Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য প্রিজনার অব আজকাবান (৩) – জে. কে. রাওলিং

    জে. কে. রাওলিং এক পাতা গল্প474 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০২. আন্ট মার্জ-এর বিরাট ভুল

    ০২. আন্ট মার্জ-এর বিরাট ভুল

    পরদিন সকালে নাস্তার টেবিলে পৌঁছে হ্যারি দেখল ডার্সলি তিনজন আগেই টেবিল ঘিরে বসে গেছে। ওরা দেখছিল একেবারে আনকোরা নতুন একটি টেলিভিশন। গ্রীষ্মে বাড়ী এসেছে–তারই প্রেজেন্টেশন এই নতুন টেলিভিশন। বেচারার খুবই কষ্ট হতো বার বার ফ্রিজ থেকে টেলিভিশন পর্যন্ত হেঁটে যেতে। তাতে সারাদিন বিরামহীন খাওয়ার আনন্দটাই মাটি। এখন বেশ হয়েছে খাওয়ার আর টেলিভিশন দেখা একই জায়গায়। গ্রীষ্মটা ডাডলি কাটিয়ে দিয়েছে শুয়োরের মতো কুতকুতে চোখচোড়া মিনি পর্দার দিকে তাকিয়ে থেকে আর মুখ নেড়ে বিরামহীন খাওয়ার মধ্য দিয়ে।

    ডাডলি আর গুঁফো আংকল ভারননের মাঝখানে বসল হ্যারি। ওরা কেউ হ্যারিকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা তো জানালই না, খেয়ালও করল না যে সে ঘরে ঢুকেছে। যাকগে, এসবে হ্যারির অভ্যাস হয়ে গেছে। একটা টোস্ট তুলে নিয়ে টিভির দিকে তাকাল সে। খবর হচ্ছে। সংবাদ পাঠক একজন পলাতক আসামী সম্পর্কে কি যেন বলছে।

    জনসাধারণকে সাবধান করে দেয়া হচ্ছে যে ব্ল্যাক সশস্ত্র অবস্থায় রয়েছে এবং অত্যন্ত বিপদজনক। একটি হটলাইন স্থাপন করা হয়েছে। ব্ল্যাককে দেখা মাত্র সেখানে জানাতে হবে।

    খবরের কাগজের উপর দিয়ে মুখ বের করে মুখ ভেংচে ভারনন আংকল বলল, ও ব্যাটা যে কতো বদমাশ তার ফিরিস্তি আর দিতে হবে না। টেবিলের ওপর বিরাট থাবার ঘুষি মেরে বলল, কখন আর ব্যাটারা শিখবে যে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে দেয়াই এধরনের লোকদের জন্য একমাত্র দাওয়াই।

    রান্নাঘর থেকে মুখ বাড়িয়ে আন্ট পেটুনিয়া বলল, ঠিক বলেছ। হ্যারি জানে হটলাইনে ব্ল্যাক সম্পর্কে কোন খবর দিতে পারলে আন্টির চেয়ে খুশি আর কেউ হবে না। বিশ্বের সবচেয়ে বিরক্তিকর এই মহিলার সবচেয়ে বেশি সময় কাটে নিরীহ পাড়া প্রতিবেশীর ওপর গোয়েন্দাগিরি করে।

    চায়ের কাপটা গলায় উপুড় করে আংকল ভারনন ঘড়ি দেখেই লাফিয়ে উঠল, আমি বরং রওনা হয়ে যাই মার্জ-এর ট্রেনটা ঠিক দশটায় পৌঁছবে।

    হ্যারির মাথায় এতক্ষণ ওপর তলায় রেখে আসা ব্রুমস্টিক সার্ভিসিং কিট-এর কথাই ঘোরাফেরা করছিল। হঠাৎ যেন একটা ধাক্কা খেয়ে বাস্তবে ফিরে এলো, আন্টি মার্জ! নিশ্চয় তিনি আসছেন না এখানে? আপনা আপনিই প্রশ্নটা হ্যারির মুখ থেকে বের হয়ে এলো।

    আন্টি মার্জ হচ্ছে আংকল ভারননের বোন। এবং সারাজীবন ধরেই আন্টি যদিও তার সঙ্গে কোন রক্তের সম্পর্ক নেই, হ্যারিকে (যার মা আন্ট পেটুনিয়া বোন) এই মহিলা ডাকতে বাধ্য করেছে। মার্জ আন্ট থাকে গ্রামে, বাড়ীতে রয়েছে বিশাল বাগান, যেখানে সে বুলগের খোয়াড় করেছে। কুকুরের ভালোবাসার জন্যে এখানে এসে বেশিদিন থাকতে পারে না ঠিকই, কিন্তু তার প্রতিবারের আসার ভয়াবহ স্মৃতি হ্যারিকে তাড়িয়ে বেড়ায় সবসময়ই।

    ডাডলির পঞ্চম জন্মদিনে এই মহিলা তাকে লাঠি দিয়ে পিটিয়েছিল। তার অপরাধ ছিল ডাডলি তার সাথে মিউজিক কম্পিটিশনে পারছিল না। তাকে পিটিয়ে থামিয়ে দিয়েছিল আন্টি মার্জ। একবার ক্রিস্টমাস প্রেজেন্টেশন নিয়ে এলো, ডাডলির জন্যে কম্পিউটারাইজড রোবট আর হ্যারির জন্যে কুকুরের বিস্কিট। যে বছর সে হোগার্টস-এ গেল তার আগের বছরই শেষ এসেছিল আন্টি মার্জ। সেবার ভুলে সে মার্জ-এর প্রিয় কুকুর রিপারের পা মাড়িয়ে দিয়েছিল। আর যায় কোথায়, বিচ্ছ কুকুরটা ওকে তাড়াতে তাড়াতে বাগান পর্যন্ত নিয়ে গিয়ে একেবারে গাছে উঠিয়ে ছাড়ল। কুকুরটা গাছের নিচে বসে থাকল রাত বারোটা পর্যন্ত। ওকেও থাকতে হলো গাছের ওপর। এর আগে কিছুতেই আন্টি মার্জ কুকুরটাকে ডেকে নিয়ে ওকে গাছ থেকে নামার সুযোগ করে দেয়নি। এ ঘটনা মনে করে এখনও ডাডলি হাসতে হাসতে চোখে এনে ফেলে।

    মার্জ এখানে এক সপ্তাহ থাকবে এবং আমি তাকে আনতে যাওয়ার আগে কয়েকটা বিষয় মাথায় ঢুকিয়ে নাও, দাঁতমুখ খিঁচিয়ে বলল আংকল ভারনন, টিভি থেকে চোখ ফেরালো ডাডলি। বাপ দুর্বল হ্যারিকে দাঁতমুখ খিচাচ্ছে এটা ডাডলির সবচেয়ে কাংখিত বিনোদন।

    প্রথম, গর্জন করে উঠল আংকল ভারনন, মার্জ-এর সঙ্গে কথা বলার সময় তোমার জিহ্বাটাকে ভদ্রোচিত রাখবে।

    ঠিক আছে, তিক্তভাবে বলল হ্যারি, যদি সে আমার সাথে কথা বলার সময় ঠিক তাই করে।

    দ্বিতীয়ত, আবার শুরু করল আংকল ভারনন যেন হ্যারির জবাবটা শুনতেই পায়নি, মার্জ তোমার অস্বাভাবিকতা সম্পর্কে কিছুই জানে না। সে যতদিন থাকবে আমি কোন অস্বাভাবিক কিছু দেখতে চাই না, বুঝলে, নিজের আচরণ ঠিক রাখবে।

    আমি রাখবো যদি সেও রাখে, দাঁত কিড়মিড় করে বলল হ্যারি।

    এবং তৃতীয়ত, এখন ভারনন আংকেলের চোখ দুটো কুতকুত করছে ওর বেগুনি মুখের ওপর, আমরা মাকে বলেছি তোমাকে সংশোধন করা যায় না এমন পিচ্চি অপরাধীদের সেন্ট ব্রুটাস সিকিওর সেন্টারে দেয়া হয়েছে।

    কি! চিৎকার করে উঠল হ্যারি।

    এবং তোমাকেও একই কথা বলতে হবে, নাহলে তোমার কপালে দুঃখ আছে বুঝলে হে ছোকরা, থু! মুখের জমানো থুথু ফেলল আংকল ভারনন।

    রাগে হ্যারি একবারে লাল হয়ে গেল। একদৃষ্টিতে আংকল ভারননের দিকে চেয়ে আছে, এখনও কথাটা তার বিশ্বাস হচ্ছে না। মার্জ আন্টি এক সপ্তাহের জন্যে এখানে আসছে, এটা হচ্ছে ডার্সলিদের দেয়া জন্মদিনের সবচেয়ে নিকৃষ্ট প্রেজেন্ট, এমনকি আংকেল ভারননের দেয়া পুরনো সেই মোজা জোড়ার চেয়েও।

    ডাডলির থলথলে কাঁধের ওপর দুটো স্নেহের চাপড় দিয়ে রওয়ানা দেয়ার জন্যে পা বাড়ালো আংকেল ভারনন।

    হ্যারি বসেছিল ভীত সন্ত্রস্ত ভঙ্গিতে, হঠাৎ তার মাথায় একটা বুদ্ধি খেলে গেল। হাত থেকে টোস্টটা ফেলে সে আংকেল ভারননের পেছন পেছন সামনের দরজায় চলে এলো।

    আংকেল কোট পড়ছিল।

    আমি তোমাকে নিচ্ছি না, দাঁত মুখ খিঁচিয়ে বলল।

    যেন আমি যেতে চাচ্ছি, হ্যারির রেডিমেড জবাব, আমি তোমার কাছে একটা জিনিস চাচ্ছি।

    সন্দেহে চোখ সরু করে আংকেল ভারনন তাকাল তার দিকে।

    হ্যারি দ্রুত বলল, আমাদের স্কুলের মানে হোগার্টস-এর তৃতীয় বছরে কখনও কখনও হগসমিড-এ নিয়ে যায়।

    তাকে কি? ঠাস করে বলল আংকল ভারনন দরজার হুক থেকে গাড়ির চাবিটা নিতে নিতে।

    তোমাকে আমার অনুমোদন পত্রটায় সই দিতে হবে।

    আমি কেন সই করব, খিট খিট করে উঠল আংকল।

    বেশ, খুব সতর্কভাবে শব্দ বেছে বেছে জবাবটা দিল হ্যারি, মার্জ আন্টির কাছে। ভান করা খুবই কঠিন হবে যে আমি ওই সেন্ট কি যেন নামটা স্কুলে।

    সংশোধন করা যায় না এমন ক্ষুদে অপরাধীদের জন্য সেন্ট ব্রুটাস সিকিওর সেন্টার, চীৎকার করে উঠল আংকল ভারনন। তৃপ্ত হলো হ্যারি আংকলের স্বরে ভয়ের চিকণ একটা সুর আনতে পেরেছে বলে।

    ঠিক তাই, বলল হ্যারি আংকল ভারননের বিশাল বেগুনি মুখটার দিকে চেয়ে, আমাকে অনেক কিছুই মনে রাখতে হবে। আমাকে সেটা বিশ্বাসযোগ্যও করতে হবে তাই না? কি হবে হঠাৎ করেই যদি আমার মুখ ফস্কে কিছু বেরিয়ে যায়?

    ঘুষি উঁচিয়ে আংকল ভারনন হুংকার দিয়ে উঠল, পিটিয়ে নাড়িভুড়ি সব বের করে দেব হতচ্ছাড়া।

    হ্যারি সাহস হারালো না। গম্ভীরভাবে বলল, আমাকে পিটিয়ে তক্তা বানালেও আমি যা বলব সেটা মার্জ আন্টি কোনদিনই ভুলবে না।

    আংকল ভারনন মাঝপথে থেমে গল, ঘুষিটা তখনও উদ্যত। মুখটা কুৎসিৎ দেখাচ্ছে।

    কিন্তু তুমি যদি আমার অনুমোদন পত্রটা সই করে দাও কসম খেয়ে বলছি তাহলে তোমাদের ওই বানানো স্কুলটার কথাই আমার মনে থাকবে, দ্রুত কথাটা শেষ করল হ্যারি। এবং আমি মাগ–মানে স্বাভাবিক মানুষের মতই আচরণ করব।

    তখনও দাঁত বেরিয়ে আছে আংকল ভারননের, তার কপালের কাছে শিরাটাকে লাফাতে দেখে হ্যারি বুঝল খুব গভীরভাবে হ্যারির প্রস্তাব ভেবে দেখছে সে। ঠিক আছে, অবশেষে বলল সে, আমি তোমার দিকে সবসময় লক্ষ্য রাখব, যদি মার্জ এর থাকার সময়টা তুমি লাইন মতো চলো এবং যা বলেছি তাই বলো তবে আমি তোমার ফালতু ফরমটায় সই করে দেবো। চট করে ঘুরে এতো জোরে দরজাটা বন্ধ করে বেরিয়ে গেল আংকল, যে ওপরের জানালার একটি কাঁচ খসে পড়ল। হ্যারি আর রান্নাঘরে ফিরে না গিয়ে তার শোবার ঘরে গেল। তাকে একজন মাগল এর মতো আচরণ করতে হবে। এখন থেকেই শুরু করা যাক না। মনের দুঃখে সে তার জন্মদিনের সব প্রেজেন্টেশন, কার্ড নিয়ে হোমওয়ার্কের সাথে লুকিয়ে ফেলল আলগা করা ফ্লোরবোর্ডের নিচে। হেডউইগের খাঁচার কাছে গেল হ্যারি। মনে হয় এরল ভালো হয়ে গেছে। পাখার নিচে মাথা গুঁজে দুজনেই ঘুমাচ্ছিল। দীর্ঘশ্বাস ছাড়ল হ্যারি। খোঁচা দিয়ে দুজনকে জাগাল।

    হেডউইগ এক সপ্তাহের জন্যে তোমাকে কেটে পড়তে হবে। হ্যারির স্বর ভারি। এরলের সাথে যাও। রন তোমাকে দেখে রাখবে। আমি একটা চিরকুট লিখে দেবো।

    হেডউইগের বড় বড় চোখ থেকে রাগ ঝরে পড়ছে।

    আমার দিকে অমন করে তাকিও না, এটা আমার দোষ নয়। শুধু এই ভাবেই রন আর হারমিওনের সাথে আমি হগসমিড-এ যাওয়ার পারমিশন পাবো।

    দশ মিনিট পর এরল আর হেডউইগ জানালা দিয়ে বেরিয়ে উড়তে দূর দিগন্তে মিলিয়ে গেল। হেডউইথের পায়ের সাথে রনের জন্যে একটা চিঠি বাঁধা। হ্যারির এখন নিজেকে দুঃখী মনে হচ্ছে। শূন্য খাঁচাটা নিয়ে ওয়ার্ডরোবে রেখে দিল সে।

    মন খারাপ করে বসে থাকার জন্যে বেশি সময় পেলো না হ্যারি। মুহূর্ত না যেতেই আন্টি পেটুনিয়ার চিলের মতো চিক্কার শোনা গেল। নিচে গিয়ে মহামান্য অতিথিকে অভ্যর্থনা জানানোর জন্যে অপেক্ষা করতে হবে।

    চুলটা ঠিক করো। হ্যারি হলে গিয়ে আন্টি পৌঁছতে না পৌঁছতে হুকুম জারি হলো। হ্যারি বুঝতে পারছে না চুল ঠিক করবার দরকারটা কি। মার্জ তো তাকে অপছন্দই করে, সে নোংরা ভুত হয়ে থাকবে আন্টি তো সেটাই চায়।

    ড্রাইভ ওয়েতে গাড়ী থামার আওয়াজ হলো। গাড়ীর দরজা খুললো। দরজা বন্ধ হলো। বাগানের রাস্তায় পায়ের আওয়াজ পাওয়া গেল।

    দরজাটা খোল! হিস হিস করে বলল আন্ট পেটুনিয়া।

    হ্যারির পেটের ভেতরটা গুলিয়ে উঠল। তবুও দরজাটা খুলতেই হলো।

    দরজায় দাঁড়িয়ে আছে আন্ট মার্জ, একেবারে আংকল ভারননের মতো বিশাল শরীর, মাংসল আর বেগুনি মুখ, ওর গোঁফও আছে মনে হয়, অবশ্য সেটা তার ভাইয়ের মতো না। এক হাতে বিশাল স্যুটকেস অন্য হাতে বুড়ো একটা বদমেজাজি বুলডগ।

    কোথায় আমার ডাডারস? গর্জন বের হলো মার্জ আন্টির উইন্ড পাইপ দিয়ে। কোথায় আমার ভাইয়ের ব্যাটাটা!

    হেলতে দুলতে হল থেকে বেরিয়ে এলো ডাডলি, ব্লন্ড চুলগুলো মাথার সঙ্গে লেপটানো, থুতনির নিচ দিয়ে কোনরকমে উঁকিঝুঁকি মারছে একটা বোটাই। স্যুটকেসটা দিয়ে হ্যারিকে প্রায় পিষে ফেলে মার্জ আন্টি একহাতে কষে ডাডলির গলাটা জড়িয়ে ধরে তার গালে বিশাল এক চুমু খেল। হ্যারি জানে মার্জ আন্টির এই রাক্ষুসে সোহাগ ডাডলি সহ্য করে কারণ বিনিময়ে সে পুরস্কারটা ভালোই পায়। বস্তুত এই মুহূর্তে তার হাতে একটা কুড়ি পাউন্ডের নোট শোভা পাচ্ছে।

    পেটুনিয়া মার্জ আন্টির আরেক হুংকার। এগিয়ে গেল আন্টি হ্যারিকে পাশ কাটিয়ে, যেন হ্যারি একটা হ্যাট স্ট্যান্ড। আন্টি মার্জ পেটুনিয়ার হাড্ডিসার চোয়ালের ওপর তার বিশাল মুখটা চেপে ধরল।

    স্মিত হাস্যে এগিয়ে এসে দরজাটা বন্ধ করল আংকল ভারনন। চা চলবে মার্জ? বলল সে আর আমাদের রিপার কী খাবে?

    রিপার আমার ওখান থেকেই চা খেয়ে নেবে। বলতে বলতে ওরা সকলেই হ্যারিকে স্যুটকেস হাতে দরজায় ফেলে রেখে রান্নাঘরের দিকে এগিয়ে গেল। কিছুক্ষণ একাকী দাঁড়িয়ে থেকে অত বড় স্যুটকেসটা টানতে টানতে হ্যারি দোতালার বাড়তি বেডরুমে গেল।

    নিচে নেমে দেখে রান্নাঘরে মার্জ আন্টি চা আর ফুট কেক সাবাড় করছে, এক কোণে রিপার সড়াৎ সড়াৎ করে চা খাওয়ার কসরৎ করছে। ওকে দেখে গরগর করে উঠল রিপার।

    হ্যারির দিকে নজর পড়ল মার্জ আন্টির।

    এই যে এখনও এখানেই আছো? ঘেউ করে উঠল সে।

    হ্যাঁ, হ্যারির ঠান্ডা জবাব।

    ওরকম অকৃতজ্ঞের মতো হ্যাঁ বলবি না। ভারনন আর পেটুনিয়া বলে তোকে জায়গা দিয়েছে, আমি হলে তো কিছুতেই দিতাম না। সোজা এতিমখানায় পাঠিয়ে দিতাম।

    মুখ ফুটে বলতে ইচ্ছে করল হ্যারির যে ডার্সলিদের সঙ্গে থাকার চেয়ে এতিমখানায় থাকা অনেক ভালো। কিন্তু না, তাকে হাসমিডে যাওয়ার অনুমতি বাগাতে হবে। একটা কাষ্ঠ হাসি ঠোঁটে ঝুলিয়ে দাঁড়িয়ে থাকল হ্যারি।

    হ্যারির সঙ্গে আচরণের ব্যাপারে মার্জ আন্টির সঙ্গে ভারনন আর পেটুনিয়ার একটা তফাৎ রয়েছে। ওরা দুজন কোন সময়ই চায় না হ্যারি চোখের সামনে থাকুক। কিন্তু মার্জ-এর ইচ্ছা হ্যারিকে সবসময়ই ওর চোখের সামনেই থাকতে হবে। যেন নানা ছলছুতায় ওকে অপমান করা যায়। ওর সামনে ডাডলির জন্যে দামি দামি প্রেজেন্টেশন কিনে ওর মনে দুঃখ দেয়া যায়। মার্জ যেন মনে মনে চায় একবার শুধু হ্যারি জিজ্ঞাসা করে দেখুক কেন তার জন্যেও প্রেজেন্টেশন কেনা হচ্ছে না, তাহলেই সে সুযোগ পেয়ে যায় হ্যারিকে যাচ্ছে তাই বলার।

    .

    দুপুরে খাবার টেবিলে মার্জ আন্টি বলেই ফেলল, তোমার আর কি দোষ ভারনন, জন্মেই যদি কারো দোষ থাকে তুমি আর কি করতে পারো।

    হ্যারি না শোনার ভান করল কিন্তু তার তখন হাত কাঁপছে আর মুখ লাল হয়ে গেছে রাগে। মনে মনে সে নিজেকে সামাল দেয়ার চেষ্টা করল। নিজেকে বলল অনুমোদন পত্রের কথা মনে কর, হগসমিড যাওয়ার কথা ভাবো, কিছু বলল না, উঠো না…

    ওয়াইনের গ্লাসটা হাতে নিয়ে মার্জ বলল, আসলে এটা জন্ম তত্ত্বের মৌলিক একটি বিষয়। কুকুরের বেলায় দেখো যদি কুত্তিটার মধ্যে কোন গলদ থাকে তবে অবশ্যই বাচ্চার মধ্যেও একই গলদ থাকবে।

    ঠিক সেই মুহূর্তে মার্জ আন্টির হাতে ধরা ওয়াইনের গ্লাসটা ফেটে গেলো। চারদিকে ছড়িয়ে পড়ল উড়ন্ত গ্লাসের টুকরো আর ওয়াইনে ভিজে একাকার হয়ে ওর মুখটা একেবারে দেখার মতো হলো, চুঁইয়ে চুঁইয়ে ওয়াইন পড়ছে ওর বিশাল বেগুনি মুখটা থেকে।

    মার্জ! তীক্ষ্ম চিৎকার বেরিয়ে এলো পেটুনিয়ার গলা চিরে,, তুমি ঠিক আছে তো।

    ভয় পাবার কিছু নেই আমি ঠিক আছি, ন্যাপকিন দিয়ে মুখ মুছতে মুছতে আশ্বস্ত করল সে, ওয়াইনের গ্লাসটা বোধহয় বেশি জোরে চেপে ধরেছিলাম।

    কিন্তু হ্যারির আংকল আর আন্টি দুজনেই ততক্ষণে ওর দিকে সন্দেহের চোখে দেখতে শুরু করেছে। হ্যারি ঠিক করল পুডিং খাওয়া বাদ দিয়ে তাড়াতাড়ি টেবিল ছেড়ে উঠে যাওয়াই ভালো।

    বাইরের হলে গিয়ে ধাতস্থ হলো হ্যারির অনেকদিন পর সে এভাবে নিজের ওপর নিয়ন্ত্রণ হারালো। কাজটা উচিৎ হয়নি। শুধু যে হগসমিডে যাওয়া হবে না তাই নয়। ম্যাজিক মন্ত্রণালয়েও তাকে ঝামেলায় পড়তে হতে পারে। হ্যারি এখনও অপ্রাপ্তবয়স্ক যাদুকর। আইন অনুসারে সে স্কুলের বাইরে ম্যাজিক প্রাকটিস করতে পারে না। অবশ্য তার রেকর্ড কখনই পরিষ্কার ছিল না। মাত্র গত বছরই সে মন্ত্রণালয় থেকে ওয়ার্নিং পেয়েছে, ওদের কাছে স্কুলের বাইরে ম্যাজিক করার সামান্যতম বাতাসও পৌঁছালে ওকে হোগার্টস থেকে বের করে দেয়া হবে।

    খাবার টেবিল ছেড়ে ডার্সলিদের ওঠার শব্দ পেয়ে দ্রুত দোতালায় উঠে গেলো হ্যারি।

    .

    পরের তিনদিন মার্জ-এর শত উস্কানিতেও হ্যারি নিজের ওপর থেকে নিয়ন্ত্রণ হারায়নি। ভেতরের প্রাণপণ চেষ্টার কারণে বাইরে তার চেহারায় একটা খরখরে ভাব ফুটে উঠত। এই না দেখে মার্জ তো বলেই ফেলল সে মানসিকভাবে অর্ধেক স্বাভাবিক।

    অবশেষে সেই কাংখিত সন্ধ্যাটি এলো, এই বাড়িতে মার্জ-এর শেষ সন্ধ্যা। কোন ঘটনা ছাড়াই ডিনারটা প্রায় শেষ হয়ে আসছিল। প্রচুর ওয়াইন খেয়েছে মার্জ। ভারনন ব্রান্ডির বোতল বের করল।

    মার্জ তোমাকে একটু… জিনিসটা ভালো। প্রলুব্ধ করার চেষ্টা করল আংকল ভারনন।

    একটুখানি, বলল মার্জ, আর একটু আর একটুখানি দ্যটস আ গুড বয়…

    ডাডলি তার চতুর্থ পাইটা খাচ্ছিল, আন্ট পেটুনিয়া কফির কাপে একটু একটু করে চুমুক দিচ্ছিল। টেবিল ছাড়ার জন্যে উসখুস করছে হ্যারি। কিন্তু চোখ রাঙানি দিয়ে তাকে বসিয়ে রেখেছে আংকল। ডিনারের সময়টা পার করতেই হবে।

    ব্র্যান্ডির খালি গ্লাসটা নামিয়ে রাখল মার্জ আহ! খাসা ডিনার হয়েছে পেটুনিয়া। নিজের বিশাল পেটের ওপর তৃপ্তির হাত বুলাল সে। আমি বড়সড় বাচ্চা পছন্দ করি। ডাডার তুমি নিশ্চয়ই তোমার বাবার মতো বিরাট এবং স্বাস্থ্যবান হবে।

    কিন্তু এইদিকে দেখো, হ্যারির দিকে মাথা ঝাঁকালো মার্জ, হ্যারির পেট যেন খামছে ধরল। এটা দেখতে একবারে ছোটলোকের মতো। কুকুরের মধ্যে ওরকম থাকে। গত বছর আমি ওরকম একটা কুকুরকে ডুবিয়ে মেরেছি।

    প্রথমে হ্যারি ভাবল ডু-ইট-ইওরসেলফ ব্রুম কেয়ার হ্যান্ড বুক সম্পর্কে, মনটাকে অন্যদিকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা।

    মার্জ চালিয়ে যাচ্ছে, আমাকে আর একটা ব্রান্ডি দাও। যা বলছিলাম সেদিন, রক্তের মধ্যেই দোষ থাকে। আমি তোমার পরিবারের বিরুদ্ধে কিছু বলছি না পেটুনিয়া। কিন্তু তোমার বোনটা ছিল খারাপ ডিম। সবচেয়ে ভালো পরিবারগুলোর মধ্যেও এরকম এক আধজন থাকে। তারপর সে একটা বখাটের সঙ্গে ভেগে গেলো আর তার ফল তো দেখতে পাচ্ছি এই আমাদের সামনে বসে আছে।

    হ্যারি তার প্লেটের দিকে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে।

    এই পটার, ব্র্যান্ডির বোতল থেকে আরো একটু ঢালল মার্জ, যতটা ঢালল তার চেয়ে বেশি টেবিলে ফেলল, ভারনন তোমরা তো আমাকে কোনদিনই বলোনি ওর বাপটা কি করত?

    ও–ও মানে, হ্যারির দিকে চেয়ে বলল ভারনন, ও বেকার ছিল।

    যেমন ভেবেছিলাম একটি অকম্মা, চাল নেই চুলো নেই কুড়ে একটা কাজ করেনি কখনো…

    আমার বাবা সেরকম কিছু ছিল না, দৃঢ় স্বরে হ্যারি বলল। পুরো ডিনার টেবিলে পিনপতন স্তব্ধতা। হ্যারি রাগে কাঁপছে। জীবনে তার এরকম রাগ হয়নি।

    আরো ব্র্যান্ডি?, চীৎকার করল ভারনন, ওকে একেবারে সাদা দেখাচ্ছে। আর্চির গ্লাসে বোতলটা উপুড় করে দিল। এই ছেলে যাও ওপরে গিয়ে শুয়ে পড়।

    না ভারনন না, একটা হেঁচকি তুলল মার্জ। ওকে বলতে দাও। ক্রুর চোখ জোড়া যেন হ্যারিকে এফোড় ওফোড় করে ফেলবে। বলে যা রে ছোঁড়া, বাপমায়ের জন্যে গর্ব হচ্ছে? গাড়ী অ্যাকসিডেন্টে যারা মারা গেছে–আশাকরি মাতাল ছিল দুটোই

    ওরা গাড়ী অ্যাকসিডেন্টে মারা যায়নি, হ্যারি ততক্ষণে উঠে দাঁড়িয়েছে।

    ওরা অ্যাকসিডেন্টেই মারা গেছে পাঁজি মিথ্যুক কোথাকার! আর তোকে ছেড়ে গেছে তাদের নির্দোষ আত্মীয়দের বোঝা করে। তুই একটি বেয়াদপ অকৃতজ্ঞ…

    হঠাৎ মার্জের কথা বন্ধ হয়ে গেলো এক মুহূর্তের জন্যে মনে হলো যেন সে কথা হারিয়ে ফেলেছে। মনে হলো রাগে সে ফুলছে এবং আশ্চর্য ফোলা কমছে না, সে কেবল ফুলেই চলেছে। ওর বিরাট বেগুনি মুখটা ফুলছে, কুতকুতে চোখ দুটো ঠিকরে বেরিয়ে আসতে চাচ্ছে এবং মুখটা ফুলে এত টান টান হয়ে গেছে যে কথা বলারও আর কোন উপায় নেই। পরমুহুতে টুইড জ্যাকেটের কয়েকটা বোতাম ছিঁড়ল পট পট করে-একটা দৈত্যাকার বেলুনের মতো মার্জ আন্টি ফুলেই চলেছে, পেটটা ফুলতে ফুলতে কোমড়ের বেল্টের বাঁধন ছিঁড়ে ফেলল, আঙুল এক একটা ফুলে সত্যিকার অর্থেই কলা গাছ হয়ে গেল…

    মার্জ! একসাথে চেঁচিয়ে উঠল ভারনন আর পেটোনিয়া। ফুলতে ফুলতে মার্জের রাক্ষুসি বপুটা চেয়ার ছেড়ে সিলিং-এর দিকে উঠতে শুরু করল। এখন সে পুরোপুরি গোল হয়ে গেছে। ওর হাত পা ঝুলছে অদ্ভুতভাবে, রিপার দৌড়ে ঘরে ঢুকল। পাগলের মতো ঘেউ ঘেউ করছে কুকুরটা।

    নাআআআআ…

    আংকল ভারনন মার্জ-এর পা ধরে টেনে নিচে নামানোর চেষ্টা করতে গেলে নিজেই ওর টানে ওপরে উঠে গিয়েছিল প্রায়। পরমুহূর্তে লাফিয়ে উঠে রিপার ওর পা কামড়ে ধরল। কেউ থামাবার আগেই হ্যারি সবেগে ঘর থেকে বের হলো, লক্ষ্য সঁড়ির নিচের কাপবোর্ড। কাছাকাছি পৌঁছতেই কাপবোর্ডের দরজাটা যাদুর গুণে আপনাআপনি খুলে গেল। এক মুহূর্ত দেরি না করে সে তার ট্রাংকটা বের করে সামনের দরজার কাছে রাখল। দৌড়ে ওপরে গেল, বিছানার নিচে হুমড়ি খেয়ে পড়ে আলগা করা ফ্লোর বোর্ডটা একটানে খুলে তার সব বই আর জন্মদিনের প্রেজেন্টেশনসহ বালিশের ওয়াড়টা বের করে ফেলল। হেডউইগের খালি খাঁচাটা হাতে নিয়েই দৌড়ে নিচে এলো ট্রাংকটার কাছে। ঠিক সেই সময় ঠাস করে দরজাটা খুলে বেরিয়ে এলো আংকল ভারনন, পা তার রিপারের কামড়ে রক্তাক্ত।

    চিৎকার করে উঠল,

    এদিকে আয়! এদিকে আয় হতভাগা ওকে ঠিক করে দিয়ে যা।

    হ্যারির রাগ তখন বেপরোয়া এক লাথি মেরে সে তার ট্রাংকটা খুলে যাদুর কাঠিটা হাতে নিয়ে আংকেল ভারননের দিকে তাক করল।

    ওর যা প্রাপ্য তাই সে পেয়েছে। খবরদার তুমি আমার কাছে আসবে না!

    পেছনে হাত নিয়ে দরজার হুকটা খুলে ফেলল হ্যারি।

    আমি যাচ্ছি। যথেষ্ট হয়েছে, আর না।

    পর মুহূর্তেই বাড়ির বাইরে বেরিয়ে এলো হ্যারি। অন্ধকারে ভারী ট্রাংকটা টেনে নিয়ে যাচ্ছে, আরেক হাতে ঝুলছে প্রিয় পেঁচা হেডউইগের খাঁচাটা।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য গবলেট অব ফায়ার (৪) – জে. কে. রাওলিং
    Next Article হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য চেম্বার অব সিক্রেটস (২) – জে. কে. রাওলিং

    Related Articles

    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার এন্ড দি ফিলসফারস স্টোন (১) – জে. কে. রাওলিং

    August 18, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য চেম্বার অব সিক্রেটস (২) – জে. কে. রাওলিং

    August 18, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য গবলেট অব ফায়ার (৪) – জে. কে. রাওলিং

    August 16, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য অর্ডার অব দ্য ফনিক্স (৫) – জে. কে. রাওলিং

    August 16, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য হাফ-ব্লাড প্রিন্স (৬) – জে. কে. রাওলিং

    August 16, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ডেথলি হ্যালোস (৭) – জে. কে. রাওলিং

    August 16, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }