Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য চেম্বার অব সিক্রেটস (২) – জে. কে. রাওলিং

    জে. কে. রাওলিং এক পাতা গল্প406 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৪. ফ্লারিশ এবং ব্লটস-এ

    ০৪. ফ্লারিশ এবং ব্লটস-এ

    রনদের বাড়ি দ্য বারোতে জীবন প্রিভেট ড্রাইভের চেয়ে একেবারেই আলাদা। ডার্সলিদের পছন্দ সবকিছু হবে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন টিপটপ আর উইসলিদের বাড়িতে সব সময়ই কোনো না অদ্ভুত এবং অপ্রত্যাশিত ব্যাপার স্যাপার ঘটছে। প্রথম আঘাতটা হ্যারি পেলো যখন ও রান্নাঘরে চুল্লির উপরের তাকের উপরে রাখা আয়নাটার দিকে তাকিয়েছিল। ওটা চিৎকার করে উঠেছিল : শার্ট প্যান্টের ভেতর গুঁজে রাখ, হতচ্ছাড়া। যখনই চিলেকোঠার পিশাচটা যখন দেখতো চারদিক বেশি নীরব হয়ে গেছে তখনই হুংকার দিয়ে উঠতো আর পাইপ ফেলতো উপর থেকে।

    আর ফ্রেড ও জর্জের বেড রুম থেকে আসা ছোটখাট বিস্ফোরণের আওয়াজকে এ বাড়িতে স্বাভাবিক বলেই ধরে নেয়া হয়। রনদের বাড়িতে সবচেয়ে বেশি অস্বাভাবিক যেটা হ্যারির লাগত সেটা কথা বলা আয়নাও নয়, বা বিকট শব্দ করা পিশাচটা নয়। তার কাছে অবাক লাগত যে ওখানে সবাই তাকে বেশ পছন্দ করে।

    তার মোজার দশা দেখে মিসেস উইসলি খুৎ খুৎ করতেন। খাওয়ার বেলায় চার চারবার খাওয়া তুলে নেয়ার জন্য জোর করতেন। মিস্টার উইসলি চাইতেন হ্যারি যেন খাওয়ার টেবিলে ঠিক তার পাশে বসে। তাহলে মাগলদের জীবন সম্পর্কে তিনি ওকে অনেক রকম প্রশ্ন করতে পারবেন। জিজ্ঞাসা করতে পারবেন মাগলদের ডাক বিভাগ বা প্লাগ কিভাবে কাজ করে।

    চমৎকার! মুগ্ধ কণ্ঠে তিনি হ্যারিকে বলতেন। বিচক্ষণ, সত্যিই ম্যাজিক ছাড়াই মাগলরা যে কতভাবে দিন চালাচ্ছে।

    দ্য বারোতে আসবার সপ্তাহ খানেক পর হ্যারি হোগার্টস থেকে চিঠি পেলো। সে আর রন নিচে নাস্তার টেবিলে গিয়ে দেখে মিস্টার ও মিসেস উইসলি এবং জিনি এরই মধ্যে টেবিলে বসে গেছে। হ্যারিকে দেখা মাত্রই জিনি যেন হঠাৎ করেই পরিজের বোলটা মাটিতে ফেলে দিলো, পড়ে ওটা জোরে খ্যান খ্যান শব্দ করে উঠল। হ্যারিকে যখনই দেখে তখনই যেন জিনি কোনো না কোনো জিনিস ফেলে দেয়ার ব্যাপারে দক্ষ হয়ে উঠে। ধা করে টেবিলের নিচে চলে গেলো জিনি পরিজের বোলটা তুলে আনবার জন্য। কিন্তু যখন তখন ওর মুখটা লাল, একেবারে অস্তগামী সূর্যের আভার মতো। না দেখার ভান করে হ্যারি একটা চেয়ারে বসল, মিসেস উইসলির বাড়িয়ে দেয়া টোস্ট হাত বাড়িয়ে নিল।

    স্কুল থেকে চিঠি এসেছে, বললেন মিস্টার উইসলি। হ্যারি আর রনের দিকে বাড়িয়ে দিলেন একই রকম দেখতে পার্চমেন্টের দুটো হলুদাভ খাম, ওতে ঠিকানা লেখা সবুজ কাগজে। ডাম্বলডোর এরই মধ্যে জেনে গেছেন যে তুমি এখানে আছো হ্যারি–লোকটা কোনো কৌশলেই পিছিয়ে নেই। আমাদেরও চিঠি রয়েছে, শেষে যোগ করলেন তিনি ফ্রেড আর জর্জকে উদ্দেশ্য করে। দুজন সবেমাত্র ঢুকলো ঘরে, এখনো পড়ে রয়েছে ঘুমোবার পাজামা।

    কয়েক মুহূর্তের জন্য রান্নাঘরটা একেবারে নীরব। ওরা সকলেই ওদের চিঠি পড়ছে। হ্যারির চিঠিতে লেখা রয়েছে নিয়ম মতো তাকে সেপ্টেম্বরের ১ তারিখে কিং-ক্রস থেকে হোগার্টস এক্সপ্রেস ধরতে হবে। আগামী বছরের জন্য যেসব নতুন বই লাগবে তারও একটা তালিকা তার চিঠিতে রয়েছে।

    দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রদের দরকার হবে:

    দ্য স্ট্যান্ডার্ড বুক অফ স্পেস, গ্রেড ২–মিরান্ডা গোৰ্শেওক
    ব্রেক উইথ আ বানশিই–গিল্ডরয় লকহার্ট
    গ্যাডিং উইথ ঘাউলস–গিল্ডরয় লকহার্ট
    হলিডেজ উইথ হ্যাগস–গিল্ডরয় লকহার্ট
    ট্রাভেলস উইথ ট্রলস–গিল্ডরয় লকহার্ট
    ওয়ান্ডারিংস উইথ ওয়েরউলভস–গিল্ডরয় লকহার্ট
    ইয়ার উইথ দি ইয়েটি–গিল্ডরয় লকহার্ট

    ফ্রেড নিজের তালিকাটা শেষ করে হ্যারিরটা দেখার জন্য উঁকি দিল।

    তোমাকেও সব লকহার্ট বই কিনতে বলা হয়েছে, বলল ও। কালো জাদুর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ বিষয়ক শিক্ষক নিশ্চয়ই ওর ফ্যান–বাজি ধরে বলতে পারি ও একজন ডাইনি। এই সময় মায়ের চোখে পড়ে গেলো ফ্রেডের চোখ, অমনি সে তার প্লেটের মার্মলেড নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ল।

    বইগুলো কিন্তু খুব সস্তা হবে না, বল জর্জ, মা-বাবার দিকে এক লহমা তাকিয়ে। লকহার্ট এর বই সত্যিই বড় দামী…

    ঠিক আছে, আমরা ম্যানেজ করে নেবো, বললেন মিসেস উইসলি। কথাটা সহজভাবে বললেও কিন্তু তাকে দেখাচ্ছিল উদ্বিগ্ন। আশা করি জিনির কিছু জিনিস আমরা পুরনোই কিনতে পারবো।

    ওহো, তুমি। এবার হোগার্টস-এ ভর্তি হয়েছে কি? হ্যারি জিজ্ঞাসা করল জিনিকে।

    জিনি মাথা নাড়ল, লজ্জায় তার মুখ আগুনের শিখার মতো লাল, চুলের একেবারে গোড়া পর্যন্ত আরও লাল হয়ে গেলো। এবার সে মাখনের ডিশে কনুই ডুবিয়ে দিল। সৌভাগ্য তার যে হ্যারি ছাড়া আর কেউ এটা দেখেনি। কারণ ঠিক সেই মুহূর্তে রনের বড় ভাই পার্সি ঢুকল রুমে। সে ইতোমধ্যেই কাপড় চোপড় পরে রেডি, তার হোগার্টস-এর প্রিফেক্ট ব্যাজটা বুকে লাগালো।

    সুপ্রভাত, সকলকে, দ্রুত বলল পার্সি। চমৎকার দিন। টেবিলে একটি মাত্র চেয়ার খালি ছিল ওখানেই বসল পার্সি। বসেই আবার লাফ দিয়ে উঠল তার চেয়ার থেকে নতুন পালক ঘসা, ধূসর রঙের একটা ডাস্টার হাতে তুলে নিল–মানে হ্যারি ওই জিনিসটাকে যা ভেবেছিল আর কি, যতক্ষণ না দেখল যে ওটা নিঃশ্বাস নিচ্ছে।

    এরল! চেঁচিয়ে উঠল রন, খোঁড়া পেঁচাটাকে পার্সির হাত থেকে নিয়ে। ওটার পাখার নিচে থেকে একটা চিঠি বের করল রন। অবশেষে সে হারমিওন-এর জবাব নিয়ে এলো। আমি ওকে লিখেছিলাম ডার্সলিদের ওখান থেকে তোমাকে উদ্ধারের চেষ্টা আমরা করবো।

    ভেতরের দরজার পাশেই টুপি রাখার লম্বা পার্চে এরলকে দাঁড় করানোর চেষ্টা করল ও, কিন্তু এরল পড়ে গেলো পার্চ থেকে। রন ওকে নিচে বোর্ডে শুইয়ে রাখল বরং। স্বগোক্তি করল, দুঃখজনক। তারপর হারমিওনের চিঠিটা খুলে রন জোরে জোরে পড়তে শুরু করল :

    প্রিয় রন এবং হ্যারি,
    যদি তুমি ওখানে থাকো, আশা করছি সব কিছুই ঠিক মতো হয়েছে ও হ্যারি ভালই আছে এবং ওকে বের করে আনতে গিয়ে তোমরা বেআইনি কিছু করোনি। কারণ তাহলে হ্যারিকেও সমস্যায় পড়তে হবে। আমি খুবই উদ্বিগ্ন ছিলাম এবং যদি হ্যারি ভাল থাকে, তুমি কি আমাকে সঙ্গে সঙ্গে জানাবে, রন, প্লিজ। অবশ্য ভাল হয় যদি তোমরা ভিন্ন একটা পেঁচা ব্যবহার করে, কারণ আমার বিশ্বাস আর একটি চিঠি দিতে গেলে তোমারটা একেবারে শেষ হয়ে যাবে।
    আমি খুবই ব্যস্ত, অবশ্যই স্কুলের কাজ নিয়ে।

    কিভাবে পারে ও? অবাক হয়ে বলল রন। আমরা তো ছুটিতে।

    আগামী বুধবার আমরা লন্ডনে যাচ্ছি আমার নতুন বই কিনতে। আমরা কেন ভায়াগন অ্যালিতে মিলিত হই না?
    যত তাড়াতাড়ি পারো আমাকে সব জানাও।
    ভালবাসাসহ,
    হারমিওন।

    বেশ, চমৎকারভাবে মিলে গেলো, আমরাও ওইদিনই গিয়ে তোমাদের সব জিনিস কিনে আনতে পারি, বললেন মিসেস উইসলি, টেবিল পরিষ্কার করতে করতে। আজ তোমরা সব কি করছো?

    হ্যারি, রন, ফ্রেড আর জর্জ প্ল্যান করছিল ঢাল বেয়ে ওপরে উঠবে, যেখানে উইসলিদের ছোট্ট একটা ঘোড়দৌড়ের মাঠ রয়েছে। মাঠটার চারদিকে গাছ দিয়ে ঘেরা। নিচের গ্রামগুলো থেকে ঐ মাঠের কিছুই দেখা যায় না। তার মানে, ওরা ওখানে কিডিচ প্র্যাকটিস করতে পারবে, যতক্ষণ না খুব বেশি ওপরে উঠছে। ওরা সত্যিকারের কিডিচ বল ব্যবহার করতে পারবে না; বিশেষ করে বলগুলো যদি খুবই উঁচুতে উঠে একেবারে গ্রামের ওপর দিয়ে উড়ে যায় তাহলে গ্রামবাসীদের কাছে ব্যাপারটা ব্যাখ্যা করাই কঠিন হয়ে পড়বে। তার চেয়ে তারা আপেল ব্যবহার করবে লোফালুফি করার জন্য। ওরা পালাক্রমে হ্যারির নিম্বাস দুই হাজার ঝাড়ুলাঠি ব্যবহার করে, ওটাই সবচেয়ে ভাল ঝাড়ুলাঠি; রনের পুরনো শ্যুটিং স্টার এতো স্লো যে মাঝে মাঝে প্রজাপতিরাই হারিয়ে দেয়। ওটা খুবই স্লো।

    পাঁচ মিনিট পর ওরা ঢাল বেঁয়ে মার্চ করে উপরে উঠতে শুরু করলো, কাঁধে ঝাড়ুলাঠি। ওদের সঙ্গে যোগ দেয়ার জন্য পার্সিকেও বলা হয়েছিল, কিন্তু ও বলল ও অনেক ব্যস্ত। এখন পর্যন্ত হ্যারি পার্সিকে শুধু খাবার সময়ই দেখেছে, অন্য সময় সে তার দরজা বন্ধ করেই থাকে।

    আমি যদি জানতে পারতাম ও কি করছে ওখানে, কুঁচকে বলল ফ্রেড। ও আর ওর মধ্যে নেই। তোমার আসার একদিন আগে ওর পরীক্ষার রেজাল্ট বের হয়েছে; বারোটা ও, ডব্লিউ. এল, ওর আত্নতৃপ্তির কোনো অবকাশ ছিল না।

    ও. ডব্লিউ. এল মানে অর্ডিনারী উইজার্ডিং লেভেল অর্থাৎ সাধারণ জাদু মান, হ্যারির বিভ্রান্ত দৃষ্টি দেখে জর্জ ব্যাখ্যা করে বুঝিয়ে দিল। বিলও বারো পেয়েছে। আমরা যদি এখন থেকেই সাবধান না হই তবে পরিবারে আরও একজন হেড বয় পেয়ে যেতে পারি। আমার মনে হয় না আমি লজ্জায় মুখ দেখাতে পারতাম। তামাশা করেই জর্জ কথাটা বলল। পার্সি ছিল ক্লাশের হেড বয়। হ্যারি এখন বুঝতে পেরেছে পার্সি কেন তার রুম থেকে বের হয় না।

    বিল হচ্ছে উইসলি ভাইদের মধ্যে সবচেয়ে বড়। সে আর তার পরের ভাই চার্লি এরই মধ্যে হোগার্টস থেকে বেরিয়ে এসেছে। হ্যারির সঙ্গে কারো সাক্ষাৎ হয়নি মানে যে চার্লি রোমানিয়ায়, ড্রাগন সম্পর্কে পড়াশোনা করছে, আর বিল করেছে মিশরে, ওখানে জাদুকরদের ব্যাংক গ্রিংগটস-এ কাজ করে।

    কিছুক্ষণ পর জর্জ বললো, এ বছর আমাদের স্কুলের জিনিসপত্র মা-বাবা যে কিভাবে কিনবে সেটাই আমার মাথায় আসছে না। লকহার্ট-এর বইয়ের পাঁচ পাঁচটি সেট। এছাড়াও রয়েছে জিনির রোব, একটা জাদুর কাঠি এবং সব কিছুই…।

    হ্যারি কিছু বলল না। একটু বিব্রত হলো। লন্ডনের গ্রিংগট-এ ভূ-গর্ভের ভল্টে তার মা-বাবা তার জন্য অল্প একটু সম্পদ রেখে গেছেন। অবশ্য একমাত্র জাদুকরদের দুনিয়ায় তার কিছু অর্থ রয়েছে, মাগলদের দোকানে গ্যালিয়ন, সিকল এবং নস্টস এসব যাদুকরদের মুদ্রা সে ব্যবহার করতে পারবে না। ডার্সলিদের কাছেও কখনোই তার গ্রিংগটস অ্যাকাউন্টের কথা বলেনি। সে মনে করে না যে ম্যাজিকের দুনিয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত তাদের আতঙ্ক শেষ পর্যন্ত সোনার একটা বড় স্তূপ পর্যন্ত গড়াবে। তারা নিশ্চয়ই ভাবতে পারে না যে হ্যারির কোনো উত্তরাধিকারী সম্পদ আছে।

    ***

    পরের বুধবার মিসেস উইসলি তাদের সবাইকে সকালে ঘুম থেকে তুলে দিলেন। প্রত্যেকে দ্রুত অর্ধ ডজন বেকন স্যান্ডউইচ দিয়ে নাস্তা সারল। কোট পরল। মিসেস উইসলি রান্নাঘরের চুল্লির ওপরের তাক থেকে একটা ফুলের টব নামালেন। ভেতরে দেখলেন। কমে গেছে আর্থার, দীর্ঘশ্বাস ফেললেন মিসেস উইসলি। আজ আবার কিনতে হবে… আহ বেশ, সবাই তৈরি। প্রথমে মেহমান! তোমার পরে হ্যারি ডিয়ার!

    তিনি ফুলের টবটা হ্যারির দিকে বাড়িয়ে দিলেন।

    হ্যারি অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকল। সবাই ওকে দেখছে।

    আমি–মানে–আমাকে–কি–কি–করতে হবে? তোতলাতে তোতলাতে বলল হ্যারি।

    ও কখনো ফ্লু পাউডার ব্যবহার করে যাতায়াত করেনি বলল রন। দুঃখিত হ্যারি, আমি ভুলে গিয়েছিলাম।

    কখনোই না? বললেন মিস্টার উইসলি। কিন্তু গত বছর ডায়াগন অ্যালিতে স্কুলের জিনিসপত্র নিয়েছিলে কিভাবে?

    আমি টিউবে করে গিয়েছিলাম

    সত্যি? আগ্রহভরে জিজ্ঞাসা করলেন মিস্টার উইসলি।

    ওখানে কি এসকেপেটার রয়েছে? ঠিক কিভাবে– এখন নয় আর্থার; বললেন মিসেস উইসলি। ফ্লু পাউডার দিয়ে অনেক বেশি দ্রুত যাওয়া যায় ডিয়ার, কিন্তু হায় আমার কপাল, তুমি যদি আগে কখনো ব্যবহার না করে থাকো!

    ও ঠিক হয়ে যাবে মাম, বলল ফ্রেড। হ্যারি, প্রথমে আমাদের দেখো।

    ফুলের টব থেকে এক চিমটি চকচকে পাউডার নিল সে, ফায়ারপ্লেসের আগুনের কাছে এগিয়ে গেলো এবং পাউডারটা আগুনের মধ্যে ছুঁড়ে ফেলল।

    একটা গর্জন করে, আগুনটা পান্নার মতো সবুজ হয়ে গেলো এবং উঁচু হয়ে গেলো ফ্রেড-এর চেয়েও বেশি। সে সোজা আগুনের মধ্যে ঢুকে গেলো, চিৎকার করল ডায়াগন অ্যালি। এবং অদৃশ্য হয়ে গেলো।

    তোমাকে খুব পরিষ্কারভাবে গন্তব্যের নামটা উচ্চারণ করতে হবে, ডিয়ার, হ্যারির উদ্দেশে বললেন মিসেস উইসলি। জর্জ এবার এক টিপ পাউডার নিল। এবং মনে রেখো তোমাকে সঠিক উনুনটাতে নামতে হবে

    সঠিক কি? ঘাবড়ে গিয়ে প্রশ্ন করলো হ্যারি। আগুন ততক্ষণে গর্জন করে জর্জকেও চোখের আড়ালে অদৃশ্য করে ফেলেছে।

    মানে তুমি তো জান অনেকগুলো জাদুআগুন রয়েছে যেগুলোর মধ্য থেকে তোমাকে সঠিকটা বাছাই করতে হবে। কিন্তু যতক্ষণ তুমি পরিষ্কারভাবে শব্দগুলো উচ্চারণ করছ–

    ওর কোনো অসুবিধা হবে না জনি, অস্থির হয়ো না, ফ্লু পাউডার নিতে নিতে স্ত্রীর উদ্দেশে বললেন মিস্টার উইসলি।

    কিন্তু ও যদি হারিয়ে যায় আমরা ওর আঙ্কল আন্টিকে কি বলে বোঝাবো?

    ওরা কিছু মনে করবে না; হ্যারি তাকে নিশ্চিত করলো। আমি যদি চিমনির মধ্যে হারিয়ে যাই তবে ডাডলি ভাববে এটা একটা তুখোড় জোক, ও নিয়ে আপনারা চিন্তা করবেন না।

    বেশ… ঠিক আছে তবে… তুমি তাহলে আর্থারের পরে যাবে, বললেন মিসেস উইসলি। আগুনে প্রবেশ করার পর, তোমাকে বলতে হবে তুমি কোথায় যাচ্ছো

    আর তোমার কনুই দুটো গায়ের সঙ্গে লাগিয়ে রাখবে, রনের উপদেশ।

    আর চোখ একদম বন্ধ রাখবে, বললেন মিসেস উইসলি। কালিঝুলি…

    অস্থির হয়ে নড়াচড়া করবে না, বলল রন। ভুল ফায়ারপ্লেস দিয়ে বেরিয়ে আসার সম্ভাবনা রয়েছে।

    কিন্তু ভয়ে ভীত হয়েও আবার আগে ভাগে বেরিয়ে গেলে কিন্তু…, ফ্রেড এবং জর্জকে না দেখা পর্যন্ত অপেক্ষা করবে।

    এতসব উপদেশ মনে রাখার প্রাণপণ চেষ্টা করতে করতে এক টিপ ফ্লু পাউডার নিয়ে হ্যারি আগুনের কিনারায় দাঁড়াল। সে একটা গভীর শ্বাস নিল। পাউডার ছিটিয়ে দিল আগুনে। সামনে পা বাড়ালো। আগুনটাকে মনে হলো গরম বাতাস। মুখ খুলতেই এক দলা গরম ছাই ওর মুখের ভেতর প্রবেশ করল।

    ও-ডায়াগন অ্যালি, বলতে বলতে কেঁদে ফেলল হ্যারি। মনে হলো তাকে কে যেন বিশাল একটা নালীর মধ্যে টেনে নামাচ্ছে। তীব্র গতিতে পাক খাচ্ছে সে… কান ফাটানো গর্জন চোখ খোলা রাখার চেষ্টা করলো কিন্তু সবুজ অগ্নিশিখার ঘূর্ণি দেখে তার অসুস্থ বোধ হলো–কনুইয়ে কোনকিছু খুব জোরে লাগল, সে পাক খাচ্ছে, পাক খাচ্ছে…. এখন মনে হচ্ছে যেন ঠাণ্ডা হাত তার মুখে চাপড় মারছে… জোড়া ট্যারা করে চশমার ভেতর দিয়ে সে দেখলো ফায়ারপ্লেসের ঝাপসা স্রোত এবং পেছনে অনেকগুলো রুম–পেটের ভেতর তার বেকন স্যান্ডউইচ মথিত হচ্ছে আবার চোখ বন্ধ করে ভাবল থামার কথা পরক্ষণেই সে ধড়াস করে পড়ে গেলো উপুড় হয়ে ঠাণ্ডা পাথরের ওপর এবং চশমার কাঁচ দুটো ভেঙে চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে গেলো।

    মাথা ঘুরছে, ক্ষতবিক্ষত হ্যারি। পুরো শরীর চিমনীর কালিতে লেপা। ভাঙা চশমা চোখে ধরে সতর্কতার সঙ্গে উঠে দাঁড়াল। একেবারেই একা। কিন্তু কোথায়? এ সম্পর্কে বিন্দুমাত্র ধারণা নেই। সে একটা পাথরের তৈরি ফায়ারপ্লেস-এ দাঁড়িয়ে, বড় সড় উইজার্ড শপ-এর মাঝখানে। দোকানটায় আলো জ্বলছে টিম টিম করে। কিন্তু এখানে এমন কিছু নেই যা কিনা ওর হোগার্টস স্কুলের কাজে লাগাতে পারে।

    কাছেই কাঁচের কেস-এ রয়েছে কুশনের ওপর বিবর্ণ একটি হাত। রক্ত মাখানো এক প্যাকেট তাস। অপলকে তাকিয়ে থাকা কাঁচের একটি চোখ। দেয়াল থেকে ঝুলছে শয়তানের মতো সব মুখোশ, কাউন্টারে রয়েছে মানুষের বাছাই করা হাড়গোড় এবং সিলিং থেকে ঝুলছে মরচে পড়া তীক্ষ্ণ শলাযুক্ত যন্ত্রপাতি। সবচেয়ে খারাপ দিকটি হলো দোকানটার জানালার ধূলি ধূসরিত কাঁচের মধ্য দিয়ে বাইরে তাকিয়ে হ্যারি যা দেখলো সেটা আর যাই হোক কিছুতেই ডায়াগন অ্যালি নয়।

    এখান থেকে যত তাড়াতাড়ি বেরনো যায় ততই মঙ্গল। পতনের ফলে থেতলে যাওয়া নাকটা তখনো জ্বলছে, নীরবে দ্রুততার সঙ্গে হ্যারি দরজার দিকে এগোলো, কিন্তু দরজার অর্ধেক পথ যাওয়ার আগেই, কাঁচের ওপারে দুজন লোককে দেখা গেল তাদের মধ্যে একজনকে দেখে সে চমকে উঠল। পথ হারিয়ে কালি লেপা আর ভাঙা চশমা পরা অবস্থায় যদি কারো সামনে পড়তে চায় তবে সে হবে সব শেষ ব্যক্তি : তার নাম ড্র্যাকো ম্যালফয়।

    চারদিকে তাকিয়ে হ্যারি বাঁয়ে বড়সড় কালো একটা আলমারী দেখতে পেলো। চট করে ওটার ভেতরে ঢুকেই দরজা টেনে দিল একটু খানি ফাঁক রেখে, যেন সে বাইরে দেখতে পায়। মুহূর্ত পরেই, দরজার বেল বেজে উঠল। দরজা খুলে কেউ ঢুকলে বা বের হলে ঘণ্টা বাজে। হ্যারি তাকালো দরজার দিকে। ম্যালফয়, হ্যাঁ ম্যালফয় ঢুকল দোকানে। যেখানে বাঘের ভয় সেখানেই রাত পোহায়।

    পেছনের লোকটি ওর বাবা না হয়েই যায় না। একই রকম ফ্যাকাসে চোখা চেহারা এবং অভিন্ন ঠাণ্ডা ধূসর চোখ। মিস্টার ম্যালফয় দোকানের ভেতরটা ঘুরে ফিরে দেখছেন। নেড়ে চেড়ে ঝোলানো জিনিসগুলো এদিক ওদিক দেখলো। দোকানী ভেতরে তাই মিস্টার ম্যালফয় কাউন্টারের বেলটা বাজালো, তারপর ঘুরে পুত্রের দিকে তাকিয়ে বললেন, কিছুই ধরবে না, ড্র্যাকো।

    ম্যালফয়, কাঁচের চোখটার দিকে হাত বাড়িয়ে বলল, আমি ভেবেছিলাম তুমি আমাকে একটা গিফট কিনে দেবে।

    আমি বলেছি আমি তোমাকে একটা রেসিং ঝাড়ুলাঠি কিনে দেবো, আঙুলগুলো কাউন্টারের ওপর বাজাতে বাজাতে বললেন তার বাবা।

    আমি যদি হাউজ টিমেই জায়গা না পাই, তবে ওটা আর কোন কাজে লাগবে? গাল ফুলিয়ে বলল ম্যালফয়, ওর মেজাজ বেশ চড়ে গেছে। গত বছর হ্যারি পটার একটা নিম্বাস দুই হাজার পেয়েছে। ডাম্বলডোরের কাছ থেকে বিশেষ অনুমোদনে, যেন সে গ্রাইফিন্ডর-এর পক্ষে খেলতে পারে। সে অত ভালোও খেলে না যেহেতু সে বিখ্যাত… বিখ্যাত ওর কপালের ওই স্টুপিড দাগটার জন্যে…

    মাথার খুলি ভরা একটা তাকে ভাল করে দেখবার জন্যে ম্যালফয় ঝুঁকলেন।

    …সবাই ভাবে সে খুব স্মার্ট, চমৎকার পটার কপালের দাগ আর ঝাড়ু লাঠিটা নিয়ে…

    কথাটা তুমি আমাকে ইতিমধ্যেই বহুবার বলেছ, দৃষ্টিটা মিস্টার ম্যালফয়ের শাসনের। আমি তোমাকে মনে করিয়ে দিতে চাই–হ্যারি পটারকে পছন্দ না করাটা বিচক্ষণতার লক্ষণ নয়, বিশেষ করে আমাদের মতো যারা তাকে যখন হিরো গণ্য করে যে কিনা অন্ধকারের প্রভুকে অদৃশ্য হয়ে যেতে বাধ্য করেছিল। তারপর কাউন্টারের দিকে আসা লোকটিকে দেখে বলল,

    আ মিস্টার বর্গিন।

    কাউন্টারের পেছনে যে লোকটি এসে দাঁড়ালো সে সামনের দিকে একটু ঝুঁকে হাঁটে। তেলালো চুলগুলো হাত দিয়ে সমান করছে সে।

    মিস্টার ম্যালফয়, আবার আপনাকে দেখে আনন্দিত হলাম, বলল মিস্টার বর্গিন তার তেলালো চুলের মতোই মসৃণ কণ্ঠস্বরে। সত্যিই আনন্দিত এবং মাস্টার ম্যালফয়কে দেখেও একেবারে মুগ্ধ। আপনাকে কিভাবে সাহায্য করতে পারি? আপনাকে দেখানো দরকার, আজই এসেছে, দামেও সস্তা

    আমি আজ কিছু কিনছি না মিস্টার বর্গিন, আমি আজ বিক্রি করবো, বললেন মিস্টার ম্যালফয়।

    বিক্রি করবেন? মিস্টার বর্গিনের মুখ থেকে আলগা হাসিটা মুছে গেলো।

    তুমি নিশ্চয়ই শুনেছ, মন্ত্রণালয় আরও তল্লাশি চালাবে, বললেন মিস্টার ম্যালফয়, পকেট থেকে পার্লামেন্টের একটা রোল বের করে মিস্টার বর্গিনের পড়ার জন্য মেলে ধরলেন।

    বাড়িতে আমার অল্প কিছু জিনিস রয়েছে, মন্ত্রণালয় তল্লাশি চালাতে এলে যেগুলোর জন্য আমি বিব্রতবোধ করতে পারি মানে যদি ওরা আসে…। নাকের আগায় চশমাটা বসালেন মিস্টার বর্গিন। লম্বা তালিকাটা দেখলেন।

    মন্ত্রণালয় আপনাকে সমস্যায় ফেলার কথা ভাববেও না স্যার নিশ্চিতভাবেই?

    মিস্টার ম্যালফয়-এর ঠোঁট বাঁকানো।

    এখনও আমার এখানে ওরা আসেনি। ম্যালফয় নামটাই এখনও যথেষ্ট সম্মানের। তারপরও বলা তো যায় না, মন্ত্রণালয় দিন দিন নাক গলানো স্বভাবের হয়ে যাচ্ছে। একটা নতুন মাগল রক্ষা আইনের কথা শোনা যাচ্ছে সন্দেহ নেই সেই মাছি-কামড়ানো বোকাটা আর্থার উইসলি এর পেছনে রয়েছে

    মিস্টার মালফয়ের কথা শুনে হ্যারির ভেতরটা রাগে উত্তপ্ত হলো।-এবং এই যে দেখো এর কয়েকটি বিষ দেখে এমন মনে হতে পারে যে…

    বুঝতে পারছি, স্যার, নিশ্চয়ই, বললেন মিস্টার বর্গিন।

    আচ্ছা আমি দেখছি

    আমি কি ওটা পেতে পারি? ড্র্যাকো ওদের কথায় বাধা দিল। কুশনের ওপর অদৃশ্য হয়ে যায় এমন একটি হাত দেখিয়ে বলল ও।

    আহ, সেই গৌরবের হাত! বলল মিস্টার বর্গিন, মিস্টার ম্যালফয়ের তালিকাটা ছেড়ে দ্রুত পায়ে ড্র্যাকোর কাছে চলে গেলেন। একটা মোমবাতি ঢোকাও তাহলে যে ধরে আছে শুধু তাকেই ওটা আলো দেবে! চোর এবং লুটেরাদের সবচেয়ে ভালো বন্ধু! আপনার ছেলের পছন্দ আছে, স্যার

    আমি আশা করি আমার ছেলে চোর এবং লুটেরার চেয়ে বেশি মূল্য পাবে মিস্টার বর্গিন, কঠিন শীতল স্বরে বললেন মিস্টার ম্যালফয়। তাড়াতাড়ি মিস্টার বর্গিন বললেন, অপরাধ নেবেন না, স্যার, আমি আপনার মনে আঘাত করতে চাইনি

    যদি ওর স্কুলের ফলাফল আর উন্নত না হয়, বললেন মিস্টার ম্যালফয়, কণ্ঠস্বর আরও শীতল, ও হয়তো তবে এটা ওরই উপযুক্ত হবে।

    আমার দোষ কী! প্রতিবাদ করল ড্র্যাকো। সব টিচারেরই প্রিয় ছাত্র থাকে, ওই হারমিওন গ্রেঞ্জারটা

    আমি ভেবেছিলাম, একটা মেয়ে, যে কোন জাদুকর পরিবার থেকে আসেনি। তোমাকে প্রতিটি পরীক্ষা হারিয়ে দিচ্ছে এতে তুমি লজ্জিত হবে, যেন চাবুক মারলেন মিস্টার ম্যালফয়।

    হ্যা! দম আটকেও কোনো শব্দ না করে বলল হ্যারি, ও খুব খুশি ড্র্যাকোকে বিব্রত এবং রাগ হতে দেখে।

    সব জায়গাই এক রকম, বললেন মিস্টার বর্গিন তার তেলালো স্বরে। যাদুকরদের রক্ত এখন সবখানে কম মূল্য পাচ্ছে

    আমার কাছে না, বললেন মিস্টার ম্যালফয়, তার লম্বা নাক দুটো স্ফুরিত হচ্ছে।

    না, স্যার, আমার কাছেও নয় স্যার, মিস্টার বর্গিন কুর্নিশ করে বললেন।

    তাহলে, আমরা, আমার তালিকায় আবার ফিরে যেতে পারি। বললেন মিস্টার ম্যালফয়। আমরা একটু তাড়া আছে, বর্গিন, আমাকে অন্যত্র গুরুত্বপূর্ণ কাজ সারতে হবে আজ।

    ওরা দুজন দরকষাকষি শুরু করল। এদিকে ড্র্যাকো বিক্রির জন্য রাখা জিনিসগুলো দেখতে দেখতে হ্যারি যেখানে লুকিয়ে ছিল সেখানে সে এগুচ্ছে। ব্যাপারটা হ্যারি লক্ষ্য করছে আর সন্ত্রস্ত হয়ে উঠছে। একটা ফাঁসির দড়ির কয়েল পরীক্ষা করার জন্য ও থামল। নির্বোধের মতো আত্মতৃপ্তির হাসি হেসে ড্র্যাকো বর্ণালি পাথরের তৈরি চমৎকার নেকলেস থেকে উঁকি দেয়া কার্ডটা পড়ল : সাবধান : ধরবেন না। অভিশপ্ত এখন পর্যন্ত উনিশজন মাগল যারা এর মালিক ছিল, তাদের জীবন নিয়েছে।

    ড্র্যাকো ঘুরে দাঁড়ালো, ঠিক ওর সামনেই আলমারীটা ও দেখতে পেলো। সামনের দিকে এগোলো… হাত বাড়ালো হ্যান্ডলটা ধরার জন্য। আলমারীর ভেতর হ্যারির দম বন্ধ হয়ে এলো। ঘেমে উঠেছে সে।

    হয়ে গেলো, কাউন্টারে বললেন মিস্টার ম্যালফয়। এসো, ড্র্যাকো।

    ড্র্যাকো ঘুরে দাঁড়াতেই হ্যারি জামার হাতায় ঘাম মুছল।

    আচ্ছা চলি, শুভদিন, মিস্টার বর্গিন, কাল তোমাকে আমি বাসায় আশা করবো, জিনিসগুলো নিয়ে আসার জন্য।

    ওদের পেছনে দরজাটা বন্ধ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মিস্টার বর্গিনের চেহারা থেকে তোয়াজ করবার ভাবটা উবে গেলো।

    আপনাকেও শুভ দিন মিস্টার ম্যালফয়, এবং যা শুনছি তা যদি সত্যি হয়। আপনার বাড়িতে যা লুকানো রয়েছে তার অর্ধেকও আপনি আমার কাছে বিক্রি করেননি…

    বিড় বিড় করতে করতে পেছনের রুমে অদৃশ্য হয়ে গেলেন মিস্টার বর্গিন।

    হ্যারি মিনিটখানেক অপেক্ষা করল, বলা তো যায় না, আবার যদি ফিরে আসে, তারপর, যত নিঃশব্দে সম্ভব আলমারিটা থেকে সে বের হয়ে দোকানের বাইরে রাস্তায় চলে এলো।

    ভাঙা চশমাটা মুখের ওপর চেপে ধরে ও চোখ মেলে চারদিকে তাকালো। মনে হচ্ছে সে একটা পুরনো মলিন গলিতে উঠে এসেছে, চারদিকের সবগুলো দোকানেই কালা জাদুর জিনিসপত্র। এই দোকানগুলোর মধ্যে যেটা থেকে সে এইমাত্র বেরিয়ে এসেছে–বর্গিন অ্যান্ড বার্কস মনে হচ্ছে সবচেয়ে বড়। কিন্তু এর উল্টো দিকে জঘন্য একটা জানালায় দেখা যাচ্ছে সংকুচিত সব মাথার খুলি। এর দুই দোকান পরে বিরাট এক খাঁচাভর্তি দৈত্যাকার কালো মাকড়সা। একটা দরজায় আড়াল থেকে মলিন বেশের দুই জাদুকর ওকে লক্ষ্য করছে, নিজেদের মধ্যে বিড়বিড় করে কি যেন বলছে। নার্ভাস হয়ে পড়ছে হ্যারি, দ্রুত হাঁটতে শুরু করল। নিরাশার মধ্যেও আশা করছে সে এখান থেকে বেরিয়ে যাওয়ার একটা পথ খুঁজে পাবে।

    বিষাক্ত মোমবাতি বিক্রির একটা দোকানের ওপর ঝুলে থাকা বোর্ড থেকে জানতে পারল ও নকটার্ন অ্যালিতে রয়েছে। এতে অবশ্য ওর কোনো সাহায্য হলো না, কারণ বাপের জন্মেও হ্যারি এই জায়গার নাম শোনেনি। এখন ওর মনে হচ্ছে মুখে ছাই থাকায় ও উইসলিদের আগুনে প্রবেশ করে পরিষ্কার করে রাস্তার নামটা বলতে পারেনি। নিজকে স্থির রাখার চেষ্টা করল ও, ভাবছে কি করা যায়।

    তুমি কি পথ হারিয়েছ, ডিয়ার? কানের কাছে কেউ যেন বলল, চমকে লাফিয়ে উঠল হ্যারি।

    ওর সামনে দাঁড়িয়ে একজন বয়স্ক ডাইনি, তার হাতে আঙুলের নখ ভর্তি একটা ট্রে। ভয়ঙ্কর দেখতে, ঘোলাটে হলুদ দাঁত বের করে নোংরা একটা হাসি দিল ডাইনিটা। হ্যারি আৎকে উঠে পেছনে সরে গেল।

    আমি বেশ ভাল আছি, ধন্যবাদ, ও বলল। আমি শুধু–

    হ্যারি! তুমি ওখানে কি করছ?

    পরিচিত গলার শব্দ শুনে লাফিয়ে উঠল ওর হৃৎপণ্ড। ডাইনিটা কেঁপে উঠলো। ওর পায়ের ওপর এক গাদা নখ গড়িয়ে পড়ল। শাপান্ত করল ডাইনিটা। দৈত্যাকার হ্যাগ্রিড লম্বা পদক্ষেপে ওদের দিকে এগিয়ে এলো, ওর তীব্র কালো চোখ জোড়া লম্বা দাড়ির ওপর জ্বলছে।

    হ্যাগ্রিড। হুঁফ ছেড়ে বাঁচল হ্যারি। আমি হারিয়ে… ফ্লু পাউডার…

    দ্রুত হ্যারির ঘাড় ধরে হ্যাগ্রিড ওকে ডাইনিটার কাছ থেকে দূরে সরিয়ে নিল, একই সঙ্গে ওর হাত থেকে ট্রেটাও ধাক্কা মেরে ফেলে দিল। আঁকাবাঁকা গলিটা ধরে চলে যাচ্ছে ওরা উজ্জ্বল রৌদ্রালোকে, ডাইনিটার তীক্ষ্ণ চিৎকার ওদের পিছু পিছু ধাওয়া করল। পরিচিত একটি বরফ সাদা মাৰ্বল পাথরের বিল্ডিং দেখতে পেলো হ্যারি : গ্রিংগটস ব্যাংক। হ্যাগ্রিড ওকে সোজা ডায়াগন অ্যালিতে নিয়ে এসেছে।

    তুমি একটা হচপচ। জোরে জোরে হ্যারির কাপড় থেকে কালি ঝুলি মুছতে মুছতে হ্যাগ্রিড কর্কশ স্বরে বলল। এমন জোরে হ্যারির জামার ময়লা ঝাড় ছিল যে ওকে প্রায় ওষুধের দোকানের সামনে রাখা ব্যারেল ভর্তি ড্রাগন গোবরের ওপর প্রায় ফেলেই দিয়েছিল হ্যাগ্রিড। কংকালপূর্ণ নকটার্ন অ্যালিতে ঘোরাফেরা করা, আমি জানি না–এমন ঝুঁকিপূর্ণ জায়গায়, হ্যারি–আমি চাই না এখানে তোমাকে আর কখনো কেউ দেখুক।

    আমি সেটা বুঝতে পেরেছি, বলতে বলতে হ্যারি মাথা নিচু করে কালি মোছার জন্য হ্যাগ্রিডের বাড়ানো হাতটা এড়িয়ে গেলো। আমি আপনাকে বলেছি, আমি হারিয়ে গিয়েছিলাম কিন্তু সে যাই হোক আপনি ওখানে কি করছিলেন?

    আমি একটা মাংস খেকো কীটনাশক খুঁজছিলাম, গর্জন করল হ্যাগ্রিড। তুমি কি একাই এসেছ?

    আমি এখন উইসলিদের সঙ্গে থাকি। কিন্তু আমরা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছি, হ্যারি বলল। আমাকে যেতে হবে, ওদের খুঁজতে হবে…

    দুজনে এক সাথে রাস্তা ধরে এগিয়ে চলল।

    কি ব্যাপার তুমি আমাকে একটা চিঠি লিখলে না? বলল হ্যাগ্রিড পাশে জগিংরত হ্যারির দিকে তাকিয়ে। হ্যাগ্রিডের এক পার সঙ্গে হ্যারিকে তিন পা চলতে হচ্ছে। হ্যাগ্রিডের সাথে তাল মিলিয়ে হাঁটতে হলে জগিং করা ছাড়া উপায় নেই। হ্যারি তাকে ডব্বি এবং ডার্সলিদের বিষয়ে বিস্তারিত বলল।

    ওই মাগলগুলো, হ্যাগ্রিডের গর্জন। খালি যদি জানতাম

    হ্যারি! হ্যারি! এই যে এদিকে!

    উপরের দিকে তাকিয়ে হ্যারি দেখল হারমিওন গ্রেঞ্জার দাঁড়িয়ে আছে গ্রিংগটস-এর সাদা সিঁড়িগুলোর একেবারে ওপরেরটায়। দৌড়ে নেমে আসছে ওদের কাছে, ওর বুনো বাদামী চুল উড়ছে পেছন পেছন।

    তোমার চশমার কি হয়েছে? হ্যালো হ্যাগ্রিড–ওহ! তোমাদের দুজনকে আবার দেখে কি যে ভাল লাগছে.. তুমি কি গ্রিংগটস-এ আসছ হ্যারি?

    উইসলিদের খুঁজে পাওয়ার পর।

    তোমাকে আর খুব বেশি অপেক্ষা করতে হবে না, দাঁত বের করে হাসল হ্যাগ্রিড।

    হ্যারি আর হারমিওন চারদিকে তাকাল, রাস্তার ভিড় ঠেলে দৌড়ে আসছে রন, ফ্রেড, জর্জ, পার্সি এবং মিস্টার উইসলি।

    হ্যারি! হাঁপাতে হাঁপাতে বললেন মিস্টার উইসলি। আমরা মনে করছিলাম তুমি হয়তো খুব বেশি দূরে চলে যাওনি… রুমাল দিয়ে চকচকে টাকটা মুছলেন তিনি। মলি তো তোমাকে না দেখতে পেয়ে পাগলের মতো করছে–ওই যে সে আসছে।

    কোথায় বেরিয়েছিল? জিজ্ঞাসা করল রন।

    নকটার্ন অ্যালি। গম্ভীর মুখে বলল হ্যাগ্রিড।

    ব্রিলিয়ান্ট, এক সঙ্গে বলে উঠল ফ্রেড এবং জর্জ।

    আমাদেরকে কখনোই ওখানে যেতে দেয়া হয়নি, ঈর্ষার স্বরে বলল রন।

    ঠিক কাজটাই হয়েছে, হ্যাগ্রিডের গর্জন।

    মিসেস উইসলিকে দেখা গেলো দৌড়ে আসছেন, তার হাত ব্যাগটা এক হাতে বিক্ষিপ্তভাবে দুলছে, অন্য হাতে কোনরকমে ঝুলে আছে জিনি।

    ওহ হ্যারি, ওহ ডিয়ার, তুমি যে কোনো জায়গায় হারিয়ে যেতে পারতে

    দম নিয়ে ব্যাগ থেকে বড়-সড় একটা কাপড় ঝাড়ার ব্রাশ বের করলেন, হ্যাগ্রিড যে কালি–ধূলো হ্যারির কাপড় থেকে ঝাড়তে পারেনি সেগুলো ঝাড়তে শুরু করলেন। মিস্টার উইসলি হ্যারির চশমাটা নিলেন, নিজের যাদুর দণ্ডটি দিয়ে ছোট্ট একটা ছোঁয়া, ফিরিয়ে দিলেন হ্যারির কাছে, একেবারে নতুন চশমা জোড়া।

    এখন যাওয়া যাক, বললেন হ্যাগ্রিড। মিসেস উইসলি ওর হাত মর্দন করেন আচ্ছাসে নকটার্ন অ্যালি! যদি তুমি ওকে না পেতে হ্যাগ্রিড!

    হোগার্টস-এ দেখা হবে। বলে লম্বা লম্বা পা ফেলে চলে গেলেন হ্যাগ্রিড। ওর মাথা এবং কাঁধ জনাকীর্ণ রাস্তার আর সকলের ওপরে।

    বলতে পারো বর্গিন অ্যান্ড বার্কস-এ কাকে দেখেছি? গ্রিংগটস-এর সিঁড়ি ভাঙতে ভাঙতে হ্যারি রন আর হারমিওনকে জিজ্ঞাসা করল। ম্যালফয় আর তার বাবাকে।

    লুসিয়াস ম্যালফয় কি কিছু কিনেছে? পেছন থেকে তীক্ষ্ণ স্বরে প্রশ্ন করলেন মিস্টার উইসলি।

    না, বিক্রি করছিলেন।

    গুড, তাহলে ঘাবড়েছে, বললেন মিস্টার উইসলি নির্মম আত্নপ্রসাদে। ওহ যে কোন কিছুর বিনিময়েই হোক লুসিয়াস ম্যালফয়কে ধরতে পারলে আমি…

    সাবধান আর্থার, ধারালো কণ্ঠে বললে মিসেস উইসলি ব্যাংকে ঢুকতে ঢুকতে। ওই পরিবারটা সাংঘাতিক যতটা সামলাতে পারবে ততটাই করো।

    তাহলে তুমি মনে করছে আমি লুসিয়াস ম্যালফয়-এর সমকক্ষ? ক্ষুব্ধ স্বরে বললেন মিস্টার উইসলি প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই হল ঘরটার লম্বা কাউন্টার-এর কাছে হারমিওনের বাবা-মার দিকে তার চোখ পড়ল। ওরা দুজন দাঁড়িয়েছিলেন, নার্ভাস, অপেক্ষা করছেন হারমিওন ওদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেবে বলে।

    কিন্তু আপনারা তো মাগল। আনন্দ কণ্ঠে বললেন মিস্টার উইসলি। চলুন ড্রিংকস হয়ে যাক! আপনার হাতে ওটা কি? ওহ, আপনি মাগলদের টাকা ভাঙিয়ে নিচ্ছেন। মলি দেখো! উত্তেজিতভাবে তিনি মিস্টার গ্রেঞ্জারের হাতে ধরা দশ পাউন্ডের নোটটা দেখালেন।

    আবার এখানেই দেখা হবে। রন বলল হারমিওন-এর উদ্দেশে। গ্রিংগটস-এর আরেকজন গবলিন এসে হ্যারি আর উইসলিদের ভূগর্ভস্থ ভল্ট-এ নিয়ে যাচ্ছিল তখন।

    ব্যাংকের ভূগর্ভস্থ সুড়ঙ্গের মধ্যে দিয়ে মিনি ট্রেন লাইনের ওপর গবলিন চালিত ছোট ছোট গাড়িতে চড়ে নিচের ভল্টে যাওয়াটা খুবই উপভোগ করল হ্যারি, কিন্তু উইসলিদের ভল্ট খোলা হলে সে এমনই আতঙ্কিত হলো যা নকটার্ন অ্যালির চেয়েও অনেক বেশি। ভেতরে রূপার সিকল মাত্র কয়েকটি এবং মাত্র একটি সোনার গ্যালিয়ন পড়ে রয়েছে। সবগুলো ব্যাগে ভরবার আগে মিসেস উইসলি একটু হতচকিত হলেন এবং দেখে নিলেন আরো পড়ে আছে কি না। ওদের কাজ শেষে ওরা যখন হ্যারির ভল্টের দিকে অগ্রসর হলো হ্যারির কাছে খুবই খারাপ লাগলো। যতটা সম্ভব তাদের থেকে আড়াল করে সে তার চামড়ার ব্যাগে মুঠোভর্তি মুদ্রা ভরে নিল।

    ফিরে গেলো মার্বল সিঁড়িতে। বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলো ওরা। পার্সি কাউকে উদ্দেশ্য না করে নতুন একটা লেপের কথা বলল। ফ্রেড আর জর্জের সাথে দেখা হয়ে গেলো ওদের হোগার্টস-এর বন্ধু লি জর্ডনের সঙ্গে। মিসেস উইসলি আর জিনি গেলো পুরনো পোশাকের দোকানে, মিস্টার উইসলি গ্রেঞ্জার পরিবারকে ড্রিংক-এর জন্য লিকি কলড্রনে নিয়ে যেতে চাইলেন।

    জিনিকে সঙ্গে নিয়ে যেতে যেতে মিসেস উইসলি বললেন, এক ঘণ্টার মধ্যে ফ্লারিশ অ্যান্ড ব্লটস-এ আমাদের আবার দেখা হচ্ছে তোমাদের স্কুলের বই কেনার জন্য। এবং মনে থাকে যেন নকটার্ন অ্যালির দিকে এক পাও নয়। অপসৃয়মান–যমজ দুই পুত্রকে উদ্দেশ্য করে শেষের কথাটা বললেন।

    হ্যারি, রন এবং হারমিওন পাথর বাঁধানো আঁকা-বাঁকা রাস্তা দিয়ে ধীরে ধীরে হেঁটে চলল। হ্যারির পকেটের সোনা, রূপা আর পিতলের কয়েনগুলো খরচ হওয়ার জন্য ঝল মল করছে; তিনটা বড় স্ট্রবেরি এবং চিনেবাদাম মাখনের তৈরি আইসক্রিম কিনল সে। রাস্তা দিয়ে ঘুরতে ঘুরতে প্রচুর শব্দ করে তৃপ্তির সাথে খেলো ওরা। অনেকক্ষণ হাভাতের মতো কোয়ালিটি কিডিচ সাপ্লাইয়ের দোকানে ঝুলানো শাডলি ক্যালন পোশাকের পুরো সেটটার দিকে তাকিয়ে থাকল। হারমিওন এসে ওকে টেনে নিয়ে গেলো পাশের দোকানে কালি আর পার্চমেন্ট কেনার জন্য। ফ্ৰেড, জর্জের আর লি জর্ডানের সঙ্গে ওদের দেখা হলো গ্যাম্বল অ্যান্ড জেপস উইজার্ডিং জোক শপ-এ। ড. ফিলিপস্টার্স ফ্যাবুলস ওয়েট–স্টার্ট, নো–হিট ফায়ার ওয়ার্কস থেকে ওরা তিনজনে মিলে যেন জোকস মুখস্থ করছিল। আর ভাঙা জাদুকাঠি ব্রাসের নড়বড়ে দাঁড়িপাল্লা আর জাদুর ওষুধের দাগে ভরা পুরনো পোশাকের ছোট্ট একটা পুরনো জিনিসপত্রের দোকানে ওরা দেখতে পেলো পার্সিকে, গভীর মনোযোগ দিয়ে পড়ছে খুবই বিরক্তিকর বই প্রিফেক্টস যারা ক্ষমতা লাভ করতে পেরেছে। বইয়ের পেছনের মলাট থেকে রন জোরে জোরে পড়ল, হোগার্টস-এর প্রিফেক্ট এবং তাদের পরবর্তী ক্যারিয়ার সম্পর্কে পর্যালোচনা। হু বেশ চমকপ্রদ লাগছে…

    ভাগো এখান থেকে, পার্সি চেঁচিয়ে উঠল। খুবই উচ্চাকাঙ্ক্ষী, ওই পার্সিটা, ওর সব কিছুই প্লান করা… ও মিনিস্টার অফ ম্যাজিক হতে চায়… যেতে যেতে হ্যারি আর হারমিওনকে বলল রন নিচু স্বরে।

    .

    ঘণ্টাখানেক পর ওরা ফ্লারিশ অ্যান্ড ব্লটস-এর ওই দিকে রওয়ানা হলো। শুধু ওরাই বইয়ের দোকানটার দিকে যাচ্ছিল না। কাছাকাছি পৌঁছে ওরা অবাক হয়ে দেখলো রীতিমতো একটা ভিড় দোকানের ভেতর ঢোকার চেষ্টা করছে। কারণটা হলো দোকানের বাইরে বিরাট একটা ব্যানারের লেখা

    গিল্ডরয় লকহার্ট
    তাঁর আত্নজীবনী কপিতে স্বাক্ষর দেবেন
    ম্যাজিক্যাল সি
    আজ দুপুর ১২ :৩০ থেকে বিকেল ৪ :৩০টা পর্যন্ত

    আমরা সত্যি সত্যিই ওঁর সঙ্গে দেখা করতে পারবো, তীক্ষ্ণ স্বরে বলল হারমিওন। মানে ওই তো বুকলিস্টের প্রায় সবটা লিখেছেন।

    ভিড়ের প্রায় সবটাই মিসেস উইসলির বয়সী ডাইনি! দরজায় দাঁড়ালো এক লোক, চেহারাটা বলছে খুব হেনস্তা হয়েছে, বলছে, শান্তভাবে প্লিজ, লেডিজ.. ধাক্কা দেবেন না… ওই যে… বইগুলোর দিকে খেয়াল রাখবেন… এখন…

    হ্যারি, রন এবং হারমিওন ঠেলে ঠুলে ভিতরে ঢুকে পড়ল। দোকানের একেবারে পেছন পর্যন্ত লম্বা একটা লাইন গেছে, ওখানে গিল্ডরয় নকহার্ট বই স্বাক্ষর করছিলেন। ওরা তিনজন একটা করে ব্রেক উইট অফ বালশি নামের বই ছো মেরে তুলে নিয়ে নিঃশব্দে লাইনে যেখানে মিস্টার অ্যান্ড মিসেস গ্রেঞ্জারের সঙ্গে অন্য উইসলিরা দাঁড়িয়ে ছিল ওখানে চলে এলো।

    ওহ, তোমরাও চলে এসেছো, ভালই হলো, বললেন মিসেস উইসলি। মনে হচ্ছে তিনি আর শ্বাস নিতে পারছে না, চুল ঠিকঠাক করছেন বারে বারে। এক মিনিটের মধ্যেই আমরা ওঁকে দেখতে পাবো…

    ধীরে ধীরে গিল্ডরয় লকহার্ট ওদের নজরে এলো, টেবিলে বসে, চারদিকে তার নিজেরই ছবি। দর্শকদের দিকে চোখ পিট পিট করছে, উজ্জ্বল সাদা দাঁত বার বার দেখাচ্ছে। আসল লকহার্ট তার চোখের সঙ্গে মেলানো ফরগেট–মি–নট নীলের পোশাক পরে রয়েছেন, ঢেউ খেলানো চুলের ওপর তার জাদুকরের চোখ হ্যাটটা বাঁকা করে বসানো।

    বেটে খাটো অত্যন্ত বিরক্তিকর এক লোক তার চরিদিক নেচে নেচে ছবি তুলছে। ওর বিশাল কালো ক্যামেরাটা যতবার চোখ ধাঁধানো ফ্ল্যাশ করছে ততবারই বেগুনি রঙের ধোঁয়া বের হচ্ছে ওটা খেকে।

    সামনে থেকে সরো, দাঁত খিঁচিয়ে রনকে বলল সে। পেছন দিকে সরে গেলো ছবিটা ভালো করে তুলবার জন্য। এটা ডেইলি প্রফেট-এর জন্য।

    বড় একটা কম্মো, বলল রন, ফটোগ্রাফার যেখানে ওর পা মাড়িয়েছে, সেখানে একটু মালিশ করে ও।

    গিল্ডরয় লকহার্ট ওর মন্তব্যটা শুনতে পেলেন। চোখ তুলে তাকালেন। তিনি রনকে দেখলেন এবং তারপর হ্যারিকে দেখলেন। তাকিয়ে আছেন তিনি। লাফ দিয়ে দাঁড়িয়ে গেলেন। নিশ্চিত স্বরে চিৎকার করে উঠলেন, হ্যারি পটার না হয়েই যায় না?

    দর্শকদের ভিড়টা দুইভাগ হয়ে গেলো, উত্তেজিতভাবে ফিসফিস করছে। লকহার্ট সামনের দিকে লাফ দিলেন, হ্যারির একটা বাহু ধরে ওকে একেবারে সামনে নিয়ে গেলেন। হাততালিতে ফেটে পড়ল দর্শকরা। হ্যারির মুখ শরমে গরম হয়ে গেলো, লকহার্ট ওর হাত ঝাঁকাচ্ছেন ফটোগ্রাফারের জন্য পোজ দিতে দিতে। আর ফটোগ্রাফার পাগলের মতো শাটার টিপছে উইসলির ওপর বেগুনি ধোয়া ছড়াতে ছড়াতে।

    বড়সড় একটা চমৎকার হাসি দাও হ্যারি, বললেন লকহার্ট, নিজের চকচকে দাঁতের মধ্য দিয়ে। তুমি আর আমি এক সঙ্গে যে কোনো পত্রিকার সামনের পাতারই যোগ্য।

    শেষ পর্যন্ত যখন তিনি শক্ত করে ধরা হ্যারির হাত ছাড়লেন, ততক্ষণে তার আঙুলগুলি অসাড় হয়ে গেছে। ও পিছিয়ে উইসলিদের কাছে যাওয়ার চেষ্টা করল, কিন্তু লকহার্ট ওর কাধ জড়িয়ে ওঁর পাশে শক্ত করে ধরে থাকলেন।

    লেডিস অ্যান্ড জেন্টেলম্যান, শান্ত হওয়ার জন্য হাত নেড়ে জোরে বললেন লকহার্ট। এক অসাধারণ মুহূর্ত এখন! আমার একান্ত নিজের ছোট্ট একটা ঘোষণা দেয়ার এখনই উপযুক্ত সময়।

    যখন হ্যারি ফ্লারিশ অ্যান্ড ব্লটস-এ এসেছিল আজকে, সে শুধু আমার অটোগ্রাফ নিতেই এসেছিল–আমি অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে ওকে সেটা উপহার দেবো, বিনামূল্যে– দর্শকরা আবার হাততালি দিয়ে উঠল। ওর কোনো ধারণাই নেই, বলে চললেন লকহার্ট, হ্যারিকে একটু নাড়া দিলেন, ওর চশমাটা নাকের আগায় চলে এলো, যে খুব শিগগিরই সে শুধু আমার বই ম্যাজিকাল সি-এর চেয়ে অনেক অনেক বেশি পেতে যাচ্ছে। হ্যাঁ, লেডিজ অ্যান্ড জেন্টেলম্যান, আমি অনেক আনন্দে এবং গৌরবের সাথে ঘোষণা করছি যে, এই সেপ্টেম্বর থেকেই আমি হোগার্টস স্কুল অফ উইচক্রাফট অ্যান্ড উইজাড্রির কালা জাদুর বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষা বিষয়ক শিক্ষকের পদটি গ্রহণ করতে যাচ্ছি!

    ক্রেতা–দর্শকদের ভিড়টা উল্লাসে ফেটে পড়ল, হাততালি দিল। হ্যারি দেখতে পেলো সে গিল্ডরয় লকহার্টের সবগুলো বইই প্রেজেন্ট হিসেবে পেয়ে গেছে। বইয়ের ভারে হ্যারির টালমাটাল অবস্থা। কোনরকমে পাদপ্রদীপ থেকে নিজেকে সরিয়ে, যে কোণায় জিনি তার নতুন বড় কড়াইটা নিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে ওখানে চলে এলো।

    তুমি এগুলো নাও, বইগুলো গিনির কড়াইয়ের ভেতর রাখতে রাখতে অস্ফুট স্বরে বলল হ্যারি। আমি আমার জন্য কিনে নেবো

    বাজি ধরে বলতে পাড়ি তুমি ওটা পছন্দই করেছ পটার, করোনি? যে বলল তাকে চিনতে মোটেও কষ্ট হলো না হ্যারির। বই রেখে সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে ড্র্যাকো ম্যালফয়-এর মুখোমুখি হলো হ্যারি। মুখে বিদ্রূপ আর অবজ্ঞার হাসি ম্যালফয়-এর।

    বিখ্যাত হ্যারি পটার, বলল ম্যালফয়। পত্রিকার প্রথম পাতার খবর না হয়ে একটা বইয়ের দোকানেও যেতে পারে না।

    ওকে বিরক্ত করো না, ওতো এসব কিছুই চায়নি, বলল জিনি। এই প্রথম সে হ্যারির সামনে কথা বলল। ক্রুদ্ধ দৃষ্টিতে সে তাকিয়ে রয়েছে ম্যালফয়-এর দিকে।

    পটার, তুমি একটি গার্ল ফ্রেন্ড পেয়ে গেছ, টেনে টেনে বলল ম্যালফয়। টকটকে লাল হয়ে গেলো জিনির মুখ। ওদিকে ঠেলে ঠুলে রন আর হারমিওন এদিকেই এগিয়ে আসছে। দুজনের হাতেই লকহার্ট-এর বইয়ের পাহাড়।

    ওহ, তুমি, বলল রন, ম্যালফয়ের দিকে তাকিয়ে, যেন ও জুতোর গোড়ালিতে অস্বস্তিকর কিছু। বাজি ধরে বলতে পারি, তুমি হ্যারিকে এখানে দেখে অবাক হয়েছ, না?

    তোমাকে একটা দোকানে দেখে যতটা অবাক হয়েছি উইসলি, ততটা নয়, পালটা জবাব দিল ম্যালফয়, আমার মনে হয় অতগুলো বইয়ের দাম দিতে গিয়ে তোমার মা-বাবাকে মাসখানেক না খেয়ে থাকতে হবে।

    জিনির মতো রনও লাল হয়ে গেলো। বড় কড়াইটায় বইগুলো ঝপ করে ফেলে, ম্যালফয়ের দিকে ছুটল, হ্যারি আর হারমিওন ওর জ্যাকেটের পেছন দিকটা ধরে ফেলল।

    রন! ফ্রেড আর জর্জের সঙ্গে পড়ি মরি ছুটে আসতে আসতে মিস্টার উইসলি বললেন। কি করছো তুমি? এখানে এটা পাগলামি, চলো আমরা বাইরে যাই।

    বেশ, বেশ, বেশ–আর্থার উইসলি। বললেন মিস্টার লুশিয়াস ম্যালফয়। পুত্র ড্র্যাকোর কাঁধে হাত রেখে দাঁড়িয়ে রয়েছেন, হাসছেন একই রকম বিদ্রুপের হাসি। লুসিয়াস, বললেন মিস্টার উইসলি, ঠাণ্ডাভাবে একটু মাথা নাড়লেন।

    মন্ত্রণালয়ের খুবই ব্যস্ততা যাচ্ছে শুনি, বললেন মিস্টার ম্যালফয়। অত রেইডে বেরোতে হচ্ছে যে… আশা করি ওরা তোমাকে ওভারটাইম দিচ্ছে।

    হাত বাড়িয়ে জিনির কলড্রন কড়াই থেকে চকচকে লকহার্ট বইগুলোর মাঝ থেকে আ বিগিনার্স গাইড টু ট্রান্সফিগিউরেশন-এর একটি জীর্ণ কপি কপি হাতে তুলে নিলেন মিস্টার ম্যালফয়।

    অবধারিতভাবে না, আবার বলল মিস্টার ম্যালফয়। ওরা যদি তোমাকে ভালো পয়সা না দেয় তবে উইজার্ড নামের কলঙ্ক হওয়ারই বা কি দরকার।

    মিস্টার উইসলি রন বা জিনির থেকে বেশি লাল হয়ে গেলেন।

    উইজার্ড-এর নাম কিসে কলঙ্কিত্ত হয় সে সম্পর্কে আমাদের ভিন্ন ধারণা রয়েছে, ম্যালফয়; বললেন তিনি।

    একেবারে জলবৎ তরলং ওর অনুজ্জ্বল চোখের দৃষ্টি মিস্টার অ্যান্ড গ্রেঞ্জার-এর ওপর দিয়ে ঘুরে এলো, ওরা ভীতভাবে সবটাই লক্ষ্য করছিলেন। তোমাদের যে সঙ্গ উইসলি… আমি মনে করেছিলাম তোমার পরিবার এতটা নিচে নামবে না…

    একটা ভোতা ধাতব শব্দ শোনা গেলো, জিনির কড়াইটা উড়ে গেলো। মিস্টার উইসলি ঝাঁপিয়ে পড়লেন মিস্টার ম্যালফয়ের ওপর, ওকে পেছন দিকে একটা বুকসেলফ-এর ওপর নিয়ে ফেললেন। ডজন ডজন মায়াবিদ্যার বই ওদের মাথায় সজোরে পড়ল। ফ্রেড আর জর্জের চিৎকার শোনা গেলো, ওকে ধরো, ওকে ধরো ড্যাড। মিসেস উইসলি তীক্ষ্ণ চিৎকারে বলছেন, না, আর্থার না! ভিড়টা পড়ি মরি করে পেছন দিকে সরে যাওয়ার সময় আরও বুকশেলফ ফেলে দিল; প্লিজ ভদ্র মহোদয়গণ প্লিজ! চিৎকার করে উঠল দোকান সহকারী, এরপর বিরাট এক গর্জন শোনা গেলো, সরে যান, ভদ্র মহোদয়গণ সরে যান।

    বইয়ের সমুদ্র পেরিয়ে ওদের দিকে এগিয়ে আসছে হ্যাগ্রিড। মুহূর্তের মধ্যে তিনি মিস্টার উইসলি আর মিস্টার ম্যালফয়কে বিচ্ছিন্ন করলেন। মিস্টার উইসলির ঠোঁট কেটে গেছে আর এনসাইক্লোপেডিয়া অফ টোডস্টুলস পড়ায় চোখে আঘাত পেয়েছেন মিস্টার ম্যালফয়। তার হাতে তখনও জিনির পুরানো ট্রান্সফিগিউরেশন বইটা। ওর হাতে ওটা ঠেলে দিলেন তিনি, চোখে তখনও বিদ্বেষ।

    বললেন, এই নাও মেয়ে তোমার বই নাও–এটাই সবচেয়ে ভাল যা তোমার বাবা তোমাকে দিতে পারেন। নিজেকে হ্যাগ্রিডের মুঠো থেকে ছাড়িয়ে ড্র্যাকোকে নিয়ে দোকান থেকে বেরিয়ে গেলেন তিনি।

    ওকে পাত্তা না দেওয়াটাই উচিত ছিল আর্থার, বললেন হ্যাগ্রিড। ওকে প্রায় মাটি থেকে উপরে তুলেন হ্যাগ্রিড। নিজের পোশাক ঠিকঠাক করছেন মিস্টার উইসলি। একেবারে ভেতর পর্যন্ত পঁচা, পুরো পরিবারটাই ও রকম, সবাই সেটা জানে। কোনো ম্যালফয়ই কথা বলার উপযুক্ত নয়। ওদের রক্তই দূষিত, এটাই হচ্ছে আসল কথা। চলুন এখন বাইরে যাওয়া যাক। বলল হ্যাগ্রিড।

    দোকান সহকারীকে মনে হলো ওদের বাইরে যাওয়াটা আটকাতে চাচ্ছে, কিন্তু উচ্চতায় ও হ্যাগ্রিডের কোমরেরও সমান নয়, মত বদলে নিবৃত্ত হলো সে। রাস্তায় বেরিয়ে দ্রুত হাঁটতে লাগলেন ওরা। গ্রেঞ্জার পরিবার তখনও ভয়ে কাঁপছে। রাগে কাঁপছেন মিসেস উইসলি। ছেলেমেয়েদের সামনে চমৎকার একটা দৃষ্টান্ত স্থাপন করলে প্রকাশ্যে ঝগড়া করে কি ভাবলেন গিল্ডরয় লকহার্ট…

    উনি খুশিই হয়েছেন, বলল ফ্রেড। তুমি শোননি আমরা যখন বেরিয়ে যাচ্ছিলাম উনি ডেইলি প্ৰফেটের লোকটাকে জিজ্ঞাসা করছিলেন ঝগড়াটা ওর রিপোর্টে অন্তর্ভুক্ত করতে পেরেছে কিনা–বললেন এর সবটাই প্রচার।

    কিন্তু লিকি কলড্রন-এর ফায়ারসাইডের কাছে যখন পৌঁছল পুরো দলটি ততক্ষণে শান্ত হয়েছে। ওখান থেকে ফ্লু পাউডার ব্যবহার করে হ্যারি, উইসলিরা এবং তাদের পুরো শপিংটাই দ্য বারোতে পৌঁছে যাবে। গ্রেঞ্জারদের বিদায় জানানো হলো, ওরা পাব থেকে বেরিয়ে রাস্তা পার হয়ে উলটো দিকে মাগল স্ট্রিটে যাবে। মিস্টার উইসলি ওদের জিজ্ঞাসা করতে যাচ্ছিলেন কিভাবে একটা বাস স্টপ কাজ করে, কিন্তু মিসেস উইসলির চেহারা দেখে তাড়াতাড়ি নিজেকে সামলে নিলেন।

    হ্যারি ওর চশমা খুলে ফেলল চোখ থেকে, নিরাপদে পকেটে রাখল, ফ্লু পাউডার ব্যবহারের আগে। এটা কিছুতেই যাতায়াতে তার প্রিয় ব্যবস্থা নয়।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য প্রিজনার অব আজকাবান (৩) – জে. কে. রাওলিং
    Next Article হ্যারি পটার এন্ড দি ফিলসফারস স্টোন (১) – জে. কে. রাওলিং

    Related Articles

    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার এন্ড দি ফিলসফারস স্টোন (১) – জে. কে. রাওলিং

    August 18, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য প্রিজনার অব আজকাবান (৩) – জে. কে. রাওলিং

    August 18, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য গবলেট অব ফায়ার (৪) – জে. কে. রাওলিং

    August 16, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য অর্ডার অব দ্য ফনিক্স (৫) – জে. কে. রাওলিং

    August 16, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য হাফ-ব্লাড প্রিন্স (৬) – জে. কে. রাওলিং

    August 16, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ডেথলি হ্যালোস (৭) – জে. কে. রাওলিং

    August 16, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }