Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য হাফ-ব্লাড প্রিন্স (৬) – জে. কে. রাওলিং

    জে. কে. রাওলিং এক পাতা গল্প748 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২৭. দ্য লাইটনিং-স্ট্রাক টাওয়ার

    ২৭. দ্য লাইটনিং-স্ট্রাক টাওয়ার

    নক্ষত্রখচিত মুক্ত আকাশের তলায় এসে একটা শিলাখণ্ডে হ্যারি ডাম্বলডোরকে বসিয়ে দিয়ে তার পা দুটো মাটিতে ঝুলিয়ে দিলো। হ্যারির জামা কাপড় ভিজে জবজব করছে; ঠাণ্ডা হাওয়াতে ও ঠকঠক করে কাঁপতে লাগলো। হ্যারিকে যেমন করেই হোক হগসমিডে পৌঁছতে হবে। ডাম্বলডোরও তাই চান। হ্যারি ডাম্বলডোরকে জড়িয়ে ধরে চোখ বন্ধ করে অ্যাপারেট করলো।

    চোখ খুলে বুঝতে পারলো ও সফল হয়েছে। নোনা গন্ধ, সমুদ্রের হাওয়া আর নেই। একটু পর ও আর ডাম্বলডোর হগসমিডের অন্ধকার হাইস্ট্রিটে পা রাখলো। তখনো ভেজা কাপড়ে, ঠান্ডা হাওয়াতে কেঁপে চলেছে। রাস্তার ধারের দোকানগুলো দেখতে দেখতে হ্যারির মনে হলো তখনো শত শত ভোল্টেমর্টের পিশাচ সৈন্যদল ইনফেরিরা ওর দিকে ধেয়ে আসছে। চোখে পলক ফেলে দেখলো, না, ইনফেরিদের চিহ্ন মাত্র নেই। গভীর অন্ধকার পথ, রাস্তার কয়েকটি মাত্র বাতি, বিভিন্ন বাড়ির বন্ধ জানালার ওপর অংশে আলো দেখা যাচ্ছে। ওপরের জানালা দিয়ে সেই মৃদুমন্দ আলো দোকানের সামনের রাস্তায় পড়েছে।

    আমরা হগসমিডে এসে গেছি প্রফেসর। হ্যারি চাপাক্ষীণ কণ্ঠে বললো। কথা বলতে তখনো ওর কষ্ট হচ্ছে। বুকের বেতরটা ওর শুষ্ক মনে হলো বুকের মাঝখানে যেন সেলাই করা। অনেক কষ্টে বললো, আমরা সফল হয়েছি! হরক্রাকসটা পেয়েছি!

    ৪৭৪

    দ্য লাইটনিং-স্ট্রাক টাওয়ার

    ৪৭৫

    ডাম্বলডোর টলতে টলতে হ্যারির ওপর পড়লেন। হ্যারির মনে হলো ওর অপটু অ্যাপারেসন হয়তো ডাম্বলডোরের শরীর আরো দুর্বল করার ফলে শরীরের নিয়ন্ত্রণ নেই। দূরের রাস্তার বাতিতে অস্পষ্ট আলোয় হ্যারির মনে হলো ডাম্বলডোর আগের চাইতেও বেশি নিস্তেজ। আরো ফ্যাকাশে তার মুখ, চোখ দুটো নিষ্প্রভ, ভেজা ভেজা।

    স্যার আপনার কষ্ট হচ্ছে, ঠিক আছেন তো?

    আগের চেয়ে একটু ভালো আছি, ডাম্বলডোর কোনো রকমে হ্যারির প্রশ্নের জবাব দিলেন। পোশানটা তো আর স্বাস্থ্যকর পানীয় ছিলো না…।

    ডাম্বলডোর এর পর রাস্তায় শুয়ে পড়লে হ্যারি আরো আতঙ্কগ্রস্ত হলো। স্যার, স্যার, আপনি শিঘ্রই সুস্থ হয়ে উঠবেন স্যার, মোটেই চিন্তা করবেন না।

    হ্যারি কারও সাহায্য পাবার জন্য মরিয়া হয়ে কাছে পিঠে ছোটাছুটি করতে লাগলো। ডাম্বলডোরকে যেমন করেই হোক হসপিটালে নিয়ে যেতে হবে, কিন্তু একটা মানুষকেও দেখতে পেলো না।

    আপনাকে ম্যাডাম পমফ্রের কাছে নিয়ে যেতে হবে, যতো তাড়াতাড়ি সম্ভব।

    না, ডাম্বলডোর বললেন। আমার দরকার প্রফেসর স্নেইপকে, কিন্তু আমি তো উঠতে পারছি না, হটি কেমন করে।

    ঠিক আছে স্যার, আপনি কোনো একটা ঘরে বসুন, আপনাকে বসিয়ে আমি দৌড়ে স্কুলে গিয়ে মাদাম পমফ্রেকে ডেকে আনি।

    না, বললাম তো, সেভেরাসকে খবর দাও, আমার ওকে দরকার। বেশ তাই ডেকে আনছি, আপনাকে কিন্তু একা থাকতে হবে।

    হ্যারি যাবার জন্য এগোতে যাবে ঠিক সেই সময় পদশব্দ শুনতে পেলো। হ্যারির বুকটা আনন্দে নেচে উঠলো, তাহলে ওর কথা কেউ শুনতে পেয়েছে, হয়তো বুঝতে পেরেছে ওর সাহায্যের দরকার। এধার ওধার তাকাতেই দেখলো রোজমার্তাকে, অন্ধকার রাস্তা দিয়ে ত্রস্তপদে ওদের দিকে এগিয়ে আসছে। পায়ে পালকের তৈরি হাই হিল স্যান্ডেল; শব্দটা তাহলে স্যান্ডেলের! রোজমাৰ্তার পায়ে ড্রাগনের এমব্রয়ডারি করা সিল্কের ড্রেসিং গাউন।

    ঘরের পর্দাটা সরাবার সময় আপনাদের অ্যাপারেট করে নামতে দেখলাম। ঈশ্বর সকলের মঙ্গল করুণ, ধন্যবাদ মানুষের শুভবুদ্ধিকে, হঠাৎ অ্যাপারেট করে এতো সকালে, এখানে আলবাস?

    রোমার্তা ভারি নিঃশ্বাস ফেলতে ফেলতে ডাম্বলডোরের দিকে তাকালেন।

    উনি খুব অসুস্থ, আঘাত পেয়েছেন, হ্যারি বললো। আমি কি ডাম্বলডোরকে আপনার থ্রি ব্রুমস্টিকে একটু বসিয়ে রাখতে পারি? আমাকে এখুনি স্কুলে গিয়ে কাউকে ডেকে আনতে হবে।

    তুমি তো ওখানে একা যেতে পারবে না হ্যারি! তুমি কি কিছু বুঝতে পারছে –কিছু দেখতে পাচ্ছো না?

    সে কথায় কান না দিয়ে হ্যারি বললো, আপনি যদি স্যারকে তুলে ধরতে একটু সাহয্য করেন, আমরা তাহলে ভেতরে নিয়ে যেতে পারি।

    কি হয়েছে রোজমার্তা? তুমি কি বলছো? ডাম্বলডোর বললেন।

    ডার্ক, ডার্ক মার্ক, আলবাস। রোজমার্তা হোগার্টসের দিকে আঙ্গুল তুললো। ডার্কমার্ক শুনে হ্যারি আতঙ্কে শিউরে উঠলো, ও স্কুলের আকাশের দিকে মুখ তুলে দেখলো।

    ওইতো, স্কুলের ওপর আকাশে জ্বলন্ত সবুজ রঙের মাথার খুলি, খুলির মুখ থেকে বেরিয়ে এসেছে লকলকে সাপের মতো জিভ। ডেথ ইটাররা যেখানেই যায়, হত্যা করে, সেখানেই ওই চিহ্ন ওদের পেছনে পেছনে থাকে।

    কখন ডাকমার্ক এসেছে? ডাম্বলডোর প্রশ্ন করলেন। তিনি হ্যারির কাঁধে রাখা হাতটি ভর দিয়ে ওঠার চেষ্টা করছেন সোজা হয়ে দাঁড়াবার জন্য।

    কয়েক মিনিট হবে, আমি যখন বেড়ালটাকে বাইরে ছেড়ে এসেছিলাম তখন তো দেখতে পাইনি। কিন্তু দোতলায় গিয়ে জানালা খুলতেই…।

    আমাদের আর একটুও দেরি না করে ক্যাসেলে ফিরতে হবে হ্যারি, ডাম্বলডোর বললেন। মুখ দেখে মনে হলো অবস্থাটা নিজের আয়ত্বে আনতে তিনি সক্ষম। রোজমার্তা, আমাদের স্কুলে যাবার জন্য ট্রান্সপোর্ট ঝাড়ু দরকার।

    রোজমার্তা বললো, বারের পেছনে দুটো ঝাড়ু আছে। রোজমার্তার মুখ ভয়ে শুকিয়ে গেছে। নিয়ে আসি আলবাস?

    তুমি থাকো, হ্যারি নিয়ে আসবে। হ্যারি তৎক্ষণাৎ ওর দণ্ডটা তুলে বললো, অ্যাকিও রোজমার্তার ব্রুমস।

    এক সেকেন্ডের মধ্যে ভীষণ এক শব্দে রোজমাৰ্তার পাবের সামনের দরজা খুলে গেলো, দুটো জাদু ঝাড়ু বন বন করে রাস্তায় এসে হ্যারির সামনে থেমে গেলে। হ্যারির কোমর পর্যন্ত লম্বা, মৃদু মৃদু কাঁপতে লাগলো।

    রোজমার্তা, অনুগ্রহ করে মিনিস্ট্রিতে খবরটা পাঠাবে, ডাম্বলডোর একটা ঝাড়ুতে বসতে বসতে বললেন। আমার মনে হয় বিপদের বার্তা এখনো পর্যন্ত হোগার্টসের কেউ পায়নি, হ্যারি চটপট তোমার অদৃশ্য হবার ক্লোক গায়ে চড়িয়ে নাও।

    রোজামার্তা ওর পাবের দিকে ফিরে যাবার সঙ্গে সঙ্গে হ্যারি আর ডাম্বলডোর ঝাড়ুতে বসে মোটর সাইকেলের মতো কিক মেরে আকাশে উড়তে শুরু করলো। হোগার্টস স্কুলের দিকে যেতে যেতে হ্যারি ডাম্বলডোরের দিকে তাকালো। মাঝে মাঝে ডাম্বলডোর হ্যারির খুব কাছ ঘেঁষে উড়তে লাগলেন যদি পড়ে যান সেই ভয়ে। ডাম্বলডোরকে দেখে হ্যারির মনে হলো প্রাণপণে চেষ্টা করছেন যতশিঘ্ন পারেন অক্ষত অবস্থায় হোগার্টসে পৌঁছতে। কিন্তু আকাশে ডার্ক মার্ক দেখে ডাম্বলডোর যেন পুরনো শক্তি ফিরে পেয়েছেন

    কে মুখ নামিয়ে ডার্ক মার্কের দিকে তাকিয়ে উড়তে লাগলেন। দূরন্ত বাতাসে বড় বড় শুভ্র চুল দাড়ি উড়তে লাগলো। তখনো সকাল হয়নি, চতুর্দিক অন্ধকারাচ্ছন্ন। হ্যারি দূর থেকে ঝাড়ুতে বসে ডাকমার্কের খুলির দিকে তাকালো, ভয় তাকে অনেকটা কাবু করে ফেলেছে, ওর নিঃশ্বাস যেন বন্ধ হয়ে আসছে। দেখলো খুলিটা ক্যাসেলের ওপর ঘুরছে, বিষাক্ত সাপের মতো জিভটা খুলি থেকে বেরিয়ে এসেছে।

    জিনি, হারমিওন, রন কী নিরাপদ আছে! ওদের মধ্যে একজনও কী ডাকর্মর্ককে প্রতিরোধ করতে পেরেছে! নেভিল, লুনা, বা ওর ডিএর অন্য সভ্যরা। ওদের যদি কারও কোনো ক্ষতি হয় তাহলে কী ও দায়ী হবে! অন্ধকার আকাশে উড়তে উড়তে নিচে ওরা পরিচিত অলিগলি রাস্তা দেখতে পেল। কানের পাশ দিয়ে হু হু করে ঠান্ডা বাতাস বইছে কু কু কু শব্দ করতে করতে। ঝাড়ুতে বসে ডাম্বলডোর বিড়বিড় করে কিছু বলে চলেছেন। কি বলছেন হ্যারি জানে না। খেলার মাঠের বাউন্ডারি দেয়ালের কাছে এসে গেছে, কাঁপতে লাগলো ডাম্বলডোর যাবার আগে ক্যাসেলের চারধার মন্ত্রমুগ্ধ করে রেখেছিলেন, তা অপসারিত করতে লাগলেন, যাতে কোন বাধা না পেয়ে তীব্র গতিতে যথাস্থানে পৌঁছতে পারেন। ডাকমার্ক তখন অ্যাস্ট্রোনমি টাওয়ারের ঠিক উপরে ঘুরছে। টাওয়ারটা ক্যাসেলের মধ্যে সবচেয়ে উঁচু। তাহলে কি ওখানে কেউ নিহত হয়েছে! ডাম্বলডোর অতিক্রম করলো বাইরের আক্রমণ থেকে প্রতিরোধের জন্য নির্মিত ছিদ্রময় দুর্গ প্রাচীর। হ্যারির দিকে একবার তাকিয়ে নেমে পড়লেন ঝাড়ু থেকে। হ্যারিও নামলো, তারপর চারদিকে তাকালো।

    দুর্গ-প্রাচীরের সমতল স্থান জনশূন্য। ওখান থেকে প্যাচানো সিঁড়ি দিয়ে ওপরে ওঠার যে দরজাটা সেটা বন্ধ। সেখানে কোনো লড়াই, ধ্বস্তাধ্বস্তি বা মৃত্যুর কোন চিহ্ন দেখতে পেলো না।

    কিছু বুঝতে পারছিনে স্যার। অকাশে সবুজ রঙের খুলি, জিভ বার করে বেড়াচ্ছে। এটা কি সত্যি মার্ক? না অন্য কোনো লোক?

    মার্ক থেকে বিচ্ছুরিত হালকা সবুজ আলোর দিকে তাকিয়ে ডাম্বলডোর তার কালো হাতটা বুকে চেপে ধরলেন।

    যাও, সেভেরাসকে ঘুম থেকে তোলো, ডাম্বলডোর ক্ষীণ কণ্ঠে কিন্তু স্পষ্ট করে বললেন। ওকে গিয়ে ঘটনাটি জানাও এবং আমার কাছে নিয়ে এসো। তার বেশি কিছু নয়, কাউকে ঘুণাক্ষরে একটি কথাও বলবে না। ও হ্যাঁ, অদৃশ্য হবার ক্লোকটা খুলবে না। আমি এখানে তোমাদের জন্য বসে রইলাম।

    কিন্তু…।

    হ্যারি, কোনো কিন্তু নয়। মনে আছে তো তোমার প্রতিজ্ঞার কথা? দেরি করবে, যাও!

    হ্যারি সিঁড়ি দিয়ে ওপরে ওঠার জন্য বন্ধ দরজার লোহার হাতলে খোলার জন্য হাত ছোঁয়াতেই ওধার থেকে কিছু পদশব্দ শুনতে পেলো। কেউ যেন দৌড়ে আসছে। ও ডাম্বলডোরের দিকে মুখ ঘুরিয়ে তাকালো। ডাম্বলডোর, হ্যারিকে ইশারায় যেতে মানা করলেন। হ্যারি দরজার কাছ থেকে ফিরে এলো হাতের দণ্ডটা উঁচু করে।

    দরজাটা সশব্দে খুলে একজন বেরিয়ে এসে চিৎকার করে বললো, এক্সপেলিআর্মাস!

    স্পেলের সঙ্গে সঙ্গে হ্যারির শরীর শক্ত ও চলৎশক্তিহীন হয়ে গেল। একটা ভাঙ্গা মূর্তির মতো পেছনের দুর্গের দেয়ালে কাৎ হয়ে পড়লো, না পারছে নড়তে,

    কথা বলতে। হঠাৎ কেন এমন হলো বুঝতে পারলো না হ্যারি, এক্সপেলিআর্মাস তো ফ্রিজিং চার্ম নয়, তবে কেন ওর সর্বাঙ্গ পাথরের মতো হয়ে গেলো?

    তারপর মার্কের আলোতে দেখতে পেলো ডাম্বলডোরের দণ্ড দুর্গের এক কোণে উড়ে যেয়ে পড়লো এবং এখন সে বুঝলো ডাম্বলডোর ওকে সাংঘাতিকভাবে চলৎশক্তিহীন করেছেন। দ্বিতীয় স্পেল যখন করতে গেলেন, তখন তার প্রতিরোধ করার সকল সুযোগ নষ্ট হয়ে গেল।

    হ্যারি দেখলো ডাম্বলডোর নিরস্ত্র হয়ে দুর্গের দেয়ালে পিঠ ঠেকিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছেন। তার মুখে কোনো শঙ্কা বা বেদনা-মর্মপীড়ার ছাপ নেই। ডাম্বলডোরকে যে নিরস্ত্র করেছে তার দিকে তাকিয়ে বললেন, শুভ সন্ধ্যা ড্র্যাকো।

    ম্যালফয় দেখে নিলো সেখানে কোনো তৃতীয় ব্যক্তি আছে কি নেই। (হ্যারি তো অদৃশ্য হবার ক্লোক পরে আছে)। দ্বিতীয় ঝাড়ুর দিকে ওর চোখ পড়ে গেলো।

    এখানে মনে হয় আর কেউ আছে?

    এই প্রশ্ন তো আমিও তোমাকে করতে পারি, তুমি ছাড়া আর কেউ নেই, একা একা সব করছো?

    হ্যারি আকাশ থেকে মার্কের ফেলা সবুজ আলোয় ডাম্বলডোরের দিকে একদৃষ্টিতে তাকিয়ে রয়েছে।

    না, ম্যালফয় বললো। আমি আপনাকে জানাতে এসেছি, আপনার স্কুলে অনেক ডেথইটার ঢুকে পড়েছে। আজকে, আজ রাতে।

    বাঃ বাঃ, ডাম্বলডোর এমনভাবে কথাটা বললেন যেন ড্র্যাকোর হোমওয়ার্ক দেখে খুশি হয়েছেন। চমৎকার, চমৎকার বলতে হবে তুমি বোধহয় ওদের পথ দেখিয়ে স্কুলে নিয়ে এসেছে, তাই না?

    নিশ্চয়ই, ম্যালফয় বললো। ম্যালফয়ও হাঁপাচ্ছে, এবং আপনার নাকের ডগায় কিন্তু কখনো টের পাননি। এখন আমার একটা কাজ বাকি আছে।

    উদ্ভাবনে দারুণ দক্ষ দেখছি, তাহলে …ওরা কোথায়… কোনো সাহায্যকারী ছাড়া তুমি যে একা? তারা আপনার রক্ষীদের সাথে নিচে লড়াই করছে। তারা এসে যাবে… আমি আগেই চলে এসেছি। আমার একটা কাজ করার আছে…

    তা হলে অপেক্ষা না করে কাজটিই করো, মাই ডিয়ার বয়, ডাম্বলডোর বললেন।

    দুজনেই নীরব। হ্যারি বন্দি, অদৃশ্য হবার রোবের ভেতরে চলৎশক্তিহীন দেহ নিয়ে। করার কিছু নেই শুধু ডাম্বলডোর আর ম্যালফয়ের দিকে তাকিয়ে থাকা ছাড়া। অদূরে ডেথইটারদের সঙ্গে সংঘর্ষের শব্দ শুনতে পাচ্ছে। ম্যালফয় কিছু না। করে আলবাস ডাম্বলডোরের দিকে এক পলক তাকালো আর তিনি অবিশ্বাস্যভাবে হাসলেন।

    ড্র্যাকো, ড্র্যাকো তুমি তো খুনি নও।

    আপনি জানবেন কি করে? ম্যালফয় ডাম্বলডোরের কথা শুনেই বললো। বাচ্চা ছেলেমেয়ের মতো কথাটা শোনালো। মার্কের উজ্জ্বল সবুজ আলোটা তার মুখের ওপর পড়তেই হ্যারি দেখতে পেলো।

    আপনি জানেন না, আমার করার ক্ষমতা, ম্যালফয় জোর দিয়ে আরো বললো, আপনি জানেন না আমি কি করেছি না করেছি।

    হ্যাঁ আমি জানি, ডাম্বলডোর শান্তভাবে বললেন। তুমি কেটি বেল আর রোনাল্ড উইসলিকে প্রায় হত্যা করতে বসেছিলে। আমাকে হত্যা করার ছক কষে চলেছে। ক্ষমা করবে ড্র্যাকো কোনোটাতেই তুমি সফল হওনি, খুবই দুর্বল ছিলো সেই আক্রমণগুলো। এক এক সময় আমার মনে হয় সত্যি কি তুমি মনেপ্রাণে হত্যা করতে চেয়েছিলে।

    হ্যাঁ, মনে প্রাণে চেয়েছিলাম! ম্যালফয় জোর দিয়ে বললো। আমি গত এক বছর ধরে হত্যা করার পরিকল্পনা চালিয়ে যাচ্ছি, আজ রাতেও…।

    ক্যাসেলের তলা থেকে হ্যারি বিকট এক চিৎকার শুনতে পেলো। চিৎকার শুনে চকিতে পিছনে ফিরে তাকালো।

    মনে হয় কেউ ভালোভাবেই আক্রমণে বাধা দিচ্ছে, ডাম্বলডোর কথা প্রসঙ্গে কথাটা বললেন। কিন্তু তুমি বলছো, ও হ্যাঁ তুমি ডেথইটারদের আমাদের স্কুলের ভেতরে ঢোকার সুযোগ করে দিতে পেরেছে। আমি ভেবেছিলাম অসম্ভব ব্যাপার, বলতো, কেমন করে অসম্ভবকে সম্ভব করলে?

    কিন্তু ম্যালফয় সে প্রশ্নের জবাব না দিয়ে ক্যাসেলের নিচে ঘটনা শোনার জন্য কান খাড়া করে রইলো। এবং হ্যারির মনে হলো তার মতো ম্যালফয়ও অবশ হয়ে গেছে।

    মনে হয় কাজটা তুমি একাই করতে পারতে, ডাম্বলডোর বললেন। কি হবে যদি আমার রক্ষীরা তোমার সাহায্যকারীদের এখানে আসা ব্যর্থ করে দেয়? তুমি নিশ্চয়ই জানো আমার অর্ডার অফ ফিনিক্সের লোকদের আজকেও এখানে মোতায়েন করা আছে। সে যাই হোক মনে হয় তোমার কোনো সাহায্যের প্রয়োজন নাই, দুর্ভাগ্যবশত আমার হাতে এখন দণ্ডটা নেই, আমি তো তোমার আক্রমণ থেকে নিজেকে বাঁচাতে পারবো না।

    ম্যালফয় কথাটা শুনে শুধু ডাম্বলডোরের প্রশান্ত মুখের পানে তাকিয়ে রইলো।

    ও আচ্ছা, ডাম্বলডোর করুণা মাখা স্বরে বললেন। ম্যালফয় কোনো কথা না বলে নিশ্চলভাবে দাঁড়িয়ে রইলো। কাজটা তুমি একা করতে ভয় পাচ্ছো। ওরা না আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করছে।

    না, আমি ভয় পাচ্ছি না! ম্যালফয় সাহস সঞ্চার করে বললো, তাহলেও, ডাম্বলডোরকে আঘাত করতে এগোতে পারলো না। আপনিই, আপনি ভয় পাচ্ছেন।

    কিন্তু কেন? আমি মনে করি না তুমি আমাকে হত্যা করবে, ড্র্যাকো। মনে রেখো হত্যা করাটা এত সহজ নয়, মোটাবুদ্ধির লোকেরা যা মনে করে, যে পর্যন্ত তোমার বন্ধুরা না আসে আমরা অপেক্ষা করতে পারি। নিশ্চয়ই তোমার কাজটি দীর্ঘদিন থেকেই চলেছে কিন্তু কিভাবে এতসব কাজ করলে?

    ম্যালফয়কে দেখে হ্যারির মনে হলো হয় ভীষণভাবে চিৎকার করবে, নয়তো বমি করে ফেলবে। ও ঢোক গিললো, বড় বড় নিঃশ্বাস ফেললো। ডাম্বলডোরের বুকে সোজা দণ্ডটা ঠেকিয়ে তার দিকে স্থিরদৃষ্টিতে তাকালো। তারপর আর চুপ থাকতে পারলো না, বললো, বহু বছরের পড়ে থাকা ভ্যানিশিং ক্যাবিনেটটা আমাকে সরাতে হয়েছে। গত বছর মন্টেগু ওটা হারিয়ে ফেলেছিলো।

    আহাহা, ডাম্বলডোর সামান্য হাই তুলে চোখ দুটো বন্ধ করলেন। ওটা চালাকি ছিলো, সেখানে এক জোড়া ছিলো, আমি নিয়েছি।

    অন্যটি বোরজিন অ্যান্ড বার্কস-এ আছে, ম্যালফয় বললো। মন্টেগু বলেছিলো ক্যাবিনেটটা কখনো দোকানে থাকে, আবার হোগার্টসেও থাকে। মোন্টেগু একবার আমাকে বলেছিলো একবার সে যখন হোগার্টসে আটকে গিয়েছিলো–কখনো সে স্কুলে কি হচ্ছে শুনতে পেতো আবার কখনো দোকানে কি ঘটছে তাও শুনতে পেতো। যেনো ক্যাবিনেটটা এই দুই স্থানে যাতায়াত করছিলো। তারপর সে অ্যাপারেট করে দোকানে নিয়ে গিয়েছিলো। যদিও সে অ্যাপারেট টেস্টে কখনো উত্তীর্ণ হয়নি। সে প্রায় মরতেই বসেছিলো। আসল ব্যাপারটা বোরজিনও জানে না। আমি জেনেছি ওই ক্যাবিনেটের সাহায্যে হোগার্টসে ঢোকা যায়, যদি সেটাকে মেরামত করে নিতে পারি।

    খুব ভালো, চমৎকার, ডাম্বলডোর খুব আস্তে আস্তে বললেন। তাহলে ডেথইটাররা বোরজিন অ্যান্ড বার্কস থেকে স্কুলে ওই ক্যাবিনেটের সাহায্যে ঢুকতে পেরেছে। চমৎকার প্ল্যান, খুব চতুর প্ল্যান, এখন তুমি বলছো আমার নাকের ডগা দিয়ে সম্ভব হয়েছে।

    হ্যাঁ, ম্যালফয় বললো। মনে হয় ডাম্বলডোরের প্রশংসা শুনে ওর মনে সাহসের সঞ্চার হলো, হ্যাঁ, সেই রকমই বলতে পারেন।

    কিন্তু অনেক সময় তুমি নিশ্চিত ছিলে না ক্যাবিনেটটা ঠিক মতো সরাতে পারবে কি না। তাই তুমি আমাকে অভব্য পথ বেছে নিয়ে আমাকে একটা কার্ড নেকলেস পাঠিয়েছিলে, সেটা অবশ্য অন্যের হাতে পড়েছিলো, তারপরে বিষাক্ত মধু সুরা পাঠিয়েছিলে, ভেবেছিলে যদি আমি সেটা পান করি…।

    হ্যাঁ, তবে নিশ্চয়ই জানতেন না ওই দুষ্কর্মের পাণ্ডাকে। জানতেন? ম্যালফয় জিজ্ঞেস করলো। ডাম্বলডোর একটু কাৎ হয়ে পড়লেন। জীবন শক্তি ওর একটু একটু করে কমতে শুরু করেছে। পায়ে জোর নেই, সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারছেন না। তবু ম্যালফয়ের সঙ্গে কথা বলে চলেছেন। ওদিকে পটার যাদু-বাধন থেকে মুক্ত হওয়ার ব্যর্থ চেষ্টা করছে।

    সত্যি কথা বলতে কি আমি সব জানি; আমি জানি তুমি।

    তাই যদি জানেন তো আমাকে বাধা দেননি কেন? ম্যালফয় অনেকটা কৈফিয়ৎ দাবির সুরে বললো।

    ড্র্যাকো চেষ্টা যে করিনি তা নয়, তবে প্রফেসর স্নেইপ আমার আদেশে তোমাকে সর্বদা চোখে চোখে রাখতেন।

    আপনার আদেশ তিনি প্রতিপালন করেননি, কারণ তিনি আমার মায়ের কাছে। প্রতিজ্ঞা করেছেন।

    হ্যাঁ হ্যাঁ অবশ্যই সে কথা স্নেইপ তোমাকে বলেছে ড্র্যাকো, কিন্তু…।

    স্নেইপ এক ডাবল-এজেন্ট আপনার জানা উচিত ছিলো মূর্ষ বৃদ্ধ। তিনি কোনোদিনই আপনার হয়ে কাজ করেননি, অথচ আপনি ভেবেছেন তিনি আপনার কথা মত কাজ করছেন।

    তোমার কথার সঙ্গে আমি একমত নই; যে কোনও কারণেই হোক প্রফেসর স্নেইপের ওপর আমার বিশ্বাস আছে।

    তাহলে আপনি কোথায় দাঁড়িয়ে আছেন জানেন না! ম্যালফয় ব্যাঙ্গ করে বললো। আপনি বোধহয় জানেন না তিনি আমাকে অনেক সাহায্য করেছেন, অবশ্য এই কাজের সকল গৌরব নিজে একাই নিতে চেয়েছিলেন, নিজেই একা কিছু করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু আপনি চোখ কান খুঁজে বসে ছিলেন। আপনি করেছেনটা কি? নেকলেসটা তো সব কিছু উড়িয়ে দিতে পারতো–রিকোয়ারমেন্ট রুমে বসে বসে কি করেছি ঘুণাক্ষরেও স্নেইপকে জানতে দিইনি; কাল সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখবেন তার আর কিছু করার নেই, কোনদিনই আর ডাকলর্ডের কাছে প্রিয়ভাজন হতে পারবেন না। আমার তুলনায় তিনি একেবারে শূন্য।

    বাঃ খুব সুসংবাদ, ডাম্বলডোর নরম সুরে বললেন। আমরা সকলেই আমাদের কঠিন পরিশ্রমের তারিফ চাই, অবশ্যই, কিন্তু তোমার এই গুণাবলী অর্জনের জন্য বা দুষ্কর্মের সহযোগী অবশ্যই একজন থাকবে। হগসমিডে কেউ একজন ছিলো যে কেটিকে আকস্মিকভাবে বিপদে ফেলেছিলো।

    কথা বলতে বলতে ডাম্বলডোরের দুচোখ বন্ধ হয়ে গেল, মনে হলো ঘুমিয়ে পড়েছেন, ও হ্যাঁ কি বলছিলাম, বলতো কতোদিন ধরে ও ইমপেরিয়স কার্সে ছিলো?

    ম্যালফয় উপহাস করে বললো, তাহলে শেষ পর্যন্ত আসল জায়গায় এসেছেন।

    আবার ক্যাসেলের ভেতর থেকে চিৎকার, আর্তনাদ, আগের চেয়েও বেশি শোনা গেল। ম্যালফয় একটু নার্ভাস হয়ে গেল। ডাম্বলডোর ঘুমকাতর কণ্ঠে বলে। চললেন, তাহলে বেচারি রোজমার্তাকে বাধ্য করা হয়েছিলো তার বাথরুমে ওৎ পেতে নেকলেসটা হোগার্টসের কোনো এক ছেলেমেয়ের হাতে দেবার জন্য, অবশ্য সে যদি একা বাথরুমে ঢোকে, তাই না? তাছাড়া বিষাক্ত মধুর সুরা। সে-ও স্বাভাবিক, রোজমার্তা তোমার হয়ে, ওটা বিষে পরিণত করেছিলো স্লাগহর্নকে পাঠানোর আগে। কি বলো আমার জন্য ক্রিস্টমাসের উপহার হিসেবে ভালোই ছিলো, খুব সুন্দর প্যান, খুবই উৎকৃষ্ট তোমাদের কারসাজি। বেচারি ফিলচ ভাবেওনি রোজমার্তার পাঠানো বোতলটা পরীক্ষা করার কথা, বলো তাই কি না। তা তোমরা রোজমার্তার সঙ্গে কেমন করে যোগাযোগ করেছিলে? আমার ধারণা ছিলো আমাদের স্কুলের বাইরের ও ভেতরের সকল যোগাযোগ পর্যবেক্ষণ করার ভাল ব্যবস্থা আছে।

    যাদু বশীভূত মুদ্রা, ম্যালফয় বললো। বলার সময় ওর হাতে ধরা দণ্ডটা কাঁপতে লাগলো। ওর কাছে ছিল একটা, আমার কাছে ছিল একটা এবং আমি তাকে সংবাদ পাঠাতে পারতাম। আমার ও রোজমার্তার যোগাযোগের ব্যাপারটায় কোনো খুঁত ছিলো না, নিরাপদে সব তথ্য আদান প্রদান করতে পারতাম।

    গোপন তথ্যের আদান প্রদান পদ্ধতি গত বছর থেকেই যা একটা গ্রুপ করতো, যারা নিজেদের বলতো ডাম্বলডোরস আর্মি সে-ই একই পদ্ধতি?

    হ্যারি দেখলো কথা বলতে বলতে ডাম্বলডোর ঠিকভাবে দাঁড়তে পারছেন না, ক্রমাগত সোজা হয়ে দাঁড়াবার চেষ্টা করছেন।

    হ্যাঁ, আইডিয়াটা ওদের কাছ থেকে সংগ্রহ করেছিলাম। আমি প্রথমে আইডিয়াটা পেয়েছি মিডকে পয়জনিং করে এবং মাডব্লাড গ্রেঞ্জারের কাছ থেকে, আমি তার কথা শুনেছিলাম লাইব্রেরিতে। বলছিলো কীভাবে ফিলচ থেকে পোশান লুকানো যায়।

    ডাম্বলডোর, ম্যালফয়কে বাধা দিয়ে বললেন, ভদ্রভাবে কথা বলবে! আমার সামনে তোমাদের ওই নোংরা মাডরাড শব্দটা ব্যবহার করবে না।

    কথাটা শুনে ম্যালফয় কুৎসিতভাবে হেসে উঠলো।

    আপনি এখন মাডব্লাড নিয়ে দুঃখিত কিন্তু আর একটু পরে আপনি তো আমার হাতেই নিহত হবেন।

    হ্যাঁ, জানি, ডাম্বলডোর বললেন। হ্যারি দেখলো ডাম্বলডোর সোজা হয়ে দাঁড়াবার ব্যর্থ প্রয়াস করছেন।

    ড্র্যাকো, আমরা দুজন ছাড়া এখানে আর কেউ নেই, তুমি স্বপ্নেও ভাবোনি আমার প্রতিরোধ করার এখন ক্ষমতা থাকবে না, অনেকটা সময় নষ্ট করেছে, এখনো প্রতিরোধহীন বৃদ্ধ ডাম্বলডোরকে হত্যা করছে না কেন?

    তেঁতো খেলে মুখটা যেমন বিকৃত হয়, ডাম্বলডোরের কথা শুনে ড্র্যাকোর মুখটা তেমনইভাবে বিকৃত হলো।

    আজ রাতেই কেন এই ঘটনা ঘটলো। তুমি খুব সম্ভব জানতে আমি স্কুলের বাইরে যাচ্ছি? প্রশ্নের জবাব ডাম্বলডোর নিজেই দিলেন। অবশ্য রোজমার্তা দেখেছিলো, আমার মনে হয় ও তোমাকে, তোমার সেই মুদ্রার বিনিময়ে…।

    ঠিক ধরেছেন, ম্যালফয় বললো। ও বলেছিল আপনি ড্রিঙ্ক করতে গেছেন, শিঘ্রই স্কুলে ফিরে আসবেন।

    ঠিকই বলছো, আমি ড্রিঙ্ক করেছিলাম, ড্রিঙ্ক করে ফিরেও এসেছি ডাম্বলডোর বিড় বিড় করে বললেন। তা হলে তুমি ওই সময়ের মধ্যে ফাঁদ পেতেছিলে?

    আমরা ঠিক করেছিলাম টাওয়ারের ওপর ডার্ক মার্ককে রাখবো, কারা খুন হয়েছে দেখার জন্যে আপনি যাতে দ্রুত ফিরে আসেন। ম্যালফয় বললো, এবং আমার এই পরিকল্পনায় কাজ হয়েছে।

    ও হ্যাঁ যা বলেছো, ডাম্বলডোর বললেন। আশা করি আমাদের কেউ খুন হয়নি?

    একজন খতম হয়েছে, ম্যালফয় বললো। একজন কথাটা বেশ উচ্চস্বরে ম্যালফয় বললো। আপনাদের একজন, এখানে আসার আগে তার গায়ে পা পড়েছিলো; কিন্তু কে সেই লোকটি তা জানি না। অন্ধকারে তাকে দেখতে পাইনি। আমি এখানে আপনার অপেক্ষায় ছিলাম, আপনার ফিনিক্স দলের লোকেরা নিচে বাধা সৃষ্টি করেছে।

    হ্যাঁ, ওরা ওদের কর্তব্য করেছে, ডাম্বলডোর বললেন। হ্যারির কানে এলো বীভৎস চিৎকার, আর্তনাদ, বিকট শব্দ, শব্দটা টাওয়ারের নিচের তলা থেকে আসছে। সবকিছু কানে এলেও ডাম্বলডোর কোনো রকমে দাঁড়িয়ে রয়েছেন। তারপর স্পাইরাল সিঁড়ি বেয়ে ওঠার দুম-দাম শব্দ শুনতে পেলো। ম্যালফয়ের কথা মনে করতেই বুকটা ধ্বক করে উঠলো। কার মৃত্যু হয়েছে? সেই মৃত ব্যক্তির গায়ে ম্যালয়ের পা লেগে গিয়েছিল।

    সময় খুবই কম তবুও যেকোন কারণেই হোক, ডাম্বলডোর বললেন, তাহলে ড্র্যাকো শোনা যাক তুমি কি করতে চাও।

    কি করতে চাই? ড্র্যাকো ভীষণ জোরে বললো। আপনার সামনে আমার দণ্ড হাতে নিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছি, আমি আপনাকে হত্যা করতে চাই।

    বেশ তো, এই নিয়ে ভনিতা করে কি লাভ। শোনো, তুমি যদি আমাকে হত্যা করতে চাইতে তাহলে নানা আলোচনা করে সময় নষ্ট করতে না। আমাকে নিরস্ত্র করার সাথে সাথেই হত্যা করতে পারতে, এতোটা সময় আমার সঙ্গে নানা আলোচনা করতে না।

    আমার এটাই করার কথা, দ্বিতীয় কোনো পথ নেই, ম্যালফয় বললো। কথা বলার সাথে সাথে ওর মুখটা ডাম্বলডোরের মতোই ফ্যাকাশে হয়ে গেল। আপনাকে যদি হত্যা না করি তাহলে তিনি আমাকে হত্যা করবেন, আমাদের পরিবারের সবাইকে হত্যা করবেন!

    আমি তোমার অবস্থা খুব ভালোভাবেই জানি, ডাম্বলডোর বললেন। যদি জেনেই থাকি, তাহলে আমি কেন তোমার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেইনি তোমার মনে এই প্রশ্ন আসতে পারে। ভোল্ডেমর্ট যদি ঘুনাক্ষরেও জানতো আমি তোমাকে সন্দেহ করি তাহলে আজ বেঁচে থেকে আমার সামনে আসতে পারতে না, ভোল্ডেমর্ট তোমাকে সেই সময় হত্যা করতো।

    ভোল্ডেমর্টের নাম শোনা মাত্র ড্র্যাকো শিউরে উঠলো। ভোমের্টের নাম মুখে আনতে ডাকমার্কের লোকেরা সাহস করে না।

    আমি সব জানি ড্র্যাকো, তোমাকে কি কাজ দেয়া হয়েছে তাও জানি, তোমার ক্ষতি হবে জেনে আমি তোমায় কিছু জানতে দিইনি, ডাম্বলডোর বললেন। কি বলো, এখন তো আমরা খোলাখুলিভাবে কথা বলতে পারি? আমি জানি তুমি এখনো পর্যন্ত কাউকে কোনো আক্রমণ করোনি, হত্যা করোনি, যদিও যাকে তুমি এখন অনিচ্ছাকৃতভাবে হত্যা করতে চাও সে তোমার সামনে নিরস্ত্র হয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে। সে ব্যাপারে আমি তোমাকে সাহায্য করতে পারি ড্র্যাকো।

    না, তা আপনি পারেন না, ম্যালফয় বললো–ওর হাতের দণ্ডটা প্রবলভাবে কাপতে লাগলো। আমাকে কাজটি করতে বলেছেন, আমাকেই করতে হবে। কারও এই কাজটা করার অধিকার নেই, যদি না করি তাহলে তিনি আমাকে হত্যা করবেন। আমার দ্বিতীয় পথ খোলা নেই।

    বেশ তাহলে তুমি আমার ডান ধারে এসো, ড্র্যাকো, আমি তোমাকে তোমার কল্পনার বাইরে সম্পূর্ণ নিরাপদে লুকিয়ে রাখতে পারি, আর কি চাই বলো। আমি তোমার মাকেও অর্ডারের লোক পাঠিয়ে তোমার মতোই তাকে লুকিয়ে রাখতে পারি। তোমার বাবা আজকাবানে নিরাপদে আছে। সময় এলে আমরাও তাকে রক্ষা করবো, ড্র্যাকো আমার ডানধারে এসে দাঁড়াও, আমি জানি তুমি হত্যাকারী নও

    ম্যালফয়, ডাম্বলডোরের মুখের দিকে তাকিয়ে রইলো, তারপর ধীরে ধীরে বললো, ও কথা থাক। অনেকেই ভেবেছিলো এই লড়াইয়ে আমি মারা যাবো, কিন্তু আমি মরিনি, এখন আপনি সম্পূর্ণ আমার ইচ্ছার অধীনে রয়েছেন, আমার হাতে দণ্ড রয়েছে, আমার দয়ার ওপর আপনার জীবন-মরণ নির্ভর করছে।

    তা নয় ড্র্যাকো, ডাম্বলডোর শান্তভাবে বললেন, আমার দয়া তোমার নয়। ম্যালফয় চুপ করে রইলো। ওর মুখটা হা করা, হাতটা তখনো থর থর করে কেঁপে চলেছে।

    কিন্তু হঠাৎ সিঁড়িতে পদশব্দ শোনা গেলো। একজনের নয়, বেশ কয়েকজনের পদশব্দ। তারা তাড়াহুড়ো করে দুর্গ-প্রাচীরের সমতল স্থানের দিকে তীব্র গতিতে ছুটে আসছে। তাদের দেহ কালো রোবসে ঢাকা। ওরা সিঁড়ির মুখের দরজা খুলে সমতল স্থানে এসে দাঁড়ালো। হ্যারি তখনো স্থবির, চোখের পাতা পড়ছে না, শঙ্কিত হয়ে চারজন আগষুকের দিকে তাকিয়ে রইলো। ওর মনে হলো নিচের তলায় সংঘর্ষে ডেথইটাররা জয়লাভ করেছে। একজন মোটাসোটা চেহারার লোক অতি কুৎসিত তার বাঁকা চাহনি হি হি হি শব্দ করে হেসে উঠলো।

    ডাম্বলডোর এখন পরাস্ত! লোকটা বললো। তারপর ও গাট্টা গোট্টা চেহারার একটি মেয়ের দিকে ফিরে তাকালো, মেয়েটিকে দেখে মনে হয় ওর বোন, মেয়েটা সুলাকায় লোকটার কথা শুনে দাঁত বের করে হেসে উঠলো, ডাম্বলডোরের হাতে দণ্ড নেই, ডাম্বলডোরের হাতে দণ্ড নেই, ডাম্বলডোর এখন একা। বাঃ বাঃ ড্র্যাকো তুমি দারুণ কাজ করেছে!

    গুড ইভনিং, এমিকাস, ডাম্বলডোর বললেন ধীর স্থিরভাবে; এমনভাবে বললেন যেন দুজনকে চায়ের আসরে নিমন্ত্রণ করলেন। তুমি দেখছি এলেক্টোকেও সঙ্গে এনেছো, চার্মিং।

    মেয়েটি রাগত চোখে ডাম্বলডোরের মুখের দিকে তাকালো আর চাপা হাসলো।

    মনে করছেন এসব তামাশা আপনাকে মৃত্যু থেকে রক্ষা করবে, মেয়েটি উল্লাস ভরা কণ্ঠে বললো।

    তামাশা? না আমার সামান্য ভব্যতা, ডাম্বলডোর বললেন।

    হ্যারির কাছাকাছি দাঁড়ানো লোকটা বললো, এখনই কাজ শেষ করো, একজন কশ লোক মাথায় তার আধপাকা চুল, ঝাঁটার মতো গোঁফ আর বড় বড় জুলপি, গায়ে ডেথইটারদের কালো রঙের টাইট করে পরা আলখেল্লা, হ্যারি জীবনে ওই রকম ফাঁচ ফ্যাচে গলা শোনেনি। ধুলো, ময়লা, ঘাম মিশিয়ে গা থেকে দারুণ দুর্গন্ধ বেরোচ্ছে। মুখে রক্তের দাগ। ওর লম্বা লম্বা হাতের নখগুলোয় হলদেটে রঙের।

    ফেনরির না? ডাম্বলডোর প্রশ্ন করলেন।

    ফেনরির কর্কশ কণ্ঠে বললো, ঠিক ধরেছেন। ও হাসতেই ওর ধারালো দাঁতগুলো বেরিয়ে এলো, দাঁত থেকে রক্ত বেরিয়ে ওর থুতনিতে পড়লো। ও জিভ দিয়ে গড়িয়ে পড়া রক্ত চুষে নিলো।

    আপনি তো জানেন বাচ্চা ছেলে-মেয়েদের রক্তপান করতে আমি কতো ভালোবাসি, ডাম্বলডোর?

    তাহলে তুমি পূর্ণিমা ছাড়াও মানুষদের আক্রমণ করছো? খুবই অস্বাভাবিক, আমি জানি মাসে একবার তুমি মানুষের মাংস খেতে ভালোবাসো, তাহলে…?

    ঠিক বলেছেন, গ্রেব্যাক বললো। এর জন্য আপনি চমকে উঠছেন ডাম্বলডোর? ভয় পাচ্ছেন?

    অবশ্যই তুমি মনে করতে পারো, আমি একটুও যে বিরক্তি বোধ করছি না, তা নয়, ডাম্বলডোর বললেন। তবে ড্র্যাকো তোমাকে নিয়ে এসেছে তার জন্য আশ্চর্য হচ্ছি বৈকি।

    ম্যালফয় বললো, আমি গ্রেব্যাককে এখানে ডাকিনি। ম্যালফয় গ্রেব্যাকের দিকে একবারও না তাকিয়ে সরাসরি বললো। আমি জানতাম না যে এই সময়ে ও এখানে আসতে পারে।

    আমি হোগার্টসে আসার লোভ সম্বরণ করতে পারিনি, ডাম্বলডোর, গ্রেব্যাকও কর্কশভাবে বললো। আমার আজ খুব আনন্দ হচ্ছে, গলার নলি কেটে রক্তপান, আহাহা, কতো মধুর, কতো সুন্দর, সুস্বাদু। কথাটা বলে গ্রেব্যাক ওর হলুদবর্ণের তীক্ষ্ণ নখওয়ালা হাততুলে ধারালো দাঁতগুলো বার করে ডাম্বলডোরের দিকে এগিয়ে এলো।

    আবার ও কর্কশভাবে হেসে উঠলো।

    না, তুমি কিছু করতে পারবে না, চতুর্থ ডেথইটার বাধা দিলো। ওর মুখটা অসম্ভব হিংস্র, আমাদের কাছে আদেশ আছে, একমাত্র ব্র্যাকে হত্যা করবে। ড্র্যাকো তুমি দেরি করছো কেন, এখনই ওকে হত্যা করো।

    ম্যালফয় কথাটা শুনে কঠিন দৃষ্টিতে ডাম্বলডোরের বিবর্ণ, ফ্যাকাশে মুখের দিকে তাকালো। ডাম্বলডোর একটু একটু করে দেহের সমস্ত শক্তি হারিয়ে প্রায় মাটিতে পড়ে গেছেন। দুর্গের দেয়ালে আর তার পিঠ ঠেকানো নেই।

    মোটাসোটা বাঁকা চোখের ডেথইটার ওর বোনের দিকে তাকিয়ে বললো, ওর দিকে তাকিয়ে দেখো, তোমার কি হয়েছে, ডাম্বি?

    আমার দেহে আর কোনো শক্তি নেই, দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে গেছে অ্যামিকাস, ডাম্বলডোর যেন বহুদূর থেকে কথাগুলো বললেন। বৃদ্ধ হয়েছি, একদিন তো এই সুন্দর পৃথিবী ছেড়ে চলে যেতে হবে, তোমাকে, আমাকে আরো অনেককে।

    তার মানে কী, তাহলে তার মানে কী? ডেথইটার সহসা হিংস্র হয়ে বললো। ডাষি সকলের ক্ষেত্রে সমান নয়, আমরা মরবো না। তুমি অযথা কথা বলে চলেছো, কিছুই করছে না। আশ্চর্য, ডার্কলর্ড কেন এখনো তোমাকে বাঁচিয়ে রেখেছেন, ড্র্যাকো তুমি আদেশ পালন করো, এক মুহূর্ত, আর দেরি করবে না।

    ঠিক সেই মুহূর্তে টাওয়ারের তলা থেকে ধ্বস্তাধ্বস্তি, চেঁচামেচি, আর্তনাদের শব্দ শোনা গেল। একজন বিকট স্বরে বললো, ওরা সিঁড়ি ঘেরাও করে রেখেছে, রিডাক্টো রিডাক্টো!

    স্পেলটা শোনামাত্র হ্যারির বুকটা দুর দুর করে উঠলো। তাহলে এই চারজন ডেথইটার অর্ডারের লোকদের প্রতিরোধ পর্যদুস্ত করতে না পেরে পাইরেল সিঁড়ি দিয়ে এই সমতল স্থানে চলে এসেছে। উপায় না দেখে সিঁড়ির মুখে ব্যারিকেড সৃষ্টি করছে।

    হিংস্র মুখের ডেথইটার রাগে ফেটে পড়ে বললো, ড্র্যাকো আর দেরি করবে, শেষ করে দাও।

    ম্যালফয়ের হাত তখনো কাঁপছে, কাঁপছে ভীষণভাবে, হাতের দণ্ডটা ধরে রাখতে পারছে না।

    বেশ আমি তাহলে হত্যা করছি, গ্রেব্যাক বিশ্রিভাবে খনখনিয়ে হেসে বললো। দুহাত বাড়িয়ে ধারালো রক্তমাখা দাঁতগুলো বার করে ডাম্বলডোরের আরো কাছে এগিয়ে এলো।

    আমি বলছি তুমি থামো গ্রেব্যাক, হিংস্রমুখের লোকটা চিৎকার করে বললো। তারপরই আলো ঝলসে উঠতেই গ্রেব্যাক পিছু হটে গেলো, তারপরই ঘুরতে ঘুরতে ছিটকে পড়লো দুর্গের দেয়ালে। ওর মুখটা আরো বিভৎস হয়ে গেলো।

    হ্যারির বুকের ভেতর কে যেনো হাতুড়ি পেটাতে লাগলো। বুকের শব্দ এতো বেশি যে কেউ ধারে কাছে এলে শুনতে পাবে। ডাম্বলডোরের স্পেলে বন্দি হয়ে যেখানে দাঁড়িয়েছিলো সেখানেই স্থানুর মতো এখনো দাঁড়িয়ে আছে হ্যারি। অদৃশ্য হবার ক্লোক থেকে কার্সও করতে পারছে না।

    সেই দাঁত বার করা মেয়েটি বিশ্রিভাবে বললো, ড্র্যাকো হয় তুমি সরে দাঁড়াও, তা না হলে এখনই লর্ডের আদেশ মতো ডাম্বলডোরকে হত্যা করো। ঠিক সেই সময়ে দুর্গের সমতল স্থানের দরজা ভেঙ্গে পড়লো, সকলেই দেখলো স্নেইপ দাঁড়িয়ে রয়েছেন। হাতের দণ্ডটা তোলা। স্নেইপ তার কালো বরফশীতল চোখে ওদের দিকে তাকালেন।

    আমাদের কিছু সমস্যা দেখা দিয়েছে স্নেইপ, এমিকাস বললো।

    স্নেইপের মতো ওর তীক্ষ্ণ দৃষ্টি আর হাতে উদ্যত দণ্ড। এই ছেলেটা পারছে, ওর হাত কাঁপছে।

    কে যেনো স্বপ্নালু স্বরে বলে উঠলো, সেভেরাস।

    সেই অদ্ভুত স্বর হ্যারিকে আরো ভয় পাইয়ে দিলো। এই প্রথম ডাম্বলডোরকে অনুনয় করতে শুনলো।

    স্নেইপ ডাম্বলডোরের কথায় কর্ণপাত না করে সামান্য এগিয়ে এসে এক ধাক্কায় ম্যালফয়কে সরিয়ে দিলেন। তিনজন ডেথইটার একটি শব্দ উচ্চারণ না করে পেছনে সরে দাঁড়ালো। এমন কি ওয়েরউলফও ভয়ে জড়সড় হয়ে গেলেন।

    স্নেইপ ডাম্বলডোরের দিকে তীব্র দৃষ্টিতে তাকালেন, ওর চোখে মুখে ঘৃণা আর কর্কশ কুঞ্চিত রেখা ফুটে উঠলো।

    সেভেরাস… অনুগ্রহ করে…।

    স্নেইপ হাতের জাদুদণ্ড তুলে ডাম্বলডোরের বুকে ঠেকিয়ে বললেন, আভাদা ডোভ্রা।

    স্নেইপের দণ্ডের মুখ থেকে স্রোতের মতো সবুজ আলো বেরিয়ে এসে ডাম্বলডোরের বুকে লাগলো। হ্যারির ভয়ার্ত চিৎকার তার মুখ দিয়ে বের হলো না। নিশ্ৰুপ ও নড়াচড়াহীন। ও দেখলো ডাম্বলডোরের শীর্ণদেহ সোঁ শব্দে শূন্যে উড়ে গেল। সেকেন্ডেরও কম সময়ের জন্য তার উজ্জ্বল টুপির নিচে ঝুলে থাকলেন, এবং বিরাট কম্বলের পুতুলের মতো পেছনে সরলেন, দুর্গের গুলি ছোঁড়ার খাজের ওপর দিয়ে অদৃশ্য হয়ে গেলেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ডেথলি হ্যালোস (৭) – জে. কে. রাওলিং
    Next Article হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য অর্ডার অব দ্য ফনিক্স (৫) – জে. কে. রাওলিং

    Related Articles

    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার এন্ড দি ফিলসফারস স্টোন (১) – জে. কে. রাওলিং

    August 18, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য চেম্বার অব সিক্রেটস (২) – জে. কে. রাওলিং

    August 18, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য প্রিজনার অব আজকাবান (৩) – জে. কে. রাওলিং

    August 18, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য গবলেট অব ফায়ার (৪) – জে. কে. রাওলিং

    August 16, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য অর্ডার অব দ্য ফনিক্স (৫) – জে. কে. রাওলিং

    August 16, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ডেথলি হ্যালোস (৭) – জে. কে. রাওলিং

    August 16, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }