Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    হ্যারেৎজ – অভীক মুখোপাধ্যায়, চন্দ্ৰনাথ সেন

    লেখক এক পাতা গল্প290 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সুহা, আই লভ ইউ

    আট-ন’ বছরের বাচ্চাটার পিঠে বেত পড়ছে সপাসপ। ছেলেটা থরথর করে কাঁপছে। প্রার্থনার ভঙ্গীতে তার দুই হাত নিবদ্ধ। মুখে টু শব্দটি নেই। ফরসা মুখটা হয়ে উঠেছে টকটকে লাল। অত মার খেয়ে হাঁফ ধরছে। হাঁফিয়ে উঠেছেন ছেলেটির বাবাও। তাঁর হাতেই বেত যে!

    মারতে মারতে বাবা বলছেন, ‘বল, আর যাবি ওখানে?’

    প্রথম বারে ছেলেটা কোনো উত্তরই দিল না। আবার ধেয়ে এল প্রশ্ন, সঙ্গে বেতের ঘা-ও। এবার মাথা নীচু করে ছেলেটি বলল, ‘আমি ওখানে গেলে কার, কী ক্ষতি হবে?’

    ‘ক্ষতি নয়, হারাম হবে… হারাম! আমরা মুসলিম। ওরা জিউস। শত শত বছর ধরে ওদের সঙ্গে আমাদের লড়াই চলছে। ইজ্জতের লড়াই, ইমানের লড়াই। আর তুই কিনা ওদের উপাসনার সময়ে গিয়ে দাঁড়িয়ে থাকছিস? এই শিক্ষা হচ্ছে তোর? দোজখেও জায়গা হবে না! ইয়াল্লাহ!’

    ‘আমি তো ওদের সঙ্গে ইবাদত করতে যাই না, ওদের মন পড়তে যাই।’

    ‘মন পড়তে যাস? কী হবে শুনি মন পড়ে?’

    ‘কারো সঙ্গে তর্ক করতে গেলে আগে তার যুক্তি বুঝতে হয়। সেটাই করছি।’

    পরের আঘাত করার আগে বাবা ভাবলেন, ছেলেটা কি সত্যিই এই কথাগুলো বুঝে বলছে? নাকি ও পাগল? ওকে মারা কি ঠিক হবে? তাই আরেকবার সুযোগ দিলেন ছেলেকে— ‘কথা দে, আর জিউসদের আড্ডায় যাবি না।’

    ‘আমি তো যাবই!’

    এরপরে বেতের ঘায়ে চামড়া ফেটে গিয়েছিল ছেলেটার। রক্তাক্ত দেহের ভেতরে তার থেকেও বেশি ক্ষতবিক্ষত হয়েছিল ছেলেটার মন। বাবার প্রতি জন্ম নিয়েছিল অকল্পনীয় ঘৃণা। সেই ঘৃণা শেষ হয়নি পরবর্তীকালে পিতার মৃত্যুতেও।

    আর সেদিনের সেই ছোট্ট ছেলেটা? তার কী হল?

    সে বড় হতে হতে ‘শের’ হয়ে গেল। মরুসিংহ!

    মোহাম্মেদ আবদেল রহমান আবদেল রাউফ আরাফাত অল-কুদওয়া অল- হুস্পেইনি, ওই মরু সিংহের নাম। কারো চোখে তিনি নায়ক; কেউ বলে, তিনি খলনায়ক। ইসরায়েল রাষ্ট্রের জন্মের প্রথম দিন থেকেই তার ঘোর বিরোধী এই ব্যক্তিত্ব দশকের পর দশক জুড়ে পিএলও-এর মাথা হয়ে ইসরায়েলের জননায়কদের বুকে কাঁপন ধরিয়েছেন। ইয়াসের আরাফাত-হ্যাঁ, এই নামেই সারা বিশ্ব তাঁকে চেনে।

    কিন্তু এত বড় একটা নাম থাকতে পিএলও চেয়ারম্যান কীভাবে ‘ইয়াসের আরাফাত’ হয়ে গেলেন?

    মধ্যপ্রাচ্যের অবাক করা অপার ভাণ্ডারের মতোই অবাক করে দেওয়ার মতো সেখানকার রীতিনীতিও। তেমনই একটি উদাহরণ হল ইয়াসের আরাফাতের পিতৃপ্রদত্ত এই নাম। নামের ছত্রে ছত্রে যুক্ত রয়েছে তাঁর বংশ, গোত্র, স্থান— সবকিছুর ইতিহাস। ‘মোহাম্মেদ আবদেল রহমান’ই হল ইয়াসের আরাফাতের আসল নাম। ইংরাজিতে যাকে বলে, ফার্স্ট নেম। স্বীয় জাতির রীতি মেনে পিতার নাম ‘আবদেল রাউফ’ যুক্ত হয়েছিল। আর তার ঠিক পরেই বসা ‘আরাফাত’ ছিল ইয়াসের আরাফাতের পিতামহের নাম। জনজাতির পরিচয় মিলত ‘অল-কুদওয়া’ থেকে, ঠিক যেমন গোত্রের পরিচয়ের জন্য ছিল ‘অল- হুস্পেইনি’। আরাফাতের জন্ম হয়েছিল মিশরের কায়রো শহরে। আর সেখানকার রীতি ছিল নামের প্রথমে ‘মোহাম্মেদ’ থাকলে সেটাকে বাদ দিয়ে দেওয়া। ‘মোহাম্মেদ’ বাদ দিয়েই ক্ষান্ত হননি আরাফাত। বাবার দেওয়া পুরো নামটাকে ঘাড় থেকে নামিয়ে দিলেন। ছিন্ন করে ফেললেন নিজের পিতার নামটাকেও।

    আরাফাত ছাত্রজীবন থেকেই কট্টর ইসলামিক পন্থার দিকে ঝুঁকেছিলেন। প্রথমে মুসলিম ব্রাদারহুড জয়েন করেন। ইসলামকে কট্টর তথা তাঁদের শুদ্ধতম রূপে বিশ্বজনীন করে তোলাই হয়ে উঠেছিল আরাফাতের একমাত্র লক্ষ্য। নিজেকে হজরত মহম্মদের অনুসারী রূপে প্রতিষ্ঠিত করতে চাইছিলেন তিনি এবং সেইমতো পদক্ষেপও নিলেন। হজরত মহম্মদের এক অন্যতম সঙ্গী অম্মার ইবন ইয়াসিরের নামের সঙ্গে সাযুজ্য রেখে নিজের নাম রাখলেন ‘ইয়াসের’। গোত্র এবং জনজাতির পরিচয় বাহক অংশ বাদ পড়লেও বাদ গেল না ‘আরাফাত’। ইসলামে মক্কার আরাফাত উপত্যকার গুরুত্ব অপরিসীম। পয়গম্বর মহম্মদ অন্তিম বিদায়ের আগে এখানেই নিজের বাণী ঘোষণা করেছিলেন।

    ‘আরাফাতের পিএলও গঠন’ কিংবা ‘ফাতাহ্ নামক সংগঠনের জনক হিসাবে আরাফাত’ এই জাতীয় বিষয় নিয়ে লিখতে বসলে পাতার পর পাতা ব্যয় করতে হবে। ইসরায়েলকে একটার পর একটা ধাক্কা দিয়ে গেছেন আরাফাত। আজকের শিব খেরা বা সন্দীপ মাহেশ্বরীকে দেখলে অসামান্য মোটিভেশনাল স্পিকার মনে করা হয়। ইয়াসের আরাফাতকে শুনলে মনে হবে এঁরা ওঁর কাছে শিশু। হাজার হাজার যুবককে কট্টরপন্থী ইসলামের জন্য উদ্বুদ্ধ করে প্রাণ দিতে ও নিতে রাজি করিয়ে ফেলা কিন্তু চাট্টিখানি কথা নয়! জুডাইজমে আস্থাবান ইসরায়েল, জায়নিস্ট রাষ্ট্র ইসরায়েলের প্রচণ্ডতম শত্রুর নাম ছিল ইয়াসের আরাফাত।

    টানা চার দশক ধরে মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে একক ব্যক্তিত্ব হিসাবে আরাফাত যেভাবে খবরে থেকেছেন তা সম্ভবত এর আগে কখনো হয়নি এবং এরপরেও কখনো হবে না। ইসরায়েলের বিরোধ হোক বা শান্তিচুক্তির কথা কিংবা সেই শান্তিচুক্তির প্রক্রিয়াকে ভঙ্গ করে ‘সেকেন্ড ইন্তিফাদা’, নাম একটাই- আরাফাত… আরাফাত!

    ইসরায়েলের মাথাব্যথার এই অন্যতম কারণের উদ্দেশ্যে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী আরিয়েল শ্যারন একবার বলেছিলেন, ‘মাই রেসপন্স, মাই রিয়েকশন উইল বি টোটালি ডিফারেন্ট।’

    এই কথা শুনে ইয়াসের আরাফাতের উপদেষ্টা বলেছিলেন, ‘আপনি কি হুমকি দিচ্ছেন?’

    ‘আমি কাউকে হুমকি দিই না। আপনারা আমার নীতি তো জানেনই, যেই ইসরায়েল রাষ্ট্রের জন্য বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়াবে, আমি তাকে শায়েস্তা করে দেব। পথের সেই কাঁটাটাকে সরিয়ে দেব!’

    কিন্তু সহজ হয়নি আরাফাত নামের এই কাঁটাকে উপড়ে ফেলা। যখনই কোনো পিস প্রসেস এগিয়েছে, তখনই বাধার কারণ হয়েছেন ইয়াসের। দিনের পর দিন ইসরায়েল কিংবা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অপেক্ষা করে থেকেছে যে, কবে ইয়াসের আরাফাত তাদের পথ থেকে সরে দাঁড়াবে। কবে বন্ধ হবে তাঁর খেলা। ২০০৩ সালে আরাফাতকে মসনদচ্যুত করার চেষ্টাও হয়। কিন্তু কেউ তা করে দেখাতে পারেনি। ‘তোমার চেষ্টা, আমার জয়’ সুলভ ভঙ্গীতে ক্ষমতা হাতে রেখেছেন আরাফাত।

    বিশ্ব রাজনীতির চালও বড় অদ্ভুত। আমেরিকার মতো বিগ ব্রাদার সেখানে বড় ভূমিকা নেয়। কখনো টমকাকার দেশের মানুষেরা বলেন, আমরা সন্ত্রাসবাদ সহ্য করব না। আবার কখনো তাঁদেরই উবাচ, ইসরায়েল যেন আরাফাতের কোনো ক্ষতি না করে।

    হ্যাঁ, এমনই কথা বলিয়ে নেওয়া হয়েছিল আরিয়েল শ্যারনকে দিয়ে। কিন্তু তাঁর মুখের কথাই কি মনের কথা ছিল?

    আরাফাতের উত্থান প্রায় সকলের জানা। ইতিহাস বলছে, আরাফাতের বিরুদ্ধে লড়াই চলেছে বটে, কিন্তু তাঁর পতন ঘটানো যায়নি। ইসরায়েলের মতো সর্বোচ্চ শক্তিসম্পন্ন প্রতিপক্ষও আরাফাতের টিকিটি ছুঁতে পারেনি বলেই দাবি করে প্যালেস্টাইন। কিন্তু সত্যিই কি তাই? কীভাবে মৃত্যু হয়েছিল প্যালেস্টাইনের মরুসিংহের?

    ১২ অক্টোবর, ২০০৪। নিজের বাসগৃহে ভয়ানক অসুস্থ হয়ে পড়েন আরাফাত। খাওয়ার চার ঘণ্টার মধ্যেই গা গুলোনো, বমি, তলপেটে যন্ত্রণা আরম্ভ হয়ে যায়। ভয়ানক দুর্বল বোধ করছিলেন আরাফাত। মূর্ছাও যান। কিন্তু জ্বর আসেনি। প্যালেস্টাইনের এই নেতার চিকিৎসার দায়িত্বে থাকা ওমর ডাকা সঙ্গে সঙ্গেই ওষুধ দেন। কিছু দিন আগেই ‘ফ্লু’তে আক্রান্ত হয়েছিলেন আরাফাত, তাই ওমর ভেবে নিয়েছিলেন হয়তো জ্বর রিল্যান্স করেছে।

    আরাফাত যে শ্রেণীর নেতা, তাঁদের ক্ষেত্রে রোগ কিংবা অন্য যে কোনো ধরনের আক্রমণে শরীর ক্ষতিগ্রস্থ হলেও ইমেজ নষ্ট হওয়ার ভয়ে সেই খবর স্বীকার করা হয় না। তাই কেউ মানতে রাজি হচ্ছিল না যে, আরাফাত ভয়ানক রকমে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। দিন ছয়েক এভাবেই কাটল। ১৭ অক্টোবর মিশর থেকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের একটি দল এল চিকিৎসার জন্য। কিন্তু তাঁরাও রোগের উৎস নিরূপণ করতে পারলেন না। ডাক্তাররা বললেন, গ্যাসএন্ট্রাইটিস। অথচ ওষুধে কাজ হচ্ছিল না। দিন তিনেকের মধ্যে হু হু করে নামতে লাগল অনুচক্রিকার সংখ্যা। দেহের আভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণের সম্ভাবনা বেড়ে চলল। অ্যান্টিবায়োটিক দিয়ে নানা রকমের পরীক্ষামূলক চিকিৎসা চলছিল। চলল স্টেরয়েড। কিন্তু কোনো লাভ হল না।

    আরাফাত অসুস্থ জেনে ফোনের পর ফোন করে চলেছিলেন তাঁর স্ত্রী সুহা আরাফাত। সাড়া মিলছিল না। অসুস্থ ইয়াসেরের সঙ্গে কিছুতেই যোগাযোগ করতে পারছিলেন না সুহা। বলা হচ্ছিল সামান্য জ্বরই হয়েছে। শেষে অবশ্য কথা হল। কিন্তু সেই বার্তালাপের পর বিস্মিতই হয়েছিলেন সুহা। আরাফাত দম্পতি খুব ভালো করেই জানতেন যে, শত্রুপক্ষ সবসময়ে তাঁদের ওপরে তীক্ষ্ণ দৃষ্টি বজায় রেখেছে। প্রতিটা ফোনকল ট্যাপ করছে বিপক্ষ। তাই ফোনে কথা বলার সময়ে অত্যন্ত কেজো তথা নীরস কথাই চলত দুজনের মধ্যে। ফর্মাল সুর ছেড়ে ওইদিনে অসুস্থ আরাফাত হঠাৎ করেই বলেছিলেন, ‘সুহা, আই লভ ইউ!’ চমকে উঠেছিলেন পত্নী সুহা। জিজ্ঞাসা করেছিলেন, ‘আজকে হঠাৎ এভাবে কথা বলছ কেন?’ ইয়াসের সেদিন আবার বলেছিলেন, ‘আই লভ ইউ! আই লভ জাহওয়া!’ জাহওয়া হল আরাফাত দম্পতির একমাত্র কন্যার নাম।

    আরাফাতকে দেওয়া কোনো ওষুধেই কাজ হচ্ছিল না। টিউনিশিয়া থেকে এক দল ডাক্তারকে আনা হল। ভয়ানক বমি এবং ডায়েরিয়ার প্রকোপে ইয়াসের তখন নাস্তানাবুদ। ভাবার মতো কথা যে, একজন ৭৫ বছর বয়স্ক মানুষের পক্ষে আর কতখানি কষ্ট সহ্য করা সম্ভব। মিশরের চিকিৎসকেরা স্টমাক লাইনিং-এ ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বোঝার জন্য এন্ডোস্কপি করার কথা জানালে প্যালেস্টাইনের পক্ষ থেকে ‘না’ করে দেওয়া হল। বলা হল আগেই এন্ডোস্কপি করা হয়েছে।

    ২৮ অক্টোবর জর্ডন থেকে এল এক দল চিকিৎসক। কিন্তু হাল শোধরালো না দেখে পশ্চিমের কোনো দেশে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করানো হবে বলে সিদ্ধান্ত গৃহীত হল। ফ্রান্সে নিয়ে যাওয়ার কথা ঠিক হল সর্বসম্মতিক্রমে।

    আকাশ-বাতাস কাঁপিয়ে দুটো চপার আরাফাতকে নিয়ে যেতে। সম্ভবত এই প্রথম আরাফাতকে মারার জন্য নয়, তাঁর জীবন রক্ষার জন্য কপ্টার আসছিল। দুর্বল আরাফাতকে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি শুরু হল। মাথায় চিরপরিচিত সেই ফিশনেট কাফিয়াটা ডান কাঁধ দিয়ে ত্রিভুজের মতো ঝুলছিল না। তার বদলে মাথায় শোভা পাচ্ছিল একটা রাশিয়ান ফারের টুপি। ক্ষীণ দেহ। মুখের বলিরেখা বৃদ্ধি পেয়েছিল। গালের পাকা, খোঁচা খোঁচা দাড়ির ফাঁকে চামড়ায় লাল, হলুদ ছোপ জানান দিচ্ছিল মানুষটা ভয়ানক অসুস্থ। জনতার ভিড়ে ভর করে এলেন মরুসিংহ। চপারে ওঠার সময় সমানে হাত নেড়ে নিজের সমর্থকদের উদ্দেশে ছুড়ে দিলেন চুম্বন। মুখে স্মিত হাসি— আমি ফিরে আসব, তোমরা আমার জন্য অপেক্ষা ক’রো।

    ফ্রান্সের পার্সি মিলিটারি হসপিটালের হেমাটোলজি ওয়ার্ডে নিয়ে গিয়ে ভর্তি করা হল আরাফাতকে। প্লাজমা, ব্লাড ক্লটিং এজেন্ট দেওয়া আরম্ভ হল। চিকিৎসায় সাড়া দিতে শুরু করল রোগী। বমি বন্ধ হল। ডায়েরিয়ার প্রকোপ কমল। এসবের পাশাপাশি একের পর এক পরীক্ষার মাধ্যমে চলতে লাগল রোগের সঠিক অন্বেষণ। কিন্তু কিচ্ছু ধরা পড়ল না।

    তাহলে কি বিষ প্রয়োগ করা হয়েছিল আরাফাতকে?

    ফরাসি চিকিৎসকেরা কিন্তু সে কথা কখনো স্বীকার করেনি।

    সবই ভালোর দিকে এগোচ্ছিল। হঠাৎ করেই ৩ নভেম্বর অবস্থার অবনতি ঘটল। নাটকীয় ভাবে মুহূর্তে মুহূর্তে পালটাতে লাগল চিত্র। বিছানা থেকে ছিটকে বেরিয়ে আসতে চাইছিলেন অসুস্থ ইয়াসের। চিৎকার করছিলেন।

    শারীরিক বেদনার উপশম ঘটানোর সমস্ত পথ বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। মানসিক ভাবে সুহা তাঁকে সাহস জোগাচ্ছিলেন, ‘শান্ত হও! শান্ত হও!’

    আরাফাতের বিছানার ঠিক পাশেই মেঝেতে হাঁটু গেড়ে বসে ইয়াসেরের দুই হাতের ওপর হাত রেখেছিলেন সুহা। নিজের প্রাক্তন সেক্রেটারি, নিজের প্রেমিকা, নিজের পত্নী সুহাকে চিনতে পারছিলেন না মরুভূমির সিংহ। একটাও কথা বেরোচ্ছিল না আরাফাতের মুখ থেকে। নিথর হয়ে থাকা একটা অসহায় মানুষকে দেখে তখন কে বলবে যে ইসরায়েলের মতো একটা প্রবল শক্তিশালী রাষ্ট্রের চার দশকের ঘুম কেড়ে নিয়েছিল এ-ই? চোখ দিয়ে জল গড়িয়ে পড়ছিল কেবল। আর সেই দৃশ্য দেখে কেঁদে খানখান হয়ে যাচ্ছিল সুহার হৃদয়, আরাফাতের প্রেমিকার বুক।

    এটাই আরাফাতের ইহজীবনের অন্তিম দৃশ্য। এরপর কোমায় চলে যান তিনি। স্বাভাবিক ছন্দে আর ফিরতে পারেননি ইয়াসের।

    সুহা নিজে ভালোবাসার মানুষকে ফিরিয়ে আনার জন্য সবরকম সম্ভাব্য প্ৰয়াস করেছিলেন। মন মানেনি বলে আরাফাতের রুমে বসে কোরানের আয়াত পড়েও শুনিয়েছিলেন। সেই সময়ে ইয়াসেরের হাত নড়ে ওঠে। ডাক্তারকে ডেকে আনা হয়। ডাক্তার বলেন, কোমায় এমনটা হয়। আশার শেষ আলো ওখানেই নিভে গিয়েছিল।

    আরাফাতকে মৃত বলে ঘোষণা করার খবর ছড়িয়ে পড়ছিল। সুহা সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, ‘ওঁকে জীবিত অবস্থাতেই কবর দিয়ে দেওয়ার চক্রান্ত চলছে।’ প্যালেস্টানিয়ান অথোরিটির প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস অন্যান্য রাজনেতাদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে নতুন নেতৃত্ব গঠন করার ব্যাপারে ভাবনাচিন্তা আরম্ভ করে দিয়েছিলেন।

    একজন মৃত্যুপথযাত্রীর যাত্রা আরম্ভ হয়ে গিয়েছিল। ফরাসি ওই হসপিটালে ওই সময়ে আরাফাতের দেহ থেকে নানা স্যাম্পেল কালেক্ট করা হয়। আরসেনিক থেকে আরম্ভ করে প্রচলিত সমস্ত রকমের বিষ এবং ড্রাগসের উপস্থিতি আছে কিনা খতিয়ে দেখাও হয়। কিন্তু কোনো সূত্র মেলে না। ‘ল্যুভে’ এবং ‘ফ্রেডরিখ’— এই দুটি ছদ্মনামকে ব্যবহার করেই এই সমস্ত রিপোর্ট করা হয়েছিল,যাতে প্রতিটা পরীক্ষণের গোপনীয়তা বজায় থাকে।

    আরম্ভ হয় তেজস্ক্রিয় পদার্থের উপস্থিতির পরীক্ষা। গামা অ্যাকটিভিটির রিপোর্ট নেগেটিভ আসে।

    অবশেষে ১১ নভেম্বর মরুসিংহের পথচলা থেমে যায়। আধিকারিক ভাবে তাঁর মৃত্যু ঘোষণা করা হয়। মৃত্যুর কারণ হিসাবে লেখা হয়, ‘মিস্টেরিয়াস ব্লাড ডিসঅর্ডার’।

    গুজব ছড়িয়ে পড়ে আগুনের মতো। কেউ বলে, অতিরিক্ত মদ্যপানের ফলে লিভার সিরোসিস হয়েছিল। কেউ লিখল, এইডস। কারো মতে আবার লিউকেমিয়া হয়েছিল আরাফাতের। এরই মাঝে প্যালেস্টাইনের বিদেশমন্ত্রী নাবিল শাথ দাবি করে বসলেন, ‘আরাফাতকে রাজনৈতিক কারণে গুপ্তহত্যা করা হয়েছে।’

    সাংঘাতিক এক তত্ত্ব! তাহলে কি আরাফাতের পতনই ঘটানো হয়েছিল? কে বা কারা ছিল এর নেপথ্যে?

    ফরাসি চিকিৎসকেরা যে জানিয়েছিলেন কোনো বিষ দেওয়া হয়নি? নাকি কথাটাকে সামান্য অন্যভাবে পড়া উচিত— এমন এক বিষের ব্যবহার করা হয়েছিল যা ফরাসি ল্যাবরেটরিতে মেলেই না?

    আর আশ্চর্যের বিষয় হল না সুহা, না প্যালেস্টাইন গভর্নমেন্ট কেউই আরাফাতের মৃতদেহের অটোপসি করানোর কথা ভাবেনি বা বলেনি।

    কারণ কী?

    সুহা পরে জানিয়েছিলেন, ‘আমার মাথাতেই আসেনি ব্যাপারটা।’ আর প্যালেস্টাইনের পক্ষ থেকে বিষয়টা ইসলামে হারাম বলে চালিয়ে দেওয়া হয়েছিল।

    এখন প্রশ্ন হল, পয়জনিং-এর প্রশ্নটা তাহলে উঠছে কোথা থেকে?

    ২০০৯ সালে আরাফাতের এক প্রাক্তন উপদেষ্টা বাসসাম আবু শরীফ নিজের বই ‘আরাফাত অ্যান্ড দ্য ড্রিম অব প্যালেস্টাইন: অ্যান ইনসাইডারস অ্যাকাউন্ট’- এ লিখে বসলেন যে, ইসরায়েল তেজস্ক্রিয় পদার্থের মাধ্যমে ইয়াসের আরাফাতকে হত্যা করেছে। তিনি লিখলেন, আইডিএফ আরাফাতের ওষুধ সরবরাহকারী অ্যাম্বুলেন্সটিকে আটক করে আধ ঘণ্টা ধরে তল্লাশি চালায়। তল্লাশি তো কিছুই হয়নি, সেই সময়ে কোনো ওষুধের ভায়াল বদলে ঢুকিয়ে দেওয়া হয় বিষাক্ত তেজস্ক্রিয় পদার্থ এবং সেই পদার্থ নিয়মিত একটি নির্দিষ্ট মাত্রায় আরাফাতের দেহে যেতে থাকার ফলেই অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি।

    কেউ কেউ বলে থাকেন যে, প্যালেস্টাইনের মধ্যেই আরাফাতের শত্রুর অভাব ছিল না। তারাই হয়তো বিষপ্রয়োগে মেরেছিল তাঁকে। এক্ষেত্রে নাম উঠে আসে ‘পপুলার রেজিস্টান্স কমিটিজ’-এর। এই সন্ত্রাসবাদী সংগঠনটি ইয়াসের আরাফাতের মৃত্যুর অব্যবহিত সময় পরেই গাজা ভূখণ্ডের মিলিটারি ইন্টেলিজেন্স হেড জেনারেল মুসা আরাফাতকে গুলি চালিয়ে হত্যা করে যায়। এরা নাকি আরাফাত পরিবারের কাউকে মসনদে চাইছিল না। কিন্তু উঠে আসে আরেকটা প্রশ্নও, যে তেজস্ক্রিয় পদার্থের নাম পরে শোনা যায়, সেই ‘পোলোনিয়াম ২১০’ কি পপুলার রেজিস্টান্স কমিটিজের মতো ক্ষুদ্র সংগঠনের হাতে আসা সম্ভব?

    তাহলে কে বা কারা?

    প্যালেস্টাইনের এক অন্যতম আধিকারিক তথা স্বর্গত ইয়াসের আরাফাতের আত্মীয় নাসির আল-কুদওয়া বলেন, ‘ইসরায়েলের হাতে পোলোনিয়াম আছে এবং তারা ইয়াসের আরাফাতকে হত্যা করার ক্ষমতা ও উদ্দেশ্য দুই-ই রাখে।’ তরজা চলতে থাকে। খবর পাকা করে সুইজারল্যান্ডের ইন্সটিটিউট অব রেডিয়েশন ফিজিক্স জানায় যে, অসুস্থ হওয়ার পর থেকে চিকিৎসা চলাকালীন সময়ে আরাফাত যে পোশাক ব্যবহার করেছিলেন কিংবা তাঁর কাফিয়া থেকে পাওয়া চুলে নাকি পোলোনিয়ামের অস্তিত্ব মিলেছে। চুলে পোলোনিয়াম যে স্তরে মিলেছে তাতে বোঝা যায় বেশ কিছু দিন ধরেই নাকি আরাফাতকে তেজস্ক্রিয় এই পদার্থের ডোজ দেওয়া হচ্ছিল। কিন্তু এসবই ২০১২ সালের ঘটনা।

    আর মৃত্যু ঘটেছিল কবে?

    ২০০৪ সালের ১১ নভেম্বর।

    মাঝে কেটে গেছে অনেকগুলো বছর। তাই যখন ইসরায়েলের দিকে সন্দেহের আঙুল তোলা হতে লাগল, তখন ইসরায়েল জবাব দিল, সুহা এতদিন ধরে না কাচা জামাকাপড় রেখে দিয়েছিলেন? আচমকা মনে হল পরীক্ষা করা প্রয়োজন আর আকাশ থেকে হাত ঘুরিয়ে পোলোনিয়াম পাওয়া গেল? সেটাও ইসরায়েল দিয়েছে বলা হয়ে গেল?

    অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে সুহা এবার আরাফাতের দেহ কবর থেকে তোলার অনুমতি জোগাড় করে ফেললেন। জেসাস ক্রাইস্টের পরে কার্যত আবার একবার ‘রেজারেকশন’ দেখল মধ্যপ্রাচ্য। রাশিয়া, ফ্রান্স এবং সুইস ফরেনসিক টিম এসে আরাফাতের দেহাবশেষের নমুনা সংগ্রহ করল। উদ্দেশ্য একটাই পোলোনিয়ামের অস্তিত্ব খোঁজা। কিন্তু ওই যে, মাঝে এতগুলো বছর চলে গিয়েছিল। আর পোলোনিয়ামের এই আইসোটোপের হাফ লাইফ ১৩৮ দিন ৯ ঘণ্টার সামান্য বেশি। এমতাবস্থায় প্রতি ১৩৮ দিন ৯ ঘণ্টায় এই পদার্থ ঠিক নিজের অর্ধেক পরিমাপে কমে আসে, আর তাই সেক্ষেত্রে ৮ বছরের এই সুদীর্ঘ ব্যবধানে এর নমুনা পাওয়া প্রায় অসম্ভব। তবুও কাজ চলল। সুইস অথোরিটি জানাল, পোলনিয়ামের উপস্থিতি দেখা গেছে এবং আরাফাতের মৃত্যুর কারণও এই পোলোনিয়ামই হতে পারে। রাশিয়া এবং ফ্রান্সের রিপোর্ট কিন্তু সার্বজনীন করা হল না। পরে জানা গেল যে ফ্রান্সের রিপোর্টে পোলোনিয়ামের উপস্থিতি প্রমাণিত হলেও তা ‘প্রাকৃতিক’। রাশিয়ার ফলাফলে বলা হয়েছিল, কোনো পোলোনিয়ামই মেলেনি।

    ধোঁয়াশা! ধোঁয়াশা! শুধুই ধোঁয়াশা!

    একজন মৃত ব্যক্তি। হত্যা নাকি স্বাভাবিক মৃত্যু? চতুর্দিকে অজস্র শত্রু। অসংখ্য জিউসের রক্তে রাঙা হাত দুটোকে কাটার জন্য কি একবারও ভাবেনি ইসরায়েল? তা তো নয়— বহু বার ব্যর্থ প্রয়াস হয়েছে আরাফাতকে মারার। পরে খানিকটা মার্কিন চাপের ফলেই প্রকাশ্যে সেই হত্যার প্রয়াস থেকে পিছিয়ে এলেও কিন্তু ইসরায়েল হাল ছাড়েনি। শোনা যায়, ২০০৪ সালের ১১ নভেম্বরের ইসরায়েলের এক মিটিংয়েই নাকি নির্ধারিত হয়ে গিয়েছিল ইয়াসের আরাফাতের ভাগ্য। বাকিটা ঈশ্বর জানেন। তবে হ্যাঁ, এই কথা মানতেই হয় যে, রোগে ভুগে মরুন বা বিষের প্রয়োগে, জীবনের অন্তিম ক্ষণে মরুভূমির এই দুর্ধর্ষ ব্যক্তি শত শত জিউসের রক্তে রাঙা দুই হাতেও প্রেমিকাকেই জড়িয়ে ধরতে চেয়েছিলেন। বলেছিলেন, ‘সুহা, আই লভ ইউ!’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleউপন্যাস সমগ্র ১ – অভীক দত্ত
    Next Article ডাইনিবুড়ি ও অন্যান্য – অভীক সরকার

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }