Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ডেথলি হ্যালোস (৭) – জে. কে. রাওলিং

    জে. কে. রাওলিং এক পাতা গল্প937 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৩৫. কিং’স ক্রস

    ৩৫. কিং’স ক্রস 

    সেমুখ নিচের দিকে দিয়ে পড়ে আছে। চারদিকের নিস্তব্ধতার শুন্যতা ছাড়া অন্যকিছু অনুভব হলোনা। সে এখন সম্পূর্ণভাবে একা। কেউ তাকে দেখছে না। কাছে-পিঠে কেউ নেই। সে নিজেও পুরোপুরি নিশ্চিত নয় তার অস্তিত্ব নিয়ে।

    দীর্ঘক্ষণ পরে, অথবা তৎক্ষণাত কোনো সময় না পার হতেই, তার কাছে মনে হল যেন তার অস্তিত্ব আছে। কারণ সে পড়ে আছে! অবশ্যই সে পড়ে আছে কোনো একটি কিছুর উপর। তার এ চিন্তাও কোনো বিমূর্ত চিন্তা থেকে নয়। আর সে কারণেই তার স্পর্শের অনুভূতি আছে, এবং যে জায়গায় সে শুয়ে আছে তার অস্তি তৃও অনুভব করতে পারছে।

    সে যখন এই সিদ্ধান্তে পৌঁছল তখন তার চেতনা ফিরে এসেছে এবং বুঝতে পারল যে সে পুরোপুরি নগ্ন। সে বুঝতে পারল যে সে এখন পুরোপুরি আলাদা, এটা তাকে তেমন চিন্তায় ফেলল না। কিন্তু তার ভেতরে একটি পরিকল্পনা এল। সে ভাবল, সে কি চোখ খুললে চোখে দেখতে পাবে? চোখ খুলতেই সে বুঝতে পারল যে তার চোখ দুটো আছে।

    সে উজ্জ্বল কুয়াশার ভেতর শুয়ে আছে, যদিও এই কুয়াশা তার আগে দেখা বা জানা কুয়াশার মত না। তার চারপাশের সব কিছু মেঘের মত ঢেকে নেই। অথবা অন্য কথায় বলা যায় মেঘগুলো ঢেকে ফেলেনি। যে মেঝেতে সে শুয়ে আছে তা মনে হচ্ছে সাদা। শীতলও না আবার উষ্ণও না। মাঝামাঝি কোনো কিছু।

    সে উঠে বসল। শরীরের কোথাও কোনো ক্ষত বা আঘাতের চিহ্ন দেখা গেল। সে মুখে হাত দিয়ে দেখল। চোখে চশমাটি নেই।

    ঠিকানাহীন উৎস থেকে তখনই একটা শব্দ এসে তাকে ঘিরে ধরল। ছোট, নরম শরীরের থপথপ করা শব্দ, যেন কসরত করছে। একটি করুণ শব্দ, কিন্তু তারপরও শব্দটি অশোভন মনে হল। সে কান পেতে চুপেচুপে শব্দ শুনছে এটা তার কাছে অস্বস্তিকর মনে হল, লজ্জার মনে হল।

    এই প্রথম তার মনে হল কাপড় পড়া দরকার।

    মাথায় এ চিন্তা আসামাত্র একটা গাউন তার কাছাকাছি এসে হাজির হল। সে হাত বাড়িয়ে সেটা নিল। কাপড়টা নরম, পরিস্কার এবং উষ্ণ। সে মনে মনে ইচ্ছা করতেই এটা কাছে চলে এলো, এটা তো অস্বাভাবিক একটি বিষয়….

    হ্যারি উঠে দাঁড়ালো, চারদিকে তাকালো। সে কি এখন রুম অব রিকোয়ারমেন্টে? যতই সে তাকিয়ে থাকল, ততই দেখার মত অনেক বিষয় চোখে পড়ল। একটি বিশাল অর্ধ বাকা কাঁচের ছাদ, উপরের অংশটায় সুর্যের আলো পড়ে চিকচিক করছে। মনে হয় এটা একটা প্রাসাদ। কাছেই কুয়াশাচ্ছন্ন কোনো জায়গা থেকে ওই থপথপ আওয়াজ ছাড়া আর সবকিছু শান্ত, স্থির…।

    হ্যারি দাঁড়িয়ে ঘুরল, মনে হল চারপাশের জায়গা তার মুখ ঘুরিয়ে দেখার সঙ্গে সঙ্গে একে একে ফুটে উঠতে থাকল। একটি বিস্তৃত ফাঁকা জায়গা, উজ্জ্বল এবং পরিস্কার। এই হলটি গ্রেট হলের চেয়েও অনেক বড়। রুমটি সম্পূর্ণ ফাঁকা। সে এ রুমটির ভেতর একমাত্র মানুষ, শুধুমাত্র

    হ্যারি গুটিয়ে গেল। এতক্ষণ যে শব্দটি আসছিল তার উৎসটা দেখতে পেয়েছে। একটা ছোট, ন্যাংটা শিশুর মত একটি শরীর মেঝের উপর বাঁকা হয়ে পড়ে আছে। মনে হচ্ছে যেন চামড়া ছাড়ানো একটি শিশু। একটি সিটের নিচে যেখানে রেখে দেয়া হয়েছে সেখানে শিশুটি কাপছে, দম নিতে চেষ্টা করছে।

    হ্যারির ভয় লাগল। ছোট, দুর্বল এবং আহত বাচ্চাটি। তারপরও এগিয়ে যেতে মন টানছে না। শেষ পর্যন্ত সে কাছে গেল। প্রস্তুত হয়ে থাকল যে কোনো মূহূর্তে যেন কোনো বিপদ এলে লাফ দিয়ে সরে যেতে পারে। ছোঁয়া যায় এমন কাছাকাছি আসার পরও হ্যারির মন টানছে না। নিজেকে তার এখন ভীতু মনে হচ্ছে। তার সহজ হওয়া উচিত, কিন্তু নিজের ভেতর তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে।

    তুমি কোনো সাহায্য করতে পারবে না।

    হ্যারি ঘুরে গেল। অ্যালবাস ডাম্বলডোর লম্বা পায়ে তারদিকে আসছেন। দৃঢ়ভাবে, রাজকীয় ভঙ্গীতে তিন আসছেন। তার গায়ে লম্বা গাউন।

    হ্যারি, তিনি তার হাত বিস্তৃত করলেন। তার হাত দুটো সাদা এবং অক্ষত। ওয়ান্ডারফুল বয়! সাহসী, সাহসী মানুষ। চলো আমরা হাঁটি।

    স্তম্ভিত হ্যারি শিশুটির কাছ থেকে সরে ডাম্বলডোরকে অনুসরণ করতে থাকল। হ্যারিকে তিনি নিয়ে গেলেন দুটি সিটের কাছে। হ্যারি এ দুটো আগে লক্ষ করেনি। একটি তে ডাম্বলডোর বসলেন। হ্যারি অন্যটির উপর ধপ করে বসে তার পুরাতন স্কুলের হেডমাস্টারের মুখের দিকে তাকিয়ে থাকল। ডাম্বলডোরের লম্বা দাড়ি এবং চুল, অর্ধচন্দ্রাকার চশমার পেছনে তীক্ষ্ণ নীল চোখ, চোখা নাক–সব কিছুই তার স্মৃতিতে থাকা চেহারার মতই আছে। কিন্তু তারপরও

    কিন্তু আপনি তো মৃত, হ্যারি বলল।

    ওহ, হ্যাঁ, ডাম্বলডোর অকপটে বললেন।

    তাহলে….আমিও মৃত?

    আহ, ডাম্বলডোর স্মীত হেসে বললেন। এটাই একটা প্রশ্ন, তাই না? সোজা কথা, বালক, তা মনে হয় না।

    তারা দুজন দুজনের দিকে তাকিয়ে আছেন। বৃদ্ধ মানুষটি এখনো হাসছেন…

    না? হ্যারি রিপিট করল।

    না। ডাম্বলডোর বললেন।

    কিন্তু… হ্যারি স্বভাববশতই হাত তুলে কপালের স্কারটি ছুলো। কিন্তু মনে হল না সেটা আছে। কিন্তু আমার তো মরার কথা…আমি তো নিজেকে রক্ষা করিনি। আমি তো নিজেই চেয়েছিলাম সে আমাকে হত্যা করুক!

    ডাম্বলডোর বললেন, এবং সেটাই সব কিছু অন্যরকম করে দিয়েছে।

    ডাম্বলডোরের মুখমন্ডল থেকে আলোর মত, আগুনের মত সুখের বিচ্ছুরণ দেখা গেল। হ্যারি তাকে কখনো এতটা উল্লসিত, উজ্জীবিত দেখেনি।

    ব্যাখ্যা করুন? হ্যারি বলল।

    তুমি ইতিমধ্যেই জানো, ডাম্বলডোর বললেন। তিনি তার বুড়ো আঙুল দুটো তুড়ি নাড়ালেন।

    হ্যারি বলল, আমি তাকে হত্যা করতে দিয়েছিলাম, তাই না?

    তুমি দিয়েছিলে, ডাম্বলডোর বললেন। তিনি মাথা দোলালেন। তারপর বলতে থাকো।

    তাহলে তার আত্মার যে অংশটি আমার ভেতরে ছিল…

    ডাম্বলডোর আরো উৎসাহের সঙ্গে মাথা দোলাতে থাকলেন। তিনি ওকে আরো বলে যেতে বলছেন। তার মুখে উৎসাহ দেয়ার মত হাগ্নি ছড়িয়ে আছে।

    .. সেটা কি চলে গেছে?

    ওহ, হ্যাঁ, ডাম্বলডোর বললেন। সে এটা ধ্বংস করে দিয়েছে। তোমার আত্মাটি এখন পরিপূর্ণ এবং পুরোপুরিই তোমার নিজের, হ্যারি।

    কিন্তু তাহলে…

    হ্যারি তার ঘাড়ের উপর দিয়ে তাকালো। যে দিকটায় ছোট প্রাণীটি চেয়ারের নিচে কাঁপছে সেদিকে।

    ওটা কি প্রফেসর?

    এমন কিছু যা আমাদের সাহায্যের বাইরে, ডাম্বলডোর বললেন।

    কিন্তু যদি ভোল্ডেমর্ট কিলিং কার্স ব্যবহার করে থাকে, হ্যারি আবার শুরু করল। এবং এবার যদি কেউ আমার জন্য মরে গিয়ে না থাকে, তাহলে আমি বেঁচে আছি কী করে?

    আমার ধারণা তুমি জানো, ডাম্বলডোর বললেন। পেছনের কথা চিন্তা করো, মনে করে দেখ সে তার অজ্ঞতায়, লোভে এবং নিষ্ঠুরতায় পড়ে কী করেছে।

    হ্যারি চিন্তা করল। সে তার চারদিকে আবারও ঘুরে দেখল। যদি এটি একটি প্রাসাদ হয়ে থাকে তাহলে অদ্ভুত ধরণের প্রাসাদ। চেয়ারগুলো ছোট একটি লাইন করে রাখা, এখানে সেখানে রেইলিং করা এবং এখনো সে ডাম্বলডোর এবং ওই ছোট স্টান করা প্রাণীটিই শুধু আছে। তারপর হ্যারির মুখ দিয়ে কোনো চেষ্টা ছাড়াই প্রশ্নের উত্তরটি বেরিয়ে এল।

    সে আমার রক্ত নিয়েছিল।

    তাই, ডাম্বলডোর বললেন। সে তোমার রক্ত নিয়েছে এবং সে রক্ত দিয়ে তার শরীরটা পুনর্গঠন করে! তোমার রক্ত তার শিরায়। হ্যারি, লিলির প্রোটেকশন তোমাদের দুজনের ভেতরই! তার বেঁচে থাকার সঙ্গে তোমাকে সে গেঁথে ফেলেছেন!

    আমি বেঁচে থাকব… সে যতক্ষণ বেঁচে আছে? কিন্তু আমি ভেবেছিলাম অন্যরকম। আমি ভেবেছিলাম আমাদের দুজনকেই মরতে হবে। নাকি একই রকম ব্যাপারটি?

    সে আবারো ওই ছটফট করা প্রাণীটির দিকে মনোযোগ দিল। পেছনে সেটির দিকে ঘুরে তাকালো।

    আপনি কী নিশ্চিত যে আমরা কিছু করতে পারি না?

    কোনো সাহায্য সম্ভব নয়।

    তাহলে বলুন…আরো, হ্যারি বলল। ডাম্বলডোর হাসলেন।

    তুমি হলে সাত নম্বর হরক্রুক্স হ্যারি। যে হরক্রুক্সটি সে কখনো তৈরি করতে চায়নি। সে তার আত্মাকে এমনভাবে ব্যবহার করেছে যে এটি ছিন্ন-বিছিন্ন হয়ে গেছে, সে যখন অবর্ণনীয় শয়তানি করেছে, শিশু হত্যার চেষ্টা করেছে, তোমার বাবা মাকে হত্যা করেছে। কিন্তু সে সময় সেখান থেকে কি হারিয়েছে তা সে জানতো না। সে তার শরীরের চেয়েও বেশিকিছু রেখে এসেছিল। সে তার নিজের একটি অংশ তোমার মধ্যে আটকে রেখে এসেছিল।

    এবং তার জ্ঞান ছিল ভয়ানকভাবে অসম্পূর্ণ, হ্যারি! সেটাকে ভোল্ডেমর্ট কোনো গুরুত্ব দেয়নি। সে উপলব্ধি করার চেষ্টা করেনি। ঘরের ভূত, শিশুদের কাহিনী, ভালবাসা বা আনুগত্য এর কিছুই ভোল্ডেমর্ট জানতো না, বুঝত না। এগুলোর যে একটা শক্তি আছে ভোল্টেমর্টের ক্ষমতার বাইরে এ সত্যকে সে কখনো ধরতে পারেনি।

    সে তোমার রক্ত নিয়ে মনে করেছিল যে নিজে শক্তিশালী হবে। সে তার শরীরে ভেতর যাদুর একটি ছোট অংশ তুলে নিয়েছিল, যে যাদু তোমার মা তোমার জন্য মারা যাবার আগে তোমার ভেতর প্রবেশ করিয়ে দিয়েছিল। তার সে আত্মত্যাগকে ভোল্ডেমর্ট বহন করে চলেছে। আর সে যাদু হল তোমার এবং ভোল্ডেমর্টের জন্য শেষ আশা ছিল।

    ডাম্বলডোর হ্যারির দিকে তাকিয়ে হাসলেন। হ্যারি তার দিকে তাকিয়ে রইল।

    এবং এটা আপনি জানতেন? আপনি এসব কথা জানতেন?

    আমি ধারণা করেছিলাম। এবং আমার ধারণা সব সময় ভালোই হয় দেখা গেছে। ডাম্বলডোর তৃপ্তির সঙ্গে বললেন। ওরা বেশখানিক সময় নিরব হয়ে রইল। আর ওই প্রাণীটা শুধু গোঙাতে এবং কাঁপতে থাকল।

    আরো কিছু বিষয় আছে, হ্যারি বলল। আমার যাদুদণ্ডটি কেন তার ধার করা যাদুদণ্ডটি ভেঙে ফেলেছিল?

    সে ব্যাপারে আমি কিছু নিশ্চিত নই।

    তাহলে ধারণা করুণ, হ্যারি বলল। ডাম্বলডোর হাসলেন।

    একটা বিষয় তুমি বুঝবে হ্যারি, তুমি এবং ভোল্ডেমর্ট দুজনই যাচ্ছ অজানা, অচেনা যাদুর মধ্য দিয়ে। এ ব্যাপারে আমি যা মনে করি, বিষয়টি অভুতপুর্ব এবং কোনো যাদুদণ্ড প্রস্তুতকারী অনুমান করতে পারেনি বা ভোল্টেমর্টের কাছে ব্যাখ্যা করতে পারেনি।

    তুমি এখন জানো, কোনো অর্থ ছাড়াই ভোল্ডেমর্ট যখন আবার মানুষের রূপে আবির্ভুত হয়েছে তখন তোমার সঙ্গে তার বাধন আরো দ্বিগুন করেছে। তার আত্মার একটি অংশ তোমার সঙ্গে আগে থেকেই ছিল, কিন্তু নিজেকে শক্তিশালী করার জন্য সে তোমার মায়ের যাদুর অংশও নিজের ভেতর নিয়ে নিয়েছে। সে যদি তোমার মায়ের ওই সেক্রিফাইসের কথা সামান্য একটু বুঝতে পারতো তাহলে সে তোমার রক্ত হাত দিয়ে ছুঁয়ে দেখার সাহসও করতো না….কিন্তু আবার, সে যদি বুঝতেই পারতো, তাহলে সে ভোল্ডেমর্ট হতো না, কখনো হত্যা করতো না।

    দুই দিকের সংযোগের ফলে, তোমার নিয়তির সঙ্গে বন্ধন আরো নিশ্চিত হওয়ার ফলে ইতিহাসে দুই উইজার্ড এক হয়ে গেছে। ভোল্ডেমর্ট এমন যাদুদণ্ড দিয়ে তোমাকে আক্রমণ করতে চেয়েছে যেটি তোমারটার সঙ্গে একই হয়ে গেছে। এবং তাই এখন অদ্ভুত ঘটনা ঘটছে, আমরা যেসব জানি। এই কার্স এমনভাবে কাজ করছে যে ভোল্ডেমর্ট কখনোই জানতে পারেনি যে তোমার যাদুদণ্ড এবং তারটা একটি জোড়া, সে এটা আশাও করেনি।

    ওই রাতে সে তোমার চেয়ে বেশি ভয় পেয়েছিল, হ্যারি। তুমি মৃত্যুর সম্ভাবনাকে আলিঙ্গন করেছিলে যা ভোল্ডেমর্ট করতে পারেনি। তোমার সাহস জয়ী হয়েছে, ভোল্টেমর্টের যাদুদণ্ডের চেয়ে তোমারটা তাই শক্তিশালী হয়ে উঠেছিল। এরফলে এমন হয়েছিল যে দুই যাদুদণ্ড একটাকে আরেকটা প্রতিনিধিত্ব করেছিল তাদের মালিকদের।

    আমার বিশ্বাস তোমার যাদুদণ্ডটি ভোল্টেমর্টের যাদুদণ্ড থেকে কিছু ক্ষমতা শুষে নিয়েছিল। সুতরাং ভোল্ডেমর্ট তোমাকে ক্ষতি করতে চাইলে তোমার যাদুদণ্ডটি তাধরতে পেরেছিল। তোমার জাত শত্রু এবং নৈতিক শত্রুকে চিনতে পেরেছিল। সুতরাং এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবেই ভোল্ডেমর্টেরই কিছু যাদু ফিরিয়ে দিয়েছিল, যে ম্যাজিক লুসিয়াসের চেয়ে ছিল অনেক শক্তিশালী। তোমার যাদুদণ্ডটি এখন তোমার সাহস এবং ভোল্ডেমর্টের ভয়ানক দক্ষতার এক আধার। ম্যালয়ের যাদুদণ্ড সেখানে কি করতে পারে?

    কিন্তু যদি এমন ক্ষমতা সম্পন্নই হয় তাহলে হারমিয়নের যাদুদণ্ডটি আমারটা ভেঙে ফেলেছিল কীভাবে? হ্যারি জানতে চাইল।

    মাই ডিয়ার বয়, এটা ভোল্টেমর্টের ক্ষেত্রেই বিশেষ কার্যকরি হয়ে ওঠে। যে ভোল্ডেমর্ট এটিকে কু-মন্ত্রণা দিয়ে শক্তিশালী করে তুলেছিল। শুধুমাত্র ভোল্টেমর্টের ক্ষেত্রেই এই যাদুদণ্ড অমন ক্ষমতাশালী হয়ে উঠতে পারতো। এ ছাড়া এই যাদুদণ্ড অন্য আর দশটা যাদুদণ্ডের মতই। আমি নিশ্চিত। ডাম্বলডোর কথা শেষ করলেন।

    হ্যারি বেশ একটু সময় নিয়ে চিন্তা করল। হয়তো সেটা কয়েক সেকেন্ডও হতে পারে। এখানে এখন সময় সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া খুবই কঠিন।

    সে আপনার যাদুদণ্ড দিয়ে আমাকে হত্যা করেছে।

    সে আমার যাদুদণ্ড দিয়ে তোমাকে হত্যা করতে ব্যর্থ হয়েছে, ডাম্বলডোর শুধরে দিলেন। আমার মনে হয় এ ব্যাপারে আমরা একমত হতে পারি যে তুমি মরে যাওনি…যদিও আমি তোমার ভোগান্তিটাকে খাটো করে দেখছি না। সেটা ছিল গুরুতর।

    যদিও আমার এ মুহূর্তে খুবই ভাল লাগছে, হ্যারি বলল। সে তার নিজের পরিস্কার দাগহীন হাতের দিকে তাকালো। আমরা আসলে এখন কোথায়?

    ওয়েল আমিও কথাটি তোমাকে জিজ্ঞেস করতে চেয়েছিলাম, ডাম্বলডোর বললেন। তিনিও চারদিকে তাকালেন। কোথায় আছি বলে তোমার মনে হয়?

    ডাম্বলডোর জিজ্ঞেস করার আগ পর্যন্ত হ্যারি জানতো না কিন্তু এখন সে দেখল যে এ প্রশ্নের উত্তরটি তার মুখে চলে এসেছে।

    হ্যারি ধীরে ধীরে বলল, দেখে মনে হচ্ছে এটা কিংস ক্রস স্টেশন। যদিও অনেক পরিস্কার এবং ফাঁকা। এখন পর্যন্ত আমি কোনো ট্রেনও দেখতে পাচ্ছি না।

    কিংস ক্রস স্টেশন! ডাম্বলডোর বললেন। খুবই শান্ত, সত্যি?

    ওয়েল, তাহলে আমরা কোথায় বলে আপনার মনে হয়, হ্যারি জানতে চাইল।

    মাই ডিয়ার বয়, আমার কোনো ধারণা নাই। এটাকে বলা যায় তোমার পার্টি

    হ্যারি বুঝতে পারল না তিনি কি বলতে চাচ্ছেন। ডাম্বলডোর ওকে রাগিয়ে দিচ্ছেন। হ্যারি তার দিকে তাকালো। তারপর বর্তমান জায়গার চেয়ে অনেক ভারি প্রশ্ন তার মনে এল।

    ওই ডেথলি হ্যালোস, সে বলল। দেখা গেল নামটি শোনামাত্র ডাম্বলডোরের মুখ থেকে হাসি ভাবটা উধাও হয়ে গেল।

    হা, বল, তিনি বললেন। তার মুখটা উদ্বিগ্ন দেখা গেল।

    ওয়েল?

    ডাম্বলডোরের সঙ্গে মিলিত হওয়ার পর এই প্রথমবারের মত তাকে অনেক কম বয়সী মনে হল। অনেক কম। তিনি যেন একটি ছোট বাচ্চার মত অসংলগ্ন কাজ করলেন।

    তুমি আমাকে ক্ষমা করতে পারো, তিনি বললেন। তুমি আমাকে ক্ষমা করতে পারো তোমাকে বিশ্বাস না করার জন্য? হ্যারি। আমার একটাই ভয় ছিল যে আমার মত তুমিও ব্যর্থ হবে। আমি ভয় পেতাম যে তুমি আমার ভুলটাই করবে। আমি তোমার ক্ষমা পেতে চাই। হ্যারি, বেশ কিছুদিন ধরেই আমি জানতাম যে তুমি অনেক সক্ষম একজন মানুষ।

    আপনি এসব কি বলছেন? হ্যারি বলল। ডাম্বলডোরের কণ্ঠ শুনে এবং তার চোখে পানি দেখে সে হতবাক হয়ে গেল।

    হ্যালোস, ওই হ্যালোস হল একজন মানুষের প্রচণ্ড স্বপ্ন। ডাম্বলডোর বললেন।

    কিন্তু তার অস্তিত্ব আছে!

    অস্তিত্ব আছে এবং বিপদজনক; এবং বোকাদের জন্য প্রলোভনও বটে, ডাম্বলডোর বললেন। এবং আমি ছিলাম তেমনি এক বোকা। কিন্তু তুমি জানো, তাই না? আমার কোনো কিছু তোমার কাছ থেকে এখন গোপন নেই। তুমি জানো।

    আমি কী জানি?

    ডাম্বলডোর পুরো শরীরটা ঘুরিয়ে হ্যারির দিকে ফিরলেন। তার মেধাবী নীল চোখে এখনো জল দেখা যাচ্ছে।

    মাস্টার অব ডেথ, হ্যারি! মাস্টার অব ডেথ! আমি কী ভোল্ডেমর্টের চেয়ে ভাল ছিলাম?

    অবশ্যই আপনি ভোল্টেমর্টের চেয়ে ভাল ছিলেন। হ্যারি বলল। আপনি এটা আমাকে কিভাবে জিজ্ঞেস করছেন? আপনি কখনো এড়িয়ে যাওয়া গেলে কাউকে হত্যা করেননি।

    সত্যি, সত্যি, ডাম্বলডোর বলল। কিন্তু আমিও তো মৃত্যুকে জয় করতে চেয়েছিলাম, হ্যারি।

    সেটা তো তার মত করে না, হ্যারি বলল। ডাম্বলডোরের প্রতি এত ক্রোধের পর এই উঁচু ছাদের নিচে অদ্ভুতভাবে বসে সে নিজেই তার পক্ষে ওকালতি করছে। হ্যালিলা আর হরক্রুক্স এক কথা নয়।

    হ্যালোস, বিড়বিড় করে ডাম্বলডোর বললেন। হরক্রুক্স নয়।

    বেশ খানিক সময়ের জন্য নিরবতা নেমে এল। পেছনের ওই প্রাণীটি গোঙাতে থাকল। কিন্তু হ্যারি আর সেদিকে ফিরে তাকালো না।

    গ্রিনডেলভান্ডও ওগুলো খুঁজছিল? হ্যারি জানতে চাইল।

    ডাম্বলডোর চোখ দুটো একটু বুজলেন। তারপর মাথা দোলালেন।

    এই বিষয়টিই আমাদেরকে একত্রিত করেছিল, তিনি শান্তভাবে বললেন। দুটি চতুর, উদ্ধত ছেলে একই ব্যাপারে আচ্ছন্ন। আমি নিশ্চিত যে তুমি ধারণা করেছ, সে গোড্রিচ হলোতে আসতে চেয়েছিল। কারণ সেখানে ইগনোস পেভেরেলের কবর রয়েছে। তার তৃতীয় ভাইটি যেখানে মারা গিয়েছিল সে জায়গাটি সে খুঁড়ে দেখতে চেয়েছিল।

    হ্যারি বলল, তাহলে এটা সত্যি? এই পেভেরেল ভাইদের কাহিনী

    -কাহিনীর তিন ভাইয়ের কথা, ডাম্বলডোর মাথা দুলিয়ে বললেন। হ্যাঁ, আমি তাই মনে করি। তারা একটি নির্জন রাস্তায় মারা গিয়েছিল কিনা….আমার ধারণা সে তিন ভাই বর পেয়েছিল। ওরা তিনভাই বিপদজনক যাদুকর ভাই বিশেষ ক্ষমতার বিষয়গুলো পেয়েছিল।

    তুমি জানো, সেই আলখাল্লাটি বাবার কাছ থেকে ছেলের কাছে, মায়ের কাছ থেকে মেয়ের কাছে ঘুরে ঘুরে ইগনোটাসের শেষ জীবিত প্রজন্মের কাছে এসেছিল যে ইগনোটাসের মতই জন্মগ্রহণ করেছিল গোড্রিচ হলোতে।

    ডাম্বলডোর হ্যারির দিকে তাকিয়ে হাসলেন।

    সেটা কি আমি?

    তুমি। আমি জানি তুমি ধারণা করেছিলে, যে রাতে তোমার বাবা মা মারা যান সে রাতে আলখাল্লাটি ছিল আমার কাছে। মারা যাবার কয়েকদিন আগেই জেমস আমাকে সেটি দেখিয়েছিলেন। আমি বিশ্বাস করতে পারিনি যে এটা আমি কী দেখছি! আমি এটা ধার হিসাবে চেয়েছিলাম পরীক্ষা করার জন্য। আমি এর অনেক আগেই হ্যালোসগুলো এক জায়গায় করার স্বপ্ন ত্যাগ করেছিলাম, কিন্তু আমি নিজেকে সংবরণ করতে পারিনি। গভীরভাবে দেখার ব্যাপারে নিজেকে ফেরাতে পারিনি। এই আলখাল্লার মত আমি আমার জীবনে আর দেখিনি। অনেক পুরোনো, কিন্তু সবদিকে পারফেক্ট….এরপর তোমার বাবা মারা যান। তখন আমার কাছে দুইটি হ্যালো চলে এসেছে।

    তার কণ্ঠস্বর তিক্ত হয়ে উঠেছে।

    কিন্তু আলখাল্লা তো তাদেরকে বাঁচাতে পারতো না, হ্যারি দ্রুত বলল। ভোল্ডেমর্ট জানতো যে আমার বাবা আর মা কোথায় আছেন। আলখাল্লা তো তাদেরকে কার্স থেকে আবরণ দিয়ে রাখতে পারতো না।

    সত্যি, ডাম্বলডোর নিঃশ্বাস ছেড়ে বললেন। সত্যি।

    হ্যারি অপেক্ষা করল। কিন্তু ডাম্বলডোর কোনো কথা বললেন না। হ্যারিই আবার তাকে উদ্ভুদ্ধ করল।

    তাহলে আপনি আলখাল্লাটি দেখার পর হ্যালো খোজা বাদ দিলেন?

    ওহ্ হ্যাঁ, ডাম্বলডোর নিস্তেজভাবে বললেন। তাকে মনে হলো হ্যারির দিকে তাকানোর জন্য নিজের সঙ্গে জোর করছেন। তুমি জানো কী ঘটেছিল। তুমি ভাল করেই জানো। আমি নিজেক যা ঘৃণা করি তারচেয়ে তুমি আমাকে বেশি ঘৃণা করতে পারবে না।

    কিন্তু আমি আপনাকে ঘৃণা করি না।

    তাহলে তোমার ঘৃণা করা উচিত, ডাম্বলডোর বললেন। তিনি দীর্ঘ নিঃশ্বাস ফেললেন। তুমি জানো আমার বোনের সেই গোপন অসুস্থতার কথা, ওই মাগলরা কী করেছিল এবং আমার বোনের কী হয়েছিল। তুমি জানো আমার বেচারা বাবা কীভাবে এর প্রতিশোধ নিতে চেয়েছিলেন এবং সেজন্য মূল্য দিতে হয়েছিল। তিনি আজকাবানে মারা যান। তুমি জানো কীভাবে আমার মা অরিয়ানার যত্ন নিতে গিয়ে নিজের জীবন বিসর্জন দেন। আমি সেজন্য ক্ষুব্ধ, হ্যারি।

    ডাম্বলডোর কথাগুলো পরিস্কার এবং শান্তভাবে বললেন। এবার তিনি হ্যারির মাথার উপর দিয়ে দূর দৃষ্টিতে তাকালেন।

    আমি ছিলাম ঈশ্বরপ্রদত্ত। ছিলাম মেধাবী। আমি এসব থেকে দূরে সরে যেতে চাইলাম। আমি নিজে উজ্জ্বল হতে চাইলাম।

    আমাকে ভুল বুঝো না, তিনি আবার বললেন। তার মুখে বেদনার ছায়া। সে কারণে তাকে বিমর্ষ দেখা যাচ্ছে। আমি তাদেরকে ভালবাসতাম। আমি আমার বাবা-মাকে ভালবাসতাম, ভাইকে ভালবাসতাম, বোনকে ভালবাসতাম। কিন্তু আমি ছিলাম স্বার্থপর হ্যারি, তোমার চেয়ে অনেক স্বার্থপর। তুমি যতটা চিন্তা করা যায় তারচেয়ে অনেক কম স্বার্থপর।

    ফলে আমার মা যখন মারা যান তখন আমি তার রেখে যাওয়া সব দায়দায়িত্ব –অসুস্থ বোনকে এবং বেপরোয়া ভাইকে দেখাশোনার জন্য, তিক্ত ও অনিচ্ছাসত্তেও আমার গ্রামে চলে আসি। তখন বাধ্য হয়েই আটকে যাই এবং অকেজো হয়ে পড়ি। এবং তখনই সে আসে,..।

    ডাম্বলডোর এবার হ্যারির চোখের দিকে তাকালেন।

    গ্রিনডেলভাল্ড। তুমি কল্পনা করতে পারবে না তার বুদ্ধি আমাকে কতটা প্রভাবিত করেছিল, আমাকে পুড়িয়েছিল। মাগলদেরকে বাধ্যতামূলক অবনত করা হয়েছিল। আমরা যাদুকররা ছিলাম তুরুপ। এই আন্দোলনের তরুণ নেতা ছিলাম গ্রিনডেলভাল্ড এবং আমি।

    ওহ, তখন আমার ভেতর কিছু নৈতিক জ্ঞান ছিল। কিন্তু আমার চেতনাকে আমি ফাঁকা বুলি দিয়ে শান্ত্বনা দিয়েছি। সবকিছু হবে ভালোর জন্য, যে কোন ক্ষতি মেনে নিতে হবে উইজার্ডদের ভালোর জন্য। আমি কী আমার অন্তরের অন্ত স্থল থেকে জানতাম যে গেলার্ট গ্রিনডেলভা কি? আমার ধারণা আমি জানতাম। কিন্তু চোখ দুটো বুজে রেখেছিলাম। আমাদের পরিকল্পনা যদি সফল হতো, তাহলে হয়তো আমার স্বপ্ন সত্যে পরিণত হতো।

    এবং আমাদের পরিকল্পনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল ডেথলি হ্যালোগুলো! এগুলো তাকে কি রকম অভিভুত করেছিল, আমাদের অভিভুত করেছিল। ওই অপরাজেয় যাদুদণ্ড, এই অস্ত্রটি আমাদেরকে ক্ষমতাশালী করবে! পুনঃর্জন্ম পাথরটি তার কাছে যদিও আমি ভান করেছি যে এটা সম্পর্কে আমি কিছু জানি না, এটা তার কাছে ছিল আর্মি ইনফেরি। আর আমি, স্বীকার করি আমার মনে হয়েছিল এটি আমার বাবা মাকে ফিরিয়ে আনবে এবং আমার কাঁধের উপর থেকে সব দায়িত্ব সরে যাবে।

    আর আলখাল্লা… কোনো কারণে আমরা আলখাল্লাটি নিয়ে কখনো খুব আলোচনা করিনি। আমরা দুজনই আলখাল্লার সাহায্য ছাড়া নিজেদেরকে লুকিয়ে ফেলতে পারতাম। সত্যিকার ম্যাজিক মালিক ছাড়া অন্যদেরকেও প্রোটেক্ট করার ব্যাপারে ব্যবহার করা যায়। আমি ভেবেছিলাম যদি এটি পাওয়াই যায় তাহলে অরিয়ানাকে লুকিয়ে রাখার কাজে ব্যবহার করা যাবে। কিন্তু আলখাল-টির ব্যাপারে আমাদের একমাত্র আগ্রহ ছিল, এটি তিনটির একটি সে কারণে। সে উৎকীর্ণ বাণীতে বলা ছিল, যে এই তিনটি বস্তুকে একসঙ্গে করতে পারবে একমাত্র সেই হবে মাস্টার অব ডেথ। যাকে আমরা অজেয় অর্থে মনে করেছিলাম।

    অদৃশ্য মাস্টার অব ডেথ হল গ্রিনডেলভাল্ড এবং ডাম্বলডোর! দু মাস আমরা আচ্ছন্ন হয়ে রইলাম, নিষ্ঠুর স্বপ্নে বিভোর হয়ে রইলাম এবং আমার কাছে পারিবারের মাত্র দুজন সদস্য ছিল তারাও অবহেলিত হল।

    এবং তারপর… এরপর তুমি জানো কী ঘটেছিল। বাস্তবতা ফিরে এল আমার ভাইয়ের মাধ্যমে। সে চিৎকার করে যে সত্য আমাকে বলছিল তা আমি শুনতে চাইনি। আমি চাইনি যে আমার একটি অসুস্থ বোনের জন্য আমাকে হ্যালোস খোজা থেকে বিরত থাকতে হবে।

    এই তর্ক শেষ পর্যন্ত মারামারিতে রূপ নিল। গ্রিনডেলভান্ড নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলল। যদিও আমি না বোঝার ভান করে থাকতাম, কিন্তু তাকে আমি যা ধারণা করেছিলাম সেটা মুহূর্তের ভেতরই লাফিয়ে প্রকাশ পেয়ে গেল। এবং আমার মায়ের সব যত্নের, সব সতর্কতার অরিয়ানা…মরে মেঝেতে পড়ে আছে।

    ডাম্বলডোর ছোট করে শ্বাস নিলেন এবং আক্ষরিক অর্থেই কাঁদতে শুরু করলেন। হ্যারি তার পাশে গিয়ে পিঠে হাত রাখতে পেরে নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করল।

    ওয়েল, গ্রিনডেলভাল্ড পালিয়ে গেল, অন্য সবাই বুঝলেও আমি সেটা অনুমান করতে পারিনি। সে ক্ষমতা দখলের, মাগলদের নির্যাতনের, হ্যালোসগুলো সংগ্রহের, আমার দেয়া সাহস ও উৎসাহ এবং সমস্ত পরিকল্পনা নিয়ে অদৃশ্য হয়ে গেল। সে চলে যাওয়ার পর আমি রয়ে গেলাম আমার বোনকে কবর দেয়ার দায়িত্ব নিয়ে। আমি আমার দুঃখ, লজ্জা ও দোষ নিয়ে বাস করতে থাকলাম।

    কয়েক বছর পার হয়ে গেল। তার সম্পর্কে নানা কথা শোনা গেল। লোকে বলতে থাকল যে সে অসম্ভব ক্ষমতাশালী একটি যাদুদণ্ড সংগ্রহ করেছে। এদিকে আমাকে মিনিস্টার অব ম্যাজিকের দায়িত্ব নেয়ার কথা বলা হল। একবার নয় কয়েকবার। স্বাভাবিকভাবেই আমি তা প্রত্যাখ্যান করলাম। আমি জানি যে আমার ক্ষমতার বিষয়ে যোগ্যতা নেই।

    কিন্তু ফাজ বা মিগিওরের চেয়ে আপনি হলে অনেক ভাল ছিল! হ্যারি চিৎকার করে বলল।

    তাই হতো? ডাম্বলডোর বললেন। আমি সে ব্যাপারে নিশ্চিত না। অল্প বয়সী একজন মানুষ হিসাবে আমি প্রমাণ করেছিলাম যে ক্ষমতা হল আমার দুর্বলতা, আমার বাজে ইচ্ছা। এটা একটা মজার বিষয়, হ্যারি, যারা ক্ষমতার জন্য যোগ্য তারা ক্ষমতা চান না। তোমার মত যাদের উপর নেতৃত্ব গিয়ে পড়ে, যারা ক্ষমতার পোষাকটি পরতে বাধ্য হয় এবং তারা অবাক হয়ে দেখে যে সেটি বেশ মানিয়ে গেছে।

    আমি হোগার্টে বেশ নিরিবিলিই ছিলাম। আমি ভাবতাম আমি একজন ভাল শিক্ষক

    আপনি ছিলেন সেরা-

    এ তোমার উদারতা হ্যারি। কিন্তু আমি যখন তরুণ উইজার্ডদের শিক্ষা দেয়া নিয়ে ব্যস্ত তখন গ্রিনডেলভাল্ড তার বাহিনী গঠন করছে। লোকে বলে সে আমাকে ভয় পেত। হয়তো বা তাই। কিন্তু সেটা আমি তাকে যে ভয় পেতাম তার চেয়ে বেশি না।

    ও, মারা যায়নি, ডাম্বলডোর হ্যারির চোখে প্রশ্ন দেখে বললেন। যাদুর মাধ্যমে সে আমাকে কিছু করতে পারতো তাও না। আমি জানতাম যে আমাদের দুজনের মধ্যে সাযুজ্য আছে। হয়তো আমি তার চেয়ে সামান্য একটু বেশি দক্ষ ছিলাম। আমি তাকে ভয় পেতাম সেটাও সত্যি। তুমি জানো, আমি কখনো জানতাম না যে আমাদের মধ্যে কার ছুঁড়ে দেয়া কার্সের দ্বারা আমার বোন মারা গিয়েছিল। তুমি আমাকে ভীতু বলতে পারো, সেটা ঠিক বলা হবে। হ্যারি, এ ব্যাপারে আমার কোনো সংশয় নেই যে আমি আমার বোনের মৃত্যু ডেকে এনেছিলাম। শুধু আমার উদ্ধত আচরণ বা নির্বুদ্ধিতা দিয়েই নয়, আমিই প্রকৃতপক্ষে প্রথম আঘাত শুরু করেছিলাম যার কারণে তার প্রাণ চলে যায়।

    আমার ধারণা সে এটা জানতো। আমার ধারণা সে জানতো যে আমি কেন আতঙ্কিত। যে পর্যন্ত তার সঙ্গে দেখা না হওয়াটা লজ্জাজনক না হতে পারতো, সে পর্যন্ত আমি তার সঙ্গে সাক্ষাতকে বিলম্বিত করেছিলাম। তখন মানুষ মরছিল, সে অপ্রতিরোধ্য হয়ে গিয়েছিল। তখন আমি যা করতে পারতাম তাই আমাকে করতে হয়েছিল।

    ওয়েল, তুমি জানো তারপর কি ঘটেছিল। আমি তার সঙ্গে দ্বন্দ্বে জয়ী হয়েছিলাম। আমি যাদুদণ্ডটি জিতে নিয়েছিলাম।

    আবার নিরবতা নেমে এল। হ্যারি জানতে চাইল না, যে ডাম্বলডোর জানেন কিনা কে অরিয়ানাকে আঘাত করেছিল। সে এটা জানতে চায় না, এমনকি ডাম্বলডোর তাকে বলুক সেটাও চাইল না। অবশেষে সে জানতে পারল ডাম্বলডোর আয়নায় তাকালে কী দেখতে পেতেন। এবং কেন ডাম্বলডোর হ্যারির উপর প্রয়োগ করা ঘটনাগুলোর ব্যাপারে এতটা বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিয়েছেন।

    তারা দুজনই নিরবে বসে রইল দীর্ঘক্ষণ। পেছনে এই প্রাণীটির গোঙাতে থাকা হ্যারিকে আর কোনো সমস্যা করছে না।

    অবশেষে হ্যারি বলল, গ্রিনডেলভাল্ড চেষ্টা করেছিল যাতে ভোল্ডেমর্ট যাদুদণ্ডটি না খোজে। আপনি জানেন সে মিথ্যা কথা বলেছিল। ভান করেছিল যে যাদুদণ্ডটি কখনো তার কাছে ছিল না।

    ডাম্বলডোর মাথা নাড়লেন। তিনি তার কোলের দিকে তাকালেন। তখনো তার চোখ থেকে জল বেরিয়ে নাকের উপর দিয়ে চিকচিক করছে।

    মানুষ বলে সে নাকি পরবর্তী বছরগুলোতে নুরমেনগার্ডের সেলের ভেতর বসে অনুতাপ করেছিল। আমার মনে হয় এটা ঠিক কথা। আমি এটা ভাবি যে সে যা করেছে তার ব্যাপারে নিজে ভয় এবং লজ্জা অনুভব করেছে। হয়তোবা ভোল্টেমর্টের কাছে মিথ্যা বলেছিল সংশোধন হওয়ার চেষ্টায়….ভোল্ডেমর্টকে হ্যালো হাতিয়ে নেয়ার ব্যাপারে বাধা দিতে চেয়েছিল…

    …অথবা আপনার কবরটি ভেঙে প্রবেশ করাটা থেকে বাধা দিতে চেয়েছিল? হ্যারি বলল। ডাম্বলডোর শান্তভাবে তাকালেন।

    সামান্য সময় বিরতি নিয়ে হ্যারি বলল, আপনি কি পুনরায় জন্মের পাথরটি ব্যবহারের চেষ্টা করেছেন?

    ডাম্বলডোর মাথা দোলালেন।

    অতগুলো বছর পার করে আমি যখন এটা গাউন্টের পরিত্যক্ত বাড়িতে আবিষ্কার করলাম, তখন আমি সবগুলোর ব্যাপারে আগ্রহী হয়ে উঠলাম। যদিও আমি অল্প বয়সে একটি ভিন্ন কারণে এটির উপর আকৃষ্ট হয়েছিলাম। আমার মাথা নষ্ট হয়ে গিয়েছিল, হ্যারি। আমি ভুলে গিয়েছিলাম যে এটি ইতিমধ্যেই একটি ইরকুক্সে পরিণত হয়েছে এবং হরক্রুক্স-এর রিং নিশ্চিতভাবেই একটি কার্স বহন করছে। আমি এটি তুলে নিলাম এবং পড়লাম, আমার মনে হয়েছিল আমি আমার বোন অরিয়ানাকে, আমার মাকে, আমার বাবাকে বোধহয় দেখতে পাব এবং তাদেরকে আমি খুবই দুঃখিত সেটা বলতে পারবো….

    আমি এমনই বোকা ছিলাম, হ্যারি। ওই বছরগুলোতে আমি কিছুই শিক্ষা গ্রহণ করতে পারিনি। আমি ডেথলি হ্যালোগুলোকে একত্র করার ক্ষেত্রে অকেজো ছিলাম। আমি সেটি বারবার প্রমাণ করেছি এবং এক্ষেত্রেও তাই করেছি।

    কেন? হ্যারি বলল। এটাতো খুব স্বাভাবিক। আপনি আপনার পরিবারের লোকগুলোকে দেখতে চেয়েছিলেন। এতে সমস্যার কি আছে?

    হয়তো দশ লক্ষ লোকের ভেতর একজন হ্যালোগুলো একত্র করতে পারে, হ্যারি। আমি শুধু এটি নিজের করতে পেরেছিলাম। আমি এলডার যাদুদণ্ডটির মালিক হয়েছিলাম সেটার জন্য দম্ভ করতে নয়। অথবা সেটা দিয়ে কাউকে হত্যা করতে নয়। ওটাকে নিয়ন্ত্রণ করতে এবং ব্যবহার করতে আমার অনুমতি ছিল, কারণ আমি সেটা নিয়মানুযায়ী নিয়েছিলাম, নিজে লাভবান হওয়ার জন্য নয় বরং ওটা থেকে অনেকের জীবনকে রক্ষা করতে।

    কিন্তু ওই আলখাল্লাটি আমি নিয়েছিলাম কিউরিসিটি থেকে। ফলে এটা কখনোই আমার হয়ে কাজ করতো না, যা এর আসল মালিক হিসাবে তোমার জন্য করছে। আর এই পাথরটি আমি হয়তো ব্যবহার করতে পারতাম যারা অপর প্রান্তে শান্তিতে আছেন তাদেরকে টেনে আনার জন্য, তোমার মত আত্মত্যাগের জন্য নয়।

    ডাম্বলডোর হ্যারির হাতের উপর চাপড়ে দিলেন। হ্যারি বৃদ্ধ লোকটির দিকে চাকালো এবং হাসল : তার এখন আর কিছু করার নেই, ডাম্বলডোরের উপর সে এখন রাগ করে থাকবে কীভাবে?

    আপনি সবকিছুকে এত কঠিন করে ফেলেছিলেন কেন?

    ডাম্বলডোর কেঁপে কেঁপে হাসলেন।

    আমার ভুল হতে পারে, আমর ভাবনা ছিল যে মিস গ্র্যাঞ্জার তোমার কাজের তাড়াহুড়োকে ধীর করবে। আমার ভয় ছিল যে তোমার গরম মাথা তোমার ভাল মনটির উপর প্রভাব ফেলতে পারে। তুমি এই সকল আকর্ষণীয় বিষয়গুলো যদি তক্ষণি জানতে পার তা হলে দ্রুত ভুল করে হ্যালোগুলোকে অধিগ্রহণ করতে যাবে। আমি চেয়েছিলাম, তুমি তখনই ওগুলোর উপর হাত দিবে যখন সেগুলো নিরাপদে নিজের করে নিতে পারবে। আমার মত ভুল সময়ে ভুল পদক্ষেপ না হয়। তুমি হলে সত্যিকারের মাস্টার অব ডেথ, কারণ সত্যিকারের মাস্টার অব ডেথ মৃত্যু দেখে পালিয়ে যায় না। সে একমাত্র মেনে নেয় যে তাকে মরতে হবে। সে একমাত্র বুঝতে পারে যে মৃত্যুর চেয়েও ভয়াবহ অনেক কিছু পৃথিবীতে আছে।

    আর ভোল্ডেমর্ট এই হ্যালোসগুলো সম্পর্কে কিছু জানতো না?

    আমার তা মনে হয় না, কারণ সে পুনর্জন্মের পাথরটিকে সে হরক্রুক্সে পরিণত করেছে। এবং যদি সে জানতো, হ্যারি, আমার ধারণা তাহলে সবকিছু রেখে সে এটার উপরই আগ্রহী হয়ে উঠত। সে ভাবতো না যে আলখাল্লাটি তার দরকার। আর পাথরটির ব্যাপারে, সে তাকে মৃত্যু থেকে ফিরিয়ে আনতে চাইত। সে মৃত্যুকে ভয় পায়। সে ভালবাসা জানেনা।

    কিন্তু আপনার মনে হয়েছিল যে সে যাদুদণ্ডটির পেছনে ছুটবে?

    আমি নিশ্চিত ছিলাম যে সে এই চেষ্টা করবে। বিশেষ করে লিটল হেঙ্গলটনের কবরস্থানে তোমার যাদুদণ্ডটি তারটিকে পরাস্থ করার পর। প্রথমে সে ভয় পেয়েছিল যে তুমি তার চেয়ে অধিক দক্ষ হয়ে জয় পেয়েছ। কিন্তু সে যখন অলিভ্যাভারকে অপহরণ করল তখন সে আবিষ্কার করে টুইন কোর্সের বিষয়টি। সে মনে করেছিল সব কিছুর ব্যাখ্যা পেয়ে গেছে। কিন্তু তারপরও সে যে যাদুদণ্ডটি ধার করেছিল সেটা তোমারটার চেয়ে ভাল ছিল না। এরপর ভোল্ডেমর্ট নিজেকে একবারও জিজ্ঞেস করল না যে তোমার যাদুদণ্ডটি এত শক্তিশালী কেন, তোমার যাদুদণ্ডতে এমন কি আছে যা তার নেই। সে স্বভাবতই এমন যাদুদণ্ড খুঁজতে থাকল যেটা যে কোনো যাদুদণ্ডকে পরাজিত করতে পারে। সুতরাং এলডার ওয়্যান্ডের জন্য সে মরিয়া হয়ে গেল। সে বিশ্বাস করা শুরু করে যে এলডার ওয়্যান্ড তার সব দুর্বলতা দূর করে দেবে এবং তাকে সত্যিকারের অজেয় করে তুলবে। বেচারা সেভেরাস….।

    যদি আপনি স্নেইপের সঙ্গে আপনার মৃত্যুর পরিকল্পনা করে থাকেন, আপনি তাকে এটা বোঝাতে চেয়েছিলেন যে এলডার ওয়্যান্ডটিকে সহ, তাই না?

    আমি স্বীকার করছি যে আমার ইচ্ছাটা সে রকমই ছিল, ডাম্বলডোর বললেন। কিন্তু আমার ইচ্ছামত কাজ হয়নি, ঠিক না?

    না, হ্যারি বলল।

    তাদের পেছনে প্রাণীটি গোঙাতে থাকল এবং লাফাতে থাকল। হ্যারি এবং ডাম্বলডোর দীর্ঘ সময় নিয়ে চুপ করে থাকল বুঝতে চেষ্টা করল যে পরবর্তীতে হ্যারির ব্যাপারটি কি হতে যাচ্ছে।

    আমাকে ফিরে যেতে হবে, তাই না?

    সেটা নির্ভর করছে তোমার উপর।

    আমি ইচ্ছামত বেছে নিতে পারি?

    ওহ, হ্যাঁ। ডাম্বলডোর বললেন। তিনি হ্যারির দিকে তাকিয়ে হাসলেন। তুমি বলছিলে না যে আমরা কিংস ক্রসে আছি? আমি মনে করি তুমি যদি ফিরে না যাবার সিদ্ধান্ত নাও তাহলে সেটা পারবে… বলা যায়… একটি ট্রেনে আছে।

    এ ট্রেন আমাকে কোথায় নিয়ে যাবে?

    পথে, ডাম্বলডোর অতি সাধারণভাবে বললেন।

    আবার নিরবতা।

    এলডার ওয়্যান্ডটি ভোল্টেমর্টের হাতে?

    ঠিক, এলডার ওয়্যান্ডটি ভোল্ডেমর্টের হাতে।

    কিন্তু আপনি চান আমি ফিরে যাই?

    আমি মনে করি, ডাম্বলডোর বললেন। যদি তুমি ফিরে যাবার সিদ্ধান্ত নাও তাহলে তার অবসানের সম্ভাবনা থাকে। আমি নিশ্চিত করে বলতে পারছি না। কিন্তু · আমি এটা জানি হ্যারি, তোমার এখান থেকে ফিরে যাওয়াটা তার চেয়ে কম ভয়ের।

    হ্যারি আবার ওই দূরে চেয়ারের নিচে কাঁপতে থাকা প্রাণীটির দিকে তাকালো।

    এই মৃতের জন্য দুঃখ করো না হ্যারি। দুঃখ করো ভালবাসাহীন বেঁচে থাকার ব্যাপারে। ফিরে গেলে তুমি দেখতে পাবে কিছু আত্মা আহত হয়েছে, কিছু পরিবার ছিন্নছিন্ন হয়ে গেছে। সেটাকে যদি তোমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ মনে হয় তাহলে এই বর্তমান থেকে আরো দুজন দুজনকে বিদায় বলতে পারি।

    হ্যারি মাথা দোলালো এবং একটি নিঃশ্বাস ছাড়ল। এ জায়গা ছেড়ে যাওয়াটা বনের ভেতর দিয়ে সেই হেঁটে যাওয়ার মত কষ্টকর হবে না। কিন্তু এ জায়গাটি উষ্ণ, উজ্জ্বল এবং শান্তিময়। সে জানে যে সে ফিরে যাচ্ছে অনেক যন্ত্রণা, অনেক হারানোর ভয়ের ভেতর। হ্যারি উঠে দাঁড়ালো, এবং ডাম্বলডোরও তাই করলেন। বেশ খানিক সময় তারা একে অন্যের দিকে তাকিয়ে রইল।

    একটা শেষ কথা আমাকে বলেন, হ্যারি বলল। আমাদের এ অবস্থান বাস্ত ব, নাকি আমার মাথার ভেতর থেকে প্রসূত?

    ডাম্বলডোর হ্যারির দিকে ঝুকলেন। যদিও কুয়াশা আরো ঘণ হয়ে আসছে এবং তার শরীরটা অস্পস্ট হয়ে যাচ্ছে, কিন্ত তার গলার স্বর দৃঢ় এবং উঁচু শোনা গেল।

    অবশ্যই এটা তোমার মাথার ভেতর ঘটছে, হ্যারি, কিন্তু কেন তুমি ভাবতে যাও যে এটা বাস্তব নয়?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদ্য ক্যাচার ইন দ্য রাই – জে ডি সালিঞ্জার, অনুবাদ – রাফায়েত রহমান রাতুল
    Next Article হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য হাফ-ব্লাড প্রিন্স (৬) – জে. কে. রাওলিং

    Related Articles

    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার এন্ড দি ফিলসফারস স্টোন (১) – জে. কে. রাওলিং

    August 18, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য চেম্বার অব সিক্রেটস (২) – জে. কে. রাওলিং

    August 18, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য প্রিজনার অব আজকাবান (৩) – জে. কে. রাওলিং

    August 18, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য গবলেট অব ফায়ার (৪) – জে. কে. রাওলিং

    August 16, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য অর্ডার অব দ্য ফনিক্স (৫) – জে. কে. রাওলিং

    August 16, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য হাফ-ব্লাড প্রিন্স (৬) – জে. কে. রাওলিং

    August 16, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }