Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ডেথলি হ্যালোস (৭) – জে. কে. রাওলিং

    জে. কে. রাওলিং এক পাতা গল্প937 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২০. জেনোফিলিয়াস লাভগুড

    ২০. জেনোফিলিয়াস লাভগুড

    হ্যারি একেবারেই আশা করেনি যে পরদিন সকালেই হারমিয়নের রাগ একেবারে ভেঙে যাবে। তাই হারমিয়ন যখন শুধুমাত্র বাঁকা চাহনি দিয়ে যোগাযোগ রক্ষা করল এবং চুপচাপ হয়ে থাকল, তখন হ্যারি অবাক হল না। রনও প্রতি-উত্তরে মুখ ভার করে রাখল। দেখালো যে সে নিজে দোষী। প্রকৃতপক্ষে ওরা তিনজন যখন আবার এক হল, হ্যারি তখন অনুভব করল যে একটি সাদামাটা শেষকৃত্যানুষ্ঠানে যেন কেউ দুঃখ প্রকাশ করার জন্য নেই। রন হ্যারির সঙ্গে একা কিছু সময় কাটালো (পানি তুলতে, মাশরুম খুঁজে বের করতে), তখন রন একেবারে আনন্দে উচ্ছল হয়ে উঠলো।

    নিশ্চই কেউ আমাদেরকে সাহায্য করেছে, সে বলতে থাকল। কেউ একজন ওই মাদী হরিণটিকে পাঠিয়েছিল। সে যেই হোক, আমাদের পক্ষের। যাক, একটি হরক্রুক্স ধ্বংস হল।

    একটি হরক্রুক্স ধ্বংস হওয়ায় উৎসাহিত হয়ে ওরা অন্য হরক্রুক্স কোথায় থাকতে পারে তা নিয়ে আলোচনা করতে থাকল। যদিও এ বিষয় নিয়ে আগেও ওরা আলোচনা করেছে। হ্যারির মনে হল আরো হরক্রুক্স এবার দ্রুত পাওয়া যাবে। হারমিয়নের চুপ হয়ে থাকার কারণে হ্যারির উৎসাহে কোনো ভাটা পড়ল না। হঠাৎ ভাগ্যের পরিবর্তন, মাদী হরিণটির দেখা পাওয়া, গ্রিফিনডোরের তলোয়ারটি হস্তগত হওয়া এবং সর্বোপরি রনের ফিরে আসার কারণে হ্যারি এতটাই খোশ মেজাজে আছে যে তার জন্য স্বাভাবিক থাকা কঠিন হয়ে পড়েছে।

    দুপুরের পর হ্যারি এবং রন হারমিয়নের গুম মেরে থাকা অবস্থা থেকে সরে গিয়ে এমন ভাব করল, যেন আশপাশের ঝোপঝাড়ু থেকে ব্ল্যাকবেরি তুলতে গিয়েছে মাত্র, কিন্তু তারা দুজন আসলে দুজনের মধ্যে তথ্য বিনিময় করতে থাকল। শেষে হ্যারি রনের কাছে তার এবং হারমিয়নের সব বিস্ময়কর ঘটনাগুলো বর্ণনা দিল। গোড্রিচ হলোতে কি ঘটেছিল তা বর্ণনা করল। রন তার কয়েক সপ্তাহ বাইরে থাকা অবস্থায় উইজার্ড জগতে কী ঘটেছে সব অভিজ্ঞতা ব্যাখ্যা করল।

    ….এবং তুমি ওই ট্যাবুর ব্যাপারটি বের করলে কিভাবে? মাগলবর্নদের মিনিস্ট্রি থেকে পালানোর বহু কাহিনী বর্ণনা করে তারপর রন হ্যারিকে জিজ্ঞেস করল।

    কি? হ্যারি জানতে চাইল।

    তুমি এবং হারমিয়ন ইউ-নো-হুর নাম নেয়াটা বন্ধ করলে কিভাবে?

    ওহ, হ্যাঁ। আমাদের মুখ ফসকে নাম বলে ফেলার একটা বদভ্যাস ছিল। হ্যারি বলল। কিন্তু আমি কখনো সমস্যায় পড়িনি তাকে ভ-

    না! রন গর্জন করে উঠল। গর্জনের শব্দে হ্যারি ঝোঁপের ভেতর লাফ দিয়ে উঠল। হারমিয়ন নাক-মুখ ডুবিয়ে বই পড়ছিল। সেও শব্দ শুনে দূর থেকে মাথা উঁচু করে ওদের দেখল। সরি, রন বলল। রন ব্ল্যাকবেরির ঝোঁপের ভেতর থেকে বের হয়ে এলো। নামটির সঙ্গে একটি অশুভ যোগ আছে হ্যারি। ওরা সেটা দিয়ে মানুষের পিছু নিয়ে থাকে। তার নাম ব্যবহার করে প্রোটেকটিভ চার্ম ধ্বংস করে।

    এই নাম এক ধরনের ম্যাজিক্যাল সমস্যা সৃষ্টি করে থাকে। এই কৌশলেই ওরা টোটেনহ্যাম কোর্ট রোডে আমাদের খুঁজে পেয়েছিল!

    কারণ আমরা তার নাম ব্যবহার করেছিলাম?

    ঠিক, চিন্তা করলে এ ব্যাপারে তাদেরকে কৃতিত্বই দিতে হবে। একমাত্র ডাম্বলডোরই তাঁর বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর সাহস করেছেন। এখন তারা একটি ট্যাবু ব্যবহার করছে। অর্ডার সদস্যদের মধ্যে যে তার নাম নেবে সেই দ্রুত এবং সহজে তাদের কাছে ধরা পড়ে যাবে। ওরা কিংসলেকে প্রায় ধরে ফেলেছিল-

    তুমি কী ইয়ার্কি করছ?

    হা সত্যি, একদল ডেথ-ইটার তাকে কোণঠাসা করে ফেলেছিল। বিল বলেছে। কিন্তু সে বহু চেষ্টা করে বের হয়ে এসেছে। সেও এখন আমাদের মত পালিয়ে বেড়াচ্ছে। রন চিন্তা করতে করতে তার যাদুদণ্ডের আগা দিয়ে গাল চুলকালো। তোমার কি মনে হয় না যে হরিণটি কিংসলে পাঠিয়ে থাকতে পারে?

    তার প্যাট্রোনাসটি একটি বুনোবিড়াল। আমরা সেটা বিয়ের অনুষ্ঠানে দেখেছিলাম, মনে আছে?

    ওহ, হ্যাঁ…।

    ওরা ঝোঁপের পাশ দিয়ে আরো কতকটা হেঁটে গেল। তাবু এবং হারমিয়নের থেকে দূরে সরে গেল।

    হ্যারি…তোমার কি মনে হয় এটা ডাম্বলডোরের কাজ হতে পারে?

    ডাম্বলডোর, কি?

    রনকে একটু বিব্রত দেখা গেল। কিন্তু নিচু স্বরে বলল, ডাম্বলডোর…ওই হরিণটি? তারমানে, রন চোখের কোন দিয়ে হ্যারিকে দেখতে চেষ্টা করল। আসল তলোয়ারটি শেষ সময় তো তার কাছেই ছিল, তাই না?

    রনের কথায় হ্যারি হাসল না। কারণ এ প্রশ্নের পেছনের বিষয়গুলো সে বুঝতে পারল। ডাম্বলডোরের ফিরে আসার চিন্তা, সে তাদেরকে পেছন থেকে লক্ষ রাখছে এই চিন্তা খুবই গ্রহণযোগ্য।

    ডাম্বলডোর মারা গেছেন, হ্যারি বলল। আমি সেটা নিজ চোখে দেখেছি। আমি তার দেহটিও দেখেছি। তিনি নিশ্চতভাবে মারা গেছেন। তাছাড়া তার প্যাট্রোনাসটি ছিল একটি ফিনিক্স পাখি, কোনো মাদী হরিণ না।

    প্যাট্রোনাস কিন্তু চেঞ্জ হতে পারে, পারে না? রন বলল। টঙ্কসেরটা কিন্তু পরিবর্তন হয়েছিল, মনে আছে?

    হ্যাঁ, কিন্তু ডাম্বলডোর যদি বেঁচেই থাকবেন তাহলে দেখা দেবেন না কেন? তার নিজ হাতে আমাদের কাছে তলোয়ারটি দিতে আপত্তি কোথায় ছিল?

    আমার বিষয়টি দেখ, রন বলল। ঠিক একই কারণে তিনি বেঁচে থাকতে তোমাকে এটা দেননি? একই কারণে তিনি তোমাকে একটি পুরোনো ব্লিচ দিয়ে গেছেন এবং হারমিয়নকে একটি বাচ্চাদের বই দিয়ে গেছেন?

    কোনটা, কি?, হ্যারি জানতে চাইল। রনের পুরো মুখটা দেখার জন্য ঘুরল। সে উত্তর চায়।

    আমি জানি না, রন বলল। আমি কখনো কখনো ভেবেছি, আমি যখন একটু ঝামেলায় ছিলাম তখন তিনি পেছন থেকে হেসেছেন। অথবা…অথবা তিনি আমার আরো সমস্যা দেখতে চেয়েছেন। কিন্তু এখন আমি আর সে রকম ভাবি না। তিনি যখন আমাকে ডেলুমিনেটরটি দিয়েছেন তখন তিনি ভাল করেই জানতেন তিনি কি করছেন। জানতেন না? রনের কান লাল হয়ে গেল। সে সামনে লম্বা ঘাস দেখে পা দিয়ে চাপা দিল। তিনি অবশ্যই জানতেন আমি তোমাদের কাছ থেকে চলে যাবো।

    না, হ্যারি তাকে সংশোধন করে দিয়ে বলল। তিনি অবশ্যই জানতেন তুমি সব সময় আমাদের কাছে ফিরে আসতে চেষ্টা করবে।

    রনকে খুশি মনে হল। কিন্তু এখনো সে ব্ৰিত। হ্যারি একটুখানি প্রসঙ্গ ঘুরিয়ে ফেলতে বলল, ডাম্বলডোরের কথা বলছিলে, তুমি কী শুনেছ রিটা স্কিটার তার সম্পর্কে কি লিখেছে?

    হ্যাঁ, রন সঙ্গে সঙ্গে উত্তর দিল। লোকে এ নিয়ে প্রচুর আলোচনা করছে। অবশ্যই ব্যতিক্রম কিছু হলে সেটা বড় খবর হয়ে যায়। ডাম্বলডোর গ্রিনডেলভান্ডের সঙ্গী হয়েছিলেন। কিন্তু এখন যারা ডাম্বলডোরকে পছন্দ করে না তারা হাসির খোরাক হয়েছে। আর যারা মনে করতো গ্রিনডেলভা একজন ভালো লোক তাদের মুখের উপর থাপ্পর পড়েছে। তারপরও আমি একে বড় কোনো বিষয় মনে করি না। তাদের যখন সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল তখন তার বয়স ছিল সত্যিই কম

    আমাদের বয়সী, হ্যারি বলল। ঠিক যেভাবে হারমিয়নকে বলেছিল। তার মুখে এমন ভাব হল যে হারমিয়ন আর বিষয়টি নিয়ে কথা বলল না।

    ব্ল্যাকবেরিগুলোর মাঝে একটি বড় মাকড়শা বসে আছে বরফ জড়িয়ে থাকা মাকড়শার জালের ঠিক মাঝখানে। রনের গতরাতে দেয়া যাদুদণ্ডটি দিয়ে হ্যারি সেটির দিকে তাক করল। হারমিয়ন এটির সর্বোচ্চ পরিক্ষা করেছে এবং সিদ্ধান্তে এসেছে যে এটি বেতের তৈরি একটি যাদুদণ্ড।

    এনগোরজিও!

    মাকড়শাটি একটুখানি নড়ে উঠল এবং জালটি একটু দুলে উঠল। হ্যারি আবার চেস্টা করল। এবার মাকড়শাটি আকারে একটু বড় হল।

    থামো হ্যারি! রন তীব্র কণ্ঠে বলল। আমি দুঃখিত হ্যারি, আমি বলছিলাম ডাম্বলডোর তখন অল্প বয়সের ছিলেন, ঠিক?

    হ্যারি ভুলে গিয়েছিল যে রন মাকড়শা দেখতে পারে না।

    সরি–রেডুসিও!

    মাকড়শাটি নড়ল না। হ্যারি নিচের দিকে তাকিয়ে বেতের তৈরি যাদুদণ্ডটি দেখল। এখন পর্যন্ত যত ছোটখাটো স্পেল সে কাস্ট করেছে তার সবগুলোকেই মনে হয়েছে তার ফিনিক্স যাদুদণ্ডটির চেয়ে দুর্বল। নতুন যাদুদণ্ডটি বিরক্তিকরভাবে অপরিচিত মনে হচ্ছে। মনে হচ্ছে যেন তার হাতের সঙ্গে অন্য কারো হাত সেলাই করে দেয়া হয়েছে।

    তোমার একটুখানি প্র্যাকটিস দরকার শুধু, হারমিয়ন বলল। সে নিঃশব্দে ওদের পেছনে এসে দাঁড়িয়েছে। এবং সে উদ্বেগ নিয়ে হ্যারির কার্স ছোঁড়া দেখছিল। বিষয়টিতে আত্মবিশ্বাস দরকার, হ্যারি।

    হ্যারি জানে কেন সে এই যাদুদণ্ডটি সঠিকভাবে কাজ করছে তা দেখতে চাচ্ছে। হ্যারির যাদুদণ্ডটি ভেঙে যাওয়ার বিষয়ে হারমিয়ন নিজেকে অপরাধী মনে করছে। হ্যারির ঠোঁটের কাছে একটি কড়া উত্তর চলে এসেছিল। সে বলতে চেয়েছিল, তাহলে এই বেতের তৈরি যাদুদণ্ডটি তুমি নাও এবং তোমারটা আমাকে দাও। কিন্তু তাদের বন্ধুত্বের স্বার্থে হ্যারি তার কথা মেনে নিল। কিন্তু রন হারমিয়নের দিকে তাকিয়ে একটু মুচকি হাসতেই হারমিয়ন আবার তার হাতের বইয়ের পেছনে মুখ ঢাকল।

    অন্ধকার নেমে আসতে ওরা তিনজন একসঙ্গে তাবুতে ফিরে এল। হ্যারি প্রথম পাহারার দায়িত্ব নিল। হ্যারি প্রবেশ পথে বসে বেতের যাদুদণ্ডটি দিয়ে তার পায়ের নিচের পাথরগুলোকে শূন্যে তুলতে চেষ্টা করল। কিন্তু এই যাদুটি মনে হল আরো অসার এবং আগের চেয়েও যেন যাদুদণ্ডটির ক্ষমতা কমে গেছে বলে মনে হল।

    হারমিয়ন তার খাটে শুয়ে একমনে বই পড়ছে। রন অনেকবার তারদিকে নার্ভাসভাবে তাকিয়ে শেষ পর্যন্ত রুকস্যাক থেকে একটি কাঠের ওয়ারলেস টেনে নিয়ে সেটিকে টিউন করতে চেষ্টা করতে থাকল।

    এই প্রোগ্রামই একটি ভালো প্রোগ্রাম, সে হ্যারির উদ্দেশে নিচুস্বরে বলল, এটাই একটু সত্য খবর দেয়। আর সবই ইউ-নো-হুর পক্ষে। মিনিস্ট্রিকে অনুসরণ করে। কিন্তু এটা….কিন্তু এটা শুনতে হলে তোমাকে অপেক্ষা করতে হবে, এটা খুবই ভালো চ্যানেল। ওরা শুধু এই চ্যানেলটি প্রতিরাতে চালাতে পারে। হামলা হওয়ার ভয়ে ওরা সমানে স্থান পরিবর্তন করে। তোমার শুনতে হলে পাসওয়ার্ড দরকার পড়বে..সমস্যা হল আমি শেষ অক্ষরটি মিস করেছি…।

    রন তার যাদুদণ্ডটি দিয়ে ছোট ছোট করে রেডিওর ওপর বাড়ি দিয়ে তাল দিচ্ছে এবং মুখে বিড়বিড় করছে। সে কয়েকবার হারমিয়নের দিকে গোপনে আড়চোখে চেয়ে দেখল। হারমিয়ন আবার ক্ষেপে উঠতে পারে সে ভয়ও পেল। কিন্তু হারমিয়নের ভাব দেখে মনে হল রন ওখানে উপস্থিত আছে এটা সে জানেই না। মিনিট দশেক সময় ধরে রন অমন টোকা দিয়ে গুনগুন করতে থাকল। হারমিয়ন বইয়ের পৃষ্ঠা উল্টিয়ে পড়তে থাকল। আর হ্যারি পাথর নিয়ে খেলা করতে থাকল।

    অবশেষে হারমিয়ন বিছানা থেকে নিচে নেমে এল। রন সঙ্গে সঙ্গে তাল বাজানো বন্ধ করল।

    তুমি বিরক্ত হলে আমি থামছি! সে নার্ভাসভাবে হারমিয়নকে বলল।

    হরমিয়ন কোনো উত্তর দেয়ার প্রয়োজন বোধ করল না। সে হ্যারির দিকে এগিয়ে গেল।

    আমাদের একটু কথা বলা দরকার। হারমিয়ন বলল।

    হ্যারি তাকিয়ে দেখল তার হাতে সে একটি বই ধরে আছে। বইটি হল দ্য লাইফ এন্ড লাইস অব অ্যালবাস ডাম্বলডোর।

    কি? সে বুঝতে চেষ্টা করে বলল। হ্যারির মনে হল যে বইটিতে তাকে নিয়ে একটি অধ্যায় আছে। সে জানেনা রিটা তার এবং ডাম্বলডোরের সম্পর্ক নিয়ে কী লিখেছে। কিন্তু হারমিয়ন অপ্রত্যাশিতভাবে সম্পূর্ণ ভিন্ন কথা বলল।

    আমি জেনোফিলিয়াস লাভগুডের ওখানে যেতে চাই এবং তার সঙ্গে দেখা করতে চাই।

    হ্যারি চোখ তুলে তার দিকে তাকালো।

    সরি, ওই কথা একেবারেই ভেবোনা?

    জেনোফিলিয়াস লাভগুড, লুনার বাবা। আমি তার ওখানে যেতে চাই এবং তার সঙ্গে আলাপ করতে চাই।

    এহ-কেন?

    হারমিয়ন গভীর একটা নিঃশ্বাস ফেলল। বলল, সেই চিহ্নটি, এই দেখ, ব্রিডল অব বার্ডের চিহ্ন। এই দেখ!

    সে লাইফ এন্ড লাইস অব অ্যালবাস ডাম্বলডোর বইটি হ্যারির অনিচ্ছা সত্বেও তার চোখের সামনে মেলে ধরল। হ্যারি দেখল গ্রিনডেলভান্ডের কাছে ডাম্বলডোরের লেখা একটি চিঠির ফটোগ্রাফ। ডাম্বলডোরের হাতের সেই পরিচিত চিকন লেখা। সে দেখল একেবারে চাক্ষুস প্রমাণ যে ডাম্বলডোরের লেখা, রিটার তৈরি করা নয়।

    স্বাক্ষরটি, হারমিয়ন বলল। এই স্বাক্ষরটি দ্যাখো, হ্যারি!

    হ্যারি তার কথা শুনল। এক মুহূর্ত সে বুঝতে পারল না যে হারমিয়ন কি দেখাতে চাচ্ছে। কিন্তু তার হাতের যাদুদণ্ডটির আলোতে আরো ভাল করে দেখল, ডাম্বলডোর অ্যালবাসের প্রথম অক্ষর এ-র বদলে সেই তিনকোণা চিহ্নটি ব্যবহার করেছে, যেটি দ্য টেলস অব বিডল দ্য বার্ডের উপর রয়েছে।

    এই তোমরা কী-? রন ইতস্ততভাবে বলল। কিন্তু হারমিয়ন তারদিকে তীব্র চোখে তাকিয়ে তাকে থামিয়ে দিল। তারপর হারমিয়ন আবার হ্যারির দিকে ফিরল।

    এটা অপ্রত্যাশিত, তাইনা? সে বলল। আমার মনে আছে ভিক্টর বলেছিল এটি গ্রিনডেলভান্ডের চিহ্ন, কিন্তু এই চিহ্নটি গোড্রিচ হলোর ওই পুরোনো কবরের উপরও দেখা গেছে। এবং কবরের উপরের পাথরে যে তারিখ দেয়া আছে তা গ্রিনডেলভান্ডের আসার অনেক আগের। আবার এখন এটা এখানে। বুঝলাম আমরা এখন ডাম্বলডোর বা গ্রিনডেল কারো কাছ থেকে বিষয়টি জানতে পারছি না, আমি জানি না গ্রিনডেলভাল্ড এখনো বেঁচে আছে কিনা। কিন্তু আমরা মি. জেনোফিলিয়াস লাভগুডকে জিজ্ঞেস করতে পারি। তিনি বিয়ের দিন এই সিম্বলটি পড়েছিলেন। আমি নিশ্চিত, এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ হ্যারি!

    হ্যারি সঙ্গেসঙ্গে কোনো উত্তর দিল না। সে অন্ধকারের ভেতরেই হারমিয়নের উদ্বেগ জড়ানো মুখের দিকে তাকালো। বেশ লম্বা সময় নিয়ে চিন্তা করে বলল, হারমিয়ন, আমাদের আরো একটি গোড্রিচ হলোর দরকার নেই। আমরা সেখানে যাওয়ার বিষয়ে আলাপ করেছি এবং

    কিন্তু সব পরিস্কার হতে চলেছে হ্যারি! ডাম্বলডোর আমাকে দ্য টেলস অব বিডল দ্য বার্ড বইটি দিয়ে গেছেন। তুমি কী করে জানো যে আমরা এই চিহ্ন থেকে কিছু পাবো না?

    আমরা আবার একই কথার দিকে যাচ্ছি, হ্যারি আবার একটু রাগান্বিত হল। আমরা আমাদের মধ্যে বিশ্বাস অটুট রাখতে চাচ্ছি যে ডাম্বলডোর আমাদের জন্য কু এবং গোপন চিহ্ন রেখে গেছেন-

    রন ওদের কথার মধ্যে ঢুকে বলল, ডেলুমিনেটর কিন্তু কাজে লেগেছে। আমার ধারণা হারমিয়নের কথাই ঠিক। আমি মনে করি আমাদের জেনোফিলিয়াস লাভগুড়ের সঙ্গে কথা বলা উচিত।

    হ্যারি তার দিকে রাগ করে তাকালো। সে নিশ্চিত যে হারমিয়নকে রনের এই সমর্থন দেয়া তিনকোণা চিহ্নটি জানার ব্যাপারে খুব কার্যকর নয়।

    এক্ষেত্রে বিষয়টি গোড্রিচ হলোর মত নয়, রন বলল। লাভগুরা তোমার পক্ষে হ্যারি। কুইবলাররা সেসব কথাই বলবে যা তোমাকে সাহায্য করবে।

    হারমিয়ন অতি আগ্রহ নিয়ে বলল, আমি নিশ্চিত এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ!

    কিন্তু তোমরা একবারও চিন্তা করছ না যে ডাম্বলডোর মারা যাবার আগে আমাকে এসব বলে যেতে পারতেন?

    হয়তোবা….হয়তোবা তোমার নিজের কিছু খুঁজে বের করার প্রয়োজন আছে, হারমিয়ন বলল।

    হা, রন তার কথায় সায় দিল। এটা একটা যুক্তির কথা।

    না, তা নয়, হারমিয়ন তার কথায় বাধা দিয়ে বলল। কিন্তু আমি এখনো মনে করি আমাদের লাভগুড়ের সঙ্গে কথা বলা প্রয়োজন। একটি চিহ্নের সঙ্গে ডাম্বলডোর, গ্রিনডেলভাল্ড এবং গোড্রিচ হলোর যোগসূত্র রয়েছে। হ্যারি, আমি নিশ্চিত, এ বিষয়ে আমাদের কিছু জানার আছে।

    রন বলল, আমি মনে করি বিষয়টিতে আমাদের মধ্যে ভোট হওয়া উচিত। কে কে লাভগুডের সঙ্গে দেখা করতে চায়।

    সে হারমিয়নের সামনে শুন্যে হাত উঁচু করল। হারমিয়নও ইতস্তত করে হাত উঠালো।

    তুমি হেরে গেছ হ্যারি, সরি। রন বলল। সে হ্যারির পিঠ চাপড়ে দিল।

    খুব ভালো কথা, হ্যারি বলল। সে একটু হাসল আবার একটু বিরক্ত হল। আমরা তো একবার লাভগুডের দেখা পেয়েছি, চলো আগে আরো কিছু হরক্রুক্স খোজ করি। সেটা কেমন হয়? যাহোক, লাভগুড় থাকে কোথায়? তোমরা কেউ সে কথা জানো?

    হ্যাঁ, আমাদের বাড়ি থেকে বেশি দূরে নয়। রন বলল। ঠিক কোথায় সেটা জানি না, তবে মা এবং ড্যাডকে দেখেছি তাদের কথা বলার সময় আঙুল দিয়ে পাশের পাহাড়ের দিকে দেখাতেন। খুঁজে পাওয়াটা খুব কঠিন হবে না।

    এরপর হারমিয়ন তার বিছানায় ফিরে গেল। হ্যারি নিচু গলায় রনকে বলল, তুমি শুধু ওর কথায় সায় দিয়ে যাচ্ছ ওকে খুশি করার জন্য।

    রন উচ্ছলতার সঙ্গে বলল, সব সৌন্দৰ্যই ভালবাসা এবং যুদ্ধের ভেতর। এটি হল দুটোরই সমম্বয়। আনন্দের বিষয়, এখন ক্রিসমাসের হলিড়ে চলছে। লুনা অবশ্যই বাসায় আছে!

    পরদিন সকালে ওরা ডিস্যাপারেট করে মৃদুমন্দ বাতাস বয়ে যাওয়া পাহাড়ের উপর থেকে ওটারি সেন্ট ক্যাচপোল গ্রামের চমৎকার দৃশ্য দেখতে পেল। পাহাড়ের উপরের ওদের অবস্থান থেকে গ্রামের বাড়িগুলোকে মনে হল সব সাজিয়ে রাখা খেলনা বাড়ি। লাম্বা সারি বাধা বাড়িগুলো যেন মেঘের সঙ্গে গিয়ে মিশেছে। ওরা এক বা দুমিনিট বারো গ্রামের দিকে তাকিয়ে থাকল সুর্যের আলোতে চোখের উপর হাত রেখে। কিন্তু উঁচু ঝোপঝাড়ু এবং অর্কেড গাছের ভেতর দিয়ে শুধু দেখতে পেল মাগলদের চোখ থেকে বাড়িঘর প্রোটেকশন করা হয়েছে।

    খুবই বিস্ময়কর ব্যাপার, কাছে হওয়া সত্বেও সেখানে যাওয়া যাচ্ছে না। রন বলল।

    মানে বিষয়টি এমন নয় যে তুমি জায়গাটি দেখনি। তুমি ক্রিসমাসের ছুটিতে সেখানে গিয়েছিলে। হারমিয়ন বলল।

    আমি বারোতে যাইনি! রন বলল। সে অবিশ্বাসের হাসি দিল। তুমি কি মনে করো যে আমি সেখানে ফিরে গিয়ে তাদেরকে বলতে পারতাম আমি তোমাদের কাছে চলে এসেছি? অবশ্য ফ্রেড এবং জর্জ তাতে খুশিই হতো। কিন্তু জিনি বিষয়টি অনুধাবন করতো।

    কিন্তু তুমি ছিলে কোথায়? হারমিয়ন অবাক হয়ে জানতে চাইল।

    বিল এবং ফ্লয়ারের নতুন বাড়ি শেল কটেজে। বিল সবসময় আমার প্রতি দুর্বল। সে –সে আমি কী করেছি শুনে খুশি হতে পারেনি। কিন্তু এ ব্যাপারে সে আমাকে কিছু বলেনি। সে জানতো বিষয়টি নিয়ে আমি সত্যিই দুঃখিত। পরিবারের অন্য কেউ জানতো না যে আমি ওখানে আছি। বিল মাকে বলেছে যে সে এবং ফ্লয়ার বাড়িতে যাচ্ছে না, কারণ ক্রিসমাসের সময়টা তারা একা কাটাতে চায়। তাদের বিয়ের প্রথম হলি ডের কথা তুমি জানো। আমার মনে হয় না ফ্লয়ার এ ব্যাপারে কিছু মনে করেছে। তোমরা জানো সে সেলেসটিনা ওয়ারবেককে কতটা ঘৃণা করে।

    রন বারোর দিকে পেছন ফিরল।

    চলো এবার আমরা চেষ্টা করি। সে পাহাড়ের উপর দিয়ে সামনে আগাতে থাকল।

    ওরা কয়েক ঘণ্টা হাটল। হারমিয়নের অনুরোধে হ্যারি অদৃশ্য আলখাল্লার নিচে থাকল। ছোট ছোট পাহাড়ের সারিতে কেউ বাস করে বলে মনে হল না। শুধূ একটি ছোট কটেজ দেখা গেল। সেটাও মনে হল পরিত্যক্ত।

    তোমাদের কি মনে হয় এটাই ওদের বাড়ি এবং ওরা ক্রিসমাস উপলক্ষে অন্য কোথাও গিয়েছে? হারমিয়ন বলল। সে জানালা দিয়ে ছোট কিচেনটার ভেতরে তাকালো। জানালার কার্ণিশে ফুলের গাছ দেখা গেল। রন নাক সিটকালো।

    শোনো, আমার ধারণা লাভগুড়ের জানালা দিয়ে উঁকি দিলেই তোমরা বুঝতে পারবে যে ওখানে কে বাস করে। চলো আমরা পরের পাহাড়গুলো চেক করে দেখি।

    এরপর ওরা কয়েক মাইল দূরে ডিস্যাপারেট করল।

    আহ্! উচ্চস্বরে রন বলে উঠল। বাতাস ওদের চুল এবং কাপড় উড়িয়ে নিতে চাচ্ছে। পাহাড়ের উপরের দিকে যেতেই ওরা দেখল সারিবাধা ঘর যেন আকাশের গায়ে হেলান দিয়ে আছে। বাড়িগুলোর পেছনে শেষ বিকালের চাঁদ ঝুলে আছে বলে মনে হল। এখানেই লুনাদের বাড়ি হবে। এমন জায়গায় তাছাড়া আর কে বাস করবে? দেখে তো মনে হচ্ছে একটি বিশাল পাখি!

    এটা মোটেও পাখির মত দেখাচ্ছে না, হারমিয়ন বলল। সে মুখ কালো করে টাওয়ারের দিকে তাকালো।

    আমি দাবা খেলার পাখির কথা বলছিলাম, রন বলল।

    যেটা তোমার কাছে ক্যাসল।

    রনের পা সবচেয়ে লম্বা। সেই আগে পাহাড়ের চুড়ায় উঠে গেল। হ্যারি এবং হারমিয়ন যখন তার কাছে গিয়ে পৌঁছল তখন ওরা হাপাচ্ছে। হাপিয়ে গায়ের কাপড় খামচি দিয়ে ধরেছে। ওরা দেখল রন মুখ বিস্তৃত করে হাসছে।

    রন বলল, এটাই ওদের বাড়ি, তাকিয়ে দেখ।

    ভাঙা গেটের সামনে তিনটি হাতে আঁকা চিহ্ন দেখা গেল। প্রথমটিতে লেখা। আছে, দ্য কুইবলার, এডিটর : এক্স লাভগুড

    দ্বিতীয়টিতে লেখা পিক ইউর ওন মিস্টলেটো

    তৃতীয়টিতে লেখা কিপ অফ দ্য ডিইরজিবল প্লাস

    ওরা গেট ধাক্কা দিয়ে খুলতেই ক্র্যাক করে শব্দ হল। সরু লম্বা পথ ঘরের দরোজা পর্যন্ত চলে গেছে। দরোজার সামনে বিভিন্ন রকমের আগাছা গাছপালা জন্মে আছে। একটি ঝোঁপের ভেতর কমলা লাল ধরণের ফুল দেখা যাচ্ছে। লুনা প্রায়শই কানের দুল হিসেবে ওগুলো পরতো। হ্যারি চিন্তা করল সে ঠিকই স্যারগালুফ চিনতে পেরেছে। দুটি শুকিয়ে যাওয়া ক্র্যাব-আপেল গাছ বাতাসে নুইয়ে পড়েছে। গাছের পাতা নেই, কিন্তু বেরি ফলের সমান আকারের লাল ফলে ভরে আছে। দুটি গাছের মাথায় স্বর্ণলতায় আচ্ছাদিত হয়ে আছে টুপির মত। সে দুটো পাহারাদারের মত দরোজার দুপাশে। একটি ডাল থেকে ছোট একটি বাজ পাখির মত মাথাওয়ালা পেঁচা ওদের দিকে তাকিয়ে আছে।

    হারমিয়ন বলল, হ্যারি, তুমি বরং অদৃশ্য আলখাল্লাটা খুলে ফেল। লাভগুড তোমাকে সাহায্য করতে চাইবেন, আমাদের না।

    হ্যারি তার কথামত কাজ করল। আলখাল্লাটি খুলে হারমিয়নের হাতে দিল তার ব্যাগে ভরে রাখার জন্য। এরপর হারমিয়ন তিনবার কালো রঙের দরোজায় টোকা দিল। দরোজায় লোহার কড়া এবং টোকা দেয়ার জিনিসটি অনেকটা ঈগল পাখির মত।

    মাত্র দশ সেকেন্ডের মত সময় পার হয়েছে। ঠিক তখনই ঝট করে দরোজা খুলে গেল এবং দেখা গেল জেনোফিলিয়াস লাভগুড দাঁড়িয়ে আছেন। তিনি খালি পায়ে দাঁড়িয়ে। পরনের বিবর্ণ পোশাকটিকে মনে হল নাইটশার্ট। তার লম্বা, সাদা উসকোখুসকো চুলগুলো ময়লা এবং এলোমেলো। জেনোফিলিয়াস লাভগুডের পোষাক বরং বিল এবং ফ্লয়ারের বিয়ের অনুষ্ঠানে অপেক্ষাকৃত অনেক ভাল ছিল।

    কি? ব্যাপার কি? তোমরা কারা? কি চাও? তিনি উচ্চস্বরে অনেকটা রাগত কণ্ঠে চিৎকার করে উঠলেন। প্রথমে তিনি হারমিয়নের দিকে তাকালেন। তারপর রনের দিকে এবং অবশেষে হ্যারির দিকে তাকিয়ে মুখটা এমন ভাব করলেন যেন হাস্যকর রকমের গোলাকৃতি দেখা গেল।

    হ্যালো মি. লাভগুড, হ্যারি বলল তিনি হাত বাড়িয়ে দিলেন। আমি হ্যারি, হ্যারি পটার।

    জেনোফিলিয়াস তার হাত বাড়ালেন না। তার চোখদুটো ঠিক সোজা নাক বরাবর হ্যারির কপালের দিকে।

    আমরা ভেতরে এলে কোনো সমস্যা আছে? হ্যারি বলল। আমাদের আপনাকে কিছু জিজ্ঞাসা করার আছে।

    আমি… আমি নিশ্চিত না যে সে ব্যাপারে কিছু বলতে পারব। ফিসফিস করে জেনোফিলিয়াস বললেন। তিনি ঢোক গিললেন এবং দ্রুত একবার বাগানের দিকে চোখ বুলালেন।বরং আমার কথায়… আঘাত….আমি শঙ্কিত …আমি ঠিক জানি আমার উচিত হবে কিনা…।

    আমরা বেশি সময় নেব না, হ্যারি বলল। সে তার নির্লিপ্ততা দেখে একটু হতাশ হল।

    আচ্ছা, ঠিক আছে, ভেতরে আসো, তাড়াতাড়ি..তাড়াতাড়ি!

    ওরা কোনোক্রমে দরোজায় পা রাখার সঙ্গে সঙ্গে জেনোফিলিয়াস পেছন থেকে দরোজা বন্ধ করে দিলেন। ওরা দাঁড়িয়ে আছে একটি অদ্ভুত রকমের কিচেনের ভেতর। হ্যারি কখনো এমন কিচেন দেখেনি! রুমটি একেবারে গোলাকার। ফলে ভেতর থেকে এটিকে দেখলে মনে হয় একটি পেপার পট। ঘরের সব কিছু বাঁকানো যাতে রুমটির সঙ্গে খাপ খেয়ে মিলে যায়। আলমিরা, স্টোভ সব কিছু। এর সব কিছুর উপর গাড় রঙ দিয়ে ফুল, পোকা-মাকড়, পাখি আঁকা। হ্যারির মনে হল সে লুনার স্টাইলটা বুঝতে পেরেছে: এমন একটি আটকা জায়গার ইফেক্টটা বিস্ময়কর।

    ফ্লোরের মাঝখান থেকে একটি কারুকাজ করা পেঁচানো লোহার সিঁড়ি উপরে উঠে গেছে। উপর থেকে বেশ খটখট এবং কড়কড় আওয়াজ আসছে। হ্যারির মনে হল লুনা সেখানে কিছু করছে।

    জেনোফিলিয়াস বললেন, তোমরা বরং উপরে আসো।

    তাকে এখনো অস্বস্তিতে আছে বলে মনে হল। তিনি ওদের পথ দেখিয়ে উপরে নিয়ে গেলেন।

    উপরের রুমটি মনে হল একইসঙ্গে শোবার ঘর এবং কাজের ঘর। রুমটি কিচেনের চেয়ে আরো বেশি জিনিসপত্র দিয়ে ঠাসা। রুমটি ছোট এবং গোলাকার হলেও যে কোনো কারণেই হোক রুম অফ রিকোয়ারমেন্টের কথা মনে করিয়ে দেয়। সে রুমটি সেবার রুপ বদলে বিশাল হয়ে গিয়েছিল। সে কথা ভোলা যায় না। রুমের ভেতর শতশত বছরের নানা জিনিস দিয়ে ঠাসা। প্রতিটি জায়গায় বইয়ের স্তূপ আর স্তূপ। হ্যারি লক্ষ করেনি যে চমৎকারভাবে বিভিন্ন প্রাণীর মডেল তৈরি করে রাখা হয়েছে। সেগুলো সিলিং এর থেকে ঝুলে আছে এবং হাত পা, পাখা নাড়ছে।

    লুনা এখানে নেই : যে জিনিস থেকে শব্দ আসছিল তা হল একটি কাঠের জিনিস তার উপর দিয়ে বড় কাটাওয়ালা চাকা। দেখতে অনেকটা কার্পেন্টারের অকেজো টেবিলের মত এবং মনে হল যেন সঙ্গে দুটি পুরোনো আলমিরাও আছে। কিন্তু একটু পরই হ্যারি বুঝতে পারল যে এটি একটি পুরোনো ধাচের প্রিন্টিং প্রেস। দি কুইবলার ছাপার কাজে এটি ঘুরছে।

    দুঃখিত, জেনোফিলিয়াস বললেন। তিনি মেশিনের উপর লম্বা পা ফেলে একটি ময়লা টেবিলক্লথ টেনে নিলেন বই এবং পেপারের ভেতর থেকে। এবং ক্লথটি প্রেসের উপর বিছিয়ে দিলেন। সঙ্গে সঙ্গে উচ্চশব্দ প্রশমিত হল। এবার তিনি হ্যারির দিকে ফিরলেন।

    এখানে কেন এসেছো?

    হ্যারি কিছু বলার আগেই হারমিয়ন অনেকটা চিকারের সুরে বলল, মি. লাভগুড, ওই জিনিসটা কি!

    সে একটি ধুসর রঙের পেঁচানো শিং এর দিকে আঙুল দিয়ে দেখালো। পুরাণের এক শিংআলা ঘোড়ার মত অনেকটা। যেটি কয়েক ফুট দূরে দেয়ালের থেকে বের হয়ে আছে।

    জেনোফিলিয়াস বললেন, এটি একটি ক্রাম্পল হর্ণ স্নোরক্যাকের শিং।

    না! এটা তা নয়, হারমিয়ন প্রতিবাদ করে বলল।

    হারমিয়ন, হ্যারি বিব্রত কণ্ঠে বিড়বিড় করে বলল। এটি এ নিয়ে আলোচনার সময় না

    কিন্তু হ্যারি, এটা হল এরুমপেন্ট হর্ণ। এটি ক্লাস বি ট্রেডাবল মেটারিয়াল। এটি কোনো ঘরে থাকা অস্বাভাবিক রকমের বিপদজনক!

    তুমি জানলে কী করে যে এটি এরুমপেন্ট-এর শিং? রন জানতে চাইল। সে যত দ্রুত সম্ভব ঘরের ঠেসে রাখা জিনিসপত্র মাড়িয়ে দিয়ে ওটা থেকে দূরে সরে এল।

    ফ্যান্টাসটিক বিস্ট এন্ড হয়্যার টু ফাঁইন্ড দেম বইটিতে এর বর্ণনা আছে। মি. লাভগুড, আপনি এটিকে তুলে দূরে ফেলে দিন। আপনি কি জানেন না যে সামান্য একটু ছোঁয়া লাগলে এর থেকে ভয়ানক বিস্ফোরণ হতে পারে?

    ক্রাম্পল হর্ণ স্নোরক্যাক, জেনোফিলিয়াস দৃঢ় এবং স্পষ্ট গলায় বললেন, একটি লাজুক এবং অত্যন্ত যাদুময় প্রাণী, এর শিংগুলো-।

    মি, লাভগুড, আমি ওটির আশেপাশে চিহ্নগুলো চিনতে পেরেছি, ওটি একটি এরুমপেন্ট শিং এবং এটি ভয়ানক বিপদজনক–আমি জানি না এটা আপনি কোথায় পেয়েছেন

    জেনোফিলিয়াস নিজের ধারণা থেকেই দৃঢ়ভাবে বললেন, দুই সপ্তাহ আগে আমি এটি কিনেছি একটি ভীষণ হাসিখুশি উইজার্ড ছেলের কাছ থেকে। সে জানতো যে আমার সুন্দর সুন্দর স্নোরক্যাকের প্রতি আগ্রহ আছে। এটি আমার মেয়ে লুনার জন্য একটি ক্রিসমাস সারপ্রাইজ। তিনি হ্যারির দিকে ফিরলেন। এখন বল, ঠিক কী কারণে এখানে এসেছ হ্যারি পটার?

    আমাদের কিছু সাহায্য দরকার, হারমিয়ন শুরু করার আগেই হ্যারি বলল।

    আহ্, জেনোফিলিয়াস বললেন। সাহায্য, হুম, তার চোখ দুটো আবারো দেখা গেল হ্যারির কপালের স্কারের দিকে। একই সঙ্গে তাকে আতঙ্কিতও মনে হল। হ্যাঁ, বিষয়টি হল……..হ্যারি পটারকে সাহায্য……বরং বিপদজনক….।

    রন বলল, আপনিই না সবাইকে বলতেন যে হ্যারি পটারকে সাহায্য করা সবার নৈতিক দায়িত্ব? আপনার ওই ম্যাগাজিনে বলেছেন না?

    জেনোফিলিয়াস পেছন ফিরে প্রেসের দিকে তাকালেন। প্রেসটি এখনো ঘরঘর করে কাজ করছে টেবিল ক্লোথের নিচে।

    হ্যাঁ, আমি এই দৃষ্টিভঙ্গী প্রকাশ করেছি। কিন্তু

    সেটা শুধু আপনার একার নয়, সবার জন্যই? রন বলল।

    জেনোফিলিয়াস কোনো উত্তর দিলেন না। তিনি ঢোক গিলতে থাকলেন। তিনজনকেই তীব্র চোখে দেখতে থাকলেন। হ্যারি অনুমান করল তার ভেতরে একটি ঝড় বয়ে যাচ্ছে।

    লুনা কোথায়? হারমিয়ন বলল। চলুন দেখা যাক সে কি চিন্তা করছে।

    জেনোফিলিয়াস ঢোক গিললেন। মনে হল তিনি স্থির হয়ে গেছেন। অবশেষে তিনি মেশিনের শব্দ ছাড়িয়ে কাঁপা গলায় বললেন লুনা ওই খালে ফেসওয়াটার প্লিমপিসের জন্য মাছ ধরছে। সে…সে তোমাদের দেখে খুশি হবে। আমি নিচে গিয়ে তাকে ডেকে আনছি। এবং তারপর..হ্যাঁ ঠিকাছে, আমি তোমাদের সাহায্য করবো।

    তিনি পেঁচানো সিঁড়ি দিয়ে নিচে নেমে গেলেন। ওরা সামনের দরোজা খোলা এবং বন্ধ হওয়ার শব্দ শুনতে পেল। তিনজনই তিনজনের মুখের দিকে তাকালো।

    ভিতুর হদ্দ। রন বলল।

    হ্যারি বলল, তিনি সম্ভবত ভয় পেয়েছেন যদি ডেথ ইটাররা জেনে যায় যে আমরা এখানে আছি তাহলে কি হবে সেই চিন্তায়।

    আমি রনের সঙ্গে একমত, হারমিয়ন বলল। সে একজন বুড়ো ভিতু ভণ্ড। সবাইকে বলছেন তোমাকে সাহায্য করতে, কিন্তু নিজে সরে থাকতে চাচ্ছেন। এবং ঈশ্বরের দোহাই ওই শিং থেকে দূরে থাকতে হবে।

    হ্যারি রুমের শেষ প্রান্তে জানালার কাছে গেল। সে উপর থেকে দেখতে পেল নিচে পাহাড়ের পাশ দিয়ে উজ্জ্বল ফিতার মত খালটি একেবেঁকে গেছে। ওরা এখন অনেক উপরে আছে। একটি পাখি জানালার কাছ দিয়ে উড়ে গেল। হ্যারি বারোর দিকে তাকালো। অন্য একটি পাহাড়ের সারির কারণে এখন তা দেখা যাচ্ছে না। জিনি ওদিকেই কোনো একটি জায়গায় অবস্থান করছে। বিল এবং ফ্লয়ারের বিয়ের পর ওরা আজকেই ওই স্থানের কাছাকাছি এসেছে। কিন্তু জিনি জানে না যে সে যেখানে আছে এখন হ্যারি সেই দিকেই তাকিয়ে আছে, তার কথা ভাবছে। কিন্তু হ্যারি তা ভেবে খুশিই হল। এখন যেই তার সংস্পর্শে আসবে সেই বিপদের মধ্যে পড়বে। জোনোফিলিয়াসের আচরণই তা প্রমাণ করছে।

    হ্যারি জানালার দিক থেকে মুখ ফেরালো। এবার সে অন্য একটি অদ্ভুত জিনিস দেখতে পেল। সাইড বোর্ডের উপর জিনিসপত্রের ভেতরে সেটি রাখা আছে। একটি পাথরের আবক্ষমুর্তি মহিলা যাদুকর যার মাথায় অদ্ভুত ধরনের জিনিস পরে আছে। কানের দুলের মত দুটি জিনিস দুপাশ দিয়ে বের হয়ে এসেছে। একজোড়া চকচকে ছোট পাখা চামড়ার বাধন দিয়ে মাথার সঙ্গে লাগানো। আরেকটি কমলা লাল রঙের জিনিস কপালের সঙ্গে জোড়া দেয়া আছে।

    এই জিনিসটা দেখ, হ্যারি বলল।

    একটি ফেচ, রন বলল। অবাক ব্যাপার সে এটা বিয়ের দিন পরেনি।

    ওরা নিচের দরোজা বন্ধ হওয়ার শব্দ পেল। এক মুহূর্ত পর জেনোফিলিয়াস পেঁচানো সিঁড়ি দিয়ে উপরে উঠে এলেন। তার চিকন চিকন পায়ে এখন ওয়েলিংটন বুট পরে আছেন। তার হাতে একটি ট্রেতে বেমানান ধরণের কয়েকটি কাপ আর ধুমায়িত টি-পট।

    আহ, তুমি আমার তৈরি করা পোষা জিনিসটা দেখে ফেলেছ? তিনি বললেন। হারমিয়নের হাতে চায়ের ট্রে দিয়ে তিনি হ্যারির কাছে গিয়ে দাঁড়ালেন। মোডেলড, রোয়েনা র‍্যাভেনক্লোর মাথাটির সঙ্গে ফিট হয়ে গেছে।

    তিনি এয়ার ট্রাম্পেটের মত জিনিসটি দেখালেন।

    এগুলো হল র‍্যাকশুর্টের নল–ধ্বংসের কথা চিন্তাকারীদের সব সোর্সকে তুলে ফেলতে কাজে লাগে। তিনি দুটো ছোট পাখা দেখিয়ে বললেন, এটি বিলভিগ প্রপেলার। মনের উচ্চভাব তৈরিতে সহায়তা করে। এবং রঙিন জিনিসটি দেখিয়ে শেষে বললেন, ডিরিজিবল প্লাম, অসাধারণ বিষয় গ্রহণ করার ক্ষমতা বাড়ায়।

    জেনোফিলিয়াস লম্বা পা ফেলে চায়ের ট্রের কাছে গেলেন। চায়ের ট্রে-টি হারমিয়ন কোনোক্রমে সাইড টেবিলের উপর ঝুঁকিপূর্ণভাবে রেখেছে।

    জেনোফিলিয়াস বললেন, আমি কি তোমাদের সবার চায়ে গুরডিরুটস দেব? এটা আমরা নিজেরাই প্রস্তুত করি।

    তিনি সঙ্গে সেটা ঢালতে থাকলে দেখা গেল বিটরুটের মত লাল।

    লুনা বটম ব্রিজের কাছে আছে। তোমরা এখানে আছো জেনে সে খুবই উল্লসিত। খুব বেশি দেরি করবে না। সে আমাদের সবার স্যুপ তৈরি করার জন্য যথেষ্ট পরিমাণ প্লিপাই সংগ্রহ করেছে। তোমরা বসো, যারযার মত করে চিনি নিতে পারো।

    এখন, তিনি একটি হাতলঅলা চেয়ারের উপর থেকে একটি স্তূপ কাগজ সরালেন এবং বসলেন। তার ওয়েলিংটন বুট পরা পা দুটো একটার উপর আরেকটা রাখলেন। আমি তোমাদের কীভাবে সাহায্য করতে পারি মি. হ্যারি পটার?

    ওয়েল, হ্যারি বলল। সে হারমিয়নের দিকে ঘুরে তাকাল। হারমিয়ন মাথা দুলিয়ে সায় দিল। বিল এবং ফ্লয়ারের বিয়েতে আপনি যে চিহ্নটি পরেছিলেন সে বিষয়ে জানতে চাই। আমরা খুঁজে বেড়াচ্ছি যে ওই চিহ্নটির মানে কি।

    জেনোফিলিয়াস ভুরু তুলে তাকালেন।

    তোমরা কি ডেথলি হ্যালোসের কথা বলছ?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদ্য ক্যাচার ইন দ্য রাই – জে ডি সালিঞ্জার, অনুবাদ – রাফায়েত রহমান রাতুল
    Next Article হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য হাফ-ব্লাড প্রিন্স (৬) – জে. কে. রাওলিং

    Related Articles

    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার এন্ড দি ফিলসফারস স্টোন (১) – জে. কে. রাওলিং

    August 18, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য চেম্বার অব সিক্রেটস (২) – জে. কে. রাওলিং

    August 18, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য প্রিজনার অব আজকাবান (৩) – জে. কে. রাওলিং

    August 18, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য গবলেট অব ফায়ার (৪) – জে. কে. রাওলিং

    August 16, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য অর্ডার অব দ্য ফনিক্স (৫) – জে. কে. রাওলিং

    August 16, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য হাফ-ব্লাড প্রিন্স (৬) – জে. কে. রাওলিং

    August 16, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }