Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    হ্যারি পটার এন্ড দি ফিলসফারস স্টোন (১) – জে. কে. রাওলিং

    জে. কে. রাওলিং এক পাতা গল্প282 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১০. হ্যালোইন

    হ্যালোইন

    পরদিন সকালে যখন হ্যারি এবং রনকে হোগার্টসেই দেখতে পেল, ম্যালফয় নিজের চোখকেই বিশ্বাস করতে পারছিল না। তার ধারণা ছিল হ্যারি আর রন মরে ভূত হয়ে গেছে। ক্লান্ত দেখালেও তারা বেশ উফুল্ল ছিল।

    হ্যারি আর রন সেই তিনমুখো কুকুরের সাথে দেখা হওয়াটাকে একটা দারুণ অভিযান হিসেবে ভাবতে শুরু করলো এবং আবার সেখানে যাওয়ার কথা মাথায় রাখলো।

    এর মধ্যে হ্যারি রনকে সেই প্যাকেটের মনে করিয়ে দিল যেটা সম্ভবত গ্রিংগটস থেকে হোগার্টসে পাঠানো হয়েছে। তারা দুজন ভাবছিল এত কড়া প্রহরার প্রয়োজন কী।

    এটা হয়ত খুব মূল্যবান অথবা খুব বিপজ্জনক কিছু। রন মন্তব্য করল।

    বা দুটাই, হ্যারি বলল।

    শুধু তারা নিশ্চিত যেটা জানতে পারল, সেটা হলো যে, রহস্যজনক বস্তুগুলোর দৈর্ঘ্য দুই ইঞ্চি। অন্য কোন সূত্র ছাড়া প্যাকেটের বিষয়বস্তু সম্পর্কে ধারণা করাও সম্ভব হলো না। নেভিল বা হারমিওন কুকুর অথবা গোপন দরজার ভেতরে কী আছে–সে ব্যাপারে বিন্দুমাত্র কৌতূহল প্রকাশ করেনি।

    হারমিওন কয়েকদিন ধরে ওদের সাথে কথা বলা বন্ধ রেখেছে। এতে রন বা হ্যারির বরং লাভ, কারণ হারমিওন সব সময় তার কর্তৃত্ব ফলাতে চায় যা তাদের পছন্দ নয়। ওদের এখন একমাত্র লক্ষ্য ম্যালফয়কে এক হাত দেখিয়ে দেয়া, এবং এক সপ্তাহের মধ্যেই ডাকযোগে সে সুযোগ এসে গেল।

    যখন পেঁচারা এসে গ্রেট হলে প্রবেশ করল তখন সবাই তাকিয়েছিল একটা প্যাকেটের দিকে যেটি ছুটি পেঁচা বয়ে নিয়ে এসেছে। যখন পেঁচারা প্যাকেটটা হ্যারির ঠিক সামনে ফেলল তখন সত্যি সে অবাক হলো। পেঁচাগুলো বাইরে চলে গেলে হ্যারি দেখল প্যাকেটের ওপর একটা চিঠি। হ্যারি চিঠিটা খুলল। চিঠিটা এসেছে অধ্যাপক ম্যাকগোনাগলের কাছ থেকে আনন্দের সংবাদ নিয়ে। অধ্যাপক ম্যাকগোনাগল লিখেছেন

    পার্সেলটা টেবিলের ওপর খুল না।
    এর ভেতর আছে নতুন নিম্বাস–২০০০।
    আমি চাই না অন্য কেউ জানুক তুমি একটা নতুন ঝাড়ু পেয়েছ।
    আজ রাতে অলিভার উড তোমার সাথে দেখা করবে–কিভিচ খেলার মাঠে।
    ঠিক সাতটায়–তোমার প্রশিক্ষণের জন্য।
    –অধ্যাপক ম্যাকগোনাগল

    নিজের আনন্দ গোপন করতে হ্যারির কষ্ট হচ্ছিল। তাই সে চিঠিটা রনকে পড়তে দিল।

    রন বলল–নিম্বাস ২০০০! আমি তো এ ধরনের ঝাড়ু এখন পর্যন্ত স্পর্শই করিনি।

    তারা হলের বাইরে এসে দেখে ওপরে সিঁড়ি আটকে দাঁড়িয়ে আছে ক্রেব আর গয়েল। ম্যালফয় হ্যারির হাত থেকে প্যাকেটটা কেড়ে নিয়ে পরীক্ষা করে দেখল। আরে এটা তো একটা ঝাড়ু। এই বলে দ্বেষ ও হিংসাভরা দৃষ্টিতে ম্যালফয় ঝাড়ুটা হ্যারির দিকে ছুঁড়ে মারল আর বলল প্রথম বর্ষের ছাত্রদের জন্য তো ঝাড়ু নিষিদ্ধ।

    রন আর চুপ থাকতে পারল না। বলল-এটা তো পুরনো ঝাড়ু নয়, নিম্বাস–২০০০। ম্যালফয় তুমি বলেছিলে যে, তোমার কাছে একটি কমেন্ট ২৬০ আছে?

    রন হ্যারির দিকে তাকিয়ে বলল–কমেট দেখতে বড়। কিন্তু নিশ্বাসের সাথে কমেন্টের কোন তুলনাই হয় না।

    এটা পেয়ে তোমাদের কোন লাভ নেই। এর হাতলের অর্ধেক তোমরা ব্যবহারই করতে পারবে না। ম্যালফয় মন্তব্য করল।

    রন জবাব দেয়ার আগেই সেখানে উপস্থিত হলেন অধ্যাপক ফ্লিটউইক। তিনি বললেন–কী ব্যাপার। তোমরা কী নিয়ে ঝগড়া করছ।

    হ্যারিকে একটি ঝাড়ু পাঠানো হয়েছে। ম্যালফয় বলল।

    আমি তা জানি। ফ্লিটউইক বললেন–অধ্যাপক ম্যাকগোনাগল হ্যারির ব্যাপারে আমাকে সবকিছু জানিয়েছেন। এটা কোন মডেল?

    নিম্বাস ২০০০, স্যার। ম্যালফয়ের আতঙ্ক দেখে অনেক কষ্টে হাসি চেপে হ্যারি জবাব দিল। আর এটা পাবার জন্য আমি ম্যালফয়কে ধন্যবাদ দিতে চাই।

    ম্যালফয়ের হতাশা দেখে হ্যারি আর রন খুব খুশি। হাসতে হাসতে ওরা ওপরে উঠতে লাগল।

    মর্মর পাথরের সিঁড়ির ওপরে উঠে হ্যারি বলল–সে যদি নেভিলের স্মারকটি চুরি না করতো, আমি আজকে এখানে থাকতে পারতাম না।

    তুমি কি মনে কর-এটা তোমার আইন ভাঙার পুরস্কার? পেছন থেকে হারমিওনের কণ্ঠস্বর শোনা গেল।

    আমি ভেবেছি তুমি আমাদের সাথে কথা বলবে না? হ্যারি হারমিওনের দিকে তাকিয়ে বলল।

    আমাদের সাথে কথা না বলার অভ্যাসটা তুমি চালিয়ে যাও। রন মন্তব্য করল।

    বিরক্ত হয়ে হারমিওন উঠে চলে গেল।

    ওইদিন নানাবিধ ঝামেলা হ্যারির পড়াশোনায় কিছুটা বিঘ্ন ঘটালো। তার বড় চিন্তা ডর্মিটরির কোন জায়গাটিতে সে তার নতুন ঝাড়ুটা রাখবে। সে রাতে হ্যারি কিছুই খেল না। ঝাড়ুর প্যাকেট খোলার জন্য সে আর রন ওপরে গেল। খোলার পর দেখা গেল–চিকন চকচকে ঝাড়ু। মেহগনি কাঠের হাতল। ঝাড়ুর গায়ে সোনালী হরফে লেখা–নিম্বাস ২০০০।

    চমৎকার। রন মন্তব্য করল। সন্ধ্যা সাতটা বাজার কিছু আগেই হ্যারি দুর্গ ছেড়ে কিডিচ মাঠের দিকে রওনা হলো। এর আগে সে কখনও স্টেডিয়ামে আসেনি। একশর মত আসন। খেলা বা অনুশীলনের জন্য যথেষ্ট।

    উড তখনও আসেনি। হ্যারির ওড়ার ইচ্ছে হলো। সে মাটিতে লাথি দিয়ে ঝাড়ু নিয়ে উড়ে চলল। বারবার গোলপোস্টের ভেতর দিয়ে ঢোকা আবার বেরিয়ে আসা। হ্যারির দারুন মজা লাগছে। তার সামান্য স্পর্শে নিম্বাস ২০০০ অদ্ভুত অদ্ভুত কাজ করছে।

    হায় পটার, এদিকে এসো। অলিভার উড এসে গেছে।

    তার হাতে কাঠের একটা বড় বাক্স। হ্যারি উডের পাশে দাঁড়াল।

    চমৎকার। ঊড মন্তব্য করল। হ্যারি, আমি দেখতে পাচ্ছি অধ্যাপক ম্যাকগোনাগল যা বলেছিলেন… একেবারে খাঁটি। আজ আমি তোমাকে কিডিচ খেলার নিয়মকানুন সম্পর্কে কিছু বলব। তারপর তুমি সপ্তাহে তিনদিন খেলা অনুশীলন করবে। উড বাক্সটা খুলল। বাক্সের ভেতর বিভিন্ন আকারের চারটা বল। অলিভার ঊড় এবার তাকে খেলাটা বোঝালেন। বললেন–খেলাটা একটু কঠিন। প্রত্যেক দলে সাতজন খেলোয়াড় থাকবে। তাদের মধ্যে তিনজন হবে চেজার বা ধাওয়াকারী।

    তিনজন চেজার? হ্যারি প্রশ্ন করল।

    উড এবার ফুটবল আকৃতির একটা উজ্জ্বল লাল বল বের করল।

    উড এবার ব্যাখ্যা করল-এই বলটার নাম কুয়াফল।

    চেজারগণ কুয়াফল পরস্পরের মাঝে হস্তান্তর করে এবং গর্তে ফেলে গোল করার চেষ্টা করে।

    উড আরো ব্যাখ্যা করল–প্রতিটা দলে একজন খেলোয়াড় থাকে যার নাম কীপার। কীপারের দায়িত্ব হলো গোল ঠেকালো। আমি গ্রিফিল্ডর হাউজের কিপার।

    এ খেলায় তাহলে তিনজন চেজার ও একজন কীপার থাকে। তারা কুয়াল নিয়ে খেলা করে। হ্যারি খেলার বিস্তারিত নিয়মকানুন আগ্রহের সাথে জানার চেষ্টা করলো।

    এবার আমি তোমাকে দেখাবো কীভাবে খেলতে হয়। উড বলল এটা হাতে নাও।

    উড হ্যারিকে তিনটা ছোট ব্যাট ও একই রকম দুটো বল দিলেন। বল দুটো কালো রঙের এবং কুয়াফলে থেকে একটু ছোট। বল দুটোর নাম ব্লুজার। এবার দাঁড়িয়ে থাকো। উড হ্যারিকে নির্দেশ দিল।

    হঠাৎ করে কালো ব্লুজারটা ওপরে উঠে হ্যারির মুখের কাছে চলে এলো। হ্যারি ব্যাট দিয়ে সরিয়ে দিল যাতে বলটি তার মাকে আঘাত না করে। এটা ওপর দিয়ে উড়ে গিয়ে উডের কাছে চলে গেল। উড ব্লুজারটা ঠেকিয়ে গর্তে পাঠিয়ে দিল।

    খেলা নিয়ে হ্যারিকে উড কয়েকটা প্রশ্ন করল। হ্যারি প্রত্যেকটা প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিল।

    চমৎকার। উড মন্তব্য করল।

    হ্যারি উডকে প্রশ্ন করল–আচ্ছা ব্লুজারদের হাতে কখনও কি কেউ মারা গেছে?

    হোগার্টসে কখনও এ ধরনের ঘটনা ঘটেনি। সর্বোচ্চ যেটা হয়েছে সেটা হলো কারো কারো দাঁত ভেঙেছে। এর চেয়ে খারাপ কিছু ঘটেনি। এবার শোন, এই দলের সর্বশেষ ব্যক্তি হলো সিকার–সেটা হচ্ছো তুমি। অবশ্য কুয়াফল বা ব্লুজার নিয়ে তোমাকে ভাবতে হবে না।

    যতক্ষণ না তারা আমার মাথা ফাটিয়ে দেয়।

    তোমার দুশ্চিন্তার কোন কারণ নেই। উড বলল–ব্লুজারদের ঠেকাতে দুই উইসলি যমজ ভাই–ই যথেষ্ট। তারা নিজেরাই একটা ব্লুজার জুটি। এরপর উড বাক্স থেকে চতুর্থ এবং শেষ বলটা বের করল। কুয়াফল এবং ব্লুজারের তুলনায় এটা ছিল আরো ছোট এবং বড় একটা কাঠবাদামের সমান। এটা ছিল উজ্জ্বল সোনালী রঙের, ছোট একটু গোলাপী পাখা।

    বলগুলো হাতে নিয়ে উড বলল-এটাই সবচে গুরুত্বপূর্ণ। এ বলটার গতি এত বেশি যে এটা ধরাই মুশকিল। আর সিকারের দায়িত্ব হল বলগুলো ধা। সিকার যদি এ বলটা ধরতে পারে তাহলে তার দল অতিরিক্ত ১৫০ পয়েন্ট পাবে।

    আর কোন প্রশ্ন আছে? উড হ্যারির কাছে জানতে চায়।

    হ্যারি মাথা নাড়ল। তার কী করণীয় এটা সে বুঝতে পেরেছে।

    আমরা এখনও স্নিচ বল নিয়ে খেলিনি। বলগুলো বাক্সে রাখতে রাখতে উড বলল-এত অন্ধকারে বল হারিয়ে যেতে পারে।

    উড তার পকেট থেকে গলফ বলের একটা সাধারণ ব্যাগ বের করল। কয়েক মিনিট পর দেখা গেল উড চারদিকে জোরে জোরে বলগুলো ছুঁড়ে মারছে আর হ্যারি তা লুফে নিচ্ছে।

    হ্যারি প্রতিটা বল লুফে নিল। উড খুব খুশি। আধঘণ্টা পর যখন সত্যি সত্যিই অন্ধকার নেমে এল, তখন তারা অনুশীলন বন্ধ করল।

    এবার কিডিচ কাপ আমরা পাব। খুশি মনে উড মন্তব্য করল। দুর্গে ফেরার পথে উড বলল–তুমি যদি চার্লস উইসলির চেয়ে ভালো খেল, আমি অবাক হব না। সে হয়ত ইংল্যান্ডের পক্ষ হয়েই খেলতে পারত যদি সে ড্রাগনের পেছনে না ছুটত।

    হ্যারি এখন খুবই ব্যস্ত। একদিকে কিন্ডিচ খেলার জন্য সপ্তাহে তিনবার অনুশীলন। অন্যদিকে হোমওয়ার্ক তো আছেই। হ্যারি ভাবতে লাগল সে হোগার্টসে এসেছে মাত্র দুমাস হলো। এর ভেতরই সে এত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। প্রিভেটড্রাইভের তুলনায় দুর্গটি তার কাছে অনেক আপন মনে হচ্ছে। লেখাপড়া গোড়াতে কঠিন মনে হলেও এখন খুব উৎসাই বোধ করছে।

    ঘুম ভাঙলো সুস্বাদু খাবারের গন্ধে। হ্যারির মনে হলো, হ্যালোইন ব্যাপারটা বোঝা দরকার। অধ্যাপক ফ্লিটউইক ঘোষণা দিলেন, এখন ছাত্ররা জিনিসপত্র আকাশে ওড়াতে পারবে। এজন্য তিনি ছাত্রদের জোড়ায় জোড়ায় বসিয়ে দিলেন। হ্যারির জুটি হলো সিমাস ফিনিগান। নেভিলের ব্যাঙ একটি ক্লাসরুমে ঢুকে পড়েছিল। রানের জুটি হলো হারমিওল গ্রেপ্পার। রন অথবা হারমিওন কেউ এতে অখুশি কিনা তা বোঝা যাচ্ছিল না। যেদিন থেকে হ্যারি ডাকে ঝাড়ু পেল সেদিন থেকেই হারমিওন হ্যারি ও ব্রনের সাথে কথা বলে না।

    অধ্যাপক ফিটউইক ছাত্রদের উদ্দেশ্যে বললেন-একটা কথা মনে রেখো। কথাটি হলো–সুইশ অ্যান্ড ফ্লিক, মনে রেখো সুইশ অ্যান্ড ফ্লিক। এ মন্ত্র উচ্চারণ করো। কখনো ভুল করে উচ্চারণ করবে না। মনে রেখো–ভুল করে জাদুকর বারুফিয়ে একবার স এর বদলে ফ উচ্চারণ করেছিল, তারপর সে নিজেকে আবিষ্কার করলো মেঝেতে। তার বুকের ওপর একটা মহিষ।

    এটা ছিল বেশ কঠিন! হ্যারি ও সিমাস বার কয়েক সুইশ এন্ড ফ্লিক করলো একটা পালক আকাশের দিকে পাঠানোর জন্য। কিন্তু এটা টেবিলের ওপর থেকে আর আকাশের দিকে উঠলো না। সিমাস ধৈর্য হারিয়ে জাদু কাঠি দিয়ে খোঁচা দিয়ে পালকটাতে আগুন ধরিয়ে দিল আর হ্যারিকে তার টুপি দিয়ে সেই আগুন নিভাতে হলো।

    পাশের টেবিলে রন তেমন সুবিধে করতে পারছিল না। রন তার লম্বা হাত ঘোরাতে ঘোরাতে হঠাৎ চিৎকার করে উঠল–উইংগার্ডিয়াম লেভিওসা।

    হারমিওন বলল–ভুল হলো। তুমি ভুল উচ্চারণ করেছ।

    এতই যদি জানো তাহলে তুমি নিজেই উচ্চারণ কর। হারমিওনের উদ্দেশ্যে রন বলল।

    হারমিওন তার গাউনের আস্তিন গুটালো, এবং জাদুর দণ্ডটা ঘোরাল। তারপর উচ্চারণ করল–উইং–গার–ডিয়াম লেভি–ও–সা। এরপর পালকটা টেবিল থেকে ওপরদিকে উঠতে লাগলো এবং তাদের মাথারও চার ফুট ওপরে উঠলো। অধ্যাপক ফ্লিটউইক করতালি দিয়ে উঠলেন এবং হারমিওনের প্রশংসা করলেন।

    ক্লাসশেষে রনের মেজাজ খুব খারাপ।

    জনাকীর্ণ করিডোর অতিক্রম করতে করতে রন হ্যারিকে বলল-এটা কোন আশ্চর্যের ব্যাপার নয় যে কেউই হারমিওনকে সহ্য করতে পারে না। সত্যি বলতে কী সে সবার জন্য একটা দুঃস্বপ্ন।

    মনে হলো কেউ যেন হ্যারির পিঠ ছুঁয়েছে। হ্যারি তাকিয়ে দেখে হারমিওন। হারমিওনের চোখে অশ্রু দেখে হ্যারি সত্যিই অবাক হলো।

    মনে হয় সে তোমার কথা শুনতে পেয়েছে। হ্যারি রনকে বলল।

    তাতে কী হয়েছে? রন একথা বললেও খুব অস্বস্তিবোধ করছিল। একটু থেমে বলল–সে এখন বুঝতে পেরেছে তার কোন বন্ধু নেই।

    পরবর্তী ক্লাসে হারমিওন এল না। বিকেলেও কোথাও তাকে দেখা গেল না। হ্যালোইন ভোজে যোগদানের জন্যে গ্রেট হলে যাবার পথে হ্যারি আর রন শুনতে পেল যে পার্বতী পাতিল তার বন্ধু ল্যাভেঞ্জারকে বলছে, হারমিওন মেয়েদের টয়লেটে গিয়ে কাঁদছে এবং সে চাইছে কেউ যেন তাকে বিরক্ত না করে। একথা শুনে রনের খুব খারাপ লাগতে লাগল। পরে যখন তারা গ্রেট হলে প্রবেশ করলো, সেখানকার চোখ ধাঁধানে সাজসজ্জায় ও হইচইয়ে তারা হারমিওনের কথা একেবারেই ভুলে গেল।

    হাজার খানেক জীবন্ত বাদুর সিলিং ও দেয়াল ধরে এদিক–ওদিক ঊড়ছিল। আরো হাজার খানেক বার টেবিলের সামান্য ওপর দিয়ে উড়ে উড়ে মোমবাতিগুলো কুমড়োর খোলে বসিয়ে দিল। ছাত্রদের টার্মের প্রথম দিকের ভোজসভা বলে সোনালী থালায় খাদ্য পরিবেশিত হলো।

    হ্যারি যখন তার প্লেটে আলু তুলে নিচ্ছিল ঠিক তখন প্রায় দৌড়ে অধ্যাপক কুইরেল গ্রেট হলে প্রবেশ করলেন। তার পাগড়ি বিপর্যস্ত। সবাই অবাক হয়ে দেখল তিনি ডাম্বলডোরের চেয়ারের দিকে যাচ্ছেন। টেবিলের কাছে গিয়ে তিনি দীর্ঘশ্বাস নিয়ে বললেন–ট্রল, সেই বিরাট জল্পটা… বন্দিশালা… আমার ধারণা ছিল আপনি সব জানেন। তারপর তিনি মুৰ্ছা খেয়ে মরার মত মেঝের ওপর পড়ে গেলেন।

    চারদিকে শোরগোল পরে গেল, কোণ থেকে অধ্যাপক ডাম্বলডোর তার জাদুদণ্ড ব্যবহার করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনলেন।

    প্রিফেক্টগণ। ডাম্বলডোর নির্দেশ দিলেন, এখনই তোমরা হাউজের সকলকে নিয়ে ডর্মিটরিতে ফিরে যাও।

    পার্সি কাছেই ছিল।

    পার্সি বলল–তোমরা সবাই আমাকে অনুসরণ কর। প্রথম বর্ষের সব ছাত্র আমার পেছনে এসো। আমার পেছন পেছন এলে তোমাদের ভয়ের কোন কারণ নেই। ট্রল তোমাদের কিছু করতে পারবে না। প্রথম বর্ষের ছাত্ররা একাট্টা হয়ে আমার পেছনে পেছনে এসো। সরে দাঁড়ান, প্রথম বর্ষের ছাত্ররা আসছে। আমি একজন প্রিফেক্ট।

    হ্যারি সিঁড়ি দিয়ে উঠতে উঠতে জিজ্ঞেস করলো, ট্রল এলো কি করে?

    আমাকে এ প্রশ্ন করো না। মনে হয় তারা সবাই বুন্ধু। রন বলল। হয়ত হ্যালোইন ভোজসভায় মজা করার জন্য পিভস এটা করেছে।

    তারা বিভিন্ন গ্রুপের ছাত্রদের পার হয়ে গেল যারা ঊর্ধ্বশ্বাসে বিভিন্ন দিকে ছুটছে। তারা যখন হাফলপাফ হাউজের উদভ্রান্ত ছাত্রদের ভিড় অতিম করছিল তখন হ্যারি হঠাৎ করেই রনের হাত চেপে ধরলো।

    আমি কিন্তু ভাবছি হারমিওনের কথা। হ্যারি বলল।

    তার সম্পর্কে কী ভাবছো? রন জানতে চাইল।

    ট্রলের বিষয়ে সে জানে না।

    রন ঠোঁটে কামড় দিল।

    ঠিক আছে। রন বলল–পার্সি আমাদেরকে না দেখে ফেললেই হলো।

    তারা হাফল পাফ হাউজের ছাত্রদের দলের ভেতরে মিশে গেল। সেখান থেকে সটকে পড়ে একটি নির্জন করিডোরের দিকে অগ্রসর হলো। আরেকটু এগিয়েই তারা মহিলা টয়লেটের কাছাকাছি এলো। পেছন দিকে তারা দ্রুত পায়ের শব্দ শুনতে পেল।

    পার্সি। নিচু কণ্ঠে রন উচ্চারণ করল।

    তারা ভালো করে লক্ষ্য করে দেখল–পার্সি নয়, স্নেইপ।

    স্নেইপ করিডোরে তৃতীয় তলার দিকে অদৃশ্য হয়ে গেলেন।

    হ্যারির নাকে এক ধরনের বাজে গন্ধ এলো। অনেকটা ভেজা, স্যাঁতসেতে অপরিচ্ছন্ন টয়লেটের গন্ধ। একটু পরেই মনে হলো কে যেন আসছে। পদশব্দ, দৈত্যের পদশব্দের মত। অতিকায় জীবটি ঘরে ঢুকল। বারো ফুট লম্বা। গায়ের চামড়া অন্যরকম। গ্রানাইট পাথরের মতো গায়ের রঙ। মাথায় টাক। অনেকটা নারকেলের মত। হাতে একটা বিশাল কাঠের ডাণ্ডা। দরোজা ফাঁক করে ভেতরে ঢুকলো ট্রল।

    হ্যারি বলল চাবিটা তালার মধ্যেই আছে। আমরা তো ট্রলকে আটকে রাখতে পারি।

    চমৎকার। রন মন্তব্য করল–চলো তাই করি। তারা দুজন আগে বাড়ল। তারা মনে মনে প্রার্থনা করছিল যেন ট্রল তাদের দিকে অগ্রসর না হয়। তাদের প্রার্থনায় কাজ হলো। হ্যারি লাফ দিয়ে কোনমতে তালা ও চাবি হাতের নাগালে পেল। তারপর তালা লাগিয়ে ট্রলকে বন্দি করে ফেলল।

    সাফল্যের আনন্দে তারা যখন ফিরে আসছিল ঠিক তখনই তারা শুনলো একটা বিকট আর্তনাদ। যে ঘরে তারা ট্রলকে বন্দি করেছে, সেখান থেকেই শব্দটা আসছে।

    ওটা তো মেয়েদের টয়লেট। হ্যারি উদ্বিগ্ন হয়ে বলল।

    আরে এ তো হারমিওন। বিস্ময়ে এবং আতঙ্কে তারা একসাথে চিৎকার করে উঠল।

    তারা যে কাজটি করতে চাইল সেটা করা ছাড়া তাদের অন্য কোন উপায় ছিল না। তারা আবার দরোজার কাছে গেল। ভয় ও আশঙ্কা নিয়ে দরোজার তালাটি খুলেই দ্রুত ঘরের ভেতরে ঢুকে গেল।

    হারমিওন গ্রেঞ্জার বিপরীত দিকের দেয়ালে ভয়ে কুঁচকে গেছে। মুৰ্ছা যাবার উপক্রম। দৈত্যটি তাদের দিকে অগ্রসর হচ্ছিল। তাকে বিভ্রান্ত কর। রনের উদ্দেশ্যে হ্যারি কলল। তারপর হ্যারি একটি ট্যাপ থেকে ট্রলের চোখে অনবন্ত পানি ছুঁড়তে লাগল।

    হারমিওনের কাছে এসে থমকে দাঁড়াল ট্রল। সে চারদিকে তাকিয়ে দেখল আওয়াজটি কোত্থেকে আসছে। তার ছোট চোখ দুটি হ্যারির ওপর পড়ল। কিছুক্ষণ ইতস্তত করে মুগুরটা হাতে নিয়ে ট্রল হ্যারির দিকে অগ্রসর হলো।

    ঘরের অপর প্রান্ত থেকে রন একটা ধাতব পাইপ ছুঁড়ে মারল। ট্রলের ঘাড়ে পাইপটা লাগলেও তার বিন্দুমাত্র ক্ষতি হলো না।

    তবে তার বিকট চিৎকার শোনা গেল। সে হ্যারিকে পালাবার সুযোগ দিয়ে তার বিশ্রী মুখটা রনের দিকে বাড়িয়ে দিল।

    চলে এসো। দৌড়, দৌড় দাও। হারমিওনের উদ্দেশ্যে হ্যারি চিৎকার করল। কিন্তু হারমিওন নড়তে পারছে না। সে দেয়ালে পিঠ চেপে দাঁড়িয়ে আছে এবং ভয়ে তার মুখ হা হয়ে আছে।

    এরপর হ্যারি যে কাজটা করল তা একদিকে যেমন সাহসের অপরদিকে বোকামির। সে এক লাফ দিয়ে ট্রলের পেছন থেকে তার গলা জড়িয়ে ধরল। এবার ট্রল আর নড়তে পারছে না। হ্যারি তার জাদুদণ্ড তার একটা নাকের ফুটোয় সোজা ঢুকিয়ে দিল।

    যন্ত্রণায় ট্রল আর্তনাদ করে উঠল। সে তার মুগুরটা ঘোরানো শুরু করলো, এবং হ্যারি আশঙ্কা করছে যেকোন সময় এটা তার মাথা দু ভাগ করে দেবে।

    হারমিওন অজ্ঞান হয়ে মাটিতে পড়ে গেল। রন তার নিজের জাদুদণ্ডটা নিয়ে কি করবে প্রথমে ভেবে পাচ্ছিল না, পরে উচ্চারণ করলো, উইনগারডিয়াম লেভিওসা?

    মুগুরটা হঠাৎ ট্রলের হাত থেকে ছুটে ওপরে ওঠা শুরু করলো এবং ফিরে এসে ট্রলের মাথায় পড়লো। তীব্র আঘাতে ট্রল মাটিতে পড়ে গেল।

    হ্যারি উঠে দাঁড়ালো। সে কাঁপছে, কোন শ্বাসও নিতে পারছে না।

    হঠাৎ দরোজা বন্ধ হবার আওয়াজ শোনা গেল। পদশব্দও শোনা গেল। তারা তিনজন মাথা উঁচু করে তাকাল। তারা বুঝতে পারল না তারা কোন্ চক্রের ভেতর জড়িয়ে পড়েছে। অবশ্য নিচতলায় কেউ না কেউ তাদের হৈচৈ এবং জন্তুটার গর্জন শুনেছে।

    একটু পরই ঘরে প্রবেশ করলেন অধ্যাপক ম্যাকগোনাগল। তার পেছন পেছন এসেছেন স্নেইপ ও অধ্যাপক কুইরেল। কুইরেল এক নজর ট্রলের দিকে তাকালেন। মৃদু আর্তনাদ করে দুহাতে কান চেপে টয়লেটে বসে পড়লেন। স্নেইপ মাথা ঝুঁকিয়ে ট্রলকে দেখতে লাগলেন। অধ্যাপক ম্যাকগোনাগল হ্যারি আর রনের দিকে তাকাচ্ছিলেন। হ্যারি কখনও তাঁকে এত ক্ষুদ্ধ দেখেনি। তার ঠোঁট বিবর্ণ, সাদী। হ্যারি ভাবল গ্রিফিল্ডর হাউজের জন্য যে পঞ্চাশ পয়েন্ট পাওয়ার কথা ছিল তা আর পাওয়া যাবে না।

    তোমরা নিজেদের কি ভাব? অধ্যাপক ম্যাকগোনাগল খুব রেগেমেগে হ্যারিকে জিজ্ঞেস করলেন। হ্যারি রনের দিকে তাকাল। রনের হাতে তখন ওর জাদুদণ্ড। ম্যাকগোনাগল বললেন–তোমাদের ভাগ্য ভালো, তোমরা মারা যাওনি। তোমরা ডর্মিটরির বাইরে কেন এসেছিলে?

    স্নেইপ তীব্র দৃষ্টিতে হ্যারির দিকে তাকালেন। হ্যারি মেঝের দিকে তাকিয়ে রইল। হ্যারির মনে হচ্ছিল রনের জাদুদণ্ডটা নামিয়ে রাখা উচিত। শিক্ষকদের সামনে ওভাবে হাতে রাখা ঠিক নয়।

    একটু পরে পেছনের অন্ধকারের মধ্য থেকে মৃদু শব্দ শোনা গেল। ম্যাকগোনাগল দয়া করে একটু শুনুন। ওরা আমাকে খুঁজছিল।

    মিস গ্রেঞ্জার?

    হারমিওন অবশেষে উঠে দাঁড়াতে পেরেছে।

    আমি ট্রলের সন্ধান করছিলাম। কারণ, আমার ধারণা ছিল আমি একাই তার সাথে লড়তে পারব। আমি তাদের ওপর অনেক পড়াশোনা করেছি।

    রন তার জাদুদণ্ড নামিয়ে রাখল। হারমিওন কীভাবে শিক্ষকের সামনে ডাহা মিথ্যা কথা বলছে?

    আমি ভেবেছিলাম আমি ট্রলকে আটকাতে পারবো। কারণ, এই জন্তুটা সম্পর্কে অনেক বই পড়েছি। তারা যদি আমাকে খুঁজে না পেত, তাহলে এতক্ষণে আমি মারাই যেতাম। হ্যারি তার জাদুদণ্ডটা ট্রলের নাকে ঢুকিয়ে দিয়েছিল। আর রন ট্রলের মুগুর দিয়েই ওর মাথায় আঘাত করেছে। তারা কোন সময় পায়নি অন্য কাউকে ডাকার।

    ও–তা হলে তুমি–ই… প্রফেসর ম্যাকগোনাগল তাঁদের তিনজনের মুখ পরখ করে বললেন। মিস গ্রেঞ্জার তুমি তো এক ভীষণ বোকার মত কাজ করেছো। তুমি কী করে ভাবলে যে তুমি এই পাহাড়ি জন্তুটিকে আটকাতে পারবে।

    হারমিওন তার শিক্ষকের কাছে একটা জলজ্যান্ত মিথ্যা বলল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য চেম্বার অব সিক্রেটস (২) – জে. কে. রাওলিং
    Next Article ব্ল্যাক অর্ডার (সিগমা ফোর্স – ৩) – জেমস রোলিন্স

    Related Articles

    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য চেম্বার অব সিক্রেটস (২) – জে. কে. রাওলিং

    August 18, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য প্রিজনার অব আজকাবান (৩) – জে. কে. রাওলিং

    August 18, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য গবলেট অব ফায়ার (৪) – জে. কে. রাওলিং

    August 16, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য অর্ডার অব দ্য ফনিক্স (৫) – জে. কে. রাওলিং

    August 16, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য হাফ-ব্লাড প্রিন্স (৬) – জে. কে. রাওলিং

    August 16, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ডেথলি হ্যালোস (৭) – জে. কে. রাওলিং

    August 16, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }