Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    হ্যালো আইনস্টাইন : চেনা নাম অচেনা গল্প – মণি ভৌমিক

    মণি ভৌমিক এক পাতা গল্প85 Mins Read0
    ⤷

    হ্যালো আইনস্টাইন!

    প্রথমেই কল্পনা করা যাক আমরা সমবেত হয়েছি এক প্রেক্ষাগৃহে।

    প্রেক্ষাগৃহ কানায় কানায় ভরতি। বসবার কোনও আসন খালি নেই। উপচে পড়ছে আগ্রহ, উৎসাহ, কৌতূহল।

    যারা বসবার চেয়ার পায়নি, তারা দাঁড়িয়ে। প্রত্যেকেই উদ্‌গ্রীব অপেক্ষায়। সবাই এসেছে আইনস্টাইনকে হ্যালো বলতে, তাঁর কথা শুনতে।

    পূর্ণ প্রেক্ষাগৃহ একদৃষ্টে তাকিয়ে মঞ্চের দিকে। পরদা উঠতে এখনও কয়েক মিনিট বাকি।

    কেন এইসব মানুষের এমন আগ্রহ? কারণ, মঞ্চের পরদা খুলে গেলেই দেখা যাবে এ-যুগের সর্বশ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানীকে। তাঁরই জন্যে এত মানুষের ভিড়। সবাই তাঁকে স্বচক্ষে দেখতে চায়। এ-যেন দুর্লভ এক তারকাকে দেখা। তাঁর কথা শুনতে চায়। যেন দৈববাণী শোনা।

    তিনি আর কেউ নন— অ্যালবার্ট আইনস্টাইন! এ-নাম যেন ম্যাজিক। কী জাদু ওই নামে! আর কোনও বিজ্ঞানীর নামে কেন নেই এই জাদু? কেন নেই তাঁদের নিয়েও এত বিশ্বাস্য-অবিশ্বাস্য গল্প?

    আইনস্টাইন— এই নামের মধ্যে যেন মিথ আর মিথ্যা একাকার হয়ে আছে!

    ঠিক সময়ে পরদা সরে গেল। কল্পনা করুন, মঞ্চের মাঝখানে অ্যালবার্ট আইনস্টাইন!

    একটু দূরে অন্য এক চেয়ারে এক সুন্দরী— সেই মেয়েই এই অনুষ্ঠানের সঞ্চালিকা। প্রেক্ষাগৃহে যেন বিস্ফোরণ ঘটল— করতালির শব্দ। সমস্ত মানুষ উঠে দাঁড়িয়েছে। অভিনন্দন জানাচ্ছে এক যুগনায়ক অ্যালবার্ট আইনস্টাইনকে!

    যাকে বলে স্ট্যান্ডিং ওভেশন।

    উঠে দাঁড়ালেন অ্যালবার্ট আইনস্টাইন। পরনে তাঁর ছাই রঙের টুইডের কোট। কালো ট্রাউজ়ার। মাথার চুলগুলি এলোমেলো। ঠোঁটে মৃদু হাসি। চোখ দুটি মমতাময়।

    তিনি দর্শকদের দিকে তাকিয়ে হাত নাড়ছেন। সঞ্চালিকা হাতে মাইক নিয়ে বলতে শুরু করলেন— আপনারা বসুন। আমাদের অনুষ্ঠান এখুনি শুরু হবে। আজ আমাদের মধ্যে…

     

    আরও দেখুন
    আলো
    হ্যালো আইনস্টাইন : চেনা নাম অচেনা গল্প
    বিজ্ঞানে
    বিজ্ঞান
    হ্যালো আইনস্টাইন: চেনা নাম অচেনা গল্প
    বিজ্ঞানের
    লাইট
    আলোর
    হ্যালো আইনস্টাইন
    Books

     

    হাততালি থামছে না। যেন আবেগের সমুদ্রে প্লাবন এসেছে।

    শ্রদ্ধা, ভালবাসা, প্রাণের আবেগ, গভীর বিস্ময়— সব মিশে গেছে ওই করতালিতে।

    সঞ্চালিকা আবার বললেন, এবার আপনারা বসুন। আমাদের মধ্যে আজ এমন একজন মানুষ এসেছেন যাঁর সময় নষ্ট করার অধিকার আমাদের কারওর নেই।

    ধীরে ধীরে স্তিমিত হল হাততালি। সবাই আসন গ্রহণ করল। যারা আসন পায়নি, তারা দাঁড়িয়েই রইল। আইনস্টাইন মঞ্চের উপর পুনরায় উপবিষ্ট হলেন।

    সঞ্চালিকা বলতে শুরু করলেন— হ্যালো প্রফেসর আইনস্টাইন, শুভসন্ধ্যা। অনেক দিনের চেষ্টায় আজ আমরা আপনাকে পেয়েছি আমাদের মধ্যে। আপনি আমাদের কিছু প্রশ্নের উত্তর দিতে শেষ পর্যন্ত রাজি হয়েছেন।

    আইনস্টাইন মৃদু হেসে, যেন কিছু মজা পেয়ে, তাকালেন সুন্দরী সঞ্চালিকার দিকে।

     

    আরও দেখুন
    হ্যালো আইনস্টাইন : চেনা নাম অচেনা গল্প
    হ্যালো আইনস্টাইন: চেনা নাম অচেনা গল্প
    বিজ্ঞানের
    হ্যালো আইনস্টাইন
    আলো
    লাইট
    বিজ্ঞানে
    বিজ্ঞান
    আলোর
    বাংলা সাহিত্য

     

    মা পলিন পিয়ানো শিল্পী হিসেবে ছিলেন বিশেষ দক্ষ। তিনি চেয়েছিলেন তাঁর ছেলেও হোক সংগীতপ্রেমী। ছ’ বছর বয়েস থেকে ছেলেকেও তাই বেহালা শেখালেন। মা পলিন আর ছেলে অ্যালবার্ট একসঙ্গে বাজাতেন, পিয়ানো আর বেহালা। তেরো বছর বয়েসে আইনস্টাইন বিশেষভাবে প্রাণিত হলেন মোৎসার্টের সংগীত শুনে। সেই থেকে সারাজীবন যেন নতুন উদ্যমে বাজালেন বেহালা।

    বাবা হেরমান। ইঞ্জিনিয়র ছিলেন। অ্যালবার্টের বয়েস তখন পাঁচ। অসুস্থ হয়ে বিছানায়। বাবা তাকে একদিন একটি পকেট-কম্পাস দিলেন। অ্যালবার্ট অবাক হয়ে দেখল, এক অদৃশ্য শক্তি কম্পাসের কাঁটাটিকে ক্রমাগত একটি দিকেই ঘুরিয়ে দিচ্ছে। এই বিস্ময় থেকেই সম্ভবত শুরু হল আইনস্টাইনের বিজ্ঞানবিমোহন।

    জার্মানির উলম্-এ এই সেই বাড়ি যার একটি ফ্ল্যাটে জন্মেছিলেন অ্যালবার্ট আইনস্টাইন। পরের বছর অ্যালবার্টের বাবা-মা মিউনিখে সংসার পাতলেন।

    তিন বছরের অ্যালবার্ট। তখনও কথা বলতে পারে না। বাবা-মা ভাবলেন, তাঁদের ছেলে সম্ভবত ব্যাহতবুদ্ধি।

     

    আরও দেখুন
    বিজ্ঞানে
    হ্যালো আইনস্টাইন
    হ্যালো আইনস্টাইন: চেনা নাম অচেনা গল্প
    আলো
    লাইট
    বিজ্ঞানের
    আলোর
    হ্যালো আইনস্টাইন : চেনা নাম অচেনা গল্প
    বিজ্ঞান
    বাংলা ঐতিহাসিক স্থান ভ্রমণ

     

    অ্যালবার্টের বয়েস ১৪। বেপরোয়া কিশোর। যে-কোনও কর্তৃত্বের প্রতি তার প্রবল অবজ্ঞা। পরবর্তী জীবনে ভারী মজা পেতেন আইনস্টাইন এই কথা বলতে যে কর্তৃত্বকে অমান্য করে তিনি নিজেই এখন এক কর্তাব্যক্তি বিশারদ।

    সুইৎজারল্যান্ডে জুরিখের কাছে আরাউ-তে এই সেই হাইস্কুল যেখান থেকে আইনস্টাইন ১৮৯৬ সালে ১৭ বছর বয়েসে গ্র্যাজুয়েট হলেন, ১৫ বছর বয়েসে জার্মান হাইস্কুল থেকে ‘ড্রপ-আউট’ হওয়ার পর।

    জুরিখের ‘পলিটেকনিক’-এ ১৭ বছরের আইনস্টাইন শুরু করলেন কলেজজীবন। চার বছর পরে ১৯০০ সালে ফিজিক্স-এ আন্ডারগ্র্যাজুয়েট ডিগ্রি পেলেন। ফাইনাল পরীক্ষায় ‘লাস্ট’ হয়েছিলেন।

    দু-বছর ধরে ফিজিক্স পড়ানোর চাকরি খুঁজে ব্যর্থ আইনস্টাইন অবশেষে বার্ন-এর এই বাড়ির তিন তলায় একটি সুইস পেটেন্ট অফিসে ‘থার্ড ক্লাস প্রভিশনাল টেকনিকাল এক্সপার্ট’-এর চাকরি জোগাড় করেন।

    ১৯ বছর বয়েসে সহপাঠিনী মিলেভার প্রেমে পড়লেন আইনস্টাইন। পাঁচ বছর পরে বিয়ে করলেন, অবশেষে চাকরি পাওয়ার পরেই। ১৯০৪-এ তাঁদের পুত্র সন্তান, হ্যান্স অ্যালবার্টের জন্ম।

     

    আরও দেখুন
    আলোর
    হ্যালো আইনস্টাইন : চেনা নাম অচেনা গল্প
    হ্যালো আইনস্টাইন
    বিজ্ঞানের
    আলো
    লাইট
    হ্যালো আইনস্টাইন: চেনা নাম অচেনা গল্প
    বিজ্ঞান
    বিজ্ঞানে
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ

     

    বার্ন-এ দু-কামরার এই অতি সাধারণ ফ্ল্যাটে থাকতেন বউ আর ছেলেকে নিয়ে অ্যালবার্ট আইনস্টাইন। এখন সেখানে সুইস সরকারের আয়োজনে তৈরি হয়েছে আইনস্টাইন মিউজিয়াম।

    ১৯০৪ সাল। আইনস্টাইন ২৫। সুইস পেটেন্ট অফিসে দিনে আট ঘণ্টা কাজ করেন। সপ্তায় ছ’দিন। আর সন্ধেবেলা বাড়ি ফিরে ছেলেকে দোলনায় দোলাতে-দোলাতে রিসার্চ করেন তেলের ল্যাম্পের আলোয়। এক বছর পরে, ১৯০৫-এ পাঁচটি পেপার প্রকাশ করলেন আইনস্টাইন। বিংশ শতকের ফিজিক্সে তাঁর অন্তত তিনটি পেপার ঘটাল বিপ্লব।

    এক দশক ধরে আইনস্টাইনের নাম ক্রমাগত মনোনীত হল নোবেল প্রাইজের জন্য। ১৯২১ সালে অবশেষে নোবেল প্রাইজ পেলেন তিনি ফটো-ইলেকট্রিক এফেক্ট-এর সূত্রাবলী আবিষ্কারের জন্য। দ্য নোবেল কমিটি সেই উপলক্ষে এই ছবিটি প্রকাশ করে।

    সারা বিশ্বজুড়ে আমন্ত্রিত হতেন আইনস্টাইন ভাষণ দেওয়ার জন্য। ছবিতে ভিয়েনায় ভাষণ দিচ্ছেন তিনি।

    কোনও ভাবনায় আটকে গেলে কিছুক্ষণ মানসিক বিশ্রামের জন্যেই শুধু আইনস্টাইন বেহালা বাজাতেন না। বাজাতেন কোনও কোনও সামাজিক বা ‘পাড়ার’ অনুষ্ঠানেও বা তাঁর বাড়িতে ক্রিসমাস ক্যারোলাররা হঠাৎ চলে এলে তাঁদের সঙ্গেও বাজাতেন।

     

    আরও দেখুন
    হ্যালো আইনস্টাইন: চেনা নাম অচেনা গল্প
    বিজ্ঞান
    লাইট
    আলো
    হ্যালো আইনস্টাইন : চেনা নাম অচেনা গল্প
    বিজ্ঞানে
    বিজ্ঞানের
    হ্যালো আইনস্টাইন
    আলোর
    অনলাইন বুক

     

    ১৯৩০ সালে আইনস্টাইন এবং রবীন্দ্রনাথ। তাঁদের প্রতিটি আলাপচারিতাই ছিল নম্র, গভীর, পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তবে হয়তো এইসব সাক্ষাৎকারের সঠিক বর্ণনা বোধহয়— ‘নন্‌-মিটিং অফ টু মাইন্ডস’।

    দ্বিতীয় স্ত্রী এলসার সঙ্গে বোটে। ১৯১৯ সালে স্বামীপরিত্যক্তা এলসা-কে বিয়ে করেন আইনস্টাইন। সেই বছরের প্রথমদিকে আইনস্টাইনেরও বিবাহবিচ্ছেদ হয় তাঁর প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে। এলসা অ্যালবার্টের আত্মীয় মা এবং বাবা, দু’দিক থেকেই। এলসা অ্যালবার্টের নিজের মাসতুতো বোন। আবার অ্যালবার্টের বাবা আর এলসার বাবা ছিলেন ‘তুতো’ ভাই।

    ১৯৩১ সালের এই ছবিতে অ্যালবার্ট আইনস্টাইন বেশ অন্যরকম— তাঁর সেই আলুথালু, অগোছালো রূপটি এখানে নেই।

    ১৯৪০ সালে অ্যালবার্ট আইনস্টাইন গ্রহণ করছেন মার্কিন নাগরিকত্ব। তবে হয়তো স্মৃতিমেদুর হয়েই তিনি সুইস নাগরিকত্বও রেখেছিলেন।

    ১৯৫৫ সালে মৃত্যু পর্যন্ত আইনস্টাইন প্রিন্সটনের এই সাধারণ বাড়িতেই থাকতেন। ১৯৩৬ সালে তাঁর স্ত্রী আকস্মিক মারা গেলেন। জীবনের শেষ ১৯ বছর একাই কাটালেন আইনস্টাইন— যদিও তাঁকে ঘিরে ছিল নিকট আত্মীয়বৃত্ত।

     

    আরও দেখুন
    হ্যালো আইনস্টাইন : চেনা নাম অচেনা গল্প
    আলোর
    বিজ্ঞান
    বিজ্ঞানের
    বিজ্ঞানে
    আলো
    হ্যালো আইনস্টাইন
    হ্যালো আইনস্টাইন: চেনা নাম অচেনা গল্প
    লাইট
    বইয়ের

     

    ১৯৪৭: আইনস্টাইন ৬৮। প্রায়ই ভাষণ দিতেন তিনি, কিন্তু বিজ্ঞান বিষয়ে নয়। এখনও তিনি চলেছেন তাঁর স্বপ্নের পিছনে। সেই স্বপ্ন হল, প্রকৃতির শক্তিগুলিকে একসূত্রে বাঁধা।

    সঞ্চালিকা বলতে লাগলেন, অ্যালবার্ট আইনস্টাইনকে নিয়ে কত যে গল্প শুনেছি আমরা! সেইসব গল্পের কোনটা সত্যি কোনটা মিথ্যে, কেউ জানি না। শুধু এইটুকু নিশ্চিতভাবে জানি, তিনি অন্যমনস্ক অধ্যাপকের আদর্শ উদাহরণ। তিনি বিজ্ঞানের চিন্তায় সারাক্ষণ ডুবে থাকেন। তাই তিনি অন্য কাজ ভুলে যান। যেমন নাকি, তিনি একবার একটা পার্টিতে তাঁর বন্ধুদের নেমন্তন্ন করলেন। কিন্তু তিনি অপেক্ষাই করছেন। কেউ আসছে না। আরে, আসবে কী করে? তিনি যে বন্ধুদের কার্ড পাঠাতে ভুলে গেছেন!

    তাঁর ডিম সেদ্ধ করার গল্পও আমরা অনেকে শুনেছি। ডিমটি হাতে ধরে আছেন। আর অন্যমনস্কভাবে ফুটন্ত জলে ফেলে দিয়েছেন হাতের ঘড়ি। তিনি নাকি নিজের হোটেলেও কখনও কখনও পথ চিনে ফিরতে পারেননি। পথ ভুলে বিভ্রাটে পড়েছেন।

     

    আরও দেখুন
    হ্যালো আইনস্টাইন: চেনা নাম অচেনা গল্প
    আলোর
    হ্যালো আইনস্টাইন
    আলো
    বিজ্ঞানের
    বিজ্ঞান
    বিজ্ঞানে
    লাইট
    হ্যালো আইনস্টাইন : চেনা নাম অচেনা গল্প
    বুক শেল্ফ

     

    আরও এক গল্প, একটি গুরুত্বপূর্ণ মিটিংয়ে যাচ্ছেন আইনস্টাইন। যাওয়ার পথে স্ত্রীকে ফোন করে জিজ্ঞেস করলেন, কোথায় আমি? আর কোথায় বা যেতে হবে? আর একদিন ট্যাক্সি করে প্রিন্সটনে যাচ্ছেন নিজের বাড়ি। বাড়ির কাছে গিয়েও বুঝতে পারছেন না কোন বাড়িতে ঢুকতে হবে। কারণ বাড়ির নম্বর ভুলে গেছেন। কী উপায়? বুদ্ধি করে ট্যাক্সিওলাকে জিজ্ঞেস করলেন, আপনি জানেন কোথায় থাকেন আইনস্টাইন? ট্যাক্সি ড্রাইভার বলল, সেটা কে না জানে? সমস্যার সমাধান!

    আর পাশের ফ্ল্যাটের এক ছোট্ট মেয়ে যে তাঁকে দিয়ে স্কুলের অঙ্ক করিয়ে নিত— সে-গল্প আমরা কে না জানি। কেন সেই একরত্তি মেয়ের অঙ্ক করে দিতেন অ্যালবার্ট আইনস্টাইন?

    সেই খুদে মেয়ে যে বাড়ি থেকে আচার চুরি করে এনে আইনস্টাইনকে খাওয়াত!

    সঞ্চালিকার শেষ কথায় হেসে ফেললেন আইনস্টাইন। তিনি এতক্ষণ সকৌতুকে সঞ্চালিকার কথা শুনছিলেন।

    সঞ্চালিকা এবার সরাসরি তাকালেন আইনস্টাইনের দিকে। বেশ নাটকীয় মুহূর্ত। প্রেক্ষাগৃহ হঠাৎ এমনই নিস্তব্ধ যে যেন আলপিন পড়লেও তার শব্দ শোনা যাবে।

     

    আরও দেখুন
    লাইট
    আলোর
    হ্যালো আইনস্টাইন : চেনা নাম অচেনা গল্প
    বিজ্ঞানে
    হ্যালো আইনস্টাইন: চেনা নাম অচেনা গল্প
    বিজ্ঞান
    হ্যালো আইনস্টাইন
    আলো
    বিজ্ঞানের
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার

     

    সবাই অপেক্ষা করছে, সঞ্চালিকা কী প্রশ্ন করবেন আইনস্টাইনকে? সঞ্চালিকার প্রশ্নটি খুবই সাধারণ— অন্তত আপাতভাবে। সঞ্চালিকা জিজ্ঞেস করলেন, আপনি কি জন্ম থেকেই অনন্য, অসাধারণ?

    আইনস্টাইন তখুনি কোনও উত্তর দিলেন না। যেন তিনি আরও কিছু শুনতে চান সঞ্চালিকার কাছে।

    না কি, তিনি অন্যমনস্ক? সঞ্চালিকার কথা হয়তো তিনি শুনতেই পেলেন না?

    সঞ্চালিকা আবার বলতে শুরু করলেন— ১৮৭৯-র ১৪ মার্চ। জার্মানির ছোট্ট শহর Ulm-এ জন্মালেন এই মানুষটি, আইনস্টাইনের দিকে তাকালেন সঞ্চালিকা। এই সেই মানুষ যিনি সম্পূর্ণ বদলে দিলেন আমাদের ভুবনভাবনা। আমাদের বিশ্ববীক্ষণে নিয়ে এলেন নতুন মাত্রা। হেরম্যান আর পলিন কছ্-এর পুত্র অ্যালবার্ট আইনস্টাইন।

    বাবা-মা তো সদ্যোজাত পুত্রটির দিকে তাকিয়ে ভয় পেলেন। কেন? কারণ পুত্রটির মাথা তার দেহের তুলনায় বেশ বড় এবং ট্যারাবাঁকা।

     

    আরও দেখুন
    বিজ্ঞানে
    হ্যালো আইনস্টাইন
    হ্যালো আইনস্টাইন : চেনা নাম অচেনা গল্প
    হ্যালো আইনস্টাইন: চেনা নাম অচেনা গল্প
    বিজ্ঞানের
    আলোর
    লাইট
    বিজ্ঞান
    আলো
    উপন্যাস সংগ্রহ

     

    এইরকম মাথা নিয়ে জন্মানো ছেলে কি মানসিকভাবে সুস্থ হবে? এই ভয় বাবা-মায়ের মন থেকে কিছুতেই গেল না।

    অ্যালবার্ট একটু একটু করে বড় হল। এবার তো তার মুখে কথা ফোটার সময়।

    কিন্তু সে একটিও কথা বলে না।

    বাবা-মা নিশ্চিত অ্যালবার্টের মাথা ঠিকভাবে কাজ করছে না। অন্য শিশুদের চেয়ে তার বুদ্ধি কম। তাই নেওয়া হল ডাক্তারের মতামত।

    অ্যালবার্ট আইনস্টাইন মুচকি হেসে সঞ্চালিকার দিকে তাকালেন। তার ভাবটি এমন— বাঃ, মেয়েটি তো তাঁর সম্পর্কে বেশ জেনেশুনে, হোমওয়ার্ক করেই এসেছে।

    শ্রোতা-দর্শকেরা মনে মনে ভাবল নাটক বেশ জমে উঠেছে। সবাই একাগ্র হয়ে শুনছে।

    সঞ্চালিকা বলতে লাগলেন— ইতিমধ্যে অ্যালবার্টের একটি বোন হয়েছে। ডাকনাম মায়া (Maja)।

     

    আরও দেখুন
    আলো
    হ্যালো আইনস্টাইন
    বিজ্ঞানের
    বিজ্ঞান
    হ্যালো আইনস্টাইন: চেনা নাম অচেনা গল্প
    আলোর
    লাইট
    হ্যালো আইনস্টাইন : চেনা নাম অচেনা গল্প
    বিজ্ঞানে
    বাংলা ঐতিহাসিক স্থান ভ্রমণ

     

    মায়া কী লিখেছেন জানেন? লিখেছেন— A sound skull is needed to be the sister of a thinker! ভাবুকের বোন হতে গেলে একটি বেশ শক্ত খুলির প্রয়োজন। কেন? কেন আবার, অ্যালবার্ট একে কথা বলতে পারত না, তার ওপর যা কিছু হাতের কাছে পেত ছুড়ে মারত বোনের মাথা লক্ষ্য করে!

    আমরা কি ভাবতে পারি এহেন অ্যালবার্ট আইনস্টাইন সত্যিই একদিন তাঁর অসামান্য বৈজ্ঞানিক প্রতিভার জোরে সম্পূর্ণ পালটে দেবেন আমাদের বিশ্বচেতনা?

    কেমন ছাত্র ছিলেন অ্যালবার্ট আইনস্টাইন?

    প্রশ্নটা ছুড়ে দিলেন সঞ্চালিকা। শ্রোতা-দর্শকদের মধ্যে চাপা গুঞ্জন।

    অ্যালবার্ট আইনস্টাইন নিজের ভাবনায় ডুবে আছেন। তাঁর মুখ দেখে ঠাওর হয় না তিনি ঠিক কী ভাবছেন।

    নাটকীয়ভাবে কিছুক্ষণ থামলেন সঞ্চালিকা। প্রশ্নটিকে থিতিয়ে যেতে দিলেন দর্শকদের মনে।

     

    আরও দেখুন
    লাইট
    হ্যালো আইনস্টাইন: চেনা নাম অচেনা গল্প
    বিজ্ঞানের
    হ্যালো আইনস্টাইন : চেনা নাম অচেনা গল্প
    বিজ্ঞানে
    আলোর
    আলো
    বিজ্ঞান
    হ্যালো আইনস্টাইন
    বই

     

    তারপর বললেন, আমি আর এখন একটি কথাও বলব না, এই প্রশ্নের উত্তর আপনারা শুনুন স্বয়ং অ্যালবার্ট আইনস্টাইনের মুখ থেকে।

    সমস্ত প্রেক্ষাগৃহ কিছুক্ষণের জন্য নিস্তব্ধ। সব আলো নিভে গেছে। শুধু একটা আলোকবৃত্ত অ্যালবার্ট আইনস্টাইনের উপর। সেই আলোর মধ্যে তিনি উঠে দাঁড়াবার সঙ্গে সঙ্গে মনে হল, সবার মধ্যে তিনি আলাদা, অনন্য, স্বতন্ত্র।

    তিনি গম্ভীর কণ্ঠে বললেন, শুভসন্ধ্যা।

    শব্দটি তাঁর মুখে উচ্চারিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আবার তুমুল করতালি। হাততালি থামতেই শুরু করলেন অ্যালবার্ট আইনস্টাইন।

    কেমন ছাত্র ছিলাম আমি?

    আপনারা অনেকে এই প্রশ্নটির উত্তর জানতে চান, আমি জানি। এক কথায় এ-প্রশ্নের উত্তর কী করে দিই বলুন তো?

    ছাত্র হিসেবে আমি ছিলুম ভালমন্দ মেশানো। অনেকেই যেমন হয় আর কী। খুব আলাদা কিছু নয়।

    আমি অঙ্ক আর বিজ্ঞান ভালবাসতাম। ওই দুটোতে ভাল ছিলাম।

    অসাধারণ ছাত্র বলতে যা বোঝায় আমি কিন্তু তা ছিলাম না। আমার বাবা আমার স্কুলের হেডমাস্টারকে একবার জিজ্ঞেস করেছিলেন, আমার কোন প্রফেশনে যাওয়া উচিত। হেডমাস্টার বাবাকে বললেন, অ্যালবার্ট যে-কোনও প্রফেশনে যেতে পারে। কিন্তু ও যাই করুক, কোনওদিন কোনও কাজেই সফল হবে না।

    শ্রোতা-দর্শকদের মধ্যে হাসির ঢেউ উঠল। কৌতুকের ঝিলিক খেলে গেল এ-যুগের মহত্তম বিজ্ঞানী, সফলতম ভাবুক অ্যালবার্ট আইনস্টাইনের চোখে।

    আর একটি স্পট-লাইট এসে পড়ল সঞ্চালিকার উপর। আলোকবৃত্তে ভারী সুন্দর দেখাচ্ছে তাঁকে।

    তিনি প্রশ্ন করলেন অ্যালবার্ট আইনস্টাইনকে, বিজ্ঞানে আপনার আগ্রহ শুরু কবে থেকে?

    আইনস্টাইন নাটকীয়ভাবে উত্তর দিলেন— আমার জীবনের প্রথম মিরাকল ম্যাগনেটিজম-এর সঙ্গে পরিচয়। আমার সঙ্গে বিজ্ঞানের ভালবাসার সম্পর্কের সূত্রপাত সেই থেকেই।

    সঞ্চালিকা বিস্মিত— মিরাকল! কেমন মিরাকল?

    আইনস্টাইন উত্তর দিলেন— আমার বয়েস তখন চার-পাঁচ হবে। বাবা তখন আমাকে একটা কম্পাস এনে দিলেন। কম্পাসের কাঁটাটা সব সময়ে উত্তর দিকে ঘুরে যাচ্ছে। কী আশ্চর্য! কেন! আমি তো অবাক। এটাই আমার জীবনে প্রথম মিরাকল।

    সঞ্চালিকা বললেন— তারপর?

    উত্তরে আইনস্টাইন বললেন— তারপর আর কী! সেই চার-পাঁচ বছর বয়সেই আমার মনে হয়েছিল, কোনও লুকনো শক্তি কম্পাসের কাঁটাটাকে ঘুরিয়ে দিচ্ছে। আমি ক্রমশ বুঝতে পারলাম এই শক্তিকে বোঝবার একমাত্র উপায় বিজ্ঞান।

    সঞ্চালিকা জানতে চাইলেন— ছেলেবেলায় বিজ্ঞান ছাড়া আপনার আর কোনও ইন্টারেস্ট ছিল না? খেলাধুলো?

    ওরে বাবা! খেলতে আমার একদম ভাল লাগত না। আমার ক্লাসের বন্ধুরা এইজন্যে আমাকে অদ্ভুত বলে ভাবত আর খ্যাপাত।

    তা হলে বিজ্ঞান ছাড়া আর কী ভালবাসতেন? প্রশ্ন করলেন সঞ্চালিকা।

    সংগীত।

    সংগীত! কী ধরনের সংগীত?

    অবশ্যই ক্লাসিকাল। এগারো-বারো বছর বয়েসেই আমি বেঠোভেন-মোৎসার্ট-এর সোনাটা বাজাতে পারতাম। বেহালায়।

    সঞ্চালিকা কিছুক্ষণ থামলেন। সবাইকে অবাক হওয়ার সময় দিলেন। তারপর মৃদুস্বরে জিজ্ঞেস করলেন— আপনার জীবনে প্রথম মিরাকলের কথা আপনি বলেছেন। আপনার জীবনে কোনও সেকেন্ড মিরাকল তা হলে আছে। তাই তো?

    আইনস্টাইন সঞ্চালিকার দিকে তাকিয়ে বললেন, আপনি শুধু সুন্দরী নন, আপনি বুদ্ধিমতীও। হ্যাঁ, আমার জীবনে অবশ্যই আছে সেকেন্ড মিরাকল।

    আমরা কেউ বিশেষ জানি না আপনার জীবনে এই সেকেন্ড মিরাকলের কথা। জানাবেন?

    আমার জীবনে সেকেন্ড মিরাকল ইউক্লিডিয়ান জ্যামিতি।

    জ্যামিতি!

    ঠিক তাই। এই আশ্চর্য ঘটনা আমার জীবনে ঘটল ঠিক বারো বছর বয়সে।

    তারও নিশ্চয় একটা গল্প আছে, বললেন সঞ্চালিকা।

    অবশ্যই। এই গল্প আমার জীবনে নিয়ে আসে ম্যাক্স।

    কে এই ম্যাক্স?

    খুব গরিব এক পোলিশ ছাত্র। মিউনিখে লেখাপড়া করত। ম্যাক্স একদিন আমাকে ইউক্লিডিয়ান জিওমেট্রির বইটা উপহার দেয়। তখন আমার বয়েস মাত্র বারো।

    মিরাকলটা কী করে ঘটল?

    বারো বছর বয়সে আমার পরিচয় ঘটল বিশুদ্ধ ভাবনার জগতের সঙ্গে। সেইটেই তো মিরাকল। কোনও দামি যন্ত্র বা লেবরেটরির সাহায্য ছাড়াই আমি এখন কিছু জাগতিক সত্যকে গভীরভাবে বুঝতে পারার পথ খুঁজে পেলাম— শুধুমাত্র আমার বোধবুদ্ধির শক্তি দিয়ে। এইটা তো মিরাকল।

    আইনস্টাইন থামলেন। সঞ্চালিকাও নীরব। শ্রোতা-দর্শকেরা উদ্‌গ্রীব পরের প্রশ্নের জন্যে। তাঁরা অ্যালবার্ট আইনস্টাইনকে একেবারে নতুনভাবে জানছেন।

    সঞ্চালিকা খুব ধীরে নাটকীয়ভাবে প্রশ্ন করলেন, আপনি স্কুল পালিয়েছিলেন কেন?

    আইনস্টাইন— আমাকে আমার শিক্ষকেরা অপছন্দ করতেন। আমিও তাদের অপছন্দ করতাম।

    সঞ্চালিকা— আর কোনও কারণ?

    আইনস্টাইন— আরও একটা কারণ, জার্মানিতে থেকে স্কুলে পড়লে আমাকে প্রাশিয়ান আর্মিতে মিলিটারি ডিউটি করার জন্যে পাঠানো হতই। এটা ছিল আমার রুচির সম্পূর্ণ বিরুদ্ধে।

    সঞ্চালিকা— কীভাবে স্কুল পালালেন?

    আইনস্টাইন— তাও বলতে হবে? একটি মিথ্যের আশ্রয় নিতে হয়েছিল।

    সঞ্চালিকা— কী মিথ্যে?

    আইনস্টাইন— আমাদের পারিবারিক ডাক্তারকে বললাম একটা নোট লিখে দিতে, যাতে বলা হল আমি যদি বাবা-মায়ের কাছে ফিরে না যাই আমার নার্ভাস ব্রেকডাউন হয়ে যাবে।

    শ্রোতা-দর্শকেরা এবং সঞ্চালিকা সবাই আইনস্টাইনের কথায় হেসে উঠলেন।

    সঞ্চালিকা হাসতে হাসতে জিজ্ঞেস করলেন, স্কুল পালিয়ে বাবা-মায়ের কাছে যখন ফিরে গেলেন, তাঁরা কী বললেন?

    তাঁরা অসহায়ভাবে আমার দিকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে ছিলেন। এই ড্রপ-আউট ছেলেকে নিয়ে তাঁরা কী করবেন? তাঁরা বুঝলেন, আমার ভবিষ্যৎ অন্ধকার।

    দর্শক-শ্রোতাদের মধ্যে হাসি।

    সঞ্চালিকা— আপনার দিক থেকে কিছু বলার ছিল না?

    আইনস্টাইন— অবশ্যই ছিল। আমি বললুম আমি সুইত্জারল্যান্ডে জুরিখ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে পড়তে যাব। সেখানেই পাঠাতে হবে আমাকে।

    সঞ্চালিকা— তারপর?

    আইনস্টাইন— তারপর খুব সিম্পল। এন্ট্রাস পরীক্ষায় ফ্রেঞ্চ, কেমিস্ট্রি, বায়োলজিতে ফেল করলাম।

    দর্শক শ্রোতারা হাসতে লাগলেন। সঞ্চালিকাও না হেসে পারলেন না।

    সঞ্চালিকা— তবু ভরতি হলেন কী করে?

    আইনস্টাইন— অঙ্ক আর ফিজিক্সে এমন ভাল করলাম যে তার জোরেই ভরতি হয়ে গেলাম। কিন্তু পরের বছরে, আরও কিছু পড়াশোনার পর।

    সঞ্চালিকা: আপনার জীবনে কোনও থার্ড মিরাকল?

    আইনস্টাইন: আমার প্রথম প্রেম।

    সবাই নীরব। অ্যালবার্ট আইনস্টাইন তাঁর জীবনে প্রথম প্রেমের কথা সত্যি বলবেন?

    আইনস্টাইন ঘড়ি দেখলেন। ঘড়ি দেখলেন সঞ্চালিকা নিজেও। তাকালেন আইনস্টাইনের দিকে।

    আমার প্রথম প্রেমের গল্প আর একদিন হবে। আজ থাক। ধীরে ধীরে মঞ্চ চলে গেল পরদার আড়ালে। জ্বলে উঠল প্রেক্ষাগৃহের আলো।

    ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleব্রহ্ম সত্য জগৎ সত্য : উপনিষদ বিজ্ঞান রবীন্দ্রনাথ – ড. মণি ভৌমিক
    Next Article বিশ্বের শ্রেষ্ঠ ১০০ মনীষীর জীবনী – মাইকেল এইচ. হার্ট

    Related Articles

    মণি ভৌমিক

    ব্রহ্ম সত্য জগৎ সত্য : উপনিষদ বিজ্ঞান রবীন্দ্রনাথ – ড. মণি ভৌমিক

    November 10, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }