Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ডেথলি হ্যালোস (৭) – জে. কে. রাওলিং

    জে. কে. রাওলিং এক পাতা গল্প937 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২২. দ্য ডেথলি হ্যালোস

    ২২. দ্য ডেথলি হ্যালোস

    হ্যারি পড়ে যেয়েই হাপাতে লাগল এবং সঙ্গে সঙ্গে কোনোক্রমে উঠে দাঁড়ালো। ওরা সম্ভবত একটি খেতের পাশের ধুলোর ভেতর নেমে এসেছে। হারমিয়ন ইতিমধ্যে ওদের ঘিরে যাদুদণ্ড ঘোরাতে শুরু করেছে।

    প্রোটেগো টোটালাম…..স্যালভিও হেক্সিয়া…

    রক্তচোষা বুড়ো শয়তান! রন হাপাতে হাপাতে বলল। অদৃশ্য আলখাল্লার ভেতর থেকে বের হয়ে এসে সেটি হ্যারির দিকে ছুঁড়ে দিল।

    হারমিয়ন তুমি একটি জিনিয়াস, প্রকৃত জিনিয়াস! আমি বিশ্বাস করতে পারছি যে আমরা ওখান থেকে চলে এসেছি!

    কেইভ ইনিমিকাম… আমি তোমাদের বলেছিলাম না যে এটি একটি এরুমপেন্ট শিং? আমি তো তাকেও বলেছি। এখন তার বাড়িটা ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে গেল!

    উচিত শিক্ষা পেয়েছে, রন তার জিনসের প্যান্টটির ছেঁড়া অংশ এবং পায়ের কেটে যাওয়া অংশটি পরিক্ষা করল। কী মনে হয়, ওরা তাকে কি করবে?

    ওহ্, আমি কামনা করি ওরা যেন তাকে হত্যা না করে! হারময়িন বলল।

    সে কারণেই আমি চেয়েছিলাম যে আমরা চলে আসার আগে যেন ডেথ-ইটাররা হ্যারিকে একপলক দেখে। যাতে তারা বুঝতে পারে যে জেনোফিলিয়াস মিথ্যা কথা বলেননি।

    তাহলে আমাকে আগেই লুকিয়ে ফেলেছিলে কেন? রন বলল।

    তোমার স্প্যাটাগ্রোইটের অসুখের কারণে বিছানায় থাকার কথা তো তোমার, রন! ওরা লুনাকে হাইজ্যাক করেছে কারণ জেনোফিলিয়াস হ্যারিকে সমর্থন করে। ওরা যদি জানতে পারে তুমি হ্যারির সঙ্গে আছো তাহলে তোমার পরিবারের কী হবে?

    তাহলে তোমার বাবা-মায়ের ব্যাপারে কী হবে?

    তারা এখন অস্ট্রেলিয়ায়, হারমিয়ন বলল। তারা ভালই থাকবেন আশা করি। তারা এসবের কিছুই জানেন না।

    তুমি একটা জিনিয়াস, রন আবার বলল।

    সত্যিই তাই, হারমিয়ন, হ্যারি বলল। আমি জানি না তুমি না থাকলে আমরা কী করতাম।

    সে হাসল এবং প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই সিরিয়স হয়ে গেল।

    লুনার ব্যাপারে কী হবে?

    ওয়েল, যদি ওরা সত্যি কথা বলে থাকে এবং রুনা সত্যিই জীবিত থাকে রন বলতে থাকল।

    এভাবে বলো না! এভাবে বলবে না, হারমিয়ন উচ্চস্বরে বলল।

    সে অবশ্যই বেঁচে আছে, অবশ্যই!

    রন বলল, তাহলে আমার মনে হয় সে আজকাবানে আছে। সে সেখানে টিকে থাকতে পারবে কিনা…

    অবশ্যই পারবে, হ্যারি বলল। সে এর বিকল্প অন্য কিছু ভাবতে পারছে না। সে খুবই মেধাবী, লুনাকে তুমি যতটা জান, তার চেয়ে সে বেশি বুদ্ধিমান। সে সম্ভবত সেখানে তার সাথীদের র‍্যাকস্পার্ট এবং নার্গলস তৈরি শেখাচ্ছে।

    আমি আশা করি তোমার কথা যেন ঠিক হয়, হারমিয়ন বলল। সে তার চোখের সামনে দিয়ে একটি হাত উঁচু করে বলল, আমি সত্যিই দুঃখিত জোনোফি লিয়াসের জন্য, যদি

    যদি সে আমাদেরকে ধরিয়ে দিতে চেষ্টা না করতো, রন বলল।

    ওরা তাবুর ভেতর অবস্থান নিল। রন সবার জন্য চা তৈরি করল। ওখান থেকে পালিয়ে আসার পর এই ঠাণ্ডা, ভেজা গন্ধের জায়গাটিকে পরিচিত এবং নিজেদের জায়গা বলে মনে হচ্ছে।

    ওহ্, আমরা ওখানে গেলাম কেন? হারমিয়ন মিনিট খানেক চুপ থেকে তারপর আক্ষেপ করে বলল। হ্যারি, তোমার কথাই ঠিক, এটা ছিল আরো একটি গগাড্রিচ হলোর মত ঘটনা। পুরো সময়টাই নষ্ট হল। ডেথলি হ্যলোস…একটি রাবিশ….যদি প্রকৃতপক্ষে, হঠাৎ একটি চিন্তা মাথায় আসাতে সে বলল, তিনি হয়তো সব কাহিনী বানিয়ে বলেছেন, বানিয়ে বলতে পারেন না? তিনি নিজেই হয়তো এসব একেবারেই বিশ্বাস করেন না। হয়তো ডেথ-ইটারদের আসা পর্যন্ত আমাদেরকে কথার মধ্যে ব্যস্ত রাখতে চেয়েছিলেন!

    আমার সেটা মনে হয় না, রন বলল। তুমি যখন সমস্যায় থাকবে তখন কোনোকিছু বানিয়ে বলা ভীষণ মুশকিলের কাজ। এটা আমি বুঝতে পেরেছি যখন ওই স্ন্যাচাররা আমাকে ধরেছিল তখন। আমি নিজেকে স্ট্যান পরিচয় দিয়েছি। সেটা ছিল আরো সহজ, কারণ আমি তাকে চিনতাম। বৃদ্ধ লাভগুড ছিলেন চরম সংকটে, তিনি চাচ্ছিলেন আমরা যেন সেখানে থাকি। আমি মনে করি তিনি সত্যি কথাই বলেছেন, তারমানে তিনি যেটাকে সত্যি বলে মনে করেন সেটাই বলেছেন শুধু আমাদের দেরি করানোর জন্য।

    হারমিয়ন নিঃশ্বাস ছেড়ে বলল, ওয়েল, আমি এটাকে বড় করে দেখছি না। যদি তিনি সত্যি করেই বলে থাকেন তারপরও আমি এমন উদ্ভট কথা জীবনে কখনো শুনিনি।

    আমার কথা শোনো, রন বলল। চেম্বার অব সিক্রেট তো একটি পুরাণের কাহিনী হওয়ার কথা, তাই না?

    কিন্তু ডেথলি হ্যালোসের কোনো অস্তিত্ব থাকতে পারে না রন!

    রন বলল, তুমি সেটা বলছ, কিন্তু ওই কাহিনীর একটি হতে পারে হ্যারির অদৃশ্য হওয়ার আলখাল্লাটি-

    হারমিয়ন দৃঢ়ভাবে বলল, দ্য টেল অব দ্য থ্রি বাদার্স একটি কাহিনী। কাহিনীটা হল মানুষ মৃত্যুকে কতটা ভয় পায় তা নিয়ে। বেচে যাওয়া যদি অদৃশ্য আলখাল্লার নিচে থাকার মত সহজ হতো, তাহলে আমাদের কাছে বেঁচে যাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সবকিছুই আছে!

    আমি জানি না। আমরা যদি একটি অপরাজেয় যাদুদণ্ড পেতাম, হ্যারি তার হাতের ব্ল্যাকহর্ন দণ্ডটি আঙ্গুল দিয়ে ঘোরাতে ঘোরাতে বলল।

    এমন কোনো জিনিসের অস্তিত্ব নেই, হ্যারি!

    তুমিই বলেছ যে বহু রকমের যাদুদণ্ড আছে–ডেথস্টিক অথবা যে নামেই তারা ডেকে থাকুক।

    আচ্ছা ঠিক আছে ধরে নিচ্ছি, যদি তোমরা অবোধের মত মনে কর যে এলডার ওয়্যাভ এর ঘটনা সত্যি, তাহলে পুনরাবির্ভাব পাথর নিয়ে কি বলবে? হারমিয়ন হাতের আঙ্গুল দিয়ে কোটেশন মার্ক একে দেখালো। এবং তার কণ্ঠে বিরোধের আভাস। কোনো ম্যাজিকই মৃতকে ফিরিয়ে আনতে পারে না এবং এটাই শেষ কথা!

    আমার যাদুদণ্ড যখন ইউ-নো-হুর সঙ্গে সংযুক্ত হয়, তখন আমার মা এবং বাবা উপস্থিত হন…. সেড্রিক…।

    কিন্তু তারা সত্যিকারে মৃত অবস্থা থেকে ফিরে আসেন না, তা কি আসেন? হারমিয়ন বলল। সেটা হল এক ধরণের নকল প্রতিকৃতি…এটা একজনের জীবনে ফিরিয়ে আনার সঙ্গে এক নয়।

    কিন্তু গল্পের সেই মেয়েটি, সে প্রকৃতপক্ষে ফিরে আসেনি। তাই না? গল্পে বলা হয়েছে একবার যদি কেউ মারা যায় তাহলে সে মৃতদের দলে চলে যায়। অথচ দ্বিতীয় ভাইটি মেয়েটিকে দেখেছে এবং তার সঙ্গে কথা বলেছে, তাই নয় কি? সে এমনকি মেয়েটির সঙ্গে কিছুক্ষণ সময় কাটিয়েছে…

    হ্যারি হারমিয়নের চেহারায় উদ্বেগ দেখতে পেল। এবং তার চেহারা দেখে বোঝা যাচ্ছে না যে সে কি ভাবছে। তারপর হারমিয়ন যখন রনের দিকে তাকালো তখন হ্যারি বুঝতে পারল তার চেহারায় আশঙ্কা: সে হারমিয়নকে ভয় পাইয়ে দিয়েছে মৃতদের সঙ্গে বসবাসের কথা বলে।

    হ্যারি তাড়াতাড়ি দৃঢ়ভাবে ভারসাম্য আনার জন্য বলল, ওই পেতেরেল লোকটি, যার কবর রয়েছে গোড্রিচ হলোতে, তুমি তো তার সম্পর্কে কিছু জানো না।

    না, হারমিয়ন উত্তর দিল। বিষয় পরিবর্তন হওয়ায় হারমিয়নের মধ্যে স্বস্তি দেখা গেল। তার ব্যাপারে আমি নজর দিয়েছি কবরের চিহ্নটি দেখার পর। সে যদি এমন বিখ্যাত কেউ হতো অথবা গুরুত্বপূর্ণ এমন কিছু, তাহলে আমাদের কোনো একটি বইতে তার নামোল্লেখ করা থাকতো। শুধুমাত্র ন্যাচারস নভেলিটি : এ উইজার্ডিং জিনিওলজিতে একটি জায়গায় আমি তার নাম দেখতে পেয়েছি। আমি সেটি ক্রিচারের কাছ থেকে নিয়েছিলাম। হারমিয়ন ব্যাখ্যা করে বলল। রন ভুরু কুচকে তাকালো। বইটির ভেতর শুধু পিওর ব্লাড পরিবারের তালিকা রয়েছে, যারা পূর্বপুরুষ পরম্পরা এখন শেষ হয়ে গিয়েছে। দৃশ্যত মনে হচ্ছে পেভেরেল পরিবার প্রথম দিকে ধ্বংস হওয়া একটি পরিবার।

    পূর্বপুরুষ পরম্পরা শেষ হয়ে গিয়েছে? রন পুনরাবৃতি করল।

    তারমানে নামগুলো আর নেই, হারমিয়ন বলল। পেভেরেলদের বেলায় কয়েকশত বছর আগে শেষ হয়ে গেছে। তাদের বংশের লোকজন হয়তো এখনো আছে, কিন্তু অন্য নামে তারা এখন পরিচিত।

    এর পরপরই হ্যারির কাছে পেতেরেল নামটি উজ্জ্বল একখণ্ড স্মৃতির মত মনে হল। একজন নোংরা ধরণের লোক মিনিস্ট্রিতে একজন কর্মচারীর উপর একটি নোংরা রিং প্রদর্শন করেছিল। হ্যারি চিৎকার করে বলল, মারভোলো গাউন্ট!

    সরি রন এবং হারমিয়ন একসঙ্গে বলল।

    মারভোলো গাউন্ট! ইউ-নোহর দাদা! পেনসিভে ছিল! ডাম্বলডোরের সঙ্গে। মারভোলো গাউন্ট বলেছিল সে পেভেরেলদের বংশধর!

    রন এবং হারমিয়নকে বিস্মিত মনে হল।

    সেই রিংটি, সে রিংটি হরক্রুক্সে পরিণত হয়েছিল। মারভোলো গাউন্ট বলেছিল যে এটি ছিল পেতেরেলদের।

    পেতেরেল অস্ত্রের কভার? হারমিয়ন বলল। তুমি কী বলতে পারো জিনিসটা দেখতে কেমন?

    সব মনে নাই, সে মনে করতে চেষ্টা করল। আমার যতটা মনে পড়ে ফেন্সি কিছু ছিল না। হয়তো কিছু কাটাকুটি দাগ ছিল। আমি এটি কাছে থেকে দেখেছিলাম ভেঙে খুলে যাওয়ার পর।

    হ্যারি দেখল হারমিয়ন চোখ বড় করে তাকাচ্ছে। রন বিস্ময়ের সঙ্গে দুজনের মুখের দিকে তাকাচ্ছে।

    হায় হায়… তোমার কি মনে হয় যে এটাও সেই চিহ্ন, সেই হ্যালোসের চিহ্ন ছিল?

    কেন নয়, হ্যারি উত্তেজিতভাবে বলল। মারভোলো গাউন্ট ছিল একজন অজ্ঞ ধরণের লোক। নিজে একটি শুকরের মত বসবাস করতো। তার কাছে একমাত্র বিষয় ছিল তার পুর্ব-পুরুষরা, তার বংশ। যদি ওই বিষয়টি শতশত বছর ধরে বংশের মাধ্যমে এসে থাকে, সে হয়তো জানতো না যে জিনিসটি আসলে কী। তার ঘরে কোনো বই ছিল না। এবং আমার কথা বিশ্বাস করো, সে বাচ্চাদেরকে রুপকথা পড়ে শোনাবার মত লোকই ছিল না। সে শুধু ভাবতে ভালবাসতো যে পাথরের চিহ্নটি ছিল কোড অব আর্মস। কারণ সে শুধু জানতো যে পিওর ব্লাডই হল পরিবারকে রাজকীয় করার আসল বিষয়।

    হ্যা…এবং খুবই মজার ঘটনা, হারমিয়ন বলল। কিন্তু হ্যারি, যদি তুমি চিন্তা করে থাকো…আমার যা মনে হচ্ছে..

    ওয়েল, কেন নয়, কেন নয়,হ্যারি বলল রাখঢাক না করে। এটি ছিল একটি পাথর তাই না? সে সমর্থনের জন্য রনের দিকে তাকালো। এটি যদি একটি পুনর্জন্মের পাথর হয়ে থাকে কে জানে?

    রন পুরোপুরি হা করে আছে। হায় হায়..এটা তাহলে কি এখনো কাজ করতে যদি ডাম্বলডোর ভেঙে-।

    কাজ করতো? কী বলছো তুমি, রন এটা কখনোই কাজ করতো না!

    পুনর্জন্মের পাথর বলে কোনো কিছু নেই! হারমিয়ন পায়ে ভর করে উঠে দাঁড়ালো। তাকে বিরক্ত এবং রাগান্বিত মনে হল।

    হ্যারি, তোমরা সবকিছুকে রূপকথার সঙ্গে খাপ খাওয়াতে চাচ্ছ-

    খাপ খাওয়াতে চাচ্ছি, হ্যারি রিপিট করল। হারমিয়ন, এটি নিজের মত করেই খাপ খেয়ে যাচ্ছে! আমি জানি ওই পাথরের উপর ডেথলি হ্যালোসের চিহ্ন ছিল। গাউন্ট বলেছিল সে পেভেরেলদের বংশধর?

    এক মিনিট আগে তুমি আমাদের বললে যে তুমি পাথরের উপর তেমন কোনো চিহ্ন দেখনি!

    এখন রিংটি কোথায় আছে বলে তোমার মনে হয়? রন হ্যারিকে জিজ্ঞেস করল। এটি খুলে ফেলার পর ডাম্বলডোর কি করতেন সেটি দিয়ে?

    কিন্তু হ্যারির চিন্তাটি রন এবং হারমিয়নের চেয়ে অনেক বেশি এগিয়ে গেল…

    তিনটি বিষয় বা হ্যালোস কি আয়ত্ত্বকারীকে মাস্টার অব ডেথ… মাস্টার…বিজয়ী……..পরাস্তকারী বানাবে? শেষ শত্রুরও পরিণতি হবে মৃত্যুতে….

    এবং হ্যারি নিজেকে হ্যালোসের আয়ত্বকারী হিসাবে দেখল, ভষ্টেমর্টের মুখোমুখি সে দাঁড়িয়ে….যার হরক্রুক্সটি সঠিক নেই…অন্য একজন বাঁচলে আরেকজনকে অবশ্যই মরতে হবে…….এটাই কি উত্তর? হ্যালোস বনাম হরক্রুক্স? কোনো উপায় আছে কি নিশ্চিত করার যে, সে জয় নিশ্চিত করবে? যদি সে ডেডলি হ্যালোসের মাস্টার হয়, তাহলে কি নিরাপদ হবে?

    হ্যারি?

    কিন্তু তার কাছে খুব অস্পষ্টভাবে হারমিয়নের ডাক পৌঁছল। সে তার অদৃশ্য আলখাল্লাটি টেনে বের করল। এবং সেটি আঙুলের উপর দিয়ে রাখল। আলখাল্লার কাপড়টি পানির মত, আলোর মত মোলায়েম। তার এই প্রায় সাত বছরের যাদুর জগতের জীবনে সে এমন সমমানের কোনো জিনিস কখনো দেখেনি। আলখাল্লাটি হুবহু জেনোফিলিয়াস যেমন বর্ণনা করেছেন, তেমনিঃ আলখাল্লাটি এমন যে এর পরিধানকারীকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে ফেলতে পারে। এবং চিরকালের জন্য অব্যাহতভাবে কাজ দেয়, এর বিরুদ্ধে যে কোনো কার্স ছোঁড়া হোক না কেন…..

    তারপর একবার নিঃশ্বাস ছেড়ে সে স্মরণ করল।

    যে রাতে আমার বাবা-মা মারা গিয়েছিলেন সে রাতে আলখাল্লাটি ডাম্বলডোরের কাছে ছিল!

    তার গলা কেঁপে উঠল। এবং সে তার চেহারার পরিবর্তনটা অনুমান করতে পারল। কিন্তু তাতে কিছু আসে যায় না। আমার মা সিরিয়সকে বলেছিলেন ডাম্বলডোর আলখাল্লাটি ধার নিয়েছিলেন। এ কারণেই সে এটি পরীক্ষা করতে চেয়েছিল! সে চিন্তা করেছিল যে এটি ছিল তৃতীয় হ্যালোস! ইগনোটাস পেভেরিলকে গোড্রিচ হলোতে কবর দেয়া হয়েছে…. হ্যারি অন্ধের মত তাবুর ভেতর পদচারণা করতে থাকল। সে অনুভব করল যে তাকে ঘিরে নতুন দৃশ্যপটের উদয় হচ্ছে। সে হল আমার পুর্ব পুরুষ! আমি তৃতীয় ভাইয়ের বংশধর! এটাই এখন বোঝা যাচ্ছে।

    হ্যালোসে বিশ্বাস স্থাপনের পর তার নিজেকে আরো শক্তিশালী মনে হল। যেন এসবের আইডিয়া তাকে আরো নিরাপদ করছে। সে বাকী দুজনের দিকে আনন্দ নিয়ে তাকালো।

    হ্যারি, হারমিয়ন আবার বলল। কিন্তু হ্যারিকে দেখা গেল তার গলার সঙ্গের ব্যাগটি নিয়ে ব্যস্ত। তার আঙুল কাঁপছে।

    এটা পড়, হারমিয়নের হাতে তার মায়ের চিঠি দিয়ে হ্যারি বলল। পরে দেখ, ডাম্বলডোরের কাছে আলখাল্লাটি ছিল হারমিয়ন! তিনি এটা নিয়েছিলেন কেন? তার তো কোনো আলখাল্লার দরকার ছিল না। তিনি এত শক্তিশালীভাবে সিইসমেন্ট চার্ম ব্যবহার করতে পারতেন যে নিজেকে আলখাল্লা ছাড়াই সম্পূর্ণ অদৃশ্য করে ফেলতে পারতেন!

    কিছু একটা মেঝেতে পড়ে গড়িয়ে চেয়ারের নিচে চলে গেল। সে চিঠিটা বের করার সময় মিচটি আলগা হয়ে গিয়েছিল। সে নিচু হল সেটি তোলার জন্য এবং তখনই নতুন একটি নতুন সন্ধান তার ভেতরে ঝলকে উঠল। নিজের ভেতরে ধাক্কা খেল এবং বিস্মিত হল। সে চিৎকার করে উঠল।

    সেটা এখানেই। তিনি আমাকে রিংটি দিয়ে গেছেন! সেটি এই সিচের ভেতর!

    তুমি..তুমি তাই মনে কর?

    হ্যারি বুঝতে পারছে না কেন রন খতিয়ে দেখতে চাইছে। এটা এত পরিস্কার, এত দৃশ্যমান : সবকিছু মিলে গেছে, সবকিছু…তার আলখাল্লাটি হল তৃতীয় হ্যালোস এবং সে যখন আবিষ্কার করল যে স্নিচটি কীভাবে খুলতে হয় –সেটা হল দ্বিতীয়, এখন যেটা তার প্রয়োজন তা হল সেই এলডার যাদুদণ্ডটি খুজে বের করা, তারপর

    তখনই বিষয়টি কে মনে হল একটি আলোর উপর যেন পর্দা পড়েছে। তার সব উত্তেজনা, সব আশা সব সুখ যেন নিভে গেল এক ধাক্কায়। সে অন্ধকারে একা দাঁড়িয়ে আছে। উজ্জল স্পেল ভেঙে গেছে।

    ওটার পেছনেই সে দৌড়াচ্ছে।

    তার কণ্ঠস্বর শুনে হারমিয়ন এবং রন ভয় পেয়ে গেল।

    এলডার ওয়্যান্ডের পেছনে ইউ-নো-হু লেগে আছে!

    হ্যারি ওদের দৃঢ় এবং অবিশ্বাসভরা মুখের দিকে তাকালো। সে জানে তার ধারণা ঠিক। যে কোনো যুক্তিতেই। ভোল্ডেমর্ট দ্বিতীয় অন্য কোনো যাদুদণ্ড চায় না। সে খুঁজে বেড়াচ্ছে একটি পুরাতন যাদুদণ্ড। একটি অতি পুরাতন যাদুদণ্ড। হ্যারি হেঁটে তাবুর প্রবেশ পথের কাছে গেল। সে ভুলে গেল রন এবং হারমিয়নের উপস্থিতির কথা। বাইরে অন্ধকার রাতের দিকে তাকালো, চিন্তা করতে থাকল…

    ভোল্ডেমর্ট বেড়ে উঠেছে একটি মাগল এতিমখানায়। সে যখন ছোট ছিল তখন কেউ তাকে হয়তো দ্য টেলস অব দ্য বিড়ল বার্ডের কথা বলেনি। হ্যারির চেয়ে বেশি এ সম্পর্কে শুনেনি। উইজার্ডরা খুব একটা বিশ্বাস করে না এ কাহিনী। আবার এমনও হতে পারে যে কোনোভাবে ভোল্ডেমর্ট এই কাহিনীর কথা জানে?

    হ্যারি অন্ধকারের দিকে তাকালো…যদি ভোল্ডেমর্ট জেনে থাকে ডেথলি হ্যালোসের কথা তাহলে যে করেই হোক তার আয়ত্তে নিতে চাইবে। তিনটি বিষয় কি আয়ত্ত্বকারীকে মাস্টার অব ডেথ বানিয়ে থাকে? যদি তার ডেথলি হ্যালোস সম্পর্কে জানা থাকে তাহলে তার হরক্রুক্স এর দরকার পড়ার কথা না। এমন সোজা হিসাব কি হতে পারে যে সে হ্যালোস পেয়ে গেছে এবং সেটিকে একটি হরক্রুক্স এ পরিণত করেছে? এবং এ ঘটনা প্রকাশ করছে যে সে উইজার্ডিং সিক্রেট সম্পর্কে কিছুই জানতো না?

    তারমানে কি এমন যে ভোল্ডেমর্ট এলডার ওয়্যান্ডটি পেতে চাচ্ছে কিন্তু এটির প্রকৃত ক্ষমতা না জেনে, সে জানে না যে এটি হ্যালোস ক্ষমতার একটি….যাদুদণ্ডটি যে একটি হ্যালোস সেটা গোপন করার উপায় নেই, এর অস্তিত্ব সম্পর্কে সবচেয়ে ভালো জানা….এলডার ওয়্যান্ডের রক্তাক্ত পরম্পরা উইজার্ডিং ইতিহাসের পাতায় পাতায় রয়েছে….

    হ্যারি আকাশের মেঘের দিকে তাকালো। সাদা চাঁদের মুখটির উপর দিয়ে ধোয়ার মত মেঘে ভেসে যাচ্ছে। তার মনে হল আলোটা যেন তার আবিষ্কারের দিকে ছুটে যাচ্ছে।

    সে তাবুর ভেতরের দিকে মুখ করল। দেখে ভীষণ হতাশ হল যে রন এবং হারমিয়নকে ঠিক যেখানে দেখেছিল ওরা সেখানেই বসে আছে। হারমিয়নের হাতে তখনো লিলির চিঠি, রন তার পাশে একটু উদ্বিগ্ন হয়ে আছে। ওরা কি বুঝতে পারে নি যে শেষ কয়েক মিনিটে ওরা কতটা দূর ভ্রমণ করে এসেছে?

    এটাই হল ব্যাপার, হ্যারি বলল। তার বিস্ময়কর নিশ্চয়তার ভেতরে ওদের দুজনকে বেঝাতে চেষ্টা করল। এটাই সবকিছু ব্যখ্যা করে। ডেথলি হ্যালোস-এর বাস্তবতা। এবং আমি একটি হয়তো দুটিই পেয়ে গেছি-

    সে স্নিচটি হাতে ধরে আছে।

    -এবং উই-নো-হু তৃতীয়টির জন্য ঘুরে বেড়াচ্ছে। কিন্তু সে জিনিসটা কি তা জানেনা। সে শুধু জানে ওটি একটি অসাধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন যাদুদণ্ড-

    হ্যারি, হারমিয়ন উঠে এল। সে লিলির চিঠিটা হ্যারির হাতে দিল। আমি দুঃখিত, আমার ধারণা তুমি সম্পূর্ণ ভুল করছ। এর সবকিছুই ভুল।

    কিন্তু তুমি দেখতে পাচ্ছ না, সব কিছু মিলে যাচ্ছে।

    না, এর কিছুই মিলছে না, হারমিয়ন বলল। মিলছে না হ্যারি। তুমি খুব আবেগাপ্লুত হয়ে গেছ। প্লিজ। হ্যারি কথা বলতে শুরু করলে হারমিয়ন আবার। বলল, প্লিজ, আমার একটি প্রশ্নের উত্তর দাও। যদি সত্যিই ডেথ হ্যালোসের অস্তিত্ব থাকতো, এবং ডাম্বলডোর যদি তা জানতেন, যদি জানতেন যে এর তিনটিকে নিয়ন্ত্রণকারী হবে মাস্টার অব ডেথ–হ্যারি, তাহলে কেন তিনি তা তোমাকে বলেননি? কেন?

    হ্যারির কাছে উত্তর যেন তৈরি করা ছিল।

    কিন্তু তুমি তা নিজেই বলেছ হারুমিয়ন! এগুলো তোমার নিজেকে খুঁজে বের করতে হবে। এটি একটি অনুসন্ধান!

    কিন্তু আমি শুধু বলেছি লাভগুডের এখানে আসার ব্যাপারে রাজি করাতে? হারমিয়ন ক্ষোভের সঙ্গে বলল। আমি এটা কখনো বিশ্বাস করিনি!

    হ্যারি তার কথায় কান দিল না।

    ডাম্বলডোর সাধারণত আমাকে বিভিন্ন জিনিস নিজে খুঁজে নিতে বলতেন। তিনি আমাকে ঝুঁকি নিতে দিয়েছেন, শক্তি পরিক্ষা করতে দিয়েছেন, এ ব্যাপারটিকেও তিনি হয়তো এমন ভাবে দেখেছেন।

    হ্যারি, এটি কোনো খেলা নয়, এটি কোনো প্র্যাকটিস নয়! এটা একটা বাস্তব বিষয়। এবং ডাম্বলডোর তোমাকে পরিস্কার নির্দেশ দিয়েছেন যে হরক্রুক্সগুলো খুঁজে বের করো এবং ধ্বংস করো! এই চিহ্নটি কিছুই অর্থ বহন করে না। ডেথলি হ্যালোসের কথা বাদ দাও, আমরা আরো একটি ঝামেলা নিতে পারি না।

    হ্যারি তার কথা শুধু শুনছিল। সে হাতের মধ্যে স্নিচটিকে ঘোরাচ্ছিল। মনে মনে একটু ইচ্ছা করছিল যে এটি ভেঙে খুলে দেখতে। পুনর্জন্মের পাথরটি বের করে ফেলতে। হারমিয়নকে প্রমাণ করে দিতে যে তার নিজের কথাই ঠিক। ডেথলি হ্যালোসই হল বাস্তব।

    হারমিয়ন রনের উদ্দেশে বলল, তুমি নিশ্চয়ই বিশ্বাস করো না এসব কথায়, নাকি? হ্যারিও রনের দিকে তাকাল। রন সংশয়ে পড়ে গেল।

    আমি জানি না…আমি বলতে চাচ্ছি….এর কিছু কিছু মিলছে, রন বলল সতর্কতার সঙ্গে। কিন্তু গোটা বিষয়টির উপর যখন তুমি দেখবে, সে একটি গভীর নিঃশ্বাস নিল। আমার মনে হয় আমাদের হরক্রুক্সগুলো খুঁজে বের করা উচিত, হ্যারি। এ কাজটিই ডাম্বলডোর আমাদের করতে বলেছেন। হয়তো….হয়তো আমরা ওই হ্যালোসের ব্যাপারটি ভুলে যেতে পারি।

    ধন্যবাদ রন, হারমিয়ন বলল। আমি প্রথম পাহারা দেয়ার কাজটি করছি।

    সে লম্বা পা ফেলে হ্যারির পাশ দিয়ে আগালো এবং তাবুর প্রবেশ পথে বসল।

    কিন্তু হ্যারি ওই রাতে প্রায় ঘুমালোই না। সে ডেথলি হ্যালোসের বিষয়ের মধ্যে ডুবে থাকল। যখন উথালপাতাল চিন্তা তার ভেতর ঘোরাফেরা করে তখন সে বিশ্রাম নিতে পারে না। যাদুদণ্ড, পাথরটি এবং আলখাল্লা…এ সবগুলো যদি সে নিজের আয়ত্তে নিতে পারে..

    আই ওপেন অ্যাট দ্য ক্লোজ..কিন্তু এই ক্লোজটি কি? সেই পাথরটি এখন তার হাতে নেই কেন? যদি থাকতো তাহলে সে খোদ ডাম্বলডোরকেই প্রশ্নটি করতে পারতো…..এবং হ্যারি নিজে অন্ধকারে চিটির সঙ্গে বিড়বিড় করল, সে আস্তে আস্তে সব চেষ্টাই করল। এমনকি পারসেলটঙও করল। কিন্তু সোনালী রঙের বলটি খুলতে পারল না….

    আর ওই যাদুদণ্ডটি? এলডার ওয়্যান্ড? কোথায় লুকানো আছে সেই দণ্ডটি? ভোল্ডেমর্ট ই বা এখন কোথায় খুঁজছে সেটিকে? হ্যারি কামনা করল তার স্কারটিতে জ্বালাপোড়া শুরু হোক এবং ভোল্ডেমর্ট কি চিন্তা করছে তা সে দেখতে পাক। কারণ এই প্রথমবারের মত ভোল্ডেমর্ট এবং সে একই জিনিস খুঁজছে…হারমিয়ন অবশ্য আইডিয়াটা পছন্দ করবেনা…কিন্তু সে বিশ্বাসও করেনা….এক অর্থে এটা ঠিক যে জোনোফিলিয়াসের কথা সত্যি হলেও…সীমাবদ্ধ এবং সংকীর্ণ। প্রকৃত ঘটনা হল সে ডেথলি হ্যালোসের ধারণায় ভীত হয়ে পড়েছে…বিশেষ করে পুনর্জন্মের পাথরের ব্যাপারে…. হ্যারি আবার তার মুখ চিটির সঙ্গে লাগালো, সেটিকে চুমু দিল। প্রায় গিলেই ফেলেছিল…কিন্তু ঠাণ্ডা ধাতব জিনিসটা কোনো সাড়া দিল না…

    প্রায় সকালের দিকে লুনার কথা মনে পড়ল। সে আজকাবানে একটি সেলে আটকে আছে। চারদিকে ডেথ-ইটাররা ঘিরে রেখেছে। হ্যারি হঠাৎ নিজের কাছে লজ্জা অনুভব করল। হ্যালোসের ব্যাপারে প্রচণ্ড মনোযোগের কারণে সে লুনার কথা প্রায় ভুলেই গিয়েছিল। যদি তাকে উদ্ধার করা যেত, কিন্তু এত বেশি ডেথ-ইটার রয়েছে যে তাদেরকে মোকাবেলা করা অসম্ভব। এখন সে এ বিষয়টি নিয়ে চিন্তা করতে থাকল। সে এখন পর্যন্ত ব্ল্যাকহর্ন যাদুদণ্ড দিয়ে কোনো প্যাট্রোনাস ছুঁড়তে চেষ্টা করেনি….সকালে সে অবশ্যই সেটা চেষ্টা করবে…

    যদি কোনোক্রমে আরেকটু ভালো একটি যাদুদণ্ড পাওয়া যেতো…. তার ইচ্ছা হলো এলডার ওয়্যান্ডটা পেতে, ডেথ স্টিক, যেটি অপরাজেয়, অজেয়। সে আবার সে চিন্তায় মগ্ন হল…

    পরদিন সকালে ওরা তাবু গুটিয়ে নিল এবং বৃষ্টির ভেতরই রওয়ানা দিল। প্রচণ্ড বৃষ্টি ওদের একটি উপকূলের দিকে চলে যেতে বাধ্য করল। সেখানেই ওই রাতে ওরা তাবু ফেলল। ওখানেই ওরা পুরো সপ্তাহ এমন একটি জায়গায় কাটিয়ে দিল যে হ্যারির কাছে বাজে এবং বিষণ্ণ জায়গা বলে মনে হল। সে এখানে বসে শুধু ডেথলি হ্যালোস নিয়ে চিন্তা করতে পারে। বিষয়টি এমন যেন তার ভেতরে একটি ক্ষীণ আলো জ্বলছে, কিন্তু হারমিয়ন পরিস্কার অবিশ্বাস করছে আর রন সন্দেহই করে যাচ্ছে। হ্যারির ভেতর থেকে এই আশার আলো নিভে যেতে পারে। তারপরও তার তীব্র আশা এখনো ভেতরে নাড়া দিয়ে যাচ্ছে। সে রন এবং হারমিয়নকে দায়ী করছে। ওরা ওদের মতে এতটাই দৃঢ় হয়ে আছে দেখে এবং অবিরাম বৃষ্টির কারণে হ্যারির ভেতরের স্পিরিট নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। কিন্তু সে তার নিশ্চিত বিশ্বাসে এখনো বহাল রয়েছে। হ্যালোসের ব্যাপারে হ্যারির বিশ্বাস এবং ইচ্ছা এতটাই তীব্র যে ওকে প্রায় আর দুজনের কাছ থেকে আলাদা করে ফেলেছে। ওরা দুজন হরক্রুক্সের ব্যাপারে আচ্ছন্ন হয়ে আছে।

    আচ্ছন্ন? হারমিয়ন নিচু কিন্তু তীব্র গলায় বলল এক সন্ধ্যায় যখন হ্যারি শব্দটি অযত্নের সঙ্গে ব্যবহার করল। হারমিয়ন তাকে হরক্রুক্স সংগ্রহের ব্যাপারে অনাগ্রহের কারণে তিরস্কার করল। আমরা আচ্ছন্ন হয়ে নেই হ্যারি। আমরা তাই করতে চাচ্ছি যা ডাম্বলডোর চেয়েছেন।

    কিন্তু এ সমালোচনায় হ্যারির মধ্যে কোনো পরিবর্তন এলো না। ডাম্বলডোর হারমিয়নের জন্য অস্পষ্ট ইঙ্গিত রেখে গেছেন হ্যালোসের চিহ্নের ব্যাপাওে এবং তার নিজের জন্যও। হ্যারি এ ব্যাপারে নিশ্চিত হয়ে আছে। তিনি পুনর্জীবনের পাথরটি সোনালী রঙের স্নিচটার ভেতরে রেখেছেন। একজন বেঁচে থাকলে অন্যজন বেঁচে থাকতে পারবে না ..মাস্টার অব ডেথ…. কেন রন এবং হারমিয়ন বিষয়টি বুঝতে পারছে না?

    শেষ শত্রু ধ্বংস হবে মৃত্যুর মধ্য দিয়ে, হ্যারি উদ্ধৃতি দিল শান্ত কণ্ঠে।

    আমি মনে করেছিলাম আমাদের লড়ার কথা ইউ-নো-হুর বিরুদ্ধে, হারমিয়ন তীব্র কণ্ঠে বলল। হ্যারি কোনো কথা বলল না।

    সেই রহস্যজনক রুপালী মাদী হাৱিণ নিয়ে হারমিয়ন এবং রন আলোচনা করছে। কিন্তু এখন হ্যারির কাছে সেটা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে হল না। শুধু অন্য যে বিষয়টি তার ভেতরে কাজ করছে সেটা হল তার স্কারটির ভেতরে যন্ত্রণা শুরু হয়েছে। যদিও সে যতটা পারছে বিষয়টি অন্য দুজনের কাছে লুকিয়ে রাখতে চেষ্টা করছে। সে যন্ত্রণার সময় একা থাকতে চেষ্টা করল। কিন্তু স্কারে যন্ত্রণার ভেতর দিয়ে সে যা দেখতে পেল তাতে খুবই হতাশ হল। সে এবং ভল্টেমর্ট যে দৃশ্য একই রকমভাবে দেখে তা অনেকটা মানগত দিকে পরিবর্তন হয়ে গেছে দৃশ্যগুলো অনেকটা অস্পষ্ট, ছবিগুলো দ্রুত পাল্টে যাচ্ছে যেন ভেতরে ঢুকছে আর বের হচ্ছে। হ্যারি শুধু একটা জিনিসই স্পষ্ট দেখতে পেল সেটা হল একটি মাথার খুলির মত কিছু। এবং পাহাড়ের মত কিছু যা ওই জিনিসটির চেয়ে আরো অস্পষ্ট। যে দৃশ্য ছিল একেবারে বাস্তবের মত পরিস্কার তা এত অস্পষ্ট দেখে হ্যারি অস্বস্তি বোধ করল। সে উদ্বিগ্ন হয়ে ভাবল যে তার এবং ভন্ডেমর্টের মধ্যে কানেকশন কোনোভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। হ্যারির এই অস্পষ্ট সংযোগের কারণ হল তার যাদুদণ্ডটি ভেঙে যাওয়া, যেন ব্ল্যাকহর্ন যাদুদণ্ডটির জন্যই সে ভন্ডেমর্টের ভেতরের ছবি বেশি সময় ধরে দেখতে পারছে না।

    এভাবে বসে বসে কয়েক সপ্তাহ পার করে দিতে দিতে হ্যারি অসহায়ের মতো লক্ষ করল যে রন যেন মূল দায়িত্বে চলে এসেছে। এর কারণ হয়তোবা হ্যারির নেতৃত্ব দেয়ার দৃঢ়তা কমে গেছে, রন এখন দুজনকে প্রেরণা দিয়ে যাচ্ছে। অ্যাকশনে থাকার জন্য।

    তিনটি হরক্রুক্স বাকী আছে, সে বলতে থাকল। আমাদের একটি অ্যাকশনের জন্য প্ল্যান করা প্রয়োজন! ভাব, আমাদের কোথায় খোজা দরকার? চলো আরো একবার দেখি। ওই এতিমখানায়

    ডিয়াগন অ্যালি, হোগার্টস, দ্য রিডল হাউস, বোরগিন এন্ড বার্কলস বা আলবেনিয়া এসব জায়গা যেখানে টম রিডল বসবাস করেছে, ভ্রমণ করেছে অথবা হত্যা করেছে। এসব স্থানের বিষয়ে ওরা তন্ন তন্ন করে বিশ্লেষণ করতে থাকল। হ্যারি ওদের সঙ্গে আলোচনায় যোগ দিল বাধ্যহয়ে যাতে হারমিনে ওকে জ্বালাতন করে। সে বরং একা বসে থাকতে পারলে তার জন্য ভাল হতো। ভন্ডেমর্টের চিন্তা নিয়ে ভাবতে পারতো, এলডার ওয়্যান্ড সম্পর্কে আরো ভাল করে বুঝতে পারতো। কিন্তু রন ওদের আরো সামনে অপছন্দের জায়গাগুলোতে নিয়ে যেতে থাকল। হ্যারি বুঝতে পারল যে রন ওদের শুধু তাড়িয়ে নিয়ে বেড়াচ্ছে। তোমরা জানো না, রন বলে যেতে থাকল। আপার ফ্ল্যাগি একটি উইজার্ডিং গ্রাম। সে এখানে বাস করতে চেয়েছিল। চলো এই জায়গাটি একটু খতিয়ে দেখি।

    উইজার্ডদের অধিকৃত এ এলাকায় মাঝে মাঝে স্ন্যাচাররাও প্রবেশ করে থাকে।

    ওদের মধ্যে কেউ কেউ ডেথ-ইটারদের চেয়েও খারাপ, রন বলল। আমাকে যেগুলো ধরেছিল ওগুলো একটু দুর্বল প্রকৃতির, কিন্তু বিল মনে করে ওদের কেউ কেউ ভয়ঙ্কর। ওরা পটারওয়াচে বলেছিল-

    কিসে বলেছিল? হ্যারি জানতে চাইল। পটারওয়াচে, আমি তোমাকে এই নামটি বলিনি? আমি যখন রেডিওতে প্রোগ্রাম ধরতে চেষ্টা করছিলাম তখন বলেছিলাম যে একমাত্র চ্যানেল সত্যি ঘটনা। বলে থাকে, তাছাড়া বাকী প্রায় সব চ্যানেল ইউ-নো-হুর কথা অনুসরণ করে। সবগুলোই শুধু পটারওয়াচ ছাড়া। আমি সত্যিই চেয়েছিলাম যে তুমি শোনো, কিন্তু সেটা টিউন করা খুব সুক্ষ কাজ।

    রন দিনের পর দিন তার যাদুদণ্ডটি দিয়ে বিভিন্ন ছন্দে ওয়্যারলেসের উপর টোকা দিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু ডায়াল ঘুরে গেছে।

    প্রায়শই ওরা উপদেশ শুনতে পায়। এবং একবার অল্প করে শুনতে পেল এ কুলড্রন ফুল অব হট লাভ এর কিছু অংশ। রন চেষ্টা করছিল সঠিকভাবে টিউন করতে এবং সঠিক পাসওয়ার্ডটি উল্লেখ করতে। সে অব্যাহতভাবে নিঃশ্বাসের সঙ্গে বিড়বিড় বলতে থাকল।

    ওদেরকে সাধারণত অর্ডারে কিছু একটা করতে হয়,রন ওদের বলল। কিন্তু বিলের এ ব্যাপারে খুব ভাল ধারণা ছিল জানো? শেষ পর্যন্ত আমাকে একটা পেতে হবে…

    কিন্তু মার্চ মাস না আসা পর্যন্ত রনের ভাগ্য খুলল না। হ্যারি পাহারার দায়িত্ব পালন করতে তাবুর প্রবেশ পথে বসেছিল। সে অলসভাবে নীল কচুরির দিকে চেয়েছিল। সেগুলো ঠাণ্ডা মাটির উপর উঠে এসেছে। রন ঠিক তখনই তাবুর ভেতর থেকে চিৎকার করে উঠল।

    পেয়ে গেছি! আমি পেয়ে গেছি! পাসওয়ার্ডটি হল অ্যালবাস! এই যে পেয়েছি হ্যারি!

    এই প্রথম ডেথলি হ্যালোস চিন্তা থেকে হ্যারি মন সরালো। সে দৌড়ে তাবুর ভেতরে ঢুকল। হারমিয়ন এবং রন মেঝের দিকে একটি রেডিও নিয়ে নিচু হয়ে আছে। কিছু একটা করতে হয় তাইহারমিয়ন গ্রিফিনডোরে তলোয়ারটি এতক্ষণ মুছছিল। সে এখন বিস্ময়ে হা করে আছে ছোট স্পিকারটির দিকে তাকিয়ে। ওই স্পিকার থেকে একটি পরিচিত গলা ভেসে আসছে।

    …আমাদের তরঙ্গ সাময়িক ভাবে অনুপস্থিত থাকায় আমরা দুঃখিত। ডেথ ইটারদের আসার কারণে আমরা অনুপস্থিত ছিলাম।

    কিন্তু এটা তো লি জর্ডানের কণ্ঠ! হারমিয়ন বলল।

    আমি জানি, উবু হয়ে বসা অবস্থায় রন বলল। দাঁড়াও, দাঁড়াও এই শোনো।

    আমরা এখন অন্য একটি নিরাপদ লোকেশনে এসেছি, লি বলছে। এবং আমি আনন্দের সঙ্গে আপনাদের জানাচ্ছি যে আমাদের নিয়মিত দুজন কন্ট্রিবিউটরও আমাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন এই সন্ধ্যায়, গুড ইভেনিং বয়েজ!

    হাই।

    গড ইভেনিং রিভার। রিভার মানে হল লি, রন ব্যাখ্যা করল। ওদের সবার ছদ্ম নাম আছে। কিন্তু তুমি সহজেই বলতে

    শশ! হারমিয়ন চুপ করতে বলল।

    লি বলতে থাকল, রয়াল এবং রেমুলুসের কথা শোনার আগে, উইজার্ডিং ওয়ারলেস নেটওয়ার্ক নিউজে যে সকল মুত্যুর কথা উল্লেখ করা হয়নি বা দ্য ডেইলি প্রফেট গুরুত্বপূর্ণ নয় মনে করে প্রকাশ করেনি–আমরা এখন অতি দুঃখের সঙ্গে আমাদের শ্রোতাদের টেড টঙ্কস এবং ডার্ক ক্রসওয়েলের মৃত্যুর খবর জানাচ্ছি।

    হ্যারির পেটের ভেতর মোচড় দিয়ে উঠল। রন এবং হারমিয়ন একজন আরেকজনের দিকে ভয়ার্ত চোখে তাকালো।

    গরনুক নামের এক গবলিনও প্রাণ হারিয়েছে। তবে ধারণা করা হচ্ছে, মাগলবর্ন ডিন থমাস এবং আরেক গবলিন টঙ্কসের সঙ্গে ছিল। তারা কোনোরকমে প্রাণে বেঁচে গেছে। ক্রেসওয়েল এবং গোরকও সম্ভবত বেঁচে যেতো। ডিন কথা। শুনলে অথবা তার সম্পর্কে আশপাশের কারো কিছু জানা থাকলে সে বেঁচে যেতো। তার বাবা মা তার সংবাদ শোনার জন্য অস্থির হয়ে আছেন।

    এদিকে গাডলিতে পাঁচ সদস্যের একটি মামলবর্ন পরিবারকে মৃত পাওয়া গেছে। মাগল কর্তৃপক্ষ এ মৃত্যুর কারণ হিসেবে ব্যাখ্যা করেছে যে গ্যাস বিস্ফোরিত হয়ে মারা গেছে। কিন্তু অর্ডার অব দ্য ফিনিক্সের সদস্যরা আমাকে জানিয়েছে যে একটি কিলিং কার্সের দ্বারা তাদের মৃত্যু হয়েছে বলে প্রতীয়মান হচ্ছে। নতুন অর্ডারের অধীনে ইদানীং মাগলদের মৃত্যুর হার বেড়ে গেছে।

    সবশেষে আমরা দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি যে গোড্রিচ হলোতে বাথিলডা ব্যাগশটের দেহাবশেষ পাওয়া গেছে। জানা গেছে তিনি কয়েক মাস আগে মারা গেছেন বলে প্রমাণ আছে। দ্য অর্ডার অব দ্য ফিনিক্স আমাদের জানিয়েছে যে তার শরীরে ডার্ক ম্যাজিকের দ্বারা আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

    প্রিয় শ্রোতাবৃন্দ, আমি এখন আপনাদেরকে টেড টঙ্কস, ডার্ক ক্রেসওয়েল, বাথিলডা ব্যাগশটের মৃত্যুতে এক মিনিট নিরবতা পালন করতে আমাদের সঙ্গে শরীক হতে অনুরোধ করছি।

    নিরবতা নেমে এল। হ্যারি, রন এবং হারমিয়নের কেউ কথা বলল না। হ্যারির আরো শুনতে ইচ্ছা করল আবার পরবর্তীতে কি হবে তা নিয়েও চিন্তা হতে থাকল। অনেক দিনের মধ্যে এটাই প্রথম হ্যারির বাইরের জগতের সঙ্গে যোগাযোগ হল।

    ধন্যবাদ, লির কণ্ঠ শোনা গেল। এবার সে রেগুলার কন্ট্রিবিউটর রয়ালের কাছে গেল উইজার্ডিং অর্ডার কীভাবে মাগলজগতকে আঘাত করছে তার সর্বশেষ সংবাদের জন্য।

    ধন্যবাদ, রিভার, বলল একটি নির্ভয় গভীর কণ্ঠ।

    কিংসলে! রন উচ্চস্বরে বলল।

    আমরা জানি! হারমিয়ন তাকে হিস শব্দ করে থামিয়ে দিয়ে বলল।

    কিংসলে বলল, মাগলদের এই যে ভয়ানক ক্ষতি হচ্ছে তার উৎস সম্পর্কে তারা একেবারেই কিছু জানে না বলছে। কিন্তু আমরা জানি উইজার্ড এবং মহিলা যাদুকররা তাদের মাগল বন্ধু এবং প্রতিবেশিদের রক্ষা এবং নিরপত্তা বিধানের জন্য নিজেদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছে, যা অধিকাংশ সময়েই মাগলরা জানে না। আমি আমাদের সকল শ্রোতাদের কাছে অনুরোধ রাখছি প্রতিহত করার উদাহরণ সৃষ্টি করতে, তারা রাস্তায় চলাচলকারী মাগলদের উপর প্রোটেকটিভ চার্ম ব্যবহার করতে পারেন। এই উদ্যোগটি নেয়া হলে অনেক জীবন রক্ষা করা যেতে পারে।

    লি বলল, রয়াল, তুমি সেসব শ্রোতাদের উদ্দেশে কী বলবে, যারা বলে যে এই বিপদজনক সময় আগে উইজার্ডদের দিকে লক্ষ রাখতে হবে?

    কিংসলে উত্তরে বলল, আমি বলব উইজার্ড আগে না পিওর ব্লড আগে এ বিষয়টি তেমন কোনো পার্থক্য নেই। তারপর ডেথ-ইটারদের কথা। আমরা সবাইতো মানুষ, তাই না? প্রত্যেকটি মানুষের জীবন সমান মূল্যবান। এবং রক্ষা করা সমান দায়িত্ব।

    লি বলল, চমৎকার বলেছ রয়াল। আমরা যদি এই সংকটের অবস্থা থেকে বের হতে পারি তাহলে তুমি মিনিস্টার ফর ম্যাজিকের জন্য আমার ভোটটি প্রথম পাবে। এবার আমরা চলে যাচ্ছি রমুলাসের কাছে আমাদের জনপ্রিয় ফিচারের জন্য: পল অব পটার।

    ধন্যবাদ রিভার, অন্য পরিচিত কণ্ঠটি বলল। রন আবার কথা বলতে শুরু করল, কিন্তু হারমিয়ন তাকে থামিয়ে দিল।

    আমরা জানি এটা লুপিনের গলা!

    রমুলাস, তুমি আগেও সবসময় আমাদের প্রোগ্রামে যেমন বলেছ, এখনও কি বলবে যে হ্যারি পটার জীবিত আছে?

    লুপিন দৃঢ়ভাবে বলল, আমি বলব। এ ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই যে সে মারা গেলে ডেথ-ইটাররা সেটা ব্যাপকভাবে প্রচার করতো। কারণ তাতে যারা বর্তমান ক্ষমতাসীনদের বিরোধিতা করছে তারা মানসিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়তো। এই ছেলেটিই আমাদের সকল লড়াইয়ের প্রতীক হয়ে আছে। দ্য ট্রায়াম্প অব গুড, দ্য পাওয়ার অব ইনোসেন্স কে টিকিয়ে রাখতে হবে।

    হ্যারির মধ্যে কৃতজ্ঞতা এবং সে সাথে লজ্জার ভাব ফুটে উঠল। শেষ যখন দেখা হয়েছিল তখন সে লুপিনকে অনেক আজেবাজে কথা বলেছিল। সে সব কি লুপিন ক্ষমা করে দিয়েছে?

    রমুলাস, আপানি হ্যারির উদ্দেশে কি বলতেন, যদি সে এই অনুষ্ঠান শুনে থাকতো।

    আমি তাকে বলতাম যে আমরা সবাই যথাযথভাবে তার সঙ্গে আছি। লুপিন বললেন। তারপর একটু ইতস্তত করলেন। এবং আমি তাকে বলতাম তার নিজের স্বভাবকে অনুসরণ করতে যা প্রায় সর্বদাই ভাল এবং সঠিক।

    হ্যারি হারমিয়নের দিকে তাকিয়ে দেখল তার চোখে পানি। সে লুপিনের কথা পুনরুল্লেখ করল, প্রায় সব সময় ঠিক।

    রন বিস্মিত কণ্ঠে বলল, আমি তোমাকে বলেছি না! বিল আমাকে বলেছে যে লুপিন আবারো টঙ্কসের সঙ্গে বসবাস করছে।

    লি বলতে থাকল, …..এবং হ্যারি পটারের সঙ্গে যোগ দিয়ে যেসব বন্ধুরা এখন সমস্যায় পড়েছে তাদের সম্পর্কে নিয়মিত আপডেট।

    আমাদের নিয়মিত শ্রোতারা নিশ্চই জানেন হ্যারি পটারের পক্ষে কথা বলে তার বেশ কিছু সমর্থক এখন আটকাবস্থায় দিন কাটাচ্ছে। তারমধ্যে আছেন দ্য কুইবলারের সাবেক সম্পাদক জেনোফিলিয়াস লাভগুড-

    রন বিড়বিড় করে বলল, আর যাই হোক, তিনি তাহলে এখনো বেঁচে আছেন।

    আমরা মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে জানতে পেরেছি যে কবুস হ্যাগ্রিড- নামটি শোনার সঙ্গে সঙ্গে ওরা তিনজনই আঁৎকে উঠল। আঁৎকে ওঠার কারণে পরের অংশটি প্রায় মিস করেই বসছিল।হোগার্টস স্কুলের সুবিদিত গেইমকিপার হ্যাগ্রিড অল্পের জন্য গ্রেফতার এড়াতে পেরেছেন। তার সম্পর্কে প্রচার আছে যে তিনি তার বাড়িতে হ্যারি পটারের সমর্থকদের উদ্দেশে একটি পার্টির আয়োজন করেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাকে কাস্টডিতে নিতে পারেনি, জানা গেছে তিনি এখন পলাতক আছেন।

    আমি বলতে চাচ্ছি, ডেথ-ইটারদের কাছ থেকে পালিয়ে থাকা বরং ভাল?

    লুপিন স্বীকার করে বলল, হ্যাঁ, এটি তোমাকে সাহায্য করবে। কিন্তু, সে সঙ্গে আমি যোগ করতে চাই যারা হ্যাগ্রিডের সিদ্ধান্তে সমর্থন করেন, আমরা তাদেরকে বলব হ্যাগ্রিডের ওই উদ্যোগকে সমর্থন না করতে। বর্তমান পরিবেশে হ্যারি সমর্থকদের পার্টি বুদ্ধিমানের কাজ হবে না।

    লি বলল, তাদের তাই করা উচিত, সুতরাং আমরা সাজেস্ট করবো, স্কার জ্বলা লোকটিকে সমর্থন জানান এবং পটার ওয়াচ শুনতে থাকুন। এখন আমরা সেই উইজারের সংবাদ শুনবো যে হ্যারি পটারের মতই কৌশলে সরে আছে।

    আমরা তাকে চিফ ডেথ ইটারের সঙ্গে তুলনা করব। তাকে ঘিরে যে গুজব প্রচার হয়েছে সে সম্পর্কে তার দৃষ্টিভঙ্গী শুনবো। আমি আমাদের নতুন প্রতিনিধির সঙ্গে শ্রোতাদের পরিচয় করিয়ে দিচ্ছি। রডেন্ট…।

    রডেন্ট? অন্য একটি পরিচিত কণ্ঠ বলল। হ্যারি, রন এবং হারমিয়ন একসঙ্গে বলে উঠল, ফ্রেড!

    না-এটা কি জর্জ?

    আমি মনে করি এটা ফ্রেড! রন আরো নিচু হয়ে বলল। দুভাইয়ের যেই হোক, কণ্ঠটি বলল, আমি রোডেন্ট হতে চাই না। কোনো উপায় নেই, আমি বলেছি যে আমি র‍্যাপিয়ার হতে চাই।

    আচ্ছা ঠিক আছে র‍্যাপিয়ার, চিফ ডেথ-ইটার সম্পর্কে যেসব রিউমার আমরা শুনতে পাই তার কিছু আমাদেরকে বলতে পারবে?

    হ্যাঁ রিভার, পারি, ফ্রেড বলল। আমাদের শ্রোতাদের বলতে পারি, যদি না তারা বাগানের গর্তে বা পুকুরের তলায় আশ্রয় না নিয়ে থাকেন। এই পর্যন্ত ইউ নো-হুঁর স্ট্র্যাটেজি হল ছায়ার ভেতরে থেকে একটি ভয়ের আবহাওয়া তৈরি করা। আমরা যদি সকলের কথা বিশ্বাস করি তারা ইউ-নো-হু কে দেখেছে, তা হলে কমপক্ষে উনিশটি ইউ-নো-হুর থাকার কথা।

    কিংসলে বলল, এসব গুজব তাকে সাহায্য করছে। এই রহস্যময় আবহাওয়া নিজে দেখা দেয়ার চেয়ে আরো বেশি ভয়ানক আবহওয়া সৃষ্টি করে থাকে।

    ফ্রেড বলল, কথা ঠিক, সুতরাং আসুন আমরা শান্ত থাকতে চেষ্টা করি। কোনো কিছু না জেনেই আমরা পরিস্থিতি খারাপ করে ফেলছি। উদাহরণ হিসাবে বলা যায়, ইউ-নো-হু এক দৃষ্টিক্ষেপণের মাধ্যমে হত্যা করতে পারে এমন সব কল্প-কাহিনী। এটি বাসিলিস্ক, শ্রোতারা জানুন। একটি ছোট পরিক্ষা করা যেতে পারে এভাবে : ভাল করে দেখুন আপনার দিকে যে বা যে জিনিসটির দিকে। তাকিয়েছেন তার কোনো পা আছে কি না। যদি পা থাকে তাহলে চোখের দিকে তাকানোটা নিরাপদ। আর যদি সত্যিই ওটা ভোল্ডেমর্ট হয় এবং চোখের দিকে তাকান, তাহলে সেটাই হবে আপনার শেষ কোনোকিছুর দিকে তাকানো।

    কয়েক সপ্তাহের মধ্যে হ্যারি এই প্রথম হাসল। সে অনুভব করতে পারল তার ভেতর থেকে কতটা দুঃশ্চিন্তা দূর হয়ে গেল।

    লি জানতে চাইল, শোনা যাচ্ছে যে দেশের বাইরে দেখা গেছে?

    ফ্রেড বলল, ওয়েল, প্রচুর খাটাখাটনির পর কে না বাইরে বেড়াতে যেতে চায়? কিন্তু প্রয়োজনীয় বিষয় হলো, সে বাইরে গেছে ধরে নিয়ে জনগণ যেন তাদের নিজেদের নিরাপত্তার ব্যাপারে অবহেলা না করে। হয়তো সে বাইরে, হয়তো সে বাইনে নয়–কিন্তু আসল কথা হল সে অসম্ভব দ্রুত চলাচল করতে পারে। সুতরাং আপনি কোনো ঝুঁকি নিতে চাইলে মোটেই এটা বিবেচনায় রাখবেন না যে সে দূরে আছে। আমি নিজে কখনো এমন চিন্তা করবো না। আগে নিরাপত্তার দিকে নজর। দিতে হবে।

    লি বলল, আপনার মূল্যবান বক্তব্যের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ প্রিয় শ্রোতাবৃন্দ, আজকের মত এখানেই আরো একটি পটারওয়াচ অনুষ্ঠান শেষ করছি। আমরা জানি না আবার কবে কীভাবে সম্প্রচার করতে পারব, কিন্তু আপনারা নিশ্চিত থাকুন যে আমরা আসব। আমাদের পরবর্তী পাসওয়ার্ড হবে ম্যাড-আই। আপনারা একজন আরেকজনকে দেখে রাখুন। বিশ্বাস রাখুন, গুডনাইট!

    রেডিও বন্ধ হয়ে গেল এবং টিউনের পেছনের ছোট আলোটি নিভে গেল। হ্যার, রন এবং হারমিয়ন তখনো উবু হয়ে আছে রেডিওর দিকে। পরিচিত বন্ধুত্বপূর্ণ কণ্ঠগুলো যেন টনিকের মত কাজ করল। হ্যারি অনেকদিন দূরে দূরে থাকার কারণে প্রায় ভুলেই গিয়েছিল যে অন্যরাও ভোল্ডেমর্ট কে প্রতিরোধ করতে সচেষ্ট আছে। ওদের কাছে বিষয়টিকে মনে হল যেন দীর্ঘসময় পর ঘুম থেকে জেগে ওঠার মত।

    রন খুশির সঙ্গে বলল, ভাল খবর অ্যাঁ।

    হ্যারি বলল, ব্রিলিয়ান্ট!

    হারমিয়ন নিঃশ্বাস ছেড়ে বলল, তারা খুব সাহস দেখাচ্ছে। যদি ওরা ধরা পড়ে যায়…

    রন বলল, ওয়েল ওরাও তো আমাদের মত এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় চলে যাচ্ছে,তাই না?

    হ্যারি উত্তেজনার সঙ্গে বলল, কিন্তু তুমি শুনতে পেয়েছ ফ্রেড কি বলল? ব্রডকাস্ট শেষ হওয়ার পর হ্যারির মনে আবার তার সে পুরোনো চিন্তা ফিরে এল। সে এখন বাইরে। সে এখনো ওই যাদুদণ্ডটি খুঁজে বেড়াচ্ছে। আমি জানি!

    হ্যারি

    বুঝতে চেষ্টা করো হারমিয়ন! কেন তুমি কথাটি স্বীকার করতে চাইছ না? বল

    হ্যারি না!

    -ডেমর্ট যাদুদণ্ডটি খুঁজে বেড়াচ্ছে!

    নামটির সঙ্গে ট্যাবু আছে! রন চিৎকার করে উঠল। সে লাফিয়ে দাঁড়িয়ে গেল তাবুর বাইরে একটি বিকট আওয়াজ হওয়ায়। আমি তোমাকে আগেই বলেছি! আগেই বলেছি। আমরা এ নামটি বলতে পারি না! এখন আমাদের আবার চারদিকে প্রটেকশন চার্ম ব্যবহার করতে হবে। তারাতারি। ওরা এক্ষণি খুঁজে বের

    কিন্তু রন কথা বলা বন্ধ করে দিল। তারি জানে সেটা কেন। টেবিলের উপর রাখা ক্লিকোস্কোপটিতে আলো জ্বলে উঠল এবং সেটি লাফাতে থাকল। ওরা শুনতে পেল কণ্ঠের আওয়াজ দ্রুত কাছে আসছে। কর্কশ, উত্তেজিত কণ্ঠ। রন ভেলুমিনেটরটি পকেট থেকে বের করল এবং সেটিতে চাপ দিল, বাতি নিভে গেল।

    বাইরে অন্ধকার থেকে একটি কঠিন কর্কশ গলা ভেসে এল, হাত উঁচু করে বাইরে বের হয়ে আসো! আমরা জানি এখানে তোমরা আছো! তোমাদের চারদিকে অর্ধেক ডজন যাদুদণ্ড তাক করা আছে! কার দিকে কার্স ছুঁড়ে দিচ্ছি সে ব্যাপারে আমাদের কোনো মাথা ব্যাথা নেই!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদ্য ক্যাচার ইন দ্য রাই – জে ডি সালিঞ্জার, অনুবাদ – রাফায়েত রহমান রাতুল
    Next Article হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য হাফ-ব্লাড প্রিন্স (৬) – জে. কে. রাওলিং

    Related Articles

    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার এন্ড দি ফিলসফারস স্টোন (১) – জে. কে. রাওলিং

    August 18, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য চেম্বার অব সিক্রেটস (২) – জে. কে. রাওলিং

    August 18, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য প্রিজনার অব আজকাবান (৩) – জে. কে. রাওলিং

    August 18, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য গবলেট অব ফায়ার (৪) – জে. কে. রাওলিং

    August 16, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য অর্ডার অব দ্য ফনিক্স (৫) – জে. কে. রাওলিং

    August 16, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য হাফ-ব্লাড প্রিন্স (৬) – জে. কে. রাওলিং

    August 16, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }