Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ডেথলি হ্যালোস (৭) – জে. কে. রাওলিং

    জে. কে. রাওলিং এক পাতা গল্প937 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১৩. দ্য মাগল বর্ন রেজিস্ট্রেশন কমিশন

    ১৩. দ্য মাগল বর্ন রেজিস্ট্রেশন কমিশন

    আহ মাফালডা, হারমিয়নের দিকে তাকিয়ে আমব্রিজ বলল। ট্রাভার্স তোমাকে পাঠিয়েছে তাই না?

    অ্যা..হ্যা, হারমিয়ন কোনো রকম বলল।

    খুবই ভালো কথা, তুমি সঠিকভাবে কাজটি পারবে, আমব্রিজ কালো এবং সোনালী রঙের গাউন পরা যাদুকরটির দিকে তাকিয়ে বলল, সমস্যার সমাধান হয়ে গেছে মিনিস্টার, রেকর্ড কিপিং এর জন্য যদি মাফালডাকে পাওয়া যায় তাহলে আমরা আমাদের কাজ সরাসরি শুরু করতে পারি। সে তার হাতের ক্লিপ বোর্ডটিকে দেখালো। আজ দশজন, এরমধ্যে একজন আছে মিনিস্ট্রি কর্মীর স্ত্রী… ইশ! এমনকি এই মিনিস্ট্রির কলিজার ভেতর! সে হারমিয়নের পাশাপাশি লিফটের দিকে আগালো। সঙ্গে বাকী দুই যাদুকরও আগালো, যে দুজন মিনিস্টারের সঙ্গে আমব্রিজের কথার সময় উপস্থিত ছিল। আমরা সোজা নিচে নেমে যাবো মাফালডা, তুমি কোর্টরুমেই যাবতীয় সবকিছু পাবে। গুড মর্নিং অ্যালবার্ট, তুমি এখনো যাওনি।

    হ্যাঁ, অবশ্যই যাচ্ছে, রানকনের গলার সুরে হ্যারি বলল।

    হ্যারি পা বাড়িয়ে লিফট থেকে বের হল। লিফটের সোনালী দরোজা তার পেছনে বন্ধ হয়ে গেল। কাঁধের উপর দিয়ে এক পলক তাকিয়ে হ্যারি দেখল হার মিয়নের মুখটা উদ্বিগ্ন। তার দুপাশে দুই লম্বা যাদুকর। আমব্রিজের ভেলবেট মাথার ফিতা হারমিয়নের কাঁধের সমান পর্যায়ে রয়েছে।

    তুমি এই উপরে উঠে এসেছ কেন রানকন? ম্যাজিকের নতুন মিনিস্টার জানতে চাইল। তার লম্বা, কালো চুল এবং দাড়ি চকচক করছে। চওড়া ঝুলে পড়া কপালের নিচে চোখ দুটো জ্বলজ্বল করছে। দেখে হ্যারির মনে হল একটি কাকড়া যেন পাথরের নিচ থেকে বের হয়ে আসছে।

    সেকেন্ডেরও কম সময় দ্বিধা করে হ্যারি বলল, একটু কথার প্রয়োজন ছিল। আর্থার উইসলি, কেউ একজন বলল সে লেভেল ওয়ানে উঠে এসেছে।

    আহ, পিয়াস থিকনেসে বলল। কোনো অনাকাঙ্খিত লোকের সঙ্গে তার সম্পর্ক ধরা পড়েছে?

    হ্যারি শুকনো গলায় বলল, না, সে রকম কিছু না।

    থিকনেসে বলল, আহ, ঠিক আছে। এটা শুধু সময়ের ব্যাপার। আমার কথা হলো, ব্লড ট্রেইটররাও মাডব্লাডদের মতই খারাপ। গুড ডে রানকর্ন।

    গুড ডে মিনিস্টার।

    হ্যারি দেখল থিকনেসে মোটা কার্পেটের উপর দিয়ে পা ফেলে চলে গেল। মিনিস্টার চোখের সামনে থেকে অদৃশ্য হয়ে যেতেই হ্যারি মোটা কালো আলখাল্লার নিচ থেকে ইনভিজিবল আলখাল্লাটি টেনে বের করল। সেটি গায়ে জড়িয়ে নিয়ে করিডোরের উল্টো দিকে যেতে শুরু করল। রানকর্ন অনেক লম্বা, তাই হ্যারি শরীরটাকে নিচু করে নিশ্চিত করল যেন বড় পা অদৃশ্য হওয়ার আলখাল্লা থেকে বের হয়ে না থাকে।

    উত্তেজনায় হ্যারির পেটের ভেতর সুরসুর করতে থাকল। একটার পর একটা চকচকে কাঠের দরোজা পার হওয়ার সময় দেখল প্রতিটি দরোজায় একটি করে ছোট মানুষের প্রতিক আছে, তার নিচে কক্ষে অবস্থানকারীর নাম ও পদবী দেয়া আছে। মাইট অব দি মিনিস্ট্রির ভাব কায়দা দেখে, এর ভেতরে প্রবেশের দূর্ভেদ্যতা দেখে হ্যারির মনে হল বিগত চার সপ্তাহ ধরে রন এবং হারমিয়নের সঙ্গে যে পরিকল্পনা সে করেছে তা হাস্যকর রকমের শিশুসুলভ। ওরা শুধু পরিকল্পনা করেছে ভেতরে ঢোকার, কিন্তু তার পরের সুনির্দিষ্ট অনুসন্ধানের পরিকল্পনা ছাড়াই। এক মুহূর্তের জন্যও ওরা চিন্তা করেনি যে, একজনের কাছ থেকে আরেকজন পৃথক হয়ে গেলে কী হবে। এখন হারমিয়ন রয়েছে কোর্ট প্রসেডিংস নিয়ে ব্যস্ত। সেটা নিঃসন্দেহে কয়েক ঘণ্টা চলতে থাকবে। রন ম্যাজিক ব্যবহারের চেষ্টায় ব্যস্ত। হ্যারি জানে সেটা তার সাধ্যের বাইরে। ওর কাজের উপর নির্ভর করছে একজন মহিলার স্বাধীন হওয়াটা। আর হ্যারি নিজে ঘোরাফেরা করছে উপরের ফ্লোরে। অথচ সে জানে তার যাকে নিয়ে কাজ করতে হবে সে লিফটে নিচে চলে গেছে।

    হ্যারি হাটা থামালো। একটা দেয়ালের সঙ্গে হেলান দিয়ে বুঝতে চেষ্টা করল এখন কী করা উচিত। তার চারদিকে নিরবতা। কোনো ব্যস্ততা নেই, কথা বলার শব্দ নেই, নেই দ্রুত হেঁটে চলে যাওয়ার পায়ের শব্দ। রঙিন কার্পেটের করিডোরগুলো এতটাই শান্ত যে মনে হয় এই জায়গার উপর মাফ্লিয়াটো চার্ম ব্যবহার করা হয়েছে।

    হ্যারি ভাবল, মহিলার অফিস উপরেই হবে।

    মনে হয় না যে আমব্রিজ তার গহনাপাতি অফিস কক্ষে রাখবে। তবে নিশ্চিত হওয়ার জন্য খুঁজে না দেখাটাও হবে বোকামি। সে আবার করিডোর দিয়ে হাঁটতে শুরু করল। হ্যারি কাউকে দেখতে পেল না, শুধু একজন গোমরামুখো যাদুকরকে দেখা গেল বিড়বিড় করে পালকের কলমকে নির্দেশ দিচ্ছে, যেটি তার সামনে ভাসছে। একটি মন্ত্র দ্রুতগতিতে এলোমেলোভাবে লেখা হচ্ছে।

    হ্যারি এক কোণায় গেল এবং এবার দরোজার নামগুলোর দিকে হ্যারি মন দিল। পরের করিডোরের অর্ধেক পথ যেতেই হ্যারি একটি চওড়া খোলা জায়গায় চলে এলো। দেখল প্রায় এক ডজন যাদুকর এবং মহিলা যাদুকর লাইন ধরে বসে আছে। স্কুল ডেস্কের মতো সামনে ছোট ডেস্ক। যদিও স্কুল ডেস্কের চেয়ে অনেক ঝকমকে এবং কাটাকুটি দাগ নেই। হ্যারি ওদেরকে দেখার জন্য থামল। কারণ ওরা সবাই নিস্তব্ধ হয়ে কাজ করছে। ওরা সবাই একই সঙ্গে হাতের যাদুদণ্ড তুলছে এবং ঘোরান দিচ্ছে। চারকোনা রঙীন কাগজ চারদিকে ওড়াউড়ি করছে। যেন ছোট ছোট ঘুড়ি। কয়েক সেকেন্ডে হ্যারি লক্ষ করল কাগজগুলোর ভেতর একটি মিল আছে। সবগুলো একই রকমের। আরো অল্প কয়েক সেকেন্ড পর হ্যারি বুঝতে পারল ওগুলো হল প্যামপ্লেট। কাগজগুলো সাইজ করে, ভাঁজ করে ম্যাজিকের মাধ্যমে ওরা প্রত্যেক যাদুকর এবং মহিলা যাদুকর নিজের পাশে একেকটি জায়গায় রাখছে।

    হ্যারি নিচু হয়ে আরো কাছে এল। ওরা এত মনোযাগের সঙ্গে কাজ করছে যে হ্যারি বুঝতে পারল কার্পেটের উপর পায়ের দাগগুলো খেয়াল করবে না। সে অল্প বয়সের মহিলা যাদুকরের পাশ থেকে পুরোপুরি তৈরি হওয়া একটি প্যামপ্লেট টুক করে টেনে নিল। অদৃশ্য হওয়ার আলখাল্লার ভেতর নিয়ে সে পরিক্ষা করল। গোলাপি রঙের কভারের উপর কারুকাজ করে লেখা

    মাডব্লাড
    পিওর-ব্লাড সোসাইটির জন্য
    তারা বিপদজনক

    শিরোনামের নিচে একটি গোলাপ ফুলের ছবি। ফুলের পাতার উপরে লাজুক হাসিমাখা একটি মুখ। তার সঙ্গে কাটাযুক্ত একটি সবুজ লতা জড়ানো। প্যামপ্লেটের উপর কোনো লেখকের নাম নেই। এবং হ্যারি প্যামপ্লেটটি পরিক্ষা করার সময় তার ডান হাতের পেছনের স্কারটিতে চুলকাতে শুরু করল। তখনই হ্যারির সন্দেহটা সত্যি হল। তার পাশের অল্পবয়সী মেয়ে যাদুকর যাদুদণ্ড ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে কাজ করতে করতে বলে উঠল, বুড়ি কী সারাদিন ভরে মাডব্লাড়দের জিজ্ঞাসাবাদ করবে, কারো জানা আছে?

    সাবধান, বলল মেয়ে যাদুকরের পাশে দাঁড়িয়ে কাজ করা যাদুকরটি। নার্ভাসভাবে এদিক ওদিক তাকালো। তার কাজ করতে থাকা একটি কাগজ পিছলে গিয়ে মেঝেতে পড়ল।

    কী ব্যাপার, তার কী যাদুর চোখের মত যাদুর কানও আছে নাকি?

    মেয়ে যাদুকরটি ঘুরে চকচকে মেহেগুনির দরোজার দিকে তাকালো। দরোজাটি কাজ করতে থাকা যাদুকরদের দিকে পুরোপুরি মুখ করা। হ্যারিও ঘুরে তাকালো। এবং ক্ষোভে সাপের মত ফুঁসে উঠল। দরোজার যেখানে ভেতর থেকে দেখার কীহোল থাকার কথা, সেখানে কাঠের উপর একটি বড়, গোলাকার নীল রঙের অর্ধেক চোখ বসানো; যারা অ্যালেস্টর মুডিকে চেনে তারা জানে যে, এই চোখটি দেখতে অ্যালেস্টর মুডির চোখের মত।

    মুহূর্তের জন্য হ্যারি ভুলে গেল সে কোথায় আছে এবং ভুলে গেল যে তার গায়ে অদৃশ্য হওয়ার আলখাল্লা রয়েছে। সে লম্বা পা ফেলে দরোজার কাছে চলে গেল চোখটি পরিক্ষা করতে। চোখটি স্থির এবং উপরের দিকে তাকিয়ে আছে। চোখের ঠিক নিচে লেখা রয়েছে :

    ডোলোরেস আমব্রিজ
    সিনিয়র আন্ডার-সেক্রেটারি টু দি মিনিস্টার

    তার নিচেই খোদাই করে আরেকটু ছোট করে লেখা, একটু একটু করে জ্বলজ্বল করছে :

    হেড অব দ্য মাগল-বর্ন
    রেজিস্ট্রেশন কমিশন।

    হ্যারি ঘুরে প্যামপ্লেট তৈরি করতে থাকা যাদুকরদের দিকে তাকালো। যদিও তারা নিজেদের কাজে ব্যস্ত, তারপরও হ্যারির মনে হল না যে, তাদের সামনে দরোজাটি খুলে গেলে তারা কেউ দেখবে না। হ্যারি ভেতরের পকেট থেকে একটি জিনিস বার করল যেটির ছোট ছোট দুটি পা। আর দেহটির সঙ্গে দুটি রাবারের মত শিং। হ্যারি আলখাল্লার ভেতরে নিচু হয়ে সেটিকে মেঝের উপর একটি জায়গায় রাখল।

    জিনিসটি গুরগুর করে যাদুকরদের পায়ের নিচ দিয়ে একটি জায়গায় চলে গেল। হ্যারি হাতের যাদুদণ্ডটি দরোজার নবের কাছে ধরে অপেক্ষা করছে, কয়েক মুহূর্ত পর জোরে একটি শব্দ হয়ে এক কোনা থেকে কালো ধোয়া ছড়িয়ে পড়ল। সামনের সারির অল্প বয়সের মেয়ে যাদুকরটি চিৎকার করে উঠল। সব কয়জন যাদুকর লাফিয়ে উঠল। গোলাপি রঙের কাগজগুলো চারদিকে উড়তে থাকল। ওরা সবাই ধোয়া ওঠার উৎস খুঁজতে থাকল। হ্যারি দরোজার নটি ঘুরিয়ে খুলে ফেলল এবং আমব্রিজের অফিসের ভেতর ঢুকে দরোজাটি বন্ধ করে দিল।

    হ্যারির মনে হল সে পা ফেলে অতীতের সময়ে চলে গেছে। রুমের ভেতরটা একেবারে হোগার্টে আমব্রিজের অফিস কক্ষের মত। ঝুলন্ত লেসগুলো, ফিতাওয়ালা রুমাল, শুকনো ফুল চারদিকে ছড়িয়ে আছে। দেয়ালের সঙ্গে একই রকম কারুকাজ করা প্লেট রয়েছে। প্রত্যেকটিতে প্রচুর রঙ ব্যবহার করা হয়েছে। বিড়ালের বাচ্চার বিভিন্ন ভঙ্গীর বিরক্তিকর ছবি। ডেস্কের উপরে টেবিল ক্লথটিতে নানা ধরণের কাল্পনিক ফুলের ছবি। ম্যাড-আইর ওই চোখের সঙ্গে একটি টেলিস্কোপ জুড়ে দেয়া হয়েছে যাতে দরোজার বাইরে যাদুকররা কী করছে সেটা দেখা যায়। হ্যারি টেলিস্কোপে চোখ রাখল এবং দেখল বাইরে এখনো যাদুকররা ডেকয় ডেটনেটর ঘিরে আছে। সে টেলিস্কোপটি টেনে বাইরে নিয়ে গেল। ফুটোর সঙ্গে সেটিকে রেখে আইবলটা খুলে নিয়ে নিজের পকেটে পুরে রাখল। তারপর আবার রুমের দিকে ফিরে হাতের যাদুদণ্ডটি তুলে বিড়বিড় করে বলল, অ্যাকসিও লকেট!

    কিছুই ঘটল না। সে নিজেও আশা করেনি যে এমন কিছু ঘটবে। হ্যারি নিশ্চিত যে, আমব্রিজের সব প্রোটেকটিভ চার্ম ও স্পেল সম্পর্কে জানা আছে। সে কারণেই হ্যারি দ্রুত আমব্রিজের ডেস্কগুলোর কাছে গেল এবং ড্রয়ারগুলো টেনে খুলতে থাকল। সে ড্রয়ারগুলোর ভেতর পালকের কলম, নোটবুক এবং স্পেলোট্যাপ দেখতে পেল। যাদু করা পেপারক্লিপগুলো সাপের মতো পাকিয়ে আছে। ওগুলোকে বাড়ি দিয়ে ঠিক করার প্রয়োজন হবে। একটি ছোট লেস বক্স দেখা গেল। সেটির ভেতরে সোনামুখি সুচ এবং ক্লিপ রয়েছে। কিন্তু লকেটের কোনো চিহ্নই নেই।

    ডেস্কের পেছনে একটি ফাইল কেবিনেট। হ্যারি কেবিনেটের ভেতর সার্চ করতে শুরু করল। কেবিনেটটি হোগার্টের ফিলচ ফাইলের মত। ভেতরে অনেক ফোলডার। প্রত্যেকটি ফোলডারে আলাদা আলাদা নাম লেখা আছে। হ্যারি ফাইলগুলো খুঁজতে খুঁজতে নিচের দিকে দেখল। একটি ফাইল পেল মনোযোগ দিয়ে দেখার মত। সেটি মি. উইসলির ফাইল।

    আর্থার উইসলি

    রাড স্ট্যাটাস : পিওর-ব্লড কিন্তু মাগলদের সমর্থক যা প্রত্যাশিত নয়। অর্ডার অব দ্য ফিনিক্সের সদস্য হিসেবে পরিচিত।
    পরিবার : স্ত্রী (পিওর ব্লাড), সাতটি সন্তান, ছোট দুটি হোগার্টে আছে। বি.দ্র. সবচেয়ে ছোট ছেলেটি বর্তমানে ভীষণ অসুস্থ, বাড়িতে রয়েছে। মিনিস্ট্রির পরিদর্শকরা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
    সিকিউরিটি স্ট্যাটাস : ট্র্যাক্ট। সব কর্মকাণ্ড নজরে রাখা হচ্ছে। আনডিজারেবল নাম্বার-১ এর যোগাযোগ করার বিশেষ সম্ভাবনা রয়েছে।

    মি. উইসলির ফাইলটি রাখতে রাখতে হ্যারি বিড়বিড় করে বলল আনডিজারেবল নাম্বার-১। ড্রয়ারটি বন্ধ করে দিল। হ্যারির ধারণা আছে এই নাম্বার-১ কে হতে পারে। সে সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে বিষয়টি আরো নিশ্চিত হল। অফিস কক্ষের চারদিকে তাকিয়ে লুকোনোর মত জায়গাগুলো দেখতে থাকল। তখনই সে দেয়ালে তার ছবিটি দেখতে পেল। ছবিটির বুকের উপর ডিজাইন করে লেখা, আনডিজারেবল নাম্বার-১। একটি ছোট নোট করে একটি মন্তব্য লেখা আছে। একটি ছোট বিড়াল ছানার ছবিও আছে এক কোণে। হ্যারি কাছে গেল লেখাটি পড়তে। আমব্রিজ সেখানে লিখে রেখেছে, শাস্তি পেতে হবে।

    হ্যারি আগের যে কোনো সময়ের চেয়ে অধিক ক্ষেপে গেল। সে ফুলদানী, বাস্কেটের ভেতরে উল্টেপাল্টে খুঁজতে থাকল কিন্তু কোথাও লকেটটি নেই। সে গোটা অফিসের দিকে একবার চোখ বুলালো। হঠাৎ তার বুকের ভেতরটা লাফিয়ে উঠল। একটি চারকোণা আয়না থেকে ডাম্বলডোর তার দিকে তাকিয়ে আছেন। আয়নাটি পাশেই একটি বইয়ের কভারের উপর ঠেকিয়ে রাখা আছে।

    হ্যারি দৌড়ে কাছে গেল এবং থাবা দিয়ে সেটি তুলে নিল। কিন্তু ছুঁয়েই দেখল আসলে ওটা মোটেই আয়না নয়। ডাম্বলডোর গ্লোসি পেপারের বইয়ের কভারের ছবিতে তিক্ত হাসি দিয়ে আছেন। প্রথমে হ্যারি লক্ষ করতে পারেনি যে সবুজ রঙে তার হ্যাটের উপর বাকা করে লেখা আছে, দি লাইফ এন্ড লাইস অব অ্যালবাস ডাম্বলডোর। আর ছবির বুক জুড়ে ছোট করে লেখা আছে, বাই রিটা স্কিটার, তিনি বেস্ট সেলিং গ্রন্থ আরমান্ডো ডিপেট : মাস্টার অর মরন?-এর লেখক।

    হ্যারি বইয়ের পাতাগুলো উল্টোতে থাকল। একটি জায়গায় দেখল পুরো পাতাজুড়ে দুজন টিনএজ বালকের ছবি। দুজন দুজনের কাঁধের ওপর দিয়ে হাত দিয়ে আছে। তখন ডাম্বলডোরের কনুই সমান চুল ছিল। মুখে ছোট ছোট খোচা খোঁচা দাড়ি। হ্যারির মনে পড়ল ক্রুমের এমন দাড়ি দেখে রন বিরক্ত হতো। ডাম্বলডোরের পাশে আনন্দচিত্তে দাঁড়ানো ছেলেটির চোখে একটি বন্য চাহনি। তার সোনালী চুলগুলো বাঁকা হয়ে কাঁধের উপর পড়েছে। হ্যারি ভাবলো, এটা কি ডোজের অল্প বয়সের ছবি? কিস্তু ছবির নিচের ক্যাপশনটি পড়ার আগেই অফিস কক্ষের দরোজাটি খুলে গেল।

    থিকনেসে যদি নিজের কাঁধের উপর দিয়ে পেছনের দিকে ফিরে না তাকাতে তাহলে আর হ্যারি অদৃশ্য হওয়ার আলখাল্লাটি পড়ে উঠতে পারতো না। কিন্তু হ্যারি ভাবল, থিকনেসে হয়তো পলকের জন্য কিছু একটা লক্ষ করেছে। কারন বেশ একটু সময় নিয়ে থিকনেসে স্থির দাঁড়িয়ে থাকল। কৌতুহলী দৃষ্টিতে ঠিক হ্যারি যেখান থেকে অদৃশ্য হয়েছে সে সেদিকটায় তাকিয়ে থাকল। হ্যারি যখন দ্রুত বইটি শেলফে রেখেছে তখন শেষ মুহূর্তে একটু নড়তে দেখে সে হয়তো সিদ্ধান্ত নিতে চেষ্টা করছে যে, সেকি বইয়ের কভারের উপর ডাম্বলডোরকে একটি নাক চুলকাতে দেখল? অবশেষে থিকনেসে হেঁটে তার ডেস্কের কাছে গেল এবং তার যাদুদণ্ডটি দিয়ে কালির ভেতর থাকা পালকের কলমটি তুলে নিল। পালকটি আমব্রিজের কিছু নোট লিখে ফেলল। হ্যারি পেছন থেকে বের হয়ে এলো দরোজার বাইরে।

    প্যামপ্লেট তৈরি করা যাদুকররা তখনো ডেকয় ডেটনেটর নিয়ে ব্যস্ত হয়ে আছে। এখনো সেটি থেকে নিস্তেজভাবে কিছু ধোয়া বের হচ্ছে। হ্যারি দ্রুতগতিতে করিডোর ধরে উপরে উঠতে উঠতে শুনলো সেই অল্প বয়সী মেয়ে যাদুকর বলছে, আমি ব্যাজ ধরে বলতে পারি এটি চক্রাকের ঘুরে এখানে এসে পড়েছে, এটি একটি এক্সপেরিমেন্টাল চার্ম। ওরা এত কেয়ারলেস, মনে আছে সেই বিষাক্ত হাসের কথা?

    হ্যারি দ্রুত লিফটের দিকে যেতে যেতে ভাবল কী করতে পারে। এখানে এই মিনিস্ট্রিতে লকেটটি আছে বলে মনে হয় না। তা ছাড়া আমব্রিজের আশেপাশে স্পেল ব্যবহার করে সেটি খোঁজাও সম্ভব নয়, বিশেষ করে সে এখন বসে আছে কোর্টে অনেক মানুষের ভীড়ের ভেতর। এখন সবচেয়ে ভালো সবাই বুঝে ওঠার আগে মিনিস্ট্রি থেকে কেটে পড়া। অন্য আরেকদিন চেষ্টা করা যাবে। এখন প্রথম কাজ হল রনকে খুঁজে বের করা। তারপর দুজনে মিলে হারমিয়নকে কোর্ট থেকে বের করার উপায় খুঁজতে হবে।

    লিফটে পৌঁছতে দেখা গেল সেটি খালি। হ্যারি লাফ দিয়ে ভেতরে ঢুকল এবং লিফট নামতে শুরু করতেই টান দিয়ে অদৃশ্য হওয়ার আলখাল্লাটি খুলে ফেলল।

    বিরাট স্বস্তির ঘটনা ঘটল। লিফট দ্বিতীয় লেভেলে এসে থামতেই ভেজা শরীর নিয়ে রন বড়বড় চোখ করে ভেতরে ঢুকল।

    মর্নিং, সে তোতলাতে তোতলাতে বলল। লিফট আবার চলতে শুরু করল।

    রন, আমি, আমি হ্যারি!

    হ্যারি, হায় হায়! আমি ভুলে গেছি তুমি দেখতে কেমন, হারমিয়ন তোমার সঙ্গে নেই কেন?

    ওকে আমব্রিজের সঙ্গে নিচে কোর্টরুমে যেতে হয়েছে। না যেয়ে উপায় ছিল না, এবং

    হ্যারির কথা শেষ হওয়ার আগেই লিফট থামল; দরোজা খুলে গেল এবং মি. উইসলি একজন মহিলা যাদুকরের সঙ্গে কথা বলতে বলতে লিফটের ভেতরে ঢুকলেন। যাদুকরটির সোনালী চুল এমন যে, দেখলে পিপড়ার ঢিবির কথা মনে হয়।

    … আমি তোমার কথা পুরোপুরি বুঝতে পেরেছি ওয়াকানডা। কিন্তু আমি খুবই সন্দিহান যে আমি পার্টিতে

    মি. উইসলি হঠাৎ থেমে গেলেন। হ্যারির দিকে তার চোখ পড়েছে। মি. উইসলি এমন বিরক্তির সঙ্গে তাকালেন যা খুবই অদ্ভুত লাগল। লিফটের দরোজা বন্ধ হল এবং চারজন আবার নিচের দিকে নামতে থাকল।

    ওহ, হ্যালো রেগ, মি. উইসলি বললেন। রনের ভেজা গাউনের খসখস শব্দ শুনে সেদিকে তাকালেন। তোমার স্ত্রীকে কি আজ প্রশ্ন করা হচ্ছে?–এই তোমার কী হয়েছে? তুমি এমন ভেজা কেন?

    ইয়াক্সলির অফিসে বৃষ্টি হচ্ছে, রন বলল। সে মি. উইসলির কাঁধের দিকে তাকিয়ে উত্তর দিল। হ্যারি বুঝতে পারল যে সে চোখের দিকে তাকাতে ভয় পেয়েছে, যদি চোখে চোখ রাখলে রনের ড্যাড তাকে চিনে ফেলে। আমি এটা থামাতে পারিনি। তাই ওরা আমাকে পাঠালো বার্নি–পিলসওয়ার্থকে ডেকে নিতে। আমার মনে হয় তারা বলল-

    হ্যাঁ, অনেক অফিসে দীর্ঘ সময় ধরে বৃষ্টি হচ্ছে, মি. উইসলি বললেন। তুমি কী মেটিওলজিঙ্কস রেকান্টো স্পেল দিয়ে চেষ্টা করেছিলে? ব্লেটলিদের এই স্পেলে কাজ হয়েছে

    মেটিওলজিঙ্কস রেকান্টো? রন ফিসফিস করে বলল। না, আমি চেষ্টা করিনি। ধন্যবাদ ড্যা–মানে ধন্যবাদ আর্থার।

    লিফটের দরোজা খুলে গেল। পিপড়ার ঢিবির মতো সোনালি চুলের যাদুকর মহিলাটি বের হয়ে গেল। রন তাকে অতিক্রম করে চোখের বাইরে চলে গেল। হ্যারিও পেছনে যাবে সিদ্ধান্ত নিল। কিন্ত বের হওয়ার আগেই দেখল রাস্তা ব্লক হয়ে গেছে। কারণ বড়বড় পা ফেলে পারসি উইসলি এসে লিফটের ভেতরে প্রবেশ করেছে। পারসি কিছু কাগজের ভেতর চোখ মুখ ডুবিয়ে পড়ছে।

    লিফটের দরোজা বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত পার্সি লক্ষ করল না যে সে তার বাবার সঙ্গে একই লিফটে আছে। সে উপরের দিকে তাকাল। মি. উইসলিকে দেখল এবং সঙ্গে সঙ্গে লাল হয়ে গেল। লিফটের দরোজা খোলামাত্র সে টুক করে বেরিয়ে গেল। দ্বিতীয়বারের মতো হ্যারি বের হওয়ার চেষ্টা করল। কিন্তু এবার দেখল তার পথ মি. উইসলি হাত উচিয়ে আগলে ধরেছেন।

    এক মিনিট রানকর্ন।

    লিফটের দরোজা বন্ধ হয়ে গেল। লিফট নিচে নামতে থাকলে মি. উইসলি বললেন, আমি শুনতে পেলাম তুমি ডার্ক ক্রেসওয়েল সম্পর্কে তথ্য পেশ করেছ।

    হ্যারি ধারণা করল মি. উইসলি রেগে আছেন পারসির সঙ্গে দেখা হওয়াতে। হ্যারি চিন্তা করল সবচেয়ে ভালো স্টুপিডের ভান করা।

    সরি? সে বলল।

    ভঙ্গি করো না রানকর্ন, মি. উইসলি তীক্ষ্ণসুরে বললেন।

    তুমি যাদুকরের ফ্যামিলি পরম্পরায় ফাঁকি দেয়ার বিষয়টি ধরিয়ে দিয়েছ। তাই না?

    আমি–আমি যদি সেটা করে থাকি তাহলে কী? হ্যারি বলল।

    ডার্ক ক্রসওয়েল তোমার চেয়ে দশগুণ বেশি যাদুকর। মি. উইসলি শান্তভাবে বললেন। লিফট আরো নিচে নেমে এল। সে যদি আজকাবানে টিকে যায়, তাহলে তার কাছে তোমাকে জবাবদিহিতা করতে হবে। শুধু তার স্ত্রীকেই না, তার ছেলেদের কাছে, তার বন্ধুবান্ধবদের কাছে জবাব দিতে হবে।

    হ্যারি বাধা দিয়ে বরল, আর্থার, আপনি কী জানেন যে আপনাকে অনুসরণ করা হচ্ছে? জানেন না?

    মি. উইসলি উচ্চস্বরে বললেন, তুমি কী আমাকে হুমকী দিচ্ছ রানকর্ন?

    হ্যারি বলল, না, এটা সত্যি! ওরা আপনার সব কাজকর্মের দিকে নজর রাখছে-

    লিফটের দরোজা খুলে গেল। ওরা অট্রিয়ামে পৌঁছে গেল। মি. উইসলি হ্যারির দিকে ভর্ৎসনার দৃষ্টিতে তাকিয়ে লিফট থেকে বের হয়ে গেলেন। হ্যারি ঠায় দাঁড়িয়ে থাকল। তার মনে হল সে যদি রানকর্নের বদলে অন্য কারো রুপ ধারণ করতে পারতো… লিফটের দরোজা খটাস করে বন্ধ হয়ে গেল।

    হ্যারি ঝটপট অদৃশ্য হওয়ার আলখাল্লাটি টেনে বের করল। রনকে বৃষ্টি থামানো নিয়ে কবাজ করতে হচ্ছে। সুতরাং একাই তাকে হারমিয়নকে বের করে আনার চেষ্টা করতে হবে। লিফটের দরোজা যখন খুলল, হ্যারি দেখল টর্চলাইট পাথরের পথ, উপরের কাঠের প্যানেল করা করিডোর থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন। লিফট ঘরঘর করে চলে যেতেই হ্যারি সামান্য কেঁপে উঠল। সামনে বেশ খানিকটা দূরে কালো দরোজাটার দিকে হ্যারি তাকালো। দরোজার উপর ডিপার্টমেন্ট অব মিসচারিজের চিহ্ন দেয়া আছে।

    হ্যারি হাঁটতে থাকল। তার গন্তব্য ওই সামনের কালো দরোজা না। কিন্তু মনে পড়ল হাতের বায়ে একটি দরোজা দিয়ে ঢুকতে হবে। যে দরোজাটি দিয়ে নিচে কোর্টরুমে প্রবেশ করতে হয়। নিচু হয়ে নামার সময় হ্যারির মনে ঝড় উঠল; এখনো তার পকেটে কয়েকটি ডেকয় ডেটনেটর রয়েছে। কিন্তু সবচেয়ে ভালো সাধাসিধাভাবে দরোজায় টোকা দিয়ে রানকর্ন হিসাবে ভেতরে ঢুকে মাফালডার সঙ্গে একটু কথা বলতে চাওয়া। যদিও হ্যারির জানা নেই এই কথা বলার মত গুরুত্ব রানকর্নের আছে কিনা। আর যদি সে কোনোভাবে ম্যানেজ করতেও পারে তাহলেও হারমিয়ন কাছে না থাকলে তাকে খোজার প্রয়োজন হতে পারে মিনিস্ট্রি থেকে বের হওয়ার জন্য….

    হ্যারি আর চিন্তা করতে পারল না। সে লক্ষ করল এক অস্বাভাবিক ধরণের ঠাণ্ডা বোধ হচ্ছে। সে যতই সামনে যাচ্ছে ততই ঘন কুয়াশা ভেদ করতে হচ্ছে। ঠাণ্ডা আরো বাড়ছে। ঠাণ্ডা গলার ভেতর দিয়ে প্রবেশ করে কলজেতে গিয়ে আঘাত করছে। ঠিক তখনই হ্যারি অনুভব করল তার ভেতর চুপিসারে একটা নিরাশা ঢুকে। যাচ্ছে ভেতরে সে নিরাশা স্ফীত হয়ে উঠছে…

    সে ভাবল, ডেমেনটররা।

    হ্যারি পা বাড়িয়ে ডান পাশের সিঁড়িতে রাখতেই একটি ভয়ানক দৃশ্য দেখতে পেল। কোর্টরুমের বাইরে প্যাসেজে এক দল লম্বা, কালো কাপড়ে মাথা ঢাকা শরীর। মুখগুলো পুরোপুরি ঢাকা। জায়গাটিতে শুধু ওদের বিক্ষিপ্ত নিঃশ্বাসের শব্দ। গাদাগাদি করে একদল আতঙ্কিত মাগল বর্ন বসে আছে। ওদেরকে নিয়ে আসা হয়েছে। কাঠের বেঞ্চে বসে ওরা কাঁপছে। তাদের অধিকাংশই হাত দিয়ে মুখ ঢেকে আছে। সম্ভবত ডেমেনটরদের লোভী মুখ থেকে নিজেদের মুখ ঢেকে রাখতে চেষ্টা করছে। কারো কারো সঙ্গে পরিবারের লোকেরাও এসেছে। অন্যরা একা বসে আছে। ডেমেনটররা ওদের সামনে দিয়ে চক্কর দিচ্ছে। এই নৈরাশ্যজনক অবস্থা, এই ঠাণ্ডা লাগা এবং এই সার্বিক অবস্থা হ্যারির কাছে একটি অভিশাপ মনে হল…

    হ্যারি নিজেকে নিজে বলল, এর বিরুদ্ধে আগাতে হবে। হ্যারি জানে যে এখানে নিজেকে কাজে লাগানো ছাড়া যাদুর মাধ্যমে প্যাট্রোনাস ব্যবহার করতে পারবে না। সুতরাং যতটা সম্ভব নিঃশব্দে হ্যারি এগিয়ে গেল। যত সামনে এগুলো তত মনে হল মাথার ভেতর ফাঁকা হয়ে আসছে। কি নিজের সঙ্গে হ্যারি যুদ্ধ করতে থাকল, রন এবং হারমিয়নের এখন ওর সাহায্যের প্রয়োজন।

    হ্যারি যত সামনে আগালো তত শরীরগুলোকে ভয়ানক মনে হল। চোখহীন ঢেকে রাখা মাথাগুলো অতিক্রম করার সময় ওরা ঘুরল, হ্যারি নিশ্চিত হল যে ওরা তার উপস্থিতি টের পেয়েছে…

    এবং হঠাৎ করে নিস্তব্ধতা ভেঙে গেল। করিডোরের বাম পাশের একটি বদ্ধ দরোজা সাট করে খুলে গেল এবং রুমের ভেতরের চিৎকারের শব্দ প্রতিধ্বনিত হতে থাকল।

    না! না! আমি একজন হাফ ব্লাড়, আমি হাফ ব্লড! আমি আপনাকে বলছি! আমার বাবা একজন যাদুকর আমার বাবা আর্কি অ্যালডারটন একজন সুপরিচিত ব্রুমস্টিক ডিজাইনার, তার দিকে তাকান, আমাকে ছেড়ে দিন, আমাকে ছেড়ে দিন

    এটা তোমার জন্য শেষ সতর্ক হওয়ার নির্দেশ, আমব্রিজের কণ্ঠ শোনা গেল। তার গলার স্বর যাদুর মাধ্যমে এমন করা হয়েছে যে সবার চেঁচামেচির ভেতরও তার কণ্ঠ পরিস্কারভাবে শোনা যাচ্ছে। তুমি যদি আবার চেষ্টা করো, তাহলে ভাগ্যে ডেমেনটরদের চুমা জুটবে।

    চিৎকার ধীরে ধীরে থেমে গেল, কিন্তু করিডোর থেকে নাক টেনে কান্নার শব্দ প্রতিধ্বনিত হতে থাকল।

    .

    কোর্টরুমের দরোজায় দুজন ডেমেনটর দেখা গেল। ওরা পচাগলা ধরনের হাত দিয়ে একজন নিস্তেজ হয়ে আসা যাদুকরের বাহুর কাছে ধরে রেখেছে। ওরা যাদুকরকে নিয়ে মসৃনভাবে করিডোর ধরে চলে গেল। যে অন্ধকার তারা পেছনে ফেলে গেল তা হ্যারিকে অন্ধকারে ফেলে দিল এবং সে আর দেখতে পেল না।

    নেক্সট–ম্যারি ক্যাটারমোলে, আমব্রিজ ডাকলেন। এক ছোটখাটো মহিলা উঠে দাঁড়াল। তার মাথা থেকে পা পর্যন্ত থর থর করে কাঁপছিল।

    তার কালো চুলগুলো পেছনে রোল করে বাধা এবং পরণে সাধাসিধা একটি লম্বা গাউন। মুখটা পুরোপুরি রক্তশূন্য। সে যখন ডেমেনটরদের পাশ দিয়ে গেল তখন হ্যারি তাকে ভয়ে কাঁপতে দেখল।

    কাজটি সে কোনো পরিকল্পনা ছাড়াই করে ফেলল। হঠাৎ করেই। কারণ সে মহিলার এই অসহায় ভাবে যাওয়া তার ভাল লাগছিল না, ঠিক যখন দরোজাটি বন্ধ হয়ে যাচ্ছে তখনই হ্যারি তার পেছনে পেছনে কোর্টরুমে ঢুকে পড়ল।

    এটা সেই রুম নয় যে রুমে হ্যারিকে একসময় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল ম্যাজিকের অপব্যবহার নিয়ে। এই রুমটি অনেক ছোট। যদিও এর ছাদটি অনেক উপরে। এই ঘরের ভেতরে প্রবেশের পর মনে হয় যেন একটি কুয়োর গভীরে আটকা।

    রুমটির ভেতরও অনেকগুলো ডেমেনটর রয়েছে। নিথর দাঁড়িয়ে থাকা শরীরগুলো দেখা যাচ্ছে। ওরা উঁচু প্লাটফর্মে মুখবিহীন প্রহরীর মত দাঁড়িয়ে আছে। হ্যারির কাছেই একটি রেলিং ঘেরা জায়গার ভেতরে আমব্রিজ বসে আছে। তার এক পাশে ইয়াক্সলি এবং অন্যপাশে রয়েছে মিসেস ক্যাটারমালের মতই সাদা মুখ নিয়ে হারমিয়ন। পায়ের কাছে. মেঝেতে একটি উজ্জ্বল রুপালী রঙের লম্বা চুলওয়ালা বিড়াল শিকার খোঁজার মত করে ওঠানামা করছে। হ্যারি বুঝতে পারল যে এটি ডেমেনটরদের কাছ থেকে যে সব অভিযুক্তদের আনা হচ্ছে তাদের মধ্যে যারা দোষী প্রমাণ হয়ে যাচ্ছে তাদের হাত থেকে নিরাপত্তার জন্য রয়েছে।

    বসো, নরম ও শান্ত সুরে আমব্রিজ বলল।

    মিসেস ক্যাটারমোল উঁচু প্লাটফর্মটির সামনেই মেঝের মাঝখানে একটি চেয়ারে হোঁচট খেয়ে বসে পড়ল। সে বসে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে চেয়ারের হাতল থেকে ক্লিং শব্দ করে শেকল বের হয়ে এসে তার হাত দুটো আটকে ফেলল।

    আমব্রিজ জানতে চাইল, তুমিই কী মেরি এলিজাবেথ ক্যাটারমোল?

    মিসেস ক্যাটারমোল শুধু একবার মাথা নেড়ে সায় দিল।

    ম্যাজিক্যাল মেইনটেনেন্স ডিপার্টমেন্টের রেজিনেন্ট ক্যাটারমোলের বিবাহিত স্ত্রী?

    মিসেস ক্যাটারমোল হাউমাউ করে কেঁদে ফেলল।

    আমি জানি না সে এখন কোথায় আছে, কিন্তু তার এখানে আসার কথা ছিল।

    আমব্রিজ তার কথা গায়ে মাখল না।

    মেইস, এলি এবং আলফ্রেড ক্যাটারমোলের মা?

    মিসেস ক্যাটারমোল আগের চেয়ে জোরে ডুকরে কাঁদতে থাকলেন।

    ওরা ভীষণ ভয় পেয়েছে, ওরা মনে করছে আমি আর বাড়ি ফিরব না।

    বাদ দাও, ইয়াক্সলি বলল। মাডব্লাড পোষ্যরা আমাদের সহানুভূতির বিষয় হতে পারে না।

    মিসেস ক্যাটারমোলের কান্নার শব্দে হ্যারির পায়ের আওয়াজ ঢাকা পড়ল। সে অতি সন্তর্পনে উঁচু বেদিতে উঠে এসেছে। প্যট্রোনাস বিড়ালটি যেখানে পাহারা দিচ্ছে সে জায়গাটি পার হওয়ার সময় হ্যারি বুঝতে পারল তাপমাত্রা ভিন্ন রকমের। উপরের এই জায়গাটি বেশ উষ্ণ এবং আরামদায়ক। হ্যারি নিশ্চিত যে প্যাট্রোনাসটি আমব্রিজের। এটির গায়ে একটি উজ্জ্বল আভা, কারণ আমব্রিজ এখানে খুবই সুখী। সব পাল্টে যাওয়া আইনগুলো লিখতে সে নিজে সহায়তা করেছে। হ্যারি ধীরে, অতি সতর্কতার সঙ্গে আমব্রিজ, ইয়াক্সলি এবং হারমিয়নের পেছনে গিয়ে দাঁড়ালো। ওদের ঠিক পেছনেই একটি আসনে বসল। সে মনে মনে ভয় পাচ্ছিল যে হারমিয়ন হয়তো লাফিয়ে উঠবে। তার ইচ্ছা হল আমব্রিজ এবং ইয়াক্সলির উপর মাফলিয়াটো চার্ম ব্যবহার করতে। কিন্তু বিড়বিড় করে শব্দ করলেও তা হারমিয়নের কানে যেতে পারে। ঠিক তখনই আমব্রিজ ক্যাটারমোলের উদ্দেশে কথা বলে উঠল এবং হ্যারি এই সুযোগটা নিল।

    আমি ঠিক তোমার পেছনে, হ্যারি ফিসফিস করে হারমিয়নের কানের কাছে। বলল।

    হ্যারি যা ভেবেছিল, ঠিকই হারমিয়ন এমনভাবে লাফিয়ে উঠল যে আরেকটু হলেই যে কালি দিয়ে হারমিয়ন ইন্টারভিউ রেকর্ড করছিল তার উপর পড়ে যেত। কিন্তু ভাগ্য ভালো, আমব্রিজ এবং ইয়াক্সলি দুজনেই ক্যটারমোলের দিকে এতটাই মনোযোগ দিয়ে আছে যে ব্যাপারটা লক্ষ্য করল না।

    আমব্রিজ বলতে থাকল, আজ তুমি মিনিস্ট্রিতে আসার পর তোমার কাছ থেকে একটি যাদুদণ্ড নেয়া হয়েছে ক্যাটারমোল। সাড়ে আট ইঞ্চি লম্বা, চেরি, ইউনিকন হেয়ার কোর। তুমি কী এই বর্ণনা থেকে বুঝতে পারছ? মিসেস ক্যাটারমোল মাথা নাড়ল এবং জামার হাতায় চোখ মুছল।

    তুমি কী আমাদেরকে বলবে যে, কোন যাদুকর বা মহিলা যাদুকরের কাছ থেকে ওই যাদুদণ্ডটি নিয়েছ?।

    ক্যাটারমোল ফুঁপিয়ে কাঁদতে কাঁদতে বলল, নি-নিয়েছি? আমি কা-কারো কাছ থে-থেকে নেইনি। আ-আমি ওটি কিনেছিলাম যখন আমার বয়স এগারো বছর। এটা-এটা-এটা আমার পছন্দ হয়েছিল।

    সে আগের চেয়েও জোরে কাঁদতে থাকল।

    আমব্রিজ নরম করে হাসল। ছেলে মানুষি হাসি দিল যা দেখে হ্যারির ওকে আক্রমণ করতে ইচ্ছা হল। সে সামনের রেলিং এর উপর দিয়ে সামনের দিকে ঝুকল ক্যাটারমোলকে ভালমত পরীক্ষা করার জন্য। তার সঙ্গে সঙ্গে গলায় ঝোলানো একটি জিনিসও সামনের দিকে ঝুলে পড়ল : লকেটটি।

    হারমিয়নও সেটি দেখল। সে ছোট করে আৎকে উঠার শব্দ করল। কিন্তু আমব্রিজ এবং ইয়াক্সলি তাদের শিকার নিয়ে এতটাই ব্যস্ত যে বিষয়টি লক্ষ করল না।

    আমব্রিজ বলল, না, আমার তা মনে হয় না মিসেস ক্যাটারমোল। যাদুদণ্ড শুধুমাত্র যাদুকরদেরই পছন্দ করে। তুমি কোনো যাদুকর নও। তোমাকে করা প্রশ্নের উত্তরগুলো আমার কাছে আছে, যেগুলো তোমাকে পাঠানো হয়েছিল মাফালডা, ওগুলো আমার কাছে দাও।

    আমব্রিজ ছোট একটি হাত বের করে দিল। তাকে তখন এতটাই ব্যঙের মত লাগছে যে, হ্যারি অবাক হয়ে দেখল তার খাটো খাটো আঙুলগুলোর ভেতর প্রায় ফাঁক নেই। ঘটনাগুলোর কারণে হারমিয়নের হাত কাঁপছে। সে তার পাশে চেয়ারে রাখা এক পাজা ফাইলের ভেতর হাতাহাতি করতে থাকল। অবশেষে একটি ফাইল তুলে আল যাতে ক্যাটারমোলের নাম লেখা আছে।

    এই তো, চমৎকার ভোলোরেস, আমব্রিজ বলল।

    কি! নিচের দিকে তাকিয়ে আমব্রিজ তার গলায় ঝোলানো লকেটটি নাড়া দিল। ও হ্যাঁ, একটি পুরোনো উত্তরাধিকার। তার লকেটটি বড় বুকের উপর ঝুলে আছে। এই যে এস শব্দটি লেখা আছে এটি হল সেলুইনের সংক্ষেপ–আমার সেলুইন পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক আছে। সত্যি, খুব কম পিওর ব্লাড পরিবার আছে যার সঙ্গে আমার সম্পর্ক নেই। সে উচ্চস্বরে বলে যেতে থাকল। ক্যটারমোলের কাগজপত্র উল্টাতে উল্টাতে আমব্রিজ বলল, তোমার ব্যাপারে একই কথা বলা যাবে না। মা বাবার পেশা : গ্রিন গ্রোসার।

    ইয়াক্সলি শরীর দুলিয়ে হাসল। নিচের তুলতুলে পশমের বিড়ালটি নিচে এবং উপরে ওঠানামা করে পাহারা দিচ্ছে। ডেমেনটরগুলো এক কোণে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছে।

    আমব্রিজের মিথ্যা কথা শুনে হ্যারির মাথাটা পুরোপুরি অস্থির হয়ে গেল। সতর্ক থাকার কথা হ্যারির মাথা থেকে সরে গেল। যে লকেটটি সে একজন ছোটখাটো অপরাধীর কাছ থেকে ঘুষ হিসাবে নিয়েছে, সেটা দেখিয়েই সে এখন নিজের পিওরব্লাডের গর্ব করছে। হ্যারি ওর যাদুদণ্ডটি তুলল। এমনকি সেটিকে অদৃশ্য হওয়ার আলখাল্লার নিচে রাখার চেষ্টাও করল না। বলল, স্টুপিফাই!

    একটি লাল আলোর ঝলক দেখা গেল। আমব্রিজ পড়ে গেল এবং তার মাথাটি একটি রেলিঙে ঠুকে গেল। মিসেস ক্যাটারমোলের কাগজগুলো তার কোলের উপর থেকে ছিটকে মাটিতে পড়ে ছড়িয়ে গেল। সামনে ঘোরাঘুরি করা বিড়ালটা অদৃশ্য হয়ে গেল। ঠাণ্ডা বাতাসটা দমকা হওয়ার মত বোধ হল। ইয়াক্সলি হতভম্ব হয়ে গেল। চারদিকে ঘুরে তাকালো কোথা থেকে সমস্যাটা এসেছে দেখতে। সে অদৃশ্য থেকে বের হয়ে থাকা হ্যারির হাতটা শুধু দেখতে পেল। দেখল যাদুদণ্ড তার দিকে তাক করা। সে নিজের যাদুদণ্ডটি বের করার চেষ্টা করল। কিন্তু ততক্ষণে দেরি হয়ে গেছে।

    স্টুপিফাই!

    ইয়াক্সলি ছিটকে মেঝেতে পড়ে বাঁকা হয়ে গেল।

    হ্যারি!

    হারমিয়ন, তুমি যদি মনে করো যে আমি এখানে বসে বসে তাকে অভিনয় করতে।

    হ্যারি, মিসেস ক্যাটারমোল!

    হ্যারি ঘুরে তাকালো। গায়ের থেকে অদৃশ্য হওয়ার আলখাল্লাটি খুলে নিচে ফেলে দিল। ডেমেনটরগুলো এক কোনা থেকে নেমে এসেছে। ওরা চেয়ারে বসা চেন দিয়ে বাধা মহিলার দিকে ছুটে আসছে। ওরা যখন দেখেছে যে প্যাট্রোনাস উধাও হয়ে গেছে অথবা সবকিছু ওদের প্রভুদের নিয়ন্ত্রণে নেই ওরা তখন নিজেরাই আদেশের অপেক্ষা না করে নেমে পড়েছে। একটি চিকন হাত মিসেস ক্যাটারমোলের থুতনি চেপে ধরে মুখটা পেছন দিকে বাকা করে দিতে চাইল। ক্যাটারমোল চিৎকার করে উঠল।

    এক্সপেট্রো প্যাট্রোনাম!

    হ্যারির যাদুদণ্ডের আগা থেকে একটি রুপালি রঙের কুকুর বের হয়ে উড়ে গেল ডেমেনটরটির দিকে। ডেমেনটরটি পেছনে সরে গিয়ে থোয়া হয়ে অদৃশ্য হয়ে গেল। কুকুরটির আলো এবং তাপ আগের ওই বিড়াল প্যট্রোনাসের প্রতিরক্ষার চেয়ে অনেক শক্তিশালী। পুরো ঘরটা ঘোড়ার মত দৌড়ে গরম করে দিল।

    হ্যারি হারমিয়নকে বলল, হরক্রুক্সটা নাও!

    হ্যারি দৌড়ে আবার বেদিটার উপর উঠল। অদৃশ্য হওয়ার আলখাল্লাটি তুলে নিয়ে ব্যাগের ভেতর ভরে ফেলল। তারপর মিসেস ক্যাটারমোলের দিকে আগালো।

    তুমি, মিসেস ক্যাটারোল হ্যারির দিকে চেয়ে বলল। কিন্তু রেগ আমাকে বলেছে যে, তুমি আমার নাম প্রশ্ন করার জন্য তালিকায় তুলে দিয়েছ।

    আমি তাই করেছি? হ্যারি বিড়বিড় করে বলল। তাকে মুক্ত করতে চেয়ারের শেকল ধরে টান দিল। হতে পারে আমার মন নানাভাবে পরিবর্তন হয়। ডিফিনডো! কিন্তু কিছুই ঘটল না। শেকল খুলল না। হ্যারি বলল, হারমিয়ন, এই শেকল ছুটাবো কীভাবে?

    রাখো, আমি বিষয়টি দেখছি।

    হারমিয়ন, আমরা ডেমেনটরদের দ্বারা ঘেরাও হয়ে আছি!

    আমি সেটা জানি হ্যারি। কিন্তু সে যদি এখন জেগে ওঠে এবং লকেটটা উধাও হয়ে যায়, আমার এর ডুপ্লিকেট কপি দরকার-জেমিনো! দেখা যাক এটাই তাকে ধোকা দেবে–হারমিয়ন নিচে নেমে এল। দেখি কী হয় রেলাসিও!

    কট করে শেকল খুলে গেল এবং চেয়ারের হাতল থেকে সরে গেল। মিসেস ক্যাটারমোলকে আগের যে কোনো সময়ের চেয়ে বেশি আতঙ্কিত দেখা গেল।

    সে ফিসফিস করে বলল, আমি কিছুই বুঝতে পারছি না।

    হ্যারি তাকে টেনে তুলে দাঁড় করিয়ে বলল, তুমি আমাদের সঙ্গে এখান থেকে বের হয়ে যাবে। তারপর বাড়ি গিয়ে তোমার বাচ্চাদেরকে তুলে নেবে এবং বের হয়ে যাবে। পারলে দেশ থেকে বের হয়ে যাবে। নিজের মুখ লুকাও এবং দৌড়াও। তুমি দেখেছ বিষয়টি কতটা ভয়ঙ্কর। এখানে তোমার জন্য ভালো কিছু অপেক্ষা করছিল না।

    হারমিয়ন বলল, হ্যারি, সমস্ত ডেমেনটররা দরোজার কাছে দাঁড়িয়ে আছে, আমরা এখান থেকে বের হবো কীভাবে?

    হ্যারি নিজের যাদুদণ্ডটি দেখিয়ে বলল, প্যাট্রোনাসগুলোর মাধ্যমে।

    প্যাট্রোনাস করা কুকুরটি গতি কমিয়ে হাঁটতে শুরু করেছে দরোজার দিকে। এখনো সেটি জ্বলজ্বল করছে। হ্যারি বলল, আমরা যতটা বেশি প্যাট্রোনাস ডাকতে পারি–হারমিয়ন, তোমারটা ব্যবহার করো।

    হারমিয়ন বলল, এক্স-এক্সপেকটো প্যাট্রোনাম! কিন্তু কিছুই ঘটল না। এই একটি মাত্র স্পেলে এ যাবতকালে তার সমস্যা হল। হ্যারি বিস্ময়ে অবাক হয়ে থাকা ক্যাটারমোলের দিকে তাকিয়ে বলল। কিন্তু সত্যিই দুর্ভাগ্যজনক… আবার চেষ্টা করো হারমিয়ন…

    এক্সপেট্রো প্যাট্রোনাম!

    একটি রুপালি বেজি ঠাস করে হারমিয়নের যাদুদণ্ডের আগা দিয়ে বের হয়ে এলো। সুন্দর করে সাতার কেটে কুকুরটির সঙ্গে যোগ দিল।

    সিমন, হ্যারি বলল। এবং হারমিয়ন আর মিসেস ক্যাটারমোলকে সঙ্গে নিয়ে দরোজার দিকে হাঁটতে থাকল।

    প্যাট্রোনাস দুটো দরোজা দিয়ে বের হতেই অপেক্ষমান লোকেরা ভয়ে চিৎকার করে উঠল। হ্যারি চারদিকে তাকালো। ডেমেনটরগুলো রুপালী প্যট্রোনাসগুলোর সামনে থেকে করিডোরের দুপাশে ধপধপ করে পড়ে যাচ্ছে, অন্ধকারে বিলীন হয়ে যাচ্ছে।

    আপনারা সবাই যার যার বাড়ি চলে যান এবং পরিবারের সদস্যদের নিয়ে লুকিয়ে পড়বেন, হ্যারি অপেক্ষায় থাকা মাগল বর্নদের উদ্দেশে বলল। প্যট্রোনাসের আলোতে দেখা গেল সবাই আতঙ্কিত দৃষ্টিতে হতবাক হয়ে বসে আছে। যদি পারেন তাহলে দেশের বাইরে চলে যাবেন। মিনিস্ট্রি থেকে দূরে থাকবেন, যত দূরে পারেন। এটাই হল আপনাদের নতুন পরিস্থিতি। এখন আপনারা যদি প্যাট্রোনাসকে অনুসরণ করেন, তাহলে আপনারা অট্রিয়াম থেকে বের হয়ে যেতে পারবেন।

    বিনা বাধায় সবাই উঠে দাঁড়ালো। তারা সবাই লিফটের কাছে আসতেই হ্যারির ভেতরে একটি আশঙ্কা কাজ করতে থাকল। যদি দেখা যায় একটি কুকুর প্যট্রোনাসের সঙ্গে একটি বেজি প্যাট্রোনাস উড়ে উড়ে চলছে এবং সঙ্গে কুড়ি বা ততোধিক মাগলবর্ন সঙ্গে রয়েছে, তাহলে যে চোখ পড়বে তাদের দিকে এবং অপ্রত্যাশিত ঝামেলা হবে সেটা হ্যারি বুঝতে পারছে। হ্যারির মাথায় হিসাবটা এল ঠিক যখন লিফটটা ধাতব শব্দ করে এসে ওদের সামনে দাঁড়ালো।

    রেগ! চিৎকার করে ক্যাটারমোল রনের বাহুতে গিয়ে পড়ল। রানকর্ন আমাকে বের করে নিয়ে এসেছে। সে আমব্রিজ এবং ইয়াক্সলিকে আক্রমণ করেছে। এখন রানকর্ন বলছে আমাদেরকে দেশ ছেড়ে অন্যত্র চলে যেতে। আমার মনে হয় সেটা করাই ভালো। রেগ, আমি তাই করব। চলো তাড়াতাড়ি বাড়ি যাই এবং বাচ্চাদেরকে নিয়ে আসি–তুমি এমনভাবে ভিজলে কী করে?

    পানি, রন বিড়বিড় করে অন্য মনস্কভাবে বলল। হ্যারি, ওরা টের পেয়েছে যে মিনিস্ট্রিতে কেউ প্রবেশ করেছে। আমব্রিজের অফিসের দরোজার ফুটো নিয়ে কিছু একটা হয়েছে। আমার মনে হয় ঘটনাটা এমন হলে আমাদের হাতে মাত্র পাঁচ মিনিট সময় আছে।

    হারমিয়নের প্যাট্রোনাসটি পপ শব্দ করে উধাও হয়ে গেল। সে হ্যারির দিকে ফিরে বলল, হ্যারি, যদি আমরা এখানে আটকা পড়ে থাকি

    আমরা তা পড়বো না যদি দ্রুত বের হতে পারি, হ্যারি বলল। সে চুপচাপ দাঁড়িয়ে হ্যারির দিকে তাকিয়ে থাকা মাগল বর্নদের দিকে তাকিয়ে বলল, এখানে কার কার যাদুদণ্ড আছে?

    তাদের মধ্যে প্রায় অর্ধেক হাত উঁচু করল।

    ঠিকাছে, যাদের কাছে যাদুদণ্ড নেই তারা একেকজন যাদুদণ্ডধারীদের সঙ্গে একত্রে থাকবে। ওরা আমাদের থামানোর আগে আমাদের দ্রুত বের হতে হবে, চলো।

    ওরা পাদাগাদি করে দুটি লিফটে উঠে পড়ল। লিফট বন্ধ হওয়ার আগ পর্যন্ত এবং চালু না হওয়া পর্যন্ত হ্যারির প্যাট্রোনাসটি পাহারায় রইল।

    লিফটের মহিলা যাদুকরের কণ্ঠটি বলল, লেভেল আট, অট্রিয়াম।

    হ্যারি বুঝতে পারল ওরা মহা বিপদের ভেতর আছে। অট্রিয়াম ভরা লোক যারা ফায়ারপ্লেস থেকে ফায়ারপ্লেসে যাতায়াত করছে ওদের আটকানোর জন্য। হ্যারি! হারমিয়ন বলল। আমরা এখন কী করব।

    স্টপ! হ্যারি চিৎকার করে বলল। রানকর্নের দরাজ কণ্ঠে তা চারদিকে প্রতিধ্বনি তুলল। যে যাদুকররা ফায়ারপ্লেস আগলে ছিল ওরা স্থির হয়ে গেল। সে মাগলবর্নদের উদ্দেশে ফিসফিস করে বলল, আমার পেছনে আসো। ওরা এক পালের মত সামনে আগালো। রন এবং হারমিয়ন ওদের পেছনে রইল।

    কী ব্যাপার অ্যালবার্ট? সেই টাক মাথা যাদুকরটি হ্যারির দিকে তাকিয়ে বলল। এই যাদুকরটিই হ্যারিকে আগে ফায়ার প্রেস থেকে পথ দেখিয়েছিল।

    এই লোকগুলোকে বাইরে পাঠাতে হবে তুমি বোরোবার পথ বন্ধ করার আগে। হ্যারি এমনভাবে কথাগুলো বলল যেন ওদের দায়িত্বপ্রাপ্ত।

    সামনে দাঁড়ানো একদল যাদুকর একে অন্যের মুখের দিকে তাকালো।

    আমাদেরকে সব পথ বন্ধ করে দিতে বলা হয়েছে, এবং কাউকে বের হতে দেয়া নিষেধ-

    তুমি কী আমাকে বিব্রত করতে চাও? হ্যারি উদ্ধত কণ্ঠে বলল। তুমি কী চাও যে আমি তোমার ফ্যামিলি ট্রির কথা তুলি? ডার্ক ক্রেসওয়েলেরটার মত?

    দুঃখিত, টেকো মাথার যাদুকরটি নিঃশ্বাস ছেড়ে বলল। সে আত্মপক্ষ সমর্থন করতে চাইল। আমি কোনো উদ্দেশ্য নিয়ে বলিনি অ্যালবার্ট, আমি ভেবেছিলাম আমি ভেবেছিলাম এদেরকে আনা হয়েছে প্রশ্ন করার জন্য এবং…

    ওদের ব্লাড পিওর, হ্যারি বলল। ওর গলার স্বর সারা ঘরে প্রতিধ্বনিত হল। তোমাদের অনেকের রক্তের চেয়ে পিওর, আমি বলছি। তোমরা বের হও, সে মাগলবর্নদের দিকে তাকিয়ে বলল। ওরা জোড়ায় জোড়ায় ফায়ার প্লেসের ভেতর দিয়ে উধাও হয়ে গেল। মিনিস্ট্রির যাদুকররা পেছনে দাঁড়িয়ে থাকল। কেউ কেউ একটু দ্বিধান্বিত, আবার কেউ কেউ আতঙ্কিত বা বিরক্ত। তারপর

    ম্যারি!

    মিসেস ক্যাটারমোল পেছন ফিরে তাকাল। আসল রেগ ক্যাটারমোলকে দেখা গেল। সে বমি করছে না, কিন্তু ভীষণ দুর্বল এবং বিমর্ষ দেখা গেল। লিফট থেকে নেমে দৌড়ে আসছে।

    রে–রেগ?

    সে ঘুরে রন এবং তার স্বামী দুজনের দিকে তাকাতে থাকল।

    টেকো মাথার যাদুকরটি হাস্যকরভাবে তার মাথাটা একবার রেগ ক্যাটারমোল আবার আরেক ক্যাটারমোলের দিকে ঘুরাচ্ছে।

    হেই কী ঘটছে! ব্যাপার কী!

    বেরোবার পথ বন্ধ কর! বন্ধ করো! ইয়াক্সলি আরেকটি লিফট থেকে বের হয়ে আসল। সে দৌড়ে ফায়ারপ্লেসের দিকে যেতে থাকল। কিন্তু ইতিমধ্যে মিসেস ক্যাটারমোল ছাড়া আর সব মাগলবর্ন ফায়ার প্লেস দিয়ে উধাও হয়ে গেছে। টেকো মাথার যাদুকরটি তার যাদুদণ্ড তুলল। হ্যারি তাকে এমন প্রচণ্ড জোরে একটা পাঞ্চ করল যে সে শূন্যে উড়তে থাকল।

    .

    ও মাগলবর্নদের পালিয়ে যেতে সাহায্য করছে ইয়াক্সলি! হ্যারি বলল।

    টেকো মাথার যাদুকরের সঙ্গীরা সব চিৎকার শুরু করল। মিসেস ক্যাটারমোলকে টেনে নিয়ে হ্যারি ফায়ার প্লেসে ঢুকালো এবং অদৃশ্য হয়ে গেল। ইয়াক্সলি দ্বিধায় পড়ে গেল এবং একবার হ্যারির দিকে আবার টেকো মাথার দিকে তাকাতে থাকল। আসল রেগ চিৎকার করে বলতে থাকল, আমার স্ত্রী! আমার স্ত্রীর সঙ্গে লোকটা কে! এখানে কী ঘটছে!

    হ্যারি দেখল ইয়াক্সলি নিচে দাঁড়ানো একটি নিষ্ঠুর মুখের দিকে তাকালো। সেই মুখটি প্রকৃত ঘটনা ইয়াক্সলিকে ইশারা করল।

    জ্বলদি চলোহ্যারি হারমিয়নের উদ্দেশে চিক্কার করল। সে হারমিয়নের হাতটা শক্ত করে ধরে ফায়ারপ্লেসে লাফ দিল। প্রায় একই সঙ্গে হ্যারির মাথার উপর দিয়ে ইয়াক্সলির ছুঁড়ে দেয়া কার্সটা চলে গেল। কয়েক সেকেন্ড ঘুরপাক খেয়ে টয়লেটের ভেতর দিয়ে ওরা কিউবিকেলে উঠে এল। হ্যারি ধপাস করে দরোজাটা খুলে ফেলল। রন দাঁড়িয়ে আছে, তখনো মিসেস ক্যাটারমোলকে জড়িয়ে ধরে আছে। রেগ, আমি ঠিক বুঝতে পারছি না।

    চলুন যাই, আমি আপনার স্বামী না। আপনাকে এখনই বাড়ি যেতে হবে!

    ওদের পেছনেই কিউবিকেলে একটা শব্দ হল। হ্যারি পেছন ফিরে তাকিয়ে দেখল ইয়াক্সলি মাত্র উঠে এসেছে।

    শীঘ্রই চলো! হ্যারি চিষ্কার করে বলল। সে হারমিয়ন কে ধরল। রন ও হারমিয়নের বাহু ধরল এবং স্থানটির উপর দিয়ে ওরা ঘুরে গেল।

    একটা অন্ধকারের ভেতর ওরা তলিয়ে গেল। কিন্তু কিছু একটা ঝামেলা হচ্ছে….মনে হচ্ছে হারমিয়নের হাতটা ওর মুঠের ভেতর থেকে পিছলে বের হয়ে যাচ্ছে …।

    হ্যারি ভাবল ওর নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। সে নিঃশাস নিতে পারছে না, চোখে কিছু দেখতে পাচ্ছে না। পৃথিবীতে একমাত্র বিষয় হল রনের হাত এবং হার মিয়নের আল–তাও আবার ধীরে ধীরে পিছলে যাচ্ছে।

    এরপরই সে দেখতে পেলো গ্রিমোন্ড প্লেসের ১২ নম্বর বাড়ির দরোজা। দরোজার কড়া দেখা যাচ্ছে। কিন্তু সে নিঃশ্বাস নেয়ার আগেই একটি চিৎকার শুনতে পেল। একটি রঙীন আলোর ঝলক দেখা গেল। হারমিয়নের হাত আচমকা তার হাতের উপর পড়ল এবং সবকিছু আবার অন্ধকার হয়ে গেল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদ্য ক্যাচার ইন দ্য রাই – জে ডি সালিঞ্জার, অনুবাদ – রাফায়েত রহমান রাতুল
    Next Article হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য হাফ-ব্লাড প্রিন্স (৬) – জে. কে. রাওলিং

    Related Articles

    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার এন্ড দি ফিলসফারস স্টোন (১) – জে. কে. রাওলিং

    August 18, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য চেম্বার অব সিক্রেটস (২) – জে. কে. রাওলিং

    August 18, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য প্রিজনার অব আজকাবান (৩) – জে. কে. রাওলিং

    August 18, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য গবলেট অব ফায়ার (৪) – জে. কে. রাওলিং

    August 16, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য অর্ডার অব দ্য ফনিক্স (৫) – জে. কে. রাওলিং

    August 16, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য হাফ-ব্লাড প্রিন্স (৬) – জে. কে. রাওলিং

    August 16, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }