Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য হাফ-ব্লাড প্রিন্স (৬) – জে. কে. রাওলিং

    জে. কে. রাওলিং এক পাতা গল্প748 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৯. দ্য হাফ-ব্লাড প্রিন্স

    ০৯. দ্য হাফ-ব্লাড প্রিন্স

    পরেরদিন হ্যারি ও রন হারমিওনের সঙ্গে কমনরুমে নাস্তা করার আগে দেখা করলো। হ্যারি যা ভাবছে, হারমিওন থেকে সমর্থন পাবে মনে করে একটুও সময় নষ্ট না করে, হোগার্টস এক্সপ্রেসে ম্যালয়ের মুখ থেকে যে কথাগুলো শুনেছিল তা হারমিওনকে বললো।

    হারমিওন কিছু বলার আগেই রন বললো, নিজের বাহাদুরি দেখাবার জন্যই ম্যালফয় ওসব কথা বলেছে।

    ঠিক আছে, হারমিওন বললো, তবে আমার মনে হয়, ম্যালফয় নিজেকে খুব গুরুত্বপূর্ণ কেউ একটা বোঝাবার জন্য ওসব ভনিতা করে থাকতে পারে, আর এটা মস্তবড় মিথ্যা যে…।

    হতে পারে, তাই হয়তো হবে, হ্যারি বললো, বিষয়টা নিয়ে আলোচনা আর বাড়ালো না। দেখলো জোড়া জোড়া চোখ ওদের দিকে তাকিয়ে রয়েছে। ওদের কথাবার্তা শুনতে খুব ব্যাগ্র। নিজেদের মধ্যে ফিস ফিস করছে।

    রন বললো, এই অযাচিত আলোচনা…

    পোর্ট্রেট হোলের কাছে একদল প্রথম বর্ষের ছাত্র হাঁ করে হ্যারির দিকে তাকিয়ে আছে। রন ওদের দেখে বললো, ষষ্ঠ বার্ষিকের ছাত্রদের বেশ মজা, অনেক অবসর সময় আছে, আমরা কমন রুমে বসে বসে আড্ডা মারতে পারি।

    রন ভুলে যেও না আড্ডা মারলে চলবে না। ফাইনাল ইয়ার অনেক বেশি করে পড়তে হবে। হারমিওন করিডর দিয়ে যেতে যেতে বললো।

    হ্যাঁ পড়তে তো হবেই, তবে আজ নয়, হ্যারি বললো। আমার মনে হয় আজ আমাদের খুব ভালো করে ঘুমিয়ে নেওয়া দরকার।

    এই দাঁড়াও, হারমিওন বললো। একজন চতুর্থ বর্ষের ছাত্র হারমিওনের বাধা দেওয়া হাতকে উপেক্ষা করে হাতে একটা লেবু রঙের ডিস্ক নিয়ে যাচ্ছিলো। তুমি জানো ফ্যাংগ ফ্রিজবি স্কুলে আনা নিষিদ্ধ। দাও ওটা আমাকে, খুব কঠোরভাবে হারমিওন বললো। ছেলেটি হারমিওনের হাতে ফ্রিজবিটা দিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে চলে গেলো।

    রনের মতলব অন্য। ওরা দৃষ্টির বাইরে চলে গেলে রন একরকম ফ্রিজবিটা ছিনিয়ে নিলো হারমিওনের হাত থেকে।

    দারুণ! ঠিক এই রকমই একটা আমার জন্য চাইছিলাম। হারমিওন কিছু বলার আগে হি হি হি হাসি শুনে চুপ করে গেলো। ল্যাভেন্ডার ব্রাউন রনের কথা শুনে দারুণ মজা পেয়েছে। ও হাসতে হাসতে চলতে লাগলো। একবার রনকে পেছনে ফিরে দেখলো। রনও খুব খুশি।

    ওরা গ্রেট হলে ঢুকে নিজেদের চেয়ারে বসে নাস্তা খেতে শুরু করলো। গ্রেট হলের সিলিংটা অপূর্ব দেখাচ্ছে। গভীর নীল রং চারপাশে সাদাসাদা খণ্ড মেঘ ভেসে যাচ্ছে। পরিজ, ডিম আর বেকন খেতে খেতে হ্যারি ও রন গতরাতে হ্যাগ্রিডের সঙ্গে ওদের যা কথাবার্তা হয়েছে সেগুলো হারমিওনকে বললো। হ্যারি ও রন নিজেদের অপরাধী মনে করছে। আমার তো মনে হয় না উনি মনে করেন আমরা কেয়ার অফ ম্যাজিক্যাল ক্রিচারর্স পড়াশুনো চালু রাখবো, হারমিওন দ্বিধাগ্রস্ত হয়ে বললো। আমরা কি কেউ কখনো হ্যাগ্রিডকে কোনোরকম উৎসাহ দেখিয়েছি এ বিষয়ে?

    একটা বিরাট ভাজা ডিম মুখে ঢুকিয়ে রন বললো, হ্যাঁ আমরা তো করেছিই।

    হ্যাগ্রিডকে আমরা মনপ্রাণ দিয়ে শ্রদ্ধা করি ভালোবাসি বলেই রীতিমত ওনার ক্লাশে গিয়েছি, উৎসাহ দেখিয়েছি। কিন্তু আমাদের উৎসাহ দেখে উনি স্থির করেছেন উনার গৌণ সাবজেক্ট আমরা পছন্দ করেছি। তুমি কি অনুমান করতে পারো কেউ নিউট করতে যাচ্ছে?

    কথাটা শুনে হারমিওন, হ্যারি কোনো জবাব দিলো নাঃ কারণ তার কোনো প্রয়োজন নেই। ওরা খুব ভালো করেই জানে ওদের বর্ষে কেউ কেয়ার অফ ম্যাজিক্যাল ক্রিচারস পড়তে চায় না। হ্যাগ্রিড যখন হাত নাড়ছিলেন তখন ওরা প্রত্যুত্তর দিতে হবে বলেই হাত নেড়েছিল। দশ মিনিট পর হ্যাগ্রিড স্টাফ টেবিল ছেড়ে চলে গেলেন।

    ব্রেকফাস্ট শেষ হওয়ার পর ওরা যে যার চেয়ারে প্রফেসর ম্যাকগোনাগলের কথা শোনার জন্য বসে থাকলো। এবার টাইম টেবিল বিতরণ অন্যান্য বছরের তুলনায় একটু জটিল। প্রফেসর ম্যাকগোনাগলের জানার দরকার নিউটে যে যার সাবজেক্ট পছন্দ বাছাই করার আগে প্রয়োজনীয় অউল পেয়েছে কি না

    হারমিওন নির্বিবাদে চার্মস, ডার্ক আর্টসের বিরুদ্ধে আত্মরক্ষা, ট্রান্সফিগারেশন, হারবোলজি, অ্যারিথমেসি, রহস্যাবৃত প্রতীক (অক্ষরজনিত) এবং পোশান পড়ার অনুমতি পেয়ে গেলো। নেভিলের একটু সময় লাগলো, ওর গোল মুখটা উদ্বিগ্ন দেখাচ্ছিল এবং ম্যাকগোনাগল যখন ওর আবেদনপত্র আর ওর পেঁচা রেজাল্টস খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখতে লাগলেন, তখন ওর সত্যিই হৃদকম্প শুরু হলো।

    হারবোলজি ঠিক আছে, ম্যাকগোনাগল বললেন। প্রফেসর স্প্রাউট পেঁচা-এ আউটস্ট্যান্ডিং পেয়েছে দেখে খুশি হবেন। তুমি দেখছি ডার্ক আর্টসের বিরুদ্ধে আত্মরক্ষায় আশাতীত পেয়েছ। কিন্তু গোল বেধেছে ট্রান্সফিগারেশনে। আমি দুঃখিত লংবটম, তোমার রেজাল্ট মোটামুটি (অ্যাকসেপ্টেবল) তবে নিউট পর্যায়ে পড়া চালিয়ে যাওয়ার জন্য যথেষ্ট নয়। আমার তো তোমার গ্রেডস দেখে মনে হয় তুমি কোর্স ওয়ার্ক যথাযথভাবে চালিয়ে যেতে পারবে।

    নেভিল মাথা নত করল। মোটা চৌকা চশমার কাঁচের ভেতর দিয়ে ম্যাকগোনাগল ওকে তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে দেখলেন।

    বলো, তুমি ট্রান্সফিগারেশন চাইছো কেন? আমিতো কখনো এই সাবজেক্টের প্রতি তোমার উৎসাহ দেখিনি।

    নেভিল খুবই বিপাকে পড়েছে এমন মুখের ভাব করে বিড়বিড় করে বললো, আমার গ্রান্ড মার ইচ্ছে।

    হুম, ম্যাকগোনাগল ঘোৎ ঘোৎ করলেন। তোমার গ্রান্ড মার তোমার মত নাতি পেয়ে গর্বিত হওয়া উচিত… তুমি ভবিষ্যতে কি হবে, না হবে সেটা তোমার নিজের ঠিক করার কথা, বিশেষ করে মিনিস্ট্রির দূর্ভাগ্যজনক ঘটনার পর।

    কথাটা শুনে নেভিলের মুখটা লাল হয়ে গেল এবং বার বার চোখ পিট পিট করতে লাগলো। এর আগে কোনোদিন প্রফেসর ম্যাকগোনাগল ওকে প্রশংসা করেননি। এটা কি প্রশংসা না অন্য কিছু।

    আমি খুবই দুঃখিত; কিন্তু আমি তোমাকে আমার নিউট ক্লাশে নিতে পারছি। তুমি চার্মসে প্রত্যাশার চাইতে বেশি পেয়েছো–তাই চার্মসে নিউট চেষ্টা করো কেন?

    গ্রান্ড মা মনে করেন চার্মসটা খুব সোজা সাবজেক্ট, তোতলাতে তোতলাতে নেভিল বললো।

    চামর্শ নাও, ম্যাকগোনাগল বললেন, আমি অগাস্টাকে এক লাইন লিখে দেবো যে, পেচাতে চার্মস-এ পেঁচা না পেলেও, ওর জন্য সাবজেক্টটা কোন কাজের নয় ভাবা ঠিক হবে না। কথাটা বলে ম্যাকগোনাগল নেভিলের মুখের দিকে তাকিয়ে আত্মসন্তুষ্টি গোছের হাসলেন। তারপর একটা ব্ল্যাংক টাইম টেবিল তার ম্যাজিক ওয়াভের মুখে লাগিয়ে নেভিলকে দিয়ে বললেন, তোমার নতুন ক্লাস সম্বন্ধে এতে সব লেখা আছে।

    ম্যাকগোনাগল তারপর পার্বতী প্যাটেলের দিকে তাকালেন। তার প্রশ্ন হলো, ফিরেঞ্জে এখনও কি ডিভিনেসন শেখাচ্ছেন।

    শুনেছি ও আর প্রফেসর ট্রেলাওয়েনে এ বছর থেকে ক্লাসটা ভাগাভাগি করে নেবেন, ম্যাকগোনাগল বললেন। তার গলায় অপছন্দের সুর। সকলেই জানে ম্যাকগোনাগল ডিভিনেসন সাবজেক্টটা অবজ্ঞার দৃষ্টিতে দেখেন ষষ্ঠ বছরের ক্লাস প্রফেসর ট্রিলনি নিচ্ছেন।

    পার্বতী মুখ হাঁড়ি করে পাঁচ মিনিট পরে ডিভিনেসন ক্লাসের দিকে পা বাড়ালো।

    অতএব, পটার, মিস্টার পটার…, তার নোটগুলো দেখতে দেখতে হ্যারির দিকে তাকালেন। চার্মস, ডিফেন্স এগেন্সট ডার্ক আর্টস, হারবোলজি, ট্রান্সফিগারেসন সবই দেখছি উত্তম। আমি অকপটে বলতে চাই, আমি তোমার ট্রান্সফিগারেসন নম্বর দেখে খুবই খুশি, পটার সত্যই আমি অতি আনন্দিত। তো তুমি পোশান নেবার জন্য আবেদন করোনি কেন? আমার মনে হয়েছে এটা তোমার অরর হবার বহুদিনের আকাঙ্ক্ষা তাই না?

    আপনিতো আমাকে বলেছিলেন যে পেঁচাতে আমাকে আউটস্ট্যান্ডিং পেতেই হবে প্রফেসর।

    প্রফেসর স্নেইপ যখন ওই সাবজেক্টটা পড়াচ্ছিলেন তখন তো তুমি ওটা নিয়েছিলে। প্রফেসর স্লাগহর্ন তাদের জন্য খুশি, যেসব ছাত্ররা পেঁচাতে প্রত্যাশার বেশি পেয়েছে। তুমি কি পোশান নিয়ে আরো পড়তে চাও?

    হ্যাঁ, হ্যারি বললো। কিন্তু আমি তো ওই বিষয়ে কোনো বই বা প্রয়োজনীয় উপকরণ কিনিনি।

    আমার মনে হয় স্লাগহর্ন তোমাকে কিছু বই দরকার হলে দিতে পারেন, প্রফেসর ম্যাকগোনাগল বললেন। তোমার মঙ্গল হোক, ভালো হোক… এই নাও তোমার টাইম টেবল। ওহ্ হো একটা দরকারি কথা গ্রিফিন্ডরের কুড়িজন ছেলে মেয়ে কিডিচ খেলার জন্য নাম দিয়েছে। আমি তোমাকে সেই নামের লিস্ট সময়মতো দেব, তুমি সময় মতো ওরা কেমন খেলে দেখে-টেখে নিও।

    কয়েক মিনিট পরে রনও হ্যারির মতো স্লাগহর্নের ক্লাসে সিলেক্ট হয়ে গেলো। দুই বন্ধুর একই সাবজেক্ট। তারপর দুজনেই একই সঙ্গে টেবিল ছেড়ে চলে গেলো।

    রন টাইম টেবিলটা হাতে নিয়ে হ্যারিকে বললো, এই দেখো, এখন আমাদের ফ্রি পিরিয়ড। লাঞ্চের ব্রেকের পরই আর একটা ফ্রি পিরিয়ড… দারুণ! ওরা আবার কমন রুমে ফিরে এলো। কমনরুম বলতে গেলে একেবারেই খালি। শুধু গোটা বারো সেভেনথ ইয়ারের ছেলে-মেয়ে, তার মধ্যে কেটিবেনও আছে। ও অরিজিন্যাল গ্রিফিন্ডরের কিডিচ টিমের একমাত্র প্লেয়ার, এখনও খেলছে। প্রথম বর্ষ থেকে ও আর হ্যারি রয়ে গেছে।

    ও হ্যারির বুকে আঁটা কিডিচ ক্যাপ্টেনের ব্যাজ দেখে খুশি হয়ে বললো, আমি জানতাম তুমি ক্যাপ্টেন হবে। ওয়েল ডান। তাহলে বলো কবে ও কখন ট্রায়াল শুরু করছো!

    বোকার মতো কথা বলবে না। তোমার আবার ট্রায়াল কি? গত পাঁচ বছর ধরে তো টিমে আছো।

    তাহলেও আমি ট্রায়ালে থাকবো। নতুনদের মধ্যে আমার চেয়েও ভালো প্লেয়ার থাকতে পারে, কেটিবেল বললো। শুধুমাত্র ক্যাপ্টেনের কারণে অনেক ভালো ভালো টিম নষ্ট হয়ে গেছে কেনো বলতো? কারণ তারা নতুনদের চান্স দিতে চায় না, পুরনো প্লেয়ারদের আঁকড়ে বসে থাকে, অথবা বন্ধু তোষণ করে।

    কথাটা শুনে রন একটু অস্বস্তিতে পড়লো, সেই ভাব কাটাবার জন্য ফেনজেড ফ্রিসবি খেলতে শুরু করলো। যেটা হারমিওন ফোর্থ ইয়ারের এক ছাত্রের কাছ থেকে বাজেয়াপ্ত করেছিল। ফ্রিসবি সারা কমন রুমের চারপাশে একটানাভাবে বো বোঁ শব্দ করে ঘুরতে লাগলো। কশ্যাংক রেগে গেলো। হলুদ চোখে যখনই ওটা কাছে আসে রন তখন হিস-হিস শব্দ করে তাড়া করতে লাগলো।

    ঘন্টা খানেক পরে ওরা অনিচ্ছার সঙ্গে রৌদ্রোজ্জ্বল কমন রুম ছেড়ে চারতলা থেকে একতলায় ডিফেন্স এগেন্সট ডার্ক আর্টসের ক্লাশ করতে গেলো। হারমিওন অনেক আগেই সেখানে, হাতে অনেক বই নিয়ে ক্লাস রুমে ঢোকার জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে।

    হ্যারি আর রন ওর কাছে গেলে চিন্তিত মুখে হারমিওন বললো, রনের জন্য এত হোমওয়ার্ক আমাদের দিয়েছেন যে বলার নয়–পনের ইঞ্চি প্রবন্ধ, দুটোর অনুবাদ করতে হবে আর বইগুলো পড়তে হবে বুধবারের মধ্যে!

    রন হাই তুলে বললো, খুবই বাজে।

    তোমরা দাঁড়াও, হারমিওন প্রতিবাদের সুরে বললো। আমি দেখছি বিষয়টি, স্নেইপ ইচ্ছে করেই আমাদের এই কাজের ভার দিয়েছে।

    হারমিওনের কথা শেষ হবার আগেই ক্লাসরুমের দরজা খুলে গেল, স্নেইপ করিডরে এসে দাঁড়ালেন, চিরাচরিত পাণ্ডুবর্ণ মুখ, মাঝখানে সিঁথি, চুলে চপচপে তেল। ওকে দেখেই সকলে চুপ হয়ে গেলো।

    ভেতরে এসো, স্নেইপ ছাত্র-ছাত্রীদের দেখে বললেন। ডাট দেখানোর জন্য স্নেইপ তার মুখ খুব গম্ভীর করে রেখেছেন; ঘরটা অন্ধকার… সে কারণে মনে হয় স্নেইপকে আরো যেনো গম্ভীর দেখাচ্ছে। আলোর জন্য ক্লাসরুমে মোমবাতি জ্বলছে। দেয়ালে টাঙ্গানো রয়েছে নতুন ছবি। ছবিতে দেখা যাচ্ছে অনেক মানুষ যারা ব্যথায় কাতরাচ্ছে নানা কারণে আঘাতপ্রাপ্ত আহত মানুষ কেউবা, খেলতে গিয়ে ভয়াবহ আঘাত পেয়েছে। ছাত্রছাত্রীরা খুব শান্ত ভাবে বসলো, সকলেই চুপচাপ। অনেকেই দেওয়ালে ঝোলানো সে-সব ভীতিকর ছবি দেখছে।

    আমি তোমাদের এখনই বই বার করতে বলছি না, স্নেইপ বললেন। দরজাটা বন্ধ করে দিয়ে ডেস্কের কাছে গিয়ে সকলের সামনে মুখ করে দাঁড়ালেন। কথাটা শুনেই হারমিওন কনফ্রন্টিং দ্য ফেসলেস বইটা তাড়াতাড়ি ওর ব্যাগের মধ্যে রেখে ব্যাগটা টেবিলের তলায় রেখে দিল। আমি তোমাদের কিছু কথা বলতে চাই ও এই বিষয়ে তোমাদের সহযোগিতা চাই।

    তার অবনত মুখ, কালো চোখ দুটো চতুর্দিকে ঘুরতে লাগলো। সকলের থেকে একটু বেশি সময় এক সেকেন্ডেরও কম, হ্যারির দিকে স্থির হয়ে রইলো।

    এর আগে আমি যতদূর জানি এই সাবজেক্টে পাঁচজন টিচার তোমাদের পড়িয়েছেন।

    হ্যারি মনে মনে ভাবলো এর আগে আপনি বোধহয় দেখেননি। এবার আপনার যাবার পালা।

    স্বভাবতই ওইসব টিচারদের ছিল নিজস্ব পড়াবার কৌশল ও পছন্দ। আমি চমকৃত হচ্ছি তোমরা অনেকেই পেঁচাতে এই সাবজেক্টে ভালো গ্রেড পেয়েছে। আমি আরো বেশি চমৎকৃত হব তোমরা যদি সকলে নিউটর কাজকর্ম ঠিক মতো করে যেতে পার, কারণ এখন অনেক উঁচু স্তরের কাজ হবে।

    স্নেইপ বললেন, ডার্কআর্ট অনেক রকমের আছে, নানা প্রকারভেদ থাকলেও প্রতিদিনই পরিবর্তিত হলেও ব্যাপারটা শাশ্বত। কালো জাদুর সঙ্গে লড়াই করা মানে অনেক মুণ্ডুওয়ালা রাক্ষসের সঙ্গে লড়াইয়ের সমতুল্য… তাদের একটা মুণ্ডুচ্ছেদ করলে পূর্বের চেয়ে আরো বেশি ভয়ঙ্কর ও চতুর হয়ে ওঠে। তোমাদের লড়াই করতে হবে এমন সব শক্তির সঙ্গে যাদের আক্রমণের কোনো স্থিরতা নেই, ভয়ঙ্কর যাদের সংহার করার শক্তি।

    হ্যারি স্নেইপের দিকে তাকালো। ওর মনে হলো–একদিকে তিনি বলছেন ডার্ক আর্ট হচ্ছে ভয়ঙ্কর শ… অন্যদিকে তার কণ্ঠে যেনো তাদের প্রতি আপত্য স্নেহ রয়েছে।

    তোমাদের আত্মরক্ষা, স্নেইপ একটু গলা চড়িয়ে বললেন, অবশ্যই তোমাদের তাদের বিনাশের জন্য নতুন পথের সন্ধান করতে হবে। ওই যে ছবিগুলো দেয়ালে টাঙানো আছে দেখতে পাচ্ছো দেখানো হয়েছে ছবিতে ডার্ক আর্টের আক্রমণে কততভাবে আহত বা পীড়িত হচ্ছে, উদাহরণস্বরূপ বলা যায় ক্রমিয়েটাস কার্স। (একজন ডাইনির দিকে হাত তুললেন সে অসম্ভব যন্ত্রণায় ছটফট করছে)। এবার দেখো ফিল দ্য ডিমেন্টরস কিস (একজন উইজার্ড দেওয়ালের কোলে বিশৃঙ্খলভাবে পড়ে রয়েছে, চোখ দুটো ওর ভাবলেশশূন্য। ডিমেন্টররা কিস করলে দেহ থেকে আত্মা চলে যায়। থাকে মস্তিষ্ক আর দেহ) অথবা ইনফেরিদের আক্রমণ করে। (মাটিতে রক্তাক্ত মৃতদেহ পড়ে রয়েছে)। যাদের মৃতদেহে জাদু করে অপরাধের কাজ করানো হয় তাদের বলা হয় ইনফেরি।

    ইনফেরিয়াসদের কি দেখা গেছে, পার্বতী গলার আওয়াজ যতদূর সম্ভব বাড়িয়ে প্রশ্ন করলো। আমরা কি নিশ্চিত তিনি ইনফেরিদের কাজে লাগাচ্ছেন?

    ডার্কলর্ড অতীতেও ইনফেরিদের কাজে লাগিয়েছেন, স্নেইপ বললেন। মনে রাখতে হবে তিনি তাদের আবারও কাজে লাগাতে পারেন।

    কথাগুলো শেষে স্নেইপ তার বিরাট আলখেল্লা মেঝেতে ললাটাতে লোটাতে ডেস্কের কাছে গেলেন।

    তোমরা সকলে, আমার বিশ্বাস, তোমরা নন ভার্বাল স্পেলস ব্যবহার সম্বন্ধে সম্পূর্ণ অনভিজ্ঞ। বলো নন ভার্বাল স্পেলের সুবিধা কী?

    হারমিওন হাত তুললো। স্নেইপ ওর দিকে একবার তাকিয়ে ক্লাসের বাকি ছাত্র-ছাত্রীদের দেখতে লাগলেন। দেখলেন একমাত্র হারমিওন ছাড়া আর কেউ হাত তুলেনি। তাই ওকে ছাড়া আর কাউকে প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার সুযোগ নেই।

    হ্যাঁ, বলো মিস গ্রেঞ্জার।

    আপনি যাকে এটা প্রয়োগ করবেন, ঘটনা ঘটার আগে এটা কোন ধরনের ম্যাজিক প্রয়োগ হতে যাচ্ছে সে জানতে পারবে না। আর এটা সেকেন্ডের খণ্ডাংশ সুবিধা দেবে, হারমিওন বললো।

    স্ট্যান্ডার্ড বুক অফ স্পেলস গ্রেন্ড ৬-এ যা লেখা আছে সেখান থেকে মুখস্থ উত্তর করেছে, স্নেইপ বললেন (ম্যালফয় এককোণে বসেছিলো, মুচকি মুচকি হাসতে লাগলো)। তবে সেই জাদুমন্ত্র সঠিকভাবে উচ্চারণ করা দরকার। হ্যাঁ, দি জাদুমন্ত্র চেঁচামেচি, হইচই না করে শান্তভাবে করে তাহলে আশ্চর্যজনক ফল দেয়। সব জাদুকররা কিন্তু তা পারে না, অবশ্যই একাগ্রতা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে মানসিক শক্তি। কথা বলার সময় স্নেইপের চোখ হ্যারির দিকে বিদ্বেষপরায়ণ দৃষ্টিতে কেন্দ্রীভূত হয়ে রইলো।

    হ্যারি ভালো করেই জানে স্নেইপ গত বছরের তাদের ধ্বংসাত্মক অক্লামেন্সি সম্বন্ধে ভাবছেন। ও স্নেইপের চোখের দিকে কটমট করে তাকিয়ে রইলো। শেষ পর্যন্ত স্নেইপই তার দৃষ্টি সরিয়ে নিলেন।

    তোমরা সকলে সমানভাবে দুটি দলে বিভক্ত হও। প্রথম দল অন্য দলকে কোন কথা না বলে জিনক্স প্রয়োগ করবে। অন্যদল সেই জিনক্স খণ্ডন করার চেষ্টা করবে। মনে থাকে যেনো মুখ থেকে একটি শব্দ বার করবে না দুদলই। নাও শুরু করো।

    স্নেইপ অবশ্য জানেন না, হ্যারি অনেক আগেই, গতবছরে ক্লাশের অর্ধেক সংখ্যক ছাত্রছাত্রীকে (তারা সকলেই ডিএ ক্লাবের সদস্য ছিল) কেমন করে শিল্ডচার্ম করতে হয় শিখিয়েছিল। অবশ্য ওরা শব্দ না করে ওই চার্ম নিক্ষিপ্ত করতে জানে না। অনেকেই জোরে জোরে কথা না বলে ফিস ফিস করে জাদুমন্ত্র আওড়াতে লাগলো। হারমিওন একটিও কথা না বলে নেভিলের জেলিলেগস জিনক্স প্রতিহত করলো। অন্য কোনো শিক্ষক হলে হারমিওনের প্রতিহত করার শক্তি দেখে অন্তত দশ পয়েন্ট গ্রিফিন্ডরকে দিতেন, কিন্তু স্নেইপ সম্পূর্ণভাবে এড়িয়ে গেলেন। ওদের প্র্যাকটিসের সময় স্নেইপ অনেকটা মোটা বাদুড়ের মতো ক্লাশের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ঘুরে বেড়াতে লাগলেন। হ্যারি ও রন যখন চেষ্টা করছে, স্নেইপ ওদের দিকে তাকিয়ে ঘরময় ঘোরাঘুরি করে দেখতে লাগলেন।

    রন হ্যারিকে জিক্স করার কথা। ও মুখ লাল করে ঠোঁট চেপে রইলো ক্ষেপন করার সময় একটিও কথা না বলার অভ্যাস সম্বরণ করে। হ্যারি ওর দণ্ড তুলে অপেক্ষা করতে লাগলো অনিশ্চিত অবস্থায় রনের জিনক্স প্রতিহত করার জন্য। কিন্তু সে সুযোগ ও পেলো না। রন জিনস প্রয়োগ করতে পারছে না।

    স্নেইপ রনের দিকে তাকিয়ে বললেন, তোমার তো করুণ অবস্থা! এদিকে এসো কেমন করে করতে হয় তোমায় দেখাচ্ছি।

    হ্যারির দিকে স্নেইপ তার জাদুদণ্ড ফেরালেন, হ্যারি তৎক্ষণাৎ সেটা রোধ করতে গেলো, কিন্তু অভ্যাসবশত কোনো কথা না বলে স্পেল করার কথা ভুলে গেল। ও জোর গলায় বললো, প্রটেগো!

    ওর শিল্ড চার্ম এতো শক্তিশালী ছিলো যে স্নেইপ ব্যালেন্স হারিয়ে উল্টে গিয়ে ডেস্কের ওপোর পড়লেন। ক্লাশের সকলে তাকিয়ে রইলো স্নেইপের দিকে। স্নেইপ ভুরু কুঁচকে সোজা হয়ে দাঁড়ালেন।

    তোমার কি মনে নেই পটার আমি বলেছিলাম কথা না বলে স্পেলস ব্যবহার করতে হবে?

    হ্যাঁ বলেছিলেন, হ্যারি অনমনীয় কণ্ঠে বললো। হা স্যার! স্নেইপ বললেন। স্যার বলার প্রয়োজন মনে করি না।

    কথাটা মুখ থেকে ফসকে বেরিয়ে যাবার আগে ও জানতো না কি বলছে। হ্যারির কথাটা শুনে অনেকেই মূৰ্ছা যাওয়ার যোগাড়। এমন কি হারমিওনেরও। স্নেইপের চোখের আড়ালে রন, ডিন আর সিমাস দাঁত বার করে হাসতে লাগলো। হাসিটা এমন যেনো ঠিক বলেছো।

    স্নেইপ বললেন, শনিবার আমার অফিসে বন্দি, পটার আমি কারও কাছ থেকে উপদেশ গ্রহণ করি না এমনকি চুজেন ওয়ানের কাছ থেকেও।

    খানিকক্ষণ পরে ব্রেকের সময় বাইরে হাঁটতে হাঁটতে রন বললো, দারুণ বলেছো হ্যারি!

    রনের দিকে ভুরু কুঁচকে তাকিয়ে হারমিওন বললো, তোমার ওটা বলা উচিত হয়নি হ্যারি! হঠাৎ ওই কথা বলতে গেলে কেন?

    তোমাদের চোখের আড়ালে আমাকে জিক্স করতে চেয়েছিলেন! হ্যারি ক্রুদ্ধ কণ্ঠে বললো। ওনার কাছে অকলামেন্সি লেসন নেবার সময় অনেক সহ্য করেছি। আমার বদলে অন্য একজন গিনিপিগ হিসেবে বেছে নিলেই তো পারেন! ডাম্বলডোর কেন যে ওনাকে ডিফেন্স শেখাতে বলছেন?

    ডার্ক আর্টস সম্বন্ধে কথা বলার সময় ওনার চোখ মুখের উদ্ভাসিত ভাব দেখেছিলে? উনি ওই সমস্ত ভালোবাসেন। বলছিলেন না, অজানা অবিনাশকারীদের সম্বন্ধে।

    আমার মনে হয় স্নেইপ ঠিক তোমার মতোই কথা বলেন, হারমিওন বললো। আমার মতো মানে?

    হ্যাঁ, তুমি যখন ভোল্টেমর্টের মুখোমুখি হওয়ার কথা আমাদের বলেছিলে, তোমার মুখের অবস্থাও ওই রকমই হয়েছিল। তুমি বলেছিলে, একগুচ্ছ স্পেল (জাদুমন্ত্র) মনে রাখার ব্যাপার নয়, তুমি বলেছিলে, তোমার মস্তিষ্ক এবং তোমার সাহস, স্নেইপও এমনইভাবে কথা বলেছিলেন না? সাহসী ও দ্রুত চিন্তাকারীরা একই রকম হয় না?

    হ্যারি আর ওই বিষয় নিয়ে কথা বলতে চাইলো না। মনে আসলেও বললো, যে তার কথা দ্য স্ট্যান্ডার্ড বুক অব স্পেলস মুখস্থ করার মত শোনাচ্ছে।

    হ্যারি! এই হ্যারি!

    পেছন থেকে কে যেনো ওকে ডাকলো। হ্যারি পেছনে তাকালো। দেখলো জ্যাক সুপার, গত বছরের গ্রিফিন্ডর কিডিচ টিমের অন্যতম বিটার। ওর দিকে বলতে গেলে ছুটতে ছুটতে আসছে। ওর হাতে গোল করে পাকানো পার্চমেন্ট।

    তোমার এটা, সুপার হাঁপাতে হাঁপাতে বললো। শুনেছি এবারে ক্যাপ্টেন হয়েছো? তুমি কবে ট্রায়াল গেম করছো?

    এখনও সে সম্বন্ধে কিছু ঠিক করিনি, হ্যারি নিজের মনে ভাবলো, ও যদি টিমে জায়গা পায়, তাহলে অবশ্যই ওটা ওর সৌভাগ্য ছাড়া আর কিছুই বলা যাবে না। তোমাকে পরে জানাবো।

    খুব ভালো, আমি ভাবছিলাম আগামী শনিবারে…।

    হ্যারি কিন্তু সুপের কোন কথাই মনদিয়ে শুনছে না। ওর চোখ পড়ে রয়েছে বাঁকা বাঁকা অক্ষরে পার্চমেন্টের লেখার ওপোরে। সুপের সঙ্গে আর কোনো কথা না বাড়িয়ে রন ও হারমিওনের সঙ্গে এগিয়ে গিয়ে পার্চমেন্টটা খুললো। পড়তে শুরু করলো।

    প্রিয় হ্যারি,
    আমার ইচ্ছে আমাদের প্রাইভেট লেসন এই শনিবার থেকে শুরু করি। তাই তুমি রাত আটটার সময়ে অবশ্যই আমার অফিসে আসবে। আশাকরি স্কুলে ফিরে এসে প্রথম দিনটা খুব আনন্দের সঙ্গে কাটিয়েছে।
    তোমার বিশ্বস্ত আলবাস ডালডোর
    বি:দ্র: আমার এসিড পপস্ খুব ভালো লেগেছে।

    রন হ্যারির পেছন থেকে ডাম্বলডোরের চিঠিটা পড়ে বললো, অ্যাসিড পপস্ ভালো লেগেছে–মানে বুঝলাম না।

    ওটা গারগয়েলের সামনে গিয়ে ডাম্বলডোরের স্টাডিতে ঢোকার পাসওয়ার্ড। হ্যারি বললো খুব গলা নামিয়ে। হায়! খবরটা শুনে স্নেইপ নিশ্চয়ই খুশি হবেন না, আমি থোড়াই ওর ডিটেনসনে থাকবো।

    ডাম্বলডোর ওকে কি প্রাইভেট লেসন দেবেন তা নিয়ে তিনজনেরই অনেক জল্পনা-কল্পনা। রন ভাবলো খুব সম্ভব দুঃসাহসিক জিঙ্কস আর হেকসেস-এর উচ্চ পর্যায়ের জাদুমন্ত্র ও জাদুটোনা যেগুলো ভোল্টেমর্টের অনুগামী ডেথইটাররা জানে না। হারমিওন বললো ওই জাদুমন্ত্রগুলো সম্পূর্ণ বেআইনী, খুব সম্ভব ডাম্বলডোর হ্যারিকে অ্যাডভান্সড ডিফেনসিভ ম্যাজিক শেখাবেন। ব্রেক শেষ হলে হারমিওন ওর অ্যারিথমেনসি ক্লাসে চলে গেলো, হ্যারি আর রন গেলো কমনরুমে। ওখানে বসে মুখ গোমড়া করে স্নেইপের দেওয়া হোমওয়ার্ক করতে লাগলো। এতো কঠিন কাজ দিয়েছেন যে নাজেহাল হয়ে গেলো, তার আগেই হারমিওন আফটার লাঞ্চ ফ্রি পিরিয়ডে যোগ দিতে এলো ওদের কাছে। যখন সন্ধ্যা বেলার ডবল পোশানের ক্লাসের ঘণ্টা বাজলো ওরা তখন সবেমাত্র কাজ শেষ করেছে। ওরা অতিপরিচিত পথ ধরে ভূগর্ভস্থ অন্ধকার ক্লাসরুমে চললো। ওই ক্লাসটা আগে স্নেইপ নিতেন।

    ওরা যখন করিডরে পৌঁছলো দেখলো বারোজন ছাত্রছাত্রী নিউট লেভেলে কাজ করছে। গোয়েল আর ক্রাবে পেঁচাতে আবশ্যিক গ্রেড পায়নি; তারপরও চারজন স্নিদারিন পেয়েছে, এর মধ্যে ম্যালফয় একজন। চারজন র‍্যাভেন কু এবং একজন হাফেলপাক রয়েছে, এরনি ম্যাকমিলান। হ্যারি ওর জাঁকালো চালচলন পছন্দ না করলেও মানুষ হিসেবে ওকে অপছন্দ করে না।

    হ্যারিকে দেখে এরনি ম্যাকমিলন করমর্দনের জন্য হাত বাড়িয়ে বললো, হ্যারি আজ সকালের ক্লাসে ডিফেন্স এগেন্সট ডার্ক আর্টস ক্লাসে কিছু বলার সুযোগ পেলাম না, আমার মতে ভালই লেসন, কিন্তু শিল্ডচার্মস একেবারে বস্তাপচা, অবশ্য আমরা যারা ডিএ ক্লাসে আগে করেছি… ওহো রন, হারমিওন কেমন আছো তোমরা?

    ওরা কিছু বলার আগেই ডানজিওন ক্লাসরুমের দরজা খুলে গেলে বেরিয়ে এলেন বিরাট বপু, টাক মাথাওয়ালা মোটাসোটা স্লাগহর্ন। ছেলেমেয়েরা লাইন লাগিয়ে ক্লাসে ঢুকলো। পাকানো সাদা গোঁফ ওর হাসি হাসি মুখের ওপর শোভা পাচ্ছে। অন্য ছেলেমেয়েদের দিকে স্মিত মুখে তাকালেন; কিন্তু হ্যারি আর জাবিনিকে একটু বেশি করে শুভেচ্ছা জানিয়ে হাসলেন। হাসার সময় স্লাগহর্নের ঠোঁটের ওপর দুধারে পাকানো গোঁফ হেলে দুলে উঠলো।

    অন্ধকার পাতাল ঘর খুবই অস্বাভাবিক লাগলেও ভেতরে যা হচ্ছে তা স্বাভাবিক। ঘরের মধ্যে প্রচুর বাম্প আর পঁচা গন্ধ। বিরাট আকারের একটা কলড্রনে কিছু টগবগ করে ফুটছিল। ওরা তিনজন সেই কলড্রনের পাশ দিয়ে যেতে গন্ধ ও ধোঁয়াতে প্রবলভাবে হাঁচতে লাগলেন। চারজন স্লিদারিন একটা টেবিলের কাছে এক সঙ্গে বসলো, একইভাবে বসলো র‍্যাভেন ক্লরা। হ্যারি, রন, হারমিওন উপায়ান্তর না দেখে এরনির সঙ্গে অন্য একটা টেবিলে বসলো। ওরা বেছে নিলো একটা সোনালী রং-এর কলড্রন। সেই কলড্রন থেকে এমন এক ঘুমপাড়ানি গন্ধ আসছিল যা হ্যারি আগে পেয়েছিলো। যাহোক ওর মনে পড়ে গেলো ঘন ও মিষ্টি গন্ধ, ঝাড়ুর হাতলের কাঠ কাঠ গন্ধ কিছু ফুলের গন্ধ। এর আগেও ও ওইরকম গন্ধ দ্য বারোতে থাকাকালীন পেয়েছে। ওর মনে হলো ও খুব ধীরে ধীরে ও গভীরভাবে শ্বাস-প্রশ্বাস নিচ্ছে। ফুটন্ত পোশানের বাষ্প ওকে যেনো নেশাগ্রস্ত করছে। গভীর এক প্রাপ্তির সুখ ওকে আচ্ছন্ন করেছিল, ও রনের দিকে তাকিয়ে মুচকি হাসলো। রনও মুখটিপে হাসলো তবে মন খুলে নয়।

    তারপর এখন, এখন তারপর তারপরে… স্লাগহর্ন বললেন। স্লাগহর্নের বিরাট শরীরের (দেহ রেখা) বাষ্পে ঢেকে গিয়ে কাঁপছে… স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে না তাকে। তোমরা সকলে এবার স্কেলস বার করো, পোশান কিটও, আর তোমাদের অ্যাডান্স পোশান মেকিং-এর কপি বার করতে ভুলবে না।

    স্যার, হ্যারি একটা হাত তুলে বললো। হ্যারি মাই বয়!

    আপনি যা যা বার করতে বললেন, সেসব আমার কাছে একটাও নেই, রনেরও নেই–আমরা আগে বুঝতে পারিনি আমরা নিউট করতে পারবো, আপনি..।

    ও হ্যাঁ ঠিকই, প্রফেসর ম্যাকগোনাগল বলছিলেন বটে, যাকগে এ নিয়ে ভাবনার কিছু নেই মাইডিয়র বয়… একদম কিছু চিন্তা করবে না। আজকের মতো স্টোর কাবার্ড থেকে কিছু উপাদান নিতে পারো, আমরা তোমাকে ওজন করার যন্ত্র দিতে পারি। আমাদের কাছে কয়েকটি পুরনো বইও আছে। তুমি ফুরিশ ও ব্রটস থেকে বই কেনার জন্য লেখা পর্যন্ত… ওগুলো কাজে দেবে।

    কথাগুলো বলে স্লাগহর্ন থপথপ করে কাবার্ডের কাছে গিয়ে দুটো প্রায় ছেঁড়াখোড়া লিবেটিয়াসের লেখা অ্যাডভান্স পোশন মেকিং কপি বার করে পাতা ওল্টাতে ওল্টাতে হ্যারি রনকে বইটা আর কিছু রংচটা ওজন করার স্কেল দিলেন।

    তাহলে এখন, স্লাগহর্ন ক্লাসের সামনে এসে দাঁড়িয়ে ফোলা বুকে দম নিয়ে আরো প্রসারিত করলেন। তার ওয়েস্ট কোর্টের বোতামগুলো প্রায় ছিঁড়ে পড়ার অবস্থা হলো বুক ফোলানোর জন্য। শোনো আমি কিছু পোশান তোমাদের জন্য বানিয়েছি। ইচ্ছে করলে দেখতে পারো। নিউট শেষ করার পর তোমরা নিজেরাই এগুলো তৈরি করতে পারবে, মানে তৈরি করতে পারা উচিত। তোমরা নিশ্চয়ই এগুলো সম্পর্কে শুনেছো, যদি সেগুলো এখন পর্যন্ত না বানিয়ে থাকো তাহলে তোমাদের মধ্যে কেউ আমাকে বলল ওটা কী?

    স্লাগহর্ন দিারিন টেবিলের কাছে রাখা কলড্রনটা দেখালেন। হ্যারি দেখার জন্য চেয়ার থেকে সামান্য উঠার চেষ্টা করলো, কিন্তু দেখলো কলড্রনে শুধু সাদা জল টগবগ করে ফুটছে।

    অন্যরা হাত তোলার আগেই হারমিওন হাত তুললো, স্লাগহর্ন আঙ্গুল দিয়ে ওকে বললেন প্রশ্নের জবাবের জন্য।

    ওটা হচ্ছে স্বাদ-গন্ধহীন পোশান, ওই পোশানটা যে খাবে সে সত্য কথা বলতে বাধ্য হবে।

    বা! বা! চমৎকার। স্লাগহর্ন বললেন। মনে হলো হারমিওনের সঠিক উত্তরে স্লাগহর্ন খুব খুশি। এখন র‍্যাভেনক্লদের টেবিলের কাছে কলড্রনটা দেখিয়ে বললেন, ওর মধ্যে যেটা আছে সকলের খুবই পরিচিত, মিনিস্ট্রির লিফলেটেও লেখা আছে, এখন কে বলবে?

    আবার সবার আগে হারমিওন হাত তুললো। ওটা পলিজুস পোশান স্যার, ও বললো।

    হ্যারিও জানে কলড্রনে কাদার মতো পদার্থটা কি। খুব ধীরে ধীরে কলড্রনে ওটা ফুটছে। কিন্তু হারমিওনকে উত্তর দেওয়ার সুযোগ দিয়ে নিজে চুপ করে রইলো। হারমিওন যখন সেকেন্ড ইয়ারে পড়ে তখন ও পলিজুস পোশান বানিয়েছিলো।

    চমৎকার চমৎকার! এখন ওটার মধ্যে কি রয়েছে বলতো? স্লাগহর্ন বললেন। হারমিওন পুনরায় হাত তুললে স্লাগহর্ন সামান্য হতবুদ্ধি হলেন।

    এমরেটেনসিয়া, স্যার।

    ঠিক তাই, মনে হয় বোকার মতো প্রশ্ন করেছি, স্লাগহর্ন বেশ প্রভাবিত হয়ে বললেন। তাহলে তুমি নিশ্চয়ই জানো এটা কিসের জন্য ব্যবহার করা হয়?

    পৃথিবীর মধ্যে সবচাইতে শক্তিশালী লাভ পোশান, হারমিওন স্বাভাবিকভাবে বললো।

    একেবারে সত্যি জবাব দিয়েছো! তুমি ধরতে পেলো, আমার মনে হয় এর সুনির্দিষ্ট মাদার অফ পার্ল উজ্জ্বলের জন্য।

    যে কুণ্ডুলি কুণ্ডুলি ধোয়া বেরোচ্ছে ওর বৈশিষ্ট, হারমিওন খুবই আগ্রহের সঙ্গে প্রত্যেকেই এর গন্ধ আমরা আলাদা আলাদাভাবে পাই, যে গন্ধটা আমরা চাই আমি কচি কচি ঘাস কাটার ও নতুন পার্চমেন্টের গন্ধ পাচ্ছি। আর…।

    হঠাৎ ওর গাল দুটো গোলাপি বর্ণের হয়ে গেলো। কথাটা শেষ করতে পারলো না।

    স্লাগহর্ন ওর দিকে তাকিয়ে বললেন, তোমার নামটি তো জানতে পারলাম না মাইডিয়ার? স্লাগহর্ন হারমিওনের চোখে মুখে বিহ্বলতা লক্ষ্য করলেন।

    হারমিওন গ্রেঞ্জার স্যার।

    গ্রেঞ্জার? গ্রেঞ্জার? তুমি কী হেক্টর ডাগওয়ার্থ গ্রেঞ্জারের আত্মীয়, যিনি খুবই বিখ্যাত সোসাইটি অফ পোসানিয়র্স প্রতিষ্ঠা করেছিলেন…?

    না স্যার… আমার তো মনে হয় না, আমি মাগল পরিবারে জন্মেছি।

    হ্যারি লক্ষ্য করলো কথাটা শুনে ম্যালফয়, নটের কাছ ঘেঁসে বসলে, ওর কানে কানে ফিস ফিস করে কিছু বললো। তারপর দুজনেই মিটি মিটি হাসলো। স্লাগহর্ন কোনোরকম হারমিওনের উত্তরে হতাশ নন বরং হারমিওনের মুখের দিকে মুগ্ধ দৃষ্টিতে তাকিয়ে এবার তিনি হ্যারির দিকে তাকালেন। হ্যারি হারমিওনের পাশে বসেছিল। স্লাগহর্ন বললেন, ওহোহো… কি সুখের কথা আমার সবচেয়ে প্রিয় বন্ধু মাগল পরিবারের, এ বছরের সেরা ছাত্রী! আমার মনে হয় হ্যারি তুমি এই কথা আমাকে বলেছিলে?

    হা স্যার, হ্যারি বললো।

    ভালো… অতি উত্তম। তাহলে সকলের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে গ্রিফিল্ডর পেলো কুড়ি পয়েন্ট। কষ্টার্জিত পয়েন্ট বলতে পারো। কি বলো মিস গ্রেঞ্জার? স্লাগহর্ন অমায়িকভাবে বললেন।

    ম্যালয়ের মুখ দেখে মনে হলো, হারমিওন ওর মুখে সজোরে একটা ঘুষি মেরেছে। হারমিওন হ্যারির দিকে মুখ ফিরিয়ে আনন্দে উদ্ভাসিত হয়ে চাপা গলায় বললো, হ্যারি তুমি বলেছো, আমি এই বছরে সর্বশ্রেষ্ঠ স্টুডেন্ট? ওহ হ্যারি?

    আরে তাতে এত খুশি হওয়ার কি আছে? রনও চাপা গলায় বললো। ও কোনো কারণবশত চিন্তিত, আমাকে যদি জিজ্ঞেস করতেন তাহলে আমি একই কথা বলতাম।

    হারমিওন হাসলো, শা… শা বলে চুপ করতে বললে স্লাগহর্নের কথা শোনার জন্য সে খুবই উৎসুক। রনের মুখে হতাশার ছাপ!

    অবশ্যই বলতে হবে। অ্যামরটেনসিয়া ভালোবাসা সৃষ্টি করে না। ভালোবাসা উৎপাদন করা অথবা নকল করা অসম্ভব। না, ভালোবাসা একটি শক্তিশালী বুদ্ধিভ্রষ্টকারী অথবা আবেগ সৃষ্টি করে। সম্ভবত সবচেয়ে বেশি বিপজ্জন ও শক্তিশালী পোশান এই ঘরে রয়েছে–ও হ্যাঁ, স্লাগহর্ন ম্যালফয় ও নটের দিকে তাকিয়ে গম্ভীর গলায় বললেন। দুজনেই তখন মনযোগ দিয়ে তাঁর কথা শুনছিলো না। যখন তোমাদের আমার মতো বয়স ও অভিজ্ঞতা হবে তোমরাও মনকে আবিষ্ট করা ভালোবাসার প্রাণ শক্তিকে অমূল্যায়ন করবে না।

    এখন, স্লাগহর্ন বললেন। আমাদের কাজ শুরু করার সময় হয়েছে। স্যার, আমাদের আপনি বলেননি ওর ভেতরে কি রয়েছে, এরনি ম্যাকমিলান, স্লাগহর্নের ডেস্কের ওপোরে রাখা একটি ছোট কালো কলড্রনের দিকে আঙ্গুল দেখিয়ে বললো। কলড্রনের মধ্যে রাখা পোশান নির্বিবাদে ছিটিয়ে দিচ্ছিলো। রঙ তার গলানো তরল স্বর্ণের মতো, বড়ো বড়ো ফোঁটাগুলো তরল পদার্থের ওপোরের স্তরে গোল্ডফিশের মতো লাফালাফি করলেও একটি ফোঁটাও কলড্রন থেকে ছিটকে বাইরে পড়ছে না।

    ও তাইতো, স্লাগহর্ন আবার বললেন। হ্যারি কিন্তু জানে স্লাগহর্ন মোটেই ভুলে যাননি। অপেক্ষা করছেন পোশানের নাটকীয় পরিণতি সম্বন্ধে প্রশ্নের অপেক্ষায়। তো লেডিস অ্যান্ড জেন্টেলমেন–ওটি হচ্ছে একটি দুষ্প্রাপ্য সামান্য এক পোশান। নাম ফেলিক্স ফেলিসিস! আচ্ছা মিস গ্রেঞ্জার ওটা কি কাজে লাগে বলতে পারো?

    বলতে পারি স্যার, লিকুইড লাক, হারমিওন সঙ্গে সঙ্গে দাঁড়িয়ে উত্তেজিত স্বরে বললো। আমাদের ভাগ্য সুপ্রসন্ন করে।

    হারমিওনের কথা শুনে ক্লাসের সব ছেলেমেয়েরা টানটান হয়ে বসলো। হ্যারি দেখলো ম্যালফয় সরাসরি হারমিওনের মুখের দিকে তাকিয়ে রয়েছে। ওর মসৃণ সোনালী চুল সামান্য আলো পড়ে চকচক করছে। মনে হলো অনেকটা সময় অ মনোযোগী হয়ে বসে থাকার পর এখন ও স্লাগহর্নের মনোযোগ আকর্ষণ করতে চাইছে।

    কারেক্ট! গ্রিফিন্ডরের দশ পয়েন্ট যোগ হবে।… হ্যাঁ, ফেলিক্স ফেলিসিস ছোট একটি মজাদার পোশান, স্লাগহর্ন বললেন। ওটা বানাতে প্রচুর দক্ষতার প্রয়োজন। এবং ভুল করে বানালে দুর্ঘটনা ঘটায়। যাই হোক, তুমি যদি ঠিকমতো বানাও, যেমনটি আমি বানিয়েছি, তাহলে তুমি দেখবে তোমার প্রচেষ্টা ফল দেবে। অবশ্যই যতক্ষণ পর্যন্ত ওর কার্যক্ষমতা থাকে।

    তাহলে সকলে ওটা সবসময় খায় না কেন স্যার? টেরী বুট উৎসুক হয়ে জিজ্ঞেস করলো।

    কারণ বেশি পরিমাণে খেলে মাথা ঘুরবে, যোগ্যতা হারাবে, বেপরোয়া এবং ভয়ঙ্করভাবে আত্মবিশ্বাসী হবে, স্লাগহর্ন বললেন। ভালো জিনিস বেশি পরিমাণে খেলে বিষবৎ হয় তা তো তোমরা জানো। খুব সংযতভাবে এবং মাঝেমধ্যে খেতে হবে।

    আপনি কখনো খেয়েছেন স্যার? মাইকেল কর্নার প্রবল উৎসাহের সঙ্গে জানতে চাইলো।

    জীবনে মাত্র দুবার খেয়েছি, স্লাগহর্ন বললেন। একবার যখন আমার কুড়ি বছর বয়স, আরেকবার যখন সাতান্ন বছরে। দুদিন, দিনে দুবার ব্রেকফাস্ট খাবার পর।

    উনি ভাসা ভাসা দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলেন। যেনো পৃথিবীর বাইরে কোনো দেশে। হ্যারি ঠিক বুঝতে পারলো না স্লাগহর্ন অনেকদিন আগের এক জীবনে ফিরে গেছেন না নাটক করছেন কিন্তু যাই করুন না কেন তার ফল ভালোই হলো।

    এবং তারপর, স্লাগহর্ন যেন ধরার পৃথিবীতে ফিরে এলেন, বললেন এই লেসনে তোমাদের কে পুরস্কার দিতে পারি।

    ঘরে দারুণ নীরবতা। এতো বেশি নীরবতা যে কলড্রনের পোশান টগবগ করে ফুটছে, বুদবুদ উঠছে, ফেটে যাচ্ছে, তারই শব্দ দশগুণ হয়ে শোনা যাচ্ছে।

    ছোট এক বোতল ফেলিক্স ফেলিসিস, স্লাগহর্ন। নিজের পকেট থেকে বার করে অতি ক্ষুদ্র কাঠের ছিপি আটা বোতল হাতে তুলে সকলকে দেখালেন। বার ঘণ্টাব্যাপী সৌভাগ্যের জন্য যথেষ্ট। ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত, তুমি যাই করতে চেষ্টা করবে তা তুমি ভাগ্যবান হিসেবে সফল হবে।

    এখন আমার তোমাদের অবশ্যই সতর্ক করে দেওয়া প্রয়োজন যে ফেলিক্স ফেলিসিস এসব ক্ষেত্রে নিষিদ্ধ পদার্থ–কোনো সংগঠিত প্রতিযোগিতায়, খেলাধুলায়, যেমন–পরীক্ষা অথবা নির্বাচনে। এ পুরস্কার জয়ী শুধু সাধারণ দিনে ব্যবহার করতে পারবে এবং দেখবে কেমন বিশিষ্ট, বিস্ময়কর হয়ে যায়।

    অতএব, স্লাগহর্ন কিছুটা সময় নিয়ে বলে উঠলেন। তা হলে তোমরা কেমন করে আমার চমৎকার পুরস্কার পাবে? পাবে, অ্যাডভান্সড পোশান মেকিং-এর পৃষ্ঠা দশ বার করলে। আমাদের এখন এক ঘণ্টার চেয়ে সামান্য বেশি সময় হাতে রযেছে, তাহলে তোমরা মানুষের চরম দুরবস্থা প্রতিরোধের ওষুধের মাত্রা বিষয়ে বেশ ভালোভাবে জানার চেষ্টা করতে পারবে। আমি জানি আগে যেসব শিখেছো তার চেয়ে এটা অনেক জটিল তাই কারও কাছ থেকে আমি নিখুঁত পোশান আশা করছি না। যে প্রতিযোগিতায় সবচেয়ে ভালো করবে যে সামান্য ফেলিক্স পুরস্কার পাবে… নাও তোমরা এখন বানাতে শুরু করো তোমাদের সিটে বসে!

    যার যার কলড্রন টেনে নেওয়ার খচ খচ শব্দ, কারও কারও তাদের স্কেলের ওপর ভারি বাটখারা রাখার খট খট শব্দ। কিন্তু নিঃশব্দে ঘরের মধ্যে সকলেরই একাগ্রতা খুবই স্পষ্ট। হ্যারি দেখলো ম্যালফয় ওর এডভান্সড পোশান মেকিং-এর কপিটা হাতে নিয়ে এলোপাতাড়ি পাতার পর পাতা উল্টে যাচ্ছে। ওর মুখ দেখে বোঝার উপায় নেই সত্যি কি ও লাকি ডে চায়। স্লাগহর্ন যে জীর্ণ বইটা ওকে দিয়েছেন সেটা মাথা নিচু করে হ্যারি মন দিয়ে পড়তে শুরু করলো।

    বইটার আগের মালিক সবকটি পাতায় অনেক কিছু খুবই পেচানো অক্ষরে নোট লিখে গেছে। সেগুলো দেখে হ্যারি বিরক্ত হলো। বইয়ের মার্জিনে একটুও সাদা অংশ নেই, বইয়ের ছাপার পাতার মতোই ভরা হাতের নানা কালো লেখায়। ডিসাইফার করার চেষ্টা করলো; কিন্তু পারলো না। (যেখানে ইনগ্রেডিয়েন্টস ডি সাইফার নির্দেশ আছে সেখানে আগের মালিক নতুন টিকা লিখে ছাপা অক্ষরের নির্দেশ কেটে দিয়েছে)। হ্যারি সময় নষ্ট না করে স্টোরে গিয়ে ওর যা দরকার তা খুঁজতে লাগলো। ও নিজের সিটে ফিরে যাওয়ার সময় দেখলো ম্যালফয় যতো তাড়াতাড়ি পারে ভ্যালেরিয়নর শেকড় কাটছে।

    অন্যরা কি করছে না করছে দেখার জন্য প্রত্যেকেই এধার ওধার তাকাতে লাগলো। পোশান বানানোর জন্য কে কি করছে না করছে দেখার সুবিধে, অসুবিধে দুই-ই আছে। অন্যের কাজ দেখতে গেলে নিজের কাজ গোপন রাখার উপায় নেই। দশ মিনিটের সমস্ত ক্লাসরুম সবুজ বাস্পতে ভরে গেলো। হারমিওনকে দেখে মনে হয় যতদূর সম্ভব ভালোভাবেই এগোচ্ছে। ওর পোশান ইতোমধ্যে মসৃণ লিকুইডে পরিণত হয়েছে। ঠিক বইতে যেমন লেখা আছে। সম্পূর্ণ কাজের অর্ধেক অবস্থায় পৌঁছেছে।

    শেকড়গুলো টুকরো টুকরো করে হ্যারি আবার সেই বইটির পাতায় তাকালো। খুবই বিরক্তিকর সন্দেহ নেই এত হাতের লেখা যে বইতে প্রকৃত ডিসাইফার করার নির্দেশ বোঝা যায় না। বইটির আগের মালিক যেখানে পেরেছে সেখানে যা খুশি তাই লিখেছে মূর্খের মতো। যেকোনও কারণেই হোক কাটাকুটি করার বা সফোফোরাস বীন টুকরো টুকরো করার বিপরীত নির্দেশ হিসেবে লিপিবদ্ধ করেছে বইয়ের পাতায়।

    রূপোর ছুরির চ্যাপ্টা দিক দিয়ে গুড়ো করলে টুকরো করে কাটার চাইতে অনেক বেশি জুস নির্গত হবে স্যার, আপনি খুব সম্ভব আমার পিতামহ, অ্যাব্রাকসাস ম্যালয়ের নাম শুনেছেন?

    কথাটা শুনে হ্যারি বই থেকে মুখটা তুললো। স্লাগহর্ন ঠিক সেই সময়ে শ্রিদারিনদের টেবিলের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন।

    হ্যাঁ শুনেছি, স্লাগহর্ন বললেন, ম্যালফয়ের দিকে না তাকিয়ে। তার মৃত্যুর খবর পেয়ে আমি খুবই দুঃখিত হয়েছিলাম। ওই বয়সে ড্রাগন পক্স হলে বাঁচা খুবই কঠিন ব্যাপার, বলে সেখান থেকে হেঁটে চলে গেলেন।

    ম্যালফয় ও স্লাগহর্নের কথা শুনে কলড্রনে কাজ করতে করতে হ্যারির মনে হলো ম্যালফয় আশা করছিল স্লাগহর্ন তার সঙ্গে তার আর জাবিনির মতোই আচরণ করবেন। স্নেইপের কাছ থেকে যেরকম আলাদা খাতির সে পায়, সেইরকমই কিছু আলাদা খাতির স্লাগহর্ন ওর সঙ্গে করুন। ম্যালফয় যে কথাটা এখন বুঝতে পেরেছে ফেলিক্স ফেলিসিসি লাভ করতে হলে চাই তার মেধা, অন্য কিছু নয়।

    সফোফোরাস বিনস কাটা খুবই শক্ত লাগছে হ্যারির। হ্যারি হারমিওনের দিকে তাকালো।

    তোমার রুপোর চাকুটা আমাকে কিছুক্ষণের জন্য দিতে পারবে?

    হারমিওন কাজ করতে করতে মাথা ঝাঁকালো, না। একবারও ওর পোশান থেকে দৃষ্টি সরলো না। তখনও ওর পোশানের রঙ গাঢ় রক্ত-বেগুনি। যদিও পাঠ্যপুস্তকে লেখা আছে, ওই সময়ে পোশানের রঙ হবে হালকা নীল।

    হ্যারি চাকুর চ্যাপ্টা অংশ দিয়ে বিন গুড়ো করলো। অবাক হয়ে দেখলো অনেক রস সেখান থেকে বের হয়েছে, যা সে আগে ভাবতেই পারেনি।

    ওর বইয়ের আগের মালিকের ওপোর বিরক্তি উধাও হলো এবং কৃতজ্ঞতায় ভরে উঠলো মন। হ্যারি নির্দেশের দ্বিতীয় লাইনে তেরছাভাবে তাকালো। নির্দেশ অনুসারে পোশানটা জলের মতো স্বচ্ছ না হওয়া পর্যন্ত ঘড়ির কাটা বিপরীত দিকে ঘোরানোর মতো নাড়িয়ে যেতে হবে। আগের মালিকের নির্দেশ অনুসারে সাতবার এভাবে কাউন্টার কুকওয়াইজ করার পর একবার কুকওয়াইজ করতে হবে। কিন্তু বইয়ের আগের মালিকের অনুসারে আবার করাটা কি সঠিক হবে? কিছুক্ষণ ভেবে, অবশেষে হ্যারি নির্দেশ মতো নাড়াতেই সঙ্গে সঙ্গে কাজ হলো পোশানের রঙ হালকা গোলাপিতে পরিণত হলো।

    তুমি কেমন করে করলে? হারমিওন বিস্ফোরিত চোখে জানতে চাইলো। হারমিওন পোশান বানাতে গিয়ে গলদঘর্ম, মাথার চুল উসখো খুসকো, মুখ লাল। কলড্রনের বাস্পে ওর মাথার চুল ঝোঁপ জঙ্গলের হাল হয়েছে। ওর পোশানের তখনও রক্ত-বেগুনি রঙে আবদ্ধ হয়ে রয়েছে।

    শোনো ক্লকওয়াইজ ঘোরাও।

    না না, বইতে আছে শুধুমাত্র কাউন্টার ক্লকওয়াইজ। ও হ্যারির কথার পাল্টা যুক্তি দেখালো।

    হ্যারি কাঁধ ঝাঁকুনি দিয়ে যেমন করছিলো তেমনইভাবে করতে লাগলো। সেই একই পদ্ধতি। সাতবার অ্যান্টি-ক্লক একবার ক্লকওয়াইজ।

    ওধারে রন হতাশায় অভিশাপ দিতে লাগলো। ওর পোশানটা দীর্ঘ পরিশ্রমের পর লিকুইড লিকারাইসের মতো। হ্যারি চারদিকে তাকালো কে কেমন বানিয়েছে দেখার জন্য। দেখে যা বুঝলো কারও পোশান ওর মতো বিবর্ণ হয়নি। ও খুশিতে চনমন করে উঠলো। তার এমন আনন্দে উদ্দীপ্ত অবস্থা এর আগে এই অন্ধকার পাতাল ঘরে কখনো ঘটেনি।

    আর সময় নেই, সময় শেষ, স্লাগহর্ন উচ্চকণ্ঠে ছেলে-মেয়েদের জানিয়ে দিলেন। এবার নাড়ানো বন্ধ করো প্লিজ!

    স্লাগহর্ন একের পর এক টেবিলের সামনে গিয়ে তাদের কলড্রনে ঝুঁকে পড়ে দেখলেন, কখনো সামান্য নাড়ালেন, গন্ধ শুকলেন–কিন্তু কোনো মন্তব্য করলেন। সবশেষে যেখানে হ্যারি, রন, এরনি আর হারমিওনের বসার স্থানে গেলেন স্লাগহর্ন। রনের কলড্রনে আলকাতরার মতো পদার্থটা দেখে মুচকি হাসলেন। এরনির বানানো গাঢ় নীল রঙ-এর পোশান দেখলেন। হারমিওনেরটা দেখে মোটামুটি অনুমোদন করলেন। সবশেষে গেলেন হ্যারির কাছে। হ্যারির বানানো পোশান দেখে আনন্দে আটখানা হয়ে গেলেন। তার সারা মুখে ছড়িয়ে পড়লো আনন্দ আর খুশি।

    সবাইকে হারিয়ে হ্যারি বিজয়ী হয়েছে, পাতাল ঘরের ঠাণ্ডা অন্ধকারে স্লাগহর্ন বেশ জোরে জোরে বললেন। চমৎকার, চমৎকার… হ্যারি! হা ঈশ্বর, কোনো সন্দেহ নেই তুমি জন্মসূত্রে তোমার মায়ের প্রতিভা পেয়েছে, পোশান বানানোর ওর অপূর্ব হাত ছিলো, লিলি ছিলো তুলনাহীন। এদিকে এসো হ্যাঁ, হ্যাঁ, এদিকে এসো কথা ছিলো জিতলে তুমি ফেনিক্স ফেলিসিসের একটা বোতল পাবে, এই নাও। ঠিক মতো ব্যবহার করো কিন্তু!

    হ্যারি ছোট বোতলে ভরা সোনালী তরল পদার্থটা ওর ভেতরের পকেটে রেখে দিলো। স্নিদারিনদের হিংস্র দৃষ্টি, হারমিওনের হতাশা পূর্ণ মুখোভাব, রনের হতবাক চেহারা আর নিজের আনন্দ সব মিলেমিশে ওর আনন্দ ধারায় কেমন এক দুঃখ বইতে শুরু করলো। সব পেয়েও না পাওয়ার বেদনা।

    ক্লাসরুম থেকে বেরিয়ে এসে রন ওকে বললো, তুমি কেমন করে ওটা বানালে বলতো?

    খুব সম্ভব ভাগ্য, আমার ধারণা, ম্যালফয় খুব কাছে থাকায় সংক্ষেপে বললো হ্যারি।

    ডিনার খেতে গ্রিফিন্ডরদের টেবিলে হাত পা ছড়িয়ে বসার পর ও মনে করলো এখন আসল ব্যাপারটা বলতে বাধা নেই। কথাটা শোনার পর পরই হারমিওনের মুখটা কঠিন হয়ে গেল।

    হারমিওনের মুখোভাব দেখে হ্যারি বললো, তোমার কী মনে হয় আমি প্রতারণা করেছি?

    প্রতারণা বলছি না তবে তুমি যেটা করেছে তা আসলে তোমার কাজ নয়, এটা তো সত্যি?

    হারমিওন কঠিন স্বরে বললো।

    সে শুধু বিভিন্ন নির্দেশ অনুসরণ করেছে, রন বললো। কিছু নাও হতে পারতো, কিন্তু ও ঝুঁকি নিয়েছিলো এবং তার ফলও পেয়েছে, ও বড় দেখে একটা নিঃশ্বাস নিলো। স্লাগহর্ন ভো আমাকে বইটা দিতে পারতেন, কিন্তু দেননি। আমি যে বই পেয়েছিলাম যার পাতার মধ্যে কেউ লেখেনি… এমন মলিন বই, এর বাহান্ন পাতাটা দেখলে তো বমি এসে যায়, কিন্তু…।

    লেগে থাকো, ওর বাঁ দিকের কানের কাছে কে যেনো বললো। তারই সাথে নাকে ভেসে এলো ফুলের মিষ্টি গন্ধ। ওই গন্ধটা স্লাগহর্নের অন্ধকার পাতাল ক্লাসে নাকে এসেছিলো। হ্যারি এধার ওধার তাকিয়ে দেখলো জিনি ওদের টেবিলের কাছে এসে দাঁড়িয়েছে। একথা সত্যি যে তুমি অন্যের বইতে হাতের লেখা মন্তব্য ও নোট পড়ে পোশান তৈরি করেছো? জিনির মুখে উদ্বিগ্ন ও রাগের ছাপ। হ্যারি পরিষ্কার বুঝতে পারলো জিনি কি বলতে চায়।

    ওসব কিছু না, চাপা গলায় হ্যারি অভয় দিয়ে বললো। ওটা কিন্তু রিডিলের ডায়রির মতো নয়। ওটা একটা টেক্সট বই।

    কিন্তু ওই বইটা প্রথমে যার ছিল তার হাতে লেখা নোট পড়ে তুমি পোশান তৈরি করেছে।

    তোমাকে কে বললো এসব আমি বইয়ের মার্জিনে লেখা কিছু টিপস নিয়েছি, আর কিছু না।

    জিনির কথার মধ্যে একটা প্রশ্ন লুকিয়ে আছে, হারমিওন দৃঢ় স্বরে বললো। আমাদের ভালো করে বিষয়টি দেখতে হবে, দেখাটা দোষের কিছু নয়। ওইসব নির্দেশিকার কথা বলছি, কে জানে আসলে ওইসব কি?

    হারমিওন চট করে হ্যারির ব্যাগ থেকে তার এ্যাডভান্সড পোশান মেকিং বইটা বের করে যাদুদণ্ড দিয়ে খুলতে গেলে, হেই থামবে! হ্যারি প্রচণ্ড রেগে গিয়ে বললো।

    বইটার মলাটের ওপোর জাদুদণ্ড তুলে ধরে হারমিওন বললো, স্পেসালস রেভেলিও! কোনো কিছুই হলো না, ধূলো মাখা প্রায় জরাজীর্ণ বইটা যেমন অবস্থায় ছিলো তেমনই রইলো।

    হয়েছে তোমার দেখা? হ্যারি বিরক্তমাখা মুখে বললো। তুমি ওটা ডিগবাজি খায় কিনা দেখবে না?

    মনে তো হয় ঠিক আছে, হারমিওন কথাটা বললেও বইটার দিকে সন্দিগ্ধভাবে তাকিয়ে রইলো। মনে হয়, সত্যিই মনে হয় একটা পুরনো পাঠ্যপুস্তক ছাড়া আর কিছু বিশেষত্ব নেই।

    খুব ভালো, তাহলে বইটা এখন আমি কাছে রাখতে পারি? হ্যারি বললো। কথাটা বলে বইটা টেবিলে রাখতে যাবে তখন ওর হাত থেকে বইটা মেঝেতে পড়ে গেলো।

    কারও তখন মেঝেতে পড়ে থাকা বইটার দিকে নজর নেই। হ্যারি নিচু হয়ে বইটা তুলে নিতে যাবার সময় দেখলো বইটার পেছনের মলাটের একেবারে শেষাংশে ছোট ঘোট প্যাচানো কিছু লেখা। ওই লেখাটা এবং বইটার ভেতরের পৃষ্ঠায় হাতের লেখা একজনেরই। ওতো সেই হাতের লেখা নির্দেশ মেনেই

    স্লাগহর্নের কাছ থেকে ফেলিক্স ফেলিসিস পুরস্কার পেয়েছে। ও সকলের দৃষ্টি এড়িয়ে ওপোরে ওর শোবার ঘরে এসে ওর ট্রাঙ্কের ভেতর এক জোড়া মোজার ভেতর বইটা ঢুকিয়ে রেখে দিল।

    দিস বুক ইজ দ্য প্রোপার্টি অব দ্য হাফ-ব্লাড প্রিন্স

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ডেথলি হ্যালোস (৭) – জে. কে. রাওলিং
    Next Article হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য অর্ডার অব দ্য ফনিক্স (৫) – জে. কে. রাওলিং

    Related Articles

    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার এন্ড দি ফিলসফারস স্টোন (১) – জে. কে. রাওলিং

    August 18, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য চেম্বার অব সিক্রেটস (২) – জে. কে. রাওলিং

    August 18, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য প্রিজনার অব আজকাবান (৩) – জে. কে. রাওলিং

    August 18, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য গবলেট অব ফায়ার (৪) – জে. কে. রাওলিং

    August 16, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য অর্ডার অব দ্য ফনিক্স (৫) – জে. কে. রাওলিং

    August 16, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ডেথলি হ্যালোস (৭) – জে. কে. রাওলিং

    August 16, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }