Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য হাফ-ব্লাড প্রিন্স (৬) – জে. কে. রাওলিং

    জে. কে. রাওলিং এক পাতা গল্প748 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১৬. এ ভেরি ফ্রস্টি ক্রিস্টমাস

    ১৬. এ ভেরি ফ্রস্টি ক্রিস্টমাস

    তাহলে স্নেইপ ওকে সাহায্য করতে চাচ্ছেন? কোনো সন্দেহ নেই এতে, ম্যালফয়কে উনি সাহায্য করার প্রস্তাব দিয়েছেন। রন হ্যারিকে উদ্দেশ্য করে বললো।

    আমার কথা কি তোমার একটুও বিশ্বাস হয় না, তুমি যদি আর একবার জিজ্ঞেস করো, তাহলে আমি স্প্রাউট দিয়ে তোমায় মারবো, হ্যারি বললো।

    আমি বিষয়টি বুঝতে চাচ্ছি! রন বললো। ওরা দুই বন্ধুতে দ্য ব্যাপোর কিচেন সিংকের কাছে দাঁড়িয়ে পর্বত প্রমাণ স্প্রাউট মিসেস উইসলির জন্য ছাড়াচ্ছিলো। ওদের সামনের জানালা দিয়ে দেখা যাচ্ছে অবিরাম তুষারপাত।

    আরে হ্যাঁ, সত্যি বলছি স্নেইপ ওকে সাহায্য করবেন বলছিলেন। হ্যারি বললো। স্নেইপ বলছিলেন, উনি নাকি ম্যালয়ের মাকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, ওকে রক্ষা করার অভঙ্গনীয় প্রতিজ্ঞা।

    অভঙ্গনীয় প্রতিজ্ঞা? রনের চোখে মুখে বিস্ময়। নাহ্! উনি সেরকম কিছু করতে পারেন না, তুমি নিশ্চিত বলছো?

    যা আমি নিশ্চিত, হ্যারি বললো। কেন ওটার মানে কী? জানো না, তুমি ওই প্রতিজ্ঞা ভঙ্গ করতে পারো না।

    আমি নিজের ওপর দিয়ে সেটা দেখতে পারি। সত্যই হাসির ব্যাপার। তো তুমি যদি ওই অভজনীয় প্রতিজ্ঞা ভঙ্গ করো তাহলে কি হতে পারে?

    কি হবে আবার, তুমি মরে যাবে। আমার যখন পাঁচ বছর বয়স, তখন আমার ওপর ফ্রেড আর জর্জ ওটা প্রয়োগ করার চেষ্টা করেছিলো। আমি প্রায় ধরেই ফেলেছিলাম। আমি ফ্রেডের হাত ধরে প্রায় শেষ করেছিলাম, ঠিক সেই সময়ে, ড্যাড আমাদের দেখতে পেয়ে দারুণ রেগে গিয়েছিলেন, রন বললো। চোখে মুখে ওর ছোটোবেলাকার অস্পষ্ট স্মৃতির ছাপ। মামের মতোই মনে আছে বাবার রাগ। ফ্রেড দৌড়ে পালালো প্যান্ট ধরে, তারপর থেকে আর এই প্রচেষ্টা করেনি।

    আহা! তা হলে ফ্রেড তার প্যান্ট ধরে পালিয়েছিলো।

    তোমরা কি বলছো? ফ্রেডের গলা শোনা গেল। ফ্রেড আর জর্জ–ওরা দুজনেই কিচেনে এলো।

    এই জর্জ দেখো দেখো ওরা চাকু আর কি সব ব্যবহার করছে। ঈশ্বর ওদের সহায় হউন!

    দেখো আর দুমাস পরেই আমার সতের বছর পূর্ণ হবে। রন মুখ ভার করে বললো। তারপরই কাটাকুটি ছাড়ানো, সবকিছু ম্যাজিক দিয়ে করবো। খাবার টেবিলে পা দুটো তুলে চেয়ারে বসে বললো, এই দেখাও না তোমার হুপস-এ ডেইজী ঠিক কেমন করে করা হয়।

    তোমরা দুজনে আমাকে করাতে বাধ্য করেছিলে! রন চটে গিয়ে কেটে যাওয়া বুড়ো আঙ্গুলটা চুষতে চুষতে বললো। আমার যখন সতের বছর বয়স হবে তখন বুঝবে আমিও কম যাই না। ফ্রেড বিরাট একটা হাই তুলে বললো, প্রাপ্ত বয়স্ক হলে তুমি আমাদের সব রকমের ম্যাজিক দেখাবে, তাই না?

    জর্জ বললো, রোনাল্ডা তোমার সম্পর্কে কি সব শুনছি? জিনি বলছিলো, তুমি আর ইয়ং লেডি, কি নাম বললো যেন, ও হ্যাঁ ল্যাভেন্ডার ব্রাউন!

    রন হ্যারির সঙ্গে স্প্রাউট ছাড়াতে ছাড়াতে বললো, তোমার নিজের চরকায় তেল দাও।

    ওহ কি দারুণ জবাব! ফ্রেড বললো। কি বলতে চাও? মেয়েটির কি কোনো দুর্ঘটনা অথবা অন্য কিছু হয়েছিল? কি বললে? তো ওর মাথা আঘাত পাবার পরও বেঁচে আছে? সাবধানে থাকবে।

    ঠিক সেই সময় মিসেস উইসলি কিচেনে ঢুকে দেখলেন রন রেগে অগ্নিশর্মা হয়ে হাতের কাছে চাকু, চামচ, কাঁচের বাসন যা কিছু পাচ্ছে তাই ফ্রেডকে ছুঁড়ে মারছে। ফ্রেড সেগুলোকে ম্যাজিক ওয়ান্ড দিয়ে কাগজের প্লেন বানিয়ে ফেলছে।

    রন! মিসেস উইসলি অসম্ভব রেগে বললেন। আর যেন কখনো দেখি না তুমি চাকু, কাঁটা ছুঁড়ছে।

    আর করব না, রন বললো। তুমি দেখে নিও, দম চেপে পর্বতপ্রমাণ স্প্রাউট ছাড়াতে লাগলো।

    ফ্রেড-জর্জ, আমি অত্যন্ত দুঃখিত, যাক আজ রাতে রেমাস আমাদের বাড়িতে আসছেন, বিল রাত্রে তোমাদের দুজনের সঙ্গে ঘুমাবে।

    কোনো অসুবিধা নেই, জর্জ বললো।

    চার্লি বাড়ি আসছে না, হ্যারি আর রন ছাদের ঘরে শুতে পারে। ফ্লেউর জিনির সঙ্গে শেয়ার করলেই হলো।

    সুন্দর হবে জিনির ক্রিসমাস, ফ্রেড খুব আস্তে বললো কথাটা।

    কারো মনে হয় শোবার কোনো অসুবিধে হবে না, প্রত্যেকেরই তো বেড থাকছে, মিসেস উইসলি বললেন। গলার স্বর একটু উদ্বেগজনক।

    পার্সি নিশ্চয়ই ওর কুৎসিত মুখটা আমাদের দেখাবে না, তাহলে? ফ্রেড জিজ্ঞেস করলো।

    মিসেস উইসলি জবাব না দিয়ে পিছন ফিরলেন।

    না, মনে হয় মিনিস্ট্রির কাজের জন্য ও খুব ব্যস্ত।

    মিনিস্ট্রির ওকে ছাড়া চলেও না, মিসেস উইসলি কিচেন থেকে চলে গেলে ফ্রেড বললো। জনের সঙ্গে একজন। জর্জ চলো, আমরা যাই।

    বাহ, ভালো আছো তো? রন বললো। তোমরা দুজন কি স্প্রাউট ছাড়াতে আমাদেরকে কিছুটা সাহায্য করতে পারো না? দয়া করে তোমাদের জাদুদণ্ড ব্যবহার করো তাহলে আমি মুক্তি পাই।

    না, আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়। ফ্রেড গম্ভীর হয়ে বললো। ম্যাজিক ছাড়া স্প্রাউট ছাড়ানো কষ্টের ও সময়ের প্রয়োজন হলেও চরিত্র গঠনে সাহায্য করে। বুঝতেই পারছ মাগলস কত কষ্ট ও ধৈর্য্য ধরে কাজটি করে।

    জর্জ রনের দিকে কাগজের প্লেন ছুঁড়ে বললো, বুঝলে কাজ বাগাতে হলে ভালো করে কথা বলতে হয়। চাকু টাকু ছুঁড়লে হয় না, এখন হয়তো বুঝবে! আমরা গ্রামের দিকে চললাম। পেপার শপে দারুণ একটা মেয়ে কাজ করছে, আমার তাসের ট্রিক্স দেখলে ও অবাক হয়ে যায়। বলে, দারুণ, আসল ম্যাজিকের মতো।

    ফ্রেড আর জর্জকে বরফে ঢাকা উঠোন দিয়ে যেতে দেখে রন বললো, অপদার্থ। আমিও ম্যাজিক দিয়ে কাজটা শেষ করে দশ সেকেন্ডের মধ্যে চলে যেতে পারতাম।

    আমি করতাম না, হ্যারি বললো। আমি ডাম্বলডোরের কাছে প্রতিজ্ঞা করেছি।

    আচ্ছা ঠিক আছে, রন বললো। ম্যালফয় আর স্নেইপের কথা কি ডাম্বলডোরকে বলবে?

    অবশ্যই হ্যারি বললো। যারা ওদের জঘন্য কার্যকলাপ বন্ধ করতে পারে না তাদের সবাইকে বলবো। তাদের মধ্যে সকলের আগে ডাম্বলডোরকে। তাছাড়া তোমার বাবার সঙ্গেও কথা বলার ইচ্ছে আছে।

    কিন্তু ম্যালফয় আসলে কি করছে তাতো তুমি জানো না, তাহলে তুমি কি আলোচনা করবে?

    কথাটা সত্যি, ম্যালফয়তো সেদিন স্নেইপকে বলতে অস্বীকার করছিলো। তা হলে আমি কী করে জানবো সে কী করতে যাচ্ছে।

    দুজনের মুখে কোনো কথা নেই। তারপর রন বললো, তুমি নিশ্চয়ই বুঝতে পারছো যে তোমার কথা শোনার পর তারা কি বলবেন? বাবা ও ডাম্বলডোর সবাই? বলবেন, স্নেইপ নিশ্চয়ই ম্যালফয়কে সাহায্য করবেন না, ম্যালফয়ের বর্তমান কাজকর্ম সম্পর্কে জানবার চেষ্টা নিশ্চয়ই করছেন।

    তারা নিজেরা তো ওর কথা শোনেনি, হ্যারি সোজা বললো। কেউ তো ওর মতো বিরল কর্মের কর্মকর্তা নয়, এমন কি স্নেইপও নয়।

    তা ঠিক, আমি তো সেই কথাই বলছি, রন বললো। হ্যারি ভুরু কুঁচকে রনের মুখের দিকে তাকালো। তুমি মনে করো আমি সঠিক বলছি, যদিও?

    হ্যাঁ তাই! রন বললো। আমি সত্যি মনে করছি, বিশ্বাসও করছি। কিন্তু সকলেই নিঃসন্দেহে বিশ্বাস করে স্নেইপ আমাদেরই একজন। আমাদের দলের, তাই না?

    হ্যারি আর কথা বাড়ালো না। ও জানে ও যাই কিছু বলুক না কেন, এমন কি নতুন তথ্য দিক, এরা কেউই বিশ্বাস করবে না। যাকগে, ও জানতে চায় হারমিওনের মনোভাব, হারমিওন হয়তো বলবে।

    এটা কি তুমি বুঝতে পারছে না হ্যারি স্নেইপ ম্যালফয়কে সাহায্য করার কথা বলে ও কি করছে সেটা জেনে নিতে চায়।

    সকলেই অনুমানের ভিত্তিতে কথা বলছে। সে যাই হোক এখন পর্যন্তও কি ঘটেছে, কি কথা শুনেছে, হারমিওনকে তার কিছুই জানাতে পারেনি। স্লাগহর্নের পার্টিতে হ্যারি ফিরে আসবার আগেই হারমিওন চলে গিয়েছিল, অথবা ও কমনরুমে যাবার আগেই হারমিওন শুতে চলে গেছে। পরদিন ভোর বেলা রন ও হ্যারি ব্যারোতে চলে আসে, হাতে ওর একটুও সময় ছিল না হারমিওনকে হ্যাপি ক্রিসমাস বলার। তাছাড়া ছুটি থেকে ফিরে এসে অনেক বিশেষ বিশেষ খবর ওর ভাণ্ডারে জমা হয়ে আছে, ওকে তাও বলতে পারেনি। রন আর ল্যাভেন্ডার যখন ওর পেছনে দাঁড়িয়ে ইশারাতে গুড বাই জানাচ্ছিলো তখনো হারমিওন ওকে ঠিক দেখতে পেয়েছিলো কি না জানে না।

    তবুও একটা ব্যাপার হারমিওন অস্বীকার করতে পারবে না যে ম্যালফয় সাংঘাতিক রকমের কিছু একটা করার প্রচেষ্টা করছে। স্নেইপ যে তার কিছুটা আঁচ করতে পেরেছেন সে সম্পর্কে ও কিছুই জানে না। এখন যদি ম্যালয়ের বিষয় বিশ্বাস না করেও তা হলেও হারমিওনকেও সে এক সময় বলতে পারবে কেন আগেই তো তোমাকে বলেছিলাম। রনকেও বলেছি অনেকবার।

    হ্যারি কয়েকবার চেষ্টা করে মি. উইসলির সঙ্গে একা কথা বলার। কিন্তু সুযোগ পেল না। মি. উইসলি ক্রিসমাসের রাত পর্যন্ত মিনিস্ট্রিতে দীর্ঘ সময় কাজে ব্যস্ত থাকেন। বাড়ি ফিরতে দেরি হয়। দ্য ব্যারোতে ক্রিসমাসে অনেকে নিমন্ত্রিত হয়ে আসছেন তাই জিনি, ফ্রেড আর জর্জ শুধু বসার ঘর নয়, বাড়ির সব ঘর, করিডর, সিঁড়ি, কিচেন, ছাদের ঘর, বাড়ির বাইরেটা নানা রকম ভাবে সুন্দর করে সাজিয়েছে। ডিনারে নানা রকমের খাবার আয়োজন করা নিয়ে মিসেস উইসলি ব্যস্ত।

    ওরা সকলেই মিসেস উইসলির প্রিয় গায়িকা সিলেসটিনা ওয়ারবেকের গান উদগ্রিব হয়ে বিরাট রেডিওর সামনে বসে শুনছে। মিসেস উইসলি তার জাদুদণ্ড দিয়ে ভলিউম কন্ট্রোল করছেন। কখনো আস্তে, কখনো জোরে। বিল আর ফ্লেউর আবেগআপ্লুত হয়ে তাকিয়ে রয়েছে। রেমাস লুপিনও এসেছেন। আগের চেয়ে অনেক রোগা হয়ে গেছেন, চোখের দৃষ্টিতে ক্লান্তি ভাব। আগুনের ধারে বসার জায়গা বেছে নিয়েছেন লুপিন। এমনভাবে তাকিয়ে রয়েছেন যেন সিলেসটিনার গানের কথাগুলো শুনতে পাচ্ছেন না ঠিক মতো। সিলেসটিনা গাইছে।

    এসো এসো কলড্রন জাগিয়ে তোলো আমায়
    ঠিক ঠিক পারো যদি তবে তোমায়
    ভরিয়ে দেবো উষ্ণ তরল ভালোবাসায়
    সারারাত থাকবে তুমি সুখদ্রিায় …

    আমার যখন আঠারো বছর বয়স, তখন বন্ধুদের সঙ্গে গানটা শুনে নাচতাম! মিসেস উইসলি পশম বোনা থেকে চোখ উঠিয়ে মৃদু হেসে বললেন। আর্থার, সেসব দিনের কথা তোমার মনে আছে?

    মুখ নামিয়ে মি. উইসলি সুতা ছাড়াচ্ছিলেন। মিসেস উইসলির অতীতের কথা শুনে সায় দিয়ে বললেন, থাকবে না আবার, খু-উ-ব মনে আছে।

    বেশ কষ্ট করেই মি. উইসলি উঠে দাঁড়িয়ে বললেন, দারুণ সুর। হ্যারি ওর পাশেই কিছু বলতে পারার সুযোগের অপেক্ষায় বসেছিলো।

    দুঃখিত, আমার খুবই কোমরে ব্যথা, আর্থার উইসলি মাথা ঝাঁকুনি দিয়ে রেডিওর দিকে তাকিয়ে সেলেসটিনার কোরাস গান শুনতে শুনতে বললেন।

    খুবই স্বাভাবিক, হ্যারি হাসতে হাসতে বললো। মিনিস্ট্রির কাজে খুব ব্যস্ত ছিলেন?

    খুব, মি. উইসলি বললেন। জানি না শেষ পর্যন্ত কোথায় আমরা পৌঁছব, তিনজনকে আমরা গত দুমাসে গ্রেফতার করেছি, ওদের মধ্যে একজন ডেথ ইটার। কাউকে কিন্তু একথা বলবে না হ্যারি। এধার ওধার তাকিয়ে হ্যারিকে সাবধান করে দিলেন।

    ওরা কি স্ট্যান শানপাইককে এখনো রেখে দিয়েছে? হ্যারি জিজ্ঞেস করলো।

    আমার তো তাই মনে হয়, মি. উইসলি বললেন। আমি জানি ডাম্বলডোর সরাসরি স্ক্রিমগৌরকে স্ট্যান সম্পর্কে বলেছেন, যারা ওকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে তারা বিনা দ্বিধায় বলেছে ও এই সাতসুমার মতোই ডেথ ইটার, কিন্তু উচ্চপর্যায়ের কর্তারা ওর তদন্তের অগ্রগতি দেখতে চায়। আর ওই তিনটে অ্যারেস্ট, ভুল করে অ্যারেস্ট বলে ছেড়ে দিয়েছে। কিন্তু মনে রেখো এগুলো টপ সিক্রেট।

    আমি গোপন কথা কাউকে বলি না, হ্যারি বললো। ভাবতে লাগলো যা বলতে চায় তা কেমন করে বলবে। যখনই বলতে উদ্যত হলো তখনি সেলেসটিনা ব্যালাড (গাথা সঙ্গীত) শুরু করলো, আমার হৃদয় তুমি মন্ত্রবলে নিজের করে নিয়েছে।

    তবু হ্যারি বললো, গতবার স্কুলে যাবার সময় স্টেশনে আপনাকে আমি একটা কথা বলেছিলাম, মনে আছে নিশ্চয়ই?

    নিশ্চয়ই তদন্ত করেছিলাম হ্যারি, মি. উইসলি সঙ্গে সঙ্গে বললেন। আমি নিজে ম্যালয়ের বাড়ি সার্চ করেছি, কোনো কিছুই পাইনি, না ভাঙা, না আস্ত, হয়তো সেখানে ও কিছুই রাখেনি।

    হ্যাঁ, খবরটা আমি প্রফেট পড়ে পেয়েছি, কিন্তু ব্যাপারটা মনে হয় অন্যরকম। হয়তো বা আরো বেশি সাংঘাতিক।

    তারপর হ্যারি মি. উইসলিকে স্লাগহর্নের পার্টির পর স্নেইপের ঘরে, স্নেইপ আর ড্রেকোর যেসব কথাবার্তা শুনেছিলো সবিস্তারে বললো। বলতে বলতে ও লক্ষ্য করলো লুপিন ওদের দিকে তাকিয়ে সব কথা শুনছেন। ওর কথা বলা শেষ হলে সেলেসটিনার গান চলতে লাগলো। সেলেসটিনা গুন গুন করে গেয়ে চলেছে।

    ও আমার দুঃখে ভরা মন তুমি হারালে কোথায়? কী জাদুতে ভুলে গেলে আমায়…

    মি. উইসলি বললেন, হ্যারি, তোমার কি মনে হয় স্নেইপ চালাকি করে।

    ম্যালয়ের কাছ থেকে খবর সংগ্রহ করছিলেন। হ্যারি সঙ্গে সঙ্গে বললো, আমি জানতাম আপনি এটাই বলবেন, কিন্তু তাই বা আমরা নিশ্চিত হই কি করে?

    ওটা নিয়ে আমাদের মাথাব্যথা কিসের, লুপিন মাঝখান থেকে বলে উঠলেন। আগুনের দিকে পিঠ করে লুপিন বসেছিলেন। হ্যারি আর উইসলির দিকে তাকালেন। এসব ডাম্বলডোরের বিষয়। ডাম্বলডোর তো সেভেরাসের ওপর দারুণ আস্থাশীল, সকলের ভালো হলে আমাদেরও ভালো।

    কিন্তু, হ্যারি বললো। আপনার কি ধারণা, ডাম্বলডোর স্নেইপের ব্যাপারে ভূল করছেন না।

    অনেকেই এই কথাটা বহুবার বলেছে। তবে সবকিছুই নির্ভর করছে ডাম্বলডোরের বিচার বুদ্ধির ওপর, তুমি তার ওপর আস্থা রাখো চাই না রাখো।

    কিম্ভ ডাম্বলডোরও ভুল করতে পারেন, হ্যারি নাছোড়বান্দার মতো বললো। এ কথাটা উনি নিজ মুখে অনেকবার বলেছেন এবং আপনিও।

    হ্যারি সোজা লুপিনের দিকে তাকালো। সত্যি কী আপনি স্নেইপকে পছন্দ করেন?

    আমি ওকে পছন্দ করি, আবার করিও না, লুপিন বললেন। না হ্যারি, আমি সত্য কথা বলছি। হ্যারি সন্দেহের দৃষ্টিতে লুপিনের দিকে তাকালো। কখনই অন্তরঙ্গ বন্ধু হতে পারবো না আমি তার। জেমস এবং সিরিয়াস এবং সেভেরাসের মধ্যে যা ঘটেছে, অন্তত এরপর। খুবই তিক্ত অভিজ্ঞতা আমার হয়েছে। আবার আর একটা কথা, আমি হোগার্টসে শিক্ষকতা করার দিনগুলোতে তার সাহায্যের কথা ভুলবো না। সেভেরাস আমার জন্য প্রতিমাসে নিজের হাতে উসবেন পোশান বানাতো। কোনো ভুল করতে না পোশান বানাতে। ও বানাতো যাতে আমি প্রতিমাসে পূর্ণিমার দিনগুলোতে কষ্ট না পাই। আমাকে সুস্থ করে রেখেছিলো, আমি ওর প্রতি যথেষ্ট কৃতজ্ঞ।

    ডাম্বলডোরের চোখের সামনে পোশান নিয়ে ওলোট পালোট কিছু করতে সাহস দেখাতো না। হ্যারি বললো।

    হ্যারি তুমি ওকে প্রচণ্ড ঘৃণা কর মনে হয়। লুপিন ম্লান হেসে বললেন। আমার মনে হয় তুমি তোমার বাবা, আর গডফাদার সিরিয়াসের কাছ থেকে কোনো বিষয়ে সম্পূর্ণ না জেনেই রায় দেয়ার অভ্যাসটি উত্তরাধিকার হিসেবে লাভ করেছ। তুমি বিনা দ্বিধায় আমাকে, আর্থারকে যা যা বললে তা ডাম্বলডোরকে বলতে পারো, কিন্তু কখনই আশা করবে না তিনি তোমার কথায় সায় দেবেন বা আশ্চর্য হবেন। জেনে রেখো, আমি নিশ্চিত ডাম্বলডোরের আদেশেই সেভেরাস ড্রেকোকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিলেন।

    এখন তোমরা দ্বিখণ্ডিত যদি আমার হৃদয় আমাকে ফিরিয়ে দাও আমি তোমায় ধন্যবাদ দেবো। সেলেসটিনা গান শেষ করলো। বেতার বয়ে নিলো শ্রোতাদের হাততালি আর কলরব আনন্দ, হর্ষ উল্লাসের ধ্বনি। মিসেস উইসলিও তাদের সঙ্গে যোগ দিলেন।

    ফ্লেউর ওর ভাঙ্গা ভাঙ্গা ইংরেজি উচ্চারণে জোরে জোরে বললো, গান শেষ হয়েছে? ঈশ্বরকে ধন্যবাদ, কি ভয়ঙ্কর…!

    আমরা কি এখন শোয়ার আগে কিছু পান-টান করতে পারি, তাহলে? মি. উইসলি উঠে দাঁড়িয়ে বললেন, তোমাদের মধ্যে কে কে এগ-নগ চাও?

    আপনি এখন কি করছেন? হ্যারি লুপিনের কাছে জানতে চাইলো। মি. উইসলি তখন এগ-নগ সার্ভ করতে শুরু করেছেন। সকলেই নিজেদের মধ্যে আলাপ আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন।

    আমি আত্মগোপন করেছিলাম, লুপিন বললেন। সেই জন্যই তোমাকে চিঠি লিখতে পারিনি, তোমার সঙ্গে চিঠির আদান-প্রদান তো বিশেষ ব্যাপার।

    তার মানে স্যার? আমি যাদের সঙ্গে থাকি তারা আমার সমপর্যায়ের সঙ্গী-সাথী, লুপিন বললেন। ওয়ের উলফ কথাটা যোগ করলেন হ্যারির হতবাক দৃষ্টির দিকে তাকিয়ে।

    তাদের প্রায় সকলেই ভোল্টেমর্টের পক্ষে। ডাম্বলডোর চান সেখানে একজন গুপ্তচর, আমি তো তার হয়ে কাজ করছি।

    লুপিনের কথার মধ্যে হঠাৎ বিরক্তির প্রকাশ। সম্ভবত সেটা তিনি বুঝতে পেরেই মুখভঙ্গি পরিবর্তন করে খুব হাসতে হাসতে আবার বলে চললেন, আমি কোনো অভিযোগ করছি না। তবে ওই কাজটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ, আমার চাইতে ভাল কে করবে? তবে ভোল্টেমর্টের এসব বিশ্বাসের পাত্রদের কাছে আস্থা অর্জন করা খুবই শক্ত। আর ওরা সমাজের মূল স্রোতের বাইরে–ওরা চুরি, লুটতরাজি আর খুন জখম করে জীবন নির্বাহ করে।

    ভোল্ডেমর্টকে ওদের আপন ভাবার কারণ কি?

    ওরা ভাবে ভোল্ডেমর্ট ক্ষমতায় এলে ওরা সুখে-স্বচ্ছন্দে থাকবে। লুপিন বললেন। গ্রেব্যাকদের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলা খুবই কঠিন ব্যাপার।

    গ্রেব্যাক কে?

    ওহো, আজও তুমি ওর নাম শোননি? লুপিন তার হাত দুটো কোলের ওপর রেখে আক্ষেপের সুরে বললেন। ফেনরির গ্রেব্যাক, সবচাইতে বর্বর ওয়ের উলফ আজকের দুনিয়ায়। ওর জীবনের উদ্দেশ্য হচ্ছে কামড়ানো এবং যতো বেশি সম্ভব মানুষদের সংক্রামিত করা। জাদুকরদের আয়ত্বে আনতে ওরা আরো অনেক ওয়ের উলফের সংখ্যা বাড়াতে চায়। ওর এসব কাজের জন্য ভোল্ডেমর্ট ওকে অভয় দিয়েছেন, যে সে এ ধরনের শিকার করতে পারবে। ছোটো ছোটো ছেলেমেয়েদের ওপর গ্রে ব্যাকের আগ্রহ বেশি, ওদের কামড়ে দেয়। ওদের বাবা-মার কাছ থেকে সরিয়ে দেয়, ওদের জাদুকরদের ঘেন্না করতে শেখায়। ভোল্ডেমর্ট ওকে মানুষজনদের ছেলেমেয়েদের ধরার জন্য প্ররোচিত করেছেন, ওই রকম প্ররোচনায় লেলিয়ে দেয়াতে উত্তম ফল পেয়েছেন।

    লুপিন দম নিয়ে বললেন, গ্রেব্যাকই আমাকে কামড়ে ছিলো একবার।

    কি বলছেন আপনি? হ্যারি খুব আশ্চর্য হয়ে বললো। কখন? যখন আপনি ছোট ছিলেন?

    হুঁ, ঠিকই বলেছো। আমার বাবা গ্রেব্যাককে অপমান করেছিলেন। ঘটনার অনেকদিন পর জেনেছিলাম যে ওয়েরউলফ আমাকে কামড়েছিলো সে হচ্ছে গ্রেব্যাক। চাঁদনি রাতে ও যাকে কামড়াবে তার কাছে যেয়ে দাঁড়ায়, যাতে ওকে চাঁদের আলোতে ভালভাবে দেখতে পায়। তারপর তাকে আক্রমণ করে। ভোল্ডেমর্ট ওর মাধ্যমে ওয়েরউলফদের তার পক্ষে লড়াইয়ের জন্য একত্রিত করছে। আমি সংক্ষেপে তোমাকে বলি একটা কথা সেখানে প্রচারিত, আমরা ওয়েরউলফদের রক্তের প্রয়োজন, সাধারণ মানুষদের ওপর আক্রমণ করে রক্ত নেব আর–গ্রেব্যাক তার নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

    আপনার ওপর ওই আক্রমণের পর, আপনি কি এখন স্বাভাবিক! হ্যারি দ্রুত বললো। আপনার কোনো সমস্যা হয়নি তো।

    লুপিন হো হো হো করে হেসে উঠলেন।

    কখনো কখনো তোমাকে দেখলে জেমসের কথা মনে হয়। ও আমার বিষয়ে বন্ধু বান্ধবদের কাছে বলতো, ওর সামান্য একটু সমস্যা আছে। অনেকেরই মনে এই ধারণা ছিলো, আমার আচরণ ভীষণ দুষ্ট খরগোসের মত।

    ধন্যবাদ জানিয়ে লুপিন মি. উইসলির হাত থেকে এক গ্লাস এগ-নগ নিলেন, এখন ওকে খুব ফুরফুরে মেজাজে দেখাচ্ছে। হ্যারিকে তার বাবার প্রসঙ্গে বলার সময় হ্যারির মনে হলো তাকে একটা বিষয়ে জিজ্ঞাসা করতে হবে।

    আপনি কি শুনেছেন কোনো একজনকে দ্য হাফ-ব্লাড প্রিন্স বলা হয়? দ্য হাফ-ব্লাড কি বললে? প্রিন্স, হ্যারি বললো। প্রিন্স কে জানার আশায় লুপিনের মুখের দিকে তাকিয়ে রইলো।

    প্রিন্স নামে কোনো জাদুকর আছে বলে আমার জানা নেই, লুপিন বললেন। বলার পর মৃদু হেসে বললেন, প্রিন্স কি কোনো টাইটেল, যা তুমি নামের আগে যুক্ত করতে চাইছো? তোমার হয়তো ভাবা উচিত ছিল প্রিন্সের বদলে দ্য চুজেন ওয়ান, সেটাই যথেষ্ট।

    না তার সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক নেই! হ্যারি অসম্ভষ্ট স্বরে বললো। হাফ-ব্লাড প্রিন্স তার নাম। এক কালে ও হোগার্টসে যাতায়াত করতো। আমার কাছে ওর একটা পুরনো পোশান বই আছে। বইটার আগ-পাশ তলায় ও স্পেল লিখে গেছে, স্পেলগুলো ওরই আবিষ্কার, বানানো বা উদ্ভাবন, তারই মধ্যে একটা লেভিকরপাস।

    লুপিন স্মৃতি মন্থন করে বললেন, ও হ্যাঁ, হোগার্টসে যখন পড়াশোনা করতাম তখন ওই স্পেলটা খুব চালু ছিলো, আমি তখন পঞ্চমবার্ষিক শ্রেণীর ছাত্র, এমন এক অবস্থার সৃষ্টি হয়েছিলো, কেউ পা মাটিতে ফেলে চলতে পারতো না, শূন্যে ঝুলে থাকতো।

    আমার বাবাও ওই স্পেল ব্যবহার করতেন, হ্যারি বললো। আমি তাকে পেনসিভে দেখেছিলাম, উনি স্নেইপের ওপর প্রয়োগ করেছিলেন।

    কথাচ্ছলে ও বলার চেষ্টা করলো, যা ধর্তব্যের মধ্যে আনা যায় না, এর কোনো গুরুত্ব নেই, কিন্তু ও জানে না কথাটা বিশেষভাবে লুপিনের ওপর প্রকৃত প্রভাব বিস্তার করলো। লুপিনের হাসি একটু যেন বেশি বোঝাপড়ার।

    ঠিক, লুপিন বললেন। কিন্তু তোমার বাবা সেটা একাই ব্যবহার করেননি, অনেকেই করেছে। তোমাকে তো আগেই বলেছি ওটা খুব তখন জনপ্রিয় ছিলো, তুমি ওই স্পেলের আদি-অন্ত জানো, কেমন করে ওই স্পেলগুলো আসে আবার অন্তর্হিত হয়।

    মনে হয় আপনি স্কুলে পড়ার সময়ে ওই স্পেলের সৃষ্টি হয়েছিলো, হ্যারি অটলভাবে বলে চললো।

    না, তখনি হয়েছে এটা বলা যায় না, কোনটাই স্থির নয়, লুপিন বললো। ফ্যাশানের মতো জিনসের অবস্থা, আসে আবার চলে যায়। কথাটা বলে হ্যারির মুখের দিকে তাকালেন, তারপর ধীর স্থির শান্তভাবে বললেন, জেমসের জন্ম যাকে পিওর ব্লাড বলা যায়, তুমি নিশ্চয়ই তাকে প্রিন্স আখ্যা দিতে চাও না।

    হ্যারি যেন কিছুই জানে না ভান করে বললো, সিরিয়াস তো নয়? অথবা আপনি?

    অবশ্যই না।

    আচ্ছা, হ্যারি আগুনের দিকে তাকিয়ে বললো, হঠাৎ কেন জানি না প্রশ্নটা আমার মনে এলো, পোশান ক্লাশে তার বইটা অনেক ভাবে আমাকে সাহায্য করেছে, মানে এর নেপথ্যে প্রিন্স বলতে পারেন।

    হতে পারে কেউ, কিন্তু কে সে তা আমি জানি না, লুপিন বললেন।

    একটু পরই ফ্লেউর সেলেসটিনা গান নকল করে গাইতে শুরু করলো। অ্যা কলড্রন ফুল অফ হট, স্ট্রং লাভ। রন আর হ্যারির সেই সময় চোখ পড়লো মিসেস উইসলির দিকে। চোখে তার ইঙ্গিত অনেক রাত হয়েছে এবার শুতে যাও। হ্যারি আর রন সিঁড়ি বেয়ে উঠে রনের চিলের কোঠায় গেল। সেখানে হ্যারির শোবার জন্য মিসেস উইসলি রনের কটের পাশে একটা ক্যাম্প খাট রেখে দিয়েছেন।

    রন বিছানায় শুয়েই নাক ডাকাতে শুরু করলো।

    হ্যারি খাটের তলা থেকে ওর ট্রাঙ্কটা বের করে প্রিন্সের অ্যাডভান্সড পোশান মেকিং বইটা বের করে নিজের বিছানায় শুয়ে পাতা ওল্টাতে লাগলো। অনেক খোজাখুঁজির পর পেয়ে গেল বইটির প্রকাশের তারিখ। হিসেব করে দেখলো প্রায় পঞ্চাশ বছর আগে বইটা ছাপা হয়েছে। পঞ্চাশ বছর আগে ওর বাবা বা তার বন্ধুবান্ধবরা কেউ হোগার্টসে পড়তেন না। হতাশ হয়ে ও বইটা ট্রাঙ্কে ছুঁড়ে ফেলে দিলো। তারপর বাতি নিভিয়ে ওয়েরউলফস আর স্নেইপ, স্টান শানপাইক, হাফব্লাড প্রিন্সের কথা ভাবতে ভাবতে ঘুমিয়ে পড়লেও ভালো ঘুম হলো না, দারুণ এক অস্বস্তিতে ভরা ঘুম। কানে আসতে লাগলো অনেক কামড় খাওয়া যন্ত্রণা কাতর শিশুর ক্রন্দন, আর চোখের সামনে ভাসতে লাগলো নানা ভঙ্গিতে চলাফেরা করছে অনেক কালো কালো ছায়ামূর্তি।

    নিশ্চয়ই ও আমার সঙ্গে মজা করেছে।

    কানে কথাটা ঢুকতেই হ্যারির ঘুম ভেঙে গেল। দেখতে পেল পায়ের কাছে একটা মোজা ভর্তি কিছু জিনিস। ও ভালো করে দেখার জন্য চশমাটা পরে নিল। এধার ওধার তাকিয়ে দেখলো ঘরের ছোট জানালার কাঁচের পাল্লা তুষারে ঢেকে গেছে, ওর পাশের বিছানায় রন টান টান হয়ে বসে হাতে একটা মোটা সোনার চেইনের মতো কিছু ধরে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখছে।

    এই, ওটা কি? হ্যারি জিজ্ঞেস করলো।

    মনে হয় এটা ল্যাভেন্ডারের, রন বললো। ও কি করে ভাবলো আমি সোনার চেইন পরবো।

    হ্যারি কাছে গিয়ে চেইনটা দেখে হাসিতে ফেটে পড়লো। দেখলো চেইনের লকেটে লেখা, আমার অতি প্রিয় ভালোবাসার মানুষটিকে।

    বাহ! খু-উ-ব চমৎকার হ্যারি হাসতে হাসতে বললো। চিন্তা করো তুমি কি করে এই সোনার চেইনটা গলায় পরে সকলের সামনে যাবে।

    আসলে, আমাদের মধ্যে তেমন কোনো সম্পর্ক হয়নি, রন চেইনটা বালিশের তলায় রাখতে রাখতে বললো। আমি, আমি তোমাকে…।

    আমাকে কি বোঝাতে হবে? হ্যারি দাঁত বার করে হাসতে হাসতে বললো।

    আচ্ছা তুমি বলো হ্যারি, ও কি করে ভাবতে পারলো মাই সুইট হার্ট লেখা লকেট সোনার চেনে লাগিয়ে সকলের সামনে আমি ঘুরে বেড়াবো?

    হঠাৎ রন অনেকটা সময় চুপ করে বসে কি যেন ভাবলো। আচ্ছা হারমিওন কি ম্যাকলেগেনের সঙ্গে ঘুরে বেড়াচ্ছে?

    আমি জানি না, হ্যারি বললো। তবে ওরা স্লাগহর্নের পার্টির দিন একসঙ্গে ঘুরেছিলো, আমার তো মনে হয় না তেমন কিছু ভাববার আছে।

    রন মোটা মোজার মধ্যে হাত ঢুকিয়ে খুশি হয়ে হাসলো।

    হ্যারি পেয়েছে মিসেস উইসলির হাতে বোনা সুন্দর একটা সোয়েটার। সোয়েটারের বুকে সঁটা রয়েছে সুন্দর একটা সোনালি ফুল। তাছাড়া একটা বাক্সের ভেতর উইসলি ভাইদের কাছ থেকে উইজার্ড হুইজেস প্রোডাক্টস আরো একটা ভেজাভেজা ছাতাপড়া গন্ধের প্যাকেট, তাতে লেখা টু মাস্টার ফ্রম ক্রেচার।

    হ্যারি রনের দিকে তাকিয়ে বললো, এই প্যাকেটটা খোলা ঠিক হবে রন? মনে তো হয় না কিছু ক্ষতিকর জিনিস ওর ভেতরে আছে। আমাদের মেইল, চিঠিপত্র সবই তো মিনিস্ট্রি সার্চ করার পর পাঠাচ্ছে, রন বললো। তবুও পার্সেলটার দিকে সন্ধিগ্ধ দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলো।

    আমরা তো ক্রেচারকে কিছু উপহার দেওয়ার কথা ভাবিনি, মালিকেরা তাদের গৃহডাইনিদের ক্রিসমাস উপহার দেন? হ্যারি পার্সেলটায় সাবধানে আঙুলের খোঁচা দিতে দিতে বললো।

    হারমিওন নিশ্চয়ই দেয় হয়তো, হ্যারি প্যাকেটটা দেখা যাক কি আছে বলে খোলার পর ভেতরের জিনিস দেখে সভয়ে চিৎকার করে বিছানা থেকে লাফিয়ে পড়লো।

    প্যাকেটের মধ্যে রয়েছে গাদা গাদা ছোটো ছোটো পোকার ডিম। অপূর্ব, রন হাসিতে ফেটে পড়ে বললো। অনেক ভেবেচিন্তে পাঠিয়েছে।

    তোমার নেকলেসের চাইতে ভালো, হ্যারি বললো। কথাটা শুনে রন গম্ভীর হয়ে গেল।

    দ্য ব্যারোতে ক্রিসমাসের লাঞ্চ খেতে বসেছে সবাই। তাদের গায়ে নতুন শীতবস্ত্র, সোয়েটার, কার্ডিগান। একমাত্র ফ্লেউর নতুন সোয়েটার পরেনি হয়তো মিসেস উইসলি তাকে উপহার দেয়া অপচয় মনে করেছেন। মিসেস উইসলিও বাদ যাননি। তার মাথায় নতুন মিডনাইট বু উইচহ্যাট, চুমকিতে আলো পড়ে ঝিকমিক করছে। গলায় পরেছেন দারুণ জমকালো সোনার নেকলেস।

    বললেন, ফ্রেড আর জর্জ আমাকে দিয়েছে। খুব সুন্দর, তাই না?

    জর্জ বললো, মাম, খুবই সুন্দর হয়েছে। খুবই সুন্দর। এখন আমাদের মোজা কাঁচতে হবে, ও হাত নাড়িয়ে চলে গেল।

    হ্যারি তোমার মাথার চুলে ছোট একটা পোকা আটকে রয়েছে, জিনি হাসতে হাসতে টেবিলে ঝুঁকে পড়ে ওর মাথা থেকে ক্ষুদে পোকা টেনে ফেলে দিলো।

    ফ্লেউর খাবার আর বিলকে নিয়ে বোকা বোকা কাণ্ড কারখানা করতে লাগলো। মিসেস উইসলি এসব একদম পছন্দ করেন না। বিলের দিকে তাকিয়ে চুপ করে রইলেন।

    রন ফ্লেউরকে নানা রকম ঠাট্টা করতে লাগলো। ফ্লেউর বিলকে চুমু খেয়ে রনকে বললো, তুমি দেখছি টোংকস-এর চেয়ে সাংঘাতিক। টোংকস সব সময় আক্রমণ করে কথা বলে।

    আমি আমার প্রিয় টোংকসকে আজ লাঞ্চে আমাদের সঙ্গে খেতে বলেছি, মিসেস উইসলি বললেন। বলার সময় গাজর কাটায় বেশি জোর দিতে লাগলেন ফ্লেউরের দিকে তাকিয়ে। মনে হয় ও আর আসবে না। রেমাস ইদানীং কি তোমার টোংকসের সঙ্গে কোনো কথাবার্তা হয়েছে?

    না, আমার সঙ্গে আজকাল কারো দেখা সাক্ষাৎ হয় না বলতে পারো, লুপিন বললেন। টোংকসের তো নিজের আত্মীয়-স্বজন আছে, তাদের সঙ্গে আছে। হয়তো।

    হবে হয়তো, মিসেস উইসলি বললেন। আমার ধারণা ছিলো ও হয়তো একাই ক্রিসমাস পালন করতে চায়।

    লুপিনের দিকে মিসেস উইসলি এমনভাবে তাকালেন যেন টোংকসের লাঞ্চে আসাটা লুপিনের দোষ। ফ্লেউর ওদিকে কাউকে পরোয়া না করে সকলের সামনে বিলকে তার এঁটো কাঁটা চামচ দিয়ে টার্কি খাওয়াতে লাগলো। মিসেস উইসলির মুখ দেখে মনে হলো তিনি যুদ্ধে সম্পূর্ণভাবে পরাজিত হয়ে বিধ্বস্ত। হ্যারি ক্ষুব্ধ দৃষ্টিতে ফ্লেউরের দিকে তাকালো।

    হ্যারির মনে পড়ে গেল মিসেস উইসলিও পেট্রোনাস বিষয়ে প্রশ্ন করেছিলো। উইসলি বলেছিলেন, তুমি টোংকসের কাছ থেকে জেনে নিও। উনি পেট্রোনাস বিষয়ে সবকিছু ওয়াকিবহাল।

    লুপিন বলেছিলেন, টোংকসের পেট্রোনাস কিছু বদলে গেছে। স্নেইপেরও তাই মত। তাকেও বলেছিলেন তোমার পেট্রোনাস কেন বদলাচ্ছে?

    লুপিন টার্কির মাংস খেতে ব্যস্ত, ধীরে ধীরে চিবিয়ে গলাধকরণ করে বললেন, কখনো কখনো বড় রকমের শক, …আবেগপূর্ণ ভাবের পরিবর্তন…।

    হ্যারি বললো, ওগুলো খুব বড় হয়, ওদের চারটে পা। তারপর হঠাৎ থেমে গিয়ে বললো, ধ্যাৎ তাই কখনো হয়?

    আর্থার! মিসেস উইসলি চাপা গলায় বললেন। চেয়ার থেকে উঠে পড়েছেন। ওর দুহাত হৃদপিণ্ডের ওপর চাপা, কিচেনের জানালার দিকে তাকালেন। আর্থার, বাইরে পার্সি দাঁড়িয়ে রয়েছে।

    কি বললে? মি. উইসলি জানালার দিকে তাকালেন। ঘরের সকলেই তাকালো জানালায়।

    জিনি ভাল করে দেখার জন্য একটু উঁচু হয়ে দাঁড়ালো। স্পষ্ট দেখা গেল তুষারাবৃত উঠোনে পার্সি দাঁড়িয়ে রয়েছে। সূর্যের আলো পড়ে মোষের সিং-এর রিমে তৈরি চশমার কাঁচ চকচক করছে। ও অবশ্য সেখানে একা দাঁড়িয়ে নেই।

    আর্থার ও… ও মিনিস্টারের সঙ্গে দাঁড়িয়ে রয়েছে।

    হ্যারির মনে হলো লোকটির ছবি ও কোনো এক ডেইলি ফেটের সংখ্যায় দেখেছে। পার্সির সঙ্গে সতর্কভাবে হাঁটছে, সামান্য খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে। ওর মাথার বড় বড় পাকা চুল আর গায়ের কালো কোট তুষারে ভরে গেছে। কেউ কিছু প্রশ্ন করার আগে মি. এবং মিসেস উইসলি নিজেদের মধ্যে আশ্চর্য হয়ে যাওয়া দৃষ্টি বিনিময়ের সঙ্গে সঙ্গে বাড়ির পেছনের দরজা খোলার শব্দ হতেই দেখলো পার্সি দাঁড়িয়ে রয়েছে।

    ঘরের মধ্যে অদ্ভুত এক বেদনাদায়ক নীরবতা। পার্সি সেই নীরবতা ভঙ্গ করে একটু যেন সংযত স্বরে বললো, মেরি ক্রিসমাস, মা।

    ওহো পার্সি! মিসেস উইসলি কথাটা বলেই পার্সির কাছে ছুটে গিয়ে ওকে বুকে জড়িয়ে ধরলেন।

    স্ক্রিমগৌর বাড়ির ভেতরে না ঢুকে ওয়াকিং স্টিকে ভর দিয়ে বাইরে দাঁড়িয়ে ছিলেন। সেই মিলন উৎসব দেখে তার মুখে হাসি।

    হঠাৎ এসে আপনাদের পার্টিতে বিঘ্ন ঘটালাম বলে আমাকে ক্ষমা করবে অবশ্যই, স্ক্রিমগৌর বললেন। মিসেস উইসলি পুত্রকে বহুবছর পর আজ দেখে আনন্দে আত্মহারা। কাঁদছেন, চোখের জল মুছছেন। আপনারা তো জানেন পার্সি আমার মতোই রাতদিন কাজ করছে, একেবারে সময় পায় না দেখা করার, আজকের এই আনন্দ উৎসবে ও আপনাদের সকলের সঙ্গে মিলিত হবার আকাক্ষা সংবরণ করতে পারলো না।

    কিন্তু পার্সি একমাত্র ওর মাকে ছাড়া বাড়ির কাউকে অভিনন্দন জানালো না। সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে অদ্ভুত এক দৃষ্টিতে সকলের দিকে তাকালো। মি. উইসলি, ফ্রেড-জর্জ সকলেই কোনো আবেগ প্রকাশ না করে পাথরের মত দাঁড়িয়ে ওকে দেখতে লাগলো।

    টুপিটা ঠিক করে মিসেস উইসলি স্ক্রিমগৌরকে বললেন, অনুগ্রহ করে বসুন স্যার। সামান্য একটু টার্কি, দয়া করে কিছু খাবার খান।

    না না মলি, স্ক্রিমগৌর বললেন। হ্যারি বুঝতে পারলো বাড়িতে ঢোকার আগে স্ক্রিমগৌর পার্সির কাছ থেকে নামটা জেনে নিয়েছেন। না-বলা না-কওয়া হঠাৎ এসে পড়ে বিরক্ত করার ইচ্ছে আমার ছিলো না, পার্সি আপনাদের দেখতে চাইলো বলেই ওর সঙ্গে চলে এলাম।

    মিসেস উইসলি তখনো পার্সিকে জোরে বুকে জড়িয়ে রেখেছেন। ফোপাতে ফোঁপাতে বললেন, পার্সি! এতদিন পর তোমার মায়ের কথা মনে পড়লো?

    কিছু মনে করবেন না আমরা পাঁচ মিনিটের বেশি এখানে থাকতে পারবো না। আমাদের বিশেষ এক কাজ আছে। আপনারা পার্সির সঙ্গে কথা বলুন সেই ফাঁকে আমি আপনাদের বাগানটা একটু ঘুরে দেখে আসি। না না আমার সঙ্গে কাউকে যেতে হবে না, তবে কেউ যদি আপনার উপভোগ্য বাগানটায় যাবার সময় আমার সঙ্গে… আরে ওইতো ওই ছেলেটির খাওয়া শেষ হয়ে গেছে, ও যদি চায় আমার সঙ্গে বাগানে যেতে পারে।

    সকলেই স্ক্রিমগৌর আর হ্যারির দিকে তাকিয়ে রইলো। ওই ছেলেটিকে স্ক্রিমগৌর চেনেন না, বা নাম শোনেননি, এমনটি ঘরের সকলের বিশ্বাসযোগ্য মনে হলো না। বুঝতে পারলো, না চেনার ভান করছেন। জেনি, রন, ফ্লেউর আর জর্জেরও তো প্লেটে কিছু ছিল না। ওদের মধ্যে কাউকে তো বাগানে সঙ্গী হওয়ার জন্য ডাকতে পারতেন।

    নীরবতার মাঝে হ্যারি বললো, হ্যাঁ হ্যাঁ চলুন।

    হ্যারি মোটেই বোকা নয়। স্ক্রিমগৌরের পার্সির সঙ্গে আসা বা বাগান দেখতে চাওয়া যে আসল উদ্দেশ্য নয় তা হ্যারির বুঝতে বাকি রাইনো না। আসল কারণ হ্যারির সঙ্গে কথা বলা।

    ঠিক আছে ওঠার দরকার নেই, লুপিনের পাশ দিয়ে যেতে যেতে স্ক্রিমগৌর বললেন। লুপিন তখন চেয়ার থেকে ওঠার চেষ্টা করছিলেন। আবার বললেন, ঠিক আছে!

    মি. উইসলিকে কোনো কথা বলার সুযোগ না দিয়ে স্ক্রিমগৌর হ্যারির হাত ধরে বাগানে এসে বললেন, ওয়ান্ডারফুল! চলো আমরা দুজনে বাগানে একটু হাঁটি, এর মধ্যে পার্সির কথা বলা শেষ হবে। তারপর আমি আর পার্সি এখান থেকে চলে যাবো। এবং পেছনে ফিরে বললেন, আপনারা চালিয়ে যান।

    স্ক্রিমগৌর হ্যারির সঙ্গে তুষার আবৃত বাগানে এসে দাঁড়ালেন। তুষারে সবগাছ। ঢেকে গেছে। বড় বড় দুএকটা গাছ মাথা তুলে এক রাশ তুষারের বোঝা নিয়ে কোনো রকমে দাঁড়িয়ে রয়েছে।

    স্ক্রিমগৌর স্টিকহাতে নিয়ে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে হাঁটতে হাঁটতে আবার বললেন, চার্মিং।

    হ্যারির মুখে কুলুপ আঁটা। বেশ বুঝতে পারলো স্ক্রিমগৌর ওর দিকে আড়চোখে তাকাচ্ছেন।

    তোমার সঙ্গে আমার অনেকদিন ধরে দেখা করার ইচ্ছে, স্ক্রিমগৌর হ্যারিকে বললেন। তুমি কি জানো?

    হ্যারি স্পষ্টভাবে বললো, কই, না-তো।

    অনেকদিন, কিন্তু ডাম্বলডোর যেভাবে তোমাকে আগলে রেখেছেন, দেখা করে কার সাধ্য, স্ক্রিমগৌর বললেন। স্বাভাবিক, খুবই স্বাভাবিক, মিনিস্ট্রিতে যা কাণ্ড হয়েছিলো তারপর তো এর প্রয়োজন হবেই।

    হ্যারি কিছু বলবে সেই প্রতিক্ষায় ওর মুখের দিকে তাকালেন স্ক্রিমগৌর। কিন্তু হ্যারি চুপ করে রইলো। খানিকক্ষণ অপেক্ষার পর স্ক্রিমগৌর বলে চললেন, আমি ম্যাজিক মন্ত্রণালয়ের ভার নেবার পর থেকেই তোমার সঙ্গে কথা বলার সুযোগের অপেক্ষায় ছিলাম, তা আর এর আগে সম্ভব হয়নি, আগেই বলেছি, ডাম্বলডোর সম্ভবত কোনো বিশেষ কারণে তোমাকে আগলে রেখেছেন।

    হ্যারি তখনো চুপ করে রইলো আরো কিছু শোনার অপেক্ষায়।

    চারদিকে গুজব, স্ক্রিমগৌর বললেন, না জেনে যে যার খুশি মত বলেছে। কানাঘুষা, মানে প্রফেসির তুমি চুজেন ওয়ান, ডাম্বলডোর নিশ্চয়ই এ বিষয়ে তোমার সাথে কথা বলেছেন।

    হ্যারি বুঝতে পারলো, যা ভেবেছিলো ঠিক তাই, স্ক্রিমগৌর কেন উইসলিদের বাড়িতে এসেছেন। পার্সিকে সঙ্গে আনা আসলে নিছক উপলক্ষ মাত্র, ওর কাছ থেকে ওই ঘটনা জানতেই এসেছেন।

    হ্যারি ভাবতে লাগলো আসল ঘটনা বলবে না মিথ্যে বলবে।

    হ্যারি চারদিকে তাকালো, তুষারে ঢাকা বাগান, তাও কোথাও কোথাও ছোটো ছোটো ফুল ফুটেছে, ফ্রেডের ক্রিসমাসট্রি, আরো অনেক কিছু। শেষ পর্যন্ত ঠিক করলো যা যা ঘটেছিলো তাই বলবে। চুজেন ওয়ান বা বাইবেলের চুজেন ল্যান্ড, চুজেন পিপল ও জানে না। তবে জীবনে সঠিকভাবে সিদ্ধান্ত নেয়া দরকার যে পথ ও বেছে নেবে। ভবিষ্যদ্বাণী (প্রফেসি) অনুযায়ী দুজনের একজন তার বা ভোল্টেমর্টের মৃত্যু হবে কি না জানে না। প্রফেসি যাই বলুক ভোল্ডেমর্ট তার অনুগামীদের নিয়ে বিরাট বাহিনী–রক্তপিশাচ, ডিমেন্টরস, ওয়েরউলফ, ইনফেরিদের নিয়ে যা করে চলেছে তার বিরোধিতা করতে হবে।

    হ্যাঁ, আমরা ওই বিষয়ে কথা বলেছি। স্ক্রিমগৌর একটু থেমে বললেন, তুমি কি, তুমি কি…

    দুঃখিত, ওই আলোচনাটা শুধু আমাদের মধ্যেই, হ্যারি বললো। ওহ, নিশ্চয়ই! নিশ্চয়ই!

    ওরা সকলে বিশ্বাস করে তুমি চুজেন ওয়ান, আগেই বলেছি, স্ক্রিমগৌর বললেন। মনে কর তুমি নায়ক, অবশ্যই তুমি তাই, চুজেন অথবা চুজেন নও! আজ থেকে কতো বার যার নাম মুখে আনা চলে না তার সঙ্গে মোকাবিলা করেছো? কোনো জবাবের অপেক্ষা না করেই বললেন, আসল কথা হচ্ছে, তুমি শান্তিপ্রিয় মানুষদের আশা ও শান্তির প্রতীক।

    এমন একজন কেউ যে নিশ্চিতভাবে পারবে, যে হি-হু-যার নাম অবশ্যই মুখে আনা যাবে না তাকে পৃথিবী থেকে সরিয়ে দিতে, তাহলে মানুষ নির্ভয়ে বেঁচে থাকতে পারবে। আমি অনুভব করি কিন্তু সেই পাপের বিরুদ্ধে লড়াই করার ক্ষমতা আমার একার নেই, এই সার কথাটা একবার তুমি বুঝতে পারলে, তুমি ভেবে দেখতে পারো, ওয়েল। তোমার কর্তব্য, মিনিস্ট্রির পাশে দাঁড়িয়ে অন্যায়, পাপের বিরুদ্ধে লড়াই করা। সকলকে শান্তিতে বেঁচে থাকতে সাহায্য করা।

    ওরা দেখলো, পাতালের ধনসম্পদ-রক্ষাকারী বামন ভূত মাটির ভেতর থেকে বেরিয়ে এসে একটা কীটকে ধরলো। কীটটা আপ্রাণ চেষ্টা করতে লাগলো ভূতের হাত থেকে পরিত্রাণ পাবার। বরফে জমা মাটি থেকে বেরিয়ে আসা খুবই কষ্টকর। হ্যারি দেখলো স্ক্রিমগৌর ভূতের দিকে তাকিয়ে রয়েছেন। হ্যারি তখনও নির্বাক। অদ্ভুত সব ছোটো ছোটো প্রাণী, তাই না? কিন্তু তুমি চুপ করে আছো কেন হ্যারি?

    আপনি যথার্থ কি চান আমি ঠিক বুঝতে পারছি না, হ্যারি ধীরে ধীরে বললো। মিনিস্ট্রির পাশে এসে দাঁড়ানো, কথাটার মানে কী?

    কাজটা জরুরি হলেও খুব একটা কষ্টদায়ক নয়, এটাই তোমাকে আশ্বাস দিতে পারি; স্ক্রিমগৌর বললেন। ধরো তুমি যদি মাঝে মাঝে মিনিস্ট্রিতে আসা-যাওয়া কর তাহলে সঠিকভাবে প্রভাবিত করবে। আর তুমি সেখানে গয়াইন বোবার্ডসের সঙ্গে কোনো রকম বাধা নিষেধ ছাড়া আলাপ আলোচনা করতে পারবে। ও হ্যাঁ তিনি কি তোমাকে বলেননি? উনি এখন আমার জায়গায় অরের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। আমব্রিজ একবার আমায় যেন বলেছিলেন, তুমি নাকি একজন সুদক্ষ অরর হবার ইচ্ছা করছে, সেটা খুব শিঘ্র সহজেই ব্যবস্থা করা যাবে।

    ডলোরেস আমব্রিজের নাম শুনে হ্যারির সর্বাঙ্গ রাগে জ্বলে উঠলো। ভদ্র মহিলা এখনো মিনিস্ট্রিতে বহাল তবিয়তে রয়েছে?

    মূলত কথাটা এমনভাবে হ্যারি বললো, যাতে দুএকটি বিষয় আরো পরিষ্কারভাবে জানা যায়। আপনি এমন একটা বাতাবরণ করতে চান যাতে সকলে বোঝে আমি মিনিস্ট্রিতে কাজ করছি এই তো?

    হ্যাঁ ঠিকই ধরেছো হ্যারি, সকলে বুঝবে তুমি মিনিস্ট্রিতে কাজ করছে। তার কথার মধ্যে স্বস্তির ছাপ সুস্পষ্ট। দ্য চুজেন ওয়ান, তুমি অবশ্যই জানো, মানুষের আশার সঞ্চার করবে, অনুভব করবে, কি বলো। ও হ্যাঁ রোমাঞ্চকর কিছু একটা সংঘটিত হতে চলেছে।

    হ্যারি কথার মধ্যে বন্ধুত্বের সুর বজায় রেখে বললো, যদি আপনার কথা মতো মিনিস্ট্রিতে যাওয়া-আসা করি তাহলে এটাই কি বোঝা যাবে না মিনিস্ট্রি যা কিছু করছে বা করতে চলেছে তাতে আমার পূর্ণ সমর্থন আছে?

    ওয়েল, স্ক্রিমগৌর ভুরু কুঁচকে বললেন, ও হ্যাঁ তা আংশিকভাবে সত্য, আর তাই আমরা চাই।

    না, আমার মনে হয় না সেটা কার্যকরী হবে, হ্যারি ভাবে বললো। দেখুন, কিছু কিছু জিনিস মিনিস্ট্রি যা করছে তা আমি সমর্থন করতে পারছি না, যেমন ধরুন স্ট্যান শানপাইককে আটকে রাখা।

    স্ক্রিমগৌর সেই কথাটার তাৎক্ষণিক জবাব না দিলেও মুখের চেহারা কঠিন হয়ে গেল।

    আমি অবশ্য আশা করি না যে তুমি বিষয়টি বুঝতে পারবে, স্ক্রিমগৌর বললেন, হ্যারির মতো উম্মা না দেখিয়ে চেপে রাখলেন। এখন খুব খারাপ অবস্থা চলছে, কিছু ব্যবস্থা গ্রহণ করার প্রয়োজন হয়েছে। অনেক কিছু বাইরে থেকে বোঝা কঠিন। আর তোমার তো বয়স মাত্র ষোল বছর।

    হতে পারে, ডাম্বলডোরের বয়স ষোলর ওপরে কিন্তু তিনিও মনে করেন না স্ট্যানকে আজকাবানে পাঠানো দরকার ছিল, হ্যারি বললো। আপনারা যেমন আমাকে প্রতিকী প্রাণী করতে চান, তেমনি স্ট্যানকে আজকাবানে পুরে দেখাতে চান মিনিস্ট্রি কাজ করছে। হ্যারিকে যে মিনিস্ট্রি ব্যবহার করতে চায় সে বিষয়টিকে কটাক্ষ করেই সে বললো।

    দুজনে দুজনের মুখের দিকে তে তাকিয়ে থাকলেন বেশ খানিকটা সময়। সবশেষে স্ক্রিমগৌর বললেন কোনো রকম ভান না করে। আমার মনে হয় তুমি ডাম্বলডোরের মতো নিজে মিনিস্ট্রির সঙ্গে কোনো সম্পর্ক রাখতে চাও না?

    আমাকে কেউ ব্যবহার করুক আমি চাই না, হ্যারি বললো।

    অনেকেই হয়তো এই মত পোষণ করবেন, মিনিস্ট্রি তোমাকে সকলের ভালোর জন্য কাজে ব্যবহার করবে, সেটা মেনে নেয়া তোমার কর্তব্য।

    হবে, কিন্তু একথাও অনেকে মনে করে কাউকে অযথা ডেথ ইটার সন্দেহ করে আজকাবানের জেলে পাঠানোর আগে সেই সন্দেহ সঠিক কি না জানা দরকার, হ্যারি বললো। ওর রাগ আরো বেড়ে গেল। আপনি বার্টি ক্রাউচের মতো চলছেন। আপনারা সত্যই কি সঠিক পথে চলছেন? আপনিও ফাজের মতোই নিরীহ লোকেরা যখন অত্যাচারিত হচ্ছে, তাদের হত্যা করা হচ্ছে তখন নিজেদের তৎপরতা দেখাবার জন্য যারা দোষী নয় তাদের জেলে পুরছেন। আর আমাকে দেখিয়ে বলবেন, চুজেন ওয়ানকে নিয়ে এসেছি তোমাদের নিরাপত্তার জন্য!

    তাহলে তুমি, চুজেন ওয়ান নও? স্ক্রিমগৌর বললেন।

    আমি মনে করি এটা কোনো বিষয় নয় আপনি এভাবেই কথাটা বলেছেন, হ্যারি বললো তিক্তভাবে হেসে। অন্ততঃপক্ষে আপনার না।

    কথাটা আমার বলা হয়তো উচিত হয়নি, স্ক্রিমগৌর বললেন সঙ্গে সঙ্গে। ভুল হয়েছে।

    না আপনি সম্পূর্ণ সত্য বলেছেন, হ্যারি বললো। অনেক সত্যের মধ্যে আমাকে অন্যতম সত্য বলেছেন। আমি মরি কি বাঁচি তাতে আপনার কোনো চিন্তা নেই। কিন্তু আমি যদি দৃঢ় প্রত্যয়ে সকলকে জানাই ভোল্ডেমর্টের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য আমি আপনাকে সাহায্য করছি, সেই যুদ্ধে আপনি জিতবেন, আমি যদি ভুল না বলে থাকি এটাই তো আপনার ভাবনা। আমি ভুলে যাইনি মিনিস্টার..

    হ্যারির কথাগুলো শুনে স্ক্রিমগৌর তার ডান হাতের মুঠোটা ওপরে তুললেন। তার মুঠোর পেছনে ধবধবে সাদারঙ ঝকমক করছে, সেখানে ডলোরেস আমব্রিজ তাকে বাধ্য করেছিলেন খোদাই করতে : আমি কখনো মিথ্যা বলবো না।

    আমার মনে পড়ে না যখন আমি বলেছিলাম, ভোল্ডেমর্ট আবার ফিরে আসছে তখন আপনি আমার বক্তব্যের সমর্থনে ছুটে এসেছিলেন কি না। আবার মিনিস্ট্রিও গত বছর এ বিষয়ে কিছুই করেনি।

    ওদের পায়ের তলায় বরফশীতল মাটির মতো, ওরাও তেমনই স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে থাকলেন।

    মেঠো ভূতগুলো শেষ পর্যন্ত মাটি খুঁড়ে কীটগুলো বের করতে পেরেছে, ওরা রডোডেনড্রন গুচ্ছে হেলান দিয়ে পরমানন্দে তাদের রক্ত চুষছে।

    ডাম্বলডোর এখন কি করছেন? স্ক্রিমগৌর একটু উচ্চস্বরেই বললেন হোগার্টসে যখন অনুপস্থিত থাকেন, তখন কোথায় যান তিনি?

    আমার কোনো ধারণা নেই, হ্যারি বললো।

    জানলেও তুমি আমাকে বলবে না জানি, স্ক্রিমগৌর বললেন। বলবে?

    না, হ্যারি বললো।

    ঠিক আছে, দেখা যাক অন্য কোনো উপায়ে জানা যায় কি না।

    চেষ্টা করতে পারেন, হ্যারি গুরুত্ব না দিয়ে বললো। কিন্তু আপনাকে ফাজের চাইতে বেশি বুদ্ধিমান মনে হয়েছিল, ভেবেছিলাম তার ভুল থেকে শিখবেন। উনি হোগার্টসের ওপর খবরদারি শুরু করেছিলেন। দেখতে পাচ্ছেন তো এখন তিনি

    আর মন্ত্রী নন, কিন্তু ডাম্বলডোর এখনো হেডমাস্টার। আমি যদি আপনার স্থানে থাকতাম তাহলে ডাম্বলডোরের কাজে বাধা সৃষ্টি করতাম না।

    আবার অনেকটা সময় দুজনেই নীরব।

    বেশ তাহলে বুঝলাম তিনি তোমার ওপর যথেষ্ট প্রভাব বিস্তার করেছেন, স্ক্রিমগৌর বললেন। তার চশমার কাঁচের পেছনে চোখ দুটো ঠান্ডা, কঠিন হয়ে গেছে। তুমি সর্বান্তকরণে ডাম্বলডোরের, তাই না পটার?

    হ্যাঁ, আমি তাকে শ্রদ্ধা করি, তিনি যা বলেন তাই মানি, তাই করি। আপনাকে কথাটা জানিয়ে নিজেকে অনেক হালকা মনে করছি, হ্যারি বললো।

    কথাটা বলেই মিনিস্টার অফ ম্যাজিকের দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে হ্যারি সোজা বাড়ির দিকে হাঁটতে লাগলো।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ডেথলি হ্যালোস (৭) – জে. কে. রাওলিং
    Next Article হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য অর্ডার অব দ্য ফনিক্স (৫) – জে. কে. রাওলিং

    Related Articles

    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার এন্ড দি ফিলসফারস স্টোন (১) – জে. কে. রাওলিং

    August 18, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য চেম্বার অব সিক্রেটস (২) – জে. কে. রাওলিং

    August 18, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য প্রিজনার অব আজকাবান (৩) – জে. কে. রাওলিং

    August 18, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য গবলেট অব ফায়ার (৪) – জে. কে. রাওলিং

    August 16, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য অর্ডার অব দ্য ফনিক্স (৫) – জে. কে. রাওলিং

    August 16, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ডেথলি হ্যালোস (৭) – জে. কে. রাওলিং

    August 16, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }