Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ডেথলি হ্যালোস (৭) – জে. কে. রাওলিং

    জে. কে. রাওলিং এক পাতা গল্প937 Mins Read0
    ⤷

    ০১. ডার্ক লর্ডের উত্থান

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ডেথলি হ্যালোস
    জে. কে. রাওলিং

    ০১. ডার্ক লর্ডের উত্থান

    চাঁদের আলোয় ভরা গলিটায় শূন্য থেকে ওরা দুজন নেমে এলো একই সময়। দুজনের মাঝে মাত্র কয়েক গজ দূরত্ব। দুজনই দ্রুত তাদের হাতের যাদুর দণ্ড পরস্পরের বুকের দিকে তাক করে এক সেকেন্ড স্থির হয়ে থাকল। পরক্ষণেই একে অপরকে চিনতে পেরে দুজনই যাদুর দণ্ড ঢুকিয়ে ফেলল তাদের আলখাল্লার ভেতর। এরপর তারা দুজন দ্রুত হাঁটতে শুরু করল একই দিকে।

    দুজনের মধ্যে অপেক্ষাকৃত লম্বাজন বলল, কোনো খবর আছে? সেভেরাস স্নেইপ বলল, খুবই ভালো খবর আছে।

    গলির বাম পাশেই নিচু ঝোপ আর ডান পাশে যত্ন করে ছেটে রাখা উঁচু ঝোপ। একই সাথে তালে তালে হাঁটার সময় দুজনেরই পরনের লম্বা আলখাল্লা পায়ের সঙ্গে ঘষা খেতে থাকল।

    ইয়াক্সলি বলল, মনে করেছিলাম আমি বোধ হয় দেরি করে ফেলেছি। চাঁদের আলোর মাঝে মাঝে গাছের ছায়া। হাঁটার সময় ওই গাছের ছায়ার কারণে তার মোটা শরীরটা একবার দেখা যায় আবার অন্ধকারে মিলিয়ে যায়। আমি যা ভেবেছিলাম, ব্যাপারটা তারচেয়েও বেশি চালাকির ছিল। কিন্তু আমার মনে হয় সে সন্তুষ্টই হবে। তোমাকে মনে হচ্ছে বেশ আত্মবিশ্বাসী, তোমার সংবর্ধনাটা ভালোই হবে মনে কর?

    স্নেইপ মাথা নাড়ল। কিন্তু কিছু বলল না। তারা দুজনই ডান দিকে বাঁক নিয়ে প্রশস্ত রাস্তায় এসে পড়ল। উঁচু ঝোপটাও বেঁকে লোহার জোড়া-গেট পার হয়ে চলে গেছে। দুজনের কেউ হাঁটার গতি থামাল না। সেলুট দেয়ার ভঙ্গিতে তারা নিঃশব্দে হাত তুলল এবং যেন ধোঁয়ার ভেতর দিয়ে বন্ধ লোহার গেটটি বাধাহীনভাবে পার হলো।

    ঘন সবুজ হেজ গাছের কারণে এখন তাদের পায়ের শব্দ কমে গেল। তাদের ডান দিকের কোথাও থেকে একটি শ..শ শব্দ শোনা গেল। ইয়াক্সলি তার যাদুর দণ্ডটি দ্রুত আবার বের করল এবং তার সঙ্গীর মাথার উপর দিয়ে সেদিকে তাক করল। দেখা গেল কিছুই না, দুটি সাদা ময়ূর রাজকীয়ভাবে ঝোঁপের উপর দিয়ে হাঁটছে।

    ইয়াক্সলি নাক দিয়ে শব্দ করে ছড়িটা কোর্তার ভেতরে ঢুকিয়ে রাখতে রাখতে বলল, লুসিয়াস সবসময় নিজেরটা ভালোই বোঝে। ময়ূররা… সোজা পথের শেষে অন্ধকার থেকে ভেসে উঠল একটি বাঙলো। নিচতলার হিরকখচিত জানালায় আলো ঝলমল করছে। ঝোঁপের আড়ালে বাগান থেকে ঝর্নার শব্দ ভেসে আসছে। স্নেইপ আর ইয়াক্সলি সামনের দরোজার দিকে এগিয়ে যেতে পায়ের নিচের নুড়ি পাথরে শব্দ হলো। সাথে সাথেই ভেতর থেকে ওদের ঢোকার পথের দরোজাটি খুলে গেল। অথচ দরোজা খুলতে কাউকে দেখা গেল না।

    হলরুমটি বিশাল আকারের। নিভু নিভু আলো, জমকালো সাজানো ঘর। পাথরের মেঝের প্রায় পুরোটাই অপুর্ব সুন্দর একটি কার্পেট দিয়ে মোড়ানো। স্নেইপ এবং ইয়াক্সলি এগিয়ে যাওয়ার সঙ্গে তাল রেখে দেয়ালের ফ্যাকাশে মুখ ছবিগুলো তাদেরকে অনুসরণ করল। পরের রুমে ঢোকার পথে ভারী কাঠের দরোজার সামনে দুজন দাঁড়াল। সামান্য একটু দ্বিধা করে স্নেইপ দরোজার ব্রোঞ্জের হাতলটি ঘোরাল।

    ড্রইংরুমে একদল নির্বাক মানুষে পরিপূর্ণ। তারা লম্বা একটি কারুকাজ করা টেবিল ঘিরে বসে আছে। ঘরের অন্যান্য ফার্নিচারগুলো দেয়ালের ভিতরের দিকে ঠেলে দেয়া আছে। ভারী মার্বেলের তৈরি চমৎকার ফায়ারপ্লে। সেটির উপর দিকে আয়না জ্বলজ্বল করছে। ফায়ারপ্লেসের ভেতর সশব্দে জ্বলতে থাকা আগুন থেকে আলো বের হয়ে আসছে। স্নেইপ এবং ইয়াক্সলি এক মুহূর্তের জন্য দরোজার কাছে থামল। ভেতরের স্বল্প আলো চোখে সয়ে এলে তারা দুজন অদ্ভুতদর্শন ঘরটির ভেতর প্রবেশ করল। একটি মানব দেহাকৃতি উল্টো হয়ে টেবিলের উপর শূন্যে ঝুলছে। মনে হলো দেহটি অচেতন। ধীরে ধীরে ঘুরছে। যেন অদৃশ্য একটি রশি দিয়ে দেহটি ঝুলানো। চারপাশের আয়নায় এবং পরিচ্ছন্ন টেবিলের চকচকে উপরিতলে দেহটির প্রতিচ্ছবি দেখা যাচ্ছে। ঘরের ভেতরের কেউ এই দেহটির দিকে একবারও তাকিয়ে দেখছে না, শুধু ঠিক দেহটার নিচে বসা এক যুবক ছাড়া। মনে হলো, মিনিট খানেক পরপর ওদিকে তাকানো থেকে নিজেকে সে সংবরণণ করতে পারছে না।

    টেবিলের অপর প্রান্ত থেকে একটি উচ্চ কণ্ঠস্বর বলে উঠল, ইয়াক্সলি এবং স্নেইপ, তোমরা প্রায় দেরিই করে ফেলেছিলে।

    যার কণ্ঠস্বর, তিনি বসেছেন ফায়ারপ্লেসের সামনে। তাই ঘরে ঢুকেই তার অবয়বটি ছাড়া ভালো করে দেখতে পাওয়া খুবই মুশকিল। তারা কাছে এগিয়ে যেতেই আলোআধারির ভেতরও মুখটা দেখতে পেল। লোমহীন, সাপের মতো। চোখা নাক আর জ্বলজ্বলে লাল চোখ। তার শিষ্যরা সারিবদ্ধভাবে বসে। তাকে এতটাই ফ্যাকাশে দেখা যাচ্ছে মনে হয় যেন মুক্তার ঘোলাটে আভা বের হয়ে আসছে।

    ভোল্ডেমর্ট তার ডান পাশের আসনের দিকে ইঙ্গিত করে বলল, সেভেরাস এখানে। আর ইয়াক্সলি দোলোহোভের পাশে।

    দুজনই তাদের অনুমোদিত আসনে বসল। সবার চোখ স্নেইপের দিকে এবং তারদিকে তাকিয়েই ভোল্ডেমর্ট প্রথম কথা বলে উঠল।

    তাহলে?

    প্রভু, অর্ডার অব দ্য ফিনিক্স পরিকল্পনা করেছে যে আগামী শনিবার রাতে তারা হ্যারি পটারকে তার বর্তমান নিরাপদ অবস্থান থেকে অন্যত্র সরিয়ে নেবে।

    কথাটা শুনে টেবিলের চারপাশের কেউ কেউ উত্তেজনার সঙ্গে তাকালো, কেউ কেউ শক্ত হয়ে বসল, অন্যরা অস্থির হয়ে নড়াচড়া করল। সবার চোখ স্নেইপ এবং ভোল্ডেমর্টের দিকে।

    শনিবার …রাতে, ভোল্ডেমর্ট পুনরায় বলল। তার লাল চোখ দুটো স্নেইপের কালো চোখের দিকে এমন তীব্রভাবে স্থির হয়ে আছে যে অন্যান্যরা নিজেদের চোখ সরিয়ে নিল। তাদের মনে হলো যে ওই ভয়ঙ্কর চাহনিতে তারা পুড়ে যেতে পারে। কিন্তু স্নেইপ শান্তভাবেই ভোস্টেমর্টের দিকে তাকাল। কয়েক মুহূর্ত পর ভোল্ডেমর্টের ঠোঁটহীন মুখটিতে যেন হাসি ফুটে উঠল।

    ভালো, খুবই ভালো কথা। এবং এই তথ্যটি এসেছে…।

    তথ্যসূত্র নিয়ে আমরা আগেই আলোচনা করেছি মাই লর্ড, স্নেইপ বলল।

    মাই লর্ড, লম্বা টেবিল থেকে গোল্ডেমর্ট এবং স্নেইপের দিকে ঝুকল ইয়াক্সলি। সবগুলো মুখ এখন তার দিকে ফিরে আছে।

    মাই লর্ড, আমি অন্যরকম কথা শুনেছি।

    ইয়াক্সলি একটু মুখ অগ্রসর করল, লম্বা টেবিলের যেদিকে ভোল্ডেমর্ট এবং স্নেইপ বসেছিল সেদিকে। ভোল্ডেমর্ট কিছু বলল না। ইয়াক্সলি আবার বলতে শুরু করল, দাওলিশ দ্য অরর জানিয়েছে যে পটারের বয়স ১৭ বছর না হওয়া পর্যন্ত, অর্থাৎ ৩০ তারিখের আগে তাকে কোথাও সরানো হবে না।

    স্নেইপ মৃদু হাসলেন।

    আমার সোর্স আমাকে জানিয়েছে যে ওরা ভুল খবর রটনার পরিকল্পনা করছে। তাহলে এটাই হলো সেই। দাওলিশের উপর যে কনফানডাস চার্ম ব্যবহার করা হয়েছে এতে কোনো সন্দেহ নেই। অবশ্য এটাই প্রথম নয়, আগেও হয়েছে। তাকে যে অতি সহজেই ধোকা দেয়া যায় সেটা সকলের জানা কথা।

    ইয়াক্সলি বলল, আমি আপনাকে নিশ্চিত করছি লর্ড, দাওয়ালিশ সঠিকভাবে জেনেই কথাটা বলেছে।

    যদি তার ওপর কোনো যাদুমন্ত্র প্রয়োগ করা হয়ে থাকে, তাহলে তো সে নিশ্চিত হবেই। স্নেইপ বলল, আমি তোমাকে নিশ্চিত করে বলতে পারি ইয়াক্সলি, অরর অফিস হ্যারি পটারের নিরাপত্তার ব্যাপারে আর কোনো ভূমিকাই রাখবে না। অর্ডার অফ দ্য ফিনিক্সের ধারনা যে আমরা মন্ত্রণালয়ের নিরাপত্তা ভেদ করে গোপন। খবর পাচ্ছি।

    তাহলে অর্ডার অন্তত একটি বিষয় সঠিক, অ্যাঁ! ইয়ালির কাছ থেকে সামান্য দূরে উবু হয়ে বসা লোকটি বলল। হি হি করে হাসল লোকটি। টেবিলের চারপাশে তার হাসির প্রতিধ্বনি শোনা গেল।

    ভোল্ডেমর্ট হাসল না। তার দৃষ্টি চলে গেছে মাথার উপর ঘূর্ণায়মান দেহটির দিকে। মনে হলো সে কোনো চিন্তায় ডুবে আছে।

    ইয়াক্সলি বলতে থাকল, মাই লর্ড, দাওলিশ বিশ্বাস করে যে ছেলেটিকে ট্রান্সফার করার কাজে অররদের একটি পুরো দল ব্যবহার করা হবে।

    ভোল্ডেমর্ট তার বিশাল লম্বা সাদা হাত উপরে তুলল। সঙ্গে সঙ্গে ইয়াক্সলি থেমে গেল। ভোল্ডেমর্টকে স্নেইপের দিকে মুখ ফেরাতে দেখে ইয়াক্সলি বিরক্তির সঙ্গে তাকাল।

    এরপর ওরা ছেলেটিকে কোথায় লুকিয়ে রাখবে?

    স্নেইপ বলল, অর্ডারদের মধ্যে একজনের বাড়িতে। আমার সোর্সের মতে জায়গাটিকে অর্ডার এবং মন্ত্রণালয় মিলে যতটা পারা যায় নিরাপদ করেছে। মাই লর্ড, আমার মনে হয় একবার নিয়ে গেলে মন্ত্রণালয়ের পতন না হওয়া পর্যন্ত ওকে ফিরে পাওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম থাকবে। অবশ্য আগামী শনিবারের আগেই মন্ত্রণালয়ের পতন হলে, তখন হয়তো আমরা সুযোগ পাব। অনেক কিছু আবিষ্কার করার এবং ওদের সকল প্রতিরক্ষা যাদুমন্ত্র ভাঙতেও পারব এবং তখন অন্য সব ঘটনাবলীর বিষয়ও জানা যাবে।

    ডোন্ডেমর্ট চোখ নামিয়ে টেবিলের দিকে তাকাল। তার লাল চোখে আগুনের আভা জ্বলজ্বল করছে। বলল, ইয়াক্সলি ঠিক আছে সব? আগামী শনিবারের মধ্যে মন্ত্রণালয়ের পতন হচ্ছে?

    আবারো সবগুলো মুখ ইয়াক্সলির দিকে ফিরল। সে তার কাঁধটা টানটান করে সোজা হয়ে বসল।

    মাই লর্ড, এ ব্যাপারে আমার কাছে সুখবর আছে। অনেক চেষ্টা করে এবং অনেক প্রতিকূলতার ভেতর দিয়ে পিয়াস থিকনেসের ওপর ইম্পেরিয়াস কার্স প্রয়োগ করতে পেরেছি।

    ইয়াক্সলির আশেপাশে বসা সবাই তার এ কথায় খুশি হলো। ঠিক পাশে বসা দোলোহভ ইয়াক্সলির পিঠ চাপড়ে দিল।

    ভোল্ডেমর্ট বলল, এটা হলো শুরু। কিন্তু থিকনেসে হলো মাত্র একজন। আমি কাজ শুরু করার আগে আমাদের লোকজনদের ক্রিমগিয়রকে ঘিরে ফেলতে হবে। মন্ত্রীদের জীবনের ওপর আঘাতের প্রচেষ্টা ব্যর্থ হলে আমি অনেক পিছিয়ে যাব।

    হ্যাঁ মাই লর্ড, আপনার কথা ঠিক। কিন্তু আপনি জানেন যাদু আইন প্রয়োগকারী বিভাগের প্রধান হিসাবে থিকনেসের যে শুধু তার মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে তা নয়, অন্য মন্ত্রণালয়ের বিভাগগুলোর সঙ্গেও তার যোগাযোগ রয়েছে। আমি মনে করি আমাদের জন্য কাজটি সহজ হবে। শীর্ষ পর্যায়ের লোকজন আমাদের নিয়ন্ত্রণে থাকলে অন্যরা নত থাকবে। ফলে তারা সবাই মিলে ক্রিমপিয়রের পতন ঘটাতে পারবে।

    ভোল্ডেমর্ট বলল, তবে বাকীদেরকে দলে আনার আগে যদি আমাদের বন্ধু থিকনেসে ধরা না পড়ে। সে কারণে আগামী শনিবার মন্ত্রণালয় আমাদের নিয়ন্ত্রণে আসার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলা যাবে না। তাই, ছেলেটিকে যদি তার গন্তব্য স্থানে আমরা ধরতে না পারি তাহলে যে করেই হোক সরে যাওয়ার পথে তাকে ধরতে হবে।

    ইয়াক্সলিকে মনে হলো সে তার পক্ষে অন্তত আংশিক সমর্থন পাওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে উঠল। সে বলল, আমাদের একটি সুবিধা আছে মাই লর্ড। ডিপার্টমেন্ট অব ট্রান্সপোর্টে আমাদের বেশ কয়েকজন লোককে বসিয়ে দেয়া হয়েছে। যদি পটার অদৃশ্য হওয়ার অথবা ফু-নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে, আমরা সঙ্গে সঙ্গে তা জেনে যাব।

    স্নেইপ বলল, এর কোনোটাই সে করবে না। মন্ত্রণালয় নিয়ন্ত্রণ করে অথবা পরিচালনা করে এমন সব যানবাহনকেই অর্ডার অফ দ্য ফিনিক্স এড়িয়ে চলে। স্থানের ব্যাপারে তারা সবকিছুকেই অবিশ্বাস করে।

    ভোল্ডেমর্ট বলল, সেটা হলে আরো ভালো। তাহলে তাকে নিরাপদ ব্যবস্থা ছাড়া সাধারণভাবে চলতে হবে। ফলে সহজে তাকে তুলে নেওয়া যাবে।

    ভোল্ডেমর্ট কথা বলতে বলতে আবার ধীরে ধীরে ঘুর্ণায়মান দেহটার দিকে তাকাল, ওর ব্যাপারটি আমি নিজে দেখব। হ্যারি পটার বিষয়ে ইতিমধ্যে অনেকগুলো ভুল আমাদের হয়েছে। কিছু ভুল আমি নিজেও করেছি। পটার তার নিজের কৌশলের চেয়ে আমার ভুলের কারণে বেঁচে আছে। টেবিল ঘিরে বসে থাকা সহযোগীরা মন দিয়ে ভোল্ডেমর্টের কথা শুনছে। তাদের প্রত্যেকের অভিব্যক্তিতে একটা শংকা ফুটে উঠেছে। এই বুঝি হ্যারি পটার বেঁচে থাকার কারণে তাকে দায়ী হতে হয়। কিন্তু ভোল্ডেমর্টকে মনে হলো অন্যদের নয় বরং নিজের সঙ্গেই বেশি কথা বলে যাচ্ছে। এখনো সে কথা বলছে ওই অচেতন দেহটির দিকে তাকিয়ে।

    আমি ছিলাম অসতর্ক, তাই ভাগ্য এবং সুযোগ দুটোই আমাকে ব্যর্থ করেছে। ও আমার সব ভাল পরিকল্পনাকে ব্যর্থ করে দিয়েছে। কিন্তু এখন আমি আরো ভালো জানি। আমি এখন সেই ব্যাপারগুলো বুঝি যা আগে বুঝতাম না। আমি হলাম হ্যারি পটারকে হত্যা করার একমাত্র ব্যক্তি এবং আমি সেটা করব।

    তার বাক্য শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে, ঠিক যেন তার কথার উত্তর দেওয়ার মতো, হঠাৎ একটি চিৎকারের আওয়াজ শোনা গেল। ভয়ানক চিৎকার। মনে হলো তীব্র যন্ত্রণা ও ব্যথায় কেউ চিৎকার করছে। সঙ্গে সঙ্গে অনেকেই টেবিলের নিচের দিকে তাকাল। মনে হলো চিৎকারের শব্দটি তাদের পায়ের নিচে কোথাও থেকে এসেছে।

    ভোল্ডেমর্টের গলার স্বরে কোনো পরিবর্তন হলো না। ঘুর্ণায়মান দেহটি থেকে চোখ না সরিয়ে সে শান্ত কণ্ঠে বলল, ওয়ার্মটেইল, আমি তোমাকে বলেছি না যে আমাদের বন্দিকে শান্ত রাখো?

    জি ম..মাই লর্ড। ভয়ে তোতলাতে তোতলাতে একজন ছোট সাইজের মানুষ বলল। সে তার চেয়ারটিতে এত কম জায়গা নিয়ে বসেছে যে প্রথমে তাকে চোখেই পড়ে না। এরপর সে চেয়ার বেয়ে নামল এবং ঝটপট রুম থেকে বের হয়ে গেল। সে যাওয়ার সময় সে ঘরটিতে একটি অদ্ভুত রুপালি আভা রেখে গেল।

    অনুসারীদের উত্তেজিত মুখের দিকে তাকিয়ে ভোল্ডেমর্ট বলতে থাকল, যে কথা আমি বলছিলাম, এখন আমি আগের চেয়ে ভালো বুঝি, পটারকে হত্যা করতে যাওয়ার আগে তোমাদের কারো কাছ থেকে একটি যাদুদণ্ড আমাকে নিতে হবে।

    তার চারপাশের মুখগুলোর মধ্যে ভয় ফুটে উঠল। এরচেয়ে বরং সে বলতে পারত যে তোমাদের কারো একজনের হাত আমি নিতে চাই।

    ভোল্ডেমর্ট আবার বলল, তোমাদের মধ্যে কে আছে যে স্বেচ্ছায় দেবে? দেখা যাক… লুসিয়াস, তোমার আর যাদুদণ্ড রাখার প্রয়োজন আছে বলে আমি মনে করি না।

    লুসিয়াস ম্যালফয় মুখ তুলে তাকাল। তার শরীরের ত্বক হলুদ আকার ধারণ করেছে। আগুনের আলোতে দেখা যাচ্ছে ঘেমে চিকচিক করছে। তার চোখ দুটোতে কালো ছায়া পড়েছে এবং ভিতরে ঢুকে গেছে। কথা বলার সময় তার গলা খসখস করে উঠল।

    মাই লর্ড?

    তোমার যাদুদণ্ড লুসিয়াস। ওটা আমার লাগবে।

    আমি…

    ম্যালফয় পাশে বসা তার স্ত্রীর দিকে তাকাল। তার স্ত্রী সামনের দিকে তাকিয়ে আছে। শান্ত, কিন্তু ম্যালয়ের মতোই মুখ ফ্যাকাশে হয়ে গেছে। তার লম্বা সোনালি চুল পিঠের উপর ছড়িয়ে আছে। তার হাতের সরু আঙুলগুলো দিয়ে সে ম্যালয়ের কব্জি ছুঁয়ে দিল। তার হাতের ছোঁয়া পেয়ে ম্যালফয় জামার ভেতরে হাত ঢুকিয়ে যাদুদণ্ডটি বের করে আনল এবং ভোল্টেমর্টের দিকে বাড়িয়ে দিল। ভোল্ডেমর্ট সেটিকে নিয়ে তার লাল চোখের সামনে ধরল। নিবিড়ভাবে পরীক্ষা করল।

    এটা কী?

    দেবদারনু মাই লর্ড, ম্যালফয় ফিস ফিস করে বলল।

    আর এর আসলটুকু?

    ড্রাগন, ড্রাগন হার্টস্ট্রিং।

    খুব ভালো, ভোল্ডেমর্ট বলল। সে নিজের দণ্ডটিও বের করল এবং দুটোর মধ্যে কোনটা লম্বা মেপে দেখল।

    লুসিয়াস ম্যালফয় এক সেকেন্ডের কম সময়ের জন্য অনিচ্ছাকৃতভাবে নড়ে উঠল। তাকে দেখে মনে হল সে নিজের দণ্ডটির বদলে ভোল্টেমর্টের দণ্ডটি পাচ্ছে বলে আশা করছে। তার ওই ভাব ভোল্টেমর্টের নজর এড়ালো না। তার চোখ দুটো ভয়ানকভাবে বিস্ফোরিত হলো।

    আমি কী তোমাকে আমার দণ্ডটি দেব লুসিয়াস? আমারটি?

    উপস্থিত অনেকে অবজ্ঞার হাসি দিল।

    আমি তোমাকে স্বাধীনতা ফিরিয়ে দিয়েছি লুসিয়াস। এটাই কি তোমার জন্য যথেষ্ট নয়? কিন্তু আমি লক্ষ্য করেছি তুমি এবং তোমার পরিবার ধীরে ধীরে অসন্তুষ্ট হয়ে উঠছ বলে মনে হচ্ছে। আমি তোমাদের বাড়িতে আছি, সেটাই কি তোমাদের অখুশির কারণ লুসিয়াস?।

    মোটেই না, মোটেই না মাই লর্ড!

    এক ধরনের মিথ্যা… লুসিয়াস..

    নিষ্ঠুর মুখ স্তব্ধ হওয়ার পরও মনে হলো একটি মৃদু হিসহিস শব্দ হচ্ছে। যাদুকরদের মধ্যে একজন বা দুজন থরথর করে কাঁপতে শুরু করেছে। শব্দ আরো বাড়তে থাকল। টেবিলের নিচ দিয়ে ভারী কোনো কিছু বেয়ে যাচ্ছে।

    দেখা গেল বিশাল একটি সাপ তলা থেকে বেরিয়ে ভোল্টেমর্টের চেয়ার বেয়ে উঠতে থাকল। উঠতেই থাকল। এর যেন শেষ নেই। শেষ পর্যন্ত ভোল্টেমর্টের কাঁধ পর্যন্ত বেয়ে উঠল। সাপটির গলার কাছের অংশ মানুষের উরুর সমান মোটা। চোখের মনিতে আড়াআড়ি দাগ, পলকহীন। ভোল্ডেমর্ট প্রাণীটিকে তার লম্বা এবং সরু আঙুলগুলো দিয়ে অন্যমনস্কভাবে আদর করছে। তখনো ভোল্টেমর্টের চোখ লুসিয়াস ম্যালফয়ের দিকে।

    ম্যালফয়রা তাদের ভাগ্য নিয়ে এত অসন্তুষ্ট কেন? আমার ফিরে আসা, অনেক বছর ধরে আমার ক্ষমতায় আরোহণের প্রচেষ্টা —তাদের কাছে কাক্ষিত নয়?

    অবশ্যই মাই লর্ড। লুসিয়াস ম্যালফয় বলল। উপরের ঠোঁটের কাছ থেকে ঘাম মুছতে গিয়ে তার হাত কেঁপে গেল। আমরা আপনার ফিরে আসাটাই চাই। আমাদের এটাই আকাঙ্ক্ষা।

    ম্যালয়ের বাঁ পাশে বসে তার স্ত্রী দ্বিধার সঙ্গে শক্ত করে মাথা দোলাল। তার চোখ দুটো ভোল্ডেমর্ট এবং সাপটা থেকে সরিয়ে রাখল। তার ডানপাশে তার ছেলে ড্র্যাকো বসে আছে। সে মাথার উপরের নিঃসার দেহটির দিকে তাকিয়ে আছে। মাঝে মাঝে ভোস্টেমর্টের দিকে তাকিয়েই আবার চোখ ফিরিয়ে নিচ্ছে। তার চোখে চোখ রাখতে ভয় পাচ্ছে।

    মাই লর্ড, টেবিলের বেশ খানিকটা দূরে বসা একজন কালো মহিলা বলল। তার গলার স্বর আবেগে সংবরণ করতে কষ্ট হচ্ছে। আপনাকে এখানে, আমাদের বাড়িতে পাওয়া আমাদের জন্য অনেক সম্মানের ব্যাপার। আমাদের জন্য এর চেয়ে বড় আনন্দ আর কিছু নেই।

    মহিলার পাশে তার বোন বসা। দেখতে দুবোন পুরোপুরি আলাদা। তার কালো চুল, চোখের পাতা ভারী। তার চালচলন, আচার-আচরণেও। নার্সিসা স্থির দৃঢ়ভাবে বসে আছে। আর বেলাট্রিক্স ভোল্টেমর্টের দিকে ঝুঁকে পড়েছে। তার নৈকট্যের জন্য শুধুমাত্র কয়েকটি কথা যথেষ্ট নয়।

    এর চেয়ে বড় আনন্দের আর কিছু নেই, ভোল্ডেমর্ট কথাটি পুনরাবৃত্তি করল। বেলাট্রিক্সের দিকে তাকানোর কারণে ভোল্টেমর্টের মাথাটা একটু কাত হয়েছে। তার মানে এটা তোমার কাছে একটা বড় পাওনা বেলাট্রিক্স।

    বেলাট্রিক্সের মুখটা রক্তিম হয়ে উঠল। আনন্দে তার চোখে জল চলে এসেছে।

    মাই লর্ড, আপনি জানেন, আমি সত্যি কথাই বলছি।

    এর চেয়ে আনন্দের আর কিছু নেই… কিন্তু তোমাদের বাড়িতে সদ্য ঘটা যে এক বিষয়ের কথা আমি শুনেছি,তার চেয়েও আনন্দের?

    বেলাট্রিক্স ভোল্টেমর্টের দিকে তাকাল। তার দু ঠোঁট ঈষৎ ফাঁক হয়ে গেছে। তা থেকেই বোঝা যায় সে ব্ৰিত বোধ করছে।

    আমি বুঝতে পারছি না মাই লর্ড, আপনি কী বলতে চাচ্ছেন।

    আমি তোমার ভাগ্নির কথা বলছি বেলাট্রিক্স। লুসিয়াস এবং নার্সিসা, তোমাদেরও। সে রেমুস লুপিনকে বিয়ে করেছে, যে নিজেকে নেকড়েতে রূপান্তরিত করে। নিশ্চয়ই তোমরা এ নিয়ে মহাখুশি?

    উপস্থিত টেবিল ঘিরে বসা সবাই তিরস্কারের হাসিতে ফেটে পড়ল। কয়েকজন একটু সামনের দিকে ঝুঁকে একজন আরেকজনের সঙ্গে মজা পাওয়া চোখের চাহনি বিনিময় করল। কয়েকজন হাতের তালু দিয়ে টেবিলের উপর চাপড় দিল। সাপটি এত হৈচৈ শব্দে বিরক্ত হয়ে মুখটা বড় করে হা করল এবং হিসহিস শব্দ করল। কিন্তু ওই নিষ্ঠুররা বেলাট্রিক্স এবং ম্যালয়ের অপমানে এতটাই উৎফুল্ল হয়েছিল যে কেউ লক্ষ্য করল না। এই কিছুক্ষণ আগেও বেলাট্রিক্সের মুখটা আনন্দে রঙিন হয়ে উঠেছিল। সেই মুখই এখন কুৎসিতভাবে লাল হয়ে উঠেছে।

    উচ্চ হাসির শব্দের মধ্যে সে চিৎকার করে বলল, সে আমাদের ভাগ্নি নয় মাই লর্ড। নার্সিসা এবং আমি–আমরা কেউ, ওই পশুটাকে বিয়ে করার পর ওর দিকে ফিরেও তাকাই না। এই মেয়েটি বা যে পশুটিকে সে বিয়ে করেছে তাদের সঙ্গে আমাদের কোনো সম্পর্ক নেই।

    এ বিষয়ে তোমার বক্তব্য কি ড্র্যাকো? তার গলার স্বর শান্ত। কিন্তু চিৎকার এবং শিষের শব্দের মধ্যেও তার কথা পরিস্কার শোনা গেল। তুমি কী ওদের বাচ্চা-কাচ্চা হলে সেগুলো দেখাশোনা করবে?

    উল্লাস আরো বেড়ে গেল। ড্র্যাকো ম্যালফয় ভয়ে ভয়ে তার বাবার দিকে তাকাল। ওর বাবা মাথা নিচু করে নিজের কোলের দিকে তাকিয়েছিল। এবার ওর মায়ের দিকে ফিরে তাকাল। প্রায় সকলের অলক্ষ্যে ওর মা মাথাটা নাড়ল। তারপর নির্লিপ্ত চোখে বিপরীত দিকের দেয়ালের দিকে তাকিয়ে থাকল।

    যথেষ্ট, ভোল্ডেমর্ট রাগান্বিত সাপের গায়ে হাত বুলিয়ে বলল, যথেষ্ট।

    প্রায় সঙ্গে সঙ্গে সব হাসির শব্দ থেমে গেল।

    সময়ের ব্যবধানে আমাদের পুরানো পরিবারের গাছের অনেক ডালপালা রোগাক্রান্ত হয়ে পড়েছে। ভোল্ডেমর্ট বলল। বেলাট্রিক্স তখন নিঃশ্বাস বন্ধ করে, করুণা প্রার্থনার চোখে তাকিয়ে আছে। তুমি নিশ্চয়ই স্বাস্থ্যবান রাখতে রোগাক্রান্ত ডালপালা ছেটে ফেলবে? যে অংশ সুস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর তা ছেটে ফেলে দাও।

    হ্যাঁ মাই লর্ড। বেলাট্রিক্স ফিসফিস করে বলল। এবং তার চোখ কৃতজ্ঞতায় ভেসে গেল। প্রথম অবস্থাতেই।

    তোমার সেটাই প্রাপ্য, ভোল্ডেমর্ট বলল। এবং তোমার পরিবারও, পৃথিবীতে… আমরা দুষ্টক্ষত এবং রোগগুলোকে কেটে ফেলব যাতে পরিচ্ছন্ন রক্তটুকু টিকে থাকে…।

    ভোল্ডেমর্ট লুসিয়াস ম্যালয়ের দণ্ডটি তাক করল। সোজা টেবিলের উপর ঝুলে থাকা দেহটির দিকে। তারপর ছোট্ট করে একটা ঝাঁকি দিল দণ্ডটিতে। সঙ্গে সঙ্গে দেহটি জীবন্ত হয়ে উঠল এবং গোঙাতে থাকল। অদৃশ্য বাধন থেকে মুক্ত হওয়ার চেষ্টা করছে দেহটি।

    তুমি কী আমাদের অতিথিকে চিনতে পেরেছ সেভেরাস? ভোল্ডেমর্ট বলল।

    স্নেইপ মুখ তুলে উপুর হয়ে ঝুলে থাকা মুখের দিকে তাকাল। সবগুলো ডেথ ইটার এখন তাকিয়ে আছে বন্দির দিকে, যেন তাদেরকে কৌতুহল প্রকাশের অনুমতি দেয়া হয়েছে। ঠিক যখন তার দেহটি ফায়ারপ্লেসের আগুনের আলোর দিকে ঘুরল, মহিলা তারঃস্বরে ভয়ঙ্করভাবে চিৎকার করে বলল, সেভেরাস! আমাকে সাহায্য করো!

    আহ, হ্যাঁ, স্নেইপ বলল। ততক্ষণে বন্দির দেহটি ধীরে ধীরে আবার ঘুরে গেছে।

    আর তুমি ড্র্যাকো? সাপটির নাকের উপর হাত বুলাতে বুলাতে ভোল্ডেমর্ট জানতে চাইল। ড্র্যাকো মাথা ঝাঁকি দিল। এখন মহিলা জেগে ওঠার পর তাকে মনে হলো সে মহিলার দিকে তাকাতে পারছে না।

    কিন্তু তোমাদেরকে তো তার ক্লাস করতে হতো না। ভোল্ডেমর্ট বলল। তোমাদের মধ্যে অনেকেই জানো না যে আমরা আজ রাতে এখানে জড়ো হয়েছি চ্যারিটি বার্বেজের জন্য। সে অতি সাম্প্রতিক সময় পর্যন্ত হগোয়র্টে যাদু ক্ষমতা ও যাদু শিল্প স্কুলে শিক্ষকতা করেছে।

    কথাটা শুনে টেবিলের চারপাশে একটা মৃদু গুঞ্জন উঠল। সামনের দিকে ঘাড় বাঁকানো ও চওড়াদেহী মহিলা চোখা দাঁত বের করে হাসল।

    হ্যাঁ, প্রফেসর বার্বেজ যাদুকর আর ডাইনী শিশুদেরকে মাগলদের সম্পর্কে পড়াতে গিয়ে বলেছেন যে তারা আমাদের থেকে তেমন আলাদা কিছু নয়।

    ডেথ-ইটারদের একজন মেঝের উপর থুথু ফেলল। চ্যারিটি বার্বেজ আবার স্নেইপের দিকে ঘুরল।

    সেভেরাস… প্লিজ… প্লিজ…

    সাইলেন্ট, ভোল্ডেমর্ট ম্যালফয়ের যাদুদণ্ডটি ছোট করে ঝাঁকি দিয়ে বলল। চ্যারিটি দেখল সঙ্গে সঙ্গে নিরবতা নেমে এসেছে। যেন মুখের ওপর কুলুপ এঁটে দেয়া হয়েছে। যাদুকর শিশুদের মন ও চিন্তা কলুষিত করেই ক্ষান্ত হয়নি প্রফেসর বার্বেজ। গত সপ্তাহে তিনি ডেইলি প্রফেট-এ মাডব্রডদের পক্ষে একটি লেখা লিখেছেন। তিনি বলেছেন, ওইসব চোরদেরকে যেন যাদুকররা তাদের বিদ্যা এবং যাদু শিক্ষায় গ্রহণ করে। এরপর প্রফেসর বার্বেজ এক উপযুক্ত সময়ে বলবেন, খাঁটি রক্ত কমে যাওয়ায় বর্তমান পরিস্থিতে … আমাদের সবাইকে মাগলদের সঙ্গে অথবা নিঃসন্দেহে… অথবা সন্দেহ নেই, যারা নেকড়েতে রূপ নিতে পারে সেই ওয়্যার ওলফদের সঙ্গী হতে হবে।

    এবার কেউ হাসল না; ভোল্টেমর্টের কণ্ঠে কোনো ক্ষোভ বা অভিযোগ ফুটে উঠল না। তৃতীয়বারের মতো চ্যারিটি বার্বেজ স্নেইপের দিকে ঘুরল। তার চোখ দিয়ে পানি গড়িয়ে চুলের উপর পড়ছে। স্নেইপ অস্থিরভাবে পেছন ফিরে তাকে দেখল। সে আবার ধীরে ধীরে স্নেইপের দিক থেকে ঘুরে গেল।

    অ্যাভাডা কেদাভ্রা

    রুমের চারদিকে সবুজ আলোর আভা ছড়িয়ে পড়ল। চ্যারিটি টেবিলের তলায় ধপাস শব্দ করে পড়ে গেল। টেবিল কেঁপে উঠে ক্যাচ ক্যাচ শব্দ হলো। বেশ কয়েকজন ডেথ ইটার (মরাখেকো) চেয়ারসহ পেছনের দিকে ঝুকলো। ড্র্যাকো তার চেয়ারটি থেকে মেঝেতে গড়িয়ে পড়ল।

    এই যে তোমার ডিনার নাগিনী, ভোল্ডেমর্ট শান্তকণ্ঠে বলল। বিশাল সাপটি ভোল্টেমর্টের কাঁধ থেকে হেলেদুলে পালিশ করা কাঠের মেঝেতে নেমে এলো।

    ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদ্য ক্যাচার ইন দ্য রাই – জে ডি সালিঞ্জার, অনুবাদ – রাফায়েত রহমান রাতুল
    Next Article হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য হাফ-ব্লাড প্রিন্স (৬) – জে. কে. রাওলিং

    Related Articles

    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার এন্ড দি ফিলসফারস স্টোন (১) – জে. কে. রাওলিং

    August 18, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য চেম্বার অব সিক্রেটস (২) – জে. কে. রাওলিং

    August 18, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য প্রিজনার অব আজকাবান (৩) – জে. কে. রাওলিং

    August 18, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য গবলেট অব ফায়ার (৪) – জে. কে. রাওলিং

    August 16, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য অর্ডার অব দ্য ফনিক্স (৫) – জে. কে. রাওলিং

    August 16, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য হাফ-ব্লাড প্রিন্স (৬) – জে. কে. রাওলিং

    August 16, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }