Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    হ্যারেৎজ – অভীক মুখোপাধ্যায়, চন্দ্ৰনাথ সেন

    লেখক এক পাতা গল্প290 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মারে মোসাদ রাখে কে

    ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০০৮। সিরিয়ার রাজধানী দামাস্কাস। ভরা দুপুরবেলা। একটি বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্টের বাইরে কয়েক জন ইতস্তত বিক্ষিপ্ত ভাবে ঘোরাঘুরি করছে। ওরা আসলে মোসাদ এজেন্ট। অল্পক্ষণের মধ্যেই অ্যাপার্টমেন্টের পার্কিং লটে এসে দাঁড়াল একটা রুপোলি রঙের পাজেরো গাড়ি। গাড়ির মধ্যে বসে আছে এক মধ্যবয়স্ক ব্যক্তি। মুখে চাপ কিন্তু নিখুঁত ভাবে ছাঁটা দাড়ি। উচ্চতা গড়পড়তা। পরনে কালো রঙের দামি একটা স্যুট।

    লোকটা গাড়ি থেকে নামা মাত্রই অতিমাত্রায় সক্রিয়তা দেখা দিল মোসাদের এজেন্টদের মধ্যে। সিরিয়ার দামাস্কাস থেকে ইসরায়েলের তেল আভিভ অবধি ট্রান্সমিট হয়ে গেল একটা বাক্য, ‘আওয়ার ম্যান হ্যাজ অ্যারাইভড অ্যান্ড হি ইজ অ্যালোন।’

    কার কথা বলছিল মোসাদের এজেন্টরা? কী-ই বা করছিল সে দামাস্কাসে?

    ওই ব্যক্তির নাম ছিল ইমাদ ফয়েজ মুঘানিয়া। হিজবুল্লাহ নামক জঙ্গি সংগঠনের দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ছিল ইমাদ। নিজে প্রতিষ্ঠা করেছিল লেবানন’জ ইসলামিক জেহাদ অর্গানাইজেশন।

    ১৫ নভেম্বর, ২০০১ সাল। আমেরিকার এফবিআই-এর পক্ষ থেকে জারি করা হল বিশ্বের মোস্ট ওয়ান্টেড সন্ত্রাসবাদীদের নামের একটি তালিকা। ২২ জন কুখ্যাত আতঙ্কবাদী, ২২টা নাম। এই তালিকায় প্রথম নামটা ছিল ইমাদ মুঘানিয়ার। ৯/১১-এর ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার হামলা হওয়ার আগে অবধি এই ইমাদই ছিল সবথেকে বেশি সংখ্যক আমেরিকান নাগরিকের মৃত্যুর কারণ। ইমাদের মাথার দাম হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছিল ৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

    ভাবার মতো বিষয়ই বটে। কিন্তু কেন এ হেন গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল ইমাদের নামের ওপরে? কী এমন কাজ করেছিল সে?

    উলটো দিক থেকে উত্তরটা খুঁজলে হয়তো সহজ হবে। কী এমন কাজ করেনি ইমাদ? তালিকাটা দীর্ঘ—

    ১৯৮৩

    -বেইরুটের মার্কিন দূতাবাসে বোমা বিস্ফোরণ। তেষট্টি জনের মৃত্যু ঘটে। আহত হয়েছিল বহু মানুষ।

    -বেইরুটের মার্কিন মেরিন ব্যারাকে বোমা বিস্ফোরণ। নিহতের সংখ্যা ছিল ৩০০ জন।

    -লেবাননের ইসরায়েলি ডিফেন্স ফোর্স (আইডিএফ)-এর হেডকোয়ার্টার্সে বোমা বিস্ফোরণ। নিহত হয়েছিল ৬০ জন।

    ১৯৮৪

    -আমেরিকান ইউনিভার্সিটি অব বেইরুটের প্রেসিডেন্ট ম্যালকম এইচ কেরকে হত্যার অপরাধ।

    -লেবাননে নিযুক্ত সিআইএ-এর স্টেশন চিফ বিল বাকলেকে অপহরণ এবং হত্যার অপরাধ।

    ১৯৮৫

    ইসরায়েল এবং লেবাননের সীমান্তে আইডিএফ-এর কনভয়ে হামলা, যার ফলে ৮ জনের মৃত্যু হয়।

    — টিডব্লিউএ ৮৪৭ ফ্লাইট হাইজ্যাকিং।

    ১৯৮৮

    — কর্নেল উইলিয়াম হিগিন্সকে অপহরণ এবং হত্যার ষড়যন্ত্র।

    ১৯৯২

    আর্জেন্টিনায় অবস্থিত ইসরায়েলি দূতাবাসে বোমা বিস্ফোরণ। ২৯ জনের মৃত্যু ঘটে।

    ১৯৯৫

    বুয়েনাস এয়ার্সে জিউইশ কমিউনিটি সেন্টারে বোমা বিস্ফোরণ। নিহতের সংখ্যা ছিল ৮৬ জন।

    ১৯৯৬

    সৌদি আরবের খোবারের খোবার টাওয়ার্স-এ বোমা বিস্ফোরণের মাস্টারমাইন্ড।

    আমেরিকা, ইসরায়েল সহ বিশ্বের নানা দেশের অগণিত সামরিক এবং অসামরিক ব্যক্তির রক্তে নিজের হাত রাঙিয়ে ফেলেছিল ইমাদ। একজন কট্টর সন্ত্রাসবাদী রূপে ক্রমশ নিজের ছায়াকে বড় করতে থাকা মুঘানিয়াকে দমন করা কার্যত অসম্ভব হয়ে উঠছিল আমেরিকা কিংবা ইসরায়েলের মতো দেশের ইন্টেলিজেন্স সংস্থাগুলির কাছে।

    কিংবদন্তীতে পরিণত হয়েছিল ইমাদ। ‘তাকে ধরা যায় না, তাকে মারা যায় না,’ এ কথাই চালু হয়ে গিয়েছিল সিআইএ আর মোসাদের করিডরে। যেন এক ভূত— ‘আ গোস্ট!’

    ইমাদকে ধরতে না পারার একটা বড় কারণ ছিল সে মধ্যপ্রাচ্যের নানা দেশে অবাধে বিচরণ করত এবং কোথাও একটানা বেশি দিন থাকত না। পাশ্চাত্যের বিভিন্ন ইন্টেলিজেন্স এজেন্সির কাছে ইমাদের কুকীর্তির একটা দীর্ঘ তালিকা থাকলেও আসল জিনিসটাই ছিল না— তার হুলিয়া। ইমাদ মুঘানিয়াকে কেমন দেখতে কিংবা তার স্বভাব সম্পর্কে কোনো ধারণাই ছিল না। কিছুতেই খুঁজে বের করা সম্ভব হচ্ছিল না তার লুকিয়ে থাকার জায়গাগুলোকে। কিচ্ছু জানতে পারছিল না এজেন্সিগুলি।

    ১৯৮২ সাল। ইসরায়েল আর লেবাননের মধ্যে যুদ্ধ বাঁধল। হিজবুল্লাহর জন্ম হল। হিজবুল্লাহকে অস্ত্রশস্ত্র জোগান দেওয়ার পুরো কাজটা করেছিল ইরান’স রেভোলিউশনারি গার্ডস। প্রশিক্ষকের কাজটাও তারাই সেরেছিল। হিজবুল্লাহ নামক এই সংগঠনটিকে তৈরি করার একটাই উদ্দেশ্য ছিল—- ইসরায়েলকে ধ্বংস করে দেওয়া এবং নিজের জন্মের প্রথম মুহূর্ত থেকেই আঘাত হানা আরম্ভ করে দিয়েছিল। বাস্তবে ইরান-ইসরায়েল দ্বন্দের মধ্যে ইরানের হয়ে ছদ্ম যুদ্ধ চালাতে আরম্ভ করল এই সংগঠন। ক্রমশ শক্তিশালী হয়ে উঠছিল আয়েতোল্লা খোমেইনির আদর্শে চলা হিজবুল্লাহ।

    ওদিকে লেবাননে জমি হারাচ্ছিল প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন বা পিএলও। একটা সময়ে প্রায় ধুয়ে-মুছে সাফ করে দেওয়া হয় পিএলও-কে। নিজেদের প্রাণ রক্ষা করার জন্য পিএলও-এর নেতা স্থানীয়রা টিউনিশিয়াতে পালিয়ে যাচ্ছিল। ইমাদ নিজে পিএলও-এর সঙ্গে যুক্ত ছিল, ইয়াসের আরফাতের দলে একজন নির্ভরযোগ্য স্নাইপার হিসাবে কাজ করত। লেবাননে পিএলও মুছে গেলেও কিন্তু সে লেবানন ছেড়ে পালানোর পথে হাঁটেনি। আর এখান থেকেই ইমাদ মুঘানিয়ার রাজনৈতিক কেরিয়ারে একটা বিরাট পালাবদল আসে। লেবাননে পিএলও-এর বিভিন্ন গোপন আস্তানার খবর তার কাছে ছিল। সেখানকার বিপুল পরিমাণ অস্ত্রের ভাণ্ডারের খবর ইমাদ দিয়েছিল হিজবুল্লাহকে। এরপর ওকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। মধ্যপ্রাচ্যের ত্রাসে পরিণত হয়েছিল ইমাদ মুঘানিয়া।

    বহু জায়গায়, বিভিন্ন হামলায় এবং ষড়যন্ত্রে ইমাদের নাম জড়িয়েছে। খুব স্বাভাবিক ভাবেই তার নামে ফাইল বানিয়েছে একাধিক ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি। কিন্তু আশ্চর্যজনক ভাবে ইমাদ মুঘানিয়া নামটির পাশে বিবরণের জায়গাটা হয় ফাঁকা রাখা হয়েছে নয়তো একটি ফাইলে লেখা ইমাদের বিবরণের সঙ্গে অন্য ফাইলে লিখিত বিবরণ মেলেনি। একটি রিপোর্টে লেখা হল যে, ইমাদ হিজবুল্লাহর লিডার শেখ মুহম্মদ হুসেন ফদলল্লাহর অঙ্গরক্ষী ছিল। আবার অন্য একটি ফাইলে বলা হয়েছিল, ইমাদ মুঘানিয়া হিজবুল্লাহর অপারেশনস চিফ। হিজবুল্লাহ পার্টির অনেক নেতা টিভিতে সাক্ষাৎকার দিত, অনেক নেতার ভাষণও দেখা যেত। সেই সব কথায় মূলত ইসরায়েলকে ধ্বংস করে দেওয়ার হুমকিভরা বার্তাই থাকত। কিন্তু ইমাদকে কখনো এ ধরনের কোনো সাক্ষাৎকার বা ভাষণ দিতে দেখা যায়নি। অন্তরালে থাকা ইমাদ নিজের পরিচয় জানান দিত নিজের নাশকতামূলক কাজের দ্বারা। একের পর এক বীভৎস আক্রমণের ফলে মাত্র এক দশকের মধ্যেই ইমাদকে এফবিআই, ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন কিংবা মোসাদ মারাত্মক একজন সন্ত্রাসবাদী রূপে গণ্য করতে শুরু করে দিয়েছিল।

    পাশ্চাত্যের কোনো ইন্টেলিজেন্স এজেন্সির কাছেই ইমাদের ব্যক্তিগত জীবন সম্পর্কে বিশেষ কোনো তথ্য ছিল না। যেটুকু জানা গিয়েছিল তা হল, নিজের এক তুতো বোনের সঙ্গে ইমাদের বিয়ে হয়েছিল। তার স্ত্রীর নাম ছিল শাদা বদর আল-দীন। শাদা এবং ইমাদের তিন সন্তান; ফাতিমা, মুস্তফা এবং জিহাদ। ইমাদের বাবার নাম ছিল ফয়েজ। প্রাথমিক ভাবে কিছু রিপোর্টে ইমাদকে লেবাননের এক বিখ্যাত লেখক তথা রাজনৈতিক বোদ্ধা জাভেদ মুঘানিয়ার ছেলে বলে উল্লেখ করা হয়েছিল। পরে এটা ভুল তথ্য বলে প্রমাণিত হয়। এমনই ছিল ইমাদ, এমনই ছিল তাকে ঘিরে থাকা কিংবদন্তী। আর তাই ইমাদকে বলা হত, ‘হিজবুল্লাহ’জ ফ্যান্টম! ‘

    এই চলমান অশরীরীকে ঘিরে বাড়তে থাকা অস্বস্তির ফলে এফবিআই, সিআইএ-এর মতো এজেন্সিগুলি মোসাদের দ্বারস্থ হল। তারা জানত যে, পারলে একমাত্র মোসাদই করে দেখাতে পারে। বাইরের এজেন্সিগুলির সঙ্গে হওয়া কথামতো ইমাদের একটা প্রোফাইল বানাতে আরম্ভ করে দিল মোসাদ।

    কী লেখা হল সেখানে?

    — ইমাদ একা একা থাকতে পছন্দ করে।

    -ইমাদ একজন অনন্য সাধারণ প্রতিভাবান মিলিটারি ট্যাকটিসিয়ান।

    -মনের দিকে থেকে বেশ সংবেদনশীল মানুষ ইমাদ।

    — ইমাদ সহজে কাউকে বিশ্বাস করে না।

    -অত্যাধুনিক প্রযুক্তি এবং ইলেকট্রনিক্স গ্যাজেট সম্পর্কে ইমাদের ব্যুৎপত্তি অসাধারণ।

    আটের দশক থেকেই সিআইএ, ফ্রেঞ্চ সিক্রেট সার্ভিস এবং মোসাদ ইমাদকে ধরার বা গুপ্তহত্যা করার বহুবার চেষ্টা করেছিল। যেমন ১৯৮৩ সালে মার্কিন দূতাবাসে বোমা বিস্ফোরণ ঘটানোর পর থেকেই হিজবুল্লাহ সিআইএ-এর রাডারে চলে আসে। ১৯৮৫ সালে সিআইএ ডিরেক্টর উইলিয়াম কেসি সৌদি আরবের সহায়তায় হিজবুল্লাহ নেতা মুহম্মদ হুসেন ফদলল্লাহর ওপরে একটি গাড়িবোমা বিস্ফোরণ ঘটান। নিশানায় ছিল ইমাদ মুঘানিয়াও। কিন্তু এদের কিছু হয় না। ৮০ জন সাধারণ নাগরিক নিহত হয়। নিহতের তালিকায় অবশ্য ইমাদের এক ভাইও ছিল। এরপরেও একাধিক বার ইমাদকে মারার পরিকল্পনা করা হয় এবং প্রতি বারেই বেঁচে যায় সে। ২০০২ সালে জেএসওসি (জয়েন্ট স্পেশাল অপারেশনস কম্যান্ডো)-এর উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের সঙ্গে ইসরায়েলি মিলিটারি ইন্টেলিজেন্স সার্ভিসের চিফের মিটিং হয়। বিষয় ছিল ইমাদ মুঘানিয়ার গুপ্তহত্যার পরিকল্পনা।

    ইমাদ ছিল শিকারি বিড়াল। বিড়ালকে নিয়ে ইংরাজিতে একটা প্রবাদ খুব চলে— ‘দ্য ক্যাট হ্যাজ নাইন লাইভস— থ্রি ফর প্লেয়িং, থ্রি ফর স্ট্রেয়িং, থ্রি ফর স্টেয়িং।’ বারংবার অকৃতকার্য হওয়ার পর মোসাদ-কর্তারা ইমাদ মুঘানিয়াকে নাম দিয়েছিল, ‘আ টেররিস্ট উইদ নাইন লাইভস।’ অর্থাৎ, এমন একজন সন্ত্রাসবাদী যার কাছে ৯টা জীবন আছে।

    কিন্তু এত গোপনীয়তা, একই লোকের রিপোর্টে এত রকমের ফেরবদল কীভাবে সম্ভব হচ্ছিল তা খুঁজে বের করতে কোনো কসুর বাকি রাখেনি মোসাদ। লেবাননের সঙ্গে দ্বিতীয় বার যুদ্ধের পর এমন কিছু প্যালেস্টাইনকে মোসাদ নিজেদের এজেন্ট হিসাবে নিযুক্ত করে রেখেছিল, যারা হিজবুল্লাহ সংগঠনকে ঘৃণা করত। তাদের লেবাননেই রিক্রুট করে রাখা হয়েছিল। এমনই একজন এজেন্টের এক দূরসম্পর্কের বোন থাকত ‘তায়র ডিব্বা’ গ্রামে। এই তায়র ডিব্বা গ্রামেরই ছেলে ছিল ইমাদ। আর ইমাদকে নিয়ে সেখানে অনেক কথা চলবে এটাই ছিল স্বাভাবিক ব্যাপার। মেয়েটি জানত না যে, তার তুতো সম্পর্কের ওই ভাই একজন মোসাদ এজেন্ট। একদিন এ কথা-সে কথা বলতে বলতেই মুখ ফসকে সে বলে ফেলে, ‘কিছু দিন আগেই ইমাদ ইউরোপ গিয়েছিল। আর ইউরোপ থেকে ফেরার পর তো ওর মুখটাই পুরো পালটে গেছে। চেনাই যাচ্ছে না!’ ওই মোসাদ এজেন্ট অস্ফুট স্বরে তখন একটাই কথা স্বগতোক্তি করে বলেছিল, ‘প্লাস্টিক সার্জারি!’

    এই দুটো শব্দকে সম্বল করেই আবার নতুন দিশা দেখতে আরম্ভ করে দিল মোসাদ। সামনে এক বিশাল চ্যালেঞ্জ। ইউরোপের সমস্ত প্লাস্টিক সার্জারির ক্লিনিক চেলে ফেলার কাজটা সহজ নয় এ কথা আর কে না জানে? সমগ্র ইউরোপে ছড়িয়ে থাকা অগুনতি মোসাদ এজেন্টদের কাছে একটাই মেসেজ পাঠিয়ে দেওয়া হল— ‘নিজের এলাকার মধ্যে যেখানে যত প্লাস্টিক সার্জারি ক্লিনিক আছে তার বিস্তৃত বিবরণ জমা দাও!’ কাজ হতে লাগল যুদ্ধকালীন তৎপরতায়। অবশেষে খবরও মিলল। সংবাদ এল জার্মানির বার্লিন শহরের এজেন্ট জানাল ইমাদ একবার নয় ৮ বার প্লাস্টিক সার্জারি করিয়েছিল। আর সব ক’টাই করিয়েছিল (তৎকালীন) পূর্ব জার্মানির একটি ক্লিনিক থেকে। এই ক্লিনিক আগে ইস্ট জার্মানির স্টাসি (পূর্ব জার্মানির সিক্রেট পুলিশ ‘স্টেট সিকিউরিটি সার্ভিস’) চালাত। নিজেদের এজেন্টদের মুখের আদল প্লাস্টিক সার্জারির মাধ্যমে বদলে ফেলে বিভিন্ন অপারেশনে পাঠানোর জন্যই স্টাসি এই ক্লিনিকটিকে ব্যবহার করত।

    মোসাদের তরফ থেকে ওই ক্লিনিকে যোগাযোগ করা হল। কিন্তু পেশাগত গোপনীয়তার কথা বলে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ কথা বলতে রাজি হল না। সবই তো ঠিক ছিল, কিন্তু ক্লিনিক অথোরিটি এই কথা ভুলে গিয়েছিল যে, মোসাদ হল ইসরায়েলের এজেন্সি। আর ইসরায়েল যখন কাউকে লক্ষ্য হিসাবে বেছে নেয় তখন স্বয়ং যমরাজও তাকে রক্ষা করতে পারে না। সবারই একটা বিক্রয়মূল্য থাকে, ক্লিনিকের কর্তৃপক্ষেরও ছিল। সেই পরিমাণ অর্থ দিয়ে ইমাদের ফাইল কিনে নিল মোসাদ। সেই ফাইলে পাওয়া গেল ইমাদের ৩৪টা সাম্প্রতিক ছবি। ফটোগুলোকে অ্যানালিসিস করে ফেলল মোসাদের টিম। তৈরি হয়ে গেল রিপোর্ট।

    কী বলা হল রিপোর্টে?

    -ইমাদ মুঘানিয়ার চোয়াল আর থুতনিতে অপারেশন করা হয়েছে।

    -সামনের দিকের বেশ কয়েকটা দাঁত তুলে তাদের জায়গায় কৃত্রিম দাঁত বসানো হয়েছে।

    -চোখের আকৃতিতে বদল এনেছে সার্জেন্ট।

    -আগে চুলের রঙ ছিল কালো, শেষ অপারেশনের পর সব চুল ধূসর করে দেওয়া হয়েছে।

    -ইমাদ চশমা ব্যবহার করত। লেসিক সার্জারি হয়েছে। এখন চশমার বদলে ব্যবহার করে কন্টাক্ট লেন্স।

    পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছিল যে, আটের দশক থেকে বিভিন্ন সময়ে নানা এজেন্সি ইমাদের যেসব ছবি নিজেদের সংগ্রহে রেখেছিল, তাদের সঙ্গে ইমাদের এখনকার চেহারা আর মিলবে না। ইমাদের খোলনলচে বদলে ফেলা হয়েছিল।

    এবার আসরে নামে সিআইএ। মোসাদের গোয়েন্দাদের সঙ্গে কথাবার্তার পর তারা বিশেষ আইইডি বিস্ফোরক ব্যবহার করার প্রস্তুতি নিতে থাকে। পরবর্তীকালে খবরে প্রকাশ পেয়েছিল যে, ইমাদকে মারার জন্য সিআইএ ২৫টি বোমা তৈরি করে ট্রায়াল দিয়েছিল। এমন ভাবেই সেই বোমা তৈরি করা হয়েছিল যাতে বিস্ফোরণের মাত্রা ভয়ানক হলেও বিস্ফোরণ-স্থলের ২০ ফুট দূরে থাকা কোনো ব্যক্তির ক্ষতি যেন না হয়।

    মোসাদের চিফ সেই সময়ে মির ডাগান। উনি ইসরায়েলের কিডন নামক সংস্থাকে এই অপারেশনে আনার সুপারিশ করেন।

    কিডন কী?

    ইসরায়েলের এই সংস্থার প্রধান কাজই হল ইসরায়েল রাষ্ট্রের শত্রুদের গুপ্ত ভাবে হত্যা করা। কিডনের সম্পর্কে বিশেষ কিছুই বাইরে আসে না। বলা হয় যে, আইডিএফ-এর প্রাক্তনীদের নিয়েই কাজ করে কিডন। অপারেশন ‘রাথ অব গড’-এর সময়ে কিডনের ভূমিকাই ছিল অগ্রগণ্য।

    কিডন, মোসাদ আর সিআইএ, এই তিনটি ফলা ইমাদকে নির্মূল করার জন্য লেগে পড়ল। নিজেদের ফিল্ড ওয়ার্ক থেকে মোসাদ প্রাথমিক ভাবে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছায় যে, পশ্চিমের কোনো দেশে ইমাদকে নিকেশ করা মোটেই সহজ কাজ নয়। কারণ ইউরোপের কোনো দেশেই ইমাদ খুব দরকার না পড়লে ভ্রমণ করে না। তার বেশিরভাগ সময়টাই কাটে সিরিয়া এবং ইরানে। অর্থাৎ অপারেশন সারতে হবে মিডল ইস্টেরই কোনো দেশে। মোসাদ লেবানন, তিউনিসিয়ার মতো মধ্যপ্রাচ্যের নানা দেশে এর আগেও কাজ করেছিল। কিন্তু এই দেশগুলোর তুলনায় ইরান বা সিরিয়ার মতো দেশগুলো ছিল অনেক বেশি বিপজ্জনক এদের গুপ্তচর সংস্থাগুলি ছিল যথেষ্ট উন্নত এবং এদের সামরিক ক্ষমতাকে চ্যালেঞ্জ করতে গেলেও দু’ বার ভাবতে হত প্রতিপক্ষ রাষ্ট্রকে। তাই মির ডাগান বুঝেছিলেন, একটা ফেইলড মিশন মানে ইমাদ হাতছাড়া তো হবেই, তাছাড়াও যুদ্ধ বেঁধে যাওয়ার প্রবল সম্ভাবনা থাকবে। আবার অন্য দিকে সফল হতে পারলে ইসরায়েল নিজের শত্রুদের তথা সন্ত্রাসবাদীদের বুক কাঁপিয়ে দেবে।

    এরপরে টানা রেইকি চলল ইমাদ মুঘানিয়ার ট্রাভেল প্যাটার্ন নিয়ে। সেখান থেকেই বেরিয়ে এল নতুন সূত্র। মোসাদ অনুমান করল যে, ১২ ফেব্রুয়ারি ইমাদ দামাস্কাসে যাবে। সেখানে ইরানিয়ান রেভোলিউশন-এর বর্ষপূর্তির উৎসব পালন হওয়ার কথা ছিল। কেবল ইমাদ নয়, ইরান এবং সিরিয়ার উচ্চপদস্থ সামরিক আধিকারিকদেরও উপস্থিত থাকার কথা ছিল। কিন্তু পাকা খবর ছিল না, এটা ছিল অনুমান মাত্র। মোসাদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল এই অনুমানের সত্য হওয়ার সম্ভাবনা ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ।

    আরও গভীর তদন্ত চালানো হল। সিআইএ সহ বেশ কয়েকটি বিদেশি ইন্টেলিজেন্স সংস্থার সাহায্য নিয়ে নিজেদের সামনে কিছু প্রশ্ন সাজাল মোসাদ।

    -মোসাদ কি সত্যিই ১২ ফেব্রুয়ারি দামাস্কাসে যাবে?

    -যদি যায়, তবে কোন পরিচয়পত্র ব্যবহার করতে পারে?

    -কী গাড়ি ব্যবহার করবে ইমাদ?

    -কোথায় গিয়ে উঠবে ইমাদ?

    -কে বা কারা ইমাদের সঙ্গী হবে?

    -ইরান এবং সিরিয়ান অধিকর্তাদের সঙ্গে ইমাদ কখন দেখা করতে যাবে?

    -সিরিয়ান গভর্নমেন্ট এবং হিজবুল্লাহ কি ইমাদের এই ট্রিপ সম্পর্কে অবহিত?

    নিজেদের অপারেশনের সাফল্যের জন্য এই প্রশ্নগুলোর সঠিক উত্তরের প্রয়োজন ছিল মোসাদের। ভিন্ন ভিন্ন ইরানি এবং লেবানিজ তথ্যসূত্র থেকে মোসাদ এই খবর পাকা করে ফেলে যে, ১২ ফেব্রুয়ারি ইমাদ দামাস্কাসে যাচ্ছে। ব্যস! কিডনের এজেন্টরা বেশ কয়েকটি ভাগে বিভক্ত হয়ে ইউরোপের বিভিন্ন দেশ হয়ে সিরিয়ায় গিয়ে পৌঁছায়। মোসাদের একটি স্পেশাল টিম স্মাগলিং-এর মাধ্যমে দরকারি বিস্ফোরক পৌঁছে দেয় দামাস্কাসে। ঠিক ছিল ইরানিয়ান রেভোলিউশনের বর্ষপূর্তি করার জায়গার কাছেই কোথাও শেষ করে দেওয়া হবে ইমাদ মুঘানিয়াকে।

    শেষ মুহূর্তে একটি গুরুত্বপূর্ণ খবর পায় মোসাদ। মোসাদের এক গুপ্তচর জানতে পারে যে, ইমাদ যখনই দামাস্কাসে যায়, তখনই সে একজন সুন্দরী মহিলার সঙ্গে দেখা করে। সেই মহিলা আসলে ইমাদের রক্ষিতা।

    আরও তথ্য মিলল। মোসাদ, কিডন, সিআইএ-এর এজেন্টরা আনন্দে উৎফুল্ল হয়ে গেল ইমাদের গোপন প্রেমের কথা জানতে পেরে। না, কোনো কেচ্ছা ছড়ানোর জন্য নয়, ইমাদকে এই দুনিয়ার ইতিহাস-কাহিনিতে স্থান করেদেওয়ার এত বড় সুযোগ যে এভাবে মিলবে তা যে তারা ভাবেনি।

    ইমাদের রক্ষিতা; বয়স ত্রিশ বছর। নাম নিহাদ হায়দার। অসাধারণ রূপবতী। সিরিয়ার নাগরিক। নিজের রক্ষিতার সঙ্গে ইমাদ নির্দিষ্ট একটি বিল্ডিংয়েই দেখা করত এবং সেই বিল্ডিংয়ের মালিক ছিল সিরিয়ান প্রেসিডেন্টের এক খুড়তুতো ভাই, রামি মাক্লফ। মোসাদ জেনে গিয়েছিল যে, ইমাদ নিজের রক্ষিতার সঙ্গে দেখা করতে একলাই যায়। নিজের জীবনের হাজার ঝুঁকির কথা খুব ভালো ভাবে জানলেও ওই সময়ে ইমাদ সঙ্গে কোনো বডিগার্ড রাখে না।

    ১১ ফেব্রুয়ারি কিডনের হিট টিমের ৩ জন মেম্বার আলাদা আলাদা পথে গিয়ে পৌঁছাল দামাস্কাসে। ইউরোপের বিস্তীর্ণ দূরত্ব অতিক্রম করে এরা সিরিয়ায় পৌঁছেছিল, যাতে কেউ এদের কোনো ভাবেই সন্দেহ না করতে পারে। এদের একত্রিত হওয়ার পরে এরা মোসাদের এজেন্টদের সঙ্গে দেখা করে। মোসাদের এজেন্টরা আবার বেইরুটের পথে সিরিয়ায় প্রবেশ করেছিল। মোসাদের এজেন্টরা কিডন-এজেন্টদের নিয়ে গিয়ে একটি গ্যারাজে তোলে। সেখানেই রাতের থাকার আয়োজন করা হয়েছিল। এই গ্যারাজের মধ্যে কিলিং টিমের জন্য একটি গাড়ি এবং দরকারি বিস্ফোরকের ব্যবস্থা করাই ছিল। কিডনের হিট টিমের ওই তিন সৈন্য সারা রাত জেগে বোমাটাকে ঠিক জায়গায় লাগায়। ‘ঠিক জায়গা’ বলতে ভাড়ার যে এসইউভি গাড়িটা কিডন টিম ব্যবহার করছিল, তারই স্পেয়ার টায়ারে বোমাটাকে লুকোনো হয়েছিল। অপর দিকে মোসাদের আরেকটি টিম ইমাদের রক্ষিতার অ্যাপার্টমেন্টের চারপাশে মোতায়েন হয়ে তীক্ষ্ণ নজর বজায় রেখেছিল।

    ১২ ফেব্রুয়ারি দুপুরে যেই না ইমাদের গাড়ি গিয়ে ওই বিল্ডিংয়ের সামনে গিয়ে থামল, তখনই সতর্ক হয়ে উঠল মোসাদ, কিডন এবং সিআইএ-এর টিম। সতর্কবার্তা গেল তেল আভিভে— ‘আওয়ার ম্যান হ্যাজ অ্যারাইভড অ্যান্ড হি ইজ অ্যালোন।’ ইমাদ যতক্ষণ নিজের প্রেমিকার সঙ্গে ছিল ততক্ষণ চুপচাপ অপেক্ষা করল গুপ্ত হন্তারকরা। বেশ কয়েক ঘণ্টা পরে ইমাদ বাইরে বেরিয়ে আসে। নিজের গাড়িতে চেপে সে রওনা দেয় নিজের পরবর্তী গন্তব্যস্থলের দিকে। মোসাদ, কিডন এবং সিআইএ-এর টিম মেম্বাররা তাকে অনুসরণ করতে থাকে।

    মোসাদ টিমের কাছে পাকা খবর ছিল যে, ইমাদের পরবর্তী গন্তব্যস্থল ক সোসা। সেখানেই তার সঙ্গে ইরানের আধিকারিকদের সঙ্গে দেখা করার কথা ছিল। নিজেদের অনুমান সত্যি হতে দেখে কিডন টিম গাড়িবোমাটিকে মাহমুদ আল ফাক্কানি রোডের পাশের একটি পার্কিং লটে নিয়ে গিয়ে রাখে।

    রাত পৌনে দশটা নাগাদ ইমাদ ওই পার্কিং লটে পৌঁছায়। মিটিংয়ে যাওয়ার আগে সে নিজের গাড়ি পার্ক করে কিডনের রাখা গাড়ির দুটো গাড়ি পরেই। গাড়ি পার্ক করে যেই না ইমাদ দরজা খুলে বেরোতে যায়, তখনই মোসাদ, সিআইএ এবং কিডন এজেন্টরা রিমোট কন্ট্রোলড ব্লাস্ট ঘটায়। ভয়াবহ বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে কফ্র সোসা এলাকা। হিজবুল্লাহ পার্টির ‘নম্বর টু’ ইমাদ মুঘানিয়া, ‘দ্য গোস্ট’ ইমাদ মুঘানিয়ার কাহিনির ‘দি এন্ড’ হয় এভাবেই।

    ইমাদের মৃত্যুতে প্রচণ্ড ভয়ানক ধাক্কা খেয়েছিল হিজবুল্লাহর নাশকতামূলক কাজকর্ম। সিরিয়ার নিউক্লিয়ার রি-অ্যাক্টর তৈরি করে তোলার ক্ষেত্রেও ইমাদ মুঘানিয়া সিরিয়ার সরকারকে সমানে সাহায্য করে চলেছিল। তাই পিছিয়ে গেল সেই প্রকল্পও। বিড়ালের ৯টা প্রাণ থাকলেও সবথেকে বলশালী শিকারির সামনে পড়লে সে প্রাণ খোয়ায়। ইমাদকেও প্রাণ দিতে হয়েছিল। কারণ যখন মারে মোসাদ, তখন রাখে কে?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleউপন্যাস সমগ্র ১ – অভীক দত্ত
    Next Article ডাইনিবুড়ি ও অন্যান্য – অভীক সরকার

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }