Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    হ্যারি পটার এন্ড দি ফিলসফারস স্টোন (১) – জে. কে. রাওলিং

    জে. কে. রাওলিং এক পাতা গল্প282 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৭. সেই হ্যাট

    সেই হ্যাট

    মুহূর্তেই দরোজা খুলে গেল। লম্বা, কালো চুলের এক মহিলা পান্নার মত সবুজ রঙের পোশাক পরে সামনে দাঁড়িয়ে আছেন। তার চাহনি খুব কড়া। হ্যারি ভাবল, এ মহিলাকে পেরিয়ে সামনে যাওয়া ঠিক হবে না।

    হ্যাগ্রিড বললেন, অধ্যাপক ম্যাকগোনাগল, এরা প্রথম বর্ষের ছাত্র।

    ধন্যবাদ হ্যাগ্রিড। আমি ওদেরকে এখান থেকে নিয়ে যাচ্ছি।

    ম্যাকগোনাগল সবাইকে হল ঘরে নিয়ে গেলেন। হল ঘরটি বিশাল। পাথরের দেয়ালে মশালের আলো। ছাঁদ অনেক উঁচুতে।

    তারা সবাই অধ্যাপক ম্যাকগোনাগলকে অনুসরণ করলো। পাথরের মেঝেতে নানা রকম চিত্র আঁকা। হ্যারি ডানদিকের দরোজার ওপাশ থেকে শত শত লোকের কণ্ঠ শুনতে পেল–স্কুলের বাকি অংশটুকু নিশ্চয়ই এখানে কিন্তু অধ্যাপক ম্যাকগোনাগল তাদেরকে হল ঘরের মধ্যে একটা খালি ছোট কামরায় নিয়ে গেলেন। তারা সবাই পরস্পরের গা ঘেঁষে কোনমতে সেখানে দাঁড়ালো, সাধারণত এতক্ষণ তাদের দাঁড়ানোর কথা নয়। তারা ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে এদিক–ওদিক তাকাচ্ছে।

    ম্যাকগোনাগল বললেন–তোমাদের সবাইকে হোগার্টসে স্বাগত জানাচ্ছি। টার্ম শুরুর ভোজসভা শিগগিরই শুরু হবে। গ্রেট হলে আসন গ্রহণ করার আগেই তোমাদের কে কোন হাউজে যাবে তা বণ্টন করা হবে। এই কাজটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ কারণ হাউজটাই হবে তোমাদের পরিবার। তোমরা হাউজের ডর্মিটরিতে থাকবে। অবসর সময় কমনরুমে কাটাবে।

    এখানে চারটা হাউজ আছে–গ্রিফিল্ডর, হাফলপাফ, র‍্যাভেন ক্ল ও স্লিদারিন। প্রত্যেকটা হাউজের ম্যাজিকের ইতিহাস আছে। হাউজে থাকার ব্যাপারে কিছু নিয়ম–কানুন আছে। অনিয়ম করলে পয়েন্ট কাটা যাবে। বছরের শেষে হাউজ-কাপ দেয়া হয়। যে হাউজ সবচে বেশি পয়েন্ট পাবে সে হাউজই কাপ পাবে। হাউজ কাপ পাওয়া একটা সম্মানের ব্যাপার।

    কয়েক মিনিটের মধ্যেই স্কুলের সামনে বাছাই অনুষ্ঠান হবে, তাই কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে হবে। অধ্যাপক ম্যাকগোনাগল নেভিলের জামা ও রনের নাকের দিকে লক্ষ্য করলেন। হ্যারিকে খুব নার্ভাস দেখাছিল। সে যথাসম্ভব তার চুল ঠিক করে নিলো।

    তোমরা শান্তভাবে অপেক্ষা কর। আমি সময়মতো ফিরে আসবো। এই বলে অধ্যাপক ম্যাকগোনাগল বিদায় নিলেন।

    তারা কিসের ভিত্তিতে আমাদের হাউজ ভাগ করে দেবেন? রন জানতে চাইল।

    আমার মনে হয় তারা কোন একটা পরীক্ষা নেবেন। ফ্রেড বলছিল এই পরীক্ষা বেশ কষ্টকর। ফ্রেড বোধহয় ঠাট্টা করেছে। হ্যারির বুক কাঁপছে। আবার পরীক্ষা দিতে হবে। কিসের পরীক্ষা!

    হ্যারির বুক ভীষণভাবে কেঁপে উঠলো। পরীক্ষা? স্কুলের সবার সামনে। সে তো এখন পর্যন্ত কোন জাদু জানে না। তাকে কি করতে হবে? এই সময় যে এই ধরনের কিছু হবে, আসার আগে সে ভাবেনি।

    কেউ বিশেষ কোন কথা বলছে না। শুধু হারমিওন ফিস ফিস করে নিজের জাদুর ক্ষমতার কথা বলল।

    হ্যারি চারিদিকে দেখল যে প্রত্যেকের চেহারায় একটা আতঙ্কের ভাব ফুটে উঠেছে।

    তারপর হঠাৎ কিছু একটা ঘটলো, হ্যারি লাফ দিয়ে এক ফুট ওপরে উঠলো–তার পেছনের কয়েকজন চিৎকার করে উঠলো। প্রায় বিশটা ভূত পেছনের দেয়াল থেকে স্রোতের মত আসছে। দেখতে মুক্তোর মত সাদা ও কিছুটা স্বচ্ছ। তারা একে অপরের সাথে কথা বলতে বলতে ভেসে বেড়ালো। প্রথম বর্ষের ছাত্রদের দিকে তারা খুব একটা তাকালো না। একজন মোটা সন্ন্যাসীর মতো ভূত বলছে–ফরগেট অ্যান্ড ফরগিভ। আমার মনে হয় ওকে আরেকটা সুযোগ দেয়া উচিত। আরেকজন বলছে—না না। তাকে অনেক সুযোগ দেয়া হয়েছে। আর দেয়া যায় না।

    একটা ভূত হঠাৎ করে ছাত্রদের দেখে বলল, এখানে তোমরা কী করছ?

    কেউ জবাব দিল না।

    মোটা সন্ন্যাসী বলল-এরা নতুন ছাত্র। একটু পরে এদের বাছাই পর্ব শুরু হবে।

    কয়েকজন নীরবে সম্মতি জানাল। অধ্যাপক ম্যাকগোনাগল ফিরে এসে বললেন-এখন অন্যসব কাজ বন্ধ। এখন বাছাই পর্ব শুরু হবে।

    এরপর ভূতগুলো পেছনের দেয়াল দিয়ে ধীরে ধীরে অদৃশ্য হয়ে গেল।

    যাবার আগে একটা ভূত বলল–আশা করি, তোমাদের সাথে হাফলপাফে দেখা হবে। আমি ওই হাউজের সদস্য ছিলাম।

    সারিবদ্ধভাবে দাঁড়াও এবং আমাকে অনুসরণ কর। অধ্যাপক ম্যাকগোনাগল প্রথম বর্ষের ছাত্রদের নির্দেশ দিলেন।

    পায়ে ব্যথার কারণে হ্যারি খুব দ্রুত হাঁটতে পারছিল না। তার সামনে ছিল বালু রঙের চুলের একটি ছেলে, আর তার পেছনে ছিল রন। তারা কামরা থেকে বের হয়ে হল ঘর পার হয়ে গ্রেট হলে প্রবেশ করল।

    জায়গাটা খুবই মনোরম। হ্যারি এ ধরনের অপূর্ব সুন্দর জায়গা কল্পনা করতেও পারে না। চারটা লম্বা টেবিলের ওপর হাজার হাজার মোমবাতি মৃদু বাতাসে জ্বলছে। মঞ্চে একটা লম্বা টেবিল। অধ্যাপক ম্যাকগোনাগলসহ শিক্ষকগণ এই টেবিলটাতে বসলেন। তাদের দিকে যে শত শত মুখ তাকিয়ে ছিল, তাদের দেখে মনে হচ্ছিল উজ্জ্বল মোমবাতির সামনে ক্ষণপ্রভা লণ্ঠন। ছাত্রদের মাঝে দুএক ভূতকেও দেখা যাচ্ছিল। সামনের চেহারাগুলো দেখার জন্য হ্যারি ওপরে তাকাল। ওপরে সে কালো ভেলভেটের সিলিং ও তারা দেখতে পেল। হারমিওন হ্যারির কানে কানে বলল, হোগার্টস, এ হিস্টরি–বইতে আমি পড়েছি, বাইরের আকাশের মতই এটা আকর্ষণীয়। এখানে কোন ছাদ আছে এবং এই গ্রেট হলটা স্বর্গের কোন স্থান নয়। এটা একেবারেই মনে হয় না।

    হ্যারি নিচে তাকিয়ে দেখলো অধ্যাপক ম্যাকগোনাগল একটা চার–পায়া টুল তাদের সামনে রাখলেন। টুলের ওপর ছিল জাদুকরের একটা চোখা হ্যাট। হ্যাটটা খুবই পুরনো ও জরাজীর্ণ। আন্ট পেতুনিয়া হলে এটাকে কোনদিন বাড়িতে ঢুকতে দিতেন না। একটু পরে এই হ্যাটটা গান গাইতে শুরু করল। ছাত্রদের মাঝখানে এখানে সেখানে ভূত ঘোরাফেরা করছিল।

    হে তুমি হয়তো ভাবনি আমিও সুন্দর
    শুধু চোখের দেখা দিয়ে করো না বিচার
    যদি আমার চেয়ে চৌকস কোনো হ্যাট
    দেখাতে পারো তুমি; আমি নিজেই,
    নিজেকে গিলে খাবো।
    তুমি তোমার টুপিকে কালো রাখতে পারো
    তোমার উঁচু হ্যাট মসৃণ ও লম্বা
    কিন্তু আমার জন্যে আছে হোগার্টসের সর্টিং হ্যাট
    এবং আমি সবাইকে তা পরাতে পারি
    তোমার মাথায় কিছুই নেই গোপন
    সর্টিং হ্যাট দেখতে পায় না কিছু
    অতএব আমাকে পরীক্ষা করো, বলে দেবো
    কোথায় তুমি যেতে চাও?
    হতে পারো তুমি গ্রিফিল্ডরের বাসিন্দা
    যেখানে হৃদয়ে বাস করে সাহস
    তাদের সাহস, স্নায়ু ও মর্যাদা
    গ্রিফিল্ডরদের করে তোলে মহীয়ান
    হতে পারো তুমি হাফলপাফের বাসিন্দা
    যেখানে তারা ন্যায়বান ও অনুগত
    আর ধৈর্যশীল হাফলপাফেরা হচ্ছে সৎ
    এবং পরিশ্রমে অকাতর।
    অথবা বিজ্ঞ পুরনো র‍্যাভেন ক্লর বাসিন্দা
    যদি থেকে থাকে তোমার তৈরি মন
    যেখানে ধীমান ও শিক্ষিতেরা সহযাত্রী খুঁজে পাবে
    কিংবা হতে পারো বাসিন্দা স্লিদারিনের
    যেখানে খুঁজে পাবে তুমি প্রকৃত বন্ধুকে
    ধূর্ত লোকেরা উদ্দেশ্য হাসিল করতে
    বেছে নেয় যেকোন উপায়।
    অতএব আমাকে ভয় পেও না, করো না হৈচৈ
    (আমার কেউ না থাকলেও) তুমি রয়েছ
    ঠিক নিরাপদ হাতে, যে কারণে আমি থিংকিং ক্যাপ।

    হ্যাটের গান শুনে হলভর্তি সবাই আনন্দে করতালি ও শীস দিয়ে উঠল। হ্যাট সবাইকে অভিবাদন জানিয়ে চুপ হয়ে গেল।

    এই হ্যাট নিয়ে কি আমাদেরকেও পরীক্ষা দিতে হবে। রন হ্যারিকে জিজ্ঞেস করল।

    হ্যারি খুব নিস্পৃহভাবে মুচকি হেসে বলল–জাদু শেখার চেয়ে হ্যাট নিয়ে নাড়াচাড়া করাও অনেক ভালো।

    হ্যাটটাকে দেখে হ্যারি বুঝতে পারল যে সেটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। তাই হ্যারি হ্যাটটার কাছে যেতে সাহস পেল না।

    এবার অধ্যাপক ম্যাকগোনাগল পার্চমেন্টের একটা ভাঁজ করা কাগজ নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে এলেন।

    ম্যাকগোনাগল বললেন–আমি যখন তোমাদের রোল কল করব তখন তোমরা এই হ্যাটটা পরে টুলের ওপর বসবে।

    গোলাপী বর্ণের ও বাদামী চুলের একটা মেয়ে হ্যাট পরল। পরার সাথে সাথেই হ্যাটটা চিৎকার করে উঠল–হাফল পাফ।

    ডানদিকের টেবিলের সবাই হাততালি দিয়ে আনন্দ প্রকাশ করল। হান্না হালপাফের টেবিলে গিয়ে বসল। হ্যারি দেখল আগে দেখা সেই ভূতটাও আনন্দ প্রকাশ করছে।

    এরপর ডাকা হল–বোনস, সুজান।

    হালপাফ আবার হ্যাটটা চিৎকার করল। সুজান হাননার পাশে বসল।

    বুট, টেরি।

    এবার হ্যাটটা চিৎকার করল–র‍্যাভেন ক্ল।

    বাঁ দিকের দ্বিতীয় টেবিলের সবাই করতালি দিল। টেরি র‍্যাভেন ক্লর জন্য নির্দিষ্ট টেবিলে বসল।

    ম্যান্ডি ও ব্রকলহার্স্ট র‍্যাভেন ক্ল হাউজে গেল। তবে ল্যাভেন্ডার ব্রাউন গেল গ্রিফিল্ডর হাউজে। বাঁ দিকে দূরের টেবিলটা যেন আনন্দে বিস্ফোরিত হল। হ্যারি দেখতে পাচ্ছিল রনের যমজ দু ভাই বিদ্রূপ করে শব্দ করছে।

    মিলিসেন্ট বালসট্রোড স্লিদারিন হাউজের সদস্য হয়ে গেল। হ্যারি ভাবছিল তার ভাগ্যে স্লিদারিন হাউজ পড়বে। হ্যারির মনে হলো ওদের বিষণ্ণ দেখাচ্ছে। তার কল্পনাও হতে পারে।

    হ্যারির এখন নিজেকে অসুস্থ মনে হতে লাগলো। মনে পড়ল তার স্কুলে খেলার জন্য যখন কোন দলে তাকে বেছে নেয়া হত, সব সময় তাকে সবার শেষে বেছে নেয়া হত। সে যে খারাপ খেলতো সে কারণে নয়, তারা বরং ডাডলিকে বোঝাতে চাইতো না যে, তারা হ্যারিকে পছন্দ করে।

    ফিনচ, ফ্লেচলি, জাস্টিন

    তার ভাগ্যে হাফলপাফ হাউজ পড়ল।

    হ্যারি লক্ষ্য করল কারো কারো নাম ডাকতে হ্যাটটার তেমন কোন সময়ই লাগছে না। অথচ কারো কারো জন্য অনেক সময় নিচ্ছে।

    হ্যারির পাশে দাঁড়ানো বেলেচুলের ছেলেটি সিমাস ফিনিংগাম টুলের ওপর বসল। এবার হ্যাটটি ঘোষণা দিল–গ্রিফিল্ডর।

    গ্রেঞ্জার, হারমিও।

    হারমিওন দৌড়ে গিয়ে টুলে বসল। মাথায় হ্যাট লাগাল। এবার আওয়াজ এল–গ্রিফিল্ডর।

    হ্যারির মনে একটি দুর্ভাবনার উদয় হলো। আসলে যখন কেউ খুব নার্ভাস থাকে তখন তার মনে নানা দুর্ভাবনা হয়। যদি তার নাম একেবারেই না ডাকা হয়!

    যদি এমন হয় যে সে হ্যাট মাথায় দিয়ে টুলের ওপর বসে আছে দীর্ঘক্ষণ কিন্তু হ্যাট কোন কিছু বলছে না। যদি অধ্যাপক ম্যাকগোনাগল হ্যাটটা খুলে নিয়ে হ্যারিকে বলেন–নিশ্চয়ই কোথাও ভুল হচ্ছে, তোমার আর ভর্তি হওয়ার দরকার নেই। তুমি ট্রেনে ফেরত চলে যাও।

    ব্যাঙ হারানো ছেলেটা নেভিল লংবটমকে যখন ডাকা হলো, টুলে যাবার পথে হোঁচট খেয়ে পড়ে গেল। দীর্ঘ বিরতির পর হ্যাট ঘোষণা করল গ্রিফিল্ডর। অনেক হাসি–ঠাট্টার ভেতর দিয়ে নেভিলকে ফিরে যেতে হলো।

    নাম ডাকা হলে ম্যালফয় আগে বাড়ল। মাথায় হ্যাট লাগাবার সাথে সাথেই ঘোষণা এল–স্লিদারিন।

    খুশি মনে ম্যালফয় তার বন্ধু ক্রেব ও গয়েলের কাছে গেল।

    আর বেশি নাম ডাকতে বাকি নেই।

    তারপর ডাকা হলো মুন…নট….. পার্কিনসন যমজ বোন, পাতিল ও পাতিল-এরপর পার্ক, স্যালি, অ্যানাকে। প্রায় শেষের দিকে দু একজনের আগে ডাকা হলো হ্যারি পটারকে। পটার, হ্যারি? যেই হ্যারি এগিয়ে গেল অমনি গুঞ্জন শুরু হল

    পটার, তিনি কি ঠিক তা-ই বলেছেন?

    হ্যারি পটার?

    হ্যাট পরার আগে হ্যারি দেখলো সবাই তাকে ভাল করে দেখার জন্য উঁচু হয়ে তাকাচ্ছে। পরের মুহূর্তে সে হ্যাটের ভেতরের কালো রং দেখছে। হাম, তার কানে এল। কঠিন। খুব কঠিন। অনেক সাহস। মনটাও খারাপ নয়। প্রতিভাও আছে–কিছু করার আগ্রহও আছে।

    হ্যারি টুলের কোণা শক্ত করে ধরে উচ্চারণ করল–না, স্লিদারিন নয়….. স্লিদারিন নয়।

    স্বরটি তাকে বলল–তুমি তাহলে স্লিদারিন হাউজে যেতে চাও না। তুমি ভালো করে ভেবে দেখ। স্লিদারিন হাউজ তোমাকে সাহায্য করবে। স্লিদারিন হাউজ তোমার জন্য কল্যাণকর হবে। আর যদি স্লিদারিন হাউজে তুমি একেবারেই যেতে না চাও তাহলে তোমাকে গ্রিফিল্ডর হাউজে দেয়া হবে।

    হ্যাটের কাছ থেকে ঘোষণা শুনে হ্যারি মাথা থেকে হ্যাটটা নামাল। তারপর ধীরে ধীরে গ্রিফিল্ডরের টেবিলের দিকে অগ্রসর হলো। স্লিদারিন হাউজের বদলে গ্রিফিল্ডর হাউজ পাওয়ায় হ্যারি বেশ স্বস্তি বোধ করছে।

    প্রিফেক্ট পার্সি উঠে দাঁড়াল ও শক্ত হাতে হ্যারির সাথে করমর্দন করল। ওয়েসলি পরিবারের যমজ দুভাই অন্যদের সাথে চিৎকার করে উঠল। হ্যারি পটারকে আমরা পেয়েছি। হ্যারি পটারকে আমরা পেয়েছি। আগে দেখা ভূতটার উল্টো দিকে হ্যারি বসল। ভূতটি মৃদুভাবে হ্যারির কাঁধে চাপড় দিল।

    হ্যারি এখন উঁচু টেবিলটা ভালভাবে দেখতে পারছে। হ্যারি হ্যাগ্রিডের কাছাকাছি বসল। হ্যাগ্রিড বুড়ো আঙুল দেখিয়ে হ্যারিকে অভিনন্দন জানাল। একটি সোনার চেয়ারে বসে আছেন আলবাস ডাম্বলডোর। হ্যারি তাকে চিনতে পারল। আরো কয়েকটা মুখ হ্যারির পরিচিত যেমন অধ্যাপক কুইরেল।

    হাউজ বাছাইয়ের জন্য আর মাত্র তিনজন বাকি। তারপিন, লিসা গেল র‍্যাভেন ক্ল হাউজে! তারপর রনের পালা। রনের মুখ শুকিয়ে সবুজ হয়ে গেল। ওর জন্য হ্যারি টেবিলের তলায় ফিঙ্গার ক্রস করল। হ্যাট ঘোষণা দিল–গ্রিফিল্ডর।

    আনন্দে হ্যারি অন্যদের সাথে মিলে হাততালি দিল। রন হ্যারির পাশের চেয়ারে ধপাস করে বসে পড়লো।

    শাবাশ রন। চমৎকার। হ্যারির পাশে পার্সি উইসলি হর্ষধ্বনি করল। জেবনী ব্লেইজ গেল স্লিদারিন হাউজে। অধ্যাপক ম্যাকগোনাগল রোল কলের কাগজ গুটিয়ে হ্যাট তুলে নিয়ে ঘোষণা দিলেন–বাছাই পর্ব শেষ।

    হ্যারি তার স্বর্ণের থালার প্রতি দৃষ্টি দিল। সে এই প্রথম অনুভব করল যে সে খুব ক্ষুধার্ত। সে কদুর প্যাস্ট্রি তুলে নিল। আঃ কী মজা।

    আলবাস ডাম্বলডোর উঠে দাঁড়ালেন। দুই হাত বাড়িয়ে তিনি বললেন নবীন ছাত্রগণ। তোমাদেরকে স্বাগত জানাই। এই হোগার্টসে তোমরা স্বাগত। আমাদের খাওয়ার পর্ব শুরু হওয়ার আগে আমি চারটি শব্দ উচ্চারণ করব। সেগুলি হলো–নিটউইট! ব্লুবার! অডমেন্ট! টুইক। ধন্যবাদ।

    তিনি বসে পড়লেন। সবাই করতালি ও হর্ষধ্বনি দিয়ে তাঁকে অভিনন্দিত করলো। হ্যারি ঠিক বুঝে উঠতে পারল না-এখন কী করবে।

    উনি কি পাগল। হ্যারি পার্সিকে জিজ্ঞেস করল।

    পার্সি বলল–কী বলছ তুমি। তিনি তো এক অসামান্য প্রতিভা। তিনি এই পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ জাদুকর। একজন অসাধারণ ব্যক্তি। অবশ্য অসাধারণ ব্যক্তিরাই এক আধটু পাগল হয়। তোমাকে আলু দেব, হ্যারি।

    হ্যারির খিদে পেয়েছে। সামনে খাবারের পাহাড়। খাবারে কী নেই রোস্ট, চিকেন, ল্যাম্ব চপ, সসেজ, শূকরের মাংস, আলু সেদ্ধ, পুডিং, আরো নানা রকমের সস।

    ডার্সলি পরিবারে হ্যারিকে অনাহারে থাকতে হয়নি। তবে সে কখনোই পেট পুরে বা ইচ্ছেমত খেতে পায়নি। তার পছন্দের খাবার তার কাছ থেকে সব সময় ডাডলি কেড়ে নিত। এই মুহূর্তে হ্যারির খুব খিদে পেয়েছে। সে একটা প্লেটে সব খাবারই অল্প অল্প করে নিয়ে খেতে শুরু করলো। পাশ থেকে ভূত তাকে লক্ষ্য করছিল।

    ভূতটা বলল-এগুলো খুব সুস্বাদু খাবার।

    তুমি খাবে না। হ্যারি ভূতকে বলল।

    আমি প্রায় চারশ বছর কিছুই খাইনি। ভূতটি জবাব দিল। আমার এখন খাবার প্রয়োজন নেই। তবে সুযোগ পেলে কে ছাড়ে? আমি তো এখনও আমার পরিচয় দিইনি। আমার নাম স্যার নিকোলাস দ্য মিমসি পর্পিংটন। আমি তোমার সেবায় নিয়োজিত। আমি গ্রিফিল্ডর হাউজের আবাসিক ভূত।

    আমি তোমাকে চিনি। হঠাৎ করে রন বলে উঠল–আমার ভাই তোমার কথা বলেছে, তুমি তো মুণ্ডহীন গলা।

    আমাকে স্যার নিকোলাস দ্য মিমসি বলে ডাকলে আমি খুশি হব। ভূত বলল।

    মুণ্ডহীন? কীভাবে তুমি মুণ্ডহীন হলে? বেলেচুলের সিম্মাস ফিননিগান জিজ্ঞেস করলো।

    ভূতটাকে খুব বিব্রত মনে হলো। কারণ প্রশ্নটা তার পছন্দ হয়নি।

    এভাবেই–সে রেগে বলল। সে তার বাম কান টান দিয়ে পুরো মাখাঁটি নিচে নামিয়ে ঘাড়ের সাথে ঝুলিয়ে রাখল। মনে হলো কেউ যেন তাকে হত্যা করতে চেয়েছিল। কিন্তু পারেনি। নিকোলাস কিছুক্ষণ পর তার মাথাকে ঘাড়ের সাথে সংযুক্ত করল। একটু কেশে বলল–গ্রিফিন্ডারের নবীন ছাত্ররা। চ্যাম্পিয়ন হওয়ার ব্যাপারে তোমরা আমাদের সাহায্য করবে

    হ্যারি এবার স্লিদারিন টেবিলের দিকে তাকাল সেখানেও একটা ভূত বসে আছে। ভয়ঙ্কর চেহারা। সারা পোশাকে রূপালী রক্ত।

    ওর জামায় রক্ত কেন?–সিমাস জিজ্ঞেস করলো।

    প্রায় মুণ্ডহীন ভূতটা বলল–আমি তো তাকে জিজ্ঞেস করিনি।

    সবাই পেট পুরে খেল তারপর অবশিষ্ট খাদ্য প্লেট থেকে উধাও হয়ে গেল। প্লেটগুলো আবার ঝকঝকে তকতকে হয়ে গেল। এক মুহূর্ত পরেই টেবিলে পুডিং দেখা গেল। সব ধরনের ও সব স্বাদের আইসক্রিম ও উপস্থিত। তারপর এল আপেল, পাই, চকোলেট, জেলি, বাদাম, স্ট্রবেরি, চালের পুডিং…. যখন একটা খাবার নেবার জন্য হ্যারি হাত বাড়াল তখন তাদের পরিবারের বিষয়ে কথা উঠল।

    এরপর চললো নানা বিষয়ে কথাবার্তা। মাগল পরিবারের সব দুষ্কর্মের কথা। নেভিল এ ব্যাপারে বিস্তারিত বর্ণনা দিল। হ্যারির ঘুম পাচ্ছে। সে উঁচু টেবিলের দিকে তাকাল। অধ্যাপক মাকগোনাগল ডাম্বলডোরের সাথে কথা বলছেন। অধ্যাপক কুইরেলের মাথায় একটা অদ্ভুত পাগড়ি। অধ্যাপক কুইরেল কথা বলছেন চকচকে কালো চুলের এক শিক্ষকের সাথে। শিক্ষকটার লম্বা বাঁকানো নাক ও গায়ের রঙটা হলুদাভ। হঠাৎ করেই ঘটনাটা ঘটলো। বাঁকানো নাক শিক্ষকটা কুইরেলের পাগড়ির পেছন থেকে হ্যারির চোখাচুখি হলেন–তিনি হ্যারির কপালের দিকে তাকালেন। সাথে সাথেই হ্যারি তার কপালের দাগে তীব্র ব্যথা ও গরম অনুভব করতে লাগল।

    আ…. উ….

    পার্সি প্রশ্ন করল–কি ব্যাপার, তোমার কী হয়েছে?

    না–কিছুনা হ্যারি জবাব দিল।

    ব্যথাটা যত তাড়াতাড়ি এসেছিল, ঠিক তত তাড়াতাড়ি চলে গেল।

    অধ্যাপক কুইরেল যে শিক্ষকের সাথে কথা বলছেন তিনি কে? হ্যারি পার্সিকে প্রশ্ন করে।

    ওহ, তুমি তাহলে অধ্যাপক কুইরেলকে আগে থেকেই চেনো? পার্সি অবাক হয়ে প্রশ্ন করল।

    পার্সি বলে চলল–তিনি প্রফেসর স্নেইপ, তিনি তরল পানীয় ও ওষুধ বিষয়ে পড়ান।

    অবশেষে পুডিংও অদৃশ্য হয়ে গেল। অধ্যাপক ডাম্বলডোর আবার দাঁড়ালেন। হলরুমে পিনপতন নিস্তব্ধতা। তিনি বললেন–তোমাদের কাছে আমার কিছু বলার আছে। প্রথম বর্ষের ছাত্রদের জানানো যাচ্ছে যে মাঠের জঙ্গলে যাওয়া তোমাদের নিষেধ। সিনিয়র ছাত্ররাও একথাটি মনে রাখলে ভালো করবে।

    ডাম্বলডোরের দৃষ্টি হঠাৎ করে উইসলি যমজ ভাইদের ওপর পড়ল।

    তিনি বললেন–আমাদের কেয়ারটেকার মি. ফিলচ একটা সংবাদ তোমাকে জানাবার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন। দু ক্লাসের মাঝখানের বিরতিতে করিডোরে জাদুবিদ্যার কোন অনুশীলন চলবে না। টার্মের দ্বিতীয় সপ্তাহে কিভিচ খেলার অনুশীলন হবে। যারা এ খেলায় অংশগ্রহণ করতে চায় তারা তাদের হাউজের মাধ্যমে মাদাম হুচের সাথে যোগাযোগ করবে।

    তোমাদেরকে আরেকটি কথাও আমাকে জানাতে হচ্ছে, চতুর্থতলার ডানদিকের করিডোরটি তোমাদের জন্য নিষিদ্ধ এলাকা। যারা এই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করবে তাদের পরিণাম হবে যন্ত্রণাদায়ক মৃত্যু।

    হ্যারি হাসল, কিন্তু তার সাথে আর কেউ হাসল না।

    তিনি আসলে সত্যি কথা বলছেন না, ভয় দেখাচ্ছেন। হ্যারি পার্সিকে বলল।

    তিনি সত্যি কথাই বলে থাকেন। পার্সি জবাব দিল–তিনি যখনই কোন কিছু আমাদের নিষেধ করেন তার কারণও জানিয়ে দেন। সবাই জানে বনে অনেক হিংস্র প্রাণী আছে। আমি মনে করি তিনি এ তথ্যটি প্রিফেক্টদের জানাতে পারতেন।

    ডাম্বলডোর এবার তার জাদুদণ্ডে মোচড় দিলেন। একটি সোনালী রিন উড়ে গেল। টেবিলের ওপর সাপের মত উড়তে উড়তে সে কতগুলো শব্দ লিখে ফেলল–

    হোগার্টস হোগার্টস হোগি ওয়ার্টি হোগার্টস
    দয়া করে আমাদের কিছু শেখাও
    আমরা বুড়ো বা টেকো মাথা হই
    কিংবা ইস্পাত দৃঢ় হাঁটুর তরুণ
    আমাদের মাথায় আছে কিছু কৌতূহলী জিনিস
    এখন সেগুলো খালি, বাতাসভরা
    কিছু মরা মাছি, কিছু পেজা তুলা
    মূল্যবান কিছু আমাদের শেখাও
    মনে করিয়ে দাও, যা আমরা ভুলে গেছি
    যা উত্তম তাই তুমি করো
    বাকিটা আমাদের জন্যে রেখে দাও
    এবং মাথার ঘিলু পচে না যাওয়া তক
    আমরা শিখতে থাকবো।

    সবাই বার বার এ গান গাইতে লাগল। শেষ দিকটা যেন শব যাত্রার সঙ্গীতের মত। ডাম্বলডোর জাদুদণ্ড ঘোরালেন। আবার হর্ষধ্বনি।

    তিনি বললেন-এখন শোবার সময়। তোমরা ঘুমোতে যাও।

    সবাই গ্রেট হলের সিঁড়ি বেয়ে নেমে এল। হ্যারি খুব ক্লান্ত। সে খুব বেশি খেয়েছে। তার খুব ঘুম পাচ্ছে। তাই চারপাশের কথা তার কানে আসছে না। সিঁড়ির দুপাশে বিচিত্র দৃশ্য চোখে পড়ছে না। এর পর কিছু বেলুন উড়ল। কিছু হাঁটার ছড়ি আকাশে উড়ল। ব্যারনের কথা শোনা গেল। করিডোরের শেষে একটা মোটা মহিলার ছবি দেখা গেল। গোলাপী রঙের পোশাক। ছবিটা বলল–তোমার পাসওয়ার্ড জানাও।

    পার্সি বলল–ক্যাপুট ড্রাকোনিস।

    সঙ্গে সঙ্গে ছবিটা এগিয়ে গেলে দেখা গেল দেয়ালে একটা গোল ছিদ্র।

    ওরা ছিদ্র দিয়ে ঢুকে পড়ল। আর এটাই নাকি কমনরুম। বাঃ বেশ আরামের। বেশ কয়েকটা আরাম চেয়ার রয়েছে।

    পার্সি মেয়েদের ডর্মিটরি যাবার দরোজাটা দেখিয়ে দিল। ছেলেদের দরোজা পৃথক। একটা ঘোরানো সিঁড়ি দিয়ে তারা ওপরে উঠল। সুন্দর শোবার ঘর। লাল ভেলভেটের পর্দা। কয়েকটা পোস্টার ঝুলছে। শোবার পাজামা পরে তারা বিছানায় গড়িয়ে পড়ল।

    হ্যারি একটু বেশি খেয়ে ফেলেছে। তাই সে অদ্ভুত স্বপ্ন দেখতে লাগল। স্বপ্নে দেখল, সে অধ্যাপক কুইরেলের পাগড়ি পরেছে এবং পাগড়ি তার সাথে কথা বলছে, তাকে বলছে সে যেন এক্ষুণি স্লিারিনে বদলি হয়, কারণ এটাই তার নিয়তি। হ্যারি পাগড়িকে বলল, সে শ্লিদারিনে বদলি হতে চায় না। পাগড়িটা ক্রমশই ভারি হয়ে উঠছে, সে ওটা খুলে ফেলতে চাইলো, কিন্তু সেটা খুব শক্ত হয়ে আঁকড়ে আছে। ব্যথাও দিচ্ছে তাকে। তার সাথে কথা বলছে। ম্যালফয় হাসছে। হঠাৎ এক লম্বা নাকওয়ালা শিক্ষক–ক্ষেইপ হয়ে গেল। স্নেইপ হাসছে কখনও উঁচু কখনও নিচু স্বরে তীব্র সবুজ আলোর ঝলক! হ্যারি জেগে উঠলো, সে ঘামছে ও কাঁপছে।

    একটু পর হ্যারি অন্যদিকে কাত হয়ে আবার ঘুমিয়ে পড়ল। ঘুম থেকে ওঠার পর হ্যারি আগের স্বপ্নের সবকিছুই ভুলে গেল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য চেম্বার অব সিক্রেটস (২) – জে. কে. রাওলিং
    Next Article ব্ল্যাক অর্ডার (সিগমা ফোর্স – ৩) – জেমস রোলিন্স

    Related Articles

    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য চেম্বার অব সিক্রেটস (২) – জে. কে. রাওলিং

    August 18, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য প্রিজনার অব আজকাবান (৩) – জে. কে. রাওলিং

    August 18, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য গবলেট অব ফায়ার (৪) – জে. কে. রাওলিং

    August 16, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য অর্ডার অব দ্য ফনিক্স (৫) – জে. কে. রাওলিং

    August 16, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য হাফ-ব্লাড প্রিন্স (৬) – জে. কে. রাওলিং

    August 16, 2025
    জে. কে. রাওলিং

    হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ডেথলি হ্যালোস (৭) – জে. কে. রাওলিং

    August 16, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }