোনো সম্পর্ক নেই, আছে? তোমাকে মুখে কিছু বলতে হবে না, শুধু মাথা নাড়লেই চলবে, ডব্বির মাথাটা আবার দেয়ালের দিকে যেতে দেখে তাড়াতাড়ি বলল হ্যারি।

    ধীরে ধীরে ডব্বি ওর মাথা নাড়ল।

    না–না, যার নাম নেয়া যায় না তিনি নন, স্যার।

    কিন্তু ডব্বির চোখ জোড়া বড় বড় হয়ে গেলো, মনে হচ্ছে ও হ্যারিকে কোনো ইঙ্গিত করতে চাচ্ছে। অবশ্য হ্যারি তখনও একেবারে অথৈ সাগরে।

    ওর তো কোনো ভাই নেই, আছে?

    মাথা নাড়ল ডব্বি, ওর চোখ আরো বড় হলো।

    বেশ, আমি কিন্তু ভাবতে পারছি না আর কার হোগার্টস-এ ভয়ংকর সব ব্যাপার ঘটানোর সামর্থ্য রয়েছে, বলল হ্যারি। মানে আমি বলতে চাইছি, ডাম্বলডোর রয়েছেন, তাদের মধ্যে একজন। তুমি জান ডাম্বলডোর কে, জান না?

    ডব্বি মাথা নোয়াল।

    আলবাস ডাম্বলডোর এ যাবৎ হোগার্টস-এর সর্বশ্রেষ্ঠ হেডমাস্টার। ডব্বি জানে স্যার। ডব্বি শুনেছে, চূড়ান্ত পর্যায়ে ডাম্বলডোরের ক্ষমতা যার নাম নেয়া উচিত নয় তার সমকক্ষ। কিন্তু স্যার, ব্যাকুল ফিস ফিস মাত্রায় নেমে এলো ডব্বির গলার স্বর, এমন সব ক্ষমতা রয়েছে যেগুলো ডাম্বলডোরও… ক্ষমতা কোনো ভাল উইজার্ডের…..

    এবং হ্যারি তাকে থামানোর আগেই, ডব্বি লাফ দিয়ে বিছানা থেকে নামল, হ্যারির টেবিল ল্যাম্পটা ছিনিয়ে নিয়ে নিজের মাথায় মারতে লাগল কান ফাটানো তীক্ষ্ণ চীৎকার করতে করতে।

    হঠাৎ নীচতলায় সব কিছু নীরব হয়ে গেল। হ্যারির হার্ট বিট বেড়ে গেল, দুসেকেন্ড পর শোনা গেল আঙ্কল ভার্নন হল রুমে এসছেন, বলছেন, নিশ্চয়ই ডাডলি আবার তার টেলিভিশন অন করে রেখেছে, নেড়ি কুত্তার বাচ্চা!

    জলদি! ওয়ার্ডরোবে! হিসহিসিয়ে বলল হ্যারি, ডব্বিকে ওটার ভেতর ঠেসে ভরল, দরজা বন্ধ করে নিজেকে বিছানার ওপর ছুঁড়ে দিল। ঠিক তখনই দরজার হ্যান্ডেলটা ঘুরতে শুরু করল।

    একেবারে হ্যারির মুখের কাছে মুখ নিয়ে দাঁত কড়মড় করে আঙ্কল ভার্নন বললেন, বদমাইশি করছিস? তুই আমার গল্পটাই মাটি করে দিলি, যেইমাত্র জাপানী গল্ফ–খেলোয়াড় জোকটার আসল জায়গায় এসেছি ঠিক তক্ষুণি সেটার বারোটা বাজিয়ে ছাড়লি…. আর একটা শব্দ যদি বের করিস তবে জন্মানোর জন্যে তোকে আফসোস করতে হবে!

    সশব্দে পা ফেলে রুম ছাড়লেন তিনি।

    কাঁপতে কাঁপতে হ্যারি ডব্বিকে ওয়ার্ডরোব থেকে বের করে আনল।

    দেখেছ এখানে কি অবস্থা? বলল সে। এবার বুঝেছ কেন আমাকে হোগার্টস-এ ফিরে যেতে হবে? ওই একটাই জায়গা রয়েছে আমার। তাছাড়া, আমার মনে হয় ওখানে আমার বন্ধুও রয়েছে।

    বন্ধু, যারা হ্যারি পটারের কাছে চিঠিও লেখে না? চতুরতার সঙ্গে বলল ডব্বি।

    আমি আশা করছি ওরা হয়তো–দাঁড়াও, বলল হ্যারি বিরক্ত হয়ে। তুমি কিভাবে জান, আমার বন্ধুরা আমাকে চিঠি লিখছে না?

    পা বদল করে দাঁড়াল ডব্বি।

    ডব্বির সঙ্গে হ্যারি পটারের রাগ করা উচিত হবে না–ডব্বি এটা ভালর জন্যেই করেছে..

    তুমি কি আমার সব চিঠি আটকে রাখছিলে?

    ডব্বির কাছেই এগুলো রয়েছে স্যার, বলল ও। দ্রুততার সঙ্গে হ্যারির আওতার বাইরে চলে এলো। পরনের বালিশের ওয়াড়টার ভেতর থেকে সে একটা এনভেলাপের গোছা বের করল। হ্যারি হারমিওনের পরিষ্কার হাতের লেখা দেখতে পেল, রনের অপরিচ্ছন্ন লেখাও বোঝা যাচ্ছে, এমন কি কিছু হিজিবিজিও দেখতে একেবারে হোগার্টস-এর গেমকিপার হ্যাগ্রিডের হাতের রেখার মতো।

    ডব্বি আগ্রহের সঙ্গে ম্যারির দিকে তাকালো।

    হ্যারি পটারের রাগ করা উচিত হবে না… ডব্বি আশা করেছিল…. যদি হ্যারি পটার ভাবেন যে তার বন্ধুরা তাকে ভুলে গেছে…. তাহলে হ্যারি পটার আর স্কুলে ফিরে যেতে চাইবেন না, স্যার…।

    হ্যারি কিছুই শুনছিল না। চিঠিগুলো নেয়ার জন্য হাত বাড়ালো, কিন্তু ডব্বি লাফিয়ে ওর নাগালের বাইরে চলে গেল।

    হ্যারি পটার চিঠিগুলো পাবেন, স্যার, যদি তিনি ডব্বিকে কথা দেন যে, তিনি আর হোগার্টস-এ ফিরে যাবেন না। আহ স্যার! আপনার এই বিপদের মুখোমুখি হওয়া ঠিক হবে না! বলুন আপনি ফিরে যাবেন না, স্যার!

    না, রেগে বলল হ্যারি, আমাকে আমার বন্ধুদের চিঠিগুলো দাও!

    তাহলে হ্যারি পটার কোনো উপায় আর রাখল না, মন খারাপ করে বলল ক্ষুদে ডাইনীটা।

    হ্যারি নড়ার আগেই, ডব্বি বেডরুমের দরজার দিকে তীর বেগে ছুটল, দরজা খুলে দৌড়ে সিঁড়ি বেয়ে নামতে শুরু করল।

    হ্যারির মুখ শুকিয়ে গেছে, পেট ভেতরে সেঁধিয়ে গেল, লাফ দিয়ে হ্যারি ওর পেছন পেছন ছুটল, তবে খেয়াল রেখেছে যেন শব্দ না হয়। সিঁড়ির শেষ তিনটা ধাপ এক লাফে পেরিয়ে সে একেবারে হলের কার্পেটের ওপর বেড়ালের মতো পড়েই চারদিকে ডব্বিকে খুঁজল। শুনতে পেল খাবার ঘরে আঙ্কল ভার্নন বলছেন, …পেতুনিয়াকে আমেরিকান জলকল-মিস্ত্রিদের সম্পর্কে সেই মজাদার গল্পটা বলুন মিঃ মেসন, ও না, শোনার জন্য একেবারে অস্থির হয়ে গেছে…

    হ্যারি দৌড়ে হলটা পেরিয়ে রান্নঘরে চলে এলো এবং তার মনে হলো দেহের মাঝখান থেকে পেটটা অদৃশ্য হয়ে গেছে।

    আন্ট পেতুনিয়ার তৈরি মাস্টারপিস একটা পুডিং, ক্রিমের পাহাড় এবং চিনি দেয়া ভায়োলেট সব ভাসছে, সিলিং এর কাছে বাতাসে ভাসছে। কোণায় একটা কাবার্ডের ওপর জড়োসড়ো হয়ে বসে আছে ডব্বি।

    না, ককিয়ে উঠল হ্যারি। প্লিজ… ওরা আমাকে মেরে ফেলবে…

    হ্যারি পটারকে বলতে হবে সে আর স্কুলে ফিরে যাবে না।

    ডব্বি…. প্লিজ…

    বলুন স্যার…

    আমি বলতে পারি না।

    ট্র্যাজিক দৃষ্টিতে ডব্বি চাইল ওর দিকে।

    তাহলে ডব্বিকে এটা করতেই হবে স্যার, হ্যারি পটারের ভালর জন্যেই।

    পুডিংটা মেঝের ওপর পড়ল কান ফাটানো শব্দে। ক্রিম ছিটকে জানালা আর দেয়াল লেপটালো। ডিশগুলো ভেঙ্গে খান খান হলো। চাবুকের একটা শপাং শব্দের মতোই অদৃশ্য হয়ে গেলো ডব্বি।

    খাবার ঘর থেকে চিৎকার শোনা গেলো, আঙ্কল ভার্নন সজোরে ঢুকে হ্যারিকে দেখে শকে জমে কাঠ, মাথা থেকে পা পর্যন্ত আন্ট পেতুনিয়ার পুডিং। প্রথমে মনে হয়েছিল আঙ্কল ভার্নন পুরো ব্যাপারটাই সামলে নেবেন (এই আমাদের ভাগ্নে খুবই বিরক্ত–অচেনা লোক দেখলে ঘাবড়ে যায়, এই জন্যে আমরা ওকে উপরতলায় থাকতে বলেছিলাম…. জাতীয় কথা দিয়ে), বিস্ময়ে পাথর মেসনদেরকে প্রায় ঠেলে আবার ডাইনিং রুমে নিয়ে যাওয়ার সময় হ্যারির হাতে ঘর মোছার একটা কাপড় গুঁজে দিয়ে তিনি বললেন মেসনদের যেতে দাও তারপর গায়ের ছাল তোলা হবে তোমার। আন্ট পেতুনিয়া ফ্রিজার থেকে আরো কিছু আইসক্রীম বের করলেন, হ্যারি তখনও কাঁপছে, রান্নাঘর পরিস্কার করতে শুরু করল।

    আঙ্কল ভার্নন তারপরও হয়তো ওর সঙ্গে একটা সমঝোতায় আসতে পারতো, যদি এই পেঁচাটা না থাকত।

    ডিনার শেষ, যেই না আন্ট পেতুনিয়া মুখশুদ্ধির জন্য মিন্টের বাক্সটা বাড়িয়ে দিয়েছে ওমনি বিরাট একটা গৃহপালিত পেঁচা ডাইনিং রুমের জানালা দিয়ে উড়ে এলো, মিসেস মেসন-এর মাথায় একটা চিঠি ছেড়ে আবার জানালা দিয়েই বেরিয়ে গেলো। অশরীরী প্রেতাত্মার মতো চিৎকার করে উঠলেন মিসেস মেসন এবং উচ্চস্বরে পাগল জাতীয় কথা বলতে বলতে দৌড়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে গেলেন। মিস্টার মেসন ততক্ষণই সেই বাড়িতে থাকলেন যতক্ষণ বলতে সময় লাগে শুধু এই কথাটা যে, তার স্ত্রী ছোট-বড় সব মাপের সকল ধরনের পাখি সম্পর্কে একেবারে প্রাণঘাতি ভয়ে ভীত এবং তাই এটা কি তাদের একটা তামাশা ছিল?

    হ্যারি দাঁড়িয়ে রইল কিচেনে, হাতে ঘর মোছার কাপড়টা দুহাতে আকড়ে ধরে আছে যেন সাহস যোগাচ্ছে, আঙ্কল ভার্নন এগিয়ে যাচ্ছে ওর দিকে, চোখে দানবীয় চাহনী।

    এটা পড়! পেঁচার আনা চিঠিটা ওর দিকে ছুঁড়ে দিয়ে দাঁতের ফাঁকে হিসিয়ে উঠলেন তিনি।

    নে পড় ওটা!

    হ্যারি চিঠিটা নিল। ওর মধ্যে জন্মদিনের কোনো শুভেচ্ছা নেই।

    প্রিয় মিস্টার পটার,
    গোয়েন্দা সূত্রে আমরা জানতে পেরেছি আপনি যেখানে থাকেন সেখানে আজ রাত নয়টা বারো মিনিটে হোভার চার্ম মায়া বিদ্যা প্রয়োগ করা হয়েছে।
    আপনি জানেন অপ্রাপ্তবয়স্ক জাদুকরদের স্কুলের বাইরে মায়া বিদ্যা প্রয়োগ করবার অনুমতি নেই এবং আপনার দিক থেকে এই বিদ্যার আরো প্রয়োগ হলে আপনাকে স্কুল থেকে বহিষ্কারও করা হতে পারে (অপ্রাপ্তবয়স্কদের মায়াবিদ্যা প্রয়োগের যুক্তিসঙ্গত নিয়ন্ত্রণ সম্পর্কিত ডিক্রি, ১৮৭৫, অনুচ্ছেদ সি)
    আমরা আপনাকে আরো স্মরণ করিয়ে দিতে চাই যে, যে কোনো জাদু তৎপরত্তা যা অ-জাদুকর সম্প্রদায় (মাগল)-এর নজরে পড়বার ঝুঁকি রয়েছে, ইন্টারন্যাশনাল কনফেডারেশন অফ ওয়ারলকস স্ট্যাটুট অফ সিক্রেসির ১৩ ধারা অনুযায়ী মারাত্মক অপরাধ।
    আপনার ছুটি উপভোগ করন!
    আপনারই একান্ত,
    মাফাল্ডা পার্ক
    ম্যাজিকের অসঙ্গত ব্যবহার সম্পর্কিত দপ্তর
    ম্যাজিক মন্ত্রণালয়

    চিঠি থেকে মুখ তুলে হ্যারি ঢোক গিলল।

    তুমি আমাদের জানাওনি যে স্কুলের বাইরে মায়া প্রয়োগ করা তোমার জন্য নিষেধ, বললেন আঙ্কল ভার্নন চোখে পাগলামির বিচ্ছুরণ স্পষ্ট। বলতে ভুলে গেছ…..তোমার মনে ছিল না ….।

    তিনি বুলডগের মতোই হ্যারির সহ্যশক্তির ওপর চেপে বসছেন, সমস্ত দাঁত মুখ খিঁচিয়ে। বেশ, তোমার জন্যে সুসংবাদ আছে…. আমি তোমাকে তালা মেরে রাখব, তুমি আর ওই স্কুলে ফিরে যাচ্ছ না…. কখনোই না…. আর তুমি যদি মায়া বিদ্যার প্রয়োগে নিজেকে মুক্ত করো তাহলে ওরাই তোমাকে স্কুল থেকে বের করে দেবে!

    উন্মাদের মতো হাসতে হাসতে তিনি হ্যারিকে টেনে হিঁচড়ে ওপরতলায় নিয়ে চললেন।

    আঙ্কল ভার্ননের কথা বলার ধরন যেমন খারাপ তেমনি মানুষটিও খারাপ। পরদিন সকালে হ্যারির জানালায় লোহার শিক লাগানোর জন্যে তিনি লোক ধরে আনলেন। তিন বেলা হ্যারিকে সামান্য কিছু খাবার যেন দেয়া যায় তার জন্যে আঙ্কল ভার্নন নিজেই বেডরুমের দরজায় চৌকো ছিদ্র করে একটা ক্যাট ফ্ল্যাপ লাগিয়ে নিলেন। সকাল-সন্ধ্যায় বাথরুম ব্যবহারের জন্যে হ্যারিকে দুবার বের হতে দেয়া হতো। এ ছাড়া চব্বিশ ঘন্টাই তাকে রুমে আটকে রাখা হতো।

    তিনদিন পরও ডার্সলিদের মধ্যে নরম হওয়ার লক্ষণ দেখা গেল না এবং হ্যারিও এই দশা থেকে বের হবার কোনো উপায় দেখতে পেলো না। বিছানায় শুয়ে শুয়ে জানালার শিকের ওপরে সূর্য অস্ত যেতে দেখে আর ভাবে ওর পরিণতি কি হবে।

    ম্যাজিক অর্থাৎ মায়া বিদ্যা প্রয়োগ করে রুম থেকে নিজেকে বের করে কি লাভ, যদি ওটা করার জন্য হোগার্টস তাকে বহিষ্কার করে? প্রিভেট-ড্রাইভে জীবন যেন থেমে গেলো। এখন ডার্সলিরা জানে যে, তাদের সকালে বাদুড় হয়ে জেগে ওঠার আশঙ্কা নেই, এই ভাবে হ্যারি তার একমাত্র অস্ত্রটি হারালো। ডব্বি হয়তো হোগার্টস-এর সম্ভাব্য ভয়ংকর ঘটনাগুলি থেকে বাঁচিয়েছে, কিন্তু যেভাবে চলছে তাতে সে হয়তো না খেতে পেয়েই মরবে।

    ক্যাট-ফ্ল্যাপটা আওয়াজ করল। আন্ট পেতুনিয়ার হাত দেখা গেল, রুমের ভেতর এক বোল টিনড–সুপ ঠেলে দিল হাতটা। হ্যারির পেট তখন জ্বলছিল খিদায়, এক লাফে বিছানা থেকে নেমে প্রায় ছিনিয়ে নিল বোলটা। স্যুপটা ঠাণ্ডা বরফ, তবুও এক চুমুকে প্রায় অর্ধেকটা সাবাড় করে দিল হ্যারি। তারপর গেল হেডউইগের খাঁচার কাছে, বোলের নিচের সব্জিগুলো ওর শূন্য ট্রেতে দিয়ে দিল। পাখা আলোড়িত করল হেডউইগ, হ্যারির দিকে তাকাল চরম বিরক্তি নিয়ে।

    মুখ ফিরিয়ে লাভ নেই, নির্মমভাবে বলল হ্যারি, ওই যা কিছু জুটেছে ভাগ্যে।

    শূন্য বোলটা এবার সে ক্যাট-ফ্ল্যাপের কাছে মেঝেতে রেখে আবার বিছানায় শুয়ে পড়ল। কেন জানি স্যুপটা খাওয়ার আগের চেয়ে এখন বেশি খিদে লাগছে।

    যদি ধরে নেয়া যায় সে চার সপ্তাহ পরও বেঁচে থাকে, এরপর যদি সে হোগার্টস-এ যেতে না পারে তাহলে কি হবে? ওরা কি কাউকে পাঠাবে তার না যাওয়ার কারণ জানার জন্যে? তারা কি ডার্সলিদের সম্মত করতে পারবে যেন তারা তাকে যেতে দেয়?

    ঘরটা অন্ধকার হয়ে আসছে। ক্লান্ত সে শ্রান্ত সে, পেট গুড় গুড় করছে, মনের মধ্যে জবাব না পাওয়া প্রশ্নগুলো বার বার ফিরে আসছে, একটা অস্বস্তি কর ঘুমের কোলে ঢলে পড়ল হ্যারি।

    সে স্বপ্ন দেখল, একটা চিড়িয়াখানার খাঁচার মধ্যে তাকে পুরে দেয়া হয়েছে, একটা বোর্ড ঝুলছে খাঁচাটায় তাতে লেখা ‘অপ্রাপ্তবয়স্ক জাদুকর’। খাঁচার শিকের ফাঁক দিয়ে বিস্ফোরিত চোখে দর্শকরা ওকে দেখছে, ও শুয়ে আছে খড়ের বিছানার উপর অভূক্ত দুর্বল। সে ভিড়ের মধ্যে ডব্বিকে দেখল, চিৎকার করে সাহায্য চাইল। হ্যারি পটার ওখানেই নিরাপদ, স্যার, বলেই ডব্বি অদৃশ্য হয়ে গেল। তারপর এলো ডার্সলিরা। ওকে দেখে ডাডলি খাঁচার শিক ধরে ঝাঁকালো, বিক্ৰপের হাসি হাসল।

    থামো, বিড় বিড় করে বলল হ্যারি। খাঁচা ঝাঁকানোর আওয়াজটা তার মাথায় যেন মুগুড় মারছে। আমাকে একা থাকতে দাও…..বন্ধ কর….আমি একটু ঘুমানোর চেষ্টা করছি….

    চোখ খুলল হ্যারি। জানালার শিকগুলোর মধ্যে দিয়ে চাঁদের আলো গলে পড়ছে। এবং শিকের ফাঁক দিয়ে কেউ একজন তার দিকে বিস্ফোরিত চোখে তাকিয়ে আছে লাল চুল, লম্বা নাক আর মেচতায় ভরা মুখের কেউ।

    হ্যারির জানালার বাইরে দাঁড়িয়ে আছে রন উইসলি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য প্রিজনার অব আজকাবান (৩) – জে. কে. রাওলিং
    Next Article হ্যারি পটার এন্ড দি ফিলসফারস স্টোন (১) – জে. কে. রাওলিং

    Related Articles

    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার এন্ড দি ফিলসফারস স্টোন (১) – জে. কে. রাওলিং

    August 18, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য প্রিজনার অব আজকাবান (৩) – জে. কে. রাওলিং

    August 18, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য গবলেট অব ফায়ার (৪) – জে. কে. রাওলিং

    August 16, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য অর্ডার অব দ্য ফনিক্স (৫) – জে. কে. রাওলিং

    August 16, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য হাফ-ব্লাড প্রিন্স (৬) – জে. কে. রাওলিং

    August 16, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ডেথলি হ্যালোস (৭) – জে. কে. রাওলিং

    August 16, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }