Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য হাফ-ব্লাড প্রিন্স (৬) – জে. কে. রাওলিং

    জে. কে. রাওলিং এক পাতা গল্প748 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৫. অ্যান একসেস অব ফ্লেম

    ০৫. অ্যান একসেস অব ফ্লেম

    হ্যারি, ডাম্বলডোরের সঙ্গে ব্যারোর পেছনের দরজার সামনে দাঁড়ালো। জায়গাটা খুবই অপরিষ্কার, এধারে ওধারে অনেক ফেলে দেয়া পুরনো জিনিস, পুরনো ওয়েলিংটন বুটস, মরচে ধরা কলড্রন। হ্যারি শুনতে পাচ্ছে অদূরে মুরগি রাখার খাচা থেকে ভেসে আসা মুরগির ছানার ডাক, ভোর হয়েছে, ওরা বেরোতে চাইছে। ডাম্বলডোর দরজায় তিনটে টোকা দিলেন। হ্যারি কিচেনের জানালা দিয়ে চলাচলের আওয়াজ শুনতে পেলো।

    কে ওখানে? এক মহিলার ঘাবড়ে যাওয়া কণ্ঠস্বর। হ্যারি বুঝতে পারলো প্রশ্নটা করছেন মিসেস উইসলি। আপনি কে?

    আমি, ডাম্বলডোর… হ্যারিকে নিয়ে এসেছি।

    বন্ধ দরজা তৎক্ষণাৎ খুলে গেল। খোলা দরজার মুখে দাঁড়ালেন মিসেস উইসলি। বেঁটে গোলগাল মোটাসোটা চেহারা। পরনে সবুজ রঙের পুরনো এক ড্রেসিং গাউন।

    ওহো হ্যারি, কি আনন্দ! আলবাস, আমি তো ভয়ই পেয়ে গিয়েছিলাম। আপনি তো বলেছিলেন সকালের দিকে আসবেন।

    আমাদের ভাগ্য খুবই সুপ্রসন্ন, ডাম্বলডোর বললেন, হাতছানি দিয়ে ব্যারিকে ডাকলেন। স্লাগহর্নকে খুব একটা বেশি বোঝাতে-সোঝাতে হয়নি, প্রথমে ভেবেছিলাম রাজি হবে না, হয়ে গেল শেষ পর্যন্ত। হ্যারি কিন্তু এ ব্যাপারে আমাদের সাহায্য করেছে। আরে নীমফাডোরা তুমি

    হ্যারি কিচেনের ভেতরে তাকালো, দেখলো কিচেনে মিসেস উইসলি ছাড়া আরো একটি মেয়ে। একজন তরুণী ডাইনি। বিষণ্ণ ফ্যাকাশে মুখ। ধূসর বর্ণের মাথার চুল। মেয়েটি একটা বড়সড় মগ দুহাতে চেপে টেবিলের সামনে মুখ নামিয়ে বসে রয়েছে।

    হ্যালো প্রফেসর, মেয়েটি বললো। হ্যারি!

    কেমন আছো টোংকস? হ্যারির ওকে মনে হলো ও খুব সংকুচিত ও অসুস্থ হাসতে হবে বলেই হাসলো। চোখে মুখে উজ্জ্বলতা নেই, ওর চুলের রঙ বাবলগাম পিংক নয়।

    ও ক্লোকটা কাঁধের কাছ থেকে টানতে টানতে মিসেস উইসলিকে বললো, আমি চলি তাহলে, মর্নিং টি আর সহানুভূতির জন্য ধন্যবাদ মলি।

    যাচ্ছ কেন, আমি এসেছি বলে তোমাকে যেতে হবে না, ডাম্বলডোর ভাবে বললেন। আমি বেশি সময় থাকবো না, কিছু জরুরি আলোচনা করতে ক্রিমগৌরের কাছে যেতে হবে এক্ষুণি।

    টোংকস ডাম্বলডোরের মুখের দিকে না তাকিয়ে বললো, না না আমাকেও এখন যেতে হবে। শুভ রাত্রি।

    শোনো এই শনিবার আমাদের সঙ্গে রাতে খেতে আসবে কিন্তু। রেমাস আর ম্যাড-আইও আসবেন।

    না, বিশ্বাস করো মলি, আমার আসা সম্ভব হবে না। শুভরাত্রি আপনাদের।

    হ্যারি ও ডাম্বলডোরের দিকে একবারও দৃষ্টি না দিয়ে টোংকস উঠোনের দিকের দরজাটা খুলে চলে গেলো। তারপরই সকলের দিকে ফিরে ক্ষণিক তাকিয়ে হাওয়াতে অদৃশ্য হয়ে গেল। হ্যারি লক্ষ্য করলো মিসেস উইসলি চিন্তিত।

    ডাম্বলডোর হ্যারিকে বললেন, তাহলে হ্যারি, তোমার সঙ্গে হোগার্টসে দেখা হবে। মলি শরীরের যত্ন নেবে, সাবধানে থাকবে।

    ডাম্বলডোর বাইরে যাবার আগে মিসেস উইসলিকে বিদায় জানিয়ে ঠিক যেখানে টোংকস অদৃশ্য হয়েছিলো, সেখানে দাঁড়ালেন। তারপরই টোংকসের মতো হাওয়াতে অদৃশ্য হয়ে গেলেন।

    মিসেস উইসলি বাড়ির উঠোনোর দিকের রান্নাঘরের দরজাটা বন্ধ করে দিয়ে টেবিল রাখার বাতির আলোয় হ্যারিকে খুঁটিয়ে দেখতে লাগলেন।

    তুমি আর রন দেখি একই রকম লম্বা হয়েছে, মিসেস উইসলি বললেন। দেখে মনে হয় এই মাত্র তোমাদের ওপর স্ট্রেচিং জিনস করা হয়েছে (লম্বা হওয়ার যন্ত্র)। গতবার রনের জন্য যে স্কুল রোবসটা কিনেছিলাম সেটা এবার আর ওর গায়ে হচ্ছে না। সে আরো ইঞ্চি দুই লম্বা হয়েছে। যাক সেটা, তোমার কি ক্ষিধে পেয়েছে হ্যারি?

    দারুণ ক্ষিধে পেয়েছে, কথাটা শুনে ক্ষিধে পাওয়াটা হঠাৎ যেন সে উপলব্ধি করলো।

    হ্যারি টেবিলের সামনে চেয়ারে বসামাত্র একটা লোমশ বেড়াল ওর কোলের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে মিউ মিউ করে ডাকতে লাগলো।

    হ্যারি কুকশ্যাংকসের গলা চুলকাতে চুলকাতে বললো, তাহলে হারমিওন এখানে আছে?

    ও হ্যাঁ, হারমিওন গতপরশু এসেছে, মিসেস উইসলি বললেন। মিসেস উইসলি বড় একটা কড়াই হাতে নিয়ে ম্যাজিক দণ্ড ছোঁয়াতেই স্টোভের ওপর শব্দ করে চেপে বসলো। কড়াই-এর খাবার টগবগ করে ফুটতে লাগলো। ওরা সকলেই অঘোরে ঘুমচ্ছে মনে হয়। তুমি এই সময়ে হঠাৎ এসে পড়বে কেউ জানে না। ভালই হলো তুমি এসে গেছে।

    আবার তিনি স্টোভে বসানো কড়াইটাতে দণ্ডটা ছোঁয়াতেই হ্যারির দিকে ভেসে ভেসে এসে টেবিলের ওপর পড়লো। হ্যারি দেখলো কড়াই ভর্তি গরম স্টু। স্টু থেকে মিষ্টি গন্ধ আর বাষ্প বেরোচ্ছে।

    মিসেস উইসলি হাত নাড়তেই পাউরুটি আর একটা ছুরি হ্যারির টেবিলে প্লেটের ওপর পড়লো। হ্যারি কয়েক পিস রুটি নেবার সঙ্গে সঙ্গে স্টু ও রুটি উধাও হয়ে গেল।

    হ্যারি খুব ধীরে ধীরে গরম স্টু খেতে লাগলো। মিসেস উইসলি ওর পাশে একটা চেয়ার টেনে এনে বসলেন।

    তুমি তাহলে হোরেস স্লাগহর্নকে তোমাদের স্কুলে আবার ফিরে যেতে রাজি করিয়েছো?

    হ্যারির মুখ ভর্তি স্যুপ আর রুটি। কথা বলতে পারছে না। শুধু ঘাড় নাড়লো।

    মিসেস উইসলি বললেন, উনি আর্থার আর আমাকেও পড়িয়েছেন। বহুবছর হোগার্টসে পড়িয়েছেন। বলতে পারো, ডাম্বলডোরের সমসাময়িক। কেমন মনে হলো তাকে?

    তখনও হ্যারির মুখ রুটি আর স্যুপে ভর্তি। হ্যাঁ বা না বলার সুযোগ নেই। শুধু ঘাড় নাড়লো। ভাল লেগেছে না মন্দ লেগেছে তার মুখ দেখে বোঝা গেল না।

    মিসেস উইসলি হ্যারির মুখের দিকে তাকিয়ে বললেন, আমি বুঝতে পেরেছি তুমি কি বলতে চাও। স্লাগহর্ন খুবই চালাক লোক। প্রয়োজনে ভালো হন আবার মন্দ মানুষও হন। আর্থার ওকে মোটেই পছন্দ করতো না।

    মিনিস্ট্রি এখন তার পুরনো ছাত্রছাত্রীতে ভরা। তিনি অনেককেই সাহায্য করেছেন, কিন্তু আর্থারকে কিছু করেননি। যেন ওকে কিছু করার সময়-সুযোগ পাননি। আর্থারকে উনি কোন সময়ে উঁচু মাপের মনে করেননি। স্লাগহর্ন সব সময়ে সঠিক ছিলেন তা নয়। অনেক ভুলও করেছেন। আমি জানি না রন তোমাকে তার কোনো চিঠির কথা বলেছে কি না, যাকগে সে কথা, আর্থার প্রমোশন পেয়েছে।

    মিসেস উইসলি আসলে কি বলতে চাইলেন হ্যারি বুঝতে পারলো না। হ্যারি অনেকখানি স্যুপ গিললো।

    মিসেস উইসলি বললেন, সত্যি তুমি খুউব ভালো ছেলে। হ্যারির চোখে জল দেখে মিসেস উইসলি হয়তো মনে করেছেন, আর্থারের প্রমোশনের খবর শুনে আনন্দে তার চোখে জল এসেছে। তিনিও আনন্দের আতিশয্যে বলতে লাগলেন নানা রকমের উৎপাত ও গোলযোগের কথা নিশ্চয় তুমি কিছু শুনেছো। সেগুলো কঠোরভাবে বন্ধ করার জন্য স্ক্রিমগৌর অনেকগুলো দপ্তর খুলেছেন। আর্থার তার মধ্যে একটা বড় অফিসের হেড হয়েছে, ডিটেকসন অ্যান্ড কনফিসকেসন অফ কাউন্টারফিট ডিফেন্স স্পেলস অ্যান্ড প্রোটেকটিভ অবজেক্টস। খুব দায়িত্বপূর্ণ কাজ, ওর অধীনে খবরাখবর দেবার জন্য দশজন কাজ করে।

    কী কাজ করতে হয়?

    তুমি তো ভালো করেই জানো, ইউ-নো-হু ফিরে এসেছেন, খবরটা প্রচারিত হবার সঙ্গে সঙ্গে চারদিকে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে, আর সেই আতঙ্কের সুযোগ নিচ্ছে কিছু অসৎ লোক। ইউ-নো-হু আর রক্ত চোষাদের হাত থেকে বাঁচার জন্য বাজারে নানা রকম তথাকথিত প্রোটেকটিভ পোশান বিক্রি হয় এখন। তুমি শুনলে শিউরে উঠবে, পোশানগুলো বিষাক্ত গাছ-গাছড়া থেকে তৈরি, আর আতঙ্কগ্রস্ত লোকেরা প্রাণ বাঁচানোর জন্য সেগুলো কিনছে। বলছে প্রোটেকটিভ পোশান আসলে বাবটিউবারের পূজ থেকে বানানো মারাত্মক থকথকে বিষাক্ত পোশান! এইসব মারাত্মক পোশান বানাচ্ছে মুন্ডানগাস ফ্লেচারের মতো অসৎ ও অকর্মন্য লোকের দল। মানুষের ভয় আর দুর্বলতার সুযোগ নিচ্ছে তারা, নিরীহ মানুষদের মধ্যে আতঙ্কের সৃষ্টি করেছে। বলছে, শিঘ্রই কিছু একটা ঘটবে আবার দেখো, এই তো সেদিন আর্থার বাজার থেকে এক বাক্স কার্স সিকো স্কোপেস বাজেয়াপ্ত। করেছে। সেগুলো নিশ্চয়ই রক্তচোষারা রেখেছিল। এখন তুমি সহজেই বুঝতে পারছো, বিপদ দুই দিক থেকেই–একদিকে অসৎ লোকজন ও অপরদিকে নৃশংস রক্তচোষারা, এই দুয়ের হাত থেকে নিরীহ লোকদের বাঁচাতে আর্থারকে দারুণ পরিশ্রম করতে হচ্ছে। ওকে খুবই দায়িত্ব নিয়ে কাজ করতে হচ্ছে। এখন বাজারে আজেবাজে স্পার্ক-প্লগ বা টোস্টারের মত নিত্যব্যবহারের জিনিস বাজেয়াপ্ত করার দরকার নেই, আমি আর্থারকে বলেছি। মাগলদের সঙ্গে বিরোধ নয়, বলে মিসেস উইসলি এমন দৃষ্টিতে হ্যারির দিকে তাকালেন যেন হ্যারি ওই সকল জিনিস বাজেয়াপ্ত করার পক্ষে।

    হ্যারি বললো, মি. উইসলি এখনও কি কাজে ব্যস্ত।

    তাইতো ভাবছি। ওর আগেই তো ফেরার কথা বলেছিল মধ্যরাতে ফিরবে, এখন যে কোনো সময়ে এসে পড়তে পারে।

    তখনও ভোর হতে অনেক দেরি। মিসেস উইসলি দেয়ালে টাঙ্গানো একটা বড় দেয়াল ঘড়ির দিকে তাকালেন। হ্যারি দেখলো, ঘড়িটায় রয়েছে নটি কাটা। প্রতিটি কাটাতে পরিবারের সদস্যদের নাম লেখা। ও আগে ঘড়িটা মি. উইসলির বসবার ঘরে দেখেছিল। ঘড়ির একটা কাঁটা নির্দেশ দিচ্ছে মিসেস উইসলি ঘড়িটা বসার ঘর থেকে নিয়ে সারা বাড়িতে হাতে করে নিয়ে ঘুরছেন। বাকি কাঁটাগুলো একযোগে জানাচ্ছে, মর্টাল পেরিল।

    মিসেস উইসলি ঘড়িটা দেখে বললেন, যখন থেকে শোনা গেছে ইউ-নো-হু ফিরে এসেছে, তখন থেকেই এটা মর্টাল পেরিলে রয়েছে। আমি অবশ্য মনে করি না যে আমাদের পরিবারের সকলেই শুধু মর্টাল পেরিলে রয়েছে, দেশের সকলের একই অবস্থা! অন্য কারও কাছে এই ধরনের ঘড়ি আছে কি না, আমি জানি না, তাই দেখার সুযোগ নেই।

    কথাটা শেষ করার সঙ্গে সঙ্গে মিসেস উইসলি বললেন ঘড়ির দিকে তাকিয়ে, এই তো কাটা নির্দেশ করছে উইসলি বাড়ি ফিরছেন এখন রাস্তায় রয়েছেন।

    উনি আসছেন! একটু পরই শোনা গেল পেছনের দরজায় নক করার শব্দ!

    মিসেস উইসলি দরজার কাছে গিয়ে কাঠের কপাটে কান চেপে বললেন খুবই আস্তে আস্তে, কে? আর্থার তুমি এসেছো?

    হ্যারি শুনতে পেল মি. উইসলির পরিশ্রান্ত কণ্ঠস্বর, হ্যাঁ আমি। শোনো আমি বললেও কে এসেছে সঠিক কি-না জানার জন্য প্রশ্ন করে চিনে নেবে। ডেথইটাররাও এই একই উত্তর দিতে পারে। আমাকে ভিন্ন কিছু প্রশ্ন করবে, উত্তর শুনে বুঝবে আমি কি-না।

    অবশ্যই করবো। মলি! প্রশ্ন করো আমাকে, দরজার বাইরে থেকে মি. উইসলি বললেন। আচ্ছা আচ্ছা খুব হয়েছে, বলতো তোমার সবচেয়ে প্রিয় ইচ্ছে কী? কেমন করে এ্যারোপ্লেন ওড়ে তা জানা। মিসেস উইসলি হাসতে হাসতে দরজাটা খুলতে চেষ্টা করলেন কিন্তু পারলেন। বাইরে থেকে মিস্টার উইসলি নবটা শক্ত করে ধরে রেখেছেন যাতে দরজাটা ঝট করে খোলা না যায়।

    মলি আমি এখন তোমায় প্রশ্ন করি? আর্থার বাইরে থেকে বললেন। আর্থার এখন রঙ্গ করো না, ভেতরে এসো।

    বলো তো, ঘরে যখন আমরা দুজনে একলা থাকি তখন কি নামে তোমাকে ডাকি ডিয়ার?

    ঘরের মৃদু আলোতে হ্যারি দেখলো আর্থার উইসলির কথা শুনে মিসেস উইসলির গালটা বেশি লাল হয়ে উঠলো। বুঝতে পারলো মিসেস উইসলি দারুণ লজ্জায় পড়েছেন। হ্যারির কানের কাছটা গরম হয়ে উঠলো। ও মুখ নামিয়ে বেশ শব্দ করে স্যুপ খেতে লাগল।

    মিসেস উইসলি দরজার সামান্য ফাঁকে মুখ রেখে ফিস ফিস করে বললেন, মলিউবলস!

    ঠিক বলেছো, মিস্টার উইসলি বললেন। এবার আমাকে ভেতরে আসতে দাও ডিয়ার।

    মিসেস উইসলি দরজাটা খুলে স্বামীকে দেখলেন, মিস্টার উইসলি সেজেছেন রোগা পটকা, পাতলা লাল চুলের এক জাদুকর। চোখে মোষের সিং-এর ফ্রেমের চশমা, গায়ে লম্বা ট্রাভেলিং ক্লোক।

    মিসেস উইসলি বললেন, বুঝতে পারছি না প্রতিদিন বাড়ি ফেরার সময় তুমি কেন নতুন নতুনভাবে সেজে আসো, তুমি কি ডেথইটারদের ভয়ে এরকম সাজ করো।

    ঠিক রক্তচোষাদের জন্য নয়, ব্যবস্থাটা মিনিস্ট্রির। আমাকে সেটা মানতে হবে। বাঃ সুন্দর ঘ্রাণ পাচ্ছি? নিশ্চয়ই অনিয়ন স্যুপ বানিয়েছো? কথাটা বলে মিস্টার উইসলি টেবিলের কাছে রাখা একটা চেয়ারে বসলেন।

    হ্যারি তুমি কখন এলে? তোমার তো সকালে আসার কথা!

    মিস্টার উইসলি কথাটা বলে হ্যারির পাশে বসলেন। হ্যারি হাত বাড়িয়ে দিলে করমর্দন করলেন উইসলি। মিসেস উইসলি বাটি ভর্তি গরম গরম স্যুপ মিস্টার উইসলির সামনে রাখলেন।

    ধন্যবাদ মলি। সত্যি আজকের রাতটা বড় বেশি বিরক্তিকর হয়েছে। কয়েকটা ইডিয়টস মেটামরফ মেডেলস বিক্রি করার চেষ্টা করছিলো। বলছিলো, আপনাদের গলায় এই মেডেলটা ঝুলিয়ে রাখলে আপনার চেহারা পাল্টে যাবে, যেমন চাইবেন তেমনি। একশ হাজার ছদ্মবেশ করা যায় মেডেলটা পরে, মাত্র দশ গ্যালিয়ন্স এর মূল্য!

    ওগুলো গলায় পরার পর কি হলো?

    কারও গায়ের রং বদলে গেল, অনেকটা কমলা রঙের মতো, দুএকজনের সারা গায়ে গোটা গোটা আঁচিলে ভর্তি হয়ে গেল। সেন্ট মাংগোস হাসপাতাল তাদের কোন চিকিৎসা করতে পারেনি, ছেড়ে দিয়েছে।

    মিসেস উইসলি বললেন, আমাদের ফ্রেড, জর্জ ওই সব কাণ্ডকারখানার সঙ্গে জড়িয়ে পড়েনি তো? ঠিক জানো তো?

    আরে না না, ওরা এখন ওই সবের মধ্যে জড়াবে না। লোকেরা এখন আত্মরক্ষার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে।

    মেটামরফ-মেডেলস এর জন্য তোমার বাড়ি ফিরতে দেরি হলো?

    না না তার জন্য নয়, এলিফ্যান্ট অ্যান্ড কেমলে বিশ্রী একটা উৎপাত হয়েছিলো। আমাকে অবশ্য সেখানে যেতে হয়নি। ভাগ্যবশত ম্যাজিকেল ল এনফোর্সমেন্ট স্কোয়াড তার আগেই ব্যাপারটা মিটিয়ে দিয়েছিলো।

    পরিশ্রান্ত হ্যারি ওর দুহাত পেছনে ঘুরিয়ে বড় দেখে একটা হাই তুললো।

    ঘুম পেয়েছে তো? মিসেস উইসলি বললেন। আমি ফ্রেড আর জর্জের ঘরে তোমার থাকার ব্যবস্থা করেছি। যাও ওখানে গিয়ে শুয়ে পড়ো।

    কেন, ওরা কোথায় গেছে?

    মিসেস উইসলি বললেন, কোথায় আবার যাবে, ডায়গন এ্যালিতে ওরা যে দোকান করেছে, জোকশপ, সেখানেই থাকে সারাদিন। রাত্রে দোকানের মধ্যে ঘুমোয়। বিষয়টি আমার একটুও ভাল লাগে না, কিন্তু শুনলাম ওদের ব্যবসা ভালই চলছে তাই আপত্তিও করলাম না। যাও ওপরে গিয়ে শুয়ে পড়ো। ঘরেই তোমার ট্রাঙ্কটা রেখে দিয়েছি।

    মিস্টার উইসলি বললেন, শুভরাত্রি হ্যারি।

    ওরা কিচেন থেকে চলে আসার সময় ওয়াশিং বাস্কেটের ওপর রাখা সেই ঘড়ির দিকে চোখ পড়তেই দেখলো ঘড়ির সবকটি কাঁটা একই সঙ্গে মর্টার পেরিলে স্থির হয়ে রয়েছে।

    ফ্রেড আর জর্জের ঘর তিনতলায়। মিসেস উইসলি তার জাদুদণ্ড দিয়ে ওর বিছানার পাশে টেবিলের ওপর রাখা বাতিটা জ্বালিয়ে দিলেন। সমস্ত ঘরটা হালকা সোনালী আলোতে ছেয়ে গেলো। ছোট জানালার কোলে একটা ডেস্কের ওপর রয়েছে বড় একটা ফুলের টব। ফুলের গন্ধ নাকে আসতে হ্যারির মনে হলো বারুদের গন্ধ। ঘরের মেঝেতে অনেকগুলো সিল করা কার্ডবোর্ড বক্স রয়েছে। তার কয়েকটার ওপর ওর স্কুলের ট্রাঙ্কটা রেখে দিয়েছেন মিসেস উইসলি। ওর ঘরের অবস্থা দেখে মনে হলো ফ্রেড জর্জ ঘরটাকে ওদের গুদামঘর বানিয়েছে। জোক বাক্সে সব জিনিসপত্রে ভরা।

    হেডউইগ হ্যারিকে ঘরে ঢুকতে দেখে খুশিতে ফেটে পড়ে ডেকে উঠলো। মিসেস উইসলি ওর খাচাটা একটা বড় আলমারির ওপর রেখেছেন। হ্যারি বুঝতে পারলো হেডউইগ শিকারে যাবার আগে ওর জন্য অপেক্ষা করছে।

    শুভরাত্রি বলে মিসেস উইসলি ঘর থেকে চলে গেলে হ্যারি পাজামা পরে বিছানায় শুয়ে পড়লো। বালিশটা কেমন যেন শক্ত শক্ত মনে হলো। বালিশের ওয়ারে হাত ঢুকিয়ে একটা চটচটে পার্পল অরেঞ্জ সুইট বার করলো। ওটা পাকিং প্যাস্টিলে, খুব সম্ভব ফ্রেড বা জর্জ রেখেছে। ওটা সরিয়ে রেখে দুচোখ বন্ধ করতেই হ্যারি ঘুমিয়ে পড়লো।

    কতোটা সময় ও ঘুমিয়েছে জানে না, দরজায় দুম দুম শব্দে ওর ঘুম ভেঙ্গে গেল। এমন শব্দ যেন কেউ কামান দাগছে। দরজাটা খুলে যেতেই ও বিছানায় সোজা হয়ে বসলো। কেউ ঘরে ঢুকে জানালার পর্দা টেনে সরিয়ে দিতেই ঘরটা ঝলমল করে উঠলো। হ্যারি দুহাতে চোখ ঢাকলো সূর্যের আলোর হাত থেকে চোখ দুটো বাঁচানোর জন্য। চোখ বন্ধ করেই হ্যারি বালিশের পাশে রাখা চমশাটা নেবার জন্য হাত বাড়ালো।

    উইজগোনিয়ন? আরে তুমি এসে গেছো? দুতিনজনের মিলিত কণ্ঠস্বর।

    হ্যারি চোখ খোলার আগেই ওদের মধ্যে একজন ওর মাথার ওপর একটা ঘুষি মারল।

    একটি মেয়ে বকে উঠলো, কি হচ্ছে রন ওকে মারছো কেন?

    হ্যারি চশমাটা পেয়ে গেল। চটপট চশমাটা চোখে লাগালো। কিন্তু ঘরের তীব্র সূর্যের আলো আবার ওর চোখ ধাধিয়ে দিলো।

    ও চোখ দুটো রগড়ে খুলতেই দেখলো ওর সামনে দাঁড়িয়ে রয়েছে রন! মুখে হাসি। হ্যারি, হ্যারির প্রিয় বন্ধু এসে গেছে।

    এই কেমন আছো বন্ধু?

    হ্যারি মাথায় হাত বুলাতে বুলাতে বললো, এতো ভালো কোনো দিনই ছিলাম। তুমি কেমন আছ?

    খুব একটা খারাপ না। রন একটা কার্ডবোর্ডের বাকসো টেনে নিয়ে তার ওপর। বসতে বসতে বললো, কখন এলে? মা অবশ্য তোমার এখানে আসার কথা বলেছিলেন।

    তা প্রায় রাত্রি একটার সময় এসেছি। মাগলরা সব ঠিক ঠাক আছে তো? তোমার সঙ্গে ভালো ব্যবহার করেছে তো? আগের মতোই, যেমন করে তেমনি, হ্যারি বললো। হারমিওন ওর বিছানার এক পাশে বসলো।

    আমার সঙ্গে ওরা বেশি কথা বলে-টলে না, না বললেই বরং আমার ভালো লাগে। হারমিওন তুমি কেমন আছো?

    খুব ভালো, হারমিওন হ্যারিকে এমন ভাবে দেখতে লাগলো যেন ও ভীষণ মনোবেদনায় রয়েছে।

    হ্যারি ভাবলো হারমিওন জানে ওর মনের ব্যথা, তাই সিরিয়াসের মৃত্যু বা অন্য কোনও দুঃখজনক ঘটনার প্রসঙ্গ তুলতে চায় না। হ্যারিও তাই চায়। হ্যারি জিজ্ঞেস করে, কটা বেজেছে? তোমাদের ব্রেকফাস্ট হয়ে গেছে?

    আমাদের জন্য ভেবো না। মার মনে হয়েছে তোমার খাওয়া-দাওয়া ঠিকমতো হচ্ছে না তাই, রন চোখ নাচিয়ে বললো। এবারে বলো সব খবরা খবর; কি সব ঘটছে?

    কিছুই জানি না। আঙ্কল-আন্টির বাড়িতে তো এতোদিন বন্দি ছিলাম। তা তো তুমি জানো।

    ওসব বাদ দাও, রন বললো। শুনলাম তুমি ডাম্বলডোরের সঙ্গে কোথায় গিয়েছিলে।

    খুব একটা একাইটিং ব্যাপার নয়। একজন রিটায়ার্ড বৃদ্ধ টিচারকে হোগার্টসে আসার কথাবার্তা বলতে গিয়েছিলেন। আমিও তার সঙ্গে ছিলাম। হোরেস স্লাগহর্ন তার নাম।

    তাই, রন হতাশ হয়ে বললো। আমরা ভেবেছিলাম।

    হারমিওন রনকে চুপ থাকতে ইশারা করলো, রন প্রসঙ্গ পাল্টে নিলো। আমরাও এরকম কিছু ভেবেছিলাম।

    কি ভেবেছিলে? হ্যারি হাসতে হাসতে বললো।

    আমব্রিজ তো নেই। এখন তার জায়গায় আমাদের কালো জাদুর বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষার জন্য একজন টিচার দরকার, তাই না? সেই জন্যে, ওই রকম একটা কিছু আমি ভেবেছিলাম! কেমন দেখতে উনি?

    ওনাকে দেখতে অনেকটা সিন্ধু ঘোটকের মতো লাগলো, মাথায় টাক ও মুখে গোফ। আগে স্নিদারিন হাউজের হেড ছিলেন, হ্যারি বললো। কোনো ভুল হয়ে গেল, হারমিওন?

    হারমিওন ওর দিকে এমনভাবে তাকিয়ে রইলো যেন হ্যারি ওদের আরো কিছু সংবাদ দেবে সেই আশায়। ও নড়েচড়ে বসে হাসতে লাগলো।

    তোমার কি মনে হয়, স্লাগহর্ন একজন ভালো টিচার?

    তা কেমন করে বলবো, হ্যারি বললো। আমব্রিজের চেয়ে নিশ্চয়ই খারাপ হবেন না।

    আমি জানি একজনকে, যে আমব্রিজের চাইতে বাজে টিচার, একটি কণ্ঠ দরজা থেকে বললো।

    রনের ছোট বোন দরজার গোড়া থেকে একদম লাফ দিয়ে ঘরের মধ্যে ঢুকলো, হাই হ্যারি।

    তুমি কার সঙ্গে এতক্ষণ কথা বলছিলে? রন বললো। জিনি বললো আমি ওই মেয়েটার কথা বলছি, যে হ্যারির বিছানার এক কোণে ধপাস করে বসে রেগেমেগে আছে। আমাকে ও পাগল করে ছাড়ছে।

    হারমিওন সহানুভূতির সুরে বললো, আবার কি করলো শুনি? এমনভাবে কথা বলে যেন আমি একটা তিন বছরের শিশু! আমি জানি, হারমিওন চাপা গলায় বললো। ও একটা আস্ত পাগল।

    মিসেস উইসলি সম্বন্ধে এই রকম কথাবার্তা শুনে হ্যারি আশ্চর্য হয়ে গেল। রন রেগে বললো, তোমরা কী পাঁচ সেকেন্ডও তার বিষয় বাদ দিয়ে থাকতে পার না।

    জিনি বললো, ঠিক বলেছো, মেয়েটি যে কিরকম সে আমরা জানি, তুমি জানবে কেমন করে শুনি?

    হ্যারি বুঝতে পারলো কথাটা মিসেস উইসলিকে কেন্দ্র করে নয়। অন্য কেউ হবে। বললো, কার কথা বলছো তোমরা?

    ওর ওই প্রশ্নের জবাব কেউ দেবার আগে শোবার ঘরের ভেজানো দরজা খুলে গেল। যে ঢুকলো তাকে দেখামাত্র হ্যারি বেডকভার দিয়ে মুখটা ঢাকতে গেলে তাতে টান পড়ে হারমিওন আর জিনি তাল সামলাতে না পেরে দড়াম করে মেঝেতে পড়ে গেল।

    ওদেরই বয়সী একটি মেয়ে দরজার গোড়ায় দাঁড়িয়ে রয়েছে। ওর মুখের চেহারা দেখে ঘরের সকলেরই মুখ চুপসে গেল। বাস্তবিক সুন্দরী মেয়ে না বলে থাকা যায় না। লম্বা, মাথায় একরাশ রূপালি চুল, গায়ের রং চকচক করছে রূপালি আভায়। এইটুকু বলে তার সম্বন্ধে যবনিকাপাত করা চলে না, প্রচুর পরিমাণে ব্রেকফাস্ট ভর্তি বিরাট একটা ট্রে ওর হাতে।

    মেয়েটি হ্যারিকে জবুথবু হয়ে খাটে চাঁদর ঢেকে বসে থাকতে দেখে খনখনে গলায় বললো–অনেকদিন পর তোমার সঙ্গে দেখা হলো। ঠিক সেই সময়ে মিসেস উইসলি মেয়েটির পেছনে দাঁড়ালেন। তোমার তো এই বড় ট্রেটা নিয়ে আসার দরকার ছিলো না, আমি তো আনতাম।

    না…না… আমার তো কোনো অসুবিধে হয়নি, ফ্লেউর ডেলাকৌর বললো প্রকাণ্ড ট্রেটা হ্যারির হাঁটুর ওপর রেখে। তারপর ও হেঁট হয়ে হ্যারির দুগালে চুমু খেল। ওর ঠোঁটের স্পর্শে হ্যারির মনে হলো যেন গাল দুটো পুড়ে গেল। আমি, অনেকদিন থেকে তোমাকে দেখতে চাইছিলাম। আমার বোন গ্রেব্রিয়েলকে মনে আছে তোমার হ্যারি? ও তোমাকে দেখলে খুব খুশি হবে হ্যারি পটার!

    হ্যারি হোঁচট খেয়ে বললো, ও এখন এই বাড়িতে আছে নাকি?

    ধ্যাৎ দুষ্টু ছেলে, এখানে নেই, ফ্লেউর বললো। ওর মুখে হাসির রিনিঝিনি। পরের গ্রীষ্মের ছুটিতে, মানে আমাদের যখন…, কিন্তু তুমি কি সব খবর রাখো?

    ওর বড় বড় টানা টানা দুই চোখ ভবিষ্যতের আনন্দের স্বপ্নে বিস্ফারিত হলো শুধু নয়, মিসেস উইসলি শুভ সংবাদ না দেয়ায় যেন ক্ষুব্ধও হলো। মিসেস উইসলি গম্ভীর গলায় বললেন, ওকে খবরটা দেবার আমরা এখনও সময় পাইনি।

    ফ্লেউর ওর রূপালি চুলের রাশি দুলিয়ে হ্যারিকে আনন্দে উদ্ভাসিত চোখে বললো, আমি আর বিল বিয়ে করতে চলেছি। ওর দোলানো চুল শপাং করে মিসেস উইসলির গালে লাগলেও সেদিকে ওর কোনো ক্ষেপই নেই। ভীষণ আনন্দে আত্মহারা সে!

    তাই নাকি, হ্যারি কোনো আগ্রহ প্রকাশ না করেই বললো।

    হ্যারি দেখলে হারমিওন, জিনি, মিসেস উইসলি ওরা কেউই ফ্লেউরের ছেলেমানুষী ভাবভঙ্গি আর কথা-বার্তায় খুশি হয়নি। ওরা পরস্পরের মুখের দিকে তাকালো। হ্যারি শেষ করলো এই বলে, কনগ্রাচুলেসনস!

    ফ্লেউর আবার হ্যারিকে জড়িয়ে ধরে চুমু খেলো।

    বিল এখন খুব ব্যস্ত, দিন-রাত কাজ করছে, আমিও গ্রিনগটসে পার্টটাইম কাজ করছি। ও আমাকে ইংরেজি শেখা, সকলের সঙ্গে মেলামেশা এবং উইসলিদের ভালো করে জানার জন্য এখানে কিছুদিন থাকতে বলেছে। সত্যি আমি এখানে এসে থাকতে পেরে এতো খুশি হয়েছি যে বলার নয়। এখানে তেমন কাজ করতেও হচ্ছে না, একটু-আধটু রান্না বা মুরগিগুলো দেখাশোনা করা ছাড়া! যাক তুমি ভাল করে নাস্তা করো।

    কথাগুলো বলে ফ্লেউর যেন হাওয়াতে ভাসতে ভাসতে ঘর থেকে বেরিয়ে গেল। যাবার সময় ঘরের দরজাটা বন্ধ করতে ভুললো না।

    ও চলে গেলে মিসেস উইসলি মুখ থেকে অপছন্দের একটা শব্দ বার করলেন, দুঃ।

    জিনি বললো, মাম ওকে দুচোখে দেখতে পারেন না।

    মিসেস উইসলি কথার পিঠে বললেন, দেখতে পারি না এমন কথা নয়। আমার মতে ব্যাপারটা তড়িঘড়ি করতে চায় সেটাই আমার পছন্দ।

    ওরা তো বছর খানেক দুজনে দুজনকে জানে, রন বন্ধ দরজার দিকে তাকিয়ে অদ্ভুত মুখ করে বললো।

    এক বছরটা খুব একটা বেশি সময় নয় বিশেষ করে বিয়ে শাদীর ব্যাপারে। তো আমি জানি, বুঝতেও পারছি কেন ওরা এতো শিগগিরি সিদ্ধান্তটা নিয়েছে, ইউ-নো-হু ফিরে আসার খবর পেয়ে অনিশ্চয়তার জন্য। লোকেরা ভাবছে, আজ বেঁচে রয়েছি, আগামীকাল হয়তো আর বেঁচে থাকবো না, সেই জন্য কোনো কিছুই মুলতবি করে রাখতে চায় না। তাড়াতাড়ি সিদ্ধান্ত করছে। সাধারণ সময়ে হয়তো মানুষ এইসব সিদ্ধান্ত নেবার আগে ভাবনা-চিন্তা করতো। এর আগেরবার যখন ইউ-নো-হুর উত্থান ঘটেছিল, তখনও মানুষেরা এইরকম তাড়াহুড়ো করে কোনো কিছু না ভেবে-চিন্তে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। প্রাণ বাঁচাতে ডাইনে-বাঁয়ে-মধ্যে যে যেখানে পেরেছিল পালিয়েছিলো।

    জিনি চোখ মেরে বললো, তোমরাও! তোমরাও বিয়ে করেছিলে।

    হ্যাঁ তাতে কি হয়েছে শুনি? তোমার বাবা আর আমি একে অন্যের জন্য তৈরি! চুপ করে বসে থাকার কোনো সঙ্গত কারণ ছিল না, মিসস উইসলি বললেন। কিন্তু ভেবে দেখ ইমোসান ছাড়া ওদের দুজনের মধ্যে কিছু মিল আছে? বিল দারুণ পরিশ্রম করতে পারে, আর ব্যক্তি হিসেবে একেবারে মাটির মানুষ, আর ওই মেয়েটা…।

    একটি গরু, জিনি বললো। কিন্তু বিলও তো দেখতে গেলে তেমন সুযোগ্য ছেলে নয়। ও কার্সব্রেকার? ও ভালোবাসে রোমাঞ্চপূর্ণ কিছু, একটু মোহনীয় কিছু, আমার মনে হয় তাই ও এই কম বুদ্ধিটার পেছনে ছুটেছে।

    এই ওর সম্বন্ধে এমন কথা বলবিনে জিনি, মিসেস উইসলি কাটাকাটাভাবে বললেন। কথাটা শুনে হারমিওন আর হ্যারি হো হো করে হেসে উঠলো। ব্যাস হ্যারি এখন ডিম ঠাণ্ডা হয়ে যাবার আগে খেয়ে নাও, আর কোনো কথা নয়, মিসেস উইসলি বললেন।

    মিসেস উইসলি দুশ্চিন্তাগ্রস্ত মুখে ঘর থেকে চলে গেলেন। রন তখন আচমকা ঘুষি খেয়ে বিভ্রান্ত, অনেকটা কুকুর যেমন কানের জল মোছার জন্য চেষ্টা করে সেই রকম করে মাথা ঝাঁকালো!

    হ্যারি বললো, এই বাড়িতে থাকলে ওকে একটু মেনে-টেনে নিতে হবে।

    তুমি মানিয়ে নাও, রন বললো। কিন্তু ও যদি হঠাৎ তোমার ওপর হঠাৎ করে চড়াও হয়, তাহলে?

    সত্যি বড়ো বেদনাদায়ক, হারমিওন একটু রেগে কথাটা বলে রন থেকে দূরে চলে গিয়ে দেয়ালে পিঠ ঠেকিয়ে দুহাত বুকে জড়ো করে রাখলো।

    আরে এই বাড়িতে চিরজন্ম ও থাকছে নাকি? জিনি রনকে বললো। রন ওর কথাটা শুনে রাগ করলো। তখন জিনি আবার বললো, মা অবশ্য চেষ্টা করছেন, কিন্তু পারবেন বলে মনে হয় না।

    হ্যারি বললো, কেমন করে?

    আগামী উইক-এন্ডের ডিনারে মা টোংকসকে আসতে বলেছেন, মনে মনে আশা করছেন হয়তো টোংকসকে বিল পছন্দ করে ফেলবে। আশা করি তাই যেন হয়। আমি চাই বরং টোংকস আমাদের পরিবারে আসুক।

    হ্যাঁ প্ল্যানটায় কাজ হবে, রন ব্যঙ্গ করে বললো। তবে একটা কথা, আমি হলফ করে বলতে পারি টোংকসকে কোনো ছেলেরই ভালো লাগতে পারে না, বিশেষ করে ফ্লেউরের মতো মেয়ে আশপাশে থাকলে।

    আমি বলতে চাই, টোংকস দেখতে শুনতে মোটামুটি ভাল যখন ও স্বাভাবিক থাকে–ওই রকম চুলে রঙ করে না, নাকে ওসব লাগায় না, কিন্তু ওই কম বুদ্ধিটার চেয়ে দেখতে ও অনেক ভালো, জিনি বললো।

    এবং অনেক বুদ্ধিমান, একজন গোয়েন্দা (অরর), হারমিওন এক কোণ থেকে বললো।

    ফ্লেউর বোকা হতে যাবে কেন? ওতো ট্রিউইজার্ড টুর্নামেন্টে খেলেছিলো, হ্যারি ওকে সাপোর্ট করে বললো।

    তোমার মতো নয়, হারমিওন হ্যারির কথায় সায় না দিয়ে বললো।

    জিনি রেগেমেগে বললো, ফ্লেউরের আদিখ্যেতা, তোমার গায়ে ঢলে পড়া, তোমার ভালোই লেগেছে।

    মোটেই না, হ্যারি বললো।

    জিনি জোর গলায় বললো, আমাদের পরিবারে টোংকসের মত মেয়ে আসুক এটাই আমি চাই। বেশ হাসিখুশি মেয়ে।

    আজকাল ও তেমন হাসেটাসে না, রন বললো। যখনই ওকে দেখি ও মোনিং মার্টলের মতো গোমড়া মুখে বসে আছে।

    তা ঠিক নয়, ওর ওপর অবিচার করো না, হারমিওন বললো। তোমরা তো জানো এখনও ও সেই ঘটনার ধাক্কা কাটিয়ে উঠতে পারেনি, হাজার হোক ওর কাজিন ছিলো।

    কথাটা শুনে হ্যারির বুকটা ছ্যাঁৎ করে উঠলো। আবার সিরিয়াসের প্রসঙ্গ এসে গেল। ও তখন একটা কাঁটা চামচ দিয়ে ডিম ভাজা নাড়াচাড়া করতে লাগলো। ও সিরিয়াস প্রসঙ্গে আসতে চায় না, রন বললো।

    টোংকস আর সিরিয়াসের মধ্যে কথাবার্তা, দেখা সাক্ষাৎ খুব কমই হতো। ওর জীবনের অর্ধেক সময় সিরিয়াস আজকাবানে ছিল, টোংকসের পরিবারের সঙ্গে বলতে গেলে সিরিয়াসের দেখা সাক্ষাৎ হয়নি।

    সে কথা বলছি না, হারমিওন বললো। ওর মনে ধারণা হয়েছে সিরিয়াসের মৃত্যু ওরই দোষে হয়েছে।

    আশ্চর্য! এমন ধারণা ওর হলো কেমন করে? হ্যারি বললো। হ্যারি সিরিয়াস সম্বন্ধে কোনো আলোচনায় অংশ নিতে না চাইলেও নিতে হলো টোংকসের হয়ে কথা বলার জন্য।

    ও বেল্লাট্রিক্স লেস্টরেঞ্জের সঙ্গে লড়াই করেছিল–তাই না? ও মনে করছে তখন যদি ও বেল্লাট্রিক্সকে মারতে পারতো তাহলে বেল্লাট্রিক্স সিরিয়াসকে মারতে পারতো না।

    সম্পূর্ণ আজেবাজে বোকার মতো কথা, রন বললো। ওটা ওর ধারণা, হারমিওন বললো। আমি জানি, লুপিন ওর সঙ্গে কথা বলতে চেয়েছিলো কিন্তু ওর মানসিক অবস্থা দেখে কথা বলেনি। এখনও ও আকৃতি পরিবর্তনের ব্যাপারে সমস্যায় রয়েছে।

    এখন ও চেহারার পরিবর্তন করে আগের অবস্থায় ফিরে যেতে পারছে না, হারমিওন ব্যাপারটা খোলদা করে বলতে চাইলো, মনে হয় মানসিক আঘাতের জন্য সেই শক্তি হারিয়েছে, অথবা এমন কিছু হতে পারে যা আমরা জানি না।

    হ্যারি বললো, হতে পারে, আমার কোনো ধারণা নেই। আমারও না, হারমিওন বললো। হতাশ কেনো বুঝতে পারছি না!

    সেই সময়ে মিসেস উইসলি দরজাটা সামান্য ফাঁক করে ওদের আড্ডা মারতে দেখে জিনিকে চাপা গলায় বললেন, জিনি, নিচে রান্না ঘরে এসে আমাকে একটু লাঞ্চ তৈরি করতে সাহায্য করবে?

    জিনি কথাটা শুনে মুখ ভার করে বললো, আমরা এখন একটু গপপো করছি। দেখছি তো। এখনই এসো।

    আমি জানি তুমি ওই ন্যাকা মেয়েটার সঙ্গে একলা কিচেনে থাকতে চাইছে, নাচের ব্যালেরিনার যেমন দুহাত উঁচু করে নাচের ভঙ্গিতে হাঁটে জিনি তেমনি ভঙ্গী করে (ফ্লেউরের মতো) নিজের লাল চুলে ঝাপটা দিয়ে বললো।

    মিসেস উইসলি আবার বললেন, বেশ তোমরা সকলেই এসো। কথাটা বলে মিসেস উইসলি দরজাটা ভেজিয়ে দিয়ে চলে গেলেন।

    হ্যারি সকলকে চুপ থাকতে দেখে সময় নষ্ট না করে নাস্তার প্লেটটা সাবাড় করে দিলো। হারমিওন ফ্রেড আর জর্জের কাঠের বাক্সগুলো দেখতে লাগলো। তাহলেও মাঝে মাঝে আড় চোখে হ্যারি ও রনকে দেখতে থাকলো।

    রন তখন হ্যারির খাবারে ভাগ বসাতে ব্যস্ত।

    এটা কী? হারমিওন একটা টেলিস্কোপের মতো জিনিস হাতে তুলে নিয়ে জিজ্ঞেস করলো।

    বলতে পারছি না, রন বললো। তবে যদি ফ্রেড-জর্জ রেখে গিয়ে থাকে তাহলে ওটা ওদের জোকশপের জন্য, তাহলেও সাবধানে হাত দিও।

    তোমার মা বললেন, ওদের জোক-শপ ভালই চলছে, হ্যারি বললো। ওদের মধ্যে দারুণ ব্যবসা নৈপুণ্য এসেছে।

    মা কম করে বলেছে, ওরা ওখানে গ্যালিয়নসের ওপর ভাসছে। একবার ওখানে গিয়ে সব দেখে আসতে হবে, আজ পর্যন্ত ওখানে যাওয়া হয়নি। মা বলেছেন ওখানকার নিরাপত্তা জোরদার করার জন্যে ড্যাডকে সেখানে সব সময়ে যেতে হয়, তাছাড়া তিনি সব সময়ই কাজে ব্যস্ত। রন বললো।

    পার্সির খবর কী? হ্যারি জিজ্ঞেস করল (পার্সি বাড়ির সঙ্গে খুবই কম সম্পর্ক রেখেছে)। ও তোমার মা-বাবার সঙ্গে কথাটথা বলে?

    একদম না, রন বললো।

    কিন্তু ও কি জানে না তোমার বাবা সবসময়ই সঠিক পথে চলেছেন, আর এখন ভোল্ডেমর্ট ফিরে এসেছে।

    ডাম্বলডোর প্রায়ই বলেন, অন্যায় যে করে আমরা তাদের সহজেই ক্ষমা করি; কিন্তু ভাল কাজ যারা করে তাদের মনে রাখি না, হারমিওন বললো। এই কথাগুলো তোমার মাকেও তাকে বলতে শুনেছি, রন।

    ডাম্বলডোর মাঝেমধ্যে ওইরকম বলেন, রন বললো।

    এ বছর থেকে ডাম্বলডোর আমাকে ব্যক্তিগতভাবে পড়াবেন, হ্যারি কথা প্রসঙ্গে বললো।

    রন টোস্ট খেতে খেতে থেমে গেল, হারমিওন হতভম্ব হয়ে গেল হ্যারির কথা শুনে।

    এতক্ষণ কথাটা চেপে রেখেছিলে কেন? রন বললো।

    এই হঠাৎ মনে পড়ে গেলো, হ্যারি সত্যি কথাই বললো। গত রাতেই মাত্র তিনি আমাকে বলেছেন যেখানে ঝাড়ু রাখা হয় সেখানে বসে।

    সত্যি! ডাম্বলডোর তোমাকে প্রাইভেট লেসন দেবেন? রন বললো, হ্যারির মুখের দিকে সপ্রশংস দৃষ্টিতে তাকিয়ে, কিন্তু বুঝতে পারছি না হঠাৎ কেন?

    ওর কথা অসম্পূর্ণ থেকে গেল, হ্যারি লক্ষ্য করলো রন আর হারমিওন পরস্পরের মুখের দিকে আশ্চর্য হয়ে তাকালো। হ্যারি কাঁটা চামচ হাতে নিয়ে বসে রইলো। হঠাৎ বুকের ভেতরটা দ্রুত ঢিপ ঢিপ করতে লাগলো। ও যা কিছু বললো সবই বিছানায় বসে বসে, ডাম্বলডোর ওকে বলেছেন, যা করার করবে। করতে হবে বা করবো বলে ফেলে রাখা ঠিক নয়। সূর্যের আলো পড়ে ওর হাতের চামচটা উজ্জ্বল হয়ে উঠলো।

    ও ধীরে ধীরে বললো, সঠিক কারণটা আমি বলতে পারছি না, বলতে পারছি কেন আমাকে আলাদা করে লেসন দেবেন। তবে আমার মনে হয় প্রফেসি সম্বন্ধে কিছু বলবেন।

    রন, হারমিওন দুজনেই নীরব। হ্যারির মনে হলো দুজনে জমে পাথর হয়ে গেছে। ও হাতের চামচের দিকে তাকিয়ে বলতে লাগলো, তোমরা জানো ওটাকে মিনিস্ট্রি থেকে কয়েকজন চুরি করতে চেয়েছিল। প্রফেসি কি বলতে চেয়েছিলো কেউ শোনেনি, কেউ জানে না, হারমিওন সঙ্গে সঙ্গে বললো। ওটা তো ভেঙ্গে চুরমার হয়ে গেছে।

    যদিও প্রফেসি বলেছে, রন বলতে যেতেই হারমিওন শু্য বলে ওকে থামিয়ে দিলো।

    প্রফেসি ঠিকই ছিল, হ্যারি ওদের দুজনের দিকে অনেক কষ্টে তাকিয়ে বললো। দেখলে হারমিওন দারুণ ভীত আর রন বিস্মিত।সেই কাঁচের বলটা যেটা ভেঙ্গে গিয়েছিল, সেটা প্রফেসির একমাত্র রেকর্ড নয়। আমাকে ডাম্বলডোর তার অফিসে বসে সম্পূর্ণ বলেছেন, তিনি প্রফেসি তৈরির একজন, তাই আমাকে বলতে তার বাধা নেই। সেটা সম্বন্ধে যা যা আমাকে বলেছেন, এই পর্যন্ত বলে হ্যারি দীর্ঘ নিঃশ্বাস ফেললো। ব্যাখ্যা করলে যা দাঁড়ায়, আমিই একমাত্র লোক যে ভোল্ডেমর্টকে খতম করতে পারব। বলেছেন পৃথিবীতে এই দুজন এক সঙ্গে বেঁচে থাকতে পারবে না, একজনকে যেতেই হবে।

    তিনজনেই কিছুক্ষণের জন্য নীরব রইলো। তারপরই ভীষণ এক শব্দ হলো আর তারই সঙ্গে কালো ধোয়ার অন্তরালে হারমিওন অদৃশ্য হয়ে গেল।

    রন-হ্যারি একই সঙ্গে চিৎকার করে উঠলো, হারমিওন! হ্যারির কোলের ওপরে রাখা নাস্তার ট্রেটা ঝনঝন শব্দ করে মেঝেতে আছড়ে পড়লো।

    তারপরই ধোয়ার ভেতর থেকে কাসতে কাসতে হারমিওন বেরিয়ে এলো। ওর হাতে সেই টেলিস্কোপটা। ওর চোখ দুটো লাল!

    ও হাঁফাতে হাঁফাতে বললো, আমি এটা মোচড় দিতেই আমাকে ভীষণ জোরে ধাক্কা মারলো!

    ওরা টেলিস্কোপটার দিকে তাকাতেই দেখলো ওটার পেছন দিকে লম্বা একটা স্প্রিং বেরিয়ে এসেছে।

    রন হাসি চেপে বললো, ভাবনার কিছু নেই, মাম ছোটো খাটো কাটাছেঁড়া সারিয়ে দিতে পারেন।

    এখন ওসব ভাববে না, হারমিওন বললো। হ্যারি, ও হ্যারি…। হারমিওন আবার হ্যারির বেডের এক কোণায় আগের মতো বসলো।

    আমরা ভাবছিলাম সেরকম কিছু একটা, মন্ত্রণালয় থেকে চলে আসার পর যদিও তোমাকে কিছু বলিনি বা বলতে চাইনি; কিন্তু লুসিয়াস ম্যালফয় কোন তথ্যের ভিত্তিতে প্রফেসি সম্বন্ধে তোমার এবং ভোল্টেমর্টের সম্বন্ধে কথা বলেছিলেন, না বুঝলেও ওরকম কিছু একটা বলেছেন বলে আন্দাজ করেছি। হারমিওন হ্যারির মুখের দিকে তাকালো, তুমি ভয় পাচ্ছো হ্যারি?

    খুব একটা নয়, হ্যারি বললো। যখন আমি প্রথম শুনি, তখন ভয় পেয়েছিলাম, কিন্তু এখন, এখন আমার মনে হয় ব্যাপারটা তো আমার কাছে অজ্ঞাত ছিল না, জানতাম, আমাকে ওর সাথে লড়তে হবে, শেষ পর্যন্ত।

    যখন আমরা শুনেছিলাম ডাম্বলডোর তোমাকে তার ঘরে ডেকেছেন স্বভাবতই আমরা ধরে নিয়েছিলাম তোমাকে কিছু বলার জন্য ডেকেছেন, ওই প্রফেসি সম্বন্ধে তোমাকে কিছু বলবেন, রন বললো একাগ্রতার সঙ্গে। এখন বুঝেছি আমাদের ভাবনাটা ভুল ছিল না, তাই না?

    তিনি যদি বুঝতেন, তুমি হারবে, তাহলে কিছুতেই তার সময় নষ্ট করতেন। তিনি মনে করেন, তুমিই পারবে কাজটা করতে।

    খাঁটি কথা বলেছে রন, হারমিওন বললো। তবে আমি ভাবছি তোমায় কি শেখাবেন, হ্যারি? অ্যাডভান্সড ডিফেনসিভ ম্যাজিক। উন্নত জাদু দ্বারা আত্মরক্ষার শিক্ষা, সম্ভবত শক্তিশালী কাউন্টার কার্স… জিনস বিরোধী…।

    তাদের কোন কথাই এখন ঠিকমত হ্যারির কানে যাচ্ছে না। শরীরের মধ্যে একটা উত্তপ্ত প্রবাহ বইছিলো যার সূর্যের তাপের সঙ্গে কোনো সম্বন্ধ নেই। বুকের মধ্যে একটা চাপ, সেটা একটু একটু করে লয় হচ্ছে। ও জানে প্রফেসির ব্যাপারটা রন আর হারমিওন থেকে গোপন রাখার জন্য ওরা ব্যথিত; কিন্তু এও জানে বিপদ আপদে ওরা ছাড়া আর কেউ ওর পাশে এমনভাবে দাঁড়াবে না। সর্বদা থেকেছে। থাকবেও। সান্তনা দেবে দুঃখে, ছোঁয়াচে রোগীর ও রোগের মতো তফাৎ সরিয়ে রাখবে না।

    তাহলে তুমি নতুন সেশনে আমার ও রনের থেকে একটা সাবজেক্ট বেশি লেসন পাবে। আমি তো oWLর রেজাল্টের অপেক্ষায় দিন গুণছি। কে জানে কবে আসবে?

    মনে হয় এবারে এসে যাবে, এক মাস তো হয়ে গেল, রন বললো।

    হ্যারির মনে পড়ে গেল গত রাতে ডাম্বলডোরের সঙ্গে কথাবার্তা। হ্যারি বললো, ডাম্বলডোর বলছিলেন খুব সম্ভব আজকেই আমাদের OWL রেজাল্ট আসবে।

    আজকে? হারমিওন চেঁচিয়ে উঠলো, আজকে, কিন্তু হায় ঈশ্বর তুমি আমাদের আগে বলোনি কেন?

    কথাটা বলে হারমিওন লাফিয়ে উঠলো। আমি যাই, দেখি কোনো OWL এলো কি না।

    মিনিট দশেক পর হ্যারি হাতে করে ব্রেকফাস্টের ট্রে কিচেনে নিয়ে এসে দেখলো হারমিওন খুব উত্তেজিত হয়ে খাবার টেবিলের সামনে বসে রয়েছে। সামনে মিসেস উইসলি, হাতে ম্যাজিকওয়ান্ড। হারমিওনের চেহারাটা অর্ধেক ভালুকের মতো। মিসেস উইসলির হাতে এক কপি হিলার্স হেল্পমেটের পাতা খোলা।

    আগে তো কাটাছেঁড়া সারাবার ব্যাপারে যা যা লেখা আছে তাতে কাজ হয়েছিলো, আশ্চর্য আজ হচ্ছে না কেন? উইসলি চিন্তিত মুখে বললেন।

    জিনি বললো, এসব জর্জ ফ্রেডের কাজ।

    হারমিওন বললো, তাহলেও তো সারা দরকার, এই রকম ভালুকের মতো মুখ নিয়ে বেরোই কেমন করে?

    মিসেস উইসলি ওকে সান্ত্বনা দিয়ে বললেন, সেরে যাবে, এর প্রতিষেধক অবশ্যই আছে।

    ফ্লেউর কাছেই বসেছিলো, আঞ্চলিক ইংরেজিতে বললো, বিল বলছিলো আমাদের ফ্রেড আর জর্জ দারুণ মজা করে; ও মৃদু মৃদু হেসে বললো।

    হাসছো? আমি কিন্তু হাসতে পারছি না, হারমিওন বললো। কথাটা বলার পর কিচেনে উত্তেজিত হয়ে পায়চারি করতে করতে আঙ্গুল মটকাতে লাগলো।

    মিসেস উইসলি, আপনি একেবারে, একেবারে নিশ্চিত যে আজ সকালে কোনো পেঁচা ডাক নিয়ে আসেনি?

    মিসেস উইসলি বললেন, না গো আসেনি। এখন তো মাত্র নটা বেজেছে, পেঁচাঁদের ডাক নিয়ে আসার এখনও অনেক সময় আছে।

    হারমিওন হতাশার সুরে বললো, আমি জানি আমি একটা পুরনো বিশৃঙ্খলার মধ্যে পড়ে গেছি। গুছিয়ে লেখার সময় আমি একটা মারাত্মক ভুল লিখেছি। ডার্ক আর্ট প্রতিরোধের প্র্যাকটিক্যালও ভালো হয়নি। তবে মনে হয় ট্রান্সফিগারেশন মোটামুটি ভাল হয়েছে, কিন্তু সব মিলিয়ে…

    হারমিওন, অনুগ্রহ করে তুমি একটু থামবে। একমাত্র তুমিই নার্ভাস নও, রন হুঙ্কার দিয়ে বললো। তুমি যখন OWL এ এগারটা আউটস্ট্যান্ডিং পেয়েছিলে…।

    বলো না, বলো না, বলো না, হারমিওন ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে বললো। আমি, আমি জানি, খুব ভাল করে জানি, সব বিষয়ে আমি ফেল করেছি।

    কি হবে বলতো ফেল করলে? হ্যারি সকলের মুখের দিকে তাকিয়ে বললো। উত্তর দিলো হারমিওন। আমরা তো হেড অফ দ্য হাউজের সঙ্গে এ বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছিলাম, লাস্ট টার্মের শেষে প্রফেসর ম্যাকগোনাগলের সঙ্গেও কথা বলেছিলাম।

    হ্যারির পেটের ভেতরটা আবার টান টান মনে হতে লাগলো, এত বেশি পরিমাণে ব্রেকফাস্ট না খেলেই ভাল হতো, ভাবল সে। বুক্সবেটনে, ফ্লেউর বললো আত্মপ্রসাদপূর্ণভাবে। আমাদের ওখানে অন্যরকম ভাবে পরীক্ষা হয়, আমার মনে হয় এখানের চাইতে ভাল। পাঁচ বছর নয় ছ বছর পড়ার পর আমাদের পরীক্ষা দিতে হয়, তারপর… ফ্লেউর তার ভাঙ্গা ভাঙ্গা ইংরেজি ও বিকৃত উচ্চারণে বলে চললো।

    হারমিওন ওর কথার মধ্যে হঠাৎ চেঁচিয়ে উঠলো। বন্ধ হয়ে গেল ফ্লেউরের বকবকানি। হারমিওন লাফ দিয়ে কিচেনের জানালার কাছে গেল।

    রন বললো, পেঁচা, নিশ্চয়ই পেঁচা, ও দৌড়ে জানালার ধারে হারমিওনের পাশে দাঁড়িয়ে তাকিয়ে রইলো।

    হ্যারিও ওদের পাশে দাঁড়িয়ে বললো, তিন তিনটে পেঁচা।

    আমাদের তিনজনের, কি হবে, কি হবে, আমার ভীষণ ভয় করছে। হারমিওন হ্যারি আর রনের কনুই চেপে ধরে বললো।

    তিনটে তামাটে রঙের সুন্দর পেঁচা উড়ে আসছে দ্য ব্যারোর দিকে, একটু একটু করে জানালার ধারে আসছে, ওদের পায়ে তিনটে বড় বড় চৌকো খাম।

    হারমিওন আবার হ্যারি ও রনের কনুই সজোরে চেপে ধরে বলে উঠলো, না কি হবে?

    মিসেস উইসলি জানালার পাল্লা খুলে দিলেন। খোলা জানালা দিয়ে এক এক করে কিচেনে ঢুকে গিয়ে পেঁচা তিনটে খাবার টেবিলে বসলো। তিন বন্ধু ওদের কাছে ছুটে আসতেই ওরা ডান পা তুললো। সেই পায়ে বাধা রয়েছে চৌকো বড় খাম।

    হ্যারি মাঝের পেঁচার পা থেকে কাঁপা কাঁপা হাতে একটা খাম খুলে নিল। বাকি দুটোর পা থেকে হারমিওন ও রন ওদের নাম লেখা খামগুলো খুলে নিল। হারমিওনের হাত যেন বেশি জোরে কাঁপছে।

    কিচেনের সকলেই নীরব, খাম খোলার আগে ওদের তিন জনের দারুণ উৎকণ্ঠা!

    হ্যারি প্রথমে ওর নাম লেখা খামটা যত দ্রুত সম্ভব খুললো। তারপর খামের ভেতরের পার্চমেন্টটা।

    অর্ডিনারি উইজার্ডিং লেভেল রেজাল্ট

    পাস গ্রেডস : আউটস্ট্যান্ডিং (O)

    আশাতীত (E) মোটামুটি গ্রহণীয় (A)

    ফেইল গ্রেডস। পুয়োর (P)

    ড্রেডফুল (D) ট্রোল (T)

    হ্যারি জেমস পটার অর্জন করেছে

    অ্যাস্ট্রোনমি কেয়ার অফ মেডিকেল ক্রিচারস চার্মস : ডিফেন্স এগেন্সট ডার্ক আর্টস ডিভিনেসন হার্বোলজি হিস্ট্রি অফ ম্যাজিক পোশান ট্রান্সফিগারেশন :

    হ্যারি পার্চমেন্টটা হাতে নিয়ে একবার নয় বার বার রেজাল্ট দেখে প্রতিবারই খুশিতে ওর মন ভরে উঠলো। ভেবেছিলো ডিভিনেশনে পাশ করতে পারবে না, হিস্ট্রি অফ ম্যাজিকে তো নিশ্চয়ই নয়। পরীক্ষা দেবার সময় ওর অবস্থা খুবই খারাপ ছিলো। এরপর এক এক করে গ্রেড়গুলো আবার দেখতে লাগলো আঙ্গুল দিয়ে। ট্রান্সফিগারেসন আর হার্বোলজিতে ভাল গ্রেড পেয়েছে, পোশানেও আশাতীত! সবচেয়ে ভাল হয়েছে, আউটস্ট্যান্ডিং পেয়েছে, ডিফেন্স এগেনস্ট ডার্ক আর্টে!

    পিছনে দাঁড়িয়ে হারমিওন মাথা নিচু করে গ্রেডস দেখছিলো, রন রেজাল্ট দেখে খুব উৎফুল্ল।

    ডিভিনেসনে আর হিস্ট্রি অফ ম্যাজিকে ফেল! ধ্যাৎ তার জন্য চিন্তা করার কি আছে? রন হ্যারিকে বললো।

    হ্যারি রনের গ্রেডস দেখলো। একটাতেও আউটস্ট্যান্ডিং পায়নি। আমি জানতাম তুমি ডিফেন্স এগেন্সট ডাক আর্টে টপ হবে, রন বললো হ্যারির কাঁধে ঘুষি মেরে। যাকগে মোটামুটি তিনজনেই আমরা ভালো রেজাল্ট করেছি, কি বলল!

    মিসেস উইসলি ওদের রেজাল্ট দেখে বেশ গর্বিত হয়ে বললেন, বাঃ সবাই দেখছি বেশ ভালো রেজাল্ট করেছে! রনের চুল এলোমেলো করে দিয়ে বললেন, বাবারে সাত সাতটা OWL, ফ্রেড-জর্জ দুজনে মিলে সাতটা পায়নি।

    হারমিওন তুমি চুপ করে আছো কেন? জিনি বললো। তোমার কেমন হয়েছে? হারমিওন তখনও বিষণ্ণ মনে দাঁড়িয়ে রয়েছে একধারে।

    আমার? ওই এক রকম, খুব একটা খারাপ নয়, হারমিওন সংক্ষেপে বললো।

    এই দেখো, আমি দারুণ গ্রেডস পেয়েছি, রন হারমিওনের কাছে গিয়ে OWLটা ওর মুখের সামনে ধরে বললো। দশটা আউটস্ট্যান্ডিং আর একটাতে আশা অতিরিক্ত (একসিড এক্সপেক্টেসন্স) ডিফেন্স এগেন্সট ডার্ক আর্টস (কালো জাদুর বিরুদ্ধে আত্মরক্ষা)। কথাটা বলে ও হারমিওনের মুখের দিকে তাকালো। মুখে হাসি, আনন্দে উদ্ভাসিত, তুমি সত্যি সত্যি খুব নিরাশ হয়েছে?

    হারমিওন মাথা নাড়ল, কিন্তু হ্যারি জোরে জোরে হাসলো।

    বুঝেছো আমরা এখন NEWTর ছাত্র! রন দাঁত বার করে হাসলো। মাম আর একটু সসেজ দেবে?হ্যারি আবার ওর রেজাল্টটা দেখলো। এর চে বেশি ভাল হবে, তেমন কিছু সে কখনোই আশা করেনি। যা আশা করেছিলো, তাই পেয়েছে। তবে সে আর অরর (গোয়েন্দা) হতে পারবে না। অরর হবার নম্বর পোশান পরীক্ষাতে ও পায়নি। সে বরাবরই ভেবে এসেছে অরর হবার কোনো আশা নেই, তবু যদি পোশানে ভালো নম্বর পায়, অরর হতে সাহায্য করবে। কথাটা শুনতে খুবই অদ্ভুত লাগে, বিশ্বাসযোগ্য মনে হয় না। একজন ডেথইটার ছদ্মবেশ ধারণ করে ওকে একবার বলেছিলো, হ্যারিকে ও খুব ভালো অরর বানাবে। সেই কথাটা ওর মনের মধ্যে গেঁথে গিয়েছে, তাই ভবিষ্যতে অরর ছাড়া অন্য কিছু হবে ভাবতে পারে না। এক মাস আগে প্রফেসির ভবিষ্যদ্বাণী শুনেছিলো–একজন বেঁচে থাকলে অন্যজন বেঁচে থাকবে না, তাহলে তাহলে প্রফেসির ভবিষ্যদ্বাণী সফল করতে ওকে বাঁচতেই হবে। একমাত্র কঠিন শিক্ষাপ্রাপ্ত জাদুকর যার কাজ হবে ভোল্ডেমর্টকে খুঁজে বার করা, তাহলে সেই শিক্ষা অর্জন করতে গেলে ওকে অরর হতেই হবে। দক্ষ অরর পারবে ডভান্ডেমর্টকে ধরতে ও হত্যা করতে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ডেথলি হ্যালোস (৭) – জে. কে. রাওলিং
    Next Article হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য অর্ডার অব দ্য ফনিক্স (৫) – জে. কে. রাওলিং

    Related Articles

    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার এন্ড দি ফিলসফারস স্টোন (১) – জে. কে. রাওলিং

    August 18, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য চেম্বার অব সিক্রেটস (২) – জে. কে. রাওলিং

    August 18, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য প্রিজনার অব আজকাবান (৩) – জে. কে. রাওলিং

    August 18, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য গবলেট অব ফায়ার (৪) – জে. কে. রাওলিং

    August 16, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য অর্ডার অব দ্য ফনিক্স (৫) – জে. কে. রাওলিং

    August 16, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ডেথলি হ্যালোস (৭) – জে. কে. রাওলিং

    August 16, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }