Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ডেথলি হ্যালোস (৭) – জে. কে. রাওলিং

    জে. কে. রাওলিং এক পাতা গল্প937 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৩৪. আবারো জঙ্গল

    ৩৪. আবারো জঙ্গল

    অবশেষে সে বাস্তবে ফিরে এল। সে মুখটা ধুলিমাখা কার্পেটের উপর উবু হয়ে শুয়ে আছে। এই অফিসটিকে সে মনে করেছিল এক সময় এখানে সে বিজয়ের গোপন শিক্ষা পাঠ নিয়েছিল। কিন্তু হ্যারি বুঝতে পেরেছে যে তার বাঁচার কোনো উপায় নেই। তার কাজ হল ধীরে ধীরে মৃত্যুকে আলিঙ্গন করা। এই সময়টাতে সে শুধু ভোষ্টেমর্টের সংযোগটিকেই বহন করে যাবে। এভাইে সে যখন ভোল্ডেমর্টের পথে গিয়ে দাঁড়াবে এবং তার নিজের যাদুদণ্ডটি আর তুলে ধরবে না তখন অবসানটি পরিস্কার হয়ে যাবে। এবং যে কাজটি গোড্রিচ হলোতে করার কথা ছিল তা শেষ হয়ে যাবে। দুজনের কেউই বাঁচবে না, টিকে থাকতে পারবে না।

    সে অনুভব করল বুকের ভেতর হৃদপিণ্ডটা প্রচণ্ডভাবে বাড়ি দিচ্ছে। কি অদ্ভুত ব্যাপার যে মৃত্যু আতঙ্কের ভেতর এটি ধুকধুক করে দম চালিয়ে যাচ্ছে, সাহসের সঙ্গে তাকে টিকিয়ে রেখেছে! কিন্তু এটাকে অতি শীঘ্রই থামতে হবে। বুকের এই শব্দ এখন গোণা শব্দ, সীমিত। সে উঠে দাঁড়িয়ে মাঠের ভেতর দিয়ে, জঙ্গলের ভেতর দিয়ে ক্যাসেলের দিকে যাবার পর আর কত সময় থাকবে?

    মেঝেতে শুয়ে থাকার সময় আতঙ্ক তাকে জাপটে ধরল। মৃত্যুর ড্রাম যেন বাজছে। মৃত্যু কি কষ্টদায়ক হবে? সব সময় সে মনে করেছে মৃত্যু কাছে এসেছে এবং বেঁচে গেছে। কিন্তু প্রকৃত ঘটনা নিয়ে সে কখনো চিন্তা করেনি। মৃত্যুর ভয়ের চেয়ে বেঁচে থাকার ইচ্ছা সব সময় অনেক শক্তিশালী ছিল। কিন্তু এখন তার কাছে ভোল্ডেমর্টকে পরাজিত করা বা নিজের বেঁচে যাওয়ার কথা মনে হচ্ছে না। সে জানে সেটা শেষ হয়ে গেছে। সর্বশেষ যা বাকী আছে তা হল মৃত্যুবরণ।

    যদি সে গ্রীস্মের সেই রাতে মারা যেত, যে রাতে মহান ফিনিক্স পালকের যাদুদণ্ডটি তাকে রক্ষা করেছিল! যদি সে হেজভিগের মত তাৎক্ষণিক মারা যেত তাহলে সে জানতো না যে মৃত্যু ঘটতে যাচ্ছে। অথবা যদি আপন কোনো মানুষকে বাঁচাতে গিয়ে কোনো যাদুদণ্ডের সামনে দাঁড়াতে… এখন তার বাবা মায়ের মৃত্যুও তাকে ঈর্ষা জাগায়। নিজের ধ্বংসের দিকে শীতল পায়ে এগিয়ে যাওয়ার জন্য একটি ভিন্ন ধরণের সাহস প্রয়োজন। সে অনুভব করলো যে তার হাত একটু একটু কাঁপছে, এবং সে তা থামাতে চেষ্টা করলো। যদিও কেউই তাকে দেখছে না। দেয়ালের পোট্রেইটগুলোও সব খালি।

    ধীরে, অত্যন্ত ধীর গতিতে হ্যারি উঠে বসল। আর উঠে বসার পরপরই তার ভেতরে একটা প্রাণ এল। সে অন্য যে কোনো সময়ের চেয়ে নিজের জীবন্ত শরীরটার প্রতি সচেতন হয়ে উঠল। কেন সে এতকাল বুঝতে পারেনি যে তার মস্তিস্ক, স্নায়ু এবং ভেতরে ধুকধুক করে বাড়ি দেয়া হৃদপিণ্ড একটা মিরাকল? এ সব কিছু তার ভেতর থেকে চলে যেত…অথবা অন্তত সে এগুলো থেকে নিস্তার পেত। তার নিঃশ্বাস ধীর এবং গভীর হয়ে উঠল। গলা পুরোপুরি শুকিয়ে গেছে, মুখ শুকিয়ে গেছে।

    ডাম্বলডোরের বেঈমানি কিছুই ছিল না। অবশ্যই অন্য একটা বড় প্ল্যান ছিল। হ্যারি এত বোকা ছিল যে সেটা বুঝতে পারেনি। সেটা এখন সে অনুভব করতে পারছে। সে নিজের ধারণাকে কখনো প্রশ্ন করেনি যে ডাম্বলডোর তাকে জীবিত রাখতে চান। এখন সে বুঝতে পারছে যে তার জীবণের পরিধি নির্দিষ্ট হয়েছে সে কতদিনে হরক্রুক্সগুলো তুলে আনতে পারে তার উপর। এগুলোকে ধ্বংস করার দায়িত্ব ডাম্বলডোর তাকে দিয়ে গেছে। আর সে অব্যাহতভাবে শুধু ভোল্টেমর্টের জীবনই নয়, তার নিজেরটাও খাটো করে নিয়ে আসতে চেষ্টা করছে। কতটা পরিস্কার, কতটা পারদর্শিতা এ কাজে যে অন্যদের জীবন না খুইয়ে শুধুমাত্র তাকে এই কঠিন দায়িত্ব দেয়া যার মৃত্যুর পরোয়ানা চিহ্নিত হয়ে আছে, যার মৃত্যু কোনো কিছুর ধ্বংস আনবে না, কিন্তু ভোল্ডেমর্টের জন্য আঘাত হবে।

    এবং ডাম্বলডোর জানতেন যে হ্যারি এর থেকে সরে যেতে পারবে না। সে কারণেই তিনি শেষ পর্যন্ত, এমনকি মৃত্যুর সময়ও চুপ থেকেছেন। সে কারণেই তাকে জানতে কষ্ট হয়েছে। ভোল্টেমর্টের মত ডাম্বলডোরও জানতেন যে হ্যারি নিজের কারণে কারো মৃত্যুকে মেনে নেবে না। ফ্রেড, লুপিন এবং টঙ্কসের মৃত্যু দৃশ্য তার মনের চক্ষুতে ফিরে এসেছে এবং এক মুহূর্তের জন্য তার দম বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। মৃত্যু তাকে অস্থির করে ফেলেছে….

    কিন্তু ডাম্বলডোর তার সম্পর্কে অধিক উচ্চ ধারণা করেছেন। সে আসলে ব্যর্থ হয়েছে : সাপটি বেঁচে আছে। হ্যারিকে হত্যা করা হলেও একটি হরক্রুক্স ভোল্টেমর্টের সঙ্গেই পৃথিবীতে থেকে যাবে। সত্যি তখন যে কারো জন্য কাজটি সহজ হয়ে যাবে। হ্যারি ভাবল, কে এই কাজটি করতে পারবে…..রন এবং হার মিয়নেরই জানা থাকবে কী করতে হবে। অবশ্যই… সে কারণেই ডাম্বলডোর চাইতেন হ্যারি অন্য দুজনের সঙ্গে সব গোপন বিষয় শেয়ার করুক…যাতে যদি হ্যারি তার নিয়তির দিকে অগেভাগে চলে যায় তাহলে যেন অসমাপ্ত কাজ বাকী দুজন করতে পারে….

    ঠাণ্ডা জানালায় বৃষ্টির মতো এই অনস্বীকার্য সত্যটি আবার শক্ত করে বাড়ি দিতে থাকল যে তাকে মরতে হবে। আমি অবশ্যই মারা যাবো, আমি শেষ হয়ে যাবো।

    রন এবং হারমিয়নকে মনে হল তার দেশ থেকে অনেক দূরে। তার মনে হল যেন সে ওদের কাছ থেকে অনেক আগেই আলাদা হয়ে গেছে। তাদের কাছ থেকে। বিদায় নেয়া হবে না, কোনো ব্যাখ্যা দেয়া যাবে না। সে এ ব্যাপারে দৃঢ়। এটা এমন এক ভ্রমণ যা সবাই মিলে তারা করতে পারবে না। ওকে যদি ওরা ফেরানোর চেষ্টা করে সেটা হবে মুল্যবান সময় নষ্ট। সে তার টোপ খেয়ে যাওয়া সোনার ঘরিটার দিকে তাকালো। ঘড়িটা সতের তম জন্মদিনের উপহার পেয়েছিল। দেখল ভোল্ডেমর্টের কাছে তার আত্মসমর্পনের বেধে দেয়া সময়ের অর্ধেকটা পার হয়ে গেছে।

    হ্যারি উঠে দাঁড়ায়। তার হৃদপিণ্ডটি বুকের খাঁচার ভেতরে একটি পোষ না মানা পাখির মত জাপটে বেড়ায়। হয়তো সেটি জানে যে আর খুব অল্প সময় আছে। হয়তো বাকী হার্টবিটগুলো জীবনাবসানের আগেই শেষ করতে চাচ্ছে। সে অফিস। দরোজাটি বন্ধ করার সময় পেছনে তাকালো না।

    ক্যাসল পুরোপুরি ফাঁকা। সে ভূতের মত তার ভেতর দিয়ে একা একা আগালো, যেন সে ইতিমধ্যেই মরে গেছে। পোট্রেইটের ভেতরের মানুষগুলো এখন আর ফ্রেমের ভেতর নেই। পুরো এলাকা অস্বাভাবিক শান্ত, মনে হল যেন বেঁচে থাকা সবাই গ্রেট হলে গিয়েছে যেখানে মৃতরা এবং শোকার্তরা ভীড় করেছে।

    হ্যারি অদৃশ্য আলখাল্লাটি তার গায়ে চড়ালো এবং মেঝেতে নেমে এল। শেষে মার্বেলের সিঁড়ি দিয়ে এন্ট্রান্স হলে এসে প্রবেশ করল। হয়তো তার আলখাল্লাটির ছোট কোনো অংশ দেখা যাবে, বা কাজ করবে না। কিন্তু এটি আগের মতই পুরোপুরি কার্যকর আছে। পারফেক্ট। সে সহসাই সামনের দরোজার কাছে পৌঁছে গেল।

    ঠিক তখনই নেভিল প্রায় তার দিকে চলে আসছিল। আরেকটু হলেই ধাক্কা খেতো। নেভিল দুটো মানুষের মত হয়ে আছে, সে গ্রাউন্ড থেকে মৃত একটি দেহ বয়ে এনেছে। হ্যারি নিচু হয়ে দেখল এবং তার ভেতরে আরো একটি প্রচণ্ড ধাক্কা লাগল। কলিন ক্রিভি, সে হয়তো ক্র্যাবে, ম্যালফয় এবং গয়েলের মতো চুপি চুপি পিছু হটেছিল। মরার পর সে ছোট হয়ে গিয়েছে।

    তুমি শুনেছ? আমি ওকে একাই বয়ে নিতে পারি, নেভিল, অলিভার উড বলল। সে কলিনকে কাধের উপর তুলে নিয়ে গ্রেট হলে প্রবেশ করল।

    নেভিল খানিক সময়ের জন্য দরোজার চৌকাঠের সঙ্গে হেলান দিল এবং হাতের তালু দিয়ে কপাল মুছল। তাকে একজন বৃদ্ধ লোকের মত দেখা যাচ্ছে। তারপর সে আবার নিচে নেমে অন্ধকারের দিকে চলে গেল আরো মৃতদেহ তুলে আনার জন্য।

    হ্যারি একবার গ্রেট হলের প্রবেশ পথের দিকে তাকালো। লোকজন চলাচল করছে, একজন আরেকজনকে শান্তনা দিচ্ছে। কেউ কেউ ড্রিংকস করছে। কেউ মৃতদেহের পাশে হাঁটু গেড়ে বসেছে। কিন্তু হ্যারি নিজের কাছের কোনো মানুষকে দেখতে পেল না। রন, হারমিয়ন এবং জিনি বা অন্য কোনো উইসলি পরিবারের কাউকে দেখা গেল না। লুনাকেও না। সে অনুভব করল তার বাকী সময়টা সে শেষ বারের মত তাদের দিকে তাকিয়ে কাটিয়ে দেবার জন্যই ধার্য করবে। কিন্তু তারপর, সে দেখা কি থামানোর ক্ষমতা তার থাকবে?

    সে নিচের সিঁড়ির দিকে গেল এবং অন্ধকারের উদ্দেশে। তখন প্রায় ভোর চারটা বেজে গেছে। মনে হল নিথর দেহগুলোর শ্বাস প্রশ্বাস আছে। অপেক্ষা করছে। হ্যারির যা করবার কথা তা সে করতে পারে কিনা।

    হ্যারি সরাসরি নেভিলের দিকে গেল। নেভিল আরো একটি মৃতদেহ তুলছে।

    নেভিল।

    হায় হায়! হ্যারি, তুমি আমার পিলে চমকে দিয়েছিলে!

    হ্যারি টান দিয়ে অদৃশ্য আলখাল্লাটি খুলে ফেলল। কোত্থেকে যেন বুদ্ধিটা এল। সেটা নিশ্চিত করার জন্য ইচ্ছা জেগে উঠল।

    তুমি একা কোথায় যাচ্ছ? নেলি সন্দেহ নিয়ে জানতে চাইল।

    এটা আমার একটা পরিকল্পনার অংশ, হ্যারি বলল। আমাকে একটা কাজ করতে হবে। শোনো, নেভিল-।

    হ্যারি! নেভিলকে হঠাৎ আতঙ্কিত মনে হল। হ্যারি! তুমি নিজেকে হাতে তুলে দেয়ার, সমর্পন করার চিন্তা করছ?

    না, হ্যারি সহজভাবে মিথ্যা কথা বলল। অবশ্যই না–এটা অন্য একটা ব্যাপার। কিন্তু আমাকে আপাতত চোখের বাইরে যেতে হবে। তুমি ভোল্টেমর্টের সাপটির কথা জানো, নেভিল? তার একটি বিশাল সাপ আছে…যার নাম নাগিনী..

    আমি শুনেছি… হা… সেটার ব্যাপারে কি?

    এটাকে হত্যা করতে হবে। রন এবং হারমিয়ন সেটা জানে। কিন্তু যদি কোনোক্রমে ওরা

    এ সম্ভাবনার ভয়ে তার দম মুহূর্তের জন্য আটকে আসতে চাইল। কিন্তু আবার নিজেকে সে নিয়ন্ত্রণ করলো। এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়। তাকে ডাম্বলডোরের মত মাথা ঠাণ্ডা রাখতে হবে। নিশ্চিত করতে হবে যে তার ব্যাক আপ আছে, অন্যরা কাজটি সম্পন্ন করবে।

    ডাম্বলডোর মৃত্যুর সময় জানতেন যে তিনজন জীবিত মানুষ আছে যারা হরক্রুক্সটি সম্পর্কে জানে। এখন নেভিলের হ্যারির জায়গাটা নেয়া দরকার। তাহলে এখনো গোপন বিষয়টি তিনজনের জানা থাকবে।

    যদি কোনোভাবে ওরা… ব্যস্ত… আৰু তুমি যদি সুযোগ পাও…

    সাপটিকে হত্যা করার?

    সাপটিকে হত্যা করার, হ্যারি তার কথা রিপিট করলো।

    ঠিক আছে হ্যারি, তোমার সব কিছু ঠিক আছে?

    আমি ঠিক আছি, ধন্যবাদ নেভিল।

    কিন্তু হ্যারি হাঁটতে শুরু করলেই নেভিল তার হাত টেনে ধরল।

    আমরা সবাই লড়ছি, তুমি সেটা জানো?

    হ্যাঁ, আমি

    কথা শেষ করতে গিয়ে তার গলা আটকে গেল। না সে আর বলতে পারছে। নেভিল বিষয়টি লক্ষ করেনি। সে হ্যারির কাঁধে পিঠ চাপড়ে দিয়ে হাত ছেড়ে দিল। তারপর হেঁটে মৃতদেহ খুঁজতে চলে গেল।

    হ্যারি আবার আলখাল্লাটি গায়ে চড়িয়ে হাঁটতে শুরু করল। কেউ একজন কাছেই নড়ে উঠল। একটি পড়ে থাকা শরীরের উপর ঝুকল। কয়েক পা দূরে থাকতেই হ্যারি বুঝল মেয়েটি জিনি।

    হ্যারি দাঁড়িয়ে পড়ল। জিনি একটি মেয়ের উপর ঝুঁকে পড়েছে। মেয়েটি তার মায়ের কথা ফিসফিস করে বলছে।

    ঠিক আছে, জিনি বলতে থাকল। ওকে, আমরা তোমাকে ভেতরে নিয়ে যাচ্ছি।

    কিন্তু আমি বাড়ি যেতে চাই, মেয়েটি ফিসফিস করে বলল। আমি আর লড়তে চাই না।

    আমি জানি, জিনি বলল। তার গলার স্বর ভেঙে আসল। সব কিছু ঠিক হয়ে যাবে।

    হ্যারির গায়ের উপর দিয়ে একটি শীতল স্রোত বয়ে গেল। তার চিৎকার দিতে ইচ্ছা হল। জিনিকে জানাতে প্রচণ্ড ইচ্ছ হল যে সেও এখানে দাঁড়িয়ে আছে। জিনিকে বলতে ইচ্ছা করল সে কোথায় যাচ্ছে। তার ইচ্ছা হল থামতে, ফিরে যেতে, ঘরে ফিরে যেতে….।

    কিন্তু সে বাড়িতেই আছে। তার জানামতে হোগার্টেই হল তার প্রথম এবং সবচেয়ে ভাল বাড়ি। সে নিজে, ভোল্ডেমর্ট, স্নেইপ এবং এখান থেকে ছেলেদের সবার জন্য এটাই তাদের বাড়ি…।

    জিনি আহত মেয়েটির পাশে হাঁটু গেড়ে বসল। তার হাতটা ধরল। হ্যারি প্রচণ্ড চেষ্টা করে আবার নিজের পথে হাঁটতে শুরু করল। তার মনে হল সে দেখল জিনি, পেছন ফিরে ঘুরে তাকিয়েছে। ভাবল, জিনি কি বুঝতে পেরেছে যে কেউ একজন কাছ দিয়ে হেঁটে গেল। কিন্তু হ্যারি কিছু বলল না। সে পেছনের দিকে আর ফিরে তাকালো না।

    হ্যাগ্রিডের ছোট ঘরটি অন্ধকারের ভেতর দেখা গেল। কোনো আলো নেই। দরোজায় কোনো দাঁত কড়মড় করার শব্দ নেই। হ্যাগ্রিডের এখানে আসলে দেখা যেত সিলভারের কেতলি চুলার ওপর, পাথরের টুকরার মত কেক, খাবারের স্তূপ এবং তার দাঁড়ি ভরা মুখটি।

    হ্যারি হাঁটতে থাকল এবং জঙ্গলের কোণায় পৌঁছে দাঁড়ালো।

    গাছগাছালির ভেতর দিয়ে ডেমেনটরগুলো দৌড়ে বেড়াচ্ছে। হ্যারি ওদের চেঁচামেচি শুনতে পাচ্ছে। কিন্তু বঝুতে পারছে না যে ওদের পার হয়ে যেতে পারবে কি না। প্যাট্রোনাস তৈরির জন্য তার যথেষ্ট শক্তি অবশিষ্ট নেই। সে নিজের কাঁপতে থাকাটা নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না। যাই হোক, মৃত্যুকে আলিঙ্গন করা এত সহজ ব্যাপার নয়। প্রতিটি মুহূর্তে নিঃশ্বাসের সঙ্গে ঘামের গন্ধ, মুখের উপর ঠান্ডা বাতাস এসে লাগা-এ সব কিছু বড়ই মুল্যবান। সে ভাবল, মানুষের বছরের পর বছর অযথা কাটানোর সময় রয়েছে। আর তার নিজের প্রতিটি সেকেন্ড সময় হিসাব করতে হচ্ছে। একই সঙ্গে সে চিন্তা করল যে সে যেতে পারবে না, কিন্তু জানে যে করতেই হবে। দীর্ঘ খেলার অবসান হতে যাচ্ছে, স্নিচটি হাতে ধরা হয়েছে, এখন ছেড়ে দেয়ার পালা…

    স্নিচটির জন্য গলার সঙ্গে ঝোলানো ব্যাগটির ভেতরে কাঁপা আঙুল দিয়ে খুঁজল এবং সেটি বের করে আনল।

    আমি কাছাকাছি চলে এসেছি —

    ঘনঘন, কষ্ট করে দম নিতে হচ্ছে। হ্যারি চোখ নামিয়ে সিঁচটি দেখল। হ্যারি চাইল সময়টা যেন ধীরে বয়ে যায়, কিন্তু সময় যেন আরো দ্রুত গতিতে পার হচ্ছে। স্নিচের সঙ্গে বোঝা পড়া যেন চিন্তারও আগে চলছে। এটাই এখন মোক্ষম সময়।

    হ্যারি স্নিচটি মুখের কাছে নিয়ে ঠেসে ধরল এবং ফিসফিস করে বলল, আমি মরতে যাচ্ছি।

    ধাতব মোড়কটি ভেঙে খুলে গেল। সে কাঁপা হাতটি নিচে নামালো। তারপর অদৃশ্য আলখাল্লার নিচ থেকে যাদুদণ্ড তুলে ধরে বলল, লিউমাস!

    স্নিচের ভেতরে মাঝখানে দুই-তৃতীয়াংশ স্থান জুড়ে থাকা কালো পাথরটির উপরের দুই ভাগ ভেঙে বের হয়ে এল। এই পুনরুত্থান পাথরটি আড়াআড়ি ভেঙে গেছে যেটির একটি এলডার ওয়্যান্ডের প্রতিনিধিত্ব করে। আর ত্রিকোণ এবং গোল অংশ হল আলখাল্লার প্রতিনিধিত্ব করে এবং পাথরটি পরিস্কার দেখা যাচ্ছে।

    আবারো হ্যারি কোনো চিন্তা ছাড়াই কিছু বিষয় বুঝতে পারল। তাদের সঙ্গে যোগ দেয়ার জন্য তাদের নিয়ে আসাটা আসলে কোনো ঘটণন না। সে তাদেরকে নিয়ে আসছে না, বরং তারাই ওকে টেনে নিয়েছে।

    হ্যারি চোখ বুজল এবং পাথরটি তিনবার তার হাতের উপর ঘোরালো।

    সে জানতো যে ঘটনাটা এমনই ঘটবে। সে শব্দ শুনতে পেল। বনের প্রান্ত থেকে কিছু দুর্বল শরীর ছোটছোট ডালপালা মাড়িয়ে চলাফেরা করছে। হ্যারি চোখ খুলল এবং চারদিকে তাকালো।

    তারা না মানুষ, না ভূত। সে পরিস্কার দেখতে পাচ্ছে। তারা দেখতে অনেকটা রিডলের মত–সেই যে বহুদিন আগে যে রিড়ল ডায়েরি থেকে সরে গিয়েছিল। হ্যারির পরিস্কার মনে আছে। তারা হ্যারির দিকে এগিয়ে আসছে। মানুষের মত এত পরিপূর্ণ নয়, আবার ভূতের মত অতটা অস্পষ্টও নয়। প্রতিটি মুখেই একটি আন্তরিক হাসি।

    জেমসের উচ্চতা একেবারে হ্যারির সমান। যে পোষাকটি পরে তিনি মারা গিয়েছিলেন ঠিক সেই পোষাকটিই পরে আছেন। তার চুলগুলো এলোমেলো এবং উসকোখুসকো। তার চোখের চশমাটি মি. উইসলির মত সামান্য বেঁকে আছে।

    সিরিয়স অনেক লম্বা এবং স্বাস্থ্যবান। তার জীবিত থাকাকালে হ্যারি যেমন দেখেছে তার চেয়ে অনেক অল্পবয়সী মনে হচ্ছে। সে শান্তভাবে হাঁটছে। তার হাত দুটো পকেটের ভেতর এবং মুখে হাসি।

    লুপিনকেও অনেক বেশি অল্প বয়সের মনে হচ্ছে। তার চুলগুলো পাতলা এবং কালো। তাকে এই পরিচিত জায়গায় আসতে পেরে খুশি মনে হচ্ছে। চারপাশে কৈশরের অনেক স্মৃতি।

    সবার চেয়ে বিস্তৃত হাসি লিলির মুখে। তিনি কাছে আসতেই তার চুলগুলো তিনি ঠেলে পেছনের দিকে দিলেন। হ্যারির মতই তার সবুজ চোখ দুটো দিয়ে হ্যারির দিকে এমন ক্ষুধার্তভাবে দেখছেন যেন কখনোই তাকে যথেষ্ট তৃপ্তির সঙ্গে দেখা হয়নি।

    তুমি অত্যন্ত সাহসী!

    তুমি প্রায় পৌঁছে গেছ, জেমস বললেন। খুবই কাছে… আমরা তোমাকে নিয়ে সত্যিই গর্বিত।

    খুব কষ্ট?

    শিশু সুলভ প্রশ্নটি হ্যারির মুখ ফসকে বের হয়ে গেল।

    মৃত্যু মোটেই না, সিরিয়স বলল। ঘুমাতে যাওয়ার চেয়ে সহজ এবং দ্রুত।

    লুপিন বলল, এবং সেও এটি দ্রুত শেষ করতে চায়।

    আমি চাই না যে তোমাদের মৃত্যু হোক, হ্যারি বলল। তার ইচ্ছার বাইরেই কথাগুলো বের হয়ে এল।

    তোমাদের যে কারো মৃত্যু, আমি খুবই দুঃখিত।

    অন্যদের চেয়ে লুপিনের দিকে তাকিয়েই হ্যারি অনুনয় করে কথা বলছে।

    –তোমার ছেলেটি জন্ম নেয়ার পরপরই…রেমুস। আমি সত্যিই দুঃখিত…

    আমিও দুঃখিত, লুপিন বলল। দুঃখ, আমি তাকে কখনো জানতে পারব ….কিন্তু সে জানবে কেন আমি মারা গেছি। এবং আমি আশা করি সে বুঝতে পারবে। আমি চেষ্টা করেছিলাম তার জন্য একটি জগত তৈরি করতে যেখানে সে শান্তিতে বসবাস করবে।

    একটি তীক্ষ্ণ ঠাণ্ডা হাওয়া জঙ্গলের গভীর থেকে উঠে এসে হ্যারির ভুরুগুলোকে নাড়িয়ে দিল। হ্যারি জানে যে তারা ওকে চলে যেতে বলবেন না, সিদ্ধান্তটি তাকেই নিতে হবে।

    তোমরা কি আমার সঙ্গে থাকবে?

    একেবারে শেষ পর্যন্ত, জেমস বললেন।

    ওরা আপনাদের দেখে ফেলবে না? হ্যারি জানতে চাইল।

    আমরা তোমারই অংশ, সিরিয়স বলল। তবে, অন্য যে কারো কাছে অদৃশ্য।

    হ্যারি তার মায়ের দিকে ফিরে তাকালো।

    হ্যারি শান্তভাবে বলল, আমার কাছাকাছি থেকো।

    সে রওয়ানা হল। ডেমেনটরদের প্রভাব তার উপর পড়ল না। সে সঙ্গীদের নিয়ে জঙ্গলের ভেতর দিয়ে চলতে থাকল। তারা ওর প্যাট্রোনাসের মত কাজ করতে থাকল। সবাই ঘন, আরো নিবিড়ভাবে হয়ে আসা বহু পুরাতন গাছগুলোর ভেতর দিয়ে এক সঙ্গে কাছাকাছি থেকে চলতে থাকল। গাছের শিকড়গুলো সব একটি আরেকটির সঙ্গে জড়িয়ে পেঁচিয়ে আছে। অন্ধকারের ভেতর হ্যারি তার আলখাল্লাটি আরো শক্ত করে ধরে জঙ্গলের আরো গভীর থেকে গভীরে চলতে থাকল। তার কোনো ধারণা নেই যে ডোন্ডেমর্ট ঠিক কোন স্থানে আছে, কিন্তু সে নিশ্চিত যে সেটা খুঁজে পাবে। তার পাশাপাশি খুবই নিস্তব্ধভাবে জেমস, সিরিয়স, লুপিন এবং লিলি চলতে থাকলেন। তাদের উপস্থিতির কারণে হ্যারির সাহস সঞ্চার হয়েছে এবং সে তাদের কারণে এক পায়ের পর আরেক পা ফেলতে পারছে।

    তার শরীর এবং মনটিকে এখন অস্বাভাবিকভাবে সংযোগহীন বলে মনে হচ্ছে। তার পাগুলো কোনো সচেতন নির্দেশ ছাড়াই কাজ করছে। যেন সে পা দুটোর চালক নয়, যাত্রী। যে মৃতরা এখন জঙ্গলের ভেতর দিয়ে তার পাশাপাশি হেঁটে যাচ্ছেন তাদেরকে ক্যাসলের জীবন্ত মানুষগুলোর চেয়ে অনেক বেশি বাস্তব মনে হচ্ছে। সে যখন জীবনের শেষ প্রান্তে এসে ভোল্টেমর্টের উদ্দেশে আসছিল তখন রন, হারমিয়ন বা জিনিকে বরং অনেকটা ভৌতিক বলে মনে হচ্ছিল…..

    থপ করে একটি শব্দ হল এবং ফিসফিস শব্দ শোনা গেল। অন্য কোনো জীবন্ত প্রাণী হ্যারির কাছেই নড়ে উঠেছে। হ্যারি আলখাল্লার নিচেই থেমে গেল। চারদিকে তাকালো, শব্দ শুনতে চেষ্টা করল। তার বাবা, মা, লুপিন এবং সিরিয়সও দাঁড়িয়ে পড়েছে। কেউ একজন এখানে আছে! হাত খানেক দূর থেকে একটি কণ্ঠ বলে উঠল, তার পরণের অদৃশ্য আলখাল্লা! এমন হতে পারে না।

    পেছনের একটি গাছের পেছন থেকে দুটি শরীর বের হয়ে এল। তার হাতের যাদুদণ্ডদুটো ঝকঝক করে উঠল। হ্যারি দেখল অন্ধকারের ভেতর থেকে ইয়াক্সলি এবং দোহোলভ সরাসরি তারা সবাই যেখানে দাঁড়িয়ে আছে সেদিকে তাকিয়ে আছে। মনে হচ্ছে ওরা কিছু দেখতে পাচ্ছে না…

    অবশ্যই কোনো শব্দ হয়েছে, ইয়াক্সলি বলল। কোনো প্রাণী হবে, তোমার কি মনে হয়?

    মাথামোটা হ্যাগ্রিড এখানে নানা জিনিস জড়ো করেছিল, ঘরের উপর দিয়ে তাকিয়ে দোহোলভ বলল।

    ইয়াক্সলি হাতের ঘড়ির দিকে তাকালো।

    সময় হয়ে গেছে, পটারের সময় শেষ। কিন্তু সে আসছে না।

    এবং তিনি নিশ্চিত ছিলেন যে সে আসবে! তিনি বিষয়টায় খুব একটা সুখী হবেন না।

    চলো ফিরে যাই, ইয়াক্সলি বলল। এখন দেখতে হবে নতুন কি পরিকল্পনা আছে।

    ইয়াক্সলি এবং দোহোলভ ঘুরে জঙ্গলের আরো গভীরের দিকে রওয়ানা হল। হ্যারি ওদেরকে অনুসরণ করল। সে জানে যে ওরা সেখানেই যাচ্ছে যেখানে হ্যারি যেতে চায়। সে চারদিকে তাকালো এবং তার মা ওর দিকে তাকিয়ে হাসলেন। বাবা সাহস দিয়ে মাথা নাড়লেন।

    এক মিনিটের রাস্তা পার হতেই হ্যারি দেখল সামনে আলো দেখা যায়। হ্যারি জানে ইয়াক্সলি এবং দোহোলভ যে ফাঁকা জায়গাটার দিকে পা বাড়ালো সেদিকে এক সময় বিশালাকারের অ্যারাগগ বাস করতো। তার বিশাল জালটির কিছু অংশ রয়ে গেছে, কিন্তু অসংখ্য জালের সুতা ডেথ-ইটাররা নিজেদেও কারণে ধ্বংস করে ফেলেছে।

    একটি আলো ফাঁকা জায়গাটায় জ্বলে উঠল। এবং সে আলোর ঝলকানিতে পুরোপুরি নিরব তাকিয়ে থাকা অসংখ্য ডেথ-ইটার দেখা গেল। তাদের অনেকেরই মুখে এখনো মুখোশ আছে, মাথা ঢাকা। অন্যদের মুখ দেখা যাচ্ছে। দুটি বিশালাকারের দৈত্য বসে আছে ভীড়ের থেকে আলাদা হয়ে। ওদের ছায়া এসে পড়েছে জায়গাটির উপর। দেখতে দুটোই ভয়ানক নিষ্ঠুর। হ্যারি দেখল ফিনরির একপাশে দাঁড়িয়ে তার লম্বা নখগুলো কামড়াচ্ছে। আর বিশাল রাউল তার রক্তাক্ত ঠোঁটদুটো টিপছে। সে লুসিয়াস ম্যালফয়কে দেখল। তাকে শঙ্কিত এবং হতাশ দেখা গেল। আর নার্সিসা চোখ স্থির করে পরিস্থিতি বুঝতে চেষ্টা করছে।

    সবার চোখ এখন ভোল্ডেমর্টের দিকে। সে মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে আছে। তার সাদা হাতদুটো সামনের এলডার ওয়্যান্ডের উপর ভঁজ করে রাখা। মনে হল সে প্রার্থনা করছে, অথবা মনে মনে কিছু গুনছে। হ্যারি তখনো জায়গাটার এক প্রান্তে দাঁড়িয়ে আছে। অদ্ভুতভাবে তার মনে হল যেন একটি শি লুকোচুরি খেলার সময় শুনছে। তার মাথার পেছনে বিশাল সাপ নাগিনী দুলছে, পাক খাচ্ছে বিশাল আলোর চকচকে খাচাটির ভেতর।

    দোহোলভ এবং ইয়াক্সলি দলের ভেতর ফিরে আসা মাত্র ভোল্ডেমর্ট চোখ তুলে তাকালো।

    তার কোনো চিহ্নই নেই, মাই লর্ড, দোহোলভ বলল।

    ভোল্টেমর্টের চেহারায় কোনো পরিবর্তন হল না। লাল চোখ দুটো মনে হল আগুনের আলোতে পুড়ছে। ধীরে ধীরে সে এলডার ওয়্যান্ডটি লম্বা আঙুলগুলোর ভেতর তুলে নিল।

    মাই লর্ড

    বেলাট্রিক্স বলতে থাকল। সে ভোল্ডেমর্টর কাছাকাছি বসা। সে অনেকটা এলোমেলো। তার মুখটা একটুখানি রক্তাক্ত। এ ছাড়া কোনো আঘাতের চিহ্ন নেই।

    ভোল্ডেমর্ট তাকে থামিয়ে দিতে হাত উঁচু করল। ফলে বেলাট্রিক্স আর কোনো কথা বলল না। সে প্রভুভক্তি নিয়ে বিস্ময়ের সঙ্গে ভোল্টেমর্টের দিকে তাকিয়ে থাকল।

    আমি ভেবেছিলাম সে আসবে, ভোল্ডেমর্ট উচ্চকণ্ঠে বলল। তার দৃষ্টি বোয়ার দিকে, আমার মনে হয়েছিল সে আসবে।

    কেউ কোনো কথা বলল না। তাদের সবাইকে মনে হল আতঙ্কিত। হ্যারিও আতঙ্কিত। তার হৃদপিণ্ডটি পাঁজরের সঙ্গে বাড়ি খাচ্ছে। যদিও সে নিজে তার দেহটি পরিত্যাগের জন্য প্রস্তুত হয়ে আছে। তার হাত দুটো ভিজে উঠেছে। হ্যারি টান দিয়ে অদৃশ্য আলখাল্লাটি খুলে ফেলল। তারপর সেটি গাউনের ভেতর যাদুদণ্ড দিয়ে ঢুকিয়ে রাখল। যুদ্ধ করার কোনো ইচ্ছাই তার নেই।

    আমি, মনে হয়…ভুল হয়েছে, ভোল্ডেমর্ট বলল।

    তোমার ভুল হয়নি।

    হ্যারি যতটা উচ্চস্বরে সম্ভব বলল। কণ্ঠে ভয়ের কোনো আভাস থাকুক হ্যারি তা চায় না। তার পুনরুত্থান পাথরটি আঙুল গলে বেরিয়ে গেল এবং সে চোখের কোণ দিয়ে তার বাবা, মা, লুপিন এবং সিরিয়সকে দেখল। হ্যারি আলোর ভেতর প্রবেশ করতেই তারা উধাও হয়ে গেলেন। ওই মুহূর্তে সে ভোল্ডেমর্ট ছাড়া আর কাউকে খেয়াল করল না। শুধু তারা দুজন।

    যত তাড়াতাড়ি এসেছিল ঠিক তত তাড়াতাড়ি তার ভেতর থেকে বিভ্রম কেটে গেল। দৈত্যগুলো গর্জন করে উঠল, ডেথ-ইটারগুলো সব এক জায়গায় হয়ে চিৎকার চেঁচামেচি এমনকি হাসি তামাশা করতে থাকল। ভোল্ডেমর্ট যেখানে দাঁড়িয়েছিল সেখানেই স্থির হয়ে রইল। কিন্তু সে তার লাল চোখ দিয়ে হ্যারিকে দেখেছে। হ্যারি তার দিকে আগাতে থাকলে সে হ্যারির দিকে তাকিয়ে রইল। দুজনের মাঝখানে আগুন ছাড়া আর কিছু নেই।

    তখনই একটি কণ্ঠ চিৎকার করে উঠল।

    হ্যারি! না!

    সে পেছন ফিরে তাকালো। হ্যাগ্রিড তার দিকে দৌড়ে আসছিল কিন্তু আটকে দেয়া হয়েছে, কাছেই একটি গাছের সঙ্গে বাধা পড়েছে। সে ছুটে যাবার চেষ্টা করছে। তার বিশাল দেহ ছোটানোর চেষ্টার কারণে গাছের ডালগুলো ঝাঁকি খাচ্ছে।

    না! না! হ্যারি, কী করছ!

    চুপ! রাউলে চিৎকার করে বলল। তার যাদুদণ্ড ঝলকে উঠতেই হ্যাগ্রিড নিরব হয়ে গেল।

    বেলাট্রিক্স লাফ দিয়ে উঠে দাঁড়িয়েছে। সে উত্তেজিত হয়ে একবার হ্যারি আবার ভোল্টেমর্টের দিকে দেখছে। তার বুকটা শুধু ওঠানামা করছে। একমাত্র ধোয়া উঠছে এবং ভোল্টেমর্টের পেছনে সাপটিই নড়ছে, খাচার ভেতর পাক খাচ্ছে। এ ছাড়া আর কিছু নড়ছে না।

    হ্যারি ওর বুকে যাদুদণ্ডটি অনুভব করল। কিন্তু সেটি বের করার কোনো চেষ্টা করল না। সে ভাল করেই জানে যে সাপটি শক্তভাবে প্রোটেকশন দেয়া আছে। সে ভাল করেই জানে যদি নাগিনীর দিকে যাদুদণ্ড তাক করতে যায় তাহলে তার আগেই অন্তত পাশটি কার্স এসে গায়ে পড়বে। এখনো ভোল্ডেমর্ট এবং হ্যারি দুজন দুজনের দিকে তাকিয়ে আছে। এরপর তোভেমৰ্ট একপাশে ঘাড় কাত করল। ভাল ছেলেটি তার সামনে এসেছে! এবং সে ঠোঁটহীন মুখটি বাকা করে একটি রুঢ় হাসি দিল।

    হ্যারি পটার, সে অতি সুরে বলল। যে ছেলেটি এখনো বেঁচে আছে।

    ডেথ-ইটারদের কেউ নড়ল না। ওরা অপেক্ষা করছে : সবাই অপেক্ষা করছে। হ্যাগ্রিড ছুটতে চেষ্টা করছে। বেলাট্রিক্স দ্রুত দম ফেলছে। কেন বোঝা গেল না, কিন্তু হ্যারি জিনির কথা ভাবল, তার তীব্র চাহনির কথা ভাবল, তার ঠোঁটটিকে অনুভব করল নিজের

    ভোল্ডেমর্টে তার যাদুদণ্ডটি তুলল। তার মাথাটি এখনো উৎসাহী একটি শিশুর মত একদিকে বাঁকা করে আছে। ভাবল সে এখন পদক্ষেপ নিলে কী ঘটবে। হ্যারি তার লাল চোখর দিকে আবারো তাকালো, ভাবল এখনই ঘটনাটি ঘটানো দরকার, সে দাঁড়িয়ে থাকতে থাকতে, নিজের উপর নিয়ন্ত্রণ থাকতে থাকতে, ভয় তাকে পরাজিত করার আগেই

    সে মুখটি নড়তে দেখল এবং একটি সবুজ আলোর ঝলকানি দেখল। সবকিছু বিলীন হয়ে গেল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদ্য ক্যাচার ইন দ্য রাই – জে ডি সালিঞ্জার, অনুবাদ – রাফায়েত রহমান রাতুল
    Next Article হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য হাফ-ব্লাড প্রিন্স (৬) – জে. কে. রাওলিং

    Related Articles

    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার এন্ড দি ফিলসফারস স্টোন (১) – জে. কে. রাওলিং

    August 18, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য চেম্বার অব সিক্রেটস (২) – জে. কে. রাওলিং

    August 18, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য প্রিজনার অব আজকাবান (৩) – জে. কে. রাওলিং

    August 18, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য গবলেট অব ফায়ার (৪) – জে. কে. রাওলিং

    August 16, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য অর্ডার অব দ্য ফনিক্স (৫) – জে. কে. রাওলিং

    August 16, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য হাফ-ব্লাড প্রিন্স (৬) – জে. কে. রাওলিং

    August 16, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }