Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য প্রিজনার অব আজকাবান (৩) – জে. কে. রাওলিং

    জে. কে. রাওলিং এক পাতা গল্প474 Mins Read0
    ⤷

    ০১. একটি অস্বাভাবিক জন্মদিন

    ০১. একটি অস্বাভাবিক জন্মদিন

    সাংঘাতিক রকমের অস্বাভাবিক ছেলে হ্যারি পটার এবং অন্য যেকোন সময়ের তুলনায় গ্রীষ্মকালীন ছুটিটাকে সে ঘৃণা করত সবচাইতে বেশি। হোম ওয়ার্কটা সে করতে চাইত ঠিকই, কিন্তু বাধ্য হতো গোপনে একেবারে শেষ রাতে করতে। এবং সে ছিল যাদু বিদ্যায় ওস্তাদ এক ক্ষুদে যাদুকর।

    সময়টা মধ্যরাত। হ্যারি পটার বিছানায় উপুড় হয়ে শুয়ে আছে। কম্বলটা তাঁবুর মতো করে একেবারে মাথার ওপর পর্যন্ত টানা। হাতে টর্চ এবং বালিশের ওপর খোলা বাথিলডা ব্যাগশিল্ডের লেখা ম্যাজিকের ইতিহাস বইখানা। ভ্রূ কুঁচকে হ্যারি পটার খোলা বইয়ের পাতার ওপর থেকে নিচ পর্যন্ত ঈগল পাখার কলমটা টেনে নিয়ে গেলো, সে খুঁজছে এমন কিছু, যেটা তাকে চতুর্দশ শতাব্দীতে ডাইনী পোড়ানোর ঘটনা ছিল একেবারে অর্থহীন–আলোচনা কর রচনাটি লিখতে সাহায্য করবে।

    একটা সম্ভাব্য প্যারার ওপর এসে ঈগল পাখার কলমটা থামল। হ্যারি তার গোল চশমাটা নাকের ওপর ঠেলে দিয়ে টর্চটাকে বইয়ের আরো কাছে নিয়ে পড়তে শুরু করলঃ

    যেসব মানুষ যাদুবিদ্যা জানে না (সাধারণভাবে যারা মাগলস হিসেবে পরিচিত) তারা মধ্যযুগে যাদু বা ম্যাজিককে বিশেষভাবে ভয় পেত। কিন্তু এটা ভালোভাবে বুঝতে পারতো না। কোন কোন বিরল ঘটনায় তারা হয়তো আসল ডাইনী এবং যাদুকর ধরতে পারতো কিন্তু আগুনে পোড়ানোর কোন কার্যকর প্রভাব ওদের ওপর পড়তো না। ডাইনী অথবা যাদুকর যেই হোক না কেন, আগুনের মধ্যে হিম একটা মৌলিক মায়ায় নিজেকে জড়িয়ে নিত, ব্যথায় চিৎকার করবার ভান করত। আসলে এসময় তারা মৃদু রোমাঞ্চকর এক শিহরণ উপভোগ করত। বস্তুত ওয়েন্ডেলিন দি উইয়ের্ড নিজে পুড়তে এত মজা পেত যে, সে বিভিন্ন ছদ্মবেশে নিজেই কমপক্ষে সাতচল্লিশবার ধরা দিয়েছিল পোড়ার জন্যে।

    দাঁতের ফাঁকে ঈগল পাখাটা ধরে হ্যারি বালিশের নিচে থেকে কালির দোয়াত আর পার্চমেন্টের রোলটা বের করবার চেষ্টা করল। খুব সাবধানে কালির দোয়াতটা খুলে পাখার কলমটা ডুবিয়ে হ্যারি লিখতে শুরু করল। মাঝে মাঝে থামছে তা কান পেতে শোনার চেষ্টা করছে। কোন একজন ডার্সলি যদি বাথরুমে যাওয়ার পথে ওর কলমের খসখসানি শুনতে পায় তাহলেই দফারফা শেষ। সারা গ্রীষ্মটা কাটাতে হবে সিঁড়ির নিচে কাপবোর্ডে আটক অবস্থায়।

    প্রাইভেট ড্রাইভের চার নম্বর বাড়ীর ডার্সলি পরিবার হচ্ছে হ্যারির গ্রীষ্মকালীন ছুটির সবচেয়ে বড় শত্রু। ওদের জন্যে প্রতিবারই ওর ছুটিটা মাঠে মারা যায়। অথচ এই পরিবারটিই অর্থাৎ আংকেল ভারনন, আন্ট পেটুনিয়া এবং তাদের ছেলে ডাডলিই হচ্ছে হ্যারির একমাত্র জীবিত আত্মীয়। ওরা মাগল এবং যাদুবিদ্যার প্রতি তাদের দৃষ্টিভঙ্গিটা একেবারেই মধ্যযুগীয়। হ্যারির মৃত মা-বাবা নিজেরা ছিলেন ডাইনী এবং যাদুকর। কিন্তু ডার্সলিদের বাড়ীতেই কখনই ওদের নাম উচ্চারণ করা হয় না। বছরের পর বছর আংকেল ভারনন এবং আন্টি দুজনই আশা করে আসছেন হ্যারিকে যথাসম্ভব দীনহীন অবস্থায় রাখতে পারলে হয়তো তার ভেতরের যাদু ক্ষমতাটাকে ধ্বংস করা যাবে। বলা বাহুল্য তারা ব্যর্থ হয়েছেন। এর জন্যে রাগও তাদের কম নয়। এবং এখন ভয়ে ভয়ে আছেন, কে যে কখন জেনে ফেলে হ্যারি গত ২ বছরের বেশির ভাগ সময়টা কাটাচ্ছে হোগার্টস-এর ডাইনী ও যাদুবিদ্যা স্কুলে। আজকাল ডার্সলিরা যেটা করতে পারে সেটা হচ্ছে গ্রীষ্মের ছুটির শুরুতে হ্যারির যাদুর কাঠি, মায়ার বা যাদু বিদ্যার বই, কড়াই এবং লম্বা ঝাড়ু বা ব্রুমস্টিকটা তালা মেরে রাখতে। আর প্রতিবেশীদের সঙ্গে হ্যারির কথা বলার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করতে।

    যাদুর বইটি হাতছাড়া হওয়াতে হ্যারি মুশকিলেই পড়েছে কারণ হোগার্টস-এর টিচাররা অনেক হোমওয়ার্ক দিয়েছেন। অবশ্য ছুটির প্রথম সপ্তাহেই হ্যারি এক সুযোগে নিচের কাপবোর্ডের তালা খুলে কয়েকটি বই নিয়ে এসে তার ঘরে লুকিয়ে রেখেছে। ডার্সলি পরিবার তখন বাগানে পাড়াপড়শীকে শুনিয়ে শুনিয়ে তাদের নতুন গাড়ির তারিফ করছিল। চাদরে কালির দাগ না পেলেই হলো ডার্সলিরা জানতেও পারবে না যে সে রাতে লুকিয়ে লুকিয়ে ম্যাজিকের বই পড়ছে।

    এই মুহূর্তে হ্যারি আংকেল-আন্টির সঙ্গে কোন ঝামেলা চাচ্ছে না। ওরা এমনিতেই ক্ষেপে আছেন ওর ওপর। কারণটা হোগার্টস-এর সহপাঠি বন্ধু যাদুকর রন উইজলির টেলিফোন। এদের পুরো পরিবারটিই ডাইনী–যাদুকরের পরিবার। তার মানে হচ্ছে উত্তরাধিকার সূত্রেই ও অনেক কিছু জানে যা হ্যারি জানে না। কিন্তু কখনও টেলিফোন ব্যবহার করে না। সেদিন যে কেন করেছিল। ভাগ্যের দোষে আংকেল ভারননই ধরলেন টেলিফোনটা।

    ভারনন ডার্সলি বলছি।

    রন কথা বলছে শুনে সেসময় ঘরে উপস্থিত হ্যারি তখন ভয়ে একেবারে হিম।

    হ্যালো! হ্যালো! আপনি শুনতে পাচ্ছেন, আমি হ্যারি পটারের সঙ্গে কথা বলতে চাইছি।

    রন এত জোরে চিৎকার করছিল যে আংকেল ভারনন একেবারে লাফিয়ে উঠে ফোনের রিসিভারটা কান থেকে এক ফুট দূরে সরিয়ে ধরলেন। ভয় আর শংকা মিশ্রিত দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলেন ওটার দিকে।

    কে কথা বলছে? রিসিভারটার দিকে গর্জন ছুঁড়ে দিলেন।

    কে তুমি?

    রন-উইজলি! পাল্টা চিৎকার করল রন। যেন ফুটবল মাঠের এ মাথা ও মাথা থেকে দুজনে কথা বলবার চেষ্টা করছে।

    আমি হ্যারির স্কুলের বন্ধু।

    এবার রিসিভারটাকে এক হাত দূরে ধরলেন আংকেল ভারনন, যেন ভয় পেলেন ওটা ফেটে যেতে পারে। সগর্জনে বললেন, আমি জানি না তুমি কোন স্কুলের কথা বলছ! আর এখানে কোন হ্যারি পটার নেই! কখনও ফোন করবে না! কখনই আমার পরিবারের কাছাকাছি আসবার চেষ্টা করবে না!

    বলে রিসিভারটা এমনভাবে রাখলেন যেন একটা বিষাক্ত সাপ ছুঁড়ে ফেলছেন।

    এরপর যেটা ঘটলো সেটা আরো ভয়াবহ।

    কোন সাহসে তোমার মতো তোমার মতো একজনকে এই টেলিফোন নাম্বার দিয়েছ? চিৎকার করে উঠলেন তিনি হ্যারির উদ্দেশ্যে। তার মুখের ছিটানো থুথু এসে লাগলো হ্যারির চোখেমুখে।

    অবশ্য রন বুঝতে পেরেছিল যে হ্যারিকে সে বিপদেই ফেলেছে। আর কোনদিন ফোন করেনি। হোগার্টস-এর আরেক বন্ধু হারমিওন গ্রেঞ্জারও ফোন করেনি। নিশ্চয়ই রন তাকে সাবধান করে দিয়েছে।

    পাঁচ সপ্তাহ ধরে উইজার্ড বন্ধুদের কাছ থেকে একটি শব্দও শোনেনি হ্যারি। এর মধ্যে অবশ্য ছোট্ট একটি পরিবর্তন হয়েছে, এবং সেটা ভালোর দিকেই। আংকল ভারনন অনুমতি দিয়েছেন, রাতের বেলায় হ্যারি তার পেঁচা হেডউইগকে ছেড়ে দিতে পারে। এর জন্যে অবশ্য হ্যারিকে প্রতিজ্ঞা করতে হয়েছে, হেডউইগকে সে কখনই বন্ধুদের কাছে চিঠি পাঠানোর কাজে ব্যবহার করবে না। অনুমতিটা দিতে আংকেল ভারনন বাধ্যই হয়েছেন বলা যায়। খাঁচায় বন্ধ করে রাখলে হেডউইগ যা চেঁচামেচি করে না।

    ওয়েন্ডেলিন দি উইয়ের্ড সম্পর্কে লেখা শেষ করে হ্যারি আবার কান পাতল। তার বিশালদেহী চাচাত ভাইয়ের নাসিকার গর্জনই রাতের নীরবতা ভাঙ্গছে। নিশ্চয়ই অনেক রাত হয়েছে। ক্লান্তিতে হ্যারির চোখ বুজে আসছে। আজ এ পর্যন্তই থাক। লেখাটা কাল রাতে শেষ করা যাবে। কালির দোয়াতের মুখ বন্ধ করল। বিছানার নিচে থেকে একটা বহু পুরনো বালিশের ওয়াড় বের করল। ওয়াড়ের ভেতরে টর্চ, ম্যাজিকের ইতিহাস বইখানা, তার লেখা, পালকের কলম এবং দোয়াতটা রাখলো। বিছানা থেকে নামলো। সম্পত্তিটা তার বিছানার নিচে আলগা করে রাখা একটা ফ্লোর বোর্ডের তলায় লুকিয়ে রাখলো।

    ঘড়িটা দেখলো। রাত একটা বাজে। হ্যারির পেটের ভেতরটা কেমন যেন অদ্ভুতভাবে লাফিয়ে উঠলো। এক ঘণ্টা আগেই সে তের বছর পেরিয়ে এলো আর তার কি না খবরই নেই। আর একটি অস্বাভাবিক ব্যাপার হচ্ছে নিজের জন্মদিন সম্পর্কে খোদ হ্যারির কত কম আগ্রহ! জীবনে সে জন্মদিনের কোন কার্ড পায়নি। ডার্সলিরা গত দুটো জন্মদিনকে একদম মনে করেনি। এবারেরটা মনে রাখবে তেমনটা বিশ্বাস করারও কোন কারণ নেই।

    অন্ধকার ঘরের মধ্য দিয়ে হেঁটে গিয়ে হ্যারি জানালার কাছে দাঁড়ালো। ঝুঁকলো বাইরের দিকে। দীর্ঘক্ষণ কম্বলের নিচে কাটানোর পর বাইরের ঠাণ্ডা বাতাস হ্যারির চোখে মুখে মধুর পরশ বুলিয়ে দিয়ে গেল যেন। হেডউইগের শূন্য খাঁচাটা শুধু ঝুলছে। দুই রাত ধরে পেঁচাটা নেই। ঘাবড়ে যায়নি মোটেই সে। এরকম আরো গেছে হেডউইগ। হ্যারি আশা করছে তার ফিরে আসার সময় হয়ে এসেছে। এই বাড়ির একমাত্র জীবিত প্রাণী হচ্ছে এই পেঁচাটা যে হ্যারিকে দেখে কুঁকড়ে যায় না।

    বয়সের তুলনায় হ্যারি এখনও বেশ অগোছালো এবং হাড্ডিসার। অবশ্য গত এক বছরে সে একটু লম্বা হয়েছে। কুচকুচে কালো চুল বরাবরের মতোই এবং অবাধ্য। চশমার কাঁচের পেছনে একজোড়া উজ্জ্বল সবুজ চোখ। কপালে চুলের ফাঁকে স্পষ্ট দেখা যায় সরু একটা দাগ, যেন বিদ্যুতের ফালি।

    হ্যারির মধ্যে যত অস্বাভাবিকতা রয়েছে তার মধ্যে সবচাইতে বিশিষ্ট হলো কপালের এই দাগটি। ডার্সলিয়া গত দশ বছর ধরে যা ভেবে আসছে এই দাগটি সেই মোটর অ্যাকসিডেন্টের স্মৃতি চিহ্ন, যে মোটর অ্যাকসিডেন্টে হ্যারির বাবা মা মারা গেছে বলে ওরা বিশ্বাস করে। কিন্তু মোটেই সেটা সেরকম কিছু নয়। লিলি এবং জেমস পটার কোন সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যায়নি। তাদেরকে হত্যা করা হয়েছে। হত্যা করেছে একশ বছরের মধ্যে সবচাইতে ভীতিকর ডার্ক উইজার্ড লর্ড ভোলডেমর্ট। একই আক্রমণ থেকে হ্যারি অল্পের জন্য বেঁচে গিয়েছে কপালে সামান্য একটু দাগের বিনিময়ে, কারণ ভোলডেমর্টের আক্রমণটা তাকে না মেরে রেবাউন্ড হয়ে ফিরে গিয়েছিল তার দিকেই। প্রায় মরো মরো অবস্থায় ভোলডেমর্ট পালিয়ে বেঁচেছিল সে যাত্রা।

    হোগার্টস-এ আসার পর হ্যারিকেও ওর মুখোমুখি হতে হয়েছে। অন্ধকার জানালায় দাঁড়িয়ে তাদের সর্বশেষ মোলাকাতের কথা ভেবে হ্যারির মনে হলো সে ভাগ্যবান বলেই ১৩তম জন্মদিনটাকে দেখতে পাচ্ছে।

    তারা ভরা আকাশটার দিকে আবার তাকালো হ্যারি, খুঁজলো যদি দেখা যায় হেডউইগ তার দিকে উড়ে আসছে, হয়তো ঠোঁটে ঝুলছে মরা ইঁদুর। সামনের বাড়িগুলোর ছাদের উপর দিয়ে অনেকক্ষণ একদৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকার পর হ্যারি বুঝতে পারলো কি দেখছে সে। সোনালী চাঁদটাকে পেছনে রেখে, প্রতি মুহূর্তে বড় হচ্ছে একটি অদ্ভুত উড়ন্ত জীব, জোরে জোরে পাখা চালিয়ে তার দিকেই উড়ে আসছে।

    একেবারে কাছে চলে এসেছে। এক মুহূর্তের জন্য হ্যারি ভাবলো জানালাটা বন্ধ করে দেবে। ঠিক তখনই রহস্যময় প্রাণীটা রাস্তার একটি বাতির উপর দিয়ে উড়ে এলো। উড়ন্ত জীবটার পরিচয় সম্পর্কে হ্যারির আর কোন সন্দেহ রইল না। লাফিয়ে হ্যারি জানালার একদিকে সরে এলো। জানালা দিয়ে সবেগে ঢুকল তিনটি পেঁচা, দুটো পেঁচা বহন করে নিয়ে উড়ছে অন্যটিকে এবং মনে হচ্ছে তৃতীয়টি জ্ঞান হারিয়েছে। আস্তে একটা ভো ভো শব্দ করে ওরা বসলো হ্যারির বিছানায়। মাঝের ধূসর বিশাল পেঁচাটি ডান দিকে গড়িয়ে পরে একবারে নিথর নিঃশব্দ। ওটার পায়ে বিরাট একটা প্যাকেট বাঁধা রয়েছে। জ্ঞানহারা পেঁচাটিকে মুহূর্তের মধ্যে চিনে ফেলল হ্যারি। ওটার নাম এরল, নিবাস উইজলি পরিবার। দৌড়ে হ্যারি বিছানার কাছে গিয়ে এরলের পা থেকে প্যাকেটটা মুক্ত করল। বুকে করে এরলকে হেডউইগের খাঁচায় নিয়ে গেলো। এরল ঝাঁপসা একটা চোখ মেলল, দুর্বল ভাবে যেন ধন্যবাদ জানিয়ে পানি খেতে শুরু করল।

    এবার হ্যারি অন্য পেঁচা দুটোর দিকে নজর দিল। তুষারের মত সাদা বড় মেয়ে পেঁচাটি তার নিজের হেডউইগ। ওটাও একটা পার্সেল বহন করছিল এবং কেন জানি নিজেই নিজের উপর খুব সন্তুষ্ট ছিল। যেমনি হ্যারি ওকে ভারমুক্ত করলো ওমনি ঠোঁট দিয়ে হ্যারিকে আদরের ঠোকর দিয়ে ওটা উড়ে গেল এরলের কাছে।

    তৃতীয় পেঁচাটিকে হ্যারি চিনতে পারলো না। কিন্তু বাদামী সুন্দর পেঁচাটি কোত্থেকে এসেছে এক নিমেষেই হ্যারি বুঝতে পারলো। তৃতীয় একটা পার্সেল ছাড়াও ওটা একটি চিঠি নিয়ে এসেছে, যে চিঠিতে হোগার্টস-এর প্রতীক রয়েছে। পেঁচার কাছ থেকে হ্যারি চিঠি এবং পার্সেল বুঝে নিতেই ওটা গম্ভীরভাবে নিজের পালকগুলোকে ঠিকঠাক করে নিল এবং পাখা মেলে অন্ধকারের মধ্যে হারিয়ে গেল। হ্যারি বিছানায় গিয়ে বসলো। এরলের আনা প্যাকেটটি নিয়ে বাদামী রং এর মোড়কটা খুলল। জীবনের প্রথম জন্মদিনের কার্ড এবং সোনায় মোড়ানো উপহার পেল হ্যারি। কাঁপা কাঁপা আঙ্গুল দিয়ে খামটা খুললো ও। কাগজের দুটো টুকরো পড়লো খামটা থেকে। কাগজ দুটোর একটি হচ্ছে চিঠি আর একটি খবরের কাগজের কাটিং।

    পেপার কাটিংটা নিশ্চিতভাবেই যাদু দৈনিক ডেইলি প্রফেট-এর, কারণ সাদা কালো ছবিটার লোকগুলো নড়ছে। হ্যারি পেপার কাটিংটা তুলে নিয়ে পড়তে শুরু করলো।

    গ্র্যান্ড পুরস্কার পেলেন ম্যাজিক মন্ত্রণালয়ের কর্মচারী

    ম্যাজিক মন্ত্রণালয়ের মাগল আর্টিফ্যাক্টস দপ্তরের প্রধান আর্থার উইজলি ডেইলি প্রফেট-এর বার্ষিক গ্র্যান্ড পুরস্কার গ্যালিয়ন ড্র জিতে নিয়েছেন।
    পুরস্কার পেয়ে আনন্দিত মিস্টার উইজলি ডেইলি প্রফেটকে বলেছেন, আমরা এই সোনা গ্রীষ্মকালীন ছুটিতে মিশরে খরচ করবো। ওখানে রয়েছে আমাদের বড় ছেলে বিল, কাজ করছে শাপ ভঙ্গকারী হিসেবে গ্রিংগটস উইজার্ডিং ব্যাংকের জন্য।
    হোগার্টস-এ নতুন বছর শুরু হওয়ার আগে উইজলি পরিবার মিসরে থাকবে একমাস। এই স্কুলটিতে উইজলি পরিবারের পাঁচটি ছেলেমেয়ে পড়ছে।

    হ্যারি ছবিটা তুলে নিল। ওর সারা মুখে একটা শব্দহীন হাসি ছড়িয়ে পড়লো। সে দেখলো বিরাট এক পিরামিডের সামনে দাঁড়িয়ে উইজলি পরিবারের নয়জনই তার দিকে প্রবল বেগে হাত নাড়ছে। পরিবারটি অত্যন্ত ভালো, কিন্তু খুবই গরিব। হ্যারি ভাবতেই পারে না এই পরিবারটি ছাড়া অন্য কারো একতাল সোনা জেতা উচিত। এরপর রন-এর লেখা চিঠিটা তুলে নিয়ে সে পড়তে শুরু করে।

    প্রিয় হ্যারি,
    শুভ জন্মদিন।
    টেলিফোন করার ব্যাপারে আমি সত্যিই দুঃখিত। আশাকরি মাগলগুলো এ নিয়ে তোমাকে জ্বালাতন করেনি। বাবাকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম তিনি বললেন, আমার চিৎকার করা মোটেই উচিত হয়নি।
    মিশর একটা চমৎকার জায়গা। বিল আমাদেরকে সবগুলো সমাধি দেখিয়ে বেড়িয়েছে। বললে বিশ্বাস করবে না, প্রাচীনকালের যাদুকরের মিশরীয়দের উপর যে কতরকমের শাপ দিয়ে রেখেছেন। জিনিকে মা শেষ পিরামিডটাতে যেতেই দেয়নি। ওখানে মাগলদের অতিরিক্ত মাথা গজানো ভাঙাচোরা রূপান্তরিত কংকালগুলি ছিল।
    বাবা ডেইলি প্রফেট লটারি পেয়েছে আমি বিশ্বাসই করতে পারিনি। সাত সাতশ গ্যালিয়ন! অবশ্য তার বেশিরভাগটাই মিশর ভ্রমণে বেরিয়ে যাবে। কিন্তু আমাকেও আগামী বছরের জন্য একটা যাদুর কাঠি কিনে দেবে।

    হ্যারির ভালো করেই মনে আছে ঘটনাটা। ওরা দুজন যেবার গাড়ি উড়িয়ে হোগার্টস-এ গিয়ে স্কুল মাঠে একটা গাছের উপর পড়েছিল সেবারই হ্যারির পুরনো যাদুর কাঠিটি ভেঙে গিয়েছিল।

    স্কুল শুরু হওয়ার সপ্তাহ খানেক আগে আমরা ফিরব। আমাদেরকে লন্ডন পর্যন্ত যেতে হবে। নতুন বই আর যাদুর কাঠির জন্য। সেখানে কি তোমার সাথে দেখা হওয়ার কোন সম্ভাবনা আছে?
    মাগলগুলোকে তোমার সর্বনাশ করতে দিও না!
    লন্ডনে আসার চেষ্টা করো।
    রন
    পুনশ্চ পার্সির হেড বয় হওয়ায় চিঠিটি সে গত সপ্তাহে পেয়েছে।

    হ্যারি আবার ছবিটা দেখল। হোগার্টস-এর সপ্তম অর্থাৎ শেষ বছরের পার্সিকে বিশেষভাবে আত্মসন্তুষ্ট মনে হচ্ছিল। স্টাইল করে পরা ফেজ টুপিটার ওপর ওর হেড বয় ব্যাজটা আটকানো। মিশরীয় সূর্যের আলো ওর চশমা থেকে ঠিকরে বের হচ্ছে যেন।

    এতক্ষণে প্রেজেন্টটার দিকে নজর দিল হ্যারি। উপরের মোড়ক খুলল। ভেতরে পাওয়া গেল কাঁচের ছোট্ট লাট্ট একটা। নিচে রন-এর আরেকটি ছোট চিঠি।

    হ্যারি-এটা হচ্ছে একটি পকেট স্নিকোস্কোপ। আশপাশে যদি বিশ্বাস না করবার মতো কেউ থাকে তবে এটা নিজে নিজেই জ্বলে উঠে ঘুরতে থাকবে। বিল বলে এটা একটা বাজে জিনিস, উইজার্ড ট্যুরিস্টদের গছিয়ে দেয়া হয়। ওর এরকম ধারণা হওয়ার কারণ গত রাতে ডিনারের সময় ওটা জ্বলে উঠেছিল। কিন্তু ও তো জানে না ফ্রেড আর জর্জ ওর স্যুপের মধ্যে পান পা দিয়ে রেখেছিল। এ কারণেই ওটা জ্বলে উঠেছিল।
    শুভেচ্ছা–রন

    বেডসাইড টেবিলের উপর স্নিকোস্কোপটাকে রাখল হ্যারি। আলোর ওপর স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে পড়ল ওটা। ঘড়ির কাটা থেকে বিচ্ছুরিত আলো ওটাতে প্রতিফলিত হচ্ছে দেখল হ্যারি। কয়েক মুহূর্ত সন্তুষ্ট চিত্তে ওটার দিকে তাকিয়ে থেকে হ্যারি হেডউইগের আনা পার্সেলটা তুলে নিল।

    এটার ভেতরেও দেখতে পেলো কাগজে মোড়া একটি প্রেজেন্ট কার্ড এবং একটি চিঠি রয়েছে। চিঠিটি হারমিওনের লেখা।

    প্রিয় হ্যারি,
    তোমার ভারনন আংকেলকে ফোন করা নিয়ে ঘটে যাওয়া বিপত্তি সম্পর্কে রন আমাকে চিঠি লিখে জানিয়েছে। আশাকরি এখন তুমি বিপদমুক্ত হয়েছ।
    এখন আমি ছুটি কাটাচ্ছি ফ্রান্সে। এই পার্সেলটা তোমার কাছে পাঠাবার ব্যাপারে ভয় পাচ্ছিলাম, যদি কাস্টমসে ওরা খুলে দেখে! ঠিক সেই সময় হেডউইগ এসে পড়ল। আমার যেন কেন মনে হলো ও চাইছে জন্মদিনে তোমার একটা প্রেজেন্ট পাওয়া উচিত। সে যেন এটাই নিশ্চিত করতে আমার কাছে উড়ে এলো। টেলিফোন অর্ডারের মতোই পেঁচা অর্ডারে তোমার প্রেজেন্ট কিনেছি; ডেইলি ফেটে একটা বিজ্ঞাপন ছিল (আমি আবার ওটা পাওয়ার ব্যবস্থা করেছি, যাদুর দুনিয়ায় কি ঘটছে সে সম্পর্কে আপ টু ডেট থাকাটা খুব ভালো)। এক সপ্তাহ আগে রন আর ওদের পরিবারের ছবিটা দেখেছিলে? আমি শিওর ওখানেও ও যাদু শিখছে, আমি সত্যিই জেলাস–প্রাচীন মিশরের যাদুকরেরা সত্যিই ছিল মোহিনী শক্তির অধিকারী।
    এখানেও যাদুবিদ্যার অতীত কিছু ইতিহাস রয়েছে বৈকি। আমি এখানে পাওয়া কোন কোন বিষয় উল্লেখ করে আমার যাদুর ইতিহাস রচনাটিকে সমৃদ্ধ করেছি।
    রন লিখেছে যে ছুটির শেষের দিকে ও লন্ডনে থাকবে। তুমি কি যেতে পারবে? আশা করি পারবে। যদি না পারো তবে ১লা সেপ্টেম্বর দেখা হচ্ছে হোগার্টস এক্সপ্রেসে।
    ভালোবাসা
    হারমিওন
    পুনশ্চ: রন লিখেছে পার্সি হেড বয় হয়েছে। আমি বলতে পারি পার্সি সত্যিই খুশি হয়েছে। মনে হচ্ছে রন এতে খুশি হয়নি।

    হাসলো হ্যারি। হারমিওনের চিঠিটা রাখতে রাখতে ওর দেয়া প্রেজেন্টটা তুলে নিল। খুব ভারি। হারমিওনকে তো সে জানে। এটা নিশ্চয়ই বিরাট একটা যাদুর বই, কঠিন সব যাদু কসরৎসহ, কিন্তু না, ওটা সে রকম কিছু না। ওপরের মোড়কটা খুলতেই ওর মন লাফিয়ে উঠল। চমৎকার একটি চামড়ার কেস, ওপরে রূপালী অক্ষরে লেখা : মস্টিক সার্ভিসিং কিট।

    ওহ, হারমিওন! ফিস ফিস করে উঠল হ্যারি, কেস-এর চেইনটা খুলল।

    ফ্লিটউড হ্যান্ডল পলিশ, রূপার একজোড়া টেইল–টুইগ ক্লিপার্স। ছোট্ট একটি কম্পাস, লম্বা যাত্রার সময় ব্রুমস্টিকে আটকে রাখার জন্যে। আরেকটি রয়েছে হ্যান্ডবুক; নিজে নিজের ব্রুমের যত্ন নাও।

    বন্ধুবান্ধব ছাড়া হ্যারি হোগার্টস-এর আর যেটা মিস করছে সেটা হচ্ছে যাদুর জগতের সবচেয়ে জনপ্রিয় খেলা: কুইডিচ। খুবই বিপদজনক, উত্তেজনায় ভরপুর। খেলা হয় যাদুকর–বাহন ব্রুমস্টিকের ওপর চড়ে। কুইডিচে হ্যারি খুবই ভালো। এক শতাব্দীর মধ্যে হোগার্টস হাউজ টিমের মধ্যে হ্যারি হচ্ছে সবচেয়ে ছোট প্লেয়ার। হ্যারির রয়েছে নিম্বাস দুই হাজার রেসিং ব্রুমস্টিক।

    চামড়ার কেসটা সরিয়ে হ্যারি তার শেষ প্রেজেন্ট তুলে নিল। হাতের লেখা দেখেই হ্যারি চিনতে পারল এটা পাঠিয়েছে হোগার্টস-এর পশুপাখী রক্ষক (গেম কিপার) হ্যাগ্রিড। উপরের কাগজটা ছেঁড়ার পর দেখা গেল সবুজ চামড়ার মতো কিছু। পুরোটা খুলবার আগেই পার্সেলটা অদ্ভুতভাবে কেঁপে উঠল। ভেতরে যাই ছিল সেটা কড়াৎ করে উঠল যেন ওটার শক্ত চোয়াল রয়েছে।

    ভয়ে জমে গেল হ্যারি। ও জানে হ্যাগ্রিড ইচ্ছে করে ওকে বিপদজনক কিছু পাঠাবে না। তবে বিপদ সম্পর্কে হ্যাগ্রিডের ধারণাটা সাধারণ লোকের মত নয়। হ্যারি পার্সেলটায় একটা গুতো দিল। আবার ওটা কড় কড় শব্দ করে উঠল। হাত বাড়িয়ে বেডসাইড টেবিল ল্যাম্পটা মাথার ওপর তুলো হ্যারি। এক হাতে মারতে উদ্যত হয়ে আরেক হাতে পার্সেলের বাকি মোড়কটা খুলল। একটা বই ছাড়া আর কিছুই বের হলো না। সুন্দর সবুজ মলাটের ওপর সোনালী অক্ষরে লেখা রয়েছে দি মনস্টার বুক অফ মনস্টার্স। নামটা ভালো করে পড়ার আগেই বইটা ভুতুড়ে কাকড়ার মতো দুদ্দাড় করে বিছানার ওপর দিয়ে পালাতে শুরু করল।

    আহ, ওহ! বিড় বিড় করল হ্যারি।

    শব্দ করে বইটা বিছানার ওপর থেকে লাফিয়ে মাটিতে পড়ে ঘষটাতে ঘষটাতে রুমের আরেক দিকে রওনা হলো। পা টিপে টিপে হ্যারি বইটার পেছন পেছন গেল। ডেস্কের নিচে অন্ধকারে বইটা যেন লুকোতে চাইছে। মনে মনে হ্যারি প্রার্থনা করল ডার্সলিরা যেন ঘুমিয়েই থাকে। হাটু গেড়ে হাত পায়ের ওপর ভর দিয়ে বইটার দিকে হাত বাড়িয়ে দিল হ্যারি।

    আউচ!

    বইটা জোরে মেরেছে হ্যারির হাতে। এখনও ওটা মলাটের ওপর ভর করেই তড়িঘড়ি করে চলে যাচ্ছে অন্যদিকে। বইটার ওপর একরকম লাফিয়েই পড়ল হ্যারি। কোনরকমে শুইয়ে দিল বইটাকে। পাশের ঘরে আংকল ভারনন ঘুমের মধ্যেই ঘোৎ করে শব্দ করল।

    হেডউইগ আর এরলের কৌতূহলী চোখের সামনে হ্যারি বইটাকে শক্ত করে বুকের সাথে চেপে ধরে, চেষ্ট অফ ড্রয়ারের কাছে গিয়ে একটা বেল্ট বের করে সেটা দিয়ে বইটাকে কষে বাঁধল। রাগে কাঁপতে শুরু করল মনস্টার বইটা কিন্তু বাধা থাকায় কিছুই করতে পারল না। বইটাকে খাটের ওপর ছুঁড়ে দিয়ে হ্যাগ্রিডের কার্ডটা তুলে নিল হ্যারি।

    প্রিয় হ্যারি,
    শুভ জন্মদিন!
    মনে হচ্ছে আগামী বছর এটা তোমার প্রয়োজন হবে। এখন আর কিছু লিখব না। দেখা হলে আরো কথা বলব।
    আশা করি মাগলগুলি তোমার সঙ্গে ভালো ব্যবহারই করছে।
    অল দি বেস্ট
    হ্যাগ্রিড

    হ্যাগ্রিড ভেবেছে এমন একটা বই-এর তার প্রয়োজন হবে, চিন্তাটাই হ্যারির কাছে অলুক্ষণে মনে হলো। তবে হেসে হ্যাগ্রিডের কার্ডটা রন আর হারমিওনের কার্ডের পাশেই রেখে দিল। এখন শুধু হোগার্টস থেকে আসা চিঠিটাই দেখার বাকি রয়েছে।

    চিঠিটা স্বাভাবিক চিঠির চেয়ে ভারি। ওটা খুলে পড়তে শুরু করল ও।

    প্রিয় মাস্টার হ্যারি,
    মনে রাখবে স্কুলের নতুন বর্ষ সেপ্টেম্বরের ১ তারিখে শুরু হবে। হোগার্টস এক্সপ্রেস ছাড়বে কিংস ক্রস স্টেশন থেকে। প্লাটফরম নং পৌনে দশ, সময় বেলা ১১টা।
    কোন এক উইক এন্ডে তৃতীয় বর্ষীয়দেরকে হগসমিড গ্রামে যেতে দেয়া হবে। সঙ্গের অনুমোদন পত্রটি অভিভাবকদের দিয়ে সই করিয়ে আনতে হবে।
    আগামী বছরের বুক লিস্ট সঙ্গে দেয়া হলো।
    শুভেচ্ছা সহ
    প্রফেসর এম. ম্যাকগোনাগল
    ডেপুটি হেড মিসট্রেস

    হ্যারি হগসমিড অনুমোদন পত্রটি টেনে বার করে দেখল, এখন আর হাসছে সে। উইক এন্ডে হগসমিডে যাওয়ার চেয়ে একসাইটিং আর কিছুই হতে পারে। পুরো গ্রামটিই যাদুকরের গ্রাম। হ্যারি ওখানে কখনই যায়নি। কিন্তু আংকল ভারনন আর আন্ট পেটুনিয়াকে দিয়ে অনুমোদন পত্রটি সই করাবে কী ভাবে?

    এলার্ম ঘড়ি দেখল হ্যারি ভোর দুটা।

    হগসমিড ফরম নিয়ে ঘুম থেকে উঠার পর ভাবা যাবে, বিছানায় ফিরে গেল হ্যারি। নিজের জন্য করা রুটিনের আর একটি দিনের সমাপ্তি টানল ছুটির আর কয়দিন বাকি আছে গুণে। চোখ থেকে চশমা খুলে শুয়ে পড়ল হ্যারি। খোলা চোখ জোড়া জন্মদিনের তিনটি কার্ডের দিকে তাকিয়ে রয়েছে অপলক। যদিও সে খুবই অস্বাভাবিক ধরনের, তবুও হ্যারি পটার অন্য সকলের মতোই আনন্দিত হলো, জীবনে প্রথমবারের মতো, তার জন্মদিনটার জন্য।

    ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য গবলেট অব ফায়ার (৪) – জে. কে. রাওলিং
    Next Article হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য চেম্বার অব সিক্রেটস (২) – জে. কে. রাওলিং

    Related Articles

    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার এন্ড দি ফিলসফারস স্টোন (১) – জে. কে. রাওলিং

    August 18, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য চেম্বার অব সিক্রেটস (২) – জে. কে. রাওলিং

    August 18, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য গবলেট অব ফায়ার (৪) – জে. কে. রাওলিং

    August 16, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য অর্ডার অব দ্য ফনিক্স (৫) – জে. কে. রাওলিং

    August 16, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য হাফ-ব্লাড প্রিন্স (৬) – জে. কে. রাওলিং

    August 16, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ডেথলি হ্যালোস (৭) – জে. কে. রাওলিং

    August 16, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }