Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    হ্যারেৎজ – অভীক মুখোপাধ্যায়, চন্দ্ৰনাথ সেন

    লেখক এক পাতা গল্প290 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অ্যাটাক ইজ দ্য বেস্ট ডিফেন্স

    একটা প্রশ্ন এখানে উঠতেই পারে— ঠিক কবে থেকে ইহুদিরা নিজেদের আত্মরক্ষার কথা ভাবতে শুরু করল? ১৯২৯ সালে ওয়েলিং ওয়ালের সামনে আক্রমণের ঘটনার আগে আত্মরক্ষার কোনো চেষ্টাই কি তারা করেনি?

    উনবিংশ শতকের সিকি ভাগ বাকি থাকতে ইহুদিরা প্যালেস্টাইনে দলবদ্ধ ভাবে চাষবাস শুরু করে। তাদের ফসল ও ঘরবাড়ি রক্ষা করবার জন্য আরবদের সঙ্গে সংগ্রাম করেই বাঁচতে হত। জলের জন্যও লড়তে হত অনেক সময়। তাদের সামনে মাত্র দুটো রাস্তাই খোলা ছিল। এক, লড়াই করো; দুই, প্রতিবেশীর দয়ার ওপর নির্ভর করে বেঁচে থাকো। ইহুদিরা প্রথম রাস্তাটাই বেছে নিয়েছিল। এই সময় কিছু প্রহরী নিয়োগ করা হয় ইহুদিদের রক্ষার জন্য। প্রথম দিকে স্থানীয় আরবদেরই এই কাজে নেওয়া হত। তরুণরা সংঘবদ্ধ হতে শুরু করে। ধীরে ধীরে ইহুদিরাই নিজেদের কাঁধে তুলে নেয় এই দায়িত্ব। কারণ আরবরা আক্রমণ করলে আরব প্রহরীরা কতটা সাহায্য করবে সেটা নিয়ে ইহুদিদের মনে একটা ধন্দ ছিল।

    ১৯০৭ সালে ইসরায়েল সোহাতের উদ্যোগে য়িত্জাক বেন জভি, জভি বেকার, ইসরায়েল গিলাডি, য়েহেজকিয়েল হানকিন, য়েহেজকিয়েল নিসানভ, আলেকজান্ডার জিদ জাফাতে এক গুপ্ত সংস্থা তৈরি করেন, যার নাম দেওয়া হয় বার-গিওরা।

    কিন্তু এমন নাম কেন?

    ৬৬-৭০ খ্রিস্টাব্দে রোমের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ইহুদিদের সেনাদলের নেতা ছিলেন সিমন বার-গিওরা। তাঁর নামেই এই নামকরণ। বার-গিওরার কাজ ছিল ইহুদিদের বাসস্থানগুলোকে রক্ষা করা। তাদের পতাকায় লেখা থাকত— ‘রক্ত আর আগুনের মধ্যে দিয়ে ইহুদির পতন হয়েছিল, রক্ত আর আগুন থেকেই ইহুদির উত্থান হবে!’

    প্রতি বছর পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে ইহুদিরা প্যালেস্টাইনে আসছিল। দিনে দিনে লোক বাড়ায় প্রয়োজন হচ্ছিল আরও শক্তিশালী একটা সংগঠনের। ১৯০৯ সালে বার-গিওরা থেকে তৈরি হল ‘হাসোমার’, যা মূলত বার-গিওরারই এক পরিবর্ধিত রূপ। সেজেরা, লোয়ার গ্যালিলি ও অন্যান্য ইহুদি গ্রামগুলোতে সশস্ত্র পাহারা মোতায়েন করে হাসোমার। এর জন্য বার্ষিক খাজনা আদায়ের ব্যবস্থা করা হয়। জেজরিল উপত্যকায় যখন জিউস ন্যাশনাল ফান্ডের সাহায্যে জমি কেনা হয়, তখন আরব আক্রমণ ঠেকাতে হাসোমারের সদস্যদের পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু প্রয়োজনের তুলনায় হাসোমারের সদস্য সংখ্যাও ছিল যথেষ্ট কম। এবার একটা পুরোদস্তুর সৈন্যদল গঠন করা খুব দরকারি হয়ে ওঠে। ১৯২০ সালে ‘হেগানা’ গঠন হওয়ার পর হাসোমারের অস্তিত্ব লোপ পায়। হেগানার কথা যদিও আগেই বলা হয়েছে, তবুও এই সূত্রে আরও কিছু জিনিস ছুঁয়ে যেতেই হয়।

    ১৯২০ সালের এপ্রিল মাসে আরব-দাঙ্গার পর ইহুদিরা নিজেদের সুরক্ষার জন্য ব্রিটিশদের ওপর ভরসা করা পুরোপুরি ভাবে ছেড়ে দেয়। জেরুসালেমের এই দাঙ্গায় নিহত হয় ৫ জন ইহুদি ও ৪ জন আরব। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ১৯২০ সালের জুন মাসে তৈরি করা হয় আন্ডারগ্রাউন্ড মিলিটারি অর্গানাইজেশন–হেগানা, যা স্বাধীন ইসরায়েল গঠনের পরে পরিণত হয় আইডিএফ-এ। প্রথম ন’ বছর হেগানার সংগঠন ছিল নড়বড়ে। ১৯২৯ সালের আরব-দাঙ্গার পর হেগানাতে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন করা হয়—

    সমস্ত যুবক এবং প্রাপ্তবয়স্কদের হেগানার অন্তর্ভুক্ত করা হয়, যার ফলে প্রতিটি শহরে কয়েক হাজার করে হেগানার সদস্য তৈরি হয়।

    সদস্যদের জন্য ট্রেনিং-এর ব্যবস্থা করা হয়।

    কয়েকটা অস্ত্রাগার তৈরি করা হয় যেখানে ইউরোপ থেকে আনা অস্ত্রাদি মজুত করা হয়।

    আন্ডারগ্রাউন্ড অস্ত্র তৈরির কারখানা তৈরির পরিকল্পনা করা হয়।

    ১৯৩৬ থেকে ১৯৩৯ সালের মধ্যে হেগানা রীতিমতো এক সেনাবাহিনীতে পরিণত হয়। যদিও ব্রিটিশদের কাছে হেগানা সরকারিভাবে স্বীকৃত কোনো সংস্থা ছিল না। কিন্তু হেগানার প্রতি একটা প্রচ্ছন্ন সমর্থন তাদের ছিল।

    দাঙ্গার সময় প্রায় ৫০টি ইহুদি-অধ্যুষিত গ্রামকে সুরক্ষা দিয়েছিল হেগানার সদস্যরা।

    ১৯৩৯ সালে ব্রিটিশ সরকার এক হোয়াইট পেপার বা শ্বেতপত্র প্রকাশ করে। এতে পার্টিশনের প্রস্তাব খারিজ করে দেওয়া হয়। আরব ও ইহুদিদের সম্মিলিত সরকার গঠন করার প্রস্তাব দেওয়া হয়। ইহুদি জনসংখ্যা প্যালেস্টাইনের মোট জনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশের মধ্যে রাখার কথা বলা হয় এবং তার বেশি সংখ্যক ইহুদিদের জায়গা দিতে হলে তা হবে আরবদের অনুমতি সাপেক্ষ।

    এতে প্যালেস্টাইনে ইহুদিদের জায়গা কেনার ক্ষেত্রেও রাশ টানার কথা বলা হয়।

    বলা বাহুল্য, এটা ইহুদিদের কাছে একেবারেই গ্রহণযোগ্য ছিল না এবং তারা হতাশ হয়েছিল। ১৯৩৯ সালের হোয়াইট পেপার সামনে আসার পর হেগানা ইহুদিদের অবৈধ অনুপ্রবেশে সাহায্য করা শুরু করে। কারণ, তাদের লক্ষ্য ছিল ইহুদি-রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা। ব্রিটিশ নীতির বিরুদ্ধে তারা জায়গায় জায়গায় প্রদর্শন শুরু করে।

    দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় হেগানার সদস্যরা ব্রিটিশদের হয়ে লড়াই করে। মধ্যপ্রাচ্যের বেশ কয়েকটি কম্যান্ডো মিশনে তারা অংশ নেয়।

    দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় হেগানা নিজেকে আরও শক্তিশালী করে তোলে। তরুণদের যুদ্ধের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। ১৯৪১ সালে হেগানার আন্ডারগ্রাউন্ড এলিট ইউনিট ‘পালমাখ’ গঠন করা হয়। পালমাখের সদস্যদের সবচেয়ে বড় অস্ত্র ছিল তাদের সাহস।

    দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইহুদিরা আশা করেছিল যে, এবার হয়তো তাদের আশা পূরণ হবে। ব্রিটিশরা নিশ্চয়ই এবার ইহুদি-রাষ্ট্রের ব্যাপারে উদ্যোগী হবে। কিন্তু সে গুড়ে বালি মিলল। ব্রিটিশরা এ ব্যাপারে েেকানা আগ্রহই দেখাচ্ছিল না। এবার হেগানার ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে গেল। তারা সরাসরি ব্রিটিশদের সঙ্গে সংঘর্ষ শুরু করে দিল।

    হেগানা প্যালেস্টাইনের বাইরেও তাদের জাল বিস্তার করেছিল। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, পোল্যান্ড, জার্মানি, ইতালি, ফ্রান্স, মরক্কো প্রভৃতি দেশে তাদের শাখা খোলা হয়েছিল। এদের মধ্যে হলোকাস্ট থেকে বেঁচে ফেরা অনেক সদস্যও ছিল।

    হেগানার শাখা মোসাদ লালিয়াহ েেবটর দায়িত্ব ছিল অবৈধ অনুপ্রবেশ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করা। পালমাখের শাখা ‘পালয়ম’-এর দায়িত্ব ছিল জলপথে অনুপ্রবেশকারীদের প্যালেস্টাইনে নিয়ে আসা। ১৯৪৫ সাল থেকে ১৯৪৮ সালের মধ্যে ৬৬টা জাহাজে করে গোপনে ৭০,০০০ ইহুদিকে প্যালেস্টাইনে নিয়ে আসা হয়।

    হেগানার সক্রিয় সদস্যরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পশ্চিম ইউরোপ চেকোস্লোভাকিয়া থেকে প্রচুর অস্ত্রশস্ত্র কিনে প্যালেস্টাইনে পাঠায়। এরা অস্ত্র তৈরির কারখানাও চালু করে যার হিব্রু নাম ‘তা’স’ যার মানে, মিলিটারি ইন্ডাস্ট্রি। ইসরায়েল যখন স্বাধীন হয়, তখন তা’স-এর কাছে ছিল মোট ৪৬টি অস্ত্র কারখানা। সেখানে তৈরি হত সাব মেশিনগান, মর্টার, গ্রেনেড, বুলেট ও বিস্ফোরক।

    এখানে বিশ্ব ইতিহাসের একটা তুলনামূলক অনালোচিত অধ্যায়ের কথা না বললে পাঠকদের সঙ্গে বঞ্চনা করা হবে। এত বোরিং ইতিহাস বর্ণনার মধ্যে এটুকুই তো অক্সিজেন।

    কী সেই কথা?

    ক্লিমেন্টিসের নাম পড়েছেন বন্ধু? মানে, ভ্লাদিমির ক্লিমেন্টিস? বিগত শতাব্দীর বহুলচর্চিত চেকোস্লোভাকিয়ান নেতা, ক্লিমেন্টিস ছিলেন চেকোস্লোভাকিয়ার কমিউনিস্ট পার্টির নেতা ক্লিমা গোটবাল্ডের দক্ষিণ হস্ত।

    ভদ্রলোকের একটা বৈশিষ্ট্য ছিল— ওঁর মাথায় সবসময় একটা ইউরোপিয়ান ফার-ক্যাপ থাকত। অল দ্য টাইম! আর এই ক্যাপটাই হয়ে ওঠে ওঁর পরিচয়ের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ, অনেকটা চার্চিলের টুপির মতো, ইয়াসের আরাফাতের কাফিয়ার মতো। ঊনবিংশ শতকের চারের দশকে চেকোস্লোভাকিয়াতে কমিউনিস্ট পার্টির বিপ্লব চলছিল। তা সফলও হল। গোটা দেশ ক্লিমা গোটবাল্ডকে নেতা হিসাবে বেছে নিল।

    গোটবাল্ড হলেন নতুন সরকারের মুখ। ব্যালকনিতে দাঁড়িয়ে পথের জুলুসের দিকে মুখ করে গোটবাল্ড জনগণকে অভিনন্দন জানাচ্ছিলেন। ওঁর সঙ্গে ছিলেন পার্টির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ এবং ছিলেন ভ্লাদিমির ক্লিমেন্টিস।

    হঠাৎ বরফ পড়তে শুরু করল। গোটবাল্ডের মাথায় কোনো টুপি ছিল না। ব্যাপারটা দেখে ক্লিমেন্টিসের ভালো লাগেনি— ‘আরে, আমাদের নেতা এভাবে দাঁড়িয়ে থাকলে সেটা যে আমাদেরই অসম্মান!’

    নিজের মাথা থেকে ফার-ক্যাপটা খুলে গোটবাল্ডের মাথায় সসম্মানে পরিয়ে দিলেন ক্লিমেন্টিস। ক্যামেরার ফ্ল্যাশবাল্বের ঝলকানিতে চিরদিনের মতো কয়েদ হয়ে গেল সেই মুহূর্ত।

    বন্ধুরা ধৈর্য হারাচ্ছেন কি? ভাবছেন ইসরায়েলের ডিফেন্সের কথা বলতে গিয়ে কোথাকার কোন ভ্লাদ ক্লিমেন্টিস নামক বুড়োর গল্প ফাঁদল রে বাবা! বলি, একটু সবুর করুন।

    ১৯৪৮ সাল। ইসরায়েল তখন সদ্য স্বাধীন হয়েছে। ইসরায়েলের স্বাধীনতা পাওয়ার পরদিনই ইসরায়েলের ওপর আরব দেশগুলো ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। আর এই আক্রমণের কথা আগে থেকেই আঁচ করে নিয়ে ইসরায়েলিরা লড়াই করার জন্য অস্ত্রশস্ত্র জোগাড় করে রেখে দিয়েছিল। আর সেই মোক্ষম সময়পর্বে ইসরায়েলকে সাহায্য করেছিলেন এই ক্লিমেন্টিস। ১৯৪৮ সালের ৩১মার্চ থেকে আরম্ভ করে আগস্ট মাসের ১২ তারিখ অবধি চেকোস্লোভাকিয়া থেকে ইসরায়েলে অস্ত্র পাচার চলে। এই অপারেশনের নাম ছিল ‘অপারেশন বালাক’। কিন্তু পরবর্তী কালে আমেরিকান গভর্নমেন্টের চাপের মুখে পড়ে চেকোস্লোভাকিয়া এই মদত বন্ধ করে দেয়। আর এরপরই ক্লিমেন্টিস পড়েন গোটবাল্ডের কোপে। কমিউনিস্ট পার্টি ওঁর বিপক্ষে চলে যায়। ফাঁসি দেওয়া হয় ভ্লাদিমির ক্লিমেন্টিসকে।

    ক্লিমেন্টিসের ফাঁসির পর অদ্ভুত ভাবেই ইতিহাস থেকে তাঁর উপস্থিতির যাবতীয় তথ্যপ্রমাণ মুছে দিতে শুরু করেন কমিউনিস্টরা। প্রায় সব নথি থেকে মুছে যায় তাঁর নাম। কিন্তু একটা জিনিস কিছুতেই মোছা গেল না। বিপ্লবের সাফল্যের পরপরই গোটবাল্ডের মাথায় টুপি পরানোর ঐতিহাসিক চিত্র থেকে ক্লিমেন্টিসকে মুছে ফেলা গেলেও লুকোনো গেল না গোটবাল্ডের মাথার ফার- ক্যাপ। শাশ্বত রয়ে গেল তাঁর টুপি!

    ১৯৪৭ সালে ডেভিড বেন গুরিয়নের নেতৃত্বে হেগানার এক সাধারণ নীতি তৈরি করা হয়। আরব আক্রমণ ঠেকানোর জন্যই ছিল মূলত এই নীতি। ১৯৪৮ সালের ২৬ মে হেগানাকে দেশের সামরিক বাহিনীতে রূপান্তরিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এবং এর নাম দেওয়া হয় ‘জিভা হেগানা লে-য়িসরায়েল’ বা ‘ইসরায়েল ডিফেন্স ফোর্সেস’, যার সংক্ষিপ্ত নাম ‘আইডিএফ’।

    ১৯২০ সাল থেকে ১৯৪৯ সাল পর্যন্ত হেগানার ৫,১৫১ জন সদস্য নিহত হয়েছে যার মধ্যে ১৯৪৮ সালের যুদ্ধেই নিহত হয়েছে ৩,৯৫২ জন।

    একটা অবৈধ আন্ডারগ্রাউন্ড সশস্ত্র সংগঠনের একটা দেশের সেনাবাহিনী হয়ে ওঠা এক বিরল ঘটনা। ইসরায়েল রাষ্ট্র গঠনের পথে এবং ইহুদিদের অস্তিত্ব রক্ষার চরম সংকটে হেগানা এক অসামান্য অবদান রেখেছে।

    ইসরায়েল এবং ইহুদিরা চিরদিন হেগানার কাছে কৃতজ্ঞ থাকবে।

    কিন্তু আরও কিছু কথা বাকি রয়ে যায় যে!

    ১৯৩১ সালে হেগানার কয়েক জন কমান্ডার মতবিরোধের জেরে হেগানা পরিত্যাগ করে ‘ইরগুন’ প্রতিষ্ঠা করে। হেগানার যে নীতি অনুসরণ করত তা ছিল রক্ষণাত্মক, যার নাম ছিল ‘হভলাগাহ’। আক্রমণ হওয়ার পরে ইহুদিদের রক্ষা করার দায়িত্ব ছিল হেগানার যোদ্ধাদের। কিন্তু কোনো আক্রমণের আগাম খবর পেলেও কোনো কিছু করার অধিকার তাদের ছিল না। এদিকে প্যালেস্টাইনে ইহুদিদের ওপর আক্রমণ দিনের পর দিন বেড়েই চলেছিল।

    এই সময় হেগানার রক্ষণাত্মক নীতির যথেষ্ট সমালোচনা হয়। ইরগুন প্রতিষ্ঠার নেতা ছিলেন ভ্লাদিমির জবোটিনস্কি। হিংসাকে একমাত্র হিংসার মাধ্যমেই আটকানো যায়— এই ছিল তাঁর মূল বক্তব্য। ধীরে ধীরে হেগানার সদস্যরা তার প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছিল। এরাই ১৯৩১ সালে হেগানা থেকে আলাদা হয়ে গঠন করে ইরগুন। আক্রান্ত হওয়ার জন্য অপেক্ষা না করে শত্রুকে আক্রমণ করাই ছিল তাদের নীতি। এই দলের প্রথম দিকে নাম ছিল ‘হেগানা বেট’ এবং পরে এর নাম হয় ‘ইরগুন’। ইরগুনের আরেকটা নামও ছিল— ‘এটজাল’। জবোটিনস্কিই ছিলেন এই দলের সুপ্রিম কমান্ডার। ১৯৪০ সালে তার মৃত্যুর আগে পর্যন্ত তিনি এই দলকে নেতৃত্ব দিয়ে গেছেন।

    ইরগুনের সদস্যরা আরবদের বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি সশস্ত্র হামলা চালায়। অনেককে গ্রেফতার করে ব্রিটিশরা। একটা আরব বাসে গুলি চালানোর অপরাধে শ্লোমো বেন যোসেফ নামে এক সদস্যকে ফাঁসিতে ঝোলায় ব্রিটিশরা। ১৯৩৯ সালের মে মাসে ইহুদিদের স্বার্থবিরোধী হোয়াইট পেপার পাবলিশ হওয়ার পর ইরগুন ব্রিটিশদের তাদের শত্রুর তালিকায় যোগ করে।

    দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হবার পর ইরগুনের মধ্যে ভাঙন দেখা দেয়। বেশ কিছু সদস্য ব্রিটিশ আর্মির প্যালেস্টাইন ইউনিটে ও পরে জিউস ব্রিগেডে যোগ দেয়।

    ১৯৪৩ সালে ইরগুনের প্রধান হলেন মেনাকেম বিগিন যিনি পরবর্তীতে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন। ১৯৪৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ইরগুন ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে। তারা সরকারি দপ্তর, মিলিটারি ইনস্টলেশন ও পুলিশ স্টেশনগুলোয় হানা দিয়ে সেগুলোকে উড়িয়ে দেওয়া শুরু করল। হেগানা ইরগুনের এই কার্যকলাপে অসন্তুষ্ট ছিল এবং তারা এর বিরুদ্ধে প্রচার চালায় যার চলতি নাম ছিল ‘সেজোন’।

    ব্রিটিশরা বহু ইরগুন সদস্যকে গ্রেপ্তার করে ও জেলে পাঠায়। ১৯৪৭ সালের মে মাসে ইরগুনের ৪ জনকে আকোর জেলে ফাঁসি দেওয়া হয়। এ বছরেরই মে মাসে ইরগুন আকোর জেলে হামলা চালিয়ে ৪১ জন বন্দিকে মুক্ত করে। জুলাই মাসে আরো ৩ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।

    ১৯৪৮ সালে ইসরায়েল স্বাধীন হওয়ার পর আগস্ট মাসে ইসরায়েলের ক্যাবিনেট ইরগুনের উদ্দেশ্যে ঘোষণা করে যে, ইরগুনের সদস্যরা আইডিএফে যোগ দিক আর তা না হলে তাদের বিরুদ্ধে সেনা নামানো হবে। ক্যাবিনেটের এই সিদ্ধান্তে সাড়া দিয়ে ইরগুনের সদস্যরা ইসরায়েলের সেনাবাহিনীতে যোগদান করে। সেপ্টেম্বরের মধ্যে গোটা ইরগুন আইডিএফে মিশে যায়। আর এভাবেই ইরগুনের অস্তিত্ব লোপ পায়।

    ইফ উইন্টার কামস, ক্যান স্প্রিং বি ফার বাহাইন্ড? এই অমোঘ সত্যের মতো বার-গিওরা বা ইরগুনের কথা তুললে এসে যায় ‘লেহি’র আলাপও।

    কী ব্যাপার দেখে নেওয়া যাক।

    ইরগুন ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে সরাসরি হিংসার রাস্তা বেছে নিয়েছিল। এদের থেকেও বেশি চরমপন্থী আরেকটা দল গড়ে উঠেছিল। ইরগুনের কিছু সদস্য মিলে ১৯৪০ সালের জুলাই মাসে তৈরি করেছিল ‘লেহি’। এই দলের নেতা ছিলেন আব্রাহাম স্টার্ন। ভদ্রলোক নিজে একজন প্রতিভাবান লেখকও ছিলেন। এক সময়ে তিনি ভেবেছিলেন ইতালিতে গিয়ে ডক্টরেট করবেন, গবেষণা নিয়ে সময় কাটাবেন। কিন্তু তিনি অনুভব করেন যে, ব্রিটিশদের হাত থেকে প্যালেস্টাইনকে মুক্ত করার জন্য যথেষ্ট প্রতিরোধ কেউ গড়ে তুলতে পারছে না। তাই তিনি তাঁর জীবনের লক্ষ্য ত্যাগ করে এক উগ্রপন্থী দল গড়ে তোলেন। লেহির বিরুদ্ধপক্ষের লোকেরা এর নাম দিয়েছিল ‘স্টার্ন গ্যাং’।

    তখন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলছে। ব্রিটিশরা লড়ছিল নাৎসি জার্মানির বিরুদ্ধে। ইহুদিদের ওপর করা নাৎসিদের নারকীয় অত্যাচারের স্মৃতি তখন দগদগে। ইরগুন তাই ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে দ্বিধাগ্রস্ত ছিল। কারণ ব্রিটিশদের বিরুদ্ধ লড়াই করা মানে পরোক্ষভাবে নাৎসিদেরই সাহায্য করা। কিন্তু লেহির সদস্যরা নাৎসিদের থেকেও বড় শত্রু ভাবত ব্রিটিশদের। তারা ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে গেরিলা যুদ্ধ শুরু করে। তাদের টার্গেট ছিল ব্রিটিশ মিলিটারি ও সরকারি আধিকারিকরা।

    লেহির স্বপ্ন ছিল প্যালেস্টাইন থেকে ব্রিটিশদের উৎখাত করে ইউফ্রেটিস ও নীল নদের মধ্যবর্তী বিস্তীর্ণ এলাকায় ইহুদি রাষ্ট্র গড়ে তোলা। কিন্তু লেহির লোকবল ও অস্ত্রবল ছিল যথেষ্ট সীমিত। লেহির এই কার্যকলাপ সাধারণ ইহুদি জনগণের সমর্থন পায়নি। কারণ সাধারণ মানুষের চোখে তারা ছিল কেবল একটা সন্ত্রাসবাদী সংগঠন। ফলে তারা একটা বিচ্ছিন্ন দলে পরিণত হয়। ব্রিটিশ পুলিশের কাছে লেহির সদস্যরা ছিল মোস্ট ওয়ান্টেড। ১৯৪২ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি স্টার্ন ব্রিটিশ সেনার হাতে নিহত হন। লেহির বাকি সদস্যরা কিন্তু ব্রিটিশদের বিরুেদ্ধ আক্রমণ চালিয়ে যেতে থাকে। তাদের দৃঢ় বিশ্বাস ছিল যে, একদিন ঠিক তারা ব্রিটিশদের তাড়াতে সক্ষম হবে।

    ১৯৪৪ সালের ৬ নভেম্বর এলিয়াহু বেট-জুরি এবং এলিয়াহু হাকিম নামে দুই লেহির সদস্য মধ্য-প্রাচ্যের ব্রিটিশ মিনিস্টার লর্ড ময়েনকে কায়রোতে তাঁর বাড়ির সামনে হত্যা করে। অপরাধীরা ধরা পড়ে। মিলিটারি কোর্টে তাদের বিচার হয় ও ১৯৪৫ সালের ২৩ মার্চ তাদের ফাঁসি হয়।

    দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ব্রিটিশরা যখন ইহুদি-রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে কোনো উদ্যোগ নিচ্ছিল না, তখন বেন-গুরিয়ন সম্মিলিত সংগ্রামের ডাক দেন। হেগানা, ইরগুন ও লেহি গড়ে তোলে ইউনাইটেড রেসিস্টেন্স মুভমেন্ট, যার অগ্রভাগে থাকবেন বেন-গুরিয়ন। ঠিক করা হয় যে, তারা একত্রে ব্রিটিশদের ওপর হামলা চালাবে। হেগানার হাতে ভেটো দেওয়ার ক্ষমতা দেওয়া হয়। তাদের সবচেয়ে সফল আক্রমণ ছিল হাইফাতে রেল সেতু উড়িয়ে দেওয়া ও গোটা রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা তছনছ করে দেওয়া। ১৯৪৬ সালের জুন মাসের ১৬ ও ১৭ তারিখ এই আক্রমণ করা হয়েছিল।

    ১৯৪৮ সালের ৩১ মে যখন আইডিএফ সরকারিভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়, তখন লেহির অস্তিত্ব বিলোপ করা হয়, আর লেহির সদস্যরা আইডিএফে নাম লেখায়। কেবল জেরুসালেমে লেহির সদস্যরা স্বতন্ত্রভাবে নিজের অস্তিত্ব বজায় রাখে। তাদের দাবি ছিল যে, এখনও জেরুসালেমের ভাগ্য নির্ধারণ বাকি কারণ এখনও কেউ জানে না, জেরুসালেম কার দিকে থাকবে।

    ১৯৪৮ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর ইউএন মিডিয়েটর ফোক বার্নাডোট জেরুসালেমে খুন হয়ে যান। অভিযোগের আঙুল ওঠে লেহির সদস্যদের দিকে। সরকার লেহিকে নিষিদ্ধ সংগঠন বলে ঘোষণা করে এবং এর মুখপত্র হামিভরাকের প্রকাশনা বন্ধ করে দেয়। নাটান য়েলিন-মোর, মাটিটয়াহু শমুয়েলভিট্জ নামের লেহি নেতাদের জেলে পোরা হয়। অবশ্য পরে তারা মুক্তি পায়।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleউপন্যাস সমগ্র ১ – অভীক দত্ত
    Next Article ডাইনিবুড়ি ও অন্যান্য – অভীক সরকার

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }