Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ডেথলি হ্যালোস (৭) – জে. কে. রাওলিং

    জে. কে. রাওলিং এক পাতা গল্প937 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৩. ডারসলে পরিবারের বিদায়

    ০৩. ডারসলে পরিবারের বিদায়

    সামনের দরোজা সজোরে ধাক্কা দেওয়ার শব্দ উপরের তলায় প্রতিধ্বনিত হলো, সঙ্গে কণ্ঠের চিৎকারের আওয়াজ, এই! তুই!

    ১৬ বছরের অভিজ্ঞতায় ডাকার ভঙ্গি থেকে হ্যারি জানে কাকে তার আঙ্কল ও আন্টি ডাকছে। তারপরও সে সঙ্গে সঙ্গে উত্তর দিল না। সে তখনো ভাঙা আয়নাটার দিকে তাকিয়ে আছে, মনে হলো সেকেন্ডরও কম সময়ের জন্য সে আয়নায় ডাম্বলডোরের চোখ দেখতে পেল। তার আঙ্কল আবার এই ছেলে বলে ডাক দেয়ার পর হ্যারি উঠে দাঁড়াল এবং বেডরুমের দিকে পা বাড়াল। একটুখানি থেমে ওর পিঠে নেওয়া ব্যাগের ভেতরে ভাঙা আয়নাটা রাখল। ব্যাগটির ভেতরে জিনিসপত্র ভরেছে যা সঙ্গে করে সে নিয়ে যাবে।

    এত সময় লাগে আসতে!,হ্যারিকে উপরের সিঁড়ির গোড়ায় দেখেই ভেরনন ডারসলে গর্জন করে উঠলেন, এখানে নেমে এসো, আমি একটা কথা জানতে চাই! হ্যারি স্থিরভাবে ধীর পায়ে নেমে এলো। তার হাত দুটো পকেটে খুঁজে রেখেছে। সে বসার ঘরে ঢুকেই ডারসলে পরিবারের তিনজনকেই দেখতে পেল। তারা বাইরে যাওয়ার পোশাক পড়ে আছে। আঙ্কল পড়েছেন হালকা হলুদ রঙের জ্যাকেট। আন্ট পেটুনিয়া পড়েছেন নিটের স্যালমন রঙের জ্যাকেট এবং হ্যারির সাইজে বড়, পেশিবহুল ডাডলি পড়েছে লেদার জ্যাকেট।

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ডেথলি হ্যালোস

    জ্বি, হ্যারি জানতে চাইল।

    এখানে বসো, হ্যারিকে ভেরনন বললেন। হ্যারি ভুরু তুলে তাকাল। প্লিজ! বললেন আঙ্কল ভেরনন। একটু আহত স্বরে তিনি বলতে চেষ্টা করলেন, কিন্তু তার গলায় তীব্র ভাব উঠে এলো।

    হ্যারি বসল। সে চিন্তা করল যে এরপর কি হবে সে জানে। আঙ্কল দ্রুত পায়চারি করছেন। হ্যারিকে আন্ট পেটুনিয়া এবং ডাডলি উদ্বেগের সঙ্গে তাকে লক্ষ্য করছে। অবশেষে তার বড়, লাল মুখটি কুঞ্চিত করে স্থির হলেন এবং হ্যারির সামনে এসে দাঁড়ালেন। বললেন, আমি আমার চিন্তা পরিবর্তন করেছি।

    কি অবাক করা কথা, হ্যারি বলল।

    তুমি এই ভাবে কথা বলবে না, আন্ট পেটুনিয়া কর্কশ স্বরে বললেন। কিন্তু ভেরনন ডারসলে তাকে হাত উঁচু করে থামিয়ে দিলেন।

    এই সবকিছু হলো এক খণ্ড জমির জন্য, আঙ্কল ভেরনন শুকরের মতো কুতকুতে চোখে তাকিয়ে বললেন, আমি তোমার একটি কথাও বিশ্বাস করি না।

    আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমরা এখানেই থাকব, কোথাও যাব না।

    হ্যারি মুখ তুলে তাকাল। আঙ্কলের আচরণে সে যেমন রেগেছে, তেমনি মজা পেয়েছে। ভেরনন ডারসলে গত চার সপ্তাহ ধরে প্রতি ২৪ ঘন্টায় মত পরিবর্তন করছেন। মনের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে একবার গাড়িতে মালপত্র ঢুকাচ্ছেন,আবার গাড়ি থেকে খালি করছেন। হ্যারির কাছে একটি মজার ব্যাপার হলো এর মধ্যে ডালে তার ব্যায়াম করার ডাবেল একটা বাক্সে ভরেছে যা গাড়ি থেকে সব নামানোর আগ পর্যন্ত ভেরনন জানতেন না। জিনিসপত্র গাড়ি থেকে নামানোর সময় বাক্সটি তুলতে গিয়ে কষ্টে ঘেতঘোত করেন এবং বকবক করতে থাকেন।

    তুমি মনে কর, ভেরনন ডারসলে লিভিং রুমের ভেতর আবার পায়চারি শুরু করে বললেন, আমরা –পেটুনিয়া, ডাডলি এবং আমি–আমরা খুব বিপদের মধ্যে আছি। কারণ-কারণ

    আমার কিছু জমির জন্য, ঠিক? হ্যারি বলল।

    –হ্যাঁ, আমি ওটা বিশ্বাস করি না, আঙ্কল ভেরনন পুনরায় বললেন। তিনি আবার হ্যারির সামনে এসে দাঁড়ালেন, আমি এসব নিয়ে চিন্তা করে অর্ধেক রাত পর্যন্ত জেগে ছিলাম। আমার বিশ্বাস এসব হলো বাড়িটি দখলের ষড়যন্ত্র।

    বাড়ি, হ্যারি বলল। বাড়ি মানে?

    এই বাড়ি! চিৎকার করে আঙ্কল ভেরনন বললেন। তার কপালের শিরাগুলো লাফাতে থাকে। আমাদের বাড়ি! এখানে এখন বাড়ির দাম আকাশচুম্বী। তুমি চাচ্ছ আমরা বাড়ি ছেড়ে চলে যাই, আর তুমি যাদু-মন্ত্র করে কায়দা-কানুন করবে। আর আমরা কিছু জানার আগেই দেখা যাবে বাড়িঘর তোমার নামে এবং আপনার কি মাথা-টাথা কিছু ঠিক আছে? হ্যারি জানতে চাইল। এ বাড়ি পাওয়া জন্য ষড়যন্ত্র, আপনাকে যেমন দেখা যায় আসলেই আপনি অমন গাধা?

    তোমার এতবড় সাহস! চিৎকার করে উঠল আন্ট পেটুনিয়া। কিন্তু আবারো ভেরনন তাকে থামিয়ে দিলেন। তার ভাবভঙ্গিতে মনে হলো যে ষড়যন্ত্র তিনি আবিষ্কার করেছেন তার তুলনায় এটা কোনো ব্যাপারই না।

    হ্যারি বলল, হয়তো আপনি ভুলে গেছেন, আমার নিজের এখন একটি বাড়ি আছে। আমার গড ফাদার আমাকে সেটি দিয়েছেন। সুতরাং আমি আপনারটা কেন চাইব? এ সব কি কথা?

    সবাই চুপ হয়ে থাকল। হ্যারি মনে করল সে তার যুক্তি দিয়ে আঙ্কলকে বোঝাতে পেরেছে।

    তোমার দাবি, ভেরনন আবার পায়চারি শুরু করে বললেন। এই লর্ড জিনিসটা

    ভোল্ডেমর্ট, হ্যারি অস্থিরভাবে বলল। এ নিয়ে আমরা প্রায় একশ বার কথা বলেছি। এটা কোনো উদ্ভট কথা না, এটা সত্যি। ডাম্বলডোর আপনাকে গত বছর বলেছেন। তাছাড়া কিংসলে এবং মি. উইসলি-

    ভেরনন ডারসলে ক্ষোভের সঙ্গে কাঁধ ঝাঁকি দিল। হ্যারির মনে হলো তার আঙ্কল, হ্যারির গ্রীষ্মের ছুটির প্রথম দিকে দুই পূর্ণ বয়স্ক যাদুকরের হঠাৎ করে প্রাইভেট ড্রাইভে আসার কথা মনে করার চেষ্টা করছেন। তখন, কিংসলে শ্যাকেলবোল্ট এবং আর্থার উইসলির আগমন ডারসলের পরিবারকে বেশ আহত ও অপ্রস্তুত করেছিল। হ্যারির স্বীকার করতে দোষ নেই যে একবার মি. উইসলি লিভিংরুমের অর্ধেক একেবারে ধ্বংস করে দিয়েছিলেন। তার পুনরাগমন ভেরনন ডারসলের কাছে আনন্দের হবে এটা আশা করা যায় না।

    –কিংসলে এবং মি. উইসলি এটা পরিষ্কারভাবে ব্যাখ্যা করেছিলেন, হ্যারি স্পষ্টভাবে বলল। যখন আমার বয়স হবে সতের। সে সময় যাদুমন্ত্র ভেঙে যাবে। যা আমাকে এতকাল রক্ষা করেছিল। সে প্রভাব আমার পাশাপাশি আপনার ওপরেও পড়বে। অর্ডার অব ফিনিক্স নিশ্চিত যে ভোল্ডেমর্ট আপনাকে টার্গেট করবে। আমি কোথায় আছি সেটা জানার জন্য আপনার ওপর নির্যাতন করবে, অথবা সে চিন্তা করবে যে আপনাকে আটকে রাখলে আমি প্রকাশ্যে আসব এবং আপনাকে উদ্ধার করার চেষ্টা করব।

    ভেরনন আঙ্কল এবং হ্যারির চোখ পরস্পর মিলিত হলো। হ্যারি নিশ্চিত যে ওই মুহূর্তে তারা একই কথা ভাবছে। এরপর আঙ্কল ভেরনন আবার হাঁটতে শুরু করল এবং হ্যারি বলতে থাকল, আপনাকে লুকিয়ে থাকতে হবে এবং এ বিষয়ে অর্ডার আপনাকে সাহায্য করবে। আপনাকে তারা সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দিতে চায়।

    ভেরনন কিছুই বললেন না। শুধু পায়চারি করতে থাকলেন। বাইরে ঝোপারের ওপর হালকা রোদ। পাশের বাড়ির লনমাওয়ারের শব্দ আবার থেমে গেল!

    আমি ভেবেছিলাম একটি যাদু মন্ত্রণালয় ছিল? ভেরনন ডারসলে হঠাৎ প্রশ্ন করলেন।

    আছে তো, হ্যারি বিস্ময়ের সঙ্গে উত্তর দিল।

    তাহলে তারা আমাদের নিরাপত্তা দিতে পারছে না কেন? আমরা তো নির্দোষ, কোনো অপরাধ না করা সত্বেও ওরা আমাদের শাস্তি দিতে চাচ্ছে (শিকার হিসাবে, খামোখা অভিযুক্ত হওয়ায়) আমাদের সরকারের প্রটেকশন পাওয়া উচিত, আমরা তা পাওয়ার অধিকার রাখি।

    হ্যারি হাসল। তার নিজেকে অসহায় মনে হলো। সারা দুনিয়াকে যিনি অপছন্দ এবং অবিশ্বাস করেন অথচ নিজের প্রয়োজনে সাহায্যের দাবি করছেন সম্বরের কাছে, তার আঙ্কল লোকটা সবসময় এমনই।

    আপনি শুনেছেন মি. উইসলি এবং কিংসলে কি বলেছেন, হ্যারি উত্তর দিল। আমরা মনে করি মন্ত্রণালয়ে অনুপ্রবেশ ঘটেছে।

    ভেরনন আঙ্কল বড় বড় কদমে ফায়ারপ্লেসের কাছে গেলেন আবার ফিরে এলেন। তার বিখ্যাত কালো ঘন মোছ কাঁপিয়ে জোরে জোরে নিঃশ্বাস নিচ্ছেন। তার মুখটা এখনো উদ্বেগে লাল হয়ে আছে।

    ঠিক আছে, তিনি হ্যারির সামনে দাঁড়িয়ে বললেন। ঠিক আছে, তর্কের খাতিরে ধরে নাও আমরা এই নিরাপত্তা প্রদান গ্রহণ করলাম। আমি এখনো বুঝতে পারি না আমরা কিংসলের নিরাপত্তা কেন পেতে পারি না।

    হ্যারি কোনো রকমে কষ্ট করে চোখ সরিয়ে নেয়া থেকে বিরত থাকল। এই প্রশ্নটি ইতিমধ্যেই কয়েকবার করা হয়েছে।

    আমি আপনাকে বলেছি, সে দাঁতে দাঁত চেপে বলল। কিংসলে মাগলদের প্রটেকশন দিচ্ছে –মানে আপনার প্রধানমন্ত্রীকে।

    সঠিক–সে হলো সবচেয়ে উপযুক্ত, টেলিভিশনের মনিটরের দিকে ইঙ্গিত করে বললেন। ডারসলে টেলিভিশনে কিংসলেকে দেখছেন। মাগলদের প্রধানমন্ত্রী একটি হাসপাতাল সফরের সময় তার পেছনে অতি সাধারণভাবে ঘুরছে কিংসলে। এর কারণ হলো কিংসলে আছে স্বাভাবিকভাবে মাগলদের পোশাক পড়ে। ধীর কণ্ঠে গভীর ভাবে কিংসলের কথা বলা ইত্যাদি ডারসলে পরিবার তাকে অন্য কোনো যাদুকরের থেকে ভিন্নভাবে জানে। যদিও একথা সত্যি যে তারা কখনো তাকে কানে রিং পরিহিত অবস্থায় দেখেনি।

    তাকে তো একটি কাজে দেওয়া হয়েছে, হ্যারি বলল। কিন্তু হেশিয়া জোনস এবং ডেডালুস ডিগলও এ কাজের জন্য উপযুক্ত —

    আমরা যদি তাদের সিভি দেখতে পারতাম- আঙ্কল ভেরনন শুরু করলেন। কিন্তু হ্যারি তার ধৈর্য হারিয়ে ফেলল। সে পা বাড়িয়ে আঙ্কলের দিকে এগিয়ে গেল। এরপর সে নিজেই টেলিভিশনের দিকে তাকাল। টেলিভিশনের একটি দুর্ঘটনার সংবাদের দিকে ভেরননের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলল, এই দুর্ঘটনাগুলো কোনো দুর্ঘটনা নয়। আমরা সর্বশেষ সংবাদে সংঘর্ষ, বিস্ফোরণ লাইনচ্যুতি যাই দেখি না (কেন। জনগণ অদৃশ্য হয়ে যাচ্ছে, মারা যাচ্ছে, এসব কিছুর পেছনে আছে ডোল্ডেমর্ট। আমি আপনাকে একথা বারবার বলেছি, সে শুধু মজা করার জন্য মা..দের হত্যা করে। এমনকি ধোয়াশাগুলো–যেগুলো আসলে ডেমন্টদের তৈরি। আপনি যদি স্মরণ করতে না পারেন তাহলে আপনার ছেলেকে জিজ্ঞেস করুন।

    ডাডলি তার হাত দুটো ঝাঁকি দিয়ে উপরে তুলল মুখ ঢেকে ফেলার জন্য, হ্যারি এবং তারা বাবা মায়ের চোখ তার দিকে। সে ধীরে তার হাত দুটো নামিয়ে ফেলল এবং জানতে চাইল, তারা কি… তারা কি বেশি?

    বেশি? হাসল হ্যারি। তুমি বলতে চাইছ আমাদের যে দুজন আক্রমণ করেছে তাদের চেয়ে বেশি? অবশ্যই বেশি, তারা শতশত, হয়তো এবার হাজার হাজার।

    ঠিক আছে ঠিক আছে, ভেরনন ডারসলে চিৎকার করে বললেন। তুমি তোমার ব্যাখ্যা দিয়েছ-।

    আমি তাই মনে করি, হ্যারি বলল। কারণ আমার বয়স যখন সতের বছর; ডেথ ইটার, ডেমেনটর–এমনকি হয়তো ইনফারি–যার অর্থ মৃতদেহ ডার্ক উইজার্ডের দ্বারা বশীভূত ছিল। তারা সবাই আপনাকে খুঁজে বের করবে এবং আপনাকে আক্রমণ করবে। আপনার যদি মনে থাকে যে সেবার আপনি যাদুকরদের পরাজিত করতে চেয়েছিলেন, তাহলে আমার মনে হয় আপনাকে স্বীকার করতেই হবে যে আপনার সাহায্যের দরকার আছে।

    কিছু সময়ের জন্য নীরবতা নেমে এলো। সেই নীরবতার মধ্যে হ্যাগ্রিডের কাঠের দরোজায় ধাক্কা দেওয়ার ক্ষীণ প্রতিধ্বনী ভেসে এলো। মনে হল আগের সেই সময়কার কথা। আন্টি পেটুনিয়া আঙ্কল ভেরননের দিকে তাকালেন। ডাডলি হ্যারির দিকে তাকায়। অবশেষে আঙ্কল আকিস্মিকভাবে বললেন, কিন্তু আমার কাজের কী হবে? ডাডলির স্কুলের কী হবে? আমার মনে হয় না যে ওই সকল অলস যাদুকরদের এটা নিয়ে কোনো মাথাব্যথা আছে-

    আপনি বুঝতে পারছেন না? হ্যারি চিৎকার করে বলল। ওরা আপনাকে নির্যাতন করবে এবং হত্যা করবে, ঠিক আমার বাবা-মাকে যেমন করেছে।

    ড্যাড, উচ্চস্বরে বলল ডাডলি। আমি এই অর্ডারের লোকদের কথার সঙ্গে আছি।

    ডাডলি, হ্যারি বলল। তোমার জীবনে এই প্রথম তুমি বুদ্ধিমানের মতো কথা বলছ।

    হ্যারি জানত যে সফল হয়েছে। যদি ডাডলি অর্ডারের সাহায্য নিতে ভয় পেত, তাহলে ওর মা-বাবাও ওর সঙ্গে তালে তাল দিত। ছোট এই পরিবারটি আলাদা হয়ে যাওয়ার ব্যাপারে কোনো প্রশ্ন আসে না। হ্যারি দরোজার পাশে ওভারকোট রাখার হ্যাঙ্গারের উপরে ঘড়িটির দিকে তাকাল।

    ওরা পাঁচ মিনেটের ভেতর এখানে চলে আসবে, হ্যারি বলল। এবং তার কথায় পরিবারের কেউ কোনো উত্তর দিল না। হ্যারি ঘর থেকে বেরিয়ে গেল। এই আলাদা হয়ে যাওয়া, হয়তোবা সারাজীবনের জন্য তার আন্ট-আঙ্কলের কাছ থেকে আলাদা হয়ে যাওয়ার বিষয়টি আনন্দের হতে পারত, কিন্তু তারপরও কেমন যেন একটা সংশয়ের আবহ তৈরি হলো। একজনের সঙ্গে আরেকজনের ষোল বছরের টানাপড়েন ও অপ্রীতির সম্পর্কের অবসানের ব্যাপারে কী বলা যেতে পারে?

    হ্যারি ওর বেডরুমে ফিরে এলো। হ্যারি বিনা কারণে ওর ব্যাগটিতে হাতড়াতে থাকল। হ্যারি হেডউইগের খাঁচার ভেতর ছুঁড়ে ছুঁড়ে বাদাম ফেলল। সেগুলো টপটপ শব্দ করে নিচে পড়তে থাকল। কিন্তু হেডউইগ এসব লক্ষ্য করে না।

    আমরা শীঘ্রই চলে যাচ্ছি, সত্যিই খুব শীঘ্রই, হ্যারি বলল। এবং তখন তুমি আবার উড়ে যেতে পারবে।

    বাইরে দরোজার বেল বেজে উঠল। হ্যারি একটু ইতস্তত করল। তারপর রুম থেকে বের হয়ে নিচের তলার দিকে নেমে গেল। ডারসলে পরিবারর হেসটিয়া ও ডেডালুসের সঙ্গে নিজেদের পরিচিত করে নেবে এটা একেবারে আশাতীত ব্যাপার।

    হ্যারি পটার! হ্যারি দরোজা খোলার সঙ্গে সঙ্গে উত্তেজিত কণ্ঠ বলল। মাথায় হ্যাট পরা একজন ছোট মানুষ হ্যারিকে মাথানত করে অভিবাদন জানাল। চিরকালের সম্মান!

    ধন্যবাদ ডেডালুস, হ্যারি বলল। সে কালো চুলের হেসটিয়ার দিকে তাকিয়ে হাসল। আপনারা সত্যিই একটা ভালো কাজ করছেন, আমার আন্ট, আঙ্কল এবং কাজিন ডাডলি এখানেই ভিতরে…

    শুভদিন, হ্যারি পটারের আত্মীয়রা! খুশিমনে ডেডলুস লিভিংরুমের দিকে পা বাড়িয়ে বলল। এভাবে বিশেষায়িত করায় ডারসলে পরিবারকে খুব একটা খুশি মনে হলো না। হ্যারি বিষয়টি পাশ কাটাতে চাইল। মেয়ে যাদুকর হেসটিয়ার এবং পুরুষ যাদুকর ডেডালুস, এই দুজনকে দেখে ডালে তার মায়ের পাশে গিয়ে দাঁড়াল।

    মনে হচ্ছে, আপনারা সব প্যাক করে প্রস্তুত হয়ে আছেন, আমাদের যে পরিকল্পনার কথা হ্যারি আপনাদের বলেছে, তা কঠিন কিছু নয় অতি সাধারণ, ওয়েস্ট কোটের পকেট থেকে ঘড়ি বের করে দেখতে দেখতে ডেডালুস বলল। হ্যারির আগেই আমরা বের হয়ে যাব। এখানে আবার যাদু ব্যবহার করা যাবে না। কারণ হ্যারির এখনো বয়স কম। সে কারণে এখানে যাদু প্রয়োগ হলে মন্ত্রণালয় জেনে যাবে এবং তাকে গ্রেফতার করবে। আপনাদের নিরাপদ আশ্রয় স্থানে নিয়ে যাওয়ার আগে, ধরুন দশ মাইলের মতো আপনাকে ড্রাইভ করতে হবে। মনে হয় আপনি জানেন কীভাবে ড্রাইভ করতে হয়? সে অতি নম্রভাবে ভেরননকে জিজ্ঞেস করল।

    কীভাবে? অবশ্যই আমি জানি কীভাবে ড্রাইভ করতে হয়! বিস্ময়ের সাথে আঙ্কল ভেরনন বললেন। ড্রাইভ করতে জানব না কেন?

    আপনি খুবই বুদ্ধিমান স্যার, খুবই বুদ্ধিমান। আমাকে যদি গাড়ির এতসব বাটন ও নব টেপাটিপি করতে হতো তা হলে বিপাকে পড়ে যেতাম, ডেডালুস বলল। তার ভাবভঙ্গিতে পরিষ্কার বোঝা যায় যে সে ভেরনন ডারসলেকে টিপ্পনী কাটছে। সে ডেডালুসের প্রতিটি কথায় যে আত্মবিশ্বাস হারাচ্ছিল সেটা পরিষ্কার দেখা গেছে।

    গাড়িও চালাতে পারে না, ভেরনন নিঃশ্বাসের সঙ্গে বিড়বিড় করে বললেন। রাগে তার গোফ ওঠানামা করছে। কিন্তু ভাগ্যক্রমে ডেডালুস বা হেসটিয়া কেউই তার কথা শোনেনি বলে মনে হলো।

    হ্যারি, তুমি, ডেডলুস বলল। তোমার নিরাপত্তার কারণেই তোমাকে একটু অপেক্ষা করতে হবে। আমাদের ব্যবস্থায় একটু পরিবর্তন আনা হয়েছে

    তুমি কী বলছ? হ্যারি সঙ্গে সঙ্গে বলল। আমি তো ভেবেছিলাম ম্যাড-আই আসবেন এবং আমাকে সাইড এলঙ অ্যাপারিশন করে নিয়ে যাবেন?

    সেটা করা যাবে না, হেসটিয়া তাড়াতাড়ি বলল। ম্যাড-আই বিষয়টি তোমাকে ব্যাখ্যা করবেন।

    এসব কথা শুনে ডারসলে পরিবার যে উপলব্ধিহীন হয়ে গেছে সেটা পরিষ্কার বোঝা গেল। একটি উচ্চ শব্দ শুনে তারা লাফিয়ে উঠল। তাড়াতাড়ি! হ্যারি ঘরের চারদিকে তাকাল পরে বুঝতে পারল যে শব্দটি ডেডালুসের পকেটের ঘড়ি থেকে এসেছে।

    কথাটা ঠিক, আমরা ভীষণ সময়ের চাপের মধ্যে আছি, ডেডালুস তার ঘড়িটির দিকে মাথা ঝাঁকিয়ে বলল এবং ওয়েস্ট কোটের পকেটে আবার পুরে। রাখল। আমরা চাই যে তুমি যাবে তোমার পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের চলে যাওয়ার পর পর। যাদু প্রতিরক্ষাহীনভাবে তখন তোমাকে নিরাপদ স্থানের দিকে যেতে হবে। সে এবার ডারসলে পরিবারের দিকে ফিরল, তাহলে ঠিক আছে, আমরা এখন যাওয়ার জন্য প্রস্তুত?

    কেউ তার প্রশ্নের উত্তর দিল না। আঙ্কল ভেরনন এখনো বিস্ময়ের সঙ্গে ডেডালুসের ওয়েস্ট কোটের ভেতর ফুলে থাকা ঘড়িটির দিকে তাকাচ্ছে।

    আমাদের হয়তো উচিত হবে ঘরের বাইরে অপেক্ষা করা ডেডালুস, ধীর কণ্ঠে হেসটিয়া বলল। সে অনুভব করল যে হ্যারি এবং ডারসলে পরিবার একটি বেদনাঘন পরিবেশে একে অপরকে বিদায় জানাবে, ভালবাসা বিনিময় করবে তখন সেখানে থাকাটা বুদ্ধিমানের কাজ হবে না।

    কোনো প্রয়োজন নেই, হ্যারি নিচু স্বরে বলল। আঙ্কল ভেরননও অপ্রয়োজনীয় প্রমাণ করে উচ্চস্বরে বললেন, তাহলে এখন বিদায়, সন।

    তিনি ডান হাত ঘুরিয়ে উপরের দিকে তুললেন হ্যারির সঙ্গে হ্যান্ডশেক করার জন্য। কিন্তু শেষ মুহূর্তে মনে হলো তিনি সেটা করতে পারছেন না। হাত মুষ্টি করে সামনে পেছনে দোলাতে থাকলেন ঘড়ির পেণ্ডুলামের মতো।

    তৈরি ডিড্ডি? আন্ট পেটুনিয়া হাতের ব্যাগটি শক্ত করে ধরে খুঁটিয়ে পরীক্ষা করতে করতে বললেন, যাতে একই সঙ্গে হ্যারির দিকে তাকানো থেকে বিরত থাকতে পারেন।

    ডাডলি তার কথার কোনো উত্তর দিল না। কিন্তু মুখ সামান্য হা করে দাঁড়িয়ে থাকল। হ্যারির তখন বিশাল দৈত্য, গ্লোপের কথা মনে পড়ল।

    চলে আস, ভেরনন বললেন।

    তিনি লিভিং রুমের দরোজা পর্যন্ত চলে গেলেন। ডাডলি দাঁড়িয়ে থেকে বলল, আমি ঠিক বুঝতে পারছি না।

    তুমি কি বুঝতে পারছ না? পেটুনিয়া তার ছেলের দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করলেন।

    ডাডলি হাত উঠিয়ে হ্যারির দিকে দেখালো।

    সে কেন আমাদের সঙ্গে যাচ্ছে না?

    আঙ্কল ভেরনন এবং আন্ট পেটুনিয়া যেখানে দাঁড়িয়েছিলেন সেখানেই স্থির হয়ে গেলেন। ডাডলির দিকে এমনভাবে তাকালেন যেন সে ব্যালে নৃত্যশিল্পী হওয়ার জন্য বায়না ধরেছে।

    কি! আঙ্কল ভেরনন উচ্চস্বরে বললেন।

    সে আমাদের সঙ্গে কেন আসছে না? ডাডলি আবার বলল।

    ব্যাপার হলো সে… সে যেতে চায় না? আঙ্কল ভেরনন হ্যারির দিকে ঘুরে তাকিয়ে যোগ করলেন, তুমি যেতে চাও না, তুমি কি যেতে চাও?

    একটুও না, হ্যারি বলল।

    এই শোনো, আঙ্কল ভেরনন ডাডলিকে বললেন, এখন চলো, আমরা যাই।

    তারা ঘর থেকে বের হতে প্রস্তুত হলেন। সবাই সামনের দরোজা খোলার শব্দ। পেল। কিন্তু ডাডলি একটুও নড়ল না। আন্ট পেটুনিয়াও ইতস্তত কয়েক পা ফেলে থেমে গেলেন।

    এখন আবার কি? আঙ্কল ভেরনন আবার দরোজার কাছে ফিরে এসে বললেন।

    দেখে মনে হলো ডাডলি বেশ চিন্তিত, যা সে প্রকাশ করতে পারছে না। ভেতরে ভেতরে যন্ত্রণায় কাতর হচ্ছে তাকে দেখে পরিষ্কার বোঝা যায়। কয়েক মুহূর্ত পর সে বলল, কিন্তু সে কোথায় যাচ্ছে?

    আন্ট পেটুনিয়া এবং আঙ্কল ভেরনন একে অপরের দিকে তাকালেন। এটা পরিষ্কার যে ডাডলি তাদেরকে ভয় পাইয়ে দিচ্ছে। হেসটিয়া জোনস নীরবতা ভাঙল।

    কিন্তু… আপনারা নিশ্চই জানেন আপনাদের ভাগ্নে কোথায় যাচ্ছে? সে অনেকটা বিস্মিত কণ্ঠে জানতে চাইল।

    নিশ্চয়ই আমরা জানি, ভেরনন ডারসলে বললেন। সে আপনাদের কারো সাথে যাচ্ছে, তাই যাচ্ছে না সে? এখন বুঝেছ ডাডলি, চলো আমরা গাড়িতে উঠি। তুমি ওই ভদ্রমহিলার কথা শুনেছ নিশ্চই, আমাদের তাড়াতাড়ি যেতে হবে।

    আবারো ভেরনন ডারসলে দ্রুত হেঁটে গেলেন দরোজা পর্যন্ত। কিন্তু ডাডলি তাকে অনুসরণ করল না।

    আমাদের সব কিছু ফেলে যাব?

    হেসটিয়াকে এ সময় বেশ রাগান্বিত দেখা গেল। হ্যারি তার এই রাগের চেহারা বিগত দিনে দেখেছে। এই দুই যাদুকর হতভম্ব হয়ে গেছে এটা দেখে যে বিখ্যাত হ্যারি পটারের ব্যাপারে তার নিকটে বাস করা আত্মীয়রা কতটা কম আগ্রহ বোধ করে এবং কম জানে।

    ঠিক আছে, হ্যারি তাকে আশ্বস্ত করল। এটা কোনো ব্যাপার না।

    কোনো ব্যাপার না? তার কথা পুনরায় উচ্চারণ করল হেসটিয়া। তার গলা রীতিমতো ক্রুদ্ধ হওয়ার সুর। তুমি কিসের ভেতর দিয়ে যাচ্ছ এটা কি এই লোকগুলো বুঝতে পারে না? তুমি কতটা বিপদের মধ্যে আছ? তুমি এখন ভোল্ডেমর্ট বিরোধী আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছ।

    না, ওরা এগুলো জানে না, হ্যারি বলল। ওরা মনে করে আসলে আমি একটা অপ্রয়োজনীয় বাড়তি ঝামেলা। কিন্তু আমি এতে অভ্যস্ত….

    আমি মনে করি না যে তুমি একটা বাড়তি ঝামেলা। হ্যারি যদি ডাডলির মুখ নড়তে না দেখত তাহলে একথা বিশ্বাস করত না যে কথাটা ডাডলির। কথাটা যে ডালে বলেছে তা বিশ্বাস করতে হ্যারি কয়েক সেকেন্ড তার দিকে তাকিয়ে থাকল। ডালের মুখটা লাল হয়ে গেছে। হ্যারি নিজে অবাক হলো এবং অস্বস্তি বোধ করল।

    খুব… ভালো কথা… ধন্যবাদ ডাডলি।

    আবারো ডাডলি নিজের চিন্তার সঙ্গে যুদ্ধ করে, খুব কষ্ট করে বিড়বিড় করে বলল, তুমি আমার জীবন বাঁচিয়েছ।

    না, ঠিক সে রকম নয়, হ্যারি বলল। তোমার আত্মাটা ডেমেনটর হয়তো নিয়ে যেত…

    সে ডাডলির দিকে কৌতুহলী চোখে তাকাল। তাদের মধ্যে এই গ্রীষ্মে এবং গত গ্রীষ্মেও সরাসরি তেমন কোনো যোগাযোগ হয়নি। হ্যারি প্রাইভেট ড্রাইভে খুব অল্প সময়ের জন্য এসেছে এবং অধিকাংশ সময় নিজের রুমটির ভিতরে থেকেছে। হ্যারির কাছে এটা এখন পরিষ্কার হয়ে গেছে, সকালে যে ঠাণ্ডা চায়ের কাপে পা মাড়িয়েছিল সেটা কোনো বিপদে ফেলার বিষয় ছিল না। আবেগঘন এই পরিবেশে সে স্বস্তি বোধ করল যে ডাডলি ওর অনুভূতিগুলো ব্যক্ত করতে পারছে না। দু একবার মুখ খুলে কিছু বলতে গিয়েও ডাডলি মুখ রাঙা করে থেমে গেছে।

    আন্ট পেটুনিয়া কেঁদে ফেললেন। আন্ট পেটুনিয়া দৌড়ে সামনে এসে হ্যারির বদলে ডাডলিকে জড়িয়ে ধরলেন। হেসটিয়া জোনস ক্রোধের বদলে সম্মতির দৃষ্টি নিয়ে তাকাল।

    তু. তুমি আমার মিষ্টি ডাডার… ডাডলির চওড়া বুকে নিজেকে জড়িয়ে আন্ট যুঁপিয়ে উঠলেন। আমার মিষ্টি ছেলে ধন্যবাদ জানাচ্ছে….

    কিন্তু সে একবারও ধন্যবাদ বলেনি, হেসটিয়া ক্ষুব্ধ স্বরে বলল। সে শুধু বলেছে হ্যারি যে একটা বাড়তি ঝামেলা সেটা সে মনে করে না!

    হ্যাঁ,কিন্তু ডাডলির মুখ থেকে ও কথার মানে অনেকটা আই লাভ ইউর মতোই, বিরক্ত এবং হাসির চেষ্টার মাঝামাঝি থেকে হ্যারি বলল। আন্ট পেটুনিয়া এমনভাবে ডাডলিকে ধরে রেখেছেন যেন এই মাত্র একটি আগুন লাগা ঘর থেকে সে হ্যারিকে উদ্ধার করেছে।

    আমরা কি যাচ্ছি, নাকি যাচ্ছি না! ভেরনন গর্জন করে বললেন। লিভিং রুমের দরোজায় দেখা গেল ভেরননকে। আমি ভেবেছিলাম আমাদের হাতে সময় খুব কম।

    হ্যাঁ, হা–আমাদের সময় খুব কম, বলল ডেডালুস ডিগল। সে এতক্ষণ হতবাক হয়ে হ্যারিদের মধ্যকার বিষয়গুলো দেখছিল। এবার সে যেন নিজের ভেতরে গুটিয়ে সচেতন হয়ে উঠল। আমাদের এখনই চলে যেতে হবে। হ্যারি

    সে দ্রুত সামেন পা বাড়াল এবং নিজের দুই হাত দিয়ে হ্যারির হাত ধরে ঘোরা।

    গুড লাক হ্যারি। আশা করি আমাদের আবার দেখা হবে। যাদু জগতের সবার ভরসা এখন তোমার কাঁধে।

    হ্যাঁ, বলল হ্যারি। ঠিক আছে,ধন্যবাদ।

    বিদায় হ্যারি, হেসটিয়া হ্যারির হাত ধরে বলল। আমরা তোমার আছি।

    আমার ধারণা সব কিছু ঠিকঠাক আছে, সামনে আন্ট পেটুনিয়া এবং ডাডলির দিকে একবার চোখ বুলিয়ে হ্যারি বলল।

    ওহ, আমি নিশ্চিত যে আমাদের বেশ ভালো বন্ধুত্বপূর্ণভাবেই সমাপ্ত হবে, ডেডাস ডিগল আনন্দের সঙ্গে বলল। রুম থেকে বের হওয়ার সময় সে তার মাথার হ্যাটটি তুলে অভিবাদন করল। হেসটিয়া তার পেছনে পেছনে বেরিয়ে গেল।

    ডাডলি নিজেকে মায়ের কাছ থেকে আলতোভাবে ছাড়িয়ে নিল এবং হ্যারির কাছে এসে দাঁড়াল, যে হ্যারি মনে মনে ভাবছিল এখনি তাকে যাদুর ভয় দেখাবে, অতি কষ্টে নিজেকে দুষ্টুমীর লোভ থেকে নিবৃত রেখেছে। ডাডলি তার বড় গোলাপী হাতটা বের করল।

    কী অবাক কান্ড, ডাডলি, হ্যারি বলল। পেটুনিয়া আবারো ফুঁপিয়ে উঠতে শুরু করেছেন। ডেমেনটররা কি তোমার মধ্যে অন্যরকম চরিত্র ঢুকিয়ে দিয়েছে?

    জানি না, ডাডলি বিড়বিড় করে বলল। দেখা হবে হ্যারি।

    হুম… হ্যারি বরল। সে ডাডলির হাত ধরে ঝাঁকি দিল। হয়তোবা, নিজের দিকে খেয়াল রেখো বিগ ডি।

    ডাডলি প্রায় হেসেই ফেলেছিল। তারপর ঘর থেকে বের হয়ে গেল। হ্যারি তার ভারী পায়ের শব্দ পেল পাথরের পথের ওপর। তারপরই গাড়ির একটি দরোজার লাগানোর শব্দ পেল।

    আন্ট পেটুনিয়া রুমাল দিয়ে মুখ ঢেকে রেখেছিলেন। শব্দ পেয়ে তিনি চারদিকে তাকালেন। তাকে দেখে মনে হলো হ্যারির সঙ্গে নিজেকে একা দেখবেন এটা আশা করেননি। দ্রুত তার ভেজা রুমালটি পকেটে পুরে রাখলেন। বললেন, আচ্ছা, বিদায়। তারপর হ্যারির দিকে না তাকিয়ে দরোজার দিকে পা বাড়ালেন।

    গুডবাই, হ্যারি বলল।

    তিনি থামলেন এবং ফিরে তাকালেন। মুহূর্তের জন্য হ্যারির অদ্ভুত একটা অনুভূতি হলো। মনে হলো তিনি হ্যারিকে কিছু বলতে চান। তিনি হ্যারির দিকে তাকিয়ে একটি অস্বাভাবিক চাহনি দিলেন এবং মনে হলো কিছু বলতে গিয়েও থেমে গেলেন। তারপর দ্রুত পায়ে স্বামী এবং সন্তানের পেছনে ছুটলেন। কথাটা ডাডলির। কথাটা যে ডালে বলেছে তা বিশ্বাস করতে হ্যারি কয়েক সেকেন্ড তার দিকে তাকিয়ে থাকল। ডাডলির মুখটা লাল হয়ে গেছে। হ্যারি নিজে অবাক হলো এবং অস্বস্তি বোধ করল।

    খুব… ভালো কথা… ধন্যবাদ ডাডলি।

    আবারো ডাডলি নিজের চিন্তার সঙ্গে যুদ্ধ করে, খুব কষ্ট করে বিড়বিড় করে বলল, তুমি আমার জীবন বাঁচিয়েছ।

    না, ঠিক সে রকম নয়, হ্যারি বলল। তোমার আত্মাটা ডেমেনটর হয়তো নিয়ে যেত…

    সে ডাডলির দিকে কৌতুহলী চোখে তাকাল। তাদের মধ্যে এই গ্রীষ্মে এবং গত গ্রীষ্মেও সরাসরি তেমন কোনো যোগাযোগ হয়নি। হ্যারি প্রাইভেট ড্রাইভে খুব অল্প সময়ের জন্য এসেছে এবং অধিকাংশ সময় নিজের রুমটির ভিতরে থেকেছে। হ্যারির কাছে এটা এখন পরিষ্কার হয়ে গেছে, সকালে যে ঠাণ্ডা চায়ের কাপে পা মাড়িয়েছিল সেটা কোনো বিপদে ফেলার বিষয় ছিল না। আবেগঘন এই পরিবেশে সে স্বস্তি বোধ করল যে ডাডলি ওর অনুভূতিগুলো ব্যক্ত করতে পারছে না। দু একবার মুখ খুলে কিছু বলতে গিয়েও ডাডলি মুখ রাঙা করে থেমে গেছে।

    আন্ট পেটুনিয়া কেঁদে ফেললেন। আন্ট পেটুনিয়া দৌড়ে সামনে এসে হ্যারির বদলে ডাডলিকে জড়িয়ে ধরলেন। হেসটিয়া জোনস ক্রোধের বদলে সম্মতির দৃষ্টি নিয়ে তাকাল।

    তু..তুমি আমার মিষ্টি ডাডার… ডাডলির চওড়া বুকে নিজেকে জড়িয়ে আন্ট ফুঁপিয়ে উঠলেন। আমার মিষ্টি ছেলে ধন্যবাদ জানাচ্ছে….

    কিন্তু সে একবারও ধন্যবাদ বলেনি, হেসটিয়া ক্ষুব্ধ স্বরে বলল। সে শুধু বলেছে হ্যারি যে একটা বাড়তি ঝামেলা সেটা সে মনে করে না!

    হ্যাঁ,কিন্তু ডাডলির মুখ থেকে ও কথার মানে অনেকটা আই লাভ ইউর মতোই, বিরক্ত এবং হাসির চেষ্টার মাঝামাঝি থেকে হ্যারি বলল। আন্ট পেটুনিয়া এমনভাবে ডাডলিকে ধরে রেখেছেন যেন এই মাত্র একটি আগুন লাগা ঘর থেকে সে হ্যারিকে উদ্ধার করেছে।

    আমরা কি যাচ্ছি, নাকি যাচ্ছি না। ভেরনন গর্জন করে বললেন। লিভিং রুমের দরোজায় দেখা গেল ভেরননকে। আমি ভেবেছিলাম আমাদের হাতে সময় খুব কম।

    হ্যাঁ, হা–আমাদের সময় খুব কম, বলল ডেডালুস ডিগল। সে এতক্ষণ হতবাক হয়ে হ্যারিদের মধ্যকার বিষয়গুলো দেখছিল। এবার সে যেন নিজের ভেতরে গুটিয়ে সচেতন হয়ে উঠল। আমাদের এখনই চলে যেতে হবে। হ্যারি

    সে দ্রুত সামেন পা বাড়াল এবং নিজের দুই হাত দিয়ে হ্যারির হাত ধরে  ঘোরাল।

    গুড লাক হ্যারি। আশা করি আমাদের আবার দেখা হবে। যাদু জগতের সবার ভরসা এখন তোমার কাঁধে।

    হ্যাঁ, বলল হ্যারি। ঠিক আছে,ধন্যবাদ।

    বিদায় হ্যারি, হেসটিয়া হ্যারির হাত ধরে বলল। আমরা তোমার আছি।

    আমার ধারণা সব কিছু ঠিকঠাক আছে, সামনে আন্ট পেটুনিয়া এবং ডাডলির দিকে একবার চোখ বুলিয়ে হ্যারি বলল।

    ওহ, আমি নিশ্চিত যে আমাদের বেশ ভালো বন্ধুত্বপূর্ণভাবেই সমাপ্ত হবে, ডেডালুস ডিগল আনন্দের সঙ্গে বলল। রুম থেকে বের হওয়ার সময় সে তার মাথার হ্যাটটি তুলে অভিবাদন করল। হেসটিয়া তার পেছনে পেছনে বেরিয়ে গেল।

    ডাডলি নিজেকে মায়ের কাছ থেকে আলতোভাবে ছাড়িয়ে নিল এবং হ্যারির কাছে এসে দাঁড়াল, যে হ্যারি মনে মনে ভাবছিল এখনি তাকে যাদুর ভয় দেখাবে, অতি কষ্টে নিজেকে দুটুমীর লোভ থেকে নিবৃত রেখেছে। ডাডলি তার বড় গোলাপী হাতটা বের করল।

    কী অবাক কান্ড, ডাডলি, হ্যারি বলল। পেটুনিয়া আবারো ফুঁপিয়ে উঠতে শুরু করেছেন। ডেমেনটররা কি তোমার মধ্যে অন্যরকম চরিত্র ঢুকিয়ে দিয়েছে?

    জানি না, ডাডলে বিড়বিড় করে বলল। দেখা হবে হ্যারি।

    হুম…হ্যারি বরল। সে ডাডলির হাত ধরে ঝাঁকি দিল। হয়তোবা, নিজের দিকে খেয়াল রেখো বিগ ডি।

    ডাডলি প্রায় হেসেই ফেলেছিল। তারপর ঘর থেকে বের হয়ে গেল। হ্যারি তার ভারী পায়ের শব্দ পেল পাথরের পথের ওপর। তারপরই গাড়ির একটি দরোজার লাগানোর শব্দ পেল।

    আন্ট পেটুনিয়া রুমাল দিয়ে মুখ ঢেকে রেখেছিলেন। শব্দ পেয়ে তিনি চারদিকে তাকালেন। তাকে দেখে মনে হলো হ্যারির সঙ্গে নিজেকে একা দেখবেন এটা আশা করেননি। দ্রুত তার ভেজা রুমালটি পকেটে পুরে রাখলেন। বললেন, আচ্ছা, বিদায়। তারপর হ্যারির দিকে না তাকিয়ে দরোজার দিকে পা বাড়ালেন।

    গুডবাই, হ্যারি বলল।

    তিনি থামলেন এবং ফিরে তাকালেন। মুহূর্তের জন্য হ্যারির অদ্ভুত একটা অনুভূতি হলো। মনে হলো তিনি হ্যারিকে কিছু বলতে চান। তিনি হ্যারির দিকে তাকিয়ে একটি অস্বাভাবিক চাহনি দিলেন এবং মনে হলো কিছু বলতে গিয়েও থেমে গেলেন। তারপর দ্রুত পায়ে স্বামী এবং সন্তানের পেছনে ছুটলেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদ্য ক্যাচার ইন দ্য রাই – জে ডি সালিঞ্জার, অনুবাদ – রাফায়েত রহমান রাতুল
    Next Article হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য হাফ-ব্লাড প্রিন্স (৬) – জে. কে. রাওলিং

    Related Articles

    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার এন্ড দি ফিলসফারস স্টোন (১) – জে. কে. রাওলিং

    August 18, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য চেম্বার অব সিক্রেটস (২) – জে. কে. রাওলিং

    August 18, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য প্রিজনার অব আজকাবান (৩) – জে. কে. রাওলিং

    August 18, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য গবলেট অব ফায়ার (৪) – জে. কে. রাওলিং

    August 16, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য অর্ডার অব দ্য ফনিক্স (৫) – জে. কে. রাওলিং

    August 16, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য হাফ-ব্লাড প্রিন্স (৬) – জে. কে. রাওলিং

    August 16, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }