Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ডেথলি হ্যালোস (৭) – জে. কে. রাওলিং

    জে. কে. রাওলিং এক পাতা গল্প937 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৩০. দ্য স্যাকিং অব সেভেরাস স্নেইপ

    ৩০. দ্য স্যাকিং অব সেভেরাস স্নেইপ

    মহিলাটি তার হাতের চিহ্ন ছোঁয়া দিতেই হ্যারির স্কারটিতে প্রচণ্ড জ্বালা করতে শুরু করল। তারকা খচিত রুমটি চোখের সামনে থেকে উধাও হয়ে গেল। এবং সে দেখল দাঁড়িয়ে আছে একটি পাথুরে এলাকায়। চারপাশে সমুদ্রের জলরাশি। এবং তার বুকটার ভেতর একটি বিজয়ের ভাব-ওরা ছেলেটিকে ধরেছে।

    একটি বিকট শব্দ হ্যারিকে বিশাল রুমটিতে ফিরিয়ে আনল : অসহায়ের মত সে তার যাদুদণ্ডটি ধরে দাঁড়িয়ে আছে। কিন্তু মহিলা যাদুকর তার সামনে মুখ থুবড়ে পড়ে গেল। সে এত জোরে মেঝেতে পড়ল যে বইয়ের আলমিরাগুলো ঝনঝন করে উঠল।

    ডিএ শিক্ষা নেয়ার সময় ছাড়া আমি কখনো কাউকে স্ট্যান করিনি, লুনা বলল। তার কথায় আগ্রহ ফুটে উঠল। আমি যেমন ভেবেছিলাম তার চেয়ে অনেক বেশি শব্দ হয়।

    ওদের মাথার উপর সিলিংটি ভয়ানকভাবে কাঁপতে শুরু করেছে। ডরমেটরির দিকের দরোজার পেছনে পায়ের শব্দ ক্রমান্বয়ে স্পষ্ট হয়ে কাছে আসতে থাকল।

    লুনার স্পেলের শব্দে ঘুমিয়ে থাকা র‍্যাভেনক্লোরা সব জেগে উঠেছে।

    লুনা, তুমি কোথায়! তাড়াতাড়ি আমার আলখাল্লার নিচে প্রবেশ করা দরকার।

    লুনার পা দেখা গেল। হ্যারি দ্রুত তার পাশে গেল এবং অদৃশ্য আলখাল্লার ভেতর ঢুকে পড়ল। ঠিক তখনই বন্যার মত নাইটগাউন পরা র‍্যাভেনক্লরা রুমে ঢুকে পড়ল। ওরা ঢুকেই অ্যালেকটোকে পড়ে থাকতে দেখে ঘরময় চিৎকার চেঁচামেচি শুরু করল। ধীরে ধীরে ওরা তাকে ঘিরে দাঁড়ালো। নিষ্ঠুর ইতরটি যে কোনো সময় উঠে ওদের ওপর আক্রমণ শুরু করতে পারে। তারপর একটি সাহসী প্রথম বর্ষের ছোট র‍্যাভেনক্ল তার দিকে এগিয়ে গেল এবং তার লম্বা পায়ের পাতা দিয়ে খোঁচা দিল। এবং আনন্দের সঙ্গে বলে উঠল, আমার ধারণা সে মরে গেছে।

    ওহ্ দেখ, স্বস্তির সঙ্গে লুনা ফিসফিস করে বলল। র‍্যাভেনক্লরা ততক্ষণে সব অ্যালেকটোর আরো কাছে জড়ো হয়েছে। ওরা সব খুশি হয়েছে!

    হ্যা… খুবই ভালো…

    হ্যারি চোখ বন্ধ করল। তার স্কারটিতে তীব্র যন্ত্রণা হওয়ায় সে আবার ভোল্ডেমর্টের ভেতর প্রবেশ করতে চাইল… সে টানেলের ভেতর দিয়ে প্রথম গুহা পার হচ্ছে… সে আসার আগে আরেকটি লকেট ঠিক আছে কিনা দেখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে… কিন্তু সেটা অনেক সময়ের ব্যাপার না…

    কমনরুমের দরোজার কাছে একটি তীব্র আওয়াজ হল এবং সবগুলো র‍্যাভেনকু পাথরের মত স্থির হয়ে গেল। হ্যারি শুনতে পেল দরোজার অন্য প্রান্ত থেকে সেই ঈগলের মত নকারের কোমল কণ্ঠ বলছে, উধাও হওয়া বস্তুগুলো কোথায় যায়?

    আমি জানি না, বন্ধ কর! একটি কর্কশ কণ্ঠ গর্জন করে উঠল। হ্যারি জানে এটা ক্যারোর ভাই অ্যামিকাস। অ্যালেকটো? অ্যালেকটো? তুমি কী ভিতরে? ওকে ধরেছ? দরোজা খোলো!

    র‍্যাভেনক্লরা ওদের মধ্যে ফিসফিস করতে থাকল। ভয় পেয়ে গেছে। এরপর কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই বেশ কয়েকটি বিকট শব্দ হল। মনে হল যে কেউ একজন অস্ত্র দিয়ে গুলি করছে।

    আ-লে-ক-টো! যদি সে চলে আসে আর আমরা পটারকে ধরতে না পারি তাহলে অবস্থাটা ম্যালফয়দের মতো হবে সে তো জানো? উত্তর দাও! অ্যামিকাস চিৎকার করে বলল। প্রচণ্ড জোরে দরোজায় ঝাঁকি দিতে থাকল, কিন্তু দরোজা কোনোক্রমেই খুলছে না। র‍্যাভেনক্লরা সব ভয়ে পিছিয়ে গেছে। যারা অধিক ভয় পেয়েছে তারা ওদের দরোজাটা দিয়ে উপরে উঠে নিজেদের বিছানায় চলে গেছে।

    হ্যারি ভাবতে থাকল ডেথ-ইটাররা কিছু করার আগে দরাম করে দরোজা খুলেই ক্যারোসকে স্টান করাটা উচিত হবে কিনা, ঠিক তখনই একটি পরিচিত কণ্ঠ দরোজার বাইরে থেকে কথা বলে উঠল।

    আমি জানতে পারি এখানে আপনি কী করছেন প্রফেসর ক্যারোস?

    এই-বাজে…দরোজাটি…দিয়ে প্রবেশের চেষ্টা করছি! চিৎকার করে অ্যামিকাস বলল। ভেতরে গিয়ে ফ্লিটউইককে চাচ্ছি। ওকে ধরতে এখনই এটা খুলতে হবে!

    কিন্তু আপনার বোন ভেতরে আছে না? প্রফেসর ম্যাকগোনাগল বললেন। সন্ধ্যাবেলা আপনার জরুরি আবেদনের কারণে প্রফেসর ফ্লিটউইক তাকে ভেতরে পাঠিয়েছেন না? সেই তো আপনাকে দরোজাটা খুলে দিতে পারতো? তাহলে তো আপনার এই ক্যাসলের অর্ধেক লোককে জাগিয়ে ফেলতে হতো না।

    সে ভেতর থেকে উত্তর দিচ্ছে না বুড়ো হদ্দ! তুমি এটা খোলো! গ্যার্ন! এখনই খোলো!

    ভয়ানক ঠাণ্ডা কণ্ঠে প্রফেসর ম্যাকগোনাগল বললেন, নিশ্চয়ই, আপনি যদি চান! . একটি ছোট শব্দ হল নকারটিতে এবং সেই নরম কণ্ঠটি আবার বলল, উধাও হওয়া বন্ধু কোথায় যায়!

    কোথাও না, অথচ যাকে বলা হয়-সবকিছু! প্রফেসর ম্যাকগোনাগল বললেন।

    চমৎকার ভাবে সাজানো হয়েছে! ঈগলঅলা নকার বলল। এবং টুক করে দরোজাটা খুলে গেল।

    অ্যামিকাস যাদুদণ্ড হাতে উচিয়ে দরোজার চৌকাঠে পা রাখতেই অল্প যে কয়জন র‍্যাভেন দাঁড়িয়ে ছিল তারা যারযার মত দৌড়ে সিঁড়ি দিয়ে উপরে উঠে। গেল। তার কাঁধটিও তার বোনোর মত একটু সামনের দিকে। বিষণ্ণ চেহারা, শক্ত মুখ এবং ছোট ছোট চোখ। ঢুকেই অ্যালেকটোর দিকে তার চোখ পড়েছে। মেঝের উপর নিস্তেজ পড়ে আছে। সে ক্রোধে এবং ভয়ে চিৎকার করে উঠল।

    ওরা কী করেছে? ওই ছোট জানোয়ারগুলো? সে চিৎকার করে বলল। আমি ওদের সবগুলোকে ক্রুসিয়েট করবো যতক্ষণ ওরা না বলবে যে কাজটি কে করেছে! ডার্ক লর্ড এখন কি বলবেন? সে তার বোনের পাশে দাঁড়িয়ে চিৎকার করে বলল এবং নিজের হাতের তালু দিয়ে কপালে থাপ্পড় দিল। ওকে আমরা ধরতে পারিনি, ওরা চলে গেছে এবং ওকে হত্যা করে রেখে গেছে!

    তাকে শুধু স্টান করা হয়েছে, প্রফেসর ম্যাগোনাগল বললেন। তিনি নিচু হয়ে অ্যালেকটোকে পরীক্ষা করলেন। সে ঠিক হয়ে যাবে।

    অ্যামিকাস বলল, না, ডার্ক লর্ড ধরলে তা আর হবে না। তাকে গ্যার্ন করা হয়েছে এবং হ্যারির জন্য এখানে পাঠানো হয়েছে। আমি আমার চিহ্নটির পোড়া অনুভব করেছি, কারণ ডার্ক লর্ড চিন্তা করেছেন যে আমরা হ্যারি পটারকে ধরে ফেলেছি!

    পটারকে ধরেছ? প্রফেসর ম্যাকগোনাগল তীক্ষ্ণ কণ্ঠে বলল। পটারকে ধরেছ বলতে কী বোঝাতে চাচ্ছ?

    তিনি আমাদের বলেছেন যে পটার হ্যাভেন টাওয়ারের ভেতরে ঢুকতে চেষ্টা করতে পারে এবং পটারকে ধরতে পারলে তাকে সংকেত পাঠাতে।

    কেন পটার র‍্যাভেনক্ল টাওয়ারে প্রবেশ করতে চাইবে। সে আসলে তো আমার ঘরে প্রবেশ করতে পারে!

    হ্যারি অনুভব করল, রাগ এবং অবিশ্বাসের নিচে কোথায় যেন একটা গর্ব ফুটে উঠল তার কণ্ঠে। হ্যারির ভেতর থেকে তারজন্য একটা মমতা উঠে এল।

    আমাদেরকে বলা হয়েছিল সে এখানে আসতে পারে! ক্যারোস বলল। আমি তো জানি না। আমাকে কী জানিয়েছে?

    প্রফেসর ম্যাকগোনাগল উঠে দাঁড়ালেন এবং তার ছোট গোলগোল চোখ দিয়ে রুমের চারদিকে তাকালেন। ওরা যেখানে দাঁড়িয়ে আছে সেখান দিয়েও দুবার তিনি চোখ ঘুরিয়ে নিলেন।

    অ্যামিকাসের ছোট ঘোট চোখ দুটো কঠিন হয়ে গেল। সে বলল আমরা এ দায় ওই ছোকরাগুলোর উপর চাপিয়ে দিতে পারি। হ্যাঁ, সেটাই আমরা করবো। আমরা বলবো অ্যালেকটোকে ওরা অ্যামবুশ করেছিল। ওই উপরের ছোকরাগুলো। সে উপরের সিলিং-এর দিকে তাকালো ডারমেটরির উদ্দেশে। আমরা বলবো যে ওরা তাকে বাধ্য করেছিল তার হাতের চিহ্নটিতে চাপ দিতে। এবং সে কারণেই সে হাতের চিহ্নটিতে চাপ দিয়ে ভুয়া সংকেত দিয়েছে…. তিনি ওদেরকে শাস্তি দেবেন। তাতে কিছু সংখ্যক ছোকরা কমে যাবে, তাতে কী এমন পার্থক্য হবে?

    একমাত্র পার্থক্য হবে সত্য এবং মিথ্যার, সাহস এবং ভীরুতার। প্রফেসর ম্যাকগোনাগল বললেন। তার মুখটি বিষণ্ণ হয়ে উঠল। এই পার্থক্য তুমি এবং তোমার বোন বুঝতে অপারগ। কিন্তু একটি কথা পরিস্কার জেনে রেখ। তোমরা তোমাদের অনেক অযোগ্যতাকে হোগার্টের ছাত্রদের উপর চাপিয়ে দিতে পারো না। আমি এটা হতে দেব না, অনুমোদন দেব না।

    কি বললে?

    অ্যামিকাস সামনে এগিয়ে এল। ম্যাকগোনাগলের মুখের একেবারে কাছে এক ইঞ্চি দূরত্বে দাঁড়ালো। তিনিও পিছপা হলেন না। কিন্তু এমনভাবে নিচের দিকে মুখ করে ঘৃণার সঙ্গে অ্যামিকাসের দিকে তাকালেন মনে হল কোনো একটা বাজে পদার্থ বাথরুমে বসার জায়গাটিতে দেখতে পেয়েছেন। এটা তোমার অনুমোদন দেয়ার কোনো বিষয় না ম্যাকগোনাগল। তোমাদের দিন শেষ হয়ে গেছে। এটা এখন আমাদের সময়। আমরা এখন সব দায়িত্বে। তুমি আমাকে সমর্থন দেবে, নাহলে তোমাকে সেজন্য মূল্য দিতে হবে।

    সে ম্যাকগোনাগলের মুখের উপর থুথু ছুঁড়ে দিল।

    হ্যারি টান দিয়ে আলখাল্লা খুলে ফেলল। সে তার যাদুদণ্ডটি তুলে ধরে বলল, তুমি এ কাজটি করতে পারো না।

    অ্যামিকাস ঘুরে দাঁড়ালো। হ্যারি চিৎকার করে বলল, ক্রুসিও!

    ডেথইটারটি মুহূর্তের মধ্যে লাফিয়ে শূন্যে উঠে গেল। পানিতে ডুবে যাওয়ার মত শূন্যে পাক খেল। ব্যথায় চিৎকার করল। ঝনঝন শব্দে সে বইয়ের আলমিরার উপর গিয়ে পড়ল। তারপর মেঝেতে গড়িয়ে পড়ল।

    অমি দেখেছি বেলাট্রিক্স কি বোঝাতে চেয়েছে, হ্যারি বলল। তার মাথায় রক্ত উঠে গেছে। আপনাকে সেটা বুঝতে হবে।

    পটার! বুকের কাছে হাত দিয়ে চেপে ধরে ম্যাকগোনাগল ফিসফিস করে বললেন। পটার!…তুমি এখানে! কী-? কীভাবে? তিনি নিজেকে স্থির করতে চেষ্টা করছেন। পটার! চরম বোকার কাজ!

    ও আপনার গায়ে থুথু দিয়েছে! হ্যারি বলল।

    পটার! আমি-এটা..এটা তোমার দুঃসাহসের কাজ-কিন্তু তুমি বুঝতে পারছ -?।

    আমি বুঝতে পারছি, হ্যারি বলল। তার অস্থিরতা হ্যারিকে স্থির করে দিচ্ছে। প্রফেসর ম্যাকগোনাগল, ভোল্ডেমর্ট চলে আসছে।

    ওহ, এখন তুমি এই নামটি উচ্চারণ করতে পারো? লুনা বলল। সে অদৃশ্য আলখাল্লার নিচ থেকে বের হয়ে আসল। এখন, দ্বিতীয় জনের বের হয়ে আসাটা প্রফেসর ম্যাকগোনাগলকে ভড়কে দিল। তিনি কাঁপতে কাঁপতে পেছনের দিকে গেলেন এবং কাছের একটি চেয়ারের উপর বসে পড়লেন। তিনি শক্ত করে তার পরনের গাউনের গলার কাছে ধরে আছেন।

    আমার মনে হয় না এখন আর নাম নেয়া না নেয়ার ভেতর কোনো পার্থক্য আছে। হ্যারি লুনাকে বলল।

    সে ইতিমধ্যেই জেনে গেছে আমি কোথায় আছি।

    হ্যারির মস্তিষ্কের একটি অংশ যে অংশ ভোল্টেমর্টের সঙ্গে যুক্ত সেটা জ্বলছে এবং সে দেখল ভোল্ডেমর্ট দ্রুত একটি ভৌতিক নৌকায় ডার্ক লেক পার হচ্ছে….সে প্রায় পাথরের বেসিনের কাছে পৌঁছে গেছে…

    প্রফেসর ম্যাকগোনাগল ফিসফিস করে বললেন, তুমি শিঘ্রই পালাও হ্যারি! এখনই! যত দ্রুত সম্ভব পালাও!

    হ্যারি বলল, তা আমি পারি না। আমাকে একটি কাজ করতে হবে। প্রফেসর, আপনি কি জানেন র‍্যাভেনক্লর মুকুটটি কোথায়?

    র‍্যা..র‍্যাভেন… ক্লর… মু… মূর্তি? অবশ্যই না–সেটা কয়েক শত বছর আগে খোয়া গেছে না? তিনি সোজা হয়ে উঠে বসলেন। হ্যারি এটা পাগলামি, তোমার এই ক্যাসেলে ঢুকে পড়া পুরোপুরি পাগলামি-

    হ্যারি বলল, আমাকে আসতে হয়েছে, প্রফেসর, এখানে কিছু একটা লুকানো আছে যা আমাকে খুজে পেতে হবে। এবং সেটা হতে পারে ওই মুকুটটির ভেতরে। -যদি আমি একটু প্রফেসর ফ্লিটউইকের সঙ্গে কথা বলতে পারতাম।

    হঠাৎ নড়াচড়ার শব্দ পাওয়া গেল এবং কাঁচের ঝনঝন শব্দ। অ্যামিকাস ঠিক হয়ে উঠছে। হ্যারি এবং লুনা কিছু করার আগেই প্রফেসর ম্যাকগোনাগল তার যাদুদণ্ডটি তুলে দুর্বল ডেথ-ইটারটির দিকে ধরলেন এবং বললেন, ইমপেরিও!

    অ্যামিকাস উঠে দাঁড়ালো এবং তার বোনের কাছে গেল। তার যাদুদণ্ডটি তুলে নিল এবং বিনয়ের সঙ্গে প্রফেসরের সাম এসে নিজের যাদুদণ্ডসহ তার হাতে দিল। তারপর সে তার বোনের পাশে শুয়ে পড়ল। প্রফেসর তার যাদুদণ্ডটি তুললেন এবং বাতাসের ভেতর থেকে পাতলা দড়ি এসে সাপের মত ওদের দুজনকে শক্ত করে পেচিয়ে ধরল।

    পটার, প্রফেসর ম্যাকগোনাগল হ্যারির দিকে ঘুরে বললেন। যদি সে, যার নাম নেয়া নিষেধ সত্যিই জানে যে তুমি এখানে-

    তার কথা শেষ না হতেই হ্যারির মস্তিষ্কের ভেতরে সারা শরীরে ব্যাথারমত ক্রোধ চেপে ধরল। যেন ওর স্কারটিতে আগুন ধরে গেছে। এবং সে এক সেকেন্ডের ভেতর দেখল পরিস্কার পোশনের ভেতর লকেটটি নিরাপদে রক্ষিত নেই

    পটার, তুমি ঠিক আছো? একটি কণ্ঠ বলল। এবং হ্যারি আবার ফিরে এল। সে দাঁড়িয়ে থাকতে লুনাকে শক্তভাবে ধরে রেখেছে।

    সময় ফুরিয়ে যাচ্ছে, ভোল্ডেমর্ট কাছে চলে আসছে। প্রফেসর, আমি ডাম্বলডোরের আদেশ নিয়ে কাজ করছি। আমাকে সেটা অবশ্যই খুঁজে বের করতে হবে যেটা তিনি চেয়েছেন যে আমি খুঁজে বের করি! কিন্তু আমাদের এই খোঁজার সময় ছাত্রদেরকে বের করে দিতে হবে। ভোল্ডেমর্ট আমাকে চায়। কিন্তু সেজন্য সে কম বেশি হত্যা করতে দ্বিধা করবে না। এখন সে জানে না যে আমি তাকে আক্রমণ করতে যাচ্ছি।

    হ্যারি তার মস্তিষ্কের ভেতর বাক্যটি শেষ করল।

    তুমি ডাম্বলডোরের আদেশ নিয়ে কাজ করছ? প্রফেসর বললেন। তিনি নিচের দিকে তাকিয়ে ভাবলেন। তারপর টানটান হয়ে উঠে দাঁড়ালেন।

    যার নাম নেয়া যাবে না তার হাত থেকে আমরা স্কুলটিকে নিরাপদ করবো, তুমি যখন সে জিনিসটি খুঁজবে..

    সেটা কি সম্ভব? হ্যারি বলল।

    প্রফেসর ম্যাকগোনাগল বললেন, আমার মনে হয়, আমরা শিক্ষকরা ম্যাজিকে ভালো, তুমি জানো। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করে তাকে ঠেকিয়ে রাখতে পারবো বলে আমি নিশ্চিত। অবশ্যই প্রফেসর স্নেইপের ব্যাপারে কিছু একটা করতে হবে

    -সেটা আমার কাছে ছেড়ে দিন।

    -যদি ডার্ক লর্ড গেটগুলো সব আটকে দেয়, তাহলে বলতে হবে যতটা সম্ভব নির্দোষ লোকগুলোকে সরিয়ে ফেলতে হবে। ফুঁ নেটওয়ার্কের তত্বাবধানে গ্রাউন্ডে অ্যাপারিশন অসম্ভব।

    একটি পথ আছে, হ্যারি দ্রুত বলল। সে যে প্যাসেজওয়ে হগ হেডে চলে গেছে তার ব্যাখ্যা করল।

    পটার, আমরা শতশত ছাত্রের ব্যাপারে কথা বলছি

    আমি জানি প্রফেসর। কিন্তু যদি ভোল্ডেমর্ট এবং ডেথ-ইটাররা বাউন্ডারি দেয়ালের দিকে মনোযোগ দেয় তাহলে ওরা কে হগসমিড় থেকে ডিসাপ্যারেট করল তা নিয়ে আগ্রহ বোধ করবে না।

    এটা একটা কথা বটে, তিনি তার যাদুদণ্ডটি ক্যারোসের দিকে ধরলেন। একটি রুপালি জাল ওদের উপর এসে পড়ল। ওদেরকে শক্ত করে বেঁধে ফেলল এবং সোজা সিলিং এর কাছে তুলে নিল। সেখানে নীল এবং সোনালী সিলিং-এর সঙ্গে ওরা ঝুলে রইল। যেন দুটি সমুদ্রের কুৎসিত জম্ভ। আসো, আমাদেরকে অন্য হাউস প্রধানদের সতর্ক করতে হবে। তোমরা বরং অদৃশ্য আলখাল্লা গায়ে চড়িয়ে নাও।

    তিনি দরোজার দিকে রওয়ানা দিলেন। যাবার সময় তিনি তার যাদুদণ্ডটি উঁচু করে ধরে রাখলেন। তার যাদুদণ্ডের আগা থেকে টুক করে তিনটি বিড়াল বের হয়ে আসল। বিড়ালগুলোর চোখের চারদিকে চশমার মত চিহ্ন। প্যাট্রোনাসগুলো সামনে থেকে মসৃণভাবে দৌড়াতে থাকল। সিঁড়িগুলোকে রুপালি আলো দিয়ে ভরে রাখল। প্রফেসর ম্যাকগোনাগল, হ্যারি এবং লুনা নিচে নেমে এল।

    করিডোর ধরে ওরা দৌড়াতে থাকল। প্যাট্রোনাসগুলো একে একে ওদের ছেড়ে গেল। প্রফেসর ম্যাকগোনাগলের কাপড়টি মেঝেতে ঘষে ঘষে চলছে। হ্যারি এবং লুনা অদৃশ্য আলখাল্লার নিচ থেকে তাকে অনুসরণ করতে থাকল।

    ওরা আরো দুটি ধাপ নেমে আসতেই নিঃশব্দে ওদের সঙ্গে আরো এক জোড়া পা যোগদান করল। হ্যারিই প্রথম সে পায়ের শব্দ পেল। সে তার গলায় ঝোলানো মারাউডের ম্যাপটি দেখার তাগিদ অনুভব করছে। কিন্তু সে কিছু করার আগেই প্রফেসর ম্যাকগোনাগলও বুঝতে পারলেন যে তাদের সঙ্গে কেউ যোগ দিয়েছে। তিনি দাঁড়িয়ে পড়লেন। তার হাতের যাদুদণ্ড তুলে ধরলেন মোকাবিলা করার জন্য এবং বললেন, কে এখানে?

    নিচুস্বরে একটি কণ্ঠ বলল, আমি।

    স্নেইপ সামনে বেরিয়ে আসল।

    তাকে দেখেই হ্যারির ঘৃণা ও রাগ তীব্র হয়ে উঠল। হ্যারি প্রায় স্নেইপের চেহারার সুক্ষ বিষয়গুলো ভুলে গিয়েছিল। তার বিশাল অপরাধের ফিরিস্তির নিচে চেহারাটা ঢাকা পড়েছিল। ভুলে গিয়েছিল তার পাতলা মুখগুলোর পাশে কেমন চকচকে কালো চুলগুলো ঝুলছে, তার কালো চোখগুলো কেমন শীতল, নিষ্ঠুর। তার পরনে নাইট গাউন নেই, সাধারণ কালো গাউন। সেও তার যাদুদণ্ডটি সংঘাতের জন্য প্রস্তুত রেখে তুলে ধরেছে।

    ক্যারোস কোথায়? সে ঠাণ্ডা গলায় বলল।

    আমি আশা করি তোমরা তাকে যেখানে রেখেছ সে সেখানেই আছে, সেভেরাস? প্রফেসর ম্যাকগোনাগল বললেন।

    সে প্রফেসরের আরো কাছে এগিয়ে এল এবং তার চোখ প্রফেসরের চারপাশে ঘুরতে থাকল। যেন সে আশা করছে যে হ্যারি চারপাশেই আছে। হ্যারিও তার যাদুদণ্ড উঁচু করে ধরে প্রস্তুত থাকল।

    স্নেইপ বলল, আমি মনে করেছিলাম যে অ্যালেকটো কোনো অনুপ্রবেশকারীকে ধরে ফেলেছে।

    সত্যিই? প্রফেসর ম্যাকগোনাগল বলল। আপনার সে কথা মনে হল কীভাবে?

    স্নেইপ তার বাহাতটা একটু নিচু করল, যে হাতটায় ডার্ক মার্ক আঁকা আছে।

    প্রফেসর ম্যাকগোনাগল বললেন, ওহ্, স্বাভাবিক, আপনাদের ডেথ-ইটারদের মধ্যে গোপন যোগাযোগের ব্যবস্থা আছে, আমি ভুলে গিয়েছিলাম।

    স্নেইপ এমন একটা ভাব করল যে তাকে সে কোনো আঘাত করতে চায় না। স্নেইপ এখনো প্রফেসরের চারদিকে চোখ ঘোরাচ্ছে এবং এমনভাবে তার কাছে চলে আসছে যে সে কি করতে চাচ্ছে তা বোঝার কোনো উপায় নেই।

    আমি জানতাম না যে করিডোরে আজ আপনার পাহারার দায়িত্ব আছে, মিনার্ভা।

    তাতে কি আপনার কোনো আপত্তি আছে?

    আমি ভাবছি এই গভীর রাতে আপনাকে বিছানা থেকে উঠে আসতে হয়েছে কেন?

    আমার ধারণা হয়েছে যে কিছু একটা ঝামেলা শুনতে পেয়েছি, প্রফেসর ম্যাকগোনাগল বললেন।

    সত্যিই? কিন্তু এখন সব ঠাণ্ডা হয়ে গেছে।

    স্নেইপ তার চোখে চোখ রাখল।

    আপনি কি হ্যারি পটারকে দেখেছেন মিনার্ভা? কারণ যদি আপনি দেখে থাকেন, আমি বলব

    প্রফেসর ম্যাকগোনাগল এত দ্রুত নড়লেন যে হ্যারি অবাক হল। তার যাদুদণ্ড মুহূর্তের ভেতর ঘোরালেন এবং হ্যারি ভাবল যে স্নেইপ অজ্ঞান হয়ে অচেতন হয়ে পড়েছে। কিন্তু তার প্রতিরক্ষা চার্ম এতটাই মজবুত যে প্রফেসর ম্যাকগোনাগল ভারসাম্য রাখতে না পেরে পেছনের দিকে ফসকে গেলেন। তিনি যাদুদণ্ড তুলে আবার নিক্ষেপ করলেন এবং দেয়ালের উপরের একটি বাতিতে লাগতেই সেটি ব্রাকেট থেকে বের হয়ে গেল। হ্যারি সবে স্নেইপকে কার্স করতে যাচ্ছিল, কিন্তু লুনাকে টান দিয়ে তার সরাতে হল। কারণ সেখানে ধোয়া নেমে আসছে এবং সে ধোয়াই আগুনের রিং হয়ে করিডোর পূর্ণ করে দিচ্ছে। এবং দড়ির মত হয়ে স্নেইপের দিকে ছুটে যাচ্ছে

    এরপর আর ফায়ারের শব্দ শোনা গেল না। কিন্তু এক কালো সরিসৃপের মত বাঁকা দেয়া প্রফেসর ছাড়লেন সেগুলো টুকরো টুকরো হয়ে ছোটছোট চাকুর মত রূপ নিল। স্নেইপ সেগুলোকে তার সামনের রক্ষা করার পোষাক দিয়ে এড়াতে থাকল। টনটন শব্দ করে একটির পর একটি চাকু পড়ে যেতে থাকল।

    মিনার্ভা! একটি তীক্ষ্ণ স্বর বলল। লুনাকে উড়ন্ত স্পেল থেকে সরিয়ে রাখতে হ্যারি পেছন ফিরে দেখল প্রফেসর ফ্লিটউইক এবং স্প্রাউট দৌড়ে ওদের দিকে আসছেন। তাদের পরণে রাতের পোষাক। পেছনে প্রফেসর স্লাগহর্ন হাপাচ্ছেন।

    না! ফ্লিটউইক চিৎকার করে বললেন। তার যাদুদণ্ডটি উঁচু করে ধরে বললেন, তুমি হোগার্টে আর কাউকে হত্যা করতে পারবে না!

    ফ্লিটউইকের স্পেল স্নেইপের সামনের আত্মরক্ষার ব্যবস্থাকে আঘাত করলো। স্নেইপ সেটির পেছনে লুকিয়ে ছিল। সেটি কটকট শব্দ করে জীবন্ত হয়ে উঠল। সেটিকে স্নেইপ চেষ্টা করল আক্রমণকারীর দিকে পাল্টা ছুঁড়ে দিতে। হ্যারি এবং রুনা ঝাঁপ দিয়ে এক পাশে গিয়ে পড়ল। সেটি ছুটে গিয়ে একটি দেয়ালে আঘাত করল এবং ভেঙে ছড়িয়ে পড়ল। হ্যারি যখন মুখ তুলে চাইল ততক্ষণে স্নেইপ উড়ে যাচ্ছে। ম্যাকগোনাগল, ফ্লিটউইক এবং স্প্রাউট তার পেছনে বজ্রপাতের মত কার্স ছুঁড়ে দিচ্ছে। স্নেইপ একটি ক্লাসরুমের দরোজা প্রচণ্ড আঘাত করে খুলে বের হয়ে গেল। এবং হ্যারি শুনল ম্যাকগোনাগল বলছেন, ভীরু কোথাকার!

    কী হয়েছে? কী হয়েছে? লুনা বলল।

    হ্যারি তাকে টেনে তুলে দাঁড় করালো। ওরা করিডোর ধরে দৌড় দিল। অদৃশ্য আলখাল্লাটি ওদের পেছনে উড়ছে। ওরা দৌড়ে একটি নির্জন ক্লাসরুমে। গিয়ে দাঁড়ালো। সেখানে একটি ভাঙা কাঁচের জানালার সামনে দাঁড়িয়ে আছেন প্রফেসর ম্যাকগোনাগল, ফ্লিটউইক এবং স্প্রাউট।

    হ্যারি এবং লুনা ঘরটাতে ঢুকেই শুনতে পেল প্রফেসর ম্যাকগোনাগল বলছেন, ও লাফিয়ে পড়েছে।

    ফ্লিটউইক এবং স্প্রাউট হ্যারিকে দেখেই আঁৎকে উঠলেন। কিন্তু সেটাকে পাত্তা না দিয়ে হ্যারি দৌড়ে জানালাটার কাছে গেল। বলল, আপনি বলতে চাচ্ছেন সে মারা গিয়েছে?

    ম্যাকগোনাগল তীক্ততার সঙ্গে বললেন, না, সে মারা যায়নি। ডাম্বলডোরের মতই সে যাদুদণ্ডটি ধরেছিল… এবং সে মনে হয় তার গুরুর কাছ থেকে কিছু কৌশল শিখেছে।

    হ্যারি ভয়ের সঙ্গে দেখল দূরে প্রচুর পরিমান বাদুরের মত কালো কালো শরীর উড়ে বাউন্ডারি দেয়ালের দিকে আসছে।

    ওদের পেছনে অনেক পায়ের শব্দ শোনা গেল ধেয়ে আসছে। হঠাৎ হাপাতে হাপাতে ঘরে এসে ঢুকল স্লাগহর্ন।

    হ্যারি! সে হাপাতে হাপাতে বলল। সে তার সিল্কের জামার নিচে বুকটা ঘষতে ঘষতে বলল, মাই ডিয়ার বয়… কী আশ্চর্যের ব্যাপার… মিনার্ভা, দয়া করে বলুন কি ঘটেছে…সেভেরাস..কী, ব্যাপার কি?

    আমাদের হেডমাস্টার একটু ক্ষান্ত দিয়েছেন, প্রফেসর ম্যাকগোনাগল জানালার ভাঙা অংশের দিকে দেখিয়ে বললেন।

    প্রফেসর! হ্যারি বলল। সে তার কপালের স্কারটি চেপে ধরেছে। দেখল তার পায়ের নিচে থেকে লেকটা সরে যাচ্ছে। অনুভব করল ভৌতিক সবুজ নৌকাটি আন্ডারগ্রাউন্ডের পাড়টিতে এসে ঠেকল। এবং ভোল্ডেমর্ট লাফ দিয়ে নৌকাটি থেকে নামল। তার মাথায় খুন চেপে গেছে

    প্রফেসর, আমাদেরকে স্কুলে একটি বেরিকেড তৈরি করতে হবে। সে প্রায় এসে গেছে!

    ভালো কথা, যার নাম নেয়া যাবে না সে প্রায় এসে গেছে, তিনি অন্যদের উদ্দেশে বললেন। স্প্রাউট এবং ফ্লিটউইক নিঃশ্বাস ছাড়লেন। স্লাগহর্ন বিড়বিড় করল। পটারের কাজ আছে ডাম্বলডোর অর্ডারে। আমরা সব ধরণের নিরাপত্তা বিধান করতে চেষ্টা করবো পটার যখন তার কাজটি করবে।

    তুমি অবশ্যই জানো যে আমরা দীর্ঘ সময় ধরে কিছু করতে পারবো না ইউ নো-হুঁকে বাইরে রাখতে, ফ্লিটউইক বললেন।

    কিন্তু আমরা তাকে ঠেকিয়ে রাখতে পারি। প্রফেসর স্প্রাউট বললেন।

    ধন্যবাদ পামোনা, প্রফেসর ম্যাকগোনাগল বললেন এবং এই দুই মহিলা যাদুকর নিজেদের মধ্যে সমঝোতার একটি চাহনি দিলেন। আমি পরামর্শ দেব আমরা একটি ব্যাসিক প্রোটেকশনের ব্যবস্থা করবো। তারপর আমাদের ছাত্রদেরকে বের করে এনে আমরা গ্রেট হলে জড়ো করবো। অধিকাংশকে সরিয়ে নিতে হবে। আর যাদের পরিণত বয়স হয়েছে তাদের মধ্যে কেউ যদি লড়াইতে অংশ নিতে চায়, আমি মনে করি তাদের সে সুযোগ দেয়া উচিত।

    আমি রাজি, প্রফেসর স্প্রাউট বললেন। তিনি দ্রুত দরোজার দিকে চলে যাচ্ছেন। আমি আমার হাউসের শিক্ষার্থীদের নিয়ে কুড়ি মিনিটের ভেতর গ্রেট হলে তোমাদের সঙ্গে মিলিত হচ্ছি।

    তিনি চোখের সামনে থেকে সরে গেলে অন্যরা তার কণ্ঠ শুনতে পেল, টেনটাকুলা, ডেভিলস ব্লেয়ার। এবং ফারগালাফ….আমি দেখতে চাই ডেথ ইটারদের সঙ্গে ওরা লড়াই করছে।

    আমি এখান থেকেই কাজ করতে পারব, ফ্লিটউইক বললেন। যদিও তিনি ভাল দেখতে পাচ্ছেন না, কিন্তু ভাঙা জানালার ভেতর দিয়ে যাদুদণ্ড তাক করে বিড়বিড় করে কিছু বললেন। হ্যারি একটি অদ্ভুত শব্দ শুনতে পেল। ফ্লিটউইক বাতাসের শক্তিকে যেন মাটির ভেতর কাজে লাগাচ্ছেন।

    প্রফেসর,হ্যারি সামনে এগিয়ে গিয়ে বলল। প্রফেসর, আমি অত্যন্ত দুঃখিত আপনাকে কাজের মধ্যে বিরক্ত করার জন্য। কিন্তু এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। পানি কি জানেন র‍্যাভেনক্লর মুকুটটি কোথায় আছে?

    … প্রোটেগো হরিবিলিস…র্যাভেনকুর মুকুট? তীক্ষ্ণ স্বরে তিনি বললেন। একটু বাড়তি জ্ঞান কখনো বৃথা যায় না। কিন্তু হ্যারি এ পরিস্থিতিতে সেটা খুব

    জরুরি বলে মনে হয় না।

    আমি শুধু জানতে চাচ্ছি… আপনি যদি জানেন সেটি কোথায় আছে? আপনি কি কখনো সেটা দেখেছেন?

    দেখেছি কি না? বর্তমান জীবনের কেউ সেটা দেখেনি। এটি অনেক আগেই হারিয়ে গেছে বালক!

    হ্যারির হতাশা এবং ব্যগ্রতার একটি মিশ্র প্রতিক্রিয়া হল। তাহলে হরক্রুক্সটি কোথায়?

    আমাদের সঙ্গে আপনার দেখা হবে গ্রেট হলে ফিলিয়াস! প্রফেসর বললেন এবং হ্যারি আর লুনাকে তার সঙ্গে যাবার জন্য ইশারা করলেন।

    তারা প্রায় দরোজার কাছে পৌঁছে গেছেন, ঠিক তখনই স্লাগহর্ন কথা বললেন।

    আমার কথা হল, তিনি ঘেমে গেছেন। মোটা মোচ কাঁপিয়ে বললেন, আমরা কি করছি! আমরা সঠিক কাজটি করছি কি না সে ব্যাপারে আমি নিশ্চিত নই মিনার্ভা। সে ভেতরে প্রবেশের জন্য আসছে। এবং যেই তাকে দেরি করাতে চাইবে তাকে দুঃখজনক বিপদে –

    আমি স্লিথারিনের সবাইকে এবং আপনাকেও কুড়ি মিনিটের ভেতর গ্রেট হলে আশা করি, প্রফেসর ম্যাকগোনাগল বললেন। যদি আপনি ছাত্রদের নিয়ে চলে যেতে চান আমরা আপনাকে বাধা দেব না। কিন্তু যদি কোনো দুর্ঘটনা ঘটাতে চেষ্টা করেন বা ক্যাসলে আমাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ধরেন তাহলে আমরা হত্যা করতে দ্বিধা করবো না।

    মিনার্ভা! তিনি আহত কণ্ঠে বললেন।

    স্লিথারিন হাউসের আনুগত্য প্রকাশের সময় এসেছে, বাধা দিয়ে প্রফেসর বললেন। যান এবং আপনার ছাত্রদেরকে ডেকে তুলুন হোরাস।

    হ্যারি এব স্লাগহর্ন-এর প্রতিক্রিয়া দেখার জন্য অপেক্ষা করল না। সে এবং লুনা প্রফেসরের পেছনে পেছনে ছুটল। তিনি করিডোরের মাঝখানে গিয়ে পজিশন নিলেন এবং তার যাদুদণ্ডটি তুলে ধরে প্রস্তুত হলেন।

    …পিয়ারটোটাম… ওহ ঈশ্বরের দোহাই, ওটা ফিলচ, এখন না-।

    বৃদ্ধ কেয়ারটেকার ফিলচ তদারকির জন্য বেরিয়ে এসেছে এবং বলল, ছাত্ররা বিছানা থেকে করিডোরে চলে এসেছে!

    ওরা মনে হচ্ছে! গাধা কোথাকার! উচ্চস্বরে প্রফেসর বললেন। এখন গিয়ে কিছু একটা কাজের কাজ করো! পিভসকে খুঁজে বের করো।

    পি.পিভস? তোতলাতে তোতলাতে ফিলচ বলল। মনে হল যেন সে এই নাম জীবনে শোনেনি।

    হ্যাঁ, পিভস ইডিয়ট, পিভস! গত পঁচিশ বছর ধরে তার নামে অভিযোগ করে আসছো না? এখন যাও, তাকে ধরে নিয়ে আসো!।

    ফিলচ কে দেখে মনে হল সে ভেবেছে প্রফেসর কথাটি বলে চলে গিয়েছেন। তবে সে গুমগুম করতে করতে চলে গেল।

    এবং এবার-পিয়ারটোটাম লোকোমোটর! চিৎকার করে প্রফেসর বললেন।

    উপরের থেকে সঙ্গে সঙ্গে প্রতিরক্ষা পোষাক গায়ে মূর্তিগুলো নেমে এল নিচে। উপর নিচ সব জায়গা থেকে ক্রাশ করার প্রতিধ্বনি পাওয়া গেল। হ্যারি জানে যে ক্যাসেলের সব যায়গা থেকে ওদের সঙ্গীরা একই কাজ করেছে।

    প্রফেসর ম্যাকগোনাগল চিৎকার করে বললেন, হোগার্ট এখন হুমকীর মুখে! তোমরা বাউন্ডারি আটকাও এবং আমাদের নিরাপদ করো! স্কুলের প্রতি তোমাদের কর্তব্য পালন করো!

    স্রোতের মত চিৎকার কোলাহল করতে করতে হ্যারিদের পাশ দিয়ে চলে যাচ্ছে। তাদের কেউ কেউ ছোট, আবার কেউ কেউ সাধারণের চেয়ে বড়। এদের ভেতর কিছু প্রাণীও আছে। ওরা পরণের ধাতব পোষাক শব্দ তুলছে এবং তলোয়ার এবং চেইনের সঙ্গে কাটাওয়ালা বল উঁচু করে আছে।

    এখন পটার, প্রফেসর ম্যাকগোনাগল বললেন। তুমি এবং মিস লাভগুড তোমার বন্ধুদের কাছে বরং ফিরে যাও। তাদের সঙ্গে নিয়ে গ্রেট হলে চলে আসো! আমি অন্যান্য গ্রিফিনডোরদের জাগিয়ে তুলছি।

    পরের সিঁড়ি তলা থেকে তারা আলাদা হয়ে গেল। হ্যারি এবং লুনা বন্ধ হয়ে থাকা রুম অব রিকোয়ারমেন্টের করিডোরটার দিকে দৌড়াল। ওরা দৌড়ানোর সময় পথে একদল ছাত্রকে দেখতে পেল। ওদেরকে শিক্ষকরা পেছন থেকে নেতৃত্ব দিয়ে গ্রেট হলের দিকে নিয়ে যাচ্ছে।

    ওটা ছিল পটার!

    হ্যারি পটার!

    হা ওটা পটার! আমি নিজে তাকে দেখেছি, দিব্যি খেয়ে বলছি!

    কিন্তু হ্যারি পেছনে ফিরে তাকালো না। অবশেষে ওরা রুম অব রিকোয়ারমেন্টের পথে এসে পৌঁছল। সে যাদুকরা দেয়ালটার কাছে এসে হেলান দিল এবং দরোজাটি খুলে ওদের প্রবেশের পথ করে দিল। হ্যারি এবং লুনা পিছলে সিঁড়ি বেয়ে নামল।

    কে-?

    রুমটি দৃষ্টিতে আসতেই হ্যারি হতবাক হয়ে কয়েক পা পিছিয়ে এল। রুমটি যেমন রেখে গিয়েছিল তেমন নেই। এখন লোকে ভরে গেছে। কিংসলে এবং লুপিন তার দিকে তাকিয়ে আছে। অলিভার উড, কেটি বেল, অ্যানজেলিকা জনসন, অ্যালিসিয়া স্পিনেট এবং বিল, ফ্লয়ার, মিস্টার এবং মিসেস উইসলি রয়েছেন।

    হ্যারি, কী ঘটছে? লুপিন বলল। সে সিঁড়ির কাছে এগিয়ে এসেছে।

    ভোল্ডেমর্ট চলে আসছে, অন্যরা বেরিকেড দিচ্ছে। স্নেইপ পালিয়ে গেছে তোমরা এখানে কি করছ? তোমরা জানলে কীভাবে?

    ফ্রেড বলল, আমরা ডাম্বলডোর আর্মির বাকিদেরকেও মেসেজ পাঠিয়েছিলাম। তুমি আশা করতে পারো না যে সবাই আনন্দটা মিস করুক। এবং ডিএ থেকে অর্ডার অব দ্য ফিনিক্সের সবাইকে জানানো হয়েছে। এভাবেই দ্রুত ছড়িয়ে গেছে।

    জর্জ বলল, আগে বল হ্যারি এখন ঘটনাটা কী ঘটছে?

    হ্যারি বলল, ওরা ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের আগে সরিয়ে দিচ্ছে। সংগঠিত হওয়ার জন্য সবাই গ্রেট হলে জড়ো হচ্ছে। আমরা নেমে পড়েছি!

    সবাই গর্জে উঠল এবং সিঁড়ি দিকে ছুটে গেল। হ্যারি নিজে দেয়ালের দিকে চেপে গেল অর্ডার অব দ্য ফিনিক্স, ডাম্বলডোর আর্মি এবং হ্যারির পুরাতন কিডিচ টিমের সদস্যদের পথ দেয়ার জন্য। ওদের সবার হাতে যাদুদণ্ড ধরা, ক্যাসলের উদ্দেশে চলল।

    লুনা আসো, ডিন যাবার সময় তার খালি হাত দিয়ে লুনার হাত ধরলো। সেও তার হাতটিকে গ্রহণ করল এবং আবার সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠে গেল।

    রুমের ভেতরের ভীড় কমে গেল। কিছু লোক রয়ে গেছে রুম অব রিকোয়ারমেন্টে। হ্যারি তাদের সঙ্গে যোগ দিল। মিসেস উইসলি জিনিকে ধরে রাখতে চেষ্টা করছেন। তার চারপাশে লুপিন, ফ্রেড, জর্জ, বিল এবং ফ্লয়ার।

    তোমার বয়স এখনো অপরিণত! হ্যারি এগিয়ে যেতেই শুনতে পেল মিসেস উইসলি তার মেয়েকে শাসিয়ে বলছেন। আমি তোমাকে যেতে দেব না! ছেলেরা যায় তো ঠিক আছে। কিন্তু তুমি বাড়ি ফিরে যাবে!

    আমি তা পারি না!

    জিনির চুলগুলো ঝাঁকি খেল সে যখন তার মায়ের হাত থেকে নিজেকে ছাড়িয়ে নিল।

    ..আমি ডাম্বলডোর আর্মির… ..

    একটি ছেলেপেলেদের দল!

    এই ছেলেপেলেদের দলই কিন্তু তাকে ফাঁসিয়ে দিয়েছে, অন্য কেউ সাহস পায়নি তা করতে! ফ্রেড বলল।

    মিসেস উইসলি চিৎকার করে বললেন, তার বয়স এখন মোল বছর। যথেষ্ট বয়স তার হয়নি! কী ভেবে তোমরা দুজন ওকে সঙ্গে নিয়ে এসেছ-

    ফ্রেড এবং জর্জকে সামান্য লজ্জিত মনে হল।

    বিল শান্ত কণ্ঠে বলল, মাম ঠিকই বলেছেন জিনি, তুমি এটা করতে পারো। প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়া সবাইকে সরে যেতে হবে, এটাই ঠিক।

    আমি বাড়ি ফিরে যেতে পারি না! জিনি চিৎকার করে বলল। তার চোখ দিয়ে রাগে পানি গড়িয়ে পড়ছে। আমার পুরো পরিবার এখানে, আমি বাড়িতে বসে একা অপেক্ষা করবো এবং কিছু জানবো না, এবং

    হ্যারির চোখে তার প্রথমবারের মত চোখ পড়ল। সে তার দিকে সাহায্যের আবেদনের দৃষ্টিতে তাকালো। হ্যারি মাথা নাড়ল। জিনি তীক্তভাবে অন্যদিকে ফিরল।

    ঠিকাছে, সে বলল। প্রবেশের টানেলের দিকে তাকাল। আমি এখন গুডবাই বলব, এবং

    হঠাৎ করে ঘর্ষণের শব্দ পাওয়া গেল এবং ধপাস শব্দ হলো: কেউ একজন টানেল বেয়ে নেমে এসেছে। কিছুটা ভারসাম্যহীন হয়ে ধপাস করে বসে পড়ল। সে সেখান থেকে উঠে এসে কাছের চেয়ারটা টেনে বসল। চশমার কাঁচের ভেতর দিয়ে সে চারদিকে তাকাল। তারপর বলল, আমি কি খুব দেরি করে ফেলেছি? শুরু হয়ে গেছে? আমি এইমাত্র জানতে পারলাম, তাই আমি… আমি…

    পার্সি অসঙ্গতভাবে কথা বলা বন্ধ করল। দেখে বোঝা যাচ্ছে সে এখানে তার পুরো পরিবারকে আশা করেনি। বেশ খানিকক্ষণ সবাই নিরব রইল। তারপর ফ্লয়ার নিরবতা ভঙ্গ করল। সে উত্তেজনা প্রশমনের জন্য লুপিনের দিকে ফিরে বলল, তো…ছোট বাচ্চাটি কেমন আছে?

    লুপিন তার দিকে তাকিয়ে চোখ পিটপিট করল। উইসলি পরিবারের সবাই চুপ হয়ে আছে। বরফের মত শীতল হয়ে আছে।

    লুপিন উচ্চস্বরে বলল, আমি… ওহ হ্যা… সে ভাল আছে। টঙ্কস তাকে দেখাশোনা করছে…সে তার মায়ের ওখানে।

    পার্সি এবং উইসলি পরিবারের সদস্যরা তখনো একে অন্যের দিকে তাকাচ্ছে।

    এখানে আমার কাছে একটি ছবি আছে, সুপিন উচ্চস্বরে বলল। সে পকেট থেকে ছবি টেনে বের করল এবং হ্যারি ও ক্লয়ারের দিকে বাড়িয়ে ধরল। ওরা দেখল একটি ছোট শিশু, মাথায় ঝুটি করা চুল। সে ক্যামেরার দিকে ছোট মোটা মোটা হাতের পাঞ্জা তুলে ধরে আছে।

    আমি ছিলাম একটা বোকা! পার্সি এত জোরে বলল যে লুপিনের হাত থেকে ছবিটি প্রায় পড়ে যাচ্ছিল। আমি ছিলাম একটা ইডিয়ট! আমি ছিলাম একটা স্বার্থপর বোকা, আমি…আমি ছিলাম-।

    মিনিস্ট্রি প্রেমি, পরিবারকে অসম্মানকারী, ক্ষমতার লোভী অজ্ঞ, ফ্রেড বলল।

    পার্সি ঢোক গিলল।

    হ্যাঁ, আমি তাই।

    ওয়েল, তুমি তারচেয়ে ভাল কিছু আশা করতে পারো না, ফ্রেড তার দিকে হাত বাড়িয়ে দিল।

    মিসেস উইসলি কেঁদে ফেললেন। তিনি দৌড়ে এসে ধাক্কা দিয়ে ফ্রেন্ডকে সরিয়ে দিলেন এবং পার্সিকে টেনে নিয়ে জড়িয়ে ধরলেন। তিনি ওর পিঠ চাপড়ে দিলেন। পার্সি তার বাবার দিকে তাকালো।

    আমি দুঃখিত ড্যাড, সে বলল।

    মি. উইসলি চোখ পিটপিট করলেন। তারপর তিনিও সন্তানকে জড়িয়ে ধরলেন।

    তোমার দেখার চিন্তা ফিরে এল কীভাবে পার্সি? জর্জ জানতে চাইল।

    হঠাৎ করে মুহূর্তের জন্য এল, পার্সি বলল। সে তার ভ্রমণ আলখাল্লার হাতা দিয়ে চোখের কোণা মুছল। কিন্তু আমি একটি পথ খুঁজছিলাম। এটা মিনিস্ট্রিতে সহজ কোনো কাজ না। ওরা বিশ্বাসঘাতকদের সবসময় আটকে রাখে। আমি কোনোক্রমে আবারফোর্থের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পেরেছিলাম। সে দশমিনিট আগে আমাকে সতর্ক করে বলেছে যে হোগার্টে একটি লড়াই শুরু হতে চলেছে। তাই আমি এখন এখানে।

    ওয়েল, আমরা চাচ্ছি আমাদের ছাত্ররা সঠিক সময়ে এরকম একটি কাজ করে ফেলবে, পার্সিকে নিপুনভাবে নকল করে জর্জ বলল। এখন উপরে চলো এবং যুদ্ধে নামো, নাহলে ডেথ-ইটাররা সব খতম করে দেবে।

    তাহলে তুমি এখন আমার ভাবী? পার্সি ফ্লয়ারের সঙ্গে হাত মিলিয়ে বলল। তারপর বিল, ফ্রেড এবং জর্জের সঙ্গে উপরে উঠে গেল।

    জিনি! কর্কশ কণ্ঠে মিসেস উইসলি বললেন।

    জিনি পালিয়ে পালিয়ে ওদের আড়ালে উপরে উঠে যাওয়ার চেষ্টা করছিল।

    লুপিন বলল, মলি, এটা কেমন হয়। জিনি এখানে অবস্থান করতে পারে না? সে অন্তত ঘটনার জায়গায় রইল এবং অন্ততপক্ষে জানতে পারল। শুধু নিজে যুদ্ধের ভেতরে না গেলেই হয়?

    আমি-

    এটা একটা ভালো কথা, মি. উইসলি দৃঢ়তার সঙ্গে বললেন। জিনি, তুমি রুমের ভেতর অবস্থান করবে, আমার কথা শুনতে পাচ্ছ?

    জিনি এই পরিকল্পনা খুব একটা পছন্দ করেনি। কিন্তু তার বাবার একটি অস্বাভাবিক চাহনির সামনে সে মাথা নাড়ল। মি. এবং মিসেস উইসলি আর লুপিনও সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠে গেলেন।

    হ্যারি বলল, রন কোথায়, হারমিয়ন কোথায়?

    ওরা সম্ভবত ইতিমধ্যেই উপরে চলে গেছে, কাধের উপর থেকে মি. উইসলি যেতে যেতে বললেন।

    আমি তো ওদেরকে আমাকে পার হয়ে যেতে দেখিনি? হ্যারি বলল।

    তুমি চলে যাবার পরপরই ওরা বাথরুম বিষয়ে কি যেন বলছিল।

    একটি বাথরুম?

    হ্যারি লম্বা পা ফেলে রিকোয়ারমেন্ট রুমের একটি খোলা দরোজা দিয়ে ঢুকল এবং বাথরুম চেক করল। কিন্তু সেটি খালি।

    তুমি নিশ্চিত যে ওরা বলেছে বাথ-?

    কিন্তু ঠিক তখনই তার স্কারটি জ্বলে উঠল এবং রিকোয়ারমেন্ট রুমটি উধাও হয়ে গেল। সে উঁচু লোহার গেটের উপর দিয়ে তাকাচ্ছে। ক্যাসলের চারদিকটা অন্ধকার। শুধু ক্যাসেলটা আলোতে ঝলমল করছে। নাগিনী তার কাঁধের উপর ভর করে আছে। সে আসন্ন নিষ্ঠুর, শীতল হত্যাকাণ্ডের জন্য প্রস্তুত।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদ্য ক্যাচার ইন দ্য রাই – জে ডি সালিঞ্জার, অনুবাদ – রাফায়েত রহমান রাতুল
    Next Article হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য হাফ-ব্লাড প্রিন্স (৬) – জে. কে. রাওলিং

    Related Articles

    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার এন্ড দি ফিলসফারস স্টোন (১) – জে. কে. রাওলিং

    August 18, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য চেম্বার অব সিক্রেটস (২) – জে. কে. রাওলিং

    August 18, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য প্রিজনার অব আজকাবান (৩) – জে. কে. রাওলিং

    August 18, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য গবলেট অব ফায়ার (৪) – জে. কে. রাওলিং

    August 16, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য অর্ডার অব দ্য ফনিক্স (৫) – জে. কে. রাওলিং

    August 16, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য হাফ-ব্লাড প্রিন্স (৬) – জে. কে. রাওলিং

    August 16, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }