Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    হ্যারি পটার এন্ড দি ফিলসফারস স্টোন (১) – জে. কে. রাওলিং

    জে. কে. রাওলিং এক পাতা গল্প282 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০২. কাঁচের খাঁচার অন্তর্ধান

    কাঁচের খাঁচার অন্তর্ধান

    হ্যারি পটারকে যেদিন ডার্সলিরা কোলে তুলে নিয়েছিলেন, সেদিন থেকে দেখতে দেখতে দশটা বছর কেটে গেছে। তবে প্রিভেট ড্রাইভে তেমন কোন পরিবর্তন হয়নি।

    সূর্য আগের মতোই পূর্বদিকে উঠছে আর পশ্চিমে অস্ত যাচ্ছে। আজ থেকে ঠিক দশ বছর আগে যেদিন মিসেস ডার্সলি তার দরোজার সামনে থেকে হ্যারি পটারকে কুড়িয়ে কোলে তুলে নিয়েছিলেন, যে রাতে মি. ডার্সলি পেঁচা সম্পর্কে দুঃখজনক খবর শুনেছিলেন। সবই আগের মত চলছে, শুধু দেয়ালে ঝুলানো তাদের ছবিগুলো দেখে বোঝা যায় কত বছর পার হয়ে গেছে।

    ডাডলিও আর এখন শিশু নয়। ছবিতে দেখা যাচ্ছে একটি ছেলে সাইকেল চালাচ্ছে। মেলা দেখতে যাচ্ছে। বাবার সাথে কম্পিউটারে গেমস খেলছে। ঘরে ঢুকে কিছুতেই বোঝা যাবে না এখানে ডাডলির কোন এক সঙ্গী আছে বা আর কেউ এখানে থাকে! হ্যারি পটার তখনও ঘুমোচ্ছে। কিন্তু বেশিক্ষণ সে ঘুমোতে পারল না। আন্ট পেতুনিয়ার কর্কশ কণ্ঠ তাকে ঘুম থেকে জাগিয়ে তুলল। তার উচ্চ কণ্ঠ দিনের নীরবতা ভঙ্গ করল

    এখনি উঠে পড়। এখুনি।

    হ্যারি উঠে পড়ল।

    তার আন্ট দরোজা ধাক্কাচ্ছেন।

    হ্যারি, ওঠো বলে আন্ট পেতুনিয়া চিৎকার করছেন।

    হ্যারি বুঝতে পারল তার আন্ট রান্নাঘরের দিকে যাচ্ছেন। চুলার ওপর কড়াই বসানো হচ্ছে।

    পাশ ফিরে হ্যারি স্বপ্নের কথা ভাবছিল। একটু আগেই সে একটা মজার স্বপ্ন দেখছিল। স্বপ্নে দেখছিল যে একটা উড়ন্ত মোটর বাইকে সে ঘুরে বেড়াচ্ছে।

    আন্ট পেতুনিয়া দরোজার কাছে এসে আবার জিজ্ঞেস করলেন–হ্যারি তুমি কি উঠেছ?

    উঠেছি। হ্যারি জবাব দিল।

    তাড়াতাড়ি এদিকে এসো। আন্ট হ্যারিকে নির্দেশ দিলেন–তুমি শূকরের মাংসের দিকে খেয়াল রেখো। দেখো সবকিছু যেন পুড়ে না যায়। আমি চাই আজ ডাডলির জন্মদিনে সব কিছু নিখুঁত হোক।

    হ্যারি বিড় বিড় করে কী যেন বলল।

    আন্ট তাকে প্রশ্ন করলেন–হ্যারি, তুমি কি কিছু বলছিলে?

    হ্যারি জবাব দিল–না, কিছু নাতো।

    ডাডলির জন্মদিনের কথা তো সে ভুলে যেতে পারে না। হ্যারি বিছানা থেকে উঠে মোজা খুঁজতে লাগল। বিছানার নিচেই সে এক জোড়া মোজা পেল। মোজার ওপর থেকে একটি মাকড়সাকে তাড়িয়ে দিয়ে হ্যারি মোজা দুটি পরল। হ্যারি মাকড়সাকে ভয় পায় না কারণ কাবার্ডে অনেক মাকড়সা। আর সিঁড়ির নিচের ঘুপচির এই কাবার্ডেই হ্যারিকে ঘুমোতে হয়।

    জামা পরে হ্যারি নিচে রান্নাঘরের দিকে রওনা হলো। ডাডলির জন্মদিনের উপহারগুলোর জন্য টেবিলটাই দেখা যাচ্ছে না। জন্মদিনে ডাডলি তার পছন্দের সব জিনিসই পেয়েছে বলে মনে হলো। সে নতুন কম্পিউটার পেয়েছে, আরেকটা টেলিভিশন পেয়েছে, রেসের বাইক পেয়েছে।

    ডাডলি কেন রেসের বাইক চেয়েছে এটা হ্যারির কাছে রহস্যই রয়ে গেল। কাউকে সাইকেল দিয়ে ধাক্কা মারার জন্য হলে ঠিক আছে। ডাডলি খুব মোটা এবং ব্যায়াম সে একেবারেই পছন্দ করে না। অবশ্য কাউকে ঘুষি মারা সেটা অন্য কথা–বিশেষ করে হ্যারিকে। এই ব্যায়ামটাই সে সব সময় করে থাকে। তবে হ্যারিকে বাগে পাওয়া সহজ ছিল না।

    হ্যারি কিন্তু গায়ে–গতরে তেমন বড় হয়ে ওঠেনি। তার শরীর রোগা পাতলা। ডাডলির বড় জামা–কাপড়ে তাকে আরো বেশি রোগা দেখায়। আকারে–আয়তনে ডাডলি ছিল তার চার গুণ। হ্যারির মুখ পাতলা, হাঁটু গোল, চুল কালো আর চোখ উজ্জ্বল সবুজ। চোখে গোল কাঁচের চশমা। চশমায় অনেক সেলোটেপের টুকরো, কারণ ডাডলি প্রায়ই তার নাকে ঘুসি মেরে চশমা ভাঙতো। নিজের চেহারার যে জিনিসটা হ্যারির ভালো লাগে তা হলো তার কপালের চিকন দাগ। ঝিলিক মারা বিদ্যুতের মতো আঁকাবাঁকা।

    তার কপালে এই দাগ কেন-এ ব্যাপারে প্রশ্ন করলে আন্ট পেতুনিয়া জবাব দেন–যখন মোটর দুর্ঘটনায় তোমার বাবা–মা দুজনই মারা যান তখন থেকেই তোমার কপালে এই দাগ। এর বাইরে তুমি আমাকে আর কোন প্রশ্ন করো না।

    হ্যারি জানে, ডার্সলি পরিবারের সাথে থাকতে হলে-এ ব্যাপারে দ্বিতীয় কোন প্রশ্ন করা যাবে না।

    হ্যারি যখন কড়াই-এ শূকরের মাংস উল্টাচ্ছিলো ঠিক তখনই আঙ্কল ভার্নন রান্নাঘরে প্রবেশ করলেন।

    চুল আঁচড়াওনি কেন? তিনি হ্যারির কাছে যেন কৈফিয়ত চাইলেন।

    আঙ্কল ভার্নন সপ্তাহে একদিন পত্রিকার শিরোনামের ওপর চোখ বোলান এবং উচ্চকণ্ঠে চিৎকার করেন–হ্যারির এখনই চুল কাটা দরকার। কিন্তু এতে কিছু যায় আসে না। হ্যারির চুল যথারীতি বাড়তেই থাকে।

    হ্যারি যখন ডিম ভাজছিল ঠিক তখনই ডাডলি এবং তার মা রান্নাঘরে প্রবেশ করলেন। ডাডলির চেহারার সাথে আঙ্কল ভার্ননের অনেক মিল আছে। ডাডলির মা বলেন, ডাডলির চেহারা শিশু এ্যাঞ্জেলদের মতো। আর হ্যারির কাছে মনে হয় ডাডলি পরচুলা পরা একটা শূকর।

    টেবিলের ওপর ডিম ও শূকরের মাংস রাখতে হ্যারিকে বেশ বেগ পেতে হচ্ছিল। কারণ টেবিলে তেমন জায়গা নেই। আর ডাডলি তখন তার উপহারগুলো গুনছে।

    উপহার গুনতে গুনতে ডাডলির মন একটু দমে গেল।

    ডাডলি মন্তব্য করল–ছত্রিশটা, তার মানে গতবারের জন্মদিনের তুলনায় দুটি কম।

    আন্ট বললেন-এর সাথে মার্জ আন্ট আর আমার উপহার যোগ কর। এবার গুণে দেখো কত হয়?

    ঠিক আছে। তাহলে সাইত্রিশটা হলো –ডাডলির জবাবের মধ্যে ভীষণ ক্রোধের গন্ধ পেয়ে আন্ট পেতুনিয়া বেশ ঘাবড়ে গেলেন। তিনি বললেন–ঠিক আছে, আমরা আজ যখন বাইরে যাবো তখন তোমাকে আরো দুটা উপহার কিনে দেব।

    ডাডলি মুহূর্তের জন্য কী যেন ভাবল। তারপর বলল–ঠিক আছে। তাহলে আমার উপহারের সংখ্যা হবে ত্রিশ।

    আন্ট পেতুনিয়া কথা শেষ করলেন–লক্ষ্মীসোনা, সংখ্যা হবে ত্রিশ নয়, বেশি। ঊনচল্লিশ। আহ ডাডলি চেয়ারে বসে সবচে কাছের প্যাকেটটা হাতে তুলে বললো, তাহলে ঠিক আছে।

    আঙ্কল ভার্নন মৃদু হাসলেন।

    বাবার মতোই ডাডলি তার প্রাপ্যটা চাচ্ছে। এই বলে আঙ্কল ভার্নন ডাডলির চুলে আদরের হাত বুলিয়ে দিলেন। ঠিক এই সময় ফোন বেজে উঠল। আন্ট পেতুনিয়া ফোন ধরতে চলে গেলেন। হ্যারি আর আঙ্কল ভার্নন দেখলেন ডাডলি তার উপহার সামগ্রীর মোড়ক খুলছে। ডাডলি একটা রেসিং বাইক পেয়েছে। পেয়েছে একটা সিনে–ক্যামেরা। কম্পিউটারের ১৬টা নতুন খেলা, একটা ভিডিও রেকর্ডার। ডাডলি মোড়ক খুলে সোনালি হাতঘড়িটা বের করল। এই সময় আন্ট পেতুনিয়া হন্তদন্ত হয়ে ফিরে এলেন। তাকে ক্রুদ্ধ ও চিন্তিত মনে হল।

    তিনি বললেন–দুঃসংবাদ, ভার্নন। মিসেস ফিগের পা ভেঙে গেছে। তিনি ওকে নিতে পারবেন না। এই বলে তিনি হ্যারির প্রতি অঙ্গুলি নির্দেশ করলেন।

    ডাডলির চেহারায় অপ্রত্যাশিত আতঙ্ক দেখা গেল। হ্যারি অবশ্য হাফ ছেড়ে বাঁচল। প্রতি বছর ডাডলির জন্মদিনে তার বাবা–মা তাকে এবং এক বন্ধুকে নিয়ে সারাদিনের জন্য বাইরে যান। এ্যাডভেঞ্চার পার্ক, হামবার্গার বার বা সিনেমায়। প্রতি বছরই হ্যারিকে ফিগের কাছে রেখে যেতেন তাঁরা। ফিগ হচ্ছেন একজন উন্মাদ বৃদ্ধা, তিনি দুটো রাস্তার পরেই থাকেন। হ্যারি মিসেস ফিগকে একদমই পছন্দ করে না।

    তাহলে এখন কি হবে? আন্ট পেতুনিয়া কথাগুলো বলে হ্যারির দিকে এমনভাবে তাকালেন যে মনে হল মিসেস ফিগের পা ভাঙার জন্য হ্যারিই দায়ী। ভার্নন বললেন–মার্জকে ফোন করা যেতে পারে।

    বোকার মতো কথা বলো না ভার্নন। সে হ্যারিকে একেবারেই পছন্দ করে না–মিসেস ডার্সলির জবাব।

    হ্যারির সামনেই ডার্সলি পরিবারে তাকে নিয়ে প্রায়ই এ ধরনের কথাবার্তা হতো। যেন হ্যারি ধারে–কাছেও নেই বা তারা যখন হ্যারি সম্পর্কে এমন অবজ্ঞার সুরে কথা বলতেন যে মনে হতো, তার এখানে কোন উপস্থিতিই নেই।

    হ্যারি মনে মনে আশা করছিল একা থাকলে সে টেলিভিশনে তার খুশিমতো অনুষ্ঠান দেখতে এবং ডাডলির কম্পিউটার রুমেও যেতে পারবে।

    তাদের কথাবার্তার মাঝখানে হ্যারি বলল–আমাকে তোমরা বাড়িতে রেখে যেতে পারো। আমি টিভি দেখে সময় কাটাব।

    আন্ট পেতুনিয়া হ্যারির দিকে এমনভাবে তাকালেন যে মনে হলো যেন এইমাত্র তিনি তেতো কিছু মুখে দিয়েছেন।

    তিনি মন্তব্য করলেন–ঘরে ফিরে দেখা যাবে সব তছনছ হয়ে গেছে।

    আমি বাড়ির কোন কিছুর ক্ষতি করব না। হ্যারি বলল। কিন্তু কেউই তার কথা কানে তুললেন না।

    আন্ট পেতুনিয়া বললেন–চলো চিড়িয়াখানায় যাই। এক গাড়িতে বসিয়ে রাখা যাবে।

    গাড়িটা নতুন। নতুন গাড়িতে ও একা থাকতে পারবে না।

    ডাডলি কাঁদতে শুরু করল। আসলে কাঁদা নয়। কাঁদার অভিনয়। ডাডলি জানে কাঁদলেই সে যা চায় তাই পায়।

    দুষ্ট ছেলে এভাবে কাঁদে না। তার মা বললেন, তোমার মা কখনোই চাইবে না যে সে তোমার জীবনের এই দিনটা নষ্ট করে দিক।

    আমি চাই না, একদম চাই না সে আমাদের সঙ্গে যাক। ডাডলি বলল–সে সবকিছু নষ্ট করে দেয়। এই বলে সে হ্যারির দিকে বিরক্তির দৃষ্টিতে তাকাল।

    ঠিক তখনই দরোজায় বেল বেজে উল। আন্ট পেতুনিয়া উদ্বিগ্ন কণ্ঠে বলে উঠলেন, ওহ ঈশ্বর, তারা এসেছে। কিছুক্ষণ পর মাকে নিয়ে ঘরে প্রবেশ করল ডাডলির ঘনিষ্টতম বন্ধু পায়ার্স পলকিস। ডাডলির কান্না থেমে গেল। পায়ার্সের চেহারাটা যেন অনেকটা ইঁদুরের মতো। পায়ার্স পলকিস ডাডলির মজার বন্ধু। ডাডলি যখন লোকজনকে আঘাত করে তখন সে তাদের হাত পেছনে আধমোড়া করে বেঁধে ফেলে।

    আধঘণ্টা পরেই হ্যারি গিয়ে বসল ডার্সলিদের গাড়িতে। হ্যারি ভাবতেও পারেনি তার এমন সৌভাগ্য হবে। গাড়িতে ডাডলি এবং পায়ার্সও আছে। তারা সকলেই যাবে চিড়িয়াখানায়।

    আঙ্কল ভার্নন তারিকে সতর্ক করে দিলেন–সাবধান। কোনপ্রকার গগুগোল করবে না। গণ্ডগোল করলেই বড়দিন পর্যন্ত তোমাকে কাবার্ডে কাটাতে হবে।

    সত্যি বলছি। আমি কোন রকম গণ্ডগোল করব না। হ্যারি আশ্বাস দিল।

    আঙ্কল ভার্ননের মতো কেউই হ্যারির কথা বিশ্বাস করল না।

    হ্যারিকে নিয়ে প্রায়ই অঘটন ঘটে। এর আগেও হ্যারি তাদের বিরক্ত করেছে।

    সমস্যা হলো হ্যারিকে নিয়ে প্রায়ই অদ্ভুত সব ঘটনা ঘটে। তাকে নিয়ে ডার্সলি পরিবার মোটেই খুশি নন।

    একবার সেলুন থেকে চুল কেটে হ্যারি বাড়িতে ফিরে আসতে আসতেই তার চুল আগের মত হয়ে যায়। আন্ট পেতুনিয়া দেখতে পান তার মাথার চুল আগের মতোই। যেন চুল কাটাই হয়নি। এতে তিনি বিরক্ত হলেন এবং রান্নাঘর থেকে কাঁচি এনে হ্যারির মাখা মুড়িয়ে দিলেন। কেবল কপালের দাগ ঢেকে রাখার জন্য সামনের দিকে কিছু রেখে দেয়া হলো। ডাডলি তাকে দেখে হাসছিল। সারারাত তার ঘুম হলো না। সে স্কুলের কথা ভাবছিল। সকালে উঠে দেখে হ্যারির মাথাভর্তি চুল, আন্ট কেটে দেয়ার আগে যে অবস্থা ছিল। এ কারণে আন্ট তাকে সাত দিন কার্ডের মধ্যে আটকে রাখলেন। যদিও হ্যারি বোঝাবার আপ্রাণ চেষ্টা করেছে যে সে এর কারণ জানে না।

    আরেকদিন আন্ট পেতুনিয়া ডাডলির একটা পুরনো ঢোলা জাম্পারের ভেতর হ্যারিকে ঢুকানোর চেষ্টা করছিলেন। কিন্তু যতই তিনি হ্যারির মাথা ঢুকাতে চান ততই জাম্পারের মুখটা ছোট হয়ে আসে। আন্ট পেতুনিয়া ভাবলেন, হয়তো ধোয়ার পর ছোট হয়ে গেছে। শেষ পর্যন্ত জাম্পারে হ্যারির মাথা ঢুকে এবং হ্যারি শাস্তি থেকে রেহাই পায়।

    আরেকবার হ্যারি ভীষণ বিপদে পড়েছিল। তাকে একদিন স্কুল ভবনের ছাদে পাওয়া গেল। আসলে ছাদে সে স্বেচ্ছায় ওঠেনি। ডাডলির দুষ্টু বন্ধুরাই হ্যারিকে তাড়া করে সেখানে নিয়ে গিয়েছিল। এরপর স্কুলের প্রধান শিক্ষয়িত্ৰী ডার্সলি দম্পতিকে একটা চিঠি লিখে জানান যে, হ্যারি স্কুলের ছাদে উঠেছে। হ্যারি রান্নাঘরের বাইরে বড় শিম গাছের পেছনে লাফ দেয়ার চেষ্টা করেছিল। হ্যারির ধারণা বাতাস তাকে উড়িয়ে এত ওপরে তুলেছে।

    কিন্তু আজ কোন গোলমাল হলো না। তার স্কুল, কাপ বোর্ড অথবা মিসেস ফিগ-এর বাঁধাকপির গন্ধভরা রুম থেকে ডাডলি ও পায়ার্স-এর সঙ্গে দিন কাটানো ভাল।

    গাড়ি চালাতে চালাতে আঙ্কল ভার্নন আন্ট পেতুনিয়ার কাছে অভিযোগ করছিলেন। তিনি অভিযোগ করতে পছন্দ করেন। সচরাচর তার অভিযোগ হলো : কর্মরত লোকজন, হ্যারি, ব্যাংক, এরপর কাউন্সিল আবার হ্যারি বিষয়ক। আজ সকালে অভিযোগ হলো মোটরবাইক বিষয়ক।

    …মোটরবাইক ক্ষেপাটে ও তরুণ মস্তানের মতো গর্জন করে চলে। একথা তিনি বললেন, যখন পাশ দিয়ে একটা মোটরবাইক অতিক্রম কর চলে গেল।

    আমি মোটরবাইক নিয়ে একটি স্বপ্ন দেখছিলাম। হ্যারির হঠাৎ মনে পড়ল। সে বলল, মোটরবাইকটি উড়ছিল।

    আরেকটু হলেই ভার্ননের গাড়ি দুর্ঘটনায় পড়ত। তিনি ডানদিকে ঘুরে হ্যারির দিকে বিরক্তির সঙ্গে তাকালেন। তার মুখ তখন বৃহদাকার মূলার মত। বললেন মোটরবাইক উড়তে পারে না!

    ডাডলি ও পায়ার্স হাসছিল।

    আমি জানি এটি উড়তে পারে না। হ্যারি বলল, আমি স্বপ্ন দেখেছিলাম।

    এরপরই হ্যারি ভাবল, কিছু না বললেই ভাল হতো। সে কথা বলুক এটা ডার্সলি পরিবারের কেউ চায় না। তারা তাকে ঘৃণা করে। স্বপ্ন হোক বা কার্টুন হোক তাতে কিছু আসে যায় না। তারা মনে করবে এটা নিশ্চয়ই হ্যারির ভয়ঙ্কর কোন ব্যাপার।

    দিনটি ছিল রোদ ঝলমলে শনিবার, ছুটির দিন। চিড়িয়াখানায় প্রচণ্ড ভিড়। ছেলেমেয়ে নিয়ে অনেক পরিবার এসেছে। ডার্সলি দম্পতি ডাডলি ও পায়ার্সের জন্য বড় সাইজের চকোলেট আইসক্রিম কিনে দিলেন। হ্যারিকে আড়াল করার আগেই যখন ভ্যানে বসা লাস্যময়ী মহিলা হ্যারির জন্য কি কেনা হবে জানতে চান, তখন একটি সস্তা লেমন আইস কিনে দেন। হ্যারি মনে মনে ভাবল, তাও মন্দ নয়।

    দীর্ঘদিন পর হ্যারির একটা সুন্দর সকাল কাটল। ডাডলি এবং পিয়ার্স থেকে একটু ব্যবধান রেখেই হ্যারি হাঁটাহাঁটি করল। চিড়িয়াখানার রেস্তোরাঁয় তারা খাওয়া–দাওয়া সারল। দুপুরে খাবারের পর তারা সাপজাতীয় প্রাণীদের ঘর দেখতে গেল। ঘরটা ছিল খুব ঠান্ডা ও অন্ধকার। তবে দেয়ালের পাশের জানালাগুলোতে আলো জ্বালানো ছিল। ঘরে ছিল টিকটিকি, সাপ ও অনান্য সরীসৃপ। বিশাল আকারের বিষধর কোবরা, এমনকি মানুষকে পিষে মেরে ফেলতে পারে এমন মোটা একটি অজগর।

    একটা বিশাল সাপ ঘুমিয়ে ছিল। ডাডলি ওর বাবাকে ফিস ফিস করে বলল–ওটাকে জাগাও।

    আঙ্কল ভার্নন কাঁচে টোকা দিলেন, কিন্তু কোন কাজ হলো না। সাপটা একটুও নড়ল না। কিছুক্ষণ পর সাপটা মাথা তুলল। মনে হলো সাপটা হ্যারির দিকে তাকিয়ে আছে। হ্যারি সাপটাকে লক্ষ্য করল এবং আর কেউ সাপটাকে লক্ষ্য করছে কিনা এটাও দেখে নিল। না আর কেউ লক্ষ্য করছে

    সাপটা তার মাখা আঙ্কল ভার্নন ও ডাডলির দিকে বাড়াল। চোখ তুলে ওপরের দিকে তাকাল। তারপর হ্যারির দিকে দৃষ্টি নিক্ষেপ করে বলতে চাইল আমি তো সব সময় এরকমই ব্যবহার পেয়ে থাকি।

    আমি তা জানি। হ্যারি বিড় বিড় করে বলল।

    সাপটি জোরে জোরে মাথা নাড়াচ্ছে।

    তুমি কোথা থেকে এসেছো?–হ্যারি জানতে চাইল।

    সাপ লেজ দিয়ে কাঁচের গায়ের লেখা দেখাল–বোয়া কনসট্রিকটর, ব্রাজিল।

    জায়গাটা কি বেশ ভালো? হ্যারি প্রশ্ন করল। সাপটা লেজ দিয়ে আবার গ্লাসের ওপর লেখা দেখাল। হ্যারি পড়তে পারল। এই সাপটাকে এই চিড়িয়াখানায় বড় করা হয়েছে।

    হ্যারি বলল–তাহলে তুমি কখনও ব্রাজিল দেখনি? সাপ মাথা নেড়ে জানাল। সঙ্গে সঙ্গে হ্যারি সজোরে চিৎকার করে উঠল ডাডলি। মিস্টার ডার্সলি। শিগগির এদিকে এসো। অবিশ্বাস্য একটা ঘটনা দেখে যাও।

    সবাই দৌড়ে এলো। ডাডলি সুযোগ পেয়ে হ্যারির পাঁজরে একটি ঘুষি বসিয়ে দিল।

    হ্যারি সঙ্গে সঙ্গে কংক্রিটের মেঝেতে পড়ে গেল। এরপর যা ঘটল তা আরো আশ্চর্যজনক। ডাডলি এবং পায়ার্স যখন কাঁচের দিকে তাকাল তখন তারা উডয়ে ওরে বাপরে বলে মাটিতে ছিটকে পড়ল।

    হ্যারি বসে হাপাতে লাগল। একটু পর হ্যারি তাকিয়ে দেখে কাঁচের খাঁচাটা নেই। সাপটা তাদের দিকে এগিয়ে আসছে। সরীসৃপ ভবনে হৈচৈ ও শোরগোল পড়ে গেল। যে যেদিকে পারে ছুটতে লাগল। সাপটা যখন হ্যারির পাশ দিয়ে যাচ্ছিল তখন হ্যারি সাপের কণ্ঠে শুনল–আমি ব্রাজিল থেকে এসেছি। তোমাকে অনেক ধন্যবাদ।

    সরীসৃপ ভবনের কীপার স্তম্ভিত হয়ে গেলেন।

    চিড়িয়াখানার পরিচালক আন্ট পেতুনিয়াকে এক কাপ মিষ্টি চা তৈরি করে খাওয়ালেন। তিনি বারবার তার কাছে মাফ চাইলেন।

    সরীসৃপ ভবন থেকে পায়ার্সের বের হয়ে না আসা পর্যন্ত আঙ্কল ভের্নন অপেক্ষা করলেন।

    সাপটা কারো কোন ক্ষতি করেনি। হ্যারির পায়ের পাশ দিয়ে সামনের দিকে চলে গেছে। কোন অঘটন ঘটেনি। তারা সবাই ভার্নন আঙ্কলের গাড়িতে উঠে পড়ল।

    ডাডলি বলল–আরেকটু হলে সাপটা আমার পায়ে কামড় বসিয়ে দিত।

    পায়ার্স বলল–আমাকে তো পাকে পাকে সাপটা জড়িয়ে ধরেছিল। আর সাপটা হ্যারির সাথে কথা বলেছিল। তাইনা হ্যারি?

    আঙ্কল ভার্নন বারবার হ্যারির দিকে তাকালেন। তিনি হ্যারির ওপর খুবই অসন্তুষ্ট। রাগে আঙ্কল ভার্ননের মুখ থেকে কথা বেরুচ্ছিল না। তারপরও আদেশ দিলেন, যাও কাবার্ডে যাও… তোমার জন্য কোন খাবার নেই।

    বাড়িতে ফিরে আঙ্কল ভার্নন একটি চেয়ারে এলিয়ে পড়লেন। আন্ট পেতুনিয়া ব্রান্ডি আনতে ছুটলেন।

    হ্যারির ঠাঁই হলো অন্ধকার কাবার্ডে। সে ভাবছিল, তার যদি একটা ঘড়ি থাকত। ঘড়ি না থাকায় সে সময় জানতে পারল না। ডার্সলি পরিবারের সদস্যরা ঘুমিয়ে পড়েছে কিনা এটা তো সে বুঝতে পারছিল না। তারা না ঘুমোলে সে রান্নাঘরে যাবার কথা ভাবতেও পারে না।

    প্রায় দশ বছর হ্যারি ডার্সলি পরিবারের সাথে কাটিয়ে দিয়েছে। দশটা বছর খুব বিরক্তিকর ও কষ্টকর সময়। ছোটবেলার কথা, তার যতদূর মনে পড়ে, তার বাবা–মা যখন সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যান তখনকার কথা। যে গাড়িতে ওর বাবা–মা দুর্ঘটনায় মারা যান, সেখানে সেও ছিল কিন্তু সে সময়ের কোন কথাই তার স্মরণ নেই।

    কাবার্ডে যখন সে দীর্ঘক্ষণ তার অতীত স্মরণ করার চেষ্টা করছে, তখন এক আশ্চর্যজনক দৃশ্য দেখল। এক তীব্র সবুজ আলোক রশ্মি দেখে সে কপালের কাটা দাগে ব্যথা অনুভব করে। কপালের ব্যথা থেকে সে দুর্ঘটনার কথা মনে করতে পারে। কিন্তু সবুজ আলো? ওটা কোথা থেকে আসে? বাবা–মার কথা একেবারেই তার স্মরণে নেই। তার বাবা–মা সম্পর্কে কোন কথা হ্যারির আঙ্কল বা আন্ট তার সাথে বলতেন না। এসব ব্যাপারে প্রশ্ন করাও হ্যারির জন্য বারণ ছিল। এই বাসায় তার বাবা–মার কোন ছবিও নেই।

    হ্যারির বয়স যখন আরো কম ছিল তখন সে প্রায়ই স্বপ্ন দেখত, একজন অচেনা আত্নীয় এসে তাকে নিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু বাস্তবে এ ধরনের কোন ঘটনা ঘটেনি। তার একমাত্র পরিচিত বলতে এই ডার্সলি পরিবার।

    একবার আন্টের সাথে দোকানে কেনাকাটার সময় একজন লোক এসে হ্যারিকে জিজ্ঞেস করেছিল, সে তাকে চেনে কিনা। এ প্রশ্ন শুনে কোন কিছু না কিনেই আন্ট পেতুনিয়া দোকান থেকে বাইরে চলে এলেন।

    একবার এক অচেনা মহিলা চলন্ত বাস থেকে হ্যারিকে হাতছানি দিয়ে ডেকেছিলো। মহিলার গায়ে সবুজ পোশাক। চেহারাটা একটু বুনো ধরনের। কিন্তু মজার ব্যাপার হলো–হ্যারি যখনই তাদের সাথে কথা বলতে চাইতো তারা অদৃশ্য হয়ে যেত। স্কুলে হ্যারির কোন বন্ধু ছিল না। সবাই জানতো এই ঢোলা জামা ও ভাঙা চমশা–পরা হ্যারি পটারকে ডাডলি এবং তার দুষ্টু বন্ধুরা কেউই পছন্দ করে না।

    কেউ হ্যারির সাথে মিশতো না, কারণ ডাডলিকে চটাবার মতো সাহস কারোরই ছিল না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য চেম্বার অব সিক্রেটস (২) – জে. কে. রাওলিং
    Next Article ব্ল্যাক অর্ডার (সিগমা ফোর্স – ৩) – জেমস রোলিন্স

    Related Articles

    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য চেম্বার অব সিক্রেটস (২) – জে. কে. রাওলিং

    August 18, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য প্রিজনার অব আজকাবান (৩) – জে. কে. রাওলিং

    August 18, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য গবলেট অব ফায়ার (৪) – জে. কে. রাওলিং

    August 16, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য অর্ডার অব দ্য ফনিক্স (৫) – জে. কে. রাওলিং

    August 16, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য হাফ-ব্লাড প্রিন্স (৬) – জে. কে. রাওলিং

    August 16, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ডেথলি হ্যালোস (৭) – জে. কে. রাওলিং

    August 16, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }